<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | আবু জাফর মহিউদ্দীন | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/abujafour1985/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/abujafour1985/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for আবু জাফর মহিউদ্দীন.</description>
	<lastBuildDate>Mon, 15 Jun 2026 01:10:24 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">3b4c8192c8469d3ebe6abe2a46820e05</guid>
				<title>শিরোনাম: শ্রমের জয়

পরিশ্রমে জীবন গড়ে ওঠে
আলো জ্বলে প্রাণে,
থেমে গেলে পথের মাঝে
হারাবি সব টানে।

কাজের মাঝে সুখ লুকানো
ঘামে ভেজা দিন,
সেই ঘামেরই ফোঁটা শেষে
হয় যে সোনার ঋণ।

চল এগিয়ে অবিরাম তুমি 
হাল না ছেড়ে কভু,
কষ্ট যত আসুক সামনে
জিতবে শেষে তবু।

সৎ পথে যা অর্জন করি
মনে আনে শান্তি,
অন্য পথে সুখের খোঁজে
মেলে শুধু ক্লান্তি।

শ্রমের রুটি মিষ্টি লাগে,
তৃপ্ত করে মন,
সততা ও অধ্যবসায় হয়
এই জীবনেরই  ধন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246120/</link>
				<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 01:01:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: শ্রমের জয়</p>
<p>পরিশ্রমে জীবন গড়ে ওঠে<br />
আলো জ্বলে প্রাণে,<br />
থেমে গেলে পথের মাঝে<br />
হারাবি সব টানে।</p>
<p>কাজের মাঝে সুখ লুকানো<br />
ঘামে ভেজা দিন,<br />
সেই ঘামেরই ফোঁটা শেষে<br />
হয় যে সোনার ঋণ।</p>
<p>চল এগিয়ে অবিরাম তুমি<br />
হাল না ছেড়ে কভু,<br />
কষ্ট যত আসুক সামনে<br />
জিতবে শেষে তবু।</p>
<p>সৎ পথে যা অর্জন করি<br />
মনে আনে শান্তি,<br />
অন্য পথে সুখের খোঁজে<br />
মেলে শুধু ক্লান্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246120"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246120/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4173836a71fadc5c5b631372cd197e01</guid>
				<title>শিরোনাম: মা — জীবনের আলো

মা যে আমার হৃদয়ভরা
অমূল্য এক প্রাণ,
তারই মায়ায় ফুলে ফলে
এই যে ভুবনখান।

সন্তান তরে ঐ ভালোবাসা
ঢেলে দেয় যে মন,
মা না থাকলে জীবন যেন
হয় বিরান-বন।

সূর্যের মতো স্নেহ বিলায়
আলো ছড়ায় দিনে,
দুঃখ এলে বুক পেতে দেয়
রাখে গভীর টানে

ঘুম পাড়িয়ে দোলায় বুকে
গায় যে সুরের গান,
নিজের ঘুম ত্যাগ করে সে
রাখে সন্তানের প্রাণ।

মা যে ভাষার প্রথম বাণী
মা-ই সবার সুখ,
ঝড়-তুফানে আগলে রাখে
হয়ে মমতার মুখ।

মায়ের মনটা সাদা যেমন
নির্মল নদীর জল,
কাঁদালেও সে হাসিমুখে
ভুলে যায় সব ছল।

যতই বড় হও না কেন
মায়ের চোখে শিশু,
মা বেঁচে থাকলে ভালোবাসো
এই তো সেরা কিছু।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246118/</link>
				<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 00:59:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: মা — জীবনের আলো</p>
<p>মা যে আমার হৃদয়ভরা<br />
অমূল্য এক প্রাণ,<br />
তারই মায়ায় ফুলে ফলে<br />
এই যে ভুবনখান।</p>
<p>সন্তান তরে ঐ ভালোবাসা<br />
ঢেলে দেয় যে মন,<br />
মা না থাকলে জীবন যেন<br />
হয় বিরান-বন।</p>
<p>সূর্যের মতো স্নেহ বিলায়<br />
আলো ছড়ায় দিনে,<br />
দুঃখ এলে বুক পেতে দেয়<br />
রাখে গভীর টানে</p>
<p>ঘুম পাড়িয়ে দোলায় বুকে<br />
গায় যে সুরের গান,<br />
নিজের ঘুম ত্যাগ করে সে<br />
রাখে সন্তানে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246118"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246118/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0381a00f9185e0b0ea88349c007e5fbc</guid>
				<title>আবু জাফর মহিউদ্দীন and মামুনুর রশিদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244613/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 17:02:50 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3317efa7a3d235e28b475bd5389f3cb3</guid>
				<title>আবু জাফর মহিউদ্দীন and আহমেদ আরভিন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244540/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 09:26:28 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7e41a182ef3d3685284608ab5d913f88</guid>
				<title>শিরোনাম: রক্তে লেখা স্বপ্ন
ধরণ: ছোটগল্প 

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামের ছোট্ট কাঁচা ঘরটিতে জন্মেছিল আবু সাঈদ। দরিদ্রতার সাথে লড়াই ছিল তার প্রতিদিনের সঙ্গী। নয় ভাইবোনের ভিড়ে সে ছিল সবার ছোট, কিন্তু বাবা-মায়ের চোখে সে-ই ছিল সবচেয়ে বড় আশা। মকবুল হোসেন দিনের পর দিন পরিশ্রম করতেন, আর মনোয়ারা বেগম সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন বুনতেন—“আমার ছেলেটা একদিন মানুষ হবে।”
সাঈদ ছোট থেকেই অন্যরকম ছিল। অভাব তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। বই ছিল তার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু। কুয়াশা ভেজা ভোরে, কিংবা কুপির আলোয় রাত জেগে সে পড়াশোনা করত। তার চোখে ছিল একটাই স্বপ্ন—বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে, মানুষ হবে, নিজের পরিবারকে বদলে দেবে।
অবশেষে সেই স্বপ্ন সত্যি হলো। নিজের মেধা আর পরিশ্রমে সে ভর্তি হলো রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে। সেদিন তার মায়ের চোখে জল ছিল, কিন্তু সেটা ছিল আনন্দের জল।
কিন্তু সাঈদ শুধু নিজের জন্য বাঁচতে শেখেনি। তার ভেতরে ছিল অন্যরকম আগুন—অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস। দেশের অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে লাগল। মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছিল, বাকস্বাধীনতা সংকুচিত হচ্ছিল। অন্যায়ভাবে কোটা পদ্ধতির আড়ালে মেধাবীদের বঞ্চিত করা হচ্ছিল।
একদিন সে বলেছিল,
“মা, আমি শুধু নিজের জন্য পড়াশোনা করলে হবে না। দেশের জন্যও কিছু করতে হবে।”
তারপর শুরু হলো আন্দোলন।
সারা বাংলার ছাত্রসমাজ রাস্তায় নেমে এল। স্লোগানে মুখর হয়ে উঠল রাজপথ—
“মেধা না কোটা? মেধা! মেধা!”
“গোলামি না আজাদি? আজাদি! আজাদি!”
১৬ই জুলাই। আকাশটা যেন অদ্ভুত ভারী ছিল। চারদিকে ১৪৪ ধারা জারি। কিন্তু সাঈদের চোখে কোনো ভয় ছিল না। সে জানত, অন্যায়ের সামনে নীরব থাকা মানেই অন্যায়কে শক্তিশালী করা।
সেদিন সে মিছিলে সামনে ছিল। তার কণ্ঠে ছিল দৃঢ়তা, চোখে ছিল আগুন।
হঠাৎ চারদিক অস্থির হয়ে উঠল। টিয়ার গ্যাস, জলকামান, লাঠিচার্জ—সবকিছু যেন একসাথে নেমে এলো। তারপর গুলির শব্দ। মনে হলো—ফিরে এসেছি সেই ’৭১-এর ভয়াল দিনে,
রক্তে ভেজা ইতিহাস যেন আবার চোখের সামনে।
পার্থক্য শুধু একটাই—তখন ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের পাক হানাদার বাহিনীর নিষ্ঠুরতা,
আর আজ, নিজের দেশের স্বৈরাচারী সরকারের নিষ্ঠুরতা।
মানুষ ছুটছে, পড়ে যাচ্ছে। চিৎকারে ভরে উঠল চারপাশ।
কিন্তু সাঈদ পিছু হটেনি।
সে দাঁড়িয়ে রইল সামনে, বুক চিতিয়ে।
এক মুহূর্ত…
একটা গুলি ছুটে এলো।
তার বুক ভেদ করে গেল।
সে ধীরে ধীরে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। তার চোখে তখনো স্বপ্ন—একটা ন্যায়ভিত্তিক দেশ, একটা মুক্ত ভবিষ্যৎ।
তার রক্তে ভিজে গেল রাজপথ।
সেই রক্তই যেন আগুন হয়ে ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে। মানুষের মধ্যে নতুন করে জেগে উঠল প্রতিবাদের শক্তি। আন্দোলন থামেনি—বরং আরও প্রবল হয়েছে।
আবু সাঈদ আর ফিরে আসেনি।
কিন্তু তার স্বপ্ন বেঁচে রইল।
তার রক্তে লেখা হলো এক নতুন ইতিহাস—
অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ইতিহাস,
ত্যাগের ইতিহাস,
স্বপ্নের ইতিহাস।
দ্বিতীয় স্বাধীনতার স্বাদ।
আজও বাবনপুর গ্রামের সেই কাঁচা ঘরটিতে বাতাস বইলে মনে হয়, কেউ যেন ফিসফিস করে বলে—
“আমি হারাইনি… আমি বেঁচে আছি, তোমাদের সাহসে, তোমাদের প্রতিবাদে…”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244535/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 07:47:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: রক্তে লেখা স্বপ্ন<br />
ধরণ: ছোটগল্প </p>
<p>রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামের ছোট্ট কাঁচা ঘরটিতে জন্মেছিল আবু সাঈদ। দরিদ্রতার সাথে লড়াই ছিল তার প্রতিদিনের সঙ্গী। নয় ভাইবোনের ভিড়ে সে ছিল সবার ছোট, কিন্তু বাবা-মায়ের চোখে সে-ই ছিল সবচেয়ে বড় আশা। মকবুল হোসেন দিনের পর দিন পরিশ্রম করতেন, আর মনোয়ারা বেগম সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244535"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244535/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">71134769ec3e5f3ffc02d57cc198cd0c</guid>
				<title>আবু জাফর মহিউদ্দীন and মোঃ আবু মুনিফ আল মুকিম। are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243893/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 16:42:28 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">25c463717efe4223e95b48604d1977be</guid>
				<title>আবু জাফর মহিউদ্দীন and অনুভূতির ডাইরি are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243879/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 14:05:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d6157c969a4a4d73f9eb489fad60cf45</guid>
				<title>আবু জাফর মহিউদ্দীন and Abcde gh. are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243810/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 03:53:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3cf17285b05881843ae13bb2fbb33c28</guid>
				<title>শিরোনাম: বাবার স্বপ্ন, তার পথ
ধরণ: ছোটগল্প  
 
মহিউদ্দীন, ছোটবেলা থেকেই তার জীবনের পথ যেন এক অদৃশ্য হাতে আগেই লিখে রাখা ছিল—একজন ভালো আলেম হওয়া। নিজের ইচ্ছার চেয়েও এই স্বপ্নটা বেশি ছিল তার বাবা-মায়ের, বিশেষ করে তার বাবার হৃদয়ে গেঁথে থাকা এক নীরব আশা।

তার বাবা ছিলেন একজন উচ্চ শিক্ষিত মানুষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত পদার্থে কৃতিত্বের সাথে পড়াশোনা শেষ করে তিনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফি বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। জ্ঞানচর্চা ছিল তার নেশা। বই ছিল তার সবচেয়ে কাছের সঙ্গী। অবসর পেলেই তিনি ডুবে যেতেন বইয়ের পাতায়। অথচ ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন—তার সন্তানরা মাদ্রাসায় পড়বে। তার একটাই চাওয়া ছিল, “আমার সন্তানেরা যেন আল্লাহওয়ালা, নেককার ও আদর্শবান মানুষ হয়।”

ছেলেটি বাবার সেই স্বপ্নকে নিজের জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করল। মাদ্রাসার পড়াশোনার ভেতরেই ধীরে ধীরে তার মনে জন্ম নিল আরেকটি ভালোবাসা—লেখালেখি। কবিতা, গল্প, সাহিত্য—সবকিছুই তাকে টানত। ছাত্রজীবনে সে প্রায়ই পুরস্কার পেত, তার প্রতিভা ধীরে ধীরে আলো ছড়াতে শুরু করেছিল।

একদিন তার লেখা একটি কবিতা পত্রিকায় প্রকাশিত হলো। সে হয়তো ততটা গুরুত্ব দেয়নি, কিন্তু তার মা একদিন হাসিমুখে এসে বললেন,
“যেদিন তোমার কবিতাটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয় সে-ই দিন তোমার আব্বা ও কবিতটি মসজিদে বসে সবার কাছে পড়ে শুনিয়েছে। কত খুশি হয়েছে!”

এই কথা শুনে ছেলেটি কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তার ভেতরে এক অদ্ভুত অনুভূতি জন্ম নিল—তার ছোট্ট লেখাগুলোও তার বাবার জন্য এত বড় আনন্দের কারণ হতে পারে!

