-
পোড়োবাড়ির_রহস্য
পর্ব_সতেরো
সারা রাত দেবদারু গাছের আড়ালেই কাটিয়ে দিলো তালহারা। ফজরের আজানের সময় সাহস করে ওখান থেকে বের হয়ে আসে। চারিদিকে সজাগ দৃষ্টিতে পরখ করে বড় রাস্তাটা পেরিয়ে রাজবাড়ি মসজিদটায় ঢুকে পড়ে। রাস্তা দিয়ে আসার সময় বড় রাস্তার ডান পাশের গলিতে একটা মাইক্রো দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অবাক হয় তালহা। এটাতো মনে হচ্ছে ওর নানু বাড়ির মাইক্রোটা। মসজিদে ঢুকে ড্রাইভার চাচাকে দেখার পর শতভাগ নিশ্চিত হলো ঐটা ওর নানু বাড়িরই মাইক্রোই ছিলো। ড্রাইভারের কাছে গিয়ে কখন এসেছে সে জিজ্ঞাসা করলো জানা যায় গত রাতেই এসেছে সে। ওমর শরিফ জোর করে তাকে পাঠিয়েছে। আসার সময় এও বলে দিয়েছে গাড়িটা নিয়ে যেন সরাসরি পোড়োবাড়ির সামনে যাওয়া না হয়।নামাজ পড়েই তালহারা ওর নানু বাড়ি চলে যায়। নানু বাড়িতে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে হালকা নাস্তা করলো। তারপর তিন বন্ধু মিলে রসস্যঘেরা বাড়িটা থেকে আনা নোটবুকটা নিয়ে বসল। পৃষ্ঠা উলটানো শুরু করলো তালহা। প্রথম পৃষ্ঠাতে বড় করে লেখা ‘ফাতিমা আনজাম’, ২২-০৪-১৯৭২। ঐ পৃষ্ঠায় আর কিছু লেখা নেই। তালহা পরের পৃষ্ঠাটা উল্টিয়ে পড়া শুরু করলো। পরপর ২০ টা পৃষ্ঠা পর্যন্ত তারিখ দিয়ে রোজনামচা ছাড়া কিছুই চোখে পড়লোনা। ২১ নং পৃষ্ঠায় গিয়ে ভিন্ন কিছু চোখে পড়লো। এই লেখাটাও তারিখ দিয়ে শুরু করা হয়েছে। জোরে জোরে লেখাটা পড়া শুরু করলো তালহা। ১৬- ০৯- ১৯৯৯ তারিখে লেখা হয়েছে।
আমি ‘ ফাতিমা আনজাম’। আর কিছুদিনের মধ্যেই আমার জীবনের জবানিকা টানতে যাচ্ছি। মাত্র আট বছর বয়সে আপন চাচার হাতে বাবা মাকে খুন হতে দেখেছি। বাবা মারা যাবার পর দাদুবাড়িতে ঠায় হয়নি আমার। আর হবেইবা কেন? দাদুর রেখে যাওয়া অঢেল সম্পত্তির জন্যইতো আমার তিন চাচা আর দুই ফুপ্পি মিলে ষড়যন্ত্র করে আমার বাবা-মাকে মেরে ফেলেছে। বাবা মাকে ওরা নিজ হাতে খুন করেনি আমার গলায় ছুরি ধরে আব্বু আম্মুকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা করে। আমি শুধু তাকিয়ে দেখলাম আমাকে বাচানোর জন্য তারা দুজনেই কত অবলীলায় গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়লো। চিৎকার করছিলাম। আমার চিৎকার করা দেখে তারা আমার গলা টিপে ধরলো। আমার