<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Mamtaz Hasan | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mamtaz/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mamtaz/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Mamtaz Hasan.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 09 Jun 2026 17:03:14 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">0b1393d887c202a721cf595b999ab3a7</guid>
				<title>রাষ্ট্রের সংষ্কার কেন প্রয়োজন
সাধারণ মানুষের প্রয়োজন পুরণ করেনা, আশানুরুপ নয় তাই রাষ্ট্রের সংষ্কার প্রয়োজন। রাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থান তার অংগীকারের বিপরীত মেরুতে। যেরুপ থাকার কথা মানুষ তেমন নেই। তদুপরি এর সাম্প্রতিক ভয়ংকর রুপ দেখে সবাই সন্ত্রস্ত। চারদিকে হানাহানি লুটপাট আর বিশৃংখলার ধুন্ধুমার,যে যেমন পারছে শুষে নিচ্ছে ,সকলে হতবিহ্বল। মানুষের চাওয়া ছিল একটি শান্তিপুর্ণ জীবন,সুস্থির সমাজ। কিন্তু রাষ্ট উন্নয়নের নামে বিশাল বিশাল স্তুপ তৈরি করে তাকে চাপা দেয়ার চেষ্টা করছে, তাদের নিঃশ^াস বন্ধ হবার উপক্রম। মানুষ নিঃশ^াস ফেলতে চায়,চায় স্বস্তি। তাই সংষ্কার করা দরকার। মানুষের চাওয়া-পাওয়ার বিষয়গুলো  বহুল উচ্চারিতঃ মানসম্মত খাবার পোশাক শিক্ষা স্বাস্থ্য আবাস সহ যাবতীয় বস্তুগত বিষয়। এগুলির সংগে তার দরকার পুর্ণকালীন মানসম্মত পেশা নৈতিকতা অধিকার মর্যাদাপুর্ণ জীবন বাকস্বাধীনতা সামাজিক ন্যায় বিচার পুর্ণাংগ নিরাপত্তা সাংষ্কৃতিক জীবন ও জীবন বিকাশের অবাধ ও শান্তিপুর্ণ পরিবেশ। ঈশ^রের কৃপায় এর কোনটি বিরাজমান নয়। তবে মানুষকে তুষ্ট করার জন্য কিছু রংঢং আছে। যদি বিষয়গুলো প্রত্যাশিত মত থাকত তবে সুযোগ পেলেই মানুষ বিদেশে পলায়নের জন্য উন্মুখ হয়ে উঠতনা। মাতৃভুমির মায়া কাটানো কঠিন। পেছনের ধাক্কাটা আঁচ করা যায় ।
সবচেয়ে বড় দুর্যোগ বোধ করি রাষ্ট্রের মালিকানা দখলের লড়াই। এর দখল পেতে কিছু পক্ষ নিয়ত যুঝে চলেছেন। লড়াইরতরা মানুষের হাড় মাংস নিংড়ে ক্ষমতা ও সম্পদের মালিক হতে চান। নির্বাচন মালিকানা অর্জনের প্রশস্ত পথ । ভোট এলে তাই লড়াইটা বাড়ে। কোনরকমে মালিক হতে পারলে পরে সম্পদের বিষয়ে আর ভাবতে হয়না। এর জন্য বিগত ২০১৮ সাল ছিল একটি উৎকৃষ্ট সময়। সবাই বিষয়টা জনেন। অনেকে গায়ে-গতরে টের পেয়েছেন, ব্যথানাশক ওষুধ খেতে হয়েছে অনেকদিন।
জনগণের সম্পদ কুক্ষিগত করার সাম্প্রতিক কিছু কান্ডকারখানায় মানুষ ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন। দেশের ৫/৭টি ব্যাংকের মালিকানা একটি পরিবারের হাতে। তাদের ঋণের নামে গৃহীত অর্থের পরিমাণ কেউ বলেন তিরিশ হাজার কোটি কেউ বলেন আশি হাজার কোটি টাকা; শুনলে মাথা ঝিম ঝিম করে,কীভাবে সম্ভব। অর্থনীতিবিদেরা বলছেন টাকাগুলো পাচার হয়ে গেছে। একই সময়ে অন্যদিকে ওএমএসের দোকানের সামনে সস্তা চাল ডাল কিনতে প্রতিদিন অভাবক্লিষ্ট মানুষের দীর্ঘ লাইন আর আহাজারী। এসবের বাইরে গুম খুন সন্ত্রাস বাজারের তীব্রদহন অপরিমেয় দুর্নীতি নৈতিকতার অভাবনীয় পরাজয় হয়ে উঠেছে সাদামাটা বিষয়।  রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে হিতে বিপরীত।

