Profile Photo

Abul Hasan TuhenOffline

  • abulhasantuhen
  • Profile picture of Abul Hasan Tuhen

    Abul Hasan Tuhen

    3 months, 3 weeks ago

    গীতি নকশাঃ আছি রণাঙ্গনে (২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস)
    রচনা: আবুল হাসান তুহিন
    * সংগীতঃ নারী, পুরুষ * গ্রন্থনা: নারী, পুরুষ

    গ্রন্থনা: নারী:
    নারী :কী ব্যাপার বলোতো। চারিদিকে এমন উদাস
    নয়নে কী দেখছো?
    পুরুষ : কেন তোমাকে।
    নারী :আমাকে দেখছো না ছাই। তুমি যদি আজাকে দেখতে তাহলে-
    পুরুষ : তাহলে কী?
    নারী :না থাক, কিছু না। আমার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে। অবাক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকতে। মনে হচ্ছে আমাকে তুমি চেনোই না (রোগকরে) ধুত ভাললাগেনা।
    পুরুষ : আহা রাগ করছো কেন ? এখানে তুমি ছাড়া কে আছে। প্রকৃতির এই রূপরস গন্ধ আমাকে বিমোহিত করে ঠিক যেন তোমার মতো। প্রকৃতি ও নারী যেন এক সুতোয় বাঁধা।
    নারী :সে কেমন?
    পুরুষ :স্বাধীনতা তোমার ঐ কপালের লাল টিপ স্বাধীনতা আমার, মায়ের হাতের সন্ধ্যা প্রদীপ, নারী হয় কখনও মাতা, কখনও ভগ্নি, প্রেম ময়ী স্ত্রী কখনও প্রেমিকা, নারী যেন ষড় ঋতুর বাংলাদেশ। পুরুষের পাশে থেকে প্রেরণা দিয়ে যাচ্ছে। সেই আদি থেকে চলবে অনন্ত কাল। নারী বাংলার রূপ এবং অলংকার।

    নারী : এই হলো কবিদের এক দোষ বের হয়েছি তোমার সাথে একাই ঘুরবো, তা না কবিতার অলঙ্কারে সাজিয়ে দিচ্ছো! আমি তোমার স্বাধীনাতা! এর পরে বলবে তুমি আমার বাংলাদেশ তুমি আমার কবিতা।

    পুরুষ : হাঃ হাঃ (হাসি) এহতো বুঝে ফেলেছো।, তুমি আমি এই মুক্ত আকাশের নিচে বসে আছি! এটা সম্ভব হতো না; কারণ ১৯৭১ সালে ২৬ শেষ মার্চ যদি পরাধীনতার শৃংখল থেকে বেরিয়ে আসার জন্য শুরু না হতো আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ নয় মাস মুক্তির সংগ্রামে বিজয়ের যুদ্ধেই আজকের এই মুক্ত বাংলাদেশ।

    নারী : পরাধীন থাকলে আমরা ঘুরতে পারতাম না ! দেখতে পেতাম না নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। ডানা মেলে পাখিদের উড়ে যাওয়া, বাঁধাহীন স্রোতে নদীর কলতান।

    পুরুষ : আমাদের আজকের বাংলাদেশ। তখন ছিল সাত কোটি মানুষের, নির্যাতন নিষ্পেষণ আর পরাধীনতার এক অধ্যায়। এখন আমাদের দেশ স্বর্গ সুখের দেশ আমার সোনার বাংলাদেশ।

    গান ০১ ।। আধুনিক।। নারী +পুরুষ ।। দলীয়

    যে দেশেতে পল্লী কবির নকশী কাঁথার মাঠ,
    আঁকাবাঁকা পথের ধারে হিজল তলির হাট,
    যেন স্বর্গ সুখের দেশ আমার সোনার বাংলাদেশ।।

    কাজল কালো দিঘির জলে শাপলা-শালুক দোলে, সেই দেশের টানে উদাস বাউল আপন পথটা ভোলে। যেন রূপকথারই দেশ আমার প্রাণের বাংলাদেশ।।

    যে মাটিতে ঘুমিয়ে আছে লক্ষ মুক্তি সেনা,
    সেই দেশের মাটি আমার রক্ত দিয়ে কেনা ।
    এ যে বীর শহীদের দেশ আমার স্বাধীন বাংলাদেশ।।