সময় এগিয়ে চলল। মাদ্রাসার পড়াশোনা শেষ করে সে বাংলা বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করে শিক্ষকতার পেশায় যুক্ত হলো। জীবনের পথ কিছুটা স্থির হলো, কাজকর্মও ভালোই চলছিল।

কিন্তু হঠাৎ একদিন তার বাবা এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন।

ছেলেটির জীবনে নেমে এলো এক গভীর শূন্যতা। চারপাশে সবকিছু ঠিক থাকলেও ভেতরটা যেন নিঃশব্দ হয়ে গেল। যে কলম একসময় তার হাতে অনায়াসে চলত, সেই কলমই যেন কথা বলতে ভুলে গেল। লেখালেখি থেমে গেল, ভাবনাগুলো থমকে গেল।

তবুও একদিন, হঠাৎ করেই সে তার মায়ের কাছে বাবার কিছু স্মৃতির কথা জানতে চাইল। করোনা সময়ের সেই কঠিন দিনগুলোতে বাবার সঙ্গে মোবাইলে কথা হলেও শেষবার তার মুখ দেখা হয়নি। বাবাকে আর একবার চোখে দেখার সুযোগটাও হয়নি।

তার মা তখন শান্ত স্বরে বললেন,
“তোমার বাবা তোমার লেখাগুলো খুব ভালোবাসতেন…”

এই কথাটি যেন তার হৃদয়ের গভীরে গিয়ে আঘাত করল—একই সাথে এক অদ্ভুত শক্তিও জাগিয়ে তুলল। মনে হলো, বাবার সেই নীরব ভালোবাসা আজও তাকে ডাকছে।

সে আবার কলম তুলে নিল। ধীরে ধীরে পুরোনো স্বপ্নগুলো নতুন করে জেগে উঠল। কবিতা, ছড়া, গল্প, ইসলামিক বিষয় ভিত্তিক প্রবন্ধ—সবকিছুতেই সে আবার নিজেকে খুঁজে পেল। একে একে তার লেখা প্রকাশ পেতে লাগল পত্রিকায়। পরে তার বইও প্রকাশিত হলো, স্থান পেল বাংলা একাডেমি বইমেলায়। মানুষ তাকে একজন লেখক হিসেবে চিনতে শুরু করল।

তবুও প্রতিটি নতুন অর্জনের মুহূর্তে, প্রতিটি প্রশংসার শব্দে তার চোখ ভিজে ওঠে। মনে পড়ে যায় সেই মানুষটিকে, যিনি নিঃশব্দে তার প্রতিটি সাফল্যে সবচেয়ে বেশি আনন্দ পেতেন।

রাতের নীরবতায়, সিজদায় মাথা রেখে সে ফিসফিস করে বলে ওঠে—
“আব্বা, তুমি যদি আজ থাকতে… কত খুশি হতে…”

তারপর চোখের পানি গড়িয়ে পড়ে দোয়ার ভেতর—
“হে আল্লাহ, আমার এই সামান্য কাজগুলো আমার বাবার জন্য নেকি হিসেবে কবুল করুন। আমার বাবাকে আপনি ক্ষমা করে দিন… আমিন।”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243688/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 05:44:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: বাবার স্বপ্ন, তার পথ<br />
ধরণ: ছোটগল্প  </p>
<p>মহিউদ্দীন, ছোটবেলা থেকেই তার জীবনের পথ যেন এক অদৃশ্য হাতে আগেই লিখে রাখা ছিল—একজন ভালো আলেম হওয়া। নিজের ইচ্ছার চেয়েও এই স্বপ্নটা বেশি ছিল তার বাবা-মায়ের, বিশেষ করে তার বাবার হৃদয়ে গেঁথে থাকা এক নীরব আশা।</p>
<p>তার বাবা ছিলেন একজন উচ্চ শিক্ষিত মানুষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত পদার্থে কৃতিত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243688"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243688/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">94e2e39e8b674dddd68db0b4e70f05d6</guid>
				<title>শিরোনাম: কঠোর পরিশ্রমের ফল
ধরণ: ছোটগল্প  

এক গ্রামে নুরু নামে এক কৃষক বাস করত। তার ছোট ছেলে ধনু ছিল বোবা। কিন্তু নুরু তার ছেলেকে নিয়ে সবসময় দুঃখী ও চিন্তিত থাকত কারণ নুরুর ছেলের জন্ম থেকেই একটি জন্মগত ত্রুটি ছিল। সে সবসময় ভাবত, ভবিষ্যতে তার ছেলে কীভাবে জীবন কাটাবে, সময়ের প্রতিকূলতার মোকাবিলা কীভাবে করবে। এই যন্ত্রণা নুরুকে কষ্ট দিচ্ছিল। ধনুর একটি নিত্যদিনের অভ্যাস ছিল যে, সকালে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তার এক কোণে গিয়ে বসত। সে স্কুলে যাওয়া বাচ্চাদের দেখত। কখনও কখনও সে একটি ছেঁড়া বই বা খবরের কাগজের টুকরো তুলে নিত এবং এমনভাবে সেটির দিকে তাকিয়ে থাকত যেন সে পড়ছে। তার একটি স্বপ্নও ছিল যা সে পূরণ করার চেষ্টা করছিল। একজন শিক্ষকও সেই একই রাস্তা দিয়ে যেতেন, যিনি ধনুকে ভালোবেসে অভিবাদন জানাতেন এবং তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেন। যখনই ধনু সেখানে থাকত না, শিক্ষক তাকে জিজ্ঞেস করতেন সে অসুস্থ কি না।

একদিন, যথারীতি, শিক্ষক পাশ দিয়ে গেলেন, তাকে ভালোবেসে অভিবাদন জানিয়ে চলে যেতে শুরু করলেন। ধনু হাত তুলে শিক্ষককে তার ভাষায় বলল, &quot;আমিও স্কুলে যাব, আমি সেখানেই পড়াশোনা করব, আমাকে স্কুলে নিয়ে যান।&quot; শিক্ষক বললেন, &quot;আমি তোমার বাবার সাথে পরামর্শ করব তিনি কী বলেন,&quot; কিন্তু ধনু বলল, &quot;আমাকে স্কুলে নিয়ে যান।&quot; হঠাৎ ধনুর বাবা নুরুও এখানে উপস্থিত হলো এবং শিক্ষকের কাছে এসে শিক্ষককে বললেন, স্যার &quot;আমার ছেলে, ধনু, খুব জেদি। &quot; নুরু কিছু বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু শিক্ষক তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, &quot;নুরুকে আমার সাথে স্কুলে নিয়ে যাও।&quot; শিক্ষকের এই কথা শুনে নুরুর মুখে বিজয়ের হাসি ফুটে উঠল। ধনু তার কঠোর পরিশ্রম এবং নৈতিকতা দিয়ে এমন একটি জায়গা তৈরি করেছিল যে সমস্ত শিক্ষক তাকে পছন্দ করতে এবং ভালোবাসতে শুরু করলেন। এইভাবে, ধনু পঞ্চম শ্রেণি পাস করল। উচ্চ নম্বর পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের পুরস্কৃত করার জন্য স্কুলে বার্ষিক অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করল। ঐ  সমাবেশে  জেলার শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা, সম্মানিত শিক্ষকেরা এবং শহরের গণ্যমান্য অভিভাবকেরাও উপস্থিত ছিলেন। ধনুও সেই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছিল। যখন ধনুকে ডাকা হলো, সে তার নিজস্ব বিশেষ ভঙ্গিতে ইংরেজিতে একটি স্মরণীয় বক্তৃতা দিল, যার ফলে সবাই তার দক্ষতায় বিস্মিত হয়ে গেল। সে তার গ্রুপে প্রথম পুরস্কার পেল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত তার বাবা নুরুর চোখে আনন্দের অশ্রু এসে গিয়েছিল। তিনি তার ছেলের সাফল্যে গর্বিত ছিলেন। 

ধনু পড়াশোনা চালিয়ে গেল এবং  এইচএসসি পরীক্ষায় এ-+ গ্রেডে উত্তীর্ণ হলো। সেখানেও সে অনেক পুরস্কার জিতল। সে তার কঠোর পরিশ্রম দিয়ে শিক্ষকদের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান করে নিয়েছিল। এখন সে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চায়। কিন্তু কারো কাছ থেকে জানতে পারে যে ওই প্রতিষ্ঠানে মাঝে মাঝে মারামারি হয় এ কারণে তার বাবা তাকে সেখানে পড়তে দিতে চাননি। ধনু তার শিক্ষকদের কাছে মনের কথা খুলে বলল। তারা নুরুকে রাজি করালেন এবং ধনু বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা দিল, যেখানে সে সর্বোচ্চ নম্বর পেল, যার ফলে সে তার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেল এবং একটি বৃত্তিও পেল যা তার স্বপ্ন সত্যি হওয়ার পথ প্রশস্ত করে দিল। সেখানে ধনু তার কঠোর পরিশ্রম করল। যখন চূড়ান্ত ফলাফল এল, ধনু প্রথম স্থান অধিকার করল, যার ফলে সে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে স্বর্ণপদকও পেল। হঠাৎ একদিন সে একটি চিঠি পেল, যেখানে তাকে বিদেশে পড়ার জন্য বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। তার শিক্ষক ও বাবা-মা তার জন্য গর্বিত হতে লাগলেন। তার কঠোর পরিশ্রমের ফলে তার স্বপ্ন সত্যি হলো। 
সে তার পরিশ্রমের ফল পেল। প্রিয় বন্ধুরা, তোমরাও ধনুর মতো কঠোর পরিশ্রম করো। নকল সংস্কৃতির বিরুদ্ধে লড়ো এবং তোমরাও তোমাদের পরিশ্রমের ফল পাবে। ইনশাআল্লাহ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243674/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 00:23:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: কঠোর পরিশ্রমের ফল<br />
ধরণ: ছোটগল্প  </p>
<p>এক গ্রামে নুরু নামে এক কৃষক বাস করত। তার ছোট ছেলে ধনু ছিল বোবা। কিন্তু নুরু তার ছেলেকে নিয়ে সবসময় দুঃখী ও চিন্তিত থাকত কারণ নুরুর ছেলের জন্ম থেকেই একটি জন্মগত ত্রুটি ছিল। সে সবসময় ভাবত, ভবিষ্যতে তার ছেলে কীভাবে জীবন কাটাবে, সময়ের প্রতিকূলতার মোকাবিলা কীভাবে করবে। এই যন্ত্রণা নুরুকে ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243674"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243674/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f18cedeaf942549dd4412c73d552958d</guid>
				<title>আবু জাফর মহিউদ্দীন and abrar are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243450/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 03:43:21 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9fa2fe96d8e150589d4ec11beb8e44a5</guid>
				<title>শিরোনাম:পরিবারের সকলেই কুরআনের পাখি।
ধরন: ছোটগল্প

ছারছিনা একটি আধ্যাত্মিক পবিত্র স্থান। বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার ছারছিনা গ্রামে অবস্থিত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কামিল মাদরাসা। আমার বাবা ছাত্র জীবন থেকেই ছারছিনা শরীফের পীর মাওলানা আবু জাফর ছালেহ (রহ.) এর ভক্ত ছিলেন। কেন বা ভক্ত হবেন  না তিনি ছিলেন, রূহের ডাক্তার। এই রূহের ডাক্তার দুনিয়ায় ডাক্তারের মতো নন।

আগেই বলেছি ছারছিনা আধ্যাত্মিক স্থান । আনুমানিক ১৯৯০ সাল আমার বাবা ইন্জিনিয়ার হাবিবুল্লাহ। যশোর, মনিরামপুর  বি,আই,ডাব্লু,টি,এ অফিসের ষ্টেশন ইন্জিনিয়ার ছিলেন। আমরা চার ভাই-বোন। ছোট ভাই হাফেজ আব্দুল্লাহ এর বয়স দুই বছর আর বোনের বয়স চার হবে।
আমাদের দেশের বাড়ি সিরাজগঞ্জ। তাই প্রতি বছর যে দুইটি ঈদ আসে। তার মধ্য ঈদের ফিতরের উৎসব আমরা আব্বার অফিসের সরকারী কুয়াটারেই পালন করতাম আর ঈদের আযহা যেহেতু কোরবানির ঈদ তাই পরিবারের সবাই মিলে আনন্দ করার জন্য কখনো দাদার বাড়িতে আবার কখনো নানার বাড়িতে অংশ নিতাম।

আজ আমরা দেশের বাড়িতে যাব । খুবই আনন্দ হবে।
যথা সময়ে আমরা অফিসের গাড়িতে উঠে পড়লাম, গন্তব্য খুলনা রেল স্টেশন। কারণ সে সময় উত্তরাঞ্চলে তথা সিরাজগঞ্জ যাওয়ার নিরাপদ রুট এটাই। তবে সিরাজগঞ্জ যেতে দুই বার ট্রেন পরিবর্তন করতে হয়।
আর শেষ যে ট্রেনটি পরিবর্তন করতে হয় তা মধ্যে রাত্রে।

আমরা আনুমানিক দুপুর ১২ টায় খুলনা রেল স্টেশন থেকে সিরাজগঞ্জ উদ্দেশ্য রওনা দিলাম। রাত ১২ টায় পাবনার ঈশ্বরদী রেল স্টেশন অবতরণ করলাম। এখন সিরাজগঞ্জগামী ট্রেনের জন্য অপেক্ষা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর রাত ২ টায় ট্রেন ষ্টেশনে পৌঁছালো।