এরপর আপনি হয়তঃ ভেবে পাচ্ছেন না কী বলবেন। কিন্তু ‘উন্নয়ন’ আর মেগা প্রজেক্টগুলোতো বলছে রাষ্ট্র সফল। এই হরিলুট বিশৃংখলার রাষ্ট্র কেউ চায়নি। এর মধ্যে মানুষের সুষ্ঠভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। রাষ্ট্র হোক গণমানুষের সুন্দরভোবে বেঁচে থাকার উপায়। বেঁচে থাকা বলতে একইসাথে অনুরুপ বিকাশের পথটাকেও বোঝায়।  বিরাজমান দুর্যোগের প্রতি ইংগিত করে সাধারণতঃ বলা হয় বাজার খারাপ,পরিবেশ-পরিস্থিতি খারাপ; সেকেলে মানুষেরা বলেন দিনকাল খারাপ। অনেকে বলেন আজকাল মানুষের চরিত্র নষ্ট হয়ে গেছে, ধর্মবাদীরা বলেন ইমান নাই। এই অভিযোগগুলি রাষ্ট্রের প্রাপ্য।  সবগুলো বিষয়কে একত্র করলে বলতে হবে রাষ্ট্র খারাপ। তাই সাকুল্য ব্যবস্থা হিসাবে রাষ্ট্রের সংষ্কার প্রয়োজন।
অরাজকতাগুলি বহুদিন ধরে চলায় অনেকটা কাঠামোতে পরিণত, যেন সবকিছু স্বাভাবিক । রাষ্ট্রের এই চলা থামাতে হবে,তার গতিমুখ পরিবর্তন করা দরকার। এর উপায় আমুল সংষ্কার। কাজটা কঠিন। প্রথম আলোতে দেখলাম (১৩-১২-২০২২)প্রথম পাতার খবরে চতুর্থ দফায় বলা হয়েছে রাষ্ট্র সংষ্কার নিয়ে অপরাপর দলগুলোর কাছেও যাবে বি এন পি। রাষ্ট্র সংষ্কারই হল প্রথম দফা, প্রথম কথা। সকল অনিয়ম অবিচার দুঃশাসন লুটপাট সহিংসতা বিভেদের মুলে রাষ্ট্র। কিছু মানুষকে বাঘ আর বাদবাকীদেরকে তাদের শিকারে পরিণত করার প্রথম দায়টা তার। অথচ তার সংষ্কারের কথা সবার শেষে। আশাবাদী হওয়া যায়না।
রাজনীতিও এখন একমত যে,রাষ্ট্রের সংষ্কার প্রয়োজন। বিষয়টি এতদিন তারা সযতেœ এড়িয়ে গেছেন। খাওয়া-চলা সব পর্যুদস্ত হয় এমন পরিস্থিতি আপনি চাইতে পারেন না। এখন অবস্থা কতকটা বদলেছে,মানুষকে চেপে রাখা কঠিন। নতুন প্রজন্ম পরিবর্তন চান। রাজনীতি বুঝতে পেরেছে যে,ধামাচাপা দিয়ে আর চলা যাবেনা, কাজে হাত দিতে হবে। তাই তাদের মুখ খুলেছে, রাষ্ট্রের সংষ্কারের কথা বলছেন। যদিও প্রথমবার শোনার কারণে ভুতের মুখে রাম নাম বলে মনে হয়। 
রাষ্ট্রের পরিবর্তন যেমন কঠিন এর রুপ-কাঠামো স্থির করাও তেমনই  দুরহ। আমরা চেয়েছি রাষ্ট্র সমানভাবে সকলের হোক। এরুপ হলে তাকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বন্ধ হবে, বৈষম্য থাকবেনা: থাকবেনা একদিকে হাজার হাজার কোটি টাকার স্তুপ আর অন্যদিকে অভাবী মানুুষের মিছিল। এরুপ হওয়ার কারণ রাষ্ট্র এখন দুইভাগে বিভক্ত Ñকেন্দ্র ও প্রা›ত । কেন্দ্রে আছে স¦ল্প সংখ্যক মানুষের একটি বলয়,এদের হাতে সবকিছু। বাদবাকীদের অবস্থান প্রান্তে,হাতে কিছু নাই,কোথায় কী সুবিধা পাওয়া যাবে শোনার জন্য মুখিয়ে থাকেন আর সুযোগ পেলে কাকের মত ভীড় করেন। এই ভীড় দেখা যায় চাকুরী ও সামাজিক ভাতার লাইনে,আরো নানা জায়গায়। সাধারণ মানুষকে কাকে পরিণত করা এই রাষ্ট্র ব্যবস্থার অনন্য কৃতিত্ব। এই দুই দলের মাঝে অল্প পরিসরে আরও কিছু মানুষ আছেন গুণগান আর তোষামোদিতে নিমগ্ন। এদের প্রধান হাতিয়ার ঢাকঢোল, খাদ্য উচ্ছিষ্ট; রাষ্ট্রের পরিবর্তন হলে আর দেখা যাবেনা। পরিবর্তনের প্রথম ধাপ হবে রাষ্ট্রে কোন কেন্দ্র-প্রান্ত থাকবেনা। অবস্থান যেখানেই হোক নতুন রাষ্ট্রে সবাই এর কেন্দ্রে থাকবেন। দেশব্যাপী বিস্তৃত একটি নেটওয়ার্ক সারা দেশের মানুষকে কার্যকরভাবে রাষ্ট্রের সংগে যুক্ত ও কেন্দ্রীয় বিষয়ে পরিণত করবে। কেন্দ্রে থাকলে ক্ষমতা ও অধিকার প্রয়োগ করা সম্ভব,চাওয়া-পাওয়া পুরণ করা যায়। তাই মালিকানা চর্চায় মানুষের এইরুপ অধিষ্ঠান জরুরী। মানুষকে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক ও ক্ষমতাবান করার বিকল্প নাই। সংষ্কারের প্রথম কথা দেশব্যাপী মানুষের সংগে কথা বলে এর স্বরুপ স্থির করা । কোন কিছু চাপিয়ে দেয়া হলে আবারো সাবেক দশা তৈরি হবে। সংষ্কার প্রক্রিয়ায় প্রত্যন্ত জনপদের মানুষও যুক্ত হবেন। শাস্তি দিয়ে,শিখিয়ে-পড়িয়ে, উদ্ব্দ্ধু করে মানুষকে সংশোধন করা যায়। রাষ্ট্র একটি নিরেট সংগঠন। তার ক্ষেত্রে এগুলি প্রযোজ্য নয়। যে দলিলমুলে তার সৃষ্টি সেখানে সংশোধন করা দরকার। তাহলেই সে ভাল হবে। আলোচনা চলছে তবে মানুষকে প্রাধান্য দেয়ার মত কিছু এখনও দৃশ্যমান নয়। নামমাত্র সংষ্কার হবে জনগণের চোখে ধুলো দেয়ার চেষ্টা। প্রক্রিয়াটি ধীর হলে মনে হবে আরও বহুদিন খাবার ব্যবস্থা হচ্ছে। 
একটি ভিন্ন প্রসংগ তোলা দরকার। দেশে অনেক ভাল ভাল পরিসংখ্যান তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে উৎপাদনের হিসাবগুলো বলছে রাষ্ট্র অনেকটা এগিয়েছে।  অনেকের চোখে মুখে তৃপ্তির ছোপ। শুধু উৎপাদন হলেই হয়না,সুষম বন্টন দরকার। সবার পাতে সমানভাবে দেয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র ব্যর্থ। পরিসংখ্যানগুলো  সঠিক নয়। দেশের জনসংখ্যা সতেরা কোটি। সেই কবে থেকে শোনা যাচ্ছে এই কথা। বেকারের কথা ধরা যাক। বহুকাল থেকে শোনা যাচ্ছে তিরিশ লক্ষ শিক্ষিত বেকারের কথা। প্রতিবছর বেকারের সংখ্যা বাড়ে কারণ কাজের বাজারে নামা সবার ভাগ্যে কর্ম জোটেনা। পরিসংখ্যান স্থির থাকে কীভাবে। খাদ্য উৎপাদন প্রচুর,আমদানীও অনেক। তবু সংকট কাটেনা,বেড়ে চলে এর মুল্য আর সাধারণ মানুষের নাভিশ^াস। উৎপাদনের তথ্য ঠিক হলেও সরবরাহ ও বন্টন ব্যবস্থা ঠিক নয়। এরকম হলে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা আছে। দেশে প্রচুর সংখ্যক শিক্ষিত মানুষ তৈরি হচ্ছে। এদের মান কীরুপ। শিক্ষা বিভাগের অতি উচ্চ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা একবার বললেন যে, শিক্ষার ক্ষেত্রে পরিমাণগত অজর্ন হয়েছে ,এখন তারা মানের দিকে মনোযোগ দিয়েছেন। পাঠক অনুগ্রহ করে এর সংগে প্রচুর সংখ্যক শিক্ষার্থীকে উচ্চ জিপিএ পাইয়ে দেয়ার বিভাগীয় কৌশল সম্পর্কে আপানার শোনা কহিনীগুলি মিলিয়ে দেখুন,বুঝতে পারবেন। কথাগুলো তোলার কারণ বিষয়গুলি সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকলে রাষ্ট্র সংষ্কারের উপরে এর প্রভাব পড়বে। পরিসংখ্যানপন্থীরা বলবেন রাষ্ট্রতো ভালই এগুচ্ছে,সংষ্কার করতে গেলে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে। প্রতিক্রিয়াশীল মানুষের সংখ্যা কম নয়।

