<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | rifat humu | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/rifathumu/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/rifathumu/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for rifat humu.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 07 Aug 2026 20:03:29 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">10a919638cdace22d2f24e926a286cee</guid>
				<title>নায়িকা সংবাদ
লেখিকা:মোনালী
পর্ব:০২

উমা ,শ্রাবণী , ক‌ষ্ণ ও গুরমিত চিত্রা এবং কিরণ কে নিতে আসে। কিরণ  তুমি তো শ্রাবণী দির বাড়িতে যাচ্ছ?
আপাতত না, এখন আমি সোজা ইন্দ্রর বাড়িতে যাব ওখানে গিয়ে স্নান করব তারপর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে হোটেলে উঠব। 
সপ্তডিঙ্গার শুটিং কি কাল থেকে শুরু করতে পারি। আসলে আমি চাইছি খুব দ্রুত কাজে ফিরতে। 
সন্ধ্যায় পরিচালক দিবা রয় কে আসতে বলছি আর তোমাকেও হোটেলের ঠিকানা দিয়ে দিব ওর সাথে কথা বলি  ও কি বলে শুনি তারপর তিনজন মিলে সিদ্ধান্ত নিব।
তুমি আবার ও ওনার সাথেই সিনেমা করবে‌‌। এত কিছুর পরও শিক্ষা হলো না তোমার।
প্লিজ উমা যা বোঝো না তা নিয়ে কথা বলো না।
আজকের পর থেকে তোমার সাথে আমার আর কোনো সিনেমা করার কোনো ইচ্ছে নেই কিরণ।
তাহলে আমাদের সিনেমা সপ্তডিঙ্গার কি হবে?
হয় বাতিল হবে আর দিবা দা যদি তোমার বদলে আমার সাথে আর আমার বদলে তোমার সাথে কাজ করতে চান তাহলে অন্য কোনো নায়ক বা নায়িকা কে নিয়ে হবে‌।
চললাম 

কিরণের গাড়িতে:
শান্তি হয়েছে তোমার। চিত্রা নিজেই বলেছে ও আমার সাথে আর কাজ করবে না ‌। ও আমার সাথে সিনেমা করবে না দেখে শান্তি পেয়েছ তো। 
এমন তো না চিত্রা দির সাথে কাজ না করলে তুমি কাজ পাবে না।সেটা তো আমি একবার ও বলি নি। 
নতুন প্রজেক্ট হাতে ছিল এত বড় একটা ঘটনার পর দ্রুত কাজে ফিরতে চাইছিলাম কিন্তু সেটা তো সম্ভব নয়,,,,