আমাদের চোখে ঘুম। বলতে গেলে আমরা সবাই ক্লান্ত, এখনই ট্রেনে উঠতে হবে। লাগেজ, কাপড় চোপড়ের ব্যাগ ইত্যাদি বোঝা বহন অনেক কষ্টকর। হঠাৎ এক আগুন্তক অপরিচিত ব্যক্তি সাহায্য করতে এগিয়ে আসলেন। আমার আব্বা ডান হাতে লাগেজ ও বাম হাতে আমার বড় ভাই কে ধরলেন। আম্মা ছোট ভাইকে কোলে নিয়ে বাম হাতে আমার বোনকে ধরলেন। আর আমি আগুন্তক লোকের সাথে আসলাম।

এখন আমরা সবাই ট্রেনের দরজার কাছাকাছি। লোকটি প্রথমে দুইটি ব্যাগ ট্রেনে উঠাল,বড় ভাই উঠলো আমার আম্মা ছোট ভাইকে নিয়ে উঠলো, লোকটি আমাকে উঠিয়ে দিলো, আমার আব্বা ট্রেনে উঠলো। কিন্তু চাপাচাপিতে আমার বোনকে ঐ অপরিচিত লোকটি নিয়ে চলে গেল। সে বোনকে ট্রেনে তুললো না।

ট্রেনে ওঠার পর দেখা গেল আমার বোনটি নাই। হঠাৎ আমাদের মধ্যে এক মর্মান্তিক কালো মেঘের ঘনঘটা। সকলে কান্নাকাটি করছি। এখন কোথায় পাব।
কোথায় তালাশ করবো। আব্বু ট্রেনে পাঁচ মিনিট আটকে রেখেছে। কিন্তু কোথাও হদিস মিলছে না।
আর কত সময় ট্রেন আটকে রাখা যায়। রেল স্টেশন থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। রেলওয়ে পুলিশ ও অন্যান্য সদস্যরা হন্যে ষ হয়ে খুঁজছে। চারদিকে মাতাম, কেউ জিজ্ঞেস করে বয়স কত,দেখতে কেমন, কেমন কাপড় পড়ে ছিল ইত্যাদি ইত্যাদি।

ট্রেন ১৫ মিনিট আটকে রাখা হয়েছে আশেপাশের জেলার আন্তঃনগর ট্রেন থেমে তারাও চলে গেছে।
এখন এই ট্রেন ছেড়ে যাবে, হর্ন বাজিয়ে দিয়েছে।

এখন আল্লাহ তায়ালা একমাত্র ভরসা তিনি পারেন এর মুশকিল আসান করতে।

আব্বু মানত করলো ছারছিনা লিল্লাহ বোডিং এ পাঁচ হাজার টাকা দিবে। আর দুই হাত তুলে দুচোখের পানি ছেড়ে ফরিয়াদ,হে আল্লাহ!  সারা জীবন ছারছিনা দরবারের খেদমত করেছি। তোমার সন্তুষ্টির জন্য , রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ মতে চলার জন্য আমার পীরের কথা মতো আমল করে গেছি।
হে আল্লাহ! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওসিলা আমার পীরের ওসিলায় আমার মেয়ে সন্ধান দাও। এরই মধ্যে ট্রেন চলতে শুরু করল। সাথে সাথে পীর আবু জাফর মুহাম্মদ সালেহ (রহ.) এর একটি গায়েবি আওয়াজ এলো &quot;মিয়াসাব&quot; সাথে সাথে আওয়াজের দিক তাকাতেই দেখা গেল ঐ লোকটি আমার বোনটিকে একটি চকলেট দিয়ে বসিয়ে সে আরাল করে আছে।
আমার বাবা আমার বোনকে ঐ লোকটি থেকে টেনে নিয়ে ট্রেনে উঠলো। আর ঐ লোকটির শেষ কথা ছিল আপনি ভাগ্যবান। এখন দেখি সত্যিই আমরা ভাগ্যবান
কারন ভগ্নিপতি,বোন ও দুই মামা নেছারুদ্দীন- ওজিউদ্দিন সকলেই কোরআনের পাখি। আলহামদুলিল্লাহ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243445/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 03:36:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম:পরিবারের সকলেই কুরআনের পাখি।<br />
ধরন: ছোটগল্প</p>
<p>ছারছিনা একটি আধ্যাত্মিক পবিত্র স্থান। বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার ছারছিনা গ্রামে অবস্থিত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কামিল মাদরাসা। আমার বাবা ছাত্র জীবন থেকেই ছারছিনা শরীফের পীর মাওলানা আবু জাফর ছালেহ (রহ.) এর ভক্ত ছিলেন। কেন বা ভক্ত হবেন  না তিন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243445"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243445/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e9a0109394f9b7dc7040956e06f416c0</guid>
				<title>শিরোনাম: রাজকন্যার যোগ্য সঙ্গী
ধরন: ছোট গল্প

এক দেশে এক রাজা ও এক ধনী ব্যক্তি বাস করতেন। রাজার একমাত্র কন্যা ছিল এবং ধনী ব্যক্তির একটি পুত্র ছিল। পুত্রটি তার বাবার সঙ্গে ব্যবসায় সহায়তা করত এবং ঘরের টুকিটাকি কাজে মাকেও সাহায্য করত। সে কিছুটা শিক্ষাও লাভ করেছিল। ধনী ব্যক্তিটি সর্বদা তার পুত্রের জন্য প্রার্থনা করতেন, “হে আল্লাহ! আমার সন্তান যেন সাফল্য লাভ করে।”
অন্যদিকে, রাজারও একটি কন্যা ছিল। সে বড় হয়ে উঠেছিল। রাজা সর্বদা ভাবতেন যে, যোগ্য পাত্রের হাতে তাকে তুলে দিয়ে তিনি তাঁর পিতৃকর্তব্য পালন করবেন এবং রাজ্যের দায়িত্ব আরও ভালোভাবে পালন করতে পারবেন কিন্তু রাজা তেমন কোনো ভালো পাত্র খুঁজে পাননি।
একদিন রাজা তার বিশেষ মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন। মন্ত্রী রাজাকে বললেন, “আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করব। আপনি শহর থেকে এমন একজনকে খুঁজে বের করে আমার সামনে আনবেন, যিনি এই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারবেন। সেই ব্যক্তির সঙ্গে আমি আপনার মেয়ের বিয়ে দেব।”
পরের দিন রাজা মন্ত্রীর কথামতো শহরে ঘোষণা দিলেন। যোগ্য পাত্র খুঁজে বের করার জন্য সর্বত্র জানিয়ে দেওয়া হলো। যে ব্যক্তি মন্ত্রীর প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারবে, তাকেই রাজকন্যার উপযুক্ত পাত্র হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
এই ঘোষণার পর শহরের নানা প্রান্ত থেকে জ্ঞানী, শিক্ষিত ও বুদ্ধিমান লোকজন রাজপ্রাসাদের দিকে আসতে লাগল। এই সময়ে ধনী ব্যক্তির পুত্র তার বাবার কাছে ভাগ্য পরীক্ষা করার অনুমতি চাইল। ধনী ব্যক্তিটি প্রার্থনা করে তার পুত্রকে অনুমতি দিলেন।
রাজার প্রাসাদে অনেক লোক জড়ো হলো। রাজা তাদের বললেন, যে আমার পাঁচটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেবে, আমি আমার মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে দেব। যে উত্তর দেবে না, তাকে সামান্য পরিমাণ জরিমানা করা হবে। সবাই রাজার কথায় রাজি হলো।
তারপর রাজা বললেন, “এখন প্রশ্নগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনো। প্রথম প্রশ্নটি হলো, সেই সত্তাটি কী, যার জন্য প্রার্থনার দরজা বন্ধ বলে মনে হয়?” দ্বিতীয় প্রশ্নটি হলো, কোন সন্তান তার বাবা-মায়ের দিকে সবচেয়ে বেশি তাকিয়ে থাকে? তৃতীয় প্রশ্নটি হলো, সেই জিনিসটি কী, যা কেটে ফেললেও মরে না? চতুর্থ প্রশ্নটি হলো, একজন মানুষের জীবন কীভাবে যাপন করা উচিত? পঞ্চম প্রশ্নটি হলো, ধনী ও গরিবের ঘরে যে জিনিসটি আসে, সেটি কী?”
প্রশ্নগুলো করার পর রাজা আগত প্রত্যেককে একে একে প্রশ্নগুলোর উত্তর জিজ্ঞাসা করলেন। বিচার করার জন্য কিছু মন্ত্রী নিযুক্ত করা হলো, যারা উত্তরগুলো লিখে রাখলেন।
অবশেষে ধনী ব্যক্তির পুত্র দাঁড়াল এবং তার কাছ থেকে প্রশ্ন ও উত্তরগুলো নেওয়া হলো। মন্ত্রীরা সিদ্ধান্ত দিলেন যে ধনী ব্যক্তির পুত্রের সব উত্তরই সঠিক।
প্রথম প্রশ্নের উত্তরে সে বলল, “সেই সত্তাটি হলো মা, যার জন্য প্রার্থনার দরজা বন্ধ বলে মনে হয়।”
দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরে সে বলল, “কন্যাই তার বাবা-মায়ের দিকে সবচেয়ে বেশি তাকিয়ে থাকে।”
তৃতীয় প্রশ্নের উত্তরে সে বলল, “সেটি হলো ছায়া, যা কেটে ফেললেও মরে না।”
চতুর্থ প্রশ্নের উত্তরে সে বলল, “একজন মানুষের মোমবাতির মতো জীবনযাপন করা উচিত—নিজে জ্বলে অন্যদের আলো দেওয়া উচিত।”
পঞ্চম প্রশ্নের উত্তরে সে বলল, “সূর্য ও চাঁদের আলো ধনী-গরিব সবার ঘরেই আসে।”
মন্ত্রীদের সিদ্ধান্ত শোনার পর রাজা ধনীর পুত্রকে বললেন, “আজ তুমি সফল হয়েছ। এখন আমার মেয়ে তোমার। আমি তার সঙ্গে তোমার বিয়ে দেব। তোমার যা ইচ্ছা আমাকে বলো, আমি তা পূরণ করব।”
উত্তরে সে বলল, “মহারাজ, আপনি বলেছিলেন, যারা প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারবে না, তাদের জরিমানা করা হবে। আমি চাই, তাদের জরিমানা না করে মুক্তি দেওয়া হোক।”
রাজা বললেন, “হ্যাঁ, তাদের জরিমানা করা হবে না। তবে শর্ত হলো, তারা সবাই আমার মেয়ের বিয়েতে উপস্থিত থাকবে।”
যারা এসেছিল, তারা সবাই রাজার আমন্ত্রণ গ্রহণ করল। কিছুদিন পর মহাধুমধাম ও জাঁকজমকের সাথে রাজার মেয়ের সঙ্গে ধনীর পুত্রের বিয়ে হলো।
এরপর ধনী লোকটি তার পরিবারসহ প্রাসাদে আনন্দে জীবন কাটাতে লাগল। কিছুদিন পর রাজা তাকে তার রাজ্যের শাসনভারও অর্পণ করলেন। সে ন্যায় ও দক্ষতার সাথে রাজ্য পরিচালনা করল এবং প্রজারা তার প্রতি সন্তুষ্ট থাকল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243399/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 18:51:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: রাজকন্যার যোগ্য সঙ্গী<br />
ধরন: ছোট গল্প</p>
<p>এক দেশে এক রাজা ও এক ধনী ব্যক্তি বাস করতেন। রাজার একমাত্র কন্যা ছিল এবং ধনী ব্যক্তির একটি পুত্র ছিল। পুত্রটি তার বাবার সঙ্গে ব্যবসায় সহায়তা করত এবং ঘরের টুকিটাকি কাজে মাকেও সাহায্য করত। সে কিছুটা শিক্ষাও লাভ করেছিল। ধনী ব্যক্তিটি সর্বদা তার পুত্রের জন্য প্রার্থনা করতেন, “হে আল্লাহ! আমার সন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243399"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243399/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">af6ce577f270addc0b71cf1a9603b7b6</guid>
				<title>শিরোনাম: মাতৃভাষার উপহার
ধরণ: ছোটগল্প  

