<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | আনিস কবির | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/aniskabir/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/aniskabir/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for আনিস কবির.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 21 Jul 2026 06:58:45 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">16024eab6ceb3d0a2da2026a5fb81f4e</guid>
				<title>নেমে এসো নিয়তি
-----------------------------
শহরময় ছড়িয়ে আছে দূর্বিনীত ক্ষরার বিনিদ্র ছায়াপাত
ব্যস্ত নাগরিক উল্লাসে কাঁপে কাকের কোরাস
বিক্ষুদ্ধ নগরীর রাজপথ জুড়ে শুধুই অস্থির স্লোগান
প্রেম চাই, ভালোবাসা চাই, এমনকি শান্তিও
অথচ এর খাঁজে খাঁজে আঁকা ভাঙ্গাপথ, অন্ধগলি, ক্ষুধার্ত সঙ্গম
সুকুমার বোধ কবেই কেড়ে নিয়েছে এক আলিবাবা ও চল্লিশ চোর
অনেক ওপরে প্রায় আসমান চূড়ায় এক ব্যলকনিতে দাঁড়িয়ে
শুন্য চোখে চেয়ে দেখি ক্রমশঃ বর্ধিষ্ণু
আমার এই শৈশবের স্মৃতিভ্রষ্ট শহরকে
প্রার্থনা করি, এসো ---
অভিমান ভেঙ্গে নেমে এসো কুমারী মেঘ
প্রবল বৃষ্টিজলে ভাসিয়ে নিয়ে যাও
অনর্থ উদ্বেগ, দুর্বৃত্ত শকুন আর দুর্বল স্বপ্নবাজ মানুষের দল</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258216/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 15:37:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নেমে এসো নিয়তি<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
শহরময় ছড়িয়ে আছে দূর্বিনীত ক্ষরার বিনিদ্র ছায়াপাত<br />
ব্যস্ত নাগরিক উল্লাসে কাঁপে কাকের কোরাস<br />
বিক্ষুদ্ধ নগরীর রাজপথ জুড়ে শুধুই অস্থির স্লোগান<br />
প্রেম চাই, ভালোবাসা চাই, এমনকি শান্তিও<br />
অথচ এর খাঁজে খাঁজে আঁকা ভাঙ্গাপথ, অন্ধগলি, ক্ষুধার্ত সঙ্গম<br />
সুকুমার বোধ কবেই কেড়ে নিয়েছে এক আলিবাবা ও চল্লিশ চোর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258216"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258216/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8960bb9f3f000a477146374fbbfc7260</guid>
				<title>প্রসঙ্গ – কৃষি ও কৃষক
---------------------------   
কৃষি ও কৃষক প্রসঙ্গে কথা বলার আগে একটা লেখা শেয়ার করতে চাই প্রথমে। লেখক: রোমেন রায়হান।
“জাপানিজরা সবচে পছন্দ করে যে ভাত খায় সেটা স্টিকি। মানে ভাতের দানা একটার সাথে আরেকটা লেগে থাকে। আমার ধারণা ছিল স্টিকি ভাত কাঠি দিয়ে সহজে খাওয়া যায় বলেই জাপানিজরা এটা এত পছন্দ করে। 
আমার সাত বছরের জাপান জীবনের শুরুর দিকে আমি এই ভাত খেতে একদমই পছন্দ করতাম না। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো জাপানের বাজারে জাপানি কৃষকদের উৎপাদিত এই বিশেষ ভাতের চালের দামই সবচেয়ে বেশি। 
বাজার থেকে কয়েকবার বিভিন্ন ধরণের চাল কেনার পর বুঝলাম এই চাল যদি জাপানিজরা নিজেরা উৎপাদন না করে আশেপাশের কোন দেশ থেকে আমদানি করতো তাহলে এর দাম বেশ কম পড়তো। আমি কৌতুহলী হয়ে আমার সুপারভাইজার প্রফেসর কামিজিমাকে একবার জিজ্ঞেসই করে ফেললাম
আমিঃ আচ্ছা প্রফেসর, তোমরা এই চাল বিদেশ থেকে আমদানি করো না কেন? আমদানি করলে তো দাম অনেক কম পড়তো!
কামিজিমাঃ তা হয়তো পড়তো!
আমিঃ তাহলে!
কামিজিমাঃ সরকার ইচ্ছে করেই কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদন খরচের অনেক বেশি দামে এই চাল কেনে।
আমিঃ কেন?
কামিজিমাঃ কৃষকদেরকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য।
আমিঃ মানে?
কামিজিমাঃ কৃষক যদি ভালো দাম না পায় তাহলে কি ওরা আর কৃষিকাজ করবে? পেশা বদলে ফেলবে না!
আমিঃ তাই বলে সরকার এত বেশি দামে চাল কিনবে কৃষকদের কাছ থেকে? 
কামিজিমাঃ শোনো, আমরা আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা ভুলিনি। জাপান একটা দ্বীপরাষ্ট্র। ঐরকম একটা যুদ্ধ যদি আবার কখনো লাগে আর শত্রুরা যদি আমাদেরকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে! তখন কী হবে ভেবেছ?
আমিঃ বুঝলাম না!
