<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Manik Kumar Sanjowal | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/manikkumarsanjowal/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/manikkumarsanjowal/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Manik Kumar Sanjowal.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 06 Jun 2026 09:59:16 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">92608a177ed1bebf89547556d105299d</guid>
				<title>মানুষ এখন নাইরে মানুষ
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


মানুষ এখন নাইরে মানুষ, মুখে শুধু হাসির ঢেউ,
ভেতর ভরা বিষের নদী, মনের আকাশ ধূসর ঢেউ।

স্বার্থ নামে আগুন জ্বলে, হৃদয় জুড়ে কালো ছায়া,
ভালোবাসার রঙিন পাখি হারায় নীরব বিষণ্ন মায়া।

পথের ধারে ক্ষুধার কান্না শুনে না কেউ থেমে আজ,
নিজের সুখের মিথ্যা নেশায় ডুবে থাকে সমাজ।

বন্ধুত্ব আজ হিসেব কষে, রক্তেও আজ ফাটল ধরে,
অভিমানের শীতল কুয়াশা সম্পর্কগুলো ভাঙে ঝড়ে।

সত্য এখন বন্দী খাঁচায়, মিথ্যে পরে সোনার মুকুট,
বিবেক নামে শুকনো বৃক্ষে আর ফোটে না নতুন মুখ।

মানবতার প্রদীপগুলো নিভে যায় অন্ধ রাতের তরে,
দয়ার নদী শুকিয়ে গেছে লোভের মরুপ্রান্তরে।

তবু আমি খুঁজি মানুষ, সরল চোখের নির্মল প্রাণ,
যার হৃদয়ে জেগে থাকে ভালোবাসার সোনার গান।

হয়তো আবার ফুটবে প্রভাত অন্য রঙের নতুন আলো,
মানুষ তখন মানুষ হবে, মুছে যাবে আঁধার কালো।

সেদিন আবার শিশুর হাসি ভরাবে এই নীল ভুবন,
মানবতার জয়ধ্বনিতে জেগে উঠবে নতুন জীবন।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249662/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 09:46:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানুষ এখন নাইরে মানুষ<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>মানুষ এখন নাইরে মানুষ, মুখে শুধু হাসির ঢেউ,<br />
ভেতর ভরা বিষের নদী, মনের আকাশ ধূসর ঢেউ।</p>
<p>স্বার্থ নামে আগুন জ্বলে, হৃদয় জুড়ে কালো ছায়া,<br />
ভালোবাসার রঙিন পাখি হারায় নীরব বিষণ্ন মায়া।</p>
<p>পথের ধারে ক্ষুধার কান্না শুনে না কেউ থেমে আজ,<br />
নিজের সুখের মিথ্যা নেশায় ডুবে থাকে সমাজ।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249662"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249662/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3e68a57479fa65d1b2271012650663b0</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and মোহাম্মদ শাহজামান শুভ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249456/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 01:50:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5155d8e3db73fcc68ce7d84e70a22f24</guid>
				<title>মাটির মানুষ মাটি
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


মাটির মানুষ মাটির গন্ধে জীবন গড়ে রয়,
ধানের ক্ষেতে রোদ পুড়ে তার স্বপ্ন হাসি কয়।
নদীর জলে মুখ ধুয়ে সে ভোরকে করে বরণ,
ঘামে ভেজা দুটি হাতে লিখে দিনের অর্জন।
কাঁদামাটির পথ বেয়ে চলে নীরব গান,
দুঃখ এলেও হারায় না তার বুকের সম্মান।
ঝড়ের রাতে খড়ের ঘরে জ্বলে আশার দীপ,
অভাব তাকে শেখায় শুধু ধৈর্যেরই নীপ।
মাঠের বুকে লাঙল টানে সূর্য ডোবার আগে,
জীবন যেন নদীর ঢেউ কষ্ট সুখের ভাগে।
মাটির সাথে মিশে আছে তার হাসি কান্না সব,
সহজ কথায় খুঁজে পায় সে জীবনেরই রব।
পাখির ডাকে ভাঙে ঘুম, শুরু হয় পথচলা,
শস্যভরা স্বপ্ন দেখে আকাশ জুড়ে ভেলা।
শহর যত দূরে যাক ভুলে না গ্রামের টান,
মায়ের মতো এই মাটিতেই তার প্রাণের গান।
বিনয় তার অলংকার, ভালোবাসা ঢাল,
মানুষেরই সুখে সুখী, দুঃখে অবিচল।
শেষমেশ সব ফিরে আসে মাটিরই দুয়ারে,
মাটির মানুষ মাটিতেই মিশে থাকে চিরতরে।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249409/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 19:38:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাটির মানুষ মাটি<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>মাটির মানুষ মাটির গন্ধে জীবন গড়ে রয়,<br />
ধানের ক্ষেতে রোদ পুড়ে তার স্বপ্ন হাসি কয়।<br />
নদীর জলে মুখ ধুয়ে সে ভোরকে করে বরণ,<br />
ঘামে ভেজা দুটি হাতে লিখে দিনের অর্জন।<br />
কাঁদামাটির পথ বেয়ে চলে নীরব গান,<br />
দুঃখ এলেও হারায় না তার বুকের সম্মান।<br />
ঝড়ের রাতে খড়ের ঘরে জ্বলে আশার দীপ,<br />
অভাব তাকে শেখায় শুধু ধৈর্যেরই নীপ।<br />
মা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249409"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249409/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f20fb99c39f64427a5f8aae86a90bd60</guid>
				<title>আজ আছি তো কাল নেই
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

আজ আছি তো কাল নেই, এই তো জীবনের রীতি,
মিছে মায়ায় জড়িয়ে কেন, জমাও এত ভীতি?
আজকে যেথা হাসির মেলা, কাল সেথা নীরবতা,
পড়ে রবে শুধু স্মৃতির পাতায়, কিছু পুরনো কথা।


