Profile Photo

Sol NovaOffline

  • tasnuvatamanna
  • Profile picture of Sol Nova

    Sol Nova

    • 3 days, 7 hours ago

    Another world
    Chapter 3 – Serendipity

    সারাদিনের বৃষ্টির পর আকাশটা যেন এখনও মেঘের ভারে নুয়ে আছে। চারদিকে ধূসর আলো, তার মাঝেও ছাদের ভেজা মেঝেতে জমে থাকা পানির ছোট ছোট ফোঁটাগুলো ম্লান আলোয় ঝিলমিল করছে।
    দুজন পাশাপাশি এসে রেলিংয়ে হেলান দিয়ে দাঁড়াল। রেলিং বেয়ে উঠে গেছে অপরাজিতা লতা। ছাদের একপাশে সারি করে রাখা কয়েকটা ফুলের টব। বর্ষায় পোর্তুলিকাগুলো যেন অন্য সময়ের চেয়ে আরও বেশি সতেজ হয়ে উঠেছে। রঙিন ছোট ছোট ফুলগুলো ভেজা পাতার ফাঁকে ফুটে আছে। একটা গন্ধরাজও ফুটে আছে পাশে। হালকা ঠান্ডা বাতাসে গন্ধরাজ আর বেলির সুবাস মিশে চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে। পানির ট্যাংকটাকেও যেন কুঞ্জলতা পুরোপুরি দখল করে নিয়েছে। তার পাশে জবা আর নীলকণ্ঠের গাছ। সবুজের ভিড়ের মাঝেও লাল গোলাপটা আলাদা করে চোখে পড়ছে।
    ছাদের এক কোণে কবুতরের ঘর। সেখান থেকে মাঝে মাঝে বকবকম শব্দ ভেসে আসছে। প্রকৃতি যেন আজ ওদের দুজনকে একটু অন্যরকমভাবেই বরণ করে নিচ্ছে।
    কিছুক্ষণ দুজনেই চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। হঠাৎ আরহামই নীরবতা ভাঙল।
    — হাই।
    ইনায়া তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল,
    — তো, কেমন আছেন?
    — আলহামদুলিল্লাহ। তবে তোমার বাসা খুঁজতে অতটা প্রবলেম হয়নি।
    ইনায়া ভ্রু তুলে তাকাল।
    — বাহ্।
    আরহাম হেসে বলল,
    — কীভাবে খুঁজলাম, জিজ্ঞেস করবেন না?
    — বলতে চাচ্ছেন তো বলেন।
    — আচ্ছা, যান। শুনতে হবে না। আপনি শুধু এটা মেনে নেন যে আমি আপনার জন্য সিরিয়াস।
    ইনায়া কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে রইল।
    — হুম… মনে তো হচ্ছে।
    তারপর একটু থেমে প্রশ্ন করল,
    — আপনি কী করেন?
    আরহামের মুখে সঙ্গে সঙ্গে হাসি ফুটে উঠল।
    — যাক! আপনার কিছু তো জানার ইচ্ছা করল আমার বিষয়ে। আমি ন্যাশনাল ফুটবল প্লেয়ার।
    ইনায়া মাথা নাড়ল।
    — ও… তাই আসলে জিজ্ঞেস করছিলাম। চিনি কি না।
    আরহাম হেসে ফেলল।
    — এক্স্যাক্টলি।
    ইনায়া স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল,
    — আমি ফুটবল দেখি না। তাই চিনতাম না।
    আরহাম একটু মাথা নেড়ে বলল,
    — ওইভাবে জিজ্ঞেস করা ঠিক হয়নি।
    — It’s okay। তো বলেন… বাসা খুঁজতে প্রবলেম হয়নি কেন?
    আরহাম কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে দূরের দিকে তাকাল।
    — ছোটবেলায়… আপনারা একটা বাসায় ভাড়া থাকতেন, মনে আছে?
    ইনায়া একটু ভেবে মাথা নাড়ল।
    — না তো। ছোট থেকেই আমাদের নিজের বাসা ছিল।
    — হ্যাঁ, ছিল। আপনার আম্মুর জবের জন্য কিছুদিন ছিলেন।
    ইনায়া এবার একটু অবাক হয়ে বলল,
    — হ্যাঁ, শুনেছিলাম আম্মুর কাছে।
    আরহাম হালকা হেসে বলল,
    — জি। ওই বাসাটা আমাদের ছিল। তখন আমরা দুজনই অনেক ছোট ছিলাম।
    ইনায়ার চোখ এবার একটু বড় হয়ে গেল।
    — সিরিয়াসলি? ওইটা আপনি?
    আরহামের চোখে সঙ্গে সঙ্গে একটা শিশুসুলভ উত্তেজনা ফুটে উঠল।
    — আপনার মনে আছে?