    আকুল করা সাগর নদী সবুজ শ্যামল ভূমি,
    গাছের ডালে পাখির কুজন স্বর্গ গেছে চুমি।
    যেন স্বপ্ন সুখের দেশ আমার রুপসী বাংলাদেশ।।
    ০২/০৪/২০৯ বুধবার

    গ্রন্থনা: পুরুষ:

    পুরুষ : পারাধীন দেশে, পরাধীন সমাজে ব্যক্তি কখনোই মানুষে পরিণত হয়না। মানুষকে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হয়। সেই ব্যক্তি স্বাধীনতার হন্য বাঙালী সংগ্রামে নেমেছিল ৯৭১ ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে

    নারী : প্রসিদ্ধ দার্শনিক ফ্রেডারিক হেগেল বলেছেন” বিশ্ব ইতিহাস হলো স্বাধীনতার চৈতন্য উন্মোচনেরই ইতিহাস। জীবনের রঙিন ইচ্ছাগুলো সবাই সাজাতে চায়। কৃষক কৃষক তাতী জেলে মজুর সবাই আঁকে ছবি, মাঠের রাখাল ঘাটের মাঝি উদাস বাউল কবি।

    *গান: ২” পল্লীগীতি ৷৷ পুরুষ, নারী

    পুরুষ : কৃষক তাঁতী জেলে মজুর
    সবাই আঁকে ছবি,
    নারী:মাঠের রাখাল ঘাটের মাঝি
    উদাস বডিল কবি।।

    *পুরুষ:কিসের ধ্যানে কিসের জ্ঞানে
    কিসের সুখে ভাসে,
    নারী:কিসের আশা ভালোবাসা
    প্রতিটি নিঃশ্বাসে।
    পুরুষ,নারী:স্বাধীনতার সুখ খোঁজে তাই
    আকাশ বাতাস রবি,
    মাঠের রাখাল ঘাটের মাঝি
    উদাস বডিল কবি।।

    *পুরুষ: কিসের দ্রোহে কিসের মোহে
    বাঁধে সবাই বাসা,
    নারী : কিসের সুখে জাগায় বুকে
    একই স্রোতে ভাসা।
    নারী,পুরুষ: স্বাধীনতার মর্ম জ্ঞানে
    আপন সবাই হোবি,
    মাঠের রাখাল ঘাটের মাঝি
    উদাস বডিল কবি।।

    গ্রন্থনা: নারী।।

    নারী : ইতিহাসে আমাদের এই বাংলাদেশ বিভিন্ন সময়ে নানা রাজ্য সত্তা বা রাজত্বের উল্লেখ দেখতে পাই। পাল,সেন সুলতানি, এবং মোঘল, আমলের শেষ ভাগে স্বাধীন সুবেদার মুর্শিদ কুলি খা, আলিবর্দী সিরাজউদ্দৌলা প্রমুখ। প্রকৃত পক্ষে এসব তথা কথিত রাজা বা নবাব গন স্বাধীন হলেও প্রজা বা ব্যক্তি গন ছিল পরাধীন।

    পুরুষ : যাক তোমার আমার ইতিহাস তো কম নয়! যখন ইতিহাসের ঝাঁপি খুলেই দিলে তখন বলো—।

    নারী : ঠাট্টা রাখো, ইতিহাস হচ্ছে বর্তমানের পাথেও,

    পুরুষ: কয়েক হাজার বছরের শোষিত বাংলা ৩০ লক্ষ মানুষের আত্মাহুতি দিয়েই, পশ্চিম পাকিস্তানের ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে এনে দিল বাঙালির প্রথম স্বাধীন রাষ্ট্র। জনগনের রাষ্ট্র। প্রজাদের রাষ্ট্র, বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র।

    নারী : ঠিক বলেছো!
    পুরুষ : আমি এখনও দখল পেলাম না! কাজে হলনা প্রেমের মন্ত্রের! শূন্য আমার হৃদয় যন্ত্র!

