-
গল্প: প্রস্টিটিউট
..
রাত ১১টা
নামকরা এক পাঁচতলা হোটেলের ধবধবে সাদা বিছানায় কালো রঙা শাড়ী পরে পেছনের বালিশে আধা শোয়া ভাবে শুয়ে আছে নীলাদ্রী। উঁচু মানের প্রস্টিটিউট সে। সাধারন মানুষেরা তাকে নিয়ে আনন্দ করতে পারে না। আর যারা পারে তারা করলে ঠিক “সেক্স” বলা যায় না। বলা হয় বিলাসিতা,বলা হয় এন্টারটেইনমেনট। আর নিচু দরের সাথে ওর আরো কিছু জায়গায় বৈষম্য আছে। নিচু দরের যারা আছে তাদেরকে আমরা মাগী বলি। আর তাদের কাছে আমরা “খদ্দের” আর নীলাদ্রীকে বলা হয় “প্রস্টিটিউট”। আর তাদের কাছে আমরা হলাম ক্লায়েন্ট। এই তো তফাৎ। আজও নীলাদ্রী এই পাঁচতারা হোটেলে এসেছে তার এক ক্লায়েন্টকে সঙ্গ দিতে। তাই তো তার পরনে আজ দামী শাড়ি আর গায়ে লেগে আছে দামী ব্রান্ডের মনকাড়া পারফিউম।কারন তো জানাই,সে তার ক্লায়েন্টকে খুশি করতে চায়।
.
মেঘ,একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করে । মাসে যে টুকু আয় করে তা তাঁর প্রয়োজনের থেকেও অনেক অনেক বেশি। নীলাদ্রীর আজ রাতের ক্লায়েন্ট সে। মেঘের ঘরে অসম্ভব সুন্দরী বউ। চেহারায় কোনো অংশে কম নেই মেঘের বউয়ের। শরীরেও কোনো অংশে কম নেই তার। একটি মেয়ের বিয়ের তিনবছর পরও যদি ৩৬-৩০-৩৬ থাকে, তবে তাকে নিতান্তই চোখ থেকে সরিয়ে নেয়া যায় না। আর আমরা পুরুষেরা তো ঠিক এরাকমই চাই তাই না? কিন্তু সুন্দরী বউ পেয়েও খুশি নয় মেঘ।
.
এক্সট্রা চাবি দিয়ে হোটেলের দরজা খুলে ভিতরে ঢোকে মেঘ। টান টান বিছানায় তাকিয়ে দেখে আধা শোয়া অবস্থায় নীলাদ্রীকে। প্রথম দেখাতেই অন্যরকম উত্তেজনা কাজ করা শুরু করে মেঘের ভেতর। নিলাদ্রীকে সে আগে সরাসরি চিনতো না। ওর এক কলিগ কাম ফ্রেন্ডই ওকে নীলাদ্রীর খোজ দিয়েছে। আধ শোয়া নীলাদ্রীর দিকে তাকিয়ে ওর চোখ দিয়ে সারা শরীরটাকে এক্সপ্লোর করতে থাকে মেঘ। আধা শোয়া নীলাদ্রীর হালকা ধরানোর অংশ দেখে মেঘের শরীরের অধবনীটা হিংস্র হতে থাকে।মেঘ আস্তে করে দরজাটি বন্ধ করে দেয়।
.
নীলাদ্রী টিভি দেখছিল,হালকা করে শব্দ হওয়ায় সে দিকে তাকিয়ে দেখে মেঘ এসেছে। নীলাদ্রী মুচকি হেসে বলে..
“মি. মেঘ?” মেঘ মাথা ঝাকায়। টিভিটা নীলাদ্রী বন্ধ করে সোজা হয়ে বসে। মেঘ নীলাদ্রীর সামনে সোজাসুজি হয়ে বসে। দুজনেই অপরিচিত থাকায় বিশেষ করে মেঘের কাজটি প্রথমবার হওয়াতে কেমন আনইজি ফিল করছে। কি বলবে ভাবতে ভাবতে নীলাদ্রী বলে..– আপনি কি আনইজি ফিল করছেন?
