<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | আনিস কবির | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/aniskabir/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/aniskabir/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for আনিস কবির.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 22 Oct 2026 20:45:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">08ad566f5eba283008f06b3b90ef3793</guid>
				<title>অপেক্ষা 
------------------------------------------
তোমার জন্য দাঁড়িয়ে থাকি প্রতি সন্ধ্যায় নির্জনতায় 
শুন্য চোখে তাকিয়ে থাকি জানালার শিকে দু’হাত রেখে
তোমার জন্য প্রতিটি বিকেল ব্যকুল ভীষণ অস্থিরতায়
সন্ধ্যে নামাই চিলেকোঠায় আবির আলোর গন্ধ মেখে 

তোমার জন্য বুকের জমিন ভীষণ খরায় চৌচির দিন
সঙ্গতিহীন একটি ঘরের চার দেয়ালের স্বপ্ন আঁকি
তোমার জন্য বিবশ দুপুর বিষণ্ণ রাত সঙ্গীবিহীন
আলোহীন ঘর শুন্য বাসর বেহুলার শোকে মগ্ন থাকি

তোমার জন্য একটি আকাশ একটি আলোর মশাল জ্বেলে
আমি একদিন যাবই চলে অপেক্ষার এই জীবন ফেলে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/285705/</link>
				<pubDate>Sun, 18 Oct 2026 18:10:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অপেক্ষা<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
তোমার জন্য দাঁড়িয়ে থাকি প্রতি সন্ধ্যায় নির্জনতায়<br />
শুন্য চোখে তাকিয়ে থাকি জানালার শিকে দু’হাত রেখে<br />
তোমার জন্য প্রতিটি বিকেল ব্যকুল ভীষণ অস্থিরতায়<br />
সন্ধ্যে নামাই চিলেকোঠায় আবির আলোর গন্ধ মেখে </p>
<p>তোমার জন্য বুকের জমিন ভীষণ খরায় চৌচির দিন<br />
সঙ্গতিহীন একটি ঘরের চার দেয়ালের স্বপ্ন আঁকি<br />
তোমার জন্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-285705"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/285705/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">407bc0fb5e1039247936714688bde46a</guid>
				<title>ফোন কল
------------------------------------
আজকাল ফোন করলে অনেকেই রিসিভ করেন না
মানে ফোন করলে উত্তর দেন না
কেন দেন না, কে জানে...
হয়তো তাদের কাছে কোনো উত্তর নেই
কিংবা উত্তর দেবার প্রয়োজন বোধ করেন না তারা
আমি কিন্তু উত্তর পেয়ে যাই তৎক্ষণাৎ 
উত্তর পেতে আমাকে কসরত করতে হয় না কখনো
কিংবা অপেক্ষা, কারণ আমি জানি --
Not answering a phone call is an answer</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/281037/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 21:31:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফোন কল<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
আজকাল ফোন করলে অনেকেই রিসিভ করেন না<br />
মানে ফোন করলে উত্তর দেন না<br />
কেন দেন না, কে জানে&#8230;<br />
হয়তো তাদের কাছে কোনো উত্তর নেই<br />
কিংবা উত্তর দেবার প্রয়োজন বোধ করেন না তারা<br />
আমি কিন্তু উত্তর পেয়ে যাই তৎক্ষণাৎ<br />
উত্তর পেতে আমাকে কসরত করতে হয় না কখনো<br />
কিংবা অপেক্ষা, কারণ আমি জানি &#8212;<br />
Not answering a phone call is an answer</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7ee68069d9272e0583363ed967e8d05e</guid>
				<title>প্রসঙ্গ - নারীর ভালবাসা
--------------------------------------------
আত্মজীবনী লেখার সুযোগ যদি ঘটে কোনোদিন, এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত লিখব। কেউ পড়ুক বা না পড়ুক। আজ ছোট করে বলি। আমাদের সকলের জীবনেই (পুরুষদের কথা বলছি) নারী ভালবাসার প্রাপ্তি ঘটে আবশ্যম্ভাবীরূপে। মায়ের ভালবাসা থেকে যার শুরু। অতঃপর বন্ধু, সহকর্মী, প্রেমিকা, স্ত্রী, পার্টনার, যৌনসঙ্গী এবং আরো কতো পরিচয়েই না আমাদের জীবনে নারীর আগমন ঘটে, আগমন ঘটে নারীর ভালবাসা। আমরা প্রকাশ্যে কখনো তা স্বীকার করি, কখনো করি না। স্বীকার করি বা না করি, নারীর ভালবাসা আমাদের পুরুষদের জীবনে ঘটতেই থাকে। অবচেতন মনে সব পুরুষের গোপন সাধনা হল, নারীর ভালবাসা প্রাপ্তি। আমার জীবনেও এটা ঘটেছে বিভিন্ন পর্যায়ে। স্বাভাবিক নিয়মে। এ প্রসঙ্গ থাক। যে কারণে আজকে এই প্রসঙ্গটির অবতারণা সেটি বলা যাক। স্পেশাল বা বিশেষ বলে একটি কথা আছে। তেমনি, সারা জীবনভর আমরা যত নারীর ভালবাসাই পাই না কেনো, এর ভেতরে স্পেশাল বলে সবারই কিছু থাকে। প্রকাশ্যে বিবাহিত একজন পুরুষকে জিজ্ঞেস করা হলে, সত্য মিথ্যা যাই হোক সে তার স্ত্রীর কথাই বলবে। বড়জোর উচ্চমার্গীয় ভাব এনে মায়ের কথা বলতে পারে। এর ভেতরে সততা, অসততা দুই&#039;ই থাকতে পারে। অস্বীকার করছি না। আমাকে জিজ্ঞেস করা হলে আমি নির্দ্বিধায় যার কথা বলব, সে আমার অজানা অচেনা হারিয়ে যাওয়া দরিদ্র এক বোন। ঘটনাটি সংক্ষেপে বলি। তখন আমার বয়স কতো? তিন মাস পর এস.এস.সি ফাইনাল পরীক্ষা দেব। স্কুলের ক্লাস শেষ হয়ে গেছে। টিউশনি আর প্রাইভেট পড়া চলছে। সময়টা ছিল এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময়। উত্তাল সময়। মাঝে মাঝেই হরতাল হয়। ভাংচুর হয়।  আমাদের বাসস্টপেজ থেকে স্কুল এক স্টপেজ দূর। সকালবেলা এমনিতেই বাসে উঠতে সমস্যা হতো, তারপর যখন হরতাল ডাকা হতো, বুঝতেই পারছেন। তো, দিনটি ছিল তেমনি এক হরতালের দিন। আমাকে যেতে হবে প্রাইভেট পড়তে, স্কুলের এক শিক্ষকের বাসায়। বাসস্ট্যান্ডে এসে দেখি কিছু নেই, ওদিকে দেরি হয়ে যাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর ভীরবোঝাই একটি বি.আর.টি.সি বাস এলো। বয়স তখন অল্প, তেমন কিছু না ভেবে হাতল ধরে ঝুলে পড়লাম। একটা স্টপেজেরই তো ব্যাপার। এই ভেবে রওনা দিলাম।  কিন্তু সেটা ছিল আমার ভুল ভাবনা। আমি হাতল ধরে ঝুলে থাকতে পারলাম না শেষ পর্যন্ত। স্টপেজে পৌঁছানোর ২০০গজ আগে হাত পিছলে পড়ে গেলাম, প্রথমে রাস্তার উপর, তারপর গড়িয়ে রাস্তার পাশে ঘাসের উপর। বড় যে ক্ষতিটা হল - আমার মুখের বা পাশের চামড়া উড়ে গেল রাস্তার উপর পড়ার সাথে সাথে। শরীরের বা পাশে আরো আঘাত পেলাম। কিন্তু মুখের আঘাতটাই ছিল বেশী। আমি রাস্তার পাশে পড়ে আছি। সংজ্ঞা হারাইনি, তাই মানুষের ছুটে আসা শুনতে পাচ্ছি। কিন্তু মানসিক শক পাওয়ার কারণে কথা বলতে পারছি না। সারা মুখ রক্তে ভেসে যাচ্ছে, তাই দেখতে পাচ্ছি না। সেই সময়, হরতালের কারণে বাসে উঠতে না পারা গার্মেন্টস এর মহিলা কর্মীরা হেটে হেটে ওই পথ দিয়ে যাচ্ছিল, তাদের কয়েকজন আমার কাছে ছুটে এলো। একজন পরম মমতায় আমার মাথাটি তার কোলে তুলে নিলো, তাকে বলতে শুনলাম - আহারে...আমার ভাইটার কি হইল...কেমন কইরা হইল...। তারপর তিনি তার হ্যান্ডব্যাগ থেকে মলম জাতীয় কিছু একটা বের করে আমার মুখের বা পাশের ক্ষতের উপর লাগিয়ে দিলেন। তারপরের ঘটনা, কেমন করে দু&#039;একজন আমাকে চিনতে পারলো এবং অবশেষে আমি হাসপাতাল পৌছেছিলাম, সেসব আজ বলব না। আজ শুধু বলতে চাই, আমার দরিদ্র গার্মেন্টস কর্মী সেই বোনটির কথা। সারা জীবন দেশে, দেশের বাইরে অসংখ্য নারীর ভালবাসা পেয়েছি, হয়তো ভবিষ্যতেও পাব। কিন্তু, আমার অজানা অচেনা সেই বোনটির এক মূহুর্তের পরম ভালবাসাই আমার জীবনের বিশেষ কিছু। স্পেশাল। আমি কোনোদিন ভুলিনি। কোনোদিন ভুলবনা। সুস্থ হওয়ার পর আমি একা একা ওই পথে অনেকদিন দাঁড়িয়ে থেকেছি, অনেক কে জিজ্ঞেস করেছি। কিন্তু তাকে আমি খুজে বের করতে পারিনি। আজ, সেই ঘটনার ৩৫ বৎসর পর সে কোথায় আছে কেমন আছে জানিনা। আমি শুধু প্রতিনিয়ত তার মঙ্গল কামনা করি। শুনবে না জানি, তবু মনে মনে বলি, প্রিয় বোন আমার....যেখানেই থাকো....ভালো থেকো....সুখে থেকো</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272067/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 12:16:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রসঙ্গ &#8211; নারীর ভালবাসা<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
আত্মজীবনী লেখার সুযোগ যদি ঘটে কোনোদিন, এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত লিখব। কেউ পড়ুক বা না পড়ুক। আজ ছোট করে বলি। আমাদের সকলের জীবনেই (পুরুষদের কথা বলছি) নারী ভালবাসার প্রাপ্তি ঘটে আবশ্যম্ভাবীরূপে। মায়ের ভালবাসা থেকে যার শুরু। অতঃপর বন্ধু, সহকর্মী, প্রেমিকা, স্ত্রী, পার্টনার, যৌনসঙ্গ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272067"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272067/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6e14190e2aa9e6cc85a466f8ad2327d1</guid>
				<title>অতঃপর
--------------------------
কিছু দুঃখ রয়ে যায়
কিছু স্মৃতি, কিছু ভয়, দেয়ালের চেনা ক্ষয়
চলতে পথে হারিয়ে যায়
কিছু শোক, কিছু শত্রু, বন্ধুত্বের অভিনয়
কিছু স্বপ্ন বেঁচে রয়
কিছু অশ্রু, কিছু প্রাপ্তি, এক প্রাচীন হৃদয় 
নিলীমার বুকে ভেসে রয়
কিছু শব্দ, কিছু মৃত্যু, পাঁজরের পরাজয়</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269500/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Sep 2026 04:01:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অতঃপর<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
কিছু দুঃখ রয়ে যায়<br />
কিছু স্মৃতি, কিছু ভয়, দেয়ালের চেনা ক্ষয়<br />
চলতে পথে হারিয়ে যায়<br />
কিছু শোক, কিছু শত্রু, বন্ধুত্বের অভিনয়<br />
কিছু স্বপ্ন বেঁচে রয়<br />
কিছু অশ্রু, কিছু প্রাপ্তি, এক প্রাচীন হৃদয়<br />
নিলীমার বুকে ভেসে রয়<br />
কিছু শব্দ, কিছু মৃত্যু, পাঁজরের পরাজয়</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3d73f827abe0b56c1fa23171686a7bce</guid>
				<title>প্রসঙ্গ - ক্ষুধা ও খাদ্য
------------------------------------
বাংলাদেশ, চার হাজার বছরের বেশি সময়ের দালিলিক ইতিহাস যার, পেরিয়ে এসেছে মৌর্য ও গুপ্ত সভ্যতা, আর্য সভ্যতা, পাল ও সেন বংশের শাসন, মোগল ও ব্রিটিশ শাসন, অতঃপর পাকিস্তান এবং শেষে স্বাধীন বাংলাদেশ, সেই স্বাধীন বাংলাদেশেরও অর্ধ শতাব্দী পেরিয়ে এসে আজো যা অর্জন করতে পারেনি তা হল ক্ষুধামুক্তি। পরিসংখ্যান কিংবা জিডিপি দেখে কোনো লাভ নেই। বাংলাদেশ যে ক্ষুধামুক্ত হতে পারেনি তা বোঝার জন্য আমাদেরকে রকেট সাইন্টিস্ট হতে হবে না। একটু চোখ-কান খুলে শহরের রাস্তায় বের হলেই হবে। আজকের এই আধুনিক বাংলাদেশের পথে ঘাটে হাটে বন্দরে যে পরিমাণ ক্ষুধার্ত মানুষ ঘুরে বেড়ায়, তাতে জাতি হিসেবে আর যাই হোক, আমরা অন্তত গর্ব করতে পারি না। কেউ যদি লজ্জা বোধ না করেন তবে সেটা নিতান্তই তার নিজস্ব বিষয়। অন্তত মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতি হিসেবে আমাদের এই অর্জন বেদনাদায়ক। ইসলামে যখন বলা হয়েছে- তোমার কোনো প্রতিবেশিকে ক্ষুধার্ত রেখে তুমি যদি ভরা পেটে ঘুমাতে যাও, তবে তুমি মুসলমান নও। সেই প্রতিবেশি যেই হোক না কেন, যে ধর্ম, বর্ণ বা জাতেরই হোক না কেন। ক্ষুধা নিয়ে বহুমুখী আলোচনা করার সুযোগ রয়েছে, তবে আজ আমি শুধু একজন মানুষকে স্মরণ করে তার লেখা থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার সমাপ্তি টানতে চাই। তিনি চারন সাংবাদিক মোনাজাত উদ্দিন (১৮ জানুয়ারি ১৯৪৫ – ২৯ ডিসেম্বর ১৯৯৫)। আজকের দিনের লেখক, কবি, সাহিত্যিক কিংবা পাঠকের প্রতি আমার অনুরোধ, যারা কখনো পড়েননি, তারা সাংবাদিক মোনাজাত উদ্দিনের লেখা পড়ে দেখবেন। তার লেখা পড়লে আর কিছু না হোক,  এই দেশের মাটির গন্ধ পাবেন, বঞ্চনার শব্দ শুনতে পাবেন, কষ্টের রঙ দেখতে পাবেন।