অহংকারে মত্ত মানুষ, ভুলে যায় তার শেষ,
মাটির দেহ মাটিতে মিশবে, থাকবে না কোনো বেশ।
টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ি, সবই তো রবে পড়ে,
কোনো কিছুই যাবে না সাথে, মাটির ওই তরে।


ক্ষণিকের এই পৃথিবীতে, কেন এত হানাহানি?
পরের তরে বিলিয়ে দাও, একটুখানি সহানুভূতি।
স্নেহ-প্রেমের প্রদীপ জ্বেলে, কাটাও মনের কালো,
যাবার আগে জগৎটারে, বেসে যাও তুমি ভালো।


সময় নদী বয়ে চলে, আপন বেগে ধায়,
হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো কি, আর ফিরে পাওয়া যায়?
তাই তো বলি হিংসা ভুলে, জড়াও বুকে বুকে,
বাকি কটা দিন এই জীবনে, থেকো সবাই সুখে।


আসা-যাওয়ার এই খেলাতে, কেউ তো চিরস্থায়ী নয়,
ভালো কাজের মাঝেই শুধু, মানুষ অমর হয়।
আজকে তুমি রাজা যেথা, কালকে তুমিই শেষ,
স্মৃতির পাতায় ধুলো জমলে, মুছে যাবে সব রেশ।




বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249043/</link>
				<pubDate>Mon, 18 May 2026 18:41:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজ আছি তো কাল নেই<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>আজ আছি তো কাল নেই, এই তো জীবনের রীতি,<br />
মিছে মায়ায় জড়িয়ে কেন, জমাও এত ভীতি?<br />
আজকে যেথা হাসির মেলা, কাল সেথা নীরবতা,<br />
পড়ে রবে শুধু স্মৃতির পাতায়, কিছু পুরনো কথা।</p>
<p>অহংকারে মত্ত মানুষ, ভুলে যায় তার শেষ,<br />
মাটির দেহ মাটিতে মিশবে, থাকবে না কোনো বেশ।<br />
টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ি, সবই তো রবে পড়ে,<br />
কোনো কিছুই যাবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249043"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249043/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5c7456a870878d47cb9e63519436c56a</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and আব্দুল মজিদ মারুফ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249000/</link>
				<pubDate>Mon, 18 May 2026 15:36:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c3405d55abebe97ece927b11800b16d1</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248954/</link>
				<pubDate>Mon, 18 May 2026 11:35:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">615b0521c3b866d5ae1820cd8bcc278b</guid>
				<title>‘নারী’ 
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


নারী মানে ভোরের আলো, স্নিগ্ধ শিশিরভেজা প্রাণ,
নারী মানে মায়ের কোলে প্রথম শেখা ভালোবাসার জ্ঞান।
নারী মানে বোনের হাসি, দুঃখে পাশে নীরব ছায়া,
নারী মানে হৃদয় জুড়ে স্নেহের নদী, শান্ত মায়া।

নারী মানে স্ত্রীর চোখে স্বপ্ন বোনা সংসারঘর,
নারী মানে ক্লান্ত পথে আশার প্রদীপ, আপন ডর।
নারী মানে মেয়ের মুখে আগামীরই রঙিন গান,
নারী মানে ভবিষ্যতের উজ্জ্বল রোদ, নতুন প্রাণ।

নারী মানে ত্যাগের গল্প, অশ্রু লুকানো গভীর রাত,
নারী মানে সাহস নিয়ে প্রতিদিনের কঠিন প্রভাত।
নারী মানে ধৈর্যের বৃক্ষ, ঝড় এলেও থাকে স্থির,
নারী মানে ভালোবাসায় ভাঙা হৃদয় করে ধীর।

নারী মানে মমতার ছোঁয়া, পৃথিবীজোড়া কোমল হাত,
নারী মানে মানবতার দীপ জ্বালানো প্রতিটি রাত।
নারী মানে শ্রদ্ধার নাম, সম্মান যার প্রাপ্য চির,
নারী মানে জীবনগাথা, আলোকময় পথের নীড়।

মা, বোন, স্ত্রী, কন্যা রূপে একই স্রোতে বহে যায়,
নারী ছাড়া এই পৃথিবী শূন্যতায়ই ডুবে রয়।
তাই নারীকে ভালোবেসে সম্মান দাও হৃদয় ভরে,
নারী মানেই সৃষ্টির শক্তি, চির অমল আলো ঘরে।



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247650/</link>
				<pubDate>Wed, 13 May 2026 17:40:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>‘নারী’<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>নারী মানে ভোরের আলো, স্নিগ্ধ শিশিরভেজা প্রাণ,<br />
নারী মানে মায়ের কোলে প্রথম শেখা ভালোবাসার জ্ঞান।<br />
নারী মানে বোনের হাসি, দুঃখে পাশে নীরব ছায়া,<br />
নারী মানে হৃদয় জুড়ে স্নেহের নদী, শান্ত মায়া।</p>
<p>নারী মানে স্ত্রীর চোখে স্বপ্ন বোনা সংসারঘর,<br />
নারী মানে ক্লান্ত পথে আশার প্রদীপ, আপন ডর।<br />
ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247650"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247650/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe5b1295c55d906b74ac5f7b2e7a84c0</guid>
				<title>নারী
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