কামিজিমাঃ বাইরে থেকে কোন খাবার জাপানে আসতে পারবে? আমরা কি তখন এই টয়োটা গাড়ি খাব? কৃষক যদি না বেঁচে থাকে তাহলে আমরা ঐসময় বাঁচব?
আমি অনেকক্ষণ স্তব্ধ হয়ে রইলাম কামিজিমার কথা শুনে।“

বাংলাদেশে আমরা কৃষি বলতে মূলত বুঝি মাঠের কৃষি কাজকে, মানে ধান, পাট কিংবা ভুট্টার চাষ। আদতে কৃষি একটি বৃহৎ শিল্প, যার অন্তর্ভুক্ত যাবতীয় খাদ্যপণ্য, গৃহপালিত প্রাণি বা লাইভস্টক থেকে শুরু করে হস্ত ও কারুপণ্য এবং এদের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সমূহ। একটি জাতির প্রাণপ্রবাহ নির্ভর করে কৃষির উপর, আর তাই উন্নত বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই কৃষিতে ভর্তুকি দিয়ে হলেও এই সেক্টরটিকে চলমান রাখার নীতি মেনে চলে। এখানে কৃষি মানেই সম্মানের পেশা আর কৃষক সমাজের এক সমৃদ্ধ ও বিত্তবান শ্রেণী। পশ্চিমে যারা পরিচিত কান্ট্রি পিপল নামে। কান্ট্রি পিপলদের নিয়ে শত শত বছর ধরে সঙ্গীত-সিনেমা-সাহিত্যের এক সমৃদ্ধ ধারা চলে আসছে, এবং সময়ের সাথে সাথে যা আরো সমৃদ্ধ ও জনপ্রিয় হচ্ছে। শহুরে বা সিটি পিপলদের চাইতে কান্ট্রি পিপলদের আলাদা মনে করা হয়, যা শতভাগ সত্যি। আচরণ, কালচার কিংবা জীবনধারা, সবকিছুতেই কান্ট্রি পিপলরা আলাদা। যখন একজন শহুরে মানুষকে মনে করা হয় মোস্ট কমপ্লিকেটেড, তখন একজন কান্ট্রি পিপল মানে এক সহজ সাধারণ নির্ঝঞ্ঝাট প্রতিনিধি।  আজকের সবচাইতে উন্নত আমেরিকা কিংবা ইউরোপের ক্ষেত্রেও এটা একইভাবে প্রযোজ্য। 

বিপরীতে আমরা যদি আত্মসমালোচনা করি, কি দেখব? বাংলাদেশে কৃষক শ্রেণী ও কৃষি নিয়ে মুখে মুখে আমরা যত যাই বলি না কেন, আদতে সমাজের এক নিম্নবর্গীয় অভাবী শ্রেণী হলো কৃষক, আর পেশা হিসেবে কৃষি কাজ উল্লেখ করার মতো কিছু নয়। আর তাই একজন কৃষকের সন্তান যখন পড়ালেখা করে কোনো একটা চাকুরি জোগাড় করতে পারে, কৃষক বাবার আনন্দ তখন যেনো আর ধরেই না। এমনকি সেটা যদি হয় শহরের কোনো অফিসের পিয়ন, বাড়ির দারোয়ান কিংবা অন্য কোনো চাকুরি। আমার জীবদ্দশায় আমি অন্তত এমন দেখিনি যে একজন কৃষকের সন্তান কৃষি বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করে বাবার সাথে কৃষি কাজে যোগ দিয়েছে, আর সেই বাবা গর্ব করে সমাজের সবাইকে সেই কথা বলে বেড়াচ্ছেন। অবশ্য এতে কৃষক বাবার কোনো দোষ দেখি না। যেই শ্রেণীটাকে আমরা জাতীয়ভাবে সমাজের সবচাইতে দুর্ভাগা ও সমস্যাক্রান্ত এক শ্রেণী বানিয়ে রেখেছি, কোন বাবা চাইবেন তার সন্তান সেই শ্রেণীর একজন প্রতিনিধি হোক? শাসকেরা বাংলাদেশকে আমেরিকা, ইউরোপ বানাতে চান। দাবী করেন আমরা আলরেডি সিংগাপুর, মালয়েশিয়া হয়ে গিয়েছি। তারা কি জানেন স্বপ্নে দেখা এই জাতিগুলির সবচাইতে সমৃদ্ধ শ্রেণী কোনটি? সমাজের কোন শ্রেণীটিকে সবসময় আগলে রাখতে হয়? কখন একটি জাতি উন্নত জাতি হয়??

