-
গল্গঃ খোয়াড়ের রাখালটি মূলত যা করেছিলো
লেখকঃ সালমান সাদিকপৃথিবীর কোথাও কোথাও কিছু খোয়াড় রয়েছে যেখানে জংলি মানুষেরা মানুষ পালে। এইসব খোয়াড়ের আয়তন বেশ বড় হয়ে থাকে বলে শোনা যায়। আবার কিছু কিছু এমনও পেয়েছি যেগুলি ধনী লোকেরা করে থাকে। একটি বৃহদায়তন ভূমি, যার চারপাশে থাকে সমুদ্র; সেই ভূমিতে কিছু মানুষকে বিভিন্ন কিছুর প্রলোভন দেখিয়ে আনা হয়। অতঃপর তারা যখন মনে করে থাকে যে তারা এখান থেকে লাভবান হয়ে ফিরবে ঠিক তখনই সেইসব ধনী লোকেরা তাদেরকে শিকার করতে শুরু করে। এগুলি অত্যন্ত আনন্দদায়ক ব্যাপার বলে শিকারী মহলে একটি স্বীকৃত বিনোদন হিসেবে কদর পেয়ে এসেছে।
এমনই একটি কাহিনি, যেটা ঘটেছিলো এক চতুর লোক আর কিছু রাম ছাগলের মধ্যে। মূলত খোয়াড়টি ছিলো বড় এবং অনেকেই এখানে শিকারের আনন্দ নিতে আসতো। সমভূমি হওয়ায় এই জায়গাটিতে প্রজনন হতো অধিক হারে। ফলে শিকার ছিলো অগুণতি ও ক্ষেত্র ছিলো ব্যাপক। এই চতুর লোকটি ছিলো খোয়াড়ের রাখাল। সে দেখতো বিভিন্ন মানুষেরা এই খোয়াড় বা শিকার-ভূমিতে নানা সময়ে অবারিত আনন্দ লাভ করছে। তার খাহেশ হলো, সেও যদি এগুলি করতে পারতো! মানে এই অবারিত আনন্দ তার মনের মধ্যে ওই শিকারী সত্তার জন্ম দেয়, যা অন্যান্য বহিরাগত আগে থেকে নিজের সঙ্গে নিয়ে ঘুরছে।
এই লোকটি ছিলো অত্যধিক চতুর। সে বুঝতে পারে, যে খোয়াড়ের পশুগুলিতে তার তেমন কোনো অধিকার নাই। তাই সে কিছু কিছু প্লান নিয়ে আগাতে থাকে। সে খোয়াড়ের পশুগুলির মধ্যে এই কানপড়া দিতে থাকে, যে তোমরা খোয়াড়ে পালিত শিকার বা পশু নও। তোমরাও শিকারীদের মতোই, তোমরাও তাদের মতোই। এই কানপড়াগুলি প্রথমদিকে খুব বেশি কাজ করে না। কারণ খোয়াড়ে পালিত পশু তো ওই সার্কাসের হাতির মতোই যার সাথে শেকলের সম্পর্ক এতটাই পোক্ত, যে সে কি না এই য়াকিন লাভ করে, যে শেকলটি বাহ্য কোনো শেকল নয়, এটি হলো এমন শেকল যা অদৃশ্য হলেও হতে পারে। তেমনই এইসব পশুরা প্রথমদিকে এরূপই আচরণ করে।
চতুর রাখালটি তখন ভিন্ন কায়দা অবলম্বন করে। ওই যে দ্বীপবাসী ধনীগণ যেমন শিকারকে চরে বেড়ানোর সুযোগ দিয়ে তার মাঝে এই য়াকিন পয়দা করে, যে এই দ্বীপটি তোমার, তুমি এখানে নিরাপত্তার হকদার হয়েছো। এই রাখাল লোকটি ঠিক এই য়াকিনের বীজ বুনতে থাকে খুবই সুচতুর পদ্ধতিতে। সে আগেভাগেই পশুগুলিকে জানিয়ে দিতে থাকে, কীভাবে কখন এবং কে পরবর্তী শিকার হতে যাচ্ছে। এই ব্যাপারটি পশুগুলির মধ্যে প্রথমত আতংক সৃষ্টি করে। কেউ কেউ এটা মেনে নেয়। কেউ কেউ তার পরিবার পরিজন ও স্বজাতির কথা বিবেচনা করে স্বেচ্ছায় মৃত্যুর জন্য এগিয়ে আসে।
