<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | AymanRakib | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/aymanrakib/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/aymanrakib/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for AymanRakib.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 11 Jun 2026 02:54:28 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">e8ecf56b73249813b52c8d51effd3a62</guid>
				<title>আমি আবার ফিরে যেতে চাই,
বৃষ্টিভেজা সকালে।
শিহরিত হতে চাই শিশির ভেজা 
ঘাসের কোমল স্পর্শে।

ভোরের রাঙ্গা সূর্যের 
মিষ্টি রোদে মেলে ধরতে
চাই &quot;দেহমন&quot;!

পাপের বোঝা হতে রিক্ত হয়ে 
আমি সিক্ত হতে চাই!

মুক্ত হতে চাই সকল ভক্তি হতে।
আমি চাই, নতুন করে বাঁচতে!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/112012/</link>
				<pubDate>Tue, 17 May 2022 06:30:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি আবার ফিরে যেতে চাই,<br />
বৃষ্টিভেজা সকালে।<br />
শিহরিত হতে চাই শিশির ভেজা<br />
ঘাসের কোমল স্পর্শে।</p>
<p>ভোরের রাঙ্গা সূর্যের<br />
মিষ্টি রোদে মেলে ধরতে<br />
চাই &#8220;দেহমন&#8221;!</p>
<p>পাপের বোঝা হতে রিক্ত হয়ে<br />
আমি সিক্ত হতে চাই!</p>
<p>মুক্ত হতে চাই সকল ভক্তি হতে।<br />
আমি চাই, নতুন করে বাঁচতে!!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">12408019139ab37bb3cb9a75cf356b21</guid>
				<title>→৬
বিদায় বেলায় বলো কেঁদে কী লাভ,
সময় থাকিতে কি তার বুঝেছো অভাব?
কাঁদলে কী হবে— আসিবে না ফিরে,
মুছে ফেলো তারে—স্মৃতির পাতাগুলো ছিড়ে!
কখনো— কোন দিন তারে পড়ে যদি মনে,
আসিয়ো একা— দাঁড়িয়ো সেই গোরস্থানে!
গোধূলির আলোয় বিষণ্ণ মনে করিয়ো তারে স্মরণ, 
দেখা হবে আবার— যখন আসিবে তোমার মরণ..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/111330/</link>
				<pubDate>Mon, 16 May 2022 03:22:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>→৬<br />
বিদায় বেলায় বলো কেঁদে কী লাভ,<br />
সময় থাকিতে কি তার বুঝেছো অভাব?<br />
কাঁদলে কী হবে— আসিবে না ফিরে,<br />
মুছে ফেলো তারে—স্মৃতির পাতাগুলো ছিড়ে!<br />
কখনো— কোন দিন তারে পড়ে যদি মনে,<br />
আসিয়ো একা— দাঁড়িয়ো সেই গোরস্থানে!<br />
গোধূলির আলোয় বিষণ্ণ মনে করিয়ো তারে স্মরণ,<br />
দেখা হবে আবার— যখন আসিবে তোমার মরণ..</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1555c1537225fc3563d46162a3e686d2</guid>
				<title>→৫
বেশ কয়েক বছর যাবৎ বয়োবৃদ্ধ লোকটিকে পর্যবেক্ষণ করছি।আশির কাছাকাছি বয়স। আজানের কয়েক মিনিট আগে যতবার রাস্তায় তাকিয়েছি— দেখেছি, লোকটি লাঠিভর করে টিপিটিপি পায়ে মসজিদের দিকে হাঁটছে। চেহারায় তার প্রশান্তির হাসি..