সৃষ্টির আদি হতে তুমি ধরণীর এক আলোকবর্তিকা,
ত্যাগের মহিমায় আঁকা তুমি এক শাশ্বত ধ্রুবতারা।
প্রথম রূপে তুমি &#039;মা&#039;, যাঁর পায়ে স্বর্গের ঠিকানা মেলে,
দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধরিলে অসীম মমতা ঢেলে।
শৈশবের আবদারে তুমি পরম স্নেহের ছোট &#039;বোন&#039;,
যার হাসি-কান্নায় জুড়ে থাকে ভাইয়ের সারাটা মন।
বড় হয়ে তুমিই আবার আগলে রাখো আদরের ভাইটিরে,
বোনের মায়ার আঁচল যেন শান্তির নীড় ঘোরে ফিরে।
যৌবনে তুমি অৰ্ধাঙ্গিনী, তিলে তিলে গড়া এক &#039;স্ত্রী&#039;,
জীবন চলার দুর্গম পথে তুমিই যোগাও সবটুকু শ্রী।
সুখে-দুখে ছায়ার মতো পাশে থাকো অবিচল বিশ্বাসে,
সংসারের ঘানি টানো তুমি হাসিমুখে আপন আবেশে।
ঘরের কোণে ফুটে থাকা ফুলটি হলো তোমারই &#039;মেয়ে&#039;,
যাঁর নিষ্পাপ চোখের তারায় বাবা থাকে স্বপ্ন চেয়ে।
কন্যা রূপে তুমিই আনো গৃহমাঝে অমলিন খুশির হাসি,
যার আদুরে কথায় ভুলে যাই সব যাতনা রাশি রাশি।
কখনো জননী, কখনো জায়া, কখনো স্নেহের দুহিতা,
নারী তুমি ধন্য, তুমিই জগতের এক পূর্ণাঙ্গ কবিতা।
তোমার ত্যাগের নেই যে শেষ, নেই কোনো বিনিময়,
বিনম্র শ্রদ্ধায় জানাই সেলাম, হে নারী— তুমি অক্ষয়।



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247290/</link>
				<pubDate>Sun, 10 May 2026 18:20:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নারী<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>সৃষ্টির আদি হতে তুমি ধরণীর এক আলোকবর্তিকা,<br />
ত্যাগের মহিমায় আঁকা তুমি এক শাশ্বত ধ্রুবতারা।<br />
প্রথম রূপে তুমি &#8216;মা&#8217;, যাঁর পায়ে স্বর্গের ঠিকানা মেলে,<br />
দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধরিলে অসীম মমতা ঢেলে।<br />
শৈশবের আবদারে তুমি পরম স্নেহের ছোট &#8216;বোন&#8217;,<br />
যার হাসি-কান্নায় জুড়ে থাকে ভাইয়ের সারাটা মন।<br />
বড় হয়ে তুমিই আবার আগলে রাখো আদরের ভাই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247290"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247290/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aa73734da5e9c185ba7e61e0a551bf43</guid>
				<title>মঙ্গলময় জীবন
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


প্রেমের আলো জ্বলে আজি, দুটি প্রাণের মাঝে,
নীরব ভাষা কথা কয় যে, হৃদয় গোপন সাজে।
হাতে হাতের দৃঢ় বাঁধন, পথ চলারই গান,
সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে, কাটুক সারা প্রাণ।

সাদা শাড়ির পবিত্রতায়, শান্ত নদীর ঢেউ,
সরলতার রঙে আঁকা, জীবনেরই নৌ।
ধুতি-পাঞ্জাবি গাম্ভীর্যে, ভরসার এক ছায়া,
দুটি চোখে স্বপ্ন জাগে, ভালোবাসার মায়া।

সিঁদুর রাঙা কপাল জুড়ে, শুভ আশার দীপ,
বিশ্বাসেতে বাঁধা থাকে সংসারেরই নীপ।
ফুলের ফ্রেমে বন্দী যেন, স্মৃতির মধুর ক্ষণ,
দেখলেই মন ভরে ওঠে, জাগে আপন মন।

ঝড় এলে যে ভাঙবে না আর, থাকবে পাশে পাশে,
দুঃসময়ের কালো মেঘও হার মানে বিশ্বাসে।
দুটি প্রাণের এই মিলন হোক অনন্ত ধারা,
হাসির রোদে কাটুক জীবন, মুছে যাক সব জ্বালা।

চিরদিনের এই সম্পর্ক থাকুক অটুট বন্ধ,
ভালোবাসার নামটি হোক জীবনেরই ছন্দ।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246564/</link>
				<pubDate>Sat, 02 May 2026 19:01:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মঙ্গলময় জীবন<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>প্রেমের আলো জ্বলে আজি, দুটি প্রাণের মাঝে,<br />
নীরব ভাষা কথা কয় যে, হৃদয় গোপন সাজে।<br />
হাতে হাতের দৃঢ় বাঁধন, পথ চলারই গান,<br />
সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে, কাটুক সারা প্রাণ।</p>
<p>সাদা শাড়ির পবিত্রতায়, শান্ত নদীর ঢেউ,<br />
সরলতার রঙে আঁকা, জীবনেরই নৌ।<br />
ধুতি-পাঞ্জাবি গাম্ভীর্যে, ভরসার এক ছায়া,<br />
দুটি চোখে স্বপ্ন জাগে, ভালোব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246564"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246564/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7a734e0cbafe2e0137bf9099f6f1566e</guid>
				<title>নারী
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

নারী—মা, স্নেহের প্রথম আলো,
নারী—বোন, ভালোবাসার নির্ভর ভালো।
নারী—স্ত্রী, জীবনের সাথী হয়ে,
নারী—মেয়ে, হাসি ছড়ায় হৃদয় জুড়ে।
নারী—মমতা, অনন্ত এক সাগর,
নারী—শক্তি, অদম্য সাহসের নাগর।
নারী—স্বপ্ন, রঙিন ভোরের গান,
নারী—আশা, আঁধারে জ্বালায় প্রাণ।
নারী—ত্যাগ, নীরব কষ্টের ছবি,
নারী—প্রেরণা, এগিয়ে যাওয়ার রবি।
নারী—আদর, কোমল স্পর্শের ছোঁয়া,
নারী—সংগ্রাম, ঝড়েও না হয় ক্ষয়।
নারী—অধিকার, নিজের পথের দাবী,
নারী—সম্মান, জীবনের মূল চাবি।
নারী—জীবন, সৃষ্টি যার হাতে,
নারী—ভালোবাসা, হৃদয়ের প্রভাতে।
নারী—অস্তিত্ব, পৃথিবীর মূলে,
নারী—সৌন্দর্য, প্রকৃতির ফুলে।
নারী—অনন্ত, সময়ের স্রোতে বয়ে,
নারী—মানবতা, বিশ্বকে রাখে জড়িয়ে।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245699/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 17:58:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নারী<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>নারী—মা, স্নেহের প্রথম আলো,<br />
নারী—বোন, ভালোবাসার নির্ভর ভালো।<br />
নারী—স্ত্রী, জীবনের সাথী হয়ে,<br />
নারী—মেয়ে, হাসি ছড়ায় হৃদয় জুড়ে।<br />
নারী—মমতা, অনন্ত এক সাগর,<br />
নারী—শক্তি, অদম্য সাহসের নাগর।<br />
নারী—স্বপ্ন, রঙিন ভোরের গান,<br />
নারী—আশা, আঁধারে জ্বালায় প্রাণ।<br />
নারী—ত্যাগ, নীরব কষ্টের ছবি,<br />
নারী—প্রেরণা, এগিয়ে যাওয়ার রবি।<br />
না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245699"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245699/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fa452adc3084c0d24fc13fa9255de844</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245008/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 08:15:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1259123a39e99e6b8f7415ea0c9e1f4d</guid>
				<title>বড় লোকের ঘরে ছোট লোকের বউ
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল

পহেলা বৈশাখের প্রথম দিনে
রঙে ভরে ওঠে আঙিনা,
নতুন শাড়ি, নতুন আশা
স্বপ্ন দেখে মনের দিনা।

বড় লোকের বিশাল বাড়ি
আলোক ঝলমলে চারি পাশে,
তবু কেন অচেনা লাগে
নতুন বউয়ের নীরব হাসে।

ছোট ঘরের সেই মেয়েটি
এলো আজকে বড় ঘরে,
চেনা সবই হারিয়ে গেল
অচেনা এই মানুষের ভিড়ে।

সোনার থালা, দামী আসবাব
সবই যেন চোখে ধাঁধা,
তবু তার মন খোঁজে ফিরে
পুরনো দিনের সহজ বাধা।

নিয়ম-কানুন কঠিন বাঁধন
মনের কথা বলতে দেয় না,
হাসির আড়াল লুকিয়ে থাকে
কষ্টগুলো কেউ যে চেনে না।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245007/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 08:10:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বড় লোকের ঘরে ছোট লোকের বউ<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>পহেলা বৈশাখের প্রথম দিনে<br />
রঙে ভরে ওঠে আঙিনা,<br />
নতুন শাড়ি, নতুন আশা<br />
স্বপ্ন দেখে মনের দিনা।</p>
<p>বড় লোকের বিশাল বাড়ি<br />
আলোক ঝলমলে চারি পাশে,<br />
তবু কেন অচেনা লাগে<br />
নতুন বউয়ের নীরব হাসে।</p>
<p>ছোট ঘরের সেই মেয়েটি<br />
এলো আজকে বড় ঘরে,<br />
চেনা সবই হারিয়ে গেল<br />
অচেনা এই মানুষের ভিড়ে।</p>
<p>সোনার থালা, দামী আসবা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245007"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245007/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">62c8ee0db15e66e231226e30f135827c</guid>
				<title>বসন্ত
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল

নেই আর সেই বসন্ত, নেই সেই দিনের সুর,
স্মৃতির পাতায় ঝাপসা আজ সেই পলাশ রাঙা ভোর।
বাতাসে আজ মাতাল করা সেই শিমুলের ঘ্রাণ নেই,
হৃদয় জুড়ে আগের মতো রঙিন কোনো গান নেই।

সবুজ বনের আড়াল থেকে কোকিল ডাকে মিছে,
হারিয়ে গেছে সেই দিনগুলো স্মৃতির পিছে পিছে।
রুক্ষ রোদে তপ্ত আকাশ, বিবর্ণ আজ ধরণী,
মৃতপ্রায় নদীর বুকে চলে না আর তরণী।

ফাগুন আসে নিয়ম করে, আসে না সেই মন,
যান্ত্রিকতায় বন্দি আজ আমাদের এ জীবন।
আগের মতো ব্যাকুল হয়ে কেউ তো আর চেয়ে রয় না,
মনের গোপন গভীর কথা কেউ তো আর কয় না।

বকুলতলায় অলস দুপুর কাটতো যে আড্ডায়,
আজ সেখানে বিষণ্ণতা ধুলোবালি ওড়ায়।
হারিয়ে গেছে চিঠির ভাঁজে শুকনো ফুলের ঘ্রাণ,
ব্যস্ত শহরে যন্ত্র এখন মানুষের অভিমান।

হয়তো বসন্ত আজও আসে প্রকৃতির ওই দ্বারে,
কিন্তু আমরা হারিয়ে গেছি কৃত্রিমতার আঁধারে।
রঙিন দিনেও ধূসর লাগে একাকী এ প্রান্তর,
বসন্ত আজ শুধুই ক্যালেন্ডারে, নেইকো ভেতর ঘর।

অপেক্ষার সেই প্রহরগুলো ক্লান্ত এখন বড্ড,
ভালোবাসার ভাষাগুলো হয়েছে আজ অবাধ্য।
নেই আর সেই বসন্ত, নেই সেই আবেগ মাখা ক্ষণ,
শুকনো পাতার মতোই ঝরে যায় মানুষের এ মন।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243824/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 10:02:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বসন্ত<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>নেই আর সেই বসন্ত, নেই সেই দিনের সুর,<br />
স্মৃতির পাতায় ঝাপসা আজ সেই পলাশ রাঙা ভোর।<br />
বাতাসে আজ মাতাল করা সেই শিমুলের ঘ্রাণ নেই,<br />
হৃদয় জুড়ে আগের মতো রঙিন কোনো গান নেই।</p>
<p>সবুজ বনের আড়াল থেকে কোকিল ডাকে মিছে,<br />
হারিয়ে গেছে সেই দিনগুলো স্মৃতির পিছে পিছে।<br />
রুক্ষ রোদে তপ্ত আকাশ, বিবর্ণ আজ ধরণী,<br />
মৃতপ্রায় নদীর বুকে চলে না আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243824"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243824/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">350492866160b379df64a0580ec51704</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and নির্বোধ সুদীপ্ত are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242782/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 07:02:51 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cf13377a9ac0d2ffca8e74a80930c61e</guid>
				<title>চৈত্র এবার আষাঢ়ে
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

