Profile Photo

AlockOffline

  • alock
  • Profile picture of Alock

    Alock

    3 days, 20 hours ago

    ( ১৮+ ) “শৈলীর প্রেমের আত্মকাহিনী”

    ✍️ পর্ব তেরো: ( নীরার কামনা ও অনভিজ্ঞ রবিনের একচ্ছত্র শৈলী-প্রেম )

    নীরা এবং শৈলীদের এস.এস.সি পরীক্ষা শেষ হওয়ার সপ্তাহখানেক পরের কথা। নীরার এক চাচার বিয়ে ঠিক হলো, আর পাত্রী ছিলেন রবিনের চেনা এবং একই ব্যাচের সহপাঠী শিখা। চেনা গণ্ডির মধ্যে এমন একটি আনন্দের উপলক্ষ আসায় চারপাশের পরিবেশটা বেশ উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিল। নিজেদের মধ্যে এই আনন্দকে আরও একটু বাড়িয়ে নিতে বিয়েবাড়ির উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েরা সবাই মিলে এক অভিনব সিদ্ধান্ত নিল। বড়দের বুঝিয়ে-শুনিয়ে কিছু টাকা জোগাড় করে তারা বৌভাতের রাতে ভিডিও ক্যাসেট প্লেয়ার (ভিসিপি) ভাড়া এনে সিনেমা দেখার ব্যবস্থা করল।

    নব্বইয়ের দশকের সেই সময়ে ভিডিও দেখা মানেই ছিল এক বিশাল আয়োজন। সে রাতের অনুষ্ঠানে শৈলী ও তার বান্ধবী ফিয়ানাকে নিমন্ত্রণ জানানোর কথা রবিন তুললে, নীরা বেশ কৌশলে তা এড়িয়ে গেল। সে মুখে নানান সামাজিক ঝামেলার অজুহাত দিলেও, রবিনের সরল মন বিন্দুমাত্র টের পায়নি যে এর পেছনে লুকিয়ে ছিল নীরার এক সুগভীর ও গোপন নীল নকশা। শৈলীকে এই আয়োজন থেকে দূরে রাখাটা ছিল মূলত নীরার আগে থেকে সাজানো প্ল্যানের প্রথম ধাপ—যাতে রবিনের ওপর নিজের কামনার জাল বিছাতে কোনো সামাজিক বা মানসিক বাধা না থাকে। রবিন কোনোদিন নীরাকে তার বন্ধুর বোন এবং শৈলীর চিঠির বাহক ছাড়া অন্য কোনো চোখে দেখেনি; এমনকি কোনোদিন তাকে নিয়ে মনে কোনো মলিন চিন্তাও আসেনি। তাই নীরার মনের এই অন্ধকার ও কামার্ত কোণের হদিস পাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব ছিল।

    যথাযথ সময়ে সন্ধ্যার দিকেই ভিডিওর সব সরঞ্জাম নিয়ে আসা হলো। পুরো আয়োজনের দায়িত্ব ছিল রবিনের ওপর। রাতের খাবার শেষ হতেই শুরু হলো বহুল প্রতীক্ষিত ‘ভিডিও শো’। সবাই যার যার মতো গুছিয়ে আসনে বসল। এই পুরো অনুষ্ঠানের মেয়েদের দলের নেত্রী ছিল নীরা। তাই বসার আসন বিন্যাসটা সে নিজের সুচারু পরিকল্পনা অনুযায়ী মনের মতো করেই সাজিয়েছিল, যেন রবিনকে একদম নিজের শারীরিক নাগালের মধ্যে পাওয়া যায়। নীরা গিয়ে বসল সবার পেছনের সারির এমন এক বেঞ্চে, যার ঠিক পাশেই বসা ছিল রবিন।

