<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Raju Barua | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/raju-barua/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/raju-barua/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Raju Barua.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 09 Jun 2026 04:32:59 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">21d3ffc57555e7f27fbdad60f1b6f8c2</guid>
				<title>স্বর্গবে প্রত্যাখান
&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;
ছেলেঃ এই যে শুনুন
 আপনার সাথে।
  কিছু কথা আছে॥
মেয়েঃ আরে বাপু!
  কেন ঘুরেঁন
 মোর পাঁছে পাছে।
বললুমনে,
    সময় নেই হাতে।
আপনার কথা শুনার।
আপনি দাঁড়িয়ে থাকেন
গলিরঁ মোড়েঁ।
উল্টিয়েঁ জামার কলাঁর॥

রাজু বড়ুয়া,</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/234411/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Oct 2025 02:56:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বর্গবে প্রত্যাখান<br />
&#8220;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;&#8221;<br />
ছেলেঃ এই যে শুনুন<br />
 আপনার সাথে।<br />
  কিছু কথা আছে॥<br />
মেয়েঃ আরে বাপু!<br />
  কেন ঘুরেঁন<br />
 মোর পাঁছে পাছে।<br />
বললুমনে,<br />
    সময় নেই হাতে।<br />
আপনার কথা শুনার।<br />
আপনি দাঁড়িয়ে থাকেন<br />
গলিরঁ মোড়েঁ।<br />
উল্টিয়েঁ জামার কলাঁর॥</p>
<p>রাজু বড়ুয়া,</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5ed69a83171517c1ebe751ad0f72fcb2</guid>
				<title>থাকব সদাই নুইয়ে
*******************

দোয়ার হাত তোলা ছিল মায়ের
দরবারে তার।
রণাঙ্গনের তুই দেখালি মা
অস্ত্রের ঝংকার.....  

মমতার আঁচলে 
তোর খুলে স্বর্গ দোয়ার। 
তোর শানিত বীরত্বে
শত্রু দেখিল চোখে নরকের দ্বার...

নব সূর্য ওঠা 
তোর কোলে শুয়ে। 
করবো না কভু মস্তক উঁচু! 
তোর পায়ের কাছে, 
থাকব সদা নুইয়ে...... 

রাজু বড়ুয়া। 
চট্টগ্রাম 
২০ ই জুন ২০২৫।

সব বীরাঙ্গনা প্রতি সশ্রদ্ধা বন্দনা সদাই &#x1f64f;&#x1f64f;

বিঃদ্রঃ ছবি সংগ্রহিত অনলাইন  থেকে। 

 #viralpost2025  #highlightsシ゚  #rajubarua  #vairal  #আমারব্লগ  #মুক্তিযুদ্ধ  #মুক্তিযোদ্ধা  #বীরঙ্গনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230426/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Jun 2025 06:39:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>থাকব সদাই নুইয়ে<br />
*******************</p>
<p>দোয়ার হাত তোলা ছিল মায়ের<br />
দরবারে তার।<br />
রণাঙ্গনের তুই দেখালি মা<br />
অস্ত্রের ঝংকার&#8230;..  </p>
<p>মমতার আঁচলে<br />
তোর খুলে স্বর্গ দোয়ার।<br />
তোর শানিত বীরত্বে<br />
শত্রু দেখিল চোখে নরকের দ্বার&#8230;</p>
<p>নব সূর্য ওঠা<br />
তোর কোলে শুয়ে।<br />
করবো না কভু মস্তক উঁচু!<br />
তোর পায়ের কাছে,<br />
থাকব সদা নুইয়ে&#8230;&#8230; </p>
<p>রাজু বড়ুয়া।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-230426"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/230426/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d06a87f985c520e95aeede0543de1bdc</guid>
				<title>ঝর্ণার পানি উপর থেকে নিচে নেমে আসে তার প্রকৃত নিয়মে। প্রকৃতি সেই পানিকে তার নৈমিত্তিক নিয়ম বহতা করে নদীতে নিয়ে ফেলে। নদী কিছু সময় সেই পানিকে ধারণ করে। তার অববাহিকার নিয়মে সাগরে ধাবিত করে। 

এই যে পানি তার বিনয়ী আচরণে নিচের দিকে প্রবাহিত হয়ে সাগরে গিয়ে পরে। এই বিনয়তা যদি না থাকতো। তাহলে জগৎ সভায় গাছপালা থেকে শুরু করে কোন প্রাণীকুল মাথা উচু করে দাঁড়াতে পারত না। এবং এই কথা কখনো প্রচার হতো না পানির অপর নাম জীবন। পানিই আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে।

ঠিক তেমন পানির মত বিনয়তা যদি আমরা না দেখায়। কখনো নিজের মহৎ প্রতিষ্ঠিত করতে পারব না.......  রাজু বড়ুয়া। 

&#x1f339;&#x1f339;&#x1f339;&#x1f339; শুভ সন্ধ্যা &#x1f339;&#x1f339;&#x1f339;&#x1f339;

 #rajubarua  #আমারব্লগ  #viralpost2024  #চট্টগ্রাম  #foryouシ  #motivation  #motivational</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/222283/</link>
				<pubDate>Wed, 30 Oct 2024 12:07:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঝর্ণার পানি উপর থেকে নিচে নেমে আসে তার প্রকৃত নিয়মে। প্রকৃতি সেই পানিকে তার নৈমিত্তিক নিয়ম বহতা করে নদীতে নিয়ে ফেলে। নদী কিছু সময় সেই পানিকে ধারণ করে। তার অববাহিকার নিয়মে সাগরে ধাবিত করে। </p>
<p>এই যে পানি তার বিনয়ী আচরণে নিচের দিকে প্রবাহিত হয়ে সাগরে গিয়ে পরে। এই বিনয়তা যদি না থাকতো। তাহলে জগৎ সভায় গাছপালা থেকে শুরু করে কোন প্রাণীকুল মাথা উচ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-222283"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/222283/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e6144a746a727127ab0da54d1a6d1ed8</guid>
				<title>সাধারণ জনগণের কষ্ট , রাজনীতি মারপ্যাঁচ ও আমার কথা। 
-----------------------------