    ইনায়া হেসে মাথা নাড়ল।
    — না।
    আরহামের মুখটা এক মুহূর্তের জন্য মলিন হয়ে গেল। কিন্তু ইনায়া সঙ্গে সঙ্গেই হেসে যোগ করল,
    — আম্মু শুনিয়েছে।
    আরহাম আবার আগ্রহ নিয়ে তাকাল।
    — কী কী?
    — আপনার একটা লাল চেয়ার ছিল। আমাকে বসতে দিতেন না।
    আরহাম কিছুক্ষণ ভেবে হেসে ফেলল।
    — ওহ্, সরি। আমার জিনিস আমি শেয়ার করি না।
    ইনায়া সঙ্গে সঙ্গে বলল,
    — আমার লাগবেও না।
    আরহাম তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল,
    — আমার আপনাকে লাগবে।
    কথাটা শুনে ইনায়া হঠাৎ একটু থেমে গেল। চোখ সরিয়ে নিল সে।
    আরহামও যেন তার অস্বস্তিটা বুঝতে পারল। তাই আরেকটা কথা জুড়ে দিল,
    — আচ্ছা, আপনার মনে আছে? আমরা মাটির কেক বানাতাম।
    ইনায়া মাথা নাড়ল।
    — নাহ্। আপনার কীভাবে মনে আছে?
    — আমি তখন আপনার থেকে বড় ছিলাম আরেকটু।
    — হুম…
    কিছুক্ষণ দুজনেই চুপ করে রইল। তারপর আরহাম শান্ত গলায় বলল,
    — আপনাকে আজকেই হ্যাঁ বলতে হবে না। আমিও চাইছি না আপনি বলুন। আমি শুধু চাইছি আপনি আমাকে ট্রাস্ট করেন।
    ইনায়া এবার তার দিকে তাকাল। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলল,
    — নাম্বার এক্সচেঞ্জ করি?
    আরহামের মুখে সঙ্গে সঙ্গে হাসি ফুটে উঠল।
    — অবশ্যই। আর আপনার ইনস্টা আইডিটাও দেন।
    দুজন নাম্বার এক্সচেঞ্জ করল। ইনায়া ফোনটা হাতে নিয়ে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ। তারপর আরহামের দিকে তাকাল।
    আরহাম ততক্ষণে ছাদের ফুলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে।
    — ছাদটা অনেক সুন্দর।
    ইনায়া ভ্রু তুলে বলল,
    — এতক্ষণে খেয়াল করলেন?
    আরহাম এবার তার দিকে ফিরল।
    — আপনি থাকতে অন্য কিছুর ওপর খেয়াল কীভাবে যাবে?
    ইনায়া কিছু বলল না। তার সামনে দুটো কবুতর ঘুরঘুর করছিল। হঠাৎ তাদের একজন অন্যজনকে তাড়া করতে শুরু করল। কেন, সেটা বোঝার কোনো উপায় নেই।
    আরহাম সেদিকে তাকিয়ে হেসে বলল,
    — সব ফিমেল এমন পাত্তা দেয় না।
    ইনায়া সঙ্গে সঙ্গে বলল,
    — আমি আলাদা।
    — জি, দেখতেছি।
    ইনায়া এবার একটু বিরক্তির ভান করে বলল,
    — এতক্ষণ ধরে কথা বলতেছি, তাও বুঝতেছেন না।
    আরহাম একটু হেসে জিজ্ঞেস করল,
    — আমরা তুমি করে বলি?
    ইনায়া কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে বলল,
    — হুম, বলিয়েন আপনি।
    আরহাম হেসে ফেলল।
    — তুমি বলবা না?
    ইনায়া তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসল।
    — বলব। পরে।
    আরহাম মাথা নেড়ে আবার ফুলগুলোর দিকে তাকাল। তারপর হঠাৎ জিজ্ঞেস করল,
    — তোমার ফেভারিট ফুল কী?
    ইনায়া এক মুহূর্তও না ভেবে বলল,
    — লাল শাপলা।
    ঠিক তখনই সিঁড়ির দিক থেকে ইরার গলা ভেসে এল।
    — আপু! ছাদ দেখা হইছে? হইলে নিচে আসো, খাইতে ডাকছে!
    ইরা ছাদে উঠে দুজনের দিকে একবার তাকিয়ে আবার বলল,
    — আম্মু ডাকছে।
    বলেই সে আর দাঁড়াল না। সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেল।
    আরহাম হেসে ইনায়ার দিকে তাকাল।
    — চলো, নিচে যাই। ফ্যামিলির সাথেও কথা বলতে হবে।
    ইনায়া মাথা নাড়ল। দুজন পাশাপাশি সিঁড়ির দিকে এগিয়ে গেল।
