-
দ্য ওয়াইজ মেন অব গোথাম
এক লোক বাজারে যাচ্ছে পথে ব্রিজের উপরে আরেক লোকের লগে দেখা।
-ভাই কোই যাও?
-বাজারে।
-কি করতে?
-কয়ডা ভেড়া কিনমু।
-ভেড়া কিনবি! তয় লইয়া যাবি কোন হাইন্দা?
-এই ব্রিজের উপর দিয়া
-না, তুই ব্রিজের উপর দিয়া নিয়া যাইতে পারবি না।এরপর দুইজন প্রচুর মারামারি করতে থাকে। একজন কয় আমি এই ব্রিজের উপর দিয়া ভেড়া লইয়া যামু। আরেকজন কয় না তুই পারবি না।
তৃতীয় লোকটা এসে কয় “তোমরা কিনো ঝগড়াঝাটি করতেছ পোলাপাইন?”
তখন লোকেদের একজন কয়
-আমি এইহান দিয়া ভেড়া লইয়া যামু আর ও যাইতে দেবে না।
তৃতীয় লোক কয় -ভেড়া কোই?
দুই লোক কয় ভেড়া এখনো কেনা হয় নাই।তখন তিন নমবরটা তার কাধে ময়দার বস্তাটা তুলে দিতে বলে।
দুই লোক তার মাথায় ময়দার বস্তা তুলে দিলে তিনি সেতুর
পাশে দাড়াইয়া কন- তোমাগো মাতায় কতো মাল আছে জানো?
ময়দার বস্তা থেকে সব ময়দা ফেলে দিয়ে তিনি জানান
-তোমাগো মাতায় এই খালি বস্তাডার মতো মাল আছে।শাফাকাত রাব্বি অনীক, নামডা চেনা চেনা লাগলো। কয়েকদিন আগে তারে ফলো দেই। তার বক্তব্য গত কয়েক বছর ধরে তার ফলোয়ারদের মধ্যে মাদ্রাসার ছাত্ররা বেড়ে যায়, ইত্যাদি ইত্যাদি। মানে অনেকটা তার কথা বার্তা শুইন্যাই এই রকম একটা বিপ্লব হয়ে গেছে। নিজের অনেক গুণ কীর্তন টাইপ পোস্ট দেখলাম। তিনি আবার টেলিভিশনে যাদের দেখা যায় সেই জাতীয় বিতার্কিক।
তার মতে
১। জাতীয় সংগীতে প্ল্যাজারিজম হইছে তাই এইটা জাতীয় সংগীতের মর্যাদা পাইবেনা।
২। এই সংগীত এই বাংলাকে নিয়ে লেখা না।
৩। ‘মা তোর বদনখানি মলিন হইলে আমি নয়ন জলে ভাসি’- মানে মা তুমি দুঃখ পেলে আমি কান্নাকাটি করি।
আমি কেন এমন ছেলে হব যে মা মনে দুঃখ পাবে?প্রথম-যেই সময়ে এই গান লেখা হয়েছে সেই সময় প্ল্যাজারিজম এতো গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখা হইতো না। মাঝখান থেকে আমরা একটা বাউল সুর পেলাম। এই দেশতো বাউলদেরই। দেশীয় সংস্কৃতিতো বাউলদের ই। রবীন্দ্রনাথের কথা + বাউল সুর। সমস্যা নেই।
দ্বিতীয়-যেই বাংলা নিয়েই লেখা হোক। পাবলিকতো এই বাংলাকে লোকেট করতে পেরেছে।
তৃতীয়- এতো হাস্যকর কথা জীবনে শুনি নাই। মায়ের বদন যেকোন কারণে মলিন হতে পারে।
আর যারা বলছেন -রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের কবি না। কী হাস্যকর কথা। একটা দেশীয় সাকিব আল হাসান লাগবে? ওহ, এটা ক্রিকেট খেলার মাঠ না। জাতীয় কবির জন্মস্থান বর্তমান ভারতে। জীবনে শিল্প, সাহিত্য কিছু কী করেছেন? উত্তর – মোটা দাগে “না”
এই জল, হাওয়ায় আপনার যেমন অধিকার রবীন্দ্রনাথেরও সেই অধিকার। এটা তারও দেশ। জাতীয়তাবাদের এই মোটাত্ব থেকে বের হয়ে আসুন।
একজন লিখেছে এই বিপ্লবে নজরুল ও দিজেন্দ্রলাল রায়ের এবং আরো অনেকের গান শোনা গেছে রবীন্দ্র সংগীত শোনা যায়নি। রবীন্দ্রনাথ মধ্যবিত্তের ড্রয়িংরুমের রোমান্টিক কবি। একজন রোমান্টিক কবির লেখা গান জাতীয় সংগীত করা যাবেনা, এটা কেমন কথা!
বরং
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালোবাসি।এমন একটা সরল বাক্য লেখা অনেক অনেক কঠিন।
2 Comments-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন! আপনার এই লেখাটি আজ 09 September 2024 তারিখে ‘জনপ্রিয় অবদান’ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং এই মঞ্চকে একটি আনন্দদায়ক ও জনপ্রিয় মঞ্চ হিসাবে চালু রাখাতে আপনার এই অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
Friends
Rokter Sagor
@roktersagor
Promit Chowdhury
@promitchowdhury
Mahmudul Hasan
@mahmudulhasan1
Emran Hasan Najmul
@emranhasannajmul
Arif
@arif1
Dipankar Shuva
@dipu42dramagmail-com
Maizbhandari Sufi Academy
@maizbhandarisufiacademy
Sharmin
@sharmin1
Zahidul Islam Roni
@roni03


কিছু জিনিসকে বিতর্কের উর্ধে রাখা উচিত।