&quot;নিজস্ব রিপোর্ট&quot;
প্রয়াত চারণ সাংবাদিক মোনাজাত উদ্দিন

&quot;পথের ধারে ধুলোয় লুটিয়ে কাতরাচ্ছে একজন বৃদ্ধ। তার অসংখ্য ভাজ পড়া পেটে ক্ষুধার হা। থিরথির করে কাপছে দেহ। আমি তখন বিভিন্ন এংগেলে তার ছবি তুলছি। প্রচন্ড টেনশন। প্রসেস করে এখনি পাঠাতে হবে ঢাকায়। কাল কিংবা পরশু এই ছবি সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় ছাপা হয়ে যাবে। 
লোকটা ভিক্ষুক নয়। মজুর। চিলমারী থেকে এসেছে একদার রংগরসে ভরপুর রংপুর শহরে। আশা ছিল কাজ পাবে, খাবার পাবে। পায়নি। শেষে হাত পেতেছে, ভিক্ষে মেলেনি। 
ছবি তোলা শেষ করে বৃদ্ধের কাছাকাছি যাই। হাতে নোটবুক। নামধাম জানতে হবে। পাঠক বস্তুনিষ্ঠ খবর চায়। সেক্ষেত্রে শুধু ছবি নয়, ছবির সাথে তথ্য উপাত্ত চাই। বসে পড়ি ওর মাথার কাছে। কথা নেই, শুধু গোংগায়। 
-কি নাম আপনার?
-মোক একনা ভাত দ্যাও...
-কোথায় বাড়ি? গ্রামের নাম কি?
-মুই মরি যাইতেচো, মোক একনা ভাত দ্যাও...
-কতদিন ধরে আপনি অনাহারে?
-মোক বাচান বাহে...
লোকটি কোনোভাবেই প্রশ্নের জবাব দেয় না। কিন্তু আমি তথ্য জানতে চাই। আমাকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। 
তবু কি সন্তুষ্ট তারা?
অনেকে তর্ক জুড়ে দেবে, এ হয়তো কোনো ভিক্ষুকের ছবি। পেশাদার ভিক্ষুক। সরকারি মহল বলবে, এ ছবি সাজানো। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পয়সা দিয়ে লোকটাকে পথের ধারে শুইয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে কেউ অনাহারে নেই। বাংলাদেশে কেউ অনাহারে মরে না। এরকম ছবি ছাপিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।
বৃদ্ধের ছবি তোলার যে দৃশ্য বর্ণনা, তা চুয়াত্তর সালের। কিন্তু ভোলা যায় না। কেননা এতো বছর পর এখনো সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।&quot;

I come among the peoples like a shadow.
I sit down by each man&#039;s side.
None sees me, but they look on one another,
And know that I am there.
My silence is like the silence of the tide
That buries the playground of children;
Like the deepening of frost in the slow night,
When birds are dead in the morning.
Armies trample, invade, destroy,
With guns roaring from earth and air.
I am more terrible than armies,
I am more feared than the cannon.
Kings and chancellors give commands;
I give no command to any;
But I am listened to more than kings
And more than passionate orators.
I unswear words, and undo deeds.
Naked things know me.
I am first and last to be felt of the living.
I am Hunger

[Robert Laurence Binyon]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269025/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 22:25:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রসঙ্গ &#8211; ক্ষুধা ও খাদ্য<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
বাংলাদেশ, চার হাজার বছরের বেশি সময়ের দালিলিক ইতিহাস যার, পেরিয়ে এসেছে মৌর্য ও গুপ্ত সভ্যতা, আর্য সভ্যতা, পাল ও সেন বংশের শাসন, মোগল ও ব্রিটিশ শাসন, অতঃপর পাকিস্তান এবং শেষে স্বাধীন বাংলাদেশ, সেই স্বাধীন বাংলাদেশেরও অর্ধ শতাব্দী পেরিয়ে এসে আজো যা অর্জন করতে পারেনি তা হল ক্ষুধাম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269025"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269025/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2440645badadefc390992f6b5f5aabe6</guid>
				<title>কিছু ভুল
----------------------------
কিছু ভুল ফুল হয়ে ফোটে
কিছু ফুল কাঁটা নিয়ে জন্মায়
কিছু কাঁটা পথ ঘুরিয়ে দেয় 
কিছু পথ ভুল ঠিকানায় যায়

