-
“পরিবেশ সংকটে বিশ্ব ও বাংলাদেশ”
পৃথিবীতে টিকে থাকার জন্য পরিবেশ মানবসভ্যতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তাকে আমরা পরিবেশ বলে থাকি। তবে পানি,মাটি,বায়ু,উদ্ভিদ,পশুপাখি হল পরিবেশের প্রধান উপাদান । পৃথিবীর সৃষ্টি লগ্ন থেকে সকল জীব পরিবেশের উপর নির্ভর করে আসছে। কেননা পরিবেশ ছাড়া কোন জীবই এককভাবে বেঁচে থাকতে পারে না। পরিবেশের প্রত্যেকটি উপাদান সকল জীবের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য । প্রত্যেক মানুষ কোন না কোন পরিবেশে বসবাস করে থাকে। তাই বলা যায় সকল জীবের জন্য পরিবেশের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।কিন্তু দুঃখের বিষয় আজ সারা বিশ্বজুড়ে পরিবেশ সংকট ঘনিয়ে আসছে। মানুষের সৃষ্ট যন্ত্রসভ্যতার গোড়াপত্তন থেকেই চলছে প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর নির্মম কুঠারাঘাত। তাছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে মানুষ অনেকাংশ হয়ে উঠেছে পরিবেশের নিয়ন্ত্রক আর প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে মানুষ নিজের স্বার্থ রক্ষার্থে পরিবেশকে ধ্বংস করছে নির্বিচারে।যার ফলে পরিবেশের ভারসাম্য দিনদিন বিপর্যয়ের মুখে পতিত হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হওয়ার ফলে আজ প্রাণীজগৎ ও উদ্ভিদজগৎ হুমকির সম্মুখীন। পরিবেশ দূষণ এর পিছনে কারণ অগণিত । তবে মূল কারণ সমূহ হলো অপরিকল্পিত নগরায়ন, জনসংখ্যার জনসংখ্যার লাগামহীন বৃদ্ধি এবং বৃক্ষনিধন আর বনভূমি হ্রাসকরণ।উনিশ শতকে শিল্প বিপ্লবের দ্রুত অগ্রগতির ফলে ভোগবিলাসী ও লোভী মানুষ দস্যুর মতো লুণ্ঠন করে প্রাকৃতিক সম্পদের উপর। ফলে পরিবেশে দেখা দিয়েছে পানি দূষণ, মাটি দূষণ, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ, নদী দূষণ ও তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব। ফলশ্রুতিতে বর্তমানে পরিবেশের ভারসাম্য এসে পৌঁছেছে এক সংকটজনক অবস্থায়।। পৃথিবীর বুকে বিপুল জনবসতি বৃদ্ধির কারণে পরিবেশের ব্যাপক বিপর্যয় হচ্ছে। কেননা ব্যাপক জনসংখ্যার কারণে সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদের উপর ব্যাপক চাহিদার কারণে আজ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে কৃষিজমি ও বনভূমি। যার ফলে পৃথিবীতে শস্যক্ষেত ও বনাঞ্চলের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। অথচ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৃক্ষ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।তাছাড়া বিশ্বে অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে পানি দূষণ শব্দদূষণ ও বায়ু দূষণ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।পানি পরিবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মানুষ জীবজন্তু ও উদ্ভিদ জগতের জন্য পানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।লক্ষণীয় যে, বর্তমানে বিশ্বের পরিবেশে পানি ব্যাপকহারে দূষিত হচ্ছে। শহরাঞ্চলের অসংখ্য শিল্প-কারখানার বর্জ্য পানিতে সরাসরি নির্গত হয়ে ব্যাপকহারে পানি দূষিত হচ্ছে।নগরায়নে পানি দূষণ হয়ে উঠেছে আধুনিক সভ্যতার এক অভিশাপ। শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও কৃষি জমিতে রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করার কারণে পানি দূষিত হচ্ছে।