<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Rahnuma Nira | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/tamannahtasneem90/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/tamannahtasneem90/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Rahnuma Nira.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 05 Jun 2026 18:19:32 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">5346b8752225cbfaad8c3e988009f7aa</guid>
				<title>মন তার স্নিগ্ধ শুভ্র
  সর্বপরায়ণ শান্তিনিবাস
এই মনে বিচরণ করে 
সকল স্বপ্নের আশ 
 জীবন সমরে অক্লান্ত অবিচল
   নাহি প্রশান্তির রেশ
সর্বমনে প্রফুল্ল এনে
 পায় শান্তি  বেশ
হঠাৎ দেখা প্রণয়িনীর 
  পায়নি বুঝতে মন 
প্রণয়িনী কেবলই ভাবে
  এ তো শুধুই বন্ধুত্ব
বন্ধুত্ব নয় 
  ঢের বেশি ভালো লাগা
প্রণয়িনী বোঝেনা তার মনের চঞ্চলতা
  হঠাৎ হলো বিয়ে
   মন স্থানান্তর হলো
সহধর্মিণীর কাছে
 রূপে লক্ষ্ণী গুণবতী সে
  স্বামীর মন যেন সকলই বুঝে
জানে সে প্রণয়িনীর কথা
 পায়না দুঃখ মনে
এত সবের পর ও প্রণয়িনীর জন্য
 রয়েছে তার মন ব্যথিত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212713/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Apr 2024 19:09:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মন তার স্নিগ্ধ শুভ্র<br />
  সর্বপরায়ণ শান্তিনিবাস<br />
এই মনে বিচরণ করে<br />
সকল স্বপ্নের আশ<br />
 জীবন সমরে অক্লান্ত অবিচল<br />
   নাহি প্রশান্তির রেশ<br />
সর্বমনে প্রফুল্ল এনে<br />
 পায় শান্তি  বেশ<br />
হঠাৎ দেখা প্রণয়িনীর<br />
  পায়নি বুঝতে মন<br />
প্রণয়িনী কেবলই ভাবে<br />
  এ তো শুধুই বন্ধুত্ব<br />
বন্ধুত্ব নয়<br />
  ঢের বেশি ভালো লাগা<br />
প্রণয়িনী বোঝেনা তার মনের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-212713"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/212713/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4e3e0fea05a33a82ed3031149cc1a7f9</guid>
				<title>তুমি হয়তো জানোনি আমার মনের কথা
তুমি হয়তো চিনতে পারোনি আমার অগোছালো জীবন
নাই বা জানলে
তবু তো আমায় জেনেছো এই ঢের
আমি হয়তো লোকসমাজে গুছিয়ে কথা বলতে জানি না 
তবু মনের কথা বলতে আমার চেয়ে ভালো সাহস বোধহয় কারো হয়নি

আমি একদিন দূরে সরে যাব
   খুব দূরে
যত দূরে গেলে আকাশ পাবে না নাগাল
বাতাস পাবে না সীমানা
তবুও আমি হারাবো
 নাম না জানা ঠিকানায়</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212712/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Apr 2024 19:08:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমি হয়তো জানোনি আমার মনের কথা<br />
তুমি হয়তো চিনতে পারোনি আমার অগোছালো জীবন<br />
নাই বা জানলে<br />
তবু তো আমায় জেনেছো এই ঢের<br />
আমি হয়তো লোকসমাজে গুছিয়ে কথা বলতে জানি না<br />
তবু মনের কথা বলতে আমার চেয়ে ভালো সাহস বোধহয় কারো হয়নি</p>
<p>আমি একদিন দূরে সরে যাব<br />
   খুব দূরে<br />
যত দূরে গেলে আকাশ পাবে না নাগাল<br />
বাতাস পাবে না সীমানা<br />
তবুও আমি হারাবো<br />
 নাম না জানা ঠিকানায়</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f36b75de58daf89339d560b133660108</guid>
				<title>তোমার আমি
                 (পর্ব-৭)
রণ কিছু না বলে চলে আসার সময় মেয়েটি বলে,&quot;আজ যদি পথে কোনো বিপদে পড়ি আপনি কি আসবেন আমায় বাঁচাতে?&quot;
কথাটি শুনে রণ বুঝলেও মুখে একটা মৃদু হাঁসি দিয়ে চলে গেল। মেয়েটি বুঝতে পারলো রণ শুধু আত্মসম্মান সম্পন্ন মানুষ ই নয়, মানুষকে সঠিক মর্যাদা ও করে। নাহলে সেদিন এতো অপমানের পর ও নিজে কোনো অপমান করে নি ,অন্য কোনো পুরুষ মানুষ হলে কড়ায় গন্ডায় মিটিয়ে দিতো। ওদিকে রণ প্রায় বাস কাউন্টারে চলে যাচ্ছে এমন সময় মেয়েটি বলে,&quot; আপনার নাম আর ফোন নাম্বারটি দেয়া যায়!&quot; রণ কিছু না বলে চলে আসে। দুপুরে লাঞ্চ করার পর রণ ভাবতে থাকে, মেয়েটি কেন আমার নাম আর ফোন নাম্বার জানতে চাইলো! ভুলটা বুঝতে পেরে নাম্বার জানতে চাওয়ার কী আছে! এসব ভাবতে ভাবতেই ফোনে ফেসবুক স্ক্রল করতে থাকে ঠিক সেই সময় একটি মেয়ের একাউন্ট চলে আসে।&quot;এতো সেই মেয়ে, আজকে যে আমার কাছে নাম আর ফোন নাম্বার জানতে চাইলো।&quot;মেয়েটির নাম সুশ্রীতা। &quot;সত্যিই তো মেয়েটি সুন্দর রূপের অধিকারীণী । নাম যথার্থই আছে।&quot;এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201663/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Jun 2023 09:21:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমার আমি<br />
                 (পর্ব-৭)<br />
রণ কিছু না বলে চলে আসার সময় মেয়েটি বলে,&#8221;আজ যদি পথে কোনো বিপদে পড়ি আপনি কি আসবেন আমায় বাঁচাতে?&#8221;<br />
কথাটি শুনে রণ বুঝলেও মুখে একটা মৃদু হাঁসি দিয়ে চলে গেল। মেয়েটি বুঝতে পারলো রণ শুধু আত্মসম্মান সম্পন্ন মানুষ ই নয়, মানুষকে সঠিক মর্যাদা ও করে। নাহলে সেদিন এতো অপমানের পর ও নিজে কোনো অপমান করে নি ,অন্য কোন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-201663"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/201663/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">929e91c57faf837215ee0ed435f58a40</guid>
				<title>কিছু কিছু মানুষ হয়তো সারাজীবন তপস্যা করেও কারো প্রিয় মানুষ হতে পারে না।কারো মনে এমনভাবে থেকে যেতে পারে না যাতে সে কারো মনের মধ্যে জায়গা করে নিতে পারে আজীবন।অথচ তার আন্তরিকতা,নিষ্ঠা,সততা দিয়ে কিন্তু সবার মন জয় করে নিতে পারার পূর্ণ যোগ্যতা তার রয়েছে। তবু সে পারে না, এটা কি তার ব্যর্থতা না নিয়তি বোঝা দায়। তবে সেই মানুষ টা কিন্তু ঠিকই  প্রতিনিয়ত অভিনয় করে যাওয়ার চেষ্টা করে যাতে তার এই ব্যর্থতা কারো চোখে না পড়ে। এটাই কি চিরাচরিত রীতি প্রকৃতির!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/181196/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Dec 2022 04:05:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কিছু কিছু মানুষ হয়তো সারাজীবন তপস্যা করেও কারো প্রিয় মানুষ হতে পারে না।কারো মনে এমনভাবে থেকে যেতে পারে না যাতে সে কারো মনের মধ্যে জায়গা করে নিতে পারে আজীবন।অথচ তার আন্তরিকতা,নিষ্ঠা,সততা দিয়ে কিন্তু সবার মন জয় করে নিতে পারার পূর্ণ যোগ্যতা তার রয়েছে। তবু সে পারে না, এটা কি তার ব্যর্থতা না নিয়তি বোঝা দায়। তবে সেই মানুষ টা কিন্তু ঠিকই  প্রতি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-181196"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/181196/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a21d617cb85da4a1a435a09eff13c216</guid>
