-
কিশোরী_বয়সের_ভালোবাসা।
(না কি অপরিণত বয়সের ভুল )
লেখনীতে মেহের_মেহের_সীমা।
পর্বঃ২০সবাই আমার রান্নার প্রশংসা করলেও আমি নিজের রান্না খেয়ে বুঝতে পারলাম আমার রান্না মায়ের ধারের কাছেও ঘেঁষেনী।
সেদিন ক্লান্ত থাকায় রাতে মায়ের সাথে আর কথা বলিনি।
সুমনা খুব কান্নাকাটি করেছিলেন কারণ সে চায়নি তার একমাত্র মেয়ে এভাবে শ্বশুড় বাড়ি যাবে।
তার কান্নাকাটি দেখে শাহেদ বেপারি তারেক কে ফোন করে তার শরীর কেমন আছেন, বাসার সবাই কেমন আছেন তা জানতে চায়।
তারপর তারেককে ফোন করে বলেন ঈদের পরের দিন যেনো তার মেয়েকে বাড়িতে দিয়ে আসেন।
কারণ অনুষ্ঠান করে সবাইকে জানিয়েই শাহেদ বেপারির ইচ্ছে তার মেয়েকে বিদায় করার।
তারেক শাহেদ বেপারির কথা শুনে রাজি হয়ে যান।
তবে মনে মনে সিদ্ধান্ত নেন দুই এক মাসের মধ্যেই অনুষ্ঠান করে তার কাছে তার বৌকে নিয়ে যাবেন।
তারেক এর সাথে আমার প্রথম ঈদ তেমন একটা মন্দ কাটেনি।
আমরা ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকা এসে পড়ি।
তারেক দুইদিন অফিসে ব্যস্ত ছিলেন সেজন্য আমাদের বাড়িতে আসেনি।
দুইদিন পর আমাদের বাসায় এসে তারেক আমার বাবার সাথে তার বড় ভাইয়ের কথা বলিয়ে দেন ফোনে।
কারণ তারা চাচ্ছেন আগামী মাসের মধ্যেই আমাকে ঘরে তুলে নিতে।
কিন্তু বাবার ইচ্ছে ছিল আমার এসএসসি শেষ করে অনুষ্ঠান করবে।
তবে তারেক এবং তার পরিবারের আগ্রহে সে ইচ্ছে বাদ দিয়ে তাড়াতাড়ি অনুষ্ঠান করতে রাজি হয়ে যায়।
এরমধ্যে তারেক আমাকে বুঝাতে থাকেন বিয়ের পর পড়াশোনা করে কি হবে?
তোমাকে দিয়ে তো আর চাকরি করাবো না!
তাছাড়া অনুষ্ঠানের পর আমরা আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকব।
তখন মা বাবাকেও আমাদের সাথে নিয়ে আসব।
তুমি সংসার সামলিয়ে পড়াশোনার সময় পাবে কোথায়?
আমি তার কথা শুনে বললাম,সময় বের করে নিব।
তা নিয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না।
তারেক আমার কথা শুনে বললেন, তুমি না বললেও চিন্তা করতে হয়।
সীমা তুমি আমার কথা বুঝতে পারছ না।
তুমি পড়াশোনা না করে পরীক্ষা দিলে ধর ফেইল করলে তখন?
আশ্চর্য আমি ফেল করব কেন?
আমাদের অনুষ্ঠানের পর নিশ্চয় আমি তোমাকে দেশে রাখব না!
আর আমার সাথে এখানে থাকলে ক্লাস করতে পারবে না।
আর আমি বাসায় একা তোমার জন্য টিচার রাখতে পারবো না,
তুমি ঠিকঠাক পড়াশোনা করতে সময় পেলে না।
কিন্তু পরীক্ষা দিয়ে ফেইল করলে তখন আমি আমার বন্ধুদের মুখ দেখাতে পারব?
তুমি চাও তোমার জন্য তোমার বর তার বন্ধুদের কাছে ছোট হোক?
