<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Manik Kumar Sanjowal | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/manikkumarsanjowal/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/manikkumarsanjowal/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Manik Kumar Sanjowal.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 22 Oct 2026 06:31:18 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">997ff4f1b6ea4dcb4e8791f7fa60181b</guid>
				<title>আগমন
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল

মা আসছে ঘোটকে,
আনন্দ আজ পলকে!
বাজছে কাঁসর, বাজছে ঢাক,
দিচ্ছে সবাই মায়ের ডাক।
শিউলি ফুলের মিষ্টি সুবাস,
শরৎকালের স্নিগ্ধ বাতাস।
নদীর ধারে কাশের মেলা,
মেঘের সাথে রোদের খেলা।
দশ হাতে মা নিলেন অস্ত্র,
পরনে তাঁর রাঙা বস্ত্র।
মহিষাসুর করতে নিধন,
ধরণীতে জাগল জীবন।
শঙ্খ ধ্বনি, কাঁসর বাজে,
মা সেজেছেন অপরূপ সাজে।
ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী রাত,
আনন্দেতে হাসে প্রভাত।
নবমী শেষে দশমী আসে,
বিদায় বেলা চোখে জল ভাসে।
বছর ঘুরে এসো মা ফিরে,
শান্তি নামুক জগত ঘিরে।

বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279870/</link>
				<pubDate>Mon, 28 Sep 2026 18:00:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আগমন<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>মা আসছে ঘোটকে,<br />
আনন্দ আজ পলকে!<br />
বাজছে কাঁসর, বাজছে ঢাক,<br />
দিচ্ছে সবাই মায়ের ডাক।<br />
শিউলি ফুলের মিষ্টি সুবাস,<br />
শরৎকালের স্নিগ্ধ বাতাস।<br />
নদীর ধারে কাশের মেলা,<br />
মেঘের সাথে রোদের খেলা।<br />
দশ হাতে মা নিলেন অস্ত্র,<br />
পরনে তাঁর রাঙা বস্ত্র।<br />
মহিষাসুর করতে নিধন,<br />
ধরণীতে জাগল জীবন।<br />
শঙ্খ ধ্বনি, কাঁসর বাজে,<br />
মা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279870"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279870/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4e22333f9a7c780edf21eda6aee7d39f</guid>
				<title>ধারাবাহিক কাব্যগ্রন্থ
&quot;নত&quot; 
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল

৫. নত কঙ্কালের হাত
নত মাটির তলা থেকে বেরিয়ে এসেছে এক সারিবদ্ধ কঙ্কাল,
নত তাদের শক্ত দাঁতের হাসিতে কেঁপে ওঠে মেঘের জঞ্জাল।
নত কঙ্কালের সেই ঠান্ডা হাত খামচে ধরে জীবিতের গলা,
নত তাদের সাথে আর কোনোদিন হবে না তো কোনো কথা বলা।
নত শুকনো হাড়ের শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশের প্রহর,
নত এই বিভীষিকায় সবার রক্তে নেমে আসে দারুণ জ্বর।
নত প্রতিটি আঙুলের ডগায় ঝুলছে পুরনো কবরের পচা মাটি,
নত নরকের দরজা খুলে গেছে আজ পৃথিবীর ত্রস্ত মাটি খাঁটি।
নত মানুষের পিছু নিয়েছে সেই অদৃশ্য কঙ্কালের দল,
নত ভয়ে থরথর করে কাঁপছে নদী ও সমুদ্রের সব জল।
নত ঘরের কোণে লুকিয়ে থেকেও রক্ষা পাবে না কেউ আর,
নত কঙ্কালের থাবায় নিভে যাবে সবার জীবনের কপাট দ্বার।
নত মাথার খুলিগুলো গড়িয়ে পড়ছে রাস্তায় ঘাটে পথে,
নত মৃত্যুর শীতল পরশ এসে লেগেছে সবার ক্লান্ত রথে।
নত এই কঙ্কাল বাহিনী গিলে খাবে সমস্ত মানবসমাজ,
নত তাদের ভয়ে থেমে যাবে জগতের সকল কাজের কাজ।
নত হাড়ের সাথে হাড়ের ঘর্ষণে বাজছে প্রলয়ের এক সুর,
নত এই আতঙ্কে কেঁপে কেঁপে উঠছে চারপাশের বহুদূর।
নত কঙ্কালের এই সাম্রাজ্যে সবাই আজ পুরোপুরি নত,
নত মৃত্যুর কাছে হেরে গেছে মানুষের সমস্ত অহংকার শত শত।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279859/</link>
				<pubDate>Mon, 28 Sep 2026 17:18:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধারাবাহিক কাব্যগ্রন্থ<br />
&#8220;নত&#8221;<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>৫. নত কঙ্কালের হাত<br />
নত মাটির তলা থেকে বেরিয়ে এসেছে এক সারিবদ্ধ কঙ্কাল,<br />
নত তাদের শক্ত দাঁতের হাসিতে কেঁপে ওঠে মেঘের জঞ্জাল।<br />
নত কঙ্কালের সেই ঠান্ডা হাত খামচে ধরে জীবিতের গলা,<br />
নত তাদের সাথে আর কোনোদিন হবে না তো কোনো কথা বলা।<br />
নত শুকনো হাড়ের শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশের প্রহর,<br />
নত এই বিভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279859"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279859/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9a9dab5cdb33863d20b7c6809cea4d3d</guid>
				<title>ধারাবাহিক কাব্যগ্রন্থ
&quot;নত&quot; 
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল


৪. নত শ্মশানঘাট
নত শ্মশানের চিতা থেকে উড়ে যায় পোড়া চামড়ার গন্ধ,
নত এই পৃথিবীর সব আনন্দের দুয়ার চিরতরে হলো বন্ধ।
নত আধপোড়া লাশের বুক চিরে বেরিয়ে আসে ভিনগ্রহী সুর,
নত দূর থেকে ভেসে আসে শৃগালের দলছুট ভয়ংকর ক্রূর।
নত চিতাগ্নির লাল আভায় নেচে ওঠে অশরীরী যত ছায়া,
নত মানুষের জীবন মানেই যেন এক নিমেষের মিথ্যে মায়া।
নত ছাইয়ের ভেতর থেকে জেগে ওঠে ভয়ের অদৃশ্য এক হাত,
নত এই শ্মশানঘাটেই চিরদিনের মতো মিলে যায় দিন ও রাত।
নত মরা মানুষের দেওয়ালের চিতেয় বসে পিশাচের আসর,
নত বাতাসে ভেসে বেড়ায় হাজারো কান্নার করুণ কাসর।
নত পুড়ে যাওয়া হাড়গোড়গুলো নিজেদের ভেতর কথা কয়,
নত এই ভয়ংকর দৃশ্য দেখলে যে কারোরই মনে ধরবে ভয়।
নত চিতার আগুন গিলে খাচ্ছে গোটা রাতের সমস্ত আকাশ,
নত মুমূর্ষু মানুষের বুক থেকে ফুরিয়ে আসছে শেষ বাতাস।
নত শ্মশানের এই পবিত্র ছাইয়ে মাখামাখি হয়ে গেছে মাটি,
নত এখানকার প্রতিটি ধূলিকণায় রয়েছে মৃত্যুর খাঁটি খাঁটি।
নত নিভে যাওয়া কয়লার ভেতর থেকে তাকিয়ে থাকে খুলি,
নত এই ভীতিতে চোখের পলকে সব স্মৃতি হয়ে যাক ধূলি।
নত শ্মশানের অতল গভীরে হারিয়ে যাক সমস্ত জীবন্ত প্রহর,
নত এই অভিশপ্ত বাতাসে সবার মনে নেমে আসুক জ্বর।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279427/</link>
				<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 17:11:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধারাবাহিক কাব্যগ্রন্থ<br />
&#8220;নত&#8221;<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>৪. নত শ্মশানঘাট<br />
নত শ্মশানের চিতা থেকে উড়ে যায় পোড়া চামড়ার গন্ধ,<br />
নত এই পৃথিবীর সব আনন্দের দুয়ার চিরতরে হলো বন্ধ।<br />
নত আধপোড়া লাশের বুক চিরে বেরিয়ে আসে ভিনগ্রহী সুর,<br />
নত দূর থেকে ভেসে আসে শৃগালের দলছুট ভয়ংকর ক্রূর।<br />
নত চিতাগ্নির লাল আভায় নেচে ওঠে অশরীরী যত ছায়া,<br />
নত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279427"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279427/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4dd18997a6b613c81988db71fc00092e</guid>
				<title>ধারাবাহিক কাব্যগ্রন্থ
&quot;নত&quot; 
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল

৩. নত অমাবস্যা
নত আকাশে চাঁদের আলো মুছে দিয়ে নামে নিকষ কালো রাত,
নত ঘাতকের মতো সন্তর্পণে এগিয়ে আসে মৃত্যুর অদৃশ্য হাত।
নত আলোর সমস্ত উৎস নিভে গেছে এক নিমিষের ঝাপটায়,
নত পৃথিবীর বুক কাঁপছে এখন পিশাচের তীক্ষ্ণ খরতায়।
নত গাছের পাতায় পাতায় ঝরে পড়ে বিষাক্ত কুয়াশার কণা,
নত এই রাতে বেঁচে থাকার কোনো নেই তো আর কোনো মানা।
নত শেয়ালের হুল্লোড়ে কেঁপে ওঠে গোরস্থানের প্রাচীন মাটি,
নত জেগে উঠেছে বহু পুরনো অভিশপ্ত কবরের সারি খাঁটি।
নত অন্ধকারের গভীর থেকে ভেসে আসে এক অদ্ভুত ফিসফিস,
নত হিমেল বাতাসে টের পাওয়া যায় প্রেতের ঠান্ডা নিঃশ্বাস।
নত ঘরের দরজা জানলা সব আপনিই বন্ধ হয়ে যায় ভয়ে,
নত মানুষগুলো কুকড়ে মরে অজানা আতঙ্কে মাটিতে শুয়ে।
নত চোখের পলক ফেলতে গেলেই সামনে আসে মরা মুখ,
নত ভয়ের চোরাবালিতে তলিয়ে যাচ্ছে সবার বুক ও সুখ।
নত এই অমাবস্যা যেন কোনোদিন আর সকাল দেখতে দেবে না,
নত পৃথিবীর ওপর নেমে এসেছে এক অনন্ত অন্ধকালের হানা।
নত প্রদীপ জ্বালানোর সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয় এই ঝড়,
নত প্রতিটি মানুষের মনে চিরদিনের মতো বসে যাক এই জ্বর।
নত অনন্তকালের এই কালো চাদরে ঢেকে যাক পুরো পৃথিবী,
নত এটাই হোক সবার জীবনের শেষ ও চরম এক বিধি।



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278967/</link>
				<pubDate>Sat, 26 Sep 2026 17:14:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধারাবাহিক কাব্যগ্রন্থ<br />
&#8220;নত&#8221;<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>৩. নত অমাবস্যা<br />
নত আকাশে চাঁদের আলো মুছে দিয়ে নামে নিকষ কালো রাত,<br />
নত ঘাতকের মতো সন্তর্পণে এগিয়ে আসে মৃত্যুর অদৃশ্য হাত।<br />
নত আলোর সমস্ত উৎস নিভে গেছে এক নিমিষের ঝাপটায়,<br />
নত পৃথিবীর বুক কাঁপছে এখন পিশাচের তীক্ষ্ণ খরতায়।<br />
নত গাছের পাতায় পাতায় ঝরে পড়ে বিষাক্ত কুয়াশার কণা,<br />
নত এই রাত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278967"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278967/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">206313fbd0743809b32b3454c9ebc4d8</guid>
				<title>ধারাবাহিক কাব্যগ্রন্থ
&quot;নত&quot; 
-মানিক কুমার সাঁজোয়াল

0২. নত রক্তস্রোত

নত নদীর জলে বয়ে চলে শুধু তাজা রক্তের ধারা,
নত এই ভীতিতে পথ হারিয়ে ফেলে রাতের আকাশতারা।
নত দুকূল প্লাবিত হয়ে ভাসে পচা লাশের এক স্তূপ,
নত আলো নিভে গিয়ে চারপাশ ধারণ করে ভয়ের রূপ।
নত রক্তের ওই স্রোতে ভেসে আসে কাটা মাথার খুলি,
নত শ্মশানের চিতা থেকে জ্বলে ওঠে আগুনের কুণ্ডলী।
নত প্রতিটি কদম ফেললে ঘটে নরকের ভয়াল বিস্ফোরণ,
নত স্তব্ধ হয়ে যায় মানুষের সমস্ত বেঁচে থাকার প্রণোদন।
নত রক্তের ফোয়ারা ছোটে প্রতিটি ঘরের অন্দরে,
নত ভয়ে থরথর করে কাঁপে সবাই এক অদ্ভুত জ্বরে।
নত পিশাচের দল উল্লাসে মেতে ওঠে এই লাল জলে,
নত নিঃশ্বাস আটকে যায় সবার বুক চিরে ধুঁকে ধুঁকে ছলে।
নত পৃথিবীজুড়ে কেবলি রক্তের দাগ আর মৃত্যুর মিছিল,
নত এই ভয়াবহ তাণ্ডবে থমকে গেছে চঞ্চল ও সচল দিল।
নত গভীর রাতে ভেসে আসে জবাই করা মানুষের আর্তনাদ,
নত নরকীয় এই খেলায় মেতে উঠেছে শত শত পিশাচ নাদ।
নত প্রতিটি মানুষের গায়ে জমে যায় বরফের হিমশীতল বরফ,
নত এই আতঙ্কে ধ্বংস হয়ে যাক পৃথিবীর সমস্ত গৰ্ব।
নত রক্তস্রোতের এই ঘোরে হারিয়ে যাক সমস্ত আলোর দিশা,
নত মৃত্যুর পিয়াসী হয়ে উঠুক সবার অন্তরের গভীর তৃষ্ণা।