				<title>&#x1f31f; দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, দীর্ঘদিন ধরে আমার অসুস্থতার কারণে আমি নতুন পর্ব লিখতে পারিনি।যারা আমার লেখার জন্য অপেক্ষা করে ছিলেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।আমি এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারি নি। দয়া করে সবাই প্রার্থনা করবেন আমার জন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/181195/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Dec 2022 04:04:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f31f; দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, দীর্ঘদিন ধরে আমার অসুস্থতার কারণে আমি নতুন পর্ব লিখতে পারিনি।যারা আমার লেখার জন্য অপেক্ষা করে ছিলেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।আমি এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারি নি। দয়া করে সবাই প্রার্থনা করবেন আমার জন্য।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b0f491a3e02001dbd85ad30ff1b6a522</guid>
				<title>তোমার আমি
               (পর্ব-৬)

মেয়েটিকে দেখে যেন মনে হয় প্রকৃতির সকল সৌন্দর্য স্রষ্টা এর মাঝে ঢেলে দিয়েছে। তবে এই সৌন্দর্যৈ কোনো আকর্ষণ নেই আছে, আছে একরাশ মায়া ও স্নিগ্ধতা। এই মায়া যেন এত বছরে রণ কোথাও কখনো কারো মাঝে দেখেনি। তাইতো এক অপলক দৃষ্টিতে রণ মেয়েটির দিকে তাকিয়ে আছে। মেয়েটি কত কথা বলে যাচ্ছে সেদিকে আমার কোনো ধ্যানই নেই ।
&quot;কি হলো ?তাকিয়ে আছেন কেন? কখনো মেয়ে দেখেননি নাকি!&quot;
&quot; হ্যাঁ দেখেছি, আপনাকে কখনো দেখিনি।&quot;
&quot; অসভ্য লোক কোথাকার!&quot;
  মেয়েটি চলে গেল। কিন্তু চলে গিয়েও রণর মনে রেখে গেলো একরাশ মুগ্ধতা । এরকম করে চলে যায় অনেক দিন। একদিন রণ অফিস থেকে ফিরে আসার সময় পথে কিছু লোকজন কে দেখলো ঘেরাও করে দাঁড়িয়ে থাকতে।রণ এগিয়ে যেতে যেতে শুনতে পেলো লোকগুলো কয়েকজন উত্যক্তকারী কে ধরতে পারে নি তাই আফসোস করছে।ঘটনাস্বলে গিয়ে রণ দেখতে পায় সেই মেয়েটিকে।মেয়েটি খুব কাঁদছিল।সে খুব অসহায় বোধ করছিল।রণ একটা রুমাল মেয়েটিকে এগিয়ে দিয়ে বলল,&quot;এই নিন,চোখটা মুছে নিন।দয়া করে আর কাঁদবেন না।&quot;
&quot;ও..আপনি সে না?যে সেদিন ইচ্ছা করে হাঁটতে গিয়ে আমার গায়ে পড়ে যেতে চেয়েছিলেন?&quot;আপনারা পুরুষ মানুষ কি ভাবেন বলুনতো !আমাদের মতো মেয়েদের  দেখলেই আপনাদের মন অস্থির হয়ে পড়ে হামলে পড়ার জন্য&quot;
 মৃদু হেসে রণ বললো ,&quot;প্রথমত আমি ইচ্ছা করে কিন্তু গায়ে পড়িনি আর দ্বিতীয়তো সব পুরুষ হামলে পড়ে না ।কেউ কেউ আগলেও রাখতে জানে,তাই এক দুই জনের জন্য সকল পুরুষ কে ভুল ভাববেন না।&quot;
রণ বাড়ি ফিরে যায় । মেয়েটি রণর কথা ভাবতে থাকে। অজান্তে যেন রণর প্রতি আকস্মিক টান অনুভব হয় ।
&quot;তবে কি আমি আমার মনের মানুষ পেয়ে গেছি । মানুষটা যেন সবার থেকে আলাদা। পুরুষ জাতি নিয়ে আমার এতদিনের ধারণা নিমেষেই যেন মন থেকে বদলাতে বাধ্য করছে আমাকে। উনার সাথে একবার কথা বলা উচিত।&quot;
পরদিন যথারীতি রণ অফিসে রওনা দেয় ।যাওয়ার পথে আবারো মেয়েটির সাথে তার দেখা হয়।রণ কিছু না বলে চলে আসার সময় মেয়েটি বলে...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/181194/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Dec 2022 04:01:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                   তোমার আমি<br />
               (পর্ব-৬)</p>
<p>মেয়েটিকে দেখে যেন মনে হয় প্রকৃতির সকল সৌন্দর্য স্রষ্টা এর মাঝে ঢেলে দিয়েছে। তবে এই সৌন্দর্যৈ কোনো আকর্ষণ নেই আছে, আছে একরাশ মায়া ও স্নিগ্ধতা। এই মায়া যেন এত বছরে রণ কোথাও কখনো কারো মাঝে দেখেনি। তাইতো এক অপলক দৃষ্টিতে রণ মেয়েটির দিকে তাকিয়ে আছে। মেয়েটি কত কথা বলে যাচ্ছে সেদ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-181194"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/181194/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6cbceba7fc35b2b639d4d0c5a86195d2</guid>
				<title>তোমার আমি
                    (পর্ব-৫)
বাড়িতে এসে দেখে পুলক দা এখনো প্রার্থনা করে চলেছে। রণ আর পুলক দাকে ডাক না দিয়ে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরল ।
&quot;কিরে, কি হলো? চাকরিটা হল না!&quot;
&quot;চাকরিটা হয়ে গেছে, পুলকদা &quot;কথাটি শুনে মুহূর্তে পুলকদার চোখযুগল অশ্রুসিক্ত হয়ে গেল ।তার এত বছরের পরিশ্রম, স্নেহ ,মমতা আজ সার্থক হল। সেদিনের সেই রাস্তা থেকে তুলে আনা তার পালিত সন্তানটি আজ তার মান রাখতে পেরেছে। এই আনন্দে তার যে কত ভালো লাগছে তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
&quot;কিগো পুলকদা,তুমি কাঁদছো কেন? এত ভালো একটা খবর শুনলে, আর তুমি কাঁদছো!&quot;
&quot; তুই বুঝবি নারে, রণো এ হলো আনন্দের অশ্রু। আজ তুই শুধু আমার নয়,তোর নিজের মুখ ও উজ্জ্বল করেছিস। তুই নিজেকে প্রমাণ করতে পেরেছিস এই নিষ্ঠুর সমাজের কাছে, ভেঙ্গে দিতে পেরেছিস প্রচলিত প্রথার বেরিবাঁধ। এবার থেকে তুই শুধু এগিয়ে যা তোর লক্ষ্যের পথে ।&quot;
&quot; তুমি প্রার্থনা করো পুলক দা ।তুমি আমার জীবনের পথ প্রদর্শক।&quot;
 পরদিন সকালে রণ তৈরি হচ্ছে অফিসে যাওয়ার জন্য ।সকালে নাস্তা তৈরি করে রণর জন্য রেডি করে রেখেছে পুলকদা। &quot;আমি আসছি।&quot;রণ বিদায় জানাতে এসেছে।
&quot; আয় বাবা ,সাবধানে যাবি। এই নে তোর টিফিন টা ।&quot;
&quot;তুমি পারো বটে ,এখনো কি আমি ছোট আছি নাকি ।&quot;
&quot;তুই সব সময় আমার কাছে ছোটই থাকবি।&quot;
&quot; আচ্ছা ,আসি তবে এবার। &quot;রণ অফিসে যাওয়ার পথে রওনা হলো ।যেতে যেতে তার নানান চিন্তা মাথায় আসছে। সে পারবে তো পুলকদার মান রক্ষা করতে!নিজের কাছে করা নিজের প্রতিজ্ঞা বাঁচাতে !তাকে তো পারতেই হবে ।সে যদি না পারে তাহলে তো সমাজের কিছু উচ্চশিক্ষিত অথচ বিবেক মনুষ্যত্বহীন মানুষের কাছে পুলকদার মত স্বল্প শিক্ষিত তথাপি খাঁটি মানুষ হেরে যাবে। এইসব ভাবতে ভাবতে ভাবতে  হাঁটার সময় হঠাৎ করে একটি মেয়ের সাথে তার ধাক্কা লেগে যায় ।
&quot;আকাশের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে হাঁটছেন বুঝি ?&quot;রণো মেয়েটির দিকে তাকিয়ে রয়েছে অবাক হয়ে। মেয়েটিকে দেখে যেন মনে হয়...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/148499/</link>
