<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | সাম্য রায় | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/gourabroy/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/gourabroy/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for সাম্য রায়.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 05 Jun 2026 11:00:26 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">0fd5f535c5cb42b54faa35b1e762e2a8</guid>
				<title>সাম্য রায় and পংকজ প্রিয়ম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251445/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 18:09:50 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">340c71d30b348a8df7c5bd6cfe6fd3e2</guid>
				<title>সাম্য রায় and ভাস্কর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250017/</link>
				<pubDate>Thu, 21 May 2026 10:39:15 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">35b6195b152e79353296466b23756610</guid>
				<title>সাম্য রায় and রাইসা আনজুম (পর্শি) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249362/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 15:34:16 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1241d8c96b2ac4f64c8e95b0ca6d8699</guid>
				<title>সাম্য রায় and সেলিনা বিনতে কারীম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248400/</link>
				<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:55:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">508d98d8720cd6f4103af01357ee4ee3</guid>
				<title>&quot;যে থাকার সে এমনিতেই থাকবে।
 শক্ত করে ধরে রাখবে তোমার হাত।
 যে যাওয়ার সে তো  এমনই যাবে
 দিয়ে যাবে শুধু অজুহাত &quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248334/</link>
				<pubDate>Sat, 16 May 2026 15:58:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;যে থাকার সে এমনিতেই থাকবে।<br />
 শক্ত করে ধরে রাখবে তোমার হাত।<br />
 যে যাওয়ার সে তো  এমনই যাবে<br />
 দিয়ে যাবে শুধু অজুহাত &#8220;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">09528da4e4e10f052d2090710d4c7c33</guid>
				<title>সাম্য রায় and সা দি য়া (নন্দিনী) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247711/</link>
				<pubDate>Thu, 14 May 2026 09:46:44 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">36295d2714adecaff47c524653d89773</guid>
				<title>সাম্য রায় and ইহতেমাম ইলাহী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247371/</link>
				<pubDate>Mon, 11 May 2026 07:02:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe02004da47d3785b8513cc95c88ea1b</guid>
				<title>আশা করি সকলে ভালো আছেন , দীর্ঘদিন কাজে ব্যস্ততা থাকায় নতুন কোনো গল্পের কাজ নিয়ে আস্তে পারি নি , কিছু গল্পের পরবর্তী পার্ট বানানো হইছে , শীঘ্রই সেগুলো আসবে  , তবে আজ আপনাদের থেকে কিছু প্রশ্ন , গল্প  , আড্ডা দেয়ার কথা ভাবলাম  , নিচে দেওয়া এই লিংক থেকে আপনারা আমাকে প্রশ্ন , গল্প , চিঠি , কবিতা দিতে পারবেন , আমি অবশ্যই  পড়বো , এবং রেসপন্স করবো । দেখা যাক আপনাদের থেকে কি কি পাওয়া যাই।  

চিঠি পাঠানোর ঠিকানা:
chithi . me / tomarpriyoful

(বিশেষ দ্রষ্টব্য: এখানে সরাসরি লিংক দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, তাই লিংকটি একটু ভেঙে দেওয়া হলো। আপনারা উপরের লেখাটি কপি করে ব্রাউজারে পেস্ট করুন এবং মাঝখানের স্পেস বা ফাঁকা জায়গাগুলো মুছে দিয়ে সার্চ করুন। আশা করি সহজেই যুক্ত হতে পারবেন!)

আপনাদের যেকোনো বিষয় জানার থাকলেও জিজ্ঞেস করতে পারেন , গল্প কবিতা বা যেকোনো বিষয় নিয়ে , বা কি ধরণের গল্প  দেখতে চান তাও জানাতে পারেন , অপেক্ষায় রইলাম</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247280/</link>
				<pubDate>Sun, 10 May 2026 16:36:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আশা করি সকলে ভালো আছেন , দীর্ঘদিন কাজে ব্যস্ততা থাকায় নতুন কোনো গল্পের কাজ নিয়ে আস্তে পারি নি , কিছু গল্পের পরবর্তী পার্ট বানানো হইছে , শীঘ্রই সেগুলো আসবে  , তবে আজ আপনাদের থেকে কিছু প্রশ্ন , গল্প  , আড্ডা দেয়ার কথা ভাবলাম  , নিচে দেওয়া এই লিংক থেকে আপনারা আমাকে প্রশ্ন , গল্প , চিঠি , কবিতা দিতে পারবেন , আমি অবশ্যই  পড়বো , এবং রেসপন্স করবো । দেখা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247280"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247280/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f0414be22834aa8f6d9876a6ecad5e1a</guid>
				<title>আশা করি সকলে ভালো আছেন  , দীর্ঘদিন কাজে ব্যস্ততা থাকায় নতুন কোনো গল্প আপনাদের সামনে নিয়ে আসতে পারি নি , তবে আজকে আমার লাইফ এর একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো  , গল্পটা পুরোপুরি আমার এতে প্রেম , ভালোবাসা , ভালোলাগা ,অভিমান , কষ্ট আর অপেক্ষা সব কিছু নিয়েই গল্পটা , গল্পটা অনেকটা বড় , তবে কিছু কিছু করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো ।  আশা করি গল্পটা আপনাদের মনে একটা জায়গা করে নিবে । 


                                                      গল্প : &quot;অস্মিতা&quot;
                                          পরিচালনা ও লেখক : &quot;সাম্য রায়&quot;

                                                           
বৃত্তান্ত : আমাদের জীবনে কিছু মানুষ হুট করেই চলে আসে ,ঠিক যেমন হঠাৎ ঝমঝমিয়ে চলে আসে একরাশি বৃষ্টি । তারা সাথে করে নিয়ে আসে একরাশ সতেজতা, আর যাওয়ার সময় রেখে যায় অদ্ভুত এক মায়া। এই মায়াতেই কেটে গেলো ৫ টা বছর । &quot;অস্মিতা&quot; আমার জীবনে ঠিক তেমনি একজন যেকিনা এসেছিলো হটাৎ বৃষ্টির মতন । আজ যখন দীর্ঘ পাঁচ বছর পর এই ডায়েরিটা হাতে নিলাম, মনে হলো আমি কোনো পুরনো কাগজ ধরছি না, বরং আমার ফেলে আসা সেই দিনগুলোকে আবার নতুন করে দেখছি এবং অনুভব করছি। এই লেখাগুলো শুধু কলমের কালি নয়, এগুলো আমার জীবনের ফেলে আসা এক সুন্দরতম অধ্যায়ের সাক্ষী।

