-
. .
“আমার সুন্দরবন”
>………<কোথাও আমার হারিয়ে যেতে নেই মানা,
কত্তো জ্ঞানের খবর আমার নেই জানা।
প্রকৃতির এই ছন্দ দোলায় নিটোল মন,
যায় উড়ে যায় মন পাখি ওই সুন্দরবন।ঘোমটা টেনে দূরের আকাশ মুচকি হাসে,
নীল সাগরে বোঝাই জাহাজ দিব্যি ভাসে।
গরাণ, গেওয়া দাঁড়িয়ে যেনো সেনা দল,
চরণে তার ঢেউ খেলে যায় নোনা জল।সুন্দরী কাঠ মন কেড়ে নেয় সব জনের,
হরিণ, বানর বাড়ায় শোভা এই বনের।
রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বাস এই খানে,
দুনিয়া জুড়ে তার সে খবর সবাই জানে।‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ তালিকাতে সুন্দরবন,
তাকে ঘিরে লেখেন হাজার গুণীজন।
সন্ধ্যা নামে এই খানে রোজ দিন শেষে,
আমার বাড়ি সেই সে বনের কোলঘেঁষে।” ভালোবাসা’র মূলধন”
– ———————————–
এই শোন না,তোমায় বলি আমি,
‘ভালোবাসা’ কিন্তু অনে..ক দামি।
সেটা কেমনে মিথ্যে বলো হয়?
তাকেই বোধহয় ধান্দাবাজি কয়।‘ভালোবাসা’ ভীষণ মনোরমা—,
নেই তো তাতে একটু দাঁড়ি কমা।
মনের সাথে মিশলে আরেক মন,
দূরের মানুষ হয় সে আপনজন।মান অভিমান থাকবে কিছু তাতে,
ঝড়ো হাওয়া বইবে আঁধার রাতে।
মাখবে যদি ‘ভালোবাসা’র রঙ,
ঝাড়তে হবেই মনের যতো জং।মিথ্যা আশায় ঘটায় সর্বনাশা,
কক্ষনো তা নয়তো ‘ভালোবাসা’।
আড়াল হলেই পোড়ায় যাতে মন,
বিশ্বাসই তার এক মাত্র মূলধন।জ্ঞানের সিন্ধু বই
———————————-
বইটা আমার ভীষণ আপন
জ্ঞানের ভূবন নিত্য সকাল সাঝে,
ঝালিয়ে নিতে জানার ঝুলি
ডুব মারি তার বুকের ভাঁজে ভাঁজে।বই সকলের জ্ঞানের আকর
নিত্য সে জ্ঞান ছড়ায় রাশি রাশি,
তার ভিতরে পাতায় পাতায়
সুখ ও দুঃখ ঘুমায় পাশা পাশি।নতুন নতুন ঘ্রাণ নিতে তাই
মনটা ছোটে বইয়ের পাতায় রোজ,
তার মাঝে যে পাই সকলে
জগৎ জুড়ে ভালোবাসা’ র খোঁজ।বই যে আমার জ্ঞানের সাগর
দু’কূলেই তার ছলাৎ ছলাৎ ঢেউ,
তার জলেতে নৌকা ভাসাই
তার মতো ঠিক নেই জগতে কেউ।বইয়ের মতো নেই যে সুহৃদ
তার মাঝে নেই কার্পণ্য এক বিন্দু,
তার সাথে যার হয় যোগাযোগ
এক দিন সে হবেই জ্ঞানের সিন্ধু।“এঁকে দাও ক্রস রেখা”
—————————————–
শুনো ঐ বন্দিশালায় ক্রোন্দন গগন ফাঁটা,
গুনো ঐ খাঁচায় কত পাখিদের জীবন ভাটা।
জালিমের বন্দি খানায় দেখো ঐ করুন ফাঁসি,
এজিদের সৈন্যরা সব হাসে ঐ অট্র হাসি।তবে কি এরা সবাই সীমরের রক্তে পাগল?
এরা কি করবে খতম হোসেনের সৈন্য সকল?