				<pubDate>Sun, 18 Sep 2022 04:34:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                  তোমার আমি<br />
                    (পর্ব-৫)<br />
বাড়িতে এসে দেখে পুলক দা এখনো প্রার্থনা করে চলেছে। রণ আর পুলক দাকে ডাক না দিয়ে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরল ।<br />
&#8220;কিরে, কি হলো? চাকরিটা হল না!&#8221;<br />
&#8220;চাকরিটা হয়ে গেছে, পুলকদা &#8220;কথাটি শুনে মুহূর্তে পুলকদার চোখযুগল অশ্রুসিক্ত হয়ে গেল ।তার এত বছরের পরিশ্রম, স্নেহ ,মমতা আজ সার্থক হল। সেদিনের সেই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-148499"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/148499/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6fa46dbc9db356c626870961cc68bbfc</guid>
				<title>তোমার আমি
          ‌(পর্ব-৪)
রণ চাকরিটা পেয়ে গেলে শুধু যে তার এতদিনের স্বপ্ন পূরণ হবে তা নয়, নিজের কাছে নিজেকে করার প্রতিজ্ঞাও রাখা হবে। ইন্টারভিউ রুম থেকে তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে ।রণ ভেতরে ভেতরে খুব চিন্তিত হলেও চোখমুখে একটা মৃদু হাসির রেখা টেনে রুমে প্রবেশ করল।
&quot;মে আই কাম ইন,স্যার?&quot;
&quot;ইয়েস, কাম ইন।  প্লিজ,সিট ডাউন ।
&quot;থ্যাংক ইউ স্যার &quot;।
&quot;ইটস্ ওকে, ওয়েলকাম। নাম কি তোমার? রণ? তা পদবী কি? নামের সাথে যে পদবী দিতে হয় সেটাও কি জানো না নাকি!&quot;
&quot; যার নামটাই কুড়িয়ে পাওয়া তার আবার পদবী হতে পারে, স্যার ?&quot;
ইন্টারভিউ নেয়ার জন্য চেয়ারে বসে থাকা ভদ্রলোক অপলক দৃষ্টিতে রণর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। মুহূর্তেই যেন সে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে।
&quot; জী স্যার ,আমার নামই আমার পদবী। ইন্টারভিউ তে জিজ্ঞেস করা প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরেছে রণ।
&quot; ওকে ,তুমি এখন আসতে পারো&quot;।
&quot;আর হ্যা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার টা নিয়ে যেও ।তুমি সিলেক্টেড ।&quot;
কথাটা শুনে যেন রণর চোখ দুটো অশ্রুসিক্ত হয়ে গেল ।আজ তার নিজেকে প্রমাণ করার লড়াই সার্থক হয়েছে ।বাড়িতে এসে দেখে..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/144455/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Sep 2022 10:53:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>               তোমার আমি<br />
          ‌(পর্ব-৪)<br />
রণ চাকরিটা পেয়ে গেলে শুধু যে তার এতদিনের স্বপ্ন পূরণ হবে তা নয়, নিজের কাছে নিজেকে করার প্রতিজ্ঞাও রাখা হবে। ইন্টারভিউ রুম থেকে তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে ।রণ ভেতরে ভেতরে খুব চিন্তিত হলেও চোখমুখে একটা মৃদু হাসির রেখা টেনে রুমে প্রবেশ করল।<br />
&#8220;মে আই কাম ইন,স্যার?&#8221;<br />
&#8220;ইয়েস, কাম ইন।  প্লিজ,সিট ডাউন ।<br />
&#8220;থ্যাং&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-144455"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/144455/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">115e7089179b5dc914fbaf22c828a4cb</guid>
				<title>সম্মানীয় লেখক লেখিকাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, সম্প্রতি আমার স্নেহের ছোট ভাই একটি ভৌতিক গল্প লিখেছে। সে আমার কাছে আবদার করেছে যেন তার এই গল্পটি আমি সবার কাছে পৌঁছে দিই ।আর তাই নিজের পেজেই তার গল্পটি পোস্ট করতে যাচ্ছি ।সবাই একটু পড়ে দেখবেন এটাই আমার অনুরোধ ।ধন্যবাদ সবাইকে।

একটি মজার ভুতের গল্প 
আবরার হোসাইন তামিম 

এক ছিল বট গাছ ।সেই গাছটি ছিলো হাজার হাজার বছর পুরানো।
একদিন একটি লোক সেই গাছটির নিচে দিয়ে যাচ্ছিলো।
তার হাতে একটি বাজারের ব্যাগ ছিল। তার ভিতরে একটি 
ইলিশ মাছ। তারপর গাছ থেকে বেরিয়ে আসলো একটি 
ডাইনি ।সেই লোকটি ভয় পেয়ে  মাছ রেখে দৌড়ে পালালো। তারপর সেই মাছ ডাইনি খেয়ে ফেললো।তারপর একজন নাপিত সেই গাছটি নিচে দিয়ে যাচ্ছিল ।তারপর সেই ডাইনি গাছ থেকে বেরিয়ে আসলো তারপর নাপিত মাছটি রেখে চলে গেল। নাপিত ভাবলো একটি নকল মাছ নিয়ে গেলে তখন কেমন হয় তারপর সে একটি নকল মাছ কিনে আনলো। তারপর সে গাছটির নিচে দিয়ে যাচ্ছিল ।তখন গাছ থেকে
ডাইনি নেমে এলো ।তখন নাপিত মাছটি রেখে দৌড়ে গেল ছোপে ।পিছনে সে উঁকি দিয়ে দেখছিল তারপর ডাইনি ব্যাগটি থেকে মাছটি বের করে দিল কামড়। তারপর খেলনা মাছ ভোম করে ফেটে গেল। তারপর ডাইনির মাথায় ভীষণ রাগ পরের দিন নাপিত কবিরাজ আনে সে ভুতটীকে ধরে নিয়ে গেল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/141131/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Sep 2022 13:24:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সম্মানীয় লেখক লেখিকাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, সম্প্রতি আমার স্নেহের ছোট ভাই একটি ভৌতিক গল্প লিখেছে। সে আমার কাছে আবদার করেছে যেন তার এই গল্পটি আমি সবার কাছে পৌঁছে দিই ।আর তাই নিজের পেজেই তার গল্পটি পোস্ট করতে যাচ্ছি ।সবাই একটু পড়ে দেখবেন এটাই আমার অনুরোধ ।ধন্যবাদ সবাইকে।</p>
<p>একটি মজার ভুতের গল্প<br />
আবরার হোসাইন তামিম </p>
<p>এক ছিল বট গাছ ।সেই গাছটি ছিল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-141131"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/141131/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">439ac35eff99024c8796f12ba9218425</guid>
				<title>তোমার আমি
                      (পর্ব-৩)
