<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Shahed Biplob | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/shahedbiplob/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/shahedbiplob/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Shahed Biplob.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 18 Jun 2026 10:53:36 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">3db2cf264cc6c98d5989de6bcdccbc4b</guid>
				<title>করতে হবে জয়
সাহেদ বিপ্লব

ঘুমিয়ে থেকে যায় কি দেখা নতুন কিছু বলো
সফলতা আনতে হলে নতুন পথে চলো।
সাহস এবং শক্তি নিয়ে বুকে দিবে ঠাঁই
বলবে সমাজ তোমায় দেখে এমন ছেলে চাই।

সৃষ্টি দিয়ে ভরিয়ে দিবে আমাদের এই দেশ
তোমার জন্য আমরা পাবো মধুর পরিবেশ।
এমন কাজে সবাই আসুক হোক না ভালো মন
সব মানুষের প্রিয় হবো সবার আপনজন।

শ্রম ছাড়া হয় না কিছু হয় না কিছু আর
সবার দুঃখে থাকবো সবাই থাকবো একাকার।
এমন নীতি হোক না সবার এই নীতিতে চলি
দেশকে ভালোবেসে সবাই দেশের কথা বলি।

আর থেকো না ঘরে বসে আর রেখো না ভয়
হাতের মুঠোই বিশ্ব নিয়ে করতে হবে জয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241989/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 02:07:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>করতে হবে জয়<br />
সাহেদ বিপ্লব</p>
<p>ঘুমিয়ে থেকে যায় কি দেখা নতুন কিছু বলো<br />
সফলতা আনতে হলে নতুন পথে চলো।<br />
সাহস এবং শক্তি নিয়ে বুকে দিবে ঠাঁই<br />
বলবে সমাজ তোমায় দেখে এমন ছেলে চাই।</p>
<p>সৃষ্টি দিয়ে ভরিয়ে দিবে আমাদের এই দেশ<br />
তোমার জন্য আমরা পাবো মধুর পরিবেশ।<br />
এমন কাজে সবাই আসুক হোক না ভালো মন<br />
সব মানুষের প্রিয় হবো সবার আপনজন।</p>
<p>শ্রম ছাড়া হয় না কিছু হয় না কিছু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241989"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241989/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">db0a7dd3a5a77784cd4eeaef9ce40d23</guid>
				<title>ছোট গ্রামখানি
সাহেদ বিপ্লব

ছোট গ্রামখানি গিয়েছি ভুলিয়া শহর পানে এসে
তবু যে আমার বারবার ডাকে প্রিয় যে নামে কে সে। 
সেখানে আছে পরে যে আমার প্রিয় স্মৃতিখানি
ফেলে আসা সেই স্মৃতিখানি করে যে টানাটানি।

শহরে এসে ভুলা কি যায় মনে পড়ে বারবার
কানামাছি আর দড়ি টানাটানি মনে পড়ে শুধু আর।
এমনি করে কতো স্মৃতি আমি ফেলে এলাম সেই গাঁয়ে
কতো ঘুরেছি নদীর জলে ছোট সেই প্রিয় নায়ে।

আমারে আজ শহরে বাধে না মন পড়ে রয় পাড়া গাঁয়
এমন করিয়া আমাদের পানে কেউ কি ডাকে আয়।
তবু তো থাকি এই শহরে একদিন মেলিবো ডানা
শহর ছেড়ে উড়াল দেবো শুনিবো না কারো মানা।

গ্রাম আমার জন্ম দিয়েছে ভালোবাসে বারবার
গ্রাম আমার মায়ের মতো তার তুলনা তার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241988/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 02:05:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছোট গ্রামখানি<br />
সাহেদ বিপ্লব</p>
<p>ছোট গ্রামখানি গিয়েছি ভুলিয়া শহর পানে এসে<br />
তবু যে আমার বারবার ডাকে প্রিয় যে নামে কে সে।<br />
সেখানে আছে পরে যে আমার প্রিয় স্মৃতিখানি<br />
ফেলে আসা সেই স্মৃতিখানি করে যে টানাটানি।</p>
<p>শহরে এসে ভুলা কি যায় মনে পড়ে বারবার<br />
কানামাছি আর দড়ি টানাটানি মনে পড়ে শুধু আর।<br />
এমনি করে কতো স্মৃতি আমি ফেলে এলাম সেই গাঁয়ে<br />
কতো ঘুরেছি নদীর জলে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241988"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241988/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fbb269f8cd0726b2ad18adadfe7e8437</guid>
				<title>ঈদের ছুটি
সাহেদ বিপ্লব

দেশটা জুড়ে খুশির হাওয়া বাজছে খুশির বীণ
চাঁদ উঠেছে দূর আকাশে আজকে ঈদের দিন।
ঘরে ঘরে ফিরনি পায়েস আসে দারুণ ঘ্রাণ
রোজার শেষে ঈদটা এসে ভরিয়ে দিলো প্রাণ।

কোথায় আছিস পাড়ার ছেলে আয় না ছুটে আয় 
তোদের ছেড়ে ঈদের দিনে যায় কি থাকা যায়?
তাই তো আমি ছুটে এলাম শহর ছেড়ে গাঁয়ে
তোদের নিয়ে ঘুরতে যাবো ঘাটে বাধা নায়ে।

কি দারুণ সেই খালের পানি মধুর মনে হয়
ভাবতে গিয়ে ঐ শহরে মনটা কি আর রয়।
তাই তো আমি ছুটে আসি ঈদের ছুটি পেলে
নাই শহরে দয়া মায়া দেখবে সেথায় গেলে।

নাড়ীর টানে গাঁয়ে ফিরি কি মায়াবী টান
তোদের দেখার জন্য আমার মন করে আনচান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241987/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 02:04:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঈদের ছুটি<br />
সাহেদ বিপ্লব</p>
<p>দেশটা জুড়ে খুশির হাওয়া বাজছে খুশির বীণ<br />
চাঁদ উঠেছে দূর আকাশে আজকে ঈদের দিন।<br />
ঘরে ঘরে ফিরনি পায়েস আসে দারুণ ঘ্রাণ<br />
রোজার শেষে ঈদটা এসে ভরিয়ে দিলো প্রাণ।</p>
<p>কোথায় আছিস পাড়ার ছেলে আয় না ছুটে আয়<br />
তোদের ছেড়ে ঈদের দিনে যায় কি থাকা যায়?<br />
তাই তো আমি ছুটে এলাম শহর ছেড়ে গাঁয়ে<br />
তোদের নিয়ে ঘুরতে যাবো ঘাটে বাধা নায়ে।</p>
<p>কি দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241987"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241987/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a185e7694974df187ac0d8ae2c4a131e</guid>
				<title>দেশটা ভীষণ প্রিয়
সাহেদ বিপ্লব

দেশটা আমার ভীষণ প্রিয় সোনার বাংলাদেশ
এমন দেশটি কোথায় পাবে- না তো রূপের শেষ।
তাই তো আমি বিদেশ ছেড়ে গাঁয়ের পথে হাঁটি
মাঠের পরে মাঠ চলে যায় বিছিয়ে শীতর পাটি।

এটা হলো সাত পুরুষের আমার জন্মভূমি
মায়ের হাসি তোমার ভিতর-কি অপরূপ তুমি।
তাই তো আমি যাই না কোথাও দেশকে ভালোবেসে
দেশের স্মৃতি আমার মনে তাই প্রতিদিন আসে।

আসো সবাই ঝাপিয়ে পড়ে দেশের কাজটা করি
দেশের কাজে চলতে হবে দেশের হালটা ধরি।
এমন করে আমরা সবাই করি দেশের কাজ
কোথায় তুমি কোথায় আমি বেরিয়ে আসি আজ।

দেশকে নিয়ে ভাবতে হবে তুমি এবং আমি
দেশটা হলো সবার চেয়ে অনেক বেশি দামি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241777/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Mar 2026 03:22:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দেশটা ভীষণ প্রিয়<br />
সাহেদ বিপ্লব</p>
<p>দেশটা আমার ভীষণ প্রিয় সোনার বাংলাদেশ<br />
এমন দেশটি কোথায় পাবে- না তো রূপের শেষ।<br />
তাই তো আমি বিদেশ ছেড়ে গাঁয়ের পথে হাঁটি<br />
মাঠের পরে মাঠ চলে যায় বিছিয়ে শীতর পাটি।</p>
<p>এটা হলো সাত পুরুষের আমার জন্মভূমি<br />
মায়ের হাসি তোমার ভিতর-কি অপরূপ তুমি।<br />
তাই তো আমি যাই না কোথাও দেশকে ভালোবেসে<br />
দেশের স্মৃতি আমার মনে তাই প্রতি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241777"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241777/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3831838fe5d7b59e288c6216ac2f5246</guid>
				<title>স্বপ্ন দেখি
সাহেদ বিপ্লব

স্বপ্ন ছাড়া এগিয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নাই
স্বপ্ন দেখে চলতে হবে স্বপ্ন দেখা চাই।
ঘুরে ঘুরে তুমি যদি সময় করো পার
ব্যর্থ হবে তুমি তখন দোষটা দেবে কার?