    পর্দায় তখন চলছিল ‘হৃদয় আমার’ ছবি। সিনেমা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই নীরার অবদমিত কামনার বহিঃপ্রকাশ ঘটতে লাগল। নীরা অন্ধকারের সুযোগে নিজের পা দিয়ে রবিনের পায়ে হালকা খোঁচা মেরে ফিসফিসিয়ে বলতে লাগল, “দেখ দেখ রবিন, পর্দায় ওদের দেখলেই কেন জানি তোর আর শৈলীর কথা মনে পড়ে রে… আর দেখ, হিরোর শার্টের সাথে তোর শার্টের কেমন মিল, তাই না?”
    শুরুতে রবিন বিষয়টিকে সাধারণ রসিকতা বা বান্ধবীর খুনসুটি ভেবেই উড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সিনেমা যত এগোতে লাগল, নীরার আচরণে কামোদ্দীপনা ততই লাগামহীন ও উগ্র হয়ে উঠল। হেতুক বা অহেতুক, সে বারবার নিজের পা দিয়ে রবিনের পায়ে আলতো আঘাত করতে লাগল। একপর্যায়ে সে তার পা রবিনের পায়ের ওপর বেশ কিছুটা সময় চেপে ধরে রাখাল। রূপালি পর্দার কাহিনীর নানান দিক নিয়ে কথা বলতে বলতে নীরা একসময় নিজের অবাধ্য পা দিয়ে রবিনের পায়ের ওপর অনবরত ঘষতে শুরু করল। নীরা তখন রবিনকে এক তীব্র আদিম আকর্ষণে উত্তেজিত করার আদিখ্যেতায় ব্যাকুল। তার প্রতিটা ছোঁয়া যেন এক তীব্র শারীরিক ক্ষুধা ও লালসার জানান দিচ্ছিল।

    রবিন এক তীব্র অস্বস্তি বোধ করলেও সমস্ত কিছু মুখ বুজে সহ্য করতে বাধ্য হচ্ছিল। কারণ, সে তখন নীরার কাছে এক প্রকার জিম্মি! এই নীরাই ছিল তার আর শৈলীর একমাত্র ভালোবাসার দূত, তাদের সমস্ত গোপন চিঠির বাহক। সে রবিনের প্রেমের সব হাঁড়ির খবর জানত। রবিন মনে মনে শুধু শৈলীর পবিত্র মুখের ছবিটা স্মরণ করছিল—এই তীব্র কামুক ও উত্তপ্ত পরিবেশেও তার মন জুড়ে ছিল কেবলই শৈলীর একচ্ছত্র রাজত্ব, যেখানে অন্য কোনো নারীর প্রবেশাধিকার নেই।
    এভাবে প্রায় ঘণ্টাখানেক কাটার পর, হুট করেই নীরা রবিনকে বলল, “আমার ভালো লাগছে না রে, আমি রুমে চলে যাব। আমাকে একটু রুমে দিয়ে আসবি?” রবিন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “আচ্ছা চল, রেখে আসি।” রবিন জানত না, এই নিভৃত রুমে যাওয়াটাও ছিল নীরার সেই পূর্বপরিকল্পিত ছকেরই মূল অংশ।

    ঘর থেকে বের হতেই নীরা অন্ধকারের অজুহাতে রবিনের বাহুতে শক্ত করে নিজের স্তনের খুব কাছাকাছি চেপে ধরল, বলল, “রাতের অন্ধকারে আমার বড্ড ভয় লাগে রে।” হাঁটতে হাঁটতে নীরা হঠাৎ কামাতুর ও অবদমিত এক স্বরে জিজ্ঞেস করে বসল, “আচ্ছা রবিন, এতক্ষণ যে তোর পায়ের ওপর আমি অমন করছিলাম… তুই কি কিছু বুঝতে পারছিলিস?”
    রবিন পরিস্থিতি হালকা করতে কিছুটা বোকার মতোই উত্তর দিল, “কই, না তো! এখন শুধু বুঝতে পারছি পায়ের উপরিভাগের চামড়াটা ছিলে গিয়ে কেমন যেন জ্বলছে!”
    নীরার কণ্ঠে তখন এক বুক অভিমান আর তীব্র কামজ আকুতি মিশে গেল। সে ফিসফিসিয়ে বলল, “উহ্, তুই একটা আস্ত গাধা! আজ যদি শৈলী এভাবে ঘষত, ঠিকই বুঝতি, তাই না?”
    রবিন কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বলল, “শোন নীরা, আমি তো তোর চেয়ে বয়সে এক বছরের ছোট। তাই হয়তো এসব জটিল ব্যাপার বুঝতে আমার একটু সময় লাগে। তুই একটু বুঝিয়ে বল তো, কী বলতে চাস?”