পুলকদা কে দেখেই বৃদ্ধ কাকু বলে উঠলো, &quot;কিগো পুলক ,পাতানো ছেলেকে এবার পড়াশোনাও করাবে নাকি?তা সে তুমি যত বিদ্যাই পাস করাও না কেন,এক গাছের ছাল কখনো অন্য গাছে লাগে না।&quot;কথাটি শুনে রণোর শিশুসুলভ মনেও কেমন যেন সুপ্ত‌ আঘাত আর জেদ প্রতিয়মান হলো। পুলকদা অবশ্য এসব কথায় পাত্তা দেয় না।  সে মনে করে মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব স্রষ্টার তৈরি ।আর স্রষ্টার তৈরি সেরা  জীব কখনো অকৃতজ্ঞ হতে পারে না ।স্কুলে ভর্তি হতে পেরে রণোর সে কি আনন্দ!বাড়িতে এসে পুলকদা বলে, &quot;রণ,তোর তো বই খাতা কিনতে হবে ,একজন মাস্টারও ঠিক করতে হবে ।তোকে মানুষ করার জন্য আমি সব করতে পারি ।&quot;রণ বলে,&quot;আমাকে মানুষ করার জন্য মাস্টারমশাই নয় , তুমিই যথেষ্ট পুলুদা।&quot; আজ রণোর মুখে এ কথা শুনে অজান্তে যেন পুলকদার চোখে জল চলে এলো ।রণোর কথাগুলো আজ খুব পরিণত মনে হচ্ছে। মনে হয় যেন সেদিন রাস্তা থেকে কুড়িয়ে পাওয়া সেই ছেলেটি আর যাই হোক কখনো আমায় ছেড়ে যাবে না। ছেলেটির থেকে কেমন যেন আশা করতে ইচ্ছা হচ্ছে। &quot;পুলুদা ,ও পুলুদা, আর কতক্ষণ না খাইয়ে রাখবে!বড্ড খিদে পেয়েছে।&quot;রণ খিদে সহ্য করতে পারে না খুব একটা। তাই পুলকদা তড়িঘড়ি করে খাবার তৈরি করে রণকে খাইয়ে দিল ।তারপর যথারীতি রণ পড়তে বসে যায়। তাকে যে পড়তে হবে ,মানুষের মতো মানুষ হতে হবে। এভাবেই  বেরিয়ে যায় ১৮টি বছর।আজ রণোর চাকরির ইন্টারভিউ ।খুব চিন্তায় আছে ও।চাকরিটা যে তাকে পেতেই হবে। এত বছরের এত কষ্ট, শ্রম সবকিছু সফল হতে চলেছে এই একটা চাকরির মাধ্যমে। পুলকদা আজ নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে সকাল থেকে প্রার্থনা করছে সৃষ্টিকর্তার কাছে । রণ চাকরিটা পেয়ে...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/141119/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Sep 2022 12:55:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                  তোমার আমি<br />
                      (পর্ব-৩)<br />
পুলকদা কে দেখেই বৃদ্ধ কাকু বলে উঠলো, &#8220;কিগো পুলক ,পাতানো ছেলেকে এবার পড়াশোনাও করাবে নাকি?তা সে তুমি যত বিদ্যাই পাস করাও না কেন,এক গাছের ছাল কখনো অন্য গাছে লাগে না।&#8221;কথাটি শুনে রণোর শিশুসুলভ মনেও কেমন যেন সুপ্ত‌ আঘাত আর জেদ প্রতিয়মান হলো। পুলকদা অবশ্য এসব কথায় পাত্তা দেয় না।  সে মন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-141119"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/141119/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b292fbae0c88172e43981ea1f9f0246f</guid>
				<title>তোমার আমি 
                     (পর্ব-২)
তবে এখন এনজিওর এই বাচ্চারাই  তার জীবনে বেঁচে থাকার একমাত্র কারণ। নবজাতক বাচ্চাটি যেই পুলকদার কোলে এলো অমনি কান্না থেমে গেল। বাচ্চাটির খুব খিদে পেয়েছে হয়তো। কি খাওয়ানো যায় !এ তো যে সে খাবার ও খেতে পারবে না ,দুধের শিশু, এইটুকু শিশুকে কি করে যে ওই রাস্তার ধারে কেউ ফেলে রাখতে পারে সত্যি বুঝতে পারি না ।তবে আমি যখন একে নিয়ে এসেছি ,আমিই ওকে মানুষ করব ,আজ থেকে ও আমারই সন্তান। ওকে মানুষের মত মানুষ করে তুলবো।পুলকদা খাবার নিয়ে আসে ,বাচ্চাটিকে খাওয়াতে খাওয়াতে ভাবতে থাকে কি নাম রাখা যায়। জন্মের পর থেকেই বাচ্চাটাকে অনেক অবহেলা ,প্রতিকূলতার শিকার হয়েছে, সারাজীবন ওকে সংগ্ৰাম করেই বাঁচতে হবে। পুলক দা বাচ্চাটির নাম রাখল &quot;রণ&quot;। ছোট্ট রণ বড় হতে থাকে আর পুলকদার রণকে নিয়ে উদ্বিগ্ন  বাড়তেই থাকে ।রণকে যে সে উপযুক্ত শিক্ষায় গড়ে তুলবে বলে প্রতিজ্ঞা করেছিল। তার জন্য যে ওকে পড়াশোনা করতে হবে, শিক্ষিত হতে হবে। কিন্তু জন্ম পরিচয় হীন একটা সন্তানকে যে জীবনের প্রতিটা পদক্ষেপে শিকার হতে হয় তা ভাবতে গিয়ে পুলকদার চোখে জল এসে পড়ে ।এদিকে দেখতে দেখতে রণ ও অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে। এই তো কদিন হলো ওর পাঁচ বছরের জন্মদিন এনজিওর বাচ্চাদের নিয়ে পুলকদা খুব জমজমাট করে উদযাপন করলো।  কাল পুলকদা রণকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য নিয়ে যাবে। রণ ও উচ্ছ্বসিত, পড়াশোনা করতে তার খুব ভালো লাগে।পুলকদা তাকে সকালে ঘুম থেকে উঠিয়ে খাবার খাইয়ে তৈরি করে দেয়। স্কুলের পথে রওনা হওয়ার সময় রণ জিজ্ঞেস করে,&quot;পুলুদা, আমি কবে বড় হব?&quot;পুলকদা বলে ,&quot;হবি বাবা, তুই একদিন এত বড় হবি যে মানুষের মুখে মুখে তোর নাম থাকবে। তোকে যে অনেক বড় হতে হবে বাবা। রণকে নিয়ে স্কুলের প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছে পুলকদা। এমন সময় স্কুলের গেট থেকে বেরিয়ে আসেন এক বৃদ্ধ কাকু ও স্কুলের একজন সম্মানীয় শিক্ষক ।পুলকদা কে দেখেই...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/138313/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Aug 2022 17:57:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                  তোমার আমি<br />
                     (পর্ব-২)<br />
তবে এখন এনজিওর এই বাচ্চারাই  তার জীবনে বেঁচে থাকার একমাত্র কারণ। নবজাতক বাচ্চাটি যেই পুলকদার কোলে এলো অমনি কান্না থেমে গেল। বাচ্চাটির খুব খিদে পেয়েছে হয়তো। কি খাওয়ানো যায় !এ তো যে সে খাবার ও খেতে পারবে না ,দুধের শিশু, এইটুকু শিশুকে কি করে যে ওই রাস্তার ধারে কেউ ফেলে রাখতে পারে সত্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-138313"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/138313/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">81c00a6825294832a7a081b5a4cee6c7</guid>
				<title>তোমার আমি
                     (পর্ব-১)
ওয়াঁ...ওয়াঁ...&quot;বাচ্চাটা সেই কখন থেকে কাঁদছে ,তোরা কেউ একটু বাচ্চাটাকে সামলাতে পারছিস না!&quot;। পুলকদা এই বলে বাচ্চাটার কাছে গিয়ে বাচ্চাটাকে কোলে তুলে নেয়। একটা দিনও হয়নি বাচ্চাটাকে রাস্তার ধার থেকে তুলে আনা হয়েছে। তবু ও পুলকদার কত উদ্বেগ বাচ্চাটিকে নিয়ে।পুলকদা এনজিওতে একজন শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন প্রায় বছর দশেক হলো। এনজিওর প্রতিটি বাচ্চাই তার কাছে সন্তানসম।  এনজিওতে অন্যান্য বাচ্চার বয়স প্রায় পাঁচ ছয় বা দশের মধ্যে হবে। কিন্তু এই একটি বাচ্চাই কেবলমাত্র নবজাতক।পুলকদা অবিবাহিত। জীবনের প্রায় অর্ধেকটা সময় এভাবেই কেটে যায় তার।তাই আর নতুন করে জীবন শুরু করার ইচ্ছা তার নেই। তবে...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/134724/</link>
				<pubDate>Sat, 20 Aug 2022 03:27:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                  তোমার আমি<br />
                     (পর্ব-১)<br />
ওয়াঁ&#8230;ওয়াঁ&#8230;&#8221;বাচ্চাটা সেই কখন থেকে কাঁদছে ,তোরা কেউ একটু বাচ্চাটাকে সামলাতে পারছিস না!&#8221;। পুলকদা এই বলে বাচ্চাটার কাছে গিয়ে বাচ্চাটাকে কোলে তুলে নেয়। একটা দিনও হয়নি বাচ্চাটাকে রাস্তার ধার থেকে তুলে আনা হয়েছে। তবু ও পুলকদার কত উদ্বেগ বাচ্চাটিকে নিয়ে।পুলকদা এনজিওতে একজন শ্রমিক হি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-134724"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/134724/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2d24419bbe35332f0a143b1f2003a7bd</guid>
				<title>&quot;তোমার আমি&quot; 
          আসছে খুব শীঘ্রই.....
