-
‘লিখি’ তার নাম
– আহমেদ আরভিনআমি তারে লিখিয়াছিলাম বসন্তে, ফাল্গুনের রেণু শাখা মেঘে অনিন্দ্য চরণে;
দেখিয়াছিলাম তার অলকাবলী স্রোতের ঢেউ, বৈশাখী ঐ ঝড়ে নিভৃত হইয়াছিল কেউ।
মনোহর আনন্দের এই সুকেশী তিলোত্তমায় – শরবিন্দু নিভু করিয়া ইঙ্গিত দেয় আমারে –
কহে, তোমার প্রেয়সী, যে প্রিয়তম প্রেয়সী, সে নাই তোমার কবিতা শুনিবার;
তুমি কেন খুঁজো, খুঁজো তারে নীরদের গগনে?
আমি কই, হে মোর ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ হৃদয় – তোমারে আমি পালন করিব জলদ-আঁখি দিয়া,
তুমি মোর জ্যোৎস্নারে আসার করিয়া দাও ঐ গগন দিয়া।আমি তারে লিখিয়াছিলাম শরতের বিকালে, মধুর হাওয়া গাইয়া যায় ঐ বিনয়ে,
দেখিয়াছিলাম তার দু-বিলাসী আঁখি, সুবিলাসী এই দর্শনে আমি জনম জনম রাজি;
জখম দিল পে দিল, ইশক মে ফির খোনে জানা পে রাজি।মোর বিভাবরী জলদের মেঘনা, অলোকসামান্য রূপের অধিকারী-লাবণ্য মেঘনা,
তোমার অধর জলে মগন বিষাদ, বেণী কোমলতার উপমা –
যদি চাও উপশমে, আনন্দলোকে মোর বিভাবনা;
আমি ছুঁইয়া মাত্রই সন্ধিক্ষণে সন্ধ্যালোকের সব তারারা নিভিয়া যাবে,
আলো দিবে অসাড় রাত, অমাবস্যার চাঁদ, অমোঘে কুহক মিলিয়া যাবে ।আমি নিদ্রায় শান্ত হইতে চাই, অমেয় তনু রেখার ভাঁজে তার – ধ্বংস হইতে চাই,
তার আঁচল ছুঁইয়া আগুন শিখায় কবিতা লিখিতে চাই, বরং—তার প্রেমে পড়িতে চাই।
ঘন অম্বুদে নীরবতা ছাড়িয়া যায় মোর , মরুৎ জল বাহিয়া যায় মোর সন্ধি বরাবর,
মিলিবে কবে তার সহস্র দিবসের অজস্র আদর – কিংশুকী আঁধারের চরম ভাদর—
আমি ঐ বসন্তের দিক চাহিয়া তার কাজলী সত্তা খুঁজিব,
ঐ গগন গগন পার করিয়া তার রূপ খুঁজিব, তারে—খুব খুঁজিব।4 Comments
কবিতাতে কথা হবে - প্রতি ছন্দে থাকবে গল্প নয় লিপ্সু ।
Friends
মোঃ মাহফুজুর রহমান
@nnxnsnmfkfkkgmail-com
জুলহাজ আলী জীবন
@julhaj
পিপীলিকা
@abujubair
Poly Alam
@butterflywords
আজিজুর রহমান
@azizurrahman
End The river
@endtheriver
Puja Chakrabartty
@pujachakrabartty
আশরাফ রনজন
@mohammedashrafulislamashrafranjan
junaed all habib
@junaedallhabib

কবিতাটি একাধারে ধ্রুপদী রোমান্টিকতা এবং প্রকৃতির ঋতুচক্রের এক চমৎকার মিশেল। আপনার লেখনীতে আধুনিকতার চেয়ে এক ধরণের চিরন্তন বা ‘ক্লাসিক’ আবেশ বেশি ফুটে উঠেছে।