                                                         পর্ব : ১

সাল ২০২১, নভেম্বর মাস হলেও ডিসেম্বরের মতো ঠান্ডা পড়ছে , প্রতিদিনের তুলনায় আজকের সকালের ঠান্ডাটা একটু বেশি, প্রতিদিনের মতো ১০টা বেজে ঘড়ি তার মতো করে ছুটে যাচ্ছে, এদিকে আমি পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছি, শীতের সকালের ঘুম উঠতেও ইচ্ছা করে না, একটা সময় ঘুম ভাঙল, মনে হলো আজকে পরিবেশ এতটা ঠান্ডা কীভাবে, কেউ কিছু বলছে না, অন্যদিন তো পড়ে পড়ে ঘুমালে রুমে এসে ফ্যান অন করে দিয়ে চলে যায়, যাতে জলদি উঠি, আজ কী হলো? মনে মনে ভাবলাম, তারপর ভাবলাম বিষয়টা দেখি, বিছানা থেকে উঠে সোজা গেলাম রান্নাঘরে, দেখলাম মা সকালের নাস্তা তৈরি করছে, আমাকে দেখেই বলল, কিরে জমিদার উঠলি কেন, ঘুমা আরও যা, প্রথমবার কিছু বললাম না, পরে মা আবার বলল, সারারাত মনে হয় ঘুমাসনি খালি ফোন টিপছিস, এবারও কিছু বললাম না, মা আবার বলল, ওই জন্যই ডাকি না দেখি কতক্ষণ ধরে তুই ঘুমাস, বেলা বাজে ১টা আর ওর ঘুম পাড়াই শেষ হচ্ছে না, মায়ের কথা শুনে হালকা একটু অবাক হলাম , এবার বললাম, বেলা বাজে ১টা মানে? মা বলল, নাহ, ঘড়ি তো তোর জন্য থেমে থাকবে, তুই ওঠার পর থেকে সময় চলতে থাকবে , কথা শুনে বিশ্বাস হলো না, তাড়াহুড়ো করে রুমে এসে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি, ১:২৪, এইবার বুঝলাম মা কেন এত কথা শোনাল, আসলে আমি দেরি করে উঠলে মা এমন বকবক করেই এগুলো অভ্যাস হয়ে গেছে, ব্যাপার না, ওহ শিট! আমার তো এক জায়গায় যাওয়ার কথা ছিল, অনেক দেরি হয়ে গেল, শিট!, আবার রান্নাঘরে গেলাম যেয়ে মাকে বললাম, ১টা পার হয়ে গেছে তুমি আমাকে ডাকবা না আমার এক জায়গায় যাওয়ার কথা ছিল দেরি হয়ে গেল, মা বলল, ঘুমই হয় না তোর, ঘুমা আরও যা, আমি বললাম,
এগুলাই তো ভালো না, ডাকও দিবা না আবার উল্টা কথাও শোনাবা, আবার মা বলতেই লাগবে, তখন আমি বললাম, জানি এখন সেই ডায়ালগ দিবা, কোন বাড়ির ছেলে বেলা ১টা পর্যন্ত ঘুমায়? মা একটু হাসল, আমিও হাসলাম, পরে বলল যেয়ে জলদি ফ্রেশ হয়ে নে , সকালের নাস্তা করবি কখন আর দুপুরের করবি কখন? আমি একটু হেসে বললাম, সকাল দুপুর সব দিয়ে দাও, একবারেই খেয়ে নেব, বলল, যা করবি কর, ফ্রেশ হয়ে আয়। তারপর বাথরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এসে নাস্তা করলাম, একটু পর মা বলল, কোথায় যাওয়ার কথা বললি যে, আমি বললাম, হুম, স্কুলে যাওয়া লাগবে, জন্মনিবন্ধন দেওয়া লাগবে, মা বলল, সারাদিন শুধু এদের জন্মনিবন্ধনই লাগে ,কত জন্মনিবন্ধন যে এরা নিবে, তাহলে আসবি কখন, আমি বললাম, এই তো ঘণ্টাখানিকের মতন লাগবে যাব দিব চলে আসব, এই বলে রেডি হয়ে বাসা থেকে বের হলাম, রাস্তায় কোনো রিকশা নাই, ১০-১৫ মিনিট পর মনে হলো, আচ্ছা আমি যাচ্ছি জন্মনিবন্ধন দিতে, তো জন্মনিবন্ধন কই, ওহ শিট! নিতেই তো ভুলে গেছি, আবার দৌড়ে ওপরে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করে পাই না, পরে হুট করে মনে হলো, ওইটা তো আমার ফাইলেই আছে, ফাইল থেকে নিয়ে তাড়াহুড়ো করে চলে যেতে নিব, তখন মা বলছে, ওইটা থুয়েই চলে গেছিলি, বললাম, হুম, মনে ছিল না, মা তার সেই ঐতিহাসিক ডায়লগ দিল, এই ছেলেকে আর মানুষ করতে পারলাম না, আমি বললাম, সমস্যা নাই ,পরে এসে মানুষ হবো , যাই আগে জলদি, মা বলল, দেখে শুনে যা, আচ্ছা ঠিক আছে, বলে নিচে এসে দেখি ও বাবা, রিকশাই তো নাই, উড়ে উড়ে যাব নাকি, একটু পর দেখি এক চাচা আসতেছে, বললাম, সীমান্ত স্কুল, চাচা কেমন গম্ভীর নজরে তাকাল আর বলল, একাই না অন্য কেউ যাবে, বললাম, একটা ফ্রেন্ড যাবে সামনে, চাচা বলল, বুঝছি, আমি বললাম, বুঝছেন যখন চলেন, চাচা বলল, যাব, ভাড়া ১০০ টাকা, মনে মনে ভাবলাম একে গালি দিয়েও লাভ নাই, আবার দেরিও হয়ে গেছে অনেক, ঠিক আছে চলুন, রিকশায় উঠেই চাচা একটু পর বকবক শুরু করল, আসলে আমাদের এখানকার রিকশাওয়ালারা এমনই, কিছু যাত্রীকে দেখলে আগের জন্মের বন্ধুর কথা মনে পড়ে যায়, চাচার কিছু কথা শুনলাম, কিছু বুঝলাম, আবার কিছু বুঝলাম না, সব কথায় খালি মাথা ঝাকানো আর হুম হুম বলা ছাড়া উপায় নাই। এখন আপনাদের মনে হচ্ছে যে কী গল্প ৩ পৃষ্ঠা শুধু উঠতে, খেতে আর যেতেই শেষ, আর স্কুলের কথা শুনে খটকা লাগাটা স্বাভাবিক, বাট এটাই রিয়েলিটি, ওহ আমার পরিচয় তো দেওয়া হলো না, আমি সাম্য , সবেমাত্র আমার বয়স ১৪-১৫ হবে, কিছু দিন আগেই আমার ক্লাস ৮-এর বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হলো, ধরতে গেলে আর ২ মাস পর আমি ৯-এ উঠে যাব, এখন আপনাদের মনে আবার প্রশ্ন? তার মানে এটা একটা পিচ্চি ছেলের গল্প, আসলে তা না, সব যদি বলি তাহলে তো আর গল্পটার ইন্টারেস্ট থাকবে না, দেখতে থাকুন কী হচ্ছে, আর এটুকু বলা যায়, গল্পটা পিচ্চি কালের হলেও , এর রেশ এখনও মন থেকে যায়নি আর কখনো যাবেও না ,,,,,,
তো যেখানে ছিলাম, প্রায় ৩০ মিনিট পর চলে আসলাম স্কুলে, চাচাকে বললাম আপনার যদি তাড়া থাকে, তাহলে একটু দাঁড়ান, আমি ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই আসব, ভাবলাম লোকটা ভালো, হ্যাঁ বলবে, বাট আই ওয়াজ রং, ধুম করে বলল, পারমু না রে বা টাকা দিয়ে ছেড়ে দাও চলে যামু, মেলা দেরি হচ্ছে, মনে মনে ভাবলাম এক যদি ছেড়ে দিই, আবার যাওয়ার সময় রিকশা পাওয়া মুশকিল, অতএব আইডিয়া, চাচা আপনাকে তো ছেড়ে দিতাম, কিন্তু, চাচা বলল, কী কিন্তু, কিন্তু হচ্ছে যে আমি তো ভাড়াই নিয়ে আসি নি, তাড়াহুড়ো করে চলে আসছি তো, চাচা বলল, তে আমার ভাড়া, আমি বললাম, আমি কইছি নাকি যে দিমু না আপনার ভাড়া, আপনে এখানে ১০ মিনিট দাঁড়ান আমি আসতেছি, আমাকে বাসায় রেখে আসেন, একেবারে টাকা দিয়ে দিব, সিম্পল, চাচা কিছু একটা বলতে চেয়েও আর বলল না, খালি বলল, কী আর কমু রে বা, যাও জলদি যাও, পরে আমি চাচাকে দাঁড়াতে বলে স্কুলের আঙিনায় প্রবেশ করলাম, আসলে একটু চালাক না হলে দুনিয়াতে চলা মুশকিল, তাই একটু চালাকি করলাম, স্কুলের আঙিনায় ঢুকে খেয়াল করলাম চারিদিক ফাঁকা, ১-২ জন ছাড়া কেউ নাই, ভেতরে একটু এগোতেই মনে হলো, আমার সাথে তো আমার এক ফ্রেন্ডকে আনার কথা ছিল, ভুলেই তো গেছি, আমার আশায় মনে হয় দাঁড়িয়ে আছে বেচারা, থাকুক, ওই অবশ্য ওর জন্মনিবন্ধন জমা দিয়েছে, আমি আসব শুনে আমার সাথে আসতে চাইছিল আর কী, ব্যাপার না, রেজিস্ট্রি রুমে ঢুকে দেখি স্যার বসে আছে, সালাম দিলাম, কোনো জবাব নাই, আবার বললাম, স্যার আসব, মুখের দিকে তাকিয়ে থাকল, বললাম, চশমার পাওয়ার কি বেড়ে গেছে না কমে গেছে, চিনতে পারছেন না আমাকে? মাথা আবার নিচু করে বলল, ১ টা চা আর ১ প্যাকেট সিগারেট নিয়ে আয়, বুঝলাম না, চা-সিগারেট আনতে বলে কেন, এইবার আর পারমিশন না নিয়েই রুমে ঢুকে পড়লাম, চেয়ারে বসে বললাম, মিস্টার রফিক স্যার, কাকে কী বলেন, স্যার আবার আমার মুখের দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকাল আর বলল, আরে সাম্য , বস বস, আমি ভাবছি ওই পিন্টু আসছে চায়ের অর্ডার নিতে, খেয়াল করি নাই, আমি বললাম ঠিকই আছে, সব ছাত্রকে যে ওই চা-ওয়ালার চোখেই দেখেন, আমি আবার বাদ গেলে বিষয় টা মানাবে না!, স্যার হেসে বলল, আর খেয়াল করি নি দূরের জিনিস বুঝতে একটু সমস্যা হয়, মাইন্ড করিস না, তোর জন্যে চা আনতে বলছি, আমি বললাম, লাগবে না চা, আমার জন্মনিবন্ধনটা নেন আর কোথায় সিগনেচার লাগবে দেন, জলদি করে দিই, স্যার শিট বের করে দিল, একটা সিগনেচার দিয়ে জন্মনিবন্ধন জমা দিয়ে বললাম, আপনার এই জন্মনিবন্ধনের জন্যে আমার ২০০ টাকা লস, স্যার বলল কেন, আমি বললাম, রিকশা ভাড়া, আমি তো আর এমপি না যে ফ্রিতে নিয়ে আসবে, স্যার আবারও হেসে বলল, হুম ঠিকই আছে, তে নে যা, বললাম আচ্ছা ভালো থাকেন, সালাম দিয়ে রুম থেকে বের হয়েই স্যারকে বললাম, ওই চশমা ফেলে দেন মিস্টার রফিক স্যার, দূরবীন নিয়ে বসেন, দূরের মানুষ চিনতে সুবিধা হবে, আসি, স্যার শুধু একটা হাসি দিল আর বলল আচ্ছা নে তাই রাখব, এই বলে আমি সিঁড়ি নিচে নামতে লাগলাম, হুট করে ফোন বাজল, দেখি সেই ফ্রেন্ডেরই কল, রিসিভ করলাম, বলল তুই আসবি না বাসায় যাব, বললাম বাসায় যা, বলল কেন, স্কুলে যাবি না, বললাম কাজ শেষ স্কুলের বাসার দিকে যাচ্ছি, ওই বলল আচ্ছা তে নে যা, আমি বাসায় গেলাম, ওকে বায় , তারপর নিচে পৌঁছে দেখি চাচা আছেই, ভাড়া যেহেতু দিই নি থাকারই কথা, পরে রিকশায় উঠলাম, চাচাকে বললাম, চলেন শেষ ঝামেলা, বলে চাচা রিকশা টান দিল, কিছুক্ষণ পর বাসায় এসে চাচাকে বললাম, তখন আপনাকে এমনি বলছি যে আমার কাছে ভাড়া নাই, ভাড়া আমার কাছে ছিলই, রিকশা পাওয়া যায় না বলে আপনাকে বুদ্ধি করে রেখে দিয়েছিলাম, বলে ভাড়াটা চাচার হাতে দিলাম, চাচা বলল, আরে বা ঠিক আছে, সমস্যা নাই, বললাম, ঠিক আছে, আবার যখন যেতে হবে তখনও এইভাবেই চালাকি করে যাবো কি বলেন , চাচা মুচকি হেসে বলল, আচ্ছা, সমস্যা নাই , এই বলে আমি বাসার ভেতর ঢুকলাম, ঘুরে ফিরে অবস্থা শেষ, এসে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাওয়া দাওয়া করে রেস্ট করলাম, একটু পর বিকেল হয়ে গেল, ছাদে গিয়ে একটু ঘুরলাম, গাছে জল দিলাম, দিয়ে বাইরে যেয়ে একটু ঘোরাফেরা করলাম, আসলে কাজ না থাকলে যা হয়, সন্ধ্যার দিকে বাসায় এসে চা-নাস্তা করলাম, একটু পর রুমে গেলাম, সন্ধ্যা প্রায় ৭টা বাজে, ভাবলাম কী করা যায়, এই ভাবতে ভাবতে দেখি রাত ৮টা বেজে গেছে, কেমন জানি একঘেয়েমি লাগছে, প্রতিদিন সব সেম জিনিস, নতুন কিছুই নাই, এইটা ওইটা ভাবলাম, লাইফে একটু এন্টারটেইনমেন্ট দরকার, কোথাও ঘুরতেও যাওয়া হয় না, কারো বিয়ে-শাদিও নাই, যাই টা কোথায় তাহলে , এগুলাই ভেবেই যাচ্ছি, পরে রাতে খেতে বসে মাকে বললাম, মা চলো কোথাও ঘুরে আসি, প্রতিদিন বাসায় থেকে আর ভালো লাগে না, কোথাও ঘুরতে হবে, কোনো বিয়েরও নিমন্ত্রণ নেই, বলতেই মা বলল যে বিয়ের নিমন্ত্রণ আছেই দুই দিন পর, শুনে আমি একটু অবাক হলাম, বললাম, কার বিয়ে? আমি তো কিছু জানি না, মা বলল, ওই তোর নূপুর দির বিয়ে, গেলেই দেখতে পাবি, বললাম, নূপুর দির বিয়ে ঠিক হয়েছে কবে বিয়ের তারিখ কত, কিছুই তো জানি না, যাওয়া কবে? মা বলল, গেলেই দেখতে পাবি, মনে মনে আমার কিউরিওসিটি হচ্ছে, না শুনলে তো বিষয় টা হজম হচ্ছে না, রাতের খাওয়া দাওয়া শেষ করে পরে ভাবলাম, কবে বিয়ের ডেট এইটা একজন বলতে পারবে, আইডিয়া একটা কাজ করি লাবণ্য দিকে মেসেজ দিই, লাবণ্য দির ব্যাপারে যদি বলি ওই হলো আমার সব কাজিনদের মধ্যে সব থেকে ফেভারিট কাজিন, সম্পর্কে ওই আমার মেজতো বোন, আমরা নিজের মায়ের পেটের ভাই বোন না হলেও আমাদের বন্ডিংটা অনেক ফ্রেন্ডলি আর ইয়ার্কি-ফাজলামির মতন, ওকে মেসেজ দিতে চেয়ে মনে হলো না থাক কল দিই, কল দিয়ে সব ডিটেইলস শুনি, পরে কল দিলাম, খোঁজ খবর নিয়ে বললাম যে, কিরে নূপুর দির নাকি বিয়ে ঠিক হয়ছে? লাবণ্য বলল, হুম হয়ছে তো অনেক আগেই, তুই জানিস না, ডেটও ফিক্সড, বললাম কবে, লাবণ্য বলল, এই আর দুই দিন পর এই ডিসেম্বরের ১ তারিখে, শুনে আমি ক্যালেন্ডারে দেখলাম আজ নভেম্বরের ২৯ তারিখ, তার মানে আর একদিনের অপেক্ষা, তারপরই বিয়ে, লাবণ্যকে বললাম আর একদিনের অপেক্ষা, তারপর শুধু মজা আর মজা, বলল সেটাই তো তোরা সবাই তাড়াতাড়ি চলে আসিস, বললাম ঠিক আছে নে, নো প্রবলেম, আমি তো কালকেই চলে যাব যেতে পারলে, লাবণ্য বলল, আয় চলে আয়, অনেক কাজ বিয়ে বাড়ির, দেখাশোনা করতে হবে, আমি বললাম ওগুলাতে আমি নেই, যাব, ঘুরব, খাব আর এনজয় করব, লাবণ্য বলল, আচ্ছা করিস , নে এখন রাত হয়ে গেছে ঘুমা, কাল কথা হবে বিয়ে নিয়ে, বললাম আচ্ছা নে তাহলে কাল সব শুনব নি। বলে ফোন রেখে দিলাম, কিছুক্ষণ পর শুয়ে পড়লাম, আর মনে মনে ভাবলাম কত মজা হবে বিয়ে বাড়িতে, সারাদিন শুধু হই হই, খাওয়া দাওয়া, সবাই মিলে ঘোরা, আড্ডা দেওয়া আরও কত কী, এগুলা ভাবতে ভাবতে কখন জানি ঘুমিয়ে পড়লাম ............</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245139/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 20:55:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আশা করি সকলে ভালো আছেন  , দীর্ঘদিন কাজে ব্যস্ততা থাকায় নতুন কোনো গল্প আপনাদের সামনে নিয়ে আসতে পারি নি , তবে আজকে আমার লাইফ এর একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো  , গল্পটা পুরোপুরি আমার এতে প্রেম , ভালোবাসা , ভালোলাগা ,অভিমান , কষ্ট আর অপেক্ষা সব কিছু নিয়েই গল্পটা , গল্পটা অনেকটা বড় , তবে কিছু কিছু করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো ।  আশা করি গল্পটা আপন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245139"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245139/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">21cfdb74cf2d6181f776837d5b3cc148</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243608/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 13:26:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">75fe4821dcdefdfa8d39a3824fb0b0c4</guid>
				<title>গল্প : &quot;কক্ষ নং : ৩০৭&quot;
লেখক : &quot;সাম্য রায়&quot;

