-
সকাল ১১:৩০
-জাহিদুল হাসান ওয়াসী-মিমি,আম্মার জন্য দোয়া কর্
-কি হইছে,ভাইয়া??
-অসুখ বেড়েছে, হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি।
-আমি আসবো?
-না,এখন না,থাক,দোয়া কর্,তোর হাজবেন্ডকে দোয়া করতে বলিস্
এতটুকু কথা বলতেই কান্না করে দিলো মিমি হাবিব।
তার আম্মার অবস্থা অনেক খারাপ,হয়তো বাঁচবে না,আসলে উনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসসহ আরো অনেক রোগে ভুগছেন।মান্নান উনাকে হাসপাতালে ভর্তি করলেন।ডাক্তাররা তাকে আইসিইউতে রেখেছে।-আম্মু কি হয়েছে?
-এখন কথা বলিস্ না।এই কথা বলে নিজেই কান্না শুরু করে দিলো মিমির একমাত্র কন্যা মারিয়া।
আম্মু,আর আপুর কান্না দেখে নিজের অজান্তেই কান্না শুরু করলো মিমির ছোট ছেলে মাহিম।তাদের তিনজনের কান্নার শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল মাহিয়ান হাবিবের।
-কি হইছে,এভাবে কান্না করতেছেন কেন আপনারা?
-আমার আম্মার অবস্থা খারাপ।
-আরে ঠিক হয়ে যাবে,উনার শরীর তো এখন একটু খারাপ যাচ্ছে।
-হাসপাতালে নিয়ে গেছে মান্নান ভাইয়া।
-তাহলে আমরাও চলো।মারিয়া যা, মাহবুবরে উঠা ঘুম থেকে।
মারিয়া মাহবুবকে ডাকতে গেল
-মাহবুব,মাহবুব উঠ্,আমরা বাড়িতে যাবো,নানুর অবস্থা খারাপ।
এমন সংবাদ শুনে লাফ দিয়ে উঠলো মাহবুব,কি হয়েছে নানুর?
-হাসপাতালে।
-কে বলছে?
-মামা।
-ও,তো তুই কান্না করতেছিস্ কেন?
এই কথা শুনে মারিয়ার চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়তে লাগলো।সেই পানি মুছে দিয়ে মাহবুব বলল কান্না কেন করতেছিস,আজব..মুখ ধুয়ে আসি যাই।মাহিয়ানের ফোনে কল আসছে।মান্নান কল দিয়েছে।
হ্যালো ভাইয়া,…………..ও আচ্ছা।
কল কেটে দিলো মাহিয়ান
-কি হয়েছে?
-কিছু না, আমাদের তাড়াতাড়ি যেতে বলেছে।
-মাহবুব তাড়াতাড়ি কর্।মারিয়া বলল
সবাই রেডি হওয়া শুরু করলো।রেডি হয়ে রওয়ানা দিলো বরিশালের উদ্দেশ্যে।
তাতেই খটকা লাগলো মিমির।আমরা ঢাকায় না গিয়ে বরিশাল কেন যাচ্ছি?এই বলে আবার কান্না শুরু করে দিলো মিমি।সে বুঝে গিয়েছে,তার মা আর নেই এই দুনিয়ার মাঝে।তাদের লঞ্চ চলা শুরু করলো। হঠাৎ করে মারিয়ার মোবাইল বলে উঠলো “এখন সময় ১১:৩০ মিনিট”পড়ার জন্য ধন্যবাদ ❤️
5 Comments
Friends
Md. Helal Uddin
@adv-helal-uddin
পি.কে. সরকার
@pksarker
Suhas Barnabash Gomes
@barnabash
Md Nurnabi Sarker
@nurnabi
Jubayer Al Mahmud
@jubayer
Mainuddin Hossain Mainuddin
@mainuddin-hossain-mainuddin
Md.Mohsin Ali
@fivertrading007gmail-com
AroHi RahmAn
@arohi-rahman
Sabina Yeasmin
@sabina



Nice