<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Md Ahsan Ullah Ripon | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/ripon185/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/ripon185/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Md Ahsan Ullah Ripon.</description>
	<lastBuildDate>Mon, 15 Jun 2026 17:16:43 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">8a2598977975c367d7817138122b49be</guid>
				<title>Md Ahsan Ullah Ripon changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/181060/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Dec 2022 14:02:24 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6455e7ade4213685270bd5381b76bd43</guid>
				<title>অদৃশ্য লাল দাগ-৪

দেবস্মিতার বিস্ময় যেন কাটছে না।আদি এসব কি বলছে? নাহ্,এসব সত্যি হতে পারেনা।আদির মত এমন একজন মানুষের অতীতটা এমন হতে পারেনা।এটা অবিশ্বাস্য।আদি অন্যমনস্কভাবে বলতে লাগলো,&quot;দেবস্মিতা,আমার বাবা বলে যে আবুল হাসেমকে তোমরা চেব,তিনি আসলে আমার বাবা নন।তিনি আমাকে লালন পালন করেছেন।কুিন্তু তিনি নিজেও জানেন না,আসলে আমার বাবা কে?&quot;দেবস্মিতা স্তব্দ কণ্ঠে বললো,&quot;আদি,তুমি বুঝতে পারছ,তুমি কি বলছ?পৃথিবীতে কোন মানুষই বাবা ছাড়া জন্মায় না।এটা সম্ভব নয়।&quot;আদি একজটা দীর্ঘাশ্বাস ছেড়ে বললো,&quot;এটা আমিও জানি দেবস্মিতা।কিন্তু আমি নিশ্চিত করে বলতে পারবো না,কে আমার বাবা।পৃথিবীতে একমাত্র মা রাই বলতে পারেন সন্তানের বাবা কে? কিন্তু আমার মা,আমার মা তাও পারেন না।&quot;
---------- কেন আদি? কপন তিনি বলতে পারেন না,কে তোমার বাবা?
---------- কারণ তিনিযে রাস্তার পাগলী ছিলেন।
---------- নাহ! আমি বিশ্বাস করি না।
---------- বিশ্বাস কি আমিও করতে পেরেছিলাম? পারিনি।বাবা যেদিন জারজ শব্দটা বুঝালেন,সেদিনও বুঝতে পারিনি আসলে আমি এক রাস্তার পাগলীর ছেলে।শুধু মনে হয়েছিলো,কোন কারণে আমার জন্ম নিয়ে হয়তো প্রশ্ন ছিলো।তাই সবাই আমাকে কটাক্ষ করে। কিন্তু সেদিন বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে দেখি বাবা একজন পাগলীকে পরম মমতায় খাইয়ে দিচ্ছেন।আর মা,নীরবে তা দেখছেন।মার পাশে গিয়ে তাই বললাম,&quot;মা,বাবা এসব কি করছে।রাস্তার একটা পাগলীকে...।কে এই পাগলী? বাবা তাকে এড যত্ন করছে কেন?&quot;মা শান্ত স্থির কণ্ঠে বললেন,&quot;এই সেই পাগলী,যে আমাদের অভিশপ্ত জীবন গুঁছিয়ে, দিয়েছে।ওর কাছে আমাদের অনেক ঋণ রে বাবা।তোর বাবা শুধু সেই ঋণের কিছুটা শোধ করতে চাইছে।&quot;
---------- তোমার কথা ঠিক বুঝতে পারছি না।কে এই পাগলী?তোমাদের সাথে ওর সম্পর্ক টা কি?
----------- এক সময় ও আমাদের কেউ ছিলো না।ও ছিলো কেবলি আমাদের পাড়ার একজন পাগলী।রাস্তার পাশের আম গাছটার নীচে থাকতো।কিন্তু আজ ও আমাদের পরম আত্নীয়।
---------- রাস্তার একটা পাগলীও কারো পরম আত্নীয় হয়? কি বলছ এসব?
----------- হয়রে বাবা।পৃথিবীতে অনেক কিছুই হয়।রাস্তার এই পাগলীই আমাদের জীবন বদলে দিয়েছে।আমাদের জীবনে পরিপূর্ণতা দিয়েছে,এর থেকে সত্য আর কিছুই হতে পারেনা।
-----------তোমার কথার মাথা মুন্ডু আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।কি বলাছ এসব?
----------- হ্যাঁরে বাবা।এ সেই পাগলী,যে আমাকে মাতৃত্বের স্বাধ এনে দিয়েছে।আমকে মা বানিয়েছে।
----------- মানে? কি বলতে চাইছ তুমি?তোমাকে মাতৃত্বের স্বাধ দিয়েছে মানে?এটা কি করে সম্ভব?
----------- বিয়ের দশ বছর কেটে গেলেও আমি মা হতে পারছিলাম না।ডাক্তার কবিরাজ,বৈদ্ধ, তাবিজ,কবোজ,ঝাঁড় ফুঁক কিছুই বাকি রাখিনি।সবার থেকে একটাই উত্তর এসেছে।আমি বন্ধা।মা হতে পারবো না কোনদিন।আমার শ্বাশুড়ী আমার স্বামীর আবার বিয়ে দিতে উঠে পড়ে লাগলেন।তখনি এই পাগলী আমার কোল পরিপূর্ণ করে দিলো।আমার সংসার আলোয় ভরিয়ে দিলো।
----------- কি?
----------- হ্যাঁ।এ বাড়ী থেকে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম।ঠিক সে সময় নীলাদ্রি ভাই আসলেন আমাদের বাড়ীতে।সব শুণে জানালেন আমার সন্তান না হওয়ার দায় আমার নয়।আমার স্বামীর।আমার মা হতে কোন বাধা নেই।বরং সন্তান জন্ম দেয়ার কোন ক্ষমতা নেই আমার স্বামীর।তোর বাবা সব দায় স্বীকার করে আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বললেন।আমি এ বাড়ীতে থেকে যাবার সিদ্ধান্ত নিলাম।ঠিক তখনি আমাদের বাড়ীতে এলো এই পাগকী।আর আমার কোল জুড়ে এলি তুই।
----------- মানে!
----------- হ্যাঁ রে বাবা।আমি তোকে লালন পালন করেছি সত্য কিন্তু আমি তোকে পেটে ধরিনি।তোকে পেটে ধারণ করেছে এই পাগলী।
----------- নাহ্,আমি বিশ্বাস করিনা। 
জান দেবস্মিতা,সেদিন আমারও বিশ্বাস করতে খুব কষ্ট হচ্ছিলো।কিন্তু সেজন্য সত্যটা মিথ্যে হয়ে যায়নি।সেদিনই আমি জানতে পেরেছিলাম আমার জীবনের সেই দাগ সম্পর্কে। আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছিলো আমার জীবনের সেই অদৃশ্য লাল দাগ।
দেবস্মিতা দীর্ঘাশ্বাস ছেড়ে বললো,&quot;তোমার মা এখন কোথায়?&quot;আদি অন্যমনস্ক ভাবে বলে,&quot;নেই।কোথায় হারিয়ে গেছে আমি জানি না।তাইতো আমি আজও রাস্তার এ পাগলীদের ভীঁড়ে আমার মাকে খুঁজে বেড়াই।&quot;দেবস্মিতা আদিরন পিঠে হাত রেখে বলে,&quot;আমি জানি না তোমার মা কোথায় আছেন? তবে আমার কেন যেন মনে হচ্ছে তুমি তাঁকে পাবে।একদিন না একদিন তুমি তাঁকে ফিরে পাবেই।&quot;আদি মুখোমুখি দাঁড়ায় দেবস্মিতার।ভাঙ্গা কণ্ঠে বলে,&quot;আমাকে ছেড়ে কোনদিন যাবেনাতো দেবস্মিতা?আমার মার মত হারিয়ে যাবেনাতো আমার জীবন থেকে?&quot;দেবস্মিতা আদিকে জড়িয়ে ধরে বলে,&quot;নাহ্ আদি।আমি কখনোই তোমার জীবন থেকে হারিয়ে যাবনা।কক্ষনো না।&quot;
..........................................................................সমাপ্ত.. ….....................…............................................</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/156984/</link>
				<pubDate>Wed, 05 Oct 2022 15:26:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অদৃশ্য লাল দাগ-৪</p>
<p>দেবস্মিতার বিস্ময় যেন কাটছে না।আদি এসব কি বলছে? নাহ্,এসব সত্যি হতে পারেনা।আদির মত এমন একজন মানুষের অতীতটা এমন হতে পারেনা।এটা অবিশ্বাস্য।আদি অন্যমনস্কভাবে বলতে লাগলো,&#8221;দেবস্মিতা,আমার বাবা বলে যে আবুল হাসেমকে তোমরা চেব,তিনি আসলে আমার বাবা নন।তিনি আমাকে লালন পালন করেছেন।কুিন্তু তিনি নিজেও জানেন না,আসলে আমার বাবা কে?&#8221;দেবস্মিতা স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-156984"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/156984/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f6f6e375501092bc63bc034444b9ea4c</guid>
				<title>অদৃশ্য লাল দাগ-৩