তাই তো বলি থাকতে সময় জেগে উঠো তুমি
না জাগিলে তোমার জীবন হবে মরুভূমি।
আমরা তো চাই জেগে উঠো যেমন ওঠে রবি
ভালো হলে দেশের মানুষ তোমার কথা কবি।

তবে কেনো ঘুমিয়ে থেকে সময় করো পার
কষ্ট করে আনতে হবে তোমার উপহার।
সফল হলে সবাই চেনে ডাকবে সকল লোকে
ব্যর্থ হয়ে মরে গেলেও আসবে না কেউ শোকে।

তাই তো বলি হালটা ধরো জীবন গড়ার জন্য
সফলতা আনতে হবে ধন্য জীবন ধন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241776/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Mar 2026 03:20:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্ন দেখি<br />
সাহেদ বিপ্লব</p>
<p>স্বপ্ন ছাড়া এগিয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নাই<br />
স্বপ্ন দেখে চলতে হবে স্বপ্ন দেখা চাই।<br />
ঘুরে ঘুরে তুমি যদি সময় করো পার<br />
ব্যর্থ হবে তুমি তখন দোষটা দেবে কার?</p>
<p>তাই তো বলি থাকতে সময় জেগে উঠো তুমি<br />
না জাগিলে তোমার জীবন হবে মরুভূমি।<br />
আমরা তো চাই জেগে উঠো যেমন ওঠে রবি<br />
ভালো হলে দেশের মানুষ তোমার কথা কবি।</p>
<p>তবে কেনো ঘুমিয়ে থেকে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241776"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241776/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">07b5374230552fcdd8a76c63e648b6d8</guid>
				<title>নিপাত যাবে
সাহেদ বিপ্লব

কোথা থেকে এলে তুমি কোথা থেকে আমি
দম ফুরালে সোনার দেহ আর হবে না দামি।
তাই তো বলি ভালো হয়ে ভালো কথা বলি
কোরআনের আলো দিয়ে ভালোর পথে চলি।

যতই করো ভিলকি বাজি করো টাকার পাহাড়
এক জনমে পারবে না আর সকল কিছু আহাড়।
মিছে মিছে ছুটে চলা সোনালী দিনের পিছে
দম ফুরালে তোমার তো নয় সকল কিছু মিছে।

তখন রবে পদপদবী কোটি টাকার বাড়ি
কবর মাঝে রেখে দেবে আর বরে না আড়ি।
তাই তো বলি থাকতে সময় সেই প্রভুকে ডাকি
আল কোরআনের মহান বাণী হৃদয় মাঝে রাখি।

এমন হলে চলার পথে আর হবে না ভুল
নিপাত যাবে মন্দগুলো ফুটবে আলোর ফুল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241774/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Mar 2026 03:16:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিপাত যাবে<br />
সাহেদ বিপ্লব</p>
<p>কোথা থেকে এলে তুমি কোথা থেকে আমি<br />
দম ফুরালে সোনার দেহ আর হবে না দামি।<br />
তাই তো বলি ভালো হয়ে ভালো কথা বলি<br />
কোরআনের আলো দিয়ে ভালোর পথে চলি।</p>
<p>যতই করো ভিলকি বাজি করো টাকার পাহাড়<br />
এক জনমে পারবে না আর সকল কিছু আহাড়।<br />
মিছে মিছে ছুটে চলা সোনালী দিনের পিছে<br />
দম ফুরালে তোমার তো নয় সকল কিছু মিছে।</p>
<p>ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241774"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241774/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1211196953a18ffbe4d552f9f212af54</guid>
				<title>আবার স্বপ্ন দেখি
সাহেদ বিপ্লব 

আমার কথা মনে পড়ে না এখন তোমার
আমি আজও ভুলি নাই
সেই ফেলে আসা স্মৃতি আমাকে ডাকে
স্মৃতির আয়নায়।

আবার কি হবে দেখা-দূর থেকে বহুদূর
হেঁটে হেঁটে যাবো তুমি আর আমি
সমুদ্র পাড় দিয়ে কোনো এক বিকেলে
এমন আশা নিয়ে পথ পানে চেয়ে থাকি।

শহরের কোলাহল ছেড়ে ফিরতে চাই আমি
যদি দেখা হয় এমন আশায় 
পাশাপাশি কাছাকাছি দু‘জন
এক পথে হেঁটে যাবো বহুদূর
যদি দেখা হয় আবার স্বপ্ন দেখি 
এই হাতে হাত রাখি- তুমি আর আমি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241674/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 09:31:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আবার স্বপ্ন দেখি<br />
সাহেদ বিপ্লব </p>
<p>আমার কথা মনে পড়ে না এখন তোমার<br />
আমি আজও ভুলি নাই<br />
সেই ফেলে আসা স্মৃতি আমাকে ডাকে<br />
স্মৃতির আয়নায়।</p>
<p>আবার কি হবে দেখা-দূর থেকে বহুদূর<br />
হেঁটে হেঁটে যাবো তুমি আর আমি<br />
সমুদ্র পাড় দিয়ে কোনো এক বিকেলে<br />
এমন আশা নিয়ে পথ পানে চেয়ে থাকি।</p>
<p>শহরের কোলাহল ছেড়ে ফিরতে চাই আমি<br />
যদি দেখা হয় এমন আশায়<br />
পাশাপাশি কাছাকাছি দু‘জন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241674"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241674/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c565402adc29b747cd639c3c8c8676cd</guid>
				<title>স্মৃতিখানি
সাহেদ বিপ্লব

এখনও আমার মনে শুধু ধু-ধু করা সেই মাঠ
জীবন গড়তে নিত্য নতুন করেছি কত পাঠ।
এইভাবে দিন কেটেছে কত স্মৃতিখানি পড়ে মনে
খেলার সাথীদের সাথে নিয়ে হারিয়েছি কত বনে।

এখন আমি শহরে থাকি ভুলি নাই সেই কথা
সেই স্মৃতিখানি মনে হলে লাগে ভীষণ ব্যথা।
এমন করে যায় কি থাকা এই শহরে আমি
শহর তো নয় গ্রামখানি আমার কাছে দামি।

যখন ফিরি গাঁয়ের পথে শীতল হলো বুক
ঢাকার শহর জানজট বাধা নাই তো কোন সুখ।
সেখানে থাকে মা জননী বাতাসে উড়ে চুল
গাছে গাছে আজ মিলনমেলা ফুটেছে রঙিন ফুল।

একদিন আমি আসিব ফিরে সবুজ সোনার গাঁয়
সোনার ফসলে ভরিয়াছে মাঠ আয় না তোরা আয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241457/</link>
				<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 14:28:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্মৃতিখানি<br />
সাহেদ বিপ্লব</p>
<p>এখনও আমার মনে শুধু ধু-ধু করা সেই মাঠ<br />
জীবন গড়তে নিত্য নতুন করেছি কত পাঠ।<br />
এইভাবে দিন কেটেছে কত স্মৃতিখানি পড়ে মনে<br />
খেলার সাথীদের সাথে নিয়ে হারিয়েছি কত বনে।</p>
<p>এখন আমি শহরে থাকি ভুলি নাই সেই কথা<br />
সেই স্মৃতিখানি মনে হলে লাগে ভীষণ ব্যথা।<br />
এমন করে যায় কি থাকা এই শহরে আমি<br />
শহর তো নয় গ্রামখানি আমার কাছে দামি।</p>
<p>যখন ফ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241457"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241457/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a2e0d228bab67118e15b30c4f3cc57c8</guid>
				<title>ছোট গ্রামখানি
সাহেদ বিপ্লব

