-
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা and
Sol Nova are now friends
-
প্রজাতন্ত্রের শবাগারে নিরাপত্তার কীর্তন
অধিকারহীনতার রাষ্ট্রতত্ত্ব, পুরুষতান্ত্রিক নীতিশাস্ত্র এবং সভ্যতার ছদ্মবেশে ক্ষমতার ইতরামিরাষ্ট্রের একটি বিশেষ প্রতিভা আছে: সে মানুষের বিপন্নতাকে পরিসংখ্যানে রূপান্তরিত করতে পারে, আর পরিসংখ্যানকে এমন নির্বিকারভাবে উপস্থাপন করতে পারে, যেন মৃত্যুরও কোনো ব্যক্তিগত ব্যাকরণ নেই। একজন মানুষ নিহত হলে রাষ্ট্…Read More
-
মানিকুল ইসলাম মানিক (কবি/সাহিত্যিক) and
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা are now friends
-
আই ডোন্ট হ্যাভ অ্যা প্ল্যান
— মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফাআমার কোনো প্ল্যান নেই—
আমি শুধু দেখি, চারপাশে ধেয়ে আসা অন্ধকারের ছায়া।
শিশুদের নিষ্পাপ চোখে ভয়,
মানুষরূপী জানোয়ারদের থাবায়
হুমকিগ্রস্ত প্রতিটি শৈশব।
আমাকে একটা প্ল্যান দিন না, ভাই—
কীভাবে নিরাপদ করব এই ছোট্ট আলোগুলোকে?
কীভাবে ওদের মুখে আবার ফুটিয়ে তুলব নিশ্…Read More4 Comments -
Sayed Mohammad Farid and
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা are now friends
-
অবনী ও রবি তারা মুছে যাবে সবই
তুমি হবে কবিতাটা আমি হব কবি।হেলাল হাফিজের কবিতা নকল করে লিখছিলাম। আমাকে এতো বিরহী হওয়া মানায় না। তাই বিরহ আর বিদ্রোহের মধ্যে একটু রোমান্স 🤭
প্রতীক্ষার কবি হেলাল হাফিজের জন্মদিনে অনেক শ্রদ্ধার্ঘ্য ❤️
7 Comments-
আপনার লেখাটি একদম দারুণ হয়েছে, পড়ার সময় বেশ ভালো লাগলো। বিরহ আর রোমান্সের এই দারুণ মিশেল আপনার লেখায় খুব সুন্দর ফুটে উঠেছে। আচ্ছা, এমন মিষ্টি সব রোমান্টিক লাইন আপনি কি প্রায়ই লিখে থাকেন?
-
-
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা, “তুমি হবে কবিতাটা আমি হব কবি” লাইনটিতে শব্দের যে চমৎকার বুনন ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। আপনি আমাদের এই গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদের লেখায় নিয়মিত লাইক বা কমেন্ট করে সক্রিয় থাকলে পুরো কমিউনিটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে এবং আপনার লেখনী আরও ঋদ্ধ হবে।
-
শারমিন আক্তার and
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা are now friends
-
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা changed their profile picture
5 Comments -
Syed Farah and
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা are now friends
-
আমাদের ছেলে সমাজ
— মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফাসারাদিন ধরি শুধু মেয়েদের দোষ
শতশত পাপ করে আমি নির্দোষ।বাইরে তো খেলা করি
কত যে ঝামেলা করি
আর অবহেলা করি
নগ্নতা দেখে দেখে উঠে যায় জোশ।চরিত্রহীন ধরা খেলে
কোনো ছাড় না পেলে
সব অভিযোগ ঠেলে
সেজে যাই সবশেষে মহান পুরুষ।চাহিদাটা নয় ফিকে
চোখ মেয়েদের দিকে
দোষটা ওদের লিখে…Read More9 Comments-
-
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা, আপনার এই লেখায় সমাজের প্রচলিত বৈষম্য এবং পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই গভীর ও চিন্তাশীল। “চরিত্রহীন ধরা খেলে, কোনো ছাড় না পেলে, সব অভিযোগ ঠেলে, সেজে যাই সবশেষে মহান পুরুষ”—এই কথাগুলো বাস্তবতার এক কঠিন আয়না হয়ে সামনে দাঁড়িয়েছে। আপনি যেভাবে সমাজের অসংগতিগুলোকে এত সাবলীল ভাষায় তুলে ধরেছেন, তা অব…Read More
-
-
কার্যত এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারী মুক্তির কোনো পথ নেই। নাই হলো, কিন্তু পুরুষতন্ত্রের দোষ না ধরার প্রবণতা বা লাগামহীনতা নারী নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ। সমান অধিকার তো হবেই না, তবে একপাক্ষিক আধিপত্য ও নির্যাতন আসলেই এই আধুনিক বিশ্ব সভ্যতার অংশ কি-না বুঝা বড় দায়। একতরফা কর্তৃত্ব ধরে রাখার মাধ্যমে কার্যত পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থ…Read More
-
-
-
-
Kazi Adam and
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা are now friends
-
খু’ন নাকি আত্মহ’নন?