কিন্তু একটা পর্যায়ে এই ফলবান পদ্ধতি ফল দিতে শুরু করে। এই যে ভয়ের মধ্যে বসবাস, এই ভয়টা তাদেরকে এতটাই বেচইন করে তোলে এবং এতটাই আতংক তৈয়ার করে, যে তারা ভিতরে ভিতরে পুরোনো ধ্যান-ধারণার প্রতি য়াকিন হারিয়ে নতুন কিছু আচরণের মধ্য দিয়ে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়, যে এইসব হিংস্র শিকারীকে বিতাড়িত করতে পারলে তারা ওই স্বর্গীয় ভূমির অধিকার লাভ করবে, যেখানে থাকবে না কোনো ভয়। ফলে সেখানে তারা যথেচ্ছা অগুণতি বেড়ে উঠতে থাকবে যেমনভাবে ক্যাঙ্গারু ও গরুরা শিকারী ও হিংস্র প্রাণীমুক্ত ভূমিতে বেড়ে ওঠে প্রবল প্রজন্মের মধ্য দিয়ে। ফলে তারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়, যে যেহেতু একে একে তারা শিকার হচ্ছে তাহলে কেন নয়, একবারেই সবাই শিকার হয়ে বিচরণ ভূমিতে ঐক্য গড়ে তুলবে! তারা এটাই ভাবে, যে প্রবল এই ঐক্যের ভিতর কতক শিকারী আর কতগুলি প্রাণই বা নিতে পারবে! যখন শিকারী আর শিকারে সংঘর্ষ ঘটবে প্রাণ ঝরবে, খুন বইবে। কিন্তু একটা পর্যায়ে এই বিপুল অগুণতির ঐক্য তাদেরকে রুখে দিবে। এমনটি নয়, যে সেখানে কিছু স্পার্টান বা ক্ষুদ্র আরব গোষ্ঠী অগুণতির বিরুদ্ধে রোখ তৈয়ার করেছে। কিন্তু এই রোখ ছিলো এমন একটি ব্যারিকেড যা টপকে ওপাশে যাওয়ার সাধ্য কিছু সংখ্যক শিকারীর ছিলো না, তথাপি যারা ভাবতো শিকার শুধুই শিকার। ফলে আচম্বিত এই মুকাবিলা এই খোয়াড়কে শিকারীদের হাত থেকে চিরতরে মুক্ত করে। অন্তত খোয়াড়ের পশুগুলি এটিই বিশ্বাস করেছিলো। তাদের ত্রাতা ভূমিকায় ওই চতুর রাখালকে তারা স্বীকার করে নেয়। ফলে রাখালটি তাদের খোদাভক্তি লাভ করে।
রাখালটি তখন বেশকিছু যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেয়। রাখালটি যখন তাদেরকে পালতো তখন সে দেখেছে কিছু প্রাণ এমন যাদের মধ্যে রয়েছে দারুণ দম। ফলে এদের দিয়ে শ্রমসাধ্য কাজগুলি করানো যায়। কিছু আয়েসী প্রাণ, তারা খুব সম্ভব তার আস্থাভাজন হিসেবে পরবর্তী রাখালের দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম। আয়েসী প্রাণগুলি রাখালের দায়িত্ব পালনে আলসেমি করবে না। কারণ তাদের জন্য খোদাভক্তি লাভ করা রাখালটি ব্যবস্থা করবে নানাবিধ আয়েস ও ভোগের যোগাড়। তাদের মধ্যে এই ভয়ও পয়দা করে দিবে, যে এগুলি তোমাদের অধিকার তথাপি ওই শ্রমিক দল, যারা পরবর্তীতে অসভ্য শ্রেণী বলে বিবেচিত হবে; তারা এগুলি লাভ করার জন্য কখনো কখনো তোমাদের বিরুদ্ধে দাবি তুলবে। এ ছাড়াও আরো কিছু কিছু প্রাণ আছে যারা শান্তিকামী ও খোদার এবাদতে মশগুল প্রাণ। এগুলিকে সে এই মত ও পন্থা বাতলে দেয়, যে খোদা তো তিনিই যিনি তাদেরকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। সুতরাং হে খোদাভক্ত সরল শান্তিকামী প্রাণ, তোমরা এবাদত করো আমার, যাকে তোমরা অধিষ্ঠিত করেছ খোদার আসনে, যার ভূষণ দিয়েছো পিতা।
এই যে বিভিন্ন শ্রেণীভুক্ত করা হলো প্রাণগুলিকে তারা সেই থেকে স্ব স্ব শ্রেণীর দায়িত্বগুলি নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছে। এর মধ্যে কিছু কিছু ছিলো চতুর। রাখালটি তাদের জন্য তেমন কোনো পথ-নির্দেশ বাতলাতে পারেনি৷ কারণ এরা ছিলো দূরান্তের প্রাণ, এদের কাছে এসকলই অগ্রাহ্য করে বেঁচে থাকার মত অফুরান জীবনীশক্তি বর্তমান। তথাপি এই শ্রেণীটি যাতে অন্যান্যদের উপর নিজের প্রভাব বিস্তার করে খোদার আসন থেকে চতুর রাখালটিকে না নামাতে পারে সে জন্য রাখাল তাদেরকে এই ভূষণ দিলো, যে হে অমুক দূরান্তের প্রাণ, মূর্খ তোমরা, তোমাদের কোনোরূপ নাজাত নাই। কারণ না তোমরা খোদার পথ অনুসরণ করেছ আর না তোমরা ওই মহান লড়াইতে অংশ নিয়েছ, যে লড়াই পশুগুলিকে দিয়েছে এই অবারিত ভূমি ও আমার মতো একজন মহান প্রভু, যার ভূষণ পিতা।