দেবস্মিতা বিস্ময়াভিভূত হয়ে তাকিয়ে আছে আদির দিকে।আদির চোখে মুখে বিষন্নতা। কণ্ঠস্বর অস্পষ্ট।বললো,&quot;তোমার মনে হয়না,আমি তোমার সম্পর্কে সব জেনে শুণে তোমাকে আমার জীবনের সাথে জড়িয়েছি কি করে?কারণ আমার কাছে মানুষের পরিচয় কেবল মানুষটি।তার অতীত নয়।&quot;দেবস্মিতা অস্পষ্ট কণ্ঠে বললো,&quot;কিন্তু আদি,আমিতো সে অতীতটা ভুলতে পারিনা।চোখ বন্ধ করলেই আমার চোখে ভেসে উঠে সেই কালো অতীত।সেই কলঙ্কের কালো দাগ।কিই বা করার ছিলো আমার বল? &quot;আদি দেবস্মিতাসর দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে বলে,&quot; এটা আমি জানি দেবস্মিতা।তুমি যেমন তোমার জীবনের কালো দাগটি ভুলতে পারনা।আমিও পারিনা আমার জীবনের সেই অদৃশ্য লাল দাগ।&quot;
---------- নাহ্,আদি।আমি বিশ্বাস করিনা,তোমার মত একজনের জীবনে কোন দাগ থাকতে পারে।
---------- কিন্তু আছে।এটাই সত্যি।
---------- এটা আমার জানার কোন আগ্রহ নেই আদি।যেটা অদৃশ্য সেটা লাল হোক আর কালো,তা অদৃশ্যই থাক।
---------- নাহ্ দেবস্মিতা।এটা তোমাকে জানতে হবে।যেমন আমি জেনেছি তোমার জীবনের কালো দাগ সম্পর্কে। 
---------- নাহ্,জাননি তুমি।জানলে আমার সাথে সংসার করতে পারতেনা তুমি।
---------- তোমার ধারণা ভুল।আমি তোমার জীবনের সব কিাছুই জানি।তুমি রক্তিম নামের একটি ছেলেকে ভালোবাসতে।
---------- ভীষণ,,ভীষণ ভালোবাসতাম।তাইতো সেদিন ও যখন আমাকে ওর বাসায় যেতে বললো,আমি কোন কিছু না ভেবে রাজী হয়ে গেলাম।আমি কি জানতাম,সবি ছিলো ওর সাজানো? জান আদি,আমি যখন ওর বাসায় গেলাম,ও তখন শুয়েছিলো।আমি ওর পাশে বসলাম।ঠিক তখনি আচমকা আরো তিন চারজন এসে পৌঁছালো সেখানে।আমি কিাছু বুঝে উঠার আগেই ওরা জানোয়ারের মত হামলে পড়লো আমার উপর।আমি রক্তিমের কাছে চিৎকার করে সাহায্য চাইছিলাম।কিন্তু রক্তিম তখন ব্যস্ত হয়ে পড়লো ভিডিও ধারণে।পশুগুলো একটু একটু করে আমাকে খুবলে খুবলে খেলো।ক্ষত-বিক্ষত করে দিলো আমার শরীর।আর রক্তিম নিপুন৷ কারিগরের মত সে দৃশ্য ধারণ করলো।সব শেষে ও আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো।আমার রক্তাক্ত ক্ষত-বিক্ষত শরীরকে আরো রক্তাক্ত করে আমাকে বললো,&quot;এখানে তোকে রেপ করাবসব ভিডিও ধারণ করা আছে।এটাই হবে আমার উপরে উঠার সিঁড়ি।তোর বাবার কাছ থেকে এ ভিডিওটা পুঁজি করে লাখ টাকা আদায় করবো।সে টাকায় বিদেশে গিয়ে সুখে সময় কাটাবো।&quot;আমার তখন কথা বলার মত অবস্থা ছিলোনা।নড়তে পারছিলাম না আমি।
তারপর যা হয়েছে তা তো তুমি জান আদি।পুলিশের সহায়তায় সব ক&#039;টা শয়তানকে আইনের হাতে তুলে দূিয়েছেন নীলাদ্রি আঙ্কেল।এ ঘটনায় আমি স্তব্দ হয়ে গিয়েছিলাম।মানুষের উপর থেকে সব ধরাণের বিশ্বাস হারিয়ে গিয়েছিলো আমার।দু&#039;বছরের মত একটি মানসিক হাসপাতালে কাটিয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরতেই বাবা অনেকটা জোর করে তোমার সাথে বিয়েটা দিয়ে দিলো।
----------- এ সবই আমি জানি।দেবস্মিতা।বাবা আমাকে সব জানিয়েই তোমার সাথে সংসার করার কথা বলেন।জানতো দেবস্মিতা,আমার জীবনে এ মানুষটির কথাই আমার কাছে আদেশ।আমি সেটা মেনে নিই নিরদ্বিধায়। কারণ আমি জানি এ মানুষটি কোনদিন আমার খারাপ চাইতে পারেন না।কিন্তু তুমি কি জান? এ মানুষটি কে বাবা বলে ডাকলেও তিনি আমার বাবা নন।আসলে আমি নিজেই জানি না কে আমার বাবা? বলতে পার এটাই আমার জীবনের সেই অদৃশ্য লাল দাগ।
----------- মানে?
------------ বুঝতে শেখার পর থেকেই আমাকে একটা কথা হজম করতে হয়েছে তাহলো,জারজ সন্তান।এ শব্দটির অর্থ আমি জানতাম না।তাই একদিন বাবার কাছে জানতে চাইলাম।বাবা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন,&quot;এটি একটি গালি।এর অর্থ জন্ম পরিচয় হীন।যদিও জন্ম পরিচয়হীন কোন মানুষ হয় না।তবুও পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ জন্মায় যাদের জন্ম পরিচয় খুঁজে পাওয়া যায় না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/156238/</link>
				<pubDate>Tue, 04 Oct 2022 05:25:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অদৃশ্য লাল দাগ-৩</p>
<p>দেবস্মিতা বিস্ময়াভিভূত হয়ে তাকিয়ে আছে আদির দিকে।আদির চোখে মুখে বিষন্নতা। কণ্ঠস্বর অস্পষ্ট।বললো,&#8221;তোমার মনে হয়না,আমি তোমার সম্পর্কে সব জেনে শুণে তোমাকে আমার জীবনের সাথে জড়িয়েছি কি করে?কারণ আমার কাছে মানুষের পরিচয় কেবল মানুষটি।তার অতীত নয়।&#8221;দেবস্মিতা অস্পষ্ট কণ্ঠে বললো,&#8221;কিন্তু আদি,আমিতো সে অতীতটা ভুলতে পারিনা।চোখ বন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-156238"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/156238/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">981a80cd26d43f445b8e186e0b7cb1d9</guid>
				<title>Md Ahsan Ullah Ripon and Rabi Jahangir are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/156013/</link>
				<pubDate>Mon, 03 Oct 2022 17:48:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d64f040c636939e17257977c08abf796</guid>
				<title>অদৃশ্য লাল দাগ-২