চিত্রা বাড়ি ফিরে গুরমিত কে স্নান করিয়ে নিজে স্নান সেরে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে নেয়। এরপর মোটামুটি মানের হোটেলে উঠে। ওখানেই দুপুরের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে‌। ফোন ভাঙ্গে পরিচালক দিবা রয় এর ফোনে
চিত্রা কোথায় আছো বলতো
এই তো হোটেলে?
তুমি কি ফ্রি আছো?
হ্যাঁ গো 
কেন বলতো‌?
হোটেলের ঠিকানা দাও আমি আসছি।
মিনিট কুড়ি পরে দিবা রয় চিত্রার রুমে এসে পৌঁছায়।
আমি জানি তোমার এই সময় মানসিক অবস্থা খুব একটা ভাল নয়। কাজের মধ্যে থাকলে মন অনেকটাই ভালো হবে। 
আমি তো কাজ করতে চাই দিবা দা কাল থেকে আবার শুরু করতে চাই। ছেলেটাকে মানুষ করতে হবে তো।
তাহলে সপ্তডিঙ্গার ইউনিট‌ রেডি করতে বলি।
সরি দিবা দা আমি কিরণের সাথে সিনেমা করতে চাইছি না। 
কেন?
ওর স্ত্রী আমাকে জঘন্য ভাবে অপমান করেছে। তুমি যদি আমার সাথে কাজ করতে চাও তাহলে নিবিড় আছে জিতু আছে, দীপঙ্কর আছে ওদের অফার করতে পারো আর কিরণের সাথে কাজ করতে চাইলে ওর পছন্দের কাউকে নিয়ে পারো।
আচ্ছা ঠিক আছে ।
ও একটা গুরুত্বপূর্ণ খবর তো তোমাকে বলতে ভুলেই গেছি প্রসুন চক্রবর্তী উনি ওনার নতুন সিনেমা যে তোমাকে নায়িকা হিসেবে লঞ্চ করতে চান তোমার কি কোনো আপত্তি আছে?
প্রসুন চক্রবর্তী ওনার সিনেমাতে আমাকে নায়িকা করতে চায় সিরিয়াসলি?
হ্যাঁ গো
আমি এখনি দাদা কে ফোন করছি কথা বলো।
প্রণাম দাদা আমি দিবা বলছিলাম আপনি বলছিলেন আপনার নতুন সিনেমা যে আপনি নায়িকা হিসেবে চিত্রাকে চান এই নিন ওর সাথে কথা বলুন।
হ্যালো কেমন আছেন
আমি ভালো আছি তুমি কেমন আছো বলো।
আচ্ছা শোনো কাল ঠিক দশটার দিকে তুমি সুপার কুল ইন্টাটেমেন্ট এর অফিসে চলে এসো ওখানে তোমার সাথে কথা হবে।
কি বললেন প্রসুন দা
বললেন কাল ওনার অফিসে যেতে।
বলছি যে আমার জন্য একটা ভাড়া বাড়ির আর একজন ন্যান্সির ব্যাবস্থা করে দিন না।
হয়ে যাবে।
পরদিন সকালে যথাসময়ে উপস্থিত হয় চিত্রা
চলে এসেছ।
আচ্ছা তোমাকে কাহিনী টা বলছি  শোনো তারপর ছোট একটা অডিশন হবে এরপর ফটোশুট। 
আর দুইদিন লাগবে সেটা তৈরি হতে দুদিন পর থেকে সুটিং।
চলো শুরু করা যাক।
প্রসুন চক্রবর্তী চিত্রা কে সিনেমার কাহিনী শোনান এরপর চিত্রা একটা ছোট অডিশন দেন ।
ফাটাফাটি 
চলো এবার ফটোশুট শুরু করি।

সুটিং এর কিছু অংশ:
সিনেমা: সেই জন্মের তুমি

দৃশ্য: পুরোনো নদীর ঘাট &#124; সন্ধ্যা

সূর্য ডুবে যাচ্ছে। নদীর পানিতে শেষ আলোটা ঝিলমিল করছে। নায়িকা মেঘলা একা ঘাটের সিঁড়িতে বসে আছে। হঠাৎ দূর থেকে একটি পুরোনো বাঁশির সুর ভেসে আসে।

মেঘলা চমকে উঠে চারদিকে তাকায়।

মেঘলা:“এই সুরটা... আমি আগে কোথায় শুনেছি?”

ঠিক তখনই পেছন থেকে নায়ক অর্ণব এসে দাঁড়ায়।

অর্ণব:“তুমি আবার এখানে?”

মেঘলা তার দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষণ চুপ থাকে।

মেঘলা:“অর্ণব, তোমাকে একটা কথা বলব?”

অর্ণব:“বলো।”

মেঘলা ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে আসে।

মেঘলা:“তোমাকে দেখলেই আমার মনে হয়... আমি তোমাকে অনেক আগে থেকেই চিনি।”

অর্ণব হেসে বলে,

অর্ণব:“হয়তো এই জন্মে আমাদের দেখা হওয়ার কথা ছিল।”

মেঘলার চোখে পানি চলে আসে।

মেঘলা:“না... শুধু এই জন্মে না।”

অর্ণবের হাসি থেমে যায়।

মেঘলা:“আমি স্বপ্নে একটা নদী দেখি। এই ঘাটটা দেখি। আর একজন মানুষকে দেখি... যে আমাকে বলেছিল, ‘তুমি যেখানেই জন্ম নাও, আমি তোমাকে খুঁজে নেব।’”

অর্ণব স্তব্ধ হয়ে যায়।

হঠাৎ তার চোখের সামনে কয়েকটি ঝলক আসে: একই ঘাট, বহু বছর আগের পোশাক, তরুণ অর্ণবের মতো একজন যুবক, আর মেঘলার মতো এক তরুণী।

অর্ণব কাঁপা গলায় বলে,

অর্ণব:“মেঘলা এই কথাটা তুমি কীভাবে জানলে?”

মেঘলা তাকিয়ে থাকে।

মেঘলা:“কারণকথাটা আমি তোমাকে বলেছিলাম।”

CUT TO BLACK.