তাঁকে দেখলে মৃদু লজ্জামাখা কিছু প্রশ্ন আমায় ফুসলাতো। কিন্তু এক ঝাঁক অপারগতা আর ব্যস্ততা এসে সেই কৌতুহলী পশ্নের উপর আঁচড়ে পড়তো। প্রশ্নগুলো তাঁকে আর করা হতো না।

তাঁকে দেখতাম— মসজিদ থেকে বাড়িতে ফিরতে। রাস্তায় লোকদের সালাম দিতে। আশ্চর্য হয়ে ঘড়ি দেখতাম— মনে পড়ে যেতো সেই ব্যস্ততার কথা, নামাযের আগে যেটা আমার মনের  ভিতরে আমায় বলে যেতো— &quot;তুমি তো এখন ব্যস্ত! নামাযটা ফ্রি হলে পড়ে নিয়ো&quot;..

আচ্ছা, এই যে কয়েকটা মিনিট— আজান থেকে নামায— সত্যিই কি আমি মহান কোন কাজ করছিলাম? আর যদি করেও থাকি, কয়েক মিনিটের বিরতিতে আর কীইবা ক্ষতি হতো? নামাযের এই সময়টুকু ছাড়া দিনের অন্য সময়ে কাজের প্রতি এই গুরুত্ব কেন থাকে না? কেন আমি নামায পড়তে পারি না—কেন..

লোকটি ফজরের আজান দিতে মসজিদে যেতো। তাঁর লাঠির খটখট শব্দে আমার ঘুম ভেঙে যেতো। 

শেষরাতের এই আরামের সময়— তাঁর লাঠির খটখট শব্দ দীর্ঘদিন শুনে আসছি। ঝড়বৃষ্টিই বলো আর ঠান্ডা রাত— কখনো এর ব্যতিক্রম হতো না। তাঁর লাঠির শব্দে যখনই আমার ঘুম ভাঙতো— ভাবতাম উঠি।নামায পড়তে হবে। কিন্তু উঠি উঠি আর উঠা হয় না। আবার ডুবে যাই ঘুমে।ছুটে যায় নামায..

তাঁর ব্যাপারে আমার ধারণা ছিলো— সে হয়তো সারারাত ঘুমোয় না। ফজর পড়ে এসে ঘুমায়। তার তো এমন জুরুরি কোন কাজ নেই যে, সকাল সকাল করতে হবে। অন্যথায় এই সুদীর্ঘ সময়— প্রায় এক যুগ—এভাবে প্রতিদিন একই সময় ফজরের আজান দেয়া কি সম্ভব?

একদিন সুযোগ হলো লোকটির সাথে কথা বলার। তাঁর সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। আসলে আমার ধারণা ভুল ছিলো। ফজরের আজান দেয়ার জন্য তাঁকে সারারাত জেগে থাকতে হয় না। বরং তাঁর অন্যান্য আমল-অজিফা পূরণ করার জন্য তাঁকে দেরিতে ঘুমোতে হয়।তারপরও ঠিকসময়ে তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। 

সেদিন তাঁর সাথে কথা বলে ঠিক করলাম আজ ফজরের নামায পড়বো! আজ আমার মন আমায় সাঁই দিলো। আজ তো কোন ব্যস্ততা নেই। সকাল সকাল ঘুমিয়ে গেলাম। অন্য দিনগুলোর মত আজো ঘুমে ডুবে গেলাম আর নামায......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/111212/</link>
				<pubDate>Sun, 15 May 2022 17:48:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>→৫<br />
বেশ কয়েক বছর যাবৎ বয়োবৃদ্ধ লোকটিকে পর্যবেক্ষণ করছি।আশির কাছাকাছি বয়স। আজানের কয়েক মিনিট আগে যতবার রাস্তায় তাকিয়েছি— দেখেছি, লোকটি লাঠিভর করে টিপিটিপি পায়ে মসজিদের দিকে হাঁটছে। চেহারায় তার প্রশান্তির হাসি..</p>
<p>তাঁকে দেখলে মৃদু লজ্জামাখা কিছু প্রশ্ন আমায় ফুসলাতো। কিন্তু এক ঝাঁক অপারগতা আর ব্যস্ততা এসে সেই কৌতুহলী পশ্নের উপর আঁচড়ে পড়তো। প্র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-111212"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/111212/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d24d9b86d142ad8b762b3e4426170e97</guid>
				<title>—৪
সবুজে ঢাকা ফসলের মাঠে দু&#039;জন হাঁটতে বেরিয়েছে— পড়ন্ত বিকালের মিঠা রোদে আর দখিনা শীতল বাতাসে প্রাণ জুড়াতে!—
ফুয়াদ ও তার বন্ধু জাবের!

