<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | রাইসা আনজুম (পর্শি) | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/raisaanjumporshi/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/raisaanjumporshi/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for রাইসা আনজুম (পর্শি).</description>
	<lastBuildDate>Thu, 04 Jun 2026 18:32:44 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">b6daea1e82c84c958662c53216deda88</guid>
				<title>Worth It
 -Raisa Anjum (Porshi)

She’s damaged—
not destroyed.
A Queen who carries wounds you’ll never see
and fears she rarely names.

She acts strong,
but inside her a war still rages—
between hope and memory,
love and the ghosts of what broke her.

She won’t be the easiest to love.
She overthinks,
she pulls back,
she needs reassurance more than most—
not from weakness,
but from everything she has survived.

But if she lets you in,
if she trusts you with the pieces—
she’ll love you with a soul
that refuses to quit,
a heart that rebuilt itself
from ruins.

She may be damaged,
yes—
but she is worth the kind of love
that stays.

12:10 pm 
Dec 11th, 2025</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/253126/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 12:36:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>Worth It<br />
 -Raisa Anjum (Porshi)</p>
<p>She’s damaged—<br />
not destroyed.<br />
A Queen who carries wounds you’ll never see<br />
and fears she rarely names.</p>
<p>She acts strong,<br />
but inside her a war still rages—<br />
between hope and memory,<br />
love and the ghosts of what broke her.</p>
<p>She won’t be the easiest to love.<br />
She overthinks,<br />
she pulls back,<br />
she needs rea&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-253126"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/253126/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d145947eeb86edcdf1173b969082f9ad</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/253016/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 03:41:25 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">05d1c42447b598303834d0787769a696</guid>
				<title>প্রাচীর 

অতঃপর? 
অতঃপর তাহারা দুইজনেই ভাবিতে লাগিলো, মালিকুল মুলক্ কেমন করিয়া অপরজনের ক্ষুদ্র হৃদয়খানি প্রশস্ত হইতে প্রশস্ততর না করিয়া জগৎ সংসার দেখিতেছেন। তিনি বুঝি তাহাদিগের বিরহ বোঝেন না? অপরজনই বা কেমন মানুষ! গোবেচারা ধরনের পুরুষ যে নিজেকে পুরুষ সিংহের চেয়ে বরং পুরুষ বেড়াল ভাবতে পছন্দ করে সে ভাবিতে লাগিলো, এ কেমন মেয়ে মানুষ? সে কী আমার ছবি খুলিয়া লইয়া কল্পনায় আমার সহিত আলাপে লিপ্ত হয়না? সে কেন সাহসিনী হইয়া সামনে আসিয়া দাঁড়ায় না? সে আদৌও আমার কথা মনে করে? আর অপর প্রান্তে অভিমানীনী, নিদ্রা বিসর্জন কারিনী মাঝরাত্তিরে কাদিয়া বুক ভাসাইয়া ভাবে, কেন এমন হইলো? এ কেমন বিচার বিশ্বেশ্বরের? কেন তিনি লোকটার ক্ষুদ্র তনুতে অতখানি পাষাণ পুরিয়া দিলেন? কেন দিলেন এমন একখানা অবুঝ হিয়া, যাহা ব্যাকুলতা চেনে কিন্তু তাহা প্রকাশ করিতে জানে না?
মাঝরাত্রির নিস্তব্ধতা ভাঙিয়া কেবল একখানা দীর্ঘশ্বাস ঘরের দেয়ালে দেয়ালে প্রতিধ্বনিত হয়। অভিমানীনী চোখের জল মুছিয়া জানালার বাহিরে তাকায়। কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ তখন মেঘের আড়ালে মুখ লুকাইতেছে, যেন এই বিরহগাথা তাহারও সহ্য হইতেছে না। সে ভাবিতে থাকে—যে মানুষটা নিজের পৌরুষের দাপট দেখাইতে জানে না, যে চতুষ্পদের মতো গুটিসুটি মারিয়া নিজের কোণে পড়িয়া থাকিতে ভালোবাসে, সে কী করিয়া এক লহমায় এতখানি নিষ্ঠুর হইতে পারিল? তাহার কি একবারও মনে পড়ে না সেইসব অলিখিত মুহূর্তদের কথা?
আর ওদিকে, সেই ‘পুরুষ বেড়াল’ গোছের মানুষটি বিছানায় এপাশ-ওপাশ করে। সে ঘরের এক কোণে জমাট বাঁধা অন্ধকারের দিকে চাহিয়া থাকে। তাহার মনে হয়, ভালোবাসা বুঝি এক মস্ত বড় ধাঁধা, যাহার উত্তর মেলাবার সাধ্য তাহার এই সাধারণ মগজে নাই। সে নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করে, &quot;আমি না হয় ভীরু, আমি না হয় জড়তাহীন এক অদ্ভুত জীব—কিন্তু সে তো অনন্য, সে তো তেজস্বিনী! তবে তাহার মনে কেন এত সংশয়ের পাহাড়? সে কেন চিল্কোঠার রেলিং ধরিয়া এক ফালি আকাশ দেখিয়া ভাবিতে পারে না যে, এই একই আকাশের নিচে অন্য এক প্রান্ত হইতে কেহ তাহার জন্যই ব্যাকুল হইতেছে?&quot;
মালিকুল মুলক্ হয়তো ওপর হইতে দেখিয়া হাসেন। তিনি জানেন, এই দুই অবুঝ প্রাণ আসলে একই সুতোয় বাঁধা, অথচ অহংকার আর সংকোচের দুই বিপরীত মেরুতে বসিয়া তাহারা কেবলই দূরত্বের পরিমাপ করিতেছে। জগৎ সংসার তাহার নিয়মেই চলে, জোয়ার-ভাটা আসে, ঋতু বদলায়। শুধু এই দুই মান-অভিমানের যাত্রী নিজেদের গড়া এক অদৃশ্য প্রাচীরের দুই পাশে বসিয়া ভাবিতে থাকে—
&quot;অতঃপর? এই অপেক্ষার শেষ কোথায়?&quot;