স্ক্রিনে লেখা ভেসে ওঠে:

“কিছু ভালোবাসা মৃত্যুতে শেষ হয় না.শুধু জন্ম বদলায়।”

সিনেমাতে প্রসূণের নাম থাকে অর্ণব আর চিত্রার নাম থাকে মেঘলা।
সিনেমা মুক্তির পাওয়ার সাথে সাথে হিট এর পর অলটাইম ব্লকবাস্টারের সাথে টানা একশ দিন সিনেমা হলে প্রদর্শনী হয়। এত বড় একটা সফলতা পর প্রসুন চক্রবর্তী একটা গ্রান্ড পার্টির আয়োজন করে। 
এরমধ্যে ই চিত্রা ওর স্বামী ইন্দ্রনাথ কে ডিভোর্স দিয়ে দেয়।
পার্টির দিনে ইন্ডাস্ট্রির অনেক নায়ক নায়িকা তাদের স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ড সহ নিমন্ত্রণ করা এর মধ্যে কিরণ আর উমার কেও নিমন্ত্রণ পত্র পাঠায়।
আসলে প্রসুন জানত না যে চিত্রা আর কিরণের ঝামেলা চলছে।

কিরণে বাড়িতে:
বরুণ দাদা তোমার একটা পার্সেল এসেছে দেখে তো মনে হচ্ছে ব‌ই জাতীয় কিছু হবে‌।
আজকাল আবার ব‌ই পড়া শুরু করলে না কি?
ধুর খুলে দেখ না কি আছে।
এতো নিমন্ত্রণ পত্র চিত্রা দি আর প্রসুন দা নতুন সিনেমা সেই জন্মের তুমি সিনেমার সফলতার পার্টির।
উফ্ আবার সেই চিত্রা
তুমি কিন্তু যাবে না বলে দিচ্ছি।
শোনো উমা এভাবে করলে না আমাকে আর কাজ করে খেতে হবে না। 
ওখানে একা চিত্রা থাকবে না ওখানে ইন্ডাস্ট্রির সকলেই থাকবে। পরিচালক প্রযোজক সবাই। গত ছয়মাসে কোনো কাজ পাই নি কারণ তুমি আমাকে কারোর সাথে যোগাযোগ করতে দাও নি। 
এখন কাজ শুরু করতে হবে না হলে চলব কি করে। দশটা পাঁচটা চাকরির যে মাইনে তা দিয়ে তোমার চলবে। 
আমি ও যাব  তোমার সাথে। ঠিক আছে কিন্তু ওখানে গিয়ে কোনো সিনক্রিয়েট করবে না।

পার্টির দিন সন্ধ্যায়:
কিরণ আর উমা যথারীতি পার্টি হলে পৌছে যায়।
একে একে সব নায়ক নায়িকা তাদের স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ড সহ চলে আসে।
সব শেষে পার্টির বিশেষ আকর্ষণ চিত্রা আর প্রসুন ও আসে।
পার্টির উপস্থাপক:
আপনারা সবাই ইতিমধ্যে জেনে গেছেন যে প্রসুন চক্রবর্তী ও চিত্রা সেন এর নতুন সিনেমা সেই জন্মের তুমি শুধু ব্লকবাস্টার নয় পুরো একশ দিন প্রদর্শনী সাকসেস ফুল ভাবে চলেছে এই জন্যেই আজকের পার্টি।
প্রসুন দা কিছু বলুন
আমি চিত্রা কয়েকটা কাজ দেখেছি। মেয়েটা নিঃসন্দেহে খুব ভালো কাজ করে এত সুন্দর ভাবে চরিত্রে ভেতর ঢুকে যায়। আমাদের এই পথ চলার কেবল শুরু।
আজকের এই বিশেষ দিনে আরো একটি ঘোষণা করতে চাই আমাদের নতুন সিনেমা যে ছিল আমার এর ঘোষণা করতে যাচ্ছি।
সবাই হাত তালি দেয়।
চিত্রা দি আপনি কিছু বলুন।
আমার জীবনে এ ঘটনার পর ও যে আমি আবার কাজ পাবে তাও আবার প্রসুন চক্রবর্তী মত এত বড় মাপের একজন অভিনেতার সঙ্গে কখনো ভাবিনি। ওনার সাথে কাজ করা প্রতিটা শিল্পীর স্বপ্ন। এই সাফল্যের পুরো ক্রেডিট ওনার। ধন্যবাদ
আর বেশি কিছু বলে সময় নষ্ট করব না আপনারা সবাই আনন্দ করুন‌।
পার্টি হলে বেজে ওঠে সেই জন্মের তুমি সিনেমার গান
অবশ্যই।

&#x1f3b5; সেই জন্মের তুমি

[অন্তরা ১]
চেনা চেনা এই পথ কেন,
অচেনা লাগে শহর,
তোমায় দেখলেই মনে হয়,
হারিয়েছি তোমায় কত বছর।

চোখের ভাষায় কী যেন বলো,
মনে পড়ে সেই দিন,
কোন জন্মের কোন গল্প তুমি,
কেন এত আপন আজও তুমি?