এই সমাজ পুরুষতান্ত্রিক হলেও এখনো অল্প সংখ্যক পুরুষ রয়েছে যারা বর্ণপরিচয়হীন হয়েও শিক্ষিত মনুষ্যত্বহীনদের ঊর্ধ্বে। যারা সমাজে নারীদের ভোগ্যপণ্য বা শোষণের বস্তু মনে করেনা বরং নিঃস্বার্থভাবে সারা জীবন পাশে থাকায় অঙ্গীকারবদ্ধ। তারা ভালোবাসা জানে, ভালোবেসে পাশে থাকতে জানে ।&quot; তোমার আমি&quot;  গল্পের রণো এমনই এক চরিত্র যার জন্ম পরিচয় বেনামী হলেও শিক্ষা, আদব-কায়দা, সংস্কৃতি, বিবেক ও মনুষ্যত্বের দিক থেকে যে অনেক উচ্চবিত্ত পরিবারের শিক্ষিত আধুনিক ছেলেকেও হার মানিয়ে গেছে। গল্পের রণো জন্ম থেকেই এক নির্মম পরিস্থিতির শিকার।জন্ম-পরিচয় না থাকার কারণে ছোট থেকে সে নানা প্রতিকূলতায় বড় হতে থাকে। শৈশব অতিক্রম করার সাথে সাথে সে জানতে পারে সে একজন জারজ সন্তান আর তার জীবনের এই সত্যিটাই কিভাবে একদিন তার গর্বের কারন হয়ে ওঠে সেটাই গল্পে ফুটে উঠেছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/131654/</link>
				<pubDate>Fri, 12 Aug 2022 17:09:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>    &#8220;তোমার আমি&#8221;<br />
          আসছে খুব শীঘ্রই&#8230;..<br />
এই সমাজ পুরুষতান্ত্রিক হলেও এখনো অল্প সংখ্যক পুরুষ রয়েছে যারা বর্ণপরিচয়হীন হয়েও শিক্ষিত মনুষ্যত্বহীনদের ঊর্ধ্বে। যারা সমাজে নারীদের ভোগ্যপণ্য বা শোষণের বস্তু মনে করেনা বরং নিঃস্বার্থভাবে সারা জীবন পাশে থাকায় অঙ্গীকারবদ্ধ। তারা ভালোবাসা জানে, ভালোবেসে পাশে থাকতে জানে ।&#8221; তোমার আমি&#8221;  গল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-131654"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/131654/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">14fb16440c2660c9ba925a35b91397c0</guid>
				<title>স্ত্রী,স্বামী, শ্বাশুড়ি এই তিনটি সম্পর্ক মেনে একই সূত্রে গাঁথা। স্ত্রী যেমন স্বামীর পরিচয়ে নতুন জীবনে প্রবেশ করে ঠিক তেমনি স্বামীকেও নিজের মায়ের প্রতি সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হয়।কি অদ্ভুত না!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128502/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Aug 2022 05:07:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্ত্রী,স্বামী, শ্বাশুড়ি এই তিনটি সম্পর্ক মেনে একই সূত্রে গাঁথা। স্ত্রী যেমন স্বামীর পরিচয়ে নতুন জীবনে প্রবেশ করে ঠিক তেমনি স্বামীকেও নিজের মায়ের প্রতি সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হয়।কি অদ্ভুত না!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">47f2f25a8234666bad68e9374d444c81</guid>
				<title>আমরা জানি না কি চাই আমরা। সত্যিই কি আমরা ভালো আছি নাকি প্রতিনিয়ত নিজেই নিজের সাথে অভিনয় করে যাচ্ছি। দিনশেষে ক্লান্ত হয়ে পড়ছি নাতো অভিনয় করতে করতে!?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128498/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Aug 2022 04:58:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমরা জানি না কি চাই আমরা। সত্যিই কি আমরা ভালো আছি নাকি প্রতিনিয়ত নিজেই নিজের সাথে অভিনয় করে যাচ্ছি। দিনশেষে ক্লান্ত হয়ে পড়ছি নাতো অভিনয় করতে করতে!?</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cd1b4d2b1e16149fb7509e31bc3ef5d2</guid>
				<title>অতীত মানুষের জীবনে এমন এক সত্য যা মরণোত্তর জীবনেও ছাপ ফেলে যায়। এ যেন এক ধ্রুব সত্যি ।&#x1f342;&#x1f341;&#x1f342;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/120294/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Jun 2022 13:46:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অতীত মানুষের জীবনে এমন এক সত্য যা মরণোত্তর জীবনেও ছাপ ফেলে যায়। এ যেন এক ধ্রুব সত্যি ।&#x1f342;&#x1f341;&#x1f342;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9bc3a0c3caee17b0eb80097c7f66bdcc</guid>
				<title>স্বরচিত প্রথম গল্প &#x1f90d; আমার সহলেখকদের দোয়া প্রার্থনা করি যাতে ভবিষ্যতে আরো নতুন কিছু উপহার দিতে পারি।&#x1f60a;


                 স্মৃতির আলিঙ্গনে
&quot;আজ আমার জন্মদিন।কত বেলা হয়ে গেল,অথচ কেউ আমাকে এখনো শুভেচ্ছাটুকু পর্যন্ত জানালো না!&quot;বিষণ্ণ হয়ে একান্ত আপন মনেই কথা গুলো বলছিলো আড়াল।ও এরকমই।বড্ড অভিমানী আর চাপা স্বভাবের। কিছুতেই মুখ ফুটে মনের জমিয়ে রাখা ক্ষোভ, দুঃখ, অভিমান কাউকে বলবে না। যদিও ওর চোখ মুখে অভিমানী রূপ ঠিক ফুটে ওঠে। সে যাই হোক, আড়ালের আজ ১২তম জন্মদিন। তবে এবারের জন্মদিন অন্য বারের থেকে একটু আলাদা। সম্প্রতি আড়ালের একটি ছোট ভাই হয়েছে।এতদিন আড়াল ছিল তার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। এখন তো সে আর একা নেই আরেকটি ভাই রয়েছে। দায়িত্ব ও বয়স উভয় দিক দিয়েই তার এখন পরিবর্তন হয়েছে। সে ভাবছে হয়ত এখন আর তার জন্মদিন আগের মতো পালন করা হবে না, তাকে আর আগের মতো ঘিরে থাকবে না কেউ। এসব ভেবেই সে এত বেলা কাটিয়ে দিল। সন্ধ্যাবেলা তার বাড়ির সবাই মিলে তাকে সারপ্রাইজ দিবে বলে পরিকল্পনা করে রেখেছে। যথারীতি আড়াল প্রতিদিনের মত আজও দুপুরের পর ঘুমিয়েছে। ঘুম থেকে উঠে আসলে সবাই সমস্বরে তাকে দেখে &quot;শুভ জন্মদিন&quot; বলে শুভেচ্ছা জানায়। তারপর এক এক করে কেক কাটা, খাওয়া-দাওয়ার পর্ব শেষ হয়। রাতে আড়াল খুব অন্যরকম একটা খুশি মন নিয়ে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারণ তার সংশয় দূর হয়েছে। কিছুদিন পর তার বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। শুরু হয় নতুন শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার কার্যক্রম। এভাবেই কালের ধারাবাহিকতায় পেরিয়ে যায় কয়েকটি বছর। আড়াল এখন নবম শ্রেণীতে পড়ছে। বেশ কিছুদিন ধরেই তার মন অন্যমনস্ক হয়ে থাকে। সবকিছু ভুলে যায়, উদাসীনতা যেন এখন তার নিত্যদিনের সঙ্গী।