কিছু ভুল ফুল হয়ে ফোটে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266876/</link>
				<pubDate>Sat, 29 Aug 2026 00:16:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কিছু ভুল<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
কিছু ভুল ফুল হয়ে ফোটে<br />
কিছু ফুল কাঁটা নিয়ে জন্মায়<br />
কিছু কাঁটা পথ ঘুরিয়ে দেয়<br />
কিছু পথ ভুল ঠিকানায় যায়</p>
<p>কিছু ভুল ফুল হয়ে ফোটে</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">733741f12ec020e49e3e3b7f726eb434</guid>
				<title>প্রসঙ্গ – ভাষার ভিন্নতা
-----------------------------------------
ভাষার ভিন্নতা নিয়ে বলার আগে দু’টি কথা বলে নিতে চাই। ১) আমি কোনো ভাষাবিষয়ক একাডেমিয়ান নই ২) আমি কাউকে জ্ঞান দেয়ার কোনো চেষ্টা করছি না। এই দু’টি কথা বলার মূল কারণ কেউ যেন আমাকে ভুল না বোঝে। কথা হল ভাষার ভিন্নতা নিয়ে আমি তাহলে কি বলব? আমি শুধু ভাষার ভিন্নতা বিষয়ক আমার অভিজ্ঞতা আর কিছু পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে বলব। তার সাথে হয়তো কিছু প্রসঙ্গ আসতে পারে, যেটা নিতান্তই প্রয়োজনে। এই যেমন, ভাষার ভিন্নতা সম্পর্কে কথা বলার আগে আমাদেরকে অবশ্যই জানতে হবে ভাষা মানে কি? কিংবা ভাষা কখন ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। 
মানুষের যোগাযোগের সহজাত মাধ্যম বা বাহনই হল ভাষা। ভাষার সংজ্ঞায়ন করতে হলে, যে সংজ্ঞাটি সবার প্রথমে মাথায় আসে; তা হল, মানুষের বাকযন্ত্র থেকে উৎপন্ন এবং ভাবপ্রকাশে সক্ষম অর্থবোধক ধ্বনিকে বলা যায় ভাষা। তবে ভাষা শুধুমাত্র মৌখিক কোন বিষয় নয়, অঙ্গভঙ্গিও ভাষা হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ, ভাষা হল অঙ্গভঙ্গি, মৌখিক শব্দ বা লিখিত শব্দের মাধ্যমে যোগাযোগের একটি প্রতীকী মাধ্যম, যা কিনা অর্থ প্রকাশে সক্ষম। যে কোনো স্বীকৃত ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য হলো- নিজস্ব বর্ণমালা থাকবে, উচ্চারণ রীতি থাকবে, আরো থাকবে বানান রীতি। তবে ভাষা প্রবাহমান নদীর মতো, দেশ কাল সময়ভেদে ভাষার পরিবর্তন, পরিমার্জন ঘটে। 
মূল বিষয়ে আসি। ভাষার ভিন্নতা। ভাষার ভিন্নতা আসলে কি? নির্দিষ্ট একটি ভাষার সাথে অন্য একটি ভাষার বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য? হ্যাঁ, সেটা ঠিক, তবে আমি এ বিষয়ে আলোচনায় আগ্রহী নই। এটা একেবারেই ফর্মাল বা স্ট্রাকচার্‌ড আলোচনা। আমি বরং একটি নির্দিষ্ট ভাষার ভেতরকার ভিন্নতা নিয়েই আলোচনা করতে চাই। সেটা কেমন? A language difference is a natural variation in how a person speaks. It reflects their regional, cultural, social, or linguistic background rather than a medical or developmental problem. This includes speaking a different native tongue, using a regional accent or dialect, or learning a second language. বাংলা ভাষার কথাই ধরা যাক। বাংলার সাধু বা লিখিত যে ভাষায় আমরা পড়াশোনা করি, বাস্তবে খুব কম সংখ্যক মানুষই সে ভাষায় কথা বলি। আমরা কথা বলি কথ্য ভাষায়, চলতি ভাষায়, আঞ্চলিক ভাষায়। কিন্তু আমাদের এই ডেফিনিশনেও ভুল আছে। শুরুতেই বলেছি একটি ভাষাকে ভাষা হতে হলে তিনটি আবশ্যিক বৈশিষ্ট থাকতে হয়। বর্ণমালা, উচ্চারণ, বানান। এই যে আমরা বলি কথ্য ভাষা, ঢাকাইয়া ভাষা, নোয়াখাইল্যা ভাষা, সিলটি ভাষা, এগুলো কি আসলে ভাষা? যদিও একসময় চট্টগ্রাম বা সিলেটের ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা ছিল, কিন্তু বর্তমানে সেগুলো কালের গহ্বরে হারিয়ে যাওয়া বিস্মৃত ইতিহাস। তাহলে এগুলোকে আমরা কেন ভাষা বলি? আসলে এই বলাটাও একধরনের কথ্য ভাষা। মানে বলতে বলতে চালু হয়ে গেছে। সঠিক তাহলে কি? আমি ঠিক বলতে পারব না। তবে আমি মনে করি এগুলো বাংলা মূল ভাষার আঞ্চলিক ডায়ালেক্ট। এই আঞ্চলিক ডায়ালেক্ট কিন্তু পৃথিবীর সব ভাষারই রয়েছে। আমরা বুঝি না বলেই হয়তোবা ধরতে পারি না। ধরা যাক ইংরেজি ভাষার কথা। ইংরেজি ব্যকরণ শিখে, ভাল করে ইংরেজি রপ্ত করতে করতেই আমাদের জীবন শেষ হয়ে যায়, আঞ্চলিক ডায়ালেক্ট সম্পর্কে জানব কখন, বুঝব কিভাবে? তবে আমরা যখন একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাস করি, তখন সেই ভূখণ্ডের এক বা একাধিক ভাষা ও এর আঞ্চলিক ডায়ালেক্ট সম্পর্কে জানাটা খুবই দরকারি। ভাষার ভিন্নতা বা আঞ্চলিক ডায়ালেক্ট সম্পর্কে জানা থাকলে সেটা আমাদেরকে আরো অনেক বেশি মানুষের সাথে সহজ যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করতে পারে। যেমন ধরা যাক, আপনি ঢাকা শহরে বসবাস করা প্রমিত বাংলায় কথা বলা একজন মানুষ, হঠাত কাজের প্রয়োজনে গিয়ে হাজির হলেন চট্টগ্রামে। শহরে নয়, একেবারে চট্টগ্রামের কোনো এক অজ পাড়াগায়। আপনার একটি ঠিকানা জানা প্রয়োজন। একজনকে জিজ্ঞেস করলেন, ভাই এই ঠিকানাটা কোথায়? ভদ্রলোক জবাব দিলেন “সোজা গেইশ্যে উয়াইর গুরি পাঁচহউ গজ তুন আগোত।“ বুঝলেন? না বুঝলে কি করবেন? তিনি বলেছেন- সোজা গিয়ে ডান দিকে মোড় নিয়ে পাঁচশ গজ সামনে এই জায়গা। তিনি যদি বরিশালের হতেন, তাহলে বলতেন- “সোজা হেইয়া গ্যায়া ডান হর ঘুইরা পাঁচ শত গজ সামনে য্যাহেন।” আঞ্চলিক ভাষা বা ডায়ালেক্ট শুনতে অনেক সময় ফানি মনে হলেও জরুরী প্রয়োজনে এই ডায়ালেক্টই আপনাকে রক্ষা করতে পারে। সিলেট শহরে এক সন্ধ্যার পিক টাইমে আমি কিছুতেই একটি রিক্সা ভাড়া করতে পারছিলাম না। যাকেই জিজ্ঞেস করি সেই বলে যাবে না। এতোটা দুরত্বে যে হেঁটে যাওয়া সম্ভব না। শেষে কোনোরকমে একটা টুকটুক ভাড়া করে ফিরতে পেরেছিলাম। শুধু এটুকু যদি বলতে পারতাম “বুলাই দিমু”, তাহলেই হয়ে যেতো। মানে- চিন্তা কোরো না, পুষিয়ে দেব। আহ্‌। আমার এক বন্ধু একবার এক সরকারি কাজে নোয়াখালি গিয়েছিল। কাজ শেষে অফিসের বড় কর্তা তাকে তার নিজ বাড়িতে চারটে ডাল ভাত খাওয়ানোর কথা বলে সাথে করে নিয়ে গেলেন জোর করে। বাড়িতে গিয়ে এটা ওটা বলার পর কাউকে ডেকে তাড়া দিলেন দ্রুত একটা রাতা জবাই দেয়ার জন্য। আমার বন্ধুটি জানতো না নোয়াখালির ডায়ালেক্ট, সে ভয়ে দুশ্চিন্তায় অস্থির। বুঝতে পারছিল না তাকে কি খাওয়ানো হবে। কাউকে জিজ্ঞেসও করতে পারছে না যে “রাতা” জিনিসটি কি? 
বাংলাদেশ নামক এই ছোট্ট ভূখণ্ডে এক বাংলার আঞ্চলিক ডায়ালেক্ট নিয়ে আমরা যে রকম স্ট্রাগল করি, ভেবে দেখুন সারা পৃথিবীর  শতশত ভাষা আর অজস্র আঞ্চলিক ডায়ালেক্ট নিয়ে আমাদেরকে যদি চিন্তা করতে হতো, কি অবস্থা দাঁড়াত? আমেরিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মতো বিশাল দেশগুলির বিভিন্ন স্টেট্‌স বা রাজ্যগুলোর ইংরেজি চলন, উচ্চারণ, প্রয়োগ ভিন ভিন্ন হয়। এমনকি একই স্টেট্‌সের শহর ও গ্রামের মধ্যেও ভাষাগত ভিন্নতা দেখা যায়। তারচাইতে বেশি ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো সব দেশেই একেবারে নতুন এবং অপ্রচলিত কিছু শব্দ বা বাক্য ব্যবহৃত হয়। টিনএজার বা রক ব্যান্ডগুলি যার উদ্ভাবক। এই যেমন বাংলায় এখন চলছে- মামা, প্যারা, জোশ কিংবা ফাটাফাটি। ব্রিটিশরা তাদের ঐতিহ্যগত ইংরেজি চল, উচ্চারণ বা বানানরীতি ফলো করতে পছন্দ করে, আমেরিকানরা তেমনি পছন্দ করে ইংরেজিকে ভাংতে। উচ্চারণ, বানান কিংবা প্রয়োগ ভেঙ্গে ফেলাই যেন আমেরিকানদের নেশা। ক্যালিফোর্নিয়া শহরতলি থেকে একবার এক আমেরিকান প্যাসেঞ্জার এক বাঙ্গালী ট্যাক্সি ড্রাইভারের গাড়িতে উঠে একটা ঠিকানা দিয়ে বলল নর্থ কালি। বেচারা আমেরিকায় আসা নতুন বাঙ্গালি, ঠিকমতো ইংরেজি বলতে পারে না, নর্থ কালি চিনবে কি কারে? জিজ্ঞেস করতেও ভয় পাচ্ছে। কি একটা অবস্থা! আমেরিকার কিছু কমন ইংরেজি যা নবাগত অনেকের কাছেই নতুন বা অপরিচিত- যেমনঃ Elevator এলিভেটর- লিফট, Alligator এলিগেটর- কুমির, Gas গ্যাস- তেল/ফুয়েল, Trash ট্র্যাশ- আবর্জনা, Sneakers স্নিকার্স- স্পোর্টস সু, Y’all ইয়াল- তোমারা সবাই, Homie হোমি- ভাল বন্ধু, Nigga নিগা- কালো মানুষ, ইত্যাদি। প্রথম প্রথম যখন অস্ট্রেলিয়ার গিয়েছি, অল্প বয়সী বাঙ্গালি ছেলেপুলে দেখি খুব খুশি। আমাকে বলল, ভাইয়া, অস্ট্রেলিয়ানরা খুব ভাল, আমাদেরকে বলে মাইট। আমি জিজ্ঞেস করি মাইট মানে কি? তারা বলে মাইট মানে বন্ধু। আমি বলি আচ্ছা ভাল। কিছুদিন পর দেখি দুই ছোটভাইয়ের মধ্যে বিষম ঝগড়া। একজন বলে মাইট, আরেকজন বলে মেট। মাইট বলে কিছু নাই রে ব্যাটা মুর্খ। আমার কাছে আসল শালিস নিয়ে। আমি বললাম শান্তি শান্তি, ঝগড়া করার কিছু নেই। ইংরেজি Met শব্দটি এরা এমনভাবে উচ্চারণ করে যেটা শুনতে মনে হয় মাইট। আসলে এটা ইংরেজি Met ই। অস্ট্রেলিয়ার কিছু কমন ইংরেজি যা নবাগত অনেকের কাছেই নতুন বা অপরিচিত- যেমনঃ Brekkie ব্রেকি- ব্রেকফাস্ট, Servo সার্ভো- প্যাট্রল পাম্প, Dunny ডানি- টয়লেট, Esky এসকি- আইস বক্স, Bogan বোগান- নোংরা কেউ, Garbo গার্বো- আবর্জনা পরিষ্কার করে যারা, Cuppa কুপ্পা- এক কাপ চা বা কফি, Bloke ব্লোক- পুরুষ, Sheila শীলা- মহিলা, ইত্যাদি। আরেক ছোটভাইয়ের গল্প বলি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় সে শুনতে পায় “রেকেন” শব্দটি, কিন্তু মানে বুঝতে পারে না। অনেকেই তাকে যখন প্রসঙ্গক্রমে জিজ্ঞেস করে, হোয়াট ইউ রেকেন? সে তখন হা হু করতে থাকে, জবাব দিতে পারে না। কারণ, জানে না কি উত্তর দেবে। একদিন আমাকে এসে ধরল, ভাইয়া এর মানে কি? আমি তো বুঝি না। কি বিব্রতকর অবস্থা দেখেন!! আমি বললাম ইংরেজি Recognize কে এরা সংক্ষেপে Reckon “রেকেন” বলে, মানে তারা তোমার মতামত, বা ধারনা বা অনুমান সম্পর্কে জানতে চায়। আহ্‌, হাফ ছেড়ে যেন বাঁচল সে। শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষার ভিন্নতা নিয়ে গবেষণা করলেই এক জীবন কাটিয়ে দেয়া সম্ভব। ব্রিটিশ ইংরেজি, আমেরিকান ইংরেজি, অস্ট্রেলিয়ান ইংরেজি, ইউরোপিয়ান ইংরেজি, লাতিন ইংরেজির সাথে সাথে ভারত পর্যন্ত এক ভিন্ন ইংরেজি তৈরি করে বসে আছে। ভিন্ন ইংরেজি বলছি এই কারণে যে ভারতের অনেক অঞ্চলের মানুষ ইংরেজি শেখে বই পড়ে। মানে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইংরেজি উচ্চারণ ও ব্যবহারিক প্রয়োগ না জেনেই এরা ইংরেজি রপ্ত করে শুধুমাত্র বই পড়ে। আর তাই আমরা দেখি স্কুলে বাচ্চাদেরকে পড়ানো হচ্ছে Knowledge এর উচ্চারণ “নলেডগে”, Dangerous “ডাঙ্গারস”, Nature “নাটুরে্‌”, Future “ফুটুরে” Google “গুলুগুলু”। (ভারতের প্রান্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রামাণিক চিত্র)
সব ধরণের ইংরেজিরই আছে শুদ্ধ বা লিখিত রূপ, এরপর আঞ্চলিক, ভৌগোলিক, গোষ্ঠীগত, অরিজিনগত পার্থক্য। এছাড়া আছে বানান ভিন্নতা, উচ্চারণ ভিন্নতা, এমনকি ব্যকরণগত ভিন্নতা। পৃথিবীর সমস্ত ভাষার সমস্ত ভিন্নতা একজন মানুষের পক্ষে জেনে নেওয়া সম্ভব নয়, তবে যে ভাষায় আমরা কথা বলি বা যোগাযোগ করার চেষ্টা করি, সেই ভাষার ভিন্নতা সম্পর্কে যথাসম্ভব ধারণা রাখা একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের বিশেষ যোগ্যতার পরিচায়ক হতে পারে।

If language were liquid
It would be rushing in
Instead here we are
In a silence more eloquent
Than any word could ever be

These words are too solid
They don’t move fast enough
To catch the blur in the brain
That flies by and is gone
And in gone

And is gone, Gone
Gone, gone
And is gone

Language -- Suzanne Vega</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265653/</link>
				<pubDate>Tue, 25 Aug 2026 11:58:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রসঙ্গ – ভাষার ভিন্নতা<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
ভাষার ভিন্নতা নিয়ে বলার আগে দু’টি কথা বলে নিতে চাই। ১) আমি কোনো ভাষাবিষয়ক একাডেমিয়ান নই ২) আমি কাউকে জ্ঞান দেয়ার কোনো চেষ্টা করছি না। এই দু’টি কথা বলার মূল কারণ কেউ যেন আমাকে ভুল না বোঝে। কথা হল ভাষার ভিন্নতা নিয়ে আমি তাহলে কি বলব? আমি শুধু ভাষার ভিন্নতা বিষয়ক আমার অভিজ্ঞতা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265653"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265653/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b5a322ae04d9514d7cecc8ed7eedbe34</guid>
				<title>দিনগুলি
------------------
দিনগুলি মোর সকাল দুপুর
ছন্নছাড়া কষ্টেসৃষ্টে
জড়িয়ে থাকে আষ্টেপৃষ্ঠে
দিনগুলি মোর