রোদেলা ও মীম দশম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। দুজনেই তাদের ক্লাসের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্রী এবং খুব ভালো বন্ধুও ছিল। তাদের বেশিরভাগ কথাবার্তাই পড়াশোনা নিয়ে হতো কিন্তু তারা প্রায়ই দীর্ঘ আলোচনা করত, বিশেষ করে অন্য ভাষা শেখা, বিশেষত ইংরেজি শেখা ও বলা নিয়ে। সেই আলোচনায় রোদেলা প্রায়ই বলত যে তার স্বপ্ন হলো ইংরেজি শেখা ও কথা বলা এবং তার আশা একদিন সে  ইংরেজিতে অনর্গল কথা বলতে পারবে।
মীম বলতো যে ইংরেজি কেবল একটি ভাষা এবং যেকোনো ভাষা শেখা উচিত কিন্তু নিজের মাতৃভাষা কখনো ভোলা উচিত নয়।
অন্যদিকে, রোদেলা তার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ইংরেজি শেখার দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে শুরু করে এবং তার মতে, ইংরেজিতে কথা বললে সমাজে সেই একই সম্মান পাওয়া যায়ট যা মাতৃভাষায় কথা বললে পাওয়া যায় না।
এই কথা মাথায় রেখে সে সারাক্ষণ ইংরেজিতে কথা বলার অনুশীলন করতে থাকল এবং ধীরে ধীরে বাড়িতে ও স্কুলে ইংরেজিতে সহজ-সরল বাক্য বলতে শুরু করল।
সময় গড়ানোর সাথে সাথে একদিন ক্লাশ শিক্ষিকা  মিস রোকসানা ক্লাসে ঘোষণা করলেন, &quot;বাচ্চারা, ২১শে ফেব্রুয়ারি &#039;আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস&#039; পালিত হবে তাই তোমাদের মধ্যে যারা বক্তৃতা দিতে চাও তারা একটি বিষয় বেছে নিয়ে তার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দাও।&quot;
রোদেলা ইংরেজিতে বক্তৃতা দেওয়ার এবং মাতৃভাষার গুরুত্ব সম্পর্কে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিলেন।
অন্যদিকে, মীম বাংলা ভাষায় বক্তৃতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল এবং তার প্রস্তুতি শুরু করল। অবশেষে প্রতিযোগিতার দিনটি এল, বিভিন্ন শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা মাতৃভাষার গুরুত্ব নিয়ে তাদের ভাবনা তুলে ধরল। দশম শ্রেণী থেকে বক্তৃতার জন্য রোদেলার নাম ডাকা হলো।
রোদেলা খুব ভালো ইংরেজিতে কথা বলতেন কিন্তু তাঁর মনে হলো যেমনটা তিনি চেয়েছিলেন, তাঁর কথায় সেই মাধুর্য ও উদ্দীপনার অভাব ছিল যা সভাসদদের মুগ্ধ করতে পারি নি। অবশ্য, তিনি এটাকে নিজেরই এক ভ্রম বলে মনে করলেন।
অনুষ্ঠানের পর মীম মঞ্চে এসে কোনো দীর্ঘ সংলাপ কঠিন শব্দ ছাড়াই নিজের ভাষায় একটি বক্তব্য দিল। তাঁর ভাষণে এত জাদু এত আবেগ আর উদ্দীপনা ছিল যে, তাঁর কথাগুলো আক্ষরিক অর্থেই হলে বসে থাকা দর্শকদের হৃদয় ও মনকে ছুঁয়ে গেল।
সব শিক্ষকেরা মীমকে এত চমৎকার বক্তৃতা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন জানালেন এবং রোদেলাকে কিছুটা চিন্তিত দেখে মিস রোকসানা বললেন, “মা রোদেলা, তুমিও একটি চমৎকার বক্তৃতা দিয়েছ, কিন্তু যেহেতু ইংরেজি একটি বিদেশি ভাষা এবং এটা জরুরি নয় যে সবাই তা সহজে বুঝতে পারবে তাই শুধু ইংরেজিই নয়, আরবি, ফারসি বা অন্য যেকোনো বিদেশি ভাষাও বিদেশিই থেকে যায় এবং আমরা মাতৃভাষায় আমাদের চিন্তা, ভাবনা ও অনুভূতি এমনভাবে প্রকাশ করতে পারি যা অন্য কোনো ভাষায় সম্ভব নয়। অন্য ভাষা শেখা ও বলায় কোনো দোষ নেই, মা, কিন্তু আমাদের মাতৃভাষা আমাদের জন্য একটি সুন্দর উপহার। আমরা ভাগ্যবান যে আমাদের একটি নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি আছে।” মিস রোকসানার কথা শোনার পর রোদেলা খুব ভালোভাবে বুঝতে পারল যে, সাফল্য শুধু বিদেশি ভাষা শিখে ও বলে অর্জন করা যায় না বরং আমাদের মাতৃভাষায় কথা বলেও অর্জন করা যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243194/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 00:15:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: মাতৃভাষার উপহার<br />
ধরণ: ছোটগল্প  </p>
<p>রোদেলা ও মীম দশম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। দুজনেই তাদের ক্লাসের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্রী এবং খুব ভালো বন্ধুও ছিল। তাদের বেশিরভাগ কথাবার্তাই পড়াশোনা নিয়ে হতো কিন্তু তারা প্রায়ই দীর্ঘ আলোচনা করত, বিশেষ করে অন্য ভাষা শেখা, বিশেষত ইংরেজি শেখা ও বলা নিয়ে। সেই আলোচনায় রোদেলা প্রায়ই বলত যে তার স্বপ্ন হলো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243194"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243194/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3b1c2ce82564197422e63d36366ec9fc</guid>
				<title>আবু জাফর মহিউদ্দীন and শোয়েব ইবনে শাহীন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243188/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 21:40:25 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b96dfdd011d7bf535d88cbba17fc7474</guid>
				<title>শিরোনাম: ছোট পিঁপড়া 
ধর্ম: ছোট গল্প 

ছোট বন্ধুরা, আমি তোমাদের একটি ছোট্ট পিঁপড়ের গল্প বলব। তোমরা নিশ্চয়ই জানো যে পিঁপড়েরা একে অপরকে ভালোবাসে ও সম্মান করে। তারা সবসময় একসঙ্গে সারিবদ্ধভাবে চলে। যখন তাদের একে অপরের সাথে দেখা হয়, তারা একে অপরকে যেকোনো বিপদের ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়। তারা একই জায়গায় একসঙ্গে থাকে। তাদের মধ্যে কোনো ধরনের ভণ্ডামি নেই। তারা সবসময় একে অপরকে সাহায্য করে। এই পিঁপড়েদের বাসায় একটি ছোট্ট পিঁপড়েও ছিল। একদিন পিঁপড়েরা খাবারের সন্ধানে বের হলো তাই ছোট্ট পিঁপড়েটিও তাদের সঙ্গে গেল। পিঁপড়েদের স্বভাবই হলো যে বর্ষাকাল শুরু হতে চললে তারা তাদের খাবার একসাথে জমিয়ে রাখে, যাতে কঠিন সময়ে তা কাজে লাগে। সব পিঁপড়েরা খাবার খুঁজছিল, কিন্তু ছোট্ট পিঁপড়েটি তার বাসায় এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছিল। অন্য পিঁপড়েরা খাবারের সন্ধানে গিয়ে চলে গেল। ছোট্ট পিঁপড়েটি সেখানেই থেকে গেল। যখন সে তার খাওয়া শেষ করলো তখন সে দেখল যে অন্য সব পিঁপড়েরা চলে গেছে। এখন সে দুঃখী ও চিন্তিত হয়ে পড়ল। এখন আমি কী করব? আমি কীভাবে আমার জায়গায় পৌঁছাব? যদি কোনো পাখি আমাকে দেখে ফেলে তাহলে সে আমাকে খেয়ে ফেলবে। অথবা কেউ আমাকে তার পায়ে পিষে ফেলবে। সে কিছুই বুঝতে পারল না। সে নিজেকে বাঁচানোর জন্য একটা জায়গা খুঁজতে লাগল। সে একটা গাছের কাছে পড়ে থাকা একটা পাথর দেখতে পেল, যার মধ্যে একটা ছোট ফাঁক ছিল। সে ভাবল যে সেখানে কিছুক্ষণের জন্য আশ্রয় নেবে। তারপর সে তার বন্ধুদের খুঁজতে লাগল। সে সবে পাথরটার কাছে পৌঁছেছে, এমন সময় মেঘ থেকে বৃষ্টি নামতে শুরু করল। তার চিন্তা আরও বেড়ে গেল। এখন কী হবে? সে কীভাবে যাবে? সব পিঁপড়েরা যখন এখানে পৌঁছাল, তারা ছোট্ট পিঁপড়েটাকে দেখতে পেল না। তারাও চিন্তিত হয়ে পড়ল। তারা জানত না সে কোথায় আছে বা পাখির খাবার হয়ে গেছে কি না? সব পিঁপড়েরা বলল, &quot;বৃষ্টি থামুক আর আমরা ওকে খুঁজি, পাছে ওকে পেয়ে যাই। যদি ওর কিছু না হয়ে থাকে, ছোট্টটা।&quot; পিঁপড়েটার খিদে পেয়েছিল, কিন্তু খাবার কোথায় পাবে? বৃষ্টি থামলে, একজন লোক পাশ দিয়ে যাচ্ছিল যার থলেটা সামান্য ছেঁড়া ছিল এবং তা থেকে চিনি ঢালছিল। সেও পাথরটার নিচ থেকে বেরিয়ে এসে চিনি খেতে খেতে পেট ভরল। সে নিশ্চিত ছিল যে অন্য পিঁপড়েরা অবশ্যই তাকে খুঁজতে এখানে আসবে। ততদিন পর্যন্ত আমি আমার খাবার নিজের কাছেই রাখব। সে তার সাধ্যমতো সব খাবার সংগ্রহ করল। অন্য পিঁপড়েরা তাকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়ল এবং যেখানে ছোট্ট পিঁপড়েটা ছিল সেখানে পৌঁছাল, কিন্তু তারা তাকে দেখতে পেল না। তারা গলা ফাটিয়ে তাকে ডাকল। ছোট্ট পিঁপড়েটা তাদের ডাক শুনে তাদের কাছে চলে এল। ছোট্ট পিঁপড়েটা তাদের সাথে দেখা করতেই তারা বলল, &quot;এখানে খাবার আছে, চলো নিয়ে যাই।&quot; সবাই খাবার বয়ে নিয়ে যেতে শুরু করল। ছোট্ট পিঁপড়েটাও এমন একটা শস্যদানা তুলে নিল যা তার বহন ক্ষমতার বাইরে ছিল। সবাই তাকে ওটা বয়ে নিয়ে যেতে বারণ করল, কিন্তু সে জেদ ধরে বলল, &quot;আমিই এটা বয়ে নিয়ে যাব।&quot; অবশেষে, তার জেদের কারণে অন্য পিঁপড়েরা তাকে সাহায্য করল। সে বড় শস্যদানাটা তুলে নিল। সব পিঁপড়েরা শস্যদানা নিয়ে নিজেদের জায়গায় পৌঁছাল এবং ছোট্ট পিঁপড়েটাকে ও খাবারটাকে খুঁজে পেয়ে সবাই খুব খুশি হল। সেখানে ছোট্ট পিঁপড়েটা বলল, &quot;আমাকে ক্ষমা করে দাও, এখন থেকে তোমাদের ছেড়ে দূরে যাবো না, আদেশ অমান্য করবো না। এই অবাধ্যতার জন্য আমাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।&quot; অন্য পিঁপড়েরা তার কথায় হেসে উঠল এবং চিরকাল একসাথে থাকার প্রতিজ্ঞা করল।  এ থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে, আমাদের অবাধ্য হওয়া উচিত নয়, বন্ধুদের কখনো ছেড়ে যাওয়া উচিত নয় এবং একে অপরকে সাহায্য করা উচিত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243159/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 14:01:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: ছোট পিঁপড়া<br />
ধর্ম: ছোট গল্প </p>
<p>ছোট বন্ধুরা, আমি তোমাদের একটি ছোট্ট পিঁপড়ের গল্প বলব। তোমরা নিশ্চয়ই জানো যে পিঁপড়েরা একে অপরকে ভালোবাসে ও সম্মান করে। তারা সবসময় একসঙ্গে সারিবদ্ধভাবে চলে। যখন তাদের একে অপরের সাথে দেখা হয়, তারা একে অপরকে যেকোনো বিপদের ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়। তারা একই জায়গায় একসঙ্গে থাকে। তাদের মধ্যে কোনো ধর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243159"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243159/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6f831c48face20d382790bced071a0dc</guid>
				<title>শিরোনাম: বাবার প্রতিশ্রুতি
ধরণ: ছোটগল্প

একটি ছোট গ্রামে রহিম নামে এক গরিব দিন মজুরী বাস করত। তার ছোট মেয়ে ছিল—মায়া। মায়া প্রতিদিন তার বাবাকে বলত, “বাবা, তুমি কি আমার জন্য একটা পুতুল এনে দেবে?” রহিম প্রতিদিনই মেয়েকে হাসিমুখে বলত, “অবশ্যই এনে দেব, মা।”
এই সব ভাবতে ভাবতে সে কাজের উদ্দেশ্যে শ্রমিকদের শিবিরে পৌঁছাল, যেখানে আগের চেয়ে বেশি শ্রমিক ছিল। এই চিন্তাগুলো তাকে ভাবতে বাধ্য করছিল, “আজ শ্রমিকদের ভিড়ে জায়গাটা ভরে গেছে। আমি কাজ পাব কি না জানি না। আমার মেয়ের আবদার পূরণ হবে কি না? ইত্যাদি” হঠাৎ কাঁধে একটি হাতের স্পর্শ অনুভব করে সে এই সব চিন্তা থেকে বেরিয়ে এল। সে পিছনে ফিরে দেখল যে একজন যুবক এসে বলল, “চাচা, আমাকে একটা গর্ত খুঁড়তে হবে। আপনি আমার সাথে আসুন।” সে মাথা নেড়ে তার সাথে হাঁটতে শুরু করল।