[কোরাস]
তুমি সেই জন্মের তুমি,
হারিয়েও যাকে হারাইনি,
সময় পেরিয়ে জন্ম বদলেছে,
তবু তোমায় ভুলিনি।

তুমি সেই জন্মের তুমি,
আমার অসমাপ্ত গান,
একবার যদি হাতটা ধরো,
ফিরে পাবো হারানো প্রাণ।

[অন্তরা ২]
নদীর ধারে সন্ধ্যা নামে,
বাঁশির সুরে মন কাঁদে,
মনে হয় এই ঘাটেই যেন,
তোমায় হারিয়েছিলাম আগে।

কোন অদৃশ্য টানে তুমি,
বারবার ফিরে আসো,
হাজার মানুষের ভিড়ের মাঝে,
শুধু আমাকেই খুঁজে পাও।

[কোরাস]
তুমি সেই জন্মের তুমি,
হারিয়েও যাকে হারাইনি,
সময় পেরিয়ে জন্ম বদলেছে,
তবু তোমায় ভুলিনি।

[ব্রিজ]
যদি আবার জন্ম হয়,
যদি আবার দেখা হয়,
এইবার তোমায় হারাবো না,
শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত পাশে রয়।

[শেষ]
তুমি সেই জন্মের তুমি,
এই জন্মেও আমার,
জন্ম পেরিয়ে ভালোবাসা,
থাকুক অনন্তকাল।

এদিকে প্রসুন আর চিত্রা কে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরেছে। একে পর এক উত্তর দিচ্ছে সাথে ছবি।
মাঝে মাঝে সবার সাথে কথা ও বলছে।
হঠাৎ চিত্রা আর কিরণের চোখাচোখি হয়। চিত্রা প্রসুন চক্রবর্তী কে জিজ্ঞেস করে কিরণ কেও নিমন্ত্রণ করেছ।
হ্যাঁ কেন কোনো সমস্যা
ভাবছি ওকে আমার ছবিতে একটা অংশে রাখব।
সরি টু সে তাহলে আমি কাজ করব না
কিন্তু কেনো?
ওর স্ত্রী উমা জঘন্য একজন মহিলা। উমা আমাকে যা নয় তাই বলে অপমান করেছে অভিশাপ দিয়েছে এরপর আর ওর সাথে কাজ করার ইচ্ছা নেই আমার।
আমি আসলে ব্যাপারটা জানতাম না। জানলে ওকে কখনো নিমন্ত্রণ করতাম না।
অন্যদিকে কিরণ এবং উমা নিজে থেকে প্রসূণের সাথে কথা বলতে যায়‌।
প্রণাম স্যার
কেমন আছেন।
ভালো। তুমি ভালো তো
দাদা আপনি তো অনেকেই কাজের সুযোগ দেন যদি আমাকে একটা
দেখো টু বি অনেস্ট অনেক দিন হলো দুই নায়ক একসাথে কাজ করা ছেড়ে দিয়েছি।
তবে হ্যাঁ তুমি আমার পরিচালনায় সিনেমা করতে পারো তবে আগে নতুন সিনেমা শেষ করি।
প্রসুন কে ওর এসিস্ট্যান্ট সাইডে ডেকে বলে দাদা আপনি না বললেন আপনার নতুন সিনেমা তে কিরণ স্যার থাকবেন। রাখতে তো চেয়েছিলাম কিন্তু 

চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259777/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Aug 2026 14:32:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নায়িকা সংবাদ<br />
লেখিকা:মোনালী<br />
পর্ব:০২</p>
<p>উমা ,শ্রাবণী , ক‌ষ্ণ ও গুরমিত চিত্রা এবং কিরণ কে নিতে আসে। কিরণ  তুমি তো শ্রাবণী দির বাড়িতে যাচ্ছ?<br />
আপাতত না, এখন আমি সোজা ইন্দ্রর বাড়িতে যাব ওখানে গিয়ে স্নান করব তারপর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে হোটেলে উঠব।<br />
সপ্তডিঙ্গার শুটিং কি কাল থেকে শুরু করতে পারি। আসলে আমি চাইছি খুব দ্রুত কাজে ফিরতে।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259777"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259777/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">574bcf95043c784eb135a10c72957354</guid>
				<title>rifat humu changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259754/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Aug 2026 10:27:55 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">33a5ef401f67a6398508fa2f69eacde6</guid>
				<title>নায়িকা সংবাদ 
লেখিকা মোনালী
পর্ব:০১
কটা বাজে?
দেখতেই তো পাচ্ছো রাত তিনটা বাজে আবার কেন জিজ্ঞেস করছ?
কোনো ভদ্র সম্ভ্রান্ত বাড়ির মেয়ে মহিলারা রাত তিনটে পর্যন্ত বাড়ির বাহিরে থাকে না। ওও আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম তুমি তো শুধু পার্টি করতে যাও নি গিয়েছিলে কিরণের সাথে ফস্টি নষ্টি করতে। 
জাষ্ট shatup ইন্দ্র ? 
 ভদ্র বাড়ির মেয়ে বৌ? আচ্ছা ইন্দ্র আজ পর্যন্ত কোনো সম্ভ্রান্ত বাড়ির বৌ কে তুমি দেখেছ নায়িকা হতে। নিশ্চয়ই দেখো নেই। আমি তো এই গ্লামার, ক্ষ্যাতি, প্রতিপত্তি চাই নি। চেয়েছিলাম আর পাঁচটা সাধারণ সম্ভ্রান্ত বনেদি বাড়ির বৌ হয়ে থাকতে। কিন্তু না  তুমি এক প্রকার জোর করে নামিয়ে দিলে আমাকে এই জগতে। কি না খ্যাতিমান প্রযোজক ইন্দ্রনাথ সেন এর সুন্দরী স্ত্রী নায়িকা হবে।  একে পর এক ফ্লপ সিনেমা  দিতে দিতে আমি যখন ক্লান্ত &#x1fae9; আমি চেয়েছিলাম ছেড়ে দিতে কিন্তু না তুমি জোড় করে ধরে রাখলে।
আমি তো তলিয়ে যাচ্ছিলাম কিরণ এসে আমায় মাঝ সুমদ্র থেকে উদ্ধার করল। ওর সাথে ছবি করলাম আমাদের প্রথম ছবি সুপার হিট পর পর চারটি ছবি সুপার হিট পাঁচ নম্বর all time blockbuster হবে। 
তাছাড়া ও তুমি যে এত বড় বড় বাতেলা ঝাড়ছ এই যে এত ফুর্তি দামি গাড়ি ভ্যাকেশনে লন্ডন,আমেরিকা ঘুরে এগুলো তো সব আমার পরিশ্রমের টাকায়। নিজের এক পয়সা ইনকাম করবার মুরোদ নেই আবার বড় বড় কথা।
কি বললি মা* ? তোর মত বে*শ্যা খা*  মেয়ে ছেলে কে সিনেমায় সুযোগ দিয়েছিল বলে মাথা কিনে নিয়েছিস। তোর মতো দুই টাকার নায়িকা কে পথে নামাতে আমার সময় লাগবে না। তোকে আর তোর ঐ কিরণ কে যদি আমি রাস্তায় না নামাতে পারি তবে আমি ও ইন্দ্রনাথ সেন ন‌ই।
তোমার মতো ছোটলোক কে চিত্রা সেন ভয় পায় না। আমি ও দেখব তুমি কি করতে পারিস? এত দিন তোর সব অত্যাচার সহ্য করেও এ বাড়িতে পড়ে থেকেছি যাতে আমার একমাত্র ছেলে জন্য আর যাতে শুনতে না  যে নায়িকারা এক স্বামীর সাথে সংসার করতে পারে না। কিন্তু না আজকে পর থেকে তোমার সাথে থাকা আমার পক্ষে আর সম্ভব নয়।
তোর চেহারা নিয়ে এত অহংকার না তোর চেহারাই আজ থাকবে না। এই বলে ইন্দ্র  চিত্রার হাত চেপে ধরে রান্না ঘরের দিকে নিয়ে যেতে লাগল।  চিত্রা বুঝতে পারছিল ওর সাথে ঠিক কি হতে চলেছে। তাই তো এক মনে ভগবানকে ডাকছিল। রান্না ঘরে যেতেই হঠাৎ মরিচের গুঁড়ার বয়ম টা হাতের কাছে পায়। পুরো মরিচের গুঁড়া ইন্দ্রর চোখে ছিটিয়ে দিয়ে দৌড়ে ছেলে কাছে যায়। এক হাতে গাড়ির চাবি আর ছেলেকে কোলে নিয়ে বেড়িয়ে আসে ও। গাড়ি চালাতে চালাতে নব্বইয়ের দশকে বিখ্যাত প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী শ্রাবনী ভট্টাচার্য কে ফোন দেয়।
ওদিকে এত ভোরে শ্রাবণীর ফোন দেখে চিন্তিত হয়ে ফোন ধরেণ শ।
চিত্রা: শ্রাবণী দি আমি পাঁচ মিনিটের মধ্যে তোমার বাসায় পৌছাছি তুমি কী বাসায় না কি indoor shooting এ আছো।
শ্রাবণী: না আমি তো বাসায় কি হয়েছে বলবি?
চিত্রা: আগে আসি তারপর বলছি।