মেলবোর্ন সি,বি,ডির প্রাণকেন্দ্রে আমার আফিস ছিল ১৭তলা একটি ভবনের ১৪তলায়। একদিন দুপুরে শহরময় যেনো তুলকালাম শুরু হলো। শান্ত নিরপদ্রুপ শহরজুড়ে অসংখ্য হার্লে ডেভিডসন মোটরসাইকেলের গগনবিদারী চিৎকার। জানালার পাশে গিয়ে এক ঝলক নীচের দিকে তাকালাম। দেখে মনে হলো সারিবদ্ধ মোটরসাইকেলের র&#x200d;্যালি, ঠিক যেন সিনেমায় দেখা মোটরসাইকেল গ্যাং। আমার এক অস্ট্রেলীয় কলিগের দিকে তাকালাম। আশা করেছিলাম তার মুখে বিরক্তির রেখা দেখতে পাব। না, সেটা দেখতে পাইনি। তার মুখে ছিল এক ধরনের কৌতুহল, এক ধরনের হাসি। আমি কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই সে বলল- ফার্মার্স আর ইন দ্য সিটি। মানে দলবেধে কান্ট্রিসাইড থেকে ফার্মাররা এসেছে আজ শহরে। আহা…

বাংলাদেশ কোনো একদিন উন্নত হবে। জাতি হিসেবে মাথা উচু করে দাঁড়াব আমরা পৃথিবীর বুকে। আমাদের সমাজের সবচাইতে সমৃদ্ধ শ্রেণী হবে কৃষক শ্রেণী। তারা যখন হার্লে ডেভিডসনে চড়ে বুম বুম শব্দে শহরে প্রবেশ করবে, শহরের মানুষজন তখন সরে গিয়ে তাদেরকে পথ করে দেবে। দূর থেকে তর্জনি তুলে কেউ একজন বলে উঠবে- লুক.. ফার্মার্স আর ইন দ্য সিটি… আনন্দে তার চোখ-মুখ ঝলমল করবে… এই প্রত্যাশায়</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257983/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Jul 2026 22:29:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রসঙ্গ – কৃষি ও কৃষক<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
কৃষি ও কৃষক প্রসঙ্গে কথা বলার আগে একটা লেখা শেয়ার করতে চাই প্রথমে। লেখক: রোমেন রায়হান।<br />
“জাপানিজরা সবচে পছন্দ করে যে ভাত খায় সেটা স্টিকি। মানে ভাতের দানা একটার সাথে আরেকটা লেগে থাকে। আমার ধারণা ছিল স্টিকি ভাত কাঠি দিয়ে সহজে খাওয়া যায় বলেই জাপানিজরা এটা এত পছন্দ করে।<br />
আমার সাত বছরের জাপান জীবনে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257983"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257983/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3ff81cfaaf643c8782a74fb30a419db6</guid>
				<title>বৃক্ষমানব
----------------
মানুষের মধ্যে বৃক্ষভাব প্রবল। সেই জন্যই হয়তো কিছু কিছু মানুষকে বৃক্ষমানব বলে মনে করা হয়। বৃক্ষের মতো বৃক্ষমানবদেরও শেকড় থাকে। এদেরকে এক জায়গা থেকে উপড়ে  অন্য জায়গায় বসিয়ে দিলে শেকড় ছড়িয়ে অনায়াসে জায়গা করে নিতে পারে তারা। এ ধরনের মানুষের ডালে বসে অনেকে আশ্রয় খোঁজে, পাখিদের মতো। এদের ছায়ায় এসে অনেকে প্রশান্তি লাভ করে, শ্বাপদের মতো। এদের হাত পা ভেঙ্গে অনেকেই নিজের বিশ্রামের আয়োজন করে, পাহাড়ি গরিলাদের মতো। বৃক্ষের মতো বৃক্ষমানবেরাও সব কিছু সয়ে যায় নীরবে। অনুযোগহীন। দুঃখের ব্যাপার হলো, দিনে দিনে উজাড় হয়ে যাওয়া বনভূমির দীর্ঘতর বৃক্ষদের মতো বৃক্ষমানবেরাও হারিয়ে যাচ্ছে অতি দ্রুত। ক্ষুদ্র আর বিষাক্ত পরগাছারা সাম্রাজ্য বিস্তার করছে আজ!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257891/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 20:45:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃক্ষমানব<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
মানুষের মধ্যে বৃক্ষভাব প্রবল। সেই জন্যই হয়তো কিছু কিছু মানুষকে বৃক্ষমানব বলে মনে করা হয়। বৃক্ষের মতো বৃক্ষমানবদেরও শেকড় থাকে। এদেরকে এক জায়গা থেকে উপড়ে  অন্য জায়গায় বসিয়ে দিলে শেকড় ছড়িয়ে অনায়াসে জায়গা করে নিতে পারে তারা। এ ধরনের মানুষের ডালে বসে অনেকে আশ্রয় খোঁজে, পাখিদের মতো। এদের ছায়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257891"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257891/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e4490aa7120635e8ce5d3fd4d7346747</guid>
				<title>ক্যাকটাস ধুলোমেঘ
-----------------------------
তোর চোখের জলের বৃষ্টির দিন
হৃদয় ভাঙ্গা সৃষ্টির রাত পেছন ফেলে
কি আসে যায় একটু ব্যথা বুকে চেপে
হাতের উপর হাতটি রেখে
পায়ের সাথে পা মিলিয়ে
আরেকটু পথ সঙ্গী হলে
কি আসে যায়...................</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257410/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Jul 2026 19:15:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ক্যাকটাস ধুলোমেঘ<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