বয়োজ্যেষ্ঠদের মুখে শোনা যায়, আড়ালের এই বয়সটা নাকি মোটেও ভালো নয়। এই বয়সে নাকি ছেলেমেয়েরা চোখে রঙিন চশমা পরে থাকে। যাকে বলে বয়সের দোষ। আড়ালের মা বাবা অবশ্য আড়াল কে কখনো এসবের জন্য জেড়া বা সন্দেহ করেন না কখনোই। তারা বিশ্বাস করেন তাদের মেয়ে কখনো এমন কাজ করবে না। আড়ালও নিজেকে নিয়ে অন্তত এই বিশ্বাস স্থাপন করে। কিন্তু পৃথিবীর সবকিছু যে মানুষের বিশ্বাস, ভরসা আর ইচ্ছা- অনিচ্ছা অনুযায়ী হয় না। মানুষের মনও তাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণের বাহিরে। তাই হয়তো আজ আড়াল ও নিজের মনকে হাজার চেয়েও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। ইদানিং মাহির ভাইয়ার কথা আড়ালের প্রায়ই মনে পড়ে। মাহির আড়ালের দূরসম্পর্কের চাচাতো ভাই হয়। মাহিরের সাথে তার প্রায় বছর তিনেকের বেশি সময় ধরে দেখা হয় না। মাহির এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তার বাবা কর্মসূত্রে ঢাকা শহরে থাকলেও মা ও ভাই গ্রামের বাড়িতে। সে যাইহোক, আড়াল আনমনে বসে আছে জানালার গ্রিল ধরে। রাতের আঁধারে হাজারো নক্ষত্র যেন আলোড়ন সৃষ্টি করছে। আড়ালের কাছে সবকিছু যেন কেমন অদ্ভুত লাগছে। সে বুঝতে পারছে না কেন তার সাথে এমন অলৌকিক ঘটনা ঘটছে। আজ তার বাবার ফোনে অপরিচিত একটি নাম্বার থেকে ফোন এসেছিলো। ফোনটা সে নিজেই তার বাবাকে গিয়ে দিয়ে এসেছে। অথচ সে জানতো না যে ফোনটা ছিলো মাহিরের। কিভাবে সম্ভব? এতদিন ধরে আমি যার কথা দিবারাত্র মনে করছি সেই আজ ফোন দিলো। আর সেই ফোন কল আমি নিজের অজান্তেই ধরেও বুঝতে পারলাম না। আনমনে জানালার ধারে বসে এসব কথাই ভাবতে থাকে আড়াল। মনের টান থাকলে হয়তো এরকমই হয়। ঠিক ৪/৫ দিন পর আড়াল জানতে পারল মাহির ভাইয়া আসছে। আড়াল তো খুব উৎকণ্ঠা নিয়ে বসে আছে। &quot;কি জানি এত বছর পর মাহির ভাইয়া দেখতে কেমন হয়েছে হয়তো খুব বড় হয়ে গেছে আমাকে চিনতে পারবে কি এত বছর পর দেখে?&quot;- আড়াল ভাবছে। বিকেল চারটা বাজে। কলিংবেলের আওয়াজ শোনা যায়। 
একটু পরপর যে কে আসে?
-কে?
-আমি
-আমি কে?
এই বলে একটু বিরক্তের স্বর নিয়ে দরজা খুলতে যাচ্ছে আড়াল। তার বিরক্তির কারণ আছে কিছুক্ষণ পরপর কেউ না কেউ আসছে। সেই শব্দেই আড়ালের বিরক্তির সৃষ্টি হচ্ছে। দরজা খোলা মাত্রই ওপার থেকে একটি কণ্ঠ ভেসে আসছে।
-আমি মাহির।
কণ্ঠটি শুনে মোটামুটি থমকে গেল আড়াল। এত বছর পর চেনা মানুষের কন্ঠের পরিবর্তন শোনা যাচ্ছে। আজ যেন আড়ালের খুব আনন্দের দিন। কিন্তু আড়াল নিজেও বুঝতে পারছে না তার অতি আনন্দিত হওয়ার কারণ।মাহির কি শুধুই তার ভাই নাকি চেনা সম্পর্কের আড়ালেও অচেনা সম্পর্ক বাসা বাঁধতে চলেছে। এভাবেই চলতে থাকে দিনের পর দিন। অ
আড়ালও আবেগের জোয়ারে ভেসে মাহিরের সাথে দিনের-পর-দিন পর দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কথা বলে মাহিরের পছন্দ-অপছন্দের কথা জানতে থাকে। মাহির কিন্তু মনে মনে ঠিক বুঝতে পারছে আড়াল তাকে ভালবেসে ফেলেছে। মাহির তাকে ভালো না বাসলেও তাকে নিয়ে বাঁধতে চলেছে মিথ্যার মায়াজাল।মাহির চায় আড়াল নিজের মুখে স্বীকার করুক সত্যিটা, কিন্তু আড়াল ও যে মনে মনে স্থির করে নিয়েছে, &quot;আমি কোনদিনও সত্যিটা বলবো না। সত্যি কথাটি জানতে পারলে যদি মাহির ভাইয়া আমার সাথে আর কোনো কথা না বলে।&quot; অহনা যদিও তাকে বারবার বলে যে সত্যিটা মাহিরের কাছে স্বীকার করতে, সে তবুও জেদ ধরে বসে যে মাহিরের কাছে সে কখনো সত্যটা স্বীকার করবে না।অহনা আড়ালের প্রিয় বন্ধু। আড়ালের জীবনে এমন কোন কথাই নেই যা অহনা জানেনা। ব্যক্তিগতভাবে অহনা মাহির কে পছন্দ না করলেও বন্ধু আড়ালের জন্য মাহির কে তার সহ্য করতে হয়। আড়াল ভাবে এই সম্পর্কের হয়তো কোনো পরিণতি নেই। মাহির হয়তো কোনদিন জানতে পারবে না তার প্রতি আড়ালের অনুভূতির কথা। আড়াল যদিও চায়না যে সেটা মাহির জানতে পারুক। তবে আড়াল চায় তার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষের কাছে তার দেয়া একটি উপহার থাকুক। তবে এই উপহারটি যে তার জীবনে অবিনাশী ছায়া নামিয়ে আনবে এটা ছিল আড়ালের ধারণাতীত।মাহির কে দেওয়া উপহারটি ছিল ছবি রাখার একটি ফ্রেম। মাহিরের স্বপ্ন হয়তো এবার পূরণের পথে। এই উপহারের নাম করেই মাহির কৌশলে আড়ালের মুখ থেকে শিকার করিয়ে নিল তার প্রতি আড়ালের অনুভূতির কথা।মূলত আড়ালের অনুভূতির কথা জানার জন্য মাহির এতটাই জেদি হয়ে উঠেছিল যে কৌশলে আড়ালের প্রতি তার মিথ্যা অনুভূতি বা ভালোবাসার কথা বলতেও সে পিছপা হয়নি। আড়াল কিন্তু সরল মনে মাহিরের প্রতিটি কথাই বিশ্বাস করে যায়। মাহির ও অপরদিকে এই বিশ্বাস ও ভালবাসার অপব্যবহার করে দিনের পর দিন মিথ্যা প্রেমের মায়াজাল বুনতে থাকে। কিছু মানুষ প্রকৃতপক্ষে এরকম স্বভাবের হয়ে থাকে। যারা কিনা চাওয়ার আগেই অতি মূল্যবান কিছু পেয়ে যায় তারা সেটার মূল্য বুঝবে কি করে!যাইহোক এভাবেই মাহিরের বোনা মিথ্যে প্রেমের মায়াজালে যখন সম্পূর্ণভাবে জড়িয়ে যায় আড়াল, ঠিক তখনই মাহির নব উদ্যোগ নিতে চলেছে আড়ালের সাজানো স্বপ্নের ধ্বংসাবশেষ তৈরি করতে। আড়াল যদিও কোনদিনই মাহিরের কাছ থেকে কোনোকিছু প্রত্যাশা করে নি, মাহিরের প্রতি তার ছিল এক নিঃশর্ত ভালোবাসা। যে ভালোবাসা ছিল পবিত্র, যেখানে কালি বা দাগের ছিটেফোঁটাও ছিলো না। মাহির সেই অপ্রত্যাশিত ভালোবাসায় মিথ্যা সংসার সাজানোর স্বপ্ন দেখিয়েছিল আড়ালকে। আড়াল মাহিরকে ভরসা করত বলেই হয়তো সেই সাজানো স্বপ্নের সমান অংশীদার হতে চেয়েছিল। সেটাই ছিল আড়ালের করা সবচেয়ে বড় ভুল। তবে আড়াল কেউ কি প্রকৃত অর্থে দোষী সাব্যস্ত করা যায়। সে কি সত্যিই ভুল করেছিল বিশ্বাস করে, ভালবাসার উপর ভরসা করে। তাই যদি হয়ে থাকে কাউকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসাটা অন্যায়। মাহির হয়ত কোনদিনই চাইনি আড়ালের ভালোবাসায় সাড়া দিতে। তাই সে নিজের তৈরিকৃত মিথ্যা সাজানো মায়াজাল থেকে নিজেকে বিরত করার জন্য অজুহাত খুঁজছিলো।