ঠিক আছে আমি দাড়োয়ান কে বলছি গেট খুলে দিতে।
পাঁচ মিনিট পর শ্রাবণী ভট্টাচার্যের বাড়িতে হাজির হয় চিত্রা।  চিত্রা আর গুরমিত কে দেখে শ্রাবণী জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে ঠিক করে বল তো আচ্ছা তার আগে গুরু (গুরমিত) কে তোর দাদার কোলে দে ও শুইয়ে দিয়ে আসুক।
শ্রাবণীর স্বামী বিখ্যাত পরিচালক কৃষ্ণ ভট্টাচার্য চলে গেলে চিত্রা সব ঘটনা খুলে বলে 
এখন কি করবি? 
আমি কিছু বুঝতে পারছি না দি তুমি বলো আমার কি করা উচিত?
আচ্ছা দাঁড়াও আগে বরুণ কে ফোন দিয়ে বলো এখনি যেন ও কিরণ,উমা,আর মুনিয়া মামনি কে নিয়ে এবাড়িতে তোলে আসে। কারণ আমি হলফ করে বলতে পারি পরের আক্রমণ কিরণ আর ওর পরিবারের ওপর হবে‌।
চিত্রার কথায় শ্রাবণী কিরণে ছোট ভাই বরুণ কে ফোন দেয়।
ঘুমের ভেতর ফোন রিসিভ প্রথমে শ্রাবণী কে চিনতে পারে না বরুণ। পরিচয় দিয়ে শ্রাবণী বরুণ কে বলে যত দ্রুত সম্ভব ও কিরণ উমা আর মুনিয়া কে নিয়ে শ্রাবণীর বাড়িতে আসে। শ্রাবণী এটাও জিজ্ঞেস করে মেসোমসাই মানে বরুণের বাবা কোথায়? বরুণ জানায় ওর বাবা তীর্থে গেছে গতকাল মাসখানেকের আগে আসবে না।
আধাঘণ্টা পর কিরণরা সবাই শ্রাবণীর বাড়িতে পৌঁছায়। শ্রাবণীর বাড়িতে চিত্রা কে দেখে অবাক &#x1faea; হয়ে যায় সবাই। বরুণ জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে।
তখন চিত্রা পুরো কাহিনী খুলে বলে আর এ ও বলে ইন্দ্রনাথ চাইবে যেন কিরণ আর চিত্রার ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু ও কি করবে সেটা বুঝতে পারছে না‌। তাই সবাই কে শ্রাবণীর বাড়িতে ডাকা। 
কিরণের স্ত্রী উমা বলে মিষ্টার সেন এর যখন এত‌ই সমস্যা তবে কেন উনি   আপনাকে সিনেমার নায়িকা করলেন?  
এখন এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কি? 
আগে দেখতে হবে ও ঠিক কি স্টেপ নেয়‌ তারপর আমাদের এগোতে হবে। এখন আপতত সবাই অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
ঠিক এক ঘন্টা পর সোস্যাল মিডিয়াতে প্রথম পোস্ট আসে বিখ্যাত অভিনেত্রী চিত্রা সেনের স্বামী প্রোযোজক ইন্দ্রনাথ সেন আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
সঠিক সময়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এখনো বোঝা যাচ্ছে না কি হবে?
মিষ্টার সেন তাঁর  সুইসাইড নোটে লিখে গেছেন তার স্ত্রীর সাথে এবং নায়ক কিরণ চট্টরাজ তাকে বাধ্য করেছেন আত্মহত্যা মতো ভয়াবহ কাজ করতে।
চিত্রা বলে আমি ঠিক এই ভয়টাই পাচ্ছিলাম। ও এত সহজে ছাড়বে না।
কিরন বলে এখন উপায় কি? 
কৃষ্ণ ভট্টাচার্য বলেন আমাকে একটু চিন্তা করতে দাও এই বাজে পরিস্থিতি থেকে বের হবার উপায় কি?
তবে তার আগে আমার বন্ধু পুলিশ কমিশনার কৌশিক রায় কে একটা ফোন দিয়ে সব জানাতে হবে ‌। ও ঠিক কোন না কোন ভাবে সমস্যার সমাধান করবে‌।
চিত্রা বললো সব ই তো ঠিক আছে তবে তার আগে গুরমিত আর মুনিয়া কে এখান থেকে অন্য কোথাও সরাতে হবে।
শ্রাবণী বলে আমি সিদ্ধেশ্বরী কে ফোন করে আসতে বলেছি। বাচ্চাদের ওর কাছে দিয়ে দিব। 
কৃষ্ণ ভট্টাচার্য পুলিশ কমিশনার কৌশিক রায় কে ফোন করে সবটা জানায়। 
সব শুনে কৌশিক রায় বলেন যে কেস টা ভীষণ জটিল, কিন্তু আগে চিত্রা আর কিরণ কে থানায় যেতে হবে। হয়তো ওদের arreste করা হবে রবিবার কেসটা কোর্টে উঠবে তার আগে প্রমাণ করতে হবে যে  চিত্রা ভিকটিম। না হলে চিত্রা ও কিরণ কে জেল খাটতে হবে কিছু করার নেই।
ফোন রেখে কৃষ্ণ সবাই কে সবাই কে সবটা জানায়। 
সব শুনে শ্রাবণী বলে যে কি ভাবে প্রমাণ হবে যে চিত্রা ভিকটিম?
কৃষ্ণ বলে যে আগে চিত্রা আর কিরণ থানায় যাক। তারপর কিছু না কিছু ভাবা যাবে।
এদিকে সোসিয়াল মিডিয়া একের পর এক উল্টোপাল্টা পোষ্টে ছয়লাপ হয়ে গেছে।
চিত্রা আর কিরণ   শ্রাবণীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে সরাসরি থানায় চলে যায়। 
থানার সামনে গাড়ি পার্কিং করতেই সাংবাদিকরা ঘিরে ধরে। একে পর এক উল্টোপাল্টা প্রশ্ন করতে থাকে‌। কোন রকমের থানার ভেতর ঢোকে ।
থানার ওসিকে সব কথা খুলে বলে চিত্রা। 
ওসি বলেন আপনার কাছে তো কোনো প্রমাণ নেই। আর প্রমাণ ছাড়া তো আদালত মুখের কথা বিশ্বাস করে না। 
আপনারা উকিল এর ব্যাবস্থা করুন বাকিটা দেখছি।
আপনারা আমার সাথে চলুন পেছনের রেষ্ট হাউজে ওখানে একটা রুমে আপনারা থাকুন দু&#039;জন পুলিশ পাহারায় থাকবে।