পানি দুষণের তীব্রতার কারণে প্রকৃতিতে আর্সেনিক দূষণের বিস্তৃতিও বৃদ্ধি পাচ্ছে । একইসাথে পলিথিন, প্লাস্ট্রিক এবং রাসায়নিক কীটনাশকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে বিশ্বজুড়ে মাটি দূষণের ব্যাপকতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।যার ফলে মাটি উর্বরতা হারাচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্য বিলুপ্তি ঘটছে।সাধারণত মানুষ নীরব নিস্তব্ধ পরিবেশে প্রশান্তি অনুভব করে। কিন্তু আজ বিশ্বে শব্দ দূষণের ফলে নিস্তব্ধ পরিবেশ হয়ে উঠেছে শ্রুতিকটু শব্দে পরিপূর্ণ।অসংখ্য মোটর গাড়ির হর্ন, কল-কারখানার বিকট শব্দ, বাজি/পটকার আওয়াজ,এবং মাইকের চড়া সুরের কারণে পরিবেশের সর্বত্রে শব্দ দূষণ সৃষ্টির মহাযজ্ঞ চলছে।ফলশ্রুতিতে শব্দ দূষণ শান্ত ও স্নিগ্ধ জীবনের আরেকটি প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একইসাথে অনেক মানুষের জনজীবন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।আমাদের পরিবেশের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো বায়ু।বর্তমানে পৃথিবীব্যাপী সমস্যা গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বায়ুদূষণ।কল-কারখানা থেকে উত্থিত ধোয়াঁ,অসংখ্য যানবাহন থেকে নির্গত কার্বন,নিউক্লিয় ও জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়ানোর কারণে আমাদের বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস সমূহ দ্বারা বায়ু চরমভাবে দূষিত হচ্ছে।এমনকি পৃথিবীর উষ্ণত্তর হয়ে মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে শুরু করেছে। ফলে সমুদ্র গভীরতা ও লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবংউপকূলীয় মানুষের জন্য প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। জাতিসংঘের পরিবেশ প্রোগ্রামের তথ্য মতে বিশ্বে ৯২ শতাংশ লোক দূষিত বায়ু সেবন করছে।দূষিত বায়ু সেবনের কারণে জনগণ বিভিন্ন মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে যেমন, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, দীর্ঘস্থায়ী বঙ্কাইটিস ও ফুসফুসের ক্যান্সার। বর্তমান বিশ্বে আরেকটি উল্লেখযোগ্য মনুষ্যসৃষ্ট দূষণ হল তেজস্ক্রিয়তা।তেজস্ক্রিয় দূষণের কারণে পরিবেশ জীবের বাস অযোগ্য হচ্ছে। কেননা বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলো পারমাণবিক যুদ্ধ পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিরীক্ষার মধ্যে পরিবেশে তেজস্ক্রিয় দূষণের প্রভাবে অনেক যুদ্ধবিধ্বস্ত লোকের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়তেছে।
বিশ্বের অনান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর মতো বাংলাদেশের পরিবেশেও প্রতিনিয়ত বিপর্যয় ঘটতেছে।এদেশের পরিবেশ দূষণের মূল কারণ হল বিপুল জনসংখ্যা,অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং বনভূমি উজাড়করণ।ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়ায় বিপুল জনসংখ্যার জন্য দেশের কৃষিজমি হ্রাস পাচ্ছে।দেশের সর্বত্রে উন্নয়নের নামে বৃক্ষনিধন করা হচ্ছে।একটি দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা জন্য আয়তনের তুলনায় ২৫ শতাংশ বনভূমি দরকার। অথচ বাংলাদেশের বনভূমির পরিমান সরকারি হিসাবে ১৬ শতাংশ হলেও প্রকৃত পক্ষে ১০ শতাংশ।