বিঃদ্রঃ আমি গল্প লিখতে পারিনা। কম শব্দে ভাব বোঝাতে পছন্দ করি বলে কবিতায় আমার সাচ্ছন্দ্য। অনেকেই বলেন গল্প লিখতে, মাঝে মাঝে ক্ষুদ্র এসব মনস্তাত্ত্বিক আবহ প্রকাশ করতে চেষ্টা করি। ভালো লাগা, খারাপ লাগা জানাবেন। কোনো উপদেশ থাকলে তা-ও  জানাবেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252953/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 09:01:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রাচীর </p>
<p>অতঃপর?<br />
অতঃপর তাহারা দুইজনেই ভাবিতে লাগিলো, মালিকুল মুলক্ কেমন করিয়া অপরজনের ক্ষুদ্র হৃদয়খানি প্রশস্ত হইতে প্রশস্ততর না করিয়া জগৎ সংসার দেখিতেছেন। তিনি বুঝি তাহাদিগের বিরহ বোঝেন না? অপরজনই বা কেমন মানুষ! গোবেচারা ধরনের পুরুষ যে নিজেকে পুরুষ সিংহের চেয়ে বরং পুরুষ বেড়াল ভাবতে পছন্দ করে সে ভাবিতে লাগিলো, এ কেমন মেয়ে মানুষ? সে কী আমার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252953"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252953/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>16</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2e8eef810e32afc6a1ce75051fcd802e</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) and অরুণ কুমার গোস্বামী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250599/</link>
				<pubDate>Sat, 23 May 2026 09:28:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e47051a26be94ab7ea914412da3e99a3</guid>
				<title>সত্যের সন্ধানে
-রাইসা আনজুম

আত্মার মুক্তিবাঁধন যতোই কঠিন হোক, 
শরীরের এই কাঁটাতার, 
আত্মা খুঁজে ফেরে মুক্তির পথ, 
চায় অনন্তের পার।
এই দেহের অন্তঃসারে, 
ক্ষণিক সুখের কারাগারে,
আত্মা চায় ছুটে যেতে,
অন্তরীক্ষের একান্ত স্রোতে।
জীবনের এ প্রান্তরে, 
দুঃখ-সুখের অশেষ দানে, 
আত্মা খোঁজে যে শান্তির ধারা,
মুক্তির সেই সঞ্জীবনে।
ধর্মের বাঁধা, মোহের ফাঁদ, 
সব কিছু ফেলে পেছনে, 
আত্মা চায় পূর্ণতা, প্রকৃতিতে, 
একাত্মা হতে স্বয়ং বিধানে।
মৃত্যুর শেষে নয়, মুক্তি আসে জীবনের ধ্যানে, 
যেখানে ক্ষুদ্রতাকে ছেড়ে, 
আত্মা স্রোতে মেশে মহাকাশের গানে।
এই খোঁজ, এই যাত্রা, 
শেষ নয় কোনো বাঁধনে, 
আত্মা পায় মুক্তির স্বাদ, 
যখন মেলে প্রেমের সেই অমৃত বানে।


প্রকাশনা বিবরণ:
বই: বসন্তের বিকাল
সম্পাদক: হাসিবুর রহমান
প্রকাশক: জুয়েল আহমেদ রানা,
ছায়া প্রকাশনা,
৩৪ বাংলাবাজার, ঢাকা।
প্রথম প্রকাশ: অমর একুশে বইমেলা-২০২৫</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250466/</link>
				<pubDate>Sat, 23 May 2026 04:29:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সত্যের সন্ধানে<br />
-রাইসা আনজুম</p>
<p>আত্মার মুক্তিবাঁধন যতোই কঠিন হোক,<br />
শরীরের এই কাঁটাতার,<br />
আত্মা খুঁজে ফেরে মুক্তির পথ,<br />
চায় অনন্তের পার।<br />
এই দেহের অন্তঃসারে,<br />
ক্ষণিক সুখের কারাগারে,<br />
আত্মা চায় ছুটে যেতে,<br />
অন্তরীক্ষের একান্ত স্রোতে।<br />
জীবনের এ প্রান্তরে,<br />
দুঃখ-সুখের অশেষ দানে,<br />
আত্মা খোঁজে যে শান্তির ধারা,<br />
মুক্তির সেই সঞ্জীবনে।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250466"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250466/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c918e6131ea0d061d3941ff92bd9349c</guid>
				<title>Bound by the Unseen
-Raisa Anjum (Porshi) 