ফেরার পথে ক্ষেতের ধারে একজোড়া পুরোনো জুতো। তার অদূরেই কৃষক বসে কাজ করছে।জুতোজোড়া তারই।

জাবের ফুয়াদের দিকে ফিরে বললো,
— চল, জুতোজোড়া কোথাও লুকিয়ে রাখি। দেখি কৃষকটি কী করে!
— না রে, আমাদের সামান্য বিনোদনের জন্য কৃষক বেচারাকে পেরেশান করা ঠিক হবে না। বরং এক কাজ করি চল, কিছু টাকা তার জুতোয় ভরে রাখি! তারপর লুকিয়ে থেকে দেখি, সে কী করে?

জাবের পকেট থেকে কিছু টাকা বের করে জুতো দু&#039;টায় ভরে রাখলো। তারপর কিছুটা দূরে যেয়ে তারা লুকিয়ে পড়লো।

কয়েক মিনিট পর কৃষকটি এসে জুতো পরতে গেলো। কিন্তু একি, জুতোর মধ্যে কিছু একটা আছে! ভিতরে হাত দিয়ে দেখে টাকা! অন্য জুতোটিতেও টাকা!

আনন্দে তার চোখ ছলছল করছিলো। হাঁটুর উপর বসে দু&#039;হাত আকাশের দিকে তুলে সে বলতে লাগলো,
হে আল্লাহ! হাজার শোকর তোমার! তুমি জানো, বাড়িতে আমার ছোট ছোট বাচ্চারা ক্ষুধার্ত।  এই টাকা দিয়ে আজ কিছু খাবার কিনতে পারবো...

ফুয়াদ জাবেরের দিকে তাকিয়ে,
— জুতো লুকোনো ভালো ছিলো নাকি  এটা?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/110994/</link>
				<pubDate>Sun, 15 May 2022 05:42:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>—৪<br />
সবুজে ঢাকা ফসলের মাঠে দু&#8217;জন হাঁটতে বেরিয়েছে— পড়ন্ত বিকালের মিঠা রোদে আর দখিনা শীতল বাতাসে প্রাণ জুড়াতে!—<br />
ফুয়াদ ও তার বন্ধু জাবের!</p>
<p>ফেরার পথে ক্ষেতের ধারে একজোড়া পুরোনো জুতো। তার অদূরেই কৃষক বসে কাজ করছে।জুতোজোড়া তারই।</p>
<p>জাবের ফুয়াদের দিকে ফিরে বললো,<br />
— চল, জুতোজোড়া কোথাও লুকিয়ে রাখি। দেখি কৃষকটি কী করে!<br />
— না রে, আমাদের স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-110994"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/110994/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8905afc3c723328db883a15d2c79a6ad</guid>
				<title>AymanRakib changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/110986/</link>
				<pubDate>Sun, 15 May 2022 05:41:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">48c974f68e2fa403150c1bb8de71cda6</guid>
				<title>৩→
সবুজে ঢাকা ফসলের মাঠে দু&#039;জন হাঁটতে বেরিয়েছে— পড়ন্ত বিকালের মিঠা রোদে আর দখিনা শীতল বাতাসে প্রাণ জুড়াতে!—
ফুয়াদ ও তার বন্ধু জাবের!

ফেরার পথে ক্ষেতের ধারে একজোড়া পুরোনো জুতো। তার অদূরেই কৃষক বসে কাজ করছে।জুতোজোড়া তারই।

জাবের ফুয়াদের দিকে ফিরে বললো,
— চল, জুতোজোড়া কোথাও লুকিয়ে রাখি। দেখি কৃষকটি কী করে!
— না রে, আমাদের সামান্য বিনোদনের জন্য কৃষক বেচারাকে পেরেশান করা ঠিক হবে না। বরং এক কাজ করি চল, কিছু টাকা তার জুতোয় ভরে রাখি! তারপর লুকিয়ে থেকে দেখি, সে কী করে?