    গ্রন্থনাঃ পুরুষ ।। (আবৃত্তি

    সতেরেশো সাতান্ন থেকে উনিশ শত একাত্তর,
    পরাজয়ের গ্লানি মুছে এলো নতুন একটি ভোর,
    এরনাম স্বাধীনতা, রক্তস্নাত ইতিহাসের পাতা।

    ফকির মজনু শাহ তিতুমিরের বাঁশের কেল্লা,
    বাঘা যতিন, খুদিরাম, হাজি শরীয়তুল্লা,
    মুক্তিসংগ্রামে বেদনা গাঁথা,
    রক্তস্নাত ইতিহাসের পাতা।

    সিপাহী বিদ্রোহ বঙ্গভঙ্গ তেভাগা আন্দোলন,
    নীলচাষে বাধ্য করে অতিষ্ঠ চাষির জীবন,
    ইংরেজ বিদায় নিল নত করে মাথা,
    রক্তস্নাত ইতিহাসের পাতা।

    সৃষ্টি হলো দুটি দেশ ভারত পাকিস্তান,
    বাংলা আবার শৃঙ্খলিত সবুজ ভূমি হলো শ্মশান!
    পঁচিশ বছর ঘুরালো নিষ্পেষণের যাতা,
    রক্তস্নাত ইতিহাসের পাতা।
    “””””””””””

    গ্রন্থনা: নারী।।

    নারী : দ্বিজাতিতত্ত্বের ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ, লাহোর প্রস্তাবের বিকৃতি করে বাঙালি জাতিকে প্রতারণার করে। সৃষ্টি হয় পাকিস্তান নামের একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। পাকিস্তানী শাসকেরা শুরু করে দমন নির্যাতন, পরিনত হয় স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে। আঘাত আনে ভাষার উপর। বঞ্চিত বাঙ্গালী নির্বাচিত হয়েও পায়নি দেশ পরিচালনারভার। ফুসে উঠে বাঙালি। ১৯৯৭১ সালে ২৫ মার্চ রাতে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের চুড়ান্ত বহি প্রকাশ ঘটায়। অপারেশন সার্চলাইট নামে নির্বিচারে হত্যা করতে থাকে নিরীহ মানুষদের। ঘুরে দাঁড়াই মুক্তি পাগল মানুষেরা শুরু হয় আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

    পুরুষ : মুক্তি পাগল দামাল ছেলেরা ঘর ছেড়েমুক্তি যুদ্ধে অংশ নেয়। কেউ যায় বিছানায় পাশ বালিশ শুইয়ে রেখে। কেউ যায় রাতের অন্ধকারে পালিয়ে। অনেক ছেলে মায়ের কাছ থেকে নেয় শেষ বিদায়। মাগো তুমি দাওনা বিদায় রেখোনা গো দাবি।

    *গানঃ ৩ “পুরুষ ।। একক ॥

    মাগো তুমি দাওনা বিদায় রেখনা গো দাবি,
    বিজয় মালা গলায় পরে আনবো সুখের চাবি,
    যুদ্ধে মাগো যাচ্ছি আমি স্বাধীনতার জন্য।।

    পাখির মতো মারছে মানুষ বল কিসের দোষে,
    দামাল ছেলে হয়ে মাগো থাকবো কেন বসে।
    পশুর চেয়ে অধম তারা তাই হয়েছে বন্য,
    যুদ্ধে মাগো যাচ্ছি আমি স্বাধীনতার জন্য।।

    স্বাধীনতার সূর্য মাগো দেখবে প্রতিদিন,
    জীবন বাজি করে মাগো শোধ করবো ঋন
    এর আশাই অস্ত্র হাতে জীবন হবে ধন্য,
    যুদ্ধে মাগো যাচ্ছি আমি স্বাধীনতার জন্য।।

    গ্রন্থনা: পুরুষ+নারী

    পুরুষ : প্রকৃতির আশীর্বাদ, কবির স্বপ্ন, নদীনালা শোভিত এই শ্যামল ভূখন্ড ও তার গতি কোটি বাঙালিকে আধুনিক মারণাস্ত্রের সাহায্যে একদল নরপিশাচ ঝলসে দিয়েছিল।

    নারী : নাপাম বোমার আগুনে থেমে গিয়ে ছিল সভ্যতার চাকা, সংস্কৃতি। গাঁয়ের সবুজ মাটি রক্তে রাঙা হলো, মসজিদ, মন্দির, হাসপাতাল চার্চের পত্রিতা টুকু রক্ষা পায়নি, রাক্ষসদের নখ এবং দাঁতের কামড় থেকে!