দিনগুলি মোর পায়ের নূপুর
একটি ছোট্ট ত্রিতাল ছন্দে
ঝরাপাতায় ভালোমন্দে
দিনগুলি মোর.....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265226/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 13:17:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দিনগুলি<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
দিনগুলি মোর সকাল দুপুর<br />
ছন্নছাড়া কষ্টেসৃষ্টে<br />
জড়িয়ে থাকে আষ্টেপৃষ্ঠে<br />
দিনগুলি মোর</p>
<p>দিনগুলি মোর পায়ের নূপুর<br />
একটি ছোট্ট ত্রিতাল ছন্দে<br />
ঝরাপাতায় ভালোমন্দে<br />
দিনগুলি মোর&#8230;..</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ed4dd241d688f603bc156ef3c3e634f4</guid>
				<title>প্রসঙ্গ - কালচারাল ডিফ্‌রেন্স
-----------------------------------------------
আজকের এই মুক্ত বিশ্বে বিচরণ করতে হলে কিংবা মাল্টিকালচারাল সোসাইটির সাথে কিছু এক্সচেঞ্জ করতে হলে কালচারাল ডিফ্‌রেন্স বা সাংস্কৃতিক পার্থক্য বোঝা খুবই জরুরী। প্রতিটি জাতিস্বত্তার নিজস্ব কালচার রয়েছে। যেমন- নিজস্ব ভাষা, খাদ্যাভ্যাস, পোষাক, সংগীত, সামাজিক রীতিনীতি এবং স্বকীয়তা। মাল্টিকালচারাল সোসাইটিতে গিয়ে বসবাস করতে হলে, এমন কি দূর থেকে সম্পর্ক বা বানিজ্য করতে চাইলে সেই সমাজের কালচার সম্পর্কে, কালচারাল ডিফ্‌রেন্স সম্পর্কে জানা অনেক বেশি প্রয়োজনীয়। কোনো এক দেশে যা অস্বাভাবিক, অন্য কোনো দেশে সেটাই স্বাভাবিক রীতি হতে পারে। এই পার্থক্য সম্পর্কে না জেনে আমি অনেক মানুষকে দেখেছি দেশের বাইরে চলে যেতে, কিংবা মাইগ্রেট করতে। শুধুমাত্র সংস্কৃতি না বোঝার কারণে আমি কত মানুষকে যে বিব্রত হতে দেখেছি তার কোনো হিসেব নেই। এরা শুধু যে নিজেরাই বিব্রত হয় তা না, অন্যদেরকেও বিব্রত করে ফেলে। কিছু ছোট ছোট উদাহরণ দিয়ে বললে বিষয়টি আরো সহজ হবে। কালচারাল ডিফ্‌রেন্স না বোঝার কারণে যত্রতত্র পানের পিক ফেলা কিংবা সিগারেটের বাট ফেলার মতো গল্পগুলো আপনারা নিশ্চয় অনেক শুনেছেন। কিন্তু আপনারা কি খেয়াল করেছেন, বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের কোনো দেশের মানুষের কাছে টাকা আসলে কি করে? তারা ক্যাসিনো খুঁজে বের করে, নাইট ক্লাব খুঁজে বের করে, ডিজে পার্টির আয়োজন করে। অথচ এগুলো আমাদের সংস্কৃতি না। যাদেরকে দেখে মানুষ এগুলো কপি করে নিজেদেরকে জাতে তোলার চেষ্টা করে, এগুলো সেইসব দেশেরও ভাল সংস্কৃতি না। ক্যাসিনোতে জুয়া খেলা কিংবা নাইটক্লাবে গিয়ে এলকোহল পান করে নাচানাচি করা ভদ্র শিক্ষিত পশ্চিমারাও পছন্দ করে না। আমি জেনে শুনে এই কথা বলছি। কারণ এইসব জায়গা সাধারনত উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েদের নিষিদ্ধ এডভেঞ্চার ডেস্টিনেশন হয়ে থাকে,  সাথে এসে জড়ো হয় প্রস্টিটিউট, স্মাগলারস, জুয়ারি, মদ্যপ আর ক্রিমিনালরা। ভদ্র পশ্চিমারা এদেরকে এড়িয়ে চলতে পছন্দ করে। আইন করে নিষিদ্ধ করা যায় না বলে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয় Responsible service of betting অথবা Responsible service of alcohol এর মাধ্যমে। অথচ আমাদের মতো দেশের মানুষজন মনে  করে এটাই বোধ হয় পশ্চিমা সংস্কৃতি। অনেকদিন আগের কথা, দেশের বাইরে আমার এক দেশি কলিগ কোনো এক সামার ডে&#039;টে রাস্তা দিয়ে খুবই অল্প পোষাকে হেঁটে যাওয়া কয়েক তরুণীকে দেখিয়ে জিজ্ঞেস করেছিল, আনিস ভাই, এদের কি মা বাপ নাই? এরা এইসব পোষাক পরে বের হয় কি করে? আমার সেই কলিগটি কিন্তু কোনো অশিক্ষিত গ্রামের মানুষ ছিলেন না। তাদের নিজস্ব একটি রক ব্যান্ড ছিল, তিনি নিজে ছিলেন ড্রামার। আমি তখন তাকে একটা গল্প বলেছিলাম। একবার এক অডিটের কাজে বাংলাদেশের কোনো এক মফস্বল এলাকায় যেতে হয়েছিল আমার। ৩৫ বছর আগের ঘটনা। সারাদিন কাজ করি, সন্ধ্যার পর কিছুই করার থাকে না। রিক্রিয়েশন বলতে ছিল ক্লাবঘরের মতো একটি জায়গায় একটি টেলিভিশন, সেই টেলিভিশনে আবার একটাই চ্যানেল, বিটিভি। একদিন সন্ধার পর দেখি ব্যান্ড শো হচ্ছে। ৯০ এর দশক। তখন এটাই সর্বোচ্চ আধুনিকতা তরুন তরুণীদের কাছে। কিছুটা শারিরীক কসরতের সঙ্গে সঙ্গীত পরিবেশন। মফস্বলের অনেক প্রান্তিক মানুষের মাঝে বসে আমিও দেখছিলাম অনুষ্ঠানটি। হঠাত সামনে মাটিতে বসে টেলিভিশন দেখতে থাকা একজন তার পাশেরজনকে জিজ্ঞেস করলেন, মিয়া ভাই, এগ্লার ঘরত মাও বাপ নাই? এবা করি কেও ফাল পারে কও দেহি!! আমার বাঙ্গালী কলিগটিকে বললাম মফস্বলের সেই লোক আর আপনার একই সমস্যা ভাইজান। কালচারাল ডিফ্‌রেন্স। দেশের বাইরে পড়াশোনা করতে যাওয়া আমার এক বন্ধুর ঘটনা বলি। তার জবানিতেই বলি--- পড়াশোনা করতে প্রথম প্রথম যখন আইছি, কিছু ট্যাকা কামানির লাইগ্যা কাম তো একটা করতেই হইব, তাই না। কিন্তু নতুন আইছি, এখনো স্টুডেন্ট, ঠিকমতো ইংরেজি কইতে পারি না, কাম পামু কই? অনেক কষ্টে একটা পার্ট-টাইম কাম জোগাড় করলাম, এক পাট্টি সেন্টার এ। শুক্রবার আর শনিবার রাইতে পাট্টি থাকে, সপ্তাহে দুই রাইত কাম। মাঝে মইধ্যে উইকডে&#039;তে পাট্টি থাকলে ম্যানেজার কল দেয়। এক্সট্রা কিছু কামাই হয়। তেমনই একদিন কল পাইলাম। কল পাইয়া খুশিতে নাচতে নাচতে গিয়া হাজির হইলাম। প্রথমে কিছু টের পাই নাই। নিজের কাম নিয়া ব্যস্ত ছিলাম, ভাল কইরা খিয়াল কইরা দেহি পাট্টিতে মাইয়া খুব একটা নাই বলতে গেলে। পুরা ফোলোরে ব্যাডা আর ব্যাডা। ব্যাডাডি আবার কেমুন জানি, কথা কওনের সুমায় প্যাচাইয়া পুচাইয়া যায়। আমারে দেইখা কয়- হ্যালো মাই ফ্রেন্ড। আমি কই তুই এমুন করস ক্যারে? আমার ম্যানেজার বিষয়ডা খিয়াল করে, আমারে আইসা কয় এইডা গে পাট্টি, ডরাইও না। ওরে আল্লাহ, হারামজাদায় কয় কি? আমি ম্যানেজার হারামজাদারে কইলাম- লাত্থি মারি তোর ট্যাকার কপালে, আমি গেলাম......

Where have all the flowers gone?
Long time passing
Where have all the flowers gone?
Long time ago
Where have all the flowers gone?
Young girls have picked them, every one
Oh, when will they ever learn?
Oh, when will they ever learn?

এটা যুদ্ধবিরোধী গান, প্রেমের গান নয়...... কিংবা

No women No cry
No women No cry

এর মানে এই নয়-- যেখানে নারী নেই সেখানে কান্নাও নেই। না। এটা আসলে ক্যারিবিয়ান স্টাইল ইংরেজী। এর মানে-- না মেয়ে কেদোনা তুমি, না মেয়ে কেদোনা

Cause, &#039;cause, &#039;cause I remember when we used to sit
In the government yard in Trenchtown
Oba, observing the hypocrites, yeah
Mingle with the good people we meet, yeah
Good friends we have, oh, good friends we&#039;ve lost
Along the way, yeah
In this great future, you can&#039;t forget your past
So dry your tears, I say, yeah
No, woman, no cry
No, woman, no cry, eh, yeah
Little darlin&#039;, don&#039;t shed no tears
No, woman, no cry</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/264314/</link>
				<pubDate>Fri, 21 Aug 2026 12:43:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রসঙ্গ &#8211; কালচারাল ডিফ্‌রেন্স<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
আজকের এই মুক্ত বিশ্বে বিচরণ করতে হলে কিংবা মাল্টিকালচারাল সোসাইটির সাথে কিছু এক্সচেঞ্জ করতে হলে কালচারাল ডিফ্‌রেন্স বা সাংস্কৃতিক পার্থক্য বোঝা খুবই জরুরী। প্রতিটি জাতিস্বত্তার নিজস্ব কালচার রয়েছে। যেমন- নিজস্ব ভাষা, খাদ্যাভ্যাস, পোষাক, সংগীত, সামাজিক রীতি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-264314"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/264314/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b51a62ee30af40b011571e3096e63de5</guid>
				<title>প্রসঙ্গ - বই কেনা, বই পড়া
----------------------------------------------
এই বিষয়টি নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই আজ। একটি অনুরোধও বটে। অনেকদিন ধরেই দেখতে পাচ্ছি &quot;ফ্রি বাংলা পিডিএফ&quot; বই ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেট, ফেসবুক সহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়। বিষয়টি নিয়ে তেমন কোনো কথা বা আলোচনা হচ্ছে না। মিডিয়ার এই যুগ আমাদেরকে যেমন অনেক কিছু দিচ্ছে, তেমনি আবার অনেক কিছুই কেড়ে নিচ্ছে। নীরব ঘাতকের মতো। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ফ্রি বাংলা ই-বুক তেমনি একটি বিষয়। ব্যক্তিগত ভাবে আমি মনে করি এর কিছু সুফল যেমন আছে, তেমনি আছে অনেক কুফল। প্রথমে সুফলগুলো নিয়েই বলা যাক। ১০/২০ বছর বা আরো পুরনো বইগুলোর হার্ডকপি এই সময়ে সংগ্রহ করার সবচেয়ে বড় অসুবিধা হল সেগুলোকে সংরক্ষণ করার  পর্যাপ্ত জায়গার অভাব। যেখানে আজকের আধুনিক শহুরে পরিবেশে নিজেদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে জায়গাই আমরা আয়োজন করতে পারি না, সেখানে অজস্র বই রাখার জায়গা কোথায়? প্রযুক্তির এই সহজলভ্যতার সময়ে এসে আমরা সেই সাহিত্যগুলো হয়তো পিডিএফ ফর্মে সংগ্রহ করে রাখতে পারি নিজেদের ও ভবিষ্যতের প্রয়োজনে। বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরতচন্দ্র, তারাশঙ্কর, বনফুলের মতো আরো অনেক বড় বড় ভলিউমগুলো। কিন্তু আমরা যদি একই সাথে আজকের একজন লেখকের বই, যে নবীন উদীয়মান সম্ভাবনাময়, তার লেখা কবিতা বা সাহিত্য ফ্রি সংগ্রহ করতে থাকি, তাহলে এর সুদূরপ্রসারী ফলাফল কি হবে তা কি আমরা কেউ ভেবে দেখেছি? দিনের পর দিন রাতের পর রাত কষ্ট করে, চিন্তা করে, গবেষণা করে লেখা একজন নবীন সাহিত্যিক যখন দেখতে পাবেন তার সাহিত্যকর্ম বিনামূল্যে অবহেলায় অনাদরে লুটোপুটি খাচ্ছে, এবং তা থেকে তিনি সামান্য পারিশ্রমিকটুকুও পাচ্ছেন না, সম্ভাবনাময় সেই নবীন লেখক কি তারপরও মানসম্পন্ন সাহিত্য রচনায় উদবুদ্ধ হবেন? আমরা কি তাই চাই? আমরা প্রতিনিয়ত অভিযোগ করছি কোথায় আজ সেই মানসম্পন্ন সাহিত্য? কিন্তু আমরা কি কখনো  প্রশ্ন করেছি যে কোথায় সেই মানসম্পন্ন সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক? কোথায় সেই পাঠক শ্রেণী? আমরা যদি একজন নবীন বা প্রবীণ লেখকের মানসম্পন্ন নতুন লেখাটি পয়সা দিয়ে না কিনি, তবে তা আসলে সেই সাহিত্যটিকেই গলা টিপে মেরে ফেলার নামান্তর। এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। একটি দেশের সাহিত্যের মান নির্ভর করে সেই দেশের সাহিত্য পৃষ্ঠপোষকদের সামগ্রিক মানসিকতার উপর। পাঠক যদি সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন যে তারা মানসম্পন্ন সাহিত্য বিনামূল্যে পড়বেন না, তাহলেই শুধুমাত্র সু-সাহিত্যের বিকাশ ঘটতে পারে। অন্যথায় নয়। এখন যে কেউই প্রশ্ন করতে পারেন, মানসম্পন্ন সাহিত্য পরিমাপের পদ্ধতি কি? দীর্ঘ আলোচনার অবকাশ রয়েছে এখানে। সংক্ষেপে আমি শুধু এটুকুই বলব, অসংখ্য সিনেমা, গান, ফ্যাশন কিংবা বাজারে আসা নতুন কোনো পণ্য থেকে আমরা কিন্তু ঠিকই সেরাটি বেছে নিই, সাহিত্যের ক্ষেত্রে আমরা কেনো তা পারব না?