ছোট মামা এসে আমাকে নানু বাড়ি নিয়ে যায়। এরপর থেকে নানু বাড়িতেই আমার বেড়ে উঠা। ভালোই চলছিলো আমার দিনগুলো। মা ছিলো নানুর একমাত্র মেয়ে। নানু আর দুই মামা আমাকে খুব ভালোবাসতো। মামীরাও আমাকে স্নেহ করতো। আমার বড় মামার এক একটা বন্ধু ছিলো। প্রায় আমাদের বাসায় আসতো। আমাকে খুব স্নেহ করতো। আমি তাকে আমার আর একজন মামা হিশাবে জানতাম। আমি তখন ১৭ বছরে পদার্পন করেছি। আবেগের বয়স। চোখে পৃথিবী ঘুরে সৌন্দর্য উপভোগ করার রঙ্গিন স্বপ্ন। কিন্তু মামারা ব্যস্ত থাকায় আমার সে স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়।
একদিন বড় মামা তার বন্ধুকে আমাকে বিভিন্ন জায়গা ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য বললেন। উনি স্বচ্ছন্দে রাজী হয়ে গেলেন। একদিন সময় করে আমাকে ঘুরতে নিয়ে যান। বড়লোকের একমাত্র ছেলে ছিলেন। বাবা মায়ের রেখে যাওয়া অঢেল সম্পদ, নানারকম ব্যবসা আছে তার। মাঝে মাঝে দেখাশোনা করা ছাড়া তেমন কোন কাজ ছিলোনা উনার। উনার গাড়িতে করে ঘুরতে বের হলাম আমরা। বিকাল পর্যন্ত এলোপাথাড়ি ঘুরে বেড়ালাম। এরপর আমরা বিশ্রাম নেওয়ার জন্য একটা হোটেল ভাড়া করলাম। ঘুরতে ঘুরতে আমি উনার প্রেমেও পড়ে গেলাম। সেই সুযোগটাই উনি নিয়েছিলেন। আমার আবেগের সুযোগ নিয়ে নিলেন। আমি নিজেকে সমর্পণ করলাম। সেটাই আমার জীবনের কাল হলো। ঐ ঘটনার তিন মাস পরে আমি আমার মধ্যে অন্য একটা জীবনের অস্তিত্ব অনুভব করলাম। নিজের প্রতিই নিজের ঘৃণা হতে লাগলো। একদিন উনি আমাদের বাসায় আসলে আমি উনার সাথে বাড়িতে ঘুরতে যেতে চাই। উনি রাজী হয়ে যান। সেদিন রাজ্য দেখার সৌভাগ্য হয় আমার। উনার বাবা মা অনেক আগেই মারা গিয়েছিলেন। তাই বাড়িতে একাই থাকতো। আমি আমার ভেতরের নতুন নতুন প্রাণের কথা জানিয়ে উনাকে, আমাকে বিয়ে করতে বললাম। কথাটা শুনে উনি অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন। আমাকে তখনই বাসা থেকে বের করে দেয়। অকূল পাথারে পড়ে গেলাম আমি। নানুবাড়ি ফিরে যেতে ইচ্ছা করলোনা। দুইদিনের জন্য এক বান্ধবীর বাড়ি বেড়ানোর নাম করে থেকে গেলাম। বান্ধবীকেও কিছু বললাম না। কারণ কে কীভাবে নেয় তার কোন ঠিক নেই। নানু বাড়ি সবাই আমাকে মেনে নিলেও বাচ্চাটাকে এবোরেশান করতে বলবে বিধায় আমি অন্য কোন পন্থা খুঁজতে থাকি। আবারও