আমি সেদিন তার কথা শুনে দমে যায়।
এরপর কয়েকদিন পড়াশোনার কথা বললে তারেক তা আমলে নেয়নি।
আমার মনের জোর হারিয়ে ফেলি।
এদিকে আমার বিয়ের পর সোহেল সর্দার বারবার আমাদের বাড়ির আসেপাশের ঘুরঘুর করতেন।
আমাকে দেখলে কথা বলতে চেষ্টা করতেন।
ব্যাপারটা তারেক এর নজরে আসে।
তার ধারণা হয় আমি তার সাথে প্রেম করতাম।
কিন্তু আমি তাকে অনেক ভাবে বুঝাতে থাকি সে যা ভাবছেন তা ভুল।
তবে তিনি আদৌও আমার কথা বিশ্বাস করছে কিনা বলতে পারব না।
এরমধ্যে আমাদের অনুষ্ঠানের তারিখ ঠিক করা হয়েছে ২৫/১২/২০০৩ খ্রিষ্টাব্দে।
এরপর থেকে তারেক আমাকে নিয়ে বিয়ের শপিং করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
দেখতে দেখতে অনুষ্ঠানের সময় ঘনিয়ে এলো।
মা বাবা আমাকে এবং ভাইদের রেখে সাত দিন আগেই গ্রামে জান অনুষ্ঠান যেহেতু গ্রামে হবে তাই সবকিছু গোছগাছ করতে সময় লাগবে।
অবশ্য দাওয়াত দেওয়া হয়ে গেছে আরও আগেই।
আর তারেক অনুষ্ঠানের তিনদিন আগে গ্রামে যাবেন এই কয়দিন আমাদের সাথে থাকবেন।
সে দেশে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছেন যাতে তার পরিবার সবকিছু ঠিকঠাক করতে পারেন।
এই তিন চার দিন আমাদের দিন আনন্দে কেটে যায়।
আমরা ঢাকা থেকে একসাথে গ্রামে আসি অনুষ্ঠানের দুইদিন আগে।
একসাথে এলেও আমি এবং ভাইয়ারা আমাদের বাড়িতে এবং সে তার বাড়িতে চলে গেলেন।
একটা বিষয় না বললেই নয় আমি বাড়িতে পা রেখে চরম লজ্জায় পড়লাম।
বিয়ে উপলক্ষে আমাদের বাড়িতে লোকে লোকারণ্য হয়ে রয়েছে।
কয়েকজন উঠানে বসে গীত গায়ছে কেউ কেউ গানের তালে নাচছিলেন।
আমাকে দেখে সবাই চিৎকার করে উঠলো।
তাদের কথা হচ্ছে গতকাল থেকে বিয়ের কনে ছাড়া তাড়া গীত গেয়ে যাচ্ছে কিন্তু বিয়ের কনের দেখা নেয়।
আজকে কিনা বিয়ের কনে এসেছে।
বিষয়টি হচ্ছে এমন,যার বিয়ে তার খবর নেই কিন্তু বিয়ে উপলক্ষে পাড়া পড়শী ঘুম নেই।
বাবা অনুষ্ঠান উপলক্ষে এক হাজার লোকের আয়োজন করছেন সেজন্য স্টেজ করা হয়েছে দুটো।
তাছাড়া গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হবে বড় করে।
আর গায়ে হলুদ সহ পুরো অনুষ্ঠানের ভিডিও করা হবে।
আর এই ভিডিও করবে তারেক এর ঘনিষ্ঠ বন্ধুর ছোট ভাই রিফাত।
এতে করে বর ও কনের সম্পূর্ণ ভিডিও একসাথে থাকবে।
আমাদের বাড়িতে হলুদের ভিডিও করতে করতে রাত এগারোটা বেজে গেছে সেজন্যই তারেক ফোন করে যা তা ব্যাবহার করেন।
তারেক এর সাথে কথা শেষ হলে আমি মাথা ব্যথার অজুহাত দেখিয়ে রুমে গিয়ে লাইট অফ করে শুয়ে রইলাম।
সেদিন আমার দু চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ছিল।
মনে হচ্ছিল কোন ভুল করলাম না তো?