যখন সূর্য অস্ত যেতে শুরু করল, তখন সেও তার কাজ শেষ করল। সে তার কাজের জন্য চারটি একশো টাকার নোট পেয়েছিল, যা সে আনন্দের সাথে নিয়ে বাজারে গেল এবং তার নিরীহ মেয়েটির জন্য একটি সুন্দর পুতুল কিনল। সেটি হাতে ধরে সে বাড়ির দিকে হাঁটতে শুরু করল। আজ সে বাড়ি থেকে কয়েক পা দূরে ছিল, তার মুখ আনন্দে ভরে উঠেছিল। হঠাৎ একটি দ্রুতগামী গাড়ি এসে তাকে এমন জোরে ধাক্কা দিল যে সে ছিটকে পড়ে নিস্তব্ধ হয়ে গেল। গুরুতর আহত অবস্থাতেও সে তার হাত শক্ত করে ধরে রেখেছিল সেই পুতুলটি। তার চাহনিতে যেন এক অদ্ভুত আকুলতা—মনে হচ্ছিল সে তার মেয়েকে ডাকছে, “আমার মায়া, দৌড়ে আয়… আমি তোর জন্য একটা সুন্দর পুতুল এনেছি। আমার কাছ থেকে এটা নে… আমি চলে যাচ্ছি…”

গ্রামের লোকজন ছুটে এসে দেখল—রহিমের ঠোঁটে মৃদু হাসি, আর হাতে ধরা সেই ছোট্ট উপহার। যেন শেষ মুহূর্তেও সে তার মেয়ের মুখে হাসি দেখার স্বপ্ন আঁকড়ে ধরে আছে। লোকেরা দ্রুত রহিমকে হাসপাতালে নিয়ে গেল।

পরের দিন, মায়া যখন সেই পুতুলটি হাতে পেল, সে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “বাবা, তুমি কথা রেখেছো…”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243085/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 23:57:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: বাবার প্রতিশ্রুতি<br />
ধরণ: ছোটগল্প</p>
<p>একটি ছোট গ্রামে রহিম নামে এক গরিব দিন মজুরী বাস করত। তার ছোট মেয়ে ছিল—মায়া। মায়া প্রতিদিন তার বাবাকে বলত, “বাবা, তুমি কি আমার জন্য একটা পুতুল এনে দেবে?” রহিম প্রতিদিনই মেয়েকে হাসিমুখে বলত, “অবশ্যই এনে দেব, মা।”<br />
এই সব ভাবতে ভাবতে সে কাজের উদ্দেশ্যে শ্রমিকদের শিবিরে পৌঁছাল, যেখানে আগের চেয়ে বেশি শ্রমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243085"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243085/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d6a7027c0e295ec0767a835b7daa31c1</guid>
				<title>শিরোনাম:সাহিত্য মানবতাকে পুনরায় সংযুক্ত করতে পারে


লেখা ও পড়া মানব সভ্যতার মতোই প্রাচীন। মানব ইতিহাসের পাতায় এর বহু পর্যায় আবিষ্কৃত হয়েছে। সর্বপ্রথম মানুষ গুহার দেয়ালে ছবি আঁকত, তারপর মেসোপটেমিয়ার (বর্তমান ইরাক) সুমেরীয়রা একটি নিয়মিত লিখন পদ্ধতি শুরু করে এবং তারা মাটির ফলকে লিখতে শুরু করে। ১৪৪০ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রণযন্ত্রের আগমন ঘটে এবং মানুষের লেখা ও পড়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। এরপর মানুষ প্রয়োজনের তাগিদে নয় বরং সৃজনশীলতার জন্য লেখা ও পড়াকে ব্যবহার করতে শুরু করে এবং এটি এমন একটি হাতিয়ার হয়ে ওঠে যা মানবজীবনকে বদলে দেয়। প্রাথমিকভাবে, মানুষ কল্পনার অবাধ বিচরণের জন্য গণনার সরঞ্জাম ব্যবহার করতে শুরু করে, যেখান থেকে পৌরাণিক কাহিনী ও কিংবদন্তির জন্ম হয়। যা মানুষের সীমাবদ্ধতা ও দুর্বলতা দূর করে এবং ধীরে ধীরে একটি সাধারণ মানব চেতনার সৃষ্টি হয়। যাকে আমরা এখন বিশ্ব মানব চেতনা বলি। সৃজনশীল লেখার প্রাচীনতম উৎস হলো ‘গিলগামেশের মহাকাব্য’ বা হোমারের ‘ইলিয়াড’, যেখানে প্রথমবারের মতো মানুষের বীরত্ব ও মৃত্যুভয়কে লিখিত রূপ দেওয়া হয়েছিল। মহাভারত হলো প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যের একটি মহান সৃষ্টি, যা সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রামকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। মহা কবি ফেরদৌসীর ‘শাহ নামা’ ইরানের যুদ্ধ ইতিহাস এবং বীর পুরুষদের কাহিনী। যুদ্ধ সাহিত্যের জন্ম দিয়েছে। বিংশ শতাব্দীর দুটি প্রধান বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যেগুলোতে প্রচুর সাহিত্য সৃষ্টি হয়েছিল, যেখানে আনন্দ ও হতাশার উপাদানগুলো সুস্পষ্ট ছিল। হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলার প্রভাব জাপানি এবং বিশ্ব সাহিত্যের উপর সুদূরপ্রসারী ছিল। লিও টলস্টয়ের উপন্যাস ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’, যাকে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলা হয়, তাতে রুশ সমাজে নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণের প্রভাব প্রতিফলিত হয়েছে। আমাদের বাংলা সাহিত্যে 
কবি আলাওলের পদ্মাবতী কাব্যে ভারতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আছে—এতে চিতোরের রানি পদ্মাবতী ও দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি-র কাহিনি বর্ণিত। এখানে চিতোর দুর্গ দখলকে কেন্দ্র করে যুদ্ধের বর্ণনা রয়েছে । এই যুদ্ধ মূলত: ক্ষমতা ও সৌন্দর্য অর্জনের লড়াই ও মধ্যযুগীয় ভারতীয় রাজনীতি ও সংঘর্ষের প্রতিফলন ঘটেছে।
 এরিখ মারিয়া রেমার্কের উপন্যাস ‘অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট’ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি উপন্যাস, যেখানে লেখক যুদ্ধের নামে কীভাবে তরুণ প্রজন্ম ধ্বংস হয়েছিল, সেই বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে একটি উপন্যাস লিখেছেন। এরপর আর্নেস্ট হেমিংওয়ের &#039;আ ফেয়ারওয়েল টু আর্মস&#039;, হেমিংওয়ে নিজে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে একজন অ্যাম্বুলেন্স চালক ছিলেন। এই উপন্যাসে তিনি যুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্যে জন্ম নেওয়া এক আমেরিকান সৈনিক ও এক নার্সের প্রেমের গল্প বর্ণনা করেছেন। উর্দুতে দেশভাগের আগে মানুষের রক্তপাত ও তার প্রভাব নিয়ে লেখা হয়েছে &#039;খুদা কি বস্তি&#039;, কুরাত-এ-আইন হায়দারের &#039;আগ কা দরিয়া&#039;ও একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। যেখানে শতাব্দীর পর শতাব্দীর যুদ্ধের কারণে সমাজের পরিবর্তন ও তার প্রভাব প্রতিফলিত হয়েছে। 
বাংলা সাহিত্যে প্রাচীন যুগ থেকে ঊনবিংশ শতক পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যে যুদ্ধ ও সমাজচিত্রের মাধ্যমে সমাজকে সচেতন করার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তী-এর চণ্ডীমঙ্গল এবং বিপ্রদাস পিপিলাই-এর মনসামঙ্গল-এ দেবতা ও মানুষের সংঘর্ষের মাধ্যমে ধর্মীয় শক্তির প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। ঊনবিংশ শতকে দীনবন্ধু মিত্র-এর নীলদর্পণ-এ নীলকরদের অত্যাচার ও কৃষকের দুর্দশা বাস্তবভাবে চিত্রিত হয়েছে।  কবি ইসমাইল হোসেন সিরাজীর মহাকাব্য অনল প্রবাহ গ্রন্থে সর্বশেষে ব্রিটিশদের শোষণের চিত্র উপস্থাপন করেছেন এবং সাধারণ মানুষকে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছেন। মাইকেল মধুসূদন দত্ত-এর মেঘনাদবধ কাব্য-এ রাম-রাবণ যুদ্ধকে নতুন দৃষ্টিতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
অতএব, বাংলা সাহিত্যে যুদ্ধচিত্র ধীরে ধীরে পৌরাণিক থেকে বাস্তব সামাজিক রূপে পরিণত হয়ে সমাজকে সচেতন করার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে দেশভাগ পর্যন্ত সময়কালকে বর্ণনা করে। এছাড়া, আধুনিক সময়ে ফারসি সাহিত্যে ইরান-ইরাক যুদ্ধ নিয়ে প্রচুর লেখা হয়েছে। &#039;চেস উইথ দ্য ডুমসডে মেশিন&#039; হলো ইরান-ইরাক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি উপন্যাস। এছাড়া, ইসমাইল ফাসিহের একটি উপন্যাস হলো &#039;উইন্টার অফ ৮২&#039;, যা যুদ্ধকালীন তেহরানের সাধারণ জীবন এবং মানুষের মানসিক অবস্থা বর্ণনা করে। তুর্কি সাহিত্যে অটোমান সাম্রাজ্যের পতন এবং আধুনিক তুর্কি স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে লেখা উপন্যাস &#039;দ্য স্ট্রেঞ্জার&#039; একজন আহত অফিসারের গল্প বলে। যে-ই সেই গ্রামে যায়, সেখানকার গণযুদ্ধের শীতলতা দেখে অবাক হয়ে যায়।বিশ্বে যুদ্ধ নিয়ে এখনও প্রচুর সাহিত্য রচিত ও পঠিত হয়েছে, কিন্তু তা সত্ত্বেও মানুষ বারুদের ভাষা বুঝতে পারেনি। সম্ভবত ক্ষমতা ও সম্পদ দখলের সিদ্ধান্তই যুদ্ধের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যখন বৃহৎ অস্ত্র শিল্প গড়ে ওঠে, তখন সেগুলোর ব্যবহারও অপরিহার্য হয়ে পড়ে। অপরপক্ষে, সাহিত্য মানুষকে অন্য মানুষের, এক রাষ্ট্রের, অন্য রাষ্ট্রের যন্ত্রণা অনুভব করার ক্ষমতা দেয়। একই সাথে, যুদ্ধ মানুষকে মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন করে এবং তাকে শত্রু হিসেবে উপস্থাপন করে। অস্ত্র অত্যন্ত কার্যকর, কিন্তু সাহিত্যের প্রভাব খুব ধীর। একশ বছর আগে লেখা একটি বই আজকের মনকে প্রভাবিত করতে পারে এবং সেই মন হয়তো যুদ্ধ না করার বা মানবতার জন্য মঙ্গলজনক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। জার্মান লেখক বের্টোল্ট ব্রেখট বলেছেন, “শাসকরা যখন শান্তির কথা বলেন, তখন বুঝবেন যে যুদ্ধ আসন্ন।” এর সর্বশেষ উদাহরণ আমরা দেখেছি ট্রাম্পের তৈরি শান্তি বোর্ডে শান্তি ঘোষণার পর, তার পরপরই ইরান আক্রমণের ফলে এর সর্বোচ্চ নেতা শহীদ হন। রাজনীতির উদ্দেশ্য হলো সমাজের ব্যবস্থা পরিচালনা করা এবং সাহিত্য সেই ব্যবস্থার প্রভাব বর্ণনা করে। যখন রাজনীতিতে অবিচার, নিপীড়ন বা দুর্নীতি বৃদ্ধি পায়, তখন সাহিত্যে তার প্রতিফলন ঘটে এবং প্রত্যেক লেখক তার নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে একটি তত্ত্ব তৈরি করেন। কিছু লেখক প্রগতিশীল, আবার অন্যরা সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের মতো রাজনৈতিক মতাদর্শের উপর সাহিত্য রচনা করেন। কিছু লেখক তাদের কলমের মাধ্যমে সাহিত্যকে প্রতিরোধের রূপক হিসেবে ব্যবহার করেছেন, যার উজ্জ্বল উদাহরণ হলো ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ এবং শেখ আয়াজের কবিতা। রাজনীতি সাহিত্যকে পরিবর্তন করে এবং সাহিত্য রাজনীতির অভ্যন্তরে ক্ষমতার জন্য চলমান যুদ্ধকে বর্ণনা করে। এটি দেখা গুরুত্বপূর্ণ যে, পৃথিবীতে যেখানেই সাহিত্যিক মনীষীরা আছেন, তারা কীভাবে প্রতীকী এবং সার্বজনীন ভাষা ব্যবহার করে তাদের কলমের মাধ্যমে যুদ্ধের প্রতি ঘৃণা এবং শান্তিপূর্ণ জীবন ও মানবতার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেন। আজকের লেখকরা গতকালের যুদ্ধ-রোমাঞ্চের অবসান ঘটিয়েছেন। লেখকদের উচিত তাদের সৃজনশীল ক্ষমতা দিয়ে যুদ্ধ, সাম্রাজ্যবাদ এবং মানবতার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে ক্রমাগত আওয়াজ তোলা। কারণ কলমের শক্তি ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়েও বেশি। মহান নেতারা শুধু আবেগের সাথে পড়তেনই না, অনেক নেতা নিজেরাই লেখক ছিলেন। তাদের মধ্যে উইনস্টন চার্চিল নিজেও একজন লেখক ছিলেন, যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। জওহরলাল নেহরুর &#039;ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া&#039; বইটি তাঁর সাহিত্যরুচির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বারাক ওবামা তাঁর রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময়ে প্রিয় বই ও উপন্যাসের একটি তালিকা প্রকাশ করতেন, আব্রাহাম লিঙ্কন শেক্সপিয়রের নাটক ও কবিতার অনুরাগী ছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা ব্যক্ত করেছিলেন নানা মাধ্যমে। তাঁর উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের মধ্যে অন্যতম ছিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর সম্মানসূচক ভ্রমণ। তিনি ভারত থেকে কাজী নজরুল ইসলামের অমর সাহিত্য, দলিলপত্র ও স্মৃতিসৌধকে সসম্মানে বাংলাদেশে আনার ব্যবস্থা করেছিলেন, যা শুধু সাহিত্যকর্মের সংরক্ষণই নয়,ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের প্রতীক। কিন্তু একই সাথে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বই পড়ায় কোনো আগ্রহ নেই। যদিও নেতানিয়াহু একজন বিতর্কিত নেতা, তাঁর একটি সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক পটভূমি রয়েছে। তিনি যুদ্ধ কৌশল এবং বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছেন। শহীদ আয়াতুল্লাহ খামেনি সাহিত্য, কবিতা ও ইতিহাস খুব পছন্দ করতেন এবং তিনি নিজেও কবিতা লিখতেন। সাহিত্য মানুষকে মানবিক করে তোলে, তাকে নিজের সাথে সংযুক্ত করে, সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য শেখায় এবং সংকীর্ণমনা ও চরমপন্থা দূর করে। যখন যুদ্ধ পথ বন্ধ করে দেয়, সাহিত্য তখন নিঃশব্দে হৃদয়ের দরজায় কড়া নাড়ে, কিন্তু এই মুহূর্তে বিশ্ব এক ভয়াবহ যাত্রাপথে রয়েছে, যেখানে দর্শন, সাহিত্য এবং চারুকলা তাদের মর্যাদা হারিয়েছে। যুবসমাজ হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে পড়েছে, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার অভাব দেখা যাচ্ছে এবং সমাজকে মৃত বলে মনে হচ্ছে। সাহিত্য ও চারুকলার মাধ্যমে মানুষকে পুনরায় মানুষকে ভালোবাসতে শেখানো যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242881/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 13:14:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম:সাহিত্য মানবতাকে পুনরায় সংযুক্ত করতে পারে</p>
<p>লেখা ও পড়া মানব সভ্যতার মতোই প্রাচীন। মানব ইতিহাসের পাতায় এর বহু পর্যায় আবিষ্কৃত হয়েছে। সর্বপ্রথম মানুষ গুহার দেয়ালে ছবি আঁকত, তারপর মেসোপটেমিয়ার (বর্তমান ইরাক) সুমেরীয়রা একটি নিয়মিত লিখন পদ্ধতি শুরু করে এবং তারা মাটির ফলকে লিখতে শুরু করে। ১৪৪০ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রণযন্ত্রের আগমন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242881"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242881/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1b824860d1a2ab25aa7558e7f376778b</guid>
				<title>শিরোনাম: কঠোর পরিশ্রমের ফল
ধরণ: ছোটগল্প  

