<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | rifat humu | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/rifathumu/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/rifathumu/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for rifat humu.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 25 Sep 2026 00:31:44 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">cfa0d649e045629535b670969eb6f684</guid>
				<title>rifat humu and মোঃ ফাইজুল ইসলাম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260537/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 00:05:49 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e2858f1c52a38bbd4481c2d3ceaddec3</guid>
				<title>নায়িকা সংবাদ

টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে নতুন গুঞ্জন প্রসুন আর চিত্রা দ্রুত বিয়ে করতে চলেছে।

দৈনিক বাংলা তো আরো একধাপ এগিয়ে তাদের পত্রিকার শিরোনাম
&quot;পর্দার প্রেমে এবার প্রণয়ের ম্যাজিক&quot;

আজকের পত্রিকা দেখেছ?
হ্যাঁ দেখলাম তো।
এরা পারেও বটে। শহর কলকাতায় কত ধরণের খবর হচ্ছে সেগুলো রেখে আমাদের পেছনে পড়েছে।
আহা ওদের ও তো কিছু চটকদার খবর লাগবে না হলে তো ওদের ও তো পাঠক দরকার।
বলছি বিয়ে করবে না কি?
কাকে
আমায়
ধুর কি যে বলো না?
পাত্র হিসেবে আমি কিন্তু অতটা ও খারাপ না। যা হোক মজা করছিলাম। তুমি মাইন্ড করো না তো?
আরে না ? আচ্ছা বিয়ে করলে না কেন?
তোমার মত কাউকে পাই নি তাই।
মজা করো না তো।
রুদ্র চক্রবর্তী কে চিনো তো?
হ্যাঁ
ওনাকে কে না চেনে।
আমার বাবা।
কি বলছ? 
আমি, বাবা , দাদা আর মা চারজনের সংসার ছিল আমাদের। বাবা চাকরির পাশাপাশি থিয়েটার করতেন আর মা অসম্ভব ভালো গান গাইতেন। থিয়েটার করতে করতে সম্ভবত অরুণ জেঠুর নজরে পড়েছিলেন সেখান থেকে বড় পর্দায়। দুই বছর বাংলায় কাজ করবার পর পাড়ি জমান বম্বে বর্তমান মুম্বাই প্রথম প্রথম টাকা পয়সা পাঠাতেন। ধীরে ধীরে হিন্দি ফিল্মে যত প্রতিষ্ঠিত হতে থাকলেন ততো আমাদের প্রতি তার দায়িত্ব কমতে থাকল।‌ একটা সময় বাবা বাবা জানিয়ে দিলেন তিনি আর ফিরবেন না। মা আমাকে আর দাদা কে নিয়ে মামাদের বাড়িতে গিয়ে উঠলেন। শুরু হলো তার লড়াই। ঠিক ছ মাস পর বাবা আবার ফিরে এলেন। বছর খানেকের মত থাকলেন আবার ফিরে গেলেন বম্বে আবার কলকাতায় এভাবে বেশ কিছুমাস চলার পর মা বললেন
তুমি আর কখনো আমাদের কাছে ফিরে এসো না আমরা তোমাকে ছাড়াই ভালো থাকতে শিখে গিয়েছি।
আসলে মা ছিলেন প্রচুর আত্মসন্মানী একজন মহিলা। বাবাকে ভালোবাসতেন অনেক তাই বারবার বাবাকে আশ্রয় দিতেন। 
সেই যে বাবা চলে গেলে আর এলেন না। ওখানেই বিয়ে থা করে সংসার পেয়েছিলেন। 
তুমি বা তোমার দাদা সবটা মেনে নিয়েছিলে?
আসলে কি বল তো?
আমি বরাবর ছিলাম বাবা নেওটা। বাবাকে ফেলে আমার কিছু লাগত না আর সেই সময় খুব ছোট ছিলাম আমি পাঁচ দাদা আট। মা অনেক কষ্টে আমাকে আর দাদা কে লেখাপড়া শিখিয়েছেন এরপর দাদা লন্ডন চলে গেলেন আর আমি ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রিতে লড়াই করতে থাকলাম।
এরপর আর কাকুর সাথে যোগাযোগ করো নি?
মা মারা যাবার পর বাবা এসেছিলেন। ক্ষমা চেয়েছেন আমাদের কাছে। আসলে দুটো মানুষ যদি একসাথে থাকতে না চায় তবে কি তাদের জোর করে বেঁধে রাখা যায়?
এত ছোট বেলার কথা মনে থাকার কথা নয়। তবে ঐ যে মাসি মামাদের থেকে শুনেছি।
এইসব কারণে বিয়ে করতে ইচ্ছে করে না। হাজার হলেও তো বাবার রক্ত ব‌ইছে শরীরে কোনো মেয়েকে বিয়ে করে আনব আর তারপর তারসাথে প্রতারণা করর তা চেয়ে একা আছি এই বেশ।
কাকুর সাথে যোগাযোগ আছে?
হ্যাঁ আছে তো প্রতিবছর বাবার জন্মদিনে মুম্বাই যাই। একদিন থেকে পরদিন চলে আসি। 

আচ্ছা কিরণের কি খবর?
ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। ডাক্তার বলেছেন সময় লাগবে। উমা এখনো জেলে আছে ওখানে ও কোনো এক মেয়ে কে খু&#039;ন করতে গেছিল‌। ঐ মেয়ে না কি কিরণের ভক্ত, ভক্ত হিসেবে বলেছিল তোর মতো মেয়ের জন্য কিরণ দার আজ এই অবস্থা। খুব সম্ভবত ওর ফাঁ&#039;সি হয়ে যেতে পারে। মুনিয়া কে গুরুর  যে বোর্ডিং এ আছে ওখানে ব্যাবস্থা করে দিয়েছি, জেঠু বৃদ্ধাশ্রমে আর বরুণ মুম্বাই চলে গেছে‌‌ । 
বরুণের কথা বাবার কাছে থেকে শুনলাম।
আচ্ছা শোনো কিরণ সুস্থ হলে ওর সাথে যে সিনেমা করার কথা ছিল ওটা করো।
তোমরা ছিলে বলেই আজ আমি এখানে দাড়িয়ে আছি তুমি শ্রাবণী দি,কৃষ্ণ দা, দীপঙ্কর । তোমরা যেভাবে আমাকে লড়াই করতে সাহায্য করেছ সবার কাছে কৃতজ্ঞ
অনেক দিন পর একটা জম্পেশ আড্ডা দিলাম তাই না।

পরদিন সকালে চিত্রা জানতে পারে রাতে উমাকে ফাঁ&#039;সি দেওয়া হবে। উমার বাবার বাড়ির লোকজন ওর লা&#039;শ নিতেও অস্বীকার করে।
পরদিন সকালে চিত্রা উমার লা&#039;শ গ্রহণ করে। লা&#039;শটা ফ্রিজে রেখে দেয় এরপর কার্গো প্লেন ভাড়া করে উমার মৃত দেহ নিয়ে যায় বেনারাস। ওখানকার প্রসিদ্ধ ঘাট মনিকর্ণিকা ঘাটে উমার দাহ করা হয়। 
কলকাতায় ফিরে উমা শুনতে পায় ইন্দ্রনাথ আবার ও জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে।

জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আরো যেনো হিংস্র হয়ে ওঠে ইন্দ্রনাথ।  টাকা দিয়ে মাস্তান ভাড়া করে চিত্রা আর প্রসূন কে কিডন্যাপ করায়

শহরের বাইরে একটা পরিত্যাক্ত মিলে চিত্রা আর প্রসূন কে ধরে নিয়ে যায়
প্রথম দিন

প্রসূণ আর কে একটা পিলারের সাথে লোহার শিকল দিয়ে শক্ত করে বাধে। এরপর চিত্রার সামনে প্রসূন কে প্রচুর মা&#039;র দেয়। প্রসূন আধমরা হয়ে গেলে ওরা আসে চিত্রার কাছে। চিত্রাকে নগ্ন করে শারীরিক নির্যাতন করে। ওদের দুইজন কে পচা খাবার খেতে বাধ্য করে।

দ্বিতীয় দিনে
প্রসূন কে আবার ও মা&#039;র ধোর করে সাথে ফলে সারা শরীরে ফে&#039;টে র&#039;ক্ত বের হয় সেই ফা&#039;টা জায়গায় মরিচের গুঁড়া আর লবণ মাখিয়ে দেয়। দ্বিতীয় দিনে চিত্রা কেও মা&#039;র দেয়।

বিখ্যাত দুইজন নায়ক নায়িকা কে কিডন্যাপ করা ফলে পুরো কলকাতার আইনি ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। স্বয়ং পুলিশ কমিশনার কৌশিক রায় নিজে দায়িত্ব নিয়েছে এই কেসটার তদন্তের

তৃতীয় দিন

তৃতীয় দিনেও আবার ও প্রসূণ আর চিত্রা কে মারধর করা হয় এবার দুইজনের পায়ের নখ উপড়ে ফেলে। যে ঘরে চিত্রা আর প্রসূন কে রাখা হয়েছে সেই ঘরেই ম&#039;ল মু&#039;ত্র ত্যাগ করে। 

চতুর্থ দিন

এই দিনেও চিত্রা আর প্রসূন কে মা&#039;র দেয়। ওদের হাতের নখ উপড়ে ফেলে। চিত্রা কে ধর্ষণ করে।

