-
কিশোরী_বয়সের_ভালোবাসা।
(না কি অপরিণত বয়সের ভুল )
লেখনীতে #মেহের_মেহের_সীমা।
পর্বঃ ২৪
সীমা এই সীমা!
কোথায় গেলে?
এই তো ,আসছি একটু অপেক্ষা কর।
চুলায় রান্না বসিয়েছে এরমধ্যে তারেক এর ডাক শুনে চুলার আঁচ কমিয়ে তড়িগড়ি করে কেন ডেকেছে জানতে গেলাম।
না হলে দেখা যাবে রেগে যাবে।
কাজে ব্যস্ত আছি তা বুঝতে চায়বে না,
তাছাড়া হুটহাট রেগে যাওয়া তারেক এর স্বভাব।রান্নাঘর থেকে বের হয়ে দেখি তারেক ডাইনিং রুমে ফ্রিজ এর পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
তারেক কে ফ্রিজ এর সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে চমকে উঠলাম!
তারেক আমার উপস্থিতি বুঝতে পেরে ফ্রিজ খুলে দুধের পাতিল বের করে জিজ্ঞেস করলেন,
পাতিল এ দুধ এলো কোথায় থেকে?
আমি আমতা আমতা করে বললাম, গতকাল খাওয়ার পর থেকে গেছে।
তারেক আমার দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে দুধের পাতিল আছড়ে ফেলে দিলেন।
ইস্ রুমের ফ্লোর দুধে মাখামাখি অবস্থা।
এখন এগুলো পরিষ্কার করতে আমার জান বের হয়ে যাবে।
এই লোক রাগ হলে হাতের কাছে যা পাবে বা থাকবে তা ফ্লোরে আছড়ে ফেলেন, একবারও ভাবে না এগুলো পরিষ্কার করতে আমার কতটা কষ্ট হয়।
আমি যখন এসব ভাবছি সে সময়ে তারেক বলেন, দুধ,ডিম খাওয়ার কথা তোকে কতবার বলতে হবে?
তুই মানুষ না গরু?
এই সময়ে দুধ ডিম খেতে হয় তা জানিস না?
প্রতিদিন দুধ নিয়ে বাহানা করবি পেয়েছিস কী?আমি তার কথা শুনে বিরক্ত হয়ে বললাম, একবার তুমি একবার তুই না বলে সবসময় তুই বললেই হয়।
আর দুধ,ডিম খেলে আমার বমি হয়।
তাছাড়া কয়দিন আগে তো কোনো খাবারেই খেতে পারতাম না।
এখন তো বমি আসলেও তবুও অল্প হলেও সবকিছু খেতে পারছি।
কিন্তু দুধ ও ডিম খেলে বমি করতে করতে জান যাওয়ার মত অবস্থা হয়।
তার থেকে না খাওয়াই ভালো।
তুমি তো ডাক্তার!
তোমার কাছে সবসময় যত ফালতু কথা তৈরি থাকে।
দেখ, সীমা তোমার জন্য যদি আমার সন্তানের অপুষ্টি হয় না তাহলে খবর আছে।
আমি তার কথা শুনে বললাম, তুই তো ভালো ছিল আবার তুমি করে বলার দরকার কি!
আমার কথা শুনে তারেক বললেন, আজকাল সাহস বেড়ে গেছে না!
থাপ্পর খেলে ঠিক হয়ে যাবে।
কথাটা বলে সে অন্য রুমে চলে গেলেন।
আমি কষ্ট করে ফ্লোর মুছতে লাগলাম।
আজকাল আট মাসের পেট নিয়ে কাজ করতে কতটা কষ্ট তা কি মানুষটি বুঝতে পারে?
তারেক কে মাঝে মাঝে আমার কাছে অপরিচিত লাগে।
এই ভালো তো এই মন্দ ।
কখনো আমার প্রতি তার কেয়ার আবার কখনো ছোট খাটো ব্যাপার হুটহাট রাগ দেখে তাকে নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগতে হচ্ছে।
একবার মনে হয় আমার জন্য তার কত দরুদ,
আবার মনে হয় আমার তার বিরক্তির কারণ।
ওদিকে,
ব্যথা কী বেশি করছে?