ছোট গ্রামখানি গিয়েছি ভুলিয়া শহর পানে এসে
তবু যে আমার বারবার ডাকে প্রিয় যে নামে কে সে
সেখানে আছে পরে যে আমার প্রিয় স্মৃতিখানি
ফেলে আসা সেই স্মৃতিখানি করে যে টানাটানি।

শহরে এসে ভুলা কি যায় মনে পড়ে বারবার
কানামাছি আর দড়ি টানাটানি মনে পড়ে শুধু আর।
এমনি করে কতো স্মৃতি আমি ফেলে এলাম সেই গাঁয়ে
কতো ঘুরেছি নদীর জলে ছোট সেই প্রিয় নায়ে।

আমারে আজ শহরে বাধে না মন পড়ে রয় পাড়া গাঁয়
এমন করিয়া আমাদের পানে কেউ কি ডাকে আয়।
তবু তো থাকি এই শহরে একদিন মেলিবো ডানা
শহর ছেড়ে উড়াল দেবো শুনিবো না কারো মানা।

গ্রাম আমার জন্ম দিয়েছে ভালোবাসে বারবার
গ্রাম আমার মায়ের মতো তার তুলনা তার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240613/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 07:46:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছোট গ্রামখানি<br />
সাহেদ বিপ্লব</p>
<p>ছোট গ্রামখানি গিয়েছি ভুলিয়া শহর পানে এসে<br />
তবু যে আমার বারবার ডাকে প্রিয় যে নামে কে সে<br />
সেখানে আছে পরে যে আমার প্রিয় স্মৃতিখানি<br />
ফেলে আসা সেই স্মৃতিখানি করে যে টানাটানি।</p>
<p>শহরে এসে ভুলা কি যায় মনে পড়ে বারবার<br />
কানামাছি আর দড়ি টানাটানি মনে পড়ে শুধু আর।<br />
এমনি করে কতো স্মৃতি আমি ফেলে এলাম সেই গাঁয়ে<br />
কতো ঘুরেছি নদীর জ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240613"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240613/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe1aa21caccf6b281da01e67775be3a0</guid>
				<title>কুসুমপুর
সাহেদ বিপ্লব

কুসুমের মত গ্রাম কিন্তু মানুষগুলো মোটেই কুসুমের মত নয়। সারাদিন মারামারি নিয়ে থাকে। তবু কে যে এই গ্রামের নাম কুসুমপুর রেখে ছিলো তা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন। সারাদিন ফুসফাস আলাপ করে। নদীতে কবে চর ভাসবে, কে কার আগে দখল নেবে এইসব। প্রতি বারেই দুই চারজন লোক খুন হয় চর দখল নিয়ে। 
তারপরও থেমে নেই। এইসব নিয়ে থানায় ছুটাছুটি তবু কি তারা থামে? যার টাকা বেশি সেই জিতে আসে। 
সামাদ আলী সারাদিন এইসব নিয়েই থাকে। দশ ছেলে তার। দুই চেয়ারম্যান তাকে নিয়ে টানাটানি। মারামারি করতে হলে লাঠি দরকার। তাই চেয়ারম্যান বেশি টাকা দিয়ে তার দশ ছেলেকে কিনে নেয়। এই টাকা পেয়ে আনন্দে দিন কাটে তার। সারাদিন চায়ের দোকানে গল্প, চা খায় দশ বার কাপ আর সিগারেট তো আছেই। বাজার থেকে বড় বড় মাছ কিনে আনে।
তরকারির ঘ্রাণে দুই চার বাড়ির মানুষ ঘরে থাকা দায়। বিয়ে করেছে বেশ কিছু বড় বৌ ছাড়া সবাই টা-টা দিয়ে চলে গেছে। বড় বৌ টা-টা দিতে চেয়েছে অনেক বার কিন্তু পারেনি ছেলেগুলোর মুখের দিকে চেয়ে।
প্রতিদিনের মত সামাদ আলী বারান্দায় বসে পায়ের উপর পা রেখে সিগারেট টানছে। গ্রামের দুই চারজন লোক এসেছে। এরা প্রতিদিন আসে কি সব গল্প করে আর মাঝে মাঝে শব্দ করে হেসে দেয় সবাই মিলে। 

ইদ্রিস আলীর এ সবের দিকে তেমন খেয়াল নেই। সে আছে তার তালে। গ্রামের সব মানুষ চর দখল নিয়ে মেতে থাকে আর তার আছে সারাদিন কাজ আর কাজ।
ইদ্রিস আলী সামাদ আলীর ছোট ভাই। বাবা মারা যাওয়ার সাথে সাথে সামাদ আলী বিয়ে করে দুই দিন যেতে না যেতেই দশ বছরের ইদ্রিস আলীকে বলে দিল, তুমি তোমার মত কাজ করে খাও। আমি আর তোমাকে খাওয়াতে পারব না।
বাবার যেটুকু জমি ছিলো ফাঁকি দিয়ে সামাদ আলী তার নিজের নামে লিখে নিয়েছে।
গ্রামের মানুষ যখন বলল, দশ বছরের ছেলেকে যখন তুমি ভাত কাপড় দেবে না, তখন বাবার জমি সমান ভাগে ভাগ করে দাও।
তখন সামাদ আলী ঘর থেকে দলিল বের করে এনে দেখিয়ে বলল, বাবা তাকে সব জমি খুশি হয়ে দিয়ে গেছে। এই দলিল দেখে গ্রামের মানুষের বুঝতে আর বাকি থাকলো না এ সব সামাদ আলীর চালাকি। তার বাবা এমন মানুষ ছিল না। সব জমি তার বড় ছেলেকে দিয়ে যাবে।
তারপর থেকে দুই মুঠো ভাতের জন্য দশ বছরের ইদ্রিস আলীকে মানুষের দোয়ারে কাজের সন্ধানে যেতে হয়।

সামাদ আলী ইদ্রিস আলীকে ডেকে বলল, তুমি তো কাজ করে করে মরে যাবে। ছেলেটাকে ঢাকা থেকে নিয়ে আসো দুই বাপ বেটা কাজ করলে প্রতিদিন ছয়শত টাকা আসবে তাতে ভালো ভাবে সংসার চলে যাবে। আর একদিন তুমি কাজ না করতে পারলে তোমার ছেলে কাজ করে সংসার চালিয়ে নেবে। এমন কি কিছু কিছু টাকা জমা রেখে প্রতি বছর জমিও রাখতে পারবে। আমরা গরিব মানুষ আমাদের ছেলেদের লেখাপড়া করা সাজে ? পড়ালেখা ধনী মানুষের কাজ। 
ভাইয়ের কথা শুনে ইদ্রিস আলী বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলো, তারপর বলল, গরিব মানুষে লেখাপড়া করতে পারেনা এমন নিয়ম কি আছে ? আমি তো আপনার মত আমার ছেলেকে গরু বানাতে পারি না।
ছোট ভাইয়ের কথা শুনে সামাদ আলী হেসে দিয়ে বলল, তোমরা শুনেছ আমার পাগল ভাইয়ের কথা। আমার ছেলেরা বলে গরু।
তা নয় তো কি, রাগের সাথে কথাগুলো বলল ইদ্রিস আলী।
না-না আমার ছেলেগুলো গরু না। বাঘের বাচ্চা। বরং তোমার ছেলে গরুর বাচ্চা। আমার দশ ছেলে প্রতিদিন তিন হাজার টাকা আয় করে ঘরে ফেরে আর তোমার ছেলে গরুর মত বসে বসে খায়। এক টাকা আয় করার মুরোদ নেই। আমার দশ লাঠি আছে গ্রামের মানুষ আমাকে দেখে ভয় পাই। আর তোমার ? 
খুব রাগের স্বরে ইদ্রিস আলী বলল, আপনি আপনার মত থাকুন আর আমি আমার মত থাকি। বলেই রাগতে রাগতে চলে গেলো তার কাজে। কাজ না করলে তার চলবে কীভাবে তার উপর ভর করে ছেলেটা ঢাকাতে পড়ালেখা করে।