    পেছনে ভেজা ছাদটা নীরবে পড়ে রইল। অপরাজিতার লতাগুলো বাতাসে দুলছিল। গন্ধরাজের সুবাস তখনও ছড়িয়ে আছে চারপাশে। আর ছাদের এক কোণে, বৃষ্টিতে ভেজা হলুদ ছাতাটা নিঃশব্দে পড়ে ছিল।
    …
    তারা দুজন পাশাপাশি সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে লাগল। সিঁড়ির শেষ ধাপে পৌঁছানোর আগেই নিচতলা থেকে ভেসে আসা হাসির শব্দ দুজনের কানেই পৌঁছে গেল। মনে হচ্ছিল, এতক্ষণে দুই পরিবারের মধ্যে অস্বস্তির যে দেয়ালটা ছিল, সেটাও বেশ খানিকটা নরম হয়ে এসেছে।
    ইরা আর তনিমা কোণার সোফায় বসে ফোনের স্ক্রিনে কী যেন দেখে হাসছে। দুজনকে একসঙ্গে দেখে ইনায়া ভ্রু কুঁচকে আরহামের দিকে তাকাল।
    — আমাদের বিয়ে না ওদের?
    আরহাম হেসে ফেলল।
    নিচে নেমে ইনায়া খাবার পরিবেশন করতে ব্যস্ত হয়ে গেল। চারপাশে কথাবার্তা আর হাসাহাসির মধ্যেই হঠাৎ আরহামের মা বলে উঠল,
    — ভাই, আপনাদের সব ঠিক লাগলে আজ রিং পরাই দিয়ে যাই।
    আরহাম এক মুহূর্তও দেরি না করে মায়ের দিকে তাকিয়ে বলল,
    — মা, ইনায়া ঠিক করুক। ও যা বলবে, তাই।
    ইনায়ার বাবা-মায়ের মুখে মৃদু হাসি ফুটে উঠল। কিন্তু আরহামের মায়ের মুখে হাসিটা এল না। এক মুহূর্তের জন্য তাঁর চোখ ছেলের দিকে স্থির হয়ে রইল। তিনি যেন কিছু বলতে চাইছিলেন। কিন্তু সবার সামনে বলতে পারলেন না। তারপর খুব স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে তিনি মুখ ফিরিয়ে নিলেন। বিরক্তিটুকু প্রকাশ করলেন না।
    ইনায়া সেটা খেয়াল করল কি না, বোঝা গেল না। সে শুধু শান্ত গলায় বলল,
    — আপনারা খান। পরে কথা হবে… এসব নিয়ে।
    কথাটা বলে সে নিজের ঘরের দিকে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর তার মা-ও ঘরে এলেন।
    — ছেলেকে আমরা ছোট থেকেই চিনি, মা। খারাপ না।
    ইনায়া চুপ করে রইল।
    — হ্যাঁ, কিন্তু…
    মা মেয়ের পাশে এসে বসলেন।
    — রিং দিলেই তো বিয়ে না। তুমি না করে দিও, যদি খারাপ মনে হয়।
    ইনায়া কিছুক্ষণ চুপ থেকে ধীরে ধীরে বলল,
    — আমাদের ক্যারিয়ার কত আলাদা দেখছো? ওকে ট্রাভেল করতে হবে অনেক… আর আমি তো পারব না।
    মা মৃদু হেসে বললেন,
    — আন্ডারস্ট্যান্ডিং থাকলে সব ঠিক হবে।
    ইনায়া মায়ের দিকে তাকাল।
    — আচ্ছা… আমি পরে মানা করলে কিছু বলতে পারবা না।
    মা মাথা নাড়লেন।
    এর মধ্যে বসার ঘরে সবাই আবার কথা বলতে শুরু করেছে। আরহাম ইনায়ার দিকে তাকাল—ইনায়া তখন দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিচ্ছে। চোখাচোখি হতেই ইনায়া সরে গেল।
    কিছুক্ষণ পর দুই পরিবারের সম্মতিতে আংটি পরানোর সময় এলো। আরহামের মা এগিয়ে এলেন। হাতে ছোট একটা সাদা কাগজে মোড়া রিং। তিনি ইনায়ার দিকে তাকালেন—চোখে কিছু একটা ছিল, যা কেউ ধরতে পারল না।
    — মা, রিংটা দিন।
    আরহাম হাত বাড়াল। ইনায়াও ধীরে ধীরে হাত বাড়াল। তার আঙুল কাঁপছিল কি না, কেউ খেয়াল করল না।
    আরহাম রিংটা নিয়ে ইনায়ার আঙুলে পরিয়ে দিল। খুব ধীরে। যেন সময়টা একটু থেমে থাকুক।
    আংটিটা খুব সাধারণ। কোনো বাড়তি ঝলমলে ডিজাইন নেই। সাদামাটা একটা রিং। যেমনটা ইনায়ার পছন্দ।
    নিজের আঙুলের দিকে তাকিয়ে ইনায়ার মুখে অজান্তেই হালকা একটা হাসি ফুটে উঠল।