লোকটার কাছে যাই। অনুনয় করে বলি আপনি শুধু আমাকে বিয়ে করেন কিন্তু কোন স্বীকৃতি দেওয়া লাগবেনা। অন্তত আমার সন্তানটার কোন বাজে পরিচয়ে যেন বাচতে না হয়। আমি প্রতিজ্ঞা করছি এই বিয়ে কথা কেউ জানবেনা। লোকটার মনে হয়তো আমার জন্য দয়া জন্মায়। সে তার দুইজন বিশ্বস্ত বন্ধুকে নিয়ে বেশ দূরে, যেখানে কেউ তাকে চিনেনা সেখানে গিয়ে আমাকে বিয়ে করে। প্রথম দিকে আমার থাকা খাওয়ার সব খরচ সে বহন করতো কিন্তু আমার সাথে কোনরকম দেখাসাক্ষাৎ করতোনা। তবে আমি কখনও তার দক্ষিণা নিজের পেছনে খরচ করতামনা। তার পাঠানো সমস্ত টাকা একটা এতিম খানায় দান করে দিতাম। তার ভাড়া করা বাড়িতে এক মাস থেকে আমি একটা অতি সাধারণ জায়গায় থাকা শুরু করলাম। আমার মত একজন অসহায় মা, যার সন্তানেরা সবাই তাকে ছেড়ে নিজ নিজ জীবন প্রতিষ্ঠার জন্য দেশ ছেড়ে চলে গেছে, তার সাথে থাকা শুরু করলাম। উনার বাসাটাও অনেক বড়। সম্পূর্ণ বাড়িটায় আমাদের অধিকার আছে বলে খালাম্মা প্রায়শই বললেও আমি তা হেসে উড়িয়ে বলতাম একদিন দুদিন আরাম করে আমি খারাপ অভ্যাসে অভ্যস্ত হতে চাইনা।
ঐ বাসাটার নিচে একটা ঘরে আমরা মা ছেলে থাকি। বিনিময়ে উনার বাসার রান্নার কাজটা করে দেই, উনাকে সঙ্গ দেই। উনার অবস্থাও খুব ভালো না। ডাক্তার বলেছেন উনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছেন। যেকোন সময় দুনিয়ার পাঠ চুকিয়ে পরপারে চলে যাবেন। আমি ভাবলাম এটাতো যে কারোর সাথেই হতে পারে। এই যেমন আমার সময় ফুরিয়ে আসছে। বিয়ে হলেও সেই মানুষটার কোন খবর আমার আর জানা হয়নি। বেলায় বেলায় অনেক সময় পার করেছি। আমি একটা পুত্র সন্তানের মা হয়েছি। এখন আমার সন্তানের বয়স ৯ বছর। আমি এখন ক্যান্সারে আক্রান্ত। সময় শেষ হয়ে আসছে। ছেলেকে একটা একটা এতিম খানায় ভর্তি করে দিয়েছি। আজকে ওখানে থেকে আমাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। কোন এক ধনী দম্পত্তির সন্তান না হওয়ার কারণে তারা এতিমখানা থেকে বাচ্চা দত্তক নিতে এসেছে। কতৃপক্ষ আমার ছেলেকে দত্তক হিশাবে তাদের হাতে তুলে দিতে চায় বিধায় আমাকে সেখানে যেতে বলেছে। আমি তাকে অনুমতি দিয়ে বলেছি আমার থাকার দরকার নেই। আপনি আমাকে চিন্তামুক্ত করেছেন। শর্ত ছিলো যার বাচ্চা দত্তক নেওয়া হবে সে আর কোনদিন বাচ্চাকে দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করতে পারবেনা। আমার নোটবুকটা আমার কাপড়ের সাথে রেখে গেলাম। যদি কোনদিন আমার ছেলে এটা খুঁজে পায় তবে যেন সে তার বাবার মুখোমুখি দাঁড়ায়। সে যেন আমার বাবা-মায়ের হত্যার প্রতিশোধ নেয়। আমি চাই ও আমার সাথে করা সমস্ত অন্যায়ের প্রতিশোধ নিক।