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277660/</link>
				<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 17:58:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধারাবাহিক কাব্যগ্রন্থ<br />
&#8220;নত&#8221;<br />
-মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>0২. নত রক্তস্রোত</p>
<p>নত নদীর জলে বয়ে চলে শুধু তাজা রক্তের ধারা,<br />
নত এই ভীতিতে পথ হারিয়ে ফেলে রাতের আকাশতারা।<br />
নত দুকূল প্লাবিত হয়ে ভাসে পচা লাশের এক স্তূপ,<br />
নত আলো নিভে গিয়ে চারপাশ ধারণ করে ভয়ের রূপ।<br />
নত রক্তের ওই স্রোতে ভেসে আসে কাটা মাথার খুলি,<br />
নত শ্মশানের চিতা থেকে জ্বলে ওঠে আগুনের কুণ্ড&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277660"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277660/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5034308692eaa16175e000093b2c8854</guid>
				<title>ধারাবাহিক কাব্যগ্রন্থ
&quot;নত&quot; 
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল

০১. নত আদিম মানুষ

নত আদিম গুহার মুখে জ্বলে পিশাচের চোখ,
নত অন্ধ অন্ধকারে কাঁপে মানুষের সব শোক।
নত ভেজা পাথরে জমে আছে হাজার বছরের রক্ত,
নত এই নরকীয় মায়ায় শরীর হয়ে যায় শক্ত।

নত গুহার গভীরে বাজে কোনো এক অজানা সুর,
নত সেই সুর ডেকে আনে অমাবস্যার অন্ধকার ক্রূর।
নত বাতাসে ভেসে বেড়ায় মৃত আত্মাদের দীর্ঘশ্বাস,
নত গলা চিরে বেরিয়ে আসে এক হীমশীতল দীর্ঘশ্বাস।

নত গুহার ছাদ থেকে ফোঁটায় ফোঁটায় পড়ে পুঁজ,
নত হারিয়ে গেছে এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার সম্বল খুঁজ।
নত কঙ্কালের থাবায় পিষে যায় সমস্ত জীবিত আশা,
নত নরকের এই গুহায় জমে ওঠে প্রেতাত্মার বাসা।

নত নিঝুম রাতে নেমে আসে মৃত্যুর কালো এক ছায়া,
নত এই পৃথিবীর বুকে ফুরিয়ে গেছে বেঁচে থাকার মায়া।
নত জানালার ফাঁকে কে যেন রাখে ঠান্ডা মৃত হাত,
নত গিলে খায় সমস্ত জগতকে এই ভয়ংকর রাত।

নত চিরদিনের মতো থেমে যাক পৃথিবীর সব কোলাহল,
নত এই আতঙ্কে কেঁপে উঠুক গোটা পাতালের তলতল।
নত নি:মাতাাকে জুড়ে ছাদুর
নত স্তব্ধ পৃথিবীর জুড়ে বাজে অন্ধকারের শিহরণ,
নত এই ধ্বংসস্তূপে পূর্ণ হোক সমস্ত জীবনের মরণ।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277286/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 19:32:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধারাবাহিক কাব্যগ্রন্থ<br />
&#8220;নত&#8221;<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>০১. নত আদিম মানুষ</p>
<p>নত আদিম গুহার মুখে জ্বলে পিশাচের চোখ,<br />
নত অন্ধ অন্ধকারে কাঁপে মানুষের সব শোক।<br />
নত ভেজা পাথরে জমে আছে হাজার বছরের রক্ত,<br />
নত এই নরকীয় মায়ায় শরীর হয়ে যায় শক্ত।</p>
<p>নত গুহার গভীরে বাজে কোনো এক অজানা সুর,<br />
নত সেই সুর ডেকে আনে অমাবস্যার অন্ধকার ক্রূর।<br />
নত বাতাসে ভেসে বেড&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277286"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277286/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3f3eabc9a93785e59f0ad70aaf07da7e</guid>
				<title>চিন্তা
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল

স্মৃতির চাদর মুড়ি দিয়ে আজ অতীতের পানে তাকাই ফিরে,
ফেলে আসা দিনগুলো ভেসে রয় কুয়াশায় ঢাকা স্মৃতির নীরে।
শেকড়ের টানে আজও মনে পড়ে কত না না-বলা প্রাতঃকাল,
খাতার পাতায় জমে আছে আজ কত হারানো দিনের জঞ্জাল।
সেকালের সেই সোনালী রোদে মিশে ছিল সরলপ্রাণের হাসি,
বেদনার বহ্নিশিখায় পুড়ে আজও আমি বসি একাকী পাশাপাশি।

বর্তমান এসে দাঁড়াল দুয়ারে কঠিন বাস্তবতার কঠিন মুখে,
স্বার্থের এই রূঢ় কোলাহলে শান্তি যেন আজ কাঁদে মানুষের বুকে।
ঘড়ির কাঁটার নিখুঁত ছন্দে বয়ে যায় জীবনের ধাবমান স্রোত,
বিশ্বাসের মাটি ভেঙে চুরে যায়—মনে জাগে কত না বিরোধ।
যন্ত্রের ভিড়ে হারিয়ে গেছে আজ মানুষের প্রাণের উষ্ণতা,
খবরের কাগজে প্রতিদিন দেখি শুধু হাহাকার আর বারতা।

ভবিষ্যতের পানে তাকাই যখন আমি উৎকণ্ঠার চোখ দুটি মেলে,
অজানা আশঙ্কায় বুক কেঁপে ওঠে মেঘেদের ভিড়ে একা খেলে।
প্রযুক্তির রথে চড়ে অনাগত কাল হয়তো বা ছুঁয়ে দেবে আকাশ,
তবুও তো মানুষের বুকে থেকে যাবে সেই বিরহী দীর্ঘশ্বাস।
আগামী দিনের ধূসর প্রাঙ্গণে মানুষ কি তবে পথ পাবে খুঁজে?
নাকি স্বার্থের গোলকধাঁধায় মানবতা রবে চিরদিন একা মুছে?

অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যতের সুতোয় বোনা এই জীবন-খাতা,
চিন্তার ভেলায় ভেসে রয় শুধু মানুষের যত না-বলা ব্যথা।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276706/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 16:36:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চিন্তা<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>স্মৃতির চাদর মুড়ি দিয়ে আজ অতীতের পানে তাকাই ফিরে,<br />
ফেলে আসা দিনগুলো ভেসে রয় কুয়াশায় ঢাকা স্মৃতির নীরে।<br />
শেকড়ের টানে আজও মনে পড়ে কত না না-বলা প্রাতঃকাল,<br />
খাতার পাতায় জমে আছে আজ কত হারানো দিনের জঞ্জাল।<br />
সেকালের সেই সোনালী রোদে মিশে ছিল সরলপ্রাণের হাসি,<br />
বেদনার বহ্নিশিখায় পুড়ে আজও আমি বসি একাকী পাশাপাশি।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276706"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276706/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c41ddf29830bb8708536c1b039dc02a0</guid>
				<title>&quot;রাধা&quot;
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল


গোধূলির আলোয় বাঁশির তান বাজে, রাধার অন্তরে যেন কে রঙেরী সাজে।
যমুনার তীরেতে কদমতলায় কে গো, রাধার বিরহী মনে জাগায় এ কোন ঢেউ!
কৃষ্ণ হলেন পরম পুরুষ, ব্রহ্মের প্রকাশ, রাধা হলেন জীবাত্মার আকুল দীর্ঘশ্বাস।
মায়ার মোহ কেটে গেলে জাগে অনুরাগী মন, রাধার মতো চরণে সঁপে দিতে চায় সর্বক্ষণ।
দেহ বলে কিছু নেই, আত্মা হলো নারী, কৃষ্ণের প্রেমে মজে আছে সকল নর-নারী।
সংসার তো বৃন্দাবন, জীবন এক লীলা, রাধার প্রেমে কেটে যায় বিরহের এই বেলা।
যুগে যুগে নারী-পুরুষ খুঁজছে যে গো তারে, রাধার ভাব হৃদয়ে জাগে প্রেমসাগরের পারে।
অহংকার বিসর্জন দিয়ে যে করে আত্মসমর্পণ, সেই তো রাধা, তার মাঝেই কৃষ্ণের শুভাগমন।
বাঁশির সুরে মজে যেজন ফেলে চোখের জল, তার নয়নে ঝরে যেন যমুনারই জল।
সমাজ তো শুধু গড়ে তোলে লিঙ্গের ব্যবধান, আধ্যাত্বিক বিচারে রাধা সবার মনের প্রাণ।
বিরহী এই হৃদয়ে বাজে কৃষ্ণের ওই বাঁশি, রাধার মতো ঝরে পড়ে ভক্তির ঝরা হাসি।
পুরুষ কিংবা নারী হোক, সবাই তো সেই রাধা, কৃষ্ণের প্রেমে মিটে যায় জীবনের সব বাধা।
হ্লাদিনী শক্তির প্রকাশ ঘটে ভক্তের অন্তরে, রাধা হয়ে মন বসে থাকে ঐ রাঙা চরণে পরে।
প্রতিটি নিশ্বাসে বাজে মিলনের সেই গান, রাধার আকুল প্রেমে ধন্য হয় যে মান।
রূপক অর্থে আজ মোরা রাধারূপী জীব, কৃষ্ণের মাঝে লীন হতে চায় সকল সজীব।
অহমিকার মেঘ কেটে গেলে ফোটে ভক্তির ফুল, রাধার প্রেমের সাগরেতে মুছে সব ভুল।
দিনের আলো ফুরিয়ে এলে নামে সাঁঝের মায়া, রাধার মনে জেগে ওঠে কৃষ্ণের স্নিগ্ধ ছায়া।
ভক্ত আর ভগবান তো নহে কো আলাদা, রাধার প্রেমে গাঁথা থাকে প্রাণের মালা গাথা।
বিশ্বসংসার জুড়ে বাজে সেই প্রেমের মহিমা, রাধা যেন আত্মোপলব্ধির চরম প্রতিমা।
মানিক সাঁজোয়াল কয়, হৃদয়ে রাধা জাগুক তবে, কৃষ্ণপ্রেমে মজে মন সবার মুক্তি হবে।



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276136/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 07:44:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;রাধা&#8221;<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>গোধূলির আলোয় বাঁশির তান বাজে, রাধার অন্তরে যেন কে রঙেরী সাজে।<br />
যমুনার তীরেতে কদমতলায় কে গো, রাধার বিরহী মনে জাগায় এ কোন ঢেউ!<br />
কৃষ্ণ হলেন পরম পুরুষ, ব্রহ্মের প্রকাশ, রাধা হলেন জীবাত্মার আকুল দীর্ঘশ্বাস।<br />
মায়ার মোহ কেটে গেলে জাগে অনুরাগী মন, রাধার মতো চরণে সঁপে দিতে চায় সর্বক্ষণ।<br />
দেহ বলে কিছু নেই, আত্ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276136"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276136/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1405c03a26a70fff897d4875cacecd4b</guid>
				<title>বিশ্বজুড়ে
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল


বিশ্বজুড়ে বিশ্বরূপ পাঠশালা মোর,
অণু থেকে পরমাণু শিক্ষা দেয় ভোর।
আকাশের বুক জুড়ে উদারতা হাসে,
ধরণী যে ধৈর্য রাখে পরম প্রকাশে।

নদী বলে বয়ে চলো আপন টানেতে,
ফুল বলে সুবাস বিটাও প্রাণে প্রাণেতে।
সূর্য যে আলো জ্বেলে আঁধার গোছায়,
বায়ু বলে সেবা করো স্বার্থহীনথায়।

পাহাড়ের উচ্চতা শেখায় অটলতা,
সাগর জানায় বুকে কত গম্ভীরতা।
বৃক্ষ যে ফল দিয়ে ছায়া উপহারে,
পরোপকার ব্রত আনে নিখিল সংসারে।

মানুষের মুখ থেকে মরমের বাণী,
প্রেম-প্রীতি ভালোবাসা শেখায় পরাণি।
দুঃখের আগুনে পুড়ে সহনশীলতা,
গড়ে তোলে মানুষের অমরতা-গীতা।

ক্ষুদ্র ও মহান সবে মিলায়ে একতা,
বিশ্বের প্রতিটি কণা খোলে মনের কথা।
জ্ঞানের আলোকছটা ছড়ায় চরাচর,
শিখে নাও বুক পেতে বিশ্ব-অনুচর।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275832/</link>
				<pubDate>Sat, 19 Sep 2026 09:12:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিশ্বজুড়ে<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>বিশ্বজুড়ে বিশ্বরূপ পাঠশালা মোর,<br />
অণু থেকে পরমাণু শিক্ষা দেয় ভোর।<br />
আকাশের বুক জুড়ে উদারতা হাসে,<br />
ধরণী যে ধৈর্য রাখে পরম প্রকাশে।</p>
<p>নদী বলে বয়ে চলো আপন টানেতে,<br />
ফুল বলে সুবাস বিটাও প্রাণে প্রাণেতে।<br />
সূর্য যে আলো জ্বেলে আঁধার গোছায়,<br />
বায়ু বলে সেবা করো স্বার্থহীনথায়।</p>
<p>পাহাড়ের উচ্চতা শেখায় অটল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275832"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275832/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f66eda7427cbd1d90287e6e68ae40e6e</guid>
				<title>আমার ছোট্ট দুর্বলতা
–মানিক কুমার সাঁজোয়াল