একদিন এক নিরাল দুপুরে আড়াল কে সে জানায়, সে এই সম্পর্কের থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। তার ধারণা তার বাবা মা কখনো আড়াল কে মেনে নিবেন না। আরো জানায়, তার ছোটভাই আহিরও পড়ালেখা, ক্যারিয়ার নিয়ে খুব একটা সচেতন নয়। তাই সে তার বাবা-মায়ের একমাত্র আশা, যে কিনা একটি সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলে তাদের শেষ বয়সে একটু হলেও তাদের দেখাশোনা করবে সেবা যত্ন করবে। এসব যদিও মাহিরের অজুহাত, তবু আড়াল যেহেতু মাহিরের সকল কথা সরল মনে বিশ্বাস করে তাই এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। মাহিরের সব কথা আড়াল সরল মনে বিশ্বাস করে নিল। তাই সেদিন সারারাত অনেক চিন্তা, ভাবনা করার পর সে সিদ্ধান্ত নিল সে মাহিরের জীবন থেকে সরে দাঁড়াবে।মাহির যখন তার কথা ভেবে এত চিন্তিত থাকে, যে তার বাবা-মা তাকে মেনে নিবে না সেখানে আড়াল মনে করে, সে চায়নি তার জন্য কেউ দুশ্চিন্তায় পড়ুক সারাক্ষণ বিষন্ন থাকুক চিন্তায়। আর সেই কেউ একজন যদি মাহির হয় তাহলে তো আড়াল কোনোদিনও নিজেকে ক্ষমা করতে পারবেনা।পরের দিন আড়াল নিজের মুখে বলে, &quot;আমি এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।&quot; মাহির অবশ্য একথা শুনে মনে মনে বেশ খুশিই হয়েছিল। তাই উত্তরে শুধু &quot;ঠিক আছে&quot; বলে সেও বেরিয়ে আসে সম্পর্কের থেকে। আড়াল শুধু ভাবছিল মাহির হয়তো অভিমানে আর কিছু বলেনি। হয়তো ওই ঠিক আছে শব্দের মধ্যে অনেক না বলা কথা লুকিয়ে আছে। এসব ভাবতে ভাবতেই মাহিরের কত কথা যে উত্তরে এসেছে সেদিকে খেয়ালই করেনি আড়াল। মাহির বলেছে যে আড়াল নাকি স্বার্থপর, সে শুধু নিজের কথাটাই ভাবলো। মাহিরের কথা নাকি একবারও ভাবেনি, এরকম কিছু কথাই মাহির আড়ালকে জানিয়েছে। আড়াল অবশ্য তার প্রতিউত্তরে কিছু বলেনি। এভাবেই মনের মধ্যে কিছু চাপা অভিমান আর ক্ষোভ নিয়ে এক প্রকার দূরে সরে যায় আড়াল। কালের বিবর্তনে পেরিয়ে গেছে অনেক গুলো বছর।আড়াল আজ একজন সফল ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষে পরিণত হয়েছে।আড়াল এখন লেখিকা। লেখালেখির জগতে সে একজন সম্মানীয়া নারী। পড়ালেখায় ও তার অর্জিত সাফল্য অসামান্য।সে সম্প্রতি গ্ৰ্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছে। সাফল্যের স্বর্ণশিখরে সে পূর্ণ মাত্রায় পৌঁছে গেছে। তবে জীবনের এত সফলতার ভিড়েও সে আজও একজন মানুষকে ভুলতে পারেনি।পারবেই বা কী করে, আজ সে যা হয়েছে তার সবকিছুর জন্য যে সে ওই বিশেষ মানুষটির প্রতি খুব কৃতজ্ঞ । কিন্তু সে যে নিরুপায়,হয়ত আর কখনো সে ঐ মানুষটির কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারবেনা। কারণ সে এখন তার কাছ থেকে অনেক দূরে অবস্থানরত।গ্ৰ্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেই সে প্রবাসে চলে এসেছে। অন্যদিকে আড়াল যার কথা দিনরাত ভাবে সে আজ তার কৃতকর্মের জন্য প্রতিনিয়ত মাশুল গুনছে। মাহির এখন বিবাহিত,স্ত্রী আর দুই সন্তান নিয়ে তার পরিবার। তবুও তার জীবনে যেন আঁধার নেমে এসেছে।এই পর্যন্ত একটা চাকরিও সে দুই মাস এর বেশি সময় ধরে করতে পারে না।আড়াল তার জীবন থেকে চলে যাওয়ার পর মাহিরের জীবনে একের পর এক বিপর্যয় আসতে থাকে। মাহিরের বাবা প্যারালাইজড হয়ে ঘরে পড়ে রইলো। তাই মাহির তার পরিবারের সদস্যদের হাল ধরার জন্য পড়াশুনা ছেড়ে দিয়ে চাকরি খুঁজতে শুরু করে। কোনো জায়গা থেকেই চাকরি পাচ্ছে না মাহির।কারণ তার শিক্ষাগত যোগ্যতা অসম্পূর্ণ। অনেক খোঁজাখুঁজি করে কোনোরকম একটা চাকরি যদিওবা পেলো,তাতে বেতন খুব কম। পারিবারিক চিন্তা ও বাবার অসুস্থতার কারণে তাকে বিয়ে করতে হয়। শুরু হয়েছে তার জীবনের নতুন অধ্যায়। কিন্তু এখানেও তার শান্তি নেই।যাকে বিয়ে করেছে সে তথাকথিত শহরের সুন্দরী, শিক্ষিতা আর স্মার্ট মেয়ে।সে গৃহস্থালি কোনো কাজ করতে পারবেনা একথা প্রথমেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে মাহিরকে। এভাবেই দিন চলছে দিনের নিয়মে। মাহির এখন প্রতিমুহূর্তে উপলদ্ধি করছে তার জীবনে এত বিপর্যয় কেন নেমে এসেছে।আড়ালের প্রতি যে অন্যায় সে করেছিল তারই শাস্তি পাচ্ছে সে।কী অদ্ভুত না,মানবমন প্রকৃতি!সময় থাকতে সঠিক ব্যবহার না করার জন্য পরবর্তীতে কী পরিমাণ মাশুল গুনতে হয়। আজ আড়াল যত দূরেই থাকুক না কেন, সে কিন্তু আজ ও মাহিরকেই ভালোবাসে, আর এভাবেই ভালোবেসে যাবে , স্মৃতিচারণ করে যাবে আজীবন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118128/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jun 2022 13:19:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বরচিত প্রথম গল্প &#x1f90d; আমার সহলেখকদের দোয়া প্রার্থনা করি যাতে ভবিষ্যতে আরো নতুন কিছু উপহার দিতে পারি।&#x1f60a;</p>
<p>                 স্মৃতির আলিঙ্গনে<br />
&#8220;আজ আমার জন্মদিন।কত বেলা হয়ে গেল,অথচ কেউ আমাকে এখনো শুভেচ্ছাটুকু পর্যন্ত জানালো না!&#8221;বিষণ্ণ হয়ে একান্ত আপন মনেই কথা গুলো বলছিলো আড়াল।ও এরকমই।বড্ড অভিমানী আর চাপা স্বভাবের। কিছুতেই মুখ ফুটে মনের জমিয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-118128"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/118128/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">29c0d2ed51fb477cd3a1b369c68b0a79</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118126/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jun 2022 13:15:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c780ed0287256f8d3d9872998bb7bb78</guid>
				<title>Rahnuma Nira changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118125/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jun 2022 13:14:45 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">765a9418bb0a8fb56d27754c5229141a</guid>
				<title>স্বীয় প্রশংসা