ইদ্রিস আলী খেয়ে না খেয়ে ছেলের জন্য টাকা গুছিয়ে রাখে তারপর একদিন ঢাকাতে গিয়ে ছেলের হাতে দিয়ে আসে।
মানুয়ের বাড়ি কাজ করে যা পায় তা দিয়ে চলে না তাই বাড়িতে কলা গাছ, আম গাছ, সুপারি গাছ লাগিয়ে ছেলের জন্য বাড়তি টাকার যোগান দেয়।
ইদ্রিস আলীর বৌ ছেলেটা জন্ম দিয়েই চলে গেছে পরপারে। ছেলেটাকে মানুষের মত মানুষ করতে গিয়ে একবারও নিজের সুখের দিকে তাকায় নি। গ্রামের অনেকেই বলেছে ইদ্রিস আলী একা একা আর কত দিন। এবার একটা বিয়ে করো। বৌ তো বছর ঘুরতে না ঘুরতেই পাড়ি জমালো পরপারে। ছেলেটাকে জন্ম দিতে গিয়ে।
ইদ্রিস আলী মানুষের কথায় কান না দিয়ে সারাদিন পড়ে থাকে কাজ নিয়ে। যাতে তার ছেলেটাকে তিনশ টাকার কামলা না হতে হয়।  আমাদের দেশের মানুষগুলো এখনও বোকার স্বর্গে বাস করে। একবারও চোখ তুলে দেখে না পৃথিবীর অন্য দেশের মানুষ কীভাবে এগিয়ে যায় সামনের দিকে লেখাপড়া শিখে। আর আমাদের দেশের মানুষ পড়ে আছে বিয়ে আর সন্তান জন্ম দেওয়া নিয়ে।
একদিন কি হবে এই জাতির ভাগ্যে, বলেই একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়লো।
এক মুঠো ভাত দিতে পারে না মুখে। দেখবে তার ঘরে বৌ চারটা ছেলে মেয়ে কুড়ি- কুড়ি। একটাকে তো মানুষ বানাতে পারে না। জন্ম দেয় এক কুড়ি। হয় সব গরু আর ছাগল। এরাই বেঁচে থাকার তাগিদে একদিন হয় সন্ত্রাসী।
মানুষ কুলে জন্ম নেয়াটা আসল জন্ম নয়। আসল জন্ম হল লেখাপড়া শিখে মানুষের মত মানুষ হওয়া। এই কথাটা আমাদের জাতি কবে বুঝবে তা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন।
আমরা বড় লোভী জাতি। দেশটাকে চেটে খেয়ে খেয়ে তলাবিহীন ঝুঁড়ি বানিয়ে দিয়েছি অনেক আগেই। তবু থেমে নেই। আর কেউ যদি ভালো কাজ করে, তাকে কীভাবে থামিয়ে দেবে এই চিন্তা। আমরা সময়ের মূল্য দিতে জানি না। তাই আমরা এতো পিছনে।
সারাদিন চায়ের দোকানে গল্প করে কিন্তু সময়ের কাজ সময় মত করলে এই দেশ আরও এগিয়ে যেতো। আমরা বাবু সেজে বসে থাকি। আমাদের কাজ আমরা করতে পারি না। ইদ্রিস আলী মাঝে মাঝে এইসব কথা ভাবে।
ইদ্রিস আলী আজ কলা, সুপারি আর মানুষের বাড়ি থেকে কাজ করে যে টাকা গুছিয়ে ছিলো তা নিয়ে ঢাকার দিকে পা বাড়িয়েছে ছেলেকে দিতে। এক সময় ঢাকাতে গিয়ে ছেলের হাতে টাকাগুলো দিয়ে বলল, বাবা আমি অনেক কষ্ট করে প্রতি মাসে তোমার জন্য টাকা যোগার করে নিয়ে আসি, যাতে তুমি মানুষের মত মানুষ হতে পারো। লেখাপড়া ছাড়া কোন জাতি বড় হতে পারে না।
ছেলেটা ইদ্রিস আলীকে সালাম করতে করতে বলল, বাবা তুমি আমার জন্য দোয়া কর। আমি যেন তোমার কাজের মূল্য দিতে পারি।
সব বাবা মা তার সন্তানের জন্য দোয়া করে কিন্তু দোয়া করলে তো হবে না। তোমাকে তো চেষ্টা করতে হবে ?
আমি তো চেষ্টা করে যাচ্ছি বাবা।
তোমার উপর সে বিশ্বাস আমার আছে। মাথায় হাত দিয়ে আদর করে ফিরে এলো গ্রামে। ছেলেটা বেশ কিছু পথ এগিয়ে দিয়ে গেলো ইদ্রিস আলীকে।
এদিকে সামাদ আলীর বড় ছেলেটা কার এক মেয়ের সাথে প্রেম করে বিয়ে করে ঘর জামাই হয়ে গেছে আর কুসুমপুর আসে না।
এবার মেঝ ছেলেটাও বিয়ের জন্য পাগল। ঠিক মত কাজ করে না। কার এক মেয়ের পিছনে পিছনে ঘোরে।
সামাদ আলীর কি আর করা। তাড়াতাড়ি বিয়ে দিয়ে নিয়ে এলো ছেলেকে। এ ছাড়া কি-ই বা করার ছিলো তার।

কিছুদিন যেতে না যেতেই, নতুন বৌকে নিয়ে আলাদা হয়ে গেলো। সামাদ আলী আপত্তি করলে ছেলে তার মুখের উপর বলে দিলো, আমি মাত্র প্রতিদিন তিনশ টাকা আয় করি। এই তিনশ টাকা দিয়ে আমার সংসার চলে না। তোমাদের দেবো কীভাবে। তোমার আরও ছেলে আছে না! এতো দিন কাজ করে যা আয় করেছি তোমাকে দিয়েছি। এখন আর পারবো না।
সামাদ আলী কি আর করবে মুখ কালো করে ফিরে এলো। তা ছাড়া কি-ই বা করার ছিলো তার।

ইদ্রিস আলীর ছেলেটা অর্থনীতিতে ভালো রেজাল্ট করাতে সরকার তাকে অর্থনীতিতে ডিগ্রি নেওয়ার জন্য বিদেশে পাঠিয়ে দেয় এবং বিদেশ থেকে ডিগ্রি নিয়ে দেশে আসতে না আসতেই সরকার তাকে অর্থ মন্ত্রনালয়ের সরকারি আমলা পদে নিয়োগ দিলো।

ইদ্রিস আলীর এখন খুশির সীমা নেই। তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন আজ সফল। তার ছেলে আজ মানুষ হয়েছে। এই মানুষ করার জন্যই দিনের পর দিন, রাতের পর রাত মানুষের বাড়িতে কাজ করে ছেলেকে পড়িয়েছে।

একদিন বিকাল বেলায় ইদ্রিস আলীর ছেলেটা গ্রামের বাড়িতে এসে ইদ্রিস আলীকে নিয়ে গেলো সাথে করে ঢাকাতে। এরপর থেকে ইদ্রিস আলীর আর গ্রামে ফেরা হয়নি।
ছেলেটা অফিস থেকে ফিরে ইদ্রিস আলীর কাছে কাছে থাকে। বিকাল হলে ইদ্রিস আলীকে নিয়ে বড় বড় হোটেলে যায়।