এই শ্রেণী বিন্যাস সে এ জন্যই করে যাতে করে এই যে শিকার ও শিকারীর লড়াই যেখানে সে মূলত নিজের খোদা হয়ে ওঠা ও বহিরাগত শিকারীর মত অবারিত আনন্দ লাভের সুযোগ দেখেছিলো; এই সুযোগগুলি যাতে আজন্ম বা চিরায়ত হয়। এটা সে কেন করে বা এই প্রবণতা সে কই থেকে পায়? এই প্রশ্নের উত্তর হলো ওই আকাঙ্ক্ষা যা একদলকে স্বজাতের শিকারীরূপে কবুল করে নেয়। এরচেয়েও জটিল জটিল ব্যাখ্যা হয়তো করা সম্ভব। কিন্তু সেগুলির তেমন কোনো প্রাসঙ্গিকতা নাই বিধায় সেগুলি নিয়ে আলাপ উঠলো না বা কাহিনিটির অন্যান্য নাটকীয় মোড় ও ধারা বিবরণীতে ছেদ পড়ার আশংকা হয়।
এইভাবে পর্যায়ভুক্ত সকলেই নিজ নিজ পর্যায় নিয়ে সন্তুষ্টির সাথে দিন গুজরান করতে থাকে। তারা ভাবে, হা আমরা নিয়ত শিকার হওয়ার আশংকা থেকে মুক্ত হয়েছি, এখন আমরা শান্তিতে আছি। এই বাহ্য সান্ত্বনা তাদের মনে খোদা সম্পর্কে কোনোরূপ সন্দেহ তৈয়ার করে না। অথচ এই খোদা ছিলো একটি চতুর রাখাল, যে তার পালের উপর স্ব অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে আর আর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ ও বড় বড় প্রভুগুলির সাথে আসন লাভে আকাঙ্ক্ষী হয়েছিলো।
ফলত দূরান্তের ওই সকল প্রাণ উষ্ণ হয়ে ওঠে। তারা খোদাটির নামে অপপ্রচার ও কটুক্তিমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয় এবং অন্যান্য প্রাণগুলির সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে তারা ওই খোদার খোদা হয়ে ওঠার লড়াইটিকে সম্মান দেখায়। এতে করে কিছু কিছু সমর্থন তারা পায়৷ তাদের বক্তব্য ছিলো, হে অফুরান অগুণতি প্রাণ,দেখো খোদার আদর্শ তো সত্য। কিন্তু আমাদের খোদা অন্যান্য খোদাদের সাপ্লাইয়ার হিসেবে নাম কামাচ্ছেন এই আমাদেরকেই গোপনে অগোচরে তাদেরই কাছে বেচে দিয়ে। যখন তারা এগুলি বলছিলো তখন খোদা তাদের বিরুদ্ধে তার অমোঘ হাতিয়ার আয়েসী প্রাণগুলিকে বলে, দেখ হে গর্দভদল, তোমাদের অভিভাবককে নিয়ে মূর্খগুলি কী বলছে। তোমরা কী বুঝ না, যখন তোমাদের খোদাকে তারা কটুক্তি করছে তখন মূলত তারা খোদার বাতলে দেওয়া ওই মুক্তির মহান সংগ্রামের গায়েই কালিমা লেপন করছে। হে অলসদল, এদেরকে পিটিয়ে মেরে ওই দূরান্তে তাড়িয়ে দাও যেখানে তাদের বিচরণ ভূমি।
অলস আয়েস-প্রিয় শ্রেণীটি তখন বিভিন্ন বিবৃতি প্রকাশ করতে থাকে। জনমনে বিভিন্ন সম্ভাবনা ও প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে দেয়। বলে দেখ এই এই যুক্তিগুলি কী বলে বা দেখ, হে ধর্মপ্রাণ খোদাভক্ত, তোমাদের খোদার বিরুদ্ধে কীরূপ কথাবার্তা! নিশ্চয় এর পেছনে রয়েছে বহিরাগত ষড়যন্ত্র, যারা মূলত আবারো তোমাদেরকে শিকার করতে আগ্রহী ও লোলুপ যাদের দৃষ্টি।