আমরা সাধারণ বাঙালি জনগণ বাজনা না বুঝে নাচতে ভালোবাসি। শেষে কোমড়ের ব্যাথায় আমাদের মারাসারা। 

কথাটা কেন বলছি এই উপমহাদেশে রাজনীতি পটপরিবর্তনে যতবার হয়। ততবারই সাধারণ জনগণেরই কষ্ট অত্যাধিক। আর রাজনৈতিক গণ আমাদের যুগের পর যুগ গৃহ ভৃত্যের গল্প শুনিয়ে নিজেদের পথ সুগম করে নেয়। আর আমরা তাদের দেখানো স্বপ্নের ফাঁদে পা দিয়ে! বোকা ভৃত্যের মত নিজের ভাগ্যের দোষ দিয়ে দিন গত করি।

এবার তাহলে আসুন আপনাদের সেই গৃহ ভৃত্যের গল্প শোনায়ঃ- এক গ্রামে দুটো সম্ভ্রান্ত পরিবারের বাস ছিল। দুই পরিবারে দুইজন খুব বিশ্বস্ত ভৃত্য (কাজের লোক) ছিল। কিন্তুু ব্যাপার হল এখানে এক পরিবারের কর্তা ছিল একটু কিপটে আর ঠক প্রতারক টাইপের। অপর দিকে অন্য পরিবারের কর্তা ছিল উদার আর দয়ালু। সেই সবসময় ভৃত্যকে নিজের সন্তানের মত আদর স্নেহ করত। এবং তার সব প্রাপ্য সঠিক নিয়মে বুঝিয়ে দিত। এদিকে তার ভৃত্য ছিল একদম সহজসরল কখনো নিজের কাজের প্রতি অবহেলা বা চুরি করত না। উল্টো সেই মনিবের কাজ গুলো কে যত্নের সাথে শেষ করত। কর্তা ও তার প্রতি সদ্ব্যবহার সদয় ভাব দেখিয়ে থাকত।

অপর দিকে যে পরিবারের কর্তা ঠক টাইপের সেই পরিবারের। ভৃত্য ছিল কাজের প্রতি অনীহা আর চোর প্রকৃতির এবং সবসময় কর্তা মুখেমুখে তর্ক করত। কর্তা ও তাকে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাজ করিয়ে নিত। এই নিয়ে এই কর্তা ও ভৃত্য সবসময় নিজেদের প্রতারণা বজায় রেখে চলতে লাগলো। এই ঠক কর্তা লক্ষ করল অপর পরিবারের ভৃত্যটা তার ভৃত্যের চেয়ে বহুগুণ ভালো। সেই তার মনিবকে সমীহ করে চলে। সবসময় মনিবের আজ্ঞাবহ হয়ে থাকে। নিজের দ্বায়িত্বের বাইরে গিয়ে কাজ কর্ম করে থাকে। সেই তখন মনমনে ভাবত কিভাবে এমন একজন ভালো ভৃত্য পাওয়া যায়। সেই একদিন চিন্তা করে দেখলো অন্য ভালো ভৃত্য খোঁজ করার চেয়ে ঐ পরিবারের ভৃত্যকে নিজের পক্ষে নিয়ে আসলে কেমন হয়। সেই এর মধ্যে লক্ষ করল ঐ পরিবারের ভৃত্যটি সহজসরল প্রকৃতির। সেই তখন বুদ্ধি আটলো ভৃত্যের সরল স্বভাবকে কাজে লাগিয়ে তাকে তার পরিবারের ভৃত্য হিসেবে নিয়োগ দেবে।

সেই একদিন সহজ সরল ভৃত্যকে জিজ্ঞেস করল কি হে তোমার কি খবর। ভৃত্য তখন তাকে সম্মান করে নিজের কুশল জানাল। আর একদিন তাকে ডেকে গঞ্জের বাজারে বসিয়ে মিষ্টি চা খাওয়ালো। এর পর আর একদিন রাস্তা ধারে দাঁড় করিয়ে গল্প জুড়িয়ে দিল। এক ফাঁকে তার কর্তার পরিবারের সাথে তার সর্ম্পকের কথা জিজ্ঞেস করল। তাকে কেমন যত্ন আর্তি করে তার জিজ্ঞেস করল। এমনকি তাকে কখন কখন খাবার খেতে দেয় তা ও জানতে চাইল।

ভৃত্য তার সরলমনে সব বলতে থাকলো। এ-সব কথা শুনতে শুনতে হটাৎ করে প্রতারক কর্তা রেগে অগ্নি শর্মা হয়ে গেল। বলল কি বলো তোমাকে সেই সকালে খেতে দেয়, তারপর সেই দুপুরে খেতে দেয় আর সেই রাতে খেতে দেয়। আর এটাকে তুমি সঠিক যত্ন বলছো। সত্যিই তুমি বড্ড বোকা। তুমি যদি আমার কাছে চাকরি করতে। তাহলে তোমাকে আমি সকাল দুপুর রাতে খেতে দিতাম। আর এই প্রতারক পরিবার দেখ তোমাকে সেই সকালে খেতে দেয়, আর সেই দুপুরে তারপর সেই রাতে। না না তুমি যতই ভালো বলো তুমি এটা ভালো বলতে পার না। 

