-
পোড়োবাড়ির_রহস্য
পর্ব_পঁচিশ
তালহারা থানা থেকে সোজা ওর চলে গেলো। নানুবাড়ি ঢোকার পর কোনমতে সকালের খাওয়া খেয়ে তালহা বিছানায় শরীর এলিয়ে দেয়। দুই ঘণ্টা টানা ঘুমিয়ে উঠে দেখে ঘড়িতে এগারোটা বেজে গেছে। উপরের ঘরের কোথাও মুসায়েব এবং জায়িদকে না পেয়ে নিচে নেমে আসলো। পুকুরপাড়ে এসে থ হয়ে গেলো তালহা। বন্ধু দুজন মনের সুখে পুকুরের মধ্যে দাপাদাপি করছে। তালহারও লোভ হলো। কোন কিছু না ভেবেই ও পুকুরে নেমে গেলো।
তিনজন মিলে অনেকক্ষণ ঝাপাঝাপি করে উঠে গেলো। অনেকদিন পরে পুকুরে গোসল করলাম, তাইনারে?
যায়িদের কথার সাথে সুর মিলিয়ে মুসাইয়েবও বলল, এখন আফসোস হচ্ছে এতোদিন ধরে এখানে আছি, এর আগে কেন পুকুরে নামলামনা? আমি কিন্তু এরপর যতদিন থাকবো প্রতিদিন পুকুরে গোসল করবো।
ঠিক আছে করবি, এখন চল অনেক কাজ আছে আজকে, কোনটা রেখে কোনটা করবো বুঝতে পারছিনা। এখন না বের হলে সব হযবরল পাকিয়ে যাবে। তার আগে একটা নোট তৈরি করতে হবে। শেষের কথাটা যায়িদকে উদ্দেশ্য করে বলল তালহা।
উপরে গিয়ে নোটবইটা নিয়ে বসলো যায়িদ।
তালহা বলল, আমার কাছে টুকরো টুকরো অনেক তথ্য আছে। কিন্তু আমি কীভাবে এগুলোর একটার সাথে অন্যটাকে জোড়া লাগাবো বুঝতে পারছিনা। আলোচনা করি নিশ্চয় তোদের মাথা থেকে কোন না কোন বুদ্ধি বের হবে।
এক) আমরা পোড়োবাড়ির ৩ নং ঘরে একটা নারীর পোট্রেট দেখছিলাম মনে আছে? যেটাকে দেখে আমদের মনে হয়েছিলো কেউ যত্ন করে প্রতিদিন ছবিটা মুছে রাখে। নাহলে ঐ ঘরের অন্য ছবিগুলোর মত ওটাও ধুলায় ঢাকা পড়ে যেতো। ঐ একই নারীর সাথে একজন যুবকের পাশাপাশি তোলা একটা ছবি আমি ‘বারের’ কম্পিউটারে দেখতে পেয়েছি। যুবকের চেহারার সাথে আমি একজনের চেহারার ভীষণ মিল খুঁজে পাচ্ছি। আবার একই নারীর ছবি পোড়োবাড়ির দোতলার একটা গ্রুপ ছবির মধ্যে দেখতে পাই। ছবিতে মহিলাটার পাশে একটা চল্লিশোর্ধ লোক দাঁড়িয়ে আছে। একটা দশ বারো বা এর বেশিও হতে পারে এমন একটা ছেলে তাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।
বারের ঐ ছবির মানুষটার চেহারার সাথে কার চেহারায় মিল পাচ্ছিস বললিনাতো?
তালহা ছবিটা দেখিয়ে বলল, দেখতো আমার যা মনে হচ্ছে তোদের তাই মনে হচ্ছে কিনা।
দুজনেরই চোখ চকচক উঠলো। মুসা উত্তেজনার সাথে বলল, তা কীভাবে সম্ভব?
আমিও তাই ভাবছি, উদ্বিগ্নের সাথে বলল যায়িদ।
তারপর কাজের কথা শেষ করি আগে। তালহা আবার বলা শুরু করল।
দুই) এই নারীর সাথে লোকটার কি সম্পর্কে? যদি আত্মীয় হয় তাহলে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে পোড়োবাড়ির সাথে তার একটা সম্পর্ক আছে। তাহলে আমাদের কাছে দেওয়া তার তথ্য পুরাটাই মিথ্যা। উনি যে প্রথম থেকে পোড়োবাড়ির প্রতি আগ্রহী ছিলেন। উনার সব কার্যক্রমই মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য ছিলো।
তিন) এতিম খানায় খবর গিয়ে আরাফ এবং আনিসের খবর নিতে হবে।
চার) কনসার্টের সাথে আদৌ অপহরণগুলোর সংযোগ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। এইতো, আপাতত এই পয়েন্টগুলো মাথায় রেখে কাজ করলে আশা করি রহস্য সমাধান সহজ হবে। কথাগুলো বলে হাত ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে কি যেন চিন্তা করলো তালহা তারপর বলল, এখন বারোটা বেজে গেছে। আমরা দুপুরের খাবার খেয়ে তারপর বের হবো।
বের হয়ে কোথায় যাবো আমরা? যায়িদ জানতে চাইলো।
বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত আমরা মাদ্রাসায় খোঁজ নিবো। পাঁচটায় আমরা পাঁচতারা হোটেলে নাইট পার্টিতে যাবো।
সেখানে কি দরকার?
