-
ব্যাধি
ইদানীং নিজেকে খুব প্রেমিক মনে হয়।
মনে হয় নতুন করে প্রেমে পড়ছি।যদিও আমি বরাবরই প্রেমে পড়তে ভয় পাই।
আমার ধারোনা
প্রেম একটা ভীষন মানসিক ব্যাধি।অহর্নিশ ভেতরটা পোড়ায়।
পুড়ে পুড়ে খাঁক করে দেয়
একটা গোটা জীবন।আপনারা আমার চোখ দেখুন।
দেখবেন ওখানে একটা সুন্দর মুখ
দিব্যি হাসি মুখে আলো ছড়াচ্ছে।আপনারা আমার নাড়ি টিপুন।
বুঝবেন ওখানে তুমুল গতিতে বইছে
কেবল তাকেই আকড়ে থাকা অনুভুতি।আপনারা আমার হৃদস্পন্দন মাপুন
টের পাবেন প্রতিটি বীটে একটাই নাম
সশব্দে আছড়ে পড়ছে আপনার কানে।আপনারা আমার শিরা-উপশিরায়
ইচ্ছেমত সুঁই ফুঁটিয়ে দিন।
অবাক হয়ে আবিস্কার করুন
আমার রক্তের প্রতিটি কনায়
জুড়ে আছে কেবল তারই স্পন্দন।পুরোটা শরীর তুলে দিলাম আপনাদের।
মাইক্রোস্কোপের লেন্সে ইচ্ছেমত দেখে নিন।
একটাই জীবানু খোঁজে পাবেন তাতে।আমার সারাটা জীবন জুড়ে
বেঁচে থাকার প্রতিটি মুহুর্তে
একটা ভীষণ রকম অসুখ হয়ে
অমোঘ নিয়তির মতই
সে’ই জড়িয়ে আছে আমায়।অথচ এই নামে –
কোন জীবানু আছে
কোন রোগ আছে
কোন ব্যাধি আছে
কোন অসুখ আছে
আমি আজ অবধি জানিনি
কোনদিন শুনিওনি।2 Comments
আমি মানুষের ভীড়ে মানুষ খোঁজে ফিরি

বিষণ্ন সুমন
ডিজাইনার
স্কুল বয়েস থেকেই লিখালিখা করি। যদিও পড়ি তার আগে থেকেই। আমি বিশ্বাস করি, ভালো লিখতে হলে আগে ভালো পড়তে জানতে হবে। তাই এখন পর্যন্ত নিজেকে লেখক না ভেবে ভালো পাঠক হিসেবেই পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। প্রথম প্রকাশিত বই সেই ১৯৯৬ সালের গ্রন্থমেলায় “কে বলে তুমি নেই” রোমান্টিক উপন্যাস এবং সম্পূর্ণ মৌলিক ওয়েস্টার্ণ “লোন রাইডার”। পরবর্তীতে ২০১২ সালের বই মেলায় অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত গল্প সংকলন। মাঝে banglanews24.com এর সাহিত্যপাতায় নিয়োমিত লিখেছি। আসলে আমি লেখায় কখনোই অনর্গল নই। মাঝেমাঝেই বন্ধাত্ব্য এসে আমায় থামিয়ে রাখে। একটা শব্দও লিখতে পারিনা। তখন আমার পুরনো লিখাগুলো নিজেই পাঠক হয়ে পড়ি আর ভাবি, এ গুলো কি সত্যিই আমি লিখেছিলাম(?)। এই ৫৪ বছর বয়সে এসেও এই একটাই প্রশ্ন নিজেকে করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।
Friends
কাশফিয়া নাহিয়ান
@kashfianahian
জিসান মাহমুদুল হাসান
@mxesun
Md fujal Hossen
@mdfujalhossen
shewly khatun
@shewlykhatun
আরাফাত আল মেহেদী
@arafat76
Hossain Muhammad Anwar
@hossainmuhammadanwar
Suranjit Master
@suranjitmaster
Surjotoron সূর্যতোরণ দূরশিক্ষণ
@surjotoron
Salman Shraban
@salmanshraban



প্রতিটি হৃদস্পন্দনের বীটে একটি নাম আছড়ে পড়ার দৃশ্যটি ভীষণ মায়াময় আর জীবন্ত লাগলো।