    নীরা শুধু বলল, “আগে রুমে চল, তারপর বলছি।”
    চলতে চলতে নীরা রবিনের হাতটা এমনভাবে নিজের শরীরের সাথে জড়িয়ে ধরল, যেন তাদের মাঝখানে সে আর বিন্দুমাত্র দূরত্ব রাখতে চাচ্ছিল না। স্লিম গড়নের লম্বা কেশী, কিছুটা লম্বাটে নীরা ছিল মফস্বলের অন্যতম সুন্দরী এক মেয়ে। তার গায়ের রঙ ছিল ফর্সা, আর বড় বড় চোখ দুটিতে ছিল এক মায়াবী, গভীর চাহনি—যা আজ রাতে পুরোপুরি কামনার তীব্র রঙে রাঙানো এক অগ্নিচুলা। যেখানে পুড়ে ভস্মীভূত হতে খুব বেশি সময় লাগবে না খুব শক্ত মনের পুং জাতকে।

    কক্ষে প্রবেশ করার সাথে সাথেই রবিন এক তীব্র, ঝাঁঝালো ও ঘর্মাক্ত শরীরের ঘ্রাণ পেল। সে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “কিরে নীরা, তোর শরীর কি বেশী ঘামছে মনে হচ্ছে?” নীরা জবাব দিল, “হ্যাঁ ঘামছে, তবে আমার শরীরের বাইরে নয়, ভেতরে ঘামছে বেশি। আমার শরীরটা বেশী ভাল লাগছে না।“

    (ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষে পড়ার সময় রবিন ‘যৌবনের ঢেউ’ নামের একটি নিষিদ্ধ বই পড়েছিল।)
    সেই বইয়ের পাতা থেকে পাওয়া তাত্ত্বিক জ্ঞান দিয়ে আজ তার বুঝতে বাকি রইল না যে, এই ঘ্রাণ আসলে এক অবদমিত তীব্র শারীরিক लालসা আর কামাসক্তিরই অনিয়ন্ত্রিত বহিঃপ্রকাশ। নীরার এই উন্মত্ত ও উগ্র রূপ রবিনকে স্তম্ভিত করে দিল, কারণ সে কোনোদিন নীরাকে এমন কামুক দৃষ্টিতে দেখার কথা ভাবতেও পারেনি।

    রবিন নীরাকে একটি চেয়ারে বসতে বলল, কিন্তু নীরা বসতে চাইল না। সে কামনায় অন্ধ ও জড়িয়ে যাওয়া গলায় বলল, “আমাকে পাশের রুমের বিছানায় পর্যন্ত দিয়ে আয়।”
    মাঝখানের রুমে নীরাকে নিয়ে বিছানার দিকে যেতেই, নীরা আচমকা রবিনের গলা জড়িয়ে ধরে তাকেসহ বিছানায় আছড়ে পড়ল। রবিন এমন আকস্মিক ও চরম মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে গেল। ( রবিনের জীবনে প্রথম এমন মুহুর্তের স্বাক্ষী হতে যাচ্ছে ) নীরার পুরো শরীর তখন রবিনকে গ্রাস করার জন্য উন্মুখ, তার নিঃশ্বাসে আগুনের উত্তাপ।