বিকালের দিকে কৃষ্ণ ভট্টাচার্য আর উমা  ওদের সাথে দেখা করার সুযোগ পায়। 
কৃষ্ণ ভট্টাচার্য জানান যে ইন্দ্রনাথ বেঁচে গেছে এটা ওদের জন্য একটা প্লাস পয়েন্ট।
কৃষ্ণের কথা শেষ হলে  উমা চিত্রা কে উদ্দেশ্য করে বলে মুখপুরি তুই তো নিজের ঘর  শেষ করলি সাথে আমার ঘর ও। তোরে জেলে নয় যে ফাঁসি দেওয়া দরকার, তোর মত অভিশপ্ত মহিলা যেখানে থাকবে সেই জায়গা অভিশপ্ত হয়ে যাবে। তুই  ধুঁকে ধুঁকে মরবি, মৃত্যু চাবি কিন্তু মরণ আসবে না তো, শেষ সময় মুখে জল দেওয়াল কোনো লোক থাকবে না।
কিরন উমা  কে জোরে একটা থাপ্পড় দেয় এরপর কৃষ্ণ কে বলে দাদা আপনি ওকে নিয়ে যান না হলে কিন্তু খুব খারাপ হবে।
উমা চলে গেলে কিরণ বলে আমাকে ক্ষমা করো চিত্রা। চিত্রা বলে ব্যাপার না ওর তোমার বৌ তোমার এই অবস্থায় ওর খারাপ লাগাটা স্বাভাবিক আমি কিছু মনে করি নি 