বৃক্ষনিধনের ফলে দেশে বায়ু দূষণের প্রকটও বৃদ্ধি পেয়েছে।এদেশের বাতাসের সাথে অসংখ্য বিষাক্ত ধূলিকণা উড়তে থাকে। যা সেবন করে দেশের জনগণ মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি ভুগছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বের বায়ুমান যাচাই বিষয়ক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান(এয়ার ভিজ্যুয়াল’) এর তথ্য মতে বায়ুমান সূচক অনুযায়ী রাজধানী ঢাকার বায়ু দূষণের মানমাত্রায় লকডাউনে কমলেও, আগে প্রায় প্রতিদিনই ঢাকা শহর বায়ু দূষণে থাকতো শীর্ষে, ১ নম্বরে বা টপ টেনে। এমনকি ঢাকায় বায়ু মান ৩০০ থেকে ৪০০ পয়েন্ট পর্যন্ত থাকতো। যেটাকে বলা হয় ‘দুর্যোগপূর্ণ’ আবহাওয়া।প্রতিদিন জনগণ নদীতে প্রচুর পরিমাণের বর্জ্য, পলিথিন ও প্লাস্টিক নিক্ষেপ করছে।পরিবেশ অধিদপ্তরের সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টন বর্জ্য ও ৫৭ লাখ গ্যালন দূষিত পানি পতিত হচ্ছে। ফলে দেশের ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের প্রাণ বুড়িগঙ্গা ও কর্ণফুলী সহ অসংখ্য নদী নাব্যতা হারিয়ে আর্বজনার স্তুুপে পরিণত ও পানি দূষিত হয়ে রং কালো হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন ‘‘নদী–জলাশয় রক্ষা করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু আমরা দেখছি, আমাদের নদীগুলো দূষণের পর্যায় থেকে এখন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আর নদী মরে যাওয়া মানে মানুষের খাওয়ার পানি, মাছ ও জলজ প্রাণীর বাসস্থান হারিয়ে যাওয়া। “ব্যাপকহারে কীটনাশক ব্যবহার এবং কারখানার বর্জ্যের কারণে দেশের পানি দূষিত হচ্ছে।মৎস্য অধিদপ্তর ও মৎস্য উন্নয়নবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা “ওয়ার্ল্ড ফিশ’ ৯টি নদীর ১১টি স্থান থেকে পানির নমুনা সংগ্রহ করে দেখছে বাংলাদেশের পানির দূষণে তীব্রতার কারণে মাছ চাষের অযোগ্য হয়ে ওঠছে।একইসাথে দেশে আর্সেনিক দূষণের প্রভাবও বিস্তার করছে। বর্তমানে বাংলাদেশের অধিবাসীদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ লোক এই দূষণের হুমকির মধ্যে বসাবাস করছে।দেশের চারদিকে নিয়মিত চলছে শব্দ দূষণ। বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে শব্দ দূষণ মহামারিতে পরিণত হয়ে ওঠছে।কেননা শব্দদূষণে স্বাস্থ্য ঝুঁকির তালিকা নেহাত ছোট নয়। দেশে শব্দ দূষণের ফলে অনেক মানুষ – কানে কম শোনা, বধিরতা, হৃৎকম্প, হৃদরোগ, শিশুদের লেখাপড়ায় মনোযোগ কমে যাওয়া, মানসিক বিকাশ বিঘ্নিত হওয়া, খিটখিটে মেজাজ, অনিদ্রা, মানসিক উত্তেজনা ও উদ্বিগ্নতা, স্ট্রোক ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। পরিবেশবিদের মতে মাটি দূষণের ফলে ২০৩০সাল নাগাদ এদেশে ২৬ শতাংশ শস্যের উৎপাদন কমে যাবে।তাছাড়া পরিবেশ সংকটের কারণে সম্প্রতি বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশের মানুষ প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
