<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Ahmed Ovi | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/cast-oviya/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/cast-oviya/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Ahmed Ovi.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 06 Jun 2026 16:51:09 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">d738c55f316a76fb07e2b9a74d332c37</guid>
				<title>ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে অবিরাম যেমন থামার ইচ্ছে নেই তার। বারান্দার টব গুলোতে ফোটা গোলাপ ভিজে একাকার। চারিদিক আলোয় ঝলমল করছে। মানুষজনের আনাগোনায় বাড়ি মুখরিত, বিয়ে বাড়ি বলে কথা। ভেতরের ঘর থেকে খিলখিল শব্দে হাসছে মেয়েরা।
“আম্মু রাকিব আমাকে ধাক্কা দিয়েছে” সাদা গাউন পড়া পিচ্চি মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে তার মাকে নালিশ করলো।
“কোথায় সে? আমার মেয়েকে ধাক্কা দেয় এতো বড় সাহস। ওর দেখা পাই তারপর একটা চড় দিয়ে গাল লাল করে দেব। কাঁদে না মা চুপ করো। একটুপর তোমার মামার বউ আনতে যাবো। চুপ করো নাহলে তোমাকে সাথে নিবে না মামা”
সান্ত্বনায় কাজ হলো পিচ্চি কান্না থামিয়ে চোখ মুছতে মুছতে গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে গেল খেলার আসরে।
দোতালার বারান্দা থেকে সব দেখছিলো নিবির। তার মুখে প্রশস্থ হাসি। তার ছোট ভাগ্নি যে এতো পাকা পাকা কথা বলা শিখে গেছে তার ধারণা নেই। যেদিন মানতাসার জন্ম হয় সেদিনও আজকের মতো বৃষ্টি হচ্ছিলো। সন্ধ্যেয় রাজশাহী থেকে ফিরছিলো সে, বাস থেকে নেমে সোজা চলে যায় ক্লিনিকে। তার দুলাভাই সাদা একটা তোয়ালে দিয়ে পেচিয়ে কোলে নিয়ে আছে তার সদ্য জন্ম নেয়া সন্তানকে। কাছে যেতেই এগিয়ে দিলো তার কোলে। ছোট্ট একটা পুতুলের মতো লাগছিলো মানতাসাকে কেমন পিটপিট করে তাকাচ্ছিল তার দিকে।
আজ সে কত বড় হয়ে গেছে, কত পাকা পাকা কথা বলে, নিবির ভাবে বয়স কত হলো ওর পাঁচ? নাকি ছয়? ঠিক মনে করতে পারে না।
“আপু এইদিক আয়তো একটু”
সামনে এসে দাড়ালো নিবিড়ের বড় বোন
“কি হইছে রে? আর তুই এখনো রেডি হোসনি যে?” জেরা করলেন তিনি
“মানতাসর বয়স কত হলো, পাঁচ নাকি ছয়” জিগ্যেস করলো নিবির।
“বলিশ কি! জুনে চারে পড়বে। পাঁচ ছয়? দেখলি আমার মেয়ের বয়স ও তুই জানিস না”
“এতোকিছু কি মনে থাকে? ও খুব পাকা কথা বলে না রে?”
