-
জুবায়ের দুখু
ণ০০২৫
সুতোয় বাঁধা আঙুল
আঙুলে সুতি কাপড়ের গন্ধ,
একটা সকাল সেলাই করে চলেছে দর্জি।
দুপুরের দাওয়ায় আগুন নিয়ে সূর্য
হিজল ফুল এঁকে দিয়ে যায় বিকেল দেহে।
শীতঋতু হিমালয়ের বান্ধবী—
চায়ের টঙে বসে দেখি রোজ
তোমরা সেলাই করো পৃথিবী,
তবু দুঃখ তপড়ায় কচি বিড়ালের ডাকে।ত০০২৪
যেতে চাই দূরে
কোথায় যাবো ভেবে পাই না।
নিঃসঙ্গতার সঙ্গে সখ্যতা বেশি
আর ছিল এক বেদুঈন পথচারী,
পথ বেঁকে যে চলে গ্যাছে দূর দৃশ্যে।
সেখানে নীলবনে জুলাই ডাকবক্স
বিপ্লবের বয়ান হরিণের শোনায়
ফ্যাসিস্ট ঘাস উলঙ্গ করো না ইতিহাস।থ০০২৩
ঝুমকোলতা তোমার নাকফুল মন্দির,
নদীর ও-তীরে নয়াডিঙ্গী গাঁও
পদ্মফুল রাঙা দীঘল বিল।
বিলে বকপাখি উড়ে গেলে মনে হয়,
আকাশ পরিমাণ বান্ধবী আমার।
মা প্রতিদিন সকালে বিলমুখ দাঁড়ালে,
ওপাশ থেকে বশিরগঞ্জের বাতাস আসে।
বশিরগঞ্জ নিয়ে একটা স্মৃতি আছে।
মনে হলে সেই স্মৃতি লিখে রাখবো
পরের কোনো অমর কবিতায়।দ০০২২
দীঘল আঁখি, তোমার রৌদ্রছায়া চুল,
চুল দেখলে মনে পড়ে অতীত।
অতীতে ভীষণ ভয়—
এই ভয়, চোখে সূর্যফুল হয়ে ফুটলে
মলিন সন্ধ্যায় নিকটে চলে আসে আরও।
যে সন্ধ্যায় আব্বা আজরাইল মালাকুল মউতের
সঙ্গে করেছিল সাক্ষাৎ,
আমরা খোদার সঙ্গে সংঘাত।ধ০০২১
বৃক্ষ উদ্যান
তোমার কাঠামো শরীরে পালঙ্ক গড়া হবে।
হুরাসাগর তারপর কত গ্রাম,
গাছ-পাখি, ফুল-লতা, শিশুদের চেঁচামেচি
শিশুদের চেঁচামেচি মসজিদে সুন্দর গানের নাম।
যেখানে হারিয়েছি শৈশব ও স্মৃতি
সেখানে নাচে কৃষ্ণচূড়া ছায়া ঘেরা এক বিদ্যালয়।
বৃক্ষ উদ্যান বলতে আসিনি সে কথা,
শৈশব তোমাকে দিয়ে দেব!
পালঙ্ক হইও, পরাজয়ের গান শুনে নিও।ন০০২০
সাইবেরিয়া থেকে পাখি উড়ে এলে
কাগেশ্বরী হয়ে ওঠে উচ্ছল জলবন।
মৎস্য নাচে সেই জলে—
জানা আছে এক অন্ধের অছিয়তনামা
পাখির কিচিরমিচির গানে
যেখানে গাছের বিরহের চিত্রকল্প আঁকে।
মা দূর্গার দেহ ডোবাবে বলে
ঘুম থাকে না তরুণ নদীদের।2 Comments
Friends
Asif Rahman
@asifaaron62
আ.ক.ম. আবু সাইদ
@a-k-m-abu-syed
Nishat Jahan
@nishatjahan2
তাওহীদ সুফিয়ান
@tawhidsufian
সৈয়দ মোহাম্মদ জামান
@sayedzaman
কেও একজন
@md-siyamul-nirab
Charity Wild
@charitywild35
মো মাহমুদুল হাসান
@mmhasan12
Shofi-Muhammad
@shofi-muhammad


খুব ভালো লাগলো। স্বাগতম তুলট পরিবারে। নিয়মিত লিখবেন