ঠিক এগারটায় নীলাদ্রির বাসায় এসে উপস্থিত হলো দেবস্মিতা।কলিং বেল টিপতেই নীলাদ্রি দরজা খুলে দিলেন।মুখে স্বাভাবিক হাসি টেনে বললেন,&quot;কেমন আছিস মা?&quot;দেবস্মিতা ভেতরে ডুকতে ডুকতে বললো,&quot;শরীরটা ভালোই আছে আঙ্কেল।তুমি কেমন আছ?&quot;দু&#039;জনে এসে ড্রয়িং রুমের সোফায় বসলে নীলাদ্রি বললেন,&quot;আমাদের আর থাকা। আশি পেরিয়ে চাইলেই কি আর ভালো থাকা যায়রে মা?&quot;দেবস্মিতা নীলাদ্রির দিকে তাকিয়ে বললো,&quot;তোমার কি শরীর খারাপ?&quot;
-------- এখন মোটামুটি ভালোই আছি।বল কেন এত জরুরীভাবে ছুটে আসলি?
-------- তেমন কিছু না।আসলে আদি সম্পর্কে তোমার থেকে কিছু জানতে চাইছিলাম।
--------- আদি সম্পর্কে আর কি বলবোরে মা? এ সময়ে এমন ছেলে হয় না।যেমন ভদ্র,তেমনি মেধাবী।ওর সততা নিয়ে কেউ কোনদিন প্রশ্ন করতে পারেনি,ভবিষ্যতেও পারবে না।ভীষণ সাহসি আর কেয়ারিং।আর ওর চরিত্র? আমারতো মনে হয় চরিত্রের  দিক থেকে ও মানুষ নয়,অন্য কিছু।কেন? কিছু হয়েছে?&quot;
---------- নাহ্,তেমন কিছু না।তবে গতকাল ওকে নিয়ে বেরিয়েছিলাম।ওর একটূ কাজ আমাকে ভাবাচ্ছে।ভাবনাটা দূর করতেই তোমার কাছে আসা।ওর একটা কাজ আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়েছে।
নীলাদ্রি স্মিত হাসি হেসে বললেন,&quot;বুঝতে পেরেছি।রাস্তায় গাড়ী থামিয়ে রাস্তার পাশে পাগলীকে যত্ন করার কথা বলছিসতো?&quot;দেবস্মিতা বিস্মিত হয়ে নীলাদ্রির দিকে তাকিয়ে বললো,&quot;তুমি জান এটা?&quot; নীলাদ্রি একটা দীর্ঘাশ্বাস ছেড়ে বললেন,&quot;ওর এই কাজটা আমাদের কাছেও অস্বাভাবিক ঠেকতো।তবে অনেকটূ সময় ওকে দেখতে দেখতে এখন আর লাগে না।তোর বাবাও ওর এ বিষয়টা অবগত।তবে ঠিক কি জন্য ও এ কাজটি করে,এটা আমরা কেউ জানি না।&quot;দেবস্মিতা একটা দীর্ঘাশ্বাস ছেড়ে বলে,&quot;ওকে তুমি কবে থেকে চেন আঙ্কেল?&quot;নীলাদ্রি কিছুটা সময় চুপ থেকে বললেন,&quot;ওর বয়স এখন আটাশ।আমি ওকে গত সতের বছর থেকে চিনি।ওর বাবা আবুল হাসেম আমার ছোট বেলার বন্ধু।ও যখন প্রাইমারী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে শহরে আসে,তখনি ওর মেধায় মুগ্ধ হই।তখনই সিদ্ধান্ত নিই আমার এই নিঃসঙ্গ জীবনে কিছুটা ছন্দ আনতে ওর দায়িত্ব নেব।যদিও হাসেম প্রথমে রাজী হচ্ছিলো না।পরে আমার স্ত্রী  রেহনুমার অনুরোধে রাজী হয়।আর তখন থেকেই আদি আমার এখানে থেকে পড়াশোণা করে।মাঝে মাঝে গ্রামে যেত।থাকতো কিছুদিন।&quot;
দেবস্মিতা উঠতে যাবে,এসময় চা-নাস্তার ট্রে নিয়ে ড্রয়িংরুমে ডুকলেন রেহনুমা রহমান।দেবস্মিতা তাঁর পা ছুঁয়ে সালাম করে বললো,&quot;আন্টি,তুমি কখন এলে? কাল যখন আঙ্কেলকে ফোন করলাম,বললো তুমি  অর্পিতার বাসায়।সে জন্যইতো আমি আঙ্কেলের সাথে কথা বলতে বসে গেলাম।নাহলেতো আগে তোমার কাছেই ছুটে যেতাম।&quot;রেহনুমা স্মিত হেসে বললেন,&quot;হুম,বুঝতে পেরেছি।কাল তোর ফোন করার পর তোর আঙ্কেল আমাকে ফোনে তোর আসার কথা জানায়।শুণে অর্পিতাই জোর করে আমাকে পাঠিয়ে দেয়।রাতেই  এসেছি।&quot;
--------- কেমন আছ তুমি?
--------- ভালো।আদির কথা কি যেন বলছিলি?
--------- তেমন কিছু না।এই তোমরা যে নিজে থেকে উপযাচক হয়ে আদির সাথে আমার বিয়ে দিলে,কোন রকম আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া কেবলমাত্র কিছু ধর্মীয় রীতি মেনে।এটা কেন করলে,তাই জানতে চাইছিলাম।
--------- ওওওও।আসলে এতটা বছর ধরে ছেলেটাকে লালন পালন করে,কাছে থেকে দেখে আমাদের মনে হয়েছে তোর জন্য এর থেকে ভালো পাত্র হয়তো আমরা পাব না।তার উপর ------
---------- হ্যাঁ,আন্টি।আমি জানি।গত তিন মাস ধরে আদিকে দেখে বুঝতে পেরেছি,ওর মত মানুষ হয় না।আমার জীবনে ওর মত মানুষ পাওয়া সত্যি ভাগ্যের।তবে আমাকে বিস্মিত করেছে আমাকে বিয়ে করতে ওর রাজী হওয়া।সব জেনে শুণে আমার মত কলঙ্কের কালো দাগওয়ালা একটা মেয়েকে ও কি করে বিয়ে করতে রাজী হলো?আচ্ছা আণ্টি,আমার অতীতটা তোমরা ওকে বলেছিলে?&quot;রেহনুমা মাথা ঝাঁকিয়ে বললেন,&quot;বলেছি।তোর জীবনের এত বড় একটা ঘটনা চাপা দিয়ে সম্পর্ক করতে রাজী হন নি তোর বাবা।&quot;
---------- আমার সব কথা শুণেও আদি আমাকে বিয়ে করতে রাজী হলো?
---------- হুম।আমার হাত ধরে বলেছে,মা,তুমি যদি মনে কর দেবস্মিতাকে আমার সাথে মানাবে,তাহলে আমার কোন আপত্তি নেই।ওর অতীত নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নেই।
দেবস্মিতা চা-নাস্তা শেষ করে বললো,&quot;আসলেই ও এক মহান মানুষ।কিন্তু আন্টি ওর কালকের আচরণটা আমাকে ভাবাচ্ছে।মানসিক ভাবে ও সুস্থতো?&quot;রেহনুমা বললেন,&quot;এমনটা আমারও মনে হত।কিন্তু এতটা বছর দেখে এখন আর মনে হয় না।&quot;