জাবের পকেট থেকে কিছু টাকা বের করে জুতো দু&#039;টায় ভরে রাখলো। তারপর কিছুটা দূরে যেয়ে তারা লুকিয়ে পড়লো।

কয়েক মিনিট পর কৃষকটি এসে জুতো পরতে গেলো। কিন্তু একি, জুতোর মধ্যে কিছু একটা আছে! ভিতরে হাত দিয়ে দেখে টাকা! অন্য জুতোটিতেও টাকা!

আনন্দে তার চোখ ছলছল করছিলো। হাঁটুর উপর বসে দু&#039;হাত আকাশের দিকে তুলে সে বলতে লাগলো,
হে আল্লাহ! হাজার শোকর তোমার! তুমি জানো, বাড়িতে আমার ছোট ছোট বাচ্চারা ক্ষুধার্ত।  এই টাকা দিয়ে আজ কিছু খাবার কিনতে পারবো...

ফুয়াদ জাবেরের দিকে তাকিয়ে,
— জুতো লুকোনো ভালো ছিলো নাকি  এটা?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/110708/</link>
				<pubDate>Sat, 14 May 2022 10:25:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>৩→<br />
সবুজে ঢাকা ফসলের মাঠে দু&#8217;জন হাঁটতে বেরিয়েছে— পড়ন্ত বিকালের মিঠা রোদে আর দখিনা শীতল বাতাসে প্রাণ জুড়াতে!—<br />
ফুয়াদ ও তার বন্ধু জাবের!</p>
<p>ফেরার পথে ক্ষেতের ধারে একজোড়া পুরোনো জুতো। তার অদূরেই কৃষক বসে কাজ করছে।জুতোজোড়া তারই।</p>
<p>জাবের ফুয়াদের দিকে ফিরে বললো,<br />
— চল, জুতোজোড়া কোথাও লুকিয়ে রাখি। দেখি কৃষকটি কী করে!<br />
— না রে, আমাদের স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-110708"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/110708/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ad6ba4a825df0ef3b81a113bf2b6e3bd</guid>
				<title>→২
যখন ছোট ছিলাম বড়রা আমাদের নামায পড়তে বলতো।
বাবার সাথে, কখনো দাদুর সাথে মসজিদে যেতাম।
এক ওয়াক্ত, দুই ওয়াক্ত — একদিন বা দুইদিন নামায পড়তাম!
তারপর?

প্রতিদিন সময়মতো মসজিদে যেয়ে নামায আদায় করাটা ভারি কঠিন মনে হতো।তাই নিয়মিত  নামায পড়া হয়ে উঠেনি। তারপর অনেকটা বছর কেটে গেছে। আমি এখন পূর্ণ যুবক।

মাঝে মাঝে কিছু শাইখের ওয়াজ–নাসীহত শুনি। তাঁরা নামাযের গুরুত্ব, ফজিলত এবং নামায তরক করার কঠিন শাস্তির কথা শুনান।
সেসব শুনে ভয় হয়। মনে আগ্রহ তৈরি হয়। মসজিদে যাই। নামায পড়ি। তবুও নামাযে নিয়মিত হতে পারলাম না!

ভাবি, যারা আমাদেরকে নামায পড়তে বলে— নামায পড়তে তাঁদের কোন কষ্ট হয় না। তাঁদের কাছে হয়ত ঐশ্বরিক কোন শক্তি আছে যা আমাদের কাছে নেই!

জীবনের বড় একটা সময় ধরে আমরা অপেক্ষায় থাকি সেই ঐশ্বরিক শক্তির! এদিকে নামাযের পর নামায ছুটে যেতে থাকে! কিন্তু সেই ঐশ্বরিক শক্তি আসার আগেই একদিন আমাদের সাধারণ শক্তিটুকুও নিঃশেষ হয়ে যায়!