“হুম, তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নে। বাবা এই অবস্থায় তোকে দেখলে বাড়ি মাথায় তুলবে, আর কিন্তু বলতে আসবো না, রেডি হয়ে নে” বলে সিড়ি বেড়ে নেমে গেলেন তিনি। সেদিকে তাকিয়ে আছে নিবির। আজকের বৃষ্টিটা ভালো লাগছে তার, কেমন নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে ঝড়ছে। গোলাপ গুলো সব বৃষ্টি স্নাত, হালকা আলোয় খুব সুন্দর লাগছে সেগুলো, তার মনে হলো সে কি সাথে করে কয়েকটা গোলাপ নিয়ে নেবে? কিছুক্ষণ ভাবলো তারপর টবের সবচেয়ে বড় গোলাপটা সবধানে ছিড়ে নিয়ে শুকলো, কোনো গন্ধ পেল না। ভেজা গোলাপের কি গন্ধ থাকে না? তারপর ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলো। আগে থেকেই ফ্যানের সাথে দড়ি ঝোলানো ছিলো, চেয়ারে উঠল নিবির, ধীরে সুস্থে গলায় দড়ি পড়লো। পা তুলে ফেলে দিলো চেয়ার।
ততক্ষণে বৃষ্টি থেমে গেছে, মেঘের আড়াল থেকে উঁকি দিচ্ছে অর্ধেক চাঁদ। গাছের পাতা গুলো থেকে টোপায় টোপায় পানি পড়ছে। নিবিরে হাতের ভেজা গোলাপটা থেকে পানি পড়ছে, লাল সাঝবাতির আলোয়, রক্তের মতো দেখাচ্ছে সেই পানি।


বৃষ্টি স্নাত গোলাপ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/112822/</link>
				<pubDate>Wed, 18 May 2022 15:19:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে অবিরাম যেমন থামার ইচ্ছে নেই তার। বারান্দার টব গুলোতে ফোটা গোলাপ ভিজে একাকার। চারিদিক আলোয় ঝলমল করছে। মানুষজনের আনাগোনায় বাড়ি মুখরিত, বিয়ে বাড়ি বলে কথা। ভেতরের ঘর থেকে খিলখিল শব্দে হাসছে মেয়েরা।<br />
“আম্মু রাকিব আমাকে ধাক্কা দিয়েছে” সাদা গাউন পড়া পিচ্চি মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে তার মাকে নালিশ করলো।<br />
“কোথায় সে? আমার মেয়েকে ধাক্কা দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-112822"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/112822/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5cd456e8d10579d19f825993fd338dcd</guid>
				<title>গলির ঘোলাচাঁদ।

“ঘন্টায় তিনশো টাকা, কম নাই, আমাগোর ও প্যাট আছে স্যার” মহিলা তেজের সাথে বলল কথাটা। তার চোখ দুটো লাল, বিধ্বস্ত দেখাচ্ছে তাকে।
“এতো কেন। ২০০ দেব যাবি?” সিগারেটের ধোয়া ছাড়তে ছাড়তে বলল লোকটা। তার মুখে ধূর্ত হাসি।
“সামনে ঈদ। আমাদের ও সখ আল্লাদ আছে স্যার, এক সের চাল পঞ্চাশ টাকা, কেমনে বাচমু?” রুগ্ন মহিলা ক্লান্ত কন্ঠে উত্তর দিলো।
লোকটা মৃদু হেসে ঘরে ঢুকে গেল। সাথে সাথে দরজার খিল তুলে দিলো রুগ্ন মহিলা।