Two souls adrift in distant seas,
Tied by whispers the wind conceals.
Each glance exchanged, though never met,
A love unvoiced, yet deeply felt.
Through it all, our hearts ignite.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250345/</link>
				<pubDate>Fri, 22 May 2026 14:14:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>Bound by the Unseen<br />
-Raisa Anjum (Porshi) </p>
<p>Two souls adrift in distant seas,<br />
Tied by whispers the wind conceals.<br />
Each glance exchanged, though never met,<br />
A love unvoiced, yet deeply felt.<br />
Through it all, our hearts ignite.</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5be090b37b8aced2e4d460ce14145e66</guid>
				<title>মনে করো তোমায় শোনাচ্ছি। তোমার যদিও শোনা হবে না। তোমাকেই উৎসর্গ। 

অন্তহীন নৈঃশব্দ্য
-রাইসা আনজুম 

এই বালুময় পথে দুর্বার ক্ষীণ শিখা জন্ম নেয়,
তুমি তবুও অপার নির্লিপ্তির ছায়ায় বিলীন।

দিগন্তের প্রাচীন আকাশ আজ শব্দহীন,
স্মৃতির অন্তর্গত অরণ্যে নেমে আসে ধূসর মেঘের শ্বাস।

আমার পদতলে জড়ো হয় বিরহের অনন্ত কণা,
অলক্ষ্য সময়ের রন্ধ্রে গলে যায় সমস্ত প্রতীক্ষা।

তুমি আসো না—
শুধু অন্তহীন নৈঃশব্দ্য, ভগ্ন প্রতিচ্ছবি, আর—
শূন্যতার বিষণ্ন উৎসব।
(৩রা জুলাই ২৫)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250120/</link>
				<pubDate>Thu, 21 May 2026 17:57:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনে করো তোমায় শোনাচ্ছি। তোমার যদিও শোনা হবে না। তোমাকেই উৎসর্গ। </p>
<p>অন্তহীন নৈঃশব্দ্য<br />
-রাইসা আনজুম </p>
<p>এই বালুময় পথে দুর্বার ক্ষীণ শিখা জন্ম নেয়,<br />
তুমি তবুও অপার নির্লিপ্তির ছায়ায় বিলীন।</p>
<p>দিগন্তের প্রাচীন আকাশ আজ শব্দহীন,<br />
স্মৃতির অন্তর্গত অরণ্যে নেমে আসে ধূসর মেঘের শ্বাস।</p>
<p>আমার পদতলে জড়ো হয় বিরহের অনন্ত কণা,<br />
অলক্ষ্য সময়ের রন্ধ্রে গলে যায় সমস্ত প্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250120"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250120/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ccc80efa7b9a22467570f0510ee6c6f8</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) and ইফতিশা খানম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249780/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 16:55:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ba6c21be2e72894454258dd2349116dd</guid>
				<title>রাইসার ডাইরি থেকে—
১৯শে মে ২০২৬
মঙ্গলবার, সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট

তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা
-শহীদ কাদরী

ভয় নেই
আমি এমন ব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনী
গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে
মার্চপাস্ট করে চলে যাবে
এবং স্যালুট করবে
কেবল তোমাকে প্রিয়তমা।

ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো
বন-বাদাড় ডিঙ্গিয়ে
কাঁটা-তার, ব্যারিকেড পার হয়ে, অনেক রণাঙ্গনের স্মৃতি নিয়ে
আর্মার্ড-কারগুলো এসে দাঁড়াবে
ভায়োলিন বোঝাই করে
কেবল তোমার দোরগোড়ায় প্রিয়তমা।

ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো-
বি-৫২ আর মিগ-২১গুলো
মাথার ওপর গোঁ-গোঁ করবে

ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো
চকোলেট, টফি আর লজেন্সগুলো
প্যারাট্রুপারদের মতো ঝরে পড়বে
কেবল তোমার উঠোনে প্রিয়তমা।

ভয় নেই…আমি এমন ব্যবস্থা করবো
একজন কবি কমান্ড করবেন বঙ্গোপসাগরের সবগুলো রণতরী
এবং আসন্ন নির্বাচনে সমরমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিযোগিতায়
সবগুলো গণভোট পাবেন একজন প্রেমিক, প্রিয়তমা

সংঘর্ষের সব সম্ভাবনা, ঠিক জেনো, শেষ হবে যাবে-
আমি এমন ব্যবস্থা করবো, একজন গায়ক
অনায়াসে বিরোধীদলের অধিনায়ক হয়ে যাবেন
সীমান্তের ট্রেঞ্চগুলোয় পাহারা দেবে সারাটা বৎসর
লাল নীল সোনালি মাছ—
ভালোবাসার চোরাচালান ছাড়া সবকিছু নিষিদ্ধ হয়ে যাবে, প্রিয়তমা।