যখন দেখল সরল ভৃত্য তার কথার প্যাচঁ ধরতে পারেনি।তখন সেই তার আসল প্রস্তাব দিল। বলল তুমি এককাজ করো ঐ বাড়ির কাজ ছেড়ে দিয়ে আমার বাড়িতে কাজ করো। আমি তোমাকে খেতে  সকালে দেবে, দুপুরে দেব, রাত্রেরে দেব। ভৃত্য ও তার প্রলোভনে পরে ভালো পরিবারের চাকরি ছেড়ে দিয়ে। এই অসৎ পরিবারের ওখানে চাকরি নিয়ে নিল। এবং একসময় যথারীতি বুঝতে পারল সেই কতো বড় ভুল করেছে। সেই তখন নিজের ভাগ্যের দোষ দিয়ে দিন কাটাতে লাগলো। 

ঠিক তেমন আমার সাধারণ জনগণ ও রাজনীতির চালে পরে নিজেদের কষ্টে নিমজ্জিত করে থাকি। 

&#x1f58b;&#xfe0f; রাজু বড়ুয়া। 
    চট্টগ্রাম 
 ২০ ই অক্টোবর ২০২৪.

 #rajubarua  #আমারব্লগ  #foryouシpage  #viralpost2024  #viewers  #foryouシ  #রাজনৈতিক  #রাজনীতি  #দুঃখ  #গল্প  #নিজস্বভাবনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/221994/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Oct 2024 14:04:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাধারণ জনগণের কষ্ট , রাজনীতি মারপ্যাঁচ ও আমার কথা।<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;</p>
<p>আমরা সাধারণ বাঙালি জনগণ বাজনা না বুঝে নাচতে ভালোবাসি। শেষে কোমড়ের ব্যাথায় আমাদের মারাসারা। </p>
<p>কথাটা কেন বলছি এই উপমহাদেশে রাজনীতি পটপরিবর্তনে যতবার হয়। ততবারই সাধারণ জনগণেরই কষ্ট অত্যাধিক। আর রাজনৈতিক গণ আমাদের যুগের পর যুগ গৃহ ভৃত্যের গল্প শুনিয়ে নিজেদের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-221994"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/221994/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">92d189934b1c4200c5f4e9c04d3ba838</guid>
				<title>&quot;অস্তিত্বের অন্তরালে সবসময় তুমিই ছিলে।
   আবেগ সেই তো তোমার আরেক নাম।
   হিমোগ্লোবিনের কনিকা, মস্তিষ্কের অনু।
                সব তোমারও দান।&quot;

তোমার জন্য বিশেষ কোন দিন নেই আমার। প্রতিটা দিন, প্রতিটা ক্ষণে আছো তুমি &#039;বাবা&#039;। আমার শিরা উপশিরায় যখন রক্ত প্রবাহ সৃষ্টি হয়।  তখন রক্তকণিকা গুলো তোমার নাম স্বরণ করে। অস্থিমজ্জা গুলো বারবার জানান দেয় এগুলো তোমার অনুতে গড়া। মনন যতই বিদ্রোহ করুক তোমার নামে। মস্তিষ্ক বলে ওরে বোকা তুই যারা বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছিস, সে তো তোর স্রষ্টা। 

হে &#039;বাবা&#039; তুমি এইভাবে সর্বদা বিরাজ করো আমার মাঝে।  তাই তোমার জন্য বিশেষ কোন দিনের দরকার নেই আমার। আজ তুমি নেই তোমার শূন্যতা পূরণে যদি নিজেকে দান ও করি। তারপর ও সেই শূন্যতা শূন্যই থেকে যাবে।

যেহেতু আমি পর জম্মে বিশ্বাসী তাই বলছি, যেখানে থেকো ভালো থেকো &quot;বাবা&quot;। নিজের প্রতি যত্ন নিও কখনো তো দেখিনি তোমাকে নিজের প্রতি যত্ন নিতে। অবহেলা করো না শরিরের প্রতি। শুধু যে তোমার সন্তান হিসেবে নয়। একজন মানুষ হিসেবে আমি আমৃত্যু তোমার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব হে স্রষ্টা ও শিক্ষক আমার। 

যেদিন তোমার অন্তিমে যাত্রা শুরু হবে। সেদিন বাপ ছেলের উদোম বুকের জড়াজড়ি এখনো স্পর্শে আছে আমার। 

এখন মনে একটাই আশা আমার মৃত্যুর পর। যদি আমি আমার কর্মে কারণে আবারও পৃথিবীতে আসি কোন রুপে। আমি তোমার সন্তান হতে চাই হে স্রষ্টা আমার। আমি বার বার চাই পৃথিবীতে আমাকে যতবার সৃষ্টি হতে  হবে। সেই সৃষ্টির স্রষ্টা যেন তুমি হও হে স্রষ্টা আমার। 
কারণ,
          আমি কৃতজ্ঞ তোমার দানে, 
              কৃতজ্ঞ তোমার নামে,     
তোমার শিক্ষায় বেঁচে আছে এই ধরাধামে। 

আজ &quot;বিশ্ব বাবা দিবস&quot; এই দিবস তুমি নেই আমার কাছে। তারপর চিৎকার করে বলছি &quot;বাবা&quot; ভালোবাসি তোমাই। 