    রবিন নিজেকে রীতিমতো জবরদস্তি করে ছুটাতে গিয়ে আবিষ্কার করল, নীরার বক্ষবন্ধনীবিহীন উন্মুক্ত একটি স্তনাবৃন্তের অগ্রভাগ রবিনের এক হাতের মুঠোয় বন্দী। তপ্ত, নিরেট ও আদিম সেই ছোঁয়ায় রবিনের শিরায় উপশিরায় কামনার বিদ্যুৎ খেলে যাচ্ছে, শরীরের সমস্ত ইন্দ্রিয় যেন এক মুহূর্তের জন্য হলেও ফিনকি দিয়ে উঠছে — রবিনের অবস্থা প্রায় ত্রাহি মধুসূদন! নীরা তাকে আরও কাছে টানার জন্য পাগল হয়ে উঠেছিল, কামনার তীব্র অনলে দুজনকে পুড়িয়ে ছারখার করে দিতে চাচ্ছিল।

    কিন্তু রবিন নিজের ওপর থেকে মানসিক নিয়ন্ত্রণ হারাল না; চরম মুহূর্তেও তাদের দুজনের নিম্নবস্ত্রের বন্ধন রইল সম্পূর্ণ অক্ষত এবং চুম্বন স্পর্স ঘটে নাই এখনো। তার হৃদয়ের পুরোটা জুড়ে তখন শৈলীর অলিখিত চুক্তির সেই পবিত্র প্রেমের ছবি ভেসে উঠল । অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায়, এক অদ্ভুত মানসিক শক্তিতে সে নিজেকে সামলে নিল। এক ঝটকায় নিজের হস্তমুষ্টি খুলে নীরার স্তনাবৃন্তের অগ্রভাগ সম্পূর্ণ মুক্ত করে দিয়ে সে বিছানা থেকে সটকে উঠে দাঁড়াল।

    নীরার চোখ দিয়ে তখন কামনার বিফলতায় অগ্নিজল গড়িয়ে পড়ছে। সে বিছানা থেকে উঠে রবিনের বুকের খুব কাছে এসে আকুল ও উন্মত্ত হয়ে বলল, “শোন রবিন, আমি তোকে পাওয়ার জন্য এই পুরো নাটকটা সাজিয়েছি! আমি তোকে অনেক ভালোবাসি রে! হয়তো শৈলীর চেয়েও অনেক বেশি ভালোবাসি। তোদের ভালোবাসার গভীরতা মাপতে আমি তোর দেওয়া প্রতিটি চিঠি আগে নিজে মন দিয়ে পড়তাম, তারপর শৈলীর হাতে দিতাম। ইনিয়ে বিনিয়ে শৈলীকে লেখা তোর চিঠি পড়তে পড়তেই আমিও তোর প্রেমে পড়েছিলাম এবং তোকে পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয় আমার মনের গহীন থেকে আরও গহীনে। আমি তো নেংটাবেলা থেকেই তোর সাথে বড় হয়েছি… প্লিজ রবিন, তুই আমাকে শুধু আজকের এই একটি রাতের জন্য তোর নিজের করে নে। আমি আর কোনোদিন তোর কাছে কিচ্ছু দাবি করব না, কোনোদিন তোদের মাঝে এসে দাঁড়াব না, শৈলীর প্রেমেও ভাগ বসাব না… কথা দিলাম, প্লিজ আমার আজকের এই ক্ষুধাটা মিটিয়ে দে! প্লিজ…”

    নীরার এই তীব্র, কামুক আত্মসমর্পণ এবং সুপরিকল্পিত ছকের কথা জানতে পেরে রবিনের মন বিষিয়ে উঠলেও তার ভেতরে শৈলীর জন্য তুলে রাখা পবিত্র ভালোবাসার দেয়াল একটুও টলল না। কোনো প্রলোভন বা কামনার উত্তাপ তাকে এই পাপের সাগরে ডুবতে দিতে পারল না। রবিন আলতো করে নীরার বাঁধন থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করে এক কদম পিছিয়ে গেল। অত্যন্ত শান্ত কিন্তু দৃঢ় কণ্ঠে বলল, “মাফ করিস নীরা… তুই এত বড় ছক কষেছিস তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি। তোকে আমি কোনোদিন অন্য কোনো নজরে দেখিনি আর দেখবও না। আমি শৈলী ছাড়া এই পৃথিবীতে অন্য কোনো নারীকে ছোঁয়া তো দূর, ভাবতেও পারি না। আমার সব শুধু শৈলীর জন্য। আর তুই যদি পারিস, এই সত্যিটা শৈলীকেও জানিয়ে দিস।”