আমার ছোট্ট একটা দুর্বলতা,
তোমার মনে আঘাত দিয়েছে,
এমনি করে জীবনের প্রতিটা ক্ষণে,
মন যে তোমাকেই খুঁজে ফিরেছে।

সবাই বলে আমি নাকি মিষ্টি চোর,
আমার প্রতি পলক মারে অনেকে দোর,
অল্পতেই যে আমি খুব দ্রুত যাই রেগে,
ন্যায়ের তরে জীবন নিয়ে চলি অতি বেগে।

জানি না কেন এমন ভুল বারবার হয়,
তোমার চোখের কোণে জল ঝরে যায়,
এগুলো সবই যেন আমার বড় অপরাধ,
তাই তো পদে পদে আমি পাই অপঘাত।

হৃদয়ের গহীনে ছিল না তো কোনো ছলে,
সব কথা তো আর যায় না যে খুলে,
ছোট্ট এই মনটা বড়ো কাঁচা ও সরল,
তাই তো তোমার চোখে নামে বাঁধভাঙা জল।

তোমার হাসিমুখ আমার সবচেয়ে বড়ো পাওয়া,
তোমাকে কষ্ট দেওয়া মানে নিজে পুড়ে যাওয়া,
আজ বারেবারে তাই নিজ মনে করি পণ,
ভুল যেন আর না ভাঙে তোমার এ মন।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275503/</link>
				<pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:35:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার ছোট্ট দুর্বলতা<br />
–মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>আমার ছোট্ট একটা দুর্বলতা,<br />
তোমার মনে আঘাত দিয়েছে,<br />
এমনি করে জীবনের প্রতিটা ক্ষণে,<br />
মন যে তোমাকেই খুঁজে ফিরেছে।</p>
<p>সবাই বলে আমি নাকি মিষ্টি চোর,<br />
আমার প্রতি পলক মারে অনেকে দোর,<br />
অল্পতেই যে আমি খুব দ্রুত যাই রেগে,<br />
ন্যায়ের তরে জীবন নিয়ে চলি অতি বেগে।</p>
<p>জানি না কেন এমন ভুল বারবার হয়,<br />
তোমার চোখের কোণে জল ঝ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275503"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275503/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">017e541f5bbda89635e66d55ca841383</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and আমানত উল্লাহ মানিক are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274989/</link>
				<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 20:30:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4b626ec30cf941778af40669d0dc0036</guid>
				<title>নিজের মনটারে বলি
–মানিক কুমার সাঁজোয়াল



নিজের মনটারে বলি, ওরে অবোধ মন,
চতুর্দিকে চেয়ে দেখ মেকি আয়োজন।
ইটের খাঁচায় আজ বন্দি মানবতা,
স্বার্থ ছাড়া কেউ কারো কয় না তো কথা।

পর্দার নীল আলোয় খুঁজছে সবাই সুখ,
মিথ্যে হাসির আড়ালে চাপা কত দুখ।
ভালোবাসা আজ যেন বিকিকিনির হাট,
সত্যেরা আজ ডুকরে কাঁদে, শূন্য নদীর ঘাট।

টাকার নেশায় ছুটছে সবাই, অন্ধ যুগের রেস,
কোথায় গেল সেই সে মায়া, স্নিগ্ধ পরিবেশ?
অট্টালিকার ভিড়ে আজ ছোটো হচ্ছে প্রাণ,
সম্পর্কের নেই কোনো দাম, শুধুই অভিমান।

নিজের মনটারে বলি, তুই হোস না এমন,
এই ভিড়ে তুই আগলে রাখিস সহজ সরল মন।
সমাজ যদি স্বার্থ খোঁজে, তুই থাকিস ঠিক,
বিবেকের এই আয়নাটাতে দেখিস সঠিক দিক।

ধৈর্য ধর রে আপন মন, কাটবে কালো রাত,
মিথ্যে মায়ার এই নগরে খুঁজিস আলোর হাত।
মানিক বলে, যতই থাকুক ঘোর অমানিশা,
সত্যের পথে হাঁটলেই পাবি বাঁচার নতুন দিশা।



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274125/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 19:52:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিজের মনটারে বলি<br />
–মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>নিজের মনটারে বলি, ওরে অবোধ মন,<br />
চতুর্দিকে চেয়ে দেখ মেকি আয়োজন।<br />
ইটের খাঁচায় আজ বন্দি মানবতা,<br />
স্বার্থ ছাড়া কেউ কারো কয় না তো কথা।</p>
<p>পর্দার নীল আলোয় খুঁজছে সবাই সুখ,<br />
মিথ্যে হাসির আড়ালে চাপা কত দুখ।<br />
ভালোবাসা আজ যেন বিকিকিনির হাট,<br />
সত্যেরা আজ ডুকরে কাঁদে, শূন্য নদীর ঘাট।</p>
<p>টাকার নেশ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274125"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274125/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1bf85a450be92ed1c901560a6494bf6f</guid>
				<title>গড়ুক ওরা
–মানিক কুমার সাঁজোয়াল



ভাঙনের এই তীব্র খেলায় ক্লান্ত যখন দেশ,
পুরনো সব জীর্ণ প্রাচীর হচ্ছে অবশেষে শেষ।
নতুন দিনের আলোর দিকে বাড়িয়ে দিয়ে হাত,
ওরাই আনবে আঁধার চিরে নতুন সুপ্রভাত।
গড়ুক ওরা, গড়তে দাও ওই নতুন দিনের ভিত।

ওদের চোখে আগামী কালের রঙিন স্বপন ভাসে,
ওদের হাতেই রুক্ষ মাটিতে সবুজ ফসল হাসে।
বাঁধার পাহাড় ডিঙিয়ে ওরা আনবে নতুন ভোর,
খুলবে ওরা রুদ্ধ প্রাণের শিকল-বাঁধা দোর।
গড়ুক ওরা, ছড়াতে দাও ওই মুক্তির সঙ্গীত।

রক্তে ওদের তারুণ্যের জোয়ার, বক্ষে অসীম বল,
ওদের দৃপ্ত পদক্ষেপে কাঁপুক মিথ্যে কোলাহল।
অতীত দিনের গলিত শবে আর কেন ভাই শোক?
ওদের শ্রমে, ওদের ঘামে নতুন সৃষ্টি হোক।
গড়ুক ওরা, জাগতে দাও ওই ঘুমন্ত সংবিৎ।

লোহার হাতুড়ি, কাস্তে কিংবা তুলির আঁচড় দিয়ে,
ওরাই তোমায় দেখাবে পথ মশাল হাতে নিয়ে।
একবিংশ শতকের স্বপ্নগুলো জাগুক নতুন পথে,
যুগের হাওয়া বদল হবে কালের গতির রথে।
গড়ুক ওরা, শুনতে দাও ওই নবজাগরণের গীত!


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274101/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 18:24:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গড়ুক ওরা<br />
–মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>ভাঙনের এই তীব্র খেলায় ক্লান্ত যখন দেশ,<br />
পুরনো সব জীর্ণ প্রাচীর হচ্ছে অবশেষে শেষ।<br />
নতুন দিনের আলোর দিকে বাড়িয়ে দিয়ে হাত,<br />
ওরাই আনবে আঁধার চিরে নতুন সুপ্রভাত।<br />
গড়ুক ওরা, গড়তে দাও ওই নতুন দিনের ভিত।</p>
<p>ওদের চোখে আগামী কালের রঙিন স্বপন ভাসে,<br />
ওদের হাতেই রুক্ষ মাটিতে সবুজ ফসল হাসে।<br />
বাঁধার পাহাড় ডিঙিয়ে ওরা আনবে নতুন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274101"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274101/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d9dc30db65e2b018688d94d30706f714</guid>
				<title>মনে রেখো
–মানিক কুমার সাঁজোয়াল


মনে রেখো মানুষ যখন এক হয়,
তখনই আশ্চর্যজনক ঘটনাগুলো ঘটে,
পরাজিত হয় যত সংশয় আর ভয়,
আঁধার চিরে নতুন সূর্য ওঠে।

একা যে নদী শুকিয়ে মরে দূরে,
মিলিত স্রোতে সে-ই তো মোহনা পায়,
বিচ্ছিন্ন স্বর বাঁধে না কোনো সুরে,
সমবেত গানে বিশ্ব কেঁপে যায়।

পাহাড়ের বুক চিরে পথ হয় সোজা,
দুর্লঙ্ঘ্য বাধা হয় যে ধূলিস্যাৎ,
একার কাঁধে যা কেবলই ভারী বোঝা,
দশের শক্তিতে আসে নতুন প্রভাত।

ইতিহাসে দেখো যতো বিপ্লব-দাগ,
যতোবার হলো অন্যায়ের অবসান,
মানুষে মানুষে ঘুচিয়ে সকল ভাগ,
এক হয়ে তারা গেয়েছে সাম্যের গান।

তাই তো বলি, ভেদাভেদ ভুলে যাও,
হাতে হাত রেখে কাঁধ মেলাও আজ,
একতার সুরে নতুন পৃথিবী গাও,
মানুষের ঐক্যে বদলাবে সমাজ।



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273750/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 19:15:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনে রেখো<br />
–মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>মনে রেখো মানুষ যখন এক হয়,<br />
তখনই আশ্চর্যজনক ঘটনাগুলো ঘটে,<br />
পরাজিত হয় যত সংশয় আর ভয়,<br />
আঁধার চিরে নতুন সূর্য ওঠে।</p>
<p>একা যে নদী শুকিয়ে মরে দূরে,<br />
মিলিত স্রোতে সে-ই তো মোহনা পায়,<br />
বিচ্ছিন্ন স্বর বাঁধে না কোনো সুরে,<br />
সমবেত গানে বিশ্ব কেঁপে যায়।</p>
<p>পাহাড়ের বুক চিরে পথ হয় সোজা,<br />
দুর্লঙ্ঘ্য বাধা হয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273750"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273750/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2c8ec391fe8fda77e57c1ed7b83f4ac9</guid>
				<title>মানুষের মানুষকে প্রয়োজন
-মানিক কুমার সাঁজোয়াল


এই পৃথিবীর বিশাল বুকে, একলা বাঁচে কে?
দুঃখ-সুখে, কান্না-হাসিতে, সঙ্গী খোঁজে সে।
স্বার্থের টানে ছুটছে সবাই, তবুও ফাঁকা মন,
দিনের শেষে বুঝতে পারি, মানুষের মানুষকে প্রয়োজন।

মেঘের দিনে একলা ঘরে যখন নামে রাত,
খুঁজতে থাকে ব্যাকুল হৃদয় একটি নরম হাত।
অসুখ-বিসুখ, বিপদ এলে কে দাঁড়াবে পাশে?
একটু মায়ায়, একটু আশায় মানুষ ছুটে আসে।

একলা থেকে পাহাড় চূড়ায় আনন্দ কি মেলে?
খুশির খবর হয় যে দ্বিগুণ, বন্ধু কাছে পেলে।
সাফল্যের ঐ সোনার মুকুট অর্থহীনই লাগে,
যদি না কেউ আপন হয়ে সে আনন্দ ভাগে।

টাকা-কড়ি, ধন-সম্পদ, দেয় না তো সান্ত্বনা,
ভালোবাসা ছাড়া এ ভবে সবই যে ছলনা।
ভেদাভেদ আর অহং ভুলে, ধরো সবার হাত,
মানুষ হয়ে মানুষেরই জানাও সুপ্রভাত।

যন্ত্র-যুগে আবেগ যেন হারিয়ে যেতে চায়,
তবুও হৃদয় আপনজনের একটু ছোঁয়া পায়।
রক্ত-মাংসের এই তো জীবন, ক্ষণিকের আয়োজন,
বাঁচতে হলে, লড়তে হলে, মানুষের মানুষকে প্রয়োজন।



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273740/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 18:37:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানুষের মানুষকে প্রয়োজন<br />
-মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>এই পৃথিবীর বিশাল বুকে, একলা বাঁচে কে?<br />
দুঃখ-সুখে, কান্না-হাসিতে, সঙ্গী খোঁজে সে।<br />
স্বার্থের টানে ছুটছে সবাই, তবুও ফাঁকা মন,<br />
দিনের শেষে বুঝতে পারি, মানুষের মানুষকে প্রয়োজন।</p>
<p>মেঘের দিনে একলা ঘরে যখন নামে রাত,<br />
খুঁজতে থাকে ব্যাকুল হৃদয় একটি নরম হাত।<br />
অসুখ-বিসুখ, বিপদ এলে কে দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273740"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273740/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">29ef5ee660ef7ab8707c5b31327cab7a</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and UTTAM KUMAR BISWAS are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273536/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 07:26:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e4ee1902e36595189a075dd86c2fa176</guid>
				<title>বাহাদুরী গেলো কই
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


অহংকারে অন্ধ হয়ে হাঁটলে বাঁকা পথে,
সময় এসে থামিয়ে দেবে তোমার জীবন-রথে।
রূপের বড়াই, টাকার গরম, কিসের এত দম্ভ?
ভাঙবে একদিন মায়ায় ঘেরা মিথ্যে সুখের স্তম্ভ।

ক্ষমতার বাহাদুরী দেখাও যাদের ওপর,
নিঃস্ব হলে কাঁদবে বসে একলা সারা দুপুর।
মাটির শরীর মাটিতেই তো মিশে যাবে শেষে,
রইবে পড়ে সোনার সংসার ফাঁকা শূন্য দেশে।

আজ যে তুমি সিংহাসনে, প্রজা ভাবো সবারে,
কাল সকালে পড়বে ঢাকা আঁধার ঘোর অন্ধকারে।
বাহাদুরী আর অহংকার যে ছাই হয়ে আজ উরে,
সত্যি কথা বলতে গেলে বিবেক মরে দূরে।

দাপট দেখাও যাদের কাছে, তারাও মানুষ ভাই,
শেষ বিচারে হিসাব দিতে ছাড় তো কারো নাই।
জোর-জুলুমের অহমিকায় অন্ধ তোমার মন,
হারাবে দিন শেষের বেলায় প্রিয় সব আপন।

সময় থাকতে মানুষ হও, ত্যাজ অহংকার,
ভালোবাসায় জয় করে নাও মায়াময় সংসার।
দিন ফুরালে শুধাবে মন, হিসাব মিলাবে ওই,
তখন তোমার রূপ-ক্ষমতার বাহাদুরী গেলো কই?