ছোটখাট একটা ঘর,তার সবটা জুড়ে হালকা আলো আর অন্ধকার বিরাজ করছে। রং চটে যাওয়া দেয়ালের জায়গায় জায়গায় সিমেন্ট খসে পড়েছে। এক কোণে একটা আলনা, তার উপর জড়োসড়ো করে জামানো কাপড়ের স্তুপ। খাটের সাথে ড্রেসিং টেবিল, তার উপর সাজার সামগ্রী। আয়নাটার প্রলেপও খসে পড়েছে এ ঘরের স্বপ্নের মতোন। ঘরটায় একটা খাট আর একটা চৌকি। চৌকিতে উলঙ্গ দেহে ঘুমাচ্ছে ফুটফুটে এক শিশু। ঘুমের ভেতরেই মুচকি হাসছে সে।
ভেতরে ঢুকেই শাড়ি আঁচল ফেলে দিলো রুগ্ন মহিলা। শেষ টান দিয়ে সিগারেট টা ছুড়ে ফেলল লোকটা। তারপর সেও শা
ড়ি খোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়লো।
ততক্ষণে দূর আকাশে ঘোলাচাদঁ ঝিমিয়ে গেছে। গলির শেষ মাথায় মদের দোকান, বাতাসেও তার সুস্পষ্ট ছাপ। কোথা থেকে জানি বেসুরো গলায় কেউ গান করছে আর খিল খিল করে হাসছে। গলি ধরে টলতে টলতে হেটে যাচ্ছে এক ছায়ামূর্তি আর অশ্রব্য ভাষায় গালি দিচ্ছে কাউকে।
এই অন্ধকার গলিতেও হয়তো ফ্যাকাশে সকাল আসে, সূর্যও হয়তো কোনো নতুন স্বপ্ন বয়ে আনে। কিন্তু রাতের ক্ষত টা মুছে দিতে পারে না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/109976/</link>
				<pubDate>Thu, 12 May 2022 14:19:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গলির ঘোলাচাঁদ।</p>
<p>“ঘন্টায় তিনশো টাকা, কম নাই, আমাগোর ও প্যাট আছে স্যার” মহিলা তেজের সাথে বলল কথাটা। তার চোখ দুটো লাল, বিধ্বস্ত দেখাচ্ছে তাকে।<br />
“এতো কেন। ২০০ দেব যাবি?” সিগারেটের ধোয়া ছাড়তে ছাড়তে বলল লোকটা। তার মুখে ধূর্ত হাসি।<br />
“সামনে ঈদ। আমাদের ও সখ আল্লাদ আছে স্যার, এক সের চাল পঞ্চাশ টাকা, কেমনে বাচমু?” রুগ্ন মহিলা ক্লান্ত কন্ঠে উত্তর দিলো।<br />
লোকটা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-109976"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/109976/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d8edb6197bc095f76a6251b137058cb3</guid>
				<title>নদীর স্রোত চিড়ে এগিয়ে যাচ্ছে ডিঙ্গি নৌকাটা। স্রোতের বিপরীতে নৌকা বাইছে মাঝি হানিফ, কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে।পশ্চিম দিকে ধূসর মেঘ জমে সূর্যকে ঢেকে দিয়েছে মনে হয় আর কিছুক্ষণ বাদে বৃষ্টি নামবে যদিও ঝড়ো বাতাস শুরু হয়নি এখনো। নদীটির নাম কৌলাস, দৈর্ঘ্যে সুবিশাল হলেও প্রস্থে কয়েকশ হাত মতো হবে। দুই ধার ঘেসে কুমোরদের বাড়ি, বাড়ির উঠানে সারি সারি করে রাখা হস্তশিল্প গুলো তোলায় ব্যস্ত সবাই। নদী কৌলাস কুমোর পাড়া চিড়ে গিয়ে মিশেছে কৌলাস বিলে, কৌলাস এ নদীর আসল নাম না, সেদিকেই যাচ্ছে ডিঙ্গিটা। ডিঙ্গির এক কোনে বসে মাঝি নৌকা বাইছে অন্য কোনে কালো চাদর জড়িয়ে বসে আছে আর একজন। চাদর গায়ে যার, তার নাম আবীর মাস্টার। এই এলাকার একমাত্র হাই স্কুল দায়াময়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বয়স প্রায় ত্রিশের কাছাকাছি , শিক্ষগত দিক থেকে তিনি উচ্চশিক্ষিত ফিজিক্সে এম পাস জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।