তোর চোখের জলের বৃষ্টির দিন<br />
হৃদয় ভাঙ্গা সৃষ্টির রাত পেছন ফেলে<br />
কি আসে যায় একটু ব্যথা বুকে চেপে<br />
হাতের উপর হাতটি রেখে<br />
পায়ের সাথে পা মিলিয়ে<br />
আরেকটু পথ সঙ্গী হলে<br />
কি আসে যায়&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b1e4c6095ddaef76eef7bf7b135fea15</guid>
				<title>প্রসংগ - কবি ও কবিতা 
---------------------------------
&quot;সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি&quot;। সমস্যা হল সকলেই কবি হতে চায়। কেন চায়? কবিতা লেখা খুব সহজ তাই? অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য? নাকি বাংগালী মাত্রই কবি? আর, সকলেই যদি কবি হয়ে যায় তাহলে কবিতার পাঠক কে হবেন? সমালোচক কে হবেন? নানা প্রশ্ন, নানা জিজ্ঞাসা। উত্তর জানা নেই কারো। থাকুক। আমি নিজের কথাটুকু বলি। সকলেই কবি নয়। নির্ঘাৎ। আজকের বাংগালী সমাজে মূলতঃ দুই শ্রেণীর মানুষ রয়েছে কবিতাকে ঘিরে। এক শ্রেণীর মানুষ কবিতা সম্পর্কে কিছুই জানেন না। নিজেদের অজ্ঞতার কারনে এরা কবিতা পড়েন না, কবিতা শোনেন না, এবং নিজের অজ্ঞতা ঢাকতে গিয়ে এরা কবিতার দুর্বোধ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আর করেন অহেতুক সমালোচনা। আরেক শ্রেণীর মানুষ রয়েছে যারা কবিতা পড়েন এবং লেখেন। এর ভেতরে আবার এক শ্রেনীর মানুষ ভালোভাবে কোনোকিছু না বুঝেই কবিতা পড়েন এবং লেখেন। আর অতি ক্ষুদ্র একটি শ্রেণীর মানুষ আছে যারা কবিতা পড়া এবং লেখার কাজটি করেন ভালোভাবে বুঝে শুনে। শেষের এই ক্ষুদ্র শ্রেণী ব্যতীত আর কেউই কবি হওয়ার প্রাথমিক যোগ্যতা সম্পন্ন নয়। কেনো নয়? সেকথাই বলা যাক। প্রথম ভাগের মানুষ যারা কবিতা পছন্দই করেন না, তাদের নিয়ে কিছু বলার নেই। কি বলব? যদিও এদের ভেতরেও কেউ কেউ মাঝে মাঝে কবি হয়ে যেতে চান। দ্বিতীয় ভাগের প্রথম শ্রেণির মানুষ, যারা না বুঝেই কবিতা পড়েন এবং লেখেন, সর্বনাশের কাজটি করেন এরাই। ইনারা জানেন না যে - পদ্য, ছড়া এবং কবিতা এক জিনিস নয়। বিশেষ করে আধুনিক কবিতা। স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত আর অক্ষরবৃত্ত চিনে নিলেই কবিতা হয়ে যায় না। এতে অংক কষা হতে পারে, কবিতা নয়। এর ভেতরে আবার অনেকেই মনে করেন অন্তমিল দেয়াই হল কবিতার মূল মুন্সিয়ানা। আর তাই আজকাল আমরা দেখতে পাচ্ছি ভুরি ভুরি নবীন কবি আমের সংগে জাম, আমির সংগে তুমি মিলিয়ে কবিতা লিখে ভরিয়ে ফেলছেন আর দুঃখ করে বেড়াচ্ছেন কেনো তাদের স্বীকৃতি মিলছে না। এদের সংগে আছেন আধুনিক গদ্য কবিতা সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ আর উদাসীন একটি শ্রেণী। কি বলব !
প্রথমতঃ আজকের দিনে একজন কবি ও কবিতার পাঠককে ভালো করে জানতে হবে কবিতার বিবর্তন এবং আবেগ সম্পর্কে।  বিশেষ করে ষাটের দশকের কবিতা আন্দোলন সম্পর্কে। যে সময় আবির্ভাব হয়েছিল হাংরি, স্যাড ও এংরি জেনারেশনের। যে আন্দোলনের ম্যানুফেষ্টোতে বলা হয়েছিল কবিতার রয়েছে নিজস্ব স্বাধীনতা, প্রবাহমানতা। কবিতা কোনো গোষ্ঠী বা শ্রেণীর কাছে দাসখত দিয়ে তাদের গোলাম হয়ে যায়নি। কবিতার প্রকাশভংগিতে কারো প্রেস্ক্রিপশন গ্রহনযোগ্য নয়। এমনকি যতিচিহ্ন ব্যবহারেও থাকতে হবে কবিতার স্বাধীনতা। তাছাড়া বাক্যগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পদ্য লেখা যেতে পারে, কবিতা নয়। একটি সহজ উদাহরণ দেয়া যাক। আমি ভাত খাই। এটি একটি বাক্য, ঠিক আছে, এটি দিয়ে পদ্যও হতে পারে, কিন্তু কবিতা নয়। কবিতায় দ্যোতনা থাকতে হবে, আবেগ থাকতে হবে, আরো থাকতে হবে বাক্যতত্ত্বকে ভেংগে দেয়ার প্রক্রিয়া। সেটা কেমন? আমি ভাত খাই, এই বাক্যটি দিয়েই উদাহরণ দেয়া যাক। যেমন বলা হল, ভাত আমাকে খায়। বাক্য গঠন প্রক্রিয়ায় এটি একটি ভুল বাক্য। কিন্তু কবিতা নির্মানে, এটিই সঠিক। দীর্ঘ আলোচনায় যেতে চাইছি না এখন। একটি কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আপাতত শেষ করব। একজন কবিকে মনে রাখতে হবে কেন তিনি কবিতা লিখছেন। শত শত বছর ধরে যে কথাগুলো বলা হয়েছে, একজন কবি কেন আবার তা বলতে যাবেন? লিখতে যাবেন? একজন কবির দায় কোথায়? এক্ষেত্রে পার্সি ও উর্দু কবি মির্জা গালিব কে স্মরণ করছি। গালিব কেন শায়েরি বলেন (সে সময় কবিতা বলা হত, আজকাল লেখা হয়) এর উত্তরে বলেছিলেন - শায়েরি বলার জন্য আমি যখন উঠে দাড়াই, শব্দেরা তখন আমার পায়ের কাছে এসে করজোড় মিনতি করে বলে, গালিব, তুমি আমাদেরকে নতুন কিছু অর্থ দান কর। সেইসব বহু ব্যবহারে ক্লান্ত, চর্চিত, জীর্ণ, ক্লীষ্ট শব্দমালা, বেচে থাকার জন্য নিজেদের নতুন অর্থ খোঁজে তারা। একজন কবির প্রধানতম কাজ শব্দের এই নতুন অর্থ প্রদান করা। যিনি তা করতে পারবেন, তিনিই কবি।
