<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Sabbir Ahmed | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/sabbirajmer/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/sabbirajmer/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Sabbir Ahmed.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 11 Jun 2026 19:09:55 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">3d8d2b2d05a57a09093efc3662fe1ce1</guid>
				<title>অভিশাপ পর্ব ৪

ভাইয়ের সাথে এখানে সেখানে যাওয়া আমার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়াবে ঘুর্নাক্ষরে বুঝতে পারিনি। ভাবি আমার বিরুদ্ধে এতবড় চক্রান্ত করছে সেটাও বুঝতে পারিনি।সারাদিন মন্টুর সাথে ভাবি কি যেন ঘুজুর ঘুজুর ফুসুর ফুসুর করছেন,এতকিছু আমার মাথায় আসার কথা নয় কারন মন্টু তো তাদেরই ভাড়াটিয়া কথা থাকতেই পারে।আমি আর রতন বাড়ির পাশের পেয়ারা গাছের নিচে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম ওরা দুজন মাঝে মাঝে আড় চোখে আমাদের দেখছিল।তখন সকাল সাতটা বাজে কিছুক্ষণ পরেই  ওরা কাজে চলে যাবে, প্রতিদিনই রতন এভাবে আমার সাথে কথা বলে তারপরে কাজে যায়,যথারীতি আজকেও দেখা করতে এসেছে।  কিছুক্ষণ পরে রতন চলে গেল আমি বাড়ির মধ্যে চলে আসলাম কিন্তু ভাবি আর মন্টুর আলাপ চারিতা চলছেই।সেদিন বাড়িতে নাস্তা তৈরি হয়নি,হোটেল থেকে নাস্তা আনা হল,সাথে মন্টুর জন্যেও আনা হল।
আমার হাতে নাস্তার প্লেট দিয়ে ভাবী বললেন যাও এটা ওই মন্টুর রুমে দিয়ে আসো, আমি ইতস্তত বোধ করছিলাম বললাম ভাবি মন্টু কে কেন?ভাবী বললেন সেটা তোমাকে ভাবতে হবেনা তোমাকে যা বলছি তাই কর।আমি নাস্তা প্লেটটা হাতে নিয়ে মন্টুর রুমে ঢুকলাম,সমস্ত মেস ফাঁকা মন্টু ছারা আর কেউ নেই। মন্টুকে নাস্তা দিতে যাব অমনি আমাকে জড়িয়ে ধরল,ওর চোখেমুখে হিংস্রতা,আমি হঠাৎই ঘাবড়ে গেলাম  সমস্ত শরীর কাপতে শুরু করলো কি করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না,হাত থেকে নাস্তার প্লেটটা পরে গেল,আমার দুই হাতে বড় বড় নখ ছিল সজোরে খামচে ধরলাম,ওর চোখ মুখ রক্তাক্ত হয়ে গেল উপায়ন্তর না দেখে আমাকে ছেড়ে দিলো আমি দৌড়ে বাড়ির মধ্যে চলে আসলাম। আমার সমস্ত শরীর তখনও কাঁপছিল,ভাবি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন কী হয়েছে আমি কথা বলতে পারছিলাম না।ভাবী আমাকে অনেক মন্দ কথা বললেন।আমি নাকি দুশ্চরিত্রা আমি ছেলেদের গায়ে পড়ে কথা বলি ,আমার চরিত্রের দোষ আছে তিনি আমাকেই দোষারোপ করলেন।আমি কান্না থামাতে পারলাম না ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়লাম চুপচাপ বসে কাঁদছি।  এদিকে ভাবি মেসে গিয়ে কিছুক্ষণ পরে আবার ফিরে আসে আমি ভাবলাম হয়তো মন্টুকে ধমকাতে গেছেন।  ধমকাতেই গেছেন তবে আমার গায়ে হাত দেওয়ার জন্য নয়,ওকে ধমকিয়েছেন ব্যর্থতার জন্য, সুবর্ণ সুযোগ পাওয়া সত্ত্বেও আমাকে কিছুই করতে পারলো না। কিছুক্ষণ পর ভাবি ফিরে আসলেন আমাকে বললেন কাঁদিস না ওকে যা বলার বলে এসেছি ও তোকে আর কিছুই বলবে না তোর দিকে তাকাতেও সাহস পাবেনা।