    4
    12 Comments
    • সামনে কি climax আসছে নাকি? দ্রুত পরের পর্ব চাই

      • @tasnuvatamanna লাইনে আছো? রিপ্লাই দাও আর If u Don’t mind তোমার তুলট profile এর Sol Nova নামটার ইতিহাস জানতে পারি?

      • বিষয়টা Clear করলে না, আপি। সামনে কি ক্লাইম্যাক্স আসছে নাকি plot ভাবোনি এখনো? আর তোমার Sol Nova নামের রহস্য কি? @tasnuvatamanna ?

      • Apnke email krsi dekhen…r climax akdom sese..
        r series a 10 tar kom chapter ase

      • E-mail Address ভুল করসো maybe, check করলাম। যাহোক, shoebibneshaheendecf@gmail এইটা proper spell. Thanks. যদি বিরক্তি না লাগে, আরেকবার Kindly Mail করো। আর by the way, সময় আর রিপ্লাই দেয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ। আয়ার লেখাগুলোও পড়বে আশা করি, @tasnuvatamanna Best of luck

    • @tasnuvatamanna বহুদিন পড় এমন attractive romantic লিখা পড়তেছি, উপভোগ করছি প্রতিটি পর্বই….

    • রাত ১টা ১৫-তে, এক অদ্ভুত অপরাধ / Shoeb

      রাত তখন একটা পনেরো, ঘুমের শহর নীরব, একটা গল্প পড়তে গিয়ে মনটা হলো গরহাজির।

      তিনটি পর্ব, তিনটি ধাক্কা, কী যে হলো শেষে! গল্প তো আর গল্প রইল না, কে যেন রইল মিশে।

      লেখার ভাঁজে মানুষ চেনা, এমন কথা কে জানত? অচেনা কারও শব্দগুলোও এতটা আপন হয় নাকি হঠাৎ?