পর্ব ১  :  শহর থেকে অনেকটা দূরে, গাছপালায় ঘেরা পুরোনো এক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। কলেজের মূল ভবন থেকে খানিকটা সরু রাস্তায় এগোলেই চোখে পড়ে বিশাল এক হোস্টেল বিল্ডিং। বয়সে অন্তত ২০-২৫ বছর পুরোনো। বাইরে থেকে দেখলেই বোঝা যায়—রঙ চটে যাওয়া দেয়াল, ভাঙাচোরা জানালা আর করিডোরে আধাভাঙা লাইট বাল্ব। দিনের বেলা সবকিছু সাধারণ মনে হলেও রাত নামলেই পরিবেশ যেন ভারী অদ্ভুত হয়ে যায়।

অভ্র প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছে। নতুন পরিবেশ, নতুন বন্ধু, আর একেবারেই অচেনা হোস্টেল। একজন সিকিউরিটি গার্ড তাকে তার রুমে পৌঁছে দিল। অভ্রকে জায়গা দেওয়া হলো দ্বিতীয় তলার এক কোণের রুমে—তার রুম নম্বর ছিল ২১৪। জিনিসপত্র রেখে গার্ড চলে যাওয়ার সময় অভ্রকে বলল, “রাত করে করিডোরে বের হবেন না,চুপচাপ শুয়ে পড়ুন।” অভ্র বলল, “কেন, কোনো সমস্যা আছে নাকি?” গার্ড বলল, “এত উত্তর দেওয়ার সময় নাই। যা বললাম, যদি না শোনেন, আপনি নিজেই পস্তাবেন।” এই বলে গার্ড চলে যেতে লাগল। তখন অভ্র বলল, “আচ্ছা আঙ্কেল, আমার রুম তো ২১৪, তাহলে সেই হিসেবে পাশের রুমটার রুম নম্বর হবে ২১৫। তা না হয়ে এখানে ৩০৭ লেখা দেখছি, তিন তলার রুম নম্বরের মতো সিরিয়াল দেওয়া—এটা কি ভুল করে দিয়েছে?” অভ্রর কথা শুনে গার্ড রেগে গিয়ে বলল, “এত কথা বলেন কেন! যা বলেছি সেটা মাথায় রাখেন,” বলে গার্ড সেখান থেকে চলে গেল। অভ্র তখন একটু রেগে গিয়ে বলল, “সমস্যা নাকি লোকটার মাথায়! ভালো কথার কোনো দামই নাই,” এই বলে সে প্রথমবার তার রুমে ঢুকল। ভিতরে ঢুকতেই একটুখানি হালকা স্যাঁতসেঁতে গন্ধ পেল। কিন্তু নতুন রুম হওয়াতে সে গন্ধকে গুরুত্ব দিল না।

রুমে ঢোকার পর খেয়াল করল যে তার একটা ব্যাগ বাইরে রয়ে গেছে। সেটা নিয়ে আসতে গিয়ে খেয়াল করল যে পাশের যে রুমটা আছে (৩০৭ নম্বর), ওটাই একদম পুরোনো, একটা তালা লাগানো, যেটা মরিচা ধরে গেছে। অভ্রর একটু মনে খটকা লাগল—আসলে কী আছে এই রুমে? গার্ডটা কি আমার থেকে কিছু লুকানোর চেষ্টা করল? এই বলে সে আবার তার রুমে চলে গেল। তারপর ফ্রেশ হয়ে রাতের খাবার খেয়ে কিছুক্ষণ পর শুয়ে পড়ল। এক সময় খেয়াল করল, জানালা দিয়ে আসা চাঁদের আলোয় পাশের তালাবদ্ধ রুমের ভেতর একটা ছায়া নড়ছে (এখানে বলে রাখা ভালো, অভ্রর রুমের জানালা দিয়ে ৩০৭ নম্বর রুমের জানালা দেখা যেত)। ছায়াটা ঠিক মানুষের মতো মনে হলো—কখনো দাঁড়িয়ে, কখনো হাঁটছে, ঘুরে বেড়াচ্ছে রুমটার ভিতর। এসব কিছু অভ্র জানালা দিয়েই দেখছিল, আর ঘাবড়াতে শুরু করল। হঠাৎ তার মনে ভয় ঢুকে গেল, কিন্তু সে ভাবল, রুমটা তো অনেকদিন যাবত তালাবদ্ধ, ভিতরে তাহলে কী দেখলাম? এই বলে চোখ কচলে আবার তাকাতেই দেখে কিছুই নেই। সবটাই ছিল তার মনের ভ্রম।

কিন্তু রাত যত বাড়তে লাগল, তার কানে আসতে লাগল ফিসফিসানি—যেন দূরের কোনো কণ্ঠ কথা বলছে। অভ্র সাহস করে দরজাটা হালকা ফাঁক করে করিডোরে উঁকি দিল, কিন্তু ফাঁকা করিডোরে শুধু ভাঙা টিউব লাইটের ঝিঁঝিঁ শব্দ। তখন তার মনে পড়ল গার্ডের সেই কথা—“করিডোরে রাত বিরাতে বের হবেন না।” কথাটা মনে হতেই সঙ্গে সঙ্গে দরজাটা লাগিয়ে দিয়ে চুপচাপ বিছানায় বসে পড়ল। কিছুক্ষণ পর সে ঘুমিয়ে পড়ল।