জানিনা কি চলছে তাদের মনে হয়তো আমাকে কোন প্রকার দোষী বানিয়ে কিছু একটা করতে চাইছে,এতোটুকু বুঝতে পারছি। কিন্তু আমি নিরুপায় আমার কিছুই করার নেই।সেদিন গোসলের সময় তার দামি শ্যাম্পু বের করে দিলেন  এবং পড়ার জন্য তার একখানা হলুদ শাড়ি আমাকে দিলেন,বুঝতে পারছিলাম না হঠাৎ ভাবির মধ্যে এত পরিবর্তন কেন?দুপুরের খাওয়া শেষে সবাই বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। দেখলাম ভাবি চুপিসারে মেসে গিয়ে ঢুকলেন প্রায় ১০ মিনিট পরে ফিরে আসেন,সোজা তার ঘড়ে ঢুকলেন। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হল,ভাবী  তার ছোট মেয়েকে সাজিয়ে ভাইকে নিয়ে কোথায় যেন যাচ্ছেন আমাকে ডেকে বললেন রিন্টু রইল ওকে দেখে রাখিস। রিন্টু মানে তাদের ছেলে। আমি ওকে নিয়ে সারা বিকেল বাড়িতে ছিলাম কোথাও বের হই নাই।কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্ধ্যা হয়ে এলো,আমি  ছেলেটাকে নিয়ে ঘরের মধ্যে এলাম  আমি জানিনা মেন সুইচ অফ করা শত চেষ্টা করেও বাতি জ্বালাতে পারলাম না অথচ পাশের বাড়িতে বিদ্যুৎ আছে!অবশেষে দরজা বন্ধ করে ছেলেটাকে ঘুম পাড়িয়ে নিজের শুয়ে পড়লাম।  কিছুক্ষণের মধ্যেই অন্ধকার নেমে আসে  হঠাৎ খাট টা কেমন যেন নড়ে উঠলো কোন মানুষের উপস্থিতি অনুভব করতে পারছি ।  আমি উঠে বসতে যাব  আর তখনই ক্ষিপ্র গতিতে কেউ একজন আমার বুকের উপরে চড়ে বসলো   তার দুই হাত দিয়ে আমার হাত দুটো চেপে ধরেছে আমি আপ্রান চেষ্টা করছি নিজেকে ছাড়ানোর জন্য  কিন্তু পারছিনা  অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই রশি দিয়ে আমার দুই হাত বেঁধে ফেলল আমার  মাথার উপরে দিকটায় খাটের সাথে।  তারপর পা দিয়ে দিলাম এক লথি ছিটকে পড়লো দেয়ালের সাথে আবার উঠে এসে আমার পা দুটো বেঁধে ফেলল।তার পর যা হবার তাই হল। পারলাম না নিজেকে বাঁচাতে সব শেষ। যেন হিংস্র হায়েনা ঝাপিয়ে পরেছিলো নিরিহ হরিণ শাবকের উপর।তার পর আমার হাত-পা বাঁধন ছেড়ে  যখন লোকটা বের হতে যাচ্ছে তখনি ভাই এবং ভাবী ঘরের মধ্যে প্রবেশ করল এবং সুইচ দিতেই বাতি জ্বলে উঠল দেখলাম লোকটা আর কেউ না মন্টু।আমি তখন খাটের উপর বসে হাঁটুর মধ্যে মাথা গুঁজে কাঁদছিলাম ভাইয়া মন্টুকে ধরে চড়-থাপ্পড় আর ঘুষি মারছে পেটের মধ্যে লাথি মারছে। ভাইয়ের হাত থেকে মনটু কে বাঁচিয়ে ভাবি ঘরের মধ্যে তালা বন্ধ করে রাখলেন,আর বললেন মামা মামিকে খবর দিয়ে নিয়ে আসো একটা ব্যবস্থা করতে হবে। খবর পেয়ে বাবা এবং ছোট মা আসলো,জানিনা ভাবি তাদেরকে কি বলেছেন বাবা আমার কাছে এসে দুই গালে শুধু চড় মেরে যাচ্ছেন ছোটমা এসে থামলেন আর বললেন কি হবে আর মেরে, যেমন মা তেমনি মেয়ে আমি আগেই বলেছিলাম ওকে বিয়ে দিয়ে দাও দেখলে তো গরিবের কথা বাসি হলে ফলে।এ দিকে রতন সবকিছু শুনে মনটুকে খুঁজছে মারার জন্য  কিন্তু মন্টু তো ভাবীর হাতে বন্দি কোথায় পাবে তাকে।  