<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | রাইসা আনজুম (পর্শি) | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/raisaanjumporshi/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/raisaanjumporshi/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for রাইসা আনজুম (পর্শি).</description>
	<lastBuildDate>Sat, 05 Sep 2026 18:31:16 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">93606317fdb75a9a1b24745f65bd96b4</guid>
				<title>দূর অগোচরে বয়ে যাক স্মৃতির নদী,
মিলে যায় রাত আর ভোরের আলো যদি।
থমকে থাকা প্রতিটি ভারী শ্বাস,
মেটাক মন খারাপের পুরোনো অভিলাষ।
আকাশের কোলে মিলিয়ে যাক দূর অভিমান,
নিঃশব্দে কেটে যাক আঁধারের শেষ টান।
ভেজা চোখে মুছে যাক বিষাদের দাগ,
অবশেষে শান্ত হোক গোপন অনুরাগ।
যে কথা হয়নি বলা শত কোটি রাতে,
লিখে রাখি তার নাম শিশিরভেজা পাতায়।
আড়ালে লুকিয়ে থাক না-মেলা সমীকরণ,
নতুন প্রভাতে হোক স্বপ্নের আবাহন।


বত্ব, প্রথম ছয় লাইন লিখতে দুইদিন সময় লেগে গেছে। আর পরের ছয় লাইন আজকে লেখা, এই মাত্র লেখা তাই খাপছাড়া লাগছে। নামও দিতে পারছি না। শব্দগুলো আসতে চাইছে না। 

আপনাদের কিছু আইডিয়া থাকলে বলবেন। একসাথে কবিতা লিখবো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/270218/</link>
				<pubDate>Sat, 05 Sep 2026 15:08:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দূর অগোচরে বয়ে যাক স্মৃতির নদী,<br />
মিলে যায় রাত আর ভোরের আলো যদি।<br />
থমকে থাকা প্রতিটি ভারী শ্বাস,<br />
মেটাক মন খারাপের পুরোনো অভিলাষ।<br />
আকাশের কোলে মিলিয়ে যাক দূর অভিমান,<br />
নিঃশব্দে কেটে যাক আঁধারের শেষ টান।<br />
ভেজা চোখে মুছে যাক বিষাদের দাগ,<br />
অবশেষে শান্ত হোক গোপন অনুরাগ।<br />
যে কথা হয়নি বলা শত কোটি রাতে,<br />
লিখে রাখি তার নাম শিশিরভেজা পাতায়।<br />
আড়ালে লুকিয়ে থাক না-ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-270218"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/270218/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3134411cf959e19c24a6874cf7dcacd2</guid>
				<title>আমি তার কানের পাশে কখনোই ফুল গুজিয়ে দিতে পারিনি! না পেরেছি তাকে একজোড়া মুক্তোর কানের দুল দিতে, না পেরেছি এক জোড়া চুড়ি দিতে, তাই হয়তো নীহারিকা ধসে পড়েছে এই অসম্পূর্ণ সম্পর্কের পৃথিবীতে..!
অরুনাভ্র নৈশান নামের একটা একাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে, ফেসবুকে। এই ভাইয়াকে দেখি মাঝে মাঝে, দারুণ লেখেন তিনি। আক্ষেপই বেশি প্রকাশ পায় ওনার লেখায়। যেন প্রেয়সীকে না পাওয়ার বেদনা ব্যক্ত করার জন্যই জন্ম ওনার। 
কিছুদিন আগে আরেকজন ভাইয়ার সাথে কথা হচ্ছিলো, তিনি অনুরোধ করলেন ওনার না পাওয়া ভালোবাসার জন্য দুটো লাইন লিখতে, তিনি নিজে লেখেননা। তবে যেভাবে আমাকে বোঝাচ্ছিলেন, আমি ভাবছিলাম এদেশে কবিদের আসলে অভাব নেই। ওনার গল্প শুনছিলাম, উনি বললেন কিভাবে মেয়েটি তার জন্য পাগল ছিলো, অথচ তিনি সব বুঝেও না বোঝার ভান করে থাকতেন। আর পাত্তা দিতেন না আপুকে। তারপর একদিন অন্য এক মেয়ের পাল্লায় পড়েন তাতে আপু এতো কষ্ট পান যে বেশ কিছুদিন তিনি অসুস্থ ছিলেন। আমি শুধু ভাবছিলকম মানুষের জীবন কী সাংঘাতিক ভাবে এক! রেগে গিয়ে বললাম, &quot;আপনার লজ্জা করে না? আপনি এসব আবার আমাকে বলছেন?&quot; সত্যি বলতে আমার ওনাকে ঘেন্না হচ্ছিলো। প্রতারকদের আমি ঘৃণা করি। প্রত্যেককে! যারা মন ভাঙে! 
তিনি যা বললেন তার মানে কিছুটা এরকম— &quot;লজ্জা তো হয়ই। নিহতের মধ্যে নিজে আমি প্রতি নিয়ত মরে যাই। ওর কথা সবসময় ভাবি আর ভাবি নিজের কর্মের কথা। কিন্তু আফসোস করা ছাড়া আমার আর কিছুই করার নেই। আমি নিজের দোষ স্বীকার করি।&quot; 
এর পর নিজের দিকে তাকালাম। আমার অনুভূতি প্রকাশের তাগিদ থেকে লেখালেখি শুরু। সেই কোন ছোট্ট বয়সে! এখন সেকথা মনেও পড়েনা। সেসব দিন গেছে, আমি বড়ো হয়েছি, কিশোরী বয়সে প্রেমেও পড়েছি, মনও ভেঙেছে। আমিও লিখেছি। প্রেমে পড়ে লিখেছি, মন ভাঙার সময়ও লিখেছি এখনও লিখছি। আগে মানুষকে দোষারোপ করতাম, অভিশাপ দিতাম এবং প্রার্থনা করতাম। আজকাল শুধু প্রার্থনাই করি, না পারলেও চেষ্টা অন্তত করি। এই যে ২য় লোকটির কথা বললাম, আমার চোখ খুলে দিলেন। আজকে অবশ্য পুরুষের প্রেম-অপ্রেম আর ছোঁয় না আমাকে। তবে একটা দিন ছিলো অবহেলায় কষ্ট পেয়ে লিখেছিলাম, &quot;দেখো, একদিন হলুদ প্রজাপতি দেখে থমকে দাঁড়াবে, সাদা গোলাপ দেখে থমকে দাঁড়াবে, আমায় মনে করবে।&quot; অনুযোগ ছিলো! ছোট ছিলাম। মানুষ মনে করে না বোধহয়। তাতে ক্ষতি নেই। 
শান্তি এখানেই যে দিনশেষে এই মুহূর্তে আমার হৃদয়ে এতটুকু বাতাস আছে। এতটুকু পূর্ণ যে এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে সে একটা ঘটনাও পরিবর্তন করতে চায় না। সবকিছু, যা যেমন হয়েছে অতীতে, যদি ফিরে যাওয়ার সুযোগ থাকতো, কিছুই পরিবর্তন করতাম না। যতো নোংরা, যতো কুৎসিত, সব একই রাখতাম। কুৎসিতের মধ্যেই যে সৌন্দর্যের সন্ধান। 

ভালো থাকুক পৃথিবীর সব প্রেম, পূরণ হোক শত পবিত্র চাওয়া। ভালো থাকুক পৃথিবী। তারপর অরুনাভ্র নৈশান আছেন, সেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভাইয়া আছেন আর একটু তফাতে আমি আছি, আমরা দুনিয়ার প্রেম দেখবো। ওনাদের মতো লেখক বিরহ, প্রেম নিয়ে লিখবেন, আমি পড়বো, কেউ গল্প করবেন, আমি শুনবো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/268412/</link>
				<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 17:25:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি তার কানের পাশে কখনোই ফুল গুজিয়ে দিতে পারিনি! না পেরেছি তাকে একজোড়া মুক্তোর কানের দুল দিতে, না পেরেছি এক জোড়া চুড়ি দিতে, তাই হয়তো নীহারিকা ধসে পড়েছে এই অসম্পূর্ণ সম্পর্কের পৃথিবীতে..!<br />
অরুনাভ্র নৈশান নামের একটা একাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে, ফেসবুকে। এই ভাইয়াকে দেখি মাঝে মাঝে, দারুণ লেখেন তিনি। আক্ষেপই বেশি প্রকাশ পায় ওনার লেখায়।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-268412"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/268412/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a7fbae44c52bd7baef64797356a07fd1</guid>
				<title>Being humble, being an empth can sometimes cost a lot! I&#039;m paying the bill now. I had a huge adrenaline boost yesterday. I went to Jahangirnagar University alone from my campus! For the first time I was loitering alone and travelled this much road, a huge thing for girls who are not allowed to go out. 
I just wanted to see if I can do this or not. And I did it! I met people, had chat, met a 9 year old kid, Abdullah, a charming little kid, he gave me a little company, we had fun together, I learned a lot! And loved the kid! Then I was waiting there for him, I&#039;d prefer not to mention his name (out of hate or something, I don’t know what!). I waited almost an hour, people were staring at me, they gave this weird look. I was there just to give his sketches. I dunno why! There was no need for that. I&#039;ve torn apart all those beautiful sketches I drew of him. And these two doesn’t even match his face. But I had this feeling. I just wanted to give it to him. I dunno maybe to tell him he ruined my love for him, the respect and everything. I just have no idea. I was hoping to see him. And he deliberately kept ignoring my calls and texts. Then I came back home.


At night Liza aunty&#039;s son (26 days old) died and I can not settle my heart since. I caught fever last night still managed the day, the people, I was shaking while talking to my classmates at coaching trying so hard not to show my emotion. Liza aunty is no one to me. We&#039;re not even related. She lives at the same building as us, with her husband and another son Ayan, a 10 year old kid. I know I shouldn’t be this sad but I&#039;m unable to stop myself. On top of that I saw a dog today while I was heading towards my coatching, it was badly injured! It was almost unable to walk. I turned my head as I didn’t wanted to feel bad but I&#039;ve already seen enough.  

It was raining and a begger was all soaked up in rain, this is it! Oh! I can&#039;t explain how bad it is! Sometimes I feel so bad for feeling this much. People would say, oh Raisa, you have a good heart and sometimes I hate that! I hate that I have a good heart. Cause what do you mean? What do you mean a 26 day old baby dies and it doesn’t bother you? What do you mean a dog is injured so bad nad you don’t care? What do you mean it&#039;s okay that an old lady is sitting there in pouring rain? How can you not feel anything? Why is this world so mean! What&#039;s the use of a heart that cries for 2 hour straight cause it saw the scenes of flood in Nepal? I wanna tell someone all about it! I don’t wanna change. I don’t wanna be as hard as rock, I wanna feel the earth, wanna touch the people&#039;s hearts and if I can&#039;t, then I don’t wanna live here. Sometimes it&#039;s so hard to hold on together. When you experience these stuff and still you&#039;ve to walk like Oh! Look at me, nothing happened. Still fine as new! Ha-ha! I hate that!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/267973/</link>
				<pubDate>Mon, 31 Aug 2026 15:19:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>Being humble, being an empth can sometimes cost a lot! I&#8217;m paying the bill now. I had a huge adrenaline boost yesterday. I went to Jahangirnagar University alone from my campus! For the first time I was loitering alone and travelled this much road, a huge thing for girls who are not allowed to go out.<br />
I just wanted to see if I can do this or&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-267973"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/267973/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3a60c338191a6cd3054653aafa2cb0b4</guid>
				<title>প্রেমে মানুষ অন্ধ না হলেও বন্ধ ঠিকই হয়। 
গলা পর্যন্ত অন্ধকারে ডুবে আছি। যতো রাজ্যের অশুচি, রক্ত, পুঁজ-পানি, তুমি দোরে দাঁড়িয়ে বলছো তোমাকে এক গ্লাস জল কেন দিলাম না!
হাত বাড়িয়ে জলটুকু স্পর্শ করার মতো শক্তিও তো রাখিনি।
​চোখের সামনে থমকে থাকা নিঃশব্দ কান্নাগুলো তুমি শুনতে পাও না, তুমি শুধু মাপতে এসেছ অনুযোগের পাল্লা। তুমি দাঁড়িয়ে আছ একফালি আলোর নিশ্চিন্ত দূরত্বে, অথচ আমার এই ডুবন্ত শহরের পথঘাট পিচ্ছিল হয়ে আছে এক জঘন্য অন্ধকারে।
​তুমি আমায় মুক্ত করতে চাওনি, চেয়েছ শুধু এক কাপ পরিচ্ছন্ন সৌজন্য। অন্ধ প্রেমে অন্তত মিথ্যা সান্ত্বনা থাকে, কিন্তু এই বন্ধ দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রেম কেবল নিঃশ্বাস কেড়ে নেয়।
​যে জলটুকু চেয়েছ, তা যদি এনেও দিতাম—ছুঁতে কি পারতে আমার হাত? নাকি জলটুকু চুমুকে চুকিয়ে আবার চলে যেতে নিজের পরিচ্ছন্ন আলোয়, আর আমাকে ফেলে রেখে যেতে এই চিরকালের বদ্ধ আধাঁরে? তাই যেতে। তাই যেতে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266363/</link>
				<pubDate>Thu, 27 Aug 2026 15:17:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রেমে মানুষ অন্ধ না হলেও বন্ধ ঠিকই হয়। <br />
গলা পর্যন্ত অন্ধকারে ডুবে আছি। যতো রাজ্যের অশুচি, রক্ত, পুঁজ-পানি, তুমি দোরে দাঁড়িয়ে বলছো তোমাকে এক গ্লাস জল কেন দিলাম না!<br />
হাত বাড়িয়ে জলটুকু স্পর্শ করার মতো শক্তিও তো রাখিনি।<br />
​চোখের সামনে থমকে থাকা নিঃশব্দ কান্নাগুলো তুমি শুনতে পাও না, তুমি শুধু মাপতে এসেছ অনুযোগের পাল্লা। তুমি দাঁড়িয়ে আছ একফালি আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-266363"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/266363/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b99951f5a59798410fbd5971890913c4</guid>
				<title>নিশি রাত বাঁকা চাঁ-আ-দ আকাশে~~
চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে বাতাসে
হুম~
নিশি রাত বাঁকা চাঁদ আকাশে
চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে বাতাসে
হুমমহু~ হু-হু-হু……..

