<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | চারুলতা | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/adiba-rahman/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/adiba-rahman/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for চারুলতা.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 18 Jun 2026 08:47:52 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">74c71ed7d0cedb640be7c6da5572d45f</guid>
				<title>পূর্বের লেখাটায় তেমন সাফল্যবোধ হচ্ছিল না বলেই এই ব্যর্থ সংযোজন। কারণ সাফল্যের ঘ্রাণ এখনো দুর্লভ। 

বেলীফুল (সংযোজিত)
-
-
 


-সরি, একটু দেরি হয়ে গেল। কতক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছিলে?
-সেটা না জানলেও চলবে। আর তুমি জানো না, আমার বেলীফুল পছন্দ না? সাদা রঙ সবাইকে শান্তি দিলেও আমার বেলায় ফেল করে বসে। এই জীবনে তোমার মাথায় ঢুকবে না সেটা?
সরি!
-কথায় কথায় সরি বলাটা আমার বিরক্ত লাগে। যাইহোক, এনেছো যখন দাও।

বেচারা অরণ্য তুচ্ছ বেলীগুচ্ছ আড়াল করতে পারেনি। মাথা চুলকে হেসে ফেললো—সেই হাসিটা যেন মেঘের ফাঁক দিয়ে বেরোনো আলোর মতো। এই একটা জিনিসই পারতো আমার মতো কঠিন প্র্যাকটিক্যাল মানুষকে হিমালয়ের বরফের মতো গলিয়ে ফেলতে।

আজ আমাদের দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী। আমি সেই মেরুন কালারের শাড়িটা পড়ে বসে আছি রমনা পার্কের এক কোণে। চারপাশে গাছের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো ছায়া-ছায়া হয়ে পড়ছে। বাচ্চারা ছুটোছুটি করছে, কেউ ঘুড়ি উড়াচ্ছে, কেউ বাদাম খাচ্ছে। এক বৃদ্ধা ভিক্ষার থালা পেতে বসে আছে। আইসক্রিম ভ্যানের চারপাশে এক রঙের শাড়িতে ফর্সা রমনিরা কতো রকম আমোদে হাসছে। পার্কের ভেতর থেকে হালকা বেলীফুলের গন্ধ ভাসছে—কি সাদামাটা একটা গন্ধ। বিচ্ছিরি। অথচ, আজ যেন সেই গন্ধও একরকম গল্প লিখছে আমার চারপাশে। যেন মাকড়সার জালের মতো আমাকে বুনে নিচ্ছে প্রত্যেক অক্ষরে, অক্ষরে। 

চোখের চশমাটা ঠেলে উপরে উঠাচ্ছি । কি ঝামেলা! কাজল পরে তেমন কোনো সুবিধা দেখতে পাচ্ছি না। রবীন্দ্রনাথের নষ্টনীড় বইয়ের ৫৪ পৃষ্ঠাতে আটকে আছি। বইয়ের পাতায় হাত থাকলেও চোখের দৃষ্টি দুর্বলভাবে নিগূঢ়। বাতাসে বইয়ের পাতা নাড়ছে, টকটক শব্দটা বেশ বিরক্ত লাগছে। শব্দটা বন্ধ করার কি কোনো উপায় নেই? আমার হাত যে অসাড়। গলার মালাটা পেঁচিয়ে ফেলছে। নাহ, এখান থেকে বের হতে হবে। একটা কিছু লেখা যেতে পারে। কি নিয়ে লেখা যায়? যেন তেন বিচ্ছিরি কিছু একটা? চটের ব্যাগ থেকে নোটপ্যাড বের করলাম। কলমের প্রথম টান- 

আমরা প্রহর কখন গুনি? নিকৃষ্ট আশায়? নাকি আশাহীন হওয়ার? আমার ব্যক্তিগত মতামত, মানুষের কাছে নিখুঁত হওয়ার আশায় আমরা নিখুঁত হওয়ার সংজ্ঞাই ভুলে যাই। বাস্তবিক জীবনে নিখুঁত বলে আসলে কোনো শব্দই নেই। আবার আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিও কাউকে নিখুঁত করে না। যদি করতো, তাহলে ভালো মানুষ খারাপ মানুষ বলতে পার্থিব কোনো বাক্য থাকতো না। দুদিনের পৃথিবীতে নিজেকে নিখুঁত বলে দাবি করা মানুষের প্রতি বড্ড মায়া হয়। আবার, আমাদের আশপাশ আমরাই বিষাক্ত করি। আমাদের এই হিতাহিতজ্ঞানটুকু পর্যন্ত নেই যে, মানুষকে ভালোবাসা আসলেই সহজ। চাইলেই আপনি আমার সময়ের এক ভাগ ব্যয় করে কারো জীবন সহজ করতে পারেন। সেটা সম্পুর্ণ আপনার অভিমত। কিন্তু কারো গল্প না জেনে তার কালো দিনগুলোতে আপনার বিষাক্ত  আগমন, এটা আপনার অধিকারের বাইরে। আবার ঢোল পিটিয়ে আপনারাই বলবেন, নিখুঁত হও। হয়তো আপনার পুঁথিতে কোনো কবুতরের আগমন নেই। তাহলে, নিখুঁত হওয়া যায় কিভাবে? আসলে নিখুঁত বলে কোনো শব্দই নেই.....
নাহ লেখাটায় আপনি শব্দটা মানাচ্ছে না। আমার লেখায় কোনো মানব দর্শক কেন থাকবে? 
আমার দর্শক থাকবে এই মৃত একলা আকাশ।

হঠাৎ করেই পাশের বেঞ্চ দিয়ে ছুটে গেল এক বাচ্চা। গোলগাল চেহারা। রোদের তাপে গালগুলো মিষ্টি লাল হয়ে গেছে। বয়স এই তো পাঁচ বা ছয়ের মধ্যে। লাল টুকটুকে জামা কখন যে ধুলো বালিতে মিলেমিশে রক্তাভ লাল থেকে রক্তাভ ধুসর হয়ে গেছে তার হিসেব হয়ত তার ছোট্ট হাতে ধরে নি, পায়ে দু জোড়া হলুদ স্যান্ডেল, দেখে মনে হচ্ছে, হয়তো এটাই তার সবথেকে সুন্দর স্যান্ডেল। বাতাসে রুক্ষ চুলগুলো উড়ছে। কোনরকমে বাধা বেনী খুলে মুক্ত হতে চাচ্ছে। কাঁধে পুরনো চটের ব্যাগ। ছেঁড়া ব্যাগ থেকে উঁকি দিচ্ছে ছোট ছোট ফুল—ডালিয়া, গোলাপ, বেলী, গন্ধরাজ, জুঁই। মুখ জুড়ে এমন এক হাসি, যেন পৃথিবীর সব আনন্দ তার ছোট্ট হাতের মুঠোয়। যেন ছোট্ট একটা রাজহাঁস। হঠাৎ সে থেমে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
&quot;আপা, ফুল লাগবে? আজকে একেবারে টাটকা।&quot;