রাষ্ট্র সংষ্কার কঠিন, এর বিপরীত ¯্রােত প্রবল। একটি ছোট উদাহরণ দেয়া যাক। বর্তমান নির্বাচনে না-ভোটের বিধান নাই। না-ভোটকে আপাতঃভাবে খুব নিরীহ বিষয় মনে হলেও এটি একটি মৌলিক পরিবর্তন, একটি সুদুর প্রসারী বাঁক। বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে রাজনীতিকেরা শুরুতেই তাকে গলাটিপে হত্যা করেন । বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে না-ভোট ছিল। তখন এই খাতে কিছু ভোটও পড়েছিল। ব্যবস্থাটি চালু থাকলে মানুষ প্রচলিত রাজনীতির বিগত পঞ্চাশ বছরের ইতিহাসের আলোকে বিরক্ত ও অতীষ্ঠ হয়ে ক্রমে সবাইকে না বলতেন, রাজনীতির অসারত্ব ও কদাকার চেহারা বেরিয়ে আসত। চেহারা ঢেকে রেখে চলা লোকদের জন্য স্বরুপ ফাঁস হওয়া এক বড় বিপদ। মানুষ যেন ভিন্নদিকে মোড় না নেন, তাদের বাঁধা ছকেই অবধারিতভাবে ঘুরপাক খান তাই ভিন্ন পথের সুত্রটা গোঁড়াতেই নির্মুল করা হয়। এই রাজনীতি অত্যন্ত হিং¯্র, মানুষকে তাদের ফাঁসের বাইরে গিয়ে বাঁচতে দিতে চায়না। এই পরিপ্রেক্ষিতে মনে হওয়া স্বাভাবিক যে রাজনীতিই আসল হন্তারক। একটি বড় রাজনৈতিক দলের একজন প্রধান নেতা এ-বিষয়ক একটি প্রশ্নের জবাবে একবার বললেন, যদি কেউ তেমন মনে করেন(না-ভোট দিতে চান) তাহলে তিনি ভোট কেন্দ্রে যাবেন না। সকল প্রতিযোগীকে অযোগ্য মনে করা আর ভোটদানে বিরত থাকা কি একই ব্যাপার। এই মন্তব্য দমন নীতির পরিচায়ক। তারা দুটো আলাদা বিষয়কে অভিন্ন দেখছেন; কায়মনে চান আমুল পরিবর্তনকারী কোন বিষয়ের বীজ যেন বপন করা না হয়। ভবিষ্যতে তা মহীরুহ হয়ে তাদের সাজানো জমিদারী ধ্বংস করে ফেলবে। এর ফল জুলুম নির্যাতন স্বত্ত্বেও উপায়হীন মানুষের হাত ঘুরে ক্ষমতার ঈগল পাখীটি বার বার তাদের হাতে এসে ধরা দেয়। এর অবসান হবে আত্মঘাতী। কেবল প্রকৃত নির্বাচন নয় বর্তমান রাজনীতি আরো অনেককিছুকে মনে মনে ‘না’ বলে। এই তালিকায় অনেক নাম যেমনঃ বিচার বিভাগ দুদক স্বাধীন ব্যাংক ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশন শিক্ষা ব্যবস্থা ইত্যাদি। প্রচলিত পথ-পন্থার পরতে পরতে প্রচুর বিষ মেশানো এই ব্যবস্থাটির নাম রাষ্ট্র। আমাদের ভাল থাকার সুযোগ নাই। এই ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রেখেছে প্রচলিত সামন্তবাদী রাজনীতি। তাই রাষ্ট্র সংষ্কারের সংগে বিষধর এই রাজনীতিরও সংষ্কার দরকার।
একটি রক্তক্ষয়ী লড়াইএর মধ্য দিয়ে একান্ন বছর আগে রাষ্ট্র গঠিত হয় তবে আধুনিক হতে পারেনি। একটি সময়োপযোগী ও আধুনিক রাষ্ট্র ছাড়া সীমিত সম্পদ দিয়ে বিপুল জনসংখ্যার সুরাহা ও হরিলুট-বিশৃংখলার অবসান সম্ভব নয়।  এখনো রয়ে গেছে সনাতন সংসদ সংবিধান ও বিধি ব্যবস্থা। এগুলো অনেকটা অকেজো এবং নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত। এসবের অক্ষমতার কারণে জনগণের প্রত্যাশা ও বিদ্যমান প্রক্রিয়ার মধ্যে বিরোধ প্রচুর; এখনো রক্তক্ষয় হচ্ছে, মনে হয় আরো অনেকদিন হবে। সময়ের বিবর্তনে এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে আধুনিক সামন্তবাদ। এটা আরও হিং¯্র ; নতুন পুরোনো মিলে মানুষকে ছিঁড়েখুড়ে খাচ্ছে শকুনের মত। মানুষের বাঁচা ও কল্যাণকর রাষ্ট্র নির্মাণের একমাত্র উপায় সকল সামন্তবাদ নির্মুল করা, একটি সময়োপযোগী আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণ এবং মানুষকে প্রকৃত মালিকে পরিণত করা। অন্য বিকল্প নাই। এই কাজের জন্য সকলের মতামতের ভিত্তিতে রাষ্ট্রের একটি আধুনিক কাঠামো নির্মাণ করা দরকার। অন্য বিষয়গুলি পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা যাবে।