পরদিন সকালে হোস্টেলের পুরোনো ছাত্রদেরকে অভ্র সব কাহিনি খুলে বলল। তারা বলল—

“এই হোস্টেলে নাকি এক সময় এক ছাত্রকে খুন করা হয়েছিল, ঠিক ওই রুমে… কক্ষ নম্বর ৩০৭। তারপর থেকে মাঝরাতে জানালায় ছায়া দেখা যায়।”

অভ্র মুচকি হেসে বলল—

“আমাকে দেখে কি পাগল মনে হয় তোমাদের? এসব কুসংস্কার! পুরোনো হোস্টেল বলে তোমরা ভূতের গল্প বানিয়েছ।”

“বাহ! আইডিয়াটা দারুণ—মানুষকে বোকা বানানোর জন্য। তবে আমি এর শেষ দেখে ছাড়ব। কী আছে এই ৩০৭ নম্বর রুমে, রহস্য আমি বের করবই।”

কথাগুলো বললেও ভিতরে ভিতরে এক অদ্ভুত অস্বস্তি জমে রইল অভ্রর মনে।
গত রাতের সেই ছায়াটা কি আসলেই কিছু ছিল,
নাকি সবটাই তার মনের ভুল?


অভ্র কি পারবে এই রহস্যের জট খুলতে , আর কি এমন লুকিয়ে আছে এই ৩০৭ কক্ষের সাথে জানতে হলে অপেক্ষা করুন পর্ব ২  এর জন্য ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243551/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 09:35:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্প : &#8220;কক্ষ নং : ৩০৭&#8221;<br />
লেখক : &#8220;সাম্য রায়&#8221;</p>
<p>পর্ব ১  :  শহর থেকে অনেকটা দূরে, গাছপালায় ঘেরা পুরোনো এক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। কলেজের মূল ভবন থেকে খানিকটা সরু রাস্তায় এগোলেই চোখে পড়ে বিশাল এক হোস্টেল বিল্ডিং। বয়সে অন্তত ২০-২৫ বছর পুরোনো। বাইরে থেকে দেখলেই বোঝা যায়—রঙ চটে যাওয়া দেয়াল, ভাঙাচোরা জানালা আর করিডোরে আধাভাঙা লাইট বাল্ব। দিনের বেলা স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243551"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243551/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7b912a7b0e419312a1869c61e38c68a8</guid>
				<title>গল্প : &quot;মিহিদানা&quot;
লেখক : &quot;সাম্য রায়&quot;

পর্ব ২ : শুভ্র আর অনিক একসাথেই থাকে, বাসা ভাড়া নিয়ে। বাসায় গিয়েই তারা অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়ে, ব্যাচেলর মানুষ বলে কথা, রান্নাও করতে হবে। দু’জন ফ্রেশ হয়ে একসাথে রান্না-বাড়ি করে খেয়ে দেয়ে নিজেদের রুমে গিয়ে বিছানায় বসতে না বসতেই জানালা দিয়ে উঁকি মেরে দেখে আবারও আকাশে মেঘ।
শুভ্র তখন তার বিছানায় শুয়ে কিছুক্ষণের জন্য চোখ বন্ধ করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে।

চোখ বন্ধ করাই সে যেন কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে গেল। হঠাৎই তার কল্পনার দৃশ্যে এলো সেই বাস স্টপে কাটানো মুহূর্তগুলো, যখন মেয়েটা তার চুল সরিয়ে পেছনে এক ঝলক তাকিয়ে থাকে, আর শুভ্র অবাক দৃষ্টিতে তার চোখের চাহনিতে হারিয়ে যায়…।
কল্পনায় সে সেই সময়টাকে অনুভব করতে পারছিল। ঠিক এমন সময় মেয়েটার নাম জিজ্ঞেস করতে যাবে, তখনই অনিক তাকে তার কল্পনা থেকে জাগিয়ে তোলে।
মানে শুভ্র কল্পনায় কখন যে ঘুমিয়ে যায় সে নিজেও জানে না। আর পুরো ব্যাপারটাই ছিল তার স্বপ্ন…

অনিক শুভ্রকে ডাকতেই শুভ্র লাফ দিয়ে উঠে বসে আর বলে,
– কী হয়েছে? কী হয়েছে? ডাকছিস কেন?
তখন অনিক বলে,
– ভাই ঘুমে তো মেতে ছিলি! কয়টা বাজে তোর ধারনা আছে?
শুভ্র বলে,
– ৬টা বা ৬:৩০ হতে পারে। তাই বলে তুই এইভাবে ঘুম থেকে ডাকবি? কী সুন্দর একটা স্বপ্ন দেখছিলাম, ধুর ভালো লাগছে না।
অনিক বলে,
– ৬টা বাজবে আবার কাল ভোরে! এখন ৮টা বাজে!
শুভ্র অনিকের কথা শুনে এক লাফে উঠে পড়ে আর বলে,
– কী বলিস! পাগল নাকি তুই? আগে ডাকলি না কেন? আমার তো কত পড়া ছিল, ফাইলের ডকুমেন্টগুলো সাজাতে হবে! এখন কী করব আমি!
অনিক রেগে গিয়ে বলে,
– তোকে আমি সন্ধ্যা থেকেই ডাকছি, কিন্তু তোর ওঠার কোনো নামই নেই। তাই আমি বাজার থেকে ঘুরে আসলাম। এসে দেখি তুই এখনো ঘুমিয়ে আছিস। তাই এখন ডাকলাম। যা, জলদি ফ্রেশ হয়ে নে।
শুভ্র তার চোখ ডলতে ডলতে ওয়াশরুমে গেল। গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিয়ে হালকা একটু নাস্তা–পানি করলো, দু’বন্ধু মিলে। তারপর দু’জনেই কাজে বসে যায় ঠিক ৯টার দিকে।

টানা ৪ ঘণ্টা যাবত কাজ করায় তাদের কোমর, হাত, পা ব্যথা ধরে যায়।
হঠাৎ ঘড়ির দিকে চোখ পড়তেই দেখে ১২টা বাজতে আর ৪ মিনিট কম।
তখন তারা রাতের ডিনার শেষ করে ১২:৩০টার দিকে শুয়ে পড়ে।

অনিক আর শুভ্র এক রুমেই ঘুমায়। পাশাপাশি দু’জনের বিছানা। দু’জনেই শুয়ে পড়ে, লাইট অফ করে দেয়।
হঠাৎ অনিক বলে ওঠে,
– কিরে ঘুমাইছিস নাকি?
শুভ্র বলে,
– হুম ঘুমাই গেছি।
অনিক বলে,
– তো কথাটা কে বলে ঘুমিয়ে গেলে?
শুভ্র বলে,
– তোর বাপ! ঘুমা চুপচাপ।
অনিক আবার বলে,
– আচ্ছা, তখন যে তুই গভীর ঘুমে ছিলি, কী স্বপ্ন দেখলি?
শুভ্র বলে,
– আরে, স্বপ্নটা পুরাই বাস্তবের মতো ছিল রে। আবার সেই বাস স্টপ, আবার সেই মেয়ে, সেই চোখ… কিন্তু সব শেষে নামটা শুনতে পারলাম না।
অনিক একটা অট্টহাসি দিয়ে বলে,
– তুই টাইম লুপে আটকে গেছিস রে! একই জিনিস তোর সাথে বারবার হচ্ছে দেখছি!
শুভ্র একটু খুশি হয়ে বলে,
– হইলে ক্ষতি কী! ভালোই তো লাগতেছে।
অনিক বলে,
– তেমনটা হলে চলবে না ভাই! পার্সটা এখনো আমাদের কাছেই! এখন কাল যদি মেয়েটার সাথে আবার দেখা হয়, তাহলে নামটা জানা যাবে আর পরিচয়টাও। অতএব অত খেয়াল না দেখে ঘুমা, কাল সকাল সকাল ক্যাম্পাসে যেতে হবে, অনেক কাজ, ফাইনাল প্রজেক্টের মিটিং আছে। ক্লাসে একটু দেরি করলে কী হবে বুঝতেছিস? চুপচাপ ঘুমা। কালকের কাহিনি কাল দেখা যাবে।

শুভ্র আর কিছু না বলে ঘুমিয়ে যায়।
অনিকও কিছুক্ষণ বাদে ঘুমিয়ে যায়……

সকাল ৭টার দিকে অ্যালার্ম বাজছে, কেউই উঠছে না।
অ্যালার্মের পর অ্যালার্ম বেজেই যাচ্ছে।
এক সময় শুভ্রর ঘুম ভাঙে।
ঘড়িতে দেখে ৮টা বাজতে আর ১৯ মিনিট।
৮:৩০ তেই তাদের ক্লাস শুরু।

এক লাফে বিছানা থেকে নেমে অনিককে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে দু’জনে কোনোমতে ফ্রেশ হয়ে, নাস্তা করে, ড্রেস পরে এক দৌড়…

দৌড়াতে দৌড়াতে অনিক বলে,
– ভাই তোকে কতবার বলছিলাম তাড়াতাড়ি উঠিস, সময়ই নাই। ক্লাস শুরু হয়ে যাবে, আর ৫ মিনিট আছে, জলদি ভাগ।
শুভ্র বলে,
– কথা বলার সময় নাই, চল তুই।

দু’জনেই দৌড়ে আসছে ক্যাম্পাসের মেইন গেটে।
সবেমাত্র ঢুকবে, ঠিক সেই মুহূর্তে শুভ্রর সাথে একটা মেয়ের ধাক্কা লাগে।
মেয়ের হাতে থাকা সব বই পড়ে যায়।
তখন শুভ্র দ্রুত থেমে হাঁপাতে হাঁপাতে বলে,
– স্যরি স্যরি, আই এম এক্সট্রিমলি স্যরি, আসলে খেয়াল করি নাই।
বলে মেয়েটার মুখের দিকে তাকাতেই দেখে,
এই তো সেই মেয়ে, যাকে সে বাস স্টপে সেই বৃষ্টির দিনে দেখেছিল,
কিন্তু তার নাম জিজ্ঞেস করতে পারেনি।

মেয়েটা বলে,
– অন্ধ নাকি , চোখে দেখতে পাও না?

