-
কৌতুক!!
শহরের বড়ো এক রেষ্টুরেন্টে খেতে গেলাম। দেখি প্রত্যেক ওয়েটারের পকেটে ৫/৬ টা করে চামচ রাখা রয়েছে।
ওয়েটারকে জিজ্ঞেস করলাম,”পকেটে এতোগুলো চামচ রয়েছে কেনো??”
ওয়েটার বললো,”স্যার, আমাদের হোটেল মালিক সিস্টেম ঠিক করতে শহরের নামকরা “কাউন্সিল এজেন্সি ম্যাকেনজি”-কে নিয়ে আসেন। ম্যাকেনজি বলেন – কেবলমাত্র চামচ নিয়ে আসার জন্য এক-একজন ওয়েটার প্রতিদিন ১২-১৫ বার কিচেনে গিয়ে থাকে। এর কারনে ওয়েটার প্রতি মান্থলি প্রায় ১৫ ঘন্টা অপচয় হয়ে যায়।”
খাওয়া এবং ওয়েটারের সঙ্গে কথা দুটোই সমান তালে চলেছে। হঠাৎ আমার হাত থেকে চামচ পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে ওয়েটার পকেট থেকে নতুন চামচ বের করে আমাকে দিয়ে দিলো।
আমি হতবাক! এরপর দেখি প্রত্যেক ওয়েটারের প্যান্টের চেইনের সঙ্গে একটা লম্বা সুতো ঝুলছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম,”প্যান্টের জিপে সুতো ঝুলছে কেনো?”
ওয়েটার বললো,”স্যার, আমরা ওয়াশরুম গিয়ে প্যান্টে হাত দিলে বাধ্য হয়ে হাত ধুতে হবে। এতেও সময় নষ্ট হবে। তাই ম্যাকেনজি এই সিস্টেম বলে দিয়েছেন। আমরা সুতো ধরেই চেন বন্ধ করে নিই। হাত ধোওয়ার কোনো প্রয়োজন পড়ে না। সময় এবং জলের অপচয় রোধ করা সম্ভব হয়!!”
বললাম,”দারুণ আইডিয়া তো! শাবাস!!”
এরপর ফিসফিস করে বললাম,”কিন্তু প্রস্রাব করার পর “ওটা” প্যান্টের ভিতরে ঢোকাও কিভাবে?”ওয়েটার বললো,”স্যার, আপাতত ম্যাকেনজি এ বিষয়ে কোনো গাইডলাইন ঠিক করে দেননি। তাই আমরা ওই ক্ষেত্রে চামচ ব্যাবহার করে থাকি!!”
🤣🤣🤣🤣
4 Comments
আবু রায়হান
পদার্থবিদ, কবি ও লেখক
Friends
ভাস্কর
@vaskarchou
Prithula Zaman
@prithula
AdabenTatali
@adabentatali
Sharbanam Gupta
@sharbanam-gupta
অভিমানী মন
@ovimanimon
তুলট ডেস্ক
@toulot
চাঁদ সদাগর
@chand_sodagor


হা..হা..হা। স্বাগতম লেখক।