ছোট থেকে বড় হয়েছেন স্থানীয় এতিমখানায়, পরিবার পরিজন বলতে ছোট বেলায় যাদের সাথে খেলে পড়ে বড় হয়েছেন তারাই। রক্তে সম্পর্কের বাইরেও অনেকেই আমাদের পরিবার হয়ে উঠে আবার রক্তে সম্পর্ক থাকার পরেও অনেকেই পরিবারের একজন হয়ে উঠতে পারে না। সেই খেলা পড়ার সাথিদের অনেকের সাথেই তার যোগাযোগ আছে। ছোটবেলায় সবাই পড়েছে “নিজে যারে ভালো বলে ভালো সেই নয় লোকে যারে ভালো বলে ভালো সেই হয়”। লোকজন যারা আবীর মাস্টারকে চেনে সবাই তাকে নিরানব্বই ভাগ ভালো মানুষ বলে।
প্রচন্ড শব্দে কাছে কোথাও একটা বাজ পড়লো, “লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতুম মিনাজ্বলিমিন” কাপাকাপা কন্ঠে বলে উঠলো হানিফ।
“কি হানিফ ভাই ভয় পাইছেন নাকি” বলল আবীর মাস্টার।
“তেমন একটা পাই নাই তয় কলিজা ধক কইরা উঠছিলো প্রতমে। তুমি মিয়া পাগল আছো বুঝলা, হুট কইরা কি কইরা উঠো না। বিষ্টি আইবো এক্টু পর বাড়ি গিয়া খেতা গায়ে দিয়ে ঘুমামু তা না নিয়া আইলা এই হবগা পানিতে ভিজাইতে।” বইঠা বাইতে বাইতে উত্তর দিলো মাঝি হানিফ।
মৃদু হাসলো আবীর মাস্টার তারপর বলল,“বৃষ্টিতে ভিজতে আপনার কেমন লাগে.?”
“ এক্টুও ভালা লাগে না, তয় তোমার মতো যহন বয়স আছিলো তহন ভালা লাগতো, কতো যে বিষ্টিতে ভিজছি বুঝলা বৃষ্টি আইলে আমাগো ছিল ইদের দিন, ফুটবল লইয়া মাঠে ঘন্টার পর ঘন্টা দাপাই বেড়াইতাম বুঝলা। চোখ ঠোখ লাল হই যাইতো তারপর বাড়ি আইতাম। তয় বাড়ি আইতাম না আইলেও লুকায়া আইতাম, আমার আব্বায় অনেক রাগি আছিলো এমন অবস্থায় যদি দেখতো তয় লাডি লইয়া পিছে দৌড়ানি দিতো তয় খুব একটা দৌড়াইতে পারতো না আব্বায়।” বলে দীর্ঘশ্বাস ফেলল হানিফ।
“আপনি তাহলে অনেক ভাগ্যবান হানিফ ভাই আমার চেয়ে বেশিবার ভিজেছে বৃষ্টিতে” বলল আবীর।
কিছু বলল না হানিফ উত্তরে শুধু হাসলো।
ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়েছে, হানিফ মাঝির লাল সবুজ ডোড়াকাটা গামছা পতপত করে উড়ছে। পশ্চিম দিক সম্পূর্ণ কালো হয়ে ভীতকর রুপ ধারণ করেছে। আর একটুপর… ঝড়ের সাথে শুরু হবে বৃষ্টি যার জন্য এতো প্রতিক্ষা করে বসেছিলো আবীর। এরকম ঝড় বৃষ্টি যে আগে হয়নি তেমন না, আসলে আবীর দেখত চেয়েছিলো খাটি কাল বৈশাখি ঝড় তাই বাজার থেকে তুলে এনেছে হানিফ মাঝিকে। চৈত্র পেরিয়ে আজ বৈশাখের প্রথম দিন। আবহাওয়া এরকম হবে আগে থেকেই জানতো সে।
ছিপ ছিপ করে বৃষ্টি পড়তে শুরু করেছে আবীর যেখানে নৌকা রাখতে বলছে সেখানে নগি পুতে নৌকা বেধে নিয়েছে হানিফ মাঝি এখন ডিঙ্গির ছোট ছাউনিটায় বসে বিশ্রাম নিচ্ছে সে। আবীরকে ছাউনিতে ঢুকতে দেখে প্রশ্ন করলো হানিফ।
“ওকি মাস্টার এতো কইরা ডাইকা আনলা বিষ্টিতে ভেজবা বইলা এহন ভিতরে ঢোক যে? ভেজবা না বিষ্টিতে?”
