-
সাম্য রায় is with আহমেদ আরভিন and 37 others
আশা করি সকলে ভালো আছেন , দীর্ঘদিন কাজে ব্যস্ততা থাকায় নতুন কোনো গল্প আপনাদের সামনে নিয়ে আসতে পারি নি , তবে আজকে আমার লাইফ এর একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো , গল্পটা পুরোপুরি আমার এতে প্রেম , ভালোবাসা , ভালোলাগা ,অভিমান , কষ্ট আর অপেক্ষা সব কিছু নিয়েই গল্পটা , গল্পটা অনেকটা বড় , তবে কিছু কিছু করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো । আশা করি গল্পটা আপনাদের মনে একটা জায়গা করে নিবে ।
গল্প : “অস্মিতা”
পরিচালনা ও লেখক : “সাম্য রায়”বৃত্তান্ত : আমাদের জীবনে কিছু মানুষ হুট করেই চলে আসে ,ঠিক যেমন হঠাৎ ঝমঝমিয়ে চলে আসে একরাশি বৃষ্টি । তারা সাথে করে নিয়ে আসে একরাশ সতেজতা, আর যাওয়ার সময় রেখে যায় অদ্ভুত এক মায়া। এই মায়াতেই কেটে গেলো ৫ টা বছর । “অস্মিতা” আমার জীবনে ঠিক তেমনি একজন যেকিনা এসেছিলো হটাৎ বৃষ্টির মতন । আজ যখন দীর্ঘ পাঁচ বছর পর এই ডায়েরিটা হাতে নিলাম, মনে হলো আমি কোনো পুরনো কাগজ ধরছি না, বরং আমার ফেলে আসা সেই দিনগুলোকে আবার নতুন করে দেখছি এবং অনুভব করছি। এই লেখাগুলো শুধু কলমের কালি নয়, এগুলো আমার জীবনের ফেলে আসা এক সুন্দরতম অধ্যায়ের সাক্ষী।
পর্ব : ১
সাল ২০২১, নভেম্বর মাস হলেও ডিসেম্বরের মতো ঠান্ডা পড়ছে , প্রতিদিনের তুলনায় আজকের সকালের ঠান্ডাটা একটু বেশি, প্রতিদিনের মতো ১০টা বেজে ঘড়ি তার মতো করে ছুটে যাচ্ছে, এদিকে আমি পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছি, শীতের সকালের ঘুম উঠতেও ইচ্ছা করে না, একটা সময় ঘুম ভাঙল, মনে হলো আজকে পরিবেশ এতটা ঠান্ডা কীভাবে, কেউ কিছু বলছে না, অন্যদিন তো পড়ে পড়ে ঘুমালে রুমে এসে ফ্যান অন করে দিয়ে চলে যায়, যাতে জলদি উঠি, আজ কী হলো? মনে মনে ভাবলাম, তারপর ভাবলাম বিষয়টা দেখি, বিছানা থেকে উঠে সোজা গেলাম রান্নাঘরে, দেখলাম মা সকালের নাস্তা তৈরি করছে, আমাকে দেখেই বলল, কিরে জমিদার উঠলি কেন, ঘুমা আরও যা, প্রথমবার কিছু বললাম না, পরে মা আবার বলল, সারারাত মনে হয় ঘুমাসনি খালি ফোন টিপছিস, এবারও কিছু বললাম না, মা আবার বলল, ওই জন্যই ডাকি না দেখি কতক্ষণ ধরে তুই ঘুমাস, বেলা বাজে ১টা আর ওর ঘুম পাড়াই শেষ হচ্ছে না, মায়ের কথা শুনে হালকা একটু অবাক হলাম , এবার বললাম, বেলা বাজে ১টা মানে? মা বলল, নাহ, ঘড়ি তো তোর জন্য থেমে থাকবে, তুই ওঠার পর থেকে সময় চলতে থাকবে , কথা শুনে বিশ্বাস হলো না, তাড়াহুড়ো করে রুমে এসে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি, ১:২৪, এইবার বুঝলাম মা কেন এত কথা শোনাল, আসলে আমি দেরি করে উঠলে মা এমন বকবক করেই এগুলো অভ্যাস হয়ে গেছে, ব্যাপার না, ওহ শিট! আমার তো এক জায়গায় যাওয়ার কথা ছিল, অনেক দেরি হয়ে গেল, শিট!, আবার রান্নাঘরে গেলাম যেয়ে মাকে বললাম, ১টা পার হয়ে গেছে তুমি আমাকে ডাকবা না আমার এক জায়গায় যাওয়ার কথা ছিল দেরি হয়ে গেল, মা বলল, ঘুমই হয় না তোর, ঘুমা আরও যা, আমি বললাম,