বাসয় ফিরে কলিং বেল টিপতেই আদি এসে দরজা খুলে দিলো।মৃদু হেসে বললো,&quot;এসেছ? আমিতো ভেবেছিলাম আজ আসবে না।&quot;দেবস্মিতা ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো রাত দশটা পেরিয়ে গেছে।কথায় কথায় সারাটা দিন নীলাদ্রি আর রেহনুমা র সাথে কাটিয়ে বিকেলে ফেরার পথে বাবার বাসায় গিয়েছিলো দেবস্মিতা।বাবা-মা আর একমাত্র বোনটার সাথে কথা বলতে বুঝতেই পারেনি,কখন এতটা সময় কেটে গেছে।&quot;আদির দিকে তাকিয়ে বললো,&quot;সরি,আসলে স্বরমিতার সাথে কখা বলতে বলতে একটু দেরী হয়ে গেলো।তোমার কোন সমস্যা হয়নিতো?&quot;আদি মাথা ঝাঁকিয়ে বললো,&quot;আরে নাহ্,সমস্যা হবে কেন? তুমি চাইলে রাতটা থেকে আসতে পারতে।&quot;
--------- খেয়েছ?
--------- নাহ্,এখনো খাইনি।তুমি আসছ শুণেই তোমার অপেক্ষা করছি।
--------- আমিতো তোমাকে খেয়ে নিতে বলেছিলাম।খাওনি কেন?
--------- তোমার সাথে একসাথে খাব বলে।
বিছানা ঠিক করে শুয়ে পড়েছে দেবস্মিতা।আদি পাশে শুয়ে বললো,&quot;কালকের বিষয়টা নিয়ে তুমি খুব চিন্তায় আছ,তাই না?&quot; দেবস্মিতা কোল বালিশটা বুকে চেপে বললো,&quot;কিছুটা চিন্তাতো ছিলোই।তবে আজ অঙ্কেল-আন্টির সাথে কথা বলে সে চিন্তাটা এখন আর নেই।তোমার মত একজন মানুষকে চিয়ে চিন্তা করাটাই ভুল।তুমিতো মানুষ নও।তার থেকেও বেশী কিছু।&quot;আদি দেবস্মিতার গায়ে হাত দিয়ে বললো,&quot;আরে নাহ্।বাবা-মা একটু বাড়িয়েই বলেছেন।আমিও মানুষ।রক্তে মাংশে গড়া মানুষ।&quot;দেবস্মিতা উঠে বসলো।বললো,&quot;আমার তা মনে হয়না।একজন মানুষ রাস্তার একটা পাগলীকে পরম যন্তে খাইয়ে দিতে পারেনা।একজন মানুষ জেনে শুণে কলঙ্কের কালির দাগে পূর্ণ একটি মেয়েকে জীবন সঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে পারেনা।&quot;
দেবস্মিতার চোখ ছলছল করছে দেখে আদি উঠে ওর মুখোমুখি বসে বলে,&quot;এসবই প্রমাণ করে আমি মানুষ।মানুষ বলেই এ সব করতে পারি আমি।নাহলে পারতাম না।&quot;দেবস্মিতা আদিকে জড়িয়ে ধরে বলে,&quot;আমাকে তুমি মাপ করে দাও।আমি তোমাকে চিনতে পারিনি।তোমার মত মহান মানুষ সম্পর্কে না জেনেই আমি...।&quot;আদি দেবস্মিতাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললো,&quot;পাগলি।তোমার এই কিউরিওসিটি ইতো মানুষের সহজাত।এটাইতো তোমাকে মানুষ চেনাতে শেখাবে।এটাতো দোষের কিছু নয় যে ক্ষমা চাইতে হবে।আর কি বললে কলঙ্কের কাল দাগ? দাগটা কেবল কালোই হয় না।লাল দাগও হয়।মানুষের জীবনে এমন দাগ থাকাটা স্বাভাবিক।এটা নিয়ে ভাববারতো কিছু নেই।তোমার জীবনের দাগটি তোমার কাছে দৃশ্যমান বলেই তুমি এ নিয়ে ভাবছ।কিন্তু আমার জীবনেওযে এমন দাগ থাকতে পারে তা তোমার মাথায় আসছে না।কারণ আমার জীবনের দাগটা তোমার কাছে অদৃশ্য।কিন্তু আমিতো জানি আমার জীবনেও দাগ আছে।রক্তের মত লাল দাগ।যে দাগটা অনেকের কাছে অদৃশ্য।কেন অদৃশ্য জান? কারান আমার মানুষ হয়ে উঠা।আমি যদি মানুষ হতে না পারতাম তবে আমার জীবনের দাগটিও দৃশ্যমান হতো।&quot;দেবস্মিতা বিস্মিত কণ্ঠে বলে,&quot;তোমার জীবনে দাগ?আমি বিস্বাস করি না।&quot;আদি অন্যমনস্ক হয়ে বলে,&quot;তুমি বিশ্বাস না করলেও এটা সত্য।আমার জীবন জুড়ে রয়েছে এক অদৃশ্য লাল দাগ।যে দাগ আমাকে মানুষ হতে সাহায্য করেছে।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/152266/</link>
				<pubDate>Tue, 27 Sep 2022 05:00:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অদৃশ্য লাল দাগ-২</p>
<p>ঠিক এগারটায় নীলাদ্রির বাসায় এসে উপস্থিত হলো দেবস্মিতা।কলিং বেল টিপতেই নীলাদ্রি দরজা খুলে দিলেন।মুখে স্বাভাবিক হাসি টেনে বললেন,&#8221;কেমন আছিস মা?&#8221;দেবস্মিতা ভেতরে ডুকতে ডুকতে বললো,&#8221;শরীরটা ভালোই আছে আঙ্কেল।তুমি কেমন আছ?&#8221;দু&#8217;জনে এসে ড্রয়িং রুমের সোফায় বসলে নীলাদ্রি বললেন,&#8221;আমাদের আর থাকা। আশি পেরিয়ে চাইলেই কি আর ভালো থাকা যায়রে মা?&#8221;দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-152266"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/152266/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">80f01631efb8a903697ac4ad3f71c82a</guid>
				<title>কবিতা তেমন একটা লিখিনা।তুলটের কবিদের অনন্য অসাধারণ কবিতাগুলো পড়ে লোভ সামলাতে পারলাম না।নিজেও লিখতে চেষ্টা করলাম।হয়তো কবিতা হয়ে উঠেনি।তবে ভাবছি তুলটের জন্য হলেও কবিতাটা লিখতে চেষ্টা করবো।ধন্যবাদ তুলটকে আমার না হওয়া কবিতাটাকেও কবিতা হিসেবে প্রকাশের জন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/149139/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Sep 2022 05:03:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা তেমন একটা লিখিনা।তুলটের কবিদের অনন্য অসাধারণ কবিতাগুলো পড়ে লোভ সামলাতে পারলাম না।নিজেও লিখতে চেষ্টা করলাম।হয়তো কবিতা হয়ে উঠেনি।তবে ভাবছি তুলটের জন্য হলেও কবিতাটা লিখতে চেষ্টা করবো।ধন্যবাদ তুলটকে আমার না হওয়া কবিতাটাকেও কবিতা হিসেবে প্রকাশের জন্য।</p>
</div><div class="youzify-post-attachments">
		<div class="youzify-shared-wrapper">

			<div class="youzify-shared-wrapper-container">

				
				<div class="youzify-shared-attachments"></div>
				<div class="youzify-shared-description">
					<div class="youzify-shared-description-content">
												<div class="activity-avatar"><a href="https://toulot.com/lekhok-members/ripon185/"><img loading="lazy" data-src="https://toulot.com/wp-content/uploads/avatars/9111/1669903344-bpthumb.jpg" class="lazyload avatar user-9111-avatar avatar-50 photo" width="50" height="50" alt="Profile picture" /></a></div>
						<div class="youzify-shared-head">
							<a class="youzify-post-author" href="https://toulot.com/lekhok-members/ripon185/">Md Ahsan Ullah Ripon</a>
							<div class="youzify-timestamp-area"><i class="fas fa-globe-asia"></i><span class="youzify-separator-point">•</span> <a href="https://toulot.com/n_astream/p/148908/" class="view activity-time-since bp-tooltip" data-bp-tooltip="View Discussion"><span class="time-since" data-livestamp="2022-09-19T06:20:49+0000">3 years, 9 months ago</span></a></div>
						</div>
						<div class="youzify-shared-content"><div class="activity-inner"><p>কবিতা<br />
আঁধার যেন আসছে তেড়ে</p>
<p>ছোট বেলায় পড়েছিলাম,<br />
অ তে অজগর ঐ আসছে তেড়ে।<br />
সেই তেড়ে আসার ভয়ে ভীত আমি পালিয়ে যাইনি ঠিকই,<br />
তবে তেড়ে আসার ভয়টা মন থেকে উপলব্ধি করেছি।</p>
<p>সময়ের সাথে সাথে আজগরের তেড়ে আসা দৃষ্টিগোচর না হলেও,<br />
সমাজ সংসারের নানা বিপদের তেড়ে আসা দেখেছি।<br />
কখনো কখনো এই তেড়ে আসার স্বাধও নিয়েছি,<br />
পাশের বাড়ীর শিকারি কুকুর,রাস্তার বদ্ধ উম্মাদ থ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-148908"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/148908/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div></div>
					</div>
				</div>
							</div>
		</div>
		</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6f0f368038eb3f366479e446d73a1981</guid>
				<title>Md Ahsan Ullah Ripon and Emran-Hasan-Simanta are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/149056/</link>
				<pubDate>Mon, 19 Sep 2022 20:11:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8c186ceb2983104649aa15e90a32a20a</guid>
				<title>কবিতা
আঁধার যেন আসছে তেড়ে

