-
বিশ্ব চিঠি দিবস উপলক্ষে —
খুব সম্ভবত ১৯৮৪-৮৫ সালের কথা। আমার যখন ছয়-সাত বছর বয়স তখন আব্বা কুয়েতে যান চাকরি নিয়ে। আব্বা বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। অবসর গ্রহণের পর বিমান বাহিনী থেকেই আব্বাকে কুয়েতে পাঠানো হয়।তখন তো চিঠির যুগ। প্রিয়জনের ভালোবাসা আর আদরের সবটুকু উষ্ণতা বুকে ধারণ করা একেকটি চিঠি কতটা মূল্যবান সে শুধু তার প্রাপকই জানতো আর দীর্ঘ দিন দেখতে না পাওয়ায় আক্ষেপ, প্রিয়জনকে স্পর্শ না করতে পারার যে যন্ত্রনা, কাগজের বুকে কালির ফোঁটায় সেই বেদনা যেন কান্না হয়ে ঝড়ে পড়তো।
আব্বা প্রতি সপ্তাহে একটি চিঠি লিখতেন। আমার মাকে লেখার সাথে সাথে আমাকে আর আমার ছোট ভাইকেও আলাদা আলাদা চিঠি লিখতেন। ছোট্ট ছোট্ট দুটি পৃষ্ঠায় ছোট্ট দুটি চিঠি। আমরাও কম যাই না। চিঠির উত্তর দিতাম নিয়মিত। আজ লিখতে গিয়ে চোখের সামনে যেন হীরে মানিকের মত জ্বলজ্বল করছে ছোট্ট সেই চিঠির পাতাগুলো।
9 Comments -
Friends
মোঃ বায়েজীদ
@bayejid
খায়রুল ইসলাম
@khairulislam
শোয়েব হাসান
@shoaibhasan
Karoma village
@karomavillage
মুহম্মদ নাঈম
@naeem
শায়লা এ্যামিন
@shaylaaemin945gmail-com
saad bin
@saadbin
atif ac
@atifac
আব্দুল্লাহ আল আমিন
@abdullahalamin



চিঠি দিবসের শুভেচ্ছা মঞ্চবন্ধু! চিঠির গাড় আবেগের সাথে সাহিত্যের যে একটা নিবিড় বন্ধন আমি এটা অনেক পরে উপলদ্ধি করতে পারি। মনের কথামালা ঠিক করে হয়ত সবসময় বলা হয়ে ওঠেনা, কিন্তু চিঠির মাঝে সেই কথাগুলোই পরম যত্নে যখন সাজিয়ে লেখা হয় তখন চিঠিগুলো অনেক বড় বড় উপন্যাস হার মানতে পারে! চিঠি নিয়ে আরো গল্প হোক, শুভেচ্ছা নেবেন!