আসুন, বই কিনি, বই পড়ি। গড়ে তুলি সুন্দর আগামী।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262420/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Aug 2026 21:20:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রসঙ্গ &#8211; বই কেনা, বই পড়া<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
এই বিষয়টি নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই আজ। একটি অনুরোধও বটে। অনেকদিন ধরেই দেখতে পাচ্ছি &#8220;ফ্রি বাংলা পিডিএফ&#8221; বই ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেট, ফেসবুক সহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়। বিষয়টি নিয়ে তেমন কোনো কথা বা আলোচনা হচ্ছে না। মিডিয়ার এই যুগ আমাদেরকে যেমন অনেক কিছু দিচ্ছে, তেম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-262420"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/262420/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">da8b6d3493600a8844cb4ecec6be43b0</guid>
				<title>প্রশ্ন
------------------------
এক বিকেলে  জানলা খুলে 
............................হঠাৎ
.................................দেখি
.............................তুই
একাই কাটল জীবন গোটা 
আর 
কি 
হবে 
দুই
?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260524/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 22:15:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রশ্ন<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
এক বিকেলে  জানলা খুলে<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.হঠাৎ<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;দেখি<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;..তুই<br />
একাই কাটল জীবন গোটা<br />
আর<br />
কি<br />
হবে<br />
দুই<br />
?</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ff47a827bb812becc91899b44beac99c</guid>
				<title>শেষ পর্যন্ত
--------------------------
কিছুই থাকে না শেষ পর্যন্ত
বানের জলের মতো দিগ্বিদিক ভেসে যায় সব আশা নিরাশা কিংবা হতাশা
ঘর দোর সোনার সংসার আর অতি সংগোপন পরনারীর নিষিদ্ধ ভালোবাসা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260043/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 00:30:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেষ পর্যন্ত<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
কিছুই থাকে না শেষ পর্যন্ত<br />
বানের জলের মতো দিগ্বিদিক ভেসে যায় সব আশা নিরাশা কিংবা হতাশা<br />
ঘর দোর সোনার সংসার আর অতি সংগোপন পরনারীর নিষিদ্ধ ভালোবাসা </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">df4c1851cd9f0e24a32d202ac4689cdc</guid>
				<title>মাতাল
------------------------------------
ঐ কেঠায় রে?
এই বিহাইনরাইতে ফাল্ দিয়া আচানক
কইত্থনে নাজেল হইচ বাবা আজরাইলের লাহান
মিজাজ কইলাম খিচা রইচে, দিলে চৈন নাই 
খানকির পোলা মহাজন আইজ আমারে কয় জাউড়া
আমি জাউড়া? তুই কোন জমিদারের পয়দা বে?
নটিবাড়ির হুরমতিও আইজ চান্স পায়া চ্যাত দেহায়
অর চ্যাতের আমি মায়রে বাপ। লউড় দে, লউড় দে
পাছার উপর তেরচা লাত্থি খাওনের আগে
সাইড ল তুরান্ত, আবে খাইচে হালায়
এইডা তো আমার....  ছায়া মালুম অয়</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259424/</link>
				<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 21:19:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাতাল<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
ঐ কেঠায় রে?<br />
এই বিহাইনরাইতে ফাল্ দিয়া আচানক<br />
কইত্থনে নাজেল হইচ বাবা আজরাইলের লাহান<br />
মিজাজ কইলাম খিচা রইচে, দিলে চৈন নাই<br />
খানকির পোলা মহাজন আইজ আমারে কয় জাউড়া<br />
আমি জাউড়া? তুই কোন জমিদারের পয়দা বে?<br />
নটিবাড়ির হুরমতিও আইজ চান্স পায়া চ্যাত দেহায়<br />
অর চ্যাতের আমি মায়রে বাপ। লউড় দে, লউড় দে<br />
পাছার উপর তেরচা লাত্থি খাওন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259424"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259424/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">df2e4de96220f4ff339c9c328c4ee68c</guid>
				<title>প্রসঙ্গ - প্যালেস্টাইন
-------------------------------------
আমার জন্মের পর থেকেই আমি দেখে আসছি আরব ইসরায়েল সংঘাত। যুদ্ধ। রক্তপাত। সোজাসুজি যেটা প্যালেস্টাইন-ইসরায়েল দ্বন্ধ। ৫৮ বৎসর পার হয়ে গেল, এই রক্তপাত আজো বন্ধ হলো না। ১৯৬৭ সালের আরব ইসরায়েল যুদ্ধের কথা জেনেছিলাম অনেক ছোট বয়সে। মাত্র ৬ দিনের যুদ্ধে আরব জোটকে পরাস্ত করেছিল ইসরায়েল। সে ইতিহাস ব্যথিত করেছিল আমার ছোট্ট মনকে। প্যালেস্টাইনের ভেতর থেকে পরবর্তীতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল কিংবদন্তী প্যালেস্টাইন মুক্তি আন্দোলনের নেতা ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন &#039;আল ফাত্তাহ&#039;। যুবক বয়সে স্বপ্ন দেখেছিলাম আল ফাত্তাহর হয়ে ইয়াসির আরফাতের নেতৃত্বে যুদ্ধ করব প্যালেস্টাইন-কে মুক্ত করার জন্য, আল আকসা (মুসলমানদের প্রথম কেবলা) মসজিদ-কে মুক্ত করার জন্য। সেটা হলোনা। তাই বুকের ভেতরের রক্তক্ষরণ আজো বন্ধ হয়নি। এই রক্তক্ষরণ এক জীবনে বন্ধ হবে বলে মনে হয় না। এর root cause খুজতে গিয়ে অনেক পড়াশোনা করেছি আমি। ব্যক্তিগত গবেষণা বলা যায়। এখন অবশ্য এই উন্মুক্ত তথ্য প্রবাহের যুগে এসে যে কেউ চাইলেই সে ইতিহাস জানতে পারে খুব সহজেই। root cause টি কি ছিল? সেটি ছিল যুদ্ধ। আরেক যুদ্ধ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত সংঘটিত এই বিশ্বযুদ্ধের ক্ষত আজো রয়ে গেছে বিশ্বময়। ইসরায়েল, তেমনি আরেক ক্ষত। হিটলারের ভয়াবহ নির্যাতন আর হলোকস্টের শিকার ইহুদিদের মনে হয়েছিল যুদ্ধোত্তর বিশ্বে তাদের একটি ঠিকানা দরকার, একটি দেশ দরকার, যেখানে তারা নিরাপদে থাকবে। শান্তিতে থাকবে। ধর্ম পালন করবে। সেই নিরাপদ আবাসের স্বপ্নে যে ভুখন্ডকে তারা বেছে নিল, তা ছিল তাদের স্বপ্ন থেকে অনেক দূরের। যে পন্থায় তারা এই ভূখন্ডকে বাড়াতে শুরু করল, তা ছিল শান্তির বহু বিস্তৃত বিপরীত। আরব ভুমি দখল করে সারা পৃথিবী থেকে উদবাস্তু ইহুদিদের ধরে এনে বসতি গড়ে যেভাবে তারা একটি স্বাধীন ইহুদি রাস্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে বিভোর হয়েছিল, তা ছিল পুরোটাই ভুল। সেই ভুল তত্ত্ব, ভুল ফিলসফি, যার উত্থান হয়েছিল জায়নবাদ থেকে। বলে রাখা ভাল, জায়নবাদ আর ইহুদিবাদ এক জিনিস নয়। তবে জায়নিস্টরা সেটাকে গুলিয়ে ফেলেছিল গোটা ইহুদি সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করার জন্য। সেটা করে তারা অবশ্য কিছুটা সফলও হয়েছিল। কিন্তু অনাদিকাল সেটাই চলবে, এরকম ভাবাটা বোকামী। এর আগে আমরা নিউ ইয়র্ক, লন্ডনের রাস্তায় (মূলত হারেদি সম্প্রদায়, যারা ইসরায়েলের জনসংখ্যার ১৫%) ইহুদিদের প্রতিবাদ করতে দেখেছি। যারা বলেছিল, ইসরায়েল মানেই ইহুদি নয়। এবার আমরা খোদ ইসরায়েলের ভেতর দেখতে পাচ্ছি সেই ইহুদিদের প্রতিবাদ। যারা রক্তপাত নয়, শান্তি চায়। শান্তি গোটা বিশ্ব-ই চায়। কিন্তু ৫৮ বছর কেটে গেল, শান্তি এলো না। জায়ানিজম বেচে থাকলে শান্তি আসবে না কোনোদিনই। আর আমার বুকের ভেতরের রক্তক্ষরণও থামবে না। আমার বুকে প্রতিদিন বাজবে - প্যালেস্টাইন....  আহা আমার রক্তে রাঙা প্যালেস্টাইন। তোমার জন্য কাঁদছি আমি। আমার মৃত্যু দিয়ে লিখে রেখে যাব, আমার অস্তিত্বের অংশ ছিলে তুমি......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259076/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Jul 2026 16:48:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রসঙ্গ &#8211; প্যালেস্টাইন<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
আমার জন্মের পর থেকেই আমি দেখে আসছি আরব ইসরায়েল সংঘাত। যুদ্ধ। রক্তপাত। সোজাসুজি যেটা প্যালেস্টাইন-ইসরায়েল দ্বন্ধ। ৫৮ বৎসর পার হয়ে গেল, এই রক্তপাত আজো বন্ধ হলো না। ১৯৬৭ সালের আরব ইসরায়েল যুদ্ধের কথা জেনেছিলাম অনেক ছোট বয়সে। মাত্র ৬ দিনের যুদ্ধে আরব জোটকে পরাস্ত ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259076"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259076/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bd233385704896a5940f0af9b092c6b3</guid>
				<title>প্রসংগ - আত্মোন্নয়ন/মোটিভেশন
------------------------------------------------
২০১৯ এর বইমেলায় আমার অনুবাদ করা আত্মোন্নয়নমূলক/মোটিভেশনাল বই &quot;The Five Second Rule&quot; প্রকাশিত হয়েছিল। সর্বকালের সেরা ২০টি মোটিভেশনাল বইয়ের মধ্যে এটি একটি। এরকম আরো অসংখ্য বই বাজারে দেখতে পাওয়া যায়। তার উপর আছে ভাল ছাত্র, ভাল শিক্ষক, ভাল স্বামী,  ভাল বক্তা, ভাল ম্যানেজার, ভাল ব্যাবসায়ী, ভাল উদ্যোক্তা এবং আরো অনেক ভাল হওয়ার উপায় বাতলে দেয়া অসংখ্য বই। শুনেছি এগুলো নাকি ভাল বিক্রিও হয়। প্রশ্ন হল ভাল কিছু হওয়া বা করার জন্য এতোসব বই কেন আমাদের পড়তে হচ্ছে, আর পড়েই বা আমরা কেন কিছু হতে পারছি না? আমার মনে হয় অন্যের বাতলে দেয়া উপায়ে কিংবা অন্যের অভিজ্ঞতা ধার করে কেউ কোনোদিন কিছু হতে পারেনি, কোনোদিন পারবেও না। নিজেকে উন্নত করতে চাইলে কিংবা ভাল কিছু হতে চাইতে প্রথমে আমাদের যা দরকার তা হল প্রবল ইচ্ছেশক্তি, আর তারপর শুধুই পরিশ্রম আর পরিশ্রম, আমরা যাকে বলি - সাধনা। সফল ব্যক্তিদের সফলতার গল্প যদি শুনে থাকেন, তাহলে দেখবেন তারা ঘুরেফিরে শেষপর্যন্ত একথাই বলেছেন। সবচাইতে বড় কথা, সফলতার কোনো সংজ্ঞা আজো নির্ধারিত হয়নি। আপনার নিজের কাছে সফলতা যখন একটি আত্মিক সুখানুভূতি, সমাজের চোখে সফলতা তখন সামাজিক ও আর্থিক প্রতিপত্তি। কোনটি সঠিক? কেউ জানে না!! মহাজ্ঞানীদের কথা শুনে বা তাদের জীবনী পড়ে যদি তাদের মতো কিছু একটা হওয়ার সম্ভাবনা থেকে থাকতো, তাহলে এতোদিনে কয়েক হাজার না হোক অন্তত কয়েক ডজন করে আইনস্টাইন, নিউটন, লুই পাস্তুর, গ্যালিলিও, এরিস্টটল, চার্লস ডারউইন, প্লেটো, আলেকজান্ডার, সেকসপিয়ার কিংবা রবীন্দ্রনাথ তৈরী হয়ে যেতো। তা হয়নি। সুতরাং, এইসব মোটিভেশনাল বই পড়ে সময় আর অর্থের অপচয় না করে আমাদের উচিৎ মৌলিক সাহিত্য পড়া, মৌলিক সাহিত্য চর্চা করা এবং মৌলিক বিষয়ের উপর গবেষণা করা। আর আত্মোন্নয়ন? আত্মার তাগিদ থাকলে তা এমনিতেই হবে। হতেই হবে.....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258861/</link>
				<pubDate>Mon, 27 Jul 2026 19:23:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রসংগ &#8211; আত্মোন্নয়ন/মোটিভেশন<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
২০১৯ এর বইমেলায় আমার অনুবাদ করা আত্মোন্নয়নমূলক/মোটিভেশনাল বই &#8220;The Five Second Rule&#8221; প্রকাশিত হয়েছিল। সর্বকালের সেরা ২০টি মোটিভেশনাল বইয়ের মধ্যে এটি একটি। এরকম আরো অসংখ্য বই বাজারে দেখতে পাওয়া যায়। তার উপর আছে ভাল ছাত্র, ভাল শিক্ষক, ভাল স্বামী,  ভাল বক্তা, ভাল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258861"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258861/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">01351f59143adb7ad67d777972571c9c</guid>
				<title>জম্বি নেশন
------------------------
আচ্ছা... কোনদিন কি এমন হবে...
আমাদের বিস্মিত হওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে যাবে
কোনকিছুই আর আলোড়িত করবে না আমাদের
কোন বিস্ময় কিংবা বিস্মরণ
ভাবাবে না আমাদের আর আগের মতন......