অন্যদিকে পুলিশ আর গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যরা মিলে ইন্দ্রনাথ কে গ্রেফতার করে এবং থানায় নিয়ে বেধড়ক মা&#039;রধর করে সাথে ডিম থেরাপি দেওয়া  হলে স্বীকার করে যে ও চিত্রা এবং প্রসূন কে কিডন্যাপ করে শহরের বাইরে একটা পরিত্যাক্ত মিলে আটকিয়ে রেখেছে।
পরদিন সকালে চিত্রা আর প্রসূন কে ভয়াবহ অবস্থা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় দুইজনের ই ডিহাইড্রেশন হয়ে গেছে। কয়েকদিন পর দুইজনের ই সারা শরীরে ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় মাস খানেক পর চিত্রা আর প্রসূন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে। এর মধ্যে কিরণ ও সুস্থ হলে চিত্রা,কিরণ, প্রসূন, কিরণের মেয়ে মুনিয়া, আর চিত্রার ছেলে গুরমিত ইন্ডিয়া থেকে আমেরিকা যে শিফট করে। প্রথমে ওরা  পাঁচজন একসাথে থাকলেও পরে চিত্রা আর ওর ছেলে আলাদা বাড়ি ভাড়া নেয় আর প্রসূন ওর মত আলাদা থাকা কিরণ ও ।
চিত্রা, প্রসূন আর কিরণ মিলে একটা বাঙ্গালী রেস্তোরাঁ দেয়। মাসের একটা রবিবার বাঙ্গালী কমিউনিটি তে  ছোট ছোট নাটক প্রদর্শনী করে,,,,,,,


সমাপ্ত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260460/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 14:49:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নায়িকা সংবাদ</p>
<p>টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে নতুন গুঞ্জন প্রসুন আর চিত্রা দ্রুত বিয়ে করতে চলেছে।</p>
<p>দৈনিক বাংলা তো আরো একধাপ এগিয়ে তাদের পত্রিকার শিরোনাম<br />
&#8220;পর্দার প্রেমে এবার প্রণয়ের ম্যাজিক&#8221;</p>
<p>আজকের পত্রিকা দেখেছ?<br />
হ্যাঁ দেখলাম তো।<br />
এরা পারেও বটে। শহর কলকাতায় কত ধরণের খবর হচ্ছে সেগুলো রেখে আমাদের পেছনে পড়েছে।<br />
আহা ওদের ও তো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260460"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260460/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a141b2dfebe97daa1d44d65fbc5b2b07</guid>
				<title>rifat humu and মো: নাজমুল আখতার are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260046/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 01:15:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1c23eed9860372d5e079ee5acab2e6df</guid>
				<title>নায়িকা সংবাদ
পর্ব: ০৪

চিত্রা কোমায় থেকে বেরিয়ে এলে কিরণ ও বাড়ি ফেরে। এ কদিন কোনো রকমে বাড়ি এসে স্নান খাওয়া শেষ করে হাসপাতালে দৌড় লাগিয়েছে কিরণ।
চিত্রা দি এখন কি অবস্থা?
তুমি জানতে চাইছ?
হ্যাঁ
একটা মানুষ মারা যেতে বসেছিল তার ওপর কি আর রাগ রাখতে হয়।
ভাবছি কাল একবার চিকেন স্যুপ বানিয়ে খাইয়ে রেখে আসব?
তোমার হলো কি বলতো?
কি আর হবে? ভেবে দেখলাম তিক্ততা রেখে আর কাজ কি? জীবন দুইদিনের। আজ আছি কাল নেই। যদি চিত্রা দি আজ মারা যেতেন তাহলে সারাজীবন আফসোস থেকে যেতো।
ওহ আর একটা সকালে একবার চন্ডিতলায় যাব মায়ের পুজো দিতে। পুজোর ফুল নিয়ে চিত্রা দির মাথায় ছুঁইয়ে আসব।
ঠিক আছে আমার যেতে হবে না তুমি একাই পারবে?
না না আমি একাই পারব।
পরদিন সকালে উমা হাসপাতালে গিয়ে পৌঁছিয়ে চিত্রার কেবিনে যায়। 
উমা কে দেখে চিত্রা বলে:
কেন এসেছ এখানে? দেখুন আপনার স্বামীর সাথে না আমার কোনো ব্যাক্তিগত সম্পর্ক আছে না কাজের।
দিদি আমি ভুল করেছি সেই সময় আমার মাথা ঠিক ছিল না। বোঝ‌ই তো মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আজ এই অবস্থায়। আমার কাছে আমার স্বামী কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা তো জানোই। নিজের স্বামীর সন্মান নষ্ট হতে দেখলে কি শান্ত থাকা যায়। তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও এই বলে চিত্রার পায়ে ধরে।
আরে কি করছ কি করছ? তুমি যে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছ এটাই অনেক। তোমার কিরণ তোমার ই থাকবে ওকে তোমার থেকে কেউ কেড়ে নেবে না আমরা শুধু বন্ধু এর বাইরে আর কিছু নেই।
আমি বুঝতে পেরেছি আর তার জন্য ই তো আমার এখানে আসা।
আচ্ছা শোনো আগে মায়ের চরণের ফুল টা মাথায় ছুঁইয়ে দিই তারপর একটু চিকেন স্যুপ বানিয়ে এনেছি খেতে হবে কিন্তু।
ঠিক আছে
চিত্রা পুরো চিকেন স্যুপ খেয়ে নেয়‌। উমার যাবার আগে চিত্রার কানে কানে বলে যায় যাকে তাকে বিশ্বাস করতে নেই
উমা চলে যাবার পর হঠাৎ করে চিত্রার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়,পুরো শরীর ধীরে ধীরে নীল হয়ে আসতে থাকে। এদিকে একজন নার্স চিত্রা কে দেখতে এসে চিত্রার অবস্থা দেখে দ্রুত ডাক্তার কে ডাকে।
ডাক্তার এসে দেখে চিত্রার অবস্থা দ্রুত খারাপ হচ্ছে। চিত্রা জ্ঞান ও হারিয়ে ফেলেছে

চিত্রা আবার কোনো এক অন্ধকার জায়গায় আটকিয়ে গেছে সম্পূর্ণ একা।  সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ছটফট করতে থাকে। ওকে যে বেরিয়ে আসতেই হবে না হলে ওর ছেলেটার ভবিষ্য নষ্ট হয়ে যাবে। ছেলের জন্য ওকে আলোর দিশা খুঁজতে হবে।
বর্তমানে
ডাক্তারেরা দ্রুত পাইপ দিয়ে চিত্রার পেট থেকে বি*ষ বের করে ফেলে।
অন্যদিকে চিত্রা ওর অল্প একটু আলোর দেখা পেয়ে সেই দিকে ছুটে যায় এবং বেরিয়ে আসে।
ভাগ্যের জোরে আবার ও বেঁচে যায় চিত্রা। 
ঠিক কি বি*ষ দেওয়া হয়েছিল ওকে এটা বুঝতে ডাক্তারদের দেরি হয়ে যাওয়ার ফলে চিত্রার  শরীরের নিচের অংশ প্যারালাইস হয়ে যায়।
চিত্রা মোটামুটি স্থির অবস্থায় গেলে ডাক্তার মুকুট নাগ প্রসুন চক্রবর্তী কে ফোন দিয়ে খবর নেয়।
প্রসূন এসে ডাক্তার কে জিজ্ঞেস করে চিত্রার এই অবস্থা কি করে হলো?
কে দিল ওকে এই ভয়াবহ বি*ষ? আর কেনই বা দিল?
হঠাৎ প্রসূণের মনে হয় চিত্রার কেবিনে তো সিসি ক্যামেরা আছে।
প্রসুন দ্রুত সিসি ক্যামেরা চেক করে দেখে উমা চিত্রা কে কিছু খাওয়াচ্ছে।
প্রসূন সিসি ক্যামেরার ক্লিপ নিয়ে থানায় গিয়ে উমার নামে খুনের চেষ্টা করার জন্য মামলা করে আসে।
থানা থেকে বেরিয়ে প্রসূন ওর এসিস্ট্যান্ট এর থেকে কিরণের ফোনে নাম্বার যোগাড় করে ফোন করে
কিরণ বলছ?
হ্যাঁ বলছি?
আপনি কে বলুন তো
প্রসূন চক্রবর্তী।
শোনো তোমাকে আর কখনো যেনো চিত্রার আশেপাশে না দেখি। তোমার মত নিকৃষ্ট মানুষ আর দেখি নি
কিন্তু আমি কি করলাম?
তুমি কিছু কর নি?
তোমার স্ত্রী করেছে?
কি করেছে উমা?
চিত্রা কে বি*ষ দিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছে। ‌এটাই সত্যি । এখন তো মনে হচ্ছে তোমাকে আর কোনো সিনেমাতেই রাখা ঠিক হবে না।

আধা ঘন্টার মধ্যে উমাকে গ্রেফতার করা হয়।

এরপর হাসপাতালে গিয়ে প্রসূন ডাক্তারদের বলে যে চিত্রাকে আমার বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছি। বাকি চিকিৎসা ওখানেই হবে। 