-------ভালো থাকুক পৃথিবীতে &quot;বাবা&quot; নামে সকল স্রষ্ট---

        &#x1f33a;&#x1f64f;&#x1f33a; শুভ বাবা দিবস &#x1f33a;&#x1f64f;&#x1f33a;

রাজু বড়ুয়া। 
চট্টগ্রাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/216005/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Jun 2024 15:43:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;অস্তিত্বের অন্তরালে সবসময় তুমিই ছিলে।<br />
   আবেগ সেই তো তোমার আরেক নাম।<br />
   হিমোগ্লোবিনের কনিকা, মস্তিষ্কের অনু।<br />
                সব তোমারও দান।&#8221;</p>
<p>তোমার জন্য বিশেষ কোন দিন নেই আমার। প্রতিটা দিন, প্রতিটা ক্ষণে আছো তুমি &#8216;বাবা&#8217;। আমার শিরা উপশিরায় যখন রক্ত প্রবাহ সৃষ্টি হয়।  তখন রক্তকণিকা গুলো তোমার নাম স্বরণ করে। অস্থিমজ্জা গুলো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-216005"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/216005/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0c3507ff002ffeda9ded86d5b9f47d27</guid>
				<title>নিজের ভাবনা ও একটি গল্প। 
★★★★★★★★★★★★★

 ইগো বা অহং বোধ সব মানুষের আছে। এই ইগো বা অহং বোধ ছাড়া সহজে কোন মানব বেঁচে থাকতে পারে না।  কিন্তুু, বেশি থাকা উচিত নয়। যা আপনার জন্য বা জাতির তথা নিজ পরিবারের ক্ষতি সাধিত হয়। 

আপনাকে চিন্তা করতে হবে আপনার ইগো বা অহং বোধের জন্য। অন্য কারও সর্বপরি জাতির কোন ক্ষতি হচ্ছে কি না। যদি তাই হয় তাহলে আপনার উচিত। নিজ ইগো বা অহং বোধকে দমিয়ে রেখে। অপরের সাথে সহজ হয়ে যাও। এতে করে আপনি যেমন নিজে সুফল ভোগ করবেন। অন্যরা ও উপকৃত হবে। 

&#x1f4a0;একটি গল্প বলি একটু মন দিয়ে পড়ুনঃ

 এক সাধক জেলে পাড়ার পাশে একটি প্রতিষ্টান সৃষ্টি করল। এবং সেই নিত্য দিন তার সাধনা কর্ম নিয়ে পরে থাকতো। সেই যেহেতু একজন সাধক সারাদিন ঈশ্বরের আরাধনা করতে। তাই তার মাঝে কিছুটা অহং বোধ ছিল। 
 
সে যেহেতু জেলে পাড়ার পাশে থাকত। সেহেতু সারাদিন জেলে পাড়ার বিভিন্ন ধরনের। ঝামেলা তাকে দেখতে হত বা সহ্য করতে হত। সেই নিজেও প্রায় সময় এর জন্য বিরক্ত বোধ করতো। আত্ত অহংকারে তার পিত্ত সব জ্বলে। 
 কিন্তুু, তার কিছুই করার ছিল না। সে মনে মনে ভেবে  দেখল। আমি যতই সাধক হই না কেন?  যতই আমার আত্ত অহংকার থাকুক না কেন? আমার কিছুই করার নেই। যেহেতু আমি আমার প্রতিষ্টান এই জেলে পাড়ার পাশে স্থাপন করেছি।
আর আমি নিজেও চাই এই জেলে গুলো মানুষ হোক। তারাও ধর্মের অনুশাসন শিখুক।  
তাছাড়া আমি যদি কোন সময় বিপদ গ্রস্ত হই,বা রোগে আক্রান্ত হই। তখন এই জেলে গুলো ছাড়া আর কেউ এগিয়ে আসবে না। 
কারন তারাই আমার নিকট প্রতিবেশে। তাই আমার অহংকার আমার মাঝে দমিয়ে রেখে।  এদের সাথে মৈত্রী চিত্তে বসবাস করতে হবে।  

এতে আমার, আমার আশ্রমের ও সর্বপরি জাতির কল্যাণ হবে।

বিঃদ্রঃ কাউকে উপদেশ বা হেয় করার জন্য এই প্রয়াস নহে। 

&#x270d;&#xfe0f;&#x270d;&#xfe0f; রাজু বড়ুয়া। 
           চট্টগ্রাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/215608/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Jun 2024 06:20:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিজের ভাবনা ও একটি গল্প।<br />
★★★★★★★★★★★★★</p>
<p> ইগো বা অহং বোধ সব মানুষের আছে। এই ইগো বা অহং বোধ ছাড়া সহজে কোন মানব বেঁচে থাকতে পারে না।  কিন্তুু, বেশি থাকা উচিত নয়। যা আপনার জন্য বা জাতির তথা নিজ পরিবারের ক্ষতি সাধিত হয়। </p>
<p>আপনাকে চিন্তা করতে হবে আপনার ইগো বা অহং বোধের জন্য। অন্য কারও সর্বপরি জাতির কোন ক্ষতি হচ্ছে কি না। যদি তাই হয় তাহল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-215608"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/215608/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">002fc0b42599315b031e6fc0ecc4f76f</guid>
				<title>জীবন টা যেন নাভিশ্বাস। 
-----------+------------+-----------+--------------

দ্রব্যের বাজার অস্থির। 
পকেটে হচ্ছে না টাকা স্থির। 
আর কতদিন মানব সৎ নীতি। 
সুযোগ খুঁজচ্ছি করব দূর্ণীতি।