এক গ্রামে নুরু নামে এক কৃষক বাস করত। তার ছোট ছেলে ধনু ছিল বোবা। কিন্তু নুরু তার ছেলেকে নিয়ে সবসময় দুঃখী ও চিন্তিত থাকত কারণ নুরুর ছেলের জন্ম থেকেই একটি জন্মগত ত্রুটি ছিল। সে সবসময় ভাবত, ভবিষ্যতে তার ছেলে কীভাবে জীবন কাটাবে, সময়ের প্রতিকূলতার মোকাবিলা কীভাবে করবে। এই যন্ত্রণা নুরুকে কষ্ট দিচ্ছিল। ধনুর একটি নিত্যদিনের অভ্যাস ছিল যে, সকালে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তার এক কোণে গিয়ে বসত। সে স্কুলে যাওয়া বাচ্চাদের দেখত। কখনও কখনও সে একটি ছেঁড়া বই বা খবরের কাগজের টুকরো তুলে নিত এবং এমনভাবে সেটির দিকে তাকিয়ে থাকত যেন সে পড়ছে। তার একটি স্বপ্নও ছিল যা সে পূরণ করার চেষ্টা করছিল। একজন শিক্ষকও সেই একই রাস্তা দিয়ে যেতেন, যিনি ধনুকে ভালোবেসে অভিবাদন জানাতেন এবং তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেন। যখনই ধনু সেখানে থাকত না, শিক্ষক তাকে জিজ্ঞেস করতেন সে অসুস্থ কি না।

একদিন, যথারীতি, শিক্ষক পাশ দিয়ে গেলেন, তাকে ভালোবেসে অভিবাদন জানিয়ে চলে যেতে শুরু করলেন। ধনু হাত তুলে শিক্ষককে তার ভাষায় বলল, &quot;আমিও স্কুলে যাব, আমি সেখানেই পড়াশোনা করব, আমাকে স্কুলে নিয়ে যান।&quot; শিক্ষক বললেন, &quot;আমি তোমার বাবার সাথে পরামর্শ করব তিনি কী বলেন,&quot; কিন্তু ধনু বলল, &quot;আমাকে স্কুলে নিয়ে যান।&quot; হঠাৎ ধনুর বাবা নুরুও এখানে উপস্থিত হলো এবং শিক্ষকের কাছে এসে শিক্ষককে বললেন, স্যার &quot;আমার ছেলে, ধনু, খুব জেদি। &quot; নুরু কিছু বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু শিক্ষক তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, &quot;নুরুকে আমার সাথে স্কুলে নিয়ে যাও।&quot; শিক্ষকের এই কথা শুনে নুরুর মুখে বিজয়ের হাসি ফুটে উঠল। ধনু তার কঠোর পরিশ্রম এবং নৈতিকতা দিয়ে এমন একটি জায়গা তৈরি করেছিল যে সমস্ত শিক্ষক তাকে পছন্দ করতে এবং ভালোবাসতে শুরু করলেন। এইভাবে, ধনু পঞ্চম শ্রেণি পাস করল। উচ্চ নম্বর পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের পুরস্কৃত করার জন্য স্কুলে বার্ষিক অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করল। ঐ  সমাবেশে  জেলার শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা, সম্মানিত শিক্ষকেরা এবং শহরের গণ্যমান্য অভিভাবকেরাও উপস্থিত ছিলেন। ধনুও সেই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছিল। যখন ধনুকে ডাকা হলো, সে তার নিজস্ব বিশেষ ভঙ্গিতে ইংরেজিতে একটি স্মরণীয় বক্তৃতা দিল, যার ফলে সবাই তার দক্ষতায় বিস্মিত হয়ে গেল। সে তার গ্রুপে প্রথম পুরস্কার পেল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত তার বাবা নুরুর চোখে আনন্দের অশ্রু এসে গিয়েছিল। তিনি তার ছেলের সাফল্যে গর্বিত ছিলেন। 

ধনু পড়াশোনা চালিয়ে গেল এবং  এইচএসসি পরীক্ষায় এ-+ গ্রেডে উত্তীর্ণ হলো। সেখানেও সে অনেক পুরস্কার জিতল। সে তার কঠোর পরিশ্রম দিয়ে শিক্ষকদের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান করে নিয়েছিল। এখন সে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চায়। কিন্তু কারো কাছ থেকে জানতে পারে যে ওই প্রতিষ্ঠানে মাঝে মাঝে মারামারি হয় এ কারণে তার বাবা তাকে সেখানে পড়তে দিতে চাননি। ধনু তার শিক্ষকদের কাছে মনের কথা খুলে বলল। তারা নুরুকে রাজি করালেন এবং ধনু বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা দিল, যেখানে সে সর্বোচ্চ নম্বর পেল, যার ফলে সে তার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেল এবং একটি বৃত্তিও পেল যা তার স্বপ্ন সত্যি হওয়ার পথ প্রশস্ত করে দিল। সেখানে ধনু তার কঠোর পরিশ্রম করল। যখন চূড়ান্ত ফলাফল এল, ধনু প্রথম স্থান অধিকার করল, যার ফলে সে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে স্বর্ণপদকও পেল। হঠাৎ একদিন সে একটি চিঠি পেল, যেখানে তাকে বিদেশে পড়ার জন্য বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। তার শিক্ষক ও বাবা-মা তার জন্য গর্বিত হতে লাগলেন। তার কঠোর পরিশ্রমের ফলে তার স্বপ্ন সত্যি হলো। 
সে তার পরিশ্রমের ফল পেল। প্রিয় বন্ধুরা, তোমরাও ধনুর মতো কঠোর পরিশ্রম করো। নকল সংস্কৃতির বিরুদ্ধে লড়ো এবং তোমরাও তোমাদের পরিশ্রমের ফল পাবে। ইনশাআল্লাহ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242792/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 07:47:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: কঠোর পরিশ্রমের ফল<br />
ধরণ: ছোটগল্প  </p>
<p>এক গ্রামে নুরু নামে এক কৃষক বাস করত। তার ছোট ছেলে ধনু ছিল বোবা। কিন্তু নুরু তার ছেলেকে নিয়ে সবসময় দুঃখী ও চিন্তিত থাকত কারণ নুরুর ছেলের জন্ম থেকেই একটি জন্মগত ত্রুটি ছিল। সে সবসময় ভাবত, ভবিষ্যতে তার ছেলে কীভাবে জীবন কাটাবে, সময়ের প্রতিকূলতার মোকাবিলা কীভাবে করবে। এই যন্ত্রণা নুরুকে ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242792"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242792/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1f34b10980523661afebbf699b6b0482</guid>
				<title>শিরোনাম: সহানুভূতি
ধরণ: ছোটগল্প 