প্রসূণের বাড়িতে চিত্রা কে নিয়ে যাবার পরঃ
তুমি আমাকে এখানে নিয়ে এলে কেন?
 আমি আর কারও ওপর বোঝা হয়ে চাই না।
বেশি কথা বলো না তো।
শোনো কাল সকালে আমি দার্জিলিং এ যাব তোমার ছেলে কে আনতে।
ও কাছে থাকলে তুমি দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবে।
এক বছর পর চিত্রা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যায়। এই পুরো বছরটা প্রসূন চিত্রা কে দেয়।

চিত্রা সুস্থ হবার পর একদিন ওর ড্রাইভার চিশতি এসে স্বীকার করে যে ইন্দ্রনাথ ওকে টাখার লোভ দেখিয়ে এক্সিডেন্ট করায়। 
এক্সিডেন্টেটা করানোর পর থেকে ও শান্তি যে নেই। মাস ছয়েক আগে দাম্পত্য কলহের জের ধরে ওর স্ত্রী আ*ত্মহত্যা করেছে। চিত্রা চিশতি কে ক্ষমা করে দেয় আর ইন্দ্রনাথ কে জেলে দেয় আবার ও


অন্যদিকে গত এক বছরে পরিচালক থেকে প্রোযজক সবাইকে কিরণ কে বয়কট করেছে। সবার একটাই ধারণা নতুন নায়িকা কে কিরণের বিপরীতে কোনো নায়িকা কাজ করলে একটা সম্পর্ক তৈরি হবে আর ঠিক তখনই ওর স্ত্রী উমা আবার কোনো নায়িকা মেরে ফেলতে চাইবে।

সমস্ত ধাক্কা সামলে চিত্রা আবার ক্যামেরার সামনে। এবারের সিনেমার নাম রানী লক্ষ্মীবাই। পরিচালক দিবা রয় 
শুটিং দৃশ্য: ঝাঁসির যুদ্ধ
লোকেশন: পুরোনো দুর্গের সেট
সময়: ভোর
দৃশ্য: রানী লক্ষ্মীবাই ঘোড়ায় চড়ে দুর্গের ফটকের সামনে সৈন্যদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
ক্যামেরা ধীরে ধীরে রানীর মুখের দিকে এগিয়ে আসে। পরনে ঐতিহাসিক রাজকীয় পোশাক, কোমরে তলোয়ার। পেছনে ঝাঁসির দুর্গের প্রাচীর।
পরিচালক:
“ক্যামেরা রেডি... ঘোড়া এগিয়ে আসবে... অ্যাকশন!”
রানী ঘোড়া ছুটিয়ে সামনে এগিয়ে যান।
রানী লক্ষ্মীবাই:
“ঝাঁসি আমাদের। শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমরা আমাদের মাটি রক্ষা করব!”
সৈন্যরা একসঙ্গে সাড়া দেয়।
ক্যামেরা উপরে উঠে পুরো দুর্গ, সৈন্যবাহিনী এবং রানীকে দেখায়।
পরিচালক:
“কাট! অসাধারণ শট!”
তারপর দেখা যায়, এটি আসলে সিনেমার শুটিং সেট। অভিনেত্রী ঘোড়া থেকে নামছেন, পরিচালক ও ক্যামেরা টিম দৃশ্যটি মনিটরে দেখছেন।
BTS মুহূর্ত: অভিনেত্রী নিজের তলোয়ার ও পোশাক ঠিক করছেন, ক্যামেরাম্যান ট্র্যাকিং শটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং পরিচালক পরবর্তী অ্যাকশন দৃশ্যের নির্দেশ দিচ্ছেন।

খবর শুনেছি কিছু
না তো কি হয়েছে?
কিরণকে তো মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।
কি বলছ দাদা?
হ্যাঁ এটাই সত্যি
আসলে তোমার সাথে ঐ ঘটনার পর থেকে কিরণ কে সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন হতে হয়। শুনেছি ওর স্ত্রী না কি ছাড়া পেয়েছে? দাদা তুমি একটু খোঁজ খবর নিয়ে ওর চিকিৎসার ব্যবস্থা করো। আমি সবাই কে অনুরোধ করব কিরণ সুস্থ হলে যেনো ওকে নতুন সিনেমায় কাজ করার সুযোগ দেয়া হয়। কিরণ আর ওর স্ত্রী তো এক ব্যাক্তি না। ওর স্ত্রীর কর্মের ভাড় ও কেন ব‌ইবে?

তুমি কি একবার যাবে ওর সাথে দেখা করতে।
না দাদা প্রসূন এর বারণ আছে‌।

মানসিক হাসপাতাল:

লাইট ক্যামেরা অ্যাকশন
নিজের মতো করে অভিনয় করতে থাকে কিরণ কখনো গান করছে কখন বা নাচ।
কিরণ চিৎকিসা যাতে সঠিক ভাবে হয় তার পুরো দায়িত্ব নিয়েছে চিত্রা।
উমা আবার ও জেলে গেছে‌। কারণ কাজের মেয়ে কে খু&#039;ন করেছে।
মিথ্যা সন্দেহের বশে।

সব খারাপের মধ্যে ভালো খবর হলো রানী লক্ষ্মীবাই সিনেমা ব্লকবাস্টার হয়েছে। এ বছর সেরা নায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছে।

পুরস্কার নিয়ে আসার পথে সাংবাদিকরা ওকে ঘিরে ধরে। একে একে নানা ধরনের প্রশ্নের করতে থাকে । একজন সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করে আচ্ছা ম্যাডাম কিরণ স্যারের ক্যারিয়ার কি শেষ।
তখন চিত্রা জানায় যে না 
কিরণ সুস্থ হলে ওর সাথে যে সপ্ত ডিঙ্গা সিনেমা করার কথা ছিল সেটা শুরু করবে।
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260003/</link>
				<pubDate>Sun, 09 Aug 2026 15:38:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নায়িকা সংবাদ<br />
পর্ব: ০৪</p>
<p>চিত্রা কোমায় থেকে বেরিয়ে এলে কিরণ ও বাড়ি ফেরে। এ কদিন কোনো রকমে বাড়ি এসে স্নান খাওয়া শেষ করে হাসপাতালে দৌড় লাগিয়েছে কিরণ।<br />
চিত্রা দি এখন কি অবস্থা?<br />
তুমি জানতে চাইছ?<br />
হ্যাঁ<br />
একটা মানুষ মারা যেতে বসেছিল তার ওপর কি আর রাগ রাখতে হয়।<br />
ভাবছি কাল একবার চিকেন স্যুপ বানিয়ে খাইয়ে রেখে আসব?<br />
তোমার হলো কি বলতো?<br />
কি আর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260003"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260003/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">254a0d887a4876e1e84921cf8bad0e11</guid>
				<title>নায়িকা সংবাদ
পর্ব:০৩

প্রসূণের এসিস্ট্যান্ট ওকে সাইডে ডেকে জিজ্ঞেস করে প্রসুন দা আপনার নতুন সিনেমা তে কিরণ দা কে একটা রোল দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু কি হলো?
আসলে আমি জানতাম না যে কিরণ আর চিত্রার মধ্যে ঝামেলা চলছে
ওর অস্বস্তি হোক এমন কিছু তো আর করা যাবে না তাই না। 
অন্যদিকে দিকে পরিচালক কুণাল গাঙ্গুলী আর তার স্ত্রী রুবি গাঙ্গুলী ও পার্টিতে এসেছে।
কুণাল গাঙ্গুলী কিরণ কে ডেকে বলে কি খবর?
এই তো ভালো আপনি?
কি করছ এখন?
আপাতত কিছু না।
ভাবছি একটা নতুন সিনেমা করব‌। &quot;স্ত্রী&quot; ভাবছি এই নামটা রাখব। দুইদিন পর বাসায় চলে এসো ওখানে আমার ছোট একটা অফিস আছে সিনেমার কাহিনী ও শোনা হবে আর লুক‌ টেষ্ট ও হয়ে যাবে। নায়িকা হিসেবে আভেরী কে রাখার কথা চিন্তা করছি।

দুইদিন পর

কিরণ  কুনাল এর অফিসে গেলে দেখে আভেরী আগে থেকেই অপেক্ষা করছে। কুনাল গাঙ্গুলী আভেরী আর কিরণ কে ওদের নতুন সিনেমার কাহিনী শোনায় তার পর লুক টেষ্ট হয়‌। আর মাস খানেক পর থেকে নতুন সিনেমার শুটিং শুরু হয়।

দৃশ্য: রাত &#124; পুরোনো বাড়ি &#124; বৃষ্টির শব্দ
ঘরের দরজায় কড়া নাড়ে একজন নারী। দরজা খুলে বর্তমান স্ত্রী মায়া। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে তার স্বামী আরিফের প্রাক্তন স্ত্রী নীলা।
মায়া অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে।
মায়া:
“আপনি?”
নীলা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলে,
নীলা:
“আমি আরিফের স্ত্রী ছিলাম।”
মায়ার মুখের হাসি মিলিয়ে যায়।
মায়া:
“ছিলেন?”
নীলা মৃদু হেসে বলে,
নীলা:
“কাগজে-কলমে প্রাক্তন। কিন্তু কিছু সম্পর্ক কাগজে শেষ হয় না।”
ঠিক তখনই ভেতর থেকে আরিফ বেরিয়ে আসে। নীলাকে দেখে সে থমকে যায়।
আরিফ:
“নীলাতুমি এখানে কেন?”
নীলা চোখের পানি লুকিয়ে বলে,
নীলা:
“তোমার কাছে আমার কিছু চাওয়ার নেই, আরিফ। শুধু একটা সত্যি বলতে এসেছি।”
মায়া দুজনের দিকে তাকিয়ে থাকে।
নীলা:
“তুমি যাকে তোমার বর্তমান স্ত্রী বলো, সে তোমার জীবনের বর্তমান। কিন্তু তোমার একটা অতীতএখনো আমার কাছে বেঁচে আছে।”
আরিফ নিচু স্বরে বলে,
আরিফ:
“সব শেষ হয়ে গেছে।”
নীলা দরজার দিকে ফিরে যায়।
নীলা:
“শেষ হলে মানুষ এত বছর পরেও কেন ফিরে আসে, আরিফ?”
দরজা বন্ধ হয়ে যায়।
মায়া ধীরে ধীরে আরিফের দিকে তাকায়।
মায়া:
“তুমি আমাকে কখনো পুরো সত্যিটা বলোনি।”
CUT TO BLACK.
Title Card:
“স্ত্রী”
একই মানুষ, দুই সম্পর্ক, আর একটি অসমাপ্ত সত্য ।