অনেক কথা বলার বাকি রইল। হয়তো পরে বলব, যদি মনে পড়ে। সেই কথাটি বলেই আপাতত শেষ করছি - সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256867/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Jul 2026 06:21:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রসংগ &#8211; কবি ও কবিতা<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
&#8220;সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি&#8221;। সমস্যা হল সকলেই কবি হতে চায়। কেন চায়? কবিতা লেখা খুব সহজ তাই? অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য? নাকি বাংগালী মাত্রই কবি? আর, সকলেই যদি কবি হয়ে যায় তাহলে কবিতার পাঠক কে হবেন? সমালোচক কে হবেন? নানা প্রশ্ন, নানা জিজ্ঞাসা। উত্তর জানা নেই কারো। থাকুক।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256867"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256867/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e50ea54b18b8deb68a7cf24c8b4091a2</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256491/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jul 2026 11:08:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e13d8b2fab51d40135953950c0e247c6</guid>
				<title>জীবন
-----------------
মাঝে মাঝে ভুলে যাই মানুষ আমি
মাঝে মাঝে ভাবি কেন বেঁচে থাকা
তবু, ভোর আসে প্রতিদিন ভোর হলে
অকারণ জীবনের ছবি আঁকা......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256175/</link>
				<pubDate>Tue, 30 Jun 2026 23:35:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবন<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
মাঝে মাঝে ভুলে যাই মানুষ আমি<br />
মাঝে মাঝে ভাবি কেন বেঁচে থাকা<br />
তবু, ভোর আসে প্রতিদিন ভোর হলে<br />
অকারণ জীবনের ছবি আঁকা&#8230;&#8230;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a30302df9eaf1dcf412e36e253c01ff1</guid>
				<title>বাংগালীর হীনমন্যতা 
----------------------------
হীনমন্য বাংগালীর হীনমন্যতা (Inferiority Complex) নিয়ে কেন আমি হঠাৎ চিন্তায় পড়ে গেলাম? প্রশ্ন উঠতেই পারে। আসলে হঠাৎ করে চিন্তায় পড়িনি৷ বহুদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে ভাবছি। কিছু কিছু জিনিস এতো নির্লজ্জভাবে চোখের সামনে দেখতে পাই যে চোখ-কান-নাক চেপে রেখেও সেসব থেকে নিজের ভাবনা চিন্তাগুলোকে রক্ষা করতে পারি না। প্রশ্ন হলো বাংগালীর কোন হীনমন্যতা নিয়ে কথা বলব। এদের হীনমন্যতার তো শেষ নেই!! যাই হোক, আজ বলতে চাইছি বাংগালীর নিজেকে নিয়ে হীনমন্যতার কথা। পৃথিবীর আর কোন জাতিগোষ্ঠী নিজেকে নিয়ে এতোটা হীনমন্যতায় ভোগে কিনা আমার সন্দেহ আছে। এমন কি কালোরাও নয়। বাংগালী তার পোষাক নিয়ে, নিজের গায়ের রঙ নিয়ে, নিজের উচ্চতা নিয়ে, নিজের ভাষা নিয়ে, নিজের আঞ্চলিকতা নিয়ে, নিজের যোগ্যতা নিয়ে, সবচাইতে বেশি নিজের চেহারা নিয়ে এতোটাই হীনমন্যতায় ভোগে যে মাঝে মাঝে তা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। এতোটাই যে, আমি নিজে বাংগালী হওয়ার কারণে নিজেও একধরনের  হীনমন্যতায় ভূগি। কথা হলো আমি কেমন করে নিশ্চিত হই বাংগালীর এইসব হীনমন্যতার ব্যাপারে। কোন বিচারে? সহজ উত্তর হলো, বাংগালী তার এইসব হীনমন্যতার প্রকাশ ঘটায় অপরকে ছোট করার চেষ্টার মাধ্যমে, অতি নির্লজ্জের মতো, অপরকে Tease করার মাধ্যমে৷ সহজ কথায় অপরকে নিয়ে টিটকারি করার মাধ্যমে। একটা উদাহরণ দেয়া যাক, বাকিগুলো আপনারা বুঝে নেবেন। যেসব বাংগালী বা যারা সুন্দর করে প্রমিত বাংলায় কথা বলতে পারে না, তারা, যারা সুন্দর বাংলায় কথা বলেন তাদের প্রতি চরম হীনমন্যতায় ভোগেন।  এই হীনমন্যতার কারণে এরা সেই লোকগুলোকে প্রশংসা করার বদলে তাদেরকে নিয়ে, তাদের ভাষা নিয়ে কটুক্তি করে এক ধরনের বিকৃত আনন্দ লাভ করেন, এক ধরনের প্রশান্তি লাভ করেন। প্রমিত বাংলায় কথা বলা লোকজনকে এরা নদিয়া, শান্তিপুরি, ক্যালক্যাশিয়ান বলে ডাকেন কিংবা তাদের কথা বলাকে বলেন ঢং!! এভাবে সে তার চাইতে উচ্চতর, যোগ্যতর কাউকে দেখতে পেলেই চরম হীনমন্যতায় ভোগেন আর নানা কটুক্তি করার মাধ্যমে নিজের হীনমন্যতার বহিঃপ্রকাশ ঘটান। অথচ সভ্য মানুষেরা এক্ষেত্রে সাধারণত অপরকে প্রশংসা করে থাকেন। কারণ তারা জানেন, অপরকে ছোট করার মাধ্যমে কেউ নিজে বড় হতে পারে না। 