ছোট্ট বন্ধুরা, আমি তোমাদেরকে এক দয়ালু ও সহানুভূতিশীল কিশোরের গল্প বলব। এই কিশোরের নাম ছিল এহসান। সে একবার তার শিক্ষকদের কাছ থেকে শুনেছিল যে, সবাই নিজের সুখের জন্য বাঁচে, কিন্তু জীবনের আসল আনন্দ তখনই আসে যখন মানুষ অন্যের জন্য বাঁচে। আল্লাহ ইতিমধ্যেই তার হৃদয়ে সহানুভূতির অনুভূতি তৈরি করে দিয়েছিলেন। যখন সে তার শিক্ষকদের কথা শুনল, তার উৎসাহ আরও বেড়ে গেল। তার এমন একটি স্বভাব ছিল যে সে খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ছাদে ভাত-গম রেখে দিত যাতে পাখিরা তা খেতে পারে। সে দেয়াল ও ছাদে পানির পাত্র ভরে রাখত যেখান থেকে পাখিরা পানি পান করত। শুধু তাই নয়, সে বাড়ির বাইরেও একটি পাত্র রাখত যেখান থেকে কুকুর এবং অন্যান্য পশুরাও পানি পান করত। সে সবসময় অন্যের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে ভালোবাসত। তার এই কাজে তার বাবা-মা খুব খুশি হয়েছিলেন। সে তার জীবনে অন্যের জন্য সহানুভূতির অনুভূতি বজায় রেখেছিল। সে শুধু পাখি ও পশুদেরই নয়, মানুষেরও যত্ন নিত। সে সবাইকে সাহায্য করত। একদিন, সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্কুলে যাচ্ছিল। সেদিন সে প্রতিদিনের মতো না গিয়ে স্কুলে যাওয়ার জন্য অন্য একটি রাস্তা ধরল, যেটা শহরের দিকে গেছে। রাস্তায় সে একটা বিয়ের আসর আর দুই-তিনটা হোটেল পার হলো। সেই পথে স্কুলে যাওয়ার সময় এক জায়গায় সে কয়েকটি কুকুরের ডাক শুনতে পেল। সে হঠাৎ সেদিকে তাকাল। সে দেখল, মাথায় টুপি পরা একটি শিশু বিয়ের আসর থেকে ফেলে দেওয়া খাবার কুড়িয়ে একটা ব্যাগে ভরছে। কুকুরগুলো তার কাছে এসে ঘেউ ঘেউ করছে। এই দৃশ্য দেখে এহসানের মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে গেল। বিয়ের আসরের উচ্ছিষ্ট ফেলে দেওয়া খাবার থেকে একটা মানুষ শিশু কীভাবে নিজের প্রয়োজনীয় খাবার হিসেবে বেছে নিতে পারে?  সে কিছুক্ষণ থমকে দাঁড়িয়ে ভাবল—এই শিশুটির কি কেউ নেই? কেন তাকে অন্যের ফেলে দেওয়া খাবারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে?
এহসান আর সামনে এগোতে পারল না। তার ভেতরে অস্থিরতা কাজ করতে লাগল। সে ধীরে ধীরে শিশুটির কাছে এগিয়ে গিয়ে নরম গলায় বলল, “তুমি এখানে কী করছ?” শিশুটি একটু ভয় পেয়ে তাকাল। তারপর নিচু স্বরে বলল, “আমি… এখানে ফেলে দেওয়া খাবার কুড়িয়ে নিচ্ছি। বাসায় নিয়ে গেলে মা, আমি আর আমার ছোটবোন খেতে পারব।”
এহসান আর কিছু বলতে পারল না। তার চোখে অজান্তেই পানি চলে এল। সে বুঝতে পারল, জীবনের বাস্তবতা সবার জন্য একরকম নয়। কেউ যেখানে আনন্দের উৎসব করছে, সেখানে অন্য কেউ সেই উচ্ছিষ্ট দিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে।
এহসান তার হাত থেকে ব্যাগটা ছিনিয়ে নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিল। ছেলেটি কাঁদতে কাঁদতে বলল, &quot;আমি দুদিন ধরে কিছুই খাইনি। আমাকে এটা দাও যাতে আমি ওদের খাওয়াতে পারি।&quot; ছেলেটির কথায় এহসানের খুব মন খারাপ হলো। সে তার হাত ধরে তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এলো। তার বাবা-মা যখন তাকে স্কুলে না যাওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলো, সে বললো, “আম্মু , এই মুহূর্তে স্কুলের চেয়ে এটা আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।” সে তার মাকে পুরো ঘটনাটা খুলে বললো। এহসানের মা তার এই কাজে খুব খুশি হলেন। ছেলেটি, যার শরীরটা নগ্ন ছিল এবং গায়ে কোনো কাপড় ছিল না, তাকে ধুয়ে নতুন কাপড় পরিয়ে দিলেন। ক্ষুধার্ত শিশুটিকে শান্তনা দিয়ে তিনি তাকে খাবার খাওয়ালেন। ছেলেটি বললো, “আমি এটা নেবো। আমার বোনেরও খিদে পেয়েছে।” এর উত্তরে এহসানের মা বললেন, “বাবা, খাও, এটা ওদের জন্যও।” ছেলেটি যখন খেতে প্রস্তুত হলো, এহসানের মা একটি ব্যাগে কিছু কাপড় রাখলেন এবং খাবারটা নিয়ে নিলেন। এহসান ও তার মা-ও ছেলেটিকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন। তারা দরজার কাছে পৌঁছালে, তার ছোট বোন ভাইকে অভ্যর্থনা জানাতে ছুটে এসে বললো, “আমার খিদে পেয়েছে,” উত্তরে সে বললো, “আমার বোনের জন্য বড় করে রান্না করো।” তারা যখন প্রবেশ করল, তখন দেখল তার মা অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় শুয়ে আছেন এবং হাত বাড়িয়ে তাদের অভিবাদন জানালেন। তার চোখ থেকে অশ্রু ঝরছিল। এহসানের মা ছেলেটিকে খাবার দিলেন এবং নিজে তাদের মাকে খাইয়ে দিলেন। খাওয়ার সময় তিনি বললেন, “তাদের বাবা মারা গেছেন, আমি অসুস্থ, এখন আল্লাহ ছাড়া তাদের আর কেউ নেই,” উত্তরে এহসান বলল, “প্রভুই আমাদের তাদের সাহায্য করার সুযোগ দিয়েছেন।”এহসান তার মায়ের দিকে তাকিয়ে বলল, &quot;আম্মু, আল্লাহ আমাদের সবকিছু দিয়েছেন। আসল কাজ হলো ওদেরকে সুখী করা। চলো ওদেরকে আমাদের বাড়ির পেছনের ঘরটায় নিয়ে গিয়ে থাকতে দিই। আমি চাই ওদের হাতে যেন পড়ার বই থাকে, ময়লার ঝুড়ি থেকে কুড়ানো খাবারের ব্যাগ নয়।&quot; মা এহসানকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন আর তাঁর চোখ থেকে আনন্দের অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগল। আমার ছেলের অন্যের প্রতি কত সহানুভূতি। এখন সে এহসানের বাড়ির কাছে থাকতে শুরু করেছে। সে তাদের মায়েরও যত্ন নিতে শুরু করেছে। এহসান এই দুই ভাইবোনকে প্রতিদিন স্কুলে নিয়ে যেত। এহসানের সহানুভূতির কারণে তাদের কিছু কষ্ট আনন্দে পরিণত হলো। এই গরিব মানুষগুলোর স্বপ্ন সত্যি হতে শুরু করল। প্রিয় বন্ধুরা, আমাদেরও দেখা উচিত যেন আমাদের পাড়ায় কোনো ক্ষুধার্ত, বস্ত্রহীন বা কষ্টভোগী শিশু না থাকে। যে শিশু বাধ্য হয়ে স্কুলে যেতে পারছে না, চলো আমরা তাকে সাহায্য করি। জীবনের আসল আনন্দ অন্যের উপকার করার মধ্যেই নিহিত, যার জন্য আমাদের প্রভু আমাদের পুরস্কৃত করবেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242671/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 21:16:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: সহানুভূতি<br />
ধরণ: ছোটগল্প </p>
<p>ছোট্ট বন্ধুরা, আমি তোমাদেরকে এক দয়ালু ও সহানুভূতিশীল কিশোরের গল্প বলব। এই কিশোরের নাম ছিল এহসান। সে একবার তার শিক্ষকদের কাছ থেকে শুনেছিল যে, সবাই নিজের সুখের জন্য বাঁচে, কিন্তু জীবনের আসল আনন্দ তখনই আসে যখন মানুষ অন্যের জন্য বাঁচে। আল্লাহ ইতিমধ্যেই তার হৃদয়ে সহানুভূতির অনুভূতি তৈরি করে দিয়েছিলেন। যখন সে তার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242671"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242671/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8d37490d7db7da18abb56754f4e1cb40</guid>
				<title>শিরোনাম: চুরির শাস্তি
ধরন: গল্প

রুহিতপুর গ্রামে সাজিদ নামের এক ছেলে ছিল। সে ছোটবেলা থেকেই পরিবারের সবার আদরের ছিল। তার বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজন তাকে খুব ভালোবাসত, কিন্তু সেই ভালোবাসার আড়ালে তারা তার ভুলগুলো ঠিকভাবে ধরিয়ে দিত না। যে কারণে তারা তার অপকর্মগুলো ধামাচাপা দিত। এর ফলে সে দিন দিন আরও খারাপ হতে লাগল।
কিন্তু তার অহংকারের কারণে আত্মীয়রা তার দিকে কোনো মনোযোগ দিত না। তারা দেখত না যে, আমাদের ছেলেটা আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে। কেউ তাকে বকা দিলে, তারা তাকে ক্ষমা করে দিত এবং যে বকা দিত, তার ওপরই রেগে যেত।
তার এখন চুরির অভ্যাস তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সে কোনো দোকানে গেলে, সেখানেও কিছু একটা লুকিয়ে রাখত। ধরা পড়লে দোকানদার তাকে বকা দিত, কিন্তু যদি সে ধরা না পড়ত, তবে সে জিনিসটা নিয়ে চলে যেত।
স্কুলেও সে বাচ্চাদের ব্যাগ থেকে জিনিস নিয়ে লুকিয়ে রাখত। যে ছাত্ররা শিক্ষকের কাছে অভিযোগ করত, তারা প্রায়ই তার ব্যাগে চুরি করা জিনিস খুঁজে পেত। শিক্ষক তাকে বকা দিতেন এবং স্নেহের সঙ্গে বুঝিয়ে বলতেন, কিন্তু তাতে তার কোনো প্রভাব পড়ত না। শিক্ষক তার বাবা-মাকেও বকা দিতেন, কিন্তু তারাও তার কথায় কান দিতেন না।
এখন বাইরে চুরি করার পর, সে নিজের বাড়িতেও চুরি করতে শুরু করেছিল। সে পরিবারের সদস্যদের টাকা নিত এবং কিছু পেলেই তা নিয়ে নিত। তার আত্মীয়স্বজনরাও এ ব্যাপারে জেনে গিয়েছিল, কিন্তু তারা তাকে শুধু সামান্য বকাঝকা করে চুপ করে থাকত।
এর কারণ ছিল—তার বাবা তাকে বকা দিতেন, আর তার মা তার যত্ন নিতেন। মা তাকে বকা দিলে, বাবা তার যত্ন নিতেন। ফলে সে বেপরোয়া হয়ে গেল এবং কারও কথা শুনত না। তার আত্মীয়রা ভাবত না যে, সে আজ ছোট, কাল বড় হয়ে যাবে। এটা তার একটি খারাপ অভ্যাস ছিল, যা তার থেকে দূর করা উচিত ছিল। কিন্তু তার আত্মীয়রা তাকে কেবল উপেক্ষা করত।
একদিন, সে বাড়ির কাউকে না বলে বাগানে হাঁটতে বেরিয়ে গেল। সে একটি বাগানে দেখল যে, সেখানে কেউ নেই, কিন্তু বাগানের মালির সাইকেলটি দাঁড়িয়ে আছে। মালি তাকে দেখেছেন কি না, তা বোঝার জন্য সে ধীরে ধীরে চারপাশে তাকাল।
যখন সে নিশ্চিত হলো যে, মালি তাকে দেখছেন না, তখন সে সাইকেলটি তুলে নিল। সে সাইকেলটি কারও কাছে বিক্রি করে টাকা উপার্জনের উদ্দেশ্যে সেই বাগান থেকে বেরিয়ে রাস্তায় চলে এল। সে তাড়াতাড়ি পালিয়ে যাওয়ার জন্য সাইকেলটি দ্রুত চালাতে শুরু করল।
দ্রুত সাইকেল চালানোর সময় সে দেখল, তার সামনে একটি গাড়ি আসছে। সে সাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলল এবং একটি খাদে পড়ে গেল। এতে সে গুরুতর আহত হলো এবং জ্ঞান হারাল।
তার আত্মীয়রা যখন তার কুকর্মের কথা শুনল, তারা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেল, যেখানে তার চিকিৎসা করা হলো। জ্ঞান ফিরে আসার পর, সে নিজেকে হাসপাতালে দেখল এবং তার আত্মীয়দের পুরো ঘটনাটি বলল। তা শুনে তার আত্মীয়রা অনুশোচনা করল যে, তারা তাকে আগে নিয়ন্ত্রণ করেনি।
সাজিদ তার দুঃখী বাবাকে দেখে বলল,
“বাবা, আমাকে ক্ষমা করে দাও। চুরির জন্য আমি শাস্তি পেয়েছি। ভবিষ্যতে আমি এমন খারাপ কাজ আর করব না।”
তার বাবা হেসে তার দিকে তাকিয়ে বললেন,
“বাবা, দেখো—চুরির জন্য তুমি শাস্তি পেয়েছ। আমি এখন তোমাকে শাস্তি দেব না, কিন্তু ভবিষ্যতে আর কখনো চুরি করবে না। শাস্তি যেমন হয়, তেমনই হয়।”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242541/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 01:22:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: চুরির শাস্তি<br />
ধরন: গল্প</p>
<p>রুহিতপুর গ্রামে সাজিদ নামের এক ছেলে ছিল। সে ছোটবেলা থেকেই পরিবারের সবার আদরের ছিল। তার বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজন তাকে খুব ভালোবাসত, কিন্তু সেই ভালোবাসার আড়ালে তারা তার ভুলগুলো ঠিকভাবে ধরিয়ে দিত না। যে কারণে তারা তার অপকর্মগুলো ধামাচাপা দিত। এর ফলে সে দিন দিন আরও খারাপ হতে লাগল।<br />
কিন্তু তার অহংকারের কারণে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242541"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242541/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0f3f1fe23c15085bc9d4845c64ac0ac8</guid>
				<title>শিরোনাম: অহংকার
বিষয়: ছোটগল্প 

শরীফ এবং আরিফ, যারা ছোটবেলায় তাদের বাবাকে হারিয়েছিল, তাদের প্রতিবেশী এবং আত্মীয় স্বজনরা অনেক সাহায্য করেছিল।  খাওয়া-দাওয়া, পড়াশুনা-শ্রবণে সবাই জড়িত।  শরীফ ছোটবেলা থেকেই তীক্ষ্ণ ও মেধাবী।  সে পড়াতে খুব ভালো।  পাশের একটি স্কুলের একজন শিক্ষক তার পড়াশোনার দায়িত্ব নেন।  কয়েকজন শিক্ষক নিজেরাই ফর্ম ফিলাপের দায়িত্ব নেন।  একসময় তারা সরকারি স্কুলে পড়ে এবং উচ্চ শিক্ষার জন্য বৃত্তি নিয়ে বিদেশে চলে যায়।  দুজনই উচ্চ পদে কর্মরত।  আরিফ ঢাকায় এবং শরীফ বিদেশে থাকে।  পড়ালেখা আর কাজের দায়িত্বের ফাঁকে ভুলে গেছে তাদের মা ও জন্মস্থানের কথা।

যথাসময়ে তার মা তাকে আরিফের বিয়ের জন্য বললে  সে বলে, &quot;মা, আমি নিজেই এখানে একটি মেয়ে পছন্দ করেছি। আমি বিয়ের ব্যবস্থা করব। তুমি এসে আশির্বাদ করবে । আমার ভাই আরিফ আসতে পারে কিনা  না? তুমি আমাকে বলবে তুমি কখন আসবে।  চাকরি পাওয়ার অনেক উপায় আছে, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এমন একটি চাকরি পাওয়া যা আপনার সময় এবং প্রচেষ্টার মূল্য। সময় এবং প্রচেষ্টা।&quot;
&quot;ঠিক আছে, মা,&quot; তার সাথে বেশিক্ষণ কথা বলেনি।

