-
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা Changed their profile cover
-
জামাতিদের ব্যর্থতা কোথায় জানেন?
সাহিত্যে এদের প্রভাব বিস্তারের যথেষ্ট ওয়ে আছে। কীভাবে সেটা বলি। এই ধরুন মতিউর রহমান মল্লিক; তার প্রখরতা বুঝতে গেলে যেকোনো কবিতা পড়াই যথেষ্ট। কিন্তু বাংলা সাহিত্যে তাকে তাঁর যোগ্যতা দেখানোর জন্য জামাতিরা কি রিপ্রেজেন্ট করতে পেরেছে? না, এরা শুধু সংগঠন সংশ্লিষ্ট কবিতা-গান ছাড়া অন্য টপিকে আগ্রহ বা তৎপরতা দেখায়…Read More
7 Comments-
-
আপনার এই বিশ্লেষণধর্মী লেখাটিতে সাহিত্য নিয়ে চিন্তাশীল কিছু ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে যা বেশ কৌতুহল উদ্দীপক। সাহিত্যিকদের সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা ও তাদের যথাযথ মূল্যায়নের বিষয়ে আপনি যেভাবে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন, তা নিয়ে আরও বিস্তারিত লেখা চালিয়ে গেলে বেশ ভালো লাগবে।
-
-
-
ইফতেখার শহিদ and
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা are now friends
-
মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা changed their profile picture
2 Comments

মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা
কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলা সাহিত্য আন্দোলন
নামের মাঝেই যেন মিশে আছে এক গভীর মগ্নতা আর সুদূরপ্রসারী সংকল্প। তাঁর জন্ম সুনামগঞ্জের ছাতকের জল-হাওয়ায়, যেখানে প্রকৃতি আর মানুষের জীবন সমান্তরালে বহমান। সেখান থেকেই তিনি কুড়িয়ে নিয়েছেন শব্দের কারুকাজ, যা আজ বাংলা সাহিত্যে এক ভিন্ন সুর তুলে ধরছে। তিনি কেবল একজন লেখক নন, বরং 'বাংলা সাহিত্য আন্দোলন'-এর রূপকার এবং 'কলমকার' ম্যাগাজিনের সম্পাদক হিসেবে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন সাহিত্যের একনিষ্ঠ সেবায়। তাঁর কলম কখনো শান্ত নদীর মতো বয়ে চলে হৃদয়ের গহীনে, আবার কখনো গর্জে ওঠে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রখর চেতনার মশাল হয়ে। তিনি সেই বিরল ঘরানার শব্দশিল্পী, যিনি শব্দকে সাজান অস্তিত্বের তাগিদে। তাঁর কাছে লেখা মানে শুধু কাগজ ভরানো নয়, বরং প্রতিটি অক্ষর যেন তাঁরই একেকটি নিঃশ্বাস। লেখার মাধ্যমেই তিনি খুঁজে ফেরেন মানুষের জীবনের মানে, প্রেম আর দ্রোহের এক অপূর্ব মেলবন্ধন। মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফার কাছে সাহিত্য হলো সময়ের জীবন্ত দলিল। তাঁর প্রতিটি লেখায় ফুটে ওঠে সমাজ, সংস্কৃতি আর মানুষের আত্মার প্রতিচ্ছবি। তিনি বিশ্বাস করেন, কলমের প্রতিটি আঁচড় একেকটি বিপ্লব আর প্রতিটি পঙ্ক্তি মানুষের মুক্তির একেকটি মন্ত্র। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলো-'বিজয়ের সেই গান' (২০২২), 'ডাক দিয়েছি তোমাকে' (২০২৪) এবং 'আজাদির কবিতা' (২০২৫)-পাঠকের মনে সেই গভীর উপলব্ধিরই জন্ম দেয়।





সুন্দর পর্যবেক্ষণ! “সাহিত্যিকরা কখনোই কোনো দলের হন না। তারা জনমানুষের।” এই দৃষ্টিভঙ্গিটা খুব ভালো লাগলো! লেখকের সাথে আমিও একমত যে, একজন লেখকের সৃষ্টিকর্মকে তার রাজনৈতিক বা আদর্শগত পরিচয়ের সংকীর্ণ গণ্ডিতে বেঁধে না রেখে বিস্তৃত পাঠকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো উচিত।