এই ভাবনা শুধু নয় গো আমার। 
এই সৎ নীতি বান আমজনতার। 
বলছি শুনুন ওহে সার্বজনীন সরকার। 
আমাদের দিন এর থেকে নিস্তার। 

কিভাবে করিব ব্যাংকে জমা?
মাস শেষে ধারের নাই কমা।
বাবুর কোচিং, মেয়ের জামা।
দাম বাড়তি সকল কিছুর নাই দাড়ি, নাই কমা।

কেন? কিসের? কবের? নাই কোন উত্তর। 
এত শ্রমে ও ক্লান্ত হয় না গতর। 
তারপর ও কেউ দেয় না একটু আশ্বাস। 
ক্ষণে ক্ষণে ভাবি এই জীবনটা যেন নাভিশ্বাস। 
বের করে দিলে বাঁচি পায় একটু শ্বাস। 

রাজু বড়ুয়া। 
চট্টগ্রাম। 
০৪ঠা জুন ২০২৪।

 #viralpost2024  #viralpage2024  #followerseveryone  #rajubarua  #আমারব্লগ  #foryouシ  #কবি  #কবিতা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/215530/</link>
				<pubDate>Wed, 05 Jun 2024 02:04:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবন টা যেন নাভিশ্বাস।<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;+&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;+&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;+&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;</p>
<p>দ্রব্যের বাজার অস্থির।<br />
পকেটে হচ্ছে না টাকা স্থির।<br />
আর কতদিন মানব সৎ নীতি।<br />
সুযোগ খুঁজচ্ছি করব দূর্ণীতি।</p>
<p>এই ভাবনা শুধু নয় গো আমার।<br />
এই সৎ নীতি বান আমজনতার।<br />
বলছি শুনুন ওহে সার্বজনীন সরকার।<br />
আমাদের দিন এর থেকে নিস্তার। </p>
<p>কিভাবে করিব ব্যাংকে জ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-215530"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/215530/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">32f8a03b89eae17d467289d12d4f0ea2</guid>
				<title>হে পূন্য মমঃ-
************
হে পূন্য মম, রেখো মোরে 
কিছু দুঃখ, কিছু সুখের ডোড়ে
সততা মোরে না যাক দূরে 
লক্ষ লোভের ও জোরে। 
মোর যত সাধ আহ্লাদ 
বঞ্চিত না হোক অর্থের অনাদরে।
দিক যত অবহেলা অনাদর 
জগৎ সভা মোরে
হাসি মুখ না ঢাকুক মোর আধার গুমরে। 

হে পূন্য মম, রেখো সদা মোর
আছে যত সখা।
থাকুক তারা সুখের আদরে। 
সুখ যেন কভু না দিক তাদের ধোকা।
নেচে আসুক সুখ তাদের দোরগোড়ে।
তাদের জানাই প্রণামী
তারা মোর কল্যাণকামী।

হে মম পূন্য, করো না তাদের শূন্য 
যারা মোর অকল্যাণকামী।
জগৎ তারাই আমার প্রিয় সখা 
তারাই সবচেয়ে দামী। 
তাদের তরে বিনম্র কৃতজ্ঞ আমি 
তারাই হোক সবচেয়ে সুখী 
তাদের জানাই প্রণামী।

রাজু বড়ুয়া। 
চট্টগ্রাম। 
২১ ই মে ২০২৪।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/214916/</link>
				<pubDate>Wed, 22 May 2024 16:08:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হে পূন্য মমঃ-<br />
************<br />
হে পূন্য মম, রেখো মোরে<br />
কিছু দুঃখ, কিছু সুখের ডোড়ে<br />
সততা মোরে না যাক দূরে<br />
লক্ষ লোভের ও জোরে।<br />
মোর যত সাধ আহ্লাদ<br />
বঞ্চিত না হোক অর্থের অনাদরে।<br />
দিক যত অবহেলা অনাদর<br />
জগৎ সভা মোরে<br />
হাসি মুখ না ঢাকুক মোর আধার গুমরে। </p>
<p>হে পূন্য মম, রেখো সদা মোর<br />
আছে যত সখা।<br />
থাকুক তারা সুখের আদরে।<br />
সুখ যেন কভু না দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-214916"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/214916/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f9fe302fa824c24eb3385dd73081d5eb</guid>
				<title>বর্ণচোরাঃ-

আমাদের লোকসমাজে কিছু কিছু এমন মানুষ আছে যাদের  অতি আপনজন মনে করি । এককথায় বলতে পারেন তাদের ছাড়া আমাদের চলে না। তাদের বুদ্ধি পরামর্শ নিয়ে আমরা অনেকে চলি। আমরা মনে করি তাড়া আমাদের অতি কল্যাণমিত্র। 

কিন্তুু একটা সময় আসে এই অতি আপনজন কল্যাণমিত্র আমাদের জানিদুশমন শত্রুতে পরিনত  হয়। এই যে এই শত্রুতা কেন হয় কিভাবে তা শুরু হয় কখনো তা প্রকাশিত আর বেশির ভাগ অপ্রকাশিত। আমার মতে এই জিনিস টা সৃষ্টি হয় ঈর্ষা থেকে। যা একসময় হিংসায় পরিনত হয়। তা থেকে একসময়  বিবাদ বিভেদ থেকে পরে শত্রু।