আমি এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইলাম। বাচ্চাটার চোখে ক্ষুধা নেই, দুঃখ নেই—শুধু একরকম জেদি উচ্ছ্বাস। গায়ে ধুলো, চুল এলোমেলো, তবুও চোখে যেন দুপুরের রোদ লুকিয়ে আছে। আমি মাথা নেড়ে বললাম—
&quot;না, লাগবে না।&quot;

সে বিন্দুমাত্র বিরক্ত হলো না। হাসি মুখেই ব্যাগটা কাঁধে ফেলে হেঁটে চলে গেল। অদ্ভুত! আমি যে ফুল পছন্দ করি না, তা কি সে জানতো আগে থেকেই? অথচ সেই ফুল নিয়েই বাচ্চাটার এত আনন্দ। আমার মনের কোথাও যেন এক অদ্ভুত প্রশ্নের বীজ রোপিত হলো। তবে কি এই ছোট্ট প্রানটিও আমার বিরুদ্ধে? 

আমি বইয়ের পাতায় চোখ রাখলাম, কিন্তু অক্ষরগুলো অস্পষ্ট হয়ে গেল। মনে পড়ল—আমাদের প্রথম দেখা। অরন্য তখন আমার অফিসে নতুন যোগ দিয়েছে। মৃদু হাসি, কোকড়া চুল। গায়ের রঙটা বেশ ফর্সা। পরিপাটি নীল স্যুট আর টাই। চোখে একরকম আত্মবিশ্বাস।  সেদিনও সে টেবিলে একগুচ্ছ বেলীফুল রেখে বলেছিল, &quot;আপনার জন্য।&quot; আমি তখনও কপাল কুঁচকে বলেছিলাম, &quot;আমি ফুল পছন্দ করি না।&quot; সে শুধু হেসে বলেছিল, &quot;তাহলে এখন থেকে পছন্দ করতে শিখবেন। অপছন্দ সব সময় অপছন্দের তালিকায় থাকে না। আবার কিছু পছন্দ করতে গেলে কিছু অপছন্দ করতে হবে। এই ধরুন, ফুল পছন্দ করতে গেলে আপনার নিজেকে অপছন্দ করতে হবে। এই কঠিন কাজ আপাতত না করলেও চলবে। চা খাবেন? চা নিশ্চয়ই অপছন্দ না। 

আবার চোখ গেল সেই বাচ্চাটার দিকে—সে এক দম্পতির কাছে দাঁড়িয়ে কিছু বলছে, আর তারা হাসিমুখে ফুল কিনছে। দেখলাম মহিলা তার ব্যাগ থেকে বিশ টাকার একটা নোট বের করলেন। টাকা হাতে পেয়ে বাচ্চাটা লাফিয়ে উঠল, তারপর পাশেই গাছের নিচে বসে ফুল গুনতে লাগল। আবার একটা গোলাপ ফুল টুপ করে কানে গুজে নিলো। তার এই সহজ আনন্দে আমার সহ্য হচ্ছে না, বড্ড হিংসে হচ্ছে—যে আনন্দ আমি ফুলে কখনও খুঁজে পাইনি, সেটা এই ছোট্ট মলিন, দুরন্ত আগন্তুক ঠিকই খুঁজে পাচ্ছে। প্রকৃতির এ কেমন অন্যায়? 

হঠাৎ মনে পড়ল সেই দিনটার কথা। সেই আবেগঘন রাত।  কি বিচ্ছিরি রকম সুন্দর। 
– হ্যালো, অরন্য।
– হু।
– আজ তাড়াতাড়ি বাসায় এসো।
– কেন? কোনো দরকার? কাকিমার আলসারের ব্যথা বেড়েছে নাকি আবার?
– নাহ। সব ঠিকই আছে, তুমি এসো।
– ঠিক আছে।
রাত বেড়ে ১১ টা ৪৫ মিনিট। মুহূর্তগুলো যেন মিনিটের কাঁটায় আটকে গেছে। অ্যানিভার্সারির তারিখটা আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ফুরাবে। নিভু নিভু মোমবাতিগুলো উপহাস করছে। মেরুন শাড়ির আঁচল ফ্লোরে মিশে গেছে। 
হঠাৎ ফোনের বিরক্তিকর রিংটোন।  
- হ্যালো, সুদীপা। শুনতে পাচ্ছো?
- হু।
-সরি সুদীপা। তোমাকে বলেছিলাম অনুরাগের কথা, মনে আছে?  
-হ্যাঁ আছে 
- আর বোলোনা অনুরাগের ছেলের অসুখ করেছে। ক্লাস ফাইভে পড়ে। সম্ভবত ব্রেন টিউমার। নিউলাইফ হসপিটালের আই সি ইউ তে ভর্তি আছে। বেচারার মনের অবস্থা একদম ভালো না। আজ রাতটা ওর সাথেই থাকব। তুমি খেয়ে নিও। 
-ঠিক আছে। 
হাতে আমার অবশিষ্ট লিপস্টিকের ঘষামাজায় তার অপরিচ্ছন্ন শার্টটা। আলুপোস্তর ধোয়া আমার কটাক্ষ হাসির সাথে মিতালী বাঁধিয়ে প্রায় শেষের দিকে। 
মানুষের অনেক গুন থাকতে হয়। তবে যেই গুনটা মানুষের কাছে মানুষকে কাছে আনে, তা হলো মিথ্যা। মানুষকে হতে হবে অভিনয়ে পারদর্শী। তার ঠোঁট গলে বের হবে আকর্ষণীয় মিথ্যা। আমার কাছে অরন্যের এই অদ্ভুত সুন্দর দক্ষতা আমাকে তার আরও কাছে টেনেছিল। একজন তাগড়া সুদর্শন অভিনেতা, যার পছন্দের খাবার ছিলো আমার হাতের আলু পোস্ত। 
সঙ্গে সঙ্গে চোখ খুলে দেখলাম, নষ্টনীড়ের শেষ পাতাটা বাতাসে বাড়ি খাচ্ছে। পাশে থাকা কাগজের ঠোঁঙ্গাতে আমড়াকুচি জল ছেড়েছে। 
পার্বতী মেয়েটা আবার সাদা রং খুব পছন্দ করে শুনেছি। চোখেমুখে মায়া ঢলে ঢলে পড়ে। আকাশ সমান চুল। কোর্টের বিষন্ন আলোতেও  অরন্যের পাশে তাকে প্রতিমা লাগছিল। 