গুনগুন করতে করতে সুতােয় টান পড়লো। দেখি, কতোটুকু কি হলো। ছোট্ট একটা কাঁথা সেলাই করছে তূর্ণা। এ নিয়ে ছাব্বিশটা শেষ হবে। একটু দুর থেকে বিষন্ন চোখে ওকে দেখছে 
তুষার। প্রেমের বিয়ে ছিলো ওদের। তূর্ণা পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণোচ্ছল মেয়ে। তুষার উঠে এসে পাশে বসলো ওর। এতক্ষণ তূর্ণাকে দেখছিলো বুঝতে পেরে ওর গাল রাঙা হয়ে এলো। 
-এই ঠান্ডায় বসে কাঁথা সেলাই করছো? তাও এই অন্ধকারে? 
-আরে! কই অন্ধকার? লাইট জ্বলছে চোখে দেখছো না নাকি?
-ভেতরে চলো।
-তুষার, আজকের চাঁদটা দেখেছো? 
-হুম।
-একদম সেদিনের মতো। না? 
কথাটুকু শেষ করার আগেই চোখ ভিজে এলো ওর। 
নেহাৎ পুরুষের কাঁদা বারণ। 
২৯-শে জুলাই ২০২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/264657/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 18:24:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিশি রাত বাঁকা চাঁ-আ-দ আকাশে~~<br />
চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে বাতাসে<br />
হুম~<br />
নিশি রাত বাঁকা চাঁদ আকাশে<br />
চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে বাতাসে<br />
হুমমহু~ হু-হু-হু……..</p>
<p>গুনগুন করতে করতে সুতােয় টান পড়লো। দেখি, কতোটুকু কি হলো। ছোট্ট একটা কাঁথা সেলাই করছে তূর্ণা। এ নিয়ে ছাব্বিশটা শেষ হবে। একটু দুর থেকে বিষন্ন চোখে ওকে দেখছে<br />
তুষার।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-264657"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/264657/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">889dbcef4ae33a806eab353dc978c685</guid>
				<title>Oh-oh I&#039;m falling in love! 
Oh-no! I&#039;m falling in love again! 
Oh! I&#039;m falling in love...... 

আমি আবার প্রেমে পড়েছি! টেইলর সুইফটের গান শুনতে শুনতে ভাবছিলাম। যদিও Labyrinth প্রেমের গান না, হার্টব্রেকের পর আবার প্রেমে পড়ার যে anxiety, তার উপর লেখা গান। 
তবে আমি প্রেমে পড়েছি! আর না, কোনো anxiety নেই। আমি আমার প্রেমে পড়েছি। প্রথমবার না হলেও এই প্রথম এতো মারাত্মক ভাবে, এতো দারুণভাবে, এতো করুণ ভাবে আর কিভাবে সেটা বলার ভাষা নেই আমার! রাইসা পাগল হয়ে গেছে! হুটহাট সাজগোছ করে বসে থাকে, বাবার সামনেও রবীন্দ্র সংগীত গায়। কাল রাতে গাইছিলাম, এই চাঁদের আলোতে তুমি হেসে গলে যাও...... &#039;তুমি কোন কাননের ফুল&#039;। তাও গুনগুন গান না। রীতিমতো জোরে বাবা হেডফোন কানে গুঁজেও শুনেছে। প্রশংসাও করেছে নাকি। সকালে আম্মু বললো। কাল অনেকগুলো গান শুনেছি লালনের আরশিনগর, রবী ঠাকুরের আজ জোছনা রাতে সবাই গেছে বনে, তুমি কোন কাননের ফুল (জয়তী চক্রবর্তীর কন্ঠে) শ্রাবণের ধারার মতো (শ্রাবণী সেনের কন্ঠে), আগুনের পরশমণি (শ্রীকান্ত আচার্যের কন্ঠে).... আরো বেশ কিছু গান, এখন মনে পড়ছে না। এসবই রাতে গাচ্ছিলাম, চারদিক নিরব হয়ে যাওয়ায় জোরে শোনাচ্ছিলো। বাবা নাকি অনেকক্ষণ আমার আবোল তাবোল গান শুনেছে দরজার পাশে দাঁড়িয়ে। শুনে এতো লজ্জা পেয়েছি সারাটা সকাল! গান আমি শুনিনি বেশ বহুদিন। বহুদিন বলতে প্রায় ছয় মাস। তারপর ট্র্যাজিক হার্টব্রেকের পর বিধ্বস্ত মনকে অন্যদিকে ব্যস্ত রাখতে কিছু কিছু শুনি, তাও ছেড়ে দেই৷ হঠাৎ কী মনে হয়ে শুনলাম। 
আর আজকে Public এর Make you mine শুনছিলাম৷ আর এই darling আসলে অন্য কেউ না, আমি নিজেই। ঐ যে বলে না, যখন আমরা প্রেমে পড়ি তখন আশেপাশের সবকিছু ভালো লাগে, সবকিছু আমাদের সাথে প্রেমে পড়ে? আমার ক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। ঐ-যে, যা বললাম, রাইসা পাগল হয়ে গেছে। সে এখন ছবি আঁকতে ইচ্ছে হলে ছবি আঁকে, গান গায়, যখন ইচ্ছে হয়, হুট করে শাড়ি পরে, মেহেদী পরেনি অনেকদিন, এখন পরে। পাশের বাসার বাচ্চাটাকে আদর করেনি বহুকাল! তাকে ধরে নিয়ে এসে তার বালি মাখা, ঘেমে চটচট করা দুগালে চুমু খায়। না সত্যি! তাসিন কখন যে এতো বড়ো হয়ে গেলো! ওকে এখন আর কোলে নিতে পারিনা। নিলেও বেশিক্ষণ রাখতে পারিনা। সাত বছর অনেক তাই না? লম্বা হয়ে গেছে অনেকটা। সেদিন শাড়ি-টাড়ি পরে ওকে ডেকে জিজ্ঞেস করছি, &quot;দ্যাখ তো কেমন লাগে?&quot; তাসিন নতুন বউয়ের মতো লজ্জা পেয়ে দৌড় দিলো। 
রাইসা এখন বড়ো মামাকেও বকে! কিছুদিন আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার সময় মামা রাস্তা ভরা একগাদা মানুষের সামনে আমাকে বকেছিলো। লজ্জায়, অপমানে মরে যেতে ইচ্ছে করছিলো। কিন্তু সে-ই এখন আমার বকা খায়। খাওয়া দাওয়া ঠিক মতো করতে বললে লক্ষ্মী ছেলের মতো &#039;হুম&#039; বলে। ছেলে-মেয়েগুলো! আমার একটাও কথা শোনে না! এঁদের নিয়ে যে কোথায় যাই! আমার পাহাড়ের বাড়িতে বোধহয় একা থাকা হবে না এঁদের জন্য। 

দুনিয়া কতো সুন্দর তাই না? জীবন কতো সুন্দর আসলে! আর আমি? আমি তো সব পারি! আমি বেস্ট! এইযে জাবিতে চান্স পেলাম না বলে কতো আফসোস, নিজেকে ছোট করা, অযোগ্য বলে নিজেকে অপমান করা সেই তো এতো ভালো একটা রেজাল্ট  হলো DcSE তে। সেই জাবিতেই যাচ্ছি ক্লাস করতে। জাবির কাছে তো যাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পছন্দের সাবজেক্টে পড়তে পারছি, মন খুলে হাসছি, প্রাণখুলে বাঁচছি! ব্যাস ইচ্ছে মতো হাঁটতে পারছি না। সেটাও হবে খুব তাড়াতাড়ি। 
চারিদিকে এতো শান্তি! এতো মাধুর্য, সবকিছু এতো চমৎকার! স্যার বলছিলেন &quot;নারী হও!&quot; নারী হওয়া বলতে উনি কী বোঝান জানিনা। তবে নারী বোধ হয় এমনই হয়। 
আমার আরেকটা মাইলস্টোন স্পর্শ করা বাকি। বাবার কপালে চুমু খাওয়া। সেটাও হবে। এখন বুঝতে পারছি, সমস্ত সত্তা দিয়ে অনুভব করছি, আমি আমার ছোটবেলার স্বপ্নে দেখা সফল নারী চরিত্র। নিজেকে খুব হিরোয়িক লাগে। খুব ভালোবাসতে ইচ্ছে করে। নিজেকে, আকাশকে, বাতাসকে, আশেপাশের লোকজনদের, সবকিছুকে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262174/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Aug 2026 06:06:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>Oh-oh I&#8217;m falling in love!<br />
Oh-no! I&#8217;m falling in love again!<br />
Oh! I&#8217;m falling in love&#8230;&#8230; </p>
<p>আমি আবার প্রেমে পড়েছি! টেইলর সুইফটের গান শুনতে শুনতে ভাবছিলাম। যদিও Labyrinth প্রেমের গান না, হার্টব্রেকের পর আবার প্রেমে পড়ার যে anxiety, তার উপর লেখা গান।<br />
তবে আমি প্রেমে পড়েছি! আর না, কোনো anxiety নেই। আমি আমার প্রেমে পড়েছি।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-262174"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/262174/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d02048d1a5ff98fda5ed0741881679b0</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262109/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Aug 2026 00:11:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bea3f8384678e695dd8ebe0ca03ff7f3</guid>
				<title>বাতাসে তখন হালকা হিমভাব। বেলকনির চৌকাঠে পা মেলে বসেছিল পৃথ্বী। কানে জড়ানো হেডফোনে বাজছে লালনের চেনা সুর—“বাড়ীর কাছে আরশী নগর, সেথা এক ঘর পড়শী বসত করে...”। গানটা শেষ হওয়ার পরও অনেকক্ষণ শুধু কর্ডগুলোর রেশ থেকে যায় বাতাসে।
কিছুক্ষণ আগেই ফোনটা রেখে দিয়েছে রিজওয়ানা। রিজুর শেষ কথাগুলো এখনও পৃথ্বীর মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। ও বলছিল লালনের সেই পড়শীর কথা—যে কাছে থেকেও ছোঁয়া যায় না, যার সাথে দূরত্ব অগাধ। পৃথ্বী প্রথমে হেসেই উড়িয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু একা একা সুরটা ভাজতে গিয়ে হঠাৎ বুকটা ধক করে উঠল। হার্ট একটা বিট মিস করলো যেন। সত্যিই তো! সে নিজে তো সেই পড়শীই, যে সব জেনেও অধরা। আর অন্যপাশে থাকা মানুষটা যেন এক লালন, যে নিজেই জানে না সে কার খোঁজে ব্যাকুল, কিংবা কে তার কত কাছে হেঁটে চলে।

জাহাঙ্গীরনগরের কোচিং শুরু হয়েছে গত সোমবার থেকে, সপ্তাহে দুদিন ক্লাস। কিন্তু ভাগ্যের কী নিষ্ঠুর পরিহাস—ক্লাস দেওয়া হয়েছে নতুন কলা ভবনের ১১৯ নম্বর রুমে! প্রথম দিন শুনতেই পৃথ্বীর মনে হয়েছিল বুকের ভেতরটা খালি হয়ে আসছে। পাশে বসেছিলো সুখপ্রীতা। সুখপ্রীতা মেয়েটিকে খুব আহ্রহ করে বলেছে ওর ছবি এঁকে দেবে। পরে জানতে পারে সে ফিলোসফির ছাত্রী। কপট রাগ মিশিয়ে বলেছিলো &quot;তোমাকে আমার হিংসে হচ্ছে!&quot; শুধুমাত্র নিজের অসহায়ত্ব লুকােনোর জন্য। হিংসে তো হবেই! মেয়েটি ফিলোসোফি পড়ছে, তার এতো প্রিয় সাবজেক্ট তাও তার একসময়ের সবচেয়ে প্রিয় মানুষের সাথে! 