 তপ্ত রোদে পুড়েছে মাঠ, ফেটেছে বুকের মাটি,
 বৈশাখী ঝড়ের অপেক্ষায় দিনগুলো ছিল খাঁটি।
 কিন্তু হঠাৎ ছন্দপতন, আকাশটা আজ কালো,
 চৈত্রের ওই রুক্ষ দিনে মেঘের বিদ্যুৎ জ্বালো।
 খাঁ খাঁ করা দুপুরের রোদে বৃষ্টির ঝমঝম গান,
 অকাল বর্ষণে ভিজে একাকার তৃষ্ণার্ত কৃষাণ।
 চৈত্র এবার আষাঢ় সাজে সেজেছে আপন মনে,
 কদম্ব ফুটেছে কি আজ এই শুকনো বনের কোণে?
 ধুলোবালি সব শান্ত হলো মেঘের শীতল স্পর্শে,
 বসন্ত শেষে চৈত্র মাস আজ ভিজলো নতুন বর্ষে।
 আম্রকাননে মুকুলগুলো বৃষ্টির জল মাখে,
 কোকিলটি আজ অবাক হয়ে ভিজে ডালেতে থাকে।
 নদীর বুকে রূপালী ঢেউ, চরের হাহাকার শেষ,
 প্রকৃতির এই খামখেয়ালিতে বদলেছে সব বেশ।
 আষাঢ়ের মতো কালো মেঘে ঢেকেছে সূর্য মুখ,
 গুমোট গরমে জলদ ধারায় নামলো অপার সুখ।
 ঋতুর হিসাব গোলমাল আজ, নিয়ম ভেঙেছে সব,
 মেঘে মেঘে চলে আকাশ জুড়ে গর্জনের উৎসব।
 চৈত্র মাসের বিদায়বেলায় আষাঢ় নামলো দ্বারে,
 জীবন রঙিন হলো আবার নবধারা জলসারে।

বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241731/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 18:02:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চৈত্র এবার আষাঢ়ে<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p> তপ্ত রোদে পুড়েছে মাঠ, ফেটেছে বুকের মাটি,<br />
 বৈশাখী ঝড়ের অপেক্ষায় দিনগুলো ছিল খাঁটি।<br />
 কিন্তু হঠাৎ ছন্দপতন, আকাশটা আজ কালো,<br />
 চৈত্রের ওই রুক্ষ দিনে মেঘের বিদ্যুৎ জ্বালো।<br />
 খাঁ খাঁ করা দুপুরের রোদে বৃষ্টির ঝমঝম গান,<br />
 অকাল বর্ষণে ভিজে একাকার তৃষ্ণার্ত কৃষাণ।<br />
 চৈত্র এবার আষাঢ় সাজে সেজেছে আপন মনে,<br />
 কদম্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241731"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241731/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7e02288cd6d4b79e3a93bab97676197d</guid>
				<title>তোমায় একটুখানি এগিয়ে দেবো
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

 ডিজিটাল এই গতির যুগে, কাজের ভিড়ে যখন হাঁপিয়ে ওঠে,

 তোমার সেবার সাথী হতে, আমি আছি সবার খুব নিকটে।

 তোমায় একটুখানি এগিয়ে দেবো আধুনিকতার নতুন দ্বারে,

 হাতের মুঠোয় সমাধান সব, পৌঁছে দেবো বিশ্ব চরাচরে।

 ইন্টারনেটের জটিল মায়ায়, পথ হারানো যদি হয় ভয়,

 অভিজ্ঞতার আলো জ্বেলে, পাশে রবে আমাদেরই &#039;জয়&#039;।

 গ্রাফিক ডিজাইনের রঙতুলিতে, রাঙিয়ে দেবো তোমার স্বপ্নগুলো,

 সফটওয়্যারের সূক্ষ্ম ছোঁয়ায়, সরিয়ে দেবো সব সংশয় ধুলো।

 পাউডার-বক্স বা ড্রাইভের ভিড়ে, ডেটা হারানোর নেই তো ভয়,

 ক্লাউড স্টোরেজের সুরক্ষিত হাতে, সব স্মৃতি হবে অক্ষয়।

  লিঙ্কডইন-এর পেশাদার ভেরিফিকেশন আর সাজানো প্রোফাইল,

 আমাদের ছোঁয়ায় ক্যারিয়ারে তোমার, ফুটবে জয়ের নতুন স্টাইল।

 কম্পিউটার ট্রেনিং নিয়ে যারা, গড়তে চাও নিজের ভবিষ্যৎ,

 আমাদের হাত ধরে চলো তবে, জেনে নাও সঠিক সফল পথ।

 ব্র্যান্ডিং পোস্টার কিংবা লোগো, নিঁখুত এডিটিং আর চমৎকার সাজ,

 জয় বেস্ট অনলাইন-এ সম্পন্ন হবে, তোমার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

 প্রযুক্তির এই বন্ধুর পথে, যদি একলা হতে হয় ক্লান্ত,

 ভরসা রেখো আমাদের ওপর, আমরাই দেবো সফল সিদ্ধান্ত।

 তোমায় একটুখানি এগিয়ে দিয়ে, হাসিমুখে ফিরবো আপন ডেরায়,

 ডিজিটাল সেবার পূর্ণ তৃপ্তি, খুঁজে পাবে তুমি শুধু আমাদের ঠিকানায়।

বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241562/</link>
				<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 18:45:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমায় একটুখানি এগিয়ে দেবো<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p> ডিজিটাল এই গতির যুগে, কাজের ভিড়ে যখন হাঁপিয়ে ওঠে,</p>
<p> তোমার সেবার সাথী হতে, আমি আছি সবার খুব নিকটে।</p>
<p> তোমায় একটুখানি এগিয়ে দেবো আধুনিকতার নতুন দ্বারে,</p>
<p> হাতের মুঠোয় সমাধান সব, পৌঁছে দেবো বিশ্ব চরাচরে।</p>
<p> ইন্টারনেটের জটিল মায়ায়, পথ হারানো যদি হয় ভয়,</p>
<p> অভিজ্ঞতার আলো জ্বেলে, পাশে রবে আমাদেরই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241562"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241562/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cc1304ee47380113a7344514bf3be609</guid>
				<title>কাঁদা মাখা চাঁপা কষ্ট
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