ছোট বেলায় পড়েছিলাম, 
অ তে অজগর ঐ আসছে তেড়ে।
সেই তেড়ে আসার ভয়ে ভীত আমি পালিয়ে যাইনি ঠিকই,
তবে তেড়ে আসার ভয়টা মন থেকে উপলব্ধি করেছি।

সময়ের সাথে সাথে আজগরের তেড়ে আসা দৃষ্টিগোচর না হলেও,
সমাজ সংসারের নানা বিপদের তেড়ে আসা দেখেছি।
কখনো কখনো এই তেড়ে আসার স্বাধও নিয়েছি,
পাশের বাড়ীর শিকারি কুকুর,রাস্তার বদ্ধ উম্মাদ থেকে।

আজ আমি অন্য এক তেড়ে আসা আঁধারের ভয়ে ভীত।
এ আঁধার ধর্মান্ধতার।
এ আঁধার কুপমুন্ডকতার।
এ আঁধার অজ্ঞানতার।

সময়ের হাত ধরে আমরা এগিয়ে গেছি অনেক দূর।
থেমে থাকেনি পৃথিবীও।
জ্ঞানে বিজ্ঞানে এগিয়েছে দূর হতে দূর। 
চন্দ্র,মঙ্গল,বৃহষ্পতি ছাড়িয়ে সূর্যের কাছাকাছি।

আবিষ্কার আমাদের নিয়ে গেছে সূদূরে।
এখন বিশ্ব আমাদের হাতের মুঠোয়।
এখন দূর প্রবাসে থেকেও আমরা থাকি কত কাছাকাছি।
ঠিক যেন চোখের সামনে বসে থাকা।

সভ্যতার এ আলোয় যখন বিশ্ব ক্রমশঃ এগুচ্ছে প্রগতির দিকে,
ঠিক তখনি আমরা,এই বাংলার মানুষরা প্রতিনিয়ত হচ্ছি প্রগতিবিরুদ্ধ। 
ডুবে যাচ্ছি ধর্মান্ধতা আর কূপমন্ডুকতা র আঁধারে।
হারিয়ে যাচ্ছ মানবিকতার শেকড় থেকে।

যখন পৃথিবীর দেশে দেশে মানুষ জেগে উঠছে প্রগতির আলোর মিছিলে,
ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে ভাঙ্গতে সকল অনিয়ম,শৃঙ্খল।
তখন আমরা মেতে আছি পোশাকে।
আমরা ছুটছি স্বর্গের পথের সন্ধানে।

&quot;কোথায় স্বর্গ,কোথায় নরক,কে বলে তা বহুদূর।
মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক,মানুষেতে শূরাসুর।&quot;
কবির এমন বাণী ভুলে আমরা ছুটছি স্বর্গের সন্ধানে,
এক আলোহীন অনিশ্চিত গন্তব্যে।

&quot;শোণ হে মানুষ ভাই,
সবার উপরে মানুষ সত্য,তাহার উপরে নাই।&quot;
কবির এমন মহান বাণী ভুলে,
আমরা এখন মানুষে মানুষে গড়ে তুলছি ধর্মের দেয়াল।

মানুষের পরিচয় ভুলে আমরা এখন পরিচিত হতে দৌড়াচ্ছি ধর্ম নিয়ে।
মুসলমান হচ্ছি,হিন্দু হচ্ছি,বৌদ্ধ হচ্ছি,হচ্ছি খৃষ্টান। 
প্রমাণ করতে উম্মাদূ হচ্ছি ক্ষমতার দম্ভে।
আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া হচ্ছি ধর্মের পরিচয়ে।

আমাদের এই ধর্ম ধর্ম খেলায়, 
হারিয়ে যাচ্ছে মানবতা,মানবিকতা।
ভর করছে ধর্মান্ধতা আর কূপমন্ডুকতা র অমোঘ আঁধার।
আমরা হাঁসছি ধর্ম জয়ের আনন্দে।

আজ তাই মনে হচ্ছে,
অদ্ভুত আঁধার যেন আসছে তেড়ে।
অজগরের মত মন্থর গতিতে।
আমাদের প্রগতি,মানবতা,মানবিকতাকে ঘ্রাস করতে।

অদৃশ্য এ আঁধারের ভয়ে আমি ভীত সন্ত্রস্ত। 
এ আঁধার আমাদের নিয়ে যাবে এক ধর্মান্ধ আর কীপমুন্ডকতার জগতে।
বিজয়ী হবে ধর্ম আর পঙ্কিলতা।
পরাজিত হবে প্রগতি,মানবতা,মানবিকতা।

সর্বোপরি পরাজিত হবো আমরা। 
তেড়ে আসা আঁধারে হারিয়ে যাবে আমাদের সমাজ সংস্কৃতি,
আমাদের ইতিহাস,ঐতিহ্য।
হারিয়ে যাবে আলো,প্রগতির উজ্জ্বল আলো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/148908/</link>
				<pubDate>Mon, 19 Sep 2022 06:20:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা<br />
আঁধার যেন আসছে তেড়ে</p>
<p>ছোট বেলায় পড়েছিলাম,<br />
অ তে অজগর ঐ আসছে তেড়ে।<br />
সেই তেড়ে আসার ভয়ে ভীত আমি পালিয়ে যাইনি ঠিকই,<br />
তবে তেড়ে আসার ভয়টা মন থেকে উপলব্ধি করেছি।</p>
<p>সময়ের সাথে সাথে আজগরের তেড়ে আসা দৃষ্টিগোচর না হলেও,<br />
সমাজ সংসারের নানা বিপদের তেড়ে আসা দেখেছি।<br />
কখনো কখনো এই তেড়ে আসার স্বাধও নিয়েছি,<br />
পাশের বাড়ীর শিকারি কুকুর,রাস্তার বদ্ধ উম্মাদ থ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-148908"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/148908/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6d17120c97f8ef4730f5d204d3d76983</guid>
				<title>Md Ahsan Ullah Ripon and Fahad-Anjum are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/148837/</link>
				<pubDate>Mon, 19 Sep 2022 01:42:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">54fc1c281b7b7a31e11f1e9c21193a11</guid>
				<title>ছোটগল্প
অদৃশ্য লাল দাগ-১

রাস্তায় হঠাৎ গাড়ী থামিয়ে দরজা খুলে নেমে পড়লো আদি।দেবস্মিতা কিছুটা অপ্রস্তুত কণ্ঠে বললো,&quot;কোথায় যাচ্ছ?&quot;আদি কোন কথা না বলে গাড়ী থেকে নেমে অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা পাগলিনী মহিলাটির কাছে গেল।দেবস্মিতা অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে রইলো সেদিকে।দেবস্মিতার বিস্ময়ের ঘোর আরো বাড়লো যখন দেখলো আদি পকেট থেকে টিসু বের করে পরম মমতায় পাগলিনী মহিলাটির মুখ মুছে দিচ্ছেন।সামান্য দূরপর দোকান থেকে রুটি এনে মহিলাটিকে মুখে তুলে খাইয়ে দিচ্ছেন।জলের বোতলটা খুলে জল খাইয়ে হাতে জল নিয়ে মুখটা ধুয়ে দিয়ে আবার টিসু দিয়ে মুছে দিচ্ছে।বিস্ময়ে বাক শক্তি হারানোর অবস্থা হয়েছে দেবস্মিতার।কিন্তু আদি এমন ভাবে গাড়ীতে উঠে বসলো যেন কিছুই হয়নি।দেবস্মিতা গাড়ীর দরজার গ্লাসটা নামিয়ে মাথা বের করে একবার চারদিকটা দেখে নিলো।নাহ্,কেউ নেই।তার মানে আদির এতক্ষণের কর্মটি কারো কাছে দৃশ্যমান নয়।কেবল দেবস্মিতাই এ ঘটনার একমাত্র দৃশ্যমান স্বাক্ষী।