শুভ্র কিছু বলার আগেই অনিক জোর করে ওর হাত ধরে ক্লাস রুমের দিকে নিয়ে যায়।
দৌড় দিয়ে ক্লাস রুমের গেট আসতেই দেখে স্যার ক্লাস নিচ্ছেন অলরেডি।
তখন বাজে ৮টা বেজে ৪৪ মিনিট।

শুভ্রকে স্যার অনেক পছন্দ করেন, ভালো ছাত্র হিসেবে।
তাই শুভ্রকে নির্দিষ্ট করে বলে,
– তুমি আমার অনেক স্পেশাল স্টুডেন্ট। তুমি যদি দেরি করে আসো, তাহলে তো হবে না।
– ১৪ মিনিট লেট।
শুভ্র শুধু নিচু গলায়,
– স্যরি স্যার, নেক্সটে আর হবে না, প্রমিজ!!

তখন স্যার বলেন,
– ঠিক আছে, আসো।
– জলদি বসে পড়ো। আর প্রজেক্টের ফাইনাল মিটিং হিসেবে যে দায়িত্ব দেওয়া ছিল, কাকে?

অনিক বলে,
– স্যার, শুভ্রকে।

তখন স্যার শুভ্রকে বলে,
– দেখি তোমার প্রেজেন্টেশন কেমন হয়েছে। তোমাকে দায়িত্বটা দিয়েছি বলে কথা, 

এই বলে স্যার প্রেজেন্টেশনটা দেখে শুভ্রকে বলে,
– গুড, তুমি এটা বোর্ডে সবাইকে বুঝিয়ে দাও।

স্যারের কথামতো শুভ্র বোর্ডের সামনে গিয়ে তার প্রেজেন্টেশনের ফাইল থেকে বোর্ডে সবাইকে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিল, যেটা শুভ্র গতকাল রাতভর পড়ছিল ৪ ঘণ্টা ধরে।

প্রেজেন্টেশনটা ভালো হওয়ায় ক্লাসের সবাই শুভ্রকে অনেক প্রশংসা করে, যা দেখে স্যারও অনেক খুশি হন।

তারপর শুভ্রর এই প্রেজেন্টেশনকে লক্ষ্য করে একটা মিটিং ফিক্স করা হয়, যার হোস্টের দায়িত্ব স্যার শুভ্রকেই দেন।

এর জন্য শুভ্র অনেক খুশি হয়, এত বড় একটা দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে ভেবে।

স্যার বলেন,
– তোমাদের শেষ পিরিয়ডে এই মিটিং সংক্রান্ত আলোচনা হবে।
– ততক্ষণে তোমরা সেটা নিয়ে কিছু জানার থাকলে শুভ্রর কাছ থেকে জেনে নিও।


ক্লাস শেষ হওয়াই শুভ্র আর অনিক মিলে তাদের ক্যাম্পাসের ক্যান্টিনে গিয়ে মাঝের টেবিলে বসে। বসেই তারা দুটো কফি অর্ডার দেয়। তখন অনিক শোভ্রকে বলে,
– &quot;ভাই, আজকে তোর প্রেজেন্টেশনটা পুরাই অসাধারণ ছিল রে। স্যারও অনেক খুশি।&quot;
শোভ্র একটু হেসে বলে,
– &quot;থ্যাঙ্কস তো তোকে দেওয়া উচিত রে , কাল ভাগ্যিস ঝটপট তুলে দিয়েছিলি ঘুম থেকে, না হলে আর হতো না।&quot;
এই বলে দুজনেই হেসে ওঠে।

ঠিক সেই সময় অনিক শুভ্রর সামনে থাকা টেবিলে সেই মেয়েটিকে দেখতে পায়। ওর সাথে একজন আছে। শুভ্র ঘাড় ঘুরিয়ে পেছনে ফিরে দেখে—সত্যিই তো, তখন ধাক্কা লাগলো ভালো মতো, &#039;সরি&#039;ও বলতে দিলি না তুই।
অনিক বলে,
– &quot;স্বপ্নের নায়িকা সেই নাইকা বলে কথা! চল চল, ঝটপট।&quot;
তারপর অনিক আবার ও বলে,
– &quot;এক মিনিট দাঁড়া! ওর সাথে যে মেয়েটা বসে আছে, ও তো মেঘলা! আমাদের ডিপার্টমেন্টের। তার মানে ওরা দুই জন বন্ধু? ওয়াও, আনবিলিভেবল! তাহলে তো আরও ইজি হয়ে গেল। তোর ওই মেয়েটার সঙ্গে ফ্রেন্ডশিপও হয়ে যাবে। চল!&quot;

ঠিক তখনই ওয়েটার এসে ওদের কফির কাপ দুটো টেবিলে রাখে।
শোভ্র বলে,
– &quot;আগে খেয়ে নিই, ঠাণ্ডা হয়ে যাবে তো।&quot;
অনিক বলে,
– &quot;গাধা, এত বড় একটা সুযোগ! মেঘলাও আছে, তুই চল। তোকে আমি পরে কফি খাওয়াবো, চল।&quot;

এই বলে শুভ্র আর অনিক যখন ওদের টেবিলের দিকে যেতেই, শুভ্র বলে ওঠে,
– &quot;আর রে, বাদ দে, আমার কেমন জানি লাগতেছে।&quot;
অনিক বলে,
– &quot;তুই যদি ওই মেয়েটার সাথে আজকে কথা না বলিস, তাহলে তোকে আজকে বাসায় ঢুকতে দিবো না। চল চুপচাপ।&quot;

দুজনেই মেঘলাকে আগেই চিনতো। মেঘলার সামনে যেতেই মেঘলা বলে ওঠে,
– &quot;আর রে দোস্ত, তোরা? বস বস!&quot;
দুজনেই বসল—মেঘলা আর ওই মেয়েটার পাশে পাশে। অবশ্য অনিক চালাকি করে শুভ্রকে মেয়েটার পাশের চেয়ারটায় বসিয়ে দেয় আর নিজে মেঘলার পাশে বসে পড়ে।

তখন সেই মেয়েটা শুভ্রর দিকে তাকিয়ে বলে,
– &quot;আরে তুমি! তুমিই তো তখন ক্যাম্পাসে ধাক্কা দিয়ে আমার বইগুলো ফেলে দিলে! তুমি ই তো সে!&quot;
শোভ্র তখন বলে,
– &quot;আবারও সরি! কিন্তু বিশ্বাস করো, আমি ইচ্ছা করে ধাক্কা দেইনি। তাড়াহুড়োর জন্য হয়ে গেছে।&quot;
মেয়েটা বলে,
– &quot;ইটস ওকে, নো প্রবলেম।&quot;
মেঘলা তখন ওই মেয়েটাকে বলে,
– &quot;আর রে বাদ দে তো।&quot;
তারপর শোভ্র আর অনিককে বলে,
– &quot;তোরা কি মিহিকে চিনিস নাকি আগের থেকে?&quot;

শোভ্র বলে,
– &quot;মিহি আবার কে?&quot;
তখন মিহি নিজেই বলে ওঠে,
– &quot;এই যে আমি, যাকে আপনি ধাক্কা মেরেছিলেন। আমিই সে।&quot;

শুভ্র তখন পুরোই শক। মিহির মুখের কথা গুলো শুনে সে যেন আবার দিশেহারা হয়ে যায়। মনে মনে বলে,
– &quot;এতো মিষ্টি করে কেউ কীভাবে কথা বলতে পারে! আর কি সুন্দর নাম—&#039;মিহি&#039;। ইশশ... ফাইনালি নামটা জানতে পারলাম!&quot;

তখন মেঘলা শুভ্রকে বলে,
– &quot;কিরে শুভ্র, কী ভাবছিস মনে মনে?&quot;
শুভ্র বলে,
– &quot;আরে না না, কিছু না এমনি!&quot;
মেঘলা তখন বলে,
– &quot;তোরা হয়তো ওকে ওইভাবে চিনিস না।&quot;

তখন মেঘলা বলা শুরু করে,
– &quot;এই হলো আমার সব চাইতে মিষ্টি বান্ধবী—মিহি। ও রিসেন্টলি চট্টগ্রাম থেকে ট্রান্সফার নিয়ে আমাদের ইউনিভার্সিটিতে এসেছে। মিহি আমাদের এক বছরের জুনিয়র, কিন্তু ওই ও সাইকোলজি ডিপার্টমেন্টেই আমাদের সাথে। মিহি যেমন দুষ্টু, তেমনই অনেক ফ্রেন্ডলি।&quot;
মিহি বলে,
– &quot;আরে , তুই কি আমার পুরো বায়োগ্রাফি বলে দিবি নাকি ? হয়ছে , থাম!&quot;