“বৃষ্টি এখনো শুরু হয় নেই হানিফ ভাই, বৃষ্টিতে ভেজার শখ থাকলেও ছুচো মেরে হাত গন্ধ করার শখ আমার নেই, তাছাড়া এখানে ঢুকলাম একটা সিগারেট খেতে বাইরে যে বাতাস সেখানে তো আর সিগারেট ধরানো যায়না”
“তাই কও, আমি ভাবলাম আকাশ খারাপ দেইখা ভয় টয় পাইলা নাকি তয় আমি শুনছি তুমি নাকি বহুত সাহসী সরদার বাড়ির ভূত গুলারে নাকি পুলিশের হাতে তুলে দিছিলা।” বলে হাসলো হানিফ।
“ভূতটুত কিছু নয় ওরা ওখানে গাজা মদ লুকিয়ে রাখতো আর ঐখানে যাতে কেউ না যায় সেজন্য রাতের বেলা ভূত সেজে পথ চলতি মানুষদের ভয় দেখাতো” সিগারেট ধরাতে ধরাতে বলল আবীর
“তুমি কি করে জানলা যে ঐখানে এরম কাজ কারবার হইতো”
“ আসলে আমার কয়েকজন ছাত্র দল বেধে গেছিলো ভূত ধরতে, গিয়ে দেখে গর্তে মদের বোতল রেখে পাতা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। ওরা এসে আমাকে জানায় আর আমি রাত হওয়ার অপেক্ষায় থাকি আর রাত হতেই থানায় ফোন করি তারপর তো আপনি জানেনই” বলল আবীর।
“হু জানি, বিষ্টি তো জমে উঠছে মনে হয় চলো বাইরে যাই এহন”
“চলেন” বলে হাতের সিগারেটটা নিভিয়ে বাইরে বেড়িয়ে এলো আবীর।
প্রকৃতি যেন ক্ষেপে উঠেছে আগের চেয়ে কালো হয়ে উঠেছে কিছুক্ষণ আগের ধূসর আকাশ, তার সাথে বেড়েছে বাতাসের বেগ। যেন উড়িয়ে নিতে চাইছে সব কিছু। খানিক পরপর ঝিলিক মেরে বাজ পড়ছে সাথে তীব্র শব্দ। সব মিলিয়ে ভয়াবহ এক অপার্থিব দৃশ্য দেখছে আবীর, যা আগে কখনো দেখেনি সে।
“কি বিষন্ন সুন্দর না আজকের এই ঝোড়ো বৃষ্টি”
“হ্যা সুন্দর,আজ তোমাকে আমার কয়েকটা কথা শুনতে হবে আবীর” ভাবলেশহীন কন্ঠে বলে উঠল হানিফ।
যতটা বুদ্ধিমান হলে মানুষ যথেষ্ট বলে তার চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান আবীর। সাথে সাথে বুঝে ফেললো কোনো কিছু আর আগের মতো নেই। তবে আবীর খুব একটা আবাক হলো না, আবাক হওয়ার মতো যথেষ্ট জিনিস দেখেছে এ জীবনে তাই আবাক না হওয়াকেই স্বাভাবিক মনে করে সে। তার পিছনে মাঝি হানিফ দাড়িয়ে তাই পিছনে ঘুড়ে দাড়ালো, আর দেখলো দেবদূতের মতো ভীষণ সুন্দর একজন মাঝ বয়সী মানুষ যার নাম হানিফ মিয়া অন্য এক রুপে দাড়িয়ে আছে। তার হাতে একটা দড়ি।

কৌলাস নদীর মাঝি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/109644/</link>
				<pubDate>Wed, 11 May 2022 13:51:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নদীর স্রোত চিড়ে এগিয়ে যাচ্ছে ডিঙ্গি নৌকাটা। স্রোতের বিপরীতে নৌকা বাইছে মাঝি হানিফ, কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে।পশ্চিম দিকে ধূসর মেঘ জমে সূর্যকে ঢেকে দিয়েছে মনে হয় আর কিছুক্ষণ বাদে বৃষ্টি নামবে যদিও ঝড়ো বাতাস শুরু হয়নি এখনো। নদীটির নাম কৌলাস, দৈর্ঘ্যে সুবিশাল হলেও প্রস্থে কয়েকশ হাত মতো হবে। দুই ধার ঘেসে কুমোরদের বাড়ি, বাড়ির উঠানে সারি সারি করে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-109644"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/109644/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6f4f1ece758f09bfc4e2816f7ff19e19</guid>