বাসায় এসেও এ ব্যাপারে কোন কথা বলতে ইচ্ছে করছে না দেবস্মিতার।আদির কান্ডে সে বিস্মিতই শুধু নয়,বাকরুদ্ধ ও বলা চলে।দেবস্মিতা ঠিক বিশ্বাস করতে পারছে না। আদির মত এত শিক্ষিত একজন মানুষ একজন পাগলিনী র সাথে এভাবে আচরণ করতে পারে এটা বিশ্বাস করতেই কষ্ট হচ্ছে দেবস্মিতার।কিন্তু নিজের চোখকেতো আর অবিশ্বাস করা যায় না?নিজের চোখেই সে দেখেছে আদি রাস্তার ঐ পাগলিনী টাকে পরম যন্তে মুখ মুছিয়ে দিয়েছে,খাবার কিনে মুখে তুলে খাইয়েছে এমনকি জল দিয়ে মুখটা ধুয়ে দিয়ে আবার মুছেও দিয়েছে।দেবস্মিতা ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না,এটা কি করে সম্ভব?
একটা বিষয় স্পষ্ট বুঝতে পেরেছে দেবস্মিতা তাহলে আদির এ কান্ডে কোনরূপ পাপ ছিলো না।ছিলো পরম শ্রদ্ধা,ভালোবাসা আর মায়া।আদি ঐ পাগলিনী র সাথে যা করছিলো তা কেবল একজন সন্তান তার মার সাথে করতে পারে যদি সে সন্তান হয় সু সন্তান।নচেৎ একজন পাগকিনীকে মায়ের মত সেবা করা সম্ভবপর নয়।আজকালকার সময়েতো একেবারেই নয়।এখনকার সময়ে সন্তান যখন সম্পত্তির জন্য পিতা মাতাকে ঘর থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছে,মারধর করছে,বিদ্যাশ্রমে দিচ্ছে সেখানে একজন পাগলিনীকে মায়ের যত্নে খাইয়ে দেয়া বিস্ময়েরই বটে।
বিছানায় এসে বালিশ ঠিক করে শুতে শুতে দেবস্মিতার দিকে তাকিয়ে আদি বললো,&quot;ঘুমিয়ে পড়েছ?&quot;দেবস্মিতা হালকা মাথা ঝাঁকিয়ে সম্মতি জানালো।আদি হেসে উঠে বললো,&quot;মাথা ঝাঁকিয়ে বুঝিয়ে দিলে তুমি এখনো ঘুমাও নি।তা ছাড়া গত তিনমাসে একদিনও তুমি আমার আগে বিছানায় এসে শুয়ে পড়নি।আজই এর ব্যতিক্রম হলো।বিষয়টা কি একটু বলবে?&quot;দেবস্মিতা কাঁথাটা বুকের উপর রেখে একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো,&quot;তেমন কিছু হয়নি।&quot;
--------- তুমিমকি কোন বিষয় নিয়ে খুব বেশী চিন্তিত?
--------- খুব বেশী চিন্তিত কি না জানিনা।তবে খুব বেশী বিস্মিত।
--------- তুমি কি সকালের ঘটনাটা নিয়ে ভাবছ?
দেবস্মিতা উঠে বসলো।বললো,&quot;তোমার কি মনেহয়? এটা ভাববার বিষয় নয়?&quot;আদি অন্য মনস্ক হয়ে বললো,&quot;অস্বাভাবিক মনে হলেতো অবশ্যই ভাবনার বিষয়।তোমার কি আমার আচরণটাকে অস্বাভাবিক মনে হয়েছে?&quot;
---------- অবশ্যই।
---------- আসলে তুমি এর আগে আমার সাথে আর কখনো ঘুরতে বের হওনিতো,তাই আমার আজকের কাজটা তোমার কাছে অস্বাভাবিক ঠিকছে।কিন্তু যারা আমার সাথে কিাচুদিন টানা ঘুরতে বেরিয়েছে বা যারা আমাকে ভালোভাবে জানে,তাদের কাছে আমাসর আজকের কাজটি কোন অস্বাভাবিক কাজ বলে মনে হবেনা।আরে কিছুদিন আমার সাথে ঘুরতে বের হলে আমার আজকের কাজটি তোমার কাছে স্বাভাবিক মনে হবে।
নাহ্,আর কথা বাড়ানো অনুচিত মনে হয়েছে দেবস্মিতার।তাই নীরব হয়ে গেছে।তবে মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েছে,আদির এ কাজের রহস্য উম্মোচন করতে হবে তাকে,সম্পূর্ণ  নিজের প্রয়োজনেই।
আদির সাথে দেবস্মিতার বিয়েটা হয়েছে সম্পূর্ণ পারিবারিক সম্মতিতে,সামাজিক রীতিতে।বলা যায় দেবস্মিতার বাবা নিজেই উপযাচক হয়ে আদির সাথে দেবস্মিতার বিয়েটা দিয়েছেন মাত্র মাস তিনেক আগে।যদিও বিয়েতে আদির পক্ষের কেউ তেমন একটা উপস্থিত ছিলো না।গার্ডিয়ান হিসেবে একজনই উপস্থিত ছিলেন তিনি দেবস্মিতার বাবা অনিরুদ্ধ চৌধরীর বস্ নিলাদ্রি রহমান।আদি তাঁকে বাবার মত শ্রদ্ধা করলেও আঙ্কেল বলে ডাকে।বিয়ের অনুষ্ঠানে তিনিই ছিলেন আদির একমাত্র গার্ডিয়ান। দেবস্মিতা তাঁর কাছ থেকেই আদির এ পাগলিনী কান্ডের বিষয়ে জানতে চাইবে বলে মনে মনে স্থির করে নেয়।
খুব একটা ভালো ঘুম হয়নি দেবস্মিতার।কোনো ভাবেই আদির ঘটনাটা চোখ থেকে তাড়াতে পারেনি সে।বার বার কেবল মনে হয়েছে আদির পাগলিনী কান্ডটি স্রেফ কোন ঘটনা নয়,এতে কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে।কি সেই রহস্য তা জানতেই আজ নিলাদ্রির বাসায় যেতে স্হির সিদ্ধান্ত  নেয় সে।আদি আজ অফিসে গেলে নিলাদ্রির সাথে কথা বলতে তাঁর বাসায় যাবে দেবস্মিতা।তাঁকে সব ঘটনা খুলে বলবে।জানতে চাইবে কারণ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/148779/</link>
				<pubDate>Sun, 18 Sep 2022 19:12:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছোটগল্প<br />
অদৃশ্য লাল দাগ-১</p>
<p>রাস্তায় হঠাৎ গাড়ী থামিয়ে দরজা খুলে নেমে পড়লো আদি।দেবস্মিতা কিছুটা অপ্রস্তুত কণ্ঠে বললো,&#8221;কোথায় যাচ্ছ?&#8221;আদি কোন কথা না বলে গাড়ী থেকে নেমে অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা পাগলিনী মহিলাটির কাছে গেল।দেবস্মিতা অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে রইলো সেদিকে।দেবস্মিতার বিস্ময়ের ঘোর আরো বাড়লো যখন দেখলো আদি পকেট থেকে টিসু বের করে পরম মমতায় পাগলিনী মহিলাটি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-148779"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/148779/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">89bfcbf5b5eb7b9efa69e5136ae772e0</guid>
				<title>তুলটে লেখা এটা আমার প্রথম গল্প।জানিনা কেমন হয়েছে।তবে পাঠকের ভালো লাগলে আমার লেখাটা স্বার্থক হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/148711/</link>
				<pubDate>Sun, 18 Sep 2022 16:15:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুলটে লেখা এটা আমার প্রথম গল্প।জানিনা কেমন হয়েছে।তবে পাঠকের ভালো লাগলে আমার লেখাটা স্বার্থক হবে।</p>
</div><div class="youzify-post-attachments">
		<div class="youzify-shared-wrapper">