এগুলাই তো ভালো না, ডাকও দিবা না আবার উল্টা কথাও শোনাবা, আবার মা বলতেই লাগবে, তখন আমি বললাম, জানি এখন সেই ডায়ালগ দিবা, কোন বাড়ির ছেলে বেলা ১টা পর্যন্ত ঘুমায়? মা একটু হাসল, আমিও হাসলাম, পরে বলল যেয়ে জলদি ফ্রেশ হয়ে নে , সকালের নাস্তা করবি কখন আর দুপুরের করবি কখন? আমি একটু হেসে বললাম, সকাল দুপুর সব দিয়ে দাও, একবারেই খেয়ে নেব, বলল, যা করবি কর, ফ্রেশ হয়ে আয়। তারপর বাথরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এসে নাস্তা করলাম, একটু পর মা বলল, কোথায় যাওয়ার কথা বললি যে, আমি বললাম, হুম, স্কুলে যাওয়া লাগবে, জন্মনিবন্ধন দেওয়া লাগবে, মা বলল, সারাদিন শুধু এদের জন্মনিবন্ধনই লাগে ,কত জন্মনিবন্ধন যে এরা নিবে, তাহলে আসবি কখন, আমি বললাম, এই তো ঘণ্টাখানিকের মতন লাগবে যাব দিব চলে আসব, এই বলে রেডি হয়ে বাসা থেকে বের হলাম, রাস্তায় কোনো রিকশা নাই, ১০-১৫ মিনিট পর মনে হলো, আচ্ছা আমি যাচ্ছি জন্মনিবন্ধন দিতে, তো জন্মনিবন্ধন কই, ওহ শিট! নিতেই তো ভুলে গেছি, আবার দৌড়ে ওপরে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করে পাই না, পরে হুট করে মনে হলো, ওইটা তো আমার ফাইলেই আছে, ফাইল থেকে নিয়ে তাড়াহুড়ো করে চলে যেতে নিব, তখন মা বলছে, ওইটা থুয়েই চলে গেছিলি, বললাম, হুম, মনে ছিল না, মা তার সেই ঐতিহাসিক ডায়লগ দিল, এই ছেলেকে আর মানুষ করতে পারলাম না, আমি বললাম, সমস্যা নাই ,পরে এসে মানুষ হবো , যাই আগে জলদি, মা বলল, দেখে শুনে যা, আচ্ছা ঠিক আছে, বলে নিচে এসে দেখি ও বাবা, রিকশাই তো নাই, উড়ে উড়ে যাব নাকি, একটু পর দেখি এক চাচা আসতেছে, বললাম, সীমান্ত স্কুল, চাচা কেমন গম্ভীর নজরে তাকাল আর বলল, একাই না অন্য কেউ যাবে, বললাম, একটা ফ্রেন্ড যাবে সামনে, চাচা বলল, বুঝছি, আমি বললাম, বুঝছেন যখন চলেন, চাচা বলল, যাব, ভাড়া ১০০ টাকা, মনে মনে ভাবলাম একে গালি দিয়েও লাভ নাই, আবার দেরিও হয়ে গেছে অনেক, ঠিক আছে চলুন, রিকশায় উঠেই চাচা একটু পর বকবক শুরু করল, আসলে আমাদের এখানকার রিকশাওয়ালারা এমনই, কিছু যাত্রীকে দেখলে আগের জন্মের বন্ধুর কথা মনে পড়ে যায়, চাচার কিছু কথা শুনলাম, কিছু বুঝলাম, আবার কিছু বুঝলাম না, সব কথায় খালি মাথা ঝাকানো আর হুম হুম বলা ছাড়া উপায় নাই। এখন আপনাদের মনে হচ্ছে যে কী গল্প ৩ পৃষ্ঠা শুধু উঠতে, খেতে আর যেতেই শেষ, আর