সেদিন সারারাত আমার চোখে ঘুম হয়নি।
পরের দিন যথারীতি সকাল থেকে শুরু হলো বিয়ে বাড়ির জাঁকজমক।
আমাকে সাজিয়ে বসিয়ে রাখা হয় ঘরের ভেতর।অন্যদিকে
একশো আশি জন লোক আসার কথা বরযাত্রীতে ,
যোহরের নামাজের পর পর তারেক বরযাত্রী নিয়ে আসেন।
একটি প্রাইভেট কার ও দুটি মাইক্রোবাস নিয়ে আসেন।
আরেকটি কথা সেদিন বরযাত্রীর সেরা আকর্ষণ ছিল তারেক এর বন্ধুদের বাইক প্রদর্শন।
১২০ জন মিলে ৬০টি মটরসাইকেল সারিবদ্ধভাবে চালিয়ে আসেন তারা যা সেদিন সবার নজর কাড়েন।
সেদিন সবার মুখে মুখে ছিল তাদের এই কর্মকাণ্ডের কথা।
আমার কানের কাছে এসে রিয়া কয়েকবার কথাটা বলেছে।
তা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই।
কিন্তু আমার মাথায় তো তখন গতকাল রাতে তারেকের আমায় বলা কথাগুলো চলছিল।বর যাত্রীরা খাওয়া দাওয়া শেষ করে আড্ডায় মেতে উঠেছে।
একে একে মালা বদল, মিষ্টি মুখ ও আয়না দেখা শেষ হলো।
মালা বদলের সময় তারেক দুষ্টুমি করে তার হাতে পেঁচানো মালাটি আমার সামনেই তার মেঝো ভাইয়ের শালীকে পড়িয়ে দিলেন।
আমি তার এমন কান্ড দেখে কিছু বলতে পারলাম না।
তবে তার বিয়ান এর জামাই বলে উঠলেন,সীমা সবার সামনে তোমার বর আমার বৌয়ের গলায় মালা দিয়েছে এখন তুমি আমার গলায় মালা দিবে।
না হলে তুমি আমি এদের কাছে ছোট হয়ে যাব।
আমি তার কথা শুনে সত্যি করে তাকে মালা পড়িয়ে দেই।
তা দেখে ঘরে থাকা সবাই হইহুল্লোড় করে উঠেন।
সবশেষে আসে সবচেয়ে কষ্টের মূহুর্ত।
যা সব মেয়েদের বাবা মা’কে কাঁদিয়ে ছাড়ে।
মানে বিদায় এর পালা।
আমার বেলায় ও তা ব্যতিক্রম হয়নি।
বিদায়ের সময় মা বাবাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বেহুঁশ হবার মতো অবস্থা হয়েছিল আমার।
আমার বাবা তো আমাকে বুকে জড়িয়ে হাউমাউ করে কেঁদে দিলেন।
মা বারবার আমাকে ঝাপ্টে ধরে কপালে, গালে চুমু দিচ্ছে আর কাঁদছেন।
আমার বড় ভাসুর তা দেখে মা বাবাকে স্বান্তনা দিলেন।
বুঝিয়ে শুনিয়ে আমাকে হাসি খুশি বিদায় দিতে বলেন।
আমার মনের মধ্যে একদিকে মা বাবাকে ছেড়ে আসার কষ্ট অন্যদিকে গতকাল রাতের তারেক এর আচরণের কারণে অভিমান।
সেদিন বিদায়ের পর আমাকে যখন গাড়িতে উঠানো হয় তারেক সাথে সাথে গাড়িতে বসে লোক চক্ষুর আড়ালে আমাকে হালকা করে জড়িয়ে আমার গালে তার ওষ্ঠ ছুঁয়ে দিলেন।
তারপর আমার কাছে থেকে সরে বসলেন।
মুহূর্তের মধ্যেই আমার সব অভিমান পানি হয়ে গেল।
পবিত্র সম্পর্কগুলো বোধহয় এমনেই।আমাদের বাড়িতে থেকে তারেক এর বাড়ি যেতে দুরত্ব গাড়িতে মাত্র ১০ মিনিট।
সেজন্য আসতে সময় লাগেনি।
তারেক এর বাড়িতে এসে দেখি আমার জন্য বাসর সাজানো হয়েছে।