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273355/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 18:55:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাহাদুরী গেলো কই<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>অহংকারে অন্ধ হয়ে হাঁটলে বাঁকা পথে,<br />
সময় এসে থামিয়ে দেবে তোমার জীবন-রথে।<br />
রূপের বড়াই, টাকার গরম, কিসের এত দম্ভ?<br />
ভাঙবে একদিন মায়ায় ঘেরা মিথ্যে সুখের স্তম্ভ।</p>
<p>ক্ষমতার বাহাদুরী দেখাও যাদের ওপর,<br />
নিঃস্ব হলে কাঁদবে বসে একলা সারা দুপুর।<br />
মাটির শরীর মাটিতেই তো মিশে যাবে শেষে,<br />
রইবে পড়ে সোনার সংসার ফাঁক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273355"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273355/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">39156789e652720aff1091b9be18668d</guid>
				<title>নতুন ভোরের স্বপ্ন
– মানিক কুমার সাঁজোয়াল

মেঘের ডানায় রূপোলি আভা,
হারিয়ে যাওয়া দিন,
সন্ধ্যে নামুক শান্ত হয়ে,
শব্দ হোক বিলীন।

অচিন দেশের গল্প শুনে,
রাত ফুরোবে যবে,
নতুন আলোর শিশির মেখে,
ভোর হাসবে তবে।

হাওয়ার বুকে কানাকানি,
পাতার মৃদু তান,
অন্ধকারের বুক চিরে হোক,
জীবনের জয়গান।

ক্লান্তি ভুলে পথের বাঁকে,
রাখো তোমার পা,
দুঃখ যত নিকষ কালো,
বয়ে নিয়ে যাক ওই খরস্রোতা নদীটা।

আশার প্রদীপ জ্বেলে রেখো,
মনের আঙিনায়,
নতুন কোনো গল্প আবার,
শুরু হবে কালকের ওই প্রভাত বেলায়।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273346/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 18:39:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নতুন ভোরের স্বপ্ন<br />
– মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>মেঘের ডানায় রূপোলি আভা,<br />
হারিয়ে যাওয়া দিন,<br />
সন্ধ্যে নামুক শান্ত হয়ে,<br />
শব্দ হোক বিলীন।</p>
<p>অচিন দেশের গল্প শুনে,<br />
রাত ফুরোবে যবে,<br />
নতুন আলোর শিশির মেখে,<br />
ভোর হাসবে তবে।</p>
<p>হাওয়ার বুকে কানাকানি,<br />
পাতার মৃদু তান,<br />
অন্ধকারের বুক চিরে হোক,<br />
জীবনের জয়গান।</p>
<p>ক্লান্তি ভুলে পথের বাঁ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273346"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273346/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">955c2d58ae85d6328a2cec875f81e55c</guid>
				<title>দেহ জন্মায় দেহ মরে
– মানিক কুমার সাঁজোয়াল


দেহ জন্মায় দেহ মরে,
মাটির পুতুল মাটিতে ঝরে।
রক্তে কেন নেশার আগুন?
আত্মা কেন বিবাগী ফাগুন?

শ্বাস ফুরালে হাড়ের খাঁচা,
মিথ্যে সবই বেঁচে থাকা।
রূপের মোহে অন্ধ চোখ,
দুঃখ কিসের, কিসের শোক?

জন্ম মানেই মৃত্যুর ডাক,
ছাই হয়ে সব পড়ে থাক।
জীবন সে তো ক্ষণস্থায়ী,
কিসের তবে অহংকার ভাই?

মাটি থেকে উঠছে যে প্রাণ,
মাটিতেই গায় শেষ গান।
কালের স্রোতে ভেসে চলা,
অবুজ মনে গল্প বলা।

সময় ফুরায় চোখের পলকে,
কে বাঁধবে এই জীবনকলকে?
ধূলার ঘরে ধুলোর জয়ে,
মিলায় জীবন নিঝঝুম নায়ে।



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273221/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 11:12:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দেহ জন্মায় দেহ মরে<br />
– মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>দেহ জন্মায় দেহ মরে,<br />
মাটির পুতুল মাটিতে ঝরে।<br />
রক্তে কেন নেশার আগুন?<br />
আত্মা কেন বিবাগী ফাগুন?</p>
<p>শ্বাস ফুরালে হাড়ের খাঁচা,<br />
মিথ্যে সবই বেঁচে থাকা।<br />
রূপের মোহে অন্ধ চোখ,<br />
দুঃখ কিসের, কিসের শোক?</p>
<p>জন্ম মানেই মৃত্যুর ডাক,<br />
ছাই হয়ে সব পড়ে থাক।<br />
জীবন সে তো ক্ষণস্থায়ী,<br />
কিসের তবে অহংকার ভাই?&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273221"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273221/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">67cad10a1c5d0a067c9b552e57586b42</guid>
				<title>নিজের মনকে শাসন করো
– মানিক কুমার সাঁজোয়াল



মনকে তুমি রাখো বেঁধে সত্যের এই ডোরে,
অহেতুক লোভের আগুন জ্বালিয়ো না আর জোরে।
মোহের জালে জড়িয়ে পড়ে ভুলে থেকো না তো,
জীবনটাকে সুন্দর করে গড়ো অবিরত।

রাগ-ক্ষোভকে দমন করে ধরো ধৈর্যের এই হাত,
অন্ধকারেও জ্বেলে রেখো আলোর শুভ প্রভাত।
অহংকার আর মায়ার রজ্জু কেটে ফেলো আজ,
মানবতার সেবায় যেন কাটে তোমার কাজ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272997/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 19:05:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিজের মনকে শাসন করো<br />
– মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>মনকে তুমি রাখো বেঁধে সত্যের এই ডোরে,<br />
অহেতুক লোভের আগুন জ্বালিয়ো না আর জোরে।<br />
মোহের জালে জড়িয়ে পড়ে ভুলে থেকো না তো,<br />
জীবনটাকে সুন্দর করে গড়ো অবিরত।</p>
<p>রাগ-ক্ষোভকে দমন করে ধরো ধৈর্যের এই হাত,<br />
অন্ধকারেও জ্বেলে রেখো আলোর শুভ প্রভাত।<br />
অহংকার আর মায়ার রজ্জু কেটে ফেলো আজ,<br />
মানবতার সেবায় যেন কাটে তোমার কাজ।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2ca9f1d8e655141b0a8b50c0511a0343</guid>
				<title>শুধু নিজে বাঁচার নাম জীবন নয়
– মানিক কুমার সাঁজোয়াল

অপরিচিত অচেনা এই পৃথিবীর বুকে,
মানুষের মন যেন কাঁদে সুখে-দুঃখে।
একা একা বেঁচে থাকা স্বার্থপরের মতো,
মনে মনে কত আশা জমে রয় কত।

শুধু নিজে ভালো থাকা, নিজে খেয়ে বাঁচা,
নয় কভু মানুষের মহৎ কোনো খাঁচা।
পরের তরে যে জন জীবন সঁপে দেয়,
তার মতো ধন্য এ ধরায় আর কে বা হয়?

বুভুক্ষুর মুখে অতুচ্ছ এক গ্রাস,
নিঃস্বের বুকে আনে নব উল্লাস।
কাউকে ফিরাতে নেই খালি হাতে কভু,
সবার উপরে স্থান দিয়েছেন প্রভু।

নিজে নিজে বেঁচে থাকা মানে তো মরণ,
পরের কল্যাণ হত্তক মহৎ বরণ।
অকপটে যারা দেয় অপরকে আলো,
তারাই তো পৃথিবীতে সব চেয়ে ভালো।

ক্ষুদ্রতা ঘুচিয়ে তাই বিশালতা চাই,
পরের ব্যথায় কাঁদে যদি মোর ভাই।
মানুষের তরে আজ হোক সমর্পণ,
তবেই সার্থক হবে এ সুন্দর জীবন।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272338/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 04:08:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শুধু নিজে বাঁচার নাম জীবন নয়<br />
– মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>অপরিচিত অচেনা এই পৃথিবীর বুকে,<br />
মানুষের মন যেন কাঁদে সুখে-দুঃখে।<br />
একা একা বেঁচে থাকা স্বার্থপরের মতো,<br />
মনে মনে কত আশা জমে রয় কত।</p>
<p>শুধু নিজে ভালো থাকা, নিজে খেয়ে বাঁচা,<br />
নয় কভু মানুষের মহৎ কোনো খাঁচা।<br />
পরের তরে যে জন জীবন সঁপে দেয়,<br />
তার মতো ধন্য এ ধরায় আর কে বা হয়?</p>
<p>বুভুক্ষ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272338"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272338/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bf0dcb42d35fa46d1bc2978c6af0feee</guid>
				<title>শ্রীকৃষ্ণ
– মানিক কুমার সাঁজোয়াল


নীলকণ্ঠ মেঘ সম কায়া তব শ্যাম,
মথুরার রাজপুত্র গোকুলের ধাম।
বাঁশির নিস্বনে জাগে যমুনার জল,
চরণকমলে বাঁধে ভক্ত হিয়ার বল।
শিরেতে শিখণ্ডচূড়া, কণ্ঠে বৈজয়ন্তী,
সংসারের মোহ নাশি আনি দাও শান্তি।
কলিয়ার দর্প হরি করিলে দমন,
রাধার পরাণপ্রদীপ তুমি নারায়ণ।
পাপের বিনাশ তরে ধরিলে অবতার,
কংসের নিধন করি ঘুচালে আঁধার।
কুরুক্ষেত্রে পার্থরথী গীতামৃতভাষী,
ধরম রক্ষণে মোরে বানালে সন্ন্যাসী।
জগতের কান্ডারী তুমি হে বিপদভঞ্জন,
চরণে সঁপিলাম মোদের সকল তনু-মন।
তব লীলারসে মগ্ন নিখিল জগত,
তব পদে চিরকাল রহিব অবনত।
তব নামে মুছে যায় ভবের সকল দুখ,
হৃদয়মন্দিরে জাগে আনন্দ-উন্মুখ।
মোর মন-ভৃঙ্গ তব নামসুধা পিয়ে,
পূজন অর্ঘ্যখানি দিনু পদতলে থিয়ে।



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269622/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Sep 2026 09:59:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শ্রীকৃষ্ণ<br />
– মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>নীলকণ্ঠ মেঘ সম কায়া তব শ্যাম,<br />
মথুরার রাজপুত্র গোকুলের ধাম।<br />
বাঁশির নিস্বনে জাগে যমুনার জল,<br />
চরণকমলে বাঁধে ভক্ত হিয়ার বল।<br />
শিরেতে শিখণ্ডচূড়া, কণ্ঠে বৈজয়ন্তী,<br />
সংসারের মোহ নাশি আনি দাও শান্তি।<br />
কলিয়ার দর্প হরি করিলে দমন,<br />
রাধার পরাণপ্রদীপ তুমি নারায়ণ।<br />
পাপের বিনাশ তরে ধরিলে অবতার,<br />
কং&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269622"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269622/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">afe8aeea2ff7e70e1d7e9c07b4d62023</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and নাজমুল হক জুয়েল are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/264667/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 19:29:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">085b0b3f8bf5cfd2cb6b763113d5c3a6</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and শরীফ এমদাদ হোসেন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257826/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 12:42:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">41a04be8e85f94857855d68b447f4d62</guid>
				<title>জীবন
– মানিক কুমার সাঁজোয়াল


জীবন মানেই এক অচেনা নদীর ধারা,
কখনো জোয়ার আসে, কখনো সে দিশাহারা।
সুখের রোদ্দুর হাসে সবুজ পাতার বুকে,
আবার আঁধার নামে হঠাৎ কোনো দুখে।
পথচলা অবিরাম, থামা তো জীবন নয়,
ভাঙাগড়ার খেলায় কেটে যায় সংশয়।
একাকী পথিক মোরা এই ভবের হাটে,
বটের ছায়ার মতো কিছুটা সময় কাটে।
স্বপ্ন বুনে যাই আমরা আশার আলো জ্বেলে,
দুঃখের মেঘগুলো বাতাসে উড়িয়ে দিলে।
হাসি আর কান্নায় গাঁথা এ এক মালা,
বুকে চেপে রাখা কত না-বলা জ্বালা।
স্মৃতিরা ডানা মেলে অতীতে ফিরে যায়,
বর্তমান হাতছানি দেয় নতুন আশায়।
জীবন তো ছোট নয়, অনুভূতির ক্যানভাস,
প্রতিটি নিঃশ্বাসে মেশে এক ইতিহাস।
মিছে এই অহংকার, মিছে এই চাওয়া-পাওয়া,
শেষমেশ সব ছেড়ে একা ফিরে যাওয়া।
তবু এই জীবনের জয়গান গেয়ে যাই,
ক্ষণিকের এ আলোয় নিজেকে খুঁজে পাই।
.