স্কুলের কথা শুনে খটকা লাগাটা স্বাভাবিক, বাট এটাই রিয়েলিটি, ওহ আমার পরিচয় তো দেওয়া হলো না, আমি সাম্য , সবেমাত্র আমার বয়স ১৪-১৫ হবে, কিছু দিন আগেই আমার ক্লাস ৮-এর বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হলো, ধরতে গেলে আর ২ মাস পর আমি ৯-এ উঠে যাব, এখন আপনাদের মনে আবার প্রশ্ন? তার মানে এটা একটা পিচ্চি ছেলের গল্প, আসলে তা না, সব যদি বলি তাহলে তো আর গল্পটার ইন্টারেস্ট থাকবে না, দেখতে থাকুন কী হচ্ছে, আর এটুকু বলা যায়, গল্পটা পিচ্চি কালের হলেও , এর রেশ এখনও মন থেকে যায়নি আর কখনো যাবেও না ,,,,,,
তো যেখানে ছিলাম, প্রায় ৩০ মিনিট পর চলে আসলাম স্কুলে, চাচাকে বললাম আপনার যদি তাড়া থাকে, তাহলে একটু দাঁড়ান, আমি ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই আসব, ভাবলাম লোকটা ভালো, হ্যাঁ বলবে, বাট আই ওয়াজ রং, ধুম করে বলল, পারমু না রে বা টাকা দিয়ে ছেড়ে দাও চলে যামু, মেলা দেরি হচ্ছে, মনে মনে ভাবলাম এক যদি ছেড়ে দিই, আবার যাওয়ার সময় রিকশা পাওয়া মুশকিল, অতএব আইডিয়া, চাচা আপনাকে তো ছেড়ে দিতাম, কিন্তু, চাচা বলল, কী কিন্তু, কিন্তু হচ্ছে যে আমি তো ভাড়াই নিয়ে আসি নি, তাড়াহুড়ো করে চলে আসছি তো, চাচা বলল, তে আমার ভাড়া, আমি বললাম, আমি কইছি নাকি যে দিমু না আপনার ভাড়া, আপনে এখানে ১০ মিনিট দাঁড়ান আমি আসতেছি, আমাকে বাসায় রেখে আসেন, একেবারে টাকা দিয়ে দিব, সিম্পল, চাচা কিছু একটা বলতে চেয়েও আর বলল না, খালি বলল, কী আর কমু রে বা, যাও জলদি যাও, পরে আমি চাচাকে দাঁড়াতে বলে স্কুলের আঙিনায় প্রবেশ করলাম, আসলে একটু চালাক না হলে দুনিয়াতে চলা মুশকিল, তাই একটু চালাকি করলাম, স্কুলের আঙিনায় ঢুকে খেয়াল করলাম চারিদিক ফাঁকা, ১-২ জন ছাড়া কেউ নাই, ভেতরে একটু এগোতেই মনে হলো, আমার সাথে তো আমার এক ফ্রেন্ডকে আনার কথা ছিল, ভুলেই তো গেছি, আমার আশায় মনে হয় দাঁড়িয়ে আছে বেচারা, থাকুক, ওই অবশ্য ওর জন্মনিবন্ধন জমা দিয়েছে, আমি আসব শুনে আমার সাথে আসতে চাইছিল আর কী, ব্যাপার না, রেজিস্ট্রি রুমে ঢুকে দেখি স্যার বসে আছে, সালাম দিলাম, কোনো জবাব নাই, আবার বললাম, স্যার আসব, মুখের দিকে তাকিয়ে থাকল, বললাম, চশমার পাওয়ার কি বেড়ে গেছে না কমে গেছে, চিনতে পারছেন না আমাকে? মাথা আবার নিচু করে বলল, ১ টা চা আর ১ প্যাকেট সিগারেট নিয়ে আয়, বুঝলাম না, চা-সিগারেট আনতে বলে কেন, এইবার আর পারমিশন না নিয়েই রুমে ঢুকে পড়লাম, চেয়ারে বসে বললাম, মিস্টার রফিক স্যার, কাকে কী বলেন, স্যার আবার আমার মুখের দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকাল আর বলল, আরে সাম্য , বস বস, আমি ভাবছি ওই পিন্টু আসছে