– না-আ- মানে…(মেঘ)
– দেখুন আমি বুঝতে পারছি আপনি আন-ইজি ফিল করছেন। আমার হাত ধরে কথা বলুন।
– হুমম (হাতটা ধরতে মেঘের কেমন যেন লাগছে তবুও ঝটপট বলে দেয়)
চলুন না এই শীতের রাতে কফি খেয়ে একটু চাঙ্গা হয়ে নিই। আইডিয়াটা কি বেশ খারাপ?
– না না একদমই না। চলুন কফি খায়। তবে আপনি আমাকে তুমি করে বলুন প্লীজ তাহলে হয়ত পরিবেশটা তাড়াতাড়ি সহজ হয়ে আসবে।
– হুমম সেইই..
.
মেঘ কফির অর্ডার দিয়ে নীলাদ্রীকে নিয়ে বারান্দায় যায়। মেঘ স্যুট পরে আছে আর নীলাদ্রী শাড়ী। ঠান্ডার রাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে হালকা কাঁপতে থাকে নীলাদ্রী।মেঘ বুঝতে পেরে নিজের গায়ের স্যুট টা খুলে নীলাদ্রীর গায়ের উপর দিয়ে দেয়। নীকাদ্রী প্রথমে না করলেও পরে একটি মিষ্টি হাসি দিয়ে “থ্যাংক ইউ” বলে নিয়ে নেয়।মেঘ নীলাদ্রীর ঠোঁটের দিকে তাকিয়ে মুগ্ধ হয়ে যায়। এত সুন্দর হয় মেয়েদের ঠোঁট? বয় কফি নিয়ে এসে দরজা নক করলে মেঘ যেয়ে খুলে দেয়। দু কাপ কফি নিয়ে একটা নীকাদ্রীকে দেয়। নীলাদ্রী আবারো মুচকি হাসিটা মেঘকে উপহার দেয়। মেঘ কফির কাপে মনোযোগ দেয়। মেঘ নীলাদ্রীর দিকে তাকায়। দেখে ওর ঠোঁট দুটি খুব সুন্দর করে,কোমল ভাবে চুমুক দিচ্ছে। যেন গরম কফির সবটুকু উষ্ণতা সে তার শরীরে ছড়িয়ে দিতে চায়।
মেঘ একটু এগিয়ে এসে ওর ডান পাশে দাঁড়ানো নীলাদ্রীর পেটটা ওর ডান হাত দিয়ে হালকা করে জড়িয়ে ধরে নীলাদ্রীর দিকে তাকায়। নীলাদ্রী যেন চমকে ওঠে। সে এইটুকু উষ্ণতারই খোঁজ করছিল সেই তখন থেকে।মেঘকে প্রথম দেখেই তার ভালো লেগেছে। ও প্রস্টিটিউট হতে পারে,কিন্তু ওরও তো একটা ভালো লাগা আছে,ভালোবাসা আছে, সেও তো একজন মানুষ। আর যতই মেঘকে দেখছে সে ততই মুগ্ধ হচ্ছে। ও অন্য পুরুষগুলোর মত একদম নয়। না হলে নীলাদ্রীকে দেখে অনেক আগেই ক্ষুধার্ত হিংস্র কুকুরের মত ঝাপিয়ে পড়ত।
.
নীলাদ্রী মেঘের কাছে চলে আসে। দুজনে আস্তে ধীরে কফি শেষ করে। কফি শেষ হতেই মেঘ নীলাদ্রীকে কোলে তুলে নেয়। নীলাদ্রী অবাক হয়ে যায়। নীলাদ্রী কেনো লজ্জা পাচ্ছে? ওর নিজেই ভেবে অবাক লাগছে “ও লজ্জা পাচ্ছে?” কত পুরুষই তো ওর শরীরকে কামড়েছে, শুষে নিয়েছে বহবার। কিন্তু কখনো তো এমন হয়নি। সব পুরুষের কাছে ঘৃনা লেগেছে, বিরক্ত লেগেছে,কিন্তু লজ্জা তো পায়নি। তবে আজ কেনো লজ্জা পাচ্ছে।মেঘের কন্ঠ শুনে ওর ভাবনার জগৎ থেকে বাস্তবে পাঠিয়ে দেয়।মেঘ বলে..– আপনাকে কোলে তুলেছি আপনাকে না বলেই। এজন্য আমি দুঃখিত। এখন অনুমতি দিলে রুমে যেতে পারি।
– কখনো বিছানাতে যেতে এতটা ইচ্ছে করেনি যতটা না আজ করছে।মেঘের মনে পড়ে গেল তার বউ এর কথা। বাসর ঘরে ব্যালকনিতে মেঘ তার বউকে কফি হাতে আসতে বলেছিল। কিন্তু যখন ওর বউ এলো তখন হাতে কফি ছিল না। ছিল “ওয়াইন”। এসে বলেছিল..