কতটা হতভাগা আমরা!! অবশেষে বেনামাযী হয়েই আমাদের কবরে যেয়ে হয়..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/110429/</link>
				<pubDate>Sat, 14 May 2022 00:47:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>→২<br />
যখন ছোট ছিলাম বড়রা আমাদের নামায পড়তে বলতো।<br />
বাবার সাথে, কখনো দাদুর সাথে মসজিদে যেতাম।<br />
এক ওয়াক্ত, দুই ওয়াক্ত — একদিন বা দুইদিন নামায পড়তাম!<br />
তারপর?</p>
<p>প্রতিদিন সময়মতো মসজিদে যেয়ে নামায আদায় করাটা ভারি কঠিন মনে হতো।তাই নিয়মিত  নামায পড়া হয়ে উঠেনি। তারপর অনেকটা বছর কেটে গেছে। আমি এখন পূর্ণ যুবক।</p>
<p>মাঝে মাঝে কিছু শাইখের ওয়াজ–নাসীহত শুনি। তাঁরা নামাযের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-110429"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/110429/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0cfa0ba9ef26a9b272b1a7672301f062</guid>
				<title>→১
বেশ আগের কথা৷ বিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতি সম্রাট একজন ঘোড়সওয়ারকে অফার করলেন, 
— তুমি ঘোড়ায় আরোহন করে সর্বোচ্চ গতিতে ছুটতে থাকো৷ ছুটতে ছুটতে যেখানে তুমি থামবে রাজ্যের সে পর্যন্ত পুরোটাই তোমার হয়ে যাবে৷ 

আশ্বারোহী ঘোড়া ছুটালো৷ তার সাধ্যের সর্বোচ্চ গতিতে৷ একবারের জন্যও ঘোড়া থামালো না৷ কারণ, সে থামলে তার রাজ্যের পরিধিও থেমে যাবে৷ 

আশ্বারোহী ছুটছে..ছুটছে…
ক্ষুধায়—পিপাসায় কাতর৷ তবুও ছুটছে…
ক্লান্ত দেহে প্রাণ ওষ্ঠাগত৷ তবু সে ছুটছে নিরন্তুর…
একসময় তার শ্রান্ত বদনে নড়বার মত শক্তি রইলো না৷ ক্ষুধায়—যাতনায় পড়ে গেলো ঘোড়া থেকে৷  চোখে—মুখে তার মৃত্যুর ছাপ৷ 

হ্যাঁ, সে তার আশার চেয়েও বেশি দুরত্ব অতিক্রম করেছে৷ এখন সে বিশাল সাম্রাজ্যের মালিক৷ কিন্তু এই বিশাল সাম্রাজ্য নিয়ে সে কী করবে? তার প্রাণ ওষ্ঠাগত৷ আস্তে আস্তে মৃত্যু তার কাছে আসছে৷ অতিসত্বর সে মারা যাবে৷ এখন কবরের জায়গাটুকুই কেবল তার! আর বাকিটুকু? আফসোস…</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/110056/</link>
				<pubDate>Fri, 13 May 2022 00:50:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>→১<br />
বেশ আগের কথা৷ বিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতি সম্রাট একজন ঘোড়সওয়ারকে অফার করলেন,<br />
— তুমি ঘোড়ায় আরোহন করে সর্বোচ্চ গতিতে ছুটতে থাকো৷ ছুটতে ছুটতে যেখানে তুমি থামবে রাজ্যের সে পর্যন্ত পুরোটাই তোমার হয়ে যাবে৷ </p>
<p>আশ্বারোহী ঘোড়া ছুটালো৷ তার সাধ্যের সর্বোচ্চ গতিতে৷ একবারের জন্যও ঘোড়া থামালো না৷ কারণ, সে থামলে তার রাজ্যের পরিধিও থেমে যাবে৷ </p>
<p>আশ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-110056"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/110056/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>