মোঃ মমতাজ হাসান
ঘোষপাড়া,ঠাকুরগাঁও। ২০/১২/২০২২খ্রীঃ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/185588/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Dec 2022 10:06:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাষ্ট্রের সংষ্কার কেন প্রয়োজন<br />
সাধারণ মানুষের প্রয়োজন পুরণ করেনা, আশানুরুপ নয় তাই রাষ্ট্রের সংষ্কার প্রয়োজন। রাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থান তার অংগীকারের বিপরীত মেরুতে। যেরুপ থাকার কথা মানুষ তেমন নেই। তদুপরি এর সাম্প্রতিক ভয়ংকর রুপ দেখে সবাই সন্ত্রস্ত। চারদিকে হানাহানি লুটপাট আর বিশৃংখলার ধুন্ধুমার,যে যেমন পারছে শুষে নিচ্ছে ,সকলে হতবিহ্বল। মানুষ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-185588"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/185588/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea4e942863c633af38664acddd48db43</guid>
				<title>কিসের এত খেলা !
চারদিকে কেবল ‘খেলার’ আওয়াজ। বোঝা যাচ্ছেনা কীসের এত খেলা। রাজনীতিকেরা বলছেন খেলা হবে।কেউ বলছেন মাঠে কেউ বলছেন রাজপথে খেলা হবে। খেলা অবশ্যি একটি সাধারণ বিষয়। দেশের মানুষ খেলা দেখতে খুব পছন্দ করেন।খেলার খবর প্রচারিত হবার পরে তারা বেশ আগ্রহের সংগে অপেক্ষা করেন কখন খেলার দিনটি আসবে,তারা খেলাটা দেখতে পাবেন।কিন্তু এখন ঘটছে উল্টো। মানুষ ভয়ে আছেন এবং চাচ্ছেন যেন এই খেলাটা না হয়। এই খেলার দৃশ্যপট ভয়াবহ। বর্তমানে চলছে কেবল আয়োজন তাতেই সবাই ভয়ে সিঁটিয়ে গেছেন।বিভিন্ন বিভাগে জনসভা হচ্ছে। সেখানে বহু লোকের সমাগম। সভা ঢাকাতেও হচ্ছে ,সমাগম যথারীতি কম নয়। এখন মাঠে জড়ো হওয়া যদি এই সকল লোকজন যদি খেল কথিত মত খেলতে শুরু করেন। তাহলে শুরু হবে বিরাট লড়াইে। একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবেন কী দিয়ে কী নিয়ে কী বিষয়ে তার কোন ঠিক নাই।কাজেই একটা বিরাট লড়াই না হয়েই পারেনা।সাধারণ মানুষ তাই এসব খেলা নিয়ে তটস্থ।রাজনীতিকদের কান্ডজ্ঞানের আগামাথা পাওয়া যাচ্ছেনা। মানুষের ভয়কে তারা আমলে নিচ্ছেননা। তাদের কাছে পরস্পরের বিরুদ্ধে খেলাটাই মুখ্য।তারা এতটা ভয়ানক হয়ে উঠলেন কেন। ভয়ংকর খেলা কি তাদের খুব দরকার।সাধারণ মানুষের ভিতিকে অগ্রাহ্য করে কেন এই খেলাটা খেলতে হবে।
আসল কথা হল ক্ষমতার পালাবদল দেশে সবচেয়ে বড় খেলা।এখানে মানুষের কোন দাম নেই। চারদিকে খেলার সোরগোলের মধ্য দিয়ে সে কথাটাই প্রমাণিত হচ্ছে।রাজনীতিকগণ মৌখিক লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে অজান্তেই নিজেদের প্রকৃত চরিত্রটা প্রকাশ করছেন সুন্দরভাবে । সে কারণে ভবিষ্যতের বিজয়ী দল ও পরাজিত দল উভয়েই সমান বাহ্বা পেতে পারেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/174383/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Nov 2022 13:36:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                   কিসের এত খেলা !<br />
চারদিকে কেবল ‘খেলার’ আওয়াজ। বোঝা যাচ্ছেনা কীসের এত খেলা। রাজনীতিকেরা বলছেন খেলা হবে।কেউ বলছেন মাঠে কেউ বলছেন রাজপথে খেলা হবে। খেলা অবশ্যি একটি সাধারণ বিষয়। দেশের মানুষ খেলা দেখতে খুব পছন্দ করেন।খেলার খবর প্রচারিত হবার পরে তারা বেশ আগ্রহের সংগে অপেক্ষা করেন কখন খেলার দিনটি আসবে,তারা খেলাটা দেখতে পা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-174383"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/174383/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2d11bb58a1f12ce07e0ec6f438c00622</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/174106/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Nov 2022 13:56:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e876c3b7ad5b61627351d899b5c5199a</guid>
				<title>পুরো লেখা কপি করে পেষ্ট করলে ফন্ট বদল হযে যাচ্ছে। এ থেকে পরিত্রাণের কোন কেউ জানালে বাধিত হব।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/174104/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Nov 2022 13:53:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পুরো লেখা কপি করে পেষ্ট করলে ফন্ট বদল হযে যাচ্ছে। এ থেকে পরিত্রাণের কোন কেউ জানালে বাধিত হব।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f1b122ff1370a13e033fb498c274c8f4</guid>
				<title>.বখতিয়ার খলজি ইতিহাস খ্যাত একজন বীর যোদ্ধাা।কিছুদিন আগে পশ্চিম দিনাজপুর জেলার জেলা সদর বালুর ঘাটের গংগারাম থানার নারায়নপুরের পীরপালে তার সমাধি দেখার &#x200d;সুযোগ হয়। খুব সাদামাটা একটি কবরএকটি পুরোনো নোনা ধরা একটি  দালানের মধ্যে অবস্থিত। ঘরটির সামনে একটি ছোট সাইনবোর্ড যেঙখানে বখতিয়ার খলজির তিব্বত অভিযানের কথা লেখা। তিনি যেখানে বড় রকমের পরাজয় বরণ করেন এবং মাত্র শখানেক সৈন্য সহ দেবকোট অর্থ্যাৎ অধুনা পীরপালে ফিরে আসেন। ইখতিয়ারউদ্দিন মুহুাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বাংলার প্রথম মুৃসলমান শাসক।কর্তৃপক্ষের উচিৎ সমাধিটি সংষ্কার করে সংরক্ষণ করা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/174103/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Nov 2022 13:50:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>.বখতিয়ার খলজি ইতিহাস খ্যাত একজন বীর যোদ্ধাা।কিছুদিন আগে পশ্চিম দিনাজপুর জেলার জেলা সদর বালুর ঘাটের গংগারাম থানার নারায়নপুরের পীরপালে তার সমাধি দেখার &#x200d;সুযোগ হয়। খুব সাদামাটা একটি কবরএকটি পুরোনো নোনা ধরা একটি  দালানের মধ্যে অবস্থিত। ঘরটির সামনে একটি ছোট সাইনবোর্ড যেঙখানে বখতিয়ার খলজির তিব্বত অভিযানের কথা লেখা। তিনি যেখানে বড় রকমে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-174103"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/174103/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">30ef0ea9b05b8110adb327644f2c828f</guid>
				<title>একদল বলছেন নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে নির্বাচন কমিশনের দ্বারা। আরেক দল বলছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও পুনর্গঠিত নির্বাচন কমিশন ছাড়া নির্বাচন হবেনা। এই হল আমাদের গণতস্ত্র,দুই দলের খপ্পরে পড়া ষাঁেড়ের ল ড়াই। লড়াইরতরা অতীতেও লড়েছেন মানুষকে তারা কী দিয়েছেন তার কোন মুল্যায়ন আছে কি? আর কতকাল মানুষকে এই যাঁতাকলে পেষা যেতে হবে। । স্বাধীনতার ফল কি এই যাতা-পেষা অবস্থা।জনণের ঐক্য দরকার। এই ঐক্য সকল সমস্যা নিরসন করতে পারে। জনগণ যেন ঐক্যবদ্ধ না হতে পারে তাই নানা কৌশলে তদেরকে নানা বিভাজনে নানা  শ্রেণীতে  বিভক্ত করে রাখা হযেছে। জনগণ এখন আর মোটা দাগেও কোন একক বিবেচনার বিষয় নয়। তাদের মধ্যে বহু বিভেদ বহু ফাটল বহু দ্বন্দ্ব ভয়ানক রকম রোষারেষি। এসব সৃষ্টি করা হয়েছে এবং জিইয়ে রাখা হয়েছে। যেন এই তরফ হতে কোন ঐক্যবদ্ধ হামলা না আসে। এক্যবদ্ধ না হলে তেমন হামলার আশংকা নেই। তাই স হায়তার হাতগুলি নানা বিরোধীয় কার্যক্রমে বাড়ানো হয়, বাাড়ানো থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যটি  পদক্ষেপটি হল বিশ্বসভিত্তিক ধর্মকে লালন ও বিকশিত করার যাবতীয় ব্যবস্থা করনা। একারণে দেশে দেশে জন্ম নিচ্ছে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা,মৌলবাদ অন্ধত্ব যুক্তিহীন আবেগ যা একই সংগে মানুষকে দমিয়ে রাখার ও সন্তুষ্ট করার খুব ভাল উপায়। এসবের মোকাবিলা করতে পারত শিক্ষা কিন্তু শিক্ষাকেও বিকৃতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিজ্ঞান চেতনা বুদ্ধির মুক্তি জ্ঞানের বিকাশ েএগুলো মোকাবিলা করার নিরসন করার উপায়। কিন্তু ব্যবস্থাটা এমন যে শিক্ষিতের নামে সৃষ্টি করা হচ্ছে কতক বুদ্ধুমানুষ যাদের পক্ষে তেমন কিছু করা সম্ভব নয়। প্রচলিত শিক্ষা অন্ধত্বের আবরণে কিছু খন্ডিত জ্ঞান দেয়।তার সামনে পৃথিবী সমাজ মানুষ এদের নানা শ্রেণী নানা ধান্দাবাজী অপকৌশলগুলি উদঘাটন করেনা। মানুষ না জানলে সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে। বুঝতে পারেনা সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা সঠিক পথ চিনতে পারেনা তাই তার কাঁধ থেকে শোষণ নির্যাতনের জোয়ালও সরেনা। এই অবদ্ধ পরিবেশ রাজনীতি ও বাজার অর্থনীতির যৌথ প্রযোজনা। আর এদের প্রধান সহায়ক বিশ্বাসভিত্তিক মতগুলি। যত কঠিনই হোক এই পরিবেশকে ভাংতে হবেমানুষকে মুৃক্ত ক রতে হবে। মানুষের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রয়াসগুলি দিনমেষে কোন ফর দিচ্ছেনা। সেগুলি এই ত্রয়ী নির্মিত ব্ল্যাকহোলে হারিয়ে যাচ্ছে। এখন প্রধান করণীয় বিদ্যমান ব্ল্যাকহোল উদঘাটন ও বিনাশ করা। এরপর নির্বাচন সফল হবে এবং মানুষ উপকৃত হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/167064/</link>
				<pubDate>Tue, 25 Oct 2022 01:29:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একদল বলছেন নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে নির্বাচন কমিশনের দ্বারা। আরেক দল বলছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও পুনর্গঠিত নির্বাচন কমিশন ছাড়া নির্বাচন হবেনা। এই হল আমাদের গণতস্ত্র,দুই দলের খপ্পরে পড়া ষাঁেড়ের ল ড়াই। লড়াইরতরা অতীতেও লড়েছেন মানুষকে তারা কী দিয়েছেন তার কোন মুল্যায়ন আছে কি? আর কতকাল মানুষকে এই যাঁতাকলে পেষা যেতে হবে। । স্বাধীনতার ফল কি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-167064"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/167064/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4e490d9cafa1fe3bb1412e4a59bb0fa9</guid>
				<title>নির্বাচন আসছে । জনগণের দাবীগুলির আওয়াজ জোরালো হোক। কেবল নির্বা চন করে সরকার পরিবর্তন করে কী হয় তা এতেদিন দেখা গেছে। এখন দরকার জনগণের ক্ষমতায়ন যাতে তারা নিজেরাই   প্রয়োজনীয় কাজগুলি সমাধা করতে পারে। এ জন্য কিছু পরিবর্তন দরকার। সবচেয়ে বেশী দরকার গণপরিষদ গঠন করা। প্রতিটি বিভাগে একটি করে গণপরিষদ গঠন করতে হবে যেখানে প্রতিটি ইউ নিয়ন হতে একজন করে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকবেন।  গণপরিষদই হবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা কাঠামো। সরকারকে ক্ষমতা গ্রহণের তারিখ হতে প্রতি দুবছরে একবার করে গণপরিষদের কাছে আস্থাবোট  নিতে হবে যেখানে মোট সদস্য সংখ্যার ৬০ শতাংশের সমর্থন প্রয়োজন হবে সরকারকে টিকে থাকতে হলে।  এভাবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা নাগরিকগণকেও এই ব্যবস্থা রাষ্ট্রের সংগে যুক্ত করবে। তারা রাষ্ট্রের ক্ষমাতার কেন্দ্রে থাকবেন।