ভয় নেই আমি এমন ব্যবস্থা করবো মুদ্রাস্ফীতি কমে গিয়ে বেড়ে যাবে
শিল্পোত্তীর্ণ কবিতার সংখ্যা প্রতিদিন
আমি এমন ব্যবস্থা করবো গণরোষের বদলে
গণচুম্বনের ভয়ে
হন্তারকের হাত থেকে পড়ে যাবে ছুরি, প্রিয়তমা।

ভয় নেই,
আমি এমন ব্যবস্থা করবো
শীতের পার্কের ওপর বসন্তের সংগোপন আক্রমণের মতো
অ্যাকর্ডিয়ান বাজাতে-বাজাতে বিপ্লবীরা দাঁড়াবে শহরে,
ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো
স্টেটব্যাংকে গিয়ে
গোলাপ কিম্বা চন্দ্রমল্লিকা ভাঙালে অন্তত চার লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে
একটি বেলফুল দিলে চারটি কার্ডিগান।
ভয় নেই, ভয় নেই
ভয় নেই,
আমি এমন ব্যবস্থা করবো
নৌ, বিমান আর পদাতিক বাহিনী
কেবল তোমাকেই চতুর্দিক থেকে ঘিরে-ঘিরে
নিশিদিন অভিবাদন করবে, প্রিয়তমা।

কবি শহীদ কাদীর-এর কবিতা পড়ছিলাম, এদিকে লবণ, অক্সিডিয়েন আর বাফার মিশ্রিত দ্রবণ পড়ছে চোখ থেকে। এরপর আর বসে থাকি কিভাবে? আবৃত্তি শুনলাম আসাদুজ্জামান নূরের। একবার, কয়েকবার, ফোনের চার্জ 35% থেকে 16% হওয়া পর্যন্ত বারবার। এখন, যদি না লিখি, আমার পাপ হবে। এখনও যদি স্বীকার না করি যে, “কবিরা আসলেই ভালোবাসে আর ভালো না বাসলে কবিতা লেখা যায় না”— সবুজ স্যারের এই কথা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি। তাহলে আমার পাপ হবে।
আগে বিশ্বাস করতাম না। আমি জানিও না ভালোবাসা কি জিনিস। একেকজন মানুষ একেকরকম সংজ্ঞা, বর্ণনা দিয়ে যায়, বাচ্চাদের মতো মুগ্ধতা নিয়ে তাদের কথা শুনি শুধু। তবে আশ্চর্য! কবিরা কী দারুণভাবে ভালোবাসেন তাই না?
যখন কবি বললেন তিনি এমন ব্যবস্থা করবেন যেন সেনাবাহিনী গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে মার্চপাস্ট করে চলে যাবে এবং স্যালুট করবে কেবল তাঁর প্রিয়তমাকে!
আবার যখন বললেন, “ভয় নেই…আমি এমন ব্যবস্থা করবো
একজন কবি কমান্ড করবেন বঙ্গোপসাগরের সবগুলো রণতরী
এবং আসন্ন নির্বাচনে সমরমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিযোগিতায়
সবগুলো গণভোট পাবেন একজন প্রেমিক”
অথবা, “আমি এমন ব্যবস্থা করবো মুদ্রাস্ফীতি কমে গিয়ে বেড়ে যাবে
শিল্পোত্তীর্ণ কবিতার সংখ্যা প্রতিদিন”
অথবা, “আমি এমন ব্যবস্থা করবো গণরোষের বদলে
গণচুম্বনের ভয়ে
হন্তারকের হাত থেকে পড়ে যাবে ছুরি, প্রিয়তমা।”
অথবা যখন বললেন, “আমি এমন ব্যবস্থা করবো
স্টেটব্যাংকে গিয়ে
গোলাপ কিম্বা চন্দ্রমল্লিকা ভাঙালে অন্তত চার লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে
একটি বেলফুল দিলে চারটি কার্ডিগান।”