			<div class="youzify-shared-wrapper-container">

				
				<div class="youzify-shared-attachments"></div>
				<div class="youzify-shared-description">
					<div class="youzify-shared-description-content">
												<div class="activity-avatar"><a href="https://toulot.com/lekhok-members/ripon185/"><img loading="lazy" data-src="https://toulot.com/wp-content/uploads/avatars/9111/1669903344-bpthumb.jpg" class="lazyload avatar user-9111-avatar avatar-50 photo" width="50" height="50" alt="Profile picture" /></a></div>
						<div class="youzify-shared-head">
							<a class="youzify-post-author" href="https://toulot.com/lekhok-members/ripon185/">Md Ahsan Ullah Ripon</a>
							<div class="youzify-timestamp-area"><i class="fas fa-globe-asia"></i><span class="youzify-separator-point">•</span> <a href="https://toulot.com/n_astream/p/148710/" class="view activity-time-since bp-tooltip" data-bp-tooltip="View Discussion"><span class="time-since" data-livestamp="2022-09-18T16:12:55+0000">3 years, 9 months ago</span></a></div>
						</div>
						<div class="youzify-shared-content"><div class="activity-inner"><p>ছোট গল্প<br />
সময়</p>
<p>প্ল্যাটফর্ম এর সামনের খোলা জায়গাটায় একটু জটলা দেখে এগিয়ে গেলাম।ভীঁড় ঠেলে সামনে যেতেই  চোখে পড়লো হাতে ডুগডুগি নিয়ে চল্লিশ পেরুনো একজন উুঁচু গলায় কথা বলছেন।তার সামনেই বসে আাছে পনেরো পেরুনে এক কিশোর।উুঁচু গলায় কথা বলা লোকটির নানাবিধ প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে কিশোরটি।খেয়াল করে দেখলাম,কিশোরের এক হাতে একটি ছোট কাঠের বক্স।সামনে রাখা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-148710"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/148710/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div></div>
					</div>
				</div>
							</div>
		</div>
		</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">05e4f6d603377108ef95e56d7a30e0f1</guid>
				<title>ছোট গল্প
সময়

প্ল্যাটফর্ম এর সামনের খোলা জায়গাটায় একটু জটলা দেখে এগিয়ে গেলাম।ভীঁড় ঠেলে সামনে যেতেই  চোখে পড়লো হাতে ডুগডুগি নিয়ে চল্লিশ পেরুনো একজন উুঁচু গলায় কথা বলছেন।তার সামনেই বসে আাছে পনেরো পেরুনে এক কিশোর।উুঁচু গলায় কথা বলা লোকটির নানাবিধ প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে কিশোরটি।খেয়াল করে দেখলাম,কিশোরের এক হাতে একটি ছোট কাঠের বক্স।সামনে রাখা আছে আরো কিছু কাঠের বক্স।বুঝলাম এরা সাপুড়ে।সাপ খেলা দেখাচ্ছে।ছোট বেলায় গ্রামের বাজারে অনেকবার এ সাপ খেলা দেখেছি।এখন আর এসবে তেমন কোনো আগ্রহবোধ করিনা।

মূলতঃ এ সাপ খেলা দেখানোর মূলে থাকে তাবিজ কবোজ বিক্রি করা। শরৎচন্দ্রের বিলাসী গল্পে এ সাপ খেলা দেখানোর আদি অন্ত ভালোভাবেই বিশ্লষণ করেছেন শরৎ বাবু।কলেজ জীবনে গল্পটি পড়েই মূলতঃ এ ধরণের সাপখেলা গুলো থেকে আগ্রহটা উঠে গেছে।অবশ্য সময়ের আবর্তে গ্রামের বাজারের এই জনপ্রিয় সাপখেলা  এখন হারাতে বসেছে।গ্রামের বাজারে এখন আর এসব সাপখেলার আসর জমতে দেখা যায় না।

সাপখেলার পাশাপাশি আরো একটা অত্যন্ত জনপ্রিয় আসর এখন বর জমেনা বললেই চলে,তাহলো যাদুর আসর।আগে গ্রামের হাট বারে প্রায়শঃই দেখা মিলতো এই যাদুর আসর।এখানে যাদুর পাশাপাশি বিভিন্ন খেলাধুলা হতো।বিশেষ করে সার্কাসের খেলাগুলোর দেখা মিলতো এ সব যাদুর আসরে।সাথে থাকতো গান।মাঝে মাঝে নাচও হতো এসব আসরের আকর্ষন।এখন আর এসব চোখে পড়েনা।সার্কাসটাতো হারাতে বসেছে।আর গান নাচটাও যেন ক্রমশঃ বিলুপ্তির পথে হাঁটছে।

ভিঁড় ঠেলে বেরুতে যাব,হঠাৎই চোখ পড়লো উঁচু গলায় কথা বলা লোকটির দিকে।মাথার পাগড়ীটা খোলাতে এখন তার দাঁড়ি ভরা মুখটি দেখে কেন যেন খুব চেনা মনে হচ্ছে।ভালো করে দেখতেই মুখটা স্পষ্ট হলো।হ্যাঁ,এ যে দবির।আমার এক সময়ের সহপাঠী দবিরুল ইসলাম।কলেজ জীবনে আমরা একই সাথে পড়েছি।দু&#039;জনেই বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলাম।আমি অবশ্য দবিরের মত এতটা ব্রিলিয়ান্ট ছিলাম না।তথাপিও দবিরের সাথে আমার সম্পর্কটা ছিলো অনেক সাবলীল।এর একটা কারণও অবশ্য ছিলো।বলা যায় কারণটা সেই শরৎ বাবুর বিলাসী নির্ভর।

মূলতঃ দবির ছিলো বেদে সম্প্রদায়ের।তার বাবা ছিলেন বেদে সম্প্রদায়ের একজন সর্দার।আমাদের এলাকায় বর্ষায় নৌকায় করে এসে বসতি গাঁড়েন। কবির সর্দার নামের এ মানুষটি খুব সহজেই এলাকায় নিজের একটা জায়গা তৈরি করে নেন।ওঁজা হিসেবে শুধু নামই কামান নি বরং কামিয়েছেন জমি জিরাতও।বাড়ী করেছেন আমাদের গ্রামেই।কবির সর্দারের বাড়ী হিসেবে নিজের বাড়ীর নামটি প্রতিষ্ঠিত করার অনেক চেষ্টা করেও সফল হন নি।বাড়ীটি এলাকায় পরিচিত হয়েছে ওঁজার বাড়ী হিসেবে।এলাকার প্রভাবশালীরা অবশ্য এ নামটিও ব্যবহার করতো না।অনেকটা তিরস্কার করে বলতো বেয়াইজ্জা ওঁজার বাড়ী।

কবির সর্দার সাপ নিয়ে কাজ করলেও তাঁর চার ছেলের একজনকেও এই পেশায় আনতে চান নি।ফলে একেকজনকে একেকটা পেশার মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছেন। বড় ছেলে সগিরকে গ্রামের বাজারে ক্রোকারীজের দোকানি বানিয়েছেন।মেজ ছেলে আবির টেইলার্স হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।সেজ ছেলে  জাবির হয়েছে সিকিউরিটি গার্ড।ছোট ছেলে দবিরের মেধা দেখে তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি।মূল ধারার পড়ালেখায় পড়তে দবিরকে এলাকার একটি নামী কিন্ডারগার্টেন এ পারতে পড়তে দিয়েছিলেন।দবিরের এস এস সি টা মূলতঃ ঐ কিন্ডারগার্টেন স্কুল থেকেই পাশ করা।ফলাফলটা মোটামুটি ভালোই ছিলো তার।

আমার সাথে দবিরের পরিচয় কলেজ জীবনে।কলেজের প্রভাবশালী ছাত্রগুলো দবিরের সাথে খুব একটা মিশতো না বলেই হয়তো আমার মেশার সুযোগ তৈরী হয়েছিলো।একই স্যারের কাছে পড়ার সুবাধপই আমাদের কাছাকাছি আসা।কবির সে সময় আমাকে খুব সহযোগীতা করতো।হয়তো নিজের একাকীত্ব গোঁছানোর প্রয়োজনেই।