শুভ্র একটু সাহস নিয়ে মিহিকে বলে,
&quot;আচ্ছা, এইবার বুঝলাম। আমি শুভ্র, অনার্স ২য় বর্ষ, ডিপার্টমেন্ট অফ সাইকোলজি। নাইস টু মিট ইউ।&quot;
মিহি বলে,
&quot;নাইস টু ইউ টু, ভাইয়া। তুমি তাহলে সেই শুভ্র? যে কিনা ডিপার্টমেন্ট টপার, তোমার কথা অনেক শুনছি মেঘলার মুখে। সরি সেদিন বাস স্টপ এ তোমার সাথে খারাপ ব্যবহার এর জন্য&quot;
শুভ্র একটু লজ্জা পেয়ে বলে,
&quot;আরে ওগুলো আমি কখন ভুলে গেছি , আর তা বাদেও দোষটা আমারই ছিল। সরি &quot;
মিহি বলে, 
আচ্ছা যা হয়ছে হয়েছে , এখন তো আমরা ফ্রেন্ড । কিন্তু তুমি আমার চাই তে সিনিয়র । সো , তোমাকে শুভ্র ভাইয়া বলেই ডাকবো কেমন । 
তখন শুভ্র বলে ,
ঠিক আছে , সমস্যা নাই , মাহি । ওহ সরি , মিহি । 
তখন মেঘলা শুভ্রর পিঠে একটা বাড়ি দিয়ে বলে,
&quot;হইছে রে! লজ্জা পেতে হবে না দোস্ত! আর ঐটা মাহি না মিহি&quot;
তখন মেঘলা মিহিকে বলে,
&quot;আর এই তোকে দেখে লজ্জা পাচ্ছে!&quot;
মিহি শুভ্রকে বলে,
&quot;আমায় দেখে আবার লজ্জা কিসের ?&quot;
মেঘলা বলে,
&quot;শোন শুভ্র, মিহি যেহেতু নতুন তাই তুই ওকে একটু নোটস দিয়ে হেল্প করিস। আবার প্রেজেন্টেশনের মিটিং-ও আছে।&quot;
শুভ্র মিহিকে বলে,
&quot;তুমি ওইটা নিয়ে ভাবো না। আমি তোমায় সব নোটসগুলো সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে দিব।&quot;
মিহি একটু হেসে বলে,
&quot;Thanks a lot শুভ্র ভাইয়া !&quot;
তখন অনিক বলে,
&quot;আরে ভাই, তোরাই কথা বলতেছিস, আমায় তো কিছু বলতেই দিচ্ছিস না!&quot;
মিহি বলে,
&quot;তুমি শুভ্রর ফ্রেন্ড তাই না?&quot;
অনিক একটু চমকে বলে,
&quot;তুমি কিভাবে বুঝলা?&quot;
তখন মিহি বলে,
&quot;তোমাকে শুভ্র ভাইয়ার সাথে সারাদিনই তো দেখা যায় , তাই ভাবলাম তুমি হয়তো ফ্রেন্ড।&quot;
তখন অনিক বলে,
&quot;ওহ্ বুঝলাম! ঠিকই ধরেছো &quot;
হঠাৎ করেই অনিকের মনে পড়ে যায় যে,
&quot;ইসস রে , এই মেয়ের পার্স তো আমাদের বাসায়, আনতেই তো মনে নাই আমাদের। শিট! একটু যদি মনে পড়তো! ধুর &quot;
মনে মনে ভাবতে থাকে অনিক।
অনিক শুভ্রকে বলে,
&quot;একটু এদিকে আয় তো, আমার সাথে।&quot;
শুভ্র বলে,
&quot; আরে কোথায় যাব?&quot;
অনিক, মেঘলা আর মিহিকে বলে,
&quot;তোমরা গল্প করো, আমরা একটু আসছি।&quot;
এই বলে অনিক শুভ্রকে নিয়ে সাইডে গিয়ে বলে,
&quot;ঘুম থেকে উঠেই তো চলে আসলি, তখন যে বলছিলাম পার্সটা নিয়ে আসিস, যদি মেয়েটার সাথে দেখা হয় দিয়ে দিবি।&quot;
শুভ্র ওর মাথায় হাত দিয়ে বলে,
&quot;হায়রে! মনে-ই তো নাই! কিন্তু ওর সাথে দেখা হবে তা তো আমি ভাবিই নি। মানে মাহি ধুর মিহির সাথে সবে মাত্র আমার পরিচয় হলো, আর বড়ো বিষয় হচ্ছে যে, মিহি হয়তো ভুলে গেছে ওর পার্সের কথা , আর প্রথম দিন যেদিন বাসস্টপে দেখা হয় , সেদিন তো দিয়েই দিতাম কিন্তু ওই তো চলে গেলো &#039;
অনিক বলে,
&quot;সে না হয় বুঝলাম। কিন্তু ভাই, মেয়েটা কিন্তু অনেক মিষ্টি রে! এত সুন্দর করে কথা বলে যে, কোনো ছেলে ওর মায়ায় জড়িয়ে যাবে এক নিমিষেই।
তুইও দেখলাম কথা বলতে বলতে ওর মায়ায় পড়ে গেছিস প্রায়। ভালোবেসে ফেললি নাকি রে?&quot;
শুভ্র বলে,
&quot;আরে এইরকম কোনো কিছুই না। তুই শুধু শুধু ওইরকম করিস।
তা ছাড়া ও আমার এক ব্যাচ জুনিয়র। এগুলার কোনো প্রশ্নই আসে না।&quot;
অনিক বলে,
&quot;হুম।
তোর মনের ভাষা এক আর চোখের ভাষার মধ্যে দিন রাতের পার্থক্য । 
যখন ওর সাথে কথা বলতেছিলি তখনই বুঝতে পারছি।&quot;
শুভ্র বলে,
&quot;ওরে মহাগ্যাণী রে! হইছে এবার চল,
মিহি কি চলে গেল নাকি দেখি,
ওকে পার্সের কথাটা বলতে হবে।&quot;
অনিক বলে,
&quot;আমার তো মনে হচ্ছে তুই ওকে এখনই ভালোবেসে ফেলছিস!&quot;
শুভ্র বলে,
&quot;থাপরানো উচিত তোকে, চল তো!&quot;

শুভ্র আর অনিক মিলে ক্যান্টিনে যেতেই দেখে মেঘলা একাই বসে আছে।
ঝট করে শুভ্র মেঘলার সামনে এসে বলে,
&quot;কি রে মেঘলা, মাহি কই গেলো?&quot;
মেঘলা বলে,
&quot;ওটা মাহি না মিহি? কী মিষ্টি করে নাম নিলি রে দোস্ত!
মায়া টায়াই পড়ে গেলি নাকি, প্রেমে দেখি হাবুডুবু ?&quot;
শুভ্র একটু রেগে গিয়ে বলে,
&quot;তোদের সমস্যা টা কি? একটু কিছুতেই শুধু তোরা এমন করিস, এগুলা কিন্তু আমার একদম ভালো লাগে না।
মিহির পার্স আমার কাছে আছে,
ওটা ওকে দিতে হবে, তাই মিহিকে বলতে চাইলাম।
কিন্তু ও তো চলেই গেল।
আর তোদের শুধু প্রেম আর প্রেম — তা ছাড়া তোরা কিছুই বুঝিস না।&quot;
মেঘলা চমকে উঠে আর বলে,
&quot;পার্স?
ওর পার্স তোর কাছে কী করে?
চুরি করছিস নাকি?
ছিঃ দোস্ত!
তুই শেষমেশ চুরি করা শুরু করলি, তা আবার মেয়েদের পার্স?
এগুলো তোর থেকে আমি আশা করি না!&quot;
শুভ্র বলে,
&quot;আরে মাথা মোটা! ওইরকম কিছুই না,
তুই যা বলছিস!&quot;
মেঘলা বলে,
&quot;আচ্ছা শুনি, কাহিনি বল দেখি।&quot;
তখন শুভ্র পুরো কাহিনি টা খুলে বলে —
কিভাবে দেখা হলো,
ওকে দেখে ওর মনে কী কী অনুভূতি জাগলো,
ওর পার্সটা কিভাবে পড়ে গেলো,
সব কাহিনি শুনে,
মেঘলা খুশিতে হাততালি দিয়ে বললো,
&quot;ওয়াও দোস্ত!
তোর তো পুরাই সিনেম্যাটিক কাহিনি!
হাউ সুইট। 
পুরাই ফিল্ম এর মতো তোদের দেখা হইছে!
কিন্তু একটা প্রশ্ন হচ্ছে যে,
মিহি কি তোকে শেষমেশ ভালোবাসবে নাকি , এই গল্প এখানেই শেষ । 
শুভ্র বলে,
&quot;জানি না কি আছে , তবে ওকে দেখার পর কেমন জানি করতিছিলো বুকের মাঝে , স্বপ্নেও দেখছিলাম ওকে &quot;
মেঘলা বলে,
&quot;ওয়াও দোস্ত!
প্রথম দেখায় প্রেম ! সেই সেই । 
শুভ্র বলে,
&quot;তুইও থাপ্পর খাবি!&quot;
মেঘলা বলে,
&quot;না দরকার নাই!
কিন্তু কাল তো মিহি আসবে ক্যাম্পাসে, ক্লাসও করবে।
দিয়ে দিস পার্স, এতো চিন্তা কিসের bro!
আর তুই যেভাবে দিশেহারা হয়ে গেছিস, হাহাহা!
সেই লাগলো দোস্ত!
তোর গল্পটা!
লেগে থাক!
মিহি অনেক ভালো মেয়ে!
তোর লাইন সেট আপ হয়ে যাবে।
আর আমি তো আছি,
তোক হেল্প করবোই!&quot;
শুভ্র বলে,
&quot;হইছে ভাই, মাফ চাই! মুখ বন্ধ কর,
আমি নাই এগুলায়!
সরি ! পার্সটা দিয়ে দিব, হিসাব শেষ!
চল এখন তোরা, বিকেল হয়ে গেছে!&quot;

তখন মেঘলা আর অনিক বলে,
&quot;আচ্ছা তাহলে চল,
কাল এসে বাকি টা হবে!&quot;
এই বলে তিন জন মিলে নিজ নিজ বাসায় চলে গেলো।


আগামী পর্বে যা থাকছে...
পরের পর্বে দেখা যাবে শুভ্র যখন মিহিকে তার হারানো পার্সটা ফিরিয়ে দেয়, তখন মিহির প্রতিক্রিয়া কেমন হয়?  আর শুভ্র কি পারবে তার মনের কথা মিহিকে বলতে, নাকি &#039;সিনিয়র-জুনিয়র&#039; আর &#039;বন্ধুত্ব&#039;-এর বেড়াজালে আটকে থাকবে তাদের সম্পর্ক?