      বলেছিলাম, “লেখা সুন্দর,” উত্তর এলো—“Thank you ভাইয়া।” সেই দুটো শব্দের পরেও কেন মনটা বলে, “আবার যাই না!”

      বলল, “পরের পর্ব তাড়াতাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করব।” কেন জানি না, ওই কথাটুকুতে আরও কিছু খুঁজতে থাকব।

      তারপর নামের রহস্য নিয়ে একটা প্রশ্ন করেছিলাম, নামটা বুঝি জানলেই তবে গল্পকারকে চিনব ভেবেছিলাম!

      কিন্তু প্রশ্নেরও সীমা আছে, অচেনা সম্পর্কের দেয়াল; কেউ যদি ভাবে, “কী লোক রে বাবা!” সেটাও তো স্বাভাবিক খেয়াল।

      তাই আজ আর প্রশ্ন নয়, নেই পরিচয়ের দাবি, কিছু মানুষ দূরেই থাকুক— তবু লেখায় থাকুক চাবি।

      তোমাকে নিয়ে কিছু বললে কথাটা হয়তো বাড়াবাড়ি, তাই তোমার গল্প পড়েই যাই— এটাই থাকুক আড়াআড়ি।

      তুমি লিখো, পাঠক পড়ুক, গল্প এগোক আপন মনে; কেউ একজন মুগ্ধ হলে ক্ষতি কী আর গোপন গুণে?

      শুধু একটা কথা বলি— যদি কখনো পড়তে গিয়ে মনে হয়, এই লাইনগুলো কাউকে যেন বলছে কিছু,

      তবে ভেবো না, উত্তর চাইছি, নই কোনো ইশারার কাঙাল; কিছু অনুভূতি চুপ থাকলেই সবচেয়ে সুন্দর, সবচেয়ে বেহাল।

      আর যদি পড়ে হেসে ফেলো, লজ্জা পেয়ে যাও ক্ষণিক— মনে কোরো, কোনো এক পাঠক গল্পে হারিয়েছে খানিক।

      নামটা তোমার রহস্য থাক, আমার কথাও থাক না ঢাকা— রাত একটা পনেরোর গল্পে একটু মুগ্ধতা থাকুক ফাঁকা।

    • @tasnuvatamanna তোমাকে dedicate করে কবিতা দিয়েছি। জানিও, যদি ভালো না লাগে

    • বৃষ্টিভেজা ছাদের নীরবতায় শৈশবের স্মৃতি, নতুন বিশ্বাস আর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ মিলেমিশে ভালোবাসার এক কোমল সূচনা রচনা করল…..🤍🖤

    • বৃষ্টিভেজা ছাদে তাদের এই ছোটখাটো খুনসুটি আর পুরনো স্মৃতির টানাপোড়েন খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, বিশেষ করে ‘লাল গোলাপটা আলাদা করে চোখে পড়ছে’ লাইনটা দারুণ লেগেছে। আপনিসহ গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদের লেখায় নিয়মিত লাইক-কমেন্ট করে সক্রিয়তা বজায় রাখুন, তাহলে আমাদের এই কমিউনিটিটা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

    • Sol Nova, আপনার এই লেখায় বৃষ্টিভেজা ছাদ আর ফুলের সুবাসের বর্ণনা এত জীবন্ত যে মুহূর্তের মধ্যেই আমি সেই পরিবেশের মাঝে হারিয়ে গিয়েছিলাম। আপনার এই সুন্দর সৃষ্টির পাশাপাশি আমাদের গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদের লেখাতেও লাইক বা কমেন্টের মাধ্যমে উৎসাহ প্রদান করলে পুরো প্ল্যাটফর্মটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

    • ব মিলিয়ে পর্বটা ভীষণ মায়াময় হয়েছে।

Skip to toolbar