Profile Photo

Rahnuma NiraOffline

  • tamannahtasneem90
  • Profile picture of Rahnuma Nira

    Rahnuma Nira

    3 years, 9 months ago

    তোমার আমি
    (পর্ব-২)
    তবে এখন এনজিওর এই বাচ্চারাই তার জীবনে বেঁচে থাকার একমাত্র কারণ। নবজাতক বাচ্চাটি যেই পুলকদার কোলে এলো অমনি কান্না থেমে গেল। বাচ্চাটির খুব খিদে পেয়েছে হয়তো। কি খাওয়ানো যায় !এ তো যে সে খাবার ও খেতে পারবে না ,দুধের শিশু, এইটুকু শিশুকে কি করে যে ওই রাস্তার ধারে কেউ ফেলে রাখতে পারে সত্যি বুঝতে পারি না ।তবে আমি যখন একে নিয়ে এসেছি ,আমিই ওকে মানুষ করব ,আজ থেকে ও আমারই সন্তান। ওকে মানুষের মত মানুষ করে তুলবো।পুলকদা খাবার নিয়ে আসে ,বাচ্চাটিকে খাওয়াতে খাওয়াতে ভাবতে থাকে কি নাম রাখা যায়। জন্মের পর থেকেই বাচ্চাটাকে অনেক অবহেলা ,প্রতিকূলতার শিকার হয়েছে, সারাজীবন ওকে সংগ্ৰাম করেই বাঁচতে হবে। পুলক দা বাচ্চাটির নাম রাখল “রণ”। ছোট্ট রণ বড় হতে থাকে আর পুলকদার রণকে নিয়ে উদ্বিগ্ন বাড়তেই থাকে ।রণকে যে সে উপযুক্ত শিক্ষায় গড়ে তুলবে বলে প্রতিজ্ঞা করেছিল। তার জন্য যে ওকে পড়াশোনা করতে হবে, শিক্ষিত হতে হবে। কিন্তু জন্ম পরিচয় হীন একটা সন্তানকে যে জীবনের প্রতিটা পদক্ষেপে শিকার হতে হয় তা ভাবতে গিয়ে পুলকদার চোখে জল এসে পড়ে ।এদিকে দেখতে দেখতে রণ ও অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে। এই তো কদিন হলো ওর পাঁচ বছরের জন্মদিন এনজিওর বাচ্চাদের নিয়ে পুলকদা খুব জমজমাট করে উদযাপন করলো। কাল পুলকদা রণকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য নিয়ে যাবে। রণ ও উচ্ছ্বসিত, পড়াশোনা করতে তার খুব ভালো লাগে।পুলকদা তাকে সকালে ঘুম থেকে উঠিয়ে খাবার খাইয়ে তৈরি করে দেয়। স্কুলের পথে রওনা হওয়ার সময় রণ জিজ্ঞেস করে,”পুলুদা, আমি কবে বড় হব?”পুলকদা বলে ,”হবি বাবা, তুই একদিন এত বড় হবি যে মানুষের মুখে মুখে তোর নাম থাকবে। তোকে যে অনেক বড় হতে হবে বাবা। রণকে নিয়ে স্কুলের প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছে পুলকদা। এমন সময় স্কুলের গেট থেকে বেরিয়ে আসেন এক বৃদ্ধ কাকু ও স্কুলের একজন সম্মানীয় শিক্ষক ।পুলকদা কে দেখেই…

    6
    2 Comments
Skip to toolbar