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257451/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Jul 2026 09:40:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবন<br />
– মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>জীবন মানেই এক অচেনা নদীর ধারা,<br />
কখনো জোয়ার আসে, কখনো সে দিশাহারা।<br />
সুখের রোদ্দুর হাসে সবুজ পাতার বুকে,<br />
আবার আঁধার নামে হঠাৎ কোনো দুখে।<br />
পথচলা অবিরাম, থামা তো জীবন নয়,<br />
ভাঙাগড়ার খেলায় কেটে যায় সংশয়।<br />
একাকী পথিক মোরা এই ভবের হাটে,<br />
বটের ছায়ার মতো কিছুটা সময় কাটে।<br />
স্বপ্ন বুনে যাই আমরা আশার আলো জ্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257451"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257451/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3974002647f66a1df07e0d5166e5839f</guid>
				<title>কর্তব্য
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


জীবনের এই দীর্ঘ পথে চলি অবিরাম,
কর্মই যে ধর্ম আমার, কর্মই তো নাম।
অলসতায় দিন কাটালে মিলবে না তো জয়,
কর্তব্যের ডাক এসেছে, কিসের আর ভয়?

সকাল থেকে সাঁঝের বেলা ঘামের নদী বয়,
মাটির বুকে ফসল ফলাই, আনবো সুসময়।
নিজের তরে নয়তো শুধু, সবার তরে বাঁচি,
বিপদ এলে বুক চিতিয়ে সামনে আমি আছি।

মিথ্যা মোহ, মায়ার জালে বাঁধবো না তো মন,
সত্য পথে চলবো আমি, এই তো চিরন্তন।
দেশের তরে, দশের তরে করবো আমি কাজ,
মাথায় নেবো আপন মনে কর্তব্যেরই তাজ।

কষ্ট যত আসুক ধেয়ে, আসুক না তুফান,
রাখবো আমি ন্যায়ের মান, গাইবো তারই গান।
অন্ধকারে জ্বালবো আলো, আনবো নতুন ভোর,
ভাঙবো আমি জীর্ণ যুগের সব মিথ্যের ঘোর।

পিছিয়ে পড়া মানবদলে দেবো আমি হাত,
শ্রমের মাঝেই লুকিয়ে আছে সোনার সুপ্রভাত।
শেষ নিশ্বাসেও যেন থাকে এই কথাটি মনে,
কর্তব্যই পরম পুণ্য মানব জীবনে।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256544/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Jul 2026 07:02:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কর্তব্য<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>জীবনের এই দীর্ঘ পথে চলি অবিরাম,<br />
কর্মই যে ধর্ম আমার, কর্মই তো নাম।<br />
অলসতায় দিন কাটালে মিলবে না তো জয়,<br />
কর্তব্যের ডাক এসেছে, কিসের আর ভয়?</p>
<p>সকাল থেকে সাঁঝের বেলা ঘামের নদী বয়,<br />
মাটির বুকে ফসল ফলাই, আনবো সুসময়।<br />
নিজের তরে নয়তো শুধু, সবার তরে বাঁচি,<br />
বিপদ এলে বুক চিতিয়ে সামনে আমি আছি।</p>
<p>মিথ্যা মোহ,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256544"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256544/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d87adf470901b5b6a939bdca15c5bcfe</guid>
				<title>দায়িত্ব
মানিক কুমার সাঁজোয়াল



জীবনের বাঁকে বাঁকে জড়িয়ে থাকে যে গভীর টান,
দায়িত্ব সে তো অবহেলা নয়, এক মহৎ আহ্বান।
কখনো সে আসে স্নেহের আঁচলে, মায়ার চাদর হয়ে,
কখনো বা আসে কঠিন নিয়মে, শত পিছুটান বয়ে।
পিতার কাঁধের ভারী সেই ঝুলি, মাতার ব্যাকুল চোখ,
প্রতিটি কাজের আড়ালে লুকিয়ে হাজারো সুখ ও শোক।
কর্তব্য কাজে ফাঁকি দিয়ে বলো কে কোথায় বড় হয়?
দায়িত্ব পালন যে করে সতত, তারি মনে জাগে জয়।
সংসারের ঘানি টানা মানুষেরা ক্লান্তিতে নুয়ে পড়ে,
তবুও হাসিমুখে তারা স্বপ্নের সোনার প্রাসাদ গড়ে।
প্রতিশ্রুতির বন্ধন মেনে এগিয়ে চলাই তো কাজ,
অলসতা ভেঙে জাগো তবে তুমি, এসেছে সময় আজ।
নিজের কাজেতে অবহেলা শুধু ডেকে আনে পরাজয়,
নিষ্ঠাবানের কঠিন চরণে বাধা সব দূর হয়।
সমাজের তরে, দেশের তরে যে সঁপেছে আপন প্রাণ,
ইতিহাসের পাতায় অমর তাহারি সে অবদান।
দায়িত্ব শুধু বোঝা নয় কোনো, এ তো এক অধিকার,
সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার নিখাদ এই সংসার।
চলো তবে যাই কর্তব্যের আলোক শিখাটি জ্বেলে,
জীবন ধন্য হবে সুনিশ্চিত, দায়িত্ব কাঁধে তুলে।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256503/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jul 2026 14:17:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দায়িত্ব<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>জীবনের বাঁকে বাঁকে জড়িয়ে থাকে যে গভীর টান,<br />
দায়িত্ব সে তো অবহেলা নয়, এক মহৎ আহ্বান।<br />
কখনো সে আসে স্নেহের আঁচলে, মায়ার চাদর হয়ে,<br />
কখনো বা আসে কঠিন নিয়মে, শত পিছুটান বয়ে।<br />
পিতার কাঁধের ভারী সেই ঝুলি, মাতার ব্যাকুল চোখ,<br />
প্রতিটি কাজের আড়ালে লুকিয়ে হাজারো সুখ ও শোক।<br />
কর্তব্য কাজে ফাঁকি দিয়ে বলো কে কোথায় বড় হয়?<br />
দায়িত্ব পালন য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256503"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256503/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea5b2ec09b7ae4af126c94227118e44b</guid>
				<title>বাবা
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


বটবৃক্ষের মতো তোমার বিশাল সেই ছায়া,
যার নিচে জুড়ায় প্রাণ, মেলে পরম মায়া।
সংসারের ঝড়-ঝাপটা একা হাতে ঠ্যাকাও,
নিজের সব কষ্ট ভুলে আমাদের পথ দেখাও।

কপালে তোমার চিন্তার ভাঁজ, হাতে কড়া পড়া,
তবুও তোমার হাসিতেই আমাদের সুখ গড়া।
মুখে তোমার কঠোর শাসন, বুকেতে সমূদ্র,
আমাদের ভালো রাখতে তুমি হয়ে ওঠো ক্ষুদ্র।

নিজের জন্য কেনাকাটায় কত করো দ্বিধা,
আমাদের আবদার মেটাতে মানো না কোনো বাধা।
ছেলেবেলার আঙুল ধরে হাঁটার সেই স্মৃতি,
আজও মনে জাগিয়ে তোলে এক অদ্ভুত প্রীতি।

বাইরে তুমি পাহাড়ের মতো অটল এবং শক্ত,
ভেতরে তুমি নরম মনের এক আবেগী ভক্ত।
ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফেরো যখন দিনের শেষে,
সব ক্লান্তি ভুলে যাও আমাদের দেখে হেসে।

সারা জীবন বিলিয়ে দিলে আমাদেরই তরে,
তোমার ঋণ কি শোধ হয় এই ছোট্ট চাদরে?
তুমিই আমার আদর্শ, তুমিই আমার হিরো,
তোমার চরণে আমার মস্তক হোক আজ নতশিরো।

বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/255705/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Jun 2026 09:32:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাবা<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>বটবৃক্ষের মতো তোমার বিশাল সেই ছায়া,<br />
যার নিচে জুড়ায় প্রাণ, মেলে পরম মায়া।<br />
সংসারের ঝড়-ঝাপটা একা হাতে ঠ্যাকাও,<br />
নিজের সব কষ্ট ভুলে আমাদের পথ দেখাও।</p>
<p>কপালে তোমার চিন্তার ভাঁজ, হাতে কড়া পড়া,<br />
তবুও তোমার হাসিতেই আমাদের সুখ গড়া।<br />
মুখে তোমার কঠোর শাসন, বুকেতে সমূদ্র,<br />
আমাদের ভালো রাখতে তুমি হয়ে ওঠো ক্ষুদ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-255705"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/255705/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ee3efb4a29448652b3c9e8686e86a5bc</guid>
				<title>জীবনের ক্যানভাস
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


মহাকালের এই অনন্ত মহাকাশে,
আমরা সবাই ভাসি সুখ-দুঃখের বাতাসে।
কখনো আলো এসে রাঙিয়ে দেয় মন,
কখনো বা মেঘে ঢেকে যায় সারাক্ষণ।

নদীর বুকে যেমন জোয়ার-ভাটা খেলে,
মানুষের মনও তেমন আশার প্রদীপ জ্বালে।
চলার পথে কতো চেনা-অচেনা মুখ,
কেউ দিয়ে যায় ব্যথা, কেউ বা অফুরান সুখ।

সবুজ ঘাসের ডগায় ভোরের শিশির কণা,
ক্ষণিকের তরে হাসে, করে না তো বাহানা।
সময় বয়ে যায় নদীর স্রোতের মতো,
পিছনে ফেলে রেখে স্মৃতির গল্প কতো।

শত আঘাত সয়েও মানুষ বাঁচে আশায়,
বুকের গভীরে লুকিয়ে রাখা ভালোবাসায়।
আজকের এই আঁধার কেটে যাবে জানি,
কাল ভোরে আবার হাসবে আলোর তরণী।

হাল ছেড়ো না বন্ধু, রেখো বুকে বল,
ধৈর্যেই মিলবে কষ্টের সুমিষ্ট ফল।
মিথ্যে এই মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে একদিন,
মুক্ত আকাশে ডানা মেলবে মন উদাসীন।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/255704/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Jun 2026 09:28:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবনের ক্যানভাস<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>মহাকালের এই অনন্ত মহাকাশে,<br />
আমরা সবাই ভাসি সুখ-দুঃখের বাতাসে।<br />
কখনো আলো এসে রাঙিয়ে দেয় মন,<br />
কখনো বা মেঘে ঢেকে যায় সারাক্ষণ।</p>
<p>নদীর বুকে যেমন জোয়ার-ভাটা খেলে,<br />
মানুষের মনও তেমন আশার প্রদীপ জ্বালে।<br />
চলার পথে কতো চেনা-অচেনা মুখ,<br />
কেউ দিয়ে যায় ব্যথা, কেউ বা অফুরান সুখ।</p>
<p>সবুজ ঘাসের ডগায় ভো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-255704"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/255704/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8bf015cbfd02cd6552409821c7cd743d</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and Pranto Sarkar are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/255518/</link>
				<pubDate>Thu, 25 Jun 2026 02:18:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">14609cb02bd77b0b6b25a6374132fbcf</guid>
				<title>চল —
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


চল, আজ পথের কাছে নাম না জিজ্ঞেস করি,
শুধু হাঁটার শব্দে চিনে নিই দূরত্ব।
চল, রোদের নিচে রেখে আসি ক্লান্তি,
আকাশে লিখি নতুন সম্ভাবনার যুক্ত।

চল, নদীর মতো বাঁক নিই নীরবে,
পাথর পেলেও থামি না মাঝপথে।
চল, মেঘের ভেতর সূর্যের মতো
অপেক্ষা রাখি অনাগত প্রভাতে।

চল, যে স্বপ্ন বহুদিন ঘুমিয়ে আছে,
তার চোখে আবার আলো জ্বালি।
চল, ভাঙা দিনের ধুলো ঝেড়ে
নতুন ভোরের দিকে হাত বাড়াই।

চল, কথারা কম হোক— মন কথা বলুক,
অভিমান গলে যাক সময়ের জলে।
চল, ভুলগুলোকে শত্রু না ভেবে
শিক্ষার মতো রাখি হৃদয়তলে।