    পুরুষ : সারা দেশে পচা গলা শবদেহ শকুনির খাদ্য হচ্ছিল। কে মরেনি? নরনারী, শিশু বৃদ্ধি, শ্রমিক কৃষক,, কে মরেনি? বুদ্ধিজীবী চাকুরে ব্যবসায়ী, কে মরেনি ?শিল্পী, সহিত্যিক, সাংবাদিক, অধ্যাপক।

    নারী : দানবেরা মায়ের দুইস্তন কর্তনকরে রক্তের উচ্ছ্বাসিত ফোয়ারার মধ্যে অবোধ শিশুর মুখ চেপে ধরেছিল।

    পুরুষ : আড়াই বছরের বাচ্চাকে কামানের সামনে দাঁড় করিয়ে গোলা ছুড়েছিল।

    নারী : ইজ্জত লুটের পর মা বোনদের শরীর সংগীন দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করেছে।

    পুরুষ : পাকিস্তান টিকিয়ে রাখতে এদেশের কিছু কুচক্রি মহল রাজাকার, আলবদর, শান্তি কমিটি গঠন করে। পাকিস্তানীদের সাহায্য করে ছড়িয়ে পড়ে শহর থেকে গ্রামে।

    নারী :নিজের জীবন স্ত্রীর জীবন বিপন্ন জেনেও ঐসমস্থ রাজাকার এবং পাকিস্তানী বাহিনীর মোকাবেলা করতে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে আপামোর জনতা। অশ্রুসজল চোখে স্ত্রীর কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে স্বামী। শঙ্খিত স্ত্রী, যুদ্ধে যাচ্ছো প্রিয়তমা একলা থাকবো আমি। কবে তুমি আসরে ফিরে ও গো প্রাণের স্বামী

    গানঃ ৪ ।। আধুনিক ।। নারী, পুরুষ

    নারী : যুদ্ধে যাচ্ছো প্রিয়তম
    একলা থাকবো আমি,
    করে তুমি আসবে ফিরে
    ও গো প্রাণের স্বামী।
    পুরুষ : স্বাধীনতার রাঙা রবি
    দেখ অস্তগামী
    নারী+ পুরুষ : তোমার আমার প্রাণের চেয়ে
    স্বাধীনতা দামী।।

    নারী : থাকবো একা কেমন করে
    যুদ্ধের ডামাডোলে,
    পুরুষ : বিরহের এই ব্যথা সয়ে
    যাচ্ছি যুদ্ধে চলে।
    নারী : থাকলে বেঁচে দেখা হবে
    পথ ও চেয়ে আমি,
    নারী+ পুরুষ : তোমার আমার প্রাণের চেয়ে
    স্বাধীনতা দামী।।

    পুরুষ : কষ্ট হবে জানি তোমার
    ওগো প্রানের প্রিয়,
    নারী : নতুন প্রভাত আলোর মাঝে
    আমার খবর নিও।
    পুরুষ : শহীদ হলে গর্ব করো
    এটাই যে সম্মানী,
    নারী+ পুরুষ : তোমার আমার প্রাণের চেয়ে
    স্বাধীনতা দামী।।

    গ্রন্থনাঃ নারী

    নারী : ইতিহাসের পাতায় লাল সবুজ পতাকায়
    সোনা রোদের মাখামাখি। দক্ষিণা বাতাসের দোলা। এসব রঙিন স্বপ্ন বুকের মধ্যে জাগাতে নিজেদের রঙিন ইচ্ছাগুলো জলাঞ্জলি দিয়ে ছিল স্বাধীনতার জন্য।

    পুরুষ : মানব প্রেমের চেয়ে, দেশ প্রেম বড় হয়ে ছিল। তাই মনে হয়েছিল স্বাধীনতা যদি নাইবা থাকে কী হবে অলোবাসা।

    গানঃ ৫ ।। অধুনিক ।। নারী, পুরুষ

    নারী : স্বাধীনতা যদি নাই বা থাকে
    কী হবে ভালোবাসা ,
    হবেনা তো মধুর মিলন
    ভঙ্গ হবে আশা।

    পুরুষ : ভালোবাসার কসম খেয়ে
    যাচ্ছি যুদ্ধে চলে,
    দেখা হবে বন্ধু আবার
    দেশটা স্বাধীন হলে ।।