নানাবিধ যুক্তির আড়াল তৈয়ার হয়। খোদাভক্তের দল খোদার স্তুতি করে। শ্রমিকদল নিজস্ব কর্মের নিশ্চয়তা নিয়ে শংকিত হয়। আরো নানাবিধ প্রাণের দল তখন দূরান্তের প্রাণগুলিকে আবারো দূরান্তে তাড়িয়ে দেয়। এভাবে চতুরতা ও কৌশল আবারো খোদাটির রাজ্যে শান্তি ও স্থিতি ফিরিয়ে আনে। খোদাটি তখন পার্শ্ববর্তী খোদাগুলির কাছে আরো গ্রহণযোগ্য ও আস্থাভাজন হয়ে ওঠে। বিভিন্ন বিনিয়োগ ও লাভালাভের হিসেব নিকেশ হতে থাকে।
এইসব হিসেব নিকেশের কিছু কিছু ছ্যাড়া পাতা শ্রমিকদলের সামনে আসে। তারা দেখে, এই লাভালাভের হিসেবে তাদের প্রাপ্যটা মূলত শূন্য। তখন তারা কানাঘুষা করতে থাকে। এরা ছিলো সবচেয়ে বড় মূর্খ। ফলে তারা অকল্পনীয় কিছু আলাপ সামনে আনে। তারা কেউ কেউ কয়, এই খোদাটি ছদ্মবেশী ভুয়া খোদা। মূল খোদাটির আসন দখল করে বসে আছে। তারাও খোদা খেদানোর ডাক দিয়ে কয়, হে সকল প্রাণ, আমরা কি এই জন্য সংগ্রাম করেছিলাম! সকলে কয়, হা হা তা তো তা তো যথার্থ যথার্থ! সকলে বলতে কিছু কিছু কয় আরকি, সকলে নয়।
এই সংগ্রাম কিছু কিছু সংকট তৈয়ার করে। এই অস্থিতিশীলতার ফলে অপরাপর খোদাগুলি বিনিয়োগ কমায়, খোদাটির উপর চাপ সৃষ্টি করে। তারা কয়, হে ক্ষুদ্র, তোমার পশুগুলিকে সামলাও নয়তো ওই উন্নত আসনটি হারাবে। ফলে খোদাটি তার দলভুক্ত ভক্তকুলের কাছে এগুলি কয়, যে হাড্ডিগুলি তোমরা ভাগ পাও সেগুলি তো হারাতে বসেছো হে! তখন হাড্ডি হারানোর ভয়ে ওই ভক্তগুলি খড়গহস্ত হয়। শ্রমিকদলের কিছু কিছু গায়েব হয়। কিছু কিছুর হাড্ডি নিখোঁজ হয়। কিছু কিছু বিস্তীর্ণ ভূমিতে লাশ হয়ে মৃত্তিকায় মিশে যায়। ফলে তারা নিজেদের ওই শূন্য নিয়ে পিছু হটে। দূরান্তের প্রাণগুলি কয়, তোমরা কে! আমাদের সাথে যখন একই আচরণ হলো কই ছিলে তোমরা! খোদাভিরুর দল খোদার কুদরত দেখে আভক্তি নত হয়, খোদার দরবারাভিমুখি হয়, খোদার খড়মে সেজদা যায়। তারা বলে এ তো সত্যই সেই খোদা যে খোদার এবাদতে আমরা এযাবৎকাল কাটিয়ে এসেছি। ফলত শ্রমিকদলের আর কোনো উপায় থাকে না। তারা ফিরে যায় সেখানেই যেখানে তারা পূর্বে ছিলো।
অদ্ভুত এই নিয়মে একে একে দলগুলি প্রতিবাদী হয়। তারপর অধীনতা স্বীকার করে আবারো নতজানু হয়। এই-ই হয়তো খোদারূপি চতুর রাখালটির সুদূরপ্রসারী প্লান।
এভাবে মরণশীল প্রাণীদের মরণ আসে। তারা মরে যায়। তাদের শিশুরা বড় হয়। এই সিলসিলা সহজে ভাঙে না। এভাবেই চলতে থাকে। একদল মার খায় আর আরেকদল চুপ থাকে, তামাশা দেখে। খোদার দেহ চেঞ্জ হয়। কিন্তু সেই খোদার চরিত্র থেকে যায়।3 Comments
Friends
Prithvi-Sarker
@prithvi-sarker
Sajibul Alam — সজীবুল আলম
@sajibulalambd
প্রদীপ্ত লুব্ধক
@shawon-sarkar
মোহাম্মদ ইবনে রবি
@mohammadibnarobi
Shoriful Shoron
@shoriful-shoron
Ismail Mozumdar
@ismail-hossain-mozumdar
রাসেল আদিত্য
@raseladitta
Mahbub Al Hasan
@mahbubkfdj
স্মৃতি রানী রত্না
@srratna1990


চমৎকার রূপক গল্প !