চিঠিটা পড়ে কিছুক্ষণ দম নিলো তালহা। এরপর আবার পৃষ্ঠা উল্টাতে শুরু করে। এরপর পরপর দশটা পৃষ্ঠার পর আবার লেখা শুরু হয়েছে।
০৬-০৭-২০০৭
প্রিয় মা,
তুমি ছাড়া আমার আপন কেউ ছিলোনা। আমার মনের কথা বলার মত কেউ নেই। তাই সব এই নোটবইতে লিখে রাখি। জানি তুমি কখনোই দেখবেনা এটা তাও মনের খোঁড়াক জোগানোর জন্য লিখি।
মা তোমার সাথে আমিতো ভালোই ছিলাম। কেন হঠাৎ একদিন তুমি আমাকে এতিম খানায় ভর্তি করে দিলে? তারপর সেখান একজন নিঃসন্তান দম্পতি আমাকে দত্তক নিয়ে গেলো। সেই যে কবে তোমাকে দেখেছি আর দেখাও হয়নি, দুনিয়াতে আর দেখাও হবেনা। আমি তোমাকে চিরতরে হারিয়ে ফেলেছি। যারা আমাকে দত্তক নিয়েছে তারা অনেক ধনী। রাজাদের বাড়ির মত তাদের বাড়ি। চারিপাশে ফুটফরমায়েশ খাটার জন্য চাকর বাকরের অভাব নেই। তবু কেন যেন আমি তোমার সাথে যে ঘরটাতে থাকতাম সেটাই অনেক প্রিয় ছিলো। এরা আমাকে তাদেরকে বাবা, মা বলে ডাকতে বলে। কিন্তু আমার পক্ষে অন্য কাউকে মা ডাকা সম্ভব না। আরা বাবা! এই শব্দটা আমার কাছে একটা ঘৃণিত সম্পর্কের নাম। মানুষটাকে সামনে পেলে আমি নিজ হাতে তাকে খুন করবো। না তাও পারবোনা। তুমি বলেছো আইন নিজের হাতে তুলে নিতে হয়না। ঠিক আছে আমি নিজে মারবোনা কিন্তু এমন অবস্থা করবো যেন মানসিকভাবে দগ্ধ হয়ে লোকটা নিজেই আত্মহননের পথ বেছে নেয়। মা এদেরকে আমি সহ্য করতে পারিনা। এরা তোমার মৃত্যুর পরও তোমার সাথে আমাকে দেখা করতে দেয়নি। গত সপ্তাহে এতিম খানা থেকে একজন এসে একটা বাক্সটা আমাকে দিয়ে গেছে। সেখান থেকে এই নোটবইটা পেয়েছি আমি। আমি তোমার সাথে হওয়া প্রতিটা অন্যায়ের প্রতিশোধ নিবোই ইনশাআল্লাহ্। তবে তুমি কোন নাম ঠিকানা রেখে না যাওয়াতে আমার একটু অসুবিধা হবে। নানা বাড়ির ঠিকানা দিয়ে ঠিকই বের করে আনতে পারবো।
তোমার আদরের আনিস।চিঠিটা পড়ে জানা গেলো লোকটার নাম আনিস। চিঠি পড়া থামিয়ে তালহা কথাটা বললো।
নোটবইটা ঐ লোকটারই হবে এই ব্যাপারে নিশ্চিত হলি কীভাবে?