ডাক্তারের কাছে যাবে?
সুমনা তার স্বামীর কথা শুনে বললো, বেশি না,আপনি চিন্তা কইরেন না তো।
বিশ্রাম নিলে একটু পরেই ঠিক হয়ে যাবে।
শাহেদ বেপারির জানেন, বেশি ব্যথা করলেও সুমনা কখনো তা স্বীকার করবে না।
সুমনার ধৈর্য শক্তি দেখে তিনি মাঝে মাঝে আবাক হয়ে যায়।
আবার কখনো মনে মনে গর্ভ করেন, জীবনে চলার পথে এমন একজন সহধর্মিণী পেয়ে।
আজকাল অতীতের কথা শাহেদ বেপারির মনে হানা দেয়, মায়ের মন রাখতে তিনি তার মায়ের পছন্দ করা মেয়েকে বিয়ে করলে মন থেকে সে সময়ে সুমনা কে স্ত্রী হিসেবে মানতে ও ভালোবাসতে পারেনি।
প্রথম প্রথম সুমনা কে দেখলেই বিরক্ত লাগতো কিন্তু তার মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে কখনো তা প্রকাশ করতেন না।
মায়ের সম্মানের দিকে তাকিয়ে বা জৈবিক চাহিদার কারণেই হোক সুমনা কে স্ত্রীর অধিকার দিতে কার্পণ্য করেননি কিন্তু মনের অধিকার দিতে নারাজ ছিলেন।
কিন্তু দিন দিন সুমনার ভদ্রতা, শান্ত আচরণ আর তার মায়ের প্রতি যত্ন নেওয়া দেখে এবং তার মা’কে নিজের মায়ের মত ভালোবাসতে দেখে আস্তে আস্তে শাহেদ বেপারি সুমনার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েন।
তার পর তাদের বড় ছেলের জন্ম হলো।
একজন স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যতই দুরত্ব থাকুক না কেনো,
সন্তানের আগমনে স্বামী স্ত্রীর মধ্যেকার সেই দূরত্ব টিকে না।
কারণ তখন যে তারা সন্তানের বাবা-মায়ের দায়িত্ব পালন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
তাইতো শাহেদ বেপারি বাবা হওয়ার পর থেকে
সুমনার প্রতি আলাদা টান অনুভব করতে শুরু করেন।
কিন্তু তাদের কপালে সেই সুখ বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। ছেলের মৃত্যু শাহেদকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেন।
একটা মৃত্যু সব কিছু উল্টাপাল্টা করে দেয়।
সে সময়ে ভালো মন্দের বিচার করতে ভুলে যান শাহেদ বেপারি।
জড়িয়ে পরে বাজে নেশায়,
নিজের মধ্যে গড়ে তুলেন আরেক পৃথিবী।
যেখানে সুমনার জায়গা নেয়, তার কাছে সুমনা অপরাধী হিসেবে গণ্য হয়।
সেই নতুন পৃথিবীর আরেক নারীর আগমন ঘটে।
মোহে পড়ে করে ভুল, তার ভুলের কারণে আলোর জগৎ থেকে ছিটকে পড়ে অন্ধকার জগৎ এ।
এক সময় ভুলে যান নিজের দায়িত্ব কর্তব্য।
যা দেখে তার মা মানতে পারেনি।
ছেলের চোখে আঙুল দিয়ে তার ভুলগুলো ধরিয়ে দেন।
মায়ের দিকে তাকিয়ে অন্ধকার জগৎ থেকে আলোর খোঁজে বের হয়।
সে সময়ে আল্লাহর রহমত আর তার মায়ের দোয়া ও সুমনার মত স্ত্রী না থাকলে সেখানে থেকে হয়তো কখনো বের হতে পারতো না।
কোনো নারীই তার স্বামীর জীবনে দ্বিতীয় নারীর আগমন সহ্য করতে পারে না।
কিন্তু সুমনা শুধু সহ্যই করেনি তাকে ক্ষমা করে আপন করে নিয়েছিল।
কতটা ধৈর্য্য থাকলে একজন স্ত্রী এমন করতে পারে তা ভেবে শাহেদ বেপারির বুক গর্ভে ভরে উঠে।
তার সেই স্ত্রী দিনদিন অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে তা সহ্য করবে কিভাবে!