হুট করে কোথা থেকে যেন বাচ্চাটা আবার এল। এবার তার হাতে একগুচ্ছ বেলীফুল, আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল—
&quot;আপা, আপনি না নিলেও রাখেন, এটা আপনার জন্য ফ্রি। আর আপনার কাজলটা তো ছড়ায়ে গেছে। ঠিক কইরা দেই?&quot; 

আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম বাচ্চাটার দিকে।
– তুমি টাকা নেবে না?
– না। আম্মায় বলে, কিছু কিছু জিনিস টাকা ছাড়াই দিতে হয়।
- কেন তোমার মায়ের এমন মনে হয়? 
- কি জানি। আম্মায় কয়, মাইনসের মধ্যে অনেক ফাঁকফোঁকর। এতো জানোন ঠিক না। যারে ভাল্লাগে টাকা ছাড়াই কিছু জিনিস দিয়া দিবি। 
- আমাকে তোমার ভালো লেগেছে?
- জি
- কেন?
- আপনার চোখের পাপড়ি গুলো অনেক বড় বড়। আপ্নে যখন কানতেসিলেন পাপড়িগুলান চকচক করতাসিলো রৈদে। তহন কি যে সুন্দর লাগতাসিলো! কিন্তু কাজলটা ছড়াইয়া গেসে আপা। আসেন ঠিক কইরা দেই।

তার স্পষ্ট সহজ সাবলীল কথাগুলো, তার চোখে এমন এক সরলতা ছিল, যেন আমি অনেক বছর আগের আমিকে ফিরে পেলাম। বুকের ভেতর একটা ঠান্ডা  বাতাস বয়ে গেল। এই অনুভূতি কি আমার চেনা?

আমি ফুলটা হাতে নিলাম, আর মনে হলো—হয়তো অরন্যর আনা বেলীগুচ্ছের চেয়েও এই ফুলের গন্ধ আলাদা, বেশি সত্যি, বেশি জীবন্ত। বাচ্চাটা বললো, &quot;আপা আমি এহন যাই। অইদিকে মেলা কাস্টমার। সন্ধ্যা হওনের আগে বাসায় ফিরতে হইবো। আম্মায় খালি টেনশান করে। আর আপা ফুল নিবেন বেশি বেশি। ফুলের গন্ধে দুঃখ মিলাইয়া যায়।&quot; 

বাচ্চাটা দূরে চলে গেলেও তার কথাটা কানে বাজছিল—
&quot;ফুলের গন্ধে দুঃখ মিলাইয়া যায়।&quot; 

আমার চোখ যেন এক মুহূর্তে পেছনের দিনে চলে গেল। প্রথম বিবাহবার্ষিকী। শীতের বিকেল, বাসার বারান্দায় রোদ পড়েছিল একেবারে সোনালি হয়ে। আমি তখন লাল শাল গায়ে জড়িয়ে চা খাচ্ছিলাম, আর অরণ্য দরজায় দাঁড়িয়ে ছিল একগুচ্ছ বেলীফুল হাতে।
–চোখ বন্ধ করো।
আমি বিরক্ত গলায় বলেছিলাম—আবার কী সারপ্রাইজ?
– আহ্হা! চোখটা বন্ধ করো না। 

চোখ বন্ধ করে যখন খুললাম, দেখি সামনে বেলীর গুচ্ছ, সঙ্গে ছোট্ট একটা কাগজে লেখা—
&quot;তুমি হাসলে আমি বাঁচি, মহারানী।&quot; 

সেদিনও বলেছিলাম—&quot;আমি ফুল পছন্দ করি না।&quot; কিন্তু ভেতরে ভেতরে কেমন যেন হেসে ফেলেছিলাম। অরন্য ততক্ষণে বুঝেই ফেলেছে, তুচ্ছ বেলীগুচ্ছ আমার পছন্দ হয়েছে। অরণ্যের চোখে তখন এমন এক উচ্ছ্বাস ছিল, যেন সে সারা পৃথিবীর সুখ আমার হাতে তুলে দিতে প্রস্তুত। সন্ধ্যায় আমরা ছাদে বসে মোমবাতি জ্বালিয়েছিলাম, পুরনো গান শুনেছিলাম। হঠাৎ অরণ্য বলল, তুমি কি জানো,  আলিঙ্গন অক্সিটোসিন হরমোনের মুক্তি ঘটায়, যাকে প্রায়ই “ভালবাসার হরমোন” বলা হয়। এটি চাপ কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং সম্পর্কের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। আমাদেরও আলিঙ্গন করা উচিত। কি বলো? 

আমি মাথা নেড়ে বলেছিলাম—&quot;হ্যাঁ।&quot; আলিঙ্গনই যথেষ্ট। 

কিন্তু সেই &quot;যথেষ্ট&quot; শব্দটা কি আজও ঠিক আছে?
মোবাইলটা ব্যাগে রেখে আমি কিছুক্ষণ বসে রইলাম। রাত বাড়ছে, পার্কের ভিড়ও ক্রমে কমে আসছে। বেঞ্চে বঞ্চে পড়ে আছে টুকরো কাগজ আর বাদামের খোসা। বাতাসে এখন হালকা শীতের ছোঁয়া, আর দূরে কোথাও লণ্ঠনের আলো গাছের গুঁড়িতে লম্বা ছায়া ফেলে রেখেছে। কি মনে করে বেলীগুচ্ছের পাপড়ি আঙুলে চেপে ভাঙছিলাম—তার নরম সাদা রঙ আঙুলে লেগে যাচ্ছিল, কখনো কখনো নিজেকে শান্তি দিতে হলে অন্যের অশান্তির কারণ হতে হয়। 
বেলীফুলের অভিশাপে আমার অতীত, আমার স্মৃতি, আমার প্রত্যাশাগুলোও যেন আজ আঙুলের ফাঁকে গুঁড়িয়ে যাচ্ছে।