চারুকলার ক্লাসটা পৃথ্বী ছেড়ে দিয়েছিল শুধু একটাই কারণে—যেন নতুন কলার দিকে পা বাড়াতে না হয়। কিন্তু যা এড়িয়ে যেতে চেয়েছিল, নিয়তি যেন সেটাকেই একদম মুখোমুখি এনে দাঁড় করাল। একজন্যই রিজু ভাবছে এর পেছনে নিশ্চয়ই বিধাতার কোনো গোপন সংকেত আছে।
পৃথ্বীর চোখে জল জমতে শুরু করে। যার জন্য এই আত্মগোপন, এই প্রতিনিয়ত থমকে থাকা, তার হয়তো এসবের কিছুই আসে যায় না। আগামী ছয়টি মাস এই একই ভবনের আনাচে-কানাচে হাঁটতে হবে। যদি কখনো ভুল করে চোখাচোখি হয়ে যায়?
ফোনটা পাশে সরিয়ে রেখে পৃথ্বী বেলকনির দেয়ালে মাথা হেলিয়ে দিল। হেডফোনের সুরটা থেমে গেছে, কিন্তু বুকের ভেতরের গানটা তখনো থামেনি।
জীবন কী অদ্ভুৎ তাই না? সে আর লালন একখানে রয় অথচ লক্ষ যোজন দুরে। যদিও লালনের পড়শী তো রক্ত-মাংসের মানুষ না। জীবন সত্যিই সাপ সিঁড়ি খেলে যায়। 

আচ্ছা কী হবে? আর মাত্র ১৩ দিন সময় এরপর আরো ১০ দিন উপরি। যদি এর মধ্যে জনাব চলে আসে? আসবে না নিশ্চয়ই! বিরাম বেড়ে অগাধ পানি যে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262104/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Aug 2026 00:05:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাতাসে তখন হালকা হিমভাব। বেলকনির চৌকাঠে পা মেলে বসেছিল পৃথ্বী। কানে জড়ানো হেডফোনে বাজছে লালনের চেনা সুর—“বাড়ীর কাছে আরশী নগর, সেথা এক ঘর পড়শী বসত করে&#8230;”। গানটা শেষ হওয়ার পরও অনেকক্ষণ শুধু কর্ডগুলোর রেশ থেকে যায় বাতাসে।<br />
কিছুক্ষণ আগেই ফোনটা রেখে দিয়েছে রিজওয়ানা। রিজুর শেষ কথাগুলো এখনও পৃথ্বীর মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। ও বলছিল লালনের সেই পড়শীর কথা—যে ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-262104"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/262104/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7d96cf7bec6a4d3b58d383a5b4396718</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258655/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Jul 2026 16:26:27 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2ad2d46aa8dabc989198d404536d83f9</guid>
				<title>কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন। শেষ যখন পোস্ট করি, পরীক্ষার আগে। বলেছিলাম, চিন্তায় আছি, পরীক্ষা কেমন হবে..... 
পরীক্ষা শেষ। ঢাবি অধিভুক্ত স্কুল অফ ইকোনমিক্সে ১৭ তম হয়েছি। যদিও বাবা রাজি হয়নি সেখানে ভর্তি হওয়ার জন্য।  ইস্টার্নে ইংলিশে ভর্তি হয়ে আসলাম আজকে। 
পুরো এডমিশন জার্নি কি পরিমাণ কষ্টের ছিলো আমি জানি। অবশেষে সব শেষ। 
হতাশা থেকে বাঁচতে তুলটে লেখালেখি পোস্ট করা শুরু করি, এরপর সময় পাবো কিনা জানিনা। হয়তো আর লেখা হবে না। মাঝে মাঝে খোঁজ নেবো। একাউন্ট ডিলিটও করে দিতে পারি। তবে সত্যি, তুলটে যে পরিমাণ সাপোর্ট পেয়েছি সেটা আমার হতাশা অনেক অংশে কমিয়ে দিয়েছে। একেকজন লেখক এতো দারুণ দারুণ লেখা লেখেন, আমি বুঝতেই পারি না কী বলবো। আমি কিছুই জানি না, অনেককিছু বুঝি না। আমি অনেক ছোট্ট একটা মানুষ। সবাই দোয়া করবেন কিন্তু আমার জন্য।  কেউ কেউ আবার টেলিগ্রামে মেসেজ করেছিলেন, কথা হয়েছে কয়েকজনের সাথে। মৃদুলা, দ্বিপশিখা, রাব্বি ভাইয়া, তন্বী তোমরা অননননেএক ভালো ভালো কথা বলো। কতোবার তোমাদের সাথে কথা বলে কেঁদেছি। তোমাদের গল্প পড়ে কেঁদেছি, আবৃত্তি শুনিয়েছি। 
তারপর পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেছি, আর যোগাযোগ করতে পারিনি। তোমাদের সাথে আবার কথা বলতে চাই, যোগাযোগ করতে চাই আরো আরো কবিতা শোনাতে চাই। আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারো ইনস্টায় Raisa_porshi তে ফেসবুকে পাওয়া কঠিন, ছবি দেখে চিনতে পারবে আশা করি। তুলটে ফেসবুকের লিঙ্ক দেওয়া আছে, পোস্টে লিঙ্ক দেওয়া যায় না বোধ হয়। 

আমার রেজাল্ট শেয়ার করার জন্য আজকের পোস্ট। যারা দোয়া করেছিলেন, মন থেকে সব্বাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। 
আজকের মতো টা টা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258654/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Jul 2026 16:24:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন। শেষ যখন পোস্ট করি, পরীক্ষার আগে। বলেছিলাম, চিন্তায় আছি, পরীক্ষা কেমন হবে&#8230;..<br />
পরীক্ষা শেষ। ঢাবি অধিভুক্ত স্কুল অফ ইকোনমিক্সে ১৭ তম হয়েছি। যদিও বাবা রাজি হয়নি সেখানে ভর্তি হওয়ার জন্য।  ইস্টার্নে ইংলিশে ভর্তি হয়ে আসলাম আজকে।<br />
পুরো এডমিশন জার্নি কি পরিমাণ কষ্টের ছিলো আমি জানি। অবশেষে সব শেষ।<br />
হত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258654"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258654/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">68927bbeaafac619a757a84f19f3d5da</guid>
				<title>আজকে আকাশ কালো কেন জানো? এই বৃষ্টি কার জন্য? কার জন্য মেঘেদের মন খারাপ?? 
আমার জন্য। আমি তো মন খারাপ হলে কাউকে বলতে পারি না তাই মাঝে মাঝে যখন আমার খুউব মন খারাপ হয় তখন আল্লাহ্ স্পেশালি আমার জন্য এই ব্যবস্থা করেন। আমাদের অন্য রকম কানেকশন আছে। 
আমার মন খারাপ আমার জনাব আমাকে অস্বীকার করে, ঠকিয়ে চলে গেছে বলে যদিও সে ঘটনার ২ মাস পার হয়ে গেছে, সেও বোধ হয় আমাকে ভুলে টুলে গেছে। আমার মন খারাপ বড়ো চাচ্চু মারা গেছে বলে, বড়ো চাচ্চুর সাথে আমার অনেক কথা ছিলো। আমি তো চাচ্চুকে খাওয়াতেও পারিনি। আমি কতো কিছু পারি, এখন যে আমি কতো কঠিন কঠিন ম্যাথ করতে পারি, ক্যালকুলাস করতে দুইমাস সময় লেগেছিলো মাত্র। চাচ্চুকে বলা হয়নি। আমার মন খারাপ, আমার খুব প্রিয় দুজন মানুষ ডিভোর্স দিয়ে আলাদা হয়ে গেছেন বলে। আমার মন খারাপ, মোস্তফা মনোয়ার মারা গেছেন বলে। আমার খুউব ইচ্ছে ছিলো ওনার সাথে দেখা করার। আমি যে ছবি আঁকি, ওনাকে দেখাতাম বা না-ই দেখাতে পারতাম। ওনাকে একবার কাছ থেকে দেখতে পারলে নিশ্চিত আমার কথা আটকে যেত। আমার প্রচন্ড মন খারাপ। আমার শরীর ছেড়ে দিচ্ছে। আমি জানি যা কিছু সুন্দর, সব একদিন শেষ হয়ে যাবে, নতুনকে যায়গা করে দিতে হবে। তাও! 

পৃথিবীর সব সৌন্দর্য শেষ হয়ে যাচ্ছে। নতুন যা কিছু সুন্দর, মাঝে মাঝে আমি তার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারি না। মাঝে মাঝে কুৎসিতটাই চোখে বাঁধে। পৃথিবীতে খুব বেশিদিন বাঁচার ইচ্ছে একবারই হয়েছিল। এখন আবারও চাই খুব বেশিদিন যেন না থাকতে হয়। শুধু যে কদিন আছি, বাঁচতে চাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256034/</link>
				<pubDate>Mon, 29 Jun 2026 08:59:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজকে আকাশ কালো কেন জানো? এই বৃষ্টি কার জন্য? কার জন্য মেঘেদের মন খারাপ??<br />
আমার জন্য। আমি তো মন খারাপ হলে কাউকে বলতে পারি না তাই মাঝে মাঝে যখন আমার খুউব মন খারাপ হয় তখন আল্লাহ্ স্পেশালি আমার জন্য এই ব্যবস্থা করেন। আমাদের অন্য রকম কানেকশন আছে।<br />
আমার মন খারাপ আমার জনাব আমাকে অস্বীকার করে, ঠকিয়ে চলে গেছে বলে যদিও সে ঘটনার ২ মাস পার হয়ে গেছে, সেও বো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256034"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256034/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">297a73b46edcfbb70d839345453a2f50</guid>
				<title>অনুভূতিগুলো নিজের মধ্যে চেপে রাখাকে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বলে না। আনন্দ যেমন আমরা প্রকাশ করি, দুঃখগুলোকেও তেমনই প্রকাশ করতে হয়, ছাড়তে হয়। দুঃখ প্রকাশ করলে দুঃখ কমে, মন হালকা হয়। 

বড় চাচ্চুর সাথে খুব বেশি স্মৃতি নেই। চাচ্চু মারা যাওয়ার পর হাউমাউ করে কেঁদেছি। কেন কাঁদছিলাম জানিনা।
অংকে আমার বরাবরই ভয়, ক্লাস থ্রি-তে পড়ি, বাবার কাছে মাঝে মাঝে অংক করতাম, বড়ো মামা পড়াতেন যখন সময় পেতেন। আমি কারো কাছেই অংক করতে চাইতাম না। বড়ো চাচ্চু একবার বাসায় আসেন, কথায় কথায় বই নিয়ে বসতে হয়, ঐ একবারই বসি, চাচ্চুর কথা স্পষ্ট মনে নেই তবে তিনি বলেছিলেন, &quot;তোর তো মাথা পাকা, কতো স্টুডেন্ট পড়াইছি! টাকাও নেই নাই। কাছাকাছি থাকলে তো আমিই পড়াইতে পারতাম। সিদ্দিক কী করে! ও তো ভালো স্টুডেন্ট ছিলো।......&quot;

চাচ্চু উর্দু বলতে পারতো আর আমরা দুইবোন হিন্দি। আর্শি ছোটবেলা থেকেই কথা কম বলে৷ যখন চাচ্চুর সাথে আলাপ শুরু হতো, চাচ্চুর হাসি আর &quot;আপ ক্যায়সে হ্যায় মোহতারমা?&quot; দিয়ে। 