শাহেদ বেপারি ভেবেছে এই মাসের মধ্যে সুমনা কে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবেন।
অপারেশন করিয়ে ফেলবেন।
রানু তো আছেই।
সব কাজ করার জন্য ,দরকার হলে আরেকজন কাজের লোক রাখবেন মেয়ের জন্য।
শাহেদ রানুকে কাজের লোক বলতে নারাজ।
কারণ রানু সব সময় নিজের মানুষের মতো কাজ করে।
তাছাড়া রানু সুমনা কে খালাম্মা বললেও তার মায়ের মতো ভালোবাসে।
আর সুমনা তো রানুকে মেয়ের মত আদর করে।
নতুন কেউ বাসায় আসলে রানুকে আমাদের একজনই মনে করেন।
রানু সারাদিন এখানে থাকলেও রাতে তার বাসায় চলে যায়।
রানু বিবাহিত, তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে আছে।
রানু ভালো পরিবারের মেয়ে ও বৌ।
কিন্তু তার স্বামী ঠিকঠাক মত কাজ করেন না সেজন্য তাকে কাজ করতে হচ্ছে।
রানু এখানে কাজ করছে চার বছর ধরে।
রানু আছে বলেই শাহেদ বেপারি নিশ্চিত থাকতে পারেন।কিছুদিন পর
গত সপ্তাহে তারেক সীমা কে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল।
ডাক্তার সীমার চেকআপ করে জানাই, পেশেন্ট অনেক দুর্বল তাকে বেশি বেশি খাওয়াতে হবে।
আর পেশেন্ট দুর্বল তবে বাচ্চার হার্টবিট ঠিকঠাক রয়েছে।
তারেক মনোযোগ দিয়ে ডাক্তারের কথা শুনছেন,
ডাক্তার বললেন, আপনার স্ত্রীর প্রথম বাচ্চা যেহেতু সিজার এ হয়েছে তাই দ্বিতীয় বাচ্চা সময়ে দশদিন আগেই সিজার করতে হবে।
না হলে মায়ের এবং বাচ্চার সমস্যা হতে পারে।
পেশেন্ট কে ফেব্রুয়ারি মাসের ২০ তারিখ এ সকালে হসপিটালে ভর্তি করবেন।
সব ঠিক থাকলে সন্ধ্যায় সিজার করব।
ডাক্তারের কথা শুনে তারেক ঠিক আছে বলেন।
যেহেতু প্রথম বাচ্চা তার কাছে সিজার করেছে তাই আর কিছু জানতে চায়নি।সেদিন ডাক্তারের কাছে থেকে আসার পর থেকে আমার মন খারাপ।
আমার বয়স কম থাকায় এবং সে তুলনায় বাচ্চা বেশ বড় প্রায় ৪কেজি থাকার কারণে প্রথমবার সিজার করতে হয়েছিল।
তখন পাঁচদিন কত কষ্ট হয়েছে তা মনে হলেও ভয় লাগে।
আমার আসা ছিল এবার নরমাল এ বাচ্চা হবে।
কিন্তু ডাক্তারের মুখে সিজার শুনে ভয় করছে।
সেদিন ডাক্তারের কাছে থেকে আসার পর থেকে সব কাজকর্ম গুছিয়ে নিচ্ছি।
মা বাবা ঠিক করেছেন আমাকে তাদের কাছে নিবেন। সেই কথা আমার শ্বশুর শ্বাশুড়িকে আগেই বলে রেখেছেন।
ইদানিং মায়ের শরীর ভালো নেই।
এখন আর রোজ রোজ আসতে পারেন না।
মা’কে খুব মনে পড়ছে।
আগামী সপ্তাহে মায়ের কাছে আমাদের বাড়িতে চলে যাব সেজন্য সবকিছু গোছগাছ করে রাখছি।
