-
একটি ভালোবাসার চিঠি !!!!
প্রাপকঃ সুরূচিতা সু….
প্রেরকঃ মিলন ।
🖋🖋🖋🖋🖋🖋🖋🖋🖋🖋
মোঃ মনিরুজ্জামান খানসুরূচিতা সু….
গত দু’সপ্তাহটা তোমাকে ঘিরে আমার দারুণ
কেটেছে ! চমৎকার এবং লোভনীয়। দুই সপ্তাহে
অনেকবার তোমার সান্নিধ্য লাভ করেছি। কিন্তু
বিষ্ময়কর ব্যাপার তোমার সাথে কতোবার
সাক্ষাৎ হয়েছে, আমার তা মনে নেই। এই মনে
না থাকাটা তুমি দোষের আওতায় ফেলতে পার। কী করবো বল, আমাদের মন মাতানো
আর আনন্দঘন ভালোবাসার কথাই মনে থাকে।
সংখ্যাটা বোধহয় মনের ভিটায় খুব একটা আলোড়ন তুলে না। শুধু তুমি। তুমি আর তুমি।
আবার প্রতি সপ্তাহে একবার দেখা হতো
যেখানে, সেটার আমূল পরিবর্তনে একাধিকবার
আমাদের সাক্ষাৎ হয়েছে। এক্ষেত্রে সংখ্যাটি
খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ভাগ্যপ্রসন্ন। যাঁ”র ইশারায়
আমার ভাগ্য এতোটা সুপ্রসন্ন, সেই “সৃষ্টিকর্তা”র
প্রতি আমৃত্য নতজানু থাকবো আমি।
সত্যি ! আমার ভাগ্যটা অনেক বেশি চমৎকার। মারাত্মক ঈর্ষণীয়। আমি তোমার
সেই মিলন। সুরূচিতাসু”র মিলন ! “তুমি আমি”র যুগল মূর্তির মিলন। আবার নাম ভূষণেও মিলন”। বাহ ! ব্যাপারটা এখন পরিপাটি ভালোবাসার অধ্যয়। তোমাকে বিশেষ
একটি ধন্যবাদ উপহার দিচ্ছি। দেখতো তোমার
মন গহীনে জমা দেয়া যায় কিনা….
সুরূচিতা ! তোমার দু’চোখ একবার বন্ধ কর।
বন্ধ করে তোমার ভাবনাটা মনের মনিকোঠায় স্থির করো।
তোমার মন চলে গেছে প্রকৃতির অপার
সৌন্দর্যের কাছে। তুমি এখন ইয়াআআ বড় এক সর্ষে ক্ষেতের মাঝখানে। যতো দূর চোখ
যায় হলুদ, হলুদ আর হলুদ। একসঙ্গে এতো
হলুদ ! মনটা অবশ হয়ে আসছেনা। সর্ষে ফুলের অজস্র গন্ধে বিমোহিত তোমার হৃদয়।
ভাল লাগার এমন আবেগী মুহুর্ত তোমার
মনটাকে উৎফুল্ল করে দিচ্ছে।
এখানেই শেষ নয়। আরো আছে। দেখ ! তোমার
চোখের সামনে দলে দলে হাজারো উরুক্কু রঙ
ঘুরছে। তোমার মনে চাইল রঙগুলোকে ধরবে।
তুমি ছুটছো ! রঙগুলোও ছুটছে আগে আগে।
একটি রঙকেও ধরতে পারছনা। তুমি রেগে
যাচ্ছ। কিন্তু এক সময় তোমার এই রাগও থাকছে না।
কী সুন্দর সুন্দর রঙ ! ভীষন ভাল লাগার আমেজে মন প্রফুল্ল। রঙে রঙে তুমি রঙময়ী !