আহা! কবি কতো গভীরভাবেই না ভালোবেসেছেন প্রিয়তমাকে, মানুষকে আর আমাকেই কীভাবে ভালোবাসতে শেখাচ্ছেন! আমি ভালোবাসতে চাই। আমি এমন ব্যবস্থা করতে চাই যেন সবাই ভালোবাসে! আমি ভালোবাসতে চাই, আমি প্রেমে পড়তে চাই সুন্দরের, অসুন্দরের, বেগুনি রজনীগন্ধা, পদ্ম, গাঁদা, ভোরের পাখি, দাঁড়কাক, মৌমাছি, জোনাকি, সিংহ, হরিণ, কুকুর, বিড়াল, গাভী, বাঁশঝাড়, শতবর্ষীয় বট, শতদল, স্রোত, আগুন, মাটি, বাতাস, রৌদ্র, আশা, ক্ষুধা, দরিদ্রতা, মমতা, নিষ্পাপতা, বেদনা, হাসি, বৃদ্ধ, শিশু, প্রেমিক/প্রেমিকা, বন্ধুরা, অপরিচিত মানুষ, প্রতিবেশী সবার! সবকিছুর! আমি প্রেমে পড়তে চাই বারবার!! ভালোবাসতে চাই, হাজারবার!!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249702/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 11:51:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাইসার ডাইরি থেকে—<br />
১৯শে মে ২০২৬<br />
মঙ্গলবার, সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট</p>
<p>তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা<br />
-শহীদ কাদরী</p>
<p>ভয় নেই<br />
আমি এমন ব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনী<br />
গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে<br />
মার্চপাস্ট করে চলে যাবে<br />
এবং স্যালুট করবে<br />
কেবল তোমাকে প্রিয়তমা।</p>
<p>ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো<br />
বন-বাদাড় ডিঙ্গিয়ে<br />
কাঁটা-তার, ব্যারিকেড পার হয়ে, অনেক রণাঙ্গন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249702"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249702/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8ff7dae6ad3f27d4787ea4054efffa17</guid>
				<title>বিষাদ সিন্ধু পার করে কী পেলে?
-রাইসা আনজুম

তোমাকে দেখে অবাক হই, 
কষ্ট পেয়ে তুমি হাসতে ভুলে গেলে। 
বাধ্য ছিলে, আরও বাধ্য হলে। 
আধুনিকতা তোমায় ভাসালো, 
না তুমি ভাসলে?

তবে বলতে পারো কী? 
এই বিষাদ সিন্ধু পার করে কী পেলে?

ঠোঁট নানান রঙে রাঙিয়ে, 
অন্তরের লাবণ্য ঢেকে দিয়ে, 
চঞ্চল আখি স্থির করে, 
অদ্ভুদ ভাবমূর্তি ধারণ করলে। 
তোমাকে দেখে অবাক হই, 
এই বিষাদ সিন্ধু পার করে কী পেলে?

রঙ-তুলি তোমার হাতে উঠলো না। 
একটা ফুল তোমার ছোঁয়া পেলো না। 
চিরচেনা তোমায় আর কখনো দেখলাম না। 
নিজেকে জাহির করবার যুদ্ধে নেমেছো! 
তুমি নিজেকে বুঝি খুজে পেয়েছো?

বিষাদ সিন্ধু আদৌ কি পাার করেছো?


প্রকাশনা বিবরণ:
বই: বসন্তের বিকাল
সম্পাদক: হাসিবুর রহমান
প্রকাশক: জুয়েল আহমেদ রানা,
ছায়া প্রকাশনা,
৩৪ বাংলাবাজার, ঢাকা।
প্রথম প্রকাশ: অমর একুশে বইমেলা-২০২৫</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249694/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 11:42:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিষাদ সিন্ধু পার করে কী পেলে?<br />
-রাইসা আনজুম</p>
<p>তোমাকে দেখে অবাক হই,<br />
কষ্ট পেয়ে তুমি হাসতে ভুলে গেলে।<br />
বাধ্য ছিলে, আরও বাধ্য হলে।<br />
আধুনিকতা তোমায় ভাসালো,<br />
না তুমি ভাসলে?</p>
<p>তবে বলতে পারো কী?<br />
এই বিষাদ সিন্ধু পার করে কী পেলে?</p>
<p>ঠোঁট নানান রঙে রাঙিয়ে,<br />
অন্তরের লাবণ্য ঢেকে দিয়ে,<br />
চঞ্চল আখি স্থির করে,<br />
অদ্ভুদ ভাবমূর্তি ধারণ করলে।<br />
তোমাকে দেখে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249694"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249694/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">253d02b29b4a0487fe5dd812f4859499</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) and মোহাম্মদ শাহজামান শুভ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249457/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 01:50:46 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">85af14643e98c7e1d2cc27ff608844a1</guid>
				<title>নিয়তি
রাইসা আনজুম

তোমাকে সবটুকু আদর নিংড়ে দিতে,
নীলমণি লতার বুক যেন যায় ফেটে।
তুমি কল্পনায় বাস করো।
তোমার বিষাদে,
সুখ পাখি কাঁদে।
তোমার অশ্রু,
প্রজাপতির রঙ কাড়ে।
তুমি রাজা, ভাবছো হেরে যাবে?
সুন্দর এক ভোর আসুক তোমার জীবনে
সে আশায়,
ডাকিনী তোমার ইশ্বরের আরাধনা করে।
তুমি ভাবছো হেরে যাবে?
যামিনী তোমার চরণে লুটে
কোনকালে হাহাকার করবে।
সেইদিন হেরে যাবে-নিয়তি।