“বাসর রাত, একদিনই তো হয়। চলো না মাতাল হয়ে ইনজয় করি।” মেঘ বেশ অবাক হয় কথাটি শুনে। সে রাতে মেঘ পান না করলেও তার স্ত্রী পান করেছিল। মাতাল হয়ে ব্যালকনির বারান্দাতে বসে বলেছিল “আর কতক্ষন থাকবো এখানে, চলো বিছানায়।”
কিন্তু মেঘ ভেবেছিল ওর বাসররাতটা হবে বেশ রোমান্টিক। শারিরীক খেলার থেকে রোমান্টিকতা থাকবে বেশি। কিন্তু সেদিন বউ এর কারনে আদিম মানুষের মত দুজনে আলিঙ্গনে লিপ্ত হয়েছিল।
.
– কি ব্যাপার মেঘ সাহেব? আমি কি এতটাই কম ভারী যে আমাকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন? (নীলাদ্রী)
– না না.. খুব ভারী তুমি। যার শরীরে এত সুন্দর পারফিউম আর দামী অলংকার সে কি হালকা হতে পারে? আর “আপনি” কি? তুমি করে না বললে এখনি কোল থেকে ফেলে দিবো। (মেঘ)
– ঠিক আছে বাবা..রেখে দাও। এভাবে থাকতে বেশ লাগছে।নীলাদ্রী কথাটি বলেই মেঘের গলা শক্ত করে জড়িয়ে ধরে কপালে একটি চুমো দেয়। মেঘ নীকাদ্রীকে নিয়ে বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে সুন্দর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। মনে মনে ভাবে এত সুন্দর পরীকে দেখলে কে বলবে ওর পেশা কী? এত অবাঞ্চিত সৌন্দর্যময় মেয়েটির চেহারাতে কোনো পাপ লুকিয়ে থাকতে পারে?
নীলাদ্রীর চিকন অব্যক্ত শরিরটা অন্যদিনের থেকে বেশিই উত্তেজিত হতে থাকে। যা এর আগে কোনো পুরুষ স্পর্শ করাতে হয়নি। মেঘের প্রতিটা রিদনে উজ্জীবিত হয় আহ্বানময় প্রণমাতে। নীলাদ্রী বিদ্রোহীর মত মুখিয়ে আছে ধরে থাকা নিদোকীয় মানুষটাকে কাছে টানার।নীলাদ্রী ব্যহত হতে থাকে আর তার নিধিরিত মনে বলে “মেঘ আর দেরি নয়,মিশে যাও আমার হৃদমাঝারে।”
মেঘ নীলাদ্রীকে কোল থেকে বিছানায় এমনভাবে নামালো যেন সদ্য জন্ম নেয়া কোনো বাবুকে আস্তে করে রাখছে। মেঘ তাকে বিছানায় রাখার পর নীলাদ্রী তার কাজল দেয়া অদ্ভুত সুন্দর আদিনাতে সরাসরি মেঘের দিকে তাকায়। মেঘকে যেন সম্মোহিত করতে চায় নীলাদ্রী। মেঘ বলে..
– আজ রাতে তোমাকে আমার পরিমাপহীন বিশাল রাজ্যের বিস্তৃত নগরীর ঐশ্বরিক রানী বানালাম। তোমাকে আমি কেবল বিসানীয় ভালোবাসা দেবো।
– তবে তাহলে চলে এসো আমার হৃদয়ের অন্দরমোহলে। যেখানে আমি তোমার অপেক্ষাতে প্রেমাতাল সৌরজ রেখে বসে আছি।
.