আমি ঐ হাজারটা প্রজাপতির রঙিন তুলতুলে পাখায়
ভালোবাসার বর্ণগুলো এঁকে দিয়েছি। তুমি মনে
করে তোমার হৃদয়ে জমা করে দিয়ো।
সত্যিই তো ! কবে, কোন ইচ্ছে’টা তোমার পূরণ হয়েছে, আমি কী তা জানি ! জানি না।
কেন ? এক, তুমি বলনি। আর দুই….অন্যের
ব্যক্তিগত জগতে অনুপ্রবেশ আমার অপছন্দ।
তবে একটি অপূর্ণ ইচ্ছে’র কথা আমি জেনেছিলাম তোমার সঙ্গী হিসেবে। আমার
ভাগ্যটা ভালই ছিল।সেদিনের জলজ ভ্রমনে
তোমার জলে ভেজা জ্যোৎস্না না দেখার দুঃখটা
আমার গায়ে লেগেছিলো। সেই রাতের আকাশে
তন্ন তন্ন করে খুঁজেছি। চাঁদের দেখা আর পাইনি। আসলে কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ একটু
দেরিতেই আকাশে দেখা যায়। আর সময়ের
অভাবে তোমাকে দুঃখ পেতে হল। আমি ভীষন দুঃখিত। সে জন্য ক্ষতিপূরণের
একটু চেষ্টা….
বড় বড় জমাট বাঁধা ধুসর মেঘ।
নীলের একটুও আভাস কোথাও নেই,
টানা পাঁচদিনের শ্বৈত প্রবাহ শেষের পূর্ণেন্দু।
আলোকিত চাপা স্বর্ণরঙ, লালচে, বেগুনি
নীল, সবুজ বৃত্তগুলো চন্দ্রমুখী। কী বাহারী রূপ।
আমি নাম দিয়েছি তার চন্দ্রধনূ ! পরের
ঘটনাটি বাকরুদ্ধ মুগ্ধতার পূর্ণিমা। যেন
এতোক্ষণ চকমকি পাথরে নিজেকে ঘষে নিচ্ছিল। রূপের বিচ্ছুরণে আকাশ ঝলমল।
মেঘগুলোর সে আলো সহ্য হয়নি,
ছুটে পালাচ্ছে। এদিকে কখন জানি চাঁদ
দু’চোখের মণিতে স্থির। যুগপৎ অন্ধকারে
ঝিলিক ” শ্যামলিমার হাস্যময়ী ” রূপশ্রী।
আমি নিঃসঙ্কোচে এই রূপশ্রী চাঁদ টিপ
করে তোমার কপালে পড়িয়ে দিলাম। যেন
সব সময় রূপালী আলোয় আলোয় আলোকিত
থাকে তোমার হৃদয়। তুমি আলোকিত না হলে,অন্ধকারে থাকবে তোমার
মিলন ” !3 Comments

Md.Monyruzzaman Khan
- লিখতে ভীষণ ভাল লাগে।কিন্তু কিছুই জানি না।প্রিয় বই লোটা কম্বল! কাশ ও শিমুল ফুল প্রিয়। আরো প্রিয় রঙের হলুদ শর্ষে ফুল। প্রিয় লেখক স্যার হুমায়ুন আহমেদ। চিঠি লেখা আমার প্রিয় মাধ্যম। ভালবাসাবাসিও আমাকে দ্বীপ্ত করে। প্রেম অন্য রকমের আকর্ষণ করে, ব্যাপারটি অজানা। জ্যোৎস্না সবসময়ই আলোকিত রাখে আমাকে।
" বোকা জামান এবং অধরা জলপরীর কাব্যনামা" শিরোনামে একক কাব্যগ্রন্থ বের করার স্বপ্ন দেখছি। আমার লেখা ও সুরে দুটি গান সঙ্গীতা মিউজিক রিলিজ করেছে। গান লিখতে বেশি সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। যদিও লিরিক্স লেখা অনেক জটিল কাজ মনে হয়।
তুলট" পরিবারের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং অফুরান ভালোবাসা। জয়তু তুলট পরিবার"!
Friends
শায়েরুল ইসলাম
@shaerulislam
Ekhtiar Uddin
@ekhtiar2003
Abu Said Vuia
@shahadatur-rahman-sohel
রিফায়াত নিগার
@refayat-nigar
শরীফ এমদাদ হোসেন
@sharif-emdad-hossain
Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ]
@md-zaker-hayat-khan
Jannatun Nur
@jannatun-nur
আজীমি
@azeemi
AdabenTatali
@adabentatali


সুরূচিতাকে লেখা চিঠিটা মধুর। অন্ধকার পেরিয়ে আলোর দিকে যাওয়ার প্রেরনা আছে । ধন্যবাদ কবিকে।