কামনার চামচ
লিবিডো
যখন কামার্ত হয়েছি বারবার
বালিশে ধরে গেলো আগুন ছারখার
কাম ও কামনার যুগল দেহ নাচে
হয়েছি বেসামাল, বীর্য উঠে গাছে
আমার বল্কলে জড়ানো সাপিনীর
কামের কুণ্ডলী, কাঁপছে তিরতির
তেমন ছোবলের প্রেমিক হবো আমি
ঘামের সমুদ্রে সাঁতরে চলো নামি
ঝরছে নুন আর স্বেদের অবসাদ
দিনের অবসান, আকাশে ওঠে চাঁদ
যখন কামার্ত হয়েছি বারবার
বালিশে ধরে গেলো আগুন ছারখার

কামনার চামচ
আর আমি আজ সেই ময়রা
হয়ে যেতে চাই যার সাথে দুধের
এক সম্মোহনী সম্পর্ক আছে
দুধের লাবণ্য থেকে যেভাবে
দইয়ের আত্মার রূপ বেরিয়ে আসে
তোমাকে সেই রূপে পেতে চাই
জমে যাওয়া দইয়ের ঠোঁট হয়ে
তুমি আসো আমার মুখে
কামনার চামচ দিয়ে তোমাকে
চাক চাক করে তুলে নিবো
আমি হবো তোমার বিমুগ্ধ ময়রা
তুমি হবে এই হাতে মাখামাখি দই
আমাদের হারানো যৌনাকাঙ্ক্ষা
আমাকে নাহিদা বানু লুনা
হনুমান নামে ডাকে
আর মনে পড়ে ঝিনাইদহের কথা
যেখানে হনুমানেরা
একবার থানা ঘেরাও করেছিলো
আমিও কি সেই হনুমানদের
একজন ছিলাম আর লুনাও
কি ছিলো হনুমানি বউ আমার
আর গোসল করতে গেলে
প্রায়ই আমার মনে পড়ে
ভুলে পানি খাওয়া হয় নাই
এবার যখন আধা-নগ্ন হয়ে
আমি পানি পান করি
নাহিদা বানু আমাকে পানি
দিতে পেরে বেশ মজা পায় আর
বলে, ওরে আমার হনুমান ব্যাটা
আর এই হনুমান ডাকার ভিতর
দিয়ে কি আমাদের হারানো
যৌনাকাঙ্ক্ষা আবার ঝাপ দিয়ে
আসে শীতল রক্তের বীজে
তবে সেই পানি আর গতরে থাকে না
ব্যাংকের লোকেরা সমস্ত পানি
গা থেকে বের করে নিয়ে যায়
আমার হনুমানগিরি তবে আবার
কবে উদয় হবে বলো তো
মিসেস নাহিদা বানু লুনা
![]()