				<title>বৃষ্টি আসার আগে, বাতাসটা অনেক ভালো লাগে। ভালো লাগে বৃষ্টি পড়ার টিপ টিপ ঝিপ ঝিপ শব্দ। শুধু ভালো লাগে না, বৃষ্টির পড়ে মাটির ভ্যাপসা গন্ধ। ভ্যাপসা গন্ধটা পাশ কাটিয়ে বাস স্টপটার দিকে এগিয়ে গেলাম, হলুদ একটা সোডিয়াম লাইট জ্বলছে সেখানে। বৃষ্টির পানিতে রাস্তা ভিজে আছে, সারি সারি হয়ে দাড়িয়ে থাকা ল্যাম্প পোষ্ট গুলো রাস্তায় আলো দিচ্ছে, আর সেই আলো ভেজা রাস্তায় প্রতিফলিত হয়ে চিক চিক করে জ্বলছে। বাস স্টপের দিকে হাটছি আর মনে মনে আশা করছি বাস না হোক একটা সি এন জি যেন পেয়ে যাই, যদিও এখন রাত এগারো টা। কিছু না কিছু একটা নিশ্চয়ই পাওয়া যাবে। চকিতে মনে পড়লো, এগারো একটা মৌলিক সংখ্যা। একজন বিখ্যাত অনুবাদকের প্রথম মৌলিক উপন্যাসের নাম ছিলো “রাত এগারোটা”, এই লোকের নাম ফুয়াদ আল ফিদাহ। অদ্ভুত মিল। বাস স্টপের কাছে পৌচ্ছাতেই দেখলাম বোরখা পড়া কেউ একজন সেখানে দাড়িয়ে,মুখে মাস্ক, চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা, পেছনে ব্যাগ। ফোন স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে আছে। আমার দিকে একবার তাকিয়ে আবারো ফোনের দিকে নজর দিলো। আমি তাকে পাশ কাটিয়ে দূরত্ব বজায় রেখে এক পাশে দাড়ালাম। একেই রাত তার উপর মেয়েটা একা, এসময় তারা প্রচন্ড নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। একটা মেয়ে এখানে একা দাড়িয়ে আছে দেখে মোটেও অবাক হলাম না কারণ এই এলাকাটা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং, প্রাইভেট সেন্টার দিয়ে ভরা, তাই রাত দিন এখানটা নানান বয়সী শিক্ষার্থী আনাগোনা থাকে। এই মেয়েটাও হয়তো তেমন একজন, যদিও কোচিং গুলো এতো রাত পযন্ত খোলা থাকে না।, হয়তো কোনো প্রাইভেট ছিলো তাই দেরি করে ফিরছে। আমি নিজে যখন ভর্তি পরিক্ষার্থী ছিলাম তখন রাত বারোটা পযন্ত আমার প্রাইভেট ছিলো।
ঠান্ডা বাতাস টা যেন বেড়েছে। একটু ঠান্ডা ঠান্ডা লাগছে বলে আমি শার্টের হাতা গুলো নামিয়ে দিয়ে বোতাম লাগালাম। পকেট থেকে ফোন টা বের করে দেখলাম এগারোটা ষোল। প্রায় দশ মিনিট ধরে দাড়িয়ে আছি কিন্তু কোনো যান বাহনের টিকির পযন্ত দেখা নেই। বলতে বলতে একটা সিএনজি আসতে দেখা গেল। আমি বাস স্টপ থেকে নেমে সামনে জমে থাকা পানি গুলো এড়িয়ে সিন এন জির টা থামানোর জন্য হাত নাড়তে লাগলাম। মেয়েটাও একই কাজ করলো। সি এন জি থামলো।
 আমি ড্রাইভারকে জিগ্যেস করলাম “মামা কারওয়ান বাজার যাবেন.?”