আমার বড়ো চাচ্চু গরুর মাংস দারুণ পছন্দ করতেন। আর করলা ভাজি। আমি যদিও করলা খাই না। আমার খুব ইচ্ছে ছিলো আরো বড়ো হয়ে একবার নিজের হাতে রান্না করে চাচ্চুর সাথে দেখা করতে যাবো। চাচ্চুকে নিজের সামনে বসে খাওয়াবো। আর চোখ ভরে দেখবো। কে জানতো চাচ্চু এতো তাড়াতাড়ি চলে যাবে? 
আচ্ছা চাচ্চু, ক্যায়া আপ দেখতে হো আসমান সে কি হাম আপকে লিয়ে কিতনা তাড়াপতে হ্যায়? আপ কাহা হো? হাম আল্লাহ্ সে দুয়া মাঙতে হ্যায় কি ও আপকো জান্নাতকা উঁচা মাকাম দে। পাতা হ্যায়, হাম পাগালো কে তারহা রো রেহে থ্যে কিছি নে নেহি দেখা। হাম কিছিকো দিখা নেহি পাতে। অর আল্লাহ্-কো বহৎ উল্টা সিধা বোল দিয়া কি কিউ ও আপকো লে গ্যায়ে........সামাঝ আনে পার তুরান্ত নামাজ পাড়হনে ব্যাঠ গ্যায়ে, অর দুয়া মাঙ্গি আপকে লিয়ে। আপ যাহাভী হো, ঠিক রাহো। আপসে পাতা নেহি কিউ, ক্যাসে বহৎ প্যেয়ার কারতে হ্যায়। মুঝে ভী নেহি পাতা থা। আপকে যানে কে বাদ পাতা চালা। যাব হাম মিলেঙ্গে না, আপকো জারুর সামনেছে বাতায়েঙ্গে। আপসে বহৎ প্যেয়ার কারতে হ্যায়। বহহহহৎ য্যায়াদা!!! 

গতো ১১-ই জুন আমার চাচ্চু মারা যান। ওনার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ্ যেন ওনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন। 
(আমিন)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254639/</link>
				<pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:02:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনুভূতিগুলো নিজের মধ্যে চেপে রাখাকে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বলে না। আনন্দ যেমন আমরা প্রকাশ করি, দুঃখগুলোকেও তেমনই প্রকাশ করতে হয়, ছাড়তে হয়। দুঃখ প্রকাশ করলে দুঃখ কমে, মন হালকা হয়। </p>
<p>বড় চাচ্চুর সাথে খুব বেশি স্মৃতি নেই। চাচ্চু মারা যাওয়ার পর হাউমাউ করে কেঁদেছি। কেন কাঁদছিলাম জানিনা।<br />
অংকে আমার বরাবরই ভয়, ক্লাস থ্রি-তে পড়ি, বাবার কাছে মাঝে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254639"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254639/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a36109817ed2f79fdeb7096eba72f308</guid>
				<title>আমাকে ফাঁকা ক্লাসরুমে বসতে বলে স্যার চালে গেলেন। আমি ব্যাগটা ক্লাসরুমে ফেলে চলে এসেছি। ধুর! এই লোকটাে একদমই পছন্দ না আমার। এখনই ছুটি হয়ে যাবে। ব্যাগটা আনলে ভালো হতো। বেঞ্চ থেকে বের হয়ে বোর্ডের সামনে গেলাম। আচ্ছা, আমি কি টিচার হতে পারবো? ভাবছিলাম। হঠাৎ দরজা লাগানোর শব্দ হলো। 
আরে! স্যার আমি তো ক্লাসে। আপনি দরজা কেন দিলেন!? স্যার দরজা কেন দিলেন আপনি!? দরজা খুলে দিন! 
দরজায় কিল মারলাম কয়েকটা। বাইরে থেকে ছিটকিনি দিয়ে উনি চলে গেলেন। উনি চলে যাচ্ছেন আমি দেখলাম তবে আর ডাকতে পারলাম না। আমার গলা দিয়ে আর শব্দ বের হচ্ছে না। আমি কি ভয় পাচ্ছি? না না! আমি ভয় কেন পাবো! কি আশ্চর্য! দোতলার এইদিকটায় কেউ আসে না। তিনতলায় কেউ নেই। চারতলায় আমাদের ক্লাস। নিচতলায় টিচার্সরুম। আমি ডাকলে কেউ কি শুনতে পারবে না? আমার গলা দিয়ে কোনো শব্দ বের হচ্ছে না। আমি কি কাঁদছি? না আমার চোখ দিয়ে পানি পরছে না। তারমানে আমি ভয় পাইনি। You&#039;re a tough kid Troyee! You&#039;re strong, brave, nothing is gonna happen to you. I&#039;m with you. You&#039;re strong, you&#039;re not afraid. Stand up! আরে বসতেছিস ক্যান ভাই! দাঁড়া! 
আমি ধপাস করে বসে পড়লাম৷ চারপাশে তাকাতে সাহস পাচ্ছি না। আমার হাত-পা কাঁপছে। সাহস করে দেখতে লাগলাম চারদিকে। আমি কি গান গাইবো একটা? হুম~ হুম~~ (গলা কাঁপছে) নাহ্! আমি কাঁদছি না! ক্লাসরুমটা এতো বড়ো! এতো অন্ধকার! আমি বোধহয় ক্লাসের পিছনের দেওয়ালটা দেখতে পাচ্ছি না। না না পাচ্ছি। আমি কি ঘামছি? হ্যা। কিন্তু আমার পুরো শরীর ঠান্ডা হয়ে গেছে। 
কেউ আসছে! আঙ্কেল আসছেন তালা দিতে ক্লাসে। উনিতো তালা দিয়ে চলে যাবেন। আরে ত্রয়ী, কথা বল! Speak up buddy! আমি কথা বলতে পারছি না। উনি এদিকেই আসছেন। উনি শিস দিচ্ছেন, আমি শুনছি, আরে ত্রয়ী প্লিজ কথা বল না!! 
উনি তো চলে যাচ্ছেন!! 
ফোনটাও আমার ব্যাগে। কেউ কি বুঝতে পারছে না যে আমি ক্লাসে নেই? আমি এখন কী করবো? আমি কি সারারাত এখানেই থাকবো নাকি? 
আম্মু!! 
ঘ-ঘ-ঘুউউম ঘ-ঘুম চাঁআদ~~ 
আআআআ~!!!! আমি কথা বলতে পারছি না। I&#039;m strong, I&#039;m calling someone for help. Is there anyone out there!? Hello? 

আমার আড়ষ্ট হাত দিয়ে দরজায় আঘাত করলাম অনেকটা শক্তি দিয়ে। কিন্তু আঘাতটা দরজায় টোকা দেওয়ার মতো শব্দ করলো। 

-কে? কে ওখানে? 
আমি: কে! কেউ কি আছে? 
- এই কে? 
-আমি। (আমি কথা বলতে পারছি!)
-এই আমিডা কে আবার? 
কোনোভাবে উঠে দাঁড়ালাম।
-আমি আমি। আমি। আমি ত্রয়ী। 
- আরে তুমি এখানে কি করো? 
- প্লিজ!
এই লোকটাকে কি আমি চিনি? কে সে? 
-দরজায় তো তালা দিয়ে গেছে। তুমি ভিতরে কেন? এই রহমত! রহমত!! দোতলায় আসো। কই তুমি? চাবি নিয়া আসো। স্টুডেন্ট আছে ভিতরে। 

-তরয়ী? 
-হুম? 
-তুমি এখানে কেন?
এপাশ থেকে আমার কথা বন্ধ হয়ে গেছে আবার। 
-তরয়ী, আম্মু? মা? 
-হুম?
- আসতেছে। তালা খুলতেছি। ভয় পাইও না। আমি আছি। 
- হুম। (ফিজিক্স স্যার। উনি আমার নাম ভুল উচ্চারণ করেন সবসময়। উনি আছেন।) আমি ভয় পাচ্ছি না স্যার। 

রহমত আঙ্কেল আসলেন। চাবির শব্দ হচ্ছে। পুরো দোতলা খালি। অনেকগুলো চাবির শব্দ হচ্ছে। আমি অনুভব করছি, আমার শরীর গরম হয়ে আসছে। দরজা খুলে গেলো। আমি ধীরে সুস্থে বাইরে বের হয়ে আসলাম। ঠান্ডা বাতাস লাগলো আমার মুখে। ভেতরে এতো অন্ধকার ছিলো, মাথায় একটা ধাক্কা মতো লাগলো। আলোটা একটু তেজী মনে হলো। স্যার আমার মাথায় হাত রাখলেন। আমার হতে-পায়ে, গায়ে ঢুলো লেগে আছে। ওনারা দুজন কি বললেন কিছুই বুঝতে পারলাম না। হা করে তাকিয়ে আছি। স্যার আমার হাত ধরে নিয়ে গেলেন দোতলায় অফিস রুমে। ফ্যানটা আমার দিকে ঘুরিয়ে দিলেন। 
-হিজাবটা আলগা করো? একটু বাতাস লাগুক। এই রহমত পানি নিয়ে আসো যাও! 
রহমত আঙ্কেল চলে গেলেন পানি আনতে। 
স্যার আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। আমার হাত ঝেড়ে দিলেন। 
 আমি পানি খেলাম। কিছুক্ষণ বসলাম। তারও কিছুক্ষণ পর স্যার জিজ্ঞেস করলেন। 
- তুমি ঐ ক্লাসে কেন গেছিলা? 
- আমাকে সুরুজ স্যার বলেছিলেন কাজ আছে। আমি ওনার কথা শুনে আসি। তারপর ওখানে বসতে বলে উনি বাইরে থেকে ছিটকিনি দিয়ে চলে গেলেন। 
- সে কি জানতো না?
- হ্যা।
রহমত আঙ্কেল: আমি যহন তালা দেই তহন কি ভিত্রেই আছিলা? 
-জ্বি।
রহমত আঙ্কেল : ডাকো নাই ক্যান?
-আমি কথা বলতে পারছিলাম না। 
স্যার: আচ্ছা ঠিক আছে। এখন সব ঠিক আছে। সুরুজ মনে হয় বুঝতে পারেনি তুমি ভিতরে ছিলা। 
-না স্যার! উনি জানতেন। 
স্যার: আচ্ছা। আমি দেখবো বিষয়টা। তুমি কাউকে কিছু বইলো না। 
(আমি হা করে তাকিয়ে আছি। তারমানে চুপ করে যাবো? কাউকে জানাবো না?) 
স্যার: কলেজ তো অনেকক্ষণ হইছে ছুটি হইছে। বাসায় যেতে পারবা? তোমার ব্যাগ কই? বাসা কোথায় তোমার? 
- জোড়পুলে বাসা। আর ব্যাগ ক্লাসে। 
- রহমত, যাও ওর ব্যাগটা নিয়ে আসো। সায়েন্সের ৪০২ নাম্বার ক্লাস। 
রহমত আঙ্কেল আবার চলে গেলেন। 

-স্যার, উনি ইচ্ছে করে দরজা দিয়ে চলে গেছেন। 
- আচ্ছা। আমি দেখবো সেসব। বাসায় যদি জিজ্ঞেস করে কেন দেরি হইছে, বলবা আমি কাজ দিছিলাম। আর তোমার রোল যেন কতো?
- ৯০৮২। 
- আচ্ছা। আমি দেখবো। বলবা খাতার কোড বসানোর কাজ দিছি। Ok?
- হুম।
- ভয় পাচ্ছো?
- না স্যার। 
- একদম ভয় পাবা না। বোকারা ভয় পায়। সবকিছু ঠিক আছে। আমি দেখবো।

রহমত আঙ্কেল ব্যাগ নিয়ে আসলেন। 
স্যার: চলো তোমাকে বাসে উঠায় দেই। 
- না স্যার। আমি একাই যেতে পারবো। 
- আমি যাই তবু। 
স্যার আমাকে গেট পর্যন্ত এগিয়ে দিলেন। আর একা ছাড়তে রাজি হলেন না। রহমত আঙ্কেল বাসে উঠিয়ে দিলেন আর ভাড়াও দিয়ে দিলেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254625/</link>
				<pubDate>Wed, 17 Jun 2026 14:22:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমাকে ফাঁকা ক্লাসরুমে বসতে বলে স্যার চালে গেলেন। আমি ব্যাগটা ক্লাসরুমে ফেলে চলে এসেছি। ধুর! এই লোকটাে একদমই পছন্দ না আমার। এখনই ছুটি হয়ে যাবে। ব্যাগটা আনলে ভালো হতো। বেঞ্চ থেকে বের হয়ে বোর্ডের সামনে গেলাম। আচ্ছা, আমি কি টিচার হতে পারবো? ভাবছিলাম। হঠাৎ দরজা লাগানোর শব্দ হলো।<br />
আরে! স্যার আমি তো ক্লাসে। আপনি দরজা কেন দিলেন!? স্যার দরজা কে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254625"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254625/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6f27ab4fc0196500f6c53932bb305258</guid>
				<title>Truly blessed! &#x1f607;&#x1f607;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/253847/</link>
				<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 04:46:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>Truly blessed! &#x1f607;&#x1f607;</p>
</div><div class="youzify-post-attachments">
		<div class="youzify-shared-wrapper">