মেঘ কিছু না বলে নীলাদ্রীর নধনে নিজেকে বিক্রিত করে। মেঘের ভর থাকে নিজের হাতের উপর। কিন্তু মেঘের সমস্ত দেহই নীলাদ্রীকে কভার করে ফেলেছে। খুব অল্প সময়ের জন্য দুজনের চোখাচোখি হয়। নীলাদ্রী তখনি তার মাথাটা উচিয়ে লাল ঠোঁটটি বাড়িয়ে দেয় মেঘের দিকে। এর আগে কখনোই নীলাদ্রী এভাবে কোনো পুরুষের কাছে নিজেকে তুলে দেয়নি। কিন্তু আজ রাত যেন ব্যতিক্রাম। ব্যবধানিক কল্পনার অকল্পনীয় রুক্ষতার মাঝে বৃষ্টির আলাপন যেন।নীলাদ্রী যেন কোনো এক বিনিময়হীন উন্মাদনময়ী আকাঙ্ক্ষার মাঝে আটকে যায়। সে ভাবে যে পুরুষ নারীদের সম্মান দেয়, না জানি সে পুরুষের গভীর স্পর্শ কতটা আবেদনময়ী। মেঘ হালকা আখি বন্ধ করে নীলাদ্রীর নির্লিপ্ত আহ্বানী নরম ঠোঁটে তার শুষ্ক ঠোঁট ছোয়ায়। তখনি তার বাসর ঘরের কথা মনে পড়ে যায়।
সেদিন তার স্ত্রী মেঘের ঠোঁট দুটিকে বেধড়ক ভাবে কিস করতে থাকে। বারবার কামড় দিতে থাকে সে।মেঘ ব্যাথা পেয়ে কামড় দিতে মানা করাতে তার স্ত্রী বলে, “কেমন পুরুষ তুমি? ওয়াইন্ড বোঝো না?”
.
“থামলে কেনো মেঘ?”নীলাদ্রীর কথা শুনে মেঘ আবার বাস্তবে চলে আসে। কিছু না বলে আবার শুরু করে আদিম নগরীর সেই আবেদনময়ী শারিরীক আলোভন। দুজনের শরীর কাপড়হীন হয়ে মিশে যেতে থাকে একে অন্যের মনের শহরে কিংবা কামনার বেদনাহীন চুম্বকীয় পাড়াতে। চলতে থাকে কিছুক্ষন অপার্শ্বিক শোচনাহীন ভালোবাসায় বিস্মিত চমকতন্দ্রা স্বাভাবিক আর অস্বাভাবিক দিশেহারাময় খেলা।
একসময় নিস্তেজ হয় টেবিল ল্যামের সাদা হলুদ আলোক মিস্রিত পর্দা টানা ঘরের মধ্যে বাধাহীন দুজন মানবীর পাগল পাগল খেলা। বিদ্বেষী খেলার পরিসমাপ্তি শেষে দুজনেই শুয়ে থাকে তাদের ক্লান্ত শিথিল নিয়ে।
নীলাদ্রী মেঘের বুকে মাথা রেখে শুয়ে থাকে। মেঘ বিষাদের এক কঠিনতর দীর্ঘশ্বাসের বিশাল পাহাড় ন্যায় শ্বাস ছেড়ে বললো..– জানো আমার বউটা না বিয়ের রাতে ভার্জিন ছিল না।
– মানে?
– মানে সে বিয়ের আগেও আর পরেও অন্য ছেলেদের সাথে মেশে।নীলাদ্রী নির্বাক থাকে। মেঘের বুক চিরে আসা দীর্ঘশ্বাস বুঝতে পেরে মেঘকে জড়িয়ে নেয়। নিষিদ্ধ কপোত-কপতী যেন পরমাক্ত বন্ধনে আবদ্ধ হয়।
.