অবশেষে রতন আমার জানালার পাশে এসে আমাকে বলল তুমি কোন চিন্তা করো না তোমাকে নিয়ে আমি আমাদের বাড়িতে যাব মাকে সব খুলে বলবো নিশ্চয়ই মা কিছু একটা করবেন। ভাই ভাবি ছোট মা আর বাবা ঘরের মধ্যে কী যেন আলোচনা করছে তারপরে ভাই বেরিয়ে গেলেন কিছুক্ষণ পরে মৌলভী সাথে নিয়ে আসলেন। সাথে কিছু বিয়ের বাজার,বুঝতে আর বাকী রইল না, এই ছিল ভাবির মনে আর আমার কপালে।কি ছিল আমার অপরাধ?আমার ফুপাত ভাই আমাকে পছন্দ করতো শুধু এই অপরাধে আজ আমাকে এত বড় শাস্তি ভোগ করতে হবে?এর জন্যতো আমি দায়ি ছিলাম না!কেউ কি নাই আমাকে আমাকে এই বিপদ থেকে বাচাবে?রতন কি আমাকে বাচাবে?এটাতো আর সিনমা নয় যে হিরোর মত আসবে আর আমাকে বাচিয়ে নিয়ে চলে যাবে।ওর বাড়ি সিরাজগন্জ কিইবা ক্ষমতা এখানে সে দেখাতে পারবে?তবুও নাকি থানায় যাওয়ার জন্য বের হয়েছিলো,ভাবি লোক দিয়ে বেঁধে এনে আরেকটা ঘড়ে আটকে রাখে।এদিকে বিয়ের সমস্ত আয়োজন শেষ দুজন লোক আসলো আমার ইজাজত নিতে,অন্তরে আমার দুখিনি মায়ের মুখ খানা ভেসে উঠলো।বুকফাঠা আর্তনাদ বেরিয়ে এলো মুহুর্তেই জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম,আমার হয়ে নাকি ভাবিই কবুল বলেছিল।আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় বাসর ঘরে পঠানো হলো।ওই হিংস্র হায়েনা টা যখন তার স্বামীর অধিকার ফলাতে আমার উপর ঝাপিয়ে পরল তখনই আমার জ্ঞান ফিরে আসে।
  তখন দু&#039;পা একত্রিত করে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে  সজোরে এক লাথি হাকালাম।ছিটকে পড়লো  খাটের এক কোনায় মাথায় কিছুটা চোট পেলো,অমনি মাথা ধরে বসে পরল।আমি উঠে খুঁজতে থাকলাম  কি আছে খাটের নিচে ভাগ্যক্রমে খাটের নিচে কিছু বাটাম রাখা ছিল ছোট বড় সাইজের তা থেকে যুতসই একটা নিলাম নিয়ে শুরু করলাম চোখ বন্ধ করে বারি,এলো পাথারি বারি।মন্টু চিৎকার শুরু করল,চিৎকার শুনে ছুটে এল সবাই ওর ভাগ্য ভালো দরজা খোলা ছিলো,দরজা বন্ধ থাকলে সেদিন হয়তো আমার হাতে খুন হয়ে যেত।সবাই এসে আমাকে থামাল ততক্ষনে ওই শকুনটাকে রক্তাক্ত করতে পেরেছি।সবাই ওর সেবা শুশ্রূষা করছে,ভাবি কমরে হাতদিয়ে দাঁতে দাঁত রেখে আমার সামনে এসে বলছে।মাগি-- মাগি তোর এত বড় সাহস ভাতারের গায়ে হাত দেস। বলেই আমার চুলের মুঠি ধরতে যাবে।আর তখনি সমস্ত রাগ গিয়ে পরলো ভাবির উপরে,আমিতো এমনিতেই মরা আমার আবার কিসের ভয়।হাতে থাকা বাটাম দিয়ে সজরে আঘাত করলাম তার হাতে,ভাবি মাগো বলে হাত ধরে বসে পরলেন।তার পরের আঘাত তার পিঠে এবার সে চিৎকার দিয়ে ফ্লোরে শুয়ে পরল কমর বরাবর মারলাম আরেক ঘাঁ।ছোট মা ছুটে আসল বান্দির ঝি তোর এত বর সাহস,যেই আমাকে ধরতে যাবে,অমনি তার মাথায় করলাম আঘাত কপাল কেটে ফিনকি দিয়ে রক্ত পরতে লাগলো।ছোট মা মাথা ধরে বসে পরলো তাকে সাপ পিটানোর মত পিটাতে থাকলাম।হৈচৈ শুনে মেসের সবাই চলে এসেছে।এই মুহুর্তে তিনজন ধরাশায়ি আমার সামনে যেই আসবে তার অবস্থাও ঠিক এমনই হবে,সে হোক আমার জন্মদাতা পিতা বা অন্য কেউ,সবার সামনে দারিয়ে আছে এক ক্ষ্যাপা বাঘিনী।কেউ সাহস করছেনা আমার সামনে আসার।(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57650/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Nov 2021 15:52:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অভিশাপ পর্ব ৪</p>