একদিন ইদ্রিস আলী বলল, বাবা তুমি আমাকে এতো বড় বড় জায়গাতে নিয়ে আসো কেন ? ইদ্রিস আলীর কথা শুনে ছেলে তার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, বাবা আমার জন্য তো জীবনে অনেক কষ্ট করেছো। জীবনে তো ভালো কিছু মুখে দেওনি, ভালো জায়গাতে যেতে পারোনি। আমার মুখের দিকে চেয়ে মায়ের মৃত্যুর পর বিয়ে পর্যন্ত করোনি। তোমার তুলনা তুমিই বাবা। তোমার সাথে কারো তুলনা হয় না। বলেই শব্দ করে কেঁদে দিলো।
ইদ্রিস আলী ছেলেটার মাথার হাত বুলিয়ে আদর করে বলল, পাগল ছেলে আমার। এইভাবে কেউ কাঁদে না-কি ? মানুষ কি ভাববে বলো তো। তুমি কি এখন ছোট আছো। কত বড় হয়ে গেছো।
ইদ্রিস আলীর কথা শুনে ছেলেটা লজ্জায় তাড়াতাড়ি চোখ মুছে নিল। তারপর হোটেলের বিল মিটিয়ে দিয়ে বেরিয়ে এল।
সামাদ আলীর দশ ছেলে এক, এক করে বিয়ে করে আলাদা হয়ে গেল। একবারও কেউ ফিরে তাকাল না সামাদ আলীর দিকে।
সামাদ আলী ছেলেগুলোকে ডেকে বলল, তোমরা পেয়েছ কি? আমি এখন বুড়ো বয়সে কোথায় যাব। কি খাব। তোমরা আমাকে খাওয়াবে না ?
এক ছেলে বলল, আমি কি তোমার একা ছেলে। আরও ছেলে আছে না ? তাদের খাবার দিতে বল আর আমার সংসারিত চলে না। তোমাকে খাবার দেব কীভাবে।
সামাদ আলী কান্না ভরা মুখে বলল, এই কি তোমাদের শেষ কথা?
শেষ কথা নয় তো কি। এত দিন কাজ করে যা আয় করেছি তা তোমার হাতে দিয়েছি। তখন তোমার ইচ্ছা মত খরচ করেছ। এখন আমাদের সংসার আছে।
এখন সামাদ আলী কি আর করবে। সব ছেলেগুলো যখন মুখের উপর বলে দিল তখন মুখটা কালো করে ফিরে এল।
বয়স মোটামুটি খারাপ হয়নি সামাদ আলীর। ছেলেগুলো জন্ম গ্রহণ করার আগে পর্যন্ত কাজ করেছে কিন্তু ছেলেগুলো বড় হয়ে যাবার সাথে সাথে হাত পা ধুয়ে উঠে গেছে। আর কোনদিন কাজ করতে যায়নি। এখন কি করবে লজ্জায় মানুষের বাড়িতে কাজ করতে পারে না তাই জমি বিক্রি করে করে খায়।

সামাদ আলী এখন আর আগের মত শক্তি পায় না। সারাদিন চিন্তায় থাকে কীভাবে চলবে তার জীবন। যে সব মানুষ তার কাছে আসত তারা আর এদিকে আসে না। পরিচিত মুখগুলো দিন দিন অপরিচিত হয়ে যাচ্ছে। যে চেয়ারম্যান বিচার আচারে ডাকত এখন আর ডাকে না সামাদ আলীকে।
এখন তার দশ ছেলে তার কথা শোনে না। লাঠির জোর নেই তার। জমিগুলো বিক্রি করে খেয়েছে। এখন তাও নেই কীভাবে চলবে? শরীরে এখন তেমন শক্তি নেই যে কাজ করে খাবে। দুই তিন দিন না খেয়ে পড়ে রইল ঘরে। কোন ছেলে উঁকি দিয়েও দেখেনি এদিকে। খিদের জ্বালায় থাকতে না পেরে ধীরে ধীরে বের হলো ঘর থেকে। তারপর কুসুমপুর থেকে পাঁচ ছয় গ্রাম দূরে গিয়ে ভিক্ষা করে বেশ রাতে ফিরে আসে বাড়িতে। যাতে গ্রামের মানুষ না দেখে তাকে। ঘরের দরজায় টোকা দিতেই—
বৌ দরজা খুলে সামাদ আলীকে দেখে অবাক হয়ে বলল, কোথায় গিয়েছিলে এত রাত করে ফিরলে যে?
ও—কথা পড়ে শুনো, আগে চাউলগুলো পাক করে নিয়ে এসো। আমি খিদের জ্বালায় দাঁড়াতে পারছি না।
কথা না বাড়িয়ে চাউলগুলো পাতিলে নিতে গিয়ে দেখে চাউলগুলো ছোট বড় সাদা কালো, বুঝতে আর বাকি রইল না তার স্বামী যে ভিক্ষা করে চাউল এনেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই কিন্তু কোন প্রশ্ন না করে চাউলগুলো নিয়ে পাকের ঘরে গিয়ে তাড়াতাড়ি পাক করে এনে প্লেটে ভাত ঢেলে দিল। এতো তাড়াতাড়ি সামাদ আলীকে ভাতগুলো খেতে দেখে চোখের পানি ছেড়ে দিল। মনে মনে ভাবছে যে মানুষ ভাল ভাল খাবার ছাড়া খায়নি আজ লবণ আর মরিচ দিয়ে কীভাবে ভাতগুলো খাচ্ছে।

ইদ্রিস আলীর ছেলেটা মার্কেট থেকে ইদ্রিস আলীর জন্য বেশ কিছু কাপড় নিয়ে বাসায় ফিরে এসে বাবাকে বলল, বাবা গ্রামের কোন খবর রাখ ? 
কেন, কি হয়েছে ?
বড় কাকা না—কি এখন ভিক্ষা করে বেড়ায়। এক ছেলেও না—কি তাকে খাবার দেয় না, একটু থেমে আবার বলল, বাবা তুমি যদি বল তাহলে বড় কাকাকে নিয়ে আসি।
একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল, ছেলেগুলো জন্ম দিল কিন্তু মানুষ করতে পারল না। ঠিক আছে নিয়ে আয় বলে চোখ মুছতে মুছতে অন্য রুমে চলে গেল ইদ্রিস আলী।

পরের দিন বড় কাকাকে নিয়ে ফিরে এলো ঢাকাতে।
সামাদ আলী বাসায় ঢুকেই ইদ্রিস আলীর হাত ধরে কেঁদে দিয়ে বলল, জীবন যুদ্ধে আমি হেরে গেলাম। এতোগুলো গরুর পাল জন্ম দিলাম কিন্তু তোমার মত একটা ছেলে জন্ম দিয়ে লেখাপড়া শেখালে আমার কপাল আজ এমন হতো না।
ইদ্রিস আলী, সামাদ আলীর শরীরে হাত দিয়ে সান্ত্বনা দিতে দিতে বলল, এত চিন্তা কিসের আমরা তো আছি। ইদ্রিস আলীর কথা শুনে সামাদ আলী ইদ্রিস আলীকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240298/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Mar 2026 06:02:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কুসুমপুর<br />
সাহেদ বিপ্লব</p>
<p>কুসুমের মত গ্রাম কিন্তু মানুষগুলো মোটেই কুসুমের মত নয়। সারাদিন মারামারি নিয়ে থাকে। তবু কে যে এই গ্রামের নাম কুসুমপুর রেখে ছিলো তা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন। সারাদিন ফুসফাস আলাপ করে। নদীতে কবে চর ভাসবে, কে কার আগে দখল নেবে এইসব। প্রতি বারেই দুই চারজন লোক খুন হয় চর দখল নিয়ে।<br />
তারপরও থেমে নেই। এইসব নিয়ে থানায় ছুটাছুটি তবু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240298"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240298/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b1f6b4da9c325fefc62b1589a4a6ef6a</guid>
				<title>টোপ
সাহেদ বিপ্লব