আসুন একটি গল্পের মধ্যে তা জানার চেষ্টা করিঃ- 

আমরা সকলে কম বেশি মার্কেটিং করি। যার যার নিজেদের পছন্দের এবং অনেক যাচাই-বাছাই করে। ধরুন আপনি একটি শার্ট নিলেন।  শার্টটি রঙ ঢঙ আপনার পছন্দ হয়েছে। কাপড়, সুতা মসলিন মাপ&#039; এবং ওজনে ঠিক আছে। নেওয়ার আগে নিজের গায়ে পড়ে দেখলেন আপনার গায়ের রং এর সাথে যায় কি না বা ফিটিংস ঠিক আছে কি না । সবশেষে দরকষাকষি করে নিজের পছন্দনীয় দাম নিয়ে থাকি। কিনে মনে মনে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি এবং তৃপ্তির সাথে সান্ত্বনা নিই। যাক অনেকদিন পরে একটা ভালো শার্ট নিলাম। অনেক ক্ষেত্রে আপনার পরিবার ও তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে বলে ভালো কাজ করেছ একটি সুন্দর শার্ট নিলে।

কিন্তুু বিপত্তি  বাজে তখন যে-ই আপনি শার্টটি আপনি গায়ে দিয়ে বের হলেন। আপনার খুব কাছের একজনের সাথে দেখা হলো। আপনি লক্ষ করলেন সে কিছু টা অবাক হয়ে আপনার দিকে তাকিয়ে আছে। { এই অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা সত্যিকার অর্থে অবাক হওয়া নয়। এটা তার ঈর্ষা উৎপন্ন হওয়া। আমাদের কিন্তুু ফাস্ট সাইট লাভ হয় না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ঈর্ষা ও ঘৃণা উৎপন্ন হয়। } আপনি যখন তার কাছে আসলেন। কুশলাদি বিনিময় করলেন তখন পর্যন্ত ঠিক আছে। যে-ই না আপনি বললেন দেখ এই শার্টটা নিয়েছি। আরও বললেন অমুক মার্কেট থেকে এত টাকা দিয়ে।  তখন হলো টুইষ্ট সেই সাথে সাথে মুখ ভেংচি কেটে বলল। বেটা এইটা কি শার্ট হল, এই রঙের কাপড় তোর সাথে যায়। চোখ কুচকেঁ বলে দেখ দেখ মাপটা সঠিক নয়। তোকে পুরাই জোকারের মত লাগছে। বরঞ্চ এটি মানাত আমার সাথে এই কালারের শার্ট বল গেঞ্জি বল আমাকে বেশি মানায়। মানে এককথায় এই শার্টটি আপনার জন্য না। একসময় আপনাকে সেই প্রস্তাব দেয় পারলে তুই এটা আমার কাছে বিক্রি করে দেয়। আমি তোকে তোর কিনা ধরে দেব। 

সেদিন যখন  তার কথায় আপনি রাজি হননি। তখন থেকে দেখবেন তার পর থেকে সে আপনাকে এড়িয়ে চলে। আস্তে আস্তে আপনাদের দূরত্ব শুরু হয়। কারণে অকারণে আপনাদের মধ্যে মত পার্থক্য  সৃষ্টি হয়। এসময় লক্ষ করলেন সে আপনার সাথে শত্রুর মত আচরণ করতে শুরু কর়ছে। শেষ আপনি ও কি করবেন মানুষের স্বভাব  জাত ধর্ম পরিবর্তন হয়ে গেলেন। 

এখন বলুন  আপনার কি মনে হয় সকলে আপনার অতি আপনজন কল্যাণমিত্র। মনে রাখবেন আমরা যাদের যতই আপন মনে করি না কেন! সকলে যে আপন বা কল্যাণমিত্র নয়। কিছু কিছু বর্ণচোরা ও থাকে। 
-------- রাজু বড়ুয়া। 
        চট্টগ্রাম। 
০৯ ই মে ২০২৪।
          

 #viralpage2024  #viralpost2024  #foryouシ  #rajubarua  #highlight  #আমারব্লগ  #গল্প  #motivation  #motivational  #motivationalquotes</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/214060/</link>
				<pubDate>Thu, 09 May 2024 09:04:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বর্ণচোরাঃ-</p>
<p>আমাদের লোকসমাজে কিছু কিছু এমন মানুষ আছে যাদের  অতি আপনজন মনে করি । এককথায় বলতে পারেন তাদের ছাড়া আমাদের চলে না। তাদের বুদ্ধি পরামর্শ নিয়ে আমরা অনেকে চলি। আমরা মনে করি তাড়া আমাদের অতি কল্যাণমিত্র। </p>
<p>কিন্তুু একটা সময় আসে এই অতি আপনজন কল্যাণমিত্র আমাদের জানিদুশমন শত্রুতে পরিনত  হয়। এই যে এই শত্রুতা কেন হয় কিভাবে তা শুরু হয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-214060"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/214060/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1f44882ab335f7f06a80b1404c3020b7</guid>
				<title>ভাবছি বসে বসে
জীবনের পাতায়।
কে যেন নাড়া দেয়
হ্নদয়ের খাতায়।
েস কি কবু পেলেছে তার ঐ রাঙ্গা চরণ,  
আমার মনের আঙ্গিনায়।
না একি আমার মনে ভূল আবছা কল্পনা..... রাজু বড়ুয়া।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/213945/</link>
				<pubDate>Tue, 07 May 2024 15:38:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভাবছি বসে বসে<br />
জীবনের পাতায়।<br />
কে যেন নাড়া দেয়<br />
হ্নদয়ের খাতায়।<br />
েস কি কবু পেলেছে তার ঐ রাঙ্গা চরণ,<br />
আমার মনের আঙ্গিনায়।<br />
না একি আমার মনে ভূল আবছা কল্পনা&#8230;.. রাজু বড়ুয়া। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d96bcf3bdd97c88d2c3dff1b5ba940ef</guid>
				<title>চিন্তা। 
------------------