বিচার বিভাগকে পুর্ণাংগ স্বাধীন করতে হবে। তাঁর একটি নিজস্ব সচিবালয়  প্রতিষ্ঠা করে বদলী নিয়োগ সহ সকল কাজ সেখান হতে সস্পন্ন করার ব্যবস্থা করতে হবে। বিচার বিবাগ হবে প্রশাসন ও অন্যান্য বিভাগ হতে সর্বোতভাবে স্বাধীন।

একইভাবে দুদক নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ ব্যাংক প্রভৃতি সংস্থাকেও পুর্ণাংগরুপে স্বাীণ স্বত্ত্বায় প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। বর্তমান ব্যবস্থা চরম অগণতান্ত্রিক তাই সব সময় সবকিছুকে তার নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতেচায়। এটা এর ফ্যাসিবাদী আচরণ।

একটি পুর্ণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অর্জন করতে এখনও অনেক পথ বাকী ,অনেক করণীয় বাকী। যারা বিদ্যমান ব্যবস্থাকে গণতন্ত্র বলেন তাদের উদ্দেশ্য পরিষ্কার।জনগণকে অনুধাবন কতে বে এই পথ তাদের জন্য নয়।

প্রচলিত রাজনীতি মুল দাবীর বিষয়ে কিছু বলেনা,কেবল নির্বাচন চায়।তারা খুব ভাল করেই জানে যে জনগণ কতটা অতীষ্ট ক্ষুদ্ধ উৎপীড়িত; তারা পরিবর্তন চায়। কাজেই এটা সুযোগ এই পরিবর্তনকে নিজের অনুকুলে আনার ও লাভালাভের সুরাহা করার। নির্বাচন নামের এই খেলা বন্ধ হোক। গণপরিষদ তথা জনগণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হলে নির্বাচন এমনিতেই ভাল রুপে হবে, লড়াই করতে হবেনা। চেটেপুটে খাবার লোভে এই লড়াই।এতে জনগণের কোন উপকার নাই। ডাংগার বাঘের ভয়ে কুমীরের পুকুরে লাভ দিয়ে কী লাভ।