অন্যদিকে প্রসুন আর চিত্রার নতুন সিনেমা কি ছিলে আমার? এর শুটিং ও শুরু হয়

&#x1f3ac; সিনেমা: কি ছিলে আমার

সিন: শেষ দেখা &#124; সন্ধ্যা &#124; পুরোনো রেলস্টেশন

বৃষ্টিভেজা প্ল্যাটফর্ম। ট্রেন আসার ঘোষণা হচ্ছে। নায়ক নীরবে দাঁড়িয়ে আছে। হাতে পুরোনো একটি চিঠি। দূর থেকে প্রাক্তন প্রেমিকা ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে।

নায়ক:
“তুমি জানো, তোমাকে হারানোর পরও আমি প্রতিদিন তোমাকেই খুঁজেছি?”

প্রাক্তন প্রেমিকা:
“খুঁজে কী পাবে? কিছু মানুষ জীবনে ফিরে আসে না।”

নায়ক:
“কিন্তু আমাদের ভালোবাসাটা তো মিথ্যে ছিল না!”

মেয়েটি কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। চোখে পানি জমে।

প্রাক্তন প্রেমিকা:
“মিথ্যে ছিল না... তাই তো আজ এত কষ্ট হচ্ছে।”

ট্রেনের হুইসেল শোনা যায়।

মেয়েটি শেষবারের মতো তাকিয়ে বলে,

“একটা সময় তুমি আমার সবকিছু ছিলে... আর আজ তুমি শুধু আমার একটা স্মৃতি।”

সে ট্রেনে উঠে যায়।

নায়ক প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকে। ট্রেন ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে যায়। তার হাতে থাকা চিঠিটা বৃষ্টিতে ভিজে যায়।

ক্যামেরা চিঠির ওপর ক্লোজআপ করে।

চিঠিতে লেখা:

“কি ছিলে আমার, সেটা হয়তো কোনোদিন ভুলব না।
কিন্তু তুমি আর আমার নও এটাই মেনে নিতে হবে।”

CUT TO BLACK.

&#x1f3b5; ব্যাকগ্রাউন্ডে বিষণ্ণ গান শুরু।

কাকতালীয় ভাবে দুই সিনেমার মুক্তি এক‌ই দিনে ধার্য করা হয়। 

প্রসুন চিন্তা করে ওর আর চিত্রার সিনেমা মুক্তির দিন পিছিয়ে দেবে। 
কিন্তু চিত্রা বলে না কোনো দরকার নেই। দুইটা সিনেমা একসাথে মুক্তি পেলে তবেই তো দর্শক আমার আর কিরণের অভিনয় তুলনা করতে পারবে‌।
আসলে কি জানতো প্রসুন প্রতিযোগি না ছাড়া একা একা সিনেমা জগতে রাজ করতে ভালো লাগে না।
তুমি কি আর কখনো কিরণের সাথে সিনেমা করবে না? 
আমার প্রথম তিন টা ছবি সুপার ফ্লপ  হওয়ার পর চরম ভেঙ্গে পড়েছিলাম। ভেবেছিলাম নিজেকে শেষ একটা সুযোগ দিব এবার ও যদি ফ্লপ হ‌ই তবে আর এই জগতে থাকব না। চতুর্থ ছবিতে কারণে বিপরীতে অভিনয় করলাম সিনেমা সুপার হিট। পরপর ছয়টা সিনেমা করলাম ৩ টা সুপার হিট,১ টা হিট আর ২ টা ব্লকবাস্টার।
একসাথে কাজ করতে করতে আমাদের মধ্যে একটা সুন্দর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয় একটা সময় দু&#039;জন দু&#039;জনকে ভালোবেসে ফেলি। আমাদের সম্পর্কটা ভালোবাসাতেই সীমাবদ্ধ ছিল ‌। কেউ কাউকে নিয়ে সংসার করার স্বপ্ন দেখি নি। বর্তমানে কিরণের সাথে সিনেমা করার কোনো ইচ্ছে নেই অদূর ভবিষ্যতে হয়তো  কিরণ আর চিত্রা পর্দায় ফিরতেও পারে।
মানে দাঁড়াল যে কিরণ চিত্রা ভেংগে যায় নি। শুধু কিছুটা সময় নিচ্ছে এই তো?
এই বিষয়টা কি বাদ দেওয়া যেতে পারে।
হ্যাঁ কেনো নয়।
আচ্ছা আজ কত তারিখ
১৬ ই মার্চ
কাল ই তো ইন্দ্র মুক্তি পাবে‌। ও মুক্তি পেয়ে ঠিক কি কি যে করবে আমি ভাবতে পারছি না ।
কি ভাবে এত?
কাল ইন্দ্র মুক্তি পাবে‌। 
তো
প্রচুর হিংস্র হয়ে আছে ও আমার ওপর আক্রমণ করার সুযোগ কোনো ভাবেই ছাড়বে না ও।
গুরমিত কে একটা বোর্ডিং স্কুলে দিয়ে দেবো। যাতে ছেলেটার ওপর কোনো বিপদ না আসে‌।
শোনো দার্জিলিং এ একটা ভাল বোর্ডিং স্কুল আছে আমার দূর সম্পর্কের খুরতোত (চাচাতো) ভাই চালায় তুমি বললে আমি কথা বলে দেখতে পারি।
হ্যাঁ অবশ্যই।
সিনেমার প্রচার, মুক্তি সব মিলিয়ে একটা দারুন ব্যাস্ত সময় পার করল প্রসুন,চিত্রা,কিরণ আর আভেরীরা ‌। 
দুইটা সিনেমাই সুপার হিট এবং দর্শকদের প্রচুর প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সব ঝামেলা শেষ করে চিত্রা ওর ছেলে গুরমিত কে নিয়ে দার্জিলিং যায়। মা ছেলে তিনদিন প্রচুর ঘোরাঘুরি করে মজা করে। তারপর আরো দুইদিন গুরমিত কে  বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি করাতে  লেগে যায়। সব শেষে করে বাড়ি ফেরার পথে চিত্রার গাড়ি  ভয়াবহ দুর্ঘটনার স্বীকার হয়।
চিত্রা কে দার্জিলিং এ একটা লোকাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে কলকাতার বেলভিউ নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়।
চিত্রা এক্সিডেন্ট এ কথা শুনে কিরণ প্রসুন দুইজন ই হাসপাতালে ছুটে আসে‌।
অন্যদিকে চিত্রা অজ্ঞান বিছানায় শুয়ে আছে‌। ও চোখের সামনে ভেসে উঠছে ইন্দ্রর সাথে বিয়ের স্মৃতি, সামান্য  কদিনের সুখের স্মৃতি। কিরণের সাথে সিনেমার সময় সুন্দর স্মৃতি।
হঠাৎ করে চিত্রার চোখে সামনে সব কিছু ঝাপসা হয়ে আসে। চিত্রার  মনে হতে থাকে ওর শরীর টা হাল্কা হয়ে ভেসে বেড়াচ্ছে। 
এদিকে ডাক্তাররা খেয়াল করে মনিটরের সব কিছু কমে যাচ্ছে। ডাক্তারেরা চিৎকার করে বলতে থাকে ফাইট চিত্রা ফাইট তুমি হেরে যেতে পারো না। হঠাৎ মনিটরের লাইন গুলো স্থির হয়ে যেতে থাকে। 
অন্যদিকে চিত্রা দেখতে পায় ও কোনো একটা অন্ধকার জায়গায় আটকিয়ে গেছে। চিৎকার করে বলছে আমি কিছু দেখতে পাচ্ছি না একটু আলোর ব্যবস্থা করো। ঠিক সেই সময় চিত্রার সামনে  বাবা এসে বলে আমার হাত ধরে হাঁটতে থাকে আমি তোকে আলোর দিকে নিয়ে যাব।
চিত্রা ঠিক ছোট বেলার মতো করে ওর বাবার হাত ধরে হাঁটতে থাকে। হাঁটতে হাঁটতে আলোর দিকে পৌঁছে গেলে ওর বাবা ওর হাতটা ছেড়ে দিয়ে বলে আমার দায়িত্ব এখানেই শেষ। হঠাৎ আলোর ঝলকানি তে চিত্রার চোখ ঝলসে যায় ‌।
ডাক্তারেরা শেষ বারের মত CPR দেয় কয়েকবার CPR দেওয়া পর চিত্রা হার্ট কাজ করতে শুরু করে।
ডাক্তার মুকুট নাগ বাইরে এসে  চিত্রার বাড়ির লোকজন কে ডাকতে থাকে।
তখন প্রসুন আর কিরণ আসে। 
আপনারা রোগীর কে হন?
প্রসূন জানায় ও বন্ধু হয়,কিরণ ও তাই বলে।
ওনার পরিবারের লোকজন কেউ নেই।
কিরণ বলে  চিত্রার বাবা মা নেই। চিত্রার জন্মের দিন সাতেক আগে ওর বাবা মারা গেছে আর দুই বছর আগে মারা গেছেন।
দাদা দিদি কিংবা ভাই বোন?
বড় দিদি ছিল। বছর পাঁচেক আগে একটা চাইনিজ ছেলের সাথে প্রেম করে পারিবারিক ভাবে বিয়েও হয়। বিয়ের ছয়মাস পর ওর দিদি চাইনাতে চলে যায়। প্রথম প্রথম যোগাযোগ থাকলেও একটা সময় আর যোগাযোগ হয় না।
চিত্রা সেনের অবস্থার অবনতি হয়েছিল কিছুক্ষণ আগে। এখন ঠিক আছে। 
চিত্রার জ্ঞান ফিরবে কবে।
সেটা তো বলা মুশকিল তবে দ্রুত ফিরতে পারে কিংবা কোমায় ও চলে যেতে পারে।
তিনদিন পর চিত্রা কোমায় চলে যায়।
ঠিক দেড়মাস পর চিত্রা কোমায় থেকে বেরিয়ে আসে। প্রসূন আর কিরণ দুইজন‌ই চিত্রার জন্য হাসপাতালে পরে থাকে।
অন্যদিকে কলকাতা বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে চিত্রার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করে‌। অসংখ্য ভক্ত অনুরাগীরা ওর জন্য উপোস করে মন্দিরে পুজো দেয়

চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259884/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Aug 2026 11:28:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নায়িকা সংবাদ<br />
পর্ব:০৩</p>
<p>প্রসূণের এসিস্ট্যান্ট ওকে সাইডে ডেকে জিজ্ঞেস করে প্রসুন দা আপনার নতুন সিনেমা তে কিরণ দা কে একটা রোল দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু কি হলো?<br />
আসলে আমি জানতাম না যে কিরণ আর চিত্রার মধ্যে ঝামেলা চলছে<br />
ওর অস্বস্তি হোক এমন কিছু তো আর করা যাবে না তাই না।<br />
অন্যদিকে দিকে পরিচালক কুণাল গাঙ্গুলী আর তার স্ত্রী রুবি গাঙ্গুলী ও পার্টিতে এসে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259884"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259884/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">10a919638cdace22d2f24e926a286cee</guid>
				<title>নায়িকা সংবাদ
লেখিকা:মোনালী
পর্ব:০২

উমা ,শ্রাবণী , ক‌ষ্ণ ও গুরমিত চিত্রা এবং কিরণ কে নিতে আসে। কিরণ  তুমি তো শ্রাবণী দির বাড়িতে যাচ্ছ?
আপাতত না, এখন আমি সোজা ইন্দ্রর বাড়িতে যাব ওখানে গিয়ে স্নান করব তারপর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে হোটেলে উঠব। 
সপ্তডিঙ্গার শুটিং কি কাল থেকে শুরু করতে পারি। আসলে আমি চাইছি খুব দ্রুত কাজে ফিরতে। 
সন্ধ্যায় পরিচালক দিবা রয় কে আসতে বলছি আর তোমাকেও হোটেলের ঠিকানা দিয়ে দিব ওর সাথে কথা বলি  ও কি বলে শুনি তারপর তিনজন মিলে সিদ্ধান্ত নিব।
তুমি আবার ও ওনার সাথেই সিনেমা করবে‌‌। এত কিছুর পরও শিক্ষা হলো না তোমার।
প্লিজ উমা যা বোঝো না তা নিয়ে কথা বলো না।
আজকের পর থেকে তোমার সাথে আমার আর কোনো সিনেমা করার কোনো ইচ্ছে নেই কিরণ।
তাহলে আমাদের সিনেমা সপ্তডিঙ্গার কি হবে?
হয় বাতিল হবে আর দিবা দা যদি তোমার বদলে আমার সাথে আর আমার বদলে তোমার সাথে কাজ করতে চান তাহলে অন্য কোনো নায়ক বা নায়িকা কে নিয়ে হবে‌।
চললাম 

কিরণের গাড়িতে:
শান্তি হয়েছে তোমার। চিত্রা নিজেই বলেছে ও আমার সাথে আর কাজ করবে না ‌। ও আমার সাথে সিনেমা করবে না দেখে শান্তি পেয়েছ তো। 
এমন তো না চিত্রা দির সাথে কাজ না করলে তুমি কাজ পাবে না।সেটা তো আমি একবার ও বলি নি। 
নতুন প্রজেক্ট হাতে ছিল এত বড় একটা ঘটনার পর দ্রুত কাজে ফিরতে চাইছিলাম কিন্তু সেটা তো সম্ভব নয়,,,,

চিত্রা বাড়ি ফিরে গুরমিত কে স্নান করিয়ে নিজে স্নান সেরে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে নেয়। এরপর মোটামুটি মানের হোটেলে উঠে। ওখানেই দুপুরের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে‌। ফোন ভাঙ্গে পরিচালক দিবা রয় এর ফোনে
চিত্রা কোথায় আছো বলতো
এই তো হোটেলে?
তুমি কি ফ্রি আছো?
হ্যাঁ গো 
কেন বলতো‌?
হোটেলের ঠিকানা দাও আমি আসছি।
মিনিট কুড়ি পরে দিবা রয় চিত্রার রুমে এসে পৌঁছায়।
আমি জানি তোমার এই সময় মানসিক অবস্থা খুব একটা ভাল নয়। কাজের মধ্যে থাকলে মন অনেকটাই ভালো হবে। 
আমি তো কাজ করতে চাই দিবা দা কাল থেকে আবার শুরু করতে চাই। ছেলেটাকে মানুষ করতে হবে তো।
তাহলে সপ্তডিঙ্গার ইউনিট‌ রেডি করতে বলি।
সরি দিবা দা আমি কিরণের সাথে সিনেমা করতে চাইছি না। 
কেন?
ওর স্ত্রী আমাকে জঘন্য ভাবে অপমান করেছে। তুমি যদি আমার সাথে কাজ করতে চাও তাহলে নিবিড় আছে জিতু আছে, দীপঙ্কর আছে ওদের অফার করতে পারো আর কিরণের সাথে কাজ করতে চাইলে ওর পছন্দের কাউকে নিয়ে পারো।
আচ্ছা ঠিক আছে ।
ও একটা গুরুত্বপূর্ণ খবর তো তোমাকে বলতে ভুলেই গেছি প্রসুন চক্রবর্তী উনি ওনার নতুন সিনেমা যে তোমাকে নায়িকা হিসেবে লঞ্চ করতে চান তোমার কি কোনো আপত্তি আছে?
প্রসুন চক্রবর্তী ওনার সিনেমাতে আমাকে নায়িকা করতে চায় সিরিয়াসলি?
হ্যাঁ গো
আমি এখনি দাদা কে ফোন করছি কথা বলো।
প্রণাম দাদা আমি দিবা বলছিলাম আপনি বলছিলেন আপনার নতুন সিনেমা যে আপনি নায়িকা হিসেবে চিত্রাকে চান এই নিন ওর সাথে কথা বলুন।
হ্যালো কেমন আছেন
আমি ভালো আছি তুমি কেমন আছো বলো।
আচ্ছা শোনো কাল ঠিক দশটার দিকে তুমি সুপার কুল ইন্টাটেমেন্ট এর অফিসে চলে এসো ওখানে তোমার সাথে কথা হবে।
কি বললেন প্রসুন দা
বললেন কাল ওনার অফিসে যেতে।
বলছি যে আমার জন্য একটা ভাড়া বাড়ির আর একজন ন্যান্সির ব্যাবস্থা করে দিন না।
হয়ে যাবে।
পরদিন সকালে যথাসময়ে উপস্থিত হয় চিত্রা
চলে এসেছ।
আচ্ছা তোমাকে কাহিনী টা বলছি  শোনো তারপর ছোট একটা অডিশন হবে এরপর ফটোশুট। 
আর দুইদিন লাগবে সেটা তৈরি হতে দুদিন পর থেকে সুটিং।
চলো শুরু করা যাক।
প্রসুন চক্রবর্তী চিত্রা কে সিনেমার কাহিনী শোনান এরপর চিত্রা একটা ছোট অডিশন দেন ।
ফাটাফাটি 
চলো এবার ফটোশুট শুরু করি।

সুটিং এর কিছু অংশ:
সিনেমা: সেই জন্মের তুমি

দৃশ্য: পুরোনো নদীর ঘাট &#124; সন্ধ্যা

সূর্য ডুবে যাচ্ছে। নদীর পানিতে শেষ আলোটা ঝিলমিল করছে। নায়িকা মেঘলা একা ঘাটের সিঁড়িতে বসে আছে। হঠাৎ দূর থেকে একটি পুরোনো বাঁশির সুর ভেসে আসে।

মেঘলা চমকে উঠে চারদিকে তাকায়।

মেঘলা:“এই সুরটা... আমি আগে কোথায় শুনেছি?”