&quot;স্বীয় প্রশংসা &quot; শব্দদয়কে খন্ডন করলে বোঝা যায় নিজের সুনাম বা প্রশংসা কী।কেউ দেখতে সুন্দর, কারো হাসি সুন্দর এরকম কারো প্রশংসা করতে আমরা পঞ্চমুখ।অথচ, নিজে যতো সুন্দর&#039;ই হই না কেন তা যেন অন্যের মুখ থেকে না শোনা পর্যন্ত শান্ত নই। নিজের কাছে নিজের সুনাম করা কি খুব অন্যায়?প্রথম চেষ্টায় কোনো কাজ করে অন্য কারো কাছে প্রশংসা কুঁড়ানোয় যেন আসক্তি হয়ে গেছে। কিন্তু সেই কাজ নিখুঁত হলে যেন নিজের কাছে নিজের স্বীকার করতে হাজারো আপত্তি!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/95398/</link>
				<pubDate>Thu, 03 Feb 2022 06:03:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বীয় প্রশংসা<br />
&#8220;স্বীয় প্রশংসা &#8221; শব্দদয়কে খন্ডন করলে বোঝা যায় নিজের সুনাম বা প্রশংসা কী।কেউ দেখতে সুন্দর, কারো হাসি সুন্দর এরকম কারো প্রশংসা করতে আমরা পঞ্চমুখ।অথচ, নিজে যতো সুন্দর&#8217;ই হই না কেন তা যেন অন্যের মুখ থেকে না শোনা পর্যন্ত শান্ত নই। নিজের কাছে নিজের সুনাম করা কি খুব অন্যায়?প্রথম চেষ্টায় কোনো কাজ করে অন্য কারো কাছে প্রশংসা কুঁড়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-95398"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/95398/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">78d202f1c33bd5eddb78c7ad9043eedc</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/58241/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Nov 2021 07:43:58 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b3edc4187ad8cb8023f71f3b69a18a1c</guid>
				<title>Rahnuma Nira changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/58240/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Nov 2021 07:42:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4681a89ea158cdf253cb7f51108ac083</guid>
				<title>মনে পড়ে থাকে

যেদিন তাকে দেখেছিলাম অনেক বছর পরে
 মনের সকল তমসাবৃত সরে গিয়েছিল
          ক্ষনিকের হাত ধরে
             কে সে
সে কি জানতো সেই মেয়েটি কে
সে কি চিনেছিল অচেনা মানুষের ভিড়ে চেনা সেই মানসীকে

যে মানসী তাকে লুকায়িত করেছিল নিভৃত হিয়ার অন্তরালে
               হয়তো জানতো না
         সকলে ছিল তার অজানা

           তবুও সে কি পায়নি 
      পায়নি সে মেয়েটির দেখা

            জানি পেয়েছিল
পেয়েও তাকে দেয়নি সে ভালোবাসায় সাড়া

মানসী কী পেরেছিল তবুও তাকে ভুলতে 
পেরেছিল কী তার হিয়ার অন্তরালে ভালোবাসার কথা জানাতে 

 ভালোবাসা অনিশ্চিত জেনেও নেয়নি হার মেনে তাই হয়তো হিয়ার  নিভৃত অন্তরালে আজও মনে পড়ে থাকে
                   মনে পড়ে থাকে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/58239/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Nov 2021 07:37:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>          মনে পড়ে থাকে</p>
<p>যেদিন তাকে দেখেছিলাম অনেক বছর পরে<br />
 মনের সকল তমসাবৃত সরে গিয়েছিল<br />
          ক্ষনিকের হাত ধরে<br />
             কে সে<br />
সে কি জানতো সেই মেয়েটি কে<br />
সে কি চিনেছিল অচেনা মানুষের ভিড়ে চেনা সেই মানসীকে</p>
<p>যে মানসী তাকে লুকায়িত করেছিল নিভৃত হিয়ার অন্তরালে<br />
               হয়তো জানতো না<br />
         সকলে ছিল তার অজানা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-58239"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/58239/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">786dae17e2ad46219565b476581d81c1</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57365/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Nov 2021 18:12:30 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f53006e478e95d0b4ce9dfa5718bebce</guid>
				<title>হারানো খুকির বিকেলবেলা

&quot;কুড়ি বছর,কুড়ি বছর হয়ে গেল আজ এই দিনে তোকে আমি হারিয়ে ফেলেছিলাম। এই কুড়ি বছরের মধ্যে অতিবাহিত তোর প্রতিটা জন্মদিন তুইহীনা কাটিয়েছি।জানিনা আরো কত বিকেল আমায় এভাবে কাটাতে হবে।&quot;জানালার বাহিরে আকাশের পানে তাকিয়ে একান্ত আপন মনে কথাগুলো বলছিলেন খুকির বাবা। দরজায় কড়া নাড়ছিল কেউ একজন।
&quot;কেউ আছেন?&quot;
&quot;কে,কে এসেছে? আমার খুকি!খুকি তুই এসেছিস মা?&quot; বলতে বলতে দরজা খুলতে এগিয়ে এলো খুকির বাবা। দরজা খুলে দেখে কেউ একজন হাস্যোজ্জ্বল মুখে দাঁড়িয়ে আছে ।
&quot;আপনি কি শহীদ কাকু? আমি নীলা। বাবা আমাকে একটি চিঠি দিয়ে পাঠিয়েছেন।
&quot;এসো মা, ভেতরে এসো ,বসো।&quot;
&quot;না কাকু ,এখন আর বসবো না। এটা দেয়ার জন্যই এত দূর আসা।এই নিন কাকু চিঠিটা।
এবার তাহলে আসি?&quot;
&quot;আজ একটা বিশেষ দিনে তুমি এসেছো। আমার যে তোমার কাছে একটা অনুরোধ রয়েছে মা।&quot;
&quot;কি অনুরোধ, কাকু? বলুন!&quot;
&quot;আমার সঙ্গে এক কাপ চা খাওয়া যায়, মা? আজ আমার খুকির জন্মদিন  আর আজকের এই দিনেই আমার খুকি হারিয়ে গেছে আমার চোখের আড়ালে।প্রতিবছর জন্মদিনে ওর একটা বায়না ছিলো আমার হাতে তৈরি এক কাপ চা খাওয়া।&quot;
&quot;বেশ তো, আমি আপনার হাতের তৈরি চা খাবো।তবে আজকের দিনের জন্য তুমিও না হয় তোমার এই খুকির সাথে এক কাপ চা খাওয়ার মুহূর্ত ভাগ করে নিও।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57199/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Nov 2021 10:29:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>             হারানো খুকির বিকেলবেলা</p>
<p>&#8220;কুড়ি বছর,কুড়ি বছর হয়ে গেল আজ এই দিনে তোকে আমি হারিয়ে ফেলেছিলাম। এই কুড়ি বছরের মধ্যে অতিবাহিত তোর প্রতিটা জন্মদিন তুইহীনা কাটিয়েছি।জানিনা আরো কত বিকেল আমায় এভাবে কাটাতে হবে।&#8221;জানালার বাহিরে আকাশের পানে তাকিয়ে একান্ত আপন মনে কথাগুলো বলছিলেন খুকির বাবা। দরজায় কড়া নাড়ছিল কেউ একজন।<br />
&#8220;কেউ আছেন?&#8221;<br />
&#8220;কে,ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-57199"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/57199/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>