প্রকাশনা বিবরণ:
বই: বসন্তের বিকাল
সম্পাদক: হাসিবুর রহমান
প্রকাশক: জুয়েল আহমেদ রানা, 
ছায়া প্রকাশনা, 
৩৪ বাংলাবাজার, ঢাকা।
প্রথম প্রকাশ: অমর একুশে বইমেলা-২০২৫</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249196/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 08:05:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিয়তি<br />
রাইসা আনজুম</p>
<p>তোমাকে সবটুকু আদর নিংড়ে দিতে,<br />
নীলমণি লতার বুক যেন যায় ফেটে।<br />
তুমি কল্পনায় বাস করো।<br />
তোমার বিষাদে,<br />
সুখ পাখি কাঁদে।<br />
তোমার অশ্রু,<br />
প্রজাপতির রঙ কাড়ে।<br />
তুমি রাজা, ভাবছো হেরে যাবে?<br />
সুন্দর এক ভোর আসুক তোমার জীবনে<br />
সে আশায়,<br />
ডাকিনী তোমার ইশ্বরের আরাধনা করে।<br />
তুমি ভাবছো হেরে যাবে?<br />
যামিনী তোমার চরণে লুটে<br />
কোনকালে হাহা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249196"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249196/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3a8d50f22906bef40a924b4cf6384b39</guid>
				<title>&quot;আজকাল মানুষ কবিতা পড়েনা&quot;— ব্যাঙ্গাত্মক ভাবে কথাটা আমাকে বলেছিলেন হাইস্কুলের এক টিচার। আমার তখন বয়স ১৩, কোভিডের আগের ঘটনা, সাল ২০২০। কথাটা বলার কারণ হচ্ছে ওনার প্রিয় ছাত্রীর গল্প স্কুলের ম্যাগাজিনে প্রকাশ না হওয়া বরং আমার কবিতার স্থান পাওয়া। প্রচন্ড কষ্টে রাতে বালিশে মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে কেঁদেছিলাম সেরাতে।  

গতো বছর ছায়া প্রকাশনার সম্পাদক হাসিব ভাইয়া এবং প্রকাশক রানা ভাইয়ার সাহায্যে আরো কয়েকজন কবির সাথে যৌথভাবে আমার কবিতা প্রকাশ হয়। একই সাথে এই বইয়ে আমার কবি বাবার কবিতাও প্রকাশ হয়। বাবাকে না জানিয়েই সবটা করা। নিজের লেখা প্রকাশের প্রতি তেমন আগ্রহ পান না বাবা। বাবা দারুণ খুশি হয়। তবে বই যেদিন বাবার হাতে দেই, বাবা খুব আক্ষেপ নিয়ে বলে, &quot; আজকাল মানুষ কবিতা পড়ে না।&quot; 

তুলটের সাথে যোগাযোগ অনেক আগে থেকে। শুধু লেখার সাহস হয়নি। অনেক সাহস করে পোস্ট করতে শুরু করলাম অবশেষে। জানাবেন কেমন লিখি। আমি ছোট একটা মানুষ, অনেক কিছু বুঝিনা, জানিনা। ভুল ত্রুটিগুলো ধরিয়ে দেবেন আর উপদেশও দেবেন। 

ধন্যবাদ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249189/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 08:02:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;আজকাল মানুষ কবিতা পড়েনা&#8221;— ব্যাঙ্গাত্মক ভাবে কথাটা আমাকে বলেছিলেন হাইস্কুলের এক টিচার। আমার তখন বয়স ১৩, কোভিডের আগের ঘটনা, সাল ২০২০। কথাটা বলার কারণ হচ্ছে ওনার প্রিয় ছাত্রীর গল্প স্কুলের ম্যাগাজিনে প্রকাশ না হওয়া বরং আমার কবিতার স্থান পাওয়া। প্রচন্ড কষ্টে রাতে বালিশে মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে কেঁদেছিলাম সেরাতে।  </p>
<p>গতো বছর ছায়া প্রকাশনার সম্পাদক হাসিব ভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249189"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249189/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">90ef1573eaaab24366e15761090f5710</guid>
				<title>মেঘের মায়া
 রাইসা আনজুম 

​জনারণ্যের কোলাহলে আমায় পাবে না খুঁজে,
আমায় যদি খুঁজতেই হয়— 
তবে দেখো মেঘের ভাঁজে।
সেখানেই আমার পরম স্থিতি, 
সেখানেই আসল বাস,
যেথায় নিঃশব্দে মিশে আছে আমার গূঢ় ইতিহাস।
​একবার যদি সেই অসীমে পাও আমার দেখা,
দেখবে এক অন্য আমি— 
বর্ণিল অথচ একা;
বিস্ময়ে স্তব্ধ হবে তুমি, 
মুগ্ধতা ছড়াবে প্রাণে,
যখন আমার সত্য রূপটি ভাসবে তোমার নয়নে।