রাত ১ টা ৩০।
নীলাদ্রীকে নীলাদ্রীর বাড়িতে ড্রপ করে তার ফোন নাম্বার নিয়ে মেঘ বাড়িতে চলে আসে। নীলাদ্রীর চোখে জল। সে পতিতা,অন্য পুরুষরা তার মত সৌন্দর্যের অধিকারী অসম্ভব চোখ ধাধানো রমনীকে প্রথম আকর্ষনে খুবলে খেয়েছে। কিন্তু আজ রাতে সে পেয়েজে গভীরতম এক নিস্ক্রিয় সত্যিকারের ভালোবাসার প্রতি টান।ওদিকে মেঘ ভাবতে থাকে নীলাদ্রী নামের নিষিদ্ধ মেয়েটির কথা।মেঘ অনুধাবন করে মেয়েটিকে সে নির্বিকার ওলট পালট হয়ে ভালোবেসে ফেলেছে। ভাবে নিশ্চয় মেয়েটি কোনো এক অসমীকরণের বড় এক গর্তে পড়ে এ পথে এসেছে। শুনতে হবে একদিন মেয়েটির ঘটমান অব্যক্ত কথার ফুলঝুড়িগুলো।
বাড়িতে ঢুকে মেঘ প্রথমে দারোয়ানকে জিজ্ঞাসা করে..”ম্যাডাম এখনো বাড়িতে ফিরেছে কিনা?”
দারোয়ান জানায়, “ম্যাডাম এখনো ফিরে নি।”মেঘ আবারো গম্ভীরতায় আটকা পড়ে খুজতে থাকা তীরের ন্যায় অসমহীন এক না পাওয়ার করুনতায় দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়ে।
দুজন হাজবেন্ড ওয়াইফ। বউ বিয়ের আগে নষ্টামিতে লিপ্ত ছিল। বড়লোক ঘরের উচ্ছন্নে যাওয়া মেয়েটি প্রতিরাতে এক পেগ,দু পেগ করে বাধাবনা নেশাতে পড়ে ইচ্ছে কিংবা অনিচ্ছাতে ধর্ষন বলি বা শরীরের ক্ষুধা বলি তা মিটিয়ে আসতো। আর তা বিয়ের পরও চলতে থাকে। মানুষ মাত্রই পার্থক্যমন্ডিত। সবাই কাছের মানুষকে নিজের মত করে চাই। মেঘ চায় তার বউ রোজ সকালে ঘুম ভাঙিয়ে বলবে তোমার চা। রোজ বিকেলে ঘুরবে দুজন পায়ে হেটে ঘুরবে। রোমান্টিকতায় পরিপূর্ণ থাকবে সব কিছু।
আর এ দিকে তার স্ত্রী চাই রোজ রাতে মদ খেয়ে পার্টি করে সব ছেলেদের সাথে ধলাধলির পর বাড়িতে আসতে। তাই মেঘ বেঁচে নিয়েছে তার সঙ্গি নীলাদ্রী নামের প্রস্টিটিউট কে। আর তার স্ত্রী বেঁচে নিয়েছে ওয়াইন জনিত তরলাক্ত বিষাক্ত কিছু। বেচে নিয়েছে অধিকতর ছেলের আলোভন। এখানে দোষটা কার বা কাঁদের?? হয়ত কেও জানে না উত্তরটি। মেঘ ধপ করে বিছানে শুয়ে পড়ে বলে ওঠে.. “শালি মাগী, ওয়াইল্ড বিষ্ট একটা” ও দিকে তার স্ত্রী অন্যের বিছানাতে আটকা পড়ে বলে.. “ব্লাডি মাই হাজবেন্ড, ব্যাকডেটেড বয়”।
5 Comments
Friends
Tipu Sultan
@goldenlifebd
আশ্রাফুজ জামান তানবীন
@ashrafujjaman001
মিথিলা কনক
@methila06
আহমেদ হানিফ
@hanif
Umme Tabassum Taiyeba
@umme-tabassum-taiyeba
তানভীর তীব্র
@tanvir3
Md.Mohsin Ali
@fivertrading007gmail-com
Drako Shajib
@drako
Masfi K
@masfi-mohammad



সুন্দর গদ্য। অভিনন্দন। লিখে যাও।