 শিশির ভেজা ভোরে ফোটা ওই যে চাঁপা ফুল,
 সুবাস বিলিয়ে হাসত সদাই, ছিল না তার ভুল।
 হঠাত্&#x200d; মেঘের আড়াল থেকে নামল পঙ্কিল ধারা,
 স্বচ্ছ পাপড়ি ধূলায় মিশে হলো যে দিশেহারা।
 পথের কাঁদায় মাখামাখি আজ শুভ্র বরণ কায়া,
 কেউ দেখে না বিষণ্ণতায় বিষাদমাখা মায়া।
 মখমল কোমল সেই শরীরে কলঙ্ক আজ লাগে,
 অভিমানে আজ বনের পাখি একটু আগে জাগে।
 মানুষ আসে, মানুষ হাসে, দেখে না তার বুক,
 অবহেলায় মলিন হলো চাঁপা ফুলের মুখ।
 দলিত হয়ে পড়ে আছে মাটির ধূলোয় মিশে,
 দীর্ঘশ্বাসে আকাশ কাঁদে, মুক্তি পাবে কিসে?
 নিজের সুবাস হারিয়ে সে আজ গুমরে কেঁদে মরে,
 একাকীত্বের তপ্ত অনল হৃদয়ে বাস করে।
তবু কি কেউ মুছিয়ে দেবে কাঁদা মাখা ওই দেহ?
চাঁপার কষ্টে একটু চোখের জল কি ফেলবে কেহ?
ঝড়ের দিনে ছিঁড়ে পড়ে মাটির কাছাকাছি,
কেউ বলে না চাঁপা তুমি থেকো মোদের সাথী।
 অনাদরে এই ঝরে যাওয়াই নিয়তি ছিল তার,
চাঁপা কষ্টের অবসান কি হবে না কোনোবার?

বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241239/</link>
				<pubDate>Fri, 27 Mar 2026 10:29:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কাঁদা মাখা চাঁপা কষ্ট<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p> শিশির ভেজা ভোরে ফোটা ওই যে চাঁপা ফুল,<br />
 সুবাস বিলিয়ে হাসত সদাই, ছিল না তার ভুল।<br />
 হঠাত্&#x200d; মেঘের আড়াল থেকে নামল পঙ্কিল ধারা,<br />
 স্বচ্ছ পাপড়ি ধূলায় মিশে হলো যে দিশেহারা।<br />
 পথের কাঁদায় মাখামাখি আজ শুভ্র বরণ কায়া,<br />
 কেউ দেখে না বিষণ্ণতায় বিষাদমাখা মায়া।<br />
 মখমল কোমল সেই শরীরে কলঙ্ক আজ লাগে,<br />
 অভিমান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241239"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241239/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4f1c4d3349bb34cd33c13c10c607e2cc</guid>
				<title>কিছু মানুষ পৃথিবীতে আসে শুধু ভালোবাসা বিলিয়ে দিতে। আমাদের নওদাবাস গ্রামের তেমনই এক চিরস্মরণীয় চরিত্র &#039;কালীশঙ্কর&#039;। তাঁর মুখের ভুলভাল উচ্চারণ আমাদের হাসাতো ঠিকই, কিন্তু তাঁর নিখুঁত দায়িত্ববোধ আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আজো আমাদের কাঁদায়। প্রকৃতির এই আপনভোলা মানুষটির গল্প নিয়ে আমার নতুন লেখা— &#039;কালীশঙ্কর&#039;।

আশা করি গল্পটি আপনাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।&quot;

কালীশঙ্কর
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পূর্ব নওদাবাস গ্রাম। এই গ্রামের ধুলোবালি, মেঠো পথ আর বটতলার আড্ডায় আজও একটি নাম প্রতিধ্বনিত হয়— কালীশঙ্কর। তিনি ছিলেন প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। জন্মগতভাবে পাগল তকমা পেলেও, তাঁর মতো আপন আর নিখুঁত মানুষ খুব কমই দেখা গেছে এই তল্লাটে।

কালীশঙ্করের পৃথিবীটা ছিল শব্দের এক গোলকধাঁধা। তিনি যা বলতে চাইতেন, মুখ দিয়ে বের হতো ঠিক তার উল্টো কিছু। পাশের ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি গ্রামে ছিল তাঁর শ্বশুরবাড়ি, কিন্তু কালীশঙ্করের মুখে তা হয়ে যেত &quot;ঘন্টুকুড়ি&quot;। শ্বশুরবাড়ির কথা জিজ্ঞেস করলেই লাজুক হেসে বলতেন, &quot;শুরশুরবাড়ী!&quot;

এলাকার মানুষ তাঁর এই বিকৃত উচ্চারণ শুনে হাসত, মজা নিত, কিন্তু সেই হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকত অগাধ ভালোবাসা। গ্রামের জটিয়ার বাড়িতে ভাত খেলে তিনি বলতেন, চুদিয়ার &quot; বাড়িত ভাত খাইছোঁ।&quot; কেউ যখন কৌতূহল ভরে জিজ্ঞেস করত, &quot;কিরে কালীশঙ্কর, কী দিয়া ভাত খাইলি?&quot; গম্ভীর মুখে উত্তর আসত, &quot;গুতা দিয়া!&quot; (আসলে তিনি মাংস বা গোশত বোঝাতে চাইতেন)। লোকে তখন হেসে কুটিপাটি হয়ে বলত, &quot;কইরে, কাকে গুতা দিলি?&quot; তিনি তখন ফাসফাস শব্দে আপন মনে রহস্যময় এক হাসি দিতেন। সেই হাসিতে কোনো রাগ ছিল না, ছিল এক স্বর্গীয় প্রশান্তি।