&#062;&#062;The UN Independent International Commission of Inquiry reported that over 20,000 Palestinian children have been killed and 44,000 injured since October 7, 2023
&#062;&#062;Israeli leaders ordered a wide-scale military operation across occupied West Bank villages following recent settler and shooting clashes
&#062;&#062;In Gaza, sporadic air strikes and bombardments persist, resulting in additional civilian casualties despite the framework of previous cease-fire agreements

&quot;তুমি হায় বুঝবে কি ভাই
ফুরফুরে দিন কেটে যায়
বোঝাচ্ছো স্বাধীনতার মানে....
যে অধীন দিনে রাতে
বুলেটে এ বুক পাতে
সে বুঝেছে স্বাধীনতার মানে...&quot;

                                              শিলাজিত II স্বাধীনতা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258703/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Jul 2026 00:07:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জম্বি নেশন<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
আচ্ছা&#8230; কোনদিন কি এমন হবে&#8230;<br />
আমাদের বিস্মিত হওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে যাবে<br />
কোনকিছুই আর আলোড়িত করবে না আমাদের<br />
কোন বিস্ময় কিংবা বিস্মরণ<br />
ভাবাবে না আমাদের আর আগের মতন&#8230;&#8230;</p>
<p>&gt;&gt;The UN Independent International Commission of Inquiry reported that over 20,000 Palestinian children have been killed and 44,000 injured s&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258703"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258703/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8960bb9f3f000a477146374fbbfc7260</guid>
				<title>প্রসঙ্গ – কৃষি ও কৃষক
---------------------------   
কৃষি ও কৃষক প্রসঙ্গে কথা বলার আগে একটা লেখা শেয়ার করতে চাই প্রথমে। লেখক: রোমেন রায়হান।
“জাপানিজরা সবচে পছন্দ করে যে ভাত খায় সেটা স্টিকি। মানে ভাতের দানা একটার সাথে আরেকটা লেগে থাকে। আমার ধারণা ছিল স্টিকি ভাত কাঠি দিয়ে সহজে খাওয়া যায় বলেই জাপানিজরা এটা এত পছন্দ করে। 
আমার সাত বছরের জাপান জীবনের শুরুর দিকে আমি এই ভাত খেতে একদমই পছন্দ করতাম না। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো জাপানের বাজারে জাপানি কৃষকদের উৎপাদিত এই বিশেষ ভাতের চালের দামই সবচেয়ে বেশি। 
বাজার থেকে কয়েকবার বিভিন্ন ধরণের চাল কেনার পর বুঝলাম এই চাল যদি জাপানিজরা নিজেরা উৎপাদন না করে আশেপাশের কোন দেশ থেকে আমদানি করতো তাহলে এর দাম বেশ কম পড়তো। আমি কৌতুহলী হয়ে আমার সুপারভাইজার প্রফেসর কামিজিমাকে একবার জিজ্ঞেসই করে ফেললাম
আমিঃ আচ্ছা প্রফেসর, তোমরা এই চাল বিদেশ থেকে আমদানি করো না কেন? আমদানি করলে তো দাম অনেক কম পড়তো!
কামিজিমাঃ তা হয়তো পড়তো!
আমিঃ তাহলে!
কামিজিমাঃ সরকার ইচ্ছে করেই কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদন খরচের অনেক বেশি দামে এই চাল কেনে।
আমিঃ কেন?
কামিজিমাঃ কৃষকদেরকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য।
আমিঃ মানে?
কামিজিমাঃ কৃষক যদি ভালো দাম না পায় তাহলে কি ওরা আর কৃষিকাজ করবে? পেশা বদলে ফেলবে না!
আমিঃ তাই বলে সরকার এত বেশি দামে চাল কিনবে কৃষকদের কাছ থেকে? 
কামিজিমাঃ শোনো, আমরা আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা ভুলিনি। জাপান একটা দ্বীপরাষ্ট্র। ঐরকম একটা যুদ্ধ যদি আবার কখনো লাগে আর শত্রুরা যদি আমাদেরকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে! তখন কী হবে ভেবেছ?
আমিঃ বুঝলাম না!
কামিজিমাঃ বাইরে থেকে কোন খাবার জাপানে আসতে পারবে? আমরা কি তখন এই টয়োটা গাড়ি খাব? কৃষক যদি না বেঁচে থাকে তাহলে আমরা ঐসময় বাঁচব?
আমি অনেকক্ষণ স্তব্ধ হয়ে রইলাম কামিজিমার কথা শুনে।“

বাংলাদেশে আমরা কৃষি বলতে মূলত বুঝি মাঠের কৃষি কাজকে, মানে ধান, পাট কিংবা ভুট্টার চাষ। আদতে কৃষি একটি বৃহৎ শিল্প, যার অন্তর্ভুক্ত যাবতীয় খাদ্যপণ্য, গৃহপালিত প্রাণি বা লাইভস্টক থেকে শুরু করে হস্ত ও কারুপণ্য এবং এদের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সমূহ। একটি জাতির প্রাণপ্রবাহ নির্ভর করে কৃষির উপর, আর তাই উন্নত বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই কৃষিতে ভর্তুকি দিয়ে হলেও এই সেক্টরটিকে চলমান রাখার নীতি মেনে চলে। এখানে কৃষি মানেই সম্মানের পেশা আর কৃষক সমাজের এক সমৃদ্ধ ও বিত্তবান শ্রেণী। পশ্চিমে যারা পরিচিত কান্ট্রি পিপল নামে। কান্ট্রি পিপলদের নিয়ে শত শত বছর ধরে সঙ্গীত-সিনেমা-সাহিত্যের এক সমৃদ্ধ ধারা চলে আসছে, এবং সময়ের সাথে সাথে যা আরো সমৃদ্ধ ও জনপ্রিয় হচ্ছে। শহুরে বা সিটি পিপলদের চাইতে কান্ট্রি পিপলদের আলাদা মনে করা হয়, যা শতভাগ সত্যি। আচরণ, কালচার কিংবা জীবনধারা, সবকিছুতেই কান্ট্রি পিপলরা আলাদা। যখন একজন শহুরে মানুষকে মনে করা হয় মোস্ট কমপ্লিকেটেড, তখন একজন কান্ট্রি পিপল মানে এক সহজ সাধারণ নির্ঝঞ্ঝাট প্রতিনিধি।  আজকের সবচাইতে উন্নত আমেরিকা কিংবা ইউরোপের ক্ষেত্রেও এটা একইভাবে প্রযোজ্য। 

বিপরীতে আমরা যদি আত্মসমালোচনা করি, কি দেখব? বাংলাদেশে কৃষক শ্রেণী ও কৃষি নিয়ে মুখে মুখে আমরা যত যাই বলি না কেন, আদতে সমাজের এক নিম্নবর্গীয় অভাবী শ্রেণী হলো কৃষক, আর পেশা হিসেবে কৃষি কাজ উল্লেখ করার মতো কিছু নয়। আর তাই একজন কৃষকের সন্তান যখন পড়ালেখা করে কোনো একটা চাকুরি জোগাড় করতে পারে, কৃষক বাবার আনন্দ তখন যেনো আর ধরেই না। এমনকি সেটা যদি হয় শহরের কোনো অফিসের পিয়ন, বাড়ির দারোয়ান কিংবা অন্য কোনো চাকুরি। আমার জীবদ্দশায় আমি অন্তত এমন দেখিনি যে একজন কৃষকের সন্তান কৃষি বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করে বাবার সাথে কৃষি কাজে যোগ দিয়েছে, আর সেই বাবা গর্ব করে সমাজের সবাইকে সেই কথা বলে বেড়াচ্ছেন। অবশ্য এতে কৃষক বাবার কোনো দোষ দেখি না। যেই শ্রেণীটাকে আমরা জাতীয়ভাবে সমাজের সবচাইতে দুর্ভাগা ও সমস্যাক্রান্ত এক শ্রেণী বানিয়ে রেখেছি, কোন বাবা চাইবেন তার সন্তান সেই শ্রেণীর একজন প্রতিনিধি হোক? শাসকেরা বাংলাদেশকে আমেরিকা, ইউরোপ বানাতে চান। দাবী করেন আমরা আলরেডি সিংগাপুর, মালয়েশিয়া হয়ে গিয়েছি। তারা কি জানেন স্বপ্নে দেখা এই জাতিগুলির সবচাইতে সমৃদ্ধ শ্রেণী কোনটি? সমাজের কোন শ্রেণীটিকে সবসময় আগলে রাখতে হয়? কখন একটি জাতি উন্নত জাতি হয়??

মেলবোর্ন সি,বি,ডির প্রাণকেন্দ্রে আমার আফিস ছিল ১৭তলা একটি ভবনের ১৪তলায়। একদিন দুপুরে শহরময় যেনো তুলকালাম শুরু হলো। শান্ত নিরপদ্রুপ শহরজুড়ে অসংখ্য হার্লে ডেভিডসন মোটরসাইকেলের গগনবিদারী চিৎকার। জানালার পাশে গিয়ে এক ঝলক নীচের দিকে তাকালাম। দেখে মনে হলো সারিবদ্ধ মোটরসাইকেলের র&#x200d;্যালি, ঠিক যেন সিনেমায় দেখা মোটরসাইকেল গ্যাং। আমার এক অস্ট্রেলীয় কলিগের দিকে তাকালাম। আশা করেছিলাম তার মুখে বিরক্তির রেখা দেখতে পাব। না, সেটা দেখতে পাইনি। তার মুখে ছিল এক ধরনের কৌতুহল, এক ধরনের হাসি। আমি কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই সে বলল- ফার্মার্স আর ইন দ্য সিটি। মানে দলবেধে কান্ট্রিসাইড থেকে ফার্মাররা এসেছে আজ শহরে। আহা…