দেখো ঐ শুন্যে ভাসে ক্ষুধিতের কান্না করুন,
কবে যে হবেই উদয় সকাশে রক্ত অরূন।তবে রে হোসেন সেনা হাঁকরে হায়দারী হাঁক,
যতো সব মাজলুমেরা যাকরে ছাড় পেয়ে যাক।
বন্দির নিঃশ্বাসে আজ নিভে যাক প্রলয় শিখা,
তাগুতের মসনদে আজ এঁকে দাও ক্রস রেখা।মোরা তো খালীদ সেনা নিমিষেই হাঁকাই ঘোড়া,
যতো সব দস্যু সেনা পিটিয়ে করবো খোঁড়া।
যদিও সুখ সাফিনা ভেসে যায় ঢের তুফানে,
মিলে আজ সব মাল্লা এগুবো স্বর্গ পানে।মোরা তো রাঙ্গা পথিক আখিরের স্বর্গ লাগি,
সত্যের ঝান্ডা হাতে সংগ্রাম করবো জাগি।” ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ”
———————————-
এখন এই সমাজটা চলে যার দাপটে,
‘ক্ষমতা’ নাম তার দেখি সদা রিপোর্টে।
ভোগে আর বিলাসে ‘ক্ষমতা’র মসনদ,
হাসি আর তামাশায় হুল্লোড় গাঁজা মদ!কারো মাঝে নেই আজ ঐক্যের গন্ধ,
রাত দিন লেগে থাকে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব।
রাজা আর প্রজায় তফাতটা ‘ক্ষমতা’,
সাপোর্ট হীন দাপটে মাজলুম জনতা।দুর্বলের আগাগোড়াই সবলের ধাক্কা,
রিকশাকে পিষে দেয় ট্রাকের চাক্কা!
চুনোপুঁটি গিলে খায় রাক্ষুসে মাছটা,
বস্ এলে থেমে যায় চলমান কাজটা।কারো কাছে জনতাই ক্ষমতার উৎস,
মুসিবতে পড়ে গেলে চেহারা বিভৎস।
সব আশা ভালোবাসা ‘ক্ষমতা’য় পন্ড,
কালে কালে সাধারণে সয়ে যায় দন্ড।‘ক্ষমতা’র দেখা মেলে ভোট দেয়া বন্ধে,
কখনো বা গোলা আর বারুদের গন্ধে।
কারো একা ক্ষমতা’য় কাঁপে সারা বিশ্ব,
ভাব সাবে তার কাছে বাকি সব নিঃস্ব!আচমকা একদিন বাজে শেষ ঘন্টা,
‘ক্ষমতা’রা অসহায় ফুরোলেই দমটা।“সুখের খোঁজে বহুদূর”
——————————————
তোমার পিছু ছুটে সবাই করছে জীবন মাটি,
মরুর বুকে তোমায় কেহ ভাবেন শীতলপাটি।
তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখে রাত করেছি শেষ,
তোমায় ছোঁয়া হয়না তবু কাটেই না উন্মেষ।ছুটছে সবাই তোমার পানে গাইছে কতো গান,
তোমার স্বরুপ দেখতে আমার মনকরে আনচান।
তোমার ছবি জীবন জুড়ে আঁকছে সবার মনে,
দিবালোকে খুঁজছে তোমায় কেউ বা সংগোপনে।তোমায় পেতে কতো মানুষ হইছে নিরুদ্দেশ,
কত্ত কবি তোমায় ভেবে লাল হয়েছে বেশ।
তোমায় নিয়ে গান সিনেমা চলছে রাশি রাশি,
কেউ পায়নি তোমার দেখা হওনি পাশাপাশি।মরিচিকা সুখ যে তুমি বড়ই কঠিন পাওয়া,
তোমায় পেতে তবু সবে ভুলছি নাওয়া খাওয়া।