সাদেক আলী টাকাগুলো টুম্পার হাতে দিয়ে বলল, টাকাগুলো ভালো করে রেখে দাও। কাল সকালে টাকাগুলো লাগবে, এই টাকা নিয়ে ঢাকায় যেতে হবে।
আচ্ছা, বলে টুম্পা টাকাগুলো ঘরের ভিতর রেখে এসে স্বামীকে পাখা দিয়ে বাতাস দিতে দিতে স্বামীর মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, মুখটা আপনার একেবারে শুকিয়ে গেছে।
আর বলো না, এই টাকার জন্য কি যে কষ্ট করতে হলো। জীবনে যার হাতে ধরিনি আজ তার পা ধরতে হলো কিন্তু তারপরও টাকা পেলাম না। আলনের কাজ থেকেও সুদে টাকা আনতে হলো। মাঠের জমিটুকু বিক্রি করে দিতে হলো বলেই মুখটা কালো করে ফেলল।
আল্লাহ আল্লাহ করেন, আল্লাহ আমাদের একদিন সব দেবে।
আল্লাহ যেনো আমাদের তাই করেন বলেই একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে উঠে দাঁড়ালো।
কোথায় যাবেন এখন ?
বাজারে যেতে হবে কিছু কাপড় চোপড় কিনতে। বিদেশে যা কিছু লাগবে তা তো কিছুই কেনা হলো না। ওদেশে সব কিছুর দাম বেশি।
টুম্পা স্বামীর মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, যা ভালো মনে করেন তাই করেন।
এক পা বাড়িয়ে দিয়ে আবার ফিরে এসে বলল, বাজারের ব্যাগটা দেও তো অনেকদিন বাজার করা হয় না। এই টাকার জন্য ছুটতে ছুটতে বাজার করতে ভুলেই গেছি।
টুম্পা একটু হেসে দিয়ে ব্যাগটা হাতে এনে দিলো।
সাদেক আলী বাজারে চলে গেলো।
গ্রামের যে সব ছেলেরা টোপ দিয়ে থাকে তাদের একজন দৌঁড়ে এসে অন্য সব ছেলেদের কাছে সংবাদ দিলো সাদেক আলীর বৌ টুম্পার কাছে এখন অনেক টাকা আছে। কিছুক্ষণ আগেই সাদেক আলী তার বৌ টুম্পার কাছে টাকা রেখেছে। এই সুযোগে কাজটা সারতে হবে।
টুম্পা ভাবীর ফোন নম্বর এনেছিস?
আমি কাঁচা মাল না,  বলেই ফোন নম্বরের কাগজ হাতে দিলো।
কিছুক্ষণের ভিতর টুম্পার ফোনটা বেজে উঠলো।
টুম্পা কানের কাছে নিতেই অন্য প্রান্ত থেকে বলতে লাগলো, হ্যালো ম্যাডাম, আপনি কি টুম্পা বলছেন ?
জী¡-হ্যাঁ।
আপনি ম্যাডাম এতো বড় ভাগ্য নিয়ে পৃথিবীতে এলেন কীভাবে?
ভাগ্য না ছাই-জীবনটা খাটতে খাটতে পার করে দিলাম।
এখন আর খাটা লাগবে না। এখন শুধু আকাশে উড়ে বেড়াবেন।
একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে দিয়ে টুম্পা বলল, সেই ভাগ্য নিয়ে কি জন্ম নিয়েছি?
হ্যাঁ নিয়েছেন। এখন আপনি এককোটি টাকার মালিক।
টুম্পা অবাক হয়ে বলে কি বলছেন!
হ্যাঁ, আমরা আপনাকে সঠিক সংবাদ দিচ্ছি। কিছুক্ষণ আগে ড্র হয়েছে এই লটারিতে আপনি এককোটি টাকা পেয়েছেন।
কথাটা শোনার সাথে সাথে হাত থেকে ফোনটা মাটিতে পড়ে গেলেই টুম্পা তাড়াতাড়ি ফোনটা তুলে কানের কাছে ধরে বলল, কি বলছেন আপনি? আমি কিছু বুঝতে পারছি না।
এখানে তো ম্যাডাম না বুঝার কিছু নেই। আমাদের কোম্পানি প্রতি বছর একজন গ্রাহককে এককোটি টাকা পুরস্কার দিয়ে থাকে লটারির মাধ্যমে। এবার আপনি পেয়েছেন।
কি বলছেন আপনি!
হ্যাঁ, আমরা আপনাকে সঠিক সংবাদ জানালাম। এখন টাকা কীভাবে নেবেন?
টাকা নেবো মানে ?
আপনি পুরস্কার পেয়েছেন। সেই টাকা যদি আপনি না নিতে চান, তাহলে আমরা আপনার নামটা বাদ দিয়ে অন্যকে দিয়ে দেই?
তাহলে আমার স্বামী বাড়িতে আসুক তাকে জানিয়ে আপনাদের জানাই।
না ম্যাডাম এতো সময় আমাদের হাতে নেই। আপনি এখন ইয়েস এবং নো বললেই আমরা আপনার নামটা বাদ দিয়ে অন্যজনের নাম বসিয়ে দেবো।
টুম্পা কি বলবে বুঝে উঠতে পারছে না তবু বলল, এখন আমার কি করতে হবে। 
এখন আপনাকে এই এককোটি টাকা নিতে হলে সরকারি ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে এবং ব্যাংকের ফি বাবদ কিছু টাকা দিতে হবে। এই টাকা দিলে আমরা আপনার টাকাগুলো যে ব্যাংকে পাঠাতে বলবেন সেই ব্যাংকে পাঠিয়ে দেবো।
আচ্ছা বলে টুম্পা থেমে গেলো।
আপনাকে আরও একটা কথা বলে রাখি, এই টাকার কথা কেউ যেনো না জানে। কেউ জানলে আপনার ক্ষতি হতে পারে।
কি ক্ষতি?
বাড়িতে ডাকাত পড়তে পারে, গ্রামের মানুষ আপনার শক্র হতে পারে-কি পারে না!
জ্বী পারে।
আপনি এখন এক কাজ করেন ম্যাডাম। আমরা আপনাকে একটা নম্বর দিচ্ছি আপনি এই নম্বরে বিশ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিন। টাকা এলেই আমরা এক মিনিটের ভিতর আপনার মোবাইলে একটা ম্যাসেজ পাঠিয়ে দেবো। আর সেই ম্যাসেজে সব কিছু লেখা থাকবে। এই ম্যাসেজ ব্যাংকে দেখালেই আপনাকে টাকা দেয়ার ব্যবস্থা করবে।
আচ্ছা।
কিছুক্ষণের ভিতর টুম্পার মোবাইলে টুন টুন করে ম্যাসেজ এসে গেলো।
নম্বর পেয়েছেন?
জ্বী পেয়েছি।
আপনি এখন বিকাশের দোকানে গিয়ে বিশ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিন। বিকাশের দোকানদার আপনাকে অনেক প্রশ্ন করতে পারে। আপনি এই টাকা কোথায় দেবেন, কার কাছে দেবেন ইত্যাদি। যদি বলেন আপনি এককোটি টাকা পেয়েছেন তাই সরকারি ফি এবং ব্যাংকে টাকা আনতে এই বিশ হাজার টাকা পাঠাতে হবে। তখন আপনাকে অনেক ধরণের কথা বলে টাকা পাঠাতে দেবে না আর আপনি তাদের কথা শুনে টাকা না দিলে এই টাকা আমরা পাঠাতে পারবো না। 
আচ্ছা বলে টুম্পা থেমে গেলো।
ম্যাডাম আমরা আপনার ভালো চাই আর এই কারণে এই কথাগুলো বলে রাখছি।
টুম্পা তাদের কথা মত সব কিছু গোপন রেখে বিশ হাজার টাকা বিকাশ করে এলো।
ম্যাডাম আপনার টাকা আমরা পেয়েছি কিছুক্ষণের মধ্যে আপনার কাছে একটা ম্যাসেজ যাবে। এই ম্যাসেজ আপনি ব্যাংকের ম্যানেজারকে দেখাবেন। সেই টাকা উঠানোর সকল ব্যবস্থা করবে বলতে বলতেই ফোনটা কেটে গেলো।
তারপর যতবার ফোন দেয়া হলো বারবার বলছে ফোনটা এখন ব্যস্ত আছে কিছুক্ষণ পর কল করুন। আবার যখন ফোন দিলো উত্তর এলো ফোন এখন বন্ধ আছে। টুম্পা এখন কি করবে বুঝে উঠতে পারছে না। কি করবে এখন ভাবতে ভাবতে বাড়ি ফিরে এসে বিছানায় শরীর এলিয়ে দিলো।
আট-নয় বছরের মেয়েটা স্কুল থেকে ফিরে এসে মাকে বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখে বলল, কি হয়েছে মা?
শরীর ভালো লাগছে না।
ডাঃ চাচুকে ডেকে আনবো?
না লাগবে না। তুই আমার কাছে বসে থাক। আজ তোকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে।
তুমি মা আমাকে নতুন দেখছো?
নতুন দেখছি না তবু কেনো যেনো দেখতে  ইচ্ছে করছে।
তুমি আমাকে দেখো আমি তোমার কাছে বসে রইলাম।
টুম্পা বারবার ফোন দিচ্ছে কিন্তু ফোনটা বন্ধ বলছে।
কি হলো মা তুমি বারবার কার কাছে ফোন দিচ্ছে একটু থেমে বলল, বাবার কাছে ?
না, অন্য এক জায়গায়।
তুমি ফোন করো আমি আসছি বলে মেয়েটি উঠে চলে গেলো।
বিকেলে সাদেক আলী কাপড় চোপড় কিনে ফিরে এসে বলল, অনেক কিছু কেনার ইচ্ছা ছিলো কিন্তু টাকা পয়সা কম তাই যা না কিনলেই নয় তাই কিনে নিয়ে এলাম।
টুম্পার মনটা খারাপ কি যে হয়ে গেলো। এখন এই টাকার কথা জানতে চাইলে আমি কি উত্তর দিবো।
রাতে অনেক কথা হলো কিন্তু টুম্পা হ্যাঁ না ছাড়া কিছু বলল না। অনেক দিন পর আজ স্বপ্ন সফল হতে যাচ্ছে, এখন ভালো মতো বিদেশ যেতে পারলে আর টাকার অভাব থাকবে না। এখন তোমরা ভালো খেতে পারবে। এই সংসারে এসে জীবনে তো কষ্ট কম করলে না।
হ্যাঁ বলেই টুম্পা থেমে গেলো।
সকাল হলে ঢাকা যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে টুম্পাকে বলল, টাকাগুলো নিয়ে এসো।
টাকার কথা শোনার সাথে সাথে টুম্পার বুকের ভিতর মোচর দিয়ে উঠলো কি করবে এখন। তবু ভয়ে ভয়ে টাকাগুলো হাতে এনে দিলো।
সাদেক আলী টাকাগুলো গুনে নিতেই দেখলো বিশ হাজার টাকা কম। টুম্পার দিকে তাকিয়ে বলল, বিশ হাজার টাকা কম কেনো ?
আমি কি করে বলব। তুমি যে ভাবে আমাকে দিয়েছো আমি তো সেই ভাবেই রেখে দিলাম। আর এখন বলছো বিশ হাজার টাকা কম।
কথা শুনে সাদেক আলীর মাথা গরম হয়ে উঠলো কি বললি মাগি। আমি যেভাবে দিয়েছি তুই সেভাবে দিয়েছিস, বললেই হলো আমি একটাকা একটাকা করে গুনে এনেছি আর এখন বলছিস আমি যেভাবে টাকা দিয়েছি সেই ভাবে দিলি। কোথায় রাখছিস তাই বল মাগি। না বললে তোকে কি করি দেখ।
টুম্পা চুপ করে দাঁড়িয়ে ভাবছে, যে মানুষ জীবনে কিছু বলেনি আদরে আদরে রেখেছে কিন্তু আজ কি সব বলছে।
এই মাগি কথা বলছিস না কেনো? এক রাতের ভিতর কাকে দিয়ে এলি বল।
টুম্পা কি বলবে! তবু ভয়ে ভয়ে বলছে তুমি যেভাবে দিয়েছো আমি সেভাবেই তোমার হাতে দিলাম।
আমি যে ভাবে তোর হাতে দিলাম, সেভাবে আমায় দিলি মাগি বলে চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে উঠানে নামিয়ে নিয়ে মারতে লাগলো।
মেয়েটি দূরে দাঁড়িয়ে কাঁদতে লাগলো।
সাদেক আলী মারতে মারতে হাতের কাছে লাঠি পেয়ে এএইভাবে মাথার উপর বাড়ি মেরে দিলো...।
টুম্পা ওরে মা মরে গেছি বলেই এক চিৎকার দিয়ে মাটিতে পড়ে গেলো। মাথা ফেটে রক্ত গড়িয়ে পড়লো চারিদিকে।
সাদেক আলী মাথায় হাত দিয়ে মাটিতে বসে পড়লো। দুই তিন মিনিটের ভিতর সব কিছু লন্ড ভন্ড হয়ে গেলো। শেষ হয়ে গেলো তার সাজানো গোছানো সংসার।
শোরগোল শুনে মানুষ ছুটে এলো। এসে দেখলো সাদেক আলী মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে। মেয়েটি দূরে দাঁড়িয়ে কাঁদছে। টুম্পা মাটিতে পড়ে আছে। দুই চার জন হাত দেখে বুঝে গেলো টুম্পা মারা গেছে।
একি করলি সাদেক আলী। বৌটাকে এইভাবে মেরে ফেললি? সাদেক আলী ফ্যাল ফ্যাল করে টুম্পার দিকে তাকিয়ে অতিতের স্মৃতি খুঁজতে লাগলো। কেউ পুলিশ খবর দিতে থানায় ছুটে গেলো। কেউ কেউ সাদেক আলীকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য বলল।
সাদেক আলী কাঁদতে কাঁদতে বলে দিলো পালিয়ে গিয়ে কি লাভ। আমার তো সব শেষ বলতে বলতে মাটি চাপতে চাপতে আহাজারী করতে লাগলো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240257/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Mar 2026 01:51:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>টোপ<br />
সাহেদ বিপ্লব</p>
<p>সাদেক আলী টাকাগুলো টুম্পার হাতে দিয়ে বলল, টাকাগুলো ভালো করে রেখে দাও। কাল সকালে টাকাগুলো লাগবে, এই টাকা নিয়ে ঢাকায় যেতে হবে।<br />
আচ্ছা, বলে টুম্পা টাকাগুলো ঘরের ভিতর রেখে এসে স্বামীকে পাখা দিয়ে বাতাস দিতে দিতে স্বামীর মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, মুখটা আপনার একেবারে শুকিয়ে গেছে।<br />
আর বলো না, এই টাকার জন্য কি যে কষ্ট করতে হলো। জীবনে যার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240257"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240257/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">235763922a7139c47f1db2ba8eea76e3</guid>
				<title>ইলোরা