(১২-ই মে ২০২৬)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249097/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 01:59:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মেঘের মায়া<br />
 রাইসা আনজুম </p>
<p>​জনারণ্যের কোলাহলে আমায় পাবে না খুঁজে,<br />
আমায় যদি খুঁজতেই হয়—<br />
তবে দেখো মেঘের ভাঁজে।<br />
সেখানেই আমার পরম স্থিতি,<br />
সেখানেই আসল বাস,<br />
যেথায় নিঃশব্দে মিশে আছে আমার গূঢ় ইতিহাস।<br />
​একবার যদি সেই অসীমে পাও আমার দেখা,<br />
দেখবে এক অন্য আমি—<br />
বর্ণিল অথচ একা;<br />
বিস্ময়ে স্তব্ধ হবে তুমি,<br />
মুগ্ধতা ছড়াবে প্রাণে,<br />
যখন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249097"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249097/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1595135e92e268117373bd080b4395ea</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) and অনুভূতির ডাইরি are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248321/</link>
				<pubDate>Sat, 16 May 2026 15:22:48 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">148e47bb34ad11e6c54785e464e51ab1</guid>
				<title>রাইসার ডাইরি থেকে—
২৪-০৩-২০২৬

আজকে বাবা আমাদের ঘুরতে নিয়ে গেলো পানিশাইল পার হয়ে, মানিকগঞ্জে কোথাও (জায়গার নাম জানিনা) ফুচকা খাওয়ার জন্য। জায়গাটা অসম্ভব সুন্দর! ঐদিকে লোকের বসতি কম, গাছপালা বেশি, এতো রকম পাখি একসাথে ডাকে যে বোঝাই যায় না কোনটা কোন পাখির ডাক। নতুন কিছু পাখির ডাকও শুনলাম।
ফুচকা খাওয়ার পরে রোড পার হয়ে আমরা হাঁটতে হাঁটতে একটা ব্রিজের ওপর আসলাম, এই সময় বাবা হাত এগিয়ে দিলো, আমি একদম ছোটবেলার মতো বাবার একটা আঙুল ধরে হাঁটতে লাগলাম। মনে হচ্ছিলো এই দৃশ্য আমার বহুদিনের চেনা। হাত নেড়ে নেড়ে কথা বলা, কথা বলতে বলতে, নানান প্রশ্ন করতে করতে বাবাকে পাগল করে ফেলা! শুধু হাইট আমার একটু বেশি। বাবার বয়স আর পেটটা বেড়েছে৷ 
যাইহোক সে জায়গা অনেক সুন্দর, সুন্দরের প্রসংশা সবাই করবে। আমি বলছি অন্য কথা। পানিশাইলে আমাদের জমিতেও গেলাম পরে, ঐখানে এত্তোগুলো হলুদ প্রজাপতি!!! আমার মনে হচ্ছিলো আমি ছোট বাচ্চা হয়ে গেছি আবার! ৫ টা, ১০ টা.... মনে হচ্ছিলো গুনে শেষ করা যাবে না ২০-২৫ টার বেশি তো হবেই! প্রজাপতি দেখে ওদের পেছন পেছন যাওয়ার বদ অভ্যেস আছে আমার কিন্তু একী! এরা তো সব আমার চারিদিকেই ঘুরছে! এ্যাই! তোমরা কী আমার জামার রঙ দেখে ভাবছো আমি তোমাদেরই একজন? আমাকে সাথে নিয়ে উড়তে পারবে!?
তোমরা কি সবাই পরীদের দেশ থেকে এসেছো? আমাকে সাথে নেবে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248076/</link>
				<pubDate>Sat, 16 May 2026 03:03:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাইসার ডাইরি থেকে—<br />
২৪-০৩-২০২৬</p>
<p>আজকে বাবা আমাদের ঘুরতে নিয়ে গেলো পানিশাইল পার হয়ে, মানিকগঞ্জে কোথাও (জায়গার নাম জানিনা) ফুচকা খাওয়ার জন্য। জায়গাটা অসম্ভব সুন্দর! ঐদিকে লোকের বসতি কম, গাছপালা বেশি, এতো রকম পাখি একসাথে ডাকে যে বোঝাই যায় না কোনটা কোন পাখির ডাক। নতুন কিছু পাখির ডাকও শুনলাম।<br />
ফুচকা খাওয়ার পরে রোড পার হয়ে আমরা হাঁটতে হাঁটতে একটা ব্রি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248076"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248076/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">96d17b1ef74c88052a9a8df2d47f459c</guid>
				<title>ফাগুনের কান্না 
 রাইসা আনজুম 

সাদা মেঘের আবরণ
বসন্তের আকাশ জুড়ে।
চারিদিকে এত রঙ,
পবিত্রতা, মাধুর্য—
প্রেমে বুক পরিপূর্ণ, তবু
গলিত কাজল নামে
কিশোরীর দু’গাল বেয়ে।

(বেলা ১১:৫৭
১০ই ফাল্গুন ১৪৩২, 
সোমবার)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247842/</link>
				<pubDate>Thu, 14 May 2026 20:04:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফাগুনের কান্না<br />
 রাইসা আনজুম </p>
<p>সাদা মেঘের আবরণ<br />
বসন্তের আকাশ জুড়ে।<br />
চারিদিকে এত রঙ,<br />
পবিত্রতা, মাধুর্য—<br />
প্রেমে বুক পরিপূর্ণ, তবু<br />
গলিত কাজল নামে<br />
কিশোরীর দু’গাল বেয়ে।</p>
<p>(বেলা ১১:৫৭<br />
১০ই ফাল্গুন ১৪৩২,<br />
সোমবার)</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ec00dd104d8e50e1b59d9b12069f8cd7</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247751/</link>
				<pubDate>Thu, 14 May 2026 13:28:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c95885d4e3d83c591165f602b067f33e</guid>
				<title>নির্ঘুম 
 রাইসা আনজুম 