বাংলাদেশ কোনো একদিন উন্নত হবে। জাতি হিসেবে মাথা উচু করে দাঁড়াব আমরা পৃথিবীর বুকে। আমাদের সমাজের সবচাইতে সমৃদ্ধ শ্রেণী হবে কৃষক শ্রেণী। তারা যখন হার্লে ডেভিডসনে চড়ে বুম বুম শব্দে শহরে প্রবেশ করবে, শহরের মানুষজন তখন সরে গিয়ে তাদেরকে পথ করে দেবে। দূর থেকে তর্জনি তুলে কেউ একজন বলে উঠবে- লুক.. ফার্মার্স আর ইন দ্য সিটি… আনন্দে তার চোখ-মুখ ঝলমল করবে… এই প্রত্যাশায়</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257983/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Jul 2026 22:29:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রসঙ্গ – কৃষি ও কৃষক<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
কৃষি ও কৃষক প্রসঙ্গে কথা বলার আগে একটা লেখা শেয়ার করতে চাই প্রথমে। লেখক: রোমেন রায়হান।<br />
“জাপানিজরা সবচে পছন্দ করে যে ভাত খায় সেটা স্টিকি। মানে ভাতের দানা একটার সাথে আরেকটা লেগে থাকে। আমার ধারণা ছিল স্টিকি ভাত কাঠি দিয়ে সহজে খাওয়া যায় বলেই জাপানিজরা এটা এত পছন্দ করে।<br />
আমার সাত বছরের জাপান জীবনে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257983"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257983/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3ddb1814c9525a8f28ce6edc210e089d</guid>
				<title>বৃক্ষমানব
----------------
মানুষের মধ্যে বৃক্ষভাব প্রবল। সেই জন্যই হয়তো কিছু কিছু মানুষকে বৃক্ষমানব বলে মনে করা হয়। বৃক্ষের মতো বৃক্ষমানবদেরও শেকড় থাকে। এদেরকে এক জায়গা থেকে উপড়ে  অন্য জায়গায় বসিয়ে দিলে শেকড় ছড়িয়ে অনায়াসে জায়গা করে নিতে পারে। এ ধরনের মানুষের ডালে বসে অনেকে আশ্রয় খোঁজে, পাখিদের মতো। এদের ছায়ায় এসে অনেকে প্রশান্তি লাভ করে, শ্বাপদের মতো। এদের হাত পা ভেঙ্গে অনেকেই নিজের বিশ্রামের আয়োজন করে, পাহাড়ি গরিলাদের মতো। বৃক্ষের মতো বৃক্ষমানবেরাও সব কিছু সয়ে যায় নীরবে। অনুযোগহীন। দুঃখের ব্যাপার হলো, দিনে দিনে উজাড় হয়ে যাওয়া বনভূমির দীর্ঘতর বৃক্ষদের মতো বৃক্ষমানবেরাও হারিয়ে যাচ্ছে অতি দ্রুত। ক্ষুদ্র আর বিষাক্ত পরগাছারা সাম্রাজ্য বিস্তার করছে আজ!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257891/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 20:45:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃক্ষমানব<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
মানুষের মধ্যে বৃক্ষভাব প্রবল। সেই জন্যই হয়তো কিছু কিছু মানুষকে বৃক্ষমানব বলে মনে করা হয়। বৃক্ষের মতো বৃক্ষমানবদেরও শেকড় থাকে। এদেরকে এক জায়গা থেকে উপড়ে  অন্য জায়গায় বসিয়ে দিলে শেকড় ছড়িয়ে অনায়াসে জায়গা করে নিতে পারে। এ ধরনের মানুষের ডালে বসে অনেকে আশ্রয় খোঁজে, পাখিদের মতো। এদের ছায়ায় এস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257891"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257891/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e4490aa7120635e8ce5d3fd4d7346747</guid>
				<title>ক্যাকটাস ধুলোমেঘ
-----------------------------
তোর চোখের জলের বৃষ্টির দিন
হৃদয় ভাঙ্গা সৃষ্টির রাত পেছন ফেলে
কি আসে যায় একটু ব্যথা বুকে চেপে
হাতের উপর হাতটি রেখে
পায়ের সাথে পা মিলিয়ে
আরেকটু পথ সঙ্গী হলে
কি আসে যায়...................</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257410/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Jul 2026 19:15:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ক্যাকটাস ধুলোমেঘ<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
তোর চোখের জলের বৃষ্টির দিন<br />
হৃদয় ভাঙ্গা সৃষ্টির রাত পেছন ফেলে<br />
কি আসে যায় একটু ব্যথা বুকে চেপে<br />
হাতের উপর হাতটি রেখে<br />
পায়ের সাথে পা মিলিয়ে<br />
আরেকটু পথ সঙ্গী হলে<br />
কি আসে যায়&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b1e4c6095ddaef76eef7bf7b135fea15</guid>
				<title>প্রসংগ - কবি ও কবিতা 
---------------------------------
&quot;সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি&quot;। সমস্যা হল সকলেই কবি হতে চায়। কেন চায়? কবিতা লেখা খুব সহজ তাই? অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য? নাকি বাংগালী মাত্রই কবি? আর, সকলেই যদি কবি হয়ে যায় তাহলে কবিতার পাঠক কে হবেন? সমালোচক কে হবেন? নানা প্রশ্ন, নানা জিজ্ঞাসা। উত্তর জানা নেই কারো। থাকুক। আমি নিজের কথাটুকু বলি। সকলেই কবি নয়। নির্ঘাৎ। আজকের বাংগালী সমাজে মূলতঃ দুই শ্রেণীর মানুষ রয়েছে কবিতাকে ঘিরে। এক শ্রেণীর মানুষ কবিতা সম্পর্কে কিছুই জানেন না। নিজেদের অজ্ঞতার কারনে এরা কবিতা পড়েন না, কবিতা শোনেন না, এবং নিজের অজ্ঞতা ঢাকতে গিয়ে এরা কবিতার দুর্বোধ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আর করেন অহেতুক সমালোচনা। আরেক শ্রেণীর মানুষ রয়েছে যারা কবিতা পড়েন এবং লেখেন। এর ভেতরে আবার এক শ্রেনীর মানুষ ভালোভাবে কোনোকিছু না বুঝেই কবিতা পড়েন এবং লেখেন। আর অতি ক্ষুদ্র একটি শ্রেণীর মানুষ আছে যারা কবিতা পড়া এবং লেখার কাজটি করেন ভালোভাবে বুঝে শুনে। শেষের এই ক্ষুদ্র শ্রেণী ব্যতীত আর কেউই কবি হওয়ার প্রাথমিক যোগ্যতা সম্পন্ন নয়। কেনো নয়? সেকথাই বলা যাক। প্রথম ভাগের মানুষ যারা কবিতা পছন্দই করেন না, তাদের নিয়ে কিছু বলার নেই। কি বলব? যদিও এদের ভেতরেও কেউ কেউ মাঝে মাঝে কবি হয়ে যেতে চান। দ্বিতীয় ভাগের প্রথম শ্রেণির মানুষ, যারা না বুঝেই কবিতা পড়েন এবং লেখেন, সর্বনাশের কাজটি করেন এরাই। ইনারা জানেন না যে - পদ্য, ছড়া এবং কবিতা এক জিনিস নয়। বিশেষ করে আধুনিক কবিতা। স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত আর অক্ষরবৃত্ত চিনে নিলেই কবিতা হয়ে যায় না। এতে অংক কষা হতে পারে, কবিতা নয়। এর ভেতরে আবার অনেকেই মনে করেন অন্তমিল দেয়াই হল কবিতার মূল মুন্সিয়ানা। আর তাই আজকাল আমরা দেখতে পাচ্ছি ভুরি ভুরি নবীন কবি আমের সংগে জাম, আমির সংগে তুমি মিলিয়ে কবিতা লিখে ভরিয়ে ফেলছেন আর দুঃখ করে বেড়াচ্ছেন কেনো তাদের স্বীকৃতি মিলছে না। এদের সংগে আছেন আধুনিক গদ্য কবিতা সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ আর উদাসীন একটি শ্রেণী। কি বলব !
প্রথমতঃ আজকের দিনে একজন কবি ও কবিতার পাঠককে ভালো করে জানতে হবে কবিতার বিবর্তন এবং আবেগ সম্পর্কে।  বিশেষ করে ষাটের দশকের কবিতা আন্দোলন সম্পর্কে। যে সময় আবির্ভাব হয়েছিল হাংরি, স্যাড ও এংরি জেনারেশনের। যে আন্দোলনের ম্যানুফেষ্টোতে বলা হয়েছিল কবিতার রয়েছে নিজস্ব স্বাধীনতা, প্রবাহমানতা। কবিতা কোনো গোষ্ঠী বা শ্রেণীর কাছে দাসখত দিয়ে তাদের গোলাম হয়ে যায়নি। কবিতার প্রকাশভংগিতে কারো প্রেস্ক্রিপশন গ্রহনযোগ্য নয়। এমনকি যতিচিহ্ন ব্যবহারেও থাকতে হবে কবিতার স্বাধীনতা। তাছাড়া বাক্যগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পদ্য লেখা যেতে পারে, কবিতা নয়। একটি সহজ উদাহরণ দেয়া যাক। আমি ভাত খাই। এটি একটি বাক্য, ঠিক আছে, এটি দিয়ে পদ্যও হতে পারে, কিন্তু কবিতা নয়। কবিতায় দ্যোতনা থাকতে হবে, আবেগ থাকতে হবে, আরো থাকতে হবে বাক্যতত্ত্বকে ভেংগে দেয়ার প্রক্রিয়া। সেটা কেমন? আমি ভাত খাই, এই বাক্যটি দিয়েই উদাহরণ দেয়া যাক। যেমন বলা হল, ভাত আমাকে খায়। বাক্য গঠন প্রক্রিয়ায় এটি একটি ভুল বাক্য। কিন্তু কবিতা নির্মানে, এটিই সঠিক। দীর্ঘ আলোচনায় যেতে চাইছি না এখন। একটি কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আপাতত শেষ করব। একজন কবিকে মনে রাখতে হবে কেন তিনি কবিতা লিখছেন। শত শত বছর ধরে যে কথাগুলো বলা হয়েছে, একজন কবি কেন আবার তা বলতে যাবেন? লিখতে যাবেন? একজন কবির দায় কোথায়? এক্ষেত্রে পার্সি ও উর্দু কবি মির্জা গালিব কে স্মরণ করছি। গালিব কেন শায়েরি বলেন (সে সময় কবিতা বলা হত, আজকাল লেখা হয়) এর উত্তরে বলেছিলেন - শায়েরি বলার জন্য আমি যখন উঠে দাড়াই, শব্দেরা তখন আমার পায়ের কাছে এসে করজোড় মিনতি করে বলে, গালিব, তুমি আমাদেরকে নতুন কিছু অর্থ দান কর। সেইসব বহু ব্যবহারে ক্লান্ত, চর্চিত, জীর্ণ, ক্লীষ্ট শব্দমালা, বেচে থাকার জন্য নিজেদের নতুন অর্থ খোঁজে তারা। একজন কবির প্রধানতম কাজ শব্দের এই নতুন অর্থ প্রদান করা। যিনি তা করতে পারবেন, তিনিই কবি।
অনেক কথা বলার বাকি রইল। হয়তো পরে বলব, যদি মনে পড়ে। সেই কথাটি বলেই আপাতত শেষ করছি - সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256867/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Jul 2026 06:21:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রসংগ &#8211; কবি ও কবিতা<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
&#8220;সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি&#8221;। সমস্যা হল সকলেই কবি হতে চায়। কেন চায়? কবিতা লেখা খুব সহজ তাই? অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য? নাকি বাংগালী মাত্রই কবি? আর, সকলেই যদি কবি হয়ে যায় তাহলে কবিতার পাঠক কে হবেন? সমালোচক কে হবেন? নানা প্রশ্ন, নানা জিজ্ঞাসা। উত্তর জানা নেই কারো। থাকুক।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256867"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256867/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e50ea54b18b8deb68a7cf24c8b4091a2</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256491/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jul 2026 11:08:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e13d8b2fab51d40135953950c0e247c6</guid>
				<title>জীবন
-----------------
মাঝে মাঝে ভুলে যাই মানুষ আমি
মাঝে মাঝে ভাবি কেন বেঁচে থাকা
তবু, ভোর আসে প্রতিদিন ভোর হলে
অকারণ জীবনের ছবি আঁকা......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256175/</link>
				<pubDate>Tue, 30 Jun 2026 23:35:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবন<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
মাঝে মাঝে ভুলে যাই মানুষ আমি<br />
মাঝে মাঝে ভাবি কেন বেঁচে থাকা<br />
তবু, ভোর আসে প্রতিদিন ভোর হলে<br />
অকারণ জীবনের ছবি আঁকা&#8230;&#8230;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a30302df9eaf1dcf412e36e253c01ff1</guid>
				<title>বাংগালীর হীনমন্যতা 
----------------------------
