Profile Photo

Ariyan AbirOffline

  • ariyanabir
  • Profile picture of Syed Farah
    Profile Photo
    Syed Farah
    @syedfarah
  • নিজের ওপর বিরক্ত হয়ে সৈকত আর এক মুহূর্তও সেখানে দাঁড়িয়ে থাকল না। দ্রুত পায়ে সে ভেতরের বারান্দা পেরিয়ে শাহমীরের মায়ের ঘরের দিকে এগিয়ে গেল। ড্রয়িংরুমে তখনো একটা থমথমে নীরবতা বিরাজ করছে। রশিদ চৌধুরী গম্ভীর মুখে সোফায় বসে কোনো একটা ফাইল দেখছেন, কিন্তু ওনার চোয়াল শক্ত হয়ে থাকা বলে দিচ্ছে ভেতরের ঝড় এখনো থামেনি।
    ​সৈকত উঁকি দিয়ে দেখল মামী রি…Read More

    4
    4 Comments
    • Ariyan Abir, আপনার চমৎকার লিখনশৈলী এবং প্রতিটি চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলার সাবলীল ভঙ্গি আমাকে মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে মাঝরাতের সেই চরম উত্তেজনাকর দৃশ্যটিতে আপনার বর্ণনাশৈলী এতই জীবন্ত ছিল যে পুরো ঘটনাটি যেন চোখের সামনে ভেসে উঠছিল।

      আপনার এই সুন্দর রচনার জন্য প্রশংসা জানানোর পাশাপাশি অন্যান্য লেখকদের লেখাতেও মন্তব্য এবং লাইক ব…Read More

    • কাহিনীর টানটান উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত😯😯

    • Ariyan Abir, আপনার শেয়ার করা এই গল্পটার প্রতিটি বাঁক এতোটা রিয়েলিস্টিক আর আবেগপূর্ণ যে ‘তুবাকে কোলে নিয়ে শাহমীরের বাড়িতে ফেরার দৃশ্যটা’ পড়ে আসলেই খুব মায়া লাগলো।

    • তুবার জন্য সত্যি কস্ট হলো ।

  • Profile picture of Ariyan Abir

    Ariyan Abir changed their profile picture

    3
    3 Comments
  • ​”আমি মেডিক্যাল কলেজের একজন অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, আর তোমরা কোনো আলোচনা ছাড়াই ক্লাস টেন-এ পড়া একটা বাচ্চার সাথে আমার লাইফ জড়িয়ে দিতে চাইছ? তোমাদের ডিসিশনটা কি আদেও নরমাল?”
    ​শাহমীরের তীব্র আপত্তির মুখে তার মা বেশ বিরক্ত হয়ে জবাব দিলেন,
    ​”আমার ওপর রাগ দেখিয়ে লাভ নেই শাহমীর। যা বলার তোমার বাবাকে সরাসরি গিয়ে বলো। আর মেয়েটার তো আর মাত্র কয়েকটা দিন…Read More

    4
    3 Comments
    • আপনার এই লেখাটায় শাহমীরের তীব্র মানসিক দ্বন্দ্ব এবং পরিবারের পরিস্থিতির যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা বেশ জীবন্ত ও আকর্ষণীয়। চরিত্রগুলোর মধ্যকার জেদ এবং কথোপকথনের ভঙ্গি আপনি খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন, যা পাঠককে প্রতিটি মুহূর্তের উত্তেজনার সাথে যুক্ত রাখতে সক্ষম। আপনার লেখনী সত্যিই চমৎকার, ভবিষ্যতে আরো এমন দারুণ সব লেখা উপহার দেবেন এই প্রত্যাশা রইল।

    • আপনার লেখা গল্পটা পড়ে দারুণ এক টানটান উত্তেজনা কাজ করছিল, সত্যি বেশ চমৎকারভাবে পরিস্থিতিটা ফুটিয়ে তুলেছেন! এখন দেখার বিষয় শাহমীর শেষ পর্যন্ত তার বাবার জেদের কাছে হার মানে নাকি কোনো নতুন মোড় আসে।

    • গল্পটা খুব ভালো লাগলো পড়ে আবার হাসি পেলো সৈকতের বাইক থেকে পরে যাওয়া।

Skip to toolbar