চল, শেষ মানে শেষ নয় জেনে,
প্রতিটি বিদায়ে শুরু খুঁজি।
চল, একসাথে হেঁটে যাই এমন দূরে—
যেখানে মানুষ নিজেরই আলো বুঝি।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254635/</link>
				<pubDate>Wed, 17 Jun 2026 17:48:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চল —<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>চল, আজ পথের কাছে নাম না জিজ্ঞেস করি,<br />
শুধু হাঁটার শব্দে চিনে নিই দূরত্ব।<br />
চল, রোদের নিচে রেখে আসি ক্লান্তি,<br />
আকাশে লিখি নতুন সম্ভাবনার যুক্ত।</p>
<p>চল, নদীর মতো বাঁক নিই নীরবে,<br />
পাথর পেলেও থামি না মাঝপথে।<br />
চল, মেঘের ভেতর সূর্যের মতো<br />
অপেক্ষা রাখি অনাগত প্রভাতে।</p>
<p>চল, যে স্বপ্ন বহুদিন ঘুমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254635"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254635/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">92608a177ed1bebf89547556d105299d</guid>
				<title>মানুষ এখন নাইরে মানুষ
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


মানুষ এখন নাইরে মানুষ, মুখে শুধু হাসির ঢেউ,
ভেতর ভরা বিষের নদী, মনের আকাশ ধূসর ঢেউ।

স্বার্থ নামে আগুন জ্বলে, হৃদয় জুড়ে কালো ছায়া,
ভালোবাসার রঙিন পাখি হারায় নীরব বিষণ্ন মায়া।

পথের ধারে ক্ষুধার কান্না শুনে না কেউ থেমে আজ,
নিজের সুখের মিথ্যা নেশায় ডুবে থাকে সমাজ।

বন্ধুত্ব আজ হিসেব কষে, রক্তেও আজ ফাটল ধরে,
অভিমানের শীতল কুয়াশা সম্পর্কগুলো ভাঙে ঝড়ে।

সত্য এখন বন্দী খাঁচায়, মিথ্যে পরে সোনার মুকুট,
বিবেক নামে শুকনো বৃক্ষে আর ফোটে না নতুন মুখ।

মানবতার প্রদীপগুলো নিভে যায় অন্ধ রাতের তরে,
দয়ার নদী শুকিয়ে গেছে লোভের মরুপ্রান্তরে।

তবু আমি খুঁজি মানুষ, সরল চোখের নির্মল প্রাণ,
যার হৃদয়ে জেগে থাকে ভালোবাসার সোনার গান।

হয়তো আবার ফুটবে প্রভাত অন্য রঙের নতুন আলো,
মানুষ তখন মানুষ হবে, মুছে যাবে আঁধার কালো।

সেদিন আবার শিশুর হাসি ভরাবে এই নীল ভুবন,
মানবতার জয়ধ্বনিতে জেগে উঠবে নতুন জীবন।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249662/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 09:46:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানুষ এখন নাইরে মানুষ<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>মানুষ এখন নাইরে মানুষ, মুখে শুধু হাসির ঢেউ,<br />
ভেতর ভরা বিষের নদী, মনের আকাশ ধূসর ঢেউ।</p>
<p>স্বার্থ নামে আগুন জ্বলে, হৃদয় জুড়ে কালো ছায়া,<br />
ভালোবাসার রঙিন পাখি হারায় নীরব বিষণ্ন মায়া।</p>
<p>পথের ধারে ক্ষুধার কান্না শুনে না কেউ থেমে আজ,<br />
নিজের সুখের মিথ্যা নেশায় ডুবে থাকে সমাজ।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249662"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249662/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3e68a57479fa65d1b2271012650663b0</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and মোহাম্মদ শাহজামান শুভ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249456/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 01:50:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5155d8e3db73fcc68ce7d84e70a22f24</guid>
				<title>মাটির মানুষ মাটি
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


মাটির মানুষ মাটির গন্ধে জীবন গড়ে রয়,
ধানের ক্ষেতে রোদ পুড়ে তার স্বপ্ন হাসি কয়।
নদীর জলে মুখ ধুয়ে সে ভোরকে করে বরণ,
ঘামে ভেজা দুটি হাতে লিখে দিনের অর্জন।
কাঁদামাটির পথ বেয়ে চলে নীরব গান,
দুঃখ এলেও হারায় না তার বুকের সম্মান।
ঝড়ের রাতে খড়ের ঘরে জ্বলে আশার দীপ,
অভাব তাকে শেখায় শুধু ধৈর্যেরই নীপ।
মাঠের বুকে লাঙল টানে সূর্য ডোবার আগে,
জীবন যেন নদীর ঢেউ কষ্ট সুখের ভাগে।
মাটির সাথে মিশে আছে তার হাসি কান্না সব,
সহজ কথায় খুঁজে পায় সে জীবনেরই রব।
পাখির ডাকে ভাঙে ঘুম, শুরু হয় পথচলা,
শস্যভরা স্বপ্ন দেখে আকাশ জুড়ে ভেলা।
শহর যত দূরে যাক ভুলে না গ্রামের টান,
মায়ের মতো এই মাটিতেই তার প্রাণের গান।
বিনয় তার অলংকার, ভালোবাসা ঢাল,
মানুষেরই সুখে সুখী, দুঃখে অবিচল।
শেষমেশ সব ফিরে আসে মাটিরই দুয়ারে,
মাটির মানুষ মাটিতেই মিশে থাকে চিরতরে।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249409/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 19:38:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাটির মানুষ মাটি<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>মাটির মানুষ মাটির গন্ধে জীবন গড়ে রয়,<br />
ধানের ক্ষেতে রোদ পুড়ে তার স্বপ্ন হাসি কয়।<br />
নদীর জলে মুখ ধুয়ে সে ভোরকে করে বরণ,<br />
ঘামে ভেজা দুটি হাতে লিখে দিনের অর্জন।<br />
কাঁদামাটির পথ বেয়ে চলে নীরব গান,<br />
দুঃখ এলেও হারায় না তার বুকের সম্মান।<br />
ঝড়ের রাতে খড়ের ঘরে জ্বলে আশার দীপ,<br />
অভাব তাকে শেখায় শুধু ধৈর্যেরই নীপ।<br />
মা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249409"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249409/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f20fb99c39f64427a5f8aae86a90bd60</guid>
				<title>আজ আছি তো কাল নেই
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

আজ আছি তো কাল নেই, এই তো জীবনের রীতি,
মিছে মায়ায় জড়িয়ে কেন, জমাও এত ভীতি?
আজকে যেথা হাসির মেলা, কাল সেথা নীরবতা,
পড়ে রবে শুধু স্মৃতির পাতায়, কিছু পুরনো কথা।


অহংকারে মত্ত মানুষ, ভুলে যায় তার শেষ,
মাটির দেহ মাটিতে মিশবে, থাকবে না কোনো বেশ।
টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ি, সবই তো রবে পড়ে,
কোনো কিছুই যাবে না সাথে, মাটির ওই তরে।


ক্ষণিকের এই পৃথিবীতে, কেন এত হানাহানি?
পরের তরে বিলিয়ে দাও, একটুখানি সহানুভূতি।
স্নেহ-প্রেমের প্রদীপ জ্বেলে, কাটাও মনের কালো,
যাবার আগে জগৎটারে, বেসে যাও তুমি ভালো।


সময় নদী বয়ে চলে, আপন বেগে ধায়,
হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো কি, আর ফিরে পাওয়া যায়?
তাই তো বলি হিংসা ভুলে, জড়াও বুকে বুকে,
বাকি কটা দিন এই জীবনে, থেকো সবাই সুখে।


আসা-যাওয়ার এই খেলাতে, কেউ তো চিরস্থায়ী নয়,
ভালো কাজের মাঝেই শুধু, মানুষ অমর হয়।
আজকে তুমি রাজা যেথা, কালকে তুমিই শেষ,
স্মৃতির পাতায় ধুলো জমলে, মুছে যাবে সব রেশ।




বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249043/</link>
				<pubDate>Mon, 18 May 2026 18:41:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজ আছি তো কাল নেই<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>আজ আছি তো কাল নেই, এই তো জীবনের রীতি,<br />
মিছে মায়ায় জড়িয়ে কেন, জমাও এত ভীতি?<br />
আজকে যেথা হাসির মেলা, কাল সেথা নীরবতা,<br />
পড়ে রবে শুধু স্মৃতির পাতায়, কিছু পুরনো কথা।</p>
<p>অহংকারে মত্ত মানুষ, ভুলে যায় তার শেষ,<br />
মাটির দেহ মাটিতে মিশবে, থাকবে না কোনো বেশ।<br />
টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ি, সবই তো রবে পড়ে,<br />
কোনো কিছুই যাবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249043"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249043/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5c7456a870878d47cb9e63519436c56a</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and আব্দুল মজিদ মারুফ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249000/</link>
				<pubDate>Mon, 18 May 2026 15:36:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c3405d55abebe97ece927b11800b16d1</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248954/</link>
				<pubDate>Mon, 18 May 2026 11:35:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">615b0521c3b866d5ae1820cd8bcc278b</guid>
				<title>‘নারী’ 
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


নারী মানে ভোরের আলো, স্নিগ্ধ শিশিরভেজা প্রাণ,
নারী মানে মায়ের কোলে প্রথম শেখা ভালোবাসার জ্ঞান।
নারী মানে বোনের হাসি, দুঃখে পাশে নীরব ছায়া,
নারী মানে হৃদয় জুড়ে স্নেহের নদী, শান্ত মায়া।

নারী মানে স্ত্রীর চোখে স্বপ্ন বোনা সংসারঘর,
নারী মানে ক্লান্ত পথে আশার প্রদীপ, আপন ডর।
নারী মানে মেয়ের মুখে আগামীরই রঙিন গান,
নারী মানে ভবিষ্যতের উজ্জ্বল রোদ, নতুন প্রাণ।

নারী মানে ত্যাগের গল্প, অশ্রু লুকানো গভীর রাত,
নারী মানে সাহস নিয়ে প্রতিদিনের কঠিন প্রভাত।
নারী মানে ধৈর্যের বৃক্ষ, ঝড় এলেও থাকে স্থির,
নারী মানে ভালোবাসায় ভাঙা হৃদয় করে ধীর।

নারী মানে মমতার ছোঁয়া, পৃথিবীজোড়া কোমল হাত,
নারী মানে মানবতার দীপ জ্বালানো প্রতিটি রাত।
নারী মানে শ্রদ্ধার নাম, সম্মান যার প্রাপ্য চির,
নারী মানে জীবনগাথা, আলোকময় পথের নীড়।

মা, বোন, স্ত্রী, কন্যা রূপে একই স্রোতে বহে যায়,
নারী ছাড়া এই পৃথিবী শূন্যতায়ই ডুবে রয়।
তাই নারীকে ভালোবেসে সম্মান দাও হৃদয় ভরে,
নারী মানেই সৃষ্টির শক্তি, চির অমল আলো ঘরে।



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247650/</link>
				<pubDate>Wed, 13 May 2026 17:40:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>‘নারী’<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>নারী মানে ভোরের আলো, স্নিগ্ধ শিশিরভেজা প্রাণ,<br />
নারী মানে মায়ের কোলে প্রথম শেখা ভালোবাসার জ্ঞান।<br />
নারী মানে বোনের হাসি, দুঃখে পাশে নীরব ছায়া,<br />
নারী মানে হৃদয় জুড়ে স্নেহের নদী, শান্ত মায়া।</p>
<p>নারী মানে স্ত্রীর চোখে স্বপ্ন বোনা সংসারঘর,<br />
নারী মানে ক্লান্ত পথে আশার প্রদীপ, আপন ডর।<br />
ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247650"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247650/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe5b1295c55d906b74ac5f7b2e7a84c0</guid>
				<title>নারী
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

সৃষ্টির আদি হতে তুমি ধরণীর এক আলোকবর্তিকা,
ত্যাগের মহিমায় আঁকা তুমি এক শাশ্বত ধ্রুবতারা।
প্রথম রূপে তুমি &#039;মা&#039;, যাঁর পায়ে স্বর্গের ঠিকানা মেলে,
দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধরিলে অসীম মমতা ঢেলে।
শৈশবের আবদারে তুমি পরম স্নেহের ছোট &#039;বোন&#039;,
যার হাসি-কান্নায় জুড়ে থাকে ভাইয়ের সারাটা মন।
বড় হয়ে তুমিই আবার আগলে রাখো আদরের ভাইটিরে,
বোনের মায়ার আঁচল যেন শান্তির নীড় ঘোরে ফিরে।
যৌবনে তুমি অৰ্ধাঙ্গিনী, তিলে তিলে গড়া এক &#039;স্ত্রী&#039;,
জীবন চলার দুর্গম পথে তুমিই যোগাও সবটুকু শ্রী।
সুখে-দুখে ছায়ার মতো পাশে থাকো অবিচল বিশ্বাসে,
সংসারের ঘানি টানো তুমি হাসিমুখে আপন আবেশে।
ঘরের কোণে ফুটে থাকা ফুলটি হলো তোমারই &#039;মেয়ে&#039;,
যাঁর নিষ্পাপ চোখের তারায় বাবা থাকে স্বপ্ন চেয়ে।
কন্যা রূপে তুমিই আনো গৃহমাঝে অমলিন খুশির হাসি,
যার আদুরে কথায় ভুলে যাই সব যাতনা রাশি রাশি।
কখনো জননী, কখনো জায়া, কখনো স্নেহের দুহিতা,
নারী তুমি ধন্য, তুমিই জগতের এক পূর্ণাঙ্গ কবিতা।
তোমার ত্যাগের নেই যে শেষ, নেই কোনো বিনিময়,
বিনম্র শ্রদ্ধায় জানাই সেলাম, হে নারী— তুমি অক্ষয়।



বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247290/</link>
				<pubDate>Sun, 10 May 2026 18:20:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নারী<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>সৃষ্টির আদি হতে তুমি ধরণীর এক আলোকবর্তিকা,<br />
ত্যাগের মহিমায় আঁকা তুমি এক শাশ্বত ধ্রুবতারা।<br />
প্রথম রূপে তুমি &#8216;মা&#8217;, যাঁর পায়ে স্বর্গের ঠিকানা মেলে,<br />
দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধরিলে অসীম মমতা ঢেলে।<br />
শৈশবের আবদারে তুমি পরম স্নেহের ছোট &#8216;বোন&#8217;,<br />
যার হাসি-কান্নায় জুড়ে থাকে ভাইয়ের সারাটা মন।<br />
বড় হয়ে তুমিই আবার আগলে রাখো আদরের ভাই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247290"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247290/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aa73734da5e9c185ba7e61e0a551bf43</guid>
				<title>মঙ্গলময় জীবন
মানিক কুমার সাঁজোয়াল


প্রেমের আলো জ্বলে আজি, দুটি প্রাণের মাঝে,
নীরব ভাষা কথা কয় যে, হৃদয় গোপন সাজে।
হাতে হাতের দৃঢ় বাঁধন, পথ চলারই গান,
সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে, কাটুক সারা প্রাণ।

সাদা শাড়ির পবিত্রতায়, শান্ত নদীর ঢেউ,
সরলতার রঙে আঁকা, জীবনেরই নৌ।
ধুতি-পাঞ্জাবি গাম্ভীর্যে, ভরসার এক ছায়া,
দুটি চোখে স্বপ্ন জাগে, ভালোবাসার মায়া।

সিঁদুর রাঙা কপাল জুড়ে, শুভ আশার দীপ,
বিশ্বাসেতে বাঁধা থাকে সংসারেরই নীপ।
ফুলের ফ্রেমে বন্দী যেন, স্মৃতির মধুর ক্ষণ,
দেখলেই মন ভরে ওঠে, জাগে আপন মন।

ঝড় এলে যে ভাঙবে না আর, থাকবে পাশে পাশে,
দুঃসময়ের কালো মেঘও হার মানে বিশ্বাসে।
দুটি প্রাণের এই মিলন হোক অনন্ত ধারা,
হাসির রোদে কাটুক জীবন, মুছে যাক সব জ্বালা।

চিরদিনের এই সম্পর্ক থাকুক অটুট বন্ধ,
ভালোবাসার নামটি হোক জীবনেরই ছন্দ।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246564/</link>
				<pubDate>Sat, 02 May 2026 19:01:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মঙ্গলময় জীবন<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>প্রেমের আলো জ্বলে আজি, দুটি প্রাণের মাঝে,<br />
নীরব ভাষা কথা কয় যে, হৃদয় গোপন সাজে।<br />
হাতে হাতের দৃঢ় বাঁধন, পথ চলারই গান,<br />
সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে, কাটুক সারা প্রাণ।</p>
<p>সাদা শাড়ির পবিত্রতায়, শান্ত নদীর ঢেউ,<br />
সরলতার রঙে আঁকা, জীবনেরই নৌ।<br />
ধুতি-পাঞ্জাবি গাম্ভীর্যে, ভরসার এক ছায়া,<br />
দুটি চোখে স্বপ্ন জাগে, ভালোব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246564"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246564/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7a734e0cbafe2e0137bf9099f6f1566e</guid>
				<title>নারী
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

নারী—মা, স্নেহের প্রথম আলো,
নারী—বোন, ভালোবাসার নির্ভর ভালো।
নারী—স্ত্রী, জীবনের সাথী হয়ে,
নারী—মেয়ে, হাসি ছড়ায় হৃদয় জুড়ে।
নারী—মমতা, অনন্ত এক সাগর,
নারী—শক্তি, অদম্য সাহসের নাগর।
নারী—স্বপ্ন, রঙিন ভোরের গান,
নারী—আশা, আঁধারে জ্বালায় প্রাণ।
নারী—ত্যাগ, নীরব কষ্টের ছবি,
নারী—প্রেরণা, এগিয়ে যাওয়ার রবি।
নারী—আদর, কোমল স্পর্শের ছোঁয়া,
নারী—সংগ্রাম, ঝড়েও না হয় ক্ষয়।
নারী—অধিকার, নিজের পথের দাবী,
নারী—সম্মান, জীবনের মূল চাবি।
নারী—জীবন, সৃষ্টি যার হাতে,
নারী—ভালোবাসা, হৃদয়ের প্রভাতে।
নারী—অস্তিত্ব, পৃথিবীর মূলে,
নারী—সৌন্দর্য, প্রকৃতির ফুলে।
নারী—অনন্ত, সময়ের স্রোতে বয়ে,
নারী—মানবতা, বিশ্বকে রাখে জড়িয়ে।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245699/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 17:58:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নারী<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>নারী—মা, স্নেহের প্রথম আলো,<br />
নারী—বোন, ভালোবাসার নির্ভর ভালো।<br />
নারী—স্ত্রী, জীবনের সাথী হয়ে,<br />
নারী—মেয়ে, হাসি ছড়ায় হৃদয় জুড়ে।<br />
নারী—মমতা, অনন্ত এক সাগর,<br />
নারী—শক্তি, অদম্য সাহসের নাগর।<br />
নারী—স্বপ্ন, রঙিন ভোরের গান,<br />
নারী—আশা, আঁধারে জ্বালায় প্রাণ।<br />
নারী—ত্যাগ, নীরব কষ্টের ছবি,<br />
নারী—প্রেরণা, এগিয়ে যাওয়ার রবি।<br />
না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245699"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245699/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fa452adc3084c0d24fc13fa9255de844</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245008/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 08:15:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1259123a39e99e6b8f7415ea0c9e1f4d</guid>
				<title>বড় লোকের ঘরে ছোট লোকের বউ
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল

পহেলা বৈশাখের প্রথম দিনে
রঙে ভরে ওঠে আঙিনা,
নতুন শাড়ি, নতুন আশা
স্বপ্ন দেখে মনের দিনা।

বড় লোকের বিশাল বাড়ি
আলোক ঝলমলে চারি পাশে,
তবু কেন অচেনা লাগে
নতুন বউয়ের নীরব হাসে।

ছোট ঘরের সেই মেয়েটি
এলো আজকে বড় ঘরে,
চেনা সবই হারিয়ে গেল
অচেনা এই মানুষের ভিড়ে।

সোনার থালা, দামী আসবাব
সবই যেন চোখে ধাঁধা,
তবু তার মন খোঁজে ফিরে
পুরনো দিনের সহজ বাধা।

নিয়ম-কানুন কঠিন বাঁধন
মনের কথা বলতে দেয় না,
হাসির আড়াল লুকিয়ে থাকে
কষ্টগুলো কেউ যে চেনে না।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245007/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 08:10:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বড় লোকের ঘরে ছোট লোকের বউ<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>পহেলা বৈশাখের প্রথম দিনে<br />
রঙে ভরে ওঠে আঙিনা,<br />
নতুন শাড়ি, নতুন আশা<br />
স্বপ্ন দেখে মনের দিনা।</p>
<p>বড় লোকের বিশাল বাড়ি<br />
আলোক ঝলমলে চারি পাশে,<br />
তবু কেন অচেনা লাগে<br />
নতুন বউয়ের নীরব হাসে।</p>
<p>ছোট ঘরের সেই মেয়েটি<br />
এলো আজকে বড় ঘরে,<br />
চেনা সবই হারিয়ে গেল<br />
অচেনা এই মানুষের ভিড়ে।</p>
<p>সোনার থালা, দামী আসবা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245007"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245007/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">62c8ee0db15e66e231226e30f135827c</guid>
				<title>বসন্ত
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল

নেই আর সেই বসন্ত, নেই সেই দিনের সুর,
স্মৃতির পাতায় ঝাপসা আজ সেই পলাশ রাঙা ভোর।
বাতাসে আজ মাতাল করা সেই শিমুলের ঘ্রাণ নেই,
হৃদয় জুড়ে আগের মতো রঙিন কোনো গান নেই।

সবুজ বনের আড়াল থেকে কোকিল ডাকে মিছে,
হারিয়ে গেছে সেই দিনগুলো স্মৃতির পিছে পিছে।
রুক্ষ রোদে তপ্ত আকাশ, বিবর্ণ আজ ধরণী,
মৃতপ্রায় নদীর বুকে চলে না আর তরণী।

ফাগুন আসে নিয়ম করে, আসে না সেই মন,
যান্ত্রিকতায় বন্দি আজ আমাদের এ জীবন।
আগের মতো ব্যাকুল হয়ে কেউ তো আর চেয়ে রয় না,
মনের গোপন গভীর কথা কেউ তো আর কয় না।

বকুলতলায় অলস দুপুর কাটতো যে আড্ডায়,
আজ সেখানে বিষণ্ণতা ধুলোবালি ওড়ায়।
হারিয়ে গেছে চিঠির ভাঁজে শুকনো ফুলের ঘ্রাণ,
ব্যস্ত শহরে যন্ত্র এখন মানুষের অভিমান।

হয়তো বসন্ত আজও আসে প্রকৃতির ওই দ্বারে,
কিন্তু আমরা হারিয়ে গেছি কৃত্রিমতার আঁধারে।
রঙিন দিনেও ধূসর লাগে একাকী এ প্রান্তর,
বসন্ত আজ শুধুই ক্যালেন্ডারে, নেইকো ভেতর ঘর।

অপেক্ষার সেই প্রহরগুলো ক্লান্ত এখন বড্ড,
ভালোবাসার ভাষাগুলো হয়েছে আজ অবাধ্য।
নেই আর সেই বসন্ত, নেই সেই আবেগ মাখা ক্ষণ,
শুকনো পাতার মতোই ঝরে যায় মানুষের এ মন।


বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243824/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 10:02:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বসন্ত<br />
— মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p>নেই আর সেই বসন্ত, নেই সেই দিনের সুর,<br />
স্মৃতির পাতায় ঝাপসা আজ সেই পলাশ রাঙা ভোর।<br />
বাতাসে আজ মাতাল করা সেই শিমুলের ঘ্রাণ নেই,<br />
হৃদয় জুড়ে আগের মতো রঙিন কোনো গান নেই।</p>
<p>সবুজ বনের আড়াল থেকে কোকিল ডাকে মিছে,<br />
হারিয়ে গেছে সেই দিনগুলো স্মৃতির পিছে পিছে।<br />
রুক্ষ রোদে তপ্ত আকাশ, বিবর্ণ আজ ধরণী,<br />
মৃতপ্রায় নদীর বুকে চলে না আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243824"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243824/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">350492866160b379df64a0580ec51704</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and নির্বোধ সুদীপ্ত are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242782/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 07:02:51 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cf13377a9ac0d2ffca8e74a80930c61e</guid>
				<title>চৈত্র এবার আষাঢ়ে
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

 তপ্ত রোদে পুড়েছে মাঠ, ফেটেছে বুকের মাটি,
 বৈশাখী ঝড়ের অপেক্ষায় দিনগুলো ছিল খাঁটি।
 কিন্তু হঠাৎ ছন্দপতন, আকাশটা আজ কালো,
 চৈত্রের ওই রুক্ষ দিনে মেঘের বিদ্যুৎ জ্বালো।
 খাঁ খাঁ করা দুপুরের রোদে বৃষ্টির ঝমঝম গান,
 অকাল বর্ষণে ভিজে একাকার তৃষ্ণার্ত কৃষাণ।
 চৈত্র এবার আষাঢ় সাজে সেজেছে আপন মনে,
 কদম্ব ফুটেছে কি আজ এই শুকনো বনের কোণে?
 ধুলোবালি সব শান্ত হলো মেঘের শীতল স্পর্শে,
 বসন্ত শেষে চৈত্র মাস আজ ভিজলো নতুন বর্ষে।
 আম্রকাননে মুকুলগুলো বৃষ্টির জল মাখে,
 কোকিলটি আজ অবাক হয়ে ভিজে ডালেতে থাকে।
 নদীর বুকে রূপালী ঢেউ, চরের হাহাকার শেষ,
 প্রকৃতির এই খামখেয়ালিতে বদলেছে সব বেশ।
 আষাঢ়ের মতো কালো মেঘে ঢেকেছে সূর্য মুখ,
 গুমোট গরমে জলদ ধারায় নামলো অপার সুখ।
 ঋতুর হিসাব গোলমাল আজ, নিয়ম ভেঙেছে সব,
 মেঘে মেঘে চলে আকাশ জুড়ে গর্জনের উৎসব।
 চৈত্র মাসের বিদায়বেলায় আষাঢ় নামলো দ্বারে,
 জীবন রঙিন হলো আবার নবধারা জলসারে।

বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241731/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 18:02:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চৈত্র এবার আষাঢ়ে<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p> তপ্ত রোদে পুড়েছে মাঠ, ফেটেছে বুকের মাটি,<br />
 বৈশাখী ঝড়ের অপেক্ষায় দিনগুলো ছিল খাঁটি।<br />
 কিন্তু হঠাৎ ছন্দপতন, আকাশটা আজ কালো,<br />
 চৈত্রের ওই রুক্ষ দিনে মেঘের বিদ্যুৎ জ্বালো।<br />
 খাঁ খাঁ করা দুপুরের রোদে বৃষ্টির ঝমঝম গান,<br />
 অকাল বর্ষণে ভিজে একাকার তৃষ্ণার্ত কৃষাণ।<br />
 চৈত্র এবার আষাঢ় সাজে সেজেছে আপন মনে,<br />
 কদম্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241731"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241731/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7e02288cd6d4b79e3a93bab97676197d</guid>
				<title>তোমায় একটুখানি এগিয়ে দেবো
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