    নারী : শকুনের চোখ মা বোনের
    দিকে হচ্ছে তারা বলি,
    পুরুষ : নিষ্ঠুরতা মাত্রা ছেড়ে
    খেলছে রক্ত হোলি।
    পুরুষ : শত্রুরা ঠিক জবাব পারে
    যাচ্ছি বন্ধু বলে,
    দেখা হবে বন্ধু আবার
    দেশটা স্বাধীন হলে ।।

    নারী : ফুলের গন্ধ পাখির কুজন
    নিল যারা কেড়ে,
    পুরুষ : পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে
    যাবে দেশটা ছেড়ে।
    স্বাধীন হবে বাংলাদেশ
    উঠছি যখন জ্বলে,
    দেখা হবে বন্ধু আবার
    দেশটা স্বাধীন হলে ।।

    গ্রন্থনাঃ পুরুষ

    পুরুষ‌ : মায়ের অশ্রু স্ত্রীর ভালোবাসা, প্রিয়ার প্রেমকে বিসর্জন দিয়ে আমাদের এই স্বাধীনতা! তাদের আত্মত্যাগ প্রানের বিনিময়ে এই যে তুমি আমি হাত ধরে চলতে পারছি। তোমার ভালোবাসায় পৌঁছে যাব সেই———!

    নারী : কোথায় ?

    পুরুষ : অনুভবে বুঝে নাও!

    নারী : শুধু মিষ্টি কথায় আমি ভুলবো না। হাহা (হাসি)

    পুরুষ : দীর্ঘ নয় মাস সংগ্রামী যুদ্ধে পরাস্ত হয় পাকিস্তানীরা! ৯৩ হাজার সেনা সদস্য আত্মসমর্পন করে।এই পরিত্র মাটির দিকে মাথা নত করে! পাকিস্তানের নিয়াজি আত্মসমর্পন দলিলে স্বাক্ষর করেছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় সূচিত হয়।

    নারী : তোমার আমার চূড়ান্ত বিজয় করে হবে?

    পুরুষ : তুমি রাজি থাকলে আজই!

    নারী : হাঃ হাঃ হাঃ(দুজনে হাসি) তাহলে তো কাজী অফিসে যেতে হবে!

    পুরুষ : তোমার আমার হাতের মতো মুক্তিযুদ্ধের এই প্রেরণা কে আরও শক্তিশালী করার দায়িত্ব নিতে হবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে জাগাতে হবে দেশপ্রেম! দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাতে হবে।

    নারী : সফলতা হাতের মুঠোই উচ্ছ্বাস মনে জাগে অনুভবে প্রত্যয়নিয়ে প্রাণে দোলা লাগে।

    গানঃ ০৬ ।।আধুনিক ।। দলিয়।।

    সফলতা হাতের মুঠোই উচ্ছ্বাস মনে জাগে
    অনুভবের প্রত্যয় নিয়ে প্রাণে দোলা লাগে,
    জয় আমাদের প্রতিদিন যুদ্ধ প্রতিক্ষণে
    দেশ গড়ার অঙ্গীকারে আছি রণাঙ্গনে ।।

    স্বপ্ন আছে চোখের পাতায় বুকে নতুন আশা
    আলোর পথে নতুন সূর্য্য ছড়ায় ভালোবাসা।
    এগিয়ে যাওয়ার সময় এখন সাহস আছে মনে,
    দেশ গড়ার অঙ্গীকারে আছি রণাঙ্গনে।

    দীপ্ত শপথ নিয়ে সবাই দেশটাকে আজ গড়ি
    বিজয় মালা গলায় পরে ভাসাই সুখেরতরী।
    সোনার বাংলা ঠাঁই পেয়েছে বিশ্বের অঙ্গনে,
    দেশগড়ার অঙ্গীকারে আছি রণাঙ্গনে ।।
    ।।সমাপ্ত।।

    2
    2 Comments
    • আপনি অত্যন্ত নিপুণভাবে নারী ও পুরুষ চরিত্রের কথোপকথনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের কয়েক হাজার বছরের ইতিহাস এবং একাত্তরের সেই উত্তাল দিনগুলোকে জীবন্ত করে তুলেছেন।

    • দারুন।

Abul Hasan Tuhen

Friends

Skip to toolbar