কেউ দেখেনি সুখ পাখিটার আসল রূপ টা কি,
ভোজন রসিক ভাবছে তুমি গরম ভাতে ঘি।বই পোকারা মানছে তোমায় জ্ঞানের সমুদ্দুর,
শীতের বুড়ি ভাবছে বোধহয় এক মুঠো রোদ্দুর।
নায়ের মাঝি তোমায় ভাবে পাল তোলা সে নাও,
ম রি চি কা সুখ যে তুমি খুঁজছে সবাই ফাও।“একলা ভিজে যাই”
– —————————-আমি-
নৌকা ভাসাই আপণ মনে
উজান ভাটি বুঝে,
ঢেউয়ের দোলায় স্বপ্ন আঁকি
তোমায় খুঁজে খুঁজে।তূমি-
তোমার পথে চলছো ছুটে
ভুলে সকল ঋণ,
ভাবছো মনের বেলকুনিতে
আমায় মূল্যহীন।আমি-
সাজাই শুধু মনের বাগান
তোমার দেখা নাই,
শ্রাবণ মেঘের বাদল দিনে
একলা ভিজে যাই।তুমি-
যখন তখন ভাঙন ধরাও
দিব্বি দেখাও রাগ,
মায়ার জালে আটকে রাখো
অন্তরে দাও দাগ।আমি-
তোমার মাঝে হারাই শুধু
নিশি করি ভোর,
কাব্য লিখে সময় কাটাই
পুড়ে যায় অন্তর।“ফেইসবুকে রাতদিন”
——————————————–
আজকাল কারো দেখি কাজ নেই দিনভর,
জীবন টা আজ যেন ফেইসবুক নির্ভর।
এই বুকে কেউ কেউ উপকার পাই বেশ,
হাতের নাগালে সব দূরে আছে যত দেশ।রাতদিন কেউ কেউ করে প্রেম চুটিয়ে,
একাধিক আইডিতে ভুয়া ফ্যানস্ জুটিয়ে।
ছেলে মেয়ে যেই হোক পিক গুলো ঝাক্কাস,
হোক তারা ও পাড়ার খায়রুন – আক্কাস!খুলে ফেইক আইডি নাম দেয় গায়িকার,
মেয়ে সেজে বখাটেরা ভাব নেয় নায়িকার।
ছেলেতে ছেলেতে প্রেম হরদম চলে আজ,
লাভ হীন চ্যাটিংএ কেড়ে নিলো সব লাজ।কেউ কেউ ফেইসবুকে কতো আশা বান্ধে,
ধোঁকা খেয়ে বোকা হয় অবশেষে কান্দে।
তাই বলি সবে যেন মেকি চিনে চলি ভাই,
হুট হাট লাইকটা সকলে এড়িয়ে যাই।তুমি আমার সন্ধ্যা তারা
———————————
সব কিছুতেই তোমার স্মৃতিজড়িয়ে আছে তোমার প্রীতি
প্রেম কাননের গোলাপটা যে তুমি,
তুমি ছাড়া —
মনের জমিন বিরাণ মরুভূমি।মনটা যখন পাগল পারা
তুমি আমার সন্ধ্যা তারা
বেলকুনিটা তোমার আলোই ভরা,
তুমি ছাড়া —
আমার আকাশ হচ্ছে যে মন মরা।ভোর বিহানে পাখির গানে
সবাই ছোটে বাহির পানে
তোমার ছোঁয়ায় মিষ্টি মধুর ঘ্রাণ,
তুমি ছাড়া —
শুন্য এ বুক পায়না খুঁজে প্রাণ।আমার প্রতি নিঃশ্বাসে তাই
তোমার পরশ বিশ্বাসে পাই
জনম জনম রাখবো তোমায় ধরে,
তুমি ছাড়া —
পাইনা কারও এতই আপন করে।“বিদ্রোহী নজরুল”
———————————————–
( ছড়ায় ছন্দে নজরুল কাব্য/ রচনা পরিচিত )














বলতে পারো কোন সে কবির নামটা দুখু মিয়া,
ঝরতো দরদ সারাক্ষণে কার সে কলম দিয়া?