কাজটা কঠিন। জনগণের ঐক্য চাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/166815/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Oct 2022 10:44:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নির্বাচন আসছে । জনগণের দাবীগুলির আওয়াজ জোরালো হোক। কেবল নির্বা চন করে সরকার পরিবর্তন করে কী হয় তা এতেদিন দেখা গেছে। এখন দরকার জনগণের ক্ষমতায়ন যাতে তারা নিজেরাই   প্রয়োজনীয় কাজগুলি সমাধা করতে পারে। এ জন্য কিছু পরিবর্তন দরকার। সবচেয়ে বেশী দরকার গণপরিষদ গঠন করা। প্রতিটি বিভাগে একটি করে গণপরিষদ গঠন করতে হবে যেখানে প্রতিটি ইউ নিয়ন হতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-166815"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/166815/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea72e4f163b04ad42b9ab49c80f9543d</guid>
				<title>সকলকে শুভেচ্ছা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/151697/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Sep 2022 05:10:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> সকলকে শুভেচ্ছা </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4ae67eaebcb238e51d51b1b1481f406a</guid>
				<title>ফাইলের লেখাগুলো  কপি করে পেষ্ট করা যাচ্ছেনা।  ফাইলের লেখা কীভাবে এখানে উপস্থাপন করবো,প্রক্রিয়া থাকলে জানাবেন। এত লেখা এখানে পুনরায় টাইপ করা কঠিন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/132273/</link>
				<pubDate>Sun, 14 Aug 2022 06:57:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফাইলের লেখাগুলো  কপি করে পেষ্ট করা যাচ্ছেনা।  ফাইলের লেখা কীভাবে এখানে উপস্থাপন করবো,প্রক্রিয়া থাকলে জানাবেন। এত লেখা এখানে পুনরায় টাইপ করা কঠিন।                              </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">efd2961287c9483ec7994d73aa704ee7</guid>
				<title>ধরিত্রিকে টেকসই ও নিরাপদ করতে জলবায়ু পরিবর্তন রোধকরা খুবই জরুরী।আমাদের অস্তিত্বের স্বার্থেই পৃথিবীকে নিরাপদ করা প্রয়োজন।ইংল্যান্ডের গ্লাসগোতে  বিশ্ব জলবায়ু 
সম্মেলন হল,ফলাফল আগের মতই কিছু চুক্তি কিছু সমঝোতা ও কিছু অংগীকার। এসবে এখন অবধি কোন কাজ হয়নি।

কাজ না হওয়ার কারণ প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে  পরিবর্তন আনা বেশ কঠিন। তাই কেবল আলোচনা ও সমঝোতা হয়।জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করতে পৃথিবীর তাপমাত্রার বৃদ্ধি রোধ করতে হবে। এটা করতে দরকার তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য দায়ী গ্রীন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো। গ্রীন হাউস গ্যাস(কার্বন ডাই অক্সাইড মিথেন জলীয় বাষ্প প্রভৃতি) নিঃসৃত হয় কয়লা  পেট্রোলিায়ম পোড়ালে। আর এসব পুড়িয়েই উৎপাদন করা হয় বিদ্যুৎ।

বিদ্যুৎ কমাবো কীভাবে! বিদ্যুৎ বর্তমান সমাজ সভ্যতার প্রাণ প্রদীপ।কৃষি শিল্প সেবা ব্যবসা বাণিজ্য সব চলছে বিদ্যুতে।মানুষের জীবনের প্রতিটি কাজ  প্রতিটি দিনক্ষণ নির্ভরশীল বিদ্যুতের  উপরে। এর চাহিদা ও্র উৎপাদন কীভাবে   কমানো সম্ভব।

বিকল্প আছে তবে সেগুলি এখনও কোন প্রতিযোগীতাতেই আসেনি।সোলার জলবিদ্যুৎ বায়ু বিদ্যুৎ পারমানবিক বিদ্যুৎ খুব কম। মুল ধারার( কয়লা,তেল) সমান সামর্থ্য অর্জন এখনো অনেক দেরী।

প্রয়োজন  ছিল একটি রোড ম্যাপের - কোন কাজটা কখন ও কীভাবে হবে,কোথায় কোথায় হাত লাগাতে হবে  - ইত্যদি।এ ব্যাপারে সম্মেলন নিরব।মনে হয় তারা রোড ম্যাপ বলে কিছু জানেই না।হাত লাগাবে কীভাবে ,হাত খোলা থাকলেতো।

গ্রীন হাউস গ্যাস কার্বন ডাই অক্সাইড কমনোর সবচেয়ে ভাল উপায় বন সৃষ্টি করা ও বন  ধ্বংস রোধ করা।বনের গাছপালা কার্বন ডাই অক্সাইড খেয়ে ফেলে।দেশে কেবলি বন উজার হচ্ছে।ছোট দেশ প্রচুর জনসংখ্যা;দরকার বেশী  আবাসন বেশী খাদ্য বেশী শিল্প.সবকিছু বেশী বেশী দরকার।তাই বন উজাড় হচ্ছে। এছাড়া অবৈধ দখলকারীরাতো রয়েছেই।স্বল্প আয়তনে সব প্রয়োজন মেটাতে তাই দরকার একটি সুচারু পরিকল্পনা। গোটা দেশের স্থলভাগকে বিবেচনায় নিয়ে আগামী একশত বছরের কথা মাথায় রেখে  একটি পরিকল্পনা করা প্রয়োজন যেখানে নির্দিষ্ট থাকবে আবাসন চাষবাস শিল্প বন বাজারঘাট প্রভৃতির এলাকা। কেউ এর পরিবর্তন বা ব্যতিক্রম ঘটাবেনা। কেবল তাহলেই মিটতে পারে বনের প্রয়োজন।কেবল বন কেন অন্যান্য বিষয়ের প্রয়োজনগুলোও মিটবে।পুরো দেশকে এভাবে একটি শৃংখলায় আনা ছাড়া ভবিষ্যতের চাহিদা মেটানোর অন্য কোন উপায় নাই।এজন্য দরকার সামাজিক অংগীকার মানুষের ঐক্য ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

সম্মিলিত প্রয়াস ও সামগ্রিক ব্যবস্থার কথা উঠলেই অনেকে চোখ কপালে তোলেন-এটা  কীভাবে সম্ভব! অথচ পঞ্চাশ বছর আগে আমরা এর চেয়েও অনেক শক্ত কাজটি সম্পন্ন করেছি।তখন প্রবল প্রতিপক্ষ ছিল। এখন প্রতিপক্ষ কারা? প্রচলিত জীবন দর্শনের কারণে আমরা পুর্বের  নৈতিক -সামাজিক অবস্থান  থেকে অনেকটা সরে গেছি।বিচ্যুতি কতটা তাও বোধ হয় অনুধাবন করিনা। এখন সময় আগের ঐক্যের সামাজিক অবস্থানে ফিরে যাওয়ার।

সামগ্রিক পরিকল্পনা ছাড়াও আরেকটি দুঃসাধ্য কাজ সমাধা করতে হবে।প্রচলিত জীবন ধারা ও জীবন দর্শনের পরিবর্তন দরকার। বর্তমান সভ্যতাকে মনে হয় বর্তমান বাজার ব্যবস্থার একটি  অতি বিকশিত রুপ।এই ব্যবস্থা  নানাভাবে  প্রয়োজন  সৃষ্টি করে সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে ছুটিয়ে নিয়ে চলেছে।যদি মানুষ এভাবে না ছোটে  চাহিদাকে সীমিত রাখে,অন্য কথায় প্রচন্ড ভোগবাদী ও পণ্যবাদী জীবন ধারাকে এড়িয়ে চলে তবে যনত্র ও বিদ্যুতের ব্যবহার কমবে,কমবে গ্রীন হউস গ্যাস।পৃথিবী ভালো থাকবে।