ড্রাইভার বলল,“ না মামা সামনে রাস্তায় পানি জইমা আছেয়। আমার ইঞ্জিন ভিইজা যাইবো”, কন্ঠে স্পষ্ট বিরক্তি। আমার সামনের মেয়েটার দিকে ইশারা করে বলল, “এই যে আফা আপনে কোনহানে যাইবেন.? আপনেরা কি এক লগে.?”
“জ্বি না। আমি বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজের দিকে যাবো, আপনি যাবেন ঐ দিকে.?” মেয়েটা বললো।
ড্রাইভার জবাবে বলল, “না ঐ দিক যামু না, আপনেরা আর একটু অপেক্ষা করেন কিছু একটা পাইয়া যাবেন।“ তারপর সিন এন জি স্টার্ট করে চলে গেল।
এদিকে আমার কানে মেয়েটার বলা কথা গুলো বাজছে। এই মিষ্টি কন্ঠটা আমি চিনি। এই কন্ঠ আমার অনেক পরিচিতি। ভেতরে ভেতরে একটু উত্তেজিত অনুভব করতে শুরু করেছি, আর ভাবছি আমার কোনো ভূল হচ্ছে না তো.? কোথাও কোনো ভূল করে ফেলছি না তো.? কিন্তু আমার অবচেতন মন বলছিলো আমি কোনো ভূল করছি না, তবে কি যার সাথে কোনোদিন দেখা হয়নি। যাকে কখনো চোখের সামনে দেখিনি সে কি এখন আমার সামনে দাঁড়িয়ে?। আমার মাথা ধরে আসছে, চিন চিন করছে মাথার ভেতরটা। সামনের পানি টুকু পেড়িয়ে আবারো ছাউনিতে উঠে আসলাম, পকেট থেকে ম্যাচ আর সিগারেটের প্যাকেট টা বের করলাম। সিগারেট মুখে নিয়ে আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করছি কিন্তু ঝড়ো বাতাসে ম্যাচের কাঠি বার বার নিভে যাচ্ছিলে। পাচ ছয় বার চেষ্টার পর হাল ছেড়ে মনে মনে নিজেকে গালি দিলাম। আমার বন্ধুরা যারা ধূমপায়ী সবাই লাইটার ব্যবহার করে কিন্তু আমি সেই পুরোনো যুগে পড়ে আছি। সেজন্য রাফি ঠাট্টা করে আমার নাম দিয়েছিলো ক্লাসিক স্মোকার। সিগারেটটা ঠোঁটে নিয়ে আমি ইতস্তত করছি। এমন সময় পাশে থেকে ব্যাগের চেইন খোলার আওয়াজ পেলাম। পাশ ফিরো তাকাতেই দেখলাম মেয়েটা ব্যাগ খুলে একটা লাইটার বের করে আমার দিকে বাড়িয়ে দিতে দিতে বলল, “সিগারেট ছাড়িস নাই তাহলে”
অনেক অনেকদিন পর আমার বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠলো, আর আমার হৃদপিণ্ড জোরে জোরে লাফাতে লাগলো, আমি তাকে চিনেছি। এবং তার চেয়ে বড় কথা সেও আমাকে চিনছে। আমি কিছু না বলে লাইটার টা হাতে নিলাম। লাইটার টার গায়ে ভন গখের বিখ্যাত পেইন্টিং সানফ্লাওয়ারের ডিজাইন আকা। আমি সিগারেট টা ধরিয়ে লাইটার তার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললাম, “আমার এ বদঅভ্যেসটা কখনো ছাড়তে পারবো না”
সে বলল,“মন থেকে চাইলেন ছাড়া যেত”