ঠিক তখনই পেছন থেকে নায়ক অর্ণব এসে দাঁড়ায়।

অর্ণব:“তুমি আবার এখানে?”

মেঘলা তার দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষণ চুপ থাকে।

মেঘলা:“অর্ণব, তোমাকে একটা কথা বলব?”

অর্ণব:“বলো।”

মেঘলা ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে আসে।

মেঘলা:“তোমাকে দেখলেই আমার মনে হয়... আমি তোমাকে অনেক আগে থেকেই চিনি।”

অর্ণব হেসে বলে,

অর্ণব:“হয়তো এই জন্মে আমাদের দেখা হওয়ার কথা ছিল।”

মেঘলার চোখে পানি চলে আসে।

মেঘলা:“না... শুধু এই জন্মে না।”

অর্ণবের হাসি থেমে যায়।

মেঘলা:“আমি স্বপ্নে একটা নদী দেখি। এই ঘাটটা দেখি। আর একজন মানুষকে দেখি... যে আমাকে বলেছিল, ‘তুমি যেখানেই জন্ম নাও, আমি তোমাকে খুঁজে নেব।’”

অর্ণব স্তব্ধ হয়ে যায়।

হঠাৎ তার চোখের সামনে কয়েকটি ঝলক আসে: একই ঘাট, বহু বছর আগের পোশাক, তরুণ অর্ণবের মতো একজন যুবক, আর মেঘলার মতো এক তরুণী।

অর্ণব কাঁপা গলায় বলে,

অর্ণব:“মেঘলা এই কথাটা তুমি কীভাবে জানলে?”

মেঘলা তাকিয়ে থাকে।

মেঘলা:“কারণকথাটা আমি তোমাকে বলেছিলাম।”

CUT TO BLACK.

স্ক্রিনে লেখা ভেসে ওঠে:

“কিছু ভালোবাসা মৃত্যুতে শেষ হয় না.শুধু জন্ম বদলায়।”

সিনেমাতে প্রসূণের নাম থাকে অর্ণব আর চিত্রার নাম থাকে মেঘলা।
সিনেমা মুক্তির পাওয়ার সাথে সাথে হিট এর পর অলটাইম ব্লকবাস্টারের সাথে টানা একশ দিন সিনেমা হলে প্রদর্শনী হয়। এত বড় একটা সফলতা পর প্রসুন চক্রবর্তী একটা গ্রান্ড পার্টির আয়োজন করে। 
এরমধ্যে ই চিত্রা ওর স্বামী ইন্দ্রনাথ কে ডিভোর্স দিয়ে দেয়।
পার্টির দিনে ইন্ডাস্ট্রির অনেক নায়ক নায়িকা তাদের স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ড সহ নিমন্ত্রণ করা এর মধ্যে কিরণ আর উমার কেও নিমন্ত্রণ পত্র পাঠায়।
আসলে প্রসুন জানত না যে চিত্রা আর কিরণের ঝামেলা চলছে।

কিরণে বাড়িতে:
বরুণ দাদা তোমার একটা পার্সেল এসেছে দেখে তো মনে হচ্ছে ব‌ই জাতীয় কিছু হবে‌।
আজকাল আবার ব‌ই পড়া শুরু করলে না কি?
ধুর খুলে দেখ না কি আছে।
এতো নিমন্ত্রণ পত্র চিত্রা দি আর প্রসুন দা নতুন সিনেমা সেই জন্মের তুমি সিনেমার সফলতার পার্টির।
উফ্ আবার সেই চিত্রা
তুমি কিন্তু যাবে না বলে দিচ্ছি।
শোনো উমা এভাবে করলে না আমাকে আর কাজ করে খেতে হবে না। 
ওখানে একা চিত্রা থাকবে না ওখানে ইন্ডাস্ট্রির সকলেই থাকবে। পরিচালক প্রযোজক সবাই। গত ছয়মাসে কোনো কাজ পাই নি কারণ তুমি আমাকে কারোর সাথে যোগাযোগ করতে দাও নি। 
এখন কাজ শুরু করতে হবে না হলে চলব কি করে। দশটা পাঁচটা চাকরির যে মাইনে তা দিয়ে তোমার চলবে। 
আমি ও যাব  তোমার সাথে। ঠিক আছে কিন্তু ওখানে গিয়ে কোনো সিনক্রিয়েট করবে না।

পার্টির দিন সন্ধ্যায়:
কিরণ আর উমা যথারীতি পার্টি হলে পৌছে যায়।
একে একে সব নায়ক নায়িকা তাদের স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ড সহ চলে আসে।
সব শেষে পার্টির বিশেষ আকর্ষণ চিত্রা আর প্রসুন ও আসে।
পার্টির উপস্থাপক:
আপনারা সবাই ইতিমধ্যে জেনে গেছেন যে প্রসুন চক্রবর্তী ও চিত্রা সেন এর নতুন সিনেমা সেই জন্মের তুমি শুধু ব্লকবাস্টার নয় পুরো একশ দিন প্রদর্শনী সাকসেস ফুল ভাবে চলেছে এই জন্যেই আজকের পার্টি।
প্রসুন দা কিছু বলুন
আমি চিত্রা কয়েকটা কাজ দেখেছি। মেয়েটা নিঃসন্দেহে খুব ভালো কাজ করে এত সুন্দর ভাবে চরিত্রে ভেতর ঢুকে যায়। আমাদের এই পথ চলার কেবল শুরু।
আজকের এই বিশেষ দিনে আরো একটি ঘোষণা করতে চাই আমাদের নতুন সিনেমা যে ছিল আমার এর ঘোষণা করতে যাচ্ছি।
সবাই হাত তালি দেয়।
চিত্রা দি আপনি কিছু বলুন।
আমার জীবনে এ ঘটনার পর ও যে আমি আবার কাজ পাবে তাও আবার প্রসুন চক্রবর্তী মত এত বড় মাপের একজন অভিনেতার সঙ্গে কখনো ভাবিনি। ওনার সাথে কাজ করা প্রতিটা শিল্পীর স্বপ্ন। এই সাফল্যের পুরো ক্রেডিট ওনার। ধন্যবাদ
আর বেশি কিছু বলে সময় নষ্ট করব না আপনারা সবাই আনন্দ করুন‌।
পার্টি হলে বেজে ওঠে সেই জন্মের তুমি সিনেমার গান
অবশ্যই।

&#x1f3b5; সেই জন্মের তুমি

[অন্তরা ১]
চেনা চেনা এই পথ কেন,
অচেনা লাগে শহর,
তোমায় দেখলেই মনে হয়,
হারিয়েছি তোমায় কত বছর।

চোখের ভাষায় কী যেন বলো,
মনে পড়ে সেই দিন,
কোন জন্মের কোন গল্প তুমি,
কেন এত আপন আজও তুমি?

[কোরাস]
তুমি সেই জন্মের তুমি,
হারিয়েও যাকে হারাইনি,
সময় পেরিয়ে জন্ম বদলেছে,
তবু তোমায় ভুলিনি।

তুমি সেই জন্মের তুমি,
আমার অসমাপ্ত গান,
একবার যদি হাতটা ধরো,
ফিরে পাবো হারানো প্রাণ।

[অন্তরা ২]
নদীর ধারে সন্ধ্যা নামে,
বাঁশির সুরে মন কাঁদে,
মনে হয় এই ঘাটেই যেন,
তোমায় হারিয়েছিলাম আগে।

কোন অদৃশ্য টানে তুমি,
বারবার ফিরে আসো,
হাজার মানুষের ভিড়ের মাঝে,
শুধু আমাকেই খুঁজে পাও।

[কোরাস]
তুমি সেই জন্মের তুমি,
হারিয়েও যাকে হারাইনি,
সময় পেরিয়ে জন্ম বদলেছে,
তবু তোমায় ভুলিনি।

[ব্রিজ]
যদি আবার জন্ম হয়,
যদি আবার দেখা হয়,
এইবার তোমায় হারাবো না,
শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত পাশে রয়।

[শেষ]
তুমি সেই জন্মের তুমি,
এই জন্মেও আমার,
জন্ম পেরিয়ে ভালোবাসা,
থাকুক অনন্তকাল।

এদিকে প্রসুন আর চিত্রা কে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরেছে। একে পর এক উত্তর দিচ্ছে সাথে ছবি।
মাঝে মাঝে সবার সাথে কথা ও বলছে।
হঠাৎ চিত্রা আর কিরণের চোখাচোখি হয়। চিত্রা প্রসুন চক্রবর্তী কে জিজ্ঞেস করে কিরণ কেও নিমন্ত্রণ করেছ।
হ্যাঁ কেন কোনো সমস্যা
ভাবছি ওকে আমার ছবিতে একটা অংশে রাখব।
সরি টু সে তাহলে আমি কাজ করব না
কিন্তু কেনো?
ওর স্ত্রী উমা জঘন্য একজন মহিলা। উমা আমাকে যা নয় তাই বলে অপমান করেছে অভিশাপ দিয়েছে এরপর আর ওর সাথে কাজ করার ইচ্ছা নেই আমার।
আমি আসলে ব্যাপারটা জানতাম না। জানলে ওকে কখনো নিমন্ত্রণ করতাম না।
অন্যদিকে কিরণ এবং উমা নিজে থেকে প্রসূণের সাথে কথা বলতে যায়‌।
প্রণাম স্যার
কেমন আছেন।
ভালো। তুমি ভালো তো
দাদা আপনি তো অনেকেই কাজের সুযোগ দেন যদি আমাকে একটা
দেখো টু বি অনেস্ট অনেক দিন হলো দুই নায়ক একসাথে কাজ করা ছেড়ে দিয়েছি।
তবে হ্যাঁ তুমি আমার পরিচালনায় সিনেমা করতে পারো তবে আগে নতুন সিনেমা শেষ করি।
প্রসুন কে ওর এসিস্ট্যান্ট সাইডে ডেকে বলে দাদা আপনি না বললেন আপনার নতুন সিনেমা তে কিরণ স্যার থাকবেন। রাখতে তো চেয়েছিলাম কিন্তু 

চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259777/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Aug 2026 14:32:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নায়িকা সংবাদ<br />
লেখিকা:মোনালী<br />
পর্ব:০২</p>
<p>উমা ,শ্রাবণী , ক‌ষ্ণ ও গুরমিত চিত্রা এবং কিরণ কে নিতে আসে। কিরণ  তুমি তো শ্রাবণী দির বাড়িতে যাচ্ছ?<br />
আপাতত না, এখন আমি সোজা ইন্দ্রর বাড়িতে যাব ওখানে গিয়ে স্নান করব তারপর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে হোটেলে উঠব।<br />
সপ্তডিঙ্গার শুটিং কি কাল থেকে শুরু করতে পারি। আসলে আমি চাইছি খুব দ্রুত কাজে ফিরতে।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259777"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259777/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">574bcf95043c784eb135a10c72957354</guid>
				<title>rifat humu changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259754/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Aug 2026 10:27:55 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">33a5ef401f67a6398508fa2f69eacde6</guid>
				<title>নায়িকা সংবাদ 
লেখিকা মোনালী
পর্ব:০১
কটা বাজে?
দেখতেই তো পাচ্ছো রাত তিনটা বাজে আবার কেন জিজ্ঞেস করছ?
কোনো ভদ্র সম্ভ্রান্ত বাড়ির মেয়ে মহিলারা রাত তিনটে পর্যন্ত বাড়ির বাহিরে থাকে না। ওও আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম তুমি তো শুধু পার্টি করতে যাও নি গিয়েছিলে কিরণের সাথে ফস্টি নষ্টি করতে। 
জাষ্ট shatup ইন্দ্র ? 
 ভদ্র বাড়ির মেয়ে বৌ? আচ্ছা ইন্দ্র আজ পর্যন্ত কোনো সম্ভ্রান্ত বাড়ির বৌ কে তুমি দেখেছ নায়িকা হতে। নিশ্চয়ই দেখো নেই। আমি তো এই গ্লামার, ক্ষ্যাতি, প্রতিপত্তি চাই নি। চেয়েছিলাম আর পাঁচটা সাধারণ সম্ভ্রান্ত বনেদি বাড়ির বৌ হয়ে থাকতে। কিন্তু না  তুমি এক প্রকার জোর করে নামিয়ে দিলে আমাকে এই জগতে। কি না খ্যাতিমান প্রযোজক ইন্দ্রনাথ সেন এর সুন্দরী স্ত্রী নায়িকা হবে।  একে পর এক ফ্লপ সিনেমা  দিতে দিতে আমি যখন ক্লান্ত &#x1fae9; আমি চেয়েছিলাম ছেড়ে দিতে কিন্তু না তুমি জোড় করে ধরে রাখলে।
আমি তো তলিয়ে যাচ্ছিলাম কিরণ এসে আমায় মাঝ সুমদ্র থেকে উদ্ধার করল। ওর সাথে ছবি করলাম আমাদের প্রথম ছবি সুপার হিট পর পর চারটি ছবি সুপার হিট পাঁচ নম্বর all time blockbuster হবে। 
তাছাড়া ও তুমি যে এত বড় বড় বাতেলা ঝাড়ছ এই যে এত ফুর্তি দামি গাড়ি ভ্যাকেশনে লন্ডন,আমেরিকা ঘুরে এগুলো তো সব আমার পরিশ্রমের টাকায়। নিজের এক পয়সা ইনকাম করবার মুরোদ নেই আবার বড় বড় কথা।
কি বললি মা* ? তোর মত বে*শ্যা খা*  মেয়ে ছেলে কে সিনেমায় সুযোগ দিয়েছিল বলে মাথা কিনে নিয়েছিস। তোর মতো দুই টাকার নায়িকা কে পথে নামাতে আমার সময় লাগবে না। তোকে আর তোর ঐ কিরণ কে যদি আমি রাস্তায় না নামাতে পারি তবে আমি ও ইন্দ্রনাথ সেন ন‌ই।
তোমার মতো ছোটলোক কে চিত্রা সেন ভয় পায় না। আমি ও দেখব তুমি কি করতে পারিস? এত দিন তোর সব অত্যাচার সহ্য করেও এ বাড়িতে পড়ে থেকেছি যাতে আমার একমাত্র ছেলে জন্য আর যাতে শুনতে না  যে নায়িকারা এক স্বামীর সাথে সংসার করতে পারে না। কিন্তু না আজকে পর থেকে তোমার সাথে থাকা আমার পক্ষে আর সম্ভব নয়।
তোর চেহারা নিয়ে এত অহংকার না তোর চেহারাই আজ থাকবে না। এই বলে ইন্দ্র  চিত্রার হাত চেপে ধরে রান্না ঘরের দিকে নিয়ে যেতে লাগল।  চিত্রা বুঝতে পারছিল ওর সাথে ঠিক কি হতে চলেছে। তাই তো এক মনে ভগবানকে ডাকছিল। রান্না ঘরে যেতেই হঠাৎ মরিচের গুঁড়ার বয়ম টা হাতের কাছে পায়। পুরো মরিচের গুঁড়া ইন্দ্রর চোখে ছিটিয়ে দিয়ে দৌড়ে ছেলে কাছে যায়। এক হাতে গাড়ির চাবি আর ছেলেকে কোলে নিয়ে বেড়িয়ে আসে ও। গাড়ি চালাতে চালাতে নব্বইয়ের দশকে বিখ্যাত প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী শ্রাবনী ভট্টাচার্য কে ফোন দেয়।
ওদিকে এত ভোরে শ্রাবণীর ফোন দেখে চিন্তিত হয়ে ফোন ধরেণ শ।
চিত্রা: শ্রাবণী দি আমি পাঁচ মিনিটের মধ্যে তোমার বাসায় পৌছাছি তুমি কী বাসায় না কি indoor shooting এ আছো।
শ্রাবণী: না আমি তো বাসায় কি হয়েছে বলবি?
চিত্রা: আগে আসি তারপর বলছি।
ঠিক আছে আমি দাড়োয়ান কে বলছি গেট খুলে দিতে।
পাঁচ মিনিট পর শ্রাবণী ভট্টাচার্যের বাড়িতে হাজির হয় চিত্রা।  চিত্রা আর গুরমিত কে দেখে শ্রাবণী জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে ঠিক করে বল তো আচ্ছা তার আগে গুরু (গুরমিত) কে তোর দাদার কোলে দে ও শুইয়ে দিয়ে আসুক।
শ্রাবণীর স্বামী বিখ্যাত পরিচালক কৃষ্ণ ভট্টাচার্য চলে গেলে চিত্রা সব ঘটনা খুলে বলে 
এখন কি করবি? 
আমি কিছু বুঝতে পারছি না দি তুমি বলো আমার কি করা উচিত?
আচ্ছা দাঁড়াও আগে বরুণ কে ফোন দিয়ে বলো এখনি যেন ও কিরণ,উমা,আর মুনিয়া মামনি কে নিয়ে এবাড়িতে তোলে আসে। কারণ আমি হলফ করে বলতে পারি পরের আক্রমণ কিরণ আর ওর পরিবারের ওপর হবে‌।
চিত্রার কথায় শ্রাবণী কিরণে ছোট ভাই বরুণ কে ফোন দেয়।
ঘুমের ভেতর ফোন রিসিভ প্রথমে শ্রাবণী কে চিনতে পারে না বরুণ। পরিচয় দিয়ে শ্রাবণী বরুণ কে বলে যত দ্রুত সম্ভব ও কিরণ উমা আর মুনিয়া কে নিয়ে শ্রাবণীর বাড়িতে আসে। শ্রাবণী এটাও জিজ্ঞেস করে মেসোমসাই মানে বরুণের বাবা কোথায়? বরুণ জানায় ওর বাবা তীর্থে গেছে গতকাল মাসখানেকের আগে আসবে না।
আধাঘণ্টা পর কিরণরা সবাই শ্রাবণীর বাড়িতে পৌঁছায়। শ্রাবণীর বাড়িতে চিত্রা কে দেখে অবাক &#x1faea; হয়ে যায় সবাই। বরুণ জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে।
তখন চিত্রা পুরো কাহিনী খুলে বলে আর এ ও বলে ইন্দ্রনাথ চাইবে যেন কিরণ আর চিত্রার ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু ও কি করবে সেটা বুঝতে পারছে না‌। তাই সবাই কে শ্রাবণীর বাড়িতে ডাকা। 
কিরণের স্ত্রী উমা বলে মিষ্টার সেন এর যখন এত‌ই সমস্যা তবে কেন উনি   আপনাকে সিনেমার নায়িকা করলেন?  
এখন এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কি? 
আগে দেখতে হবে ও ঠিক কি স্টেপ নেয়‌ তারপর আমাদের এগোতে হবে। এখন আপতত সবাই অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
ঠিক এক ঘন্টা পর সোস্যাল মিডিয়াতে প্রথম পোস্ট আসে বিখ্যাত অভিনেত্রী চিত্রা সেনের স্বামী প্রোযোজক ইন্দ্রনাথ সেন আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
সঠিক সময়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এখনো বোঝা যাচ্ছে না কি হবে?
মিষ্টার সেন তাঁর  সুইসাইড নোটে লিখে গেছেন তার স্ত্রীর সাথে এবং নায়ক কিরণ চট্টরাজ তাকে বাধ্য করেছেন আত্মহত্যা মতো ভয়াবহ কাজ করতে।
চিত্রা বলে আমি ঠিক এই ভয়টাই পাচ্ছিলাম। ও এত সহজে ছাড়বে না।
কিরন বলে এখন উপায় কি? 
কৃষ্ণ ভট্টাচার্য বলেন আমাকে একটু চিন্তা করতে দাও এই বাজে পরিস্থিতি থেকে বের হবার উপায় কি?
তবে তার আগে আমার বন্ধু পুলিশ কমিশনার কৌশিক রায় কে একটা ফোন দিয়ে সব জানাতে হবে ‌। ও ঠিক কোন না কোন ভাবে সমস্যার সমাধান করবে‌।
চিত্রা বললো সব ই তো ঠিক আছে তবে তার আগে গুরমিত আর মুনিয়া কে এখান থেকে অন্য কোথাও সরাতে হবে।
শ্রাবণী বলে আমি সিদ্ধেশ্বরী কে ফোন করে আসতে বলেছি। বাচ্চাদের ওর কাছে দিয়ে দিব। 
কৃষ্ণ ভট্টাচার্য পুলিশ কমিশনার কৌশিক রায় কে ফোন করে সবটা জানায়। 
সব শুনে কৌশিক রায় বলেন যে কেস টা ভীষণ জটিল, কিন্তু আগে চিত্রা আর কিরণ কে থানায় যেতে হবে। হয়তো ওদের arreste করা হবে রবিবার কেসটা কোর্টে উঠবে তার আগে প্রমাণ করতে হবে যে  চিত্রা ভিকটিম। না হলে চিত্রা ও কিরণ কে জেল খাটতে হবে কিছু করার নেই।
ফোন রেখে কৃষ্ণ সবাই কে সবাই কে সবটা জানায়। 
সব শুনে শ্রাবণী বলে যে কি ভাবে প্রমাণ হবে যে চিত্রা ভিকটিম?
কৃষ্ণ বলে যে আগে চিত্রা আর কিরণ থানায় যাক। তারপর কিছু না কিছু ভাবা যাবে।
এদিকে সোসিয়াল মিডিয়া একের পর এক উল্টোপাল্টা পোষ্টে ছয়লাপ হয়ে গেছে।
চিত্রা আর কিরণ   শ্রাবণীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে সরাসরি থানায় চলে যায়। 
থানার সামনে গাড়ি পার্কিং করতেই সাংবাদিকরা ঘিরে ধরে। একে পর এক উল্টোপাল্টা প্রশ্ন করতে থাকে‌। কোন রকমের থানার ভেতর ঢোকে ।
থানার ওসিকে সব কথা খুলে বলে চিত্রা। 
ওসি বলেন আপনার কাছে তো কোনো প্রমাণ নেই। আর প্রমাণ ছাড়া তো আদালত মুখের কথা বিশ্বাস করে না। 
আপনারা উকিল এর ব্যাবস্থা করুন বাকিটা দেখছি।
আপনারা আমার সাথে চলুন পেছনের রেষ্ট হাউজে ওখানে একটা রুমে আপনারা থাকুন দু&#039;জন পুলিশ পাহারায় থাকবে।