আল্লাহ যদি সব ঠিক রাখেন তো প্রায় এক মাসের বেশি সেখানে থাকা হবে।
তাই সবকিছু পরিষ্কার করে ঠিকঠাক করে রাখতে হচ্ছে যাতে জিনিসপত্র নষ্ট না হয়।
গতকাল থেকে কোমরে আঁচল বেঁধে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজে লেগে পরেছি।
কিছুক্ষণ আগে পরির জামা কাপড়,বেড শিট,বেড কভার, পর্দা সহ অনেকগুলো কাপড় চোপড় ধুয়ে ছাদে দিয়ে এসেছি।
সকাল থেকে কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছি।
কিন্তু এখনও পরি কে এবং পরির দাদু কে গোসল করাতে হবে।
তাদের গোসল খাওয়া হলে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য ঘন্টা খানেক সময় পাওয়া যাবে।
কারণ খাওয়ার পর পরি দুই ঘণ্টার বেশি ঘুমায়।
কথাটা ভেবে দেরি না করে শ্বাশুড়ি মা’কে ডাকলাম।
সে এলে তাকে সাবান,শ্যাম্পু দিয়ে ঢলে ঢলে গোসল করিয়ে দিলাম।
শ্বাশুড়ি মা বয়স্ক মানুষ তার ঠান্ডা যাতে না লাগে সেজন্য হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করিয়ে দেই।
তাকে গোসল করানোর পর শরীর মুছে দিয়েছি।
এরপর পরি কে গোসল করানোর জন্য বোলের পানির মধ্যে গরম পানি দিলাম।
হাত দিয়ে চেক করে দেখি পানি কুসুম গরম আছে।
কয়েক ফোঁটা স্যাভলন কুসুম গরম পানিতে দিয়ে পরিকে গোসল করিয়ে দিলাম।
পরির গোসল শেষে ওকে লোশন মাখিয়ে দেই তারপর জামা কাপড় পরিয়ে ওর দাদুর কাছে দিয়ে আমি গোসল করতে এসেছি।
তাদের দুজনকে গোসল করাতে গিয়ে কাকভেজা হয়ে গেছি।
শ্বাশুড়ি আম্মা আমি পরিকে গোসল করানোর সময় নামায আদায় করেছেন।
আম্মা না থাকলে আমার জন্য পরিকে নিয়ে কাজ করতে কষ্ট হয়ে যেত।
আমার কাজের সময় আম্মায় তো পরিকে রাখেন।
সংসারে একজন মুরব্বি থাকা মানে তোমার উপর কারো ছায়ার হাত থাকা।
আমার মা সবসময় এই কথাটা বলতেন।
মায়ের কথাটা ইদানিং বেশ উপলব্ধি করছি।
দশদিন হয়েছে,লায়লা ওর বোনের বাসায় বেড়াতে গেছে কয়েকদিন এর মধ্যে এসে যাবে।
ও আসলে আমার আরেকটু ভালো হবে।
গোসল শেষ হলে নামায পড়ার পর আমিও শ্বাশুড়ি আম্মার সাথে বসে খেয়ে নিলাম।
খাওয়া শেষ করে শ্বাশুড়ি আম্মা তার রুমে ঘুমাতে চলে গেছেন আমিও পরিকে নিয়ে আমাদের রুমে এসে পরলাম।
আজকে সকাল থেকে শরীর কেমন অস্থির লাগছিল এখন বিছানায় গা এলিয়ে দিতেই পেটের ভেতর চিনচিনে ব্যথা অনুভব করছি।
শরীরে কোন বল শক্তি পাচ্ছি না,তারেক বাসায় আসার পর থেকে আমার দিকে হয়তো খেয়াল করেছেন তাই কয়েকবার জিজ্ঞেস করলেন আমার চোখ মুখ এমন লাগছে কেন?