সদ্য ছাঁদের কাজ শেষ হয়েছে। ছাঁদ কাঁচা। চারিদিক নিরব, কোথাও কারো কোনো সাড়াশব্দ নেই। ফ্যান ঘুরছে, পাশে বোন এক হাত কপালে রেখে অঘোরে ঘুমাচ্ছে। সব চুপ………..  বিছানা থেকে নেমে ওড়না ঠিক করে নিয়ে এগোলো সে। দরজা খুলতেই মিটারের শব্দ, টিপ… টিপ… টিপ… টিপ…. সাথে বাবার নাক ডাকার শব্দ। বাবার কী ঘুমের সময় কষ্ট হয় না? আম্মু কিভাবে ঘুমায়? আহারে প্রেম তাঁদের! যদিও তার ধারণা এই প্রেম আরো বেশি হওয়া উচিত। সে আশা করে এই প্রেম আরো কয়েকগুণ বৃদ্ধি যেন পায়। চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তেই যেন থাকে! 
সামনে থেকে হেঁটে গুণে গুণে ১৯ কদম তারপর সিঁড়ি বেয়ে উপরে। লম্বা একটা শ্বাস! চারদিক ইষৎ কালো। ঠান্ডা হাওয়া, তার এলোচুল উড়ছে। 
হুমহু বহু বাসনাই প্রাআণ পণে চাআআই~
বঞ্চিত করে বাঁচালে মোরে… 
আমি বহু বাসনাই প্রাণ পণে চাই~~
বঞ্চিত করে বাঁচালে মোরে। 
এ কৃপা কঠর সঞ্চিত… থামে সে। ঠান্ডা লাগছে। ঘরে ফ্যান এতো জোরে ঘুরছিলো অথচ এখানে ঠান্ডা বেশি। ওড়নায় হাওয়া লাগছে, সে উঠে দাঁড়ায় দেয়ালে। বরাবরই উচ্চতায় ভয়। সে মনে করতে চেষ্টা করে —

কল্পলোকের অর্শিতে

সারাদিন কর্মব্যস্ততা, অতঃপর রাতের নীরবতা—
সবাই যখন ঘুমের ঘোরে, 
নিদ্রাদেবীর কোলে, 
নির্ঘুম কাঁটে কষ্টের রাত।
…  …   …
(কী ছিলো মাঝে? মনে কেন নেই তার? এ কবিতা কী ভোলা সম্ভব?)
দু-চোখের নোনাজলে। 

হঠাৎ মনে হলো চারদিক আলো হয়েছে খানিক।

কেমন লাগলো জানাবেন &#x1f60a;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247718/</link>
				<pubDate>Thu, 14 May 2026 10:50:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নির্ঘুম<br />
 রাইসা আনজুম </p>
<p>সদ্য ছাঁদের কাজ শেষ হয়েছে। ছাঁদ কাঁচা। চারিদিক নিরব, কোথাও কারো কোনো সাড়াশব্দ নেই। ফ্যান ঘুরছে, পাশে বোন এক হাত কপালে রেখে অঘোরে ঘুমাচ্ছে। সব চুপ………..  বিছানা থেকে নেমে ওড়না ঠিক করে নিয়ে এগোলো সে। দরজা খুলতেই মিটারের শব্দ, টিপ… টিপ… টিপ… টিপ…. সাথে বাবার নাক ডাকার শব্দ। বাবার কী ঘুমের সময় কষ্ট হয় না? আম্মু কিভাবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247718"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247718/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4b84a3d066e0448cb8c27b5425641d72</guid>
				<title>রাইসা আনজুম (পর্শি) and Syed Farah are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247608/</link>
				<pubDate>Wed, 13 May 2026 13:02:50 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3b301af3e0e6b92bbb3374aa5188b739</guid>
				<title>আশ্রয় 
রাইসা আনজুম 

একটুখানি জায়গা দাও আমায়,
আকুল হয়ে চাই।
আমার কান্না ছুঁতে পারে না তোমার মন,
আমার শ্বাস মিশে যায় শূন্যতায়।
তোমার শহর আমায় ভালোবাসে না,
তবু আশ্রয়ের খোঁজে ফিরি।
একটুখানি জায়গা দাও আমায়!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247607/</link>
				<pubDate>Wed, 13 May 2026 12:59:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আশ্রয়<br />
রাইসা আনজুম </p>
<p>একটুখানি জায়গা দাও আমায়,<br />
আকুল হয়ে চাই।<br />
আমার কান্না ছুঁতে পারে না তোমার মন,<br />
আমার শ্বাস মিশে যায় শূন্যতায়।<br />
তোমার শহর আমায় ভালোবাসে না,<br />
তবু আশ্রয়ের খোঁজে ফিরি।<br />
একটুখানি জায়গা দাও আমায়!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>