বাসায় ফিরলাম।  ঘড়ি দেখে বুঝলাম বাবার অভিমানটা বেশ কড়া হয়ে উঠেছে। তবে আমাকে অবাক করে দিয়ে বাবা বললেন, তোর জন্য বসে আছি। আজকে শুটকি ভর্তি আর লেবুর কাজি করেছি। তোর পছন্দের। ফ্রেশ হয়ে নে। দুজন একসাথে খাবো। 
সব সেরে খাবার টেবিলে বসলাম। গন্ধরাজ লেবুর গন্ধে পুরো ডাইনিং রুম মো মো করছে। 
- আচ্ছা বাবা, তোমার কাছে বেঁচে থাকা কি?
- হঠাৎ এই প্রশ্ন? 
- আহ্হা, বলোনা। 
- বেঁচে থাকার কোন সংজ্ঞা নেই রে মা। আমরা বেঁচে থাকি না। আমরা বাঁচিয়ে রাখি নিজেদের। কোনো এক মুহূর্তের অপেক্ষায়। মুহুর্তের আবার রঙ। সময়ের সাথে সাথে সেই রং বদলায়। কখনো কখনো সাদা, কখনো কখনো হলুদ, কখনোবা গাঢ় নীল। তোর মায়ের সাথের মুহুর্তের রঙ ছিল শুভ্র সবুজ। মানুষটা ঘুমের মধ্যে তার সাথে সেই রঙ নিয়ে চলে গেছে। এখন আমার মুহুর্তের অন্য রঙ। সাদা।
-তোমার কি মুহূর্ত?
-এই যে তোর সাথে বসে শুটকি ভর্তা আর লেবুর কাজি দিয়ে ভাত খাওয়া। খাওয়া শেষে এক কাপ চা খাওয়া যায় বল? আজ কিন্তু ডায়াবেটিসের অজুহাতে আমাকে আটকানো যাবে না। 
- বেশ। চিনি একটু বেশি করে দিও। আর আজকে তোমার সাথে সারা রাত গল্প করবো। 




- সমাপ্তি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232136/</link>
				<pubDate>Fri, 15 Aug 2025 17:04:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পূর্বের লেখাটায় তেমন সাফল্যবোধ হচ্ছিল না বলেই এই ব্যর্থ সংযোজন। কারণ সাফল্যের ঘ্রাণ এখনো দুর্লভ। </p>
<p>বেলীফুল (সংযোজিত)<br />
&#8211;<br />
&#8211;</p>
<p>-সরি, একটু দেরি হয়ে গেল। কতক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছিলে?<br />
-সেটা না জানলেও চলবে। আর তুমি জানো না, আমার বেলীফুল পছন্দ না? সাদা রঙ সবাইকে শান্তি দিলেও আমার বেলায় ফেল করে বসে। এই জীবনে তোমার মাথায় ঢুকবে না সেটা?<br />
সরি!<br />
-কথায় ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232136"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232136/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8c7268a4896a12e3de12ba1e422d6255</guid>
				<title>[একদিনে সর্বোচ্চ 3টির বেশি লেখা পোস্ট করার কারণে আপনার এই লেখাটির প্রাইভেসি &quot;only-me&quot; করে দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ, এই লেখাটি কেবলমাত্র আপনি-ই দেখতে পাচ্ছেন লেখকমঞ্চে। আপনি চাইলে এই লেখাটি ডিলিট করে দিয়ে আগামীদিন নতুন করে প্রকাশ করতে পারেন। লেখালেখি বিষয়ে আমাদের নীতিমালা জানার জন্য ভিজিট করুন: https://toulot.com/nitimala/ ] 


এই বিশাল জঙ্গলে আমি হারিয়ে গেছি। হারানোর পথও খুঁজে পাচ্ছি না। হুমড়ি খেয়ে পড়া হাটুর দাগ নিঃশব্দের চিৎকারে কালচে হতে শুরু করেছে। মাকরসার জাল আমার চুল, চোখ, নাক, কান.......! চুপ! কেউ যেন আসছে। এ কেমন পর্দা আমার চোখের সামনে! রক্তের রঙ সাদা কেন!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/227088/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Mar 2025 10:04:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[একদিনে সর্বোচ্চ 3টির বেশি লেখা পোস্ট করার কারণে আপনার এই লেখাটির প্রাইভেসি &#8220;only-me&#8221; করে দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ, এই লেখাটি কেবলমাত্র আপনি-ই দেখতে পাচ্ছেন লেখকমঞ্চে। আপনি চাইলে এই লেখাটি ডিলিট করে দিয়ে আগামীদিন নতুন করে প্রকাশ করতে পারেন। লেখালেখি বিষয়ে আমাদের নীতিমালা জানার জন্য ভিজিট করুন: <a target="_blank" href="https://toulot.com/nitimala/" rel="nofollow ugc">https://toulot.com/nitimala/</a> ] </p>
<p>এই বিশাল জঙ্গলে আমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-227088"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/227088/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9e05908aa4dee063ba79a4715ed9c2e5</guid>
				<title>মেয়েটার বাঁকে কতখানি আকর্ষণ, স্ত্রীরজের আদ্যপান্ত জিজ্ঞেস করেছিল মায়ের নাড়ি ছিড়ে জন্ম হওয়া কুলাঙ্গারটা। শুক্রবারের রোদেলা সকাল যেন এক ঝটকায় মেয়েটার কাছে সাদা শব্দের যাতনা হয়ে ঠেকলো।&quot; এর নাম জাতি&#039;, বলেছিল প্রজাপুঁজরা। আলমারি ভরা কাপড় গুলোতে যেন সব শ্লীলতা বিলিন হয়ে গেছে। এখানে সে গভীর ভাবুক। বয়স ৪০ পার হওয়া মধ্যবয়স্ক আয়নায় কলঙ্ক। বৃহন্নলাই শেষ আশ্রয় নয়তো?