    এই একটি বাক্যে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে দিয়ে রবিন আর এক মুহূর্তও সেখানে দাঁড়াল না। সে সোজা ঘর থেকে বের হয়ে রাতের নিস্তব্ধ রাস্তা ধরে নিজের বাড়ির দিকে পা বাড়াল। বুক পকেটে তখনো তার শৈলীর দেওয়া অলিখিত চুক্তির সেই চিঠি আর رেইন্ট্রি ফুলের সুবাস জেগে ছিল, যা তাকে এক অদ্ভুত পবিত্রতায় ও একচ্ছত্র ভালোবাসার চাদরে আগলে রেখেছিল।

    ________________________________________
    সেই ঝোড়ো রাতের পর কেটে গেল দুটো দিন। ঘটনার আকস্মিকতা আর নিজের কৃতকর্মের লজ্জা নীরাকে ভেতরে ভেতরে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল। দুদিন পরে, নীরা নিজেই কাঁচুমাচু মুখে রবিনের সামনে এসে দাঁড়াল। তার চোখে তখন কামনার সেই উগ্রতা নেই, বরং সেখানে জমা হয়েছে অপরাধবোধ আর অনুশোচনার অশ্রু।

    রবিনকে একান্তে পেয়ে নীরা অত্যন্ত অনুতপ্ত গলায় ক্ষমা চেয়ে বলল, “আমায় ক্ষমা করে দিস রবিন। সেদিনের সেই আচরণ আমার একদম উচিত হয়নি। আসলে আমিই ভুল ছিলাম… তোদের দুজনের পবিত্র প্রেমের গভীরতা আমি মাপতে পারিনি। আমার এই ভুলের জন্য প্লিজ আমাদের বন্ধুত্বটা নষ্ট করিস না।”

    নীরার এই সহজ স্বীকারোক্তি আর ক্ষমা চাওয়ার পর রবিনের মনের ওপর চেপে থাকা ভারী পাথরটা যেন নেমে গেল। সে বুঝতে পারল, সাময়িক মোহ কেটে গিয়ে নীরা আবার আগের সেই চিরচেনা বন্ধু আর শৈলীর ভালোবাসার বিশ্বস্ত দূতে ফিরে এসেছে।
    ________________________________________
    গল্পের পর্ব চলমান থাকবে…

    3
    2 Comments
    • টানটান উত্তেজনা আর তীব্র মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ের একটা পর্ব পড়লাম। রবিনকে স্যালুট তার আত্মনিয়ন্ত্রণের জন্য।

      • @prithula ধন্যবাদ, ১৩ তম পর্বেই ১৮+ সিলসিলায় চলে আসছে সেজন্য অল্প একটু দুখিত আমি। কারন এই গল্পের ৯৫%-৯৯% বাস্তব কাহিনী রয়েছে। কিছুদিন পরেই নীরার খুব ভাল একজন পাত্রের সাথে বিয়ে হয়েছিল এবং এখন তার ছেলেকে বিয়ে দিবে সম্ভবত।। এই গল্পের সকল চরিত্রের সবাই এখনো বেচে আছে ।
        প্রায় ২৫ বছর হয়ে গেল শৈলীর পাশের বাড়ির বান্ধবী “ফিয়ানার” সাথে রবিনের আর দেখা হয়নি। এদিকে রবিনের বাবা শুধু গত হয়েছেন। সব পাবেন গল্পের পরবর্তী পর্বগুলোতে…

Skip to toolbar