আমাকে প্রথমে সেখানে না নিয়ে সামনের বারান্দায় বসিয়ে রাখেন কয়েক ঘণ্টা।
আসে পাশের সবাই আমাকে দেখতে আসছেন।
সবার দেখাদেখি শেষ হলে আমাকে বাসর ঘরে দিয়ে আসেন।
তবে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে বাসর রাতে তিনি নাক ডেকে ঘুমিয়েছে আমি জেগে জেগে গল্প শুনেছি।
তাও যে সেই গল্প নয় বরের গল্প।
বিয়ান এবং তার বরের কাছে থেকে তারেক এর জীবনের সব গল্প শুনলাম।
এরমধ্যে তার প্রেম ভালোবাসার মানুষের কথাও শোনা হয়ে গেছে।
সেদিন রাত একটা পর্যন্ত তারা আমার সাথে গল্প করেন আর আমার বর আমার পাশেই ফুলের বিছানায় গভীর ঘুমে রয়েছে।
আমি সেদিন এটাও জানতে পারলাম তারেক অনেক রাগী।
তারা দুজন দুঃখ প্রকাশ করলেন গতকাল আমার সাথে তারেক খারাপ আচরণ করায়।
সেদিন থেকে আমি বুঝতে পারলাম তারেক এর মনটা ভালো হলেও সে মানুষটা ভীষণ বদরাগিঅনুষ্ঠানের তৃতীয় দিন আমরা ঢাকা এসে পড়ি।
পহেলা জানুয়ারি থেকে শুরু হয় তারেক এর সাথে আমার নতুন জীবনের পথ চলা।
দিন, সপ্তাহ মাসের পর মাস চলে গেছে এই সংসারে এসেছি।
সব বদলে গেছে তবে বদলায়নি শুধু একজন।
সম্পর্কের বয়স হতে থাকে আমি আস্ত আস্তে তাকে খেয়াল করে বুঝতে পারলাম তারেক অন্য রকম।
ছোট খাটো বিষয়ে আমার উপরে রেগে যায়।
তার রাগ এতটাই ভয়াবহ যে আসেপাশের কে আছে বা সে কোথায় তা কখনো ভাবতেন না।
দেখা যেত আমার একটা ভুল হলে সবার সামনেই আমাকে বকা দিচ্ছেন।
কিন্তু তারপর চার দেয়ালের মধ্যে ঠিকই আমাকে আদর করে কাছে টেনে নিচ্ছে।
তবে কখনো নিজের আচরণের জন্য সরি বলতেন না বরং আমার পছন্দের কিছু নিয়ে এসে আমাকে দিতেন।
তার এমন আচরন আমাকে কষ্ট দিতো।
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় ছিল আমাকে তিনি তেমন পছন্দ করতেন না।
তার পছন্দের তালিকায় ছিলেন শ্যামলাবতী দের ভীর।
এতদিনে আমার জানা হয়ে গেছে তার জীবনে প্রেম এসেছিল একবার দুই বার নয়।
তিন তিন বার।
তার প্রেমিকারা সবাই ছিলেন শ্যামবর্ণের ।
আর তাদের বাড়ি তারেকদের আসে পাশেই।
তার মা ও মেঝো ভাবীর অপছন্দের তালিকায় ছিলেন তার প্রেমিকারা।
সেজন্যই সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি ও আরেকটি কথা দুজনের বিয়ে হয়ে গেছে আরেকজন এখনো অবিবাহিত
একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমি যখন তারেক এর সাথে গ্রামে যেতাম বেড়াতে।
তখন সে আমাকে নিয়ে তার এক প্রতিবেশী ছোট ভাইয়ের বাসায় নিয়ে যেতেন।
তবে তাদের পাশে থাকা বাড়ির মানুষের সাথে কথা বললেও কখনো নিয়ে যেতেন না।
ওখানে এক ভাবী ছিলেন আমাকে দেখলেই,ফাইট্টা যায় ফাইট্টা যায়।