সেখানে গেলে গডফাদারের সন্ধান মিলে যাতে পারে।
কিন্তু আমার একটা ব্যাপার মনে হচ্ছে, এতটুকু বলে তালহার দৃষ্টি আকর্ষণ করলো যায়িদ।
যায়িদের কথা শুনে তালহা ওকে জিজ্ঞাসা করলো কি মনে হচ্ছে?
আজকে যে মেয়েটিকে ওদের বিদেশী ডেলিগেটসদের কাছে হস্তান্তর করার কথা ছিলো তাকেতো আমরা উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। এখন ওরা নিশ্চয় চুপ করে থাকবেনা। যেহেতু ঐ নির্দিষ্ট মেয়েটার ছবি ওদের কাছে পাঠানো হয়েছে, ওরা নিশ্চয় ওদের নিজেদের ইমেজের কথা চিন্তা করে ওকেই দিতে চাইবে। সেক্ষেত্রে ওরা আবারও মেয়েটাকে অপহরণ করা চেষ্টা করবে।
যায়িদের কথাটা শুনে তালহার টনক নড়লো। এই ব্যাপারটা কীভাবে তার মাথা থেকে বের হয়ে গেলো ভাবতেই নিজেকে খুব বোকা মনে হতে লাগলো। যায়িদের পিঠে পরপর কয়েকটা চাপড় দিয়ে বলল, এই কথাটা আমার মাথায় আসেনি। তাহলে আজকে আমরা আর মাদ্রাসায় যাবোনা। এখনই মেয়েটার বাসায় যেতে হবে। তার আগে আংকেলকে ফোন করে দেখি। প্রায় দশবারের উপরে ফোন করলো তালহা। প্রত্যেকবারই সংযোগ দেওয়া সম্ভব না বলছে। তালহা মনে কু ডাকতে লাগলো। বিপদের আশঙ্কায় অস্থির লাগা শুরু করলো। বন্ধুদের নিয়ে ক্ষিপ্র গতিতে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়লো।
গাড়িতে গেলে বড়জোর বিশ মিনিট লাগবে। কিন্তু তালহার মনে হলো যেন কত যুগ লেগে যাচ্ছে। এমনিতেই রাস্তাটা দীর্ঘ মনে হচ্ছে তার উপর অর্ধেক পথ যাওয়ার পর গাড়ি থেমে গেলো। ড্রাইভারকে জিজ্ঞাসা করে জানা গেলো চাকা নষ্ট হয়ে গেছে। স্পেয়ার চাকা লাগাতে সময় লাগবে।
কথাটা শুনে তালহার মন খারাপ হয়ে গেলো। এখন প্রায় দুই ঘণ্টার মামলা। ড্রাইভার আঙ্কেলকে বলল, আমরা বরং দেখি কাছাকাছি কোন গ্যারেজ পাওয়া যায় কিনা। তাহলে আপনাকে গাড়িসহ ওখানে রেখে আমরা অন্য কোন বাহনে চড়ে চলে যাবো। আশেপাশের কোন গ্যারেজ আছে কিনা আপনার কি জানা আছে?