বাংগালী একদিন সভ্য জাতি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করবে, সেই প্রত্যাশায়....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/255325/</link>
				<pubDate>Tue, 23 Jun 2026 09:52:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাংগালীর হীনমন্যতা<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
হীনমন্য বাংগালীর হীনমন্যতা (Inferiority Complex) নিয়ে কেন আমি হঠাৎ চিন্তায় পড়ে গেলাম? প্রশ্ন উঠতেই পারে। আসলে হঠাৎ করে চিন্তায় পড়িনি৷ বহুদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে ভাবছি। কিছু কিছু জিনিস এতো নির্লজ্জভাবে চোখের সামনে দেখতে পাই যে চোখ-কান-নাক চেপে রেখেও সেসব থেকে নিজের ভাবনা চিন্তাগুলোকে রক্ষা কর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-255325"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/255325/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0e191bcb385ee530851c76f9b5db38da</guid>
				<title>রোদভাঙ্গা মেঘ

কোনোদিন আসিস যদি ভুল করে আমার আঙ্গিনায়
দেখা হবে, বলে গেল চল্লিশে দেখা পাওয়া
শৈশবে হারিয়ে যাওয়া মায়াবি রমনী
বুকের ভেতরে কাঁপন ধরিয়ে
আহা এক বাইসন যেন বুনো উল্লাসে লণ্ডভণ্ড করে দিলো
স্মৃতির সাজানো সজনে বাগান, ধানক্ষেত, কুমড়ো ডাটার ঝার
ত্বরিত চৈতি ঝড়ের পালক নেড়ে
মাথার আঁচল আলতো করে সরিয়ে ফের
ধূসর ধূলিঝড় তুলে হারিয়ে গেল
দূরতম কোনো রহস্যময় দ্বীপের নিমগ্ন সীমানায়
শরীরের অস্থিমজ্জায় অবিরাম শুনি এক নিঃসঙ্গ ডাহুকের গান
কত রাতজাগা মগ্নতা আর, আর কত অভিমান?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254684/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Jun 2026 07:26:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রোদভাঙ্গা মেঘ</p>
<p>কোনোদিন আসিস যদি ভুল করে আমার আঙ্গিনায়<br />
দেখা হবে, বলে গেল চল্লিশে দেখা পাওয়া<br />
শৈশবে হারিয়ে যাওয়া মায়াবি রমনী<br />
বুকের ভেতরে কাঁপন ধরিয়ে<br />
আহা এক বাইসন যেন বুনো উল্লাসে লণ্ডভণ্ড করে দিলো<br />
স্মৃতির সাজানো সজনে বাগান, ধানক্ষেত, কুমড়ো ডাটার ঝার<br />
ত্বরিত চৈতি ঝড়ের পালক নেড়ে<br />
মাথার আঁচল আলতো করে সরিয়ে ফের<br />
ধূসর ধূলিঝড় তুলে হারিয়ে গে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254684"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254684/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">812050b124c1f9d380a22c6b37c4b394</guid>
				<title>স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তা
---------------------------
স্বাধীনতা বলতে কি বুঝি আমরা। উইকিপিডিয়ার সংজ্ঞাই দেখা যাক। Freedom is often associated with liberty and autonomy in the sense of &quot;giving oneself their own laws&quot;, and with having rights and the civil liberties with which to exercise them without undue interference by the state. এখানে আরো বলা হয়েছে Freedom include freedom of assembly, freedom of association, freedom of choice, and freedom of speech. বেশ। ভাল কথা। কিন্তু আমরা কি দেখেছি?  আমরা দেখেছি যে স্কুলে আমাদেরকে শেখানো হচ্ছে, স্বাধীনতা মানে স্বেচ্ছাচারিতা নয়। স্বাধীনতা মানে এই নয়, যা মুখে আসবে তাই বলা যাবে। মেনে নিলাম। স্বাধীনতা মানে স্বাধীনতা হলেও আমাদেরকে তা বুঝেশুনে ব্যবহার করতে হবে। তাই তো? তাছাড়া আমরা জানলাম যে freedom of speech স্বাধীনতার একটি অন্যতম অনুষঙ্গ। এই freedom of speech এর সাথে সম্পর্কিত একটি বিষয় হলো Freethought বা মুক্তচিন্তা। কারণ মুক্তচিন্তা ব্যতীত freedom of speech দিয়া আমরা কি করিব? দেখা যাক মুক্তচিন্তা সম্পর্কে উইকিপিডিয়া কি বলেছে। Freethought holds that beliefs should not be formed on the