আমি তাকে প্রথমে আমার পেটে ব্যথার কথা বলতে চায়নি কিন্তু তখন মনে পড়ল তারেক অসুস্থতার কথা গোপন করা পছন্দ করেন না।
তার কথা হচ্ছে যে কোন অসুখের চিকিৎসা শুরুতে করালে তাতে সময় ও খরচ দু’টো কম লাগে কিন্তু দেরি হলে, সময় ও খরচ যেমন লাগে সাথে কষ্ট তো আছেই।
কথাটা ভেবে তারেক কে আমার পেটে ব্যথার কথা জানাই।
তারেক রাগ হয়ে বললেন, এতক্ষণ বলিনি কেন?
আমি তার কথা শুনে চুপ করে থাকলাম।
তখন বাজে রাত আটটার মতো।
তারেক পরি কে কোলে নিয়ে আমাকে রেডি হতে বলেন।
তার কথা রাত বাড়লে শরীর বেশি অসুস্থ হলে তখন কি করবে তার থেকে এখনেই ডাক্তাতের কাছে যাওয়া ভালো হবে।
পরের দিন সকালে
নার্স দ্রুত বাচ্চাকে অক্সিজেন মাস্ক লাগাও।
ম্যাডাম অক্সিজেন মাস্ক লাগানো হয়েছে তবুও কাজ হচ্ছে না।
ডাক্তার বললেন,হঠাৎ করে কি হল!
পেশেন্ট এর গার্ডিয়ানকে জানাও বাচ্চার অবস্থা ভালো না।
বাচ্চার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে বাচ্চাকে দ্রুত
এনআইসিউ তে রাখতে হবে।
যা আমাদের হসপিটালে নেই।
এদিকে আমি নার্স ও ডাক্তারকে ফিসফিস করতে দেখে বললাম,আপনারা ফিসফিসিয়ে কি বলছেন?
ম্যাডাম আমার বাচ্চা এমন করছে কেন?
তার কি হয়েছে?
ওকে আমার কাছে দিন।
ডাক্তার আমার কথা শুনে বিরক্ত হয়ে বলেন,আহ্ আপনি একটু শান্ত হোন তো।
আমরা দেখছি আপনি ঘুমাতে চেষ্টা করুন।
নার্স দ্রুত করুন।
ম্যাডাম,,#চলবে
বিঃদ্রঃ আমার লেখা যদি আপনাদের ভালো লাগে তো লাইক ও আপনাদের মূল্যবান মতামত দিয়ে পাশে থাকবেন।
লেখায় ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন না হলে ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন।
গল্পটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ সবাইকে।10 Comments-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন! আপনার এই লেখাটি আজ 17 January 2022 তারিখে ‘জনপ্রিয় অবদান’ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং এই মঞ্চকে একটি আনন্দদায়ক ও জনপ্রিয় মঞ্চ হিসাবে চালু রাখাতে আপনার এই অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!

Saifun nesa Shima
Housewife
Friends
Nahar moyna
@moyna
বিপুল চন্দ্র রায়
@sreebipulchondrorayraygmail-com
এমদাদ হোসেন
@emdad123
Jebunnesa jebu (জেবুন্নেছা জেবু)
@jebunnesa-jebu
TARIN
@tarin
Latifur-rahman-Pramanik
@latifur-rahman-pramanik
Md-Nadiruzzaman
@md-nadiruzzaman
Md. Habibur Rahman
@habib
তাওহীদ সুফিয়ান
@tawhidsufian



গল্পের সাথেই আছি। শুভেচ্ছা নেবেন।