কালীশঙ্কর ছিলেন গ্রামের মানুষের অলিখিত অভিভাবক। কারো বাড়িতে বাজার পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে ভারী কোনো কাজ— কালীশঙ্কর আছেন তো সব ঠিক। তাঁর দায়িত্ববোধ ছিল পাথরের মতো শক্ত। একবার কেউ কোনো জিনিস তাঁর জিম্মায় দিলে, যমদূত এলেও তা ছিনিয়ে নিতে পারত না। অথচ তাঁর নিজের কোনো চাহিদা ছিল না। সারাদিনের হাড়ভাঙা খাটুনির পারিশ্রমিক? একবেলা এক থালা ভাত। কোনোদিন ভাত না জুটলে বাজারের দোকানের একটু সওদা আর এক কাপ চা— তাতেই তিনি তুষ্ট।

সবসময় তাঁর কোমরে পলিথিনে মোড়ানো থাকতো তামাকের (আলোয়া) ডিব্বা। ওটাই ছিল তাঁর একমাত্র বিলাসিতা। নিজের ঘরবাড়ি ছিল, স্ত্রী-সন্তান ছিল, কিন্তু সংসারের কাজ তাঁর ধাতে সইত না। তিনি কাজ করতেন সবার জন্য, বিলিয়ে দিতেন নিজেকে অন্যের উপকারে। এক রাতে প্রলয়ংকরী ঝড়ে পুরো এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে গেল। সকালে দেখা গেল, কালীশঙ্করের ভাঙা ঘরের চাল উড়ে গেছে, সারা গা ভিজে একাকার। অথচ তাঁর মুখে কোনো অভিযোগ নেই। প্রকৃতির এই রুদ্ররূপকেও তিনি প্রশান্ত মনে গ্রহণ করে নিয়েছিলেন।

ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা কখনো কখনো তাকে বিরক্ত করত, পরনের কাপড় ধরে টান দিত। তখন তিনি আত্মসম্মান রক্ষায় মরিয়া হয়ে উঠতেন। লাঠি হাতে তেড়ে যেতেন ঠিকই, কিন্তু কোনোদিন কারো গায়ে হাত তোলেননি। পরক্ষণেই আবার কচি কাঁচাদের সাথে মিশে যেতেন পরম মমতায়। মানুষ নিজের দুঃখ-কষ্ট ভুলে কালীশঙ্করের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বললেই যেন হালকা হয়ে যেত। তিনি ছিলেন এক জীবন্ত মানসিক প্রশান্তির আধার।

একদিন প্রকৃতির সেই অমোঘ নিয়মে বার্ধক্য তাঁকে জাপটে ধরল। কালীশঙ্কর চলে গেলেন না-ফেরার দেশে। আজ নওদাবাস গ্রামের বাতাসে তাঁর সেই বিকৃত উচ্চারণের ডাক আর শোনা যায় না। কিন্তু গ্রামের প্রতিটি মানুষের অন্তরে তিনি রয়ে গেছেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে।

কালীশঙ্কর হয়তো ঠিকমতো শব্দ উচ্চারণ করতে পারতেন না, কিন্তু তিনি যেটা পারতেন তা হলো— নিঃস্বার্থভাবে মানুষকে ভালোবাসতে। পরপারে তাঁর আত্মা শান্তিতে থাকুক, এই প্রার্থনাই করি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240911/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 10:41:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কিছু মানুষ পৃথিবীতে আসে শুধু ভালোবাসা বিলিয়ে দিতে। আমাদের নওদাবাস গ্রামের তেমনই এক চিরস্মরণীয় চরিত্র &#8216;কালীশঙ্কর&#8217;। তাঁর মুখের ভুলভাল উচ্চারণ আমাদের হাসাতো ঠিকই, কিন্তু তাঁর নিখুঁত দায়িত্ববোধ আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আজো আমাদের কাঁদায়। প্রকৃতির এই আপনভোলা মানুষটির গল্প নিয়ে আমার নতুন লেখা— &#8216;কালীশঙ্কর&#8217;।</p>
<p>আশা করি গল্পটি আপনাদের হৃদয়ে জায়গ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240911"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240911/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e815942ed06243626c35ed4146efcf86</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and মোঃ আবু মুনিফ আল মুকিম। are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240609/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 07:40:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4ad4b860eebe7d040a5adbd548ba2ce5</guid>
				<title>জয় বেস্ট অনলাইন (ডিজিটাল স্তব)
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল

১. আঁধারে ঘেরা এ গ্রাম বাংলা নিঝুম,
২. সেবার অভাবে চোখে নেই কারো ঘুম।
৩. ডিজিটাল যুগেও কেন পিছে পড়ে রবো?
৪. অভাবের বোঝা আর কতকাল সইবো?
৫. বেকার যুবক ফেরে যন্ত্রণার মাঠে,
৬. মেধার ফসল শুধু অবহেলায় কাটে।
৭. দূর দূরান্তে ছোটে মানুষ কাজের তরে,
৮. তবু তো আহার জোটে না আপন ঘরে।
৯. এই বুঝি তবে বিধাতার লেখা লিপি?
১০. অন্ধকারে কেন হারাবো আপন প্রদীপটি?