তোদের নষ্ট সমাজ
নষ্টামিতে ভরে গেছে সব।
দিন শুরুতে শুধুই বলিস
আর না হবে রব।

মিথ্যা তোদের নিত্য শপথ 
মিথ্যা তোদের জীবন। 
এই মিথ্যাকে সাথে নিয়ে 
হবে তোদের মরণ।

তোরা ভাবিস আসবে মরণ
সেই তো অনেক দূর। 
ওরে বোকা দেখ চেয়ে দেখ
মরণ তোর আশেপাশে করছে যে ঘুরঘুর। 

নিত্য তোরা চুরি করিস
পরের ধনসম্পদ। 
তোরা কি জানিস এইসব হলো
তোদের মরণ বিপদ। 

তাই বলছি আমি  অধম
করিস না এমন কর্ম।
এতটু তো কর লাজ লজ্জা 
বাঁচা তোরা জাতি ধর্ম।

রাজু বড়ুয়া। 
চট্টগ্রাম। 
২৬ ই এপ্রিল ২০২৪।

 #কবিতা  #কবি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/213328/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Apr 2024 05:54:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চিন্তা।<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;</p>
<p>তোদের নষ্ট সমাজ<br />
নষ্টামিতে ভরে গেছে সব।<br />
দিন শুরুতে শুধুই বলিস<br />
আর না হবে রব।</p>
<p>মিথ্যা তোদের নিত্য শপথ<br />
মিথ্যা তোদের জীবন।<br />
এই মিথ্যাকে সাথে নিয়ে<br />
হবে তোদের মরণ।</p>
<p>তোরা ভাবিস আসবে মরণ<br />
সেই তো অনেক দূর।<br />
ওরে বোকা দেখ চেয়ে দেখ<br />
মরণ তোর আশেপাশে করছে যে ঘুরঘুর। </p>
<p>নিত্য তোরা চুরি করিস<br />
পরের ধনসম্পদ।<br />
তোরা ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-213328"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/213328/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1daf30dea814ca08a7a2d54a69dba77a</guid>
				<title>তুমি থাকবে &quot;বাবা&quot; প্রতি অনুস্মৃতিতে।
&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;

রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা আমার রাতের খাওয়া শেষ। স্ত্রী, পুত্র, কন্যা তখনও খেয়ে উঠেনি। হঠাৎ স্ত্রী বলে উঠলো আজ আমার বাবা (মানে আমার বাবা) এটা খেতে খুব পছন্দ করত। আমার বাবা ওর শশুরকে বিয়ের পর থেকে বাবা ডেকে আসছে। কখনো তার মুখে আমার বাবাকে শশুর হিসেবে দেখেনি। বলে এটা আমার শশুর না  আমার বাবা আর বলবেই না কেন! বিয়ের পর তাকে প্রথমেই বলেছি আমার পিতামাতার ছেলের বউ হওয়ার চেষ্টা করো না। মেয়ে হওয়ার চেষ্টা করো দেখবে তাদের মনজুড়ে থাকতে পারবে। করেছেও তাই এবং তার প্রতিদান ও পেয়েছে সেই। বাবা কখনো আমার স্ত্রীকে ছেলের বউয়ের চোখে দেখেনি। নিজের মেয়ের মত আদর ও শাসন করে ছিল। আর আমার স্ত্রী ও তার নিজের বাবার মত সবসময় আমার বাবা, আমার বাবা করতো। বাবা গত হয়েছে আজ প্রায় আড়াই বছর।  এখনো বাবার কোন পছন্দের খাবার বা অন্য কোন কিছু তার নজরে পরলে। সাথে সাথে বলে উঠে আমার বাবা এটা পছন্দ করে, এটা বেশি খেতে চাইত। 

তাই এমন করে বলা আমার বাবা এটা খেতে চাইত আজ বেঁচে থাকলে।  এককথায় বাবার এখনো তার ধ্যানে জ্ঞানে। সে বলার সাথে সাথে আমি যাদের বাবা তারা বলে উঠলো।  হে দাদু খুব পছন্দের জিনিস ছিল দাদুটা খুব তাড়াতাড়ি চলে গেল বুই্জ্জা। এমন স্মৃতিচারন করতে গিয়ে আমার মেয়ে বলল। দাদুর হাতের থাপ্পড়  আমি খেয়েছি। থাপ্পড় খেয়ে আমি চোখে তাঁরা দেখেছি। তারপর আমার ছেলে বলে উঠলো আমার তো পিঠ চড়চড়িয়ে উঠে ছিল। সাথে সাথে আমার স্ত্রী অতটুকেই চোখে পানি ফেলতে ফেলতে বলছে। অন্যের উপর রাগ করে আমাকে একবার থাপ্পড় দিয়ে ছিল বাবা। তার পর বাবা তার নিজের রুমে গিয়ে কেঁদেছে। 

এবার তাদের সাথে আমি ও যোগ দিলাম। বললাম আহা্ বাবার মাইর কত খেয়েছি। তখন মনে হতো বাবা আমাকে ভালোবাসে না। মনে হতো আমি বাবার সন্তান না তাই আমাকে এমন করে মারে। আর এখন বুঝি ওগুলো মাইর ছিল না, ছিল আমার জন্য আর্শীবাদ (দীর্ঘনিশ্বাস)। কালক্রমে একসময় আমিই বাবার বাবা হয়ে গেলাম। নিজের সন্তানের মত শাসন করা চেষ্টা করছি। বাবা আমাকে জিজ্ঞেস না করে কোথাও যেত না। 