চায়ের অর্ডার নিতে, খেয়াল করি নাই, আমি বললাম ঠিকই আছে, সব ছাত্রকে যে ওই চা-ওয়ালার চোখেই দেখেন, আমি আবার বাদ গেলে বিষয় টা মানাবে না!, স্যার হেসে বলল, আর খেয়াল করি নি দূরের জিনিস বুঝতে একটু সমস্যা হয়, মাইন্ড করিস না, তোর জন্যে চা আনতে বলছি, আমি বললাম, লাগবে না চা, আমার জন্মনিবন্ধনটা নেন আর কোথায় সিগনেচার লাগবে দেন, জলদি করে দিই, স্যার শিট বের করে দিল, একটা সিগনেচার দিয়ে জন্মনিবন্ধন জমা দিয়ে বললাম, আপনার এই জন্মনিবন্ধনের জন্যে আমার ২০০ টাকা লস, স্যার বলল কেন, আমি বললাম, রিকশা ভাড়া, আমি তো আর এমপি না যে ফ্রিতে নিয়ে আসবে, স্যার আবারও হেসে বলল, হুম ঠিকই আছে, তে নে যা, বললাম আচ্ছা ভালো থাকেন, সালাম দিয়ে রুম থেকে বের হয়েই স্যারকে বললাম, ওই চশমা ফেলে দেন মিস্টার রফিক স্যার, দূরবীন নিয়ে বসেন, দূরের মানুষ চিনতে সুবিধা হবে, আসি, স্যার শুধু একটা হাসি দিল আর বলল আচ্ছা নে তাই রাখব, এই বলে আমি সিঁড়ি নিচে নামতে লাগলাম, হুট করে ফোন বাজল, দেখি সেই ফ্রেন্ডেরই কল, রিসিভ করলাম, বলল তুই আসবি না বাসায় যাব, বললাম বাসায় যা, বলল কেন, স্কুলে যাবি না, বললাম কাজ শেষ স্কুলের বাসার দিকে যাচ্ছি, ওই বলল আচ্ছা তে নে যা, আমি বাসায় গেলাম, ওকে বায় , তারপর নিচে পৌঁছে দেখি চাচা আছেই, ভাড়া যেহেতু দিই নি থাকারই কথা, পরে রিকশায় উঠলাম, চাচাকে বললাম, চলেন শেষ ঝামেলা, বলে চাচা রিকশা টান দিল, কিছুক্ষণ পর বাসায় এসে চাচাকে বললাম, তখন আপনাকে এমনি বলছি যে আমার কাছে ভাড়া নাই, ভাড়া আমার কাছে ছিলই, রিকশা পাওয়া যায় না বলে আপনাকে বুদ্ধি করে রেখে দিয়েছিলাম, বলে ভাড়াটা চাচার হাতে দিলাম, চাচা বলল, আরে বা ঠিক আছে, সমস্যা নাই, বললাম, ঠিক আছে, আবার যখন যেতে হবে তখনও এইভাবেই চালাকি করে যাবো কি বলেন , চাচা মুচকি হেসে বলল, আচ্ছা, সমস্যা নাই , এই বলে আমি বাসার ভেতর ঢুকলাম, ঘুরে ফিরে অবস্থা শেষ, এসে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাওয়া দাওয়া করে রেস্ট করলাম, একটু পর বিকেল হয়ে গেল, ছাদে গিয়ে একটু ঘুরলাম, গাছে জল দিলাম, দিয়ে বাইরে যেয়ে একটু ঘোরাফেরা করলাম, আসলে কাজ না থাকলে যা হয়, সন্ধ্যার দিকে বাসায় এসে চা-নাস্তা করলাম, একটু পর রুমে গেলাম, সন্ধ্যা প্রায় ৭টা বাজে, ভাবলাম কী করা যায়, এই ভাবতে ভাবতে দেখি রাত ৮টা বেজে গেছে, কেমন জানি একঘেয়েমি লাগছে, প্রতিদিন সব সেম জিনিস, নতুন কিছুই নাই, এইটা ওইটা ভাবলাম, লাইফে একটু এন্টারটেইনমেন্ট দরকার, কোথাও ঘুরতেও যাওয়া হয় না, কারো বিয়ে-শাদিও নাই, যাই টা কোথায় তাহলে , এগুলাই ভেবেই যাচ্ছি, পরে রাতে খেতে বসে মাকে বললাম, মা চলো কোথাও ঘুরে আসি, প্রতিদিন