সাহেদ বিপ্লব

চাকরির সুবাদে বাবার সাথে ইলোরা অনেকগুলো জেলায় ঘুরেছে। আজ যে জেলাটায় এসেছে সে, তার কাছে ভাল লাগার মত একটা স্থান। পরিবারের সবাই সিদ্ধান্ত নিলো তারা এখানে থেকে যাবে। অনেক খোঁজা খুঁজি করে ভাল একটা জমি কিনে বাড়ি করেছে ইলোরার বাবা।

ইলোরা যে খুব সুন্দর তা নয়, কালোর ভেতর কেমন যেন মায়া জরানো রূপ, দেখলে মনে হবে যৌবন কেমন যেন লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছে কাচা রসের মত। সে যে এত সুন্দর তা কখনও সে ভাবেনি। সে বোঝে লেখাপড়া। মানুষ হতে হলে লেখাপড়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। তার মাথার ভেতর লেখাপড়ার বাইরে আর কোনো চিন্তা নাই। 

নতুন কলেজে ভর্তি হলো ইলোরা। পথে অনেক বখাটে ছেলেরা বিরক্ত করে। খারাপ ভাষার কথা বলে, প্রথম প্রথম এই শব্দ শুনে নিজের উপর খুব রাগ হতো তার। শরীরটা তার জন্য মহাপাপ। তা না হলে এমন করবে কেন বখাটে ছেলেরা। তাদের সামনে দিয়ে কতগুলো ছেলে হেঁটে গেল তাদের তো কিছু বলল না কিন্তু আমার বেলায় এমন হবে কেন? এই ভাবে হাজার প্রশ্ন তার মাথার ভেতর ঘুর পাক করছে।

সেই যে যৌবনে পা রাখার সাথে সাথে এই সব খারাপ কথা শুনতে শুনতে এখন আর সেদিকে কান দেয় না ইলোরা। একদিন তো একটা ছেলে দূর থেকে বলছে মাল তো ভালই, নতুন এসেছে আমাদের এখানে একদিন মাগিকে খেয়ে নেবো। আমাদের না খাওয়ায়ে যাবে কোথায়। কথা শুনে খুব রাগ হলো ইলোরার। ছেলেগুলোর সামনে গিয়ে বলল, তোমার আম্মু তো একদিন আমার মত মাল ছিল, তোমার আম্মু কলেজে যাবার পথে তোমার বাবারা তোমার আম্মুর সাথে এমন করত। তার ছেলেরা তোমরা, তোমাদের কাছে জাতি এর চেয়ে ভাল ব্যবহার কি ভাবে আশা করবে, একটু থেমে আবার বলল, তোমরা কি জানো আমি কার মেয়ে?