হীনমন্য বাংগালীর হীনমন্যতা (Inferiority Complex) নিয়ে কেন আমি হঠাৎ চিন্তায় পড়ে গেলাম? প্রশ্ন উঠতেই পারে। আসলে হঠাৎ করে চিন্তায় পড়িনি৷ বহুদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে ভাবছি। কিছু কিছু জিনিস এতো নির্লজ্জভাবে চোখের সামনে দেখতে পাই যে চোখ-কান-নাক চেপে রেখেও সেসব থেকে নিজের ভাবনা চিন্তাগুলোকে রক্ষা করতে পারি না। প্রশ্ন হলো বাংগালীর কোন হীনমন্যতা নিয়ে কথা বলব। এদের হীনমন্যতার তো শেষ নেই!! যাই হোক, আজ বলতে চাইছি বাংগালীর নিজেকে নিয়ে হীনমন্যতার কথা। পৃথিবীর আর কোন জাতিগোষ্ঠী নিজেকে নিয়ে এতোটা হীনমন্যতায় ভোগে কিনা আমার সন্দেহ আছে। এমন কি কালোরাও নয়। বাংগালী তার পোষাক নিয়ে, নিজের গায়ের রঙ নিয়ে, নিজের উচ্চতা নিয়ে, নিজের ভাষা নিয়ে, নিজের আঞ্চলিকতা নিয়ে, নিজের যোগ্যতা নিয়ে, সবচাইতে বেশি নিজের চেহারা নিয়ে এতোটাই হীনমন্যতায় ভোগে যে মাঝে মাঝে তা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। এতোটাই যে, আমি নিজে বাংগালী হওয়ার কারণে নিজেও একধরনের  হীনমন্যতায় ভূগি। কথা হলো আমি কেমন করে নিশ্চিত হই বাংগালীর এইসব হীনমন্যতার ব্যাপারে। কোন বিচারে? সহজ উত্তর হলো, বাংগালী তার এইসব হীনমন্যতার প্রকাশ ঘটায় অপরকে ছোট করার চেষ্টার মাধ্যমে, অতি নির্লজ্জের মতো, অপরকে Tease করার মাধ্যমে৷ সহজ কথায় অপরকে নিয়ে টিটকারি করার মাধ্যমে। একটা উদাহরণ দেয়া যাক, বাকিগুলো আপনারা বুঝে নেবেন। যেসব বাংগালী বা যারা সুন্দর করে প্রমিত বাংলায় কথা বলতে পারে না, তারা, যারা সুন্দর বাংলায় কথা বলেন তাদের প্রতি চরম হীনমন্যতায় ভোগেন।  এই হীনমন্যতার কারণে এরা সেই লোকগুলোকে প্রশংসা করার বদলে তাদেরকে নিয়ে, তাদের ভাষা নিয়ে কটুক্তি করে এক ধরনের বিকৃত আনন্দ লাভ করেন, এক ধরনের প্রশান্তি লাভ করেন। প্রমিত বাংলায় কথা বলা লোকজনকে এরা নদিয়া, শান্তিপুরি, ক্যালক্যাশিয়ান বলে ডাকেন কিংবা তাদের কথা বলাকে বলেন ঢং!! এভাবে সে তার চাইতে উচ্চতর, যোগ্যতর কাউকে দেখতে পেলেই চরম হীনমন্যতায় ভোগেন আর নানা কটুক্তি করার মাধ্যমে নিজের হীনমন্যতার বহিঃপ্রকাশ ঘটান। অথচ সভ্য মানুষেরা এক্ষেত্রে সাধারণত অপরকে প্রশংসা করে থাকেন। কারণ তারা জানেন, অপরকে ছোট করার মাধ্যমে কেউ নিজে বড় হতে পারে না। 
বাংগালী একদিন সভ্য জাতি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করবে, সেই প্রত্যাশায়....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/255325/</link>
				<pubDate>Tue, 23 Jun 2026 09:52:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাংগালীর হীনমন্যতা<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
হীনমন্য বাংগালীর হীনমন্যতা (Inferiority Complex) নিয়ে কেন আমি হঠাৎ চিন্তায় পড়ে গেলাম? প্রশ্ন উঠতেই পারে। আসলে হঠাৎ করে চিন্তায় পড়িনি৷ বহুদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে ভাবছি। কিছু কিছু জিনিস এতো নির্লজ্জভাবে চোখের সামনে দেখতে পাই যে চোখ-কান-নাক চেপে রেখেও সেসব থেকে নিজের ভাবনা চিন্তাগুলোকে রক্ষা কর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-255325"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/255325/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">71f4c722a5e52dc436ac76fde9c9cea9</guid>
				<title>প্রসংগ - স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তা
--------------------------------------------
স্বাধীনতা বলতে কি বুঝি আমরা। উইকিপিডিয়ার সংজ্ঞাই দেখা যাক। Freedom is often associated with liberty and autonomy in the sense of &quot;giving oneself their own laws&quot;, and with having rights and the civil liberties with which to exercise them without undue interference by the state. এখানে আরো বলা হয়েছে Freedom include freedom of assembly, freedom of association, freedom of choice, and freedom of speech. বেশ। ভাল কথা। কিন্তু আমরা কি দেখেছি?  আমরা দেখেছি যে স্কুলে আমাদেরকে শেখানো হচ্ছে, স্বাধীনতা মানে স্বেচ্ছাচারিতা নয়। স্বাধীনতা মানে এই নয়, যা মুখে আসবে তাই বলা যাবে। মেনে নিলাম। স্বাধীনতা মানে স্বাধীনতা হলেও আমাদেরকে তা বুঝেশুনে ব্যবহার করতে হবে। তাই তো? তাছাড়া আমরা জানলাম যে freedom of speech স্বাধীনতার একটি অন্যতম অনুষঙ্গ। এই freedom of speech এর সাথে সম্পর্কিত একটি বিষয় হলো Freethought বা মুক্তচিন্তা। কারণ মুক্তচিন্তা ব্যতীত freedom of speech দিয়া আমরা কি করিব? দেখা যাক মুক্তচিন্তা সম্পর্কে উইকিপিডিয়া কি বলেছে। Freethought holds that beliefs should not be formed on the basis of authority, tradition, revelation, or dogma. আচ্ছা। আরো বলা হয়েছে In some contemporary thought in particular, free thought is strongly tied with rejection of traditional social or religious belief systems. আহা!! মুক্তচিন্তা মানে আপনাকে সামাজিক ঐতিহ্য আর ধর্মীয় বিশ্বাসের বিরুদ্ধে চিন্তা করতে হবে, কথা বলতে হবে। এখানে logic, reason, and empirical observation টানা যাবে না। কি মধুর বাণী। কি স্ববিরোধীতা!! এখন কথা হচ্ছে আমাদেরকে কারা এইসব শেখাচ্ছেন? যারা শেখাচ্ছেন তারা নিজেরাই কি এই স্ববিরোধীতা মেনে চলেন? সবচাইতে বড় প্রশ্ন হলো - তারা আসলে কারা??</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254526/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Jun 2026 20:09:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রসংগ &#8211; স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তা<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
স্বাধীনতা বলতে কি বুঝি আমরা। উইকিপিডিয়ার সংজ্ঞাই দেখা যাক। Freedom is often associated with liberty and autonomy in the sense of &#8220;giving oneself their own laws&#8221;, and with having rights and the civil liberties with which to exercise them without undue interference by th&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254526"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254526/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5e9fa1166f349a752c6528762f295fd8</guid>
				<title>সাম্প্রদায়িকতা ও বাংলাদেশ
-----------------------------
ধর্ম নিয়ে ব্যবসা, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি, ধর্মান্ধতা বা ধর্মীয় উগ্রবাদ যাই বলি না কেন, ভারতবর্ষে এই বিষবাষ্প বিকিরণ হচ্ছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। ভারতবর্ষ ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়েছে সত্যি, কিন্তু ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হয়নি আজো। আমরা শিক্ষিত হচ্ছি, আমরা বিত্তবান হচ্ছি এবং সাথে সাথে আমরা অসভ্য হচ্ছি। কিন্তু হওয়ার কথা ছিল উল্টো। শত শত বছর আগে ইউরোপীয়রা ধর্মকে অস্ত্র বানিয়েছিল রাজ্য দখল ও রাজ্য শাসনের হীন স্বার্থে। তাদেরকে অনুসরণ করেছিল মধ্যপ্রাচ্য ও দূরপ্রাচ্যের দেশগুলো। ভারতবর্ষ সেখান থেকে নিজেকে আলাদা রাখবে কি করে? ইতিহাসের দীর্ঘতম সময় ধরে ভারতবর্ষ শাসিত হয়েছে কররাজ্য এবং কলোনি হিসেবে। যদিও মগ, পর্তুগিজ কিংবা ব্রিটিশরা ভারতবর্ষে এসেছিল শুধুই বানিজ্যিক উদ্দেশ্যে, ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে নয়, তদুপরি ভারতবর্ষ কখনোই তাদের সামন্তবাদী প্রভুদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে অত্মস্ত করতে পিছু পা হয়নি। মনিবকে অনুসরণ করার চিরকালীন মানসিক হীনমন্যতা আরকি! আধুনিক ও ভবিষ্যত পৃথিবীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় ধর্ম কোনো নিয়ামক শক্তি হতে পারে না, একথা ইউরোপ বুঝে গিয়েছিল অনেক দিন আগেই, আর তাই তারা তাদের সংবিধানকে সংশোধন করেছিল এবং রাষ্ট্রকে ঘোষণা করেছিল ধর্মনিরপেক্ষ হিসেবে। বলাবাহুল্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ও কমিউনিজমের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে শেষপর্যন্ত ভারতবর্ষও হেটেছে সেই পথেই। দুঃখের বিষয় হলো সেক্যুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতার যে সংজ্ঞা ইউরোপ বা আমেরিকা প্রণয়ণ করেছিল এবং তাদের সংবিধানে সংযোজন করেছিল, সেই সংজ্ঞায় তারা নিজেরাই নিজেদেরকে সংশোধিত করতে পারেনি। আর পারেনি বলেই আজো পৃথিবীতে ধর্মের নামে ভূমি দখল হয়, সম্পদ লুট হয় আর হয় রাজনীতি। সেই রাজনীতি থেকে খোদ আধুনিক ইউরোপ বা আমেরিকা নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারেনি। তাহলে ভারতবর্ষ পারবে কি করে? না পারেনি। হয়তো পারবেও না। তবুও নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে। নিজেদের সঙ্গে আমাদেরকে বুঝতে হবে। কেননা, ভারতবর্ষ এখন আর একক সত্ত্বা নয়। ভারতবর্ষ ভেঙ্গে হিন্দু মেজরিটির ভারত এবং মুসলমান মেজরিটির পাকিস্তান ও বাংলাদেশ হয়ে গেছে আজ বহুদিন হলো। একবিংশ শতাব্দির এই সময়ে এসে এখন আমাদেরকে বাংলাদেশ হিসেবে নিজেদেরকে চিন্তা করতে হবে একক ভাবে। আমাদের নিজেদেরকে প্রশ্ন করতে হবে। আমরা কি এখনো আমাদের ইউরোপীয় প্রভূদের পা চাটব? মধ্যপ্রাচ্যকে আমাদের নতুন প্রভূর আসনে বসিয়ে দেব? গুজরাটি হিন্দু দুষ্কৃতিকারী ও তাদের অসভ্য অনুসারীদেরকে আমাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাড় করাব? নাকি আমরা নিজেরাই পৃথিবীকে ধর্মনিরপেক্ষতার নতুন সংজ্ঞা ব্যাখ্যা করে দেখাব? নিজেরাই পৃথিবীর জন্য দৃষ্টান্ত হব?? বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত  তার বিখ্যাত &quot;কপালকুন্ডলা&quot; উপন্যাসে বলেছিলেন - &quot;তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?&quot; আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো বঙ্কিমচন্দ্র নিজে একজন ধর্মীয় উগ্রবাদী চিন্তার ধারক এবং বাহক ছিলেন।  বঙ্কিম অধম ছিলেন, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?
বাংলাদেশ হোক ধর্মীয় সহনশীলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, এ দেশের বুকে শান্তি আসুক নেমে, এই কামনায়....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252581/</link>
				<pubDate>Sun, 31 May 2026 15:03:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাম্প্রদায়িকতা ও বাংলাদেশ<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
ধর্ম নিয়ে ব্যবসা, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি, ধর্মান্ধতা বা ধর্মীয় উগ্রবাদ যাই বলি না কেন, ভারতবর্ষে এই বিষবাষ্প বিকিরণ হচ্ছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। ভারতবর্ষ ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়েছে সত্যি, কিন্তু ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হয়নি আজো। আমরা শিক্ষিত হচ্ছি, আমরা বিত্তবান হচ্ছি এবং সাথে সাথে আমরা অসভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252581"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252581/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">245395c7ace55c354e81d38eb9a3f4c5</guid>
				<title>আনিস কবির changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252261/</link>
				<pubDate>Thu, 28 May 2026 08:26:11 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">be8603f4f6448dfd42472771aeee514a</guid>
				<title>আনিস কবির changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251872/</link>
				<pubDate>Tue, 26 May 2026 23:42:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>