কোন সে কবি গাইতো সদা নিপীড়িতের জয়,
নির্যাতিতের পক্ষ নিতে করতো না সংশয়।‘অগ্নি-বীণা’র সুরের আগুন ‘ফণি-মনসা’ র কাঁটা,
বিধতো বুকে ইংরেজদের লাগতো গায়ে ঝাঁটা,
‘যুগ বাণী’ র কথার ঘাতে কাঁপতো বড়ো লাট,
‘বিষের বাঁশী’ সুর ছড়াতো ‘তেপান্তরের মাঠ’ ।‘সাম্যবাদী’ র পাতায় পাতায় ‘সর্বহারা’ র জয়,
‘নতুন চাঁদ’এ খুশির গানে পালায় ‘ঝড়’ এর ভয়।
‘পুবের হাওয়া’ য় ‘দোলন-চাঁপা’ ‘নির্ঝর’এ দেয় ঘ্রাণ,
‘সন্ধ্যা’ বেলায় ‘ঝিঙে ফুল’ এ ঝিঁঝিঁ পোকার গান।‘শিউলি মালা’ গলায় দিয়ে ‘মধুমালা’ র বিয়ে,
‘কুহেলিকা’ র ঝাঁপসাকাশে চল্ল তাকে নিয়ে।
১লা বৈশাখ ‘ সিন্ধু-হিন্দোল’ ‘ছায়ানট’ এর সুর,
‘ভাঙার গান’ এর উচ্ছ্বাসে তা ছড়ায় বহু দূর।সাদাকালো জীবন (গীতিকবিতা)
————————————–জানো কি বন্ধু মনের ঘরের বসত ভিটা কার?
কার ধ্যানেতে করছো তোমার জীবন তরী পার?
একটু ভাবো ক্ষণে ক্ষণে –
তুমি একলাতে নির্জনে
প্রশ্নগুলোর জবাব তোমার মিলবে যখন ঠিক
কাটবে আঁধার পড়বে মনে আসল প্রভাব তার ।মায়ার জালে আটকে জীবন হচ্ছে তোমার শেষ
ছায়ার পিছে রঙের ভূবন দেখায় জটিল বেশ
এই গন্ধ ময়লা মাটি
সে হবে শীতল পাটি
সাদা কালোর এই জীবনে মাটিই হবে সুখ
আঁধার ঘরে ঝাড়বাতিহীন মুখটা রবে ভার ।এই অহংকারের দরোজাগুলো বন্ধ হয়ে যাবে
যেদিন সাপ বিচ্ছু সখের দেহ ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাবে
তাই এবার ভেবে দেখো
আর হৃদয় মাঝে লেখো
যখন ভাঙবে বাজার,থমকে যাবে নীলসাগরে ঢেউ
আর বইবে জোয়ার এই দু’চোখে মেঘনা-যমুনার ।ফুলের মতো বৌ”
—————————
প্রজাপতির ডানায় তুমি
ভর করেছো যেই,
একটু একটু করে তোমায়
কাছে পেলাম সেই।তোমার কাছে রাখছি জমা
হাজার ফুলের ঘ্রাণ,
আমার সকল কাজের মাঝে
তুমি যোগাও প্রাণ।অনেকটা পথ হেঁটে যখন
ক্লান্ত শরীর মন,
তোমার ডানায় নাও যে তুলে
আমার প্রিয়জন।ঠিক না বেঠিক তুমিই বলো
সত্যি করে আজ,
তোমার প্রেমের রঙ মাখলেই
দারুন দেখায় সাজ।তোমার মনের উঠোন থেকে
পান করেছি মৌ,
তুমি আমার সদ্য ফোটা
ফুলের মতো বৌ।অকালে দশ ফোঁড়
———————————–
একচোখে জল শুকায় তবে
ভিজে আরেকটা যে,
জীবন জুড়েই থাকবে এ দুখ
সুখের ভাঁজে ভাঁজে।কাঁদলে প্রভুর হয় যে স্মরণ
ভয় থাকাটাই ভালো,
অনুভূতির সে পথ বেয়েই
দেখবে জয়ের আলো।অনুকূলে নাও চালানো’ য়
কৃতিত্ব নেই মোটে,
কান্না হাসির এই দুনিয়ায়
বিষাদে ফুল ফোটে।মরিচিকার পিছে তোমার
চলছে ঘোরাঘুরি,
সস্তা দামের খাস্তা কথায়
নিজের গলেই ছুরি।দুঃশ্চরিত্র কারোর সাথে
বাঁধবে নাকো জোড়,
থাকতে সময় বুঝলে ভালো
অকালে দশ ফোঁড়।জীবন জুড়ে হরদমই যার ফাঁকি
——————————————