অপেক্ষা করুন পর্ব ৩-এর জন্য!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243371/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 11:56:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্প : &#8220;মিহিদানা&#8221;<br />
লেখক : &#8220;সাম্য রায়&#8221;</p>
<p>পর্ব ২ : শুভ্র আর অনিক একসাথেই থাকে, বাসা ভাড়া নিয়ে। বাসায় গিয়েই তারা অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়ে, ব্যাচেলর মানুষ বলে কথা, রান্নাও করতে হবে। দু’জন ফ্রেশ হয়ে একসাথে রান্না-বাড়ি করে খেয়ে দেয়ে নিজেদের রুমে গিয়ে বিছানায় বসতে না বসতেই জানালা দিয়ে উঁকি মেরে দেখে আবারও আকাশে মেঘ।<br />
শুভ্র তখন তার বিছা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243371"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243371/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">47a9dcd2d891fb4c239b7d75891679a4</guid>
				<title>&quot;প্রথমবারের মতো নিজের লেখা একটি গল্প আপনাদের সামনে নিয়ে এলাম। অনেক দিনের জমানো কিছু অনুভূতি আর কাল্পনিক কিছু মুহূর্ত দিয়ে সাজানো এই &#039;মিহিদানা&#039;

গল্পটি নিয়ে এখনো কাজ চলছে, অনেকটা পথ বাকি। তবে শুরুর এই অংশটুকু আপনাদের কেমন লাগলো, তা জানতে খুব ইচ্ছে করছে। আপনাদের ভালো লাগা বা মন্দ লাগা—যেকোনো মন্তব্যই আমাকে পরের অংশগুলো আরও সুন্দর করে লিখতে অনুপ্রেরণা দেবে।


গল্প : মিহিদানা  
“লেখক : সাম্য রায় ”

বৃতান্ত : 
ভালোবাসা মানেই সব সময় পাশে থাকা নয়, কখনো কখনো সেটা সময়ের পরীক্ষায় ধৈর্য আর বিশ্বাস নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার নাম।
মিহিদানা হলো এমনই এক সম্পর্কের গল্প—যেখানে দুজন মানুষ ভালোবেসেছিল, একে অপরকে হারিয়েছিল, আবার সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে একে অপরের হয়ে উঠেছিল।
এটা কোনো রঙিন সিনেমার মতো গল্প নয়, বরং আমাদের মতো সাধারণ মানুষের সেই চুপচাপ ভালোবাসার গল্প—যেটা চোখে জল আনে, আবার মুচকি হাসিও ফোটায়।
ছোট শহর, ছোট স্বপ্ন আর এক গভীর ভালোবাসায় গড়া এক মিষ্টি সম্পর্কের নাম—মিহিদানা।


পর্ব : ১ 
সালটা ছিল ২০২১। গল্পের শুরুতেই আমরা দেখতে পাই শুভ্র নামের এক ছেলেকে। শুভ্র অত্যন্ত নম্র, ভদ্র এবং শান্ত স্বভাবের ছেলে। তার কোনো খারাপ অভ্যাস নেই। সে একজন মেধাবী ছাত্র এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

একদিন শুভ্র ক্যাম্পাসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হলো। বের হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে সে খেয়াল করলো বাইরে প্রচণ্ড বাতাস বইছে, আকাশ কালো মেঘে ঢাকা—মনে হচ্ছে যে কোনো সময় প্রবল বৃষ্টি নামবে।

তবুও শুভ্র কিছু না ভেবেই বেরিয়ে পড়ে। ক্যাম্পাস তার বাসা থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে, তাই সে হেঁটেই রওনা দেয়। কারণ, তার ভালো লাগে বৃষ্টি আসার আগের সেই মনমুগ্ধকর মুহূর্তটা। খুশি মনে সে হেঁটে চলে যায় ক্যাম্পাসের দিকে।

ক্যাম্পাসে পৌঁছে দেখে, অনিক নামের তার একজন বন্ধু তার জন্য বাইরে অপেক্ষা করছে। অনিক ও শুভ্র এক বিভাগের ছাত্র, আর অনিক তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু। শুভ্রকে দেখে অনিক রেগে গিয়ে বলে,
— “তুই কোথায় ছিলি রে? কতোক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছি, পা ব্যথা ধরে গেল! আসি আসি বলেও এত দেরি করলি?”
তখন শুভ্র হেসে উত্তর দেয়,
— “আরে তোকে তো আজকে কফি ট্রিট দিব, তাই ভাবলাম একটু দাঁড়িয়ে রাখি ””
অনিক কিছু না বলে চুপ করে যায়। এরপর তারা ক্যাম্পাসের ভিতরে যায়। শুভ্র বলে,
— “তুই ৫ মিনিট দাঁড়া, আমি অফিস থেকে কিছু ডকুমেন্ট নিয়ে আসি। কোথাও যেন পালিয়ে যাস না, না হলে কফি পাবি না।”
অনিক মজা করে বলে,
— “আরে না, আমি এখানেই আছি, তুই যা তাড়াতাড়ি।”

শুভ্র অফিস থেকে ডকুমেন্ট নিয়ে ফিরে এসে বলে,
— “চল, এখন তোকে কফি খাওয়াই, না হলে তুই আবার রেগে যাবি।”
অনিক হেসে বলে,
— “ভাই, তুই অনেক ভালো রে।”
শুভ্র মুচকি হেসে বলে,
— “জানি রে।”

তারা দু’জন মিলে ক্যাম্পাস থেকে বের হলো। এমন সময় শুরু হলো প্রবল ঝড়—তীব্র বাতাসে চারপাশ অন্ধকার হয়ে গেল। শুভ্র তখন বলে,
— “তোর আজ আর কফি খাওয়া হবে না মনে হয়।”
অনিক হাসতে হাসতে বলে,
— “কফি না পাইলে আজ তোকে খেয়েই ফেলবো!”

ঠিক তখনই শুরু হলো মুষলধারে বৃষ্টি। শুভ্র হঠাৎ পাশেই একটি বাস স্টপ দেখে অনিককে নিয়ে সেখানে গিয়ে আশ্রয় নিলো। দু’জনেই ভিজে একাকার। হঠাৎ এক মেয়ে এসে তাদের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে—সেও পুরো ভিজে গেছে। মেয়েটি তার ভেজা চুল সরাতেই চুলে জমা পানি ছিটকে পড়ে শুভ্রর মুখে। শুভ্র একটু বিরক্ত হয়ে মেয়েটার দিকে তাকাল, কিন্তু তাকাতেই সে স্তব্ধ হয়ে গেল!

মেয়েটার চোখে-মুখে এমন এক মায়া ছিল, যেন শুভ্র হারিয়ে গেল সেখানে। সে হতবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে।
মেয়েটি বলে,
— “হ্যাঁ, কি হয়েছে? এভাবে তাকিয়ে আছেন কেন? কিছু বলবেন?”
শুভ্র কেমন যেন চুপ করে থাকে।
মেয়েটি মুচকি হেসে আবার বলে,
— মাথায় কি সমস্যা?।”
পেছন থেকে অনিক এসে বলে,
— “কিরে! মেয়েটাকে ঝাড়ি দিতে গিয়ে,  হঠাৎ প্রেমে পড়ে গেছিস নাকি ?”
শুভ্র বলে,
— “না রে, ওর চোখে আমি হারিয়ে গিয়েছিলাম। কী মায়াবী চোখ, কী মিষ্টি হাসি! মনে হলো কোনো মায়ায় বাঁধা পড়ে গেলাম।”
অনিক হেসে বলে,
— “এইভাবেই হয় ভাই! কেবল তো শুরু রে”
শুভ্র বললো,
— “সত্যি বলছি, মেয়েটা অনেক মিষ্টি, কথা বলার ধরণটাও চমৎকার।”
অনিক মজা করে বলে,
— “তাহলে চল, শুনি মেয়েটা কোথায় থাকে!”
শুভ্র লজ্জা পেয়ে বলে,
— “থাক, শোনা লাগবে না।”
অনিক বলে,
— “তাহলে জানবি কীভাবে ওর নাম? পরিচয়?”
শুভ্র মাথা নিচু করে বলে,
— “জেনেই বা কী হবে…”
অনিক বলে,
— “তোকে এখন একটা চড় মারা উচিত! মেয়েটার চোখ দেখে ২২০ ভোল্টের শক খেলি, আবার বলিস কিছু জানার দরকার নেই! বৃষ্টি থেমে গেছে, চল এখন।”

শুভ্র তখন ঠিক করে, মেয়েটার নাম জিজ্ঞেস করবে। কিন্তু পেছনে তাকিয়ে দেখে মেয়েটা ততক্ষণে চলে গেছে।
অনিক বলে,
— “আরো বল বেশি করে , চোখে ডুবে গেছিস, মনে হারিয়ে গেছিস। কতোবার বললাম নামটা শুন, শুনলি না! থাক, এখানে দাঁড়িয়ে লাভ নেই, চল।”

শুভ্র একটু মন খারাপ করে হাঁটতে থাকে। তখনই তার চোখে পড়ে তার সামনে পড়ে আছে একটি লেডিস পার্স ব্যাগ। ব্যাগটা হাতে নিয়েই শুভ্র চিনতে পারে—এই ব্যাগটা তো ওই মেয়েটার হাতে ছিল!
সে অনিককে দেখিয়ে বললো,
— “এই ব্যাগটা তো ওই মেয়েটার, আমি ওর হাতে দেখেছিলাম।”
অনিক বললো,
— “তাহলে এই ব্যাগটা তুই নিজের কাছে রেখে দে। কাল ক্যাম্পাসে এলে যদি আবার দেখা হয়, তখন দিয়ে দিস। তখন তো ওর নামও জানতে পারবি।”

শুভ্র খুব খুশি হলো, ব্যাগটা হাতে নিয়ে তারা বাসার পথে রওনা দিল।


এটি গল্পের শুরু মাত্র, সামনে আরও অনেক চমক আর নতুন সব পর্ব আসছে। পাশেই থাকুন, খুব শীঘ্রই দেখা হচ্ছে পরবর্তী পর্বে !&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243180/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 18:04:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;প্রথমবারের মতো নিজের লেখা একটি গল্প আপনাদের সামনে নিয়ে এলাম। অনেক দিনের জমানো কিছু অনুভূতি আর কাল্পনিক কিছু মুহূর্ত দিয়ে সাজানো এই &#8216;মিহিদানা&#8217;</p>
<p>গল্পটি নিয়ে এখনো কাজ চলছে, অনেকটা পথ বাকি। তবে শুরুর এই অংশটুকু আপনাদের কেমন লাগলো, তা জানতে খুব ইচ্ছে করছে। আপনাদের ভালো লাগা বা মন্দ লাগা—যেকোনো মন্তব্যই আমাকে পরের অংশগুলো আরও সুন্দর করে লিখতে অনুপ্রে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243180"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243180/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">914187863c36b89d45546402799ef411</guid>
				<title>&#x1f499;নীল খামের ডায়েরি&#x1f499;
“লেখক : সাম্য রায় ”