আমি ম্লান হেসে চুপ করে থাকলাম। একবারের জন্য তাকালাম না তার দিকে, কিন্তু সে আমার দিকেই তাকিয়ে ছিলো। সামন দিয়ে একটা সি এন জি চলে যেতেই সেদিকে তাকালো। আমি সি এন জি টা ডাকতে চাইলাম, কিন্তু কি একটা কারণে ডাকলাম না চুপ করে দাড়িয়ে সিগারেট টানতে থাকলাম, সেও নিশ্চুপ। চারিদিকে গাঢ় নিরবতা। নিরবতা ভেঙ্গে তাকে জিগ্যেস করলাম, “এখানে কি করা হয়.?
সে আবারো আমার দিকে তাকালো, বলল,“ উন্মেষে কোচিং করি, পরে একটা প্রাইভেট ছিলো। তুই কি করিস এখানে”.?
“ একটা ছাত্র পড়াই।”বলে চুপ করে গেলাম। তার কাছ থেকে লাইটারটা আর একবার চেয়ে নিলাম আর একটা সিগারেট ধরালাম। লাইটারটা ফেরত দিতে দিতে বললাম,“লাইটারটা অনেক সুন্দর, আসি”
শেষ বারের মতো তার দিকে তাকালাম। সে কিছু বললো না চশমার নিচ থেকে বড় চোখ দুটো দিয়ে ভাবলেশহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলো।আমি ছাউনী থেকে নেমে ফুটপাত ধরে হাঁটতে থাকলাম। বৃষ্টি পড়তে শুরু করেছে , অঝোর বিষন্ন বৃষ্টি। কিছুক্ষণ পর আকাশের দিকে তাকালাম, জমাট বাধা অন্ধকারে ছেয়ে গেছে আকাশ, কোথাও এক ফোটা আলোর অস্পষ্ট বিন্দু নেই। মাথার ভেতর থেকে একটা প্রশ্ন উঠে আসলো “তারাও কি আমাদের হারায়, যাদের আমরা হারাই”

ভন গখের লাইটার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/109458/</link>
				<pubDate>Wed, 11 May 2022 03:50:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃষ্টি আসার আগে, বাতাসটা অনেক ভালো লাগে। ভালো লাগে বৃষ্টি পড়ার টিপ টিপ ঝিপ ঝিপ শব্দ। শুধু ভালো লাগে না, বৃষ্টির পড়ে মাটির ভ্যাপসা গন্ধ। ভ্যাপসা গন্ধটা পাশ কাটিয়ে বাস স্টপটার দিকে এগিয়ে গেলাম, হলুদ একটা সোডিয়াম লাইট জ্বলছে সেখানে। বৃষ্টির পানিতে রাস্তা ভিজে আছে, সারি সারি হয়ে দাড়িয়ে থাকা ল্যাম্প পোষ্ট গুলো রাস্তায় আলো দিচ্ছে, আর সেই আলো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-109458"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/109458/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c37da22ebb31fadd3a526d150a45a2be</guid>
				<title>Ahmed Ovi changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/109060/</link>
				<pubDate>Tue, 10 May 2022 08:11:28 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1720d2bb436c5d510d45777d8be3b26b</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/109059/</link>
				<pubDate>Tue, 10 May 2022 08:06:39 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>