বর্তমান সভ্যতা ও অর্থনীতি পৃথিবী দখল করে ফেলা  কিছু কোম্পানীর চারণ ক্ষেত্র হয়ে পড়েছে যেন। অনেক দেশে ক্ষমতাবান  শ্রেণী এইসব কোম্পানীর অনুসারী -শিষ্য -সুফলভোগী।দীর্ঘকালের চর্চা। তাই হুটহাট পেছানো সম্ভব নয়,সবাই অসুবিধায় পড়বে।তাছাড়া ক্ষমতাবানদের পিছনে  ব্যবসাখাতের বিনিয়োগও অনেক।কে কাকে ছাড়বে আর কীভাবেই বা ছাড়বে  বুঝে
 উঠতে পারেনা। তাই কোন সিদ্ধান্তও  নিতে পারেনা,কেবল আলোচনা ও সমঝোতা হয়। তারপর আবার সবাই মিলে সবকিছু ভুলে যায়।সামগ্রিক বিষয়টা নিশ্চই এত সরল নয়,আরো নানা ব্যবসায়িক ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক হিসাব নিকাশ আছে।

যার যত হিসাব নিকাশই থাকুক না কেন  সমুদ্র পৃষ্ঠের জলের উচ্চতা কিছুটা বেড়ে গেলে সাগরের বুকে দাঁড়িয়ে থাকা দ্বীপদেশগুলির ডুবে যাওয়ার আশংকা, বাংলাদেশের  ্একুশটি জেলার তলিয়ে যাওয়ার ভয় , অনেক  দেশে সিডর আম্পান প্রভৃতির নিয়মিত আঘাত, সমভুমির মানুষদের কৃষিখাত সহ জীবন যাপনে বিপর্যয় ,ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে লাগাতার দাবানল ও প্রচন্ড তুষারপাত ,মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়া সহ নানাভাবে জলবায়ু পরিবর্তন তার করাল থাবা বিস্তার করে চলেছে।এবং তাগিদ দিচ্ছে হাতে সময় নেই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

যারা ব্যবস্থা নিতে কালক্ষেপণ করছেন তাদের বিষয়েও চিন্তা ভাবনা করার তাগিদ আছে এই পরিস্থিতির মধ্যে।এটা যেন বলছে রাজনীতিবিদদের হাতে সবকিছু ছেড়ে দেয়া যাবেনা তাদের মুখটা জনগণের দিকে হলেও মাথাটা কোম্পানীর দিকে।মানুষের স্বতন্ত্র মঞ্চ দরকার,স্বতন্ত্র উদ্যোগ দরকার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/68632/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Dec 2021 02:50:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধরিত্রিকে টেকসই ও নিরাপদ করতে জলবায়ু পরিবর্তন রোধকরা খুবই জরুরী।আমাদের অস্তিত্বের স্বার্থেই পৃথিবীকে নিরাপদ করা প্রয়োজন।ইংল্যান্ডের গ্লাসগোতে  বিশ্ব জলবায়ু<br />
সম্মেলন হল,ফলাফল আগের মতই কিছু চুক্তি কিছু সমঝোতা ও কিছু অংগীকার। এসবে এখন অবধি কোন কাজ হয়নি।</p>
<p>কাজ না হওয়ার কারণ প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে  পরিবর্তন আনা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-68632"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/68632/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">65f5e2fb77db15f7e805b30a2a8c22bc</guid>
				<title>আ্দইলের নীচে কত জমি।