বিকালের দিকে কৃষ্ণ ভট্টাচার্য আর উমা  ওদের সাথে দেখা করার সুযোগ পায়। 
কৃষ্ণ ভট্টাচার্য জানান যে ইন্দ্রনাথ বেঁচে গেছে এটা ওদের জন্য একটা প্লাস পয়েন্ট।
কৃষ্ণের কথা শেষ হলে  উমা চিত্রা কে উদ্দেশ্য করে বলে মুখপুরি তুই তো নিজের ঘর  শেষ করলি সাথে আমার ঘর ও। তোরে জেলে নয় যে ফাঁসি দেওয়া দরকার, তোর মত অভিশপ্ত মহিলা যেখানে থাকবে সেই জায়গা অভিশপ্ত হয়ে যাবে। তুই  ধুঁকে ধুঁকে মরবি, মৃত্যু চাবি কিন্তু মরণ আসবে না তো, শেষ সময় মুখে জল দেওয়াল কোনো লোক থাকবে না।
কিরন উমা  কে জোরে একটা থাপ্পড় দেয় এরপর কৃষ্ণ কে বলে দাদা আপনি ওকে নিয়ে যান না হলে কিন্তু খুব খারাপ হবে।
উমা চলে গেলে কিরণ বলে আমাকে ক্ষমা করো চিত্রা। চিত্রা বলে ব্যাপার না ওর তোমার বৌ তোমার এই অবস্থায় ওর খারাপ লাগাটা স্বাভাবিক আমি কিছু মনে করি নি 

রবিবার কেস কোর্টে ওঠে।
যেহেতু ইন্দ্রনাথ বেঁচে আছে আর চিত্রাও নিজেকে ভিকটিম প্রমাণ করতে পারে নি তাই চিত্রা আর কিরণের দেড় মাসের জন্য জেল হয়।
পরে দিন বিকেলে কৃষ্ণ আর শ্রাবণী আসে ওদের সাথে দেখা করতে। 
কৃষ্ণ কে দেখে শ্রাবণী বলে দাদা আমাকে একটা সাহায্য করতে হবে আপনার?
যেকোনো ভাবে আমাকে খুব ছোট একট রেকর্ডার এনে দিতে হবে যেটা আমি খুব গোপনে লুকিয়ে রাখতে পারব।
কিন্তু রেকর্ডার দিয়ে কি হবে?
আপনি শুধু ব্যাবস্থা করুন আর যেদিন শুনতে পারবেন ইন্দ্র এসেছিল তারপর দিন আপনি আসবেন।
ঠিক আছে।
পরদিন সকালে কৃষ্ণ চিত্রা কে একটা রেকর্ডার দিয়ে যায় চিত্রা খুব গোপনে রেখে দেয়।
ঠিক সাতদিন পর ইন্দ্র দেখা করতে আসে চিত্রার সাথে।
চিত্রা সাথে সাথে রেকর্ডার চালু করে দেয়।
দেখলে তো সোনা আমি কি করতে পারি? তোমার সন্মান কেমন শুধোয় মিশিয়ে দিলাম।
তুমি কার সাথে সিনেমা করবে কার সাথে করবে না তাতে আমার কিছু আসে যায় না এমন কি তুমি পরকিয়া করলেও আমার কিছু আসে যায় না।  কারণ তুমি আমার কাছে টাকার মেশিন 
তুমি তোমার মত থাকলে আমার এত কিছু করতে হতো না।  তুমি সিনেমার টাকা নিজের একাউন্টে নেওয়া শুরু করলে এরপর যখন জানতে পারলে আমার গার্লফ্রেন্ড আছে তাকে ও অপমান করলে তাই তোমাকে ছোট একটা শাস্তি দিলাম এখন চলি টাটা।
পরদিন কৃষ্ণ দেখা করতে আসলে চিত্রা কৃষ্ণ কে টেপ রেকর্ডার টা দিয়ে বলে আপনি আর শ্রাবণী দি এটা নিয়ে আপনার পুলিশ কমিশনার বন্ধুর বাড়িতে যান ওখানে গিয়ে শুনলেই সবটা বুঝতে পারবেন।
কৃষ্ণ শ্রাবণী কে ফোন দিয়ে কৌশিক রায় এর বাড়িতে যেতে বলে। কৌশিক রায় এর বাড়িতে গিয়ে টেপ রেকর্ডার চালিয়ে শুনে পুরো &#x1faea; আবাক হয়ে যায়।
পরদিন ঐ রেকর্ডার টা কোর্টে শোনানো হলে চিত্রা আর কিরণ কে সন্মানে মুক্তি দেওয়া হয় আর ইন্দ্রনাথ কে মানহানির মামলায় একবছরের জেল দেওয়া হয়।

চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259664/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Aug 2026 16:41:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নায়িকা সংবাদ<br />
লেখিকা মোনালী<br />
পর্ব:০১<br />
কটা বাজে?<br />
দেখতেই তো পাচ্ছো রাত তিনটা বাজে আবার কেন জিজ্ঞেস করছ?<br />
কোনো ভদ্র সম্ভ্রান্ত বাড়ির মেয়ে মহিলারা রাত তিনটে পর্যন্ত বাড়ির বাহিরে থাকে না। ওও আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম তুমি তো শুধু পার্টি করতে যাও নি গিয়েছিলে কিরণের সাথে ফস্টি নষ্টি করতে।<br />
জাষ্ট shatup ইন্দ্র ?<br />
 ভদ্র বাড়ির মেয়ে বৌ? আচ্ছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259664"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259664/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>