চড়া দামের গরু একটা কিনে —ফেসবুকে তার কত্তো রকম ছবি,
পরিয়ে মালা সাজায় রাত্র দিনে
কারোর কাছে কোরবানিটা হবি!সারাটা গ্ৰাম ঘোরায় গরু কেউ
পাল্লা দিয়ে উড়ায় ঘুষের টাকা,
উথলে ওঠে কারো’র খুশির ঢেউ
গরীব এলেই পকেট যেন ফাঁকা!মসজিদে দান লেখায় শুধু বাকি
লোক দেখানোর বন্দেগীটা বেশ,
জীবন জুড়ে হরদমই যার ফাঁকি
তার ইশারা কাঁপায় পুরো দেশ!কোরবানিতে কারোর শুধুই সুখ
দু’ রাকাতের সালাম শেষেই ছুট,
দীন – দুঃখীরা কেঁদে ভাসায় বুক
দানের গোশতে কারোর হরীলুট!ফ্রীজগুলো যে হয়েছে সব খালি
কানায় কানায় ভরবে ঈদের দিন,
দূর থেকে দেয় ইবলিশে হাততালি
ঈমান কারোর না বেড়ে হয় ক্ষীণ!!চলুক ছুটে কলম
————————————–
কমেন্ট বক্সে যে যাই বলুক
উঠুক যতোই ঢেউ,
তোমার লেখায় তুমিই সেরা
ভেংচি কাটুক কেউ।সত্য কথায় কারোর ব্যথা
কারোর কাছে মেঘ,
মেঘের পরে রোদের দেখা
ফিরিয়ে দেবে বেগ।বীজ বুনে যাও কাব্য মাঠে
সকল শব্দ চাষী,
হোক না সেটা কারোর কাছে
মরণ বিষের বাঁশী।তোমার লেখায় সত্য ন্যায়ের
সুর ছড়াবে যতো,
নিন্দুকেরা জ্বলে পুড়ে
মরবে অবিরত।বিরক্তি নয়, অ-যথা নয়
চলুক ছুটে কলম,
কারোর ঘা এ নুনের ছিটা
কারোর ঘা এ মলম।মানবতায় হিংসা যাদের
————————————–যতোই বড়ো হোক সে নেতা
বাঁধা দিলে ভালো কাজে,
বুঝবে পুরো আহাম্মক সে-
লোক হিসেবে বড়োই বাজে।বয়কট করো তারে সবাই
হিম্মত যার এতোই বড়ো,
তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনে
সবাই মিলে ঐক্য গড়ো।হিংস্র আর নির্বোধ আজ
মূল চেয়ারেই দিব্যি বসা,
স্বার্থে আঘাত লাগলে পরে
ঘটায় তারা করুন দশা।মানবতায় হিংসা যাদের
চিনে রাখো সবাই মিলে,
সব ঘটনার জবাব দিতে
হিসেব হবে তিলে তিলে।তুমি – আমি নাইবা পারি
জায়গা মতো খাবেই ধরা,
তার কাছে সব থাকবে লেখা
আগে পিছে হিসেব করা।ঘটুক সবার বিবেকের উন্মেষ ( গীতিকবিতা)
—————————————–
ভুলের উর্ধ্বে নইতো ধরায় কেহভুলেই ভরা এই যে মাটির দেহ
ভুল জমিয়ে না রাখাটাই বেশ
দাও মুছে দাও ভুলের পরিবেশ ।এক নিমিষেই শেষ হবে সব খেলা
কেউ জানেনা কখন যে শেষ বেলা
দম ফুরোলেই তুমি নিরুদ্দেশ
স্বপ্ন ও সাধ হবে যে নিঃশেষ ।ভোগ করে যাই যার নিয়ামতগুলো
তার পথে কেউ হাটিনা এক চুলও
নানান পথেই দিন করেছি শেষ
খাতায় দেখি নেই ভালোর লেশ ।প্রভুর কাছে চাইছি যে তাই ক্ষমা
যার রহমের নেই যে দাড়ি – কমা
সাদা হয়ে যাচ্ছে কালো কেশ
ক’জন মানি তার সে উপদেশ ।না মাখালাম তার সে পথের ধুলো
শেষ বিচারে হারিয়ে যাবে কুলও
প্রার্থনা তাই আবার পরিশেষ
ঘটুক সবার বিবেকের উন্মেষ ।সরল রেখায় চলা
————————————-
মানুষ হলো সেরা জীব সবাই জানে,
শুনে বুঝে তবুও তা কয়জনে মানে?