			<div class="youzify-shared-wrapper-container">

				
				<div class="youzify-shared-attachments"></div>
				<div class="youzify-shared-description">
					<div class="youzify-shared-description-content">
												<div class="activity-avatar"><a href="https://toulot.com/n_members/abir-shoaib/"><img loading="lazy" data-src="https://toulot.com/wp-content/uploads/avatars/4945/1785784425-bpthumb.png" class="lazyload avatar user-4945-avatar avatar-50 photo" width="50" height="50" alt="Profile picture" /></a></div>
						<div class="youzify-shared-head">
							<a class="youzify-post-author" href="https://toulot.com/n_members/abir-shoaib/">শোয়েব ইবনে শাহীন</a>
							<div class="youzify-timestamp-area"><i class="fas fa-globe-asia"></i><span class="youzify-separator-point">•</span> <a href="https://toulot.com/n_astream/p/253747/" class="view activity-time-since bp-tooltip" data-bp-tooltip="View Discussion"><span class="time-since" data-livestamp="2026-06-09T19:44:35+0000">2 months, 3 weeks ago</span></a></div>
						</div>
						<div class="youzify-shared-content"><div class="activity-inner"><p>&#8220;যে মেয়েটি বইয়ের পাতায় প্রেম খুঁজে পায়&#8221;</p>
<p>&#8211; উৎসর্গ : <a class="bp-suggestions-mention" target="_blank" href="https://toulot.com/n_members/raisaanjumporshi/" rel="nofollow ugc">@raisaanjumporshi</a></p>
<p>তোমাকে আমি কোনোদিন সক্রেটিসের পাশে বসে দেখিনি, তবু মনে হয়, কোনো এক পুরোনো এথেন্সের বিকেলে তুমি নিশ্চয়ই প্রশ্ন করতে জানতে।<br />
তোমাকে কোনোদিন মরুভূমি পেরোতে দেখিনি, তবু ইবনে বতুতার ভ্রমণপিপাসা কেমন করে যেন এসে বসেছে তোমার চোখে।<br />
তুমি যখন বলো— &#8220;আমি জানি না সামনে কী আছে&#8221;&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-253747"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/253747/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div></div>
					</div>
				</div>
							</div>
		</div>
		</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">24c94ed947adae6d1c4a2bfda95cd071</guid>
				<title>একটা মজার ঘটনা শেয়ার করি। আমি না জানার প্রতি খুব আগ্রহী। ক্লাস এইটে পড়ি, ডেস্কটপের সামনে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতাম আবু মাহমুদ খোজান্দি, ইবনে সিনা, ইবনে বতুতা, আবু ইসহাক ইব্রাহিম আল-জারকালি থেকে শুরু করে সক্রেটিস, প্লেটো, এরিস্টটল, ডেমোক্রিটাস, ভিঞ্চি, পাবলো পিকাসো, ভ্যানগগ, জয়নুল আবেদীন, এসএম সুলতানদের মতো বিখ্যাত সব মানুষদের জীবনী পড়তাম। কোনো গাইড ছিলো না বা কোনো সিরিয়াল কিচ্ছু ছিলো না। ব্যাস যাকে সামনে পেতাম, তাঁর সম্পর্কে পড়তাম। আর সাহিত্য তো ছিলোই পাশাপাশি সে নিয়ে না বলি, কথা শেষ হবে না। 

কোভিডের সময় আম্মুর স্মার্টফোন কেনার পর থেকে এই আগ্রহ বাড়তেই থাকে। সে সময় একটা নোটবুকে নোট করে রাখতাম কি কি পড়লাম, কার কার সম্পর্কে পড়লাম৷ বাবা কাল রাতে তাঁর কোনো একটা পুরনো বই খুঁজতে এসে সেই নোটবুক পায়। 
সেখানে লাও ৎজ্যু-কে জনাব লাও ৎজ্যু আর আর্কিমিডিসের নামের পর সাহেব দেখে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন আমি দর্শনের প্রতি আগ্রহী কিনা। 

ক্লাস নাইন-টেন, কলেজের পুরো সময়টা আশানুরূপ যায়নি। ফলে আমি ভুলেই গেছি যে এক সময় এতো আগ্রহ ছিলো আমার। জীবন একরকম mediocre বানিয়ে দিচ্ছিলো রাইসাকে। 

আমার কথা বলি, SSC, HSC-র সময় ইমোশনালি আমার অবস্থা খুব ভালো ছিলো না, ফিরে রেজাল্ট ভালো হয়নি। মানে সবাই তো GPA-5 পায়, অন্তত SSC তে তো পায়, আমি পাইনি। আমার এডমিশনের প্ল্যানিং-এ সমস্যা ছিলো, যেখানে চান্স পেয়েছি, বাবা রাজি না হওয়ায় পড়ার সুযোগ হয়নি, কখনো সাবজেক্ট খারাপ, কখনো ভার্সিটি দুরে আর কখনো আমিই চান্স পাইনি। একরকম হতাশার মহাসমুদ্রে ডুবে যাচ্ছিলাম। রাতে ঘুম হয় না, হঠাৎ এক রাতে ফোন স্ক্রল করতে করতে তুলটের একটা এড দেখলাম। লগইন করে পোস্ট করা শুরু করলাম৷ 

সত্যি বলতে, আমি জানিনা আমি কী করছি, সামনে কী করবো। আমি বোধ হয় পাগল হয়ে যাবো। আমি আসলে পাগলই। এইযে এখন যা লিখছি, আমি জানিনা কী লিখছি, কেন লিখছি, এই লেখা পড়ে কার কী লাভ হবে। তবে আমার খুব মনে হচ্ছে এই কথাগুলো কেউ পড়ুক। কেউ জানুক যে সিস্টেমের জালে আটকে গেলে বিপদে পড়তে হবে।
ঐ যে বলে না? নিজের বুদ্ধিতে ফকির হওয়া ভালো।— একদম ষোল আনা সত্যি কথা! 

পর্শি পাগল হয়ে গেছে (ও আচ্ছা, পর্শি আমার ডাকনাম) খুশিতে। তো যাইহোক যেটা বলছিলাম, কাল রাতে বাবার প্রশ্ন শুনে কী উত্তর দেবো বুঝতে না পেরে হা করে তাকিয়ে আছি, আমার সামনে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রশ্নব্যাংক খোলা, কী পড়ছি, কিছুই মাথায় ঢুকছে না। বাবা বললেন, &quot;চান্স পাও, অনার্স করো, তারপর নাহয় মাস্টার্সে দেখা যাবে।&quot; 
আমি: আমি Philosophy পড়তে পারবো!!! (দারুণ অবাক)
বাবা: হ্যা, পড়বা। কিন্তু ফিলোসোফি তো কঠিন সাবজেক্ট। 
আমি: আল্লাহ্ তা হোক! (দারুণ খুশি)
।কিছুক্ষণ পর। &quot;ও বাবা, তার মানে আমি ২-৩ টা মাস্টার্স করতে পারবো&quot; 
বাবা: তোমার যতো ইচ্ছা ততো পড়ো মা। 
আমি ভ্রু কপালে তুলে, ঠোঁট কামড়ে এই গাল থেকে ঐ গাল পর্যন্ত ছড়ানো একটা হাসি দিয়ে চলে আসলাম। 


যদিও ফিলোসোফির চেয়ে আরো বেশি পছন্দের আরো অনেক সাবজেক্ট আছে, আর তার মধ্যে একটা নিয়ে পড়তে চাই (কি সাবজেক্ট সেটা কিন্তু বলবো না)। 


উফ্! আমি যে কী খুশি!!! বলে বা লিখে প্রকাশ করা যাবে না। ভাবতে পারেন? Socrates is my friend, Plato is my friend, Lao Tzu and Rumi, they&#039;re my lovers, and I am in love with Psychology, Philosophy, Anthropology, Literature, Language, Politics, Biology, Neuroscience  and Chemistry and Arts and everything and I can actually learn everything, I can get close to my lovers and all this time, I was so ignorant, stupid and blind that I dunno what I was even doing! 

আমার বাবা চায় আমি সবকিছু শিখি! আহ্-হা~!! এতোদিন কোথায় ছিলাম আমি! 

প্লিজ আমার জন্য দোয়া করবেন। সবাই! এটাই শেষ সুযোগ, আমার পছন্দের সাবজেক্টে যেন চান্স হয়ে যায়। মন থেকে দোয়া করবেন, তারপর চান্স হয়ে গেলে দেখা হলে এককাপ চা খাওয়াবো। আমি কিন্তু ভালো চা বানাই। 

কি লিখলাম জানিনা। ঐযে, আমার তো মাথা খারাপ হয়ে গেছে। বানান ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আর অবশ্যই আমার জন্য দোয়া করবেন। হাতে মাত্র ৪০ দিন মতো বাকি।

পুনশ্চঃ আমার বয়স মাত্র ১৯, আপনি আমার ছোট হন বা বড়ো, কারো কথা শুনবেন না। মানে, ভালো কথা শুনবেন, ডিমোটিভেট করলে এক কান দিয়ে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দেবেন৷ Be delusional (আমার মতো এতোটা নাহলেও অসুবিধা নেই বোধহয় সুবিধাই আছে)।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/253229/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Jun 2026 05:43:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটা মজার ঘটনা শেয়ার করি। আমি না জানার প্রতি খুব আগ্রহী। ক্লাস এইটে পড়ি, ডেস্কটপের সামনে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতাম আবু মাহমুদ খোজান্দি, ইবনে সিনা, ইবনে বতুতা, আবু ইসহাক ইব্রাহিম আল-জারকালি থেকে শুরু করে সক্রেটিস, প্লেটো, এরিস্টটল, ডেমোক্রিটাস, ভিঞ্চি, পাবলো পিকাসো, ভ্যানগগ, জয়নুল আবেদীন, এসএম সুলতানদের মতো বিখ্যাত সব মানুষদের জী&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-253229"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/253229/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>16</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b6daea1e82c84c958662c53216deda88</guid>
				<title>Worth It
 -Raisa Anjum (Porshi)

She’s damaged—
not destroyed.
A Queen who carries wounds you’ll never see
and fears she rarely names.

She acts strong,
but inside her a war still rages—
between hope and memory,
love and the ghosts of what broke her.

She won’t be the easiest to love.
She overthinks,
she pulls back,
she needs reassurance more than most—
not from weakness,
but from everything she has survived.

But if she lets you in,
if she trusts you with the pieces—
she’ll love you with a soul
that refuses to quit,
a heart that rebuilt itself
from ruins.

She may be damaged,
yes—
but she is worth the kind of love
that stays.