এদিকটায় আমি কখনও আসিনি। তাই গ্যারেজ আছে কিনা আমি বলতে পারবোনা। তবে ভালো করে খোঁজ নিলে ঠিকই পাওয়া যাবে।
যেই কথা সেই কাজ। ওরা তিনজন গ্যারেজের খোঁজে ছড়িয়ে পড়লো। ওদের গাড়িটা যেখানে নষ্ট হয়েছ সেটা একটা তিন রাস্তার মোড় ছিলো। তিনজন তিন পাশের রাস্তায় চলে গেলো। বেশিদূর যেতে হলোনা। কয়েক কদম হাঁটার পর মুসায়েব একটা বেশ বড় গ্যারেজে দেখতে পেল। বিষয়টা সঙ্গে সঙ্গে বন্ধুদের ফোন করে জানিয়ে দিলো। গ্যারেজ থেকে লোক এসে গাড়িটা ঠেলে নিয়ে গেলো। গাড়িটা নিয়ে চলে গেলে তালহারা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকলো কোন অটো বা সি এন জি পাওয়ার আশায়।
দাঁড়িয়ে থেকে চারিদিকে তাকিয়ে জায়গাটার নাম দেখার জন্য রাস্তার কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা রেস্তরাঁগুলোর দিকে তাকালো। জায়গাটা দেখে বোঝা যাচ্ছে শহরের সম্ভ্রান্ত এলাকা। রাস্তার বাম পাশে পাশাপাশি একটা প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এবং একটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে। দলে দলে ছেলে মেয়েরা সেখানে প্রবেশ করছে। আজকাল শিক্ষাক্ষেত্রগুলোর উন্নতি হলেও শিক্ষার সেরকম কোন উন্নতি হয়নি। বরং দিনকে দিন তা আরও অবনতির দিকে হাঁটছে। ব্যস্ত এলাকা, প্রধান সড়কের সাথে সংযুক্ত বিধায় বাহনের অভাব নেই। নানারকম বাহনের আসা যাওয়ায় মুখরিত সড়কের পাশে প্রায় আধঘণ্টা দাড়িয়েও একটাও খালি বাহনের সন্ধান পেলোনা তালহারা। সিদ্ধান্ত নিল একটা বাসে চেপে বড় রাস্তা পর্যন্ত গিয়ে তারপর রিকশা নিয়ে যাবে। জায়গাটা কাউন্টার থেকে বেশ দূরে বিধায় প্রতিটা বাসই যাত্রী বোঝাই করে আসছে। মোটামোটি ফাঁকা দেখে একটা বাসে উঠে পড়লো তিনজন। একেতো মধ্য দুপুরের অসহনীয় গরম তার উপর ঘাড়ের উপর গা ঘেঁষে দাঁড়ানো সহযাত্রীর গরম নিঃশ্বাস, সব মিলিয়ে জান বের হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। এসবকিছুকে ছাপিয়ে যে বিষয়টা বিরক্তির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে তা হলো বাসের গতি। তালহার মনে হলো ও হেঁটে রওনা দিলেও এর থেকে বেশি দূর চলে যেতে পারতো। প্রতি দশ মিনিট পরপর যাত্রী নামানো এবং উঠানো নিয়ে প্রায় পাঁচ মিনিট ব্যায় করছে। একঘণ্টা পার হওয়ার পর তালহার টনক নড়ল। রাস্তার আশেপাশে তাকিয়ে দেখলো বাস ঝিনেদা শহর পার হচ্ছে। দ্রুত পাশের যাত্রীকে জিজ্ঞাসা করলো বাসটা কোথায় যাচ্ছে। লোকটা জবাব দিল বাসটা কুষ্টিয়া যাচ্ছে। কথাটা শুনে তালহার মাথা ঘুরে গেলো। তাড়াতাড়ি করে বন্ধুদের নিয়ে বাস থেকে নেমে পড়লো। রাস্তার পাশে একটা মাঠের উপর মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লো।
যায়িদ বললো, তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে আরও দেরি হয়ে গেলো। এর থেকে গাড়িটার জন্য অপেক্ষা করলেই ভালো হতো।
মাথায় হাত দিয়ে বসে মনে মনে নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগলো তালহা। ছিঃ এমন একটা বোকামীর কাজ করলো ও। এখান থেকে যে একটা সি এন জি নিয়ে যাবে তার উপায় নেই। চড়া দাম হাকাবে। পকেটে যথেষ্ট টাকাও নেই। এদিকে বারোটার দিকে খেয়ে বের হলেও মুসার পেটে ইঁদুর দৌড়াদৌড়ি করা শুরু করে দিয়েছে। তিন জনের পকেট হাতড়ে মোট এক হাজার ত্রিশ টাকা পাওয়া গেলো। সেখান থেকে একশ টাকা খরচ করে তিনজনের জন্য নাস্তা কিনে ঝিনেদাগামী একটা সিটিং সার্ভিসে চড়ে বসলো ওরা। বাসটা নলডাংগা বাস স্ট্যান্ড হয়ে কেশবপুরের দিকে চলে যাবে। এখান থেকে নলডাঙ্গা যেতে দেড় ঘণ্টা মত লাগবে। ওখান থেকে একটা ওটো নিয়ে কাজিপাড়া চলে যেতে হবে। প্রথমে মন খারাপ হলেও তালহার পরে মনে হলো সবকিছুতেই কল্যান আছে। নিশ্চয় তাদের এই বোকামীর পেছনে কল্যাণ আছে। বাসটা এসি করা তাই এতক্ষণ ঘামে চটচট করা শরীরটা এসির ঠাণ্ডা বাতাসে শীতল হতে শুরু করছে। আবেশে ওদের চোখ বন্ধ হয়ে আসছে। যে যার যার সিটে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে বসে আছে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে আঁতকে উঠলো তালহা। দুইটা বেজে গেছে। মাত্র আধঘণ্টা হয়েছে। এখনও আরও এক ঘণ্টা লাগবে নলডাংগা বাস স্ট্যান্ডে পৌছাতে। ওখান থেকে অটো নিয়ে কাজিপাড়া পোঁছাতে আরও কমপক্ষে এক ঘণ্টা লাগবে। চারটা বেজে যাবে। ততক্ষণে যদি কোন অঘটন ঘটে যায়। মেয়েটার বাবার নাম্বার ছাড়া আরও কারও নাম্বার নেওয়া হয়নি। তালহার মনে হলো ওর ছোট মামাকে ফোন করলে কাজ হরে পারে। মামার কাছে মেয়েটার মায়ের নাম্বার থাকতে পারে।
ওমর ফারুককে ফোন করলো তালহা। ওপাশ থেকে ফোনটা রিসিভ হতেই সালাম দিয়ে বলল, মামা তোমার কাছে অরিনের মায়ের নাম্বারটা আছে?