-পুরুষত্ব</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/227087/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Mar 2025 10:01:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মেয়েটার বাঁকে কতখানি আকর্ষণ, স্ত্রীরজের আদ্যপান্ত জিজ্ঞেস করেছিল মায়ের নাড়ি ছিড়ে জন্ম হওয়া কুলাঙ্গারটা। শুক্রবারের রোদেলা সকাল যেন এক ঝটকায় মেয়েটার কাছে সাদা শব্দের যাতনা হয়ে ঠেকলো।&#8221; এর নাম জাতি&#8217;, বলেছিল প্রজাপুঁজরা। আলমারি ভরা কাপড় গুলোতে যেন সব শ্লীলতা বিলিন হয়ে গেছে। এখানে সে গভীর ভাবুক। বয়স ৪০ পার হওয়া মধ্যবয়স্ক আয়নায় কলঙ্ক। বৃহন্নলাই শেষ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-227087"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/227087/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">037b1a319bf0438d879239edcc5cfec5</guid>
				<title>যদি আয়নার ফ্রেমে টিপ বসিয়ে সুখ খোঁজা যায়, তবে কেন বেলীফুল পাতায় লেখা যাবে না? তবে কি বলি, তার সুবাস বাপু শীতকালে আমসত্ত্ব। তবে কালিতে রবীন্দ্রনাথকে সৎ প্রেমিক বলা যায় কিনা। একটা কলম শেষ হবে, শুরু হবে রক্তজবার ব্যবহার। তারপর, আরেকটা। হেডলাইনে বড় বড় অক্ষরে, &quot; শিউলির হলুদ সন্ধ্যা&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/227086/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Mar 2025 10:00:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যদি আয়নার ফ্রেমে টিপ বসিয়ে সুখ খোঁজা যায়, তবে কেন বেলীফুল পাতায় লেখা যাবে না? তবে কি বলি, তার সুবাস বাপু শীতকালে আমসত্ত্ব। তবে কালিতে রবীন্দ্রনাথকে সৎ প্রেমিক বলা যায় কিনা। একটা কলম শেষ হবে, শুরু হবে রক্তজবার ব্যবহার। তারপর, আরেকটা। হেডলাইনে বড় বড় অক্ষরে, &#8221; শিউলির হলুদ সন্ধ্যা&#8221;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">31cf2f4676d5909da80bdea6322b8f92</guid>
				<title>রক্তের দাগ কি আর শুকোবে না? খুব যে ক্লান্ত মাটির পুতুল। আর কত ক্ষতবিক্ষত করলে শান্ত হবে সমাজের নামি-দামি উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন মানুষখেকোরা? শুনেছি চেষ্টা ফল পায়। তার তবে মাকাল ফল। বড় ডিগ্রি, বড় চাকরি সব ফেল চেহারার কাছে। আর কত দৌড়াবে? একটা হাত ভেঙে পরে আছে চৌরাস্তায়। পা থেকে খসে খসে পরছে মাটি। আর কতবার লেপ দিবে? আর কতবার? এর শেষ কোথায়? অবয়ব আগুনে পোড়ানোর পর? নাকি মাটি মাটিতেই মিশিয়ে দিলে?

রাতের পর রাত চেষ্টা করছে একটুখানি মাটি শক্ত করবার। মাটি থেকে বেয়ে বেয়ে রক্ত ঝরছে। লক্ষ্য তবুও স্থির। কি লাভ? ঘুষ দিচ্ছে গঠন। আর ঘুষখোররা ঢোল পিটিয়ে বলেই যাচ্ছে, তোমার জায়গা নেই। তোমার আত্নার মৃত্যু হোক। মুখপোড়া, বেহায়া! আয়না ভেঙেছে তাই হাজার বার। আর কতবার?

সাদাবাহারে কেন এত রক্তের ছিটে? পুরনো রক্ত, এরপর নতুন রক্ত। লেখিকার ক্লান্ত হাত হয়তো আর একবার চিৎকার করতে চাচ্ছে।
নাহ। আর পারছে না। মাটির কাছে যেতে চাচ্ছে আরো একবার।

আরো, একবার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/227085/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Mar 2025 09:59:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রক্তের দাগ কি আর শুকোবে না? খুব যে ক্লান্ত মাটির পুতুল। আর কত ক্ষতবিক্ষত করলে শান্ত হবে সমাজের নামি-দামি উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন মানুষখেকোরা? শুনেছি চেষ্টা ফল পায়। তার তবে মাকাল ফল। বড় ডিগ্রি, বড় চাকরি সব ফেল চেহারার কাছে। আর কত দৌড়াবে? একটা হাত ভেঙে পরে আছে চৌরাস্তায়। পা থেকে খসে খসে পরছে মাটি। আর কতবার লেপ দিবে? আর কতবার? এর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-227085"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/227085/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0a2eac9535374c76cc87d3ea345cce66</guid>
				<title>আজ সকালে চায়ের দু চুমুকের মাঝখানে ফিড স্ক্রল  করছিলাম। দেখলাম একজনের শেয়ার করা একটি কথা,  যে মানুষ একটা ফুল কানে গুজে দিতে জানে না সে অন্তত প্রেমিক নয়। এইতো বললাম সবে একজনের কথা।  ইদানীং ফিড জুড়ে শুধু এসবই নজরে *আপনার মানুষের কাছে আপনি ফার্স্ট প্রায়োরিটি*, ওয়ান্ট সামওয়ান লাইক দিস দ্যাট* *ইফ ইউ সি দিস সাইনস হিজ দা ওয়ান* ইত্যাদি ইত্যাদি। এবং সবথেকে হাস্যকর হলো, মানুষজন এগুলোতে নিজেদের খুব বেশি ফ্যান্টাসাইজ করে। এখন মুদ্রার উল্টোপিঠের দাগটাও অস্বীকার করা বোকামি। মানুষ বিচিত্র চিন্তার সাথে নিজেকে ফ্রেম বদ্ধ করে। তাতে সে চরিত্রহীনও হয় না, অমানবিকও হয় না। একটি ভিন্ন সত্ত্বায় পরিণত হয় যা মানুষ হিসেবে গণ্যই হয় না। কিন্তু আমার প্রসঙ্গ আজকে মানুষকে নিয়েই। আপনি ছোট ছোট ইনভেস্টমেন্ট কে বড় করে দেখেন, যদি ভাবেন সে আপনাকে আপনার মতো করে রাখবে, আপনার বাসার নিচে এসে আপনার রাগ ভাঙাতে আপ্রাণ চেষ্টা করবে, সব সময় প্রাণ খুলে কথা বলবে, আপনার সাথে সব দুঃখ কষ্ট ভাগবাটোয়ারা করে নিবে, সব সময় আপনাকে সময় দিবে তবে আপনি দিনের বেলা স্বপ্ন দেখছেন। এই তুচ্ছ জীবনে মানুষ সাফল্যের পিছে দৌড়ায়। সেই দৌড়ে আপনি কখনোই অগ্রাধিকার পাবেন না। যেখানে আপনি হুমায়ুন আহমেদের রসালো প্রেম আপনার জীবনে ফ্যান্টাসাইজ করছেন, সেখানে সে রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বাসই করে না। বাস্তবতা বিষাদ এবং মিষ্টি। আপনি যেখানে লাল রঙকে ভারমিলিয়ন এর সাথে তুলনা করছেন সেখানে সে সাদামাটা লাল রঙই চেনে। সময় বদলায়, মানুষ বদলায়। তাই বলে বাস্তবতা পরিবর্তন হয় না। আপনার ৯০% ইনভেস্টের সমানুপাতিক যদি তার ১০% হয়, তাহলে হয়তো সে সেই মানুষটাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212252/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Apr 2024 14:36:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজ সকালে চায়ের দু চুমুকের মাঝখানে ফিড স্ক্রল  করছিলাম। দেখলাম একজনের শেয়ার করা একটি কথা,  যে মানুষ একটা ফুল কানে গুজে দিতে জানে না সে অন্তত প্রেমিক নয়। এইতো বললাম সবে একজনের কথা।  ইদানীং ফিড জুড়ে শুধু এসবই নজরে *আপনার মানুষের কাছে আপনি ফার্স্ট প্রায়োরিটি*, ওয়ান্ট সামওয়ান লাইক দিস দ্যাট* *ইফ ইউ সি দিস সাইনস হিজ দা ওয়ান* ইত্যাদি ইত্যাদি। এবং সবথেক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-212252"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/212252/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">37c0b9f852ed3a75e7c57536129906c7</guid>
				<title>।।জন্মদিন।। 