12:10 pm 
Dec 11th, 2025</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/253126/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 12:36:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>Worth It<br />
 -Raisa Anjum (Porshi)</p>
<p>She’s damaged—<br />
not destroyed.<br />
A Queen who carries wounds you’ll never see<br />
and fears she rarely names.</p>
<p>She acts strong,<br />
but inside her a war still rages—<br />
between hope and memory,<br />
love and the ghosts of what broke her.</p>
<p>She won’t be the easiest to love.<br />
She overthinks,<br />
she pulls back,<br />
she needs rea&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-253126"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/253126/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d145947eeb86edcdf1173b969082f9ad</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/253016/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 03:41:25 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">05d1c42447b598303834d0787769a696</guid>
				<title>প্রাচীর 

অতঃপর? 
অতঃপর তাহারা দুইজনেই ভাবিতে লাগিলো, মালিকুল মুলক্ কেমন করিয়া অপরজনের ক্ষুদ্র হৃদয়খানি প্রশস্ত হইতে প্রশস্ততর না করিয়া জগৎ সংসার দেখিতেছেন। তিনি বুঝি তাহাদিগের বিরহ বোঝেন না? অপরজনই বা কেমন মানুষ! গোবেচারা ধরনের পুরুষ যে নিজেকে পুরুষ সিংহের চেয়ে বরং পুরুষ বেড়াল ভাবতে পছন্দ করে সে ভাবিতে লাগিলো, এ কেমন মেয়ে মানুষ? সে কী আমার ছবি খুলিয়া লইয়া কল্পনায় আমার সহিত আলাপে লিপ্ত হয়না? সে কেন সাহসিনী হইয়া সামনে আসিয়া দাঁড়ায় না? সে আদৌও আমার কথা মনে করে? আর অপর প্রান্তে অভিমানীনী, নিদ্রা বিসর্জন কারিনী মাঝরাত্তিরে কাদিয়া বুক ভাসাইয়া ভাবে, কেন এমন হইলো? এ কেমন বিচার বিশ্বেশ্বরের? কেন তিনি লোকটার ক্ষুদ্র তনুতে অতখানি পাষাণ পুরিয়া দিলেন? কেন দিলেন এমন একখানা অবুঝ হিয়া, যাহা ব্যাকুলতা চেনে কিন্তু তাহা প্রকাশ করিতে জানে না?
মাঝরাত্রির নিস্তব্ধতা ভাঙিয়া কেবল একখানা দীর্ঘশ্বাস ঘরের দেয়ালে দেয়ালে প্রতিধ্বনিত হয়। অভিমানীনী চোখের জল মুছিয়া জানালার বাহিরে তাকায়। কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ তখন মেঘের আড়ালে মুখ লুকাইতেছে, যেন এই বিরহগাথা তাহারও সহ্য হইতেছে না। সে ভাবিতে থাকে—যে মানুষটা নিজের পৌরুষের দাপট দেখাইতে জানে না, যে চতুষ্পদের মতো গুটিসুটি মারিয়া নিজের কোণে পড়িয়া থাকিতে ভালোবাসে, সে কী করিয়া এক লহমায় এতখানি নিষ্ঠুর হইতে পারিল? তাহার কি একবারও মনে পড়ে না সেইসব অলিখিত মুহূর্তদের কথা?
আর ওদিকে, সেই ‘পুরুষ বেড়াল’ গোছের মানুষটি বিছানায় এপাশ-ওপাশ করে। সে ঘরের এক কোণে জমাট বাঁধা অন্ধকারের দিকে চাহিয়া থাকে। তাহার মনে হয়, ভালোবাসা বুঝি এক মস্ত বড় ধাঁধা, যাহার উত্তর মেলাবার সাধ্য তাহার এই সাধারণ মগজে নাই। সে নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করে, &quot;আমি না হয় ভীরু, আমি না হয় জড়তাহীন এক অদ্ভুত জীব—কিন্তু সে তো অনন্য, সে তো তেজস্বিনী! তবে তাহার মনে কেন এত সংশয়ের পাহাড়? সে কেন চিল্কোঠার রেলিং ধরিয়া এক ফালি আকাশ দেখিয়া ভাবিতে পারে না যে, এই একই আকাশের নিচে অন্য এক প্রান্ত হইতে কেহ তাহার জন্যই ব্যাকুল হইতেছে?&quot;
মালিকুল মুলক্ হয়তো ওপর হইতে দেখিয়া হাসেন। তিনি জানেন, এই দুই অবুঝ প্রাণ আসলে একই সুতোয় বাঁধা, অথচ অহংকার আর সংকোচের দুই বিপরীত মেরুতে বসিয়া তাহারা কেবলই দূরত্বের পরিমাপ করিতেছে। জগৎ সংসার তাহার নিয়মেই চলে, জোয়ার-ভাটা আসে, ঋতু বদলায়। শুধু এই দুই মান-অভিমানের যাত্রী নিজেদের গড়া এক অদৃশ্য প্রাচীরের দুই পাশে বসিয়া ভাবিতে থাকে—
&quot;অতঃপর? এই অপেক্ষার শেষ কোথায়?&quot;


বিঃদ্রঃ আমি গল্প লিখতে পারিনা। কম শব্দে ভাব বোঝাতে পছন্দ করি বলে কবিতায় আমার সাচ্ছন্দ্য। অনেকেই বলেন গল্প লিখতে, মাঝে মাঝে ক্ষুদ্র এসব মনস্তাত্ত্বিক আবহ প্রকাশ করতে চেষ্টা করি। ভালো লাগা, খারাপ লাগা জানাবেন। কোনো উপদেশ থাকলে তা-ও  জানাবেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252953/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 09:01:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রাচীর </p>
<p>অতঃপর?<br />
অতঃপর তাহারা দুইজনেই ভাবিতে লাগিলো, মালিকুল মুলক্ কেমন করিয়া অপরজনের ক্ষুদ্র হৃদয়খানি প্রশস্ত হইতে প্রশস্ততর না করিয়া জগৎ সংসার দেখিতেছেন। তিনি বুঝি তাহাদিগের বিরহ বোঝেন না? অপরজনই বা কেমন মানুষ! গোবেচারা ধরনের পুরুষ যে নিজেকে পুরুষ সিংহের চেয়ে বরং পুরুষ বেড়াল ভাবতে পছন্দ করে সে ভাবিতে লাগিলো, এ কেমন মেয়ে মানুষ? সে কী আমার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252953"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252953/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>16</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2e8eef810e32afc6a1ce75051fcd802e</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) and অরুণ কুমার গোস্বামী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250599/</link>
				<pubDate>Sat, 23 May 2026 09:28:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e47051a26be94ab7ea914412da3e99a3</guid>
				<title>সত্যের সন্ধানে
-রাইসা আনজুম

আত্মার মুক্তিবাঁধন যতোই কঠিন হোক, 
শরীরের এই কাঁটাতার, 
আত্মা খুঁজে ফেরে মুক্তির পথ, 
চায় অনন্তের পার।
এই দেহের অন্তঃসারে, 
ক্ষণিক সুখের কারাগারে,
আত্মা চায় ছুটে যেতে,
অন্তরীক্ষের একান্ত স্রোতে।
জীবনের এ প্রান্তরে, 
দুঃখ-সুখের অশেষ দানে, 
আত্মা খোঁজে যে শান্তির ধারা,
মুক্তির সেই সঞ্জীবনে।
ধর্মের বাঁধা, মোহের ফাঁদ, 
সব কিছু ফেলে পেছনে, 
আত্মা চায় পূর্ণতা, প্রকৃতিতে, 
একাত্মা হতে স্বয়ং বিধানে।
মৃত্যুর শেষে নয়, মুক্তি আসে জীবনের ধ্যানে, 
যেখানে ক্ষুদ্রতাকে ছেড়ে, 
আত্মা স্রোতে মেশে মহাকাশের গানে।
এই খোঁজ, এই যাত্রা, 
শেষ নয় কোনো বাঁধনে, 
আত্মা পায় মুক্তির স্বাদ, 
যখন মেলে প্রেমের সেই অমৃত বানে।


প্রকাশনা বিবরণ:
বই: বসন্তের বিকাল
সম্পাদক: হাসিবুর রহমান
প্রকাশক: জুয়েল আহমেদ রানা,
ছায়া প্রকাশনা,
৩৪ বাংলাবাজার, ঢাকা।
প্রথম প্রকাশ: অমর একুশে বইমেলা-২০২৫</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250466/</link>
				<pubDate>Sat, 23 May 2026 04:29:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সত্যের সন্ধানে<br />
-রাইসা আনজুম</p>
<p>আত্মার মুক্তিবাঁধন যতোই কঠিন হোক,<br />
শরীরের এই কাঁটাতার,<br />
আত্মা খুঁজে ফেরে মুক্তির পথ,<br />
চায় অনন্তের পার।<br />
এই দেহের অন্তঃসারে,<br />
ক্ষণিক সুখের কারাগারে,<br />
আত্মা চায় ছুটে যেতে,<br />
অন্তরীক্ষের একান্ত স্রোতে।<br />
জীবনের এ প্রান্তরে,<br />
দুঃখ-সুখের অশেষ দানে,<br />
আত্মা খোঁজে যে শান্তির ধারা,<br />
মুক্তির সেই সঞ্জীবনে।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250466"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250466/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c918e6131ea0d061d3941ff92bd9349c</guid>
				<title>Bound by the Unseen
-Raisa Anjum (Porshi) 

Two souls adrift in distant seas,
Tied by whispers the wind conceals.
Each glance exchanged, though never met,
A love unvoiced, yet deeply felt.
Through it all, our hearts ignite.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250345/</link>
				<pubDate>Fri, 22 May 2026 14:14:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>Bound by the Unseen<br />
-Raisa Anjum (Porshi) </p>
<p>Two souls adrift in distant seas,<br />
Tied by whispers the wind conceals.<br />
Each glance exchanged, though never met,<br />
A love unvoiced, yet deeply felt.<br />
Through it all, our hearts ignite.</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5be090b37b8aced2e4d460ce14145e66</guid>
				<title>মনে করো তোমায় শোনাচ্ছি। তোমার যদিও শোনা হবে না। তোমাকেই উৎসর্গ। 

অন্তহীন নৈঃশব্দ্য
-রাইসা আনজুম 

এই বালুময় পথে দুর্বার ক্ষীণ শিখা জন্ম নেয়,
তুমি তবুও অপার নির্লিপ্তির ছায়ায় বিলীন।

দিগন্তের প্রাচীন আকাশ আজ শব্দহীন,
স্মৃতির অন্তর্গত অরণ্যে নেমে আসে ধূসর মেঘের শ্বাস।

আমার পদতলে জড়ো হয় বিরহের অনন্ত কণা,
অলক্ষ্য সময়ের রন্ধ্রে গলে যায় সমস্ত প্রতীক্ষা।

তুমি আসো না—
শুধু অন্তহীন নৈঃশব্দ্য, ভগ্ন প্রতিচ্ছবি, আর—
শূন্যতার বিষণ্ন উৎসব।
(৩রা জুলাই ২৫)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250120/</link>
				<pubDate>Thu, 21 May 2026 17:57:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনে করো তোমায় শোনাচ্ছি। তোমার যদিও শোনা হবে না। তোমাকেই উৎসর্গ। </p>
<p>অন্তহীন নৈঃশব্দ্য<br />
-রাইসা আনজুম </p>
<p>এই বালুময় পথে দুর্বার ক্ষীণ শিখা জন্ম নেয়,<br />
তুমি তবুও অপার নির্লিপ্তির ছায়ায় বিলীন।</p>
<p>দিগন্তের প্রাচীন আকাশ আজ শব্দহীন,<br />
স্মৃতির অন্তর্গত অরণ্যে নেমে আসে ধূসর মেঘের শ্বাস।</p>
<p>আমার পদতলে জড়ো হয় বিরহের অনন্ত কণা,<br />
অলক্ষ্য সময়ের রন্ধ্রে গলে যায় সমস্ত প্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250120"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250120/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ccc80efa7b9a22467570f0510ee6c6f8</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) and ইফতিশা খানম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249780/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 16:55:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ba6c21be2e72894454258dd2349116dd</guid>
				<title>রাইসার ডাইরি থেকে—
১৯শে মে ২০২৬
মঙ্গলবার, সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট

তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা
-শহীদ কাদরী

ভয় নেই
আমি এমন ব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনী
গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে
মার্চপাস্ট করে চলে যাবে
এবং স্যালুট করবে
কেবল তোমাকে প্রিয়তমা।

ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো
বন-বাদাড় ডিঙ্গিয়ে
কাঁটা-তার, ব্যারিকেড পার হয়ে, অনেক রণাঙ্গনের স্মৃতি নিয়ে
আর্মার্ড-কারগুলো এসে দাঁড়াবে
ভায়োলিন বোঝাই করে
কেবল তোমার দোরগোড়ায় প্রিয়তমা।

ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো-
বি-৫২ আর মিগ-২১গুলো
মাথার ওপর গোঁ-গোঁ করবে

ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো
চকোলেট, টফি আর লজেন্সগুলো
প্যারাট্রুপারদের মতো ঝরে পড়বে
কেবল তোমার উঠোনে প্রিয়তমা।

ভয় নেই…আমি এমন ব্যবস্থা করবো
একজন কবি কমান্ড করবেন বঙ্গোপসাগরের সবগুলো রণতরী
এবং আসন্ন নির্বাচনে সমরমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিযোগিতায়
সবগুলো গণভোট পাবেন একজন প্রেমিক, প্রিয়তমা

