-
জুলাইয়ের শিখা
তারা দেখেছিল এক নতুন আগুন,
জ্বলছিল ঢাকার বুকে, অশ্রুসিক্ত রাস্তায়।
পুরনো শহরের পথে প্রতিটি পদধ্বনি ছিল বিদ্রোহের তালি,
হাতে ক্রোধের শিখা, চোখে অগ্নিগর্ভ প্রতিজ্ঞা।
রাজপথ হয়ে উঠেছিল নীরব বিস্ফোরণের সাক্ষী,
মুঠোফোনের আলোই যেন ভেঙে দিচ্ছিল অন্ধকারের দোলনা।
শৃঙ্খল ভাঙার আকুতি,
পুরনো ক্ষমতার দেয়াল গুঁড়িয়ে দেওয়ার অম্লান চাহিদা।
বুকে জমে থাকা বঞ্চনার পাহাড়,
ধুলোয় মিলিত শত বছরের দাসত্ব।
কিন্তু তারা নেতার আশায় বসে থাকেনি,
নিজ হাতে রচনা করেছে নতুন ইতিহাস।
জুলাইয়ের আকাশ দেখেছিল বিদ্রোহের ছবি,
তারুণ্যের শক্তি ছিল অদম্য, অপরাজেয়।
চোখে তাদের জ্বলজ্বলে নতুন ভোরের স্বপ্ন,
মাটির প্রতিটি কণায় ছড়িয়ে দেবে স্বাধীনতার গান।
এই অগ্নিশিখা শুধু জুলাইয়ের নয়,
এটি আগামীরও,
অপরাজেয়, অম্লান, অবিস্মরণীয়।2 Comments-
কবিতাটি চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের সেই উত্তাল সময় এবং তারুণ্যের অজেয় শক্তিকে অত্যন্ত ওজস্বী ভাষায় ধারণ করেছে। “নেতার আশায় বসে না থেকে” নিজে ইতিহাস রচনার যে অদম্য স্পৃহা আপনি দেখিয়েছেন, তা যেকোনো শোষণের বিরুদ্ধে এক শাশ্বত হুঙ্কার। ভোরের স্বপ্ন আর আগামীর অঙ্গীকারে দীপ্ত এই পঙ্ক্তিমালা জুলাইয়ের সেই রক্তঝরা দিনগুলোকে এক অবিনাশী মহিমায় ভাস্বর করে তুলেছে।
Friends
Mr Rimon
@mrrimon
Anoy Howlader
@anoyhowlader
MD SANAULLAH
@mdsanaullah
সাদিকুল ইসলাম
@sadikulislam120
আশিক বিল্লাহ
@mdashikbillah
Ziaul Islam Tipu
@tipu007
মো আব্দুস সিয়াম
@siamabdus013gmail-com
Drako Shajib
@drako
Neel tripura
@neel


“তারা নেতার আশায় বসে থাকেনি / নিজ হাতে রচনা করেছে নতুন ইতিহাস।” এটিই ছিল এই আন্দোলনের মূল শক্তি।