শরৎ বাবুর বিলাসী গল্পের খুঁটি নাটি বিষয়গুলো আমাকে হাতে নাতে বুঝিয়ে দিয়েছিলো দবিরই।সে সময় বেশ ক&#039;বার গিয়েছিলাম দবিরদের বাড়ীতে।সরাসরি সাপ দেখা,ধরা সব ওখান থেকেই।আমার সাপের ভয়টা কেটেছে দবিরের জন্যই।সাপখেলা নামক ব্যবসাটির প্রতি শ্রদ্ধাও কমেছে দবিরের কারণেই।দবির প্রায়শঃই বলতো,&quot;সাপ ধরা,সাপখেলা দেখানো,তাবিজ কবোজ বিক্রি এ সবই এক ধরণের ধোঁকাবাজি। সাপ ধরায় সাহস লাগলেও মন্ত্র টন্ত্র বলে কিচ্ছু নেই।এগুলো হচ্ছে মানুষকে ধোকা দেয়ার একটা ফর্মূলা মাত্র।আর তাবিজ কবোজ? এতো পুরাই ভাওতাবাজি।রাস্তার পাশ থেকে তুলে আনা কিছু গাছের শেকড় দেখে সাপ ভয় পায়,এটা একটা চুড়ান্ত ধোঁকাবাজি। &quot;

সেই দবিরই আজ শহরের ফুটপাতে দাঁড়িয়ে সাপখেলা দেখাচ্ছে? অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে বিষয়টা।অথচ কলেজ শেষ করে ডাক্তারী পড়ার স্বপ্ন বুকে নিয়েই গ্রাম ছেড়ে শহরে গিয়েছিলো দবির।তাহলে ও কেন আজ আবার সেই পৈত্রিক ব্যবসায়?কৌতুহল থেকেই চুপ চাপ দাঁড়িয়ে থেকে  অপক্ষায় রইলাম দবিরের সাপখেলা শেষ হওয়ার।

প্রায় দু,যুগেরও বেশী সনয় পর দবিরকে দেখেও চিনতে খুব একটা কষ্ট হয়নি।কবিরও আমাকে চিনেছে সহজে তা বুঝলাম ওর মুখের হাসি দেখে।জড়িয়ে ধরে বললো,&quot;তুই? এখানে?&quot;বললাম,&quot;আমিতে এ শহরেই থাকি।ছোট একটা চাকুরী করি।কিন্তু তুই?আমি ঠিক বিশ্বাস করতে পারছি না।&quot;দবির আমার কাঁধে হাত রেখে বললো,&quot;পৃথিবীতে এমন অনেক অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটে যা আমরা সহজে বিশ্বাস করতে পারি না।তাই বলে ওসব ঘটনা অসত্য হয়ে যায় না।&quot;
----------- কিন্তু, তোর তো ডাক্তার হওয়ার কথা ছিলো।তুই আজ ফুটপাতে কেন?
----------- সবই সময়ের খেলারে।সময়ই আমাদেরকে মাঝে মাঝে লাইনচুত্য করে পথে নামিয়ে দেয়।আমিও সেই সময়ের কাছেই পরাজিত একজন।
----------- পড়ালেখা ছাড়লি কেন?
----------- ছেড়েছি বললে ভুল বলা হবে।বলতে পারিস ছাড়তে বাধ্য হয়েছি।
----------- মানে?
----------- সে অনেক কথা।আরেক দিন শুণিস।
----------- নাহ্,আমি আজই শুণতে চাই।
------------ বেশ,তাহলে চল।
------------ কোথায়?
------------ আমার বাসায়।

হাঁটতে হাঁটতে দবিরের কাছ থেকে জানলাম তার আজকের জায়গায় এসে দাঁড়ানোর গল্প।

&quot;শহরে যাবার কয়েকদিনের মাথায় বাবার অসুস্থতার কথা শুণে গাঁয়ে ফিরে যাই।বাবাকে শহরে নিয়ে এসে হাসপাতালে হাসপাতালে দৌড়াদৌড়িতে কেটে যায় কয়েক মাস।মেডিকেলে ভর্তির চেষ্টার চাইতে বাবাকে সুস্থ্য করে তোলাটাকেই সময় সাপেক্ষ মনে হয়।মা আর আমি দীর্ঘ এক বছর অনেক চেষ্টা, চিকিৎসা করেও বাঁচাতে পারিনি বাবাকে।গ্রামের সহায় সম্পত্তি ভাইয়েরা নিজেদের নামে করে নেয়ায় বাবা মারা যাওয়ার পর আমি একেবারে নিঃশ্ব হয়ে পড়ি।বাবার নামের ভিটামাটি টুকু বিক্রি করে মাকে নিয়ে শহরে থাকতে শুরু করি।লেখাপড়া করার ইচ্ছা মাথা থেকে তাড়িয়ে মাকে নিয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রামটাই সময়ানুগ বলে মনে হয়।কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও একটা চাকুরী জোগাড় করতে ব্যর্থ হই।কোনো মতে খেয়ে না খেয়ে কাটতে থাকে সময়।

বছর দুয়েক কোন মত কাটিয়ে হাঁপিয়ে উঠি।মা ও ক্রমশঃ অসুস্থ হয়ে পড়েন।সংসারের খরচ জোগাতে গিয়ে যেন আর পেরে উঠছিলাম না।সে সময়ই পরিচয় তৃষিতার সাথে।ওর বাবার সাথে কথা বলে জানলাম সম্পর্কে তিনি আমাদের আত্নীয় হন।আমার বাবাকে তিনি গুরু বলেন।এই সাপখেলা বাবার কাছেই শিখেন তিনি।যদিও তিনি কোন বেদে পরিবার থেকে আসেন নি।বরং সময়ের প্রয়োজনে বেদেদের এই সাপখেলাটাকে পেশা করে নিয়েছেন।বলতে পারিস তিনিই আমাকে উৎসাহিত করেন এ ধোকাবাজিকে পেশা হিসেবে নিতে।সময়ের কাছে পরাজিত আমিও অনিচ্ছা সত্ত্বেও নাম লেখাই এই পেশায়।হয়ে উঠি দবির সর্দার।&quot;

খালাম্মা আমাকে দেখে চিনলেন। কাছে ডেকে আদর করলেন।প্রাণ খুলে কথা বললেন।পরিচয় করিয়ে দিলেন তৃষিতার সাথে

কথা প্রসঙ্গে জানলাম,দবিরের দু&#039;সন্তান। ছেলেটা এবার এস এস সি দিচ্ছে। আর মেয়েটা মেডিকেলে পড়ছে।

বাসা থেকে বেরুনোর সময় দবির আমার হাত ধরে বললো,&quot;সময়ের কাছে একেবারে যে হেরে গেছি,তা নয়রপ।নিজের নীতি আর আদর্শ কে জলাঞ্জলি দিয়ে স্বপ্নকে কোরবানি করে দবির সর্দার হয়ে গেলেও আমি আমার স্বপ্ন ভুলে যাইনিরে।সময়ের কাছে হার মেনে পৈত্রিক পেশায় ফিরে গেলেও আমার সন্তানদের সময়কে পাড়ি দেয়ার যোগ্য করে গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছি।আমার বাবার দেখা স্বপ্নটা আমি পুরণ করতে না পারলেও সে স্বপ্ন পুরণের চেষ্টা কিন্তু থেমে থাকেনি।আর কয়েক বছর পর আমার মেয়েটা যখন ডাক্তার হয়ে বেরুবে,তখন আমি গর্বের হাসি হেসে বলতে পারবো,সময়কে টপকাতে পেরেছি আমি।স্বপ্নকে জয় করতে পেরেছি আমি।জয় করতে পেরেছি সময়কেও।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/148710/</link>
				<pubDate>Sun, 18 Sep 2022 16:12:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছোট গল্প<br />
সময়</p>
<p>প্ল্যাটফর্ম এর সামনের খোলা জায়গাটায় একটু জটলা দেখে এগিয়ে গেলাম।ভীঁড় ঠেলে সামনে যেতেই  চোখে পড়লো হাতে ডুগডুগি নিয়ে চল্লিশ পেরুনো একজন উুঁচু গলায় কথা বলছেন।তার সামনেই বসে আাছে পনেরো পেরুনে এক কিশোর।উুঁচু গলায় কথা বলা লোকটির নানাবিধ প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে কিশোরটি।খেয়াল করে দেখলাম,কিশোরের এক হাতে একটি ছোট কাঠের বক্স।সামনে রাখা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-148710"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/148710/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>