সংঘর্ষের সব সম্ভাবনা, ঠিক জেনো, শেষ হবে যাবে-
আমি এমন ব্যবস্থা করবো, একজন গায়ক
অনায়াসে বিরোধীদলের অধিনায়ক হয়ে যাবেন
সীমান্তের ট্রেঞ্চগুলোয় পাহারা দেবে সারাটা বৎসর
লাল নীল সোনালি মাছ—
ভালোবাসার চোরাচালান ছাড়া সবকিছু নিষিদ্ধ হয়ে যাবে, প্রিয়তমা।

ভয় নেই আমি এমন ব্যবস্থা করবো মুদ্রাস্ফীতি কমে গিয়ে বেড়ে যাবে
শিল্পোত্তীর্ণ কবিতার সংখ্যা প্রতিদিন
আমি এমন ব্যবস্থা করবো গণরোষের বদলে
গণচুম্বনের ভয়ে
হন্তারকের হাত থেকে পড়ে যাবে ছুরি, প্রিয়তমা।

ভয় নেই,
আমি এমন ব্যবস্থা করবো
শীতের পার্কের ওপর বসন্তের সংগোপন আক্রমণের মতো
অ্যাকর্ডিয়ান বাজাতে-বাজাতে বিপ্লবীরা দাঁড়াবে শহরে,
ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো
স্টেটব্যাংকে গিয়ে
গোলাপ কিম্বা চন্দ্রমল্লিকা ভাঙালে অন্তত চার লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে
একটি বেলফুল দিলে চারটি কার্ডিগান।
ভয় নেই, ভয় নেই
ভয় নেই,
আমি এমন ব্যবস্থা করবো
নৌ, বিমান আর পদাতিক বাহিনী
কেবল তোমাকেই চতুর্দিক থেকে ঘিরে-ঘিরে
নিশিদিন অভিবাদন করবে, প্রিয়তমা।

কবি শহীদ কাদীর-এর কবিতা পড়ছিলাম, এদিকে লবণ, অক্সিডিয়েন আর বাফার মিশ্রিত দ্রবণ পড়ছে চোখ থেকে। এরপর আর বসে থাকি কিভাবে? আবৃত্তি শুনলাম আসাদুজ্জামান নূরের। একবার, কয়েকবার, ফোনের চার্জ 35% থেকে 16% হওয়া পর্যন্ত বারবার। এখন, যদি না লিখি, আমার পাপ হবে। এখনও যদি স্বীকার না করি যে, “কবিরা আসলেই ভালোবাসে আর ভালো না বাসলে কবিতা লেখা যায় না”— সবুজ স্যারের এই কথা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি। তাহলে আমার পাপ হবে।
আগে বিশ্বাস করতাম না। আমি জানিও না ভালোবাসা কি জিনিস। একেকজন মানুষ একেকরকম সংজ্ঞা, বর্ণনা দিয়ে যায়, বাচ্চাদের মতো মুগ্ধতা নিয়ে তাদের কথা শুনি শুধু। তবে আশ্চর্য! কবিরা কী দারুণভাবে ভালোবাসেন তাই না?
যখন কবি বললেন তিনি এমন ব্যবস্থা করবেন যেন সেনাবাহিনী গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে মার্চপাস্ট করে চলে যাবে এবং স্যালুট করবে কেবল তাঁর প্রিয়তমাকে!
আবার যখন বললেন, “ভয় নেই…আমি এমন ব্যবস্থা করবো
একজন কবি কমান্ড করবেন বঙ্গোপসাগরের সবগুলো রণতরী
এবং আসন্ন নির্বাচনে সমরমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিযোগিতায়
সবগুলো গণভোট পাবেন একজন প্রেমিক”
অথবা, “আমি এমন ব্যবস্থা করবো মুদ্রাস্ফীতি কমে গিয়ে বেড়ে যাবে
শিল্পোত্তীর্ণ কবিতার সংখ্যা প্রতিদিন”
অথবা, “আমি এমন ব্যবস্থা করবো গণরোষের বদলে
গণচুম্বনের ভয়ে
হন্তারকের হাত থেকে পড়ে যাবে ছুরি, প্রিয়তমা।”
অথবা যখন বললেন, “আমি এমন ব্যবস্থা করবো
স্টেটব্যাংকে গিয়ে
গোলাপ কিম্বা চন্দ্রমল্লিকা ভাঙালে অন্তত চার লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে
একটি বেলফুল দিলে চারটি কার্ডিগান।”

আহা! কবি কতো গভীরভাবেই না ভালোবেসেছেন প্রিয়তমাকে, মানুষকে আর আমাকেই কীভাবে ভালোবাসতে শেখাচ্ছেন! আমি ভালোবাসতে চাই। আমি এমন ব্যবস্থা করতে চাই যেন সবাই ভালোবাসে! আমি ভালোবাসতে চাই, আমি প্রেমে পড়তে চাই সুন্দরের, অসুন্দরের, বেগুনি রজনীগন্ধা, পদ্ম, গাঁদা, ভোরের পাখি, দাঁড়কাক, মৌমাছি, জোনাকি, সিংহ, হরিণ, কুকুর, বিড়াল, গাভী, বাঁশঝাড়, শতবর্ষীয় বট, শতদল, স্রোত, আগুন, মাটি, বাতাস, রৌদ্র, আশা, ক্ষুধা, দরিদ্রতা, মমতা, নিষ্পাপতা, বেদনা, হাসি, বৃদ্ধ, শিশু, প্রেমিক/প্রেমিকা, বন্ধুরা, অপরিচিত মানুষ, প্রতিবেশী সবার! সবকিছুর! আমি প্রেমে পড়তে চাই বারবার!! ভালোবাসতে চাই, হাজারবার!!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249702/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 11:51:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাইসার ডাইরি থেকে—<br />
১৯শে মে ২০২৬<br />
মঙ্গলবার, সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট</p>
<p>তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা<br />
-শহীদ কাদরী</p>
<p>ভয় নেই<br />
আমি এমন ব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনী<br />
গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে<br />
মার্চপাস্ট করে চলে যাবে<br />
এবং স্যালুট করবে<br />
কেবল তোমাকে প্রিয়তমা।</p>
<p>ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো<br />
বন-বাদাড় ডিঙ্গিয়ে<br />
কাঁটা-তার, ব্যারিকেড পার হয়ে, অনেক রণাঙ্গন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249702"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249702/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8ff7dae6ad3f27d4787ea4054efffa17</guid>
				<title>বিষাদ সিন্ধু পার করে কী পেলে?
-রাইসা আনজুম

তোমাকে দেখে অবাক হই, 
কষ্ট পেয়ে তুমি হাসতে ভুলে গেলে। 
বাধ্য ছিলে, আরও বাধ্য হলে। 
আধুনিকতা তোমায় ভাসালো, 
না তুমি ভাসলে?

তবে বলতে পারো কী? 
এই বিষাদ সিন্ধু পার করে কী পেলে?

ঠোঁট নানান রঙে রাঙিয়ে, 
অন্তরের লাবণ্য ঢেকে দিয়ে, 
চঞ্চল আখি স্থির করে, 
অদ্ভুদ ভাবমূর্তি ধারণ করলে। 
তোমাকে দেখে অবাক হই, 
এই বিষাদ সিন্ধু পার করে কী পেলে?

রঙ-তুলি তোমার হাতে উঠলো না। 
একটা ফুল তোমার ছোঁয়া পেলো না। 
চিরচেনা তোমায় আর কখনো দেখলাম না। 
নিজেকে জাহির করবার যুদ্ধে নেমেছো! 
তুমি নিজেকে বুঝি খুজে পেয়েছো?

বিষাদ সিন্ধু আদৌ কি পাার করেছো?


প্রকাশনা বিবরণ:
বই: বসন্তের বিকাল
সম্পাদক: হাসিবুর রহমান
প্রকাশক: জুয়েল আহমেদ রানা,
ছায়া প্রকাশনা,
৩৪ বাংলাবাজার, ঢাকা।
প্রথম প্রকাশ: অমর একুশে বইমেলা-২০২৫</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249694/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 11:42:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিষাদ সিন্ধু পার করে কী পেলে?<br />
-রাইসা আনজুম</p>
<p>তোমাকে দেখে অবাক হই,<br />
কষ্ট পেয়ে তুমি হাসতে ভুলে গেলে।<br />
বাধ্য ছিলে, আরও বাধ্য হলে।<br />
আধুনিকতা তোমায় ভাসালো,<br />
না তুমি ভাসলে?</p>
<p>তবে বলতে পারো কী?<br />
এই বিষাদ সিন্ধু পার করে কী পেলে?</p>
<p>ঠোঁট নানান রঙে রাঙিয়ে,<br />
অন্তরের লাবণ্য ঢেকে দিয়ে,<br />
চঞ্চল আখি স্থির করে,<br />
অদ্ভুদ ভাবমূর্তি ধারণ করলে।<br />
তোমাকে দেখে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249694"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249694/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">253d02b29b4a0487fe5dd812f4859499</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) and মোহাম্মদ শাহজামান শুভ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249457/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 01:50:46 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">85af14643e98c7e1d2cc27ff608844a1</guid>
				<title>নিয়তি
রাইসা আনজুম

তোমাকে সবটুকু আদর নিংড়ে দিতে,
নীলমণি লতার বুক যেন যায় ফেটে।
তুমি কল্পনায় বাস করো।
তোমার বিষাদে,
সুখ পাখি কাঁদে।
তোমার অশ্রু,
প্রজাপতির রঙ কাড়ে।
তুমি রাজা, ভাবছো হেরে যাবে?
সুন্দর এক ভোর আসুক তোমার জীবনে
সে আশায়,
ডাকিনী তোমার ইশ্বরের আরাধনা করে।
তুমি ভাবছো হেরে যাবে?
যামিনী তোমার চরণে লুটে
কোনকালে হাহাকার করবে।
সেইদিন হেরে যাবে-নিয়তি।

প্রকাশনা বিবরণ:
বই: বসন্তের বিকাল
সম্পাদক: হাসিবুর রহমান
প্রকাশক: জুয়েল আহমেদ রানা, 
ছায়া প্রকাশনা, 
৩৪ বাংলাবাজার, ঢাকা।
প্রথম প্রকাশ: অমর একুশে বইমেলা-২০২৫</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249196/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 08:05:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিয়তি<br />
রাইসা আনজুম</p>
<p>তোমাকে সবটুকু আদর নিংড়ে দিতে,<br />
নীলমণি লতার বুক যেন যায় ফেটে।<br />
তুমি কল্পনায় বাস করো।<br />
তোমার বিষাদে,<br />
সুখ পাখি কাঁদে।<br />
তোমার অশ্রু,<br />
প্রজাপতির রঙ কাড়ে।<br />
তুমি রাজা, ভাবছো হেরে যাবে?<br />
সুন্দর এক ভোর আসুক তোমার জীবনে<br />
সে আশায়,<br />
ডাকিনী তোমার ইশ্বরের আরাধনা করে।<br />
তুমি ভাবছো হেরে যাবে?<br />
যামিনী তোমার চরণে লুটে<br />
কোনকালে হাহা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249196"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249196/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3a8d50f22906bef40a924b4cf6384b39</guid>
				<title>&quot;আজকাল মানুষ কবিতা পড়েনা&quot;— ব্যাঙ্গাত্মক ভাবে কথাটা আমাকে বলেছিলেন হাইস্কুলের এক টিচার। আমার তখন বয়স ১৩, কোভিডের আগের ঘটনা, সাল ২০২০। কথাটা বলার কারণ হচ্ছে ওনার প্রিয় ছাত্রীর গল্প স্কুলের ম্যাগাজিনে প্রকাশ না হওয়া বরং আমার কবিতার স্থান পাওয়া। প্রচন্ড কষ্টে রাতে বালিশে মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে কেঁদেছিলাম সেরাতে।  

গতো বছর ছায়া প্রকাশনার সম্পাদক হাসিব ভাইয়া এবং প্রকাশক রানা ভাইয়ার সাহায্যে আরো কয়েকজন কবির সাথে যৌথভাবে আমার কবিতা প্রকাশ হয়। একই সাথে এই বইয়ে আমার কবি বাবার কবিতাও প্রকাশ হয়। বাবাকে না জানিয়েই সবটা করা। নিজের লেখা প্রকাশের প্রতি তেমন আগ্রহ পান না বাবা। বাবা দারুণ খুশি হয়। তবে বই যেদিন বাবার হাতে দেই, বাবা খুব আক্ষেপ নিয়ে বলে, &quot; আজকাল মানুষ কবিতা পড়ে না।&quot; 