basis of authority, tradition, revelation, or dogma. আচ্ছা। আরো বলা হয়েছে In some contemporary thought in particular, free thought is strongly tied with rejection of traditional social or religious belief systems. আহা!! মুক্তচিন্তা মানে আপনাকে সামাজিক ঐতিহ্য আর ধর্মীয় বিশ্বাসের বিরুদ্ধে চিন্তা করতে হবে, কথা বলতে হবে। এখানে logic, reason, and empirical observation টানা যাবে না। কি মধুর বাণী। কি স্ববিরোধীতা!! এখন কথা হচ্ছে আমাদেরকে কারা এইসব শেখাচ্ছেন? যারা শেখাচ্ছেন তারা নিজেরাই কি এই স্ববিরোধীতা মেনে চলেন? সবচাইতে বড় প্রশ্ন হলো - তারা আসলে কারা??</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254526/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Jun 2026 20:09:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তা<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
স্বাধীনতা বলতে কি বুঝি আমরা। উইকিপিডিয়ার সংজ্ঞাই দেখা যাক। Freedom is often associated with liberty and autonomy in the sense of &#8220;giving oneself their own laws&#8221;, and with having rights and the civil liberties with which to exercise them without undue interference by the state. এখানে আরো বলা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254526"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254526/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5e9fa1166f349a752c6528762f295fd8</guid>
				<title>সাম্প্রদায়িকতা ও বাংলাদেশ
-----------------------------
ধর্ম নিয়ে ব্যবসা, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি, ধর্মান্ধতা বা ধর্মীয় উগ্রবাদ যাই বলি না কেন, ভারতবর্ষে এই বিষবাষ্প বিকিরণ হচ্ছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। ভারতবর্ষ ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়েছে সত্যি, কিন্তু ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হয়নি আজো। আমরা শিক্ষিত হচ্ছি, আমরা বিত্তবান হচ্ছি এবং সাথে সাথে আমরা অসভ্য হচ্ছি। কিন্তু হওয়ার কথা ছিল উল্টো। শত শত বছর আগে ইউরোপীয়রা ধর্মকে অস্ত্র বানিয়েছিল রাজ্য দখল ও রাজ্য শাসনের হীন স্বার্থে। তাদেরকে অনুসরণ করেছিল মধ্যপ্রাচ্য ও দূরপ্রাচ্যের দেশগুলো। ভারতবর্ষ সেখান থেকে নিজেকে আলাদা রাখবে কি করে? ইতিহাসের দীর্ঘতম সময় ধরে ভারতবর্ষ শাসিত হয়েছে কররাজ্য এবং কলোনি হিসেবে। যদিও মগ, পর্তুগিজ কিংবা ব্রিটিশরা ভারতবর্ষে এসেছিল শুধুই বানিজ্যিক উদ্দেশ্যে, ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে নয়, তদুপরি ভারতবর্ষ কখনোই তাদের সামন্তবাদী প্রভুদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে অত্মস্ত করতে পিছু পা হয়নি। মনিবকে অনুসরণ করার চিরকালীন মানসিক হীনমন্যতা আরকি! আধুনিক ও ভবিষ্যত পৃথিবীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় ধর্ম কোনো নিয়ামক শক্তি হতে পারে না, একথা ইউরোপ বুঝে গিয়েছিল অনেক দিন আগেই, আর তাই তারা তাদের সংবিধানকে সংশোধন করেছিল এবং রাষ্ট্রকে ঘোষণা করেছিল ধর্মনিরপেক্ষ হিসেবে। বলাবাহুল্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ও কমিউনিজমের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে শেষপর্যন্ত ভারতবর্ষও হেটেছে সেই পথেই। দুঃখের বিষয় হলো সেক্যুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতার যে সংজ্ঞা ইউরোপ বা আমেরিকা প্রণয়ণ করেছিল এবং তাদের সংবিধানে সংযোজন করেছিল, সেই সংজ্ঞায় তারা নিজেরাই নিজেদেরকে সংশোধিত করতে পারেনি। আর পারেনি বলেই আজো পৃথিবীতে ধর্মের নামে ভূমি দখল হয়, সম্পদ লুট হয় আর হয় রাজনীতি। সেই রাজনীতি থেকে খোদ আধুনিক ইউরোপ বা আমেরিকা নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারেনি। তাহলে ভারতবর্ষ পারবে কি করে? না পারেনি। হয়তো পারবেও না। তবুও নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে। নিজেদের সঙ্গে আমাদেরকে বুঝতে হবে। কেননা, ভারতবর্ষ এখন আর একক সত্ত্বা নয়। ভারতবর্ষ ভেঙ্গে হিন্দু মেজরিটির ভারত এবং মুসলমান মেজরিটির পাকিস্তান ও বাংলাদেশ হয়ে গেছে আজ বহুদিন হলো। একবিংশ শতাব্দির এই সময়ে এসে এখন আমাদেরকে বাংলাদেশ হিসেবে নিজেদেরকে চিন্তা করতে হবে একক ভাবে। আমাদের নিজেদেরকে প্রশ্ন করতে হবে। আমরা কি এখনো আমাদের ইউরোপীয় প্রভূদের পা চাটব? মধ্যপ্রাচ্যকে আমাদের নতুন প্রভূর আসনে বসিয়ে দেব? গুজরাটি হিন্দু দুষ্কৃতিকারী ও তাদের অসভ্য অনুসারীদেরকে আমাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাড় করাব? নাকি আমরা নিজেরাই পৃথিবীকে ধর্মনিরপেক্ষতার নতুন সংজ্ঞা ব্যাখ্যা করে দেখাব? নিজেরাই পৃথিবীর জন্য দৃষ্টান্ত হব?? বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত  তার বিখ্যাত &quot;কপালকুন্ডলা&quot; উপন্যাসে বলেছিলেন - &quot;তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?