হয়তো ধীরে ধীরে হ’ত্যা করা হয়েছে তাকে। কে করেছে? আমরাই তো করলাম! দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে আমাদের নৈতিক আপত্তি থাকতেই পারে, কোনো সম্পর্ক আমাদের মূল্যবোধের সঙ্গে না-ও মিলতে পারে, কিন্তু তাই বলে একটা মানুষকে প্রকাশ্যে টেনে এনে, তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হাজার হাজার মানুষের সামনে ব…Read More
6 Comments-
আপনার লেখাটা পড়ে সত্যিই খুব খারাপ লাগছে, কারণ আমরা ফেসবুকের নিউজফিডে কারো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিচারক সেজে বসাটা যেন এখন একটা নেশার মতো বানিয়ে ফেলেছি।
-
আপনার এই লেখাটি সমাজের অনেক নির্মম বাস্তবতাকে খুব সহজ কিন্তু শক্তিশালী ভাষায় তুলে ধরেছে, যা পাঠক হিসেবে আমাকে গভীর ভাবনায় ফেলে দিয়েছে। সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আপনার এই সচেতনতামূলক অবস্থানটি সত্যিই প্রশংসনীয়, আপনি এমন চমৎকার সব বিষয় নিয়ে লেখা চালিয়ে যান।
-
হ্যাঁ এটাই চলছে বর্তমান বাংলাদেশে আমরা নিজেরাই পুলিশ আদালত সবকিছু হয়ে যাই কারো কোন কথা না শুনেই একতরফা বিচার করে ফেলি।
-
-
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা Changed their profile cover
1 Comment -
জামাতিদের ব্যর্থতা কোথায় জানেন?
সাহিত্যে এদের প্রভাব বিস্তারের যথেষ্ট ওয়ে আছে। কীভাবে সেটা বলি। এই ধরুন মতিউর রহমান মল্লিক; তার প্রখরতা বুঝতে গেলে যেকোনো কবিতা পড়াই যথেষ্ট। কিন্তু বাংলা সাহিত্যে তাকে তাঁর যোগ্যতা দেখানোর জন্য জামাতিরা কি রিপ্রেজেন্ট করতে পেরেছে? না, এরা শুধু সংগঠন সংশ্লিষ্ট কবিতা-গান ছাড়া অন্য টপিকে আগ্রহ বা তৎপরতা দেখায়…Read More
7 Comments-
সুন্দর পর্যবেক্ষণ! “সাহিত্যিকরা কখনোই কোনো দলের হন না। তারা জনমানুষের।” এই দৃষ্টিভঙ্গিটা খুব ভালো লাগলো! লেখকের সাথে আমিও একমত যে, একজন লেখকের সৃষ্টিকর্মকে তার রাজনৈতিক বা আদর্শগত পরিচয়ের সংকীর্ণ গণ্ডিতে বেঁধে না রেখে বিস্তৃত পাঠকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো উচিত।
-
আপনার এই বিশ্লেষণধর্মী লেখাটিতে সাহিত্য নিয়ে চিন্তাশীল কিছু ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে যা বেশ কৌতুহল উদ্দীপক। সাহিত্যিকদের সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা ও তাদের যথাযথ মূল্যায়নের বিষয়ে আপনি যেভাবে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন, তা নিয়ে আরও বিস্তারিত লেখা চালিয়ে গেলে বেশ ভালো লাগবে।
-
-
-
ইফতেখার শহিদ and
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা are now friends
-
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা changed their profile picture
2 Comments

মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা
কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলা সাহিত্য আন্দোলন
নামের মাঝেই যেন মিশে আছে এক গভীর মগ্নতা আর সুদূরপ্রসারী সংকল্প। তাঁর জন্ম সুনামগঞ্জের ছাতকের জল-হাওয়ায়, যেখানে প্রকৃতি আর মানুষের জীবন সমান্তরালে বহমান। সেখান থেকেই তিনি কুড়িয়ে নিয়েছেন শব্দের কারুকাজ, যা আজ বাংলা সাহিত্যে এক ভিন্ন সুর তুলে ধরছে। তিনি কেবল একজন লেখক নন, বরং 'বাংলা সাহিত্য আন্দোলন'-এর রূপকার এবং 'কলমকার' ম্যাগাজিনের সম্পাদক হিসেবে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন সাহিত্যের একনিষ্ঠ সেবায়। তাঁর কলম কখনো শান্ত নদীর মতো বয়ে চলে হৃদয়ের গহীনে, আবার কখনো গর্জে ওঠে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রখর চেতনার মশাল হয়ে। তিনি সেই বিরল ঘরানার শব্দশিল্পী, যিনি শব্দকে সাজান অস্তিত্বের তাগিদে। তাঁর কাছে লেখা মানে শুধু কাগজ ভরানো নয়, বরং প্রতিটি অক্ষর যেন তাঁরই একেকটি নিঃশ্বাস। লেখার মাধ্যমেই তিনি খুঁজে ফেরেন মানুষের জীবনের মানে, প্রেম আর দ্রোহের এক অপূর্ব মেলবন্ধন। মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফার কাছে সাহিত্য হলো সময়ের জীবন্ত দলিল। তাঁর প্রতিটি লেখায় ফুটে ওঠে সমাজ, সংস্কৃতি আর মানুষের আত্মার প্রতিচ্ছবি। তিনি বিশ্বাস করেন, কলমের প্রতিটি আঁচড় একেকটি বিপ্লব আর প্রতিটি পঙ্ক্তি মানুষের মুক্তির একেকটি মন্ত্র। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলো-'বিজয়ের সেই গান' (২০২২), 'ডাক দিয়েছি তোমাকে' (২০২৪) এবং 'আজাদির কবিতা' (২০২৫)-পাঠকের মনে সেই গভীর উপলব্ধিরই জন্ম দেয়।









প্রতিটি শিশুর নিরাপত্তা, প্রতিটি নারীর মর্যাদা আর প্রতিটি তরুণের কাজের সুযোগ নিশ্চিত হোক।