আমার বাড়ির সামনে দিয়া বন্ধু যখন বৌ লইয়া হাইট্টা যায়।
আমার বুকটা ফাইট্টা ফাইট্টা যায় বলে গান গাইতেন তবুও এই দুই লাইন।
তার গান শুনে একটা মেয়ে ঘরে চলে যেত তখন গানের মানে বুঝতে না পারলেও ধীরে ধীরে বুঝতে পারি গানটি কেন গাওয়া হয়।
তার পর থেকে আমি ওদিকে কম যাওয়ার চেষ্টা করতাম।
এভাবেই চলছিল কিছুদিন।
বিয়ের কয়েক মাস পর কনসিভ করাতে আমি অনেক অসুস্থ হয়ে পড়ি।
তবুও সব সময় সতর্ক থাকতে হতো তারেকের রাগী স্বভাবের জন্য।
কারণ সে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা,বাসা পরিপাটি রাখা পছন্দ করতেন।
এবং খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে ছিলেন সচেতন।
রান্না মজা না হলে মুখের উপর বলে দিবে এটা এমন হয়েছে কেন?
তাছাড়া সবকিছু পারফেক্ট চাই তার যা আমার জন্য মাঝে মাঝে কষ্টের কারণ হয়ে যেত।
সংসারের ঝামেলা , খাবারের অরুচি সব মিলিয়ে আমার জান যায় যায় অবস্থা।
তবে কনসিভ করার পর একটা বিষয় খেয়াল করি প্রতি মাসে আমাকে ডাক্তারের কাছে নিতে ভুলতেন না তিনি।
তবে যখন আমার ছয় মাস চলছিল , পায়ে পানি এসে পরে, রাতে ঘুম হতো না শারীরিক অসুস্থতার কারণে কিন্তু তারেক আমাকে পাশে শুয়ে নিশ্চিন্তে গভীর ঘুমে থাকতেন তখন খুব খারাপ লাগতো।
আমার জন্য সব সময় খাবার দাবার এনে ফ্রিজ ভরে রাখতেন কিন্তু আমি খেতে না চাইলে কখনো আদর করে খাওয়াতেন না।
বরং বকা দিয়ে খাওয়াতেন।
মানুষটা আমার থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর।
এভাবে কেটে যাচ্ছে আমার দিনগুলো।
আমি যখন এসব ভাবছি সে সময়ে হঠাৎ আমার পুতুলটা কেঁদে ওঠে।
আমি দীর্ঘ অতীত কল্পনা থেকে বাস্তবে ফিরলাম।
পুতুলটা ঘুম থেকে উঠে গেছে আমি মেয়েকে বুকের মধ্যে নিতেই সে নিজের খাবার বুঝে নিতে ব্যাস্ত।#চলবে
বিঃদ্রঃ আমার লেখা যদি আপনাদের ভালো লাগে তো লাইক ও আপনাদের মূল্যবান মতামত দিয়ে পাশে থাকবেন।
লেখায় ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন না হলে ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন।
গল্পটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ সবাইকে।11 Comments

Saifun nesa Shima
Housewife
Friends
Nahar moyna
@moyna
বিপুল চন্দ্র রায়
@sreebipulchondrorayraygmail-com
এমদাদ হোসেন
@emdad123
Jebunnesa jebu (জেবুন্নেছা জেবু)
@jebunnesa-jebu
TARIN
@tarin
Latifur-rahman-Pramanik
@latifur-rahman-pramanik
Md-Nadiruzzaman
@md-nadiruzzaman
Md. Habibur Rahman
@habib
তাওহীদ সুফিয়ান
@tawhidsufian



Go ahead