 ডিজিটাল এই গতির যুগে, কাজের ভিড়ে যখন হাঁপিয়ে ওঠে,

 তোমার সেবার সাথী হতে, আমি আছি সবার খুব নিকটে।

 তোমায় একটুখানি এগিয়ে দেবো আধুনিকতার নতুন দ্বারে,

 হাতের মুঠোয় সমাধান সব, পৌঁছে দেবো বিশ্ব চরাচরে।

 ইন্টারনেটের জটিল মায়ায়, পথ হারানো যদি হয় ভয়,

 অভিজ্ঞতার আলো জ্বেলে, পাশে রবে আমাদেরই &#039;জয়&#039;।

 গ্রাফিক ডিজাইনের রঙতুলিতে, রাঙিয়ে দেবো তোমার স্বপ্নগুলো,

 সফটওয়্যারের সূক্ষ্ম ছোঁয়ায়, সরিয়ে দেবো সব সংশয় ধুলো।

 পাউডার-বক্স বা ড্রাইভের ভিড়ে, ডেটা হারানোর নেই তো ভয়,

 ক্লাউড স্টোরেজের সুরক্ষিত হাতে, সব স্মৃতি হবে অক্ষয়।

  লিঙ্কডইন-এর পেশাদার ভেরিফিকেশন আর সাজানো প্রোফাইল,

 আমাদের ছোঁয়ায় ক্যারিয়ারে তোমার, ফুটবে জয়ের নতুন স্টাইল।

 কম্পিউটার ট্রেনিং নিয়ে যারা, গড়তে চাও নিজের ভবিষ্যৎ,

 আমাদের হাত ধরে চলো তবে, জেনে নাও সঠিক সফল পথ।

 ব্র্যান্ডিং পোস্টার কিংবা লোগো, নিঁখুত এডিটিং আর চমৎকার সাজ,

 জয় বেস্ট অনলাইন-এ সম্পন্ন হবে, তোমার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

 প্রযুক্তির এই বন্ধুর পথে, যদি একলা হতে হয় ক্লান্ত,

 ভরসা রেখো আমাদের ওপর, আমরাই দেবো সফল সিদ্ধান্ত।

 তোমায় একটুখানি এগিয়ে দিয়ে, হাসিমুখে ফিরবো আপন ডেরায়,

 ডিজিটাল সেবার পূর্ণ তৃপ্তি, খুঁজে পাবে তুমি শুধু আমাদের ঠিকানায়।

বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241562/</link>
				<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 18:45:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমায় একটুখানি এগিয়ে দেবো<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p> ডিজিটাল এই গতির যুগে, কাজের ভিড়ে যখন হাঁপিয়ে ওঠে,</p>
<p> তোমার সেবার সাথী হতে, আমি আছি সবার খুব নিকটে।</p>
<p> তোমায় একটুখানি এগিয়ে দেবো আধুনিকতার নতুন দ্বারে,</p>
<p> হাতের মুঠোয় সমাধান সব, পৌঁছে দেবো বিশ্ব চরাচরে।</p>
<p> ইন্টারনেটের জটিল মায়ায়, পথ হারানো যদি হয় ভয়,</p>
<p> অভিজ্ঞতার আলো জ্বেলে, পাশে রবে আমাদেরই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241562"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241562/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cc1304ee47380113a7344514bf3be609</guid>
				<title>কাঁদা মাখা চাঁপা কষ্ট
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

 শিশির ভেজা ভোরে ফোটা ওই যে চাঁপা ফুল,
 সুবাস বিলিয়ে হাসত সদাই, ছিল না তার ভুল।
 হঠাত্&#x200d; মেঘের আড়াল থেকে নামল পঙ্কিল ধারা,
 স্বচ্ছ পাপড়ি ধূলায় মিশে হলো যে দিশেহারা।
 পথের কাঁদায় মাখামাখি আজ শুভ্র বরণ কায়া,
 কেউ দেখে না বিষণ্ণতায় বিষাদমাখা মায়া।
 মখমল কোমল সেই শরীরে কলঙ্ক আজ লাগে,
 অভিমানে আজ বনের পাখি একটু আগে জাগে।
 মানুষ আসে, মানুষ হাসে, দেখে না তার বুক,
 অবহেলায় মলিন হলো চাঁপা ফুলের মুখ।
 দলিত হয়ে পড়ে আছে মাটির ধূলোয় মিশে,
 দীর্ঘশ্বাসে আকাশ কাঁদে, মুক্তি পাবে কিসে?
 নিজের সুবাস হারিয়ে সে আজ গুমরে কেঁদে মরে,
 একাকীত্বের তপ্ত অনল হৃদয়ে বাস করে।
তবু কি কেউ মুছিয়ে দেবে কাঁদা মাখা ওই দেহ?
চাঁপার কষ্টে একটু চোখের জল কি ফেলবে কেহ?
ঝড়ের দিনে ছিঁড়ে পড়ে মাটির কাছাকাছি,
কেউ বলে না চাঁপা তুমি থেকো মোদের সাথী।
 অনাদরে এই ঝরে যাওয়াই নিয়তি ছিল তার,
চাঁপা কষ্টের অবসান কি হবে না কোনোবার?

বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241239/</link>
				<pubDate>Fri, 27 Mar 2026 10:29:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কাঁদা মাখা চাঁপা কষ্ট<br />
মানিক কুমার সাঁজোয়াল</p>
<p> শিশির ভেজা ভোরে ফোটা ওই যে চাঁপা ফুল,<br />
 সুবাস বিলিয়ে হাসত সদাই, ছিল না তার ভুল।<br />
 হঠাত্&#x200d; মেঘের আড়াল থেকে নামল পঙ্কিল ধারা,<br />
 স্বচ্ছ পাপড়ি ধূলায় মিশে হলো যে দিশেহারা।<br />
 পথের কাঁদায় মাখামাখি আজ শুভ্র বরণ কায়া,<br />
 কেউ দেখে না বিষণ্ণতায় বিষাদমাখা মায়া।<br />
 মখমল কোমল সেই শরীরে কলঙ্ক আজ লাগে,<br />
 অভিমান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241239"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241239/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4f1c4d3349bb34cd33c13c10c607e2cc</guid>
				<title>কিছু মানুষ পৃথিবীতে আসে শুধু ভালোবাসা বিলিয়ে দিতে। আমাদের নওদাবাস গ্রামের তেমনই এক চিরস্মরণীয় চরিত্র &#039;কালীশঙ্কর&#039;। তাঁর মুখের ভুলভাল উচ্চারণ আমাদের হাসাতো ঠিকই, কিন্তু তাঁর নিখুঁত দায়িত্ববোধ আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আজো আমাদের কাঁদায়। প্রকৃতির এই আপনভোলা মানুষটির গল্প নিয়ে আমার নতুন লেখা— &#039;কালীশঙ্কর&#039;।

আশা করি গল্পটি আপনাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।&quot;

কালীশঙ্কর
মানিক কুমার সাঁজোয়াল

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পূর্ব নওদাবাস গ্রাম। এই গ্রামের ধুলোবালি, মেঠো পথ আর বটতলার আড্ডায় আজও একটি নাম প্রতিধ্বনিত হয়— কালীশঙ্কর। তিনি ছিলেন প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। জন্মগতভাবে পাগল তকমা পেলেও, তাঁর মতো আপন আর নিখুঁত মানুষ খুব কমই দেখা গেছে এই তল্লাটে।

কালীশঙ্করের পৃথিবীটা ছিল শব্দের এক গোলকধাঁধা। তিনি যা বলতে চাইতেন, মুখ দিয়ে বের হতো ঠিক তার উল্টো কিছু। পাশের ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি গ্রামে ছিল তাঁর শ্বশুরবাড়ি, কিন্তু কালীশঙ্করের মুখে তা হয়ে যেত &quot;ঘন্টুকুড়ি&quot;। শ্বশুরবাড়ির কথা জিজ্ঞেস করলেই লাজুক হেসে বলতেন, &quot;শুরশুরবাড়ী!&quot;

এলাকার মানুষ তাঁর এই বিকৃত উচ্চারণ শুনে হাসত, মজা নিত, কিন্তু সেই হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকত অগাধ ভালোবাসা। গ্রামের জটিয়ার বাড়িতে ভাত খেলে তিনি বলতেন, চুদিয়ার &quot; বাড়িত ভাত খাইছোঁ।&quot; কেউ যখন কৌতূহল ভরে জিজ্ঞেস করত, &quot;কিরে কালীশঙ্কর, কী দিয়া ভাত খাইলি?&quot; গম্ভীর মুখে উত্তর আসত, &quot;গুতা দিয়া!&quot; (আসলে তিনি মাংস বা গোশত বোঝাতে চাইতেন)। লোকে তখন হেসে কুটিপাটি হয়ে বলত, &quot;কইরে, কাকে গুতা দিলি?&quot; তিনি তখন ফাসফাস শব্দে আপন মনে রহস্যময় এক হাসি দিতেন। সেই হাসিতে কোনো রাগ ছিল না, ছিল এক স্বর্গীয় প্রশান্তি।

কালীশঙ্কর ছিলেন গ্রামের মানুষের অলিখিত অভিভাবক। কারো বাড়িতে বাজার পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে ভারী কোনো কাজ— কালীশঙ্কর আছেন তো সব ঠিক। তাঁর দায়িত্ববোধ ছিল পাথরের মতো শক্ত। একবার কেউ কোনো জিনিস তাঁর জিম্মায় দিলে, যমদূত এলেও তা ছিনিয়ে নিতে পারত না। অথচ তাঁর নিজের কোনো চাহিদা ছিল না। সারাদিনের হাড়ভাঙা খাটুনির পারিশ্রমিক? একবেলা এক থালা ভাত। কোনোদিন ভাত না জুটলে বাজারের দোকানের একটু সওদা আর এক কাপ চা— তাতেই তিনি তুষ্ট।

সবসময় তাঁর কোমরে পলিথিনে মোড়ানো থাকতো তামাকের (আলোয়া) ডিব্বা। ওটাই ছিল তাঁর একমাত্র বিলাসিতা। নিজের ঘরবাড়ি ছিল, স্ত্রী-সন্তান ছিল, কিন্তু সংসারের কাজ তাঁর ধাতে সইত না। তিনি কাজ করতেন সবার জন্য, বিলিয়ে দিতেন নিজেকে অন্যের উপকারে। এক রাতে প্রলয়ংকরী ঝড়ে পুরো এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে গেল। সকালে দেখা গেল, কালীশঙ্করের ভাঙা ঘরের চাল উড়ে গেছে, সারা গা ভিজে একাকার। অথচ তাঁর মুখে কোনো অভিযোগ নেই। প্রকৃতির এই রুদ্ররূপকেও তিনি প্রশান্ত মনে গ্রহণ করে নিয়েছিলেন।

ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা কখনো কখনো তাকে বিরক্ত করত, পরনের কাপড় ধরে টান দিত। তখন তিনি আত্মসম্মান রক্ষায় মরিয়া হয়ে উঠতেন। লাঠি হাতে তেড়ে যেতেন ঠিকই, কিন্তু কোনোদিন কারো গায়ে হাত তোলেননি। পরক্ষণেই আবার কচি কাঁচাদের সাথে মিশে যেতেন পরম মমতায়। মানুষ নিজের দুঃখ-কষ্ট ভুলে কালীশঙ্করের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বললেই যেন হালকা হয়ে যেত। তিনি ছিলেন এক জীবন্ত মানসিক প্রশান্তির আধার।

একদিন প্রকৃতির সেই অমোঘ নিয়মে বার্ধক্য তাঁকে জাপটে ধরল। কালীশঙ্কর চলে গেলেন না-ফেরার দেশে। আজ নওদাবাস গ্রামের বাতাসে তাঁর সেই বিকৃত উচ্চারণের ডাক আর শোনা যায় না। কিন্তু গ্রামের প্রতিটি মানুষের অন্তরে তিনি রয়ে গেছেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে।

কালীশঙ্কর হয়তো ঠিকমতো শব্দ উচ্চারণ করতে পারতেন না, কিন্তু তিনি যেটা পারতেন তা হলো— নিঃস্বার্থভাবে মানুষকে ভালোবাসতে। পরপারে তাঁর আত্মা শান্তিতে থাকুক, এই প্রার্থনাই করি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240911/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 10:41:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কিছু মানুষ পৃথিবীতে আসে শুধু ভালোবাসা বিলিয়ে দিতে। আমাদের নওদাবাস গ্রামের তেমনই এক চিরস্মরণীয় চরিত্র &#8216;কালীশঙ্কর&#8217;। তাঁর মুখের ভুলভাল উচ্চারণ আমাদের হাসাতো ঠিকই, কিন্তু তাঁর নিখুঁত দায়িত্ববোধ আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আজো আমাদের কাঁদায়। প্রকৃতির এই আপনভোলা মানুষটির গল্প নিয়ে আমার নতুন লেখা— &#8216;কালীশঙ্কর&#8217;।</p>
<p>আশা করি গল্পটি আপনাদের হৃদয়ে জায়গ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240911"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240911/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e815942ed06243626c35ed4146efcf86</guid>
				<title>Manik Kumar Sanjowal and মোঃ আবু মুনিফ আল মুকিম। are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240609/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 07:40:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>