জ্ঞানের জগতে তার চলে বিচরণ,
প্রতিক্ষণে স্রষ্টাকে করে সে স্মরণ।মানুষ হবে স্রষ্টায় নিবেদিত প্রাণ,
আমরণ ছড়াবে যে গোলাপের ঘ্রাণ।
স্বার্থের টানে পড়ে করবে না যা তা,
মানুষ হবে সব কাজে রেখে মানবতা।সরল রেখায় তার হতে হবে চলা,
কথা হবে ঠিক ঠাক মেপে মেপে বলা।
অপরের উপকারে করবেন না ভুল,
লোভে পাপে এগোবেনা কভু একচুল।কতক মানুষ আছে পাই হাতে গুনে,
অমায়িক ব্যবহারে ফোটে ফুল মনে।
সত্যকে ভালোবেসে ছোটে অবিরাম,
অকারণে নেই যার কোনো ধুমধাম।এমন মানুষ বলো আছে কয় জন?
মানুষের খোঁজে তাই কাঁদে এই মন।“মুমিনের যতো আশা” ( গীতিকবিতা)
– —————————
আল্লাহর পথে চলে
কুরানের কথা বলেদ্বীনকে রেখেছে যারা আজও অমলিন,
সে পথের যোদ্ধারা-
বিবেকের বোধ দ্বারা
ফিরে এসে শোধ দিবে যতো সেই ঋণ।বিভেদের যাঁতাকলে
দুনিয়ার মায়া ফেলে
সত্যের রঙে তারা হবে যে রঙিন,
সব পাখি অবশেষে
নিজেদের নীড়ে এসে
মিশে হবে একাকার সবে এক দিন।মু’মিনের যতো ভাষা
সব আশা ভালোবাসা
কোনো কালে হবে না তা একটু বিলীন,
বিজয়ের আহ্বানে
মুক্তির জয়োগানে
চৌদিকে সুর তুলে কাঁপাবে জমিন।।হুতুম পেঁচার বিয়ে
——————————–
বাবুই, চড়ুই , টিয়ে পাখিকরছে সবাই ডাকাডাকি
একটা বিষয় নিয়ে,
গান ধরেছে ময়না এসে
ময়ূর নাচে এলোকেশে
হুতুম পেঁচার বিয়ে।ডাঙায় উঠে কোলা ব্যাঙ
লম্ফ দিয়েই ভাঙলো ঠ্যাং
মনের দুঃখে কাঁদে,
তাই না শুনে মায়ের কোলে
ছোট্ট খোকন বায়না তোলে
করবে খেলা চাঁদে।হুতুম পেঁচার গায়ে জ্বর
কেমন করে সাজবে বর
মনটা ভীষণ ভার,
কাঠ ঠোকরা আসলো উড়ে
বসলো বরের আসন জুড়ে
সাজাবে সংসার।5 Comments
Friends
আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির
@anwar-parvez-nur-shishir
Md. Nur Alam (এইচ. এম নুর আলম)
@nuralam
ডা. ফরিদ-উজ-জামান খান
@dr-fariduzzaman-khan
Jahid-Hassan
@jahid-hassan
শরিফ কবিরাজ
@sharifkobiraj
তুবা
@zariyaat
UTTAM KUMAR BISWAS
@uttamk
মানজারুল ইসলাম দুলাল
@manjarulislamdulal
Shoriful Shoron
@shoriful-shoron


প্রকৃতি আমাদের বাঁচিয়ে রাখে।