১. ডুবেছি আমি তোমার ওই কাজল চোখের মায়ায়,
জানি না এই মন কেন শুধু বারবার তোমাতেই হারায়;
দু চোখের আড়ালে কত শত কথা লুকিয়ে রেখেছি মনে,
হয়নি বলা— ‘ভালোবাসি’, তোমারই প্রেমে পড়ে।

২. লিখেছি তোমায় নিয়ে আমার এলোমেলো মনের গল্প স্বল্প,
মনে প্রেম অনুভব হচ্ছে তোমার জন্য অল্প অল্প।

৩. ভেবে দেখো, তোমার মনে খুঁজে পাও কি না আমায়,
দিন শেষে খুঁজে দেখো, ফিরে পাবে আমাকে তোমার ছায়ায়।

৪. জানি না তুমি মিশে আছো কি না আমার হৃদয়ের মাঝে,
ভালোবেসেছিলাম তোমায় শুধু নিজের বুঝে।

৫. কেঁদে যদি পাওয়া যেত এক মুঠো সুখ,
আমি কেঁদেই যেতাম সারাকখন তোমার জন্য যদি না পেতে কোনো দুখ।


                         “অল্প অল্প করে মনের মাঝে জমেছে অনেক কথা,
               হৃদয়ের নীল খামেই থাক না হয় আমার সবটুকু নীরবতা।”


বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ &quot;নীল খামের ডায়েরি-র প্রথম কিস্তিতে আজ এই ৫টি কবিতা শেয়ার করলাম। এই ডায়েরির প্রতিটি পাতায় যে কত কথা, কত ছন্দ অব্যক্ত হয়ে আছে—তা ধীরে ধীরে আপনারা পরবর্তী অংশে দেখতে পাবেন । পাশে থাকুন, আসছে পরবর্তী অংশ...&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243137/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 08:39:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f499;নীল খামের ডায়েরি&#x1f499;<br />
“লেখক : সাম্য রায় ”</p>
<p>১. ডুবেছি আমি তোমার ওই কাজল চোখের মায়ায়,<br />
জানি না এই মন কেন শুধু বারবার তোমাতেই হারায়;<br />
দু চোখের আড়ালে কত শত কথা লুকিয়ে রেখেছি মনে,<br />
হয়নি বলা— ‘ভালোবাসি’, তোমারই প্রেমে পড়ে।</p>
<p>২. লিখেছি তোমায় নিয়ে আমার এলোমেলো মনের গল্প স্বল্প,<br />
মনে প্রেম অনুভব হচ্ছে তোমার জন্য অল্প অল্প।</p>
<p>৩. ভেবে দেখো, তোমার ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243137"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243137/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">427a473722f8a00c0f76d1edb13b419b</guid>
				<title>সাম্য রায় and রাকিব দৌলা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243005/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 18:22:02 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f8164f36f46b42b964a72f8a78707928</guid>
				<title>সাম্য রায় and পিপীলিকা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242977/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 16:45:19 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0c03bba44e962b3bd01c47de46b5eb2b</guid>
				<title>সাম্য রায় and Rodoranjana Binte Anamika are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242916/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 14:25:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2572a87d8f1f02424d970184a0673f6d</guid>
				<title>&quot;&#x2764;&#xfe0f;প্রথম প্রেম &#x2764;&#xfe0f;&quot;


প্রথম প্রেম ছিল যেন এক লাজুক বিকেল বেলা,
দুই চোখের চাহনি তে চলতো শুধু আলোর খেলা।
​হাতের ছোঁয়া লাগলে পরে থমকে যেত ক্ষণ,
সুখ সাগরে ভাসত তখন অবুঝ দুই মন।
​অল্প হাসির আড়ালে সেই স্বপ্ন মাখা মায়া,
চাঁদের আলোয় খুঁজে নিতাম তার মিষ্টি ছায়া।
​ছোট্ট কথায় ভরিয়ে দিতাম ভালোবাসার ঝুলি,
ভুলতে গিয়েও সেই স্মৃতি কি আজকে আদৌ ভুলি? 
মনের গহিনে লুকিয়ে ছিল ভালোবাসার এক ক্ষণ। 
প্রথম প্রেমই রাঙিয়ে ছিল আমার সারা মন।

“লেখক : সাম্য রায় “</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242855/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 11:07:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;&#x2764;&#xfe0f;প্রথম প্রেম &#x2764;&#xfe0f;&#8221;</p>
<p>প্রথম প্রেম ছিল যেন এক লাজুক বিকেল বেলা,<br />
দুই চোখের চাহনি তে চলতো শুধু আলোর খেলা।<br />
​হাতের ছোঁয়া লাগলে পরে থমকে যেত ক্ষণ,<br />
সুখ সাগরে ভাসত তখন অবুঝ দুই মন।<br />
​অল্প হাসির আড়ালে সেই স্বপ্ন মাখা মায়া,<br />
চাঁদের আলোয় খুঁজে নিতাম তার মিষ্টি ছায়া।<br />
​ছোট্ট কথায় ভরিয়ে দিতাম ভালোবাসার ঝুলি,<br />
ভুলতে গিয়েও সেই স্মৃতি কি আজকে আদৌ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242855"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242855/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cee9ff56a4dab24fd0f618cc9a51fe8a</guid>
				<title>&quot;&#x1f49c;তোমারে দেখার শখ &#x1f49c;&quot;

তোমাকে দেখা আমার এমন এক শখ,
যেটা কাউকে বোঝাতে পারি না।
দিনভর ব্যস্ততার ভেতরেও
হঠাৎ তোমার মুখটাই ভেসে ওঠে।
​অনেকবার নিজেকে বুঝিয়েছি,
দেখা না হলেও কিছু যায় আসে না।
কিন্তু সত্যিটা হলো—
এক ঝলক দেখলেই বুকটা হালকা হয়।
​তুমি হয়তো জানোও না,
দূর থেকে কেউ তোমাকে খুঁজে ফেরে।
ভিড়ের শহরে তোমার মতো কাউকে দেখলেই
হৃদয় ভুল করে ধড়ফড় করে ওঠে।
​আমি কিছু চাই না, কোনো প্রতিশ্রুতিও না,
শুধু জানতে চাই তুমি ভালো আছো।
এই সামান্য ইচ্ছেটুকুই আমার বড় চাওয়া—
তোমাকে একবার দেখা, নীরবে, দূর থেকে।

&quot;লেখক : সাম্য রায় &quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242854/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 11:05:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;&#x1f49c;তোমারে দেখার শখ &#x1f49c;&#8221;</p>
<p>তোমাকে দেখা আমার এমন এক শখ,<br />
যেটা কাউকে বোঝাতে পারি না।<br />
দিনভর ব্যস্ততার ভেতরেও<br />
হঠাৎ তোমার মুখটাই ভেসে ওঠে।<br />
​অনেকবার নিজেকে বুঝিয়েছি,<br />
দেখা না হলেও কিছু যায় আসে না।<br />
কিন্তু সত্যিটা হলো—<br />
এক ঝলক দেখলেই বুকটা হালকা হয়।<br />
​তুমি হয়তো জানোও না,<br />
দূর থেকে কেউ তোমাকে খুঁজে ফেরে।<br />
ভিড়ের শহরে তোমার ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242854"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242854/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">856c5472d86b93951e0ce2bdfac92b31</guid>
				<title>&quot;&#x1f499;হৃদয়ের নীল খামে &#x1f499;&quot;

নীল আকাশের অসীম নীলে, খুঁজছি তোমায় রোজ,
তুমি কি জানো? আমার প্রতিটা নিঃশ্বাস নেয় তোমারই খোঁজ।
বলতে চেয়েও বলা হয় না মনের জমানো কথা,
তোমায় ছাড়া প্রতিটি মুহূর্ত, যেন এক দীর্ঘ নীরবতা।
এক চিলতে রোদ্দুর হয়ে থাকো আমার এই মনে,
সবটুকু ভালোবাসা দিতে চাই তোমায় প্রতিক্ষণে।
হাতটা কি ধরবে আমার? থাকবে কি মোর পাশে?
যেখানে শ্রাবণ হয়ে ঝরে ভালোবাসা, দুচোখের কোল ঘেঁষে।
জানি না ভাগ্যে কী আছে, জানি না আগামীর পথ,
তবে তোমায় ঘিরেই সাজিয়েছি আমার সব স্বপ্ন আর শপথ।
যদি দাও অনুমতি, মিশিয়ে দেবো তোমার সারাজীবনের হতাশা ,
তোমার হাসিতেই খুঁজে পাই আমি, আমার বেঁচে থাকার আশা ।

&quot;লেখক  : সাম্য রায়&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242853/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 11:02:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;&#x1f499;হৃদয়ের নীল খামে &#x1f499;&#8221;</p>
<p>নীল আকাশের অসীম নীলে, খুঁজছি তোমায় রোজ,<br />
তুমি কি জানো? আমার প্রতিটা নিঃশ্বাস নেয় তোমারই খোঁজ।<br />
বলতে চেয়েও বলা হয় না মনের জমানো কথা,<br />
তোমায় ছাড়া প্রতিটি মুহূর্ত, যেন এক দীর্ঘ নীরবতা।<br />
এক চিলতে রোদ্দুর হয়ে থাকো আমার এই মনে,<br />
সবটুকু ভালোবাসা দিতে চাই তোমায় প্রতিক্ষণে।<br />
হাতটা কি ধরবে আমার? থাকবে কি মোর পাশে?<br />
যেখানে শ্রাবণ হয়ে ঝ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242853"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242853/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b5691ced13c1bc050d9113c8e8f1c22e</guid>
				<title>সাম্য রায় changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242848/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 10:48:46 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0c7651290b894c767fe002ec6aba8a37</guid>
				<title>ভালোবাসি তোমায় আমি ভালোবেসে যাবো,
সারা জীবন আমি শুধু তোমার হয়ে রবো।
পাশে থেকো চিরদিন দূরে যেও না,
তোমায় ছাড়া এক মুহূর্ত যে ভালো লাগে না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242663/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 17:43:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালোবাসি তোমায় আমি ভালোবেসে যাবো,<br />
সারা জীবন আমি শুধু তোমার হয়ে রবো।<br />
পাশে থেকো চিরদিন দূরে যেও না,<br />
তোমায় ছাড়া এক মুহূর্ত যে ভালো লাগে না।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>