তুলটের সাথে যোগাযোগ অনেক আগে থেকে। শুধু লেখার সাহস হয়নি। অনেক সাহস করে পোস্ট করতে শুরু করলাম অবশেষে। জানাবেন কেমন লিখি। আমি ছোট একটা মানুষ, অনেক কিছু বুঝিনা, জানিনা। ভুল ত্রুটিগুলো ধরিয়ে দেবেন আর উপদেশও দেবেন। 

ধন্যবাদ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249189/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 08:02:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;আজকাল মানুষ কবিতা পড়েনা&#8221;— ব্যাঙ্গাত্মক ভাবে কথাটা আমাকে বলেছিলেন হাইস্কুলের এক টিচার। আমার তখন বয়স ১৩, কোভিডের আগের ঘটনা, সাল ২০২০। কথাটা বলার কারণ হচ্ছে ওনার প্রিয় ছাত্রীর গল্প স্কুলের ম্যাগাজিনে প্রকাশ না হওয়া বরং আমার কবিতার স্থান পাওয়া। প্রচন্ড কষ্টে রাতে বালিশে মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে কেঁদেছিলাম সেরাতে।  </p>
<p>গতো বছর ছায়া প্রকাশনার সম্পাদক হাসিব ভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249189"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249189/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">90ef1573eaaab24366e15761090f5710</guid>
				<title>মেঘের মায়া
 রাইসা আনজুম 

​জনারণ্যের কোলাহলে আমায় পাবে না খুঁজে,
আমায় যদি খুঁজতেই হয়— 
তবে দেখো মেঘের ভাঁজে।
সেখানেই আমার পরম স্থিতি, 
সেখানেই আসল বাস,
যেথায় নিঃশব্দে মিশে আছে আমার গূঢ় ইতিহাস।
​একবার যদি সেই অসীমে পাও আমার দেখা,
দেখবে এক অন্য আমি— 
বর্ণিল অথচ একা;
বিস্ময়ে স্তব্ধ হবে তুমি, 
মুগ্ধতা ছড়াবে প্রাণে,
যখন আমার সত্য রূপটি ভাসবে তোমার নয়নে।

(১২-ই মে ২০২৬)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249097/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 01:59:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মেঘের মায়া<br />
 রাইসা আনজুম </p>
<p>​জনারণ্যের কোলাহলে আমায় পাবে না খুঁজে,<br />
আমায় যদি খুঁজতেই হয়—<br />
তবে দেখো মেঘের ভাঁজে।<br />
সেখানেই আমার পরম স্থিতি,<br />
সেখানেই আসল বাস,<br />
যেথায় নিঃশব্দে মিশে আছে আমার গূঢ় ইতিহাস।<br />
​একবার যদি সেই অসীমে পাও আমার দেখা,<br />
দেখবে এক অন্য আমি—<br />
বর্ণিল অথচ একা;<br />
বিস্ময়ে স্তব্ধ হবে তুমি,<br />
মুগ্ধতা ছড়াবে প্রাণে,<br />
যখন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249097"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249097/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1595135e92e268117373bd080b4395ea</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) and অনুভূতির ডাইরি are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248321/</link>
				<pubDate>Sat, 16 May 2026 15:22:48 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">148e47bb34ad11e6c54785e464e51ab1</guid>
				<title>রাইসার ডাইরি থেকে—
২৪-০৩-২০২৬

আজকে বাবা আমাদের ঘুরতে নিয়ে গেলো পানিশাইল পার হয়ে, মানিকগঞ্জে কোথাও (জায়গার নাম জানিনা) ফুচকা খাওয়ার জন্য। জায়গাটা অসম্ভব সুন্দর! ঐদিকে লোকের বসতি কম, গাছপালা বেশি, এতো রকম পাখি একসাথে ডাকে যে বোঝাই যায় না কোনটা কোন পাখির ডাক। নতুন কিছু পাখির ডাকও শুনলাম।
ফুচকা খাওয়ার পরে রোড পার হয়ে আমরা হাঁটতে হাঁটতে একটা ব্রিজের ওপর আসলাম, এই সময় বাবা হাত এগিয়ে দিলো, আমি একদম ছোটবেলার মতো বাবার একটা আঙুল ধরে হাঁটতে লাগলাম। মনে হচ্ছিলো এই দৃশ্য আমার বহুদিনের চেনা। হাত নেড়ে নেড়ে কথা বলা, কথা বলতে বলতে, নানান প্রশ্ন করতে করতে বাবাকে পাগল করে ফেলা! শুধু হাইট আমার একটু বেশি। বাবার বয়স আর পেটটা বেড়েছে৷ 
যাইহোক সে জায়গা অনেক সুন্দর, সুন্দরের প্রসংশা সবাই করবে। আমি বলছি অন্য কথা। পানিশাইলে আমাদের জমিতেও গেলাম পরে, ঐখানে এত্তোগুলো হলুদ প্রজাপতি!!! আমার মনে হচ্ছিলো আমি ছোট বাচ্চা হয়ে গেছি আবার! ৫ টা, ১০ টা.... মনে হচ্ছিলো গুনে শেষ করা যাবে না ২০-২৫ টার বেশি তো হবেই! প্রজাপতি দেখে ওদের পেছন পেছন যাওয়ার বদ অভ্যেস আছে আমার কিন্তু একী! এরা তো সব আমার চারিদিকেই ঘুরছে! এ্যাই! তোমরা কী আমার জামার রঙ দেখে ভাবছো আমি তোমাদেরই একজন? আমাকে সাথে নিয়ে উড়তে পারবে!?
তোমরা কি সবাই পরীদের দেশ থেকে এসেছো? আমাকে সাথে নেবে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248076/</link>
				<pubDate>Sat, 16 May 2026 03:03:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাইসার ডাইরি থেকে—<br />
২৪-০৩-২০২৬</p>
<p>আজকে বাবা আমাদের ঘুরতে নিয়ে গেলো পানিশাইল পার হয়ে, মানিকগঞ্জে কোথাও (জায়গার নাম জানিনা) ফুচকা খাওয়ার জন্য। জায়গাটা অসম্ভব সুন্দর! ঐদিকে লোকের বসতি কম, গাছপালা বেশি, এতো রকম পাখি একসাথে ডাকে যে বোঝাই যায় না কোনটা কোন পাখির ডাক। নতুন কিছু পাখির ডাকও শুনলাম।<br />
ফুচকা খাওয়ার পরে রোড পার হয়ে আমরা হাঁটতে হাঁটতে একটা ব্রি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248076"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248076/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">96d17b1ef74c88052a9a8df2d47f459c</guid>
				<title>ফাগুনের কান্না 
 রাইসা আনজুম 

সাদা মেঘের আবরণ
বসন্তের আকাশ জুড়ে।
চারিদিকে এত রঙ,
পবিত্রতা, মাধুর্য—
প্রেমে বুক পরিপূর্ণ, তবু
গলিত কাজল নামে
কিশোরীর দু’গাল বেয়ে।

(বেলা ১১:৫৭
১০ই ফাল্গুন ১৪৩২, 
সোমবার)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247842/</link>
				<pubDate>Thu, 14 May 2026 20:04:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফাগুনের কান্না<br />
 রাইসা আনজুম </p>
<p>সাদা মেঘের আবরণ<br />
বসন্তের আকাশ জুড়ে।<br />
চারিদিকে এত রঙ,<br />
পবিত্রতা, মাধুর্য—<br />
প্রেমে বুক পরিপূর্ণ, তবু<br />
গলিত কাজল নামে<br />
কিশোরীর দু’গাল বেয়ে।</p>
<p>(বেলা ১১:৫৭<br />
১০ই ফাল্গুন ১৪৩২,<br />
সোমবার)</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ec00dd104d8e50e1b59d9b12069f8cd7</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247751/</link>
				<pubDate>Thu, 14 May 2026 13:28:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c95885d4e3d83c591165f602b067f33e</guid>
				<title>নির্ঘুম 
 রাইসা আনজুম 

সদ্য ছাঁদের কাজ শেষ হয়েছে। ছাঁদ কাঁচা। চারিদিক নিরব, কোথাও কারো কোনো সাড়াশব্দ নেই। ফ্যান ঘুরছে, পাশে বোন এক হাত কপালে রেখে অঘোরে ঘুমাচ্ছে। সব চুপ………..  বিছানা থেকে নেমে ওড়না ঠিক করে নিয়ে এগোলো সে। দরজা খুলতেই মিটারের শব্দ, টিপ… টিপ… টিপ… টিপ…. সাথে বাবার নাক ডাকার শব্দ। বাবার কী ঘুমের সময় কষ্ট হয় না? আম্মু কিভাবে ঘুমায়? আহারে প্রেম তাঁদের! যদিও তার ধারণা এই প্রেম আরো বেশি হওয়া উচিত। সে আশা করে এই প্রেম আরো কয়েকগুণ বৃদ্ধি যেন পায়। চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তেই যেন থাকে! 
সামনে থেকে হেঁটে গুণে গুণে ১৯ কদম তারপর সিঁড়ি বেয়ে উপরে। লম্বা একটা শ্বাস! চারদিক ইষৎ কালো। ঠান্ডা হাওয়া, তার এলোচুল উড়ছে। 
হুমহু বহু বাসনাই প্রাআণ পণে চাআআই~
বঞ্চিত করে বাঁচালে মোরে… 
আমি বহু বাসনাই প্রাণ পণে চাই~~
বঞ্চিত করে বাঁচালে মোরে। 
এ কৃপা কঠর সঞ্চিত… থামে সে। ঠান্ডা লাগছে। ঘরে ফ্যান এতো জোরে ঘুরছিলো অথচ এখানে ঠান্ডা বেশি। ওড়নায় হাওয়া লাগছে, সে উঠে দাঁড়ায় দেয়ালে। বরাবরই উচ্চতায় ভয়। সে মনে করতে চেষ্টা করে —

কল্পলোকের অর্শিতে

সারাদিন কর্মব্যস্ততা, অতঃপর রাতের নীরবতা—
সবাই যখন ঘুমের ঘোরে, 
নিদ্রাদেবীর কোলে, 
নির্ঘুম কাঁটে কষ্টের রাত।
…  …   …
(কী ছিলো মাঝে? মনে কেন নেই তার? এ কবিতা কী ভোলা সম্ভব?)
দু-চোখের নোনাজলে। 

হঠাৎ মনে হলো চারদিক আলো হয়েছে খানিক।

কেমন লাগলো জানাবেন &#x1f60a;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247718/</link>
				<pubDate>Thu, 14 May 2026 10:50:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নির্ঘুম<br />
 রাইসা আনজুম </p>
<p>সদ্য ছাঁদের কাজ শেষ হয়েছে। ছাঁদ কাঁচা। চারিদিক নিরব, কোথাও কারো কোনো সাড়াশব্দ নেই। ফ্যান ঘুরছে, পাশে বোন এক হাত কপালে রেখে অঘোরে ঘুমাচ্ছে। সব চুপ………..  বিছানা থেকে নেমে ওড়না ঠিক করে নিয়ে এগোলো সে। দরজা খুলতেই মিটারের শব্দ, টিপ… টিপ… টিপ… টিপ…. সাথে বাবার নাক ডাকার শব্দ। বাবার কী ঘুমের সময় কষ্ট হয় না? আম্মু কিভাবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247718"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247718/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4b84a3d066e0448cb8c27b5425641d72</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) and Syed Farah are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247608/</link>
				<pubDate>Wed, 13 May 2026 13:02:50 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3b301af3e0e6b92bbb3374aa5188b739</guid>
				<title>আশ্রয় 
রাইসা আনজুম 

একটুখানি জায়গা দাও আমায়,
আকুল হয়ে চাই।
আমার কান্না ছুঁতে পারে না তোমার মন,
আমার শ্বাস মিশে যায় শূন্যতায়।
তোমার শহর আমায় ভালোবাসে না,
তবু আশ্রয়ের খোঁজে ফিরি।
একটুখানি জায়গা দাও আমায়!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247607/</link>
				<pubDate>Wed, 13 May 2026 12:59:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আশ্রয়<br />
রাইসা আনজুম </p>
<p>একটুখানি জায়গা দাও আমায়,<br />
আকুল হয়ে চাই।<br />
আমার কান্না ছুঁতে পারে না তোমার মন,<br />
আমার শ্বাস মিশে যায় শূন্যতায়।<br />
তোমার শহর আমায় ভালোবাসে না,<br />
তবু আশ্রয়ের খোঁজে ফিরি।<br />
একটুখানি জায়গা দাও আমায়!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>