ছেলেগুলো ভয় পেয়ে কথা বলল না। 
আমি পুলিশ সুপারের মেয়ে ইভটিজিং আর নয়। ভালো পথে ফিরে এসো। তোমাদের জন্য আলোর পথ অপেক্ষা করছে। ছেলেগুলো উত্তর না দিয়ে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। শোনো আর কোনো দিন এই খারাপ শব্দ বললে, বুঝো কি হবে তোমাদের কপালে, এই বলে ইলোরা চলে গেল কিন্তু তার মত কি সবার বাবা পুলিশ সুপার। যে এই ভাবে বলে পার পেয়ে যাবে বখাটেদের হাত থেকে।

অনেক দিন ধরে দেখছে একটা ছেলে তার দিকে খুব মায়বী দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে কিন্তু ইলোরা তাকালে ছেলেটা চোখটা লুকিয়ে রাখে, যাতে ইলোরা বুঝতে না পারে, যে ছেলেটা তাকে দেখে।
ইলোরা কিছুই বলে না। মনে করে বখাটে ছেলে আট দশ জনের মত সে। দুই দিনের জন্য আমাকে চায়। তারপরে আর নেই। এটা ছেলেদের মূল লক্ষ্য। ইলোরা কিছুই বলে না। এমনকি খুব একটা জানার প্রয়োজন মনে করে না।

ইলোরা দেখে ছেলেটা তার দিকে এমন মায়াবী দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে, কোনো মেয়ের পক্ষে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। ইলোরা বোঝে কিন্তু না বুঝার ভান করে সরে থাকে বহুদূরে কিন্তু তার মায়ার টানে দূরে সরে থাকতে পারছে না। একদিন লোক বিহীন একটা স্থানে ছেলেটার সামনে দাঁড়িয়ে বলল, আপনি কি জীবনে মেয়ে মানুষ দেখেননি।

ইলোরা দেখছে ছেলেটা কথা বলছে আর কাঁপছে শুধু দুই চারটি কথা বলে তাড়াতাড়ি সরে গেল। তার কথাগুলো মাতাল করার মত। এত রূপ নিয়ে জন্ম নিলেন কেন? যতবার দেখি আরও দেখতে ইচ্ছা করে এই সব শুনে খুব লজ্জা পেয়ে ছিল ইলোরা। আগে কখনও এই ভাবে বলেনি কেউ। এখন তার কথাগুলো কানের কাছে বারবার বাজছে। ছেলেটার চলে যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে রইল।
পরের দিন দেখা হলো। তখনও দেখলো ছেলেটা তাকে চায় খুব আপন করে। এমন একটা চোখের ভাষা সে বুঝাতে চায় ইলোরাকে। এমন ভাবে তাকিয়ে থাকে মনে হয় আমাকে ছাড়া আর চলবে না তার।

ইলোরা কিছু বলল না, শুধু বুঝার চেষ্টা করতে লাগলো। ছেলেটা কি আমার দেহ চায়, না মন। মাঝে মাঝে দেখি আমাকে দেখার জন্য বাসার সামনে ঘুরাঘুরি করে। খবর নিয়ে দেখলাম ভাল ছাত্র। কোনো খারাপ কাজ সে করে না কিন্তু ধনী ঘরের ছেলে না। বাবা একটা সরকারি চাকরি করে তার উপর ভর করে সংসার চলে।

একদিন ছেলেটার সামনে দাঁড়িয়ে বলল, আপনি আমাকে চেনেন?
ছেলেটা ভয়ে ভয়ে বলে জি।
কার মেয়ে আমি?
পুলিশ সুপার সাহেবের মেয়ে।
তাহলে কি ভয় করে না আপনার।
করে, কিন্তু আপনার মত এত সুন্দর কাউকে দেখি না।
সুন্দর বলে তাকাতে হবে?
আপনাকে দেখি আর ভাবি আমাকে এত ছোট ঘরে জন্ম দিলে কেন, যদি ধনীর ঘরে জন্ম নিয়ে পৃথিবীতে আসতাম তাহলে আমাকে আপনার জীবন থেকে আলাদা করতে পারত না কেউ।

আমাকে কত ভালোবাস।
জি বলেই একটু থেমে বলল, মজনু যেমন লাইলীকে ভালবেসেছিল আমি ঠিক তেমনি ভাবে, বলতে পারেন আপনার জন্য মরতে পারি।
আমার বাবাকে আপনার কথা বলবো, আপনাকে পাগলে ধরেছে। বাবা সব ধরনের পাগল ভাল করতে পারে।
এই ধরনের কথা শুনার পর দেখলো ছেলেটার দুই চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়লো।
পুলিশের মার খেয়েছ কোনো দিন। খেলে সব ঠিক হয়ে যাবে, বলেই ইলোরা চলে গেল। অনেক দূরে গিয়ে এক বার ফিরে তাকালো, দেখলো ছেলেটা খুব মায়াভরা চোখে তাকিয়ে আছে। মনে হচ্ছে কি যেন হারিয়ে ফেলছে সে। তাকে ফিরে পাওয়ার জন্য এই ভাবে দাঁড়িয়ে আছে, যদি দয়া করে ফিরে আসে সে।
তারপর থেকে ছেলেটা দূরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মন ভরে দেখতো ইলোরাকে কিন্তু মুখে অনেক কিছু বলার থাকলেও কিছু বলতো না, তবে সে ইলোরাকে বুঝাতে চাইতো সে আসলে ইলোরাকে চায়। এমনকি তাকে সে ভালোবাসে।
ইলোরার আর বুঝতে বাকি থাকলো না, তার কাছে গেলে আমি ঠকবো না। তার কাছে আমি নিরাপদ থাকবো। সে আসলেই আমাকে ভালোবাসে। একদিন ছেলেটার সামনে দাঁড়িয়ে ইলোরা বলল, তুমি সত্যিই আমাকে চাও?
জি, খুব চাই।
কবে চাই?
মৃত্যুর পরে।
কেন?

এই পৃথিবীতে আপনাকে পাওয়ার মত কোনো ক্ষমতা আমার নেই। তাই দূরে দাঁড়িয়ে আপনাকে দেখে মনে শান্তি পাই।
এই সব করো কেন?
আপনাকে না দেখলে আমার ভাল লাগে না।
এই ভাবে কত দিন?
যত দিন এই পৃথিবী বেঁচে থাকবো।
এটা আপনার পাগলামী বিয়ে করলে সব ঠিক হয়ে যাবে।
বিয়ে করবো না সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
বিয়ে না করলে চলবে কি করে?
বিয়ে যদি কোনো দিন করি তাহলে আপনাকে, এই বলে ছেলেটি লজ্জায় না দাঁড়িয়ে পা-টা বাড়িয়ে দিলো সামনের দিকে।
ইলোরা ছেলেটির হাত টেনে থামিয়ে বলল, লজ্জা পেলে তোমাকে খুব সুন্দর লাগে।
ছেলেটা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো ইলোরার দিকে।
কি দেখছো অমন করে?
আপনাকে।
আর আপনি নয় আজ থেকে তুমি বলবে। মানুষ নামের কুকুরগুলোর হাত থেকে আমাকে বাঁচিয়ে রাখবে, পারবে না ?
জি পারবো বলে, ছেলেটা দুই চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে হাতটা বাড়িয়ে দিলো ইলোরার দিকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240160/</link>
				<pubDate>Sun, 22 Mar 2026 15:08:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইলোরা</p>
<p>সাহেদ বিপ্লব</p>
<p>চাকরির সুবাদে বাবার সাথে ইলোরা অনেকগুলো জেলায় ঘুরেছে। আজ যে জেলাটায় এসেছে সে, তার কাছে ভাল লাগার মত একটা স্থান। পরিবারের সবাই সিদ্ধান্ত নিলো তারা এখানে থেকে যাবে। অনেক খোঁজা খুঁজি করে ভাল একটা জমি কিনে বাড়ি করেছে ইলোরার বাবা।</p>
<p>ইলোরা যে খুব সুন্দর তা নয়, কালোর ভেতর কেমন যেন মায়া জরানো রূপ, দেখলে মনে হবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240160"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240160/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">346681a117fd847b774d0c70bcd3600d</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240159/</link>
				<pubDate>Sun, 22 Mar 2026 15:06:22 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">acfc8a79ee7b9bfe5dd50047de8c0749</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240158/</link>
				<pubDate>Sun, 22 Mar 2026 15:05:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>