নিশ্চিত হচ্ছিনা কারণ বেহাত হতে পারে কিন্তু আমাদের প্রথমে স্বাভাবিকভাবে যা হওয়া উচিৎ সেটা ভেবে আগানো উচিৎ আর অন্যান্য সম্ভাবনাকে মাথায় রাখা উচিৎ। তালহা আবার নোটবইটা পড়া শুরু করলো।
০৭-০৫-২০০৮
আমার পালক মায়ের একটা ছেলে হয়েছে। কিন্তু তা নিয়ে বাবা আর মায়ের মধ্য সারাক্ষণ দ্বন্দ্ব চলছে। বাবা বলছে এটা নাকি তার ছেলে না। কারণ একটা দূর্ঘটনা পর ডাক্তারের রিপোর্ট অনুযায়ী সে নাকি কোনদিন বাবা হতে পারবেনা। বাচ্চাটাকে আমার খুব ভালো লেগেছে। আমার পালক মায়ের সাথে কথা না বললেও পালক বাবাটা বাচ্চাটাকে খুব আদর করে।
১২-০৭-২০১০
আজ সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে আমি এরকম একটা দৃশ্য দেখবো ভাবতেও পারিনি। আরাফ মানে আমার ছোট ভাইটার চিৎকার শুনে সেই ঘরে গেলাম। দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকে আমি থ মেরে গেলাম। আমার বাবা-মা রক্তাক্ত অবস্থায় ফ্লোরে পড়ে আছে। আমি হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম। আরাফকে নিয়ে সেখানে থেকে বের হয়ে আসলাম।
এরপর নোটবই টায় সব পৃষ্ঠা ফাঁকা পড়ে আছে।
তালহা নোটবই বন্ধ করে বলল, আসলেই কি ঐ লোকটা নোটবইটার মালিক? আমার মনে হয়না। কারণ যার ডায়রি লেখার অভ্যাস তার থেমে যাওয়ার কথা না। হিশাব অনুযায়ী আনিসের বয়স এখন ৩২ বছর হওয়ার কথা। কিন্তু ঐ বাড়িতে যে লোকটাকে দেখেছি তার বয়স ৩২ এর বেশি হবে। জটিল রহস্য আছে এখানে। আর একটা বিষয় আমার কাছে মনে হচ্ছে আনিসকে যারা দত্তক নিয়েছে তারাই ঐ পোড়োবাড়ির মালিক। কারণ ছোট মামার বর্ণনা অনুযায়ী সব মিলে যাচ্ছে। আমাদের এখন আনিসকে খুঁজে বের করতে হবে। উনাদের যে ছেলেটা ছিলো সেওতো ওর কাছে থাকার কথা। কি যেন নাম আরাফ। ওর বয়স এখন ১৪ বছর। আচ্ছা এক কাজ করলে কেমন হয়? আমরা এখানকার এতিমখানাগুলোতে ঢু মেরে দেখতে পারি।
হ্যা আমারও সেটাই মনে হচ্ছিলো, যায়িদ বলল। কারণ এতিমখানার কতৃপক্ষের কাছে অনেক খবর পাওয়া যাবে। চল আজকেই যাই।
এখন সকাল ১০টা। বিকাল পর্যন্ত যে কয়টা এতিমখানা দেখা যায় দেখবো তারপর আবার পোড়োবাড়িতে যাবো।
আজকে আবার পোড়োবাড়িতে কি?
আজকে তিনজন মেয়েকে পতিতালয়ে পাচার করা হবে। এসব কাজ সাধারণত রাতে হয়। কিন্তু আমারা সন্ধ্যা থেকে ওখানে থাকবো ইনশাআল্লাহ। যদি কোন গাড়ি আসে সেগুলো নাম্বার টুকে নিতে হবে। এবং আজকে আমরা কিছুটা ছদ্মবেশ ধারণ করবো।
কেমন ছদ্মবেশ?
ভাবছি আমাদের জুব্বাটা পরে চোখে সানগ্লাস দিয়ে তারপর যাবো। চল এখন নানুকে বলে আমরা বেরিয়ে পড়ি
চলবে2 Comments
Friends
Shoriful Shoron
@shoriful-shoron
আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির
@anwar-parvez-nur-shishir
Morsalin Islam Shouradip
@morsalinshouradip
জাস্রা জুমান
@nmafin4gmil-com
Hijbullah hiju
@hijbullah
মোঃ রিদওয়ান আল হাসান
@mridwanalhasan
মাহ্দী সাকিব
@mahdi-sakib
Md.Emamuzzaman Wahedi
@emamuzzaman
ইফতিশা খানম
@eftishakhanam


খুদে গোয়ান্দার দল ভালোই অগ্রগতি করেছে। এগিয়ে যান গল্পকার। অভিবাদন জানবেন।