বর্তমানে বিশ্বের পরিবেশ বিপর্যয় থেকে দেখে, শুধু বিশ্ব পরিবেশ বিজ্ঞানীরা নয়, সাধারন মানুষেরাও আজ উদ্বিগ্ন ।সারা বিশ্বজুড়ে পরিবেশ দূষণের প্রতিরোধের জন্য ভাবনা-পরিকল্পনার মধ্যে থাকলেও কোনভাবে এ বিপর্যয়ের দীর্ঘস্থায়ীভাবে প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। আজ পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে সকল জীবের জীবন হুমকির সম্মুখীন।কেননা পৃথিবীর প্রণিজগৎ ও উদ্ভিদজগতের অস্তিত্ব ও উন্নতি পরিবেশের ভারসাম্যের উপর নির্ভরশীল। পরিবেশের ভারসাম্যহীনতার জন্য মানব সভ্যতার অস্তিত্ব আজ সংকটের মুখোমুখি। তাই পরিবেশ সংকট নিয়ে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা যুগ যুগ ধরে চিন্তিত হয়ে আসছে।১৯৭২ সালে ৫-১৬ জুন পর্যন্ত জাতিসংঘ বিশ্বে পরিবেশ সংকট লাঘব করার উদ্দেশ্য “মানব পরিবেশ সম্মেলন” সুইডেনের স্টকহোমে আয়োজন করেছিল। এই অধিবেশন থেকে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে জাতিসংঘ ৫-ই জুনকে ” বিশ্ব পরিবেশ দিবস” ঘোষণা করে। আবার ১৯৯২ সালে পরিবেশ এবং প্রকৃতি সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সর্বপ্রথম ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে ১২ দিনব্যাপী “বিশ্ব ধরিত্রী” সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রতি বছর ২২ এপ্রিলে সারা বিশ্ব । বিংশ শতাব্দীতে পরিবেশের বিপর্যয় দেখে ভবিষ্যতে পৃথিবীকে বাসযোগ্য করার লক্ষ্যে বিশ্বের অনেক দেশ ও সংস্থা পরিবেশের সুরক্ষার জন্য অকাতরে কাজ করে যাচ্ছে।উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ সরকারও পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করছে।কেননা পরিবেশ সংকটের কারণে বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশের স্থান অন্যতম।তাই সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশগত মান উন্নয়ন এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রশমনকল্পের জন্য “বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫” সর্বস্তরে প্রণয়ন করা হচ্ছে। কিন্তু তবুও বাংলাদেশের অনেক মানুষ পর্যাপ্ত জনসচেতনতার অভাবে পরিবেশ বিপর্যয়ের ভয়াবহতার বুঝতে না পেরে, প্রতিনিয়ত পরিবেশকে ধ্বংস করছে।বিশ্বের অনান্য দেশের মতো বাংলাদেশের প্রত্যেক জনগণকে পরিবেশ সংকট লাঘবের জন্য সচেতন হতে হবে।তাছাড়া সরকারি বিধিনিষেধ যথাসম্ভব মেনেচলা,পরিবেশ বান্ধব কাজ এবং দেশে প্রচুর পরিমানের বৃক্ষরোপন করতে হবে।সর্বপুরি বিশ্বের সকল মানুষ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুন্দর, সাবলীল এবং মানসম্মত জীবনযাত্রা নিশ্চিত এবং জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ দেশের টেকসই অস্তিত ধরে রাখার জন্য, সকল রাষ্ট্রপ্রধান ও জনগণকে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সচেষ্ট হতে হবে।
লেখক,
আসাদুজ্জামান চৌধুরী সম্রাট
কলামিস্ট ও প্রাবন্ধিক,
শিক্ষার্থী,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
ও
সম্পাদকীয় পর্ষদ_
বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
মোবাইল নংঃ-০১৮৬৭৯৪৫৭৭৪.5 Comments-
সুন্দর প্রতিবেদন! সাদুবাদ জানাই এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিকে এত সুন্দর করে উপস্থাপনের জন্য! পরিবেশ রক্ষায় সবার অগ্রণী ভূমিকাই কাম্য! শুভ কামনা রইল!
Friends
মো: জানে আলম জিয়াদ
@jead18
Saiful-Alam-Shobuj
@saiful-alam-shobuj
Sirazam-Munira
@sirazam-munira
মীর রাফিদ হোসেন
@rafid567
Sultana Jahan
@outofbox1234567890
নন্দিনী
@nandini-chowdhuri
Munzir-Al-Ummiyyi
@munzir-al-ummiyyi
Somapti Sarkar
@somapti-sarkar
শাহাদাতুর রহমান সোহেল
@sr-sohel


সবাইকে পাঠের আমন্ত্রণ। 🥰