রবিবার কেস কোর্টে ওঠে।
যেহেতু ইন্দ্রনাথ বেঁচে আছে আর চিত্রাও নিজেকে ভিকটিম প্রমাণ করতে পারে নি তাই চিত্রা আর কিরণের দেড় মাসের জন্য জেল হয়।
পরে দিন বিকেলে কৃষ্ণ আর শ্রাবণী আসে ওদের সাথে দেখা করতে। 
কৃষ্ণ কে দেখে শ্রাবণী বলে দাদা আমাকে একটা সাহায্য করতে হবে আপনার?
যেকোনো ভাবে আমাকে খুব ছোট একট রেকর্ডার এনে দিতে হবে যেটা আমি খুব গোপনে লুকিয়ে রাখতে পারব।
কিন্তু রেকর্ডার দিয়ে কি হবে?
আপনি শুধু ব্যাবস্থা করুন আর যেদিন শুনতে পারবেন ইন্দ্র এসেছিল তারপর দিন আপনি আসবেন।
ঠিক আছে।
পরদিন সকালে কৃষ্ণ চিত্রা কে একটা রেকর্ডার দিয়ে যায় চিত্রা খুব গোপনে রেখে দেয়।
ঠিক সাতদিন পর ইন্দ্র দেখা করতে আসে চিত্রার সাথে।
চিত্রা সাথে সাথে রেকর্ডার চালু করে দেয়।
দেখলে তো সোনা আমি কি করতে পারি? তোমার সন্মান কেমন শুধোয় মিশিয়ে দিলাম।
তুমি কার সাথে সিনেমা করবে কার সাথে করবে না তাতে আমার কিছু আসে যায় না এমন কি তুমি পরকিয়া করলেও আমার কিছু আসে যায় না।  কারণ তুমি আমার কাছে টাকার মেশিন 
তুমি তোমার মত থাকলে আমার এত কিছু করতে হতো না।  তুমি সিনেমার টাকা নিজের একাউন্টে নেওয়া শুরু করলে এরপর যখন জানতে পারলে আমার গার্লফ্রেন্ড আছে তাকে ও অপমান করলে তাই তোমাকে ছোট একটা শাস্তি দিলাম এখন চলি টাটা।
পরদিন কৃষ্ণ দেখা করতে আসলে চিত্রা কৃষ্ণ কে টেপ রেকর্ডার টা দিয়ে বলে আপনি আর শ্রাবণী দি এটা নিয়ে আপনার পুলিশ কমিশনার বন্ধুর বাড়িতে যান ওখানে গিয়ে শুনলেই সবটা বুঝতে পারবেন।
কৃষ্ণ শ্রাবণী কে ফোন দিয়ে কৌশিক রায় এর বাড়িতে যেতে বলে। কৌশিক রায় এর বাড়িতে গিয়ে টেপ রেকর্ডার চালিয়ে শুনে পুরো &#x1faea; আবাক হয়ে যায়।
পরদিন ঐ রেকর্ডার টা কোর্টে শোনানো হলে চিত্রা আর কিরণ কে সন্মানে মুক্তি দেওয়া হয় আর ইন্দ্রনাথ কে মানহানির মামলায় একবছরের জেল দেওয়া হয়।

চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259664/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Aug 2026 16:41:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নায়িকা সংবাদ<br />
লেখিকা মোনালী<br />
পর্ব:০১<br />
কটা বাজে?<br />
দেখতেই তো পাচ্ছো রাত তিনটা বাজে আবার কেন জিজ্ঞেস করছ?<br />
কোনো ভদ্র সম্ভ্রান্ত বাড়ির মেয়ে মহিলারা রাত তিনটে পর্যন্ত বাড়ির বাহিরে থাকে না। ওও আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম তুমি তো শুধু পার্টি করতে যাও নি গিয়েছিলে কিরণের সাথে ফস্টি নষ্টি করতে।<br />
জাষ্ট shatup ইন্দ্র ?<br />
 ভদ্র বাড়ির মেয়ে বৌ? আচ্ছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259664"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259664/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>