অথচ এই বাবাই আমার অনুমতি না নিয়ে। না ফেরার দেশে চলে গেল। সত্যি বাবা বড় অসময়ে তুমি চলে গেল বলে আমার স্ত্রী একপ্রকার আওয়াজ করে কেঁদে উঠলো। আমি ও কথা থামিয়ে তাকে থামানোর চেষ্টা করে। বললাম কেঁদে কি হবে যে গেছে সে তো আর ফিরে আসবে না। আর মনে মনে বললাম সত্যিই তো বাবা তুমি খুব তাড়াতাড়ি চলে গেলে। আর কিছু দিন পরে গেলে পারতে। কত স্বপ্ন ছিল তোমাকে নিয়ে আর তুমি নিষ্ঠুরের মত আমাদের পিছ দিয়ে চলে গেলে। 

ভালো থেকো বাবা যেখানে আছো। জেনে রেখো তুমি কখনো আমি ও আমার স্ত্রী, পুত্র, কন্যার কাছে অনুপস্থিত থাকবে না স্মৃতিতে । প্রতি অণুক্ষণে,  প্রতি ক্ষনে, প্রতি ঘন্টায়, প্রতি দিন এভাবে আমরা স্মৃতি হাতড়ে বেড়াব স্মৃতির সাগরে। তোমার কৃপার দান এক ফোটা বীর্য যতদিন অনু পরমাণু হয়ে রয়ে যাবে এই দেহে। ততদিন তুমি থাকবে বাবা আমার আশেপাশে। 

রাজু বড়ুয়া। 
২৪ ই এপ্রিল ২০২৪।
চট্টগ্রাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/213290/</link>
				<pubDate>Thu, 25 Apr 2024 07:40:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমি থাকবে &#8220;বাবা&#8221; প্রতি অনুস্মৃতিতে।<br />
&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;&#x1f33a;</p>
<p>রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা আমার রাতের খাওয়া শেষ। স্ত্রী, পুত্র, কন্যা তখনও খেয়ে উঠেনি। হঠাৎ স্ত্রী বলে উঠলো আজ আমার বাবা (মানে আমার বাবা) এটা খেতে খুব পছন্দ করত। আমার বাবা ওর শশুরকে বিয়ের পর থেকে বাবা ডেকে আসছে। কখনো তার মুখে আমার বাবাকে শশুর হিসেবে দেখেনি। বলে এটা আমার শশুর না  আমার ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-213290"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/213290/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">87b2763e3c6f515aa8923cabfa1ed456</guid>
				<title>প্রার্থণা ধরণীর তরে।
............................

ক্ষমা করো হে জননী 
তুমি যে ধরণী,
বাঁচিয়ে রেখেছ মোদের....

মোরা স্বার্থের কারণে
অযথা অকারণে, 
তোমারের ক্ষণে ক্ষণে। 
ক্রোধিত করছে রাগে।। 

তাই তো এই গ্রীষ্মের আগমনে।
তোমার কাননে...
ঝরিছে আগুন গমগম বর্ষণে।

পুড়ছে পাতা,পুড়ছে ফুল
না বুঝে মোরা হচ্ছি মশগুল। 
মানছি গো &quot;মা&quot; সব মোদেরই  ভুল।

আর কাটিব না গাছ
ফলিয়ে তোমাই সাজাবো 
নব সাজ.....

একটু হও তুমি ক্ষান্ত 
তোমারে শান্ত। 
নয়তো কৃষক মাঠে করবে না কাজ।
মজুরের ঘরে  ভাতের চুলা জ্বলবে না আজ।

রাজু বড়ুয়া। 
২২ ই এপ্রিল ২০২৪।
চট্টগ্রাম।

&#x1f332; আজ ২২ ই এপ্রিল  বিশ্ব ধরিত্রী দিবস &#x1f332;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212984/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Apr 2024 07:52:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রার্থণা ধরণীর তরে।<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.</p>
<p>ক্ষমা করো হে জননী<br />
তুমি যে ধরণী,<br />
বাঁচিয়ে রেখেছ মোদের&#8230;.</p>
<p>মোরা স্বার্থের কারণে<br />
অযথা অকারণে,<br />
তোমারের ক্ষণে ক্ষণে।<br />
ক্রোধিত করছে রাগে।। </p>
<p>তাই তো এই গ্রীষ্মের আগমনে।<br />
তোমার কাননে&#8230;<br />
ঝরিছে আগুন গমগম বর্ষণে।</p>
<p>পুড়ছে পাতা,পুড়ছে ফুল<br />
না বুঝে মোরা হচ্ছি মশগুল।<br />
মানছি গো &#8220;মা&#8221; সব মোদেরই  ভু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-212984"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/212984/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ba1c07bd7a2cb23be1c4112fa2fe228b</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212969/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Apr 2024 05:14:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6882ce98c2973ae930f3b886fe278361</guid>
				<title>Raju Barua changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212968/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Apr 2024 05:14:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ac780fad2223137cb7e6a9470e21b3d1</guid>
				<title>বহু দিন পরে
এসেছি ভালোবাসা নিয়ে 
তোমাদের তরে। 
দেবে কি প্রেম সখা
তবে মোর হ্নদয়ের চরে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192787/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Feb 2023 10:55:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বহু দিন পরে<br />
এসেছি ভালোবাসা নিয়ে<br />
তোমাদের তরে।<br />
দেবে কি প্রেম সখা<br />
তবে মোর হ্নদয়ের চরে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>