ওমর ফারুক অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলো কোন অরিন?
ঐ যে অপহরণ করা হয়েছে যে মেয়েগুলোকে , তাদের মধ্যে যে মেয়েটা একটু লম্বা। তালহা আরও ভালোভাবে বোঝানোর জন্য বলল, যে মেয়েটাকে সবার আগে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, সেই মেয়েটাই অরিন।
ওমর শরিফ বলল, ও আচ্ছা মনে পড়েছে। ওর বাবার নাম আরমান শেখ, তাইনা?
হ্যা হ্যা চিনতে পেরছো?
হ্যা পেরেছি। কিন্তু ওকে নিয়ে আবার কি সমস্যা?
ওর অভিভাবকের সাথে যোগাযোগ করার দরকার। ওর বাবার নাম্বারটা আছে আমার কাছে। কিন্তু নাম্বারটা বন্ধ দেখাচ্ছে। তোমার কাছে কি ওর মায়ের নাম্বারটা আছে?
না, আমি সেদিন শুধু ওর মায়ের নাম্বারটা নিয়েছিলাম। ওদের ব্যাপারটাতো মিটে গেছে। তাহলে আবার এই ব্যাপারটা নিয়ে পড়লি কেন?
তালহা ওমর শরিফকে সম্পূর্ণ বিষয়টা বুঝিয়ে বললো।
তালহার কাছ থেকে কথাগুলো শুনে ওমর শরিফেরও দুশ্চিন্তা হতে লাগলো। কিন্তু সে এখন ব্যবসার কাজে নলডাংগার বাইরে আছে। তাই তার পক্ষে কিছুই করা সম্ভব না। মন খারাপ করে তালহাকে বলল, আমি যে কিছু করবো তারওতো উপায় নেই। দোয়া করি সব যেন ভালোভাবেই মিটে যায়।
তালহা বললো দোয়া করা ছাড়া আমাদের কখনোই কোন কিছু করার উপায় থাকেনা। আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি।
আসলেই তাই!
ঠিক আছে ছোট মামা এখন রাখি। ফোন রেখে বন্ধুদের দিকে তাকালো তালহা। দুজনেই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে আছে। ও জানালা উপর দুই হাত ভাঁজ করে রেখে তার উপর শুয়ে বাইরেটা দেখতে লাগলো। ওরা যেটা ভাবছে সেটা যদি না হয় তাহলে মেয়েটার বিপদ কেটে গেছে। এমনও হতে পারে ওরা অন্য কোন মেয়ে দিয়ে ওদের ওয়াদা পুরণ করতে পারে। সেক্ষেত্রে আবার নতুন চিন্তা। সেই মেয়েকেও উদ্ধার করতে হবে। ঘটনা যাই ঘটুক আজ রাতে তাদেরকে পার্টিতে উপস্থিত থাকতেই হবে।
চলবে2 Comments
Friends
Shoriful Shoron
@shoriful-shoron
আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির
@anwar-parvez-nur-shishir
Morsalin Islam Shouradip
@morsalinshouradip
জাস্রা জুমান
@nmafin4gmil-com
Hijbullah hiju
@hijbullah
মোঃ রিদওয়ান আল হাসান
@mridwanalhasan
মাহ্দী সাকিব
@mahdi-sakib
Md.Emamuzzaman Wahedi
@emamuzzaman
ইফতিশা খানম
@eftishakhanam



গল্প অল্প অল্প করে রহস্যের জট খুলতে শুরু করছে! সাথেই আছি গল্পকার!