&quot; আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো বঙ্কিমচন্দ্র নিজে একজন ধর্মীয় উগ্রবাদী চিন্তার ধারক এবং বাহক ছিলেন।  বঙ্কিম অধম ছিলেন, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?
বাংলাদেশ হোক ধর্মীয় সহনশীলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, এ দেশের বুকে শান্তি আসুক নেমে, এই কামনায়....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252581/</link>
				<pubDate>Sun, 31 May 2026 15:03:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাম্প্রদায়িকতা ও বাংলাদেশ<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
ধর্ম নিয়ে ব্যবসা, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি, ধর্মান্ধতা বা ধর্মীয় উগ্রবাদ যাই বলি না কেন, ভারতবর্ষে এই বিষবাষ্প বিকিরণ হচ্ছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। ভারতবর্ষ ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়েছে সত্যি, কিন্তু ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হয়নি আজো। আমরা শিক্ষিত হচ্ছি, আমরা বিত্তবান হচ্ছি এবং সাথে সাথে আমরা অসভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252581"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252581/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea4d347989979ab27c3e16d3dcfc6a23</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252271/</link>
				<pubDate>Thu, 28 May 2026 09:10:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">245395c7ace55c354e81d38eb9a3f4c5</guid>
				<title>আনিস কবির changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252261/</link>
				<pubDate>Thu, 28 May 2026 08:26:11 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">12ccf6ba5139f8853050bdd17471053f</guid>
				<title>যাতায়াত

তোমার ছায়া পড়ে আজো আমার অস্তিত্বের নিগূঢ় নৈকট্যে
জ্যোৎছনার ঔজ্জল্য ফোটে আজো শব্দের বন্ধনহীন বিশ্বাসে
কিছু গ্লানি, কিছু ভুলস্বপ্নে কাটে বিভ্রান্ত সময়
অনন্তের পানে তাকিয়ে থাকা রক্তগোলাপ চোখ আমার
শরীর ছুঁয়ে স্পর্শকাতর জাগতিক ভগ্নরেখা
অভিমানী লোনাজলে ভেসে থাকে খুব নিঃসঙ্গ হৃদয়
তবুও কিছু পরিপূর্ণ সুখের পায়রা ওড়ে বিষণ্ন সন্ধ্যায়
তবুও দারুন দুঃসাহসে ফিরে আসি বারেবার
এসে দেখি তোমার অবসন্নতা জুড়ে ক্ষুধার্ত জন্মের স্পর্ধিত কড়িকাঠ
বৃক্ষের সংসারে অদৃশ্য গুল্মলতার উর্ধ্বমুখী মিছিল
আমি ফিরে যাই...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251873/</link>
				<pubDate>Tue, 26 May 2026 23:50:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যাতায়াত</p>
<p>তোমার ছায়া পড়ে আজো আমার অস্তিত্বের নিগূঢ় নৈকট্যে<br />
জ্যোৎছনার ঔজ্জল্য ফোটে আজো শব্দের বন্ধনহীন বিশ্বাসে<br />
কিছু গ্লানি, কিছু ভুলস্বপ্নে কাটে বিভ্রান্ত সময়<br />
অনন্তের পানে তাকিয়ে থাকা রক্তগোলাপ চোখ আমার<br />
শরীর ছুঁয়ে স্পর্শকাতর জাগতিক ভগ্নরেখা<br />
অভিমানী লোনাজলে ভেসে থাকে খুব নিঃসঙ্গ হৃদয়<br />
তবুও কিছু পরিপূর্ণ সুখের পায়রা ওড়ে বিষণ্ন সন্ধ্যায়<br />
তবুও দা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-251873"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/251873/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">be8603f4f6448dfd42472771aeee514a</guid>
				<title>আনিস কবির changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251872/</link>
				<pubDate>Tue, 26 May 2026 23:42:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>