কিছুদিন পর মায়ের অজান্তেই বিয়ে করেন।  পরে তার মা জানতে পারলে তাকে বাড়িতে এসে একটি ছোট অনুষ্ঠান করতে বলেন।  সে তার মাকে ভুলতে না পেরে কয়েকদিনের জন্য বাড়ি চলে আসে।  মা তার ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।  আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মনে অনেক আনন্দ।  বহু বছর পর দেখা হবে শরীফ আর আরিফের।  তাদের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন।  তারা অন্যের সন্তানদের সাথে তাদের নিজের মতো আচরণ করে।  তিনি আন্তরিকভাবে তাদের মঙ্গল কামনা করেন।
    সবাই পার্টিতে এসেছে।  সবাই বর-কনেকে আশীর্বাদ করেন।  শরীফের কথাও জিজ্ঞেস করলেন।  এই দুই ভাই মোটেও খুশি নয়।  তাদের মনে হচ্ছিল অন্য জগতের মানুষ। তাদের আচার-আচরণ তাদের স্বজনদের কাছে জানা হয়ে গেল।  শরীফের শিক্ষার খরচ বহনকারী শিক্ষক শরীফকে দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন।  তিনি মার্জিত পোশাক পরে সবার সামনে বেরিয়ে গেলেন কিন্তু কাউকে কিছু বলার সময় পাননি।  তার মা শরীফের কাছে তার শিক্ষকের ত্যাগের কথা বলল, কিন্তু যখন সে তাকে কিছু দর্শনার্থীর সাথে পরিচয় করিয়ে দিল, তখন সে তাকে বলল, &quot;মা, তুমি কি মনে করো আমরা চিড়িয়াখানার প্রাণী এবং তুমি কি আমাদের সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছ?&quot;  তার কথায় উপস্থিত আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহত হন।  অহংকার নামক জিনিসটা আসলে কোথা থেকে আসে তা তারা বুঝতে পারেনি।  তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে শিক্ষাও মানুষের অহংকার দূর করতে পারে না।  তারা ভেবেছিল যে বাবা ছাড়া একটি ছেলে শিক্ষিত হয়ে একজন ভাল মানুষ এবং একজন সৎ মানুষ হবে, কিন্তু মানুষের সাথে আচরণ করার সামান্যতম আদব তাদের নেই।  ডিগ্রিধারীরা শিক্ষিত হলেও প্রকৃত শিক্ষিত হতে পারে না।

 এক সময় তাদের স্কুলে যাওয়ার সময় পরার জন্য এক জোড়া কাপড় ছিল না;  একমুঠো খাবারের প্রয়োজনে তার মা ঘরে ঘরে কাজ করতেন।  বাবা ছাড়া ছেলে হয়ে সবাই তাকে সাহায্য করেছে।  আজ, তারা সেই লোকদের মধ্যে দাঁড়াতে নারাজ,সোফায় বসলে পার্টিতে বসা লোকজন দলটিকে চিনতে পারেনি বলে সবার মনে হলো।  ........ অহংকারীর রূপ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241981/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 00:38:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: অহংকার<br />
বিষয়: ছোটগল্প </p>
<p>শরীফ এবং আরিফ, যারা ছোটবেলায় তাদের বাবাকে হারিয়েছিল, তাদের প্রতিবেশী এবং আত্মীয় স্বজনরা অনেক সাহায্য করেছিল।  খাওয়া-দাওয়া, পড়াশুনা-শ্রবণে সবাই জড়িত।  শরীফ ছোটবেলা থেকেই তীক্ষ্ণ ও মেধাবী।  সে পড়াতে খুব ভালো।  পাশের একটি স্কুলের একজন শিক্ষক তার পড়াশোনার দায়িত্ব নেন।  কয়েকজন শিক্ষক নিজেরাই ফর্ম ফ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241981"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241981/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4ec8b59f987324ed1989be28f301aa5f</guid>
				<title>শিরোনাম: ছোট থেকে মহৎ 

ছোট বলে তুচ্ছ জেনে
করো না অবহেলা,
হোকনা সে ছোট্ট মানুষ
সে সম্ভাবনার মেলা।

শিশির বিন্দু ক্ষুদ্র হলেও
ভোরে আনে হাসি,
ছোট্ট প্রদীপ আঁধার ভেঙে
জ্বালায় আলোর বাতি।

কুঁড়ি যদি ছোটই থাকে
ফুটবে কেমন ফুল?
আজ যে নীরব ক্ষুদ্র চারা
কালই বটের মূল।

তুচ্ছ ভেবে দূরে ঠেলো না
দাও স্নেহের স্থান,
ক্ষুদ্র হৃদয়ে লুকায়ে রাখে
মধুর প্রেমের টান।

ছোট্ট নদী স্রোত বয়ে
হয় যে অতল সাগর,
ক্ষুদ্র কণায় গড়ে তোলে
অটল পর্বত নগর।

তাই পরশ বুলাও ছোটদের
দাও সম্মানেরই স্থান, 
যত্ন পেলে ছোট্ট মানুষই
হয়ে ওঠবে মহীয়ান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241978/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 00:06:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: ছোট থেকে মহৎ </p>
<p>ছোট বলে তুচ্ছ জেনে<br />
করো না অবহেলা,<br />
হোকনা সে ছোট্ট মানুষ<br />
সে সম্ভাবনার মেলা।</p>
<p>শিশির বিন্দু ক্ষুদ্র হলেও<br />
ভোরে আনে হাসি,<br />
ছোট্ট প্রদীপ আঁধার ভেঙে<br />
জ্বালায় আলোর বাতি।</p>
<p>কুঁড়ি যদি ছোটই থাকে<br />
ফুটবে কেমন ফুল?<br />
আজ যে নীরব ক্ষুদ্র চারা<br />
কালই বটের মূল।</p>
<p>তুচ্ছ ভেবে দূরে ঠেলো না<br />
দাও স্নেহের স্থান,<br />
ক্ষুদ্র হৃদয়ে লু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241978"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241978/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">87a458c37fcd99f5126b73414106c2d8</guid>
				<title>আবু জাফর মহিউদ্দীন and জিকরুল ইসলাম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241732/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 18:10:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e9c06a762afef521f9659b68acb845ee</guid>
				<title>আবু জাফর মহিউদ্দীন and ভাস্কর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241717/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 15:59:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a2632e962527b8f79b8194e8f2251748</guid>
				<title>আবু জাফর মহিউদ্দীন and মো: খায়রুল ইসলাম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241716/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 15:57:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9533b1ef6776cb6149eec44e7b0a1d1a</guid>
				<title>শিরোনাম: লোভী ভিক্ষুক ও স্বর্ণমুদ্রা
ধরন: ছোটগল্প 
তারিখ: ২৯/০৩/২৬

এক ভিক্ষুক খাবারের জন্য ঘরে ঘরে ঘুরে বেড়াত। সে ছিল খুব কুৎসিত; ছেঁড়া জামাকাপড় আর এলোমেলো চুল। তার একটি পুরোনো ব্যাগ ছিল।
সে প্রতিটি বাড়িতে যেত, আর কিছু না পেলে বাড়ির মালিকদের সম্পর্কে নানা কথা বলত। এক বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে সে উচ্চস্বরে বলল,
“বাড়িটা অনেক বড়, কিন্তু এখানকার মানুষ অনেক টাকা থাকলেও সন্তুষ্ট নয়। তারা সব সময় আরও বেশি চায়। শেষ পর্যন্ত লোভের বশে সব হারিয়ে ফেলে...”
এরপর সে অন্য এক বাড়িতে গেল। সেখানেও কিছু না পেয়ে বলল,
“এই বাড়ির লোকটি কোটিপতি, কিন্তু তাতেও সে সন্তুষ্ট নয়। আরও টাকা বাড়ানোর জন্য জুয়া খেলে। আমি যদি একটু টাকা পাই, তাতেই সন্তুষ্ট হব। আমি লোভী হব না!”
এ কথা বলেই সে রাস্তার পাশে হাঁটতে লাগল। হঠাৎ এক বিশাল জীন তার সামনে উপস্থিত হলো।
জীন বলল, “আমি তোমাকে সাহায্য করতে চাই। তোমার ব্যাগটা দাও, আমি তাতে সোনার মুদ্রা ভরে দেব। তুমি যত খুশি নিতে পারো।”
ভিক্ষুক অবাক হয়ে জীনের দিকে তাকাল। জীন আবার বলল,
“শোনো, ব্যাগে যে মুদ্রা পড়বে, তা সোনা হয়ে যাবে। কিন্তু মাটিতে পড়লে তা ধুলোয় পরিণত হবে—এটা আমার সতর্কবার্তা।”
ভিক্ষুক আনন্দে ব্যাগ খুলে ধরল। জীন সোনার মুদ্রা ঢালতে লাগল। কিছুক্ষণের মধ্যে ব্যাগ পূর্ণ হয়ে গেল, তখন জীন থেমে গেল।
ভিক্ষুক বলল, “এটা কি যথেষ্ট? আমি তো রাজা-বাদশার মতো ধনী হতে চাই!”
জীন বলল, “এটাই যথেষ্ট।”
কিন্তু ভিক্ষুক বলল, “না, আমি আরও চাই!”
জীন আবার কিছু মুদ্রা দিল এবং সতর্ক করে বলল, “তোমার ব্যাগ আর বেশি নিতে পারবে না।”
ভিক্ষুক তবুও বলল, “আরও দাও!”
জীন আবার কিছু মুদ্রা দিল। এবার বলল, “তোমার ব্যাগ ছিঁড়ে যাচ্ছে…”
কিন্তু ভিক্ষুক শুনল না—
“না, না! আরও দাও! আমার ব্যাগ ধরে রাখবে!”
এক মুহূর্তের মধ্যেই ব্যাগটি ছিঁড়ে গেল। সব মুদ্রা মাটিতে পড়ে ধুলোয় পরিণত হলো। আর সেই সঙ্গে জীনও অদৃশ্য হয়ে গেল।
লোভী ভিক্ষুক স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241673/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 09:31:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: লোভী ভিক্ষুক ও স্বর্ণমুদ্রা<br />
ধরন: ছোটগল্প<br />
তারিখ: ২৯/০৩/২৬</p>
<p>এক ভিক্ষুক খাবারের জন্য ঘরে ঘরে ঘুরে বেড়াত। সে ছিল খুব কুৎসিত; ছেঁড়া জামাকাপড় আর এলোমেলো চুল। তার একটি পুরোনো ব্যাগ ছিল।<br />
সে প্রতিটি বাড়িতে যেত, আর কিছু না পেলে বাড়ির মালিকদের সম্পর্কে নানা কথা বলত। এক বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে সে উচ্চস্বরে বলল,<br />
“বাড়িটা অনেক বড়, ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241673"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241673/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7b962e59384b905bb987b63469713b64</guid>
				<title>শিরোনাম: স্বাধীনতা মানে 
কলমে: আবু জাফর মহিউদ্দীন।

স্বাধীনতা এক শব্দ, যে শব্দ
অন্তর গহীনে থাকে লুপ্ত,
ভাবায় ছমছম কল্পনায় কখনো
বা নিস্তব্ধ যন্ত্রণায় সুপ্ত।

স্বাধীনতা এমনিতেই আসেনি?
রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস ,রুদ্ধশ্বাস
যে ইতিহাস কাঁদায় ভাবায় 
ও অনুপ্রেরণা জোগায়!

স্বাধীনতা শত মায়ের হাহাকার
কণ্ঠধ্বনি স্তব্ধ বঞ্চিত মুখ,
সেই পশ্চিমা হানাদার হায়নারা
যারা কেড়ে নেয় বাংলার সুখ।

স্বাধীনতা মানেই শুধু লাশ
আর বারুদের আতশি গন্ধ,
সাথে দুর্বার, দুর্জয় স্বদেশ গড়ার
কোটি জনতার স্বাধীনতার স্বপ্ন।

স্বাধীনতা মানে বঙ্গবন্ধুর সূর
যার অনুপ্রেরণায় হয়েছে স্বাধীন,
উড়ছে  পতাকা, বিজয় মিছিল
অন্যায় মুছে, ফিরেছে সুদিন।

স্বাধীনতা মানে ছাব্বিশে মার্চ
জিয়ার কণ্ঠে যুদ্ধের আহ্বান,
যার ডাকে ভাঙে সকল ভয়
জাগে বীরত্ব, জয়ের গান।

স্বাধীনতা মানে শহীদ দিবস
লাল সবুজের উড়ন্ত নিশান,
আছে শহীদের লালিত স্বপ্ন 
দেশ গড়ার অটুট আহ্বান।

স্বাধীনতা মানেই রক্তাক্ত দেশ
ত্যাগ-রক্তে পাওয়া অধিকার,
রক্তে রাঙা এই যে মাটি
ভুলে যেও না কখনো আর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240975/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 13:49:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: স্বাধীনতা মানে<br />
কলমে: আবু জাফর মহিউদ্দীন।</p>
<p>স্বাধীনতা এক শব্দ, যে শব্দ<br />
অন্তর গহীনে থাকে লুপ্ত,<br />
ভাবায় ছমছম কল্পনায় কখনো<br />
বা নিস্তব্ধ যন্ত্রণায় সুপ্ত।</p>
<p>স্বাধীনতা এমনিতেই আসেনি?<br />
রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস ,রুদ্ধশ্বাস<br />
যে ইতিহাস কাঁদায় ভাবায়<br />
ও অনুপ্রেরণা জোগায়!</p>
<p>স্বাধীনতা শত মায়ের হাহাকার<br />
কণ্ঠধ্বনি স্তব্ধ বঞ্চিত মুখ,<br />
সেই পশ্চিমা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240975"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240975/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">119e8625018748c4eca51516163734a6</guid>
				<title>আবু জাফর মহিউদ্দীন changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240974/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 13:44:51 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">13d1e28d9bb7ea3df196b4d79e5f1a31</guid>
				<title>ধন্যবাদ তুলট পরিবারকে আমাকে লেখার সুযোগ দেয়ার জন্য</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240973/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 13:42:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধন্যবাদ তুলট পরিবারকে আমাকে লেখার সুযোগ দেয়ার জন্য </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>