বাসায় থেকে আর ভালো লাগে না, কোথাও ঘুরতে হবে, কোনো বিয়েরও নিমন্ত্রণ নেই, বলতেই মা বলল যে বিয়ের নিমন্ত্রণ আছেই দুই দিন পর, শুনে আমি একটু অবাক হলাম, বললাম, কার বিয়ে? আমি তো কিছু জানি না, মা বলল, ওই তোর নূপুর দির বিয়ে, গেলেই দেখতে পাবি, বললাম, নূপুর দির বিয়ে ঠিক হয়েছে কবে বিয়ের তারিখ কত, কিছুই তো জানি না, যাওয়া কবে? মা বলল, গেলেই দেখতে পাবি, মনে মনে আমার কিউরিওসিটি হচ্ছে, না শুনলে তো বিষয় টা হজম হচ্ছে না, রাতের খাওয়া দাওয়া শেষ করে পরে ভাবলাম, কবে বিয়ের ডেট এইটা একজন বলতে পারবে, আইডিয়া একটা কাজ করি লাবণ্য দিকে মেসেজ দিই, লাবণ্য দির ব্যাপারে যদি বলি ওই হলো আমার সব কাজিনদের মধ্যে সব থেকে ফেভারিট কাজিন, সম্পর্কে ওই আমার মেজতো বোন, আমরা নিজের মায়ের পেটের ভাই বোন না হলেও আমাদের বন্ডিংটা অনেক ফ্রেন্ডলি আর ইয়ার্কি-ফাজলামির মতন, ওকে মেসেজ দিতে চেয়ে মনে হলো না থাক কল দিই, কল দিয়ে সব ডিটেইলস শুনি, পরে কল দিলাম, খোঁজ খবর নিয়ে বললাম যে, কিরে নূপুর দির নাকি বিয়ে ঠিক হয়ছে? লাবণ্য বলল, হুম হয়ছে তো অনেক আগেই, তুই জানিস না, ডেটও ফিক্সড, বললাম কবে, লাবণ্য বলল, এই আর দুই দিন পর এই ডিসেম্বরের ১ তারিখে, শুনে আমি ক্যালেন্ডারে দেখলাম আজ নভেম্বরের ২৯ তারিখ, তার মানে আর একদিনের অপেক্ষা, তারপরই বিয়ে, লাবণ্যকে বললাম আর একদিনের অপেক্ষা, তারপর শুধু মজা আর মজা, বলল সেটাই তো তোরা সবাই তাড়াতাড়ি চলে আসিস, বললাম ঠিক আছে নে, নো প্রবলেম, আমি তো কালকেই চলে যাব যেতে পারলে, লাবণ্য বলল, আয় চলে আয়, অনেক কাজ বিয়ে বাড়ির, দেখাশোনা করতে হবে, আমি বললাম ওগুলাতে আমি নেই, যাব, ঘুরব, খাব আর এনজয় করব, লাবণ্য বলল, আচ্ছা করিস , নে এখন রাত হয়ে গেছে ঘুমা, কাল কথা হবে বিয়ে নিয়ে, বললাম আচ্ছা নে তাহলে কাল সব শুনব নি। বলে ফোন রেখে দিলাম, কিছুক্ষণ পর শুয়ে পড়লাম, আর মনে মনে ভাবলাম কত মজা হবে বিয়ে বাড়িতে, সারাদিন শুধু হই হই, খাওয়া দাওয়া, সবাই মিলে ঘোরা, আড্ডা দেওয়া আরও কত কী, এগুলা ভাবতে ভাবতে কখন জানি ঘুমিয়ে পড়লাম …………10 Comments-
-
অস্মিতা কে? সে কি এই বিয়ে বাড়িতেই আসবে? এই প্রশ্নটা এখন মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। গল্পের পরের পর্বের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
-
-
Friends
পংকজ প্রিয়ম
@pankajpriyom
জান্নাতুল জাকারিয়া
@eef2a2a8aad9e8543cebf8778da7e620
ভাস্কর
@vaskarchou
merajul islam
@merajulislam
Daliya Begum
@daliyabegum
Nadia Rifat ritu
@ritu
N Alam
@nalam
মুহাম্মদ আবুল হুসাইন
@muhammad-abul-hussain
রাইসা আনজুম (পর্শি)
@raisaanjumporshi


দারুন।