অস্তিত্ব ভাবায়। কখনো বা কাঁদায়। কখনো বা হাসায়। অস্তিত্ব এমন একটা কিছু যা মানুষের জীবনে এনে দিতে  পারে সুখের সাম্রাজ্য। আবার আনতে পারে চোরাবালির মধ্যে ডুবে যাওয়া অনন্ত অন্ধকার। আমার জীবনেও তোমার অস্তিত্ব সেরকমই। না না সুখের সাম্রাজ্য। অবশ্য, তা তুমি বুঝবে কিনা সন্দেহ। থাক সেটা বরং আমার স্মৃতিতেই থাকুক। কিছু কিছু মানুষকে তুমি ভালবাসলে বোঝাতে পারবে না যে তুমি তাকে কতটা ভালোবাসো। সেটা তারা বুঝেও না বুঝার ভান করে চলে যাবে। কারন তারা সেটা শোনার জন্য মুখোশের আড়ালে থাকে যেন  তুমি তাকে বারবার বলো তুমি তাকে কত ভালবাসো। মানুষ বড্ড অভিমানী প্রাণী কিনা। তাই ভালোবাসা আসলে কখনোই বোঝানো যায় না। ভালোবাসা কখনোই দেখানো যায় না। শুধুমাত্র অনুভব করা যায়। সেটা দুপক্ষ হোক আর এক পক্ষ। আর তাই আমিও সেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। তুমি বরং তোমার ভাবনাতেই থাকো। আর আমি আমার ভাবনাতে। আবার একটা কথা আছে না, ভালোবাসার মানুষকে একগুচ্ছ কদম দেয়া আর একটা ছোট ডায়েরি উৎসর্গ করা, আবার রবীন্দ্রনাথের গল্পগুচ্ছ দেয়া অনেকটাই সুন্দরের পর্যায়ে পড়ে। কিন্তু সেটা যে প্রিয় মানুষের ক্ষেত্রেই সই তা অবিনয় নিশ্চয়। আসলে ভালোবাসার কোনো সংজ্ঞা থাকেনা। ভালোবাসার কোনো উদাহরন থাকেনা। ভালোবাসার কোনো তুলনা থাকেনা। তাই আমি তোমাকে বলবো না আমি তোমাকে কার থেকে কত বেশি ভালোবাসি। ভালোবাসা একটা মনের সংজ্ঞা। কিন্তু  আমিও আজকে তোমাকে সাধারণ পথিকের মত বলবো, প্রিয়, তোমাকে ভালোবাসি। আজ আবারো তোমার জন্মদিনে আমার ছোট্ট প্রয়াস। গ্রহন কর সাদরে, বা অনাদরে। তোমাকে নিয়ে অনেক কিছু বলার আছে। কিন্তু স্মৃতিমৃত আমি শব্দহীন। আসলে শব্দের রুপকথায় তোমার অনুপস্থিতি ছিল। এই দুমাস একেকটা ক্ষন কতো কষ্টসহিষ্ণু ছিলো সেটা তোমায় বলবো না। বলবো না তোমাকে কতটা মনে করেছি। বলবো না নিস্তব্ধতায় তোমাকে খুঁজেছি পাগলের মতো। বলবো না, তোমায় নিয়ে ভাবতে ভাবতে আমার মস্তিষ্ক অসাড় হয়েছে। বলবো না তোমার কণ্ঠস্বর আমার অবলেহ ছিল। রাত জেগে শোনা গানগুলো তোমাকে উৎসর্গ করেছি। এখন সেই আমি তোমাকে বলবো না আমাকে শুন্য করো না। ক্লান্ত আমি তোমার কাছে মাথা রাখবো না। শুনতে বড্ড কষ্ট হচ্ছে তাই না? আমারো ভাবতে বড়ো ভারি লাগে। চরম সত্যি হলো তোমার সঙ্গ আমার প্রিয়। আমার প্রাত্যহিক জীবনের সবকিছু তোমার সাথে ভাগ করে নিয়ে শান্তি পেতে ইচ্ছে হয়। আমার জীবনের আলো হয়ে তুমি এসে বসে আছো। দেখতে পাচ্ছিনা তো। সামনে এসো। তোমাকে মন ভরে দুদন্ড দেখি। আজকে তুমি নেই আমার পাশে। তাই মনের এই অব্যক্ত কথাগুলো রুল করা কাগজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তোমাকে মনে পরে না এই কথাটাই বলে দেয় কত আক্ষেপ তোমাকে না দেখার। সে কি তুমি বুঝবে? হয়তো অভিমান থেকে সরে যাবে। থাক এই ভালোবাসা আমার স্মৃতিতেই সংজ্ঞায়িত হোক। 
শুভ জন্মদিন অপরাজিতা। নামটা আসলে তোমার প্রজাপতির সাথেই মিলেমিশে রংধনু আঁকে। ভালো থেকো। তোমাকে উৎসর্গিত -
&quot;যদি আর-কারে ভালোবাসো
যদি আর ফিরে নাহি আসো 
তবে তুমি যাহা চাও, তাই যেন পাও
আমি যত দুঃখ পাই গো
আমার পরানো যাহা চায়
তুমি তাই
তুমি.....তাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135495/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Aug 2022 09:17:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>।।জন্মদিন।। </p>
<p>অস্তিত্ব ভাবায়। কখনো বা কাঁদায়। কখনো বা হাসায়। অস্তিত্ব এমন একটা কিছু যা মানুষের জীবনে এনে দিতে  পারে সুখের সাম্রাজ্য। আবার আনতে পারে চোরাবালির মধ্যে ডুবে যাওয়া অনন্ত অন্ধকার। আমার জীবনেও তোমার অস্তিত্ব সেরকমই। না না সুখের সাম্রাজ্য। অবশ্য, তা তুমি বুঝবে কিনা সন্দেহ। থাক সেটা বরং আমার স্মৃতিতেই থাকুক। কিছু কি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135495"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135495/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d47cfba123f6613d261fb200bc0ad540</guid>
				<title>অনুভূতি নির্জীব। শহরের আলোগুলো অকৃত্তিমতার প্রহর গুনে। কিন্তু গুনে কি লাভ? তারা যে আসবে না। শালিকগুলো জোড়া বাঁধে না। শকুনের তীব্র হাহাকার জীবিত শবদেহের ওপর। বিশদিগ্ধ নিঃশ্বাস।
