Profile Photo

Md. Mynuddin HawladerOffline

  • mynuddin
  • Profile picture of Md. Mynuddin Hawlader

    Md. Mynuddin Hawlader

    3 years, 10 months ago

    মায়া (গল্পের অংশ বিশেষ)
    মো: মাঈনউদ্দিন।

    <————
    অফিসে ফিরিলাম কিন্তু মনের ভিতর একটা ভাবনা প্রোথিত হইলো যে ও এমন কেন করলো। এত আতঙ্কিত ও ভয়ের স্বরে কেন বললো বাবা এগুলি বলেন ক্যান। এইরুপ সাধারনত করিয়া থাকে পূর্নবয়স্ত যুবতিরা মেয়েরা তারা তাদের মনের কথা প্রকাশ করাকে জীবন নাশের পাল্লায় ওজনে কম দিয়া থাকে। মনেহয় তাহাদের হৃদয়ের অতল গভিরে প্রভুনিজে কোন এক আমলে আটমোরা গাছ বপন করিয়া দুনিয়া হইতে গাছটিকে বিলুপ্ত করিয়া দিয়াছেন যে কারনে মেয়েরা মনের কথা প্রকাশের ক্ষেত্রে এমন মোর মারিয়া থাকেন যাহা ছেলেরা পারেনা। আর ছেলেরা খুজিয়াও পায়না সেই স্বর্গলোকের গাছ যার কারনে আজিবন বেশরমি পানিকালুফা ফুলেমত নিজের বক্ষো উন্মোচিত রাখিয়াই ভুমিষ্ট হয়। যখন তথন সেথায় সেথায় বলিয়া বসে আই লাভ ইউ। যাই হোক এইক্ষেত্রে আমরা পুরুষ হইয়া বিধাতার অভিসাপ লইয়াই বাচিয়া আছি। অভিষাপ বলিলাম এই কারনে যে প্রেম নিবেদন করিতে গেলে মেয়েরা যেইভাবে অপমান অপদস্থ করে অভিসপ্ত না হইলে এইরকম হওয়ার কথানা। যাইহোক প্রসংগত ওতো আর সেই বয়সি না। ওর কথাটি আমার মনস্চুম্বকে লোহার গুরারমত আটিয়া গেল। ছাড়াইয়াও ছাড়াইতে পারছিলামনা। আমার চাকরি জীবনের অভিজ্ঞতায় সেই দিনেই প্রথম কাজে মনযোগের ব্যঘাত ঘটিল। অতটুকু মেয়ের এমন দুর্বোদ্ধ একটি ইঙ্গিত আমার মনসলোকের সাজানো গোছানো ঘড়কুটুমের আসবাব পত্রে বার বার তাও দিয়া পুরিতে লাগিল। বহুকাল ধরে বহুমানুষের ইসারা ইঙ্গিত গুলোকে চিহ্নিত করিয়া অভিজ্ঞতার সেন্সরে আবৃত করিয়া রাখিয়াছি। নকল কি খাটি সবিই ধরা পরে কিন্তু ওর বেলায় ঘটিল অন্য ঘটনা। আমার শিক্ষা, ধিক্ষা, অভিজ্ঞতা, সকল প্রতিরক্ষাকে ফাকি দিয়া আমার ঘরকুটুমের আসবাব পত্রকে পুরিয়া দিতে সুর করিয়াছে। আমি বার বার চেষ্টাকরিয়াও কাজে আর মনযোগ আনিতে পারিলামনা। কথাটির সাথে সাথে ওর নির্মোহ, স্বচ্ছ ও দ্বির মুখখানি বার বার মগজে নিউরনের তার দিয়া টেলিভিশনের ছবির মত তরলিত, তরঙ্গিত হইয়া প্রবাহিত হইতে লাগিল। কিছুতেই উহার স্বগতপ্রচার রোধ করিতে পারছিলামনা। অফিস হইতে বাহির হইয়া বারি চলিলাম রাত্রি অন্ধকার আকাশ এতই স্বচ্ছ যে হাজার কোটি তারার পরিপুর্ন বিন্যাসটা ক্রিস্টালক্লিয়ার দেখা যাচ্ছে। একটি বড় তারার পাশে ছোট ছোট আরো ছোট আরো ছোট তারা গুলিও স্পষ্ট দেখা যায়। এমন করিয়া জীবনেও আকাশের দিকে কখোনো লক্ষকরিয়া দেখিনাই। জীবনে আমার আকাশকে প্রোয়োজন হয়েছে শুধু মেঘ জমতেছেকিনা সেটা বোঝার জন্য। আর বিশেষ কোন কারনেই আকাশকে আমার দরকার হয়নাই। আজ কেন যেন আকাশের দিকে মুক্ত নয়নে তাকাইলাম। দেখিলাম আকাশের একটা অদ্ভুত অনুভিুত আছে। ঝিমধরা মস্তকটাকে ঠান্ডা করিয়া দেয়, পৃথিবীর শাস্তি হইতে মনটাকে মুক্ত ও অবাধ করিয়া দেয়। তখন আমার মনে হইল আমরা একটি কেন্দ্রে রহিয়াছে আমার চতুর্পাশেই লক্ষকোটি ইন্দ্রপথ আমরা না বুঝিয়া একটা ধরিয়া যাত্রা সুরুকরি অথচ অপরটাতে ঢুকিলেই দেখা যায় আরোসুখ আরো আনন্দ। আমার এই কথাটি যারা কাব্যোপ্রেমি পাঠক রহিয়াছেন তারা বুঝিবেন আর অনেকেরিই মাথার উপরদিয়া যাইবে।

    5
    7 Comments
Skip to toolbar