দেশে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে আমন চাষ হয়েছে ১৭৩.৩৯লক্ষ একর জমিতে।আর ফলন হয়েছে১৪২.০৩লক্ষ টন।যদি আধাবিঘা করে এক একটি প্লট বিবেচনা করি এবং১০০০ একর জমিকে একটি ব্লক বিবেচনা করি তবে আমনের ঐ পরিমাণ জমিতে মোট ব্লক সংখ্যা হয়১৭৩৩৯টি।একটি ব্লকে ছোট আইল হবে১০০১টি অার বড় আইল হবে ৭টি।এই আইলগুলির ক্ষেত্রফল১৩৩১৩৬.৭৪ বর্গগজ অর্থ্যাৎ ২৭.৫০ একর।এই হিসাবে  দেশে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে আমনচাষকৃত জমিতে আইলি জমির পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৭৬৮২২ একর।এই পরিমাণ জমিতে ধান উৎপাদন হবার কথা প্রচলিত নিয়মে প্রায় ১২লাখ টন যার দাম ,মণপ্রতি ৮০০ টাকা দরে ,প্রায় ২৪০০ কোটি টাকা।সব হিসাব পরিসংখানে আসেনা।অন্যান্য ক্ষেত্রেও যথারীতি আইল আছে। তাই নির্দ্বিধায় বলা যায় দেশ বছরে আইলের কারণে অন্ততঃ ৩০০০কোটি টাকা লোকসান দিচ্ছে।আইল উচ্ছেদ করে সমবায় খামার প্রতিষ্ঠা করে খুব সহজেই এই ক্ষতি এড়ানো সম্ভব।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/64477/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Nov 2021 06:31:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আ্দইলের নীচে কত জমি।</p>
<p>দেশে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে আমন চাষ হয়েছে ১৭৩.৩৯লক্ষ একর জমিতে।আর ফলন হয়েছে১৪২.০৩লক্ষ টন।যদি আধাবিঘা করে এক একটি প্লট বিবেচনা করি এবং১০০০ একর জমিকে একটি ব্লক বিবেচনা করি তবে আমনের ঐ পরিমাণ জমিতে মোট ব্লক সংখ্যা হয়১৭৩৩৯টি।একটি ব্লকে ছোট আইল হবে১০০১টি অার বড় আইল হবে ৭টি।এই আইলগুলির ক্ষেত্রফল১৩৩১৩৬.৭৪ বর্গগজ অর্থ্যাৎ ২৭.৫০ একর।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-64477"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/64477/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9efd091ca51b8f2fca9d1212488d1959</guid>
				<title>বিষয়ঃ সরিষার তেল।
সরিষার তেলকে নির্বাসনে পাঠিয়েছি।সয়াবিন তেলের চেয়ে অনেক বেশী গুণাগুণসম্পন্ন হওয়া স্বত্ত্বেও সরিষার তেল অপাংতেয় হয়ে পড়েছে।সরিষার তেল চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় ও বৃদ্ধিতে খুবই উপকারী। এই তেল গায়ে ও মাথায় মাখা চলে,শরীরে এটা সানস্ক্রীনের ন্যায় কাজ করে।সরিষার তেলে ভিটামিন উপকারী ফ্যাটি এসিড আ্যন্টি অক্সিডেন্ট আয়রন ক্যালসিয়াম প্রভৃতি রয়েছে। এই তেল ছত্রাকরোধী।সরিষার তেলের ঝাঁঝ অনেক পোকামাকড় সহ্য করতে পারেনা তাই তারা দুরে থাকে।সরিষার তেল সর্দিকাশিতে উপকারী।অপর পক্ষে সয়াবিন তেল কেবল রান্নায় ব্যবহার করা চলে।তবু সয়াবিনের কদর ও ব্যবহার বেড়ে গেল এর কারণ বাণিজ্য।বছরে ভোজ্য তেলের দরকার ৫১লাখ টন,উৎপাদন ৫লাখ টন আমদানী ৪৬লাখ টন ;আমদানীতে ব্যয় হয় ২৮হাজার কোটি টাকা । যদি সয়াবিন আমদানী করতে না হয় তবে এই টাকায় প্রতি বছর একটা করে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা যায়।সারা দেশে কয়েক বছরে কয়েকটা পদ্মা সেতু সির্মাণ করা গেলে দেশ একটা বিশাল অর্থনেতিক কাঠামো গড়ে ওঠে। বাণিজ্্য মহলের প্রচার প্রচারণাই সরিষার তেলের ভরাডুবি কারণ।বর্তমানে দেশে ১৫/১৬লাখ টন ভোজ্য তেল দরকার (বাকিটা শিল্প খাতে ব্যবহৃত হয়) যা দেশে উৎপাদন করা সম্ভব।দেশে জমির সংকট অাছে। সেজন্য সমবায় খামার পদ্ধতিতে যেতে হবে।মালিকানা বজায় রেখে আইল উচ্ছেদ করে জমিতে সমবায় খামার প্রতিষ্ঠা করা দরকার। তাহলে কেবল সরিষা নয় আরো অনেক পণ্যের উৎপাদন বাড়বে,দেশ স্বয়ং সম্পুর্ণ হবে। সরিষার তেল আমাদের বহুকালের সংষ্কৃতি।আগে ছেলেরা এই তেল মাথায় দিয়ে স্কুলে যেত।অাগে এবং এখনও কৃষক মাঠে পান্তার সংগে আবশ্যিকভাবে লবণ পেঁয়াজ পোড়া লংকার সংগে সুরিষার তেল নেয়।আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা সরিষার তেল খেয়েই  বেড়ে উঠেছিলেন,অমিত সাহস শক্তি মনোবল সংগ্রহ করেছিলেন এবং জয় ছিনিয়ে এনেছেন।তখন সয়াবিন তেলের নামও কেউ শোনেনি। সেই সরিষার তেল আজ মাঠের বাইরে দাঁড়িয়ে সয়াবিন তেলের খেলা দেখে,যেন দর্শক।সরিষার তেলের পরাজয় পুঁজিবাদী বাণিজ্যিক ক্রীড়া নৈপুণ্যের ফল।আমাদেরকে এই ছক হতে বের হয়ে আসতে হবে।নিজস্ব খাঁটি পণ্যের উৎপাদনে মনোযোগ দিয়ে দেশ ও সমাজের সাবলীলতা বজায় রাখতে হবে।নিজেদের দিকে তাকাতে হবে,সে সময় উপস্থিত।সরিষার তেল আমাদের শত শত বছরের ইতিহাস ও সংষ্কৃতি। মুনাফার সংষ্কৃতি এই  ঐতিহ্য বদলাতে পারেনা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/54511/</link>
				<pubDate>Wed, 10 Nov 2021 03:12:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিষয়ঃ সরিষার তেল।<br />
সরিষার তেলকে নির্বাসনে পাঠিয়েছি।সয়াবিন তেলের চেয়ে অনেক বেশী গুণাগুণসম্পন্ন হওয়া স্বত্ত্বেও সরিষার তেল অপাংতেয় হয়ে পড়েছে।সরিষার তেল চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় ও বৃদ্ধিতে খুবই উপকারী। এই তেল গায়ে ও মাথায় মাখা চলে,শরীরে এটা সানস্ক্রীনের ন্যায় কাজ করে।সরিষার তেলে ভিটামিন উপকারী ফ্যাটি এসিড আ্যন্টি অক্সিডেন্ট আয়রন ক্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-54511"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/54511/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9002fa58f7e093a9269403eaeea6cc2b</guid>
				<title>আমি কবিতা লিখিনা তবে যা লিখি তার নাম ‘নিবন্ধ’ না বললেও চলে।অাজ বলবো পলিথিন প্যাকের ব্যবহার নিয়ে।আমরা নানা কাজে  সবসময় পর্লিথিন প্যাক ব্যবহার করি।সবখানে সব সময়েএভাবে ব্যবহারের কারণে পথঘাট পাড়া পরিবেশ পলিথিনের জঞ্জালে ভরে গেছে।এটা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।প্রতিদিন বাইরে বের হবার সময়ে বা বাজারে যাবার সময়ে পকেটে একটা পাতলা কাপড়ের ব্যাগ নিন।আজকাল কাপড় /অন্যান্য সামগ্রী কেনার সময়ে পণ্য বোঝাই করে  একটা ব্যাগ সাধারণতঃ দোকানদার দিয়ে দেয়।বাড়ীতে এগুলো জমে থাকে।আপনি একসংগে বেশ কয়েকটা কাপড়ের ব্যাগ বানিয়ে নিতে পারেন।এগুলোতেই আপনার বাজার পর্ব  সমাধা হবে।বাসার সকল সদস্যকে বলুন তারাও যেন বের হবার সময়ে একটা বা একাধিক কাপড়ের ব্যাগ নিয়ে বের হন।বাজার করার সময়ে দোকানদারকে পলিথিনের বিকল্প রাখতে বলুন।পাতলা কাপড়ের ব্যাগ পকেটে নিয়ে চলতে কোন অসুবিধা হবেনা।বিশেষ করে শহরের মানুষ যদি সবাই এভাবে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করে তাহলে পলিথিনের ব্যবহার বহুলাংশে কমে যাবে; শহরের পথঘাট পরিবেশ পরিচ্ছনন থাকবে।পাতলা কাপড়ের ব্যাগ বনোনো ও বহন করা সহজ সাধ্য ব্যয় সাশ্রয়ী, আমরা সহজেই এটা করতে পারি।খুব ছোট একটা   ব্যক্তিগত ও পারিবারিক চর্চা  অন্য আয়োজনগুলির সংগে যুক্ত হয়ে দেশকে নির্মলরুপ দিতে পারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/54231/</link>
				<pubDate>Tue, 09 Nov 2021 10:32:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি কবিতা লিখিনা তবে যা লিখি তার নাম ‘নিবন্ধ’ না বললেও চলে।অাজ বলবো পলিথিন প্যাকের ব্যবহার নিয়ে।আমরা নানা কাজে  সবসময় পর্লিথিন প্যাক ব্যবহার করি।সবখানে সব সময়েএভাবে ব্যবহারের কারণে পথঘাট পাড়া পরিবেশ পলিথিনের জঞ্জালে ভরে গেছে।এটা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।প্রতিদিন বাইরে বের হবার সময়ে বা বাজারে যাবার সময়ে পকেটে একটা পাতলা কাপড়ের ব্যাগ ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-54231"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/54231/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>