Profile Photo

Farjana Parvin AsmaOffline

  • farjanaparvinasma
  • Profile picture of Farjana Parvin Asma

    Farjana Parvin Asma

    • 1 hour, 16 minutes ago

    প্রথম পর্ব
    আমার গায়ে আনু নামে এক গরীব কৃষকের ছেলে ছিল তার পাশে বাড়ি ছিল গায়ের প্রভাব শালী জমিদারদের বাড়ি যে বাড়িতে একজন সরকারী চাকুরে বাকেরউজ্জামান বাস করতেন। তার ছিল ৫ কন্যা সন্তান চতুর্থ কন্যা হচ্ছে বিমলী আর বিমলীদের বাড়ি সামনে ছিল সান বাধানো পুকুর যার তিন পারের সাথে লোক চলাচলের রাস্তা ছিল। সেই রাস্তা দিয়ে আনু প্রতিদিন গুরুর পাল নিয়ে মাঠে যেতো আবার বাড়ি ফিরত এবং একই প্রাথমিক বিদ্যালয় আনু বিমলী পড়াশুনা করতো। আনু পঞ্চম শেনীতে আর বিমলী তৃতীয় শেনীতে পড়ে কিন্তু ছোট বিমলীর আনুুর প্রতি আলাদা একটা টান কিন্তু কিষের টান বিমলী বুঝতে পারেন নাই। প্রেম কি বিমলী বোঝে না ভালবাসা কি বিমলী বোঝে না কিন্তু তাদের মধ্যে একে অপরের ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে আর গভীর টান অনুভব করছে ।
    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গন্ডি পেড়িয়ে আনু উচ্চবিদ্যালয় প্রবেশ করে তখন আনু আর বিমলী দেখা হয় বিমলীদের পুকুর পাড়ে আনু কখনো বাজারের যায় কখনো গরু নিয়ে মাঠে কখনো বাবার সাথে কৃষি কাজে এভাবে চলতে থাকে দুই থেকে তিন বছর। এবারের বিমলী প্রাথমিক বিদ্যালয় শেষ একই উচ্চবিদ্যালয় যায় যেখানে আনু পড়ে আনুর সাথে একই শ্রেণীতে বিমলীর কাজিন পড়ের আয়না নামে । এখন আনু আর বিমলী এক সাথে স্কুলে যাওয়া আসা করতে থাকে এবং একে অপরকে ভালবাসে তা বুঝতে পারতেছিল এবং আনু তার ঘনিষ্ঠ বন্ধদের মধ্যে শেয়ার করেছিল তাদের ভালবাসার শুরুর কথা।
    একদিন আনুদের শ্রেণীতে শিক্ষক ইংলিশ গ্রামারের লেটার পড়া দিয়েছে আনুর বন্ধুরা আনুকে মাই ডিয়ার বিমলী বলে পড়তেছিল বিমলীর কাজিন প্রথমে বুঝতে পারে নাই পড়ে দেখে বইতে বিমলীর নাম নাই তার পর সে আনু বন্ধদের থেক জানতে পারের এবং বাড়ি ফিরে বিমলী মাকে বলে দেয়। তার পর থেকে শুরু হয় বিমলীর প্রতি কড়া নজরদারী কিন্তু ততদিনে বিমলী আনুর জন্য বলতে গেলে পাগল পাড়া হয়ে যায়। আনুকে দেখার জন্য বিমলী বেদর মেয়ে জোসনার মত কলসী খালি করে মাকে বোঝায় যে তাদের টিউবলের পানি ভাল না আনুর ফুফুদের টিউবলের পানি ভাল বলে তিনি পানি আনার জন্য টিউবলের পানি আনতে গিয়ে আনুর সাথে তার দেখা হবে কথা হবে এটাই তার উদ্দেশ্য ছিল ।
    আনু বিদ্যালয় শেষ কলেজ প্রবেশ করিলো কলেজ আনুদের বাড়ি থেকে দুরে উপজেলা যেতে হতো সেখানে আনুকে সকালে যেতে হতো আর ফিরতে বিকাল হত। এবারতো তাদের দেখা সাক্ষাৎ কমহতে শুরু করল শুক্রবারের বিমলীর আনুকে দেখার জন্য তাদের পুকুর পার দিয়ে ঘুড়তেছিল কিন্তু দেখতে পাচ্ছে না তারপর বিমলী তাদের বড়ই গাছে উঠে বসে আছে কখন আনু বেড় হবে কখন বিমলী দেখবে। এদিকে বিমলীর মা বিমলীকে খুজতে খুজতে সাড়া বাড়ি খুজতেছিল কিন্তু বিমলীকে পাওয়া যাচ্ছে না তার পর বিমলী বাসায় আসে প্রায় বেলা ১২.ঘটিকার দিকে সকালে নাস্তাতো খাওয়াই হয় নাই । বাসায় ফেরার পর বিমলী বড় বোন ডালিয়া পিতলের চামচ দিয়ে বাড়ি দিয়ে মাথা কেটে ফেলে হায়রে রক্ত বিমলীর মাথা থেকে বেড় হলো সাড়া বাড়ির মানুষ এক হয়েগেলে । বিমলীকে মাথায় বেন্ডজ করা দেওয়া হল কিন্তু বিমলীর মন সে আনুকে খোজে সে আবার চলে গেলে পুকুর পাড়ে এভাবে চলতে চলতে আনু এইচ, এস, সি পাস করেন।
    গরীবের ছেলে আনু সে চাকরি খুজেন আর সরকারী চাকরি হয়ে যায় চাকরিতে যোগদানের আগে আনু বিমলীকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যায় বিমলী স্কুল ফাকী দিয়ে সিনেমা দেখতে গিয়েছিল তারপর আনুর বাইসাইকেলে করে বাড়ি ফিরে নদীর পার দিয়ে সাইকেল চলে আর বিমলীর গায়ের লোকজন টলারের করে নদীর ভিতরের আসতে থাকে । সাড়া গ্রামে হয়ে যায় আলোচনা সমালোচা ঝড় বিমলীর বাবা থাকেন ঢাকায় আবার বিমলী মা বোন মিলে সেই মার মাড়েন বিমলীকে। যতই মারুক না কেনো বিমলী আনুকে চোখের আড়াল করতে পাড়েনা। বিমলী খুব সুন্দর গান যানত সে পুকুর পাড়ে গানের সুর দিলে আনুর তার বাড়ি থেকে বেড় হত এভাবে চলতে চলতে আনুর চাকরিতে যোগদানের সময় চলে আসে যাবার আগে আনু বিমলীকে তাদের পাশের বাড়ির এক দাদীর ঘড় বিদায় নেওয়ার জন্য ডেকে নেয় একপর্যায় আদর করতে যায় তখন জানালা দিয়ে দেখে ফেলেন আর এক প্রতিবেশি ব্যাস হয়ে গেলে গায়ের আলোচনা সমালোচনা কারন বিমলীদের বিচার করার মত গায়ে কেউ ছিল না।
    দ্বিতীয় পর্ব আগমী কালকে

    1
    1 Comment
    • আনু-বিমলীর গল্পটা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, জানার আগ্রহ তৈরি হলো। পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম

Skip to toolbar