কিন্তু মানুষগুলো খুঁজে। টর্চ লাইটের আলো ফুরিয়ে। তারা থেমে থাকে না। খুঁজে। ভালোবাসার রুপগুলোকে। তাকে মুক্ত করবে। নিরব প্রচারে আশ্বাস দিবে তাদের অস্তিত্বের। বিচ্ছিন্ন হবে শহরের কালো ছায়া। ল্যাম্পপোস্টের আলো নিভু নিভু। কুকুরগুলো কর্তৃত্ব আদায়ের জন্য চিৎকার করে। কৃত্রিম হৃদয় গুলো জিরান দিচ্ছে। ঠিক তখনই। তারা মিশে যাবে একে অন্যের মধ্যে। আকাশে যুদ্ধনিবৃত্তি দিবে এক ঝাঁক লাল কবুতর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135493/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Aug 2022 09:11:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনুভূতি নির্জীব। শহরের আলোগুলো অকৃত্তিমতার প্রহর গুনে। কিন্তু গুনে কি লাভ? তারা যে আসবে না। শালিকগুলো জোড়া বাঁধে না। শকুনের তীব্র হাহাকার জীবিত শবদেহের ওপর। বিশদিগ্ধ নিঃশ্বাস।<br />
কিন্তু মানুষগুলো খুঁজে। টর্চ লাইটের আলো ফুরিয়ে। তারা থেমে থাকে না। খুঁজে। ভালোবাসার রুপগুলোকে। তাকে মুক্ত করবে। নিরব প্রচারে আশ্বাস দিবে তাদের অস্তিত্বের। বিচ্ছিন্ন হবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135493"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135493/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1181af9ff0a277c57d4c35669c202289</guid>
				<title>আজকাল মানুষের কাজকর্মতে আমার প্রচন্ড ক্ষোভ জন্মায়। হঠাৎ করেই মাথায় একটা কথা ভিড়লো। তার আগেই বলে রাখি ব্যক্তিগতভাবে কেউই আমার শত্রু নয়। কাউকে উদ্দেশ্য করে আমার লেখা নয়। যাই হোক, কথায় আসা যাক। 
প্রত্যেকটা আত্মাই কোনো না কোনো গুল্পের রচনা শেষ করেই বর্তমানকে বরন করে। কিন্তু আমরা মানুষ হিসেবে শ্রেষ্ঠ হয়েও আদোতে আমরা নিকৃষ্ট। আমরা অন্যের সুখে নিজেদের দুঃখ খুজি। অন্যের ব্যাপারে আমাদের বড়ই আগ্রহ। আমরা একপাক্ষিক গল্প শুনে অন্য পাশের চরিত্রকে চরিত্রহীন বানিয়ে ফেলি। আমরা তাদের সুন্দর বর্তমান বিষময় করে তুলি তাদের অতীতকে বার বার তাদের সামনে এনে। তাকে পরোক্ষভাবে কটাক্ষ করে। কি শান্তি পাই আমরা? না আর্থিক লাভ না শারীরিক। শুধু পৈশাচিক আনন্দ। হায়রে! অবুঝ মানুষ। যখন আত্নিক মৃত্যু ঘটে তখন এই আমরাই তার মৃত্যুপুরীতে গিয়ে শোক পালন করি। আমরা সুন্দর তাই না?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135438/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Aug 2022 05:51:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজকাল মানুষের কাজকর্মতে আমার প্রচন্ড ক্ষোভ জন্মায়। হঠাৎ করেই মাথায় একটা কথা ভিড়লো। তার আগেই বলে রাখি ব্যক্তিগতভাবে কেউই আমার শত্রু নয়। কাউকে উদ্দেশ্য করে আমার লেখা নয়। যাই হোক, কথায় আসা যাক।<br />
প্রত্যেকটা আত্মাই কোনো না কোনো গুল্পের রচনা শেষ করেই বর্তমানকে বরন করে। কিন্তু আমরা মানুষ হিসেবে শ্রেষ্ঠ হয়েও আদোতে আমরা নিকৃষ্ট। আমরা অন্যের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135438"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135438/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">41af5cef0ca4d59bf90d28eb924f4ed0</guid>
				<title>হৃদপিন্ডের চাবি ঘুরে গেছে। মাটির পুতুলগুলো নড়ছে। এদিক ওদিক ছোটাছুটি করে। কেউ কারো দিকে তাকায় না। হাতে তুলে নেয় অস্ত্র। রক্তাক্ত চোখগুলোর ত্রাসকর চাহনি অস্তিত্বের উপহাস করে। ধেয়ে আসে পুতুলটির দিকে। উল্টোপিঠ এর ধারে ক্ষতবিক্ষত হয় সভ্যতা। ঘন্টা বেজে ওঠার আগেই কলঙ্কের দাগ বসে যায়। রক্তাক্ত ঠোঁটে হাহাকার ব্যাঙ্গমা করে। তার মার মুখ চাহনিতে ভাত কাপড়ের অভাব নেই। হৃদযন্ত্রকে টান মেরে ফেলে দিতে ইচ্ছে করে। কলঙ্ক নামক জন্মদাগ অন্তরাল করার ব্যর্থ চেষ্টায় সে অবয়বকে পোড়ায়। কলঙ্কের দাগ আরো গাঢ় হয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/134854/</link>
				<pubDate>Sat, 20 Aug 2022 07:57:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হৃদপিন্ডের চাবি ঘুরে গেছে। মাটির পুতুলগুলো নড়ছে। এদিক ওদিক ছোটাছুটি করে। কেউ কারো দিকে তাকায় না। হাতে তুলে নেয় অস্ত্র। রক্তাক্ত চোখগুলোর ত্রাসকর চাহনি অস্তিত্বের উপহাস করে। ধেয়ে আসে পুতুলটির দিকে। উল্টোপিঠ এর ধারে ক্ষতবিক্ষত হয় সভ্যতা। ঘন্টা বেজে ওঠার আগেই কলঙ্কের দাগ বসে যায়। রক্তাক্ত ঠোঁটে হাহাকার ব্যাঙ্গমা করে। তার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-134854"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/134854/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b4ed8444119c51a9dfeff94f5eeffdf0</guid>
				<title>।।বেলীফুল।।