১১. তখনি জাগলো এক নাম— জয় বেস্ট অনলাইন,
১২. হাতের মুঠোয় এলো সব ডিজিটাল ফাইন।
১৩. কম্পিউটার ট্রেনিং আর মোবাইল কাজ,
১৪. বদলে দেবে মোদের এই সমাজ।
১৫. ল্যাপটপ নিয়ে লড়বে এবার বীর তরুণী,
১৬. ঘরে বসে বাজবে জয়ের সেই রুনুঝুনু ধ্বনি।
১৭. দেশের মানুষ পাবে এক স্মার্ট ঠিকানা,
১৮. আকাশ ছোঁবে এবার সবার ডানা।
১৯. সেবা আর সততা— মানিক সাঁজোয়ালের পণ,
২০. অর্থনৈতিক মুক্তি আনবে এখন সারাক্ষণ।

(কবিতাটি বিংশতপদী)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240591/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 06:28:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জয় বেস্ট অনলাইন (ডিজিটাল স্তব)<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>১. আঁধারে ঘেরা এ গ্রাম বাংলা নিঝুম,<br />
২. সেবার অভাবে চোখে নেই কারো ঘুম।<br />
৩. ডিজিটাল যুগেও কেন পিছে পড়ে রবো?<br />
৪. অভাবের বোঝা আর কতকাল সইবো?<br />
৫. বেকার যুবক ফেরে যন্ত্রণার মাঠে,<br />
৬. মেধার ফসল শুধু অবহেলায় কাটে।<br />
৭. দূর দূরান্তে ছোটে মানুষ কাজের তরে,<br />
৮. তবু তো আহার জোটে না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240591"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240591/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">af3695184e38f04e08e563561528b353</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and তুবা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240469/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Mar 2026 14:54:58 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3553c7e402f62df5bfc1c8b456991c82</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and পরিমল রায় are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240458/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Mar 2026 14:43:55 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">17e3e9fc654f62bb4828c812b8017140</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and হৈমন্তীকা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240436/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Mar 2026 14:16:54 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">78a26469057f943ad6f20eda2ba5f1fa</guid>
				<title>চৈত্রের বর্ষা
হঠাৎ মাঝরাতে নিথর আকাশ,
ডাকলো হুহুহুড় রবে—
শনশন করে বাতাস এলো
ঘূর্ণিপাকের উৎসবে।

ধুলো উড়িয়ে মাতাল হাওয়া
গাছপালা সব নাড়ায়,
খসে পড়লো কচি কুঁড়ি
অকাল ঝড়ের ধারায়।

মাথায় হাত দিয়ে বসলো চাষী
শূন্য মাঠের পানে,
শুকনো পাথর ঝরলো আকাশ
স্বপ্ন ভাঙার গানে।

আবাদ সব ঝরলো মাটির বুকে
লন্ডভন্ড হলো বেলা,
সবকিছু আজ এলোমেলো—
চৈত্রের এ কেমন খেলা!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240356/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Mar 2026 08:53:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> চৈত্রের বর্ষা<br />
হঠাৎ মাঝরাতে নিথর আকাশ,<br />
ডাকলো হুহুহুড় রবে—<br />
শনশন করে বাতাস এলো<br />
ঘূর্ণিপাকের উৎসবে।</p>
<p>ধুলো উড়িয়ে মাতাল হাওয়া<br />
গাছপালা সব নাড়ায়,<br />
খসে পড়লো কচি কুঁড়ি<br />
অকাল ঝড়ের ধারায়।</p>
<p>মাথায় হাত দিয়ে বসলো চাষী<br />
শূন্য মাঠের পানে,<br />
শুকনো পাথর ঝরলো আকাশ<br />
স্বপ্ন ভাঙার গানে।</p>
<p>আবাদ সব ঝরলো মাটির বুকে<br />
লন্ডভন্ড হলো বেলা,<br />
সবকিছু আজ এলোমেলো—<br />
চৈত্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240356"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240356/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f201c7f2e9ba669293579f62607ac1e4</guid>
				<title>কবিতার নাম: ঈদের আনন্দ সবার তরে

রমজানের ওই রোজার শেষে খুশির সওগাত নিয়ে,
এলো রে ঈদ সবার মনে শান্তি-সুধা দিয়ে।
পবিত্র এই দিনে আজ ঘুচুক মনের আঁধার,
আনন্দ আর ভালোবাসায় ভরুক সবার ঘর-দুয়ার।

রাঙিয়ে দেবো নতুন সাজে, হাসবে শিশুর দল,
সেমাই-পোলাও রঙিন হাসিখুশিতে টলোমল।
ভেদাভেদ সব ভুলে গিয়ে হাতে রাখি হাত,
দাওয়াত রইলো সবার তরে, কাটুক খুশির রাত।

আপনার সকল অনলাইন কাজে আমরা আছি পাশে,
সেবার মান আর ভরসা নিয়ে জীবন কাটুক হেসে।
ডিজিটাল এই দিনে মোরা হাত বাড়িয়ে আছি,
সুখে-দুখে আপনাদেরই আপন হয়ে বাঁচি।

শুভেচ্ছা জানাই ঈদের দিনে, শুভেচ্ছা জানাই ভোরে,
JOY BEST ONLINE-এর ভালোবাসা পৌঁছে যাক সব ঘরে।

ঈদ মোবারক!

বিনীত,
Manik Kumar Sanjowal
JOY BEST ONLINE
নওদাবাস হাট, হাতিবান্ধা, লালমনিরহাট।
ফোন: 01774010880</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239840/</link>
				<pubDate>Sat, 21 Mar 2026 14:00:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতার নাম: ঈদের আনন্দ সবার তরে</p>
<p>রমজানের ওই রোজার শেষে খুশির সওগাত নিয়ে,<br />
এলো রে ঈদ সবার মনে শান্তি-সুধা দিয়ে।<br />
পবিত্র এই দিনে আজ ঘুচুক মনের আঁধার,<br />
আনন্দ আর ভালোবাসায় ভরুক সবার ঘর-দুয়ার।</p>
<p>রাঙিয়ে দেবো নতুন সাজে, হাসবে শিশুর দল,<br />
সেমাই-পোলাও রঙিন হাসিখুশিতে টলোমল।<br />
ভেদাভেদ সব ভুলে গিয়ে হাতে রাখি হাত,<br />
দাওয়াত রইলো সবার তরে, কাটুক খুশির রাত।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-239840"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/239840/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1fe4c51a05ebb0634231e843ba4a4b3d</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239837/</link>
				<pubDate>Sat, 21 Mar 2026 12:55:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">32f8bd6e0359b8dcb6880177373cefa1</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239831/</link>
				<pubDate>Sat, 21 Mar 2026 11:51:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>