সরি একটু দেরি হয়ে গেল। কতক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছিলে? 
সেটা না জানলেও চলবে। আর তুমি জানো না, আমার বেলীফুল পছন্দ না? সাদা রং সবাইকে শান্তি দিলেও আমার বেলায় ফেল করে বসে। এই জীবনে তোমার মাথায় ঢুকবে না সেটা? 
সরি! 
কথায় কথায় সরি বলাটা আমার বিরক্ত লাগে। যাইহোক, এনেছো যখন দাও। 
বেচারা অরণ্য তুচ্ছ বেলীগুচ্ছ আড়াল করতে পারেনি। মাথা চুলকে হেসে ফেললো। 
এই একটা জিনিসই পারতো আমার মত কঠিন প্র&#x200d;্যাক্টিক্যাল মানুষকে হিমালয়ের বরফের মতো গলিয়ে ফেলতে। আজ আমাদের দ্বিতীয় বিবাহ বার্ষিকী। আমি সেই মেরুন কালারের শাড়িটা পড়ে বসে আছি রমনা পার্কে। চোখের চশমাটা ঠেলে উপরে উঠাচ্ছি। কি ঝামেলা! কাজল পরে তেমন কোনো সুবিধা দেখতে পাচ্ছি না। রবীন্দ্রনাথের নষ্টনীড় বইয়ের ৫৪ পৃষ্ঠাতে আটকে আছি। বইয়ের পাতায় হাত থাকলেও চোখের দৃষ্টি দুর্বলভাবে নিগূঢ়। 
হ্যালো! অরণ্য! 
হ্যাঁ, সুদীপা। 
আজ তাড়াতাড়ি বাসায় এসো। 
কেন? কোনো দরকার? কাকিমার আলসারের ব্যথা বেড়েছে নাকি আবার?
নাহ। সব ঠিকই আছে তুমি এসো। 
ঠিক আছে। 
রাত বেড়ে ১১ টা ২৫ মিনিট। মুহূর্তগুলো যেন ঘড়ির কাটায় আটকে গেছে। অ্যানিভার্সারির তারিখটা আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ফুরাবে। 
হ্যালো, সুদীপা। সরি সুদীপা। আর বোলোনা অনুরাগের ছেলের অসুখ করেছে। মনের অবস্থা একদম ভালো না। আজ রাতটা ওর সাথেই থাকব। তুমি খেয়ে নিও। 
ঠিক আছে। 
হাতে আমার অবশিষ্ট লিপস্টিকের ঘষামাজায় তার অপরিচ্ছন্ন শার্টটা। আলুপোস্তর ধোয়া আমার কটাক্ষ হাসির সাথে মিতালী বাঁধিয়ে প্রায় শেষের দিকে। সঙ্গে সঙ্গে চোখ খুলে দেখলাম, নষ্টনীড়ের শেষ পাতাটা বাতাসে বাড়ি খাচ্ছে। পাশে থাকা কাগজের ঠোঁঙ্গাতে আমড়াকুচি জল ছেড়েছে। হাতের পাশে পড়ে থাকে তুচ্ছ বেলীগুচ্ছ। পার্বতী মেয়েটা আবার সাদা রং খুব পছন্দ করে শুনেছি। চোখেমুখে মায়া ঢলে ঢলে পড়ে। আকাশ সমান চুল। কোর্টের বিষন্ন আলোতেও তাকে অরন্যের পাশে প্রতিমা লাগছিল। 
এই বেলীগুচ্ছতো তার। আমার কাছে তো বেলীফুল উপহাস মাত্র।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/134552/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Aug 2022 20:29:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>।।বেলীফুল।।</p>
<p>সরি একটু দেরি হয়ে গেল। কতক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছিলে?<br />
সেটা না জানলেও চলবে। আর তুমি জানো না, আমার বেলীফুল পছন্দ না? সাদা রং সবাইকে শান্তি দিলেও আমার বেলায় ফেল করে বসে। এই জীবনে তোমার মাথায় ঢুকবে না সেটা?<br />
সরি!<br />
কথায় কথায় সরি বলাটা আমার বিরক্ত লাগে। যাইহোক, এনেছো যখন দাও।<br />
বেচারা অরণ্য তুচ্ছ বেলীগুচ্ছ আড়াল করতে পারেনি। মাথা চুল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-134552"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/134552/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>