<p>ভাইয়ের সাথে এখানে সেখানে যাওয়া আমার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়াবে ঘুর্নাক্ষরে বুঝতে পারিনি। ভাবি আমার বিরুদ্ধে এতবড় চক্রান্ত করছে সেটাও বুঝতে পারিনি।সারাদিন মন্টুর সাথে ভাবি কি যেন ঘুজুর ঘুজুর ফুসুর ফুসুর করছেন,এতকিছু আমার মাথায় আসার কথা নয় কারন মন্টু তো তাদেরই ভাড়াটিয়া কথা থাকতেই পারে।আমি আর রতন বাড়ির পাশের পেয়ারা গাছে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-57650"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/57650/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a773185b6a13961202ece8e76599604a</guid>
				<title>অভিশাপ পর্ব ৩
সাব্বির আহমেদ

বাবা আমাকে হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে আসছেন যেন  আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে,মাঝে মাঝে ভাবি আসলেই কি তিনি আমার জন্মদাতা?যাইহোক ভাগ্য নিয়ন্ত্রক তিনিই জানেন কি আছে আমার ভাগ্যে ?বাড়িতে আসার পরে ছোটমায়ের বিজয়উল্লাসিত দৃষ্টি ছিল দেখার মতো।  ছোটমা উঠান ঝাড়ু দিচ্ছিলেন  মাকে কটাক্ষ করে বললেন দ্যাক দ্যাক কি মেয়া প্যাটে ধরছিলি, আমি সৎ মা  তুইতো আপনা মা  তোর মায়াও করল না!  বলেই ঝাড়ুটা ফেলে  আমাকে বললেন নবাবের বেডি চায়া চায়া দেহছ কি?ল ঝাডা ল।আমি নিঃশব্দে উঠান ঝাড়ু দিতে শুরু করলাম ,আমার মায়ের অশ্রু শিক্ত অধর দেখে বুকটা ফেটে যাচ্ছিল।মনে মনে বললাম মারে কাঁদিস না একদিন তোর দুঃখ আমি ঘোচাবই।একটার পর একটা ফরমায়েশ খাটতে খাটতে রাত আটটা বেজে গেল সবার খাওয়া দাওয়া শেষ হলে আমাদের মা মেয়ের জন্য কিছু খাবার বরাদ্দ হলো। যতটুকু খাবার বরাদ্দ হলো তা একজনের জন্যও যথেষ্ট নয়।  আমরা দুই অভাগিনী খেতে বসলাম,মা আমাকে বললেন, আমার পেটটা যেন কেমন করতাছে,আইজকে আর খামুনা তুই খাইয়া ল।  বলেই মা উঠতে যাচ্ছেন অমনি তার আঁচল ধরে টান মেরে বসিয়ে দিলাম।  আমি বললাম আমি জানি মা তোর পেট টা কেমন করতাছে না বুকটা কেমন করতাছে।ভাতের প্লেট টা মায়ের দিকে এগিয়ে দিয়ে বললাম অনেকদিন তোর হাতে খাই না আজকে একটু খাইয়ে দিবি?  মা আমাকে খাইয়ে দিলেন আমিও মাকে খাইয়ে দিলাম,খাওয়া শেষ হলে মা-মেয়ে দু&#039;জনই শুয়ে পড়লাম মায়ের বুকে মাথা রেখে অনেকদিন পরে ঘুমালাম কি যে শান্তি যেন বেহেশতে সুখ। সকালে উঠে শুরু হলো যথারীতি ছোটমায়ের কর্মকাণ্ড। সেদিন নাস্তা তৈরি হয়েছিল তা আমাদের জন্য হয়তো তৈরি হয়নি, আমাদের জন্য বরাদ্দ হলো এক বাটি শুকনা মুড়ি।  আপনারা হয়তো নাটক-সিনেমায় দেখেছেন আমার এই কাহিনী সেটা কেও হার মানাবে। আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত শুকনা মুড়ি খেতে বসলাম মা-মেয়ে দুজনেই।হঠাৎ বাহিরে তাকিয়ে দেখি আমার ফুফাতো ভাই আর ভাবি এসেছেন বেড়াতে। সাথে তাদের এক ছেলে আর এক মেয়ে ছেলের বয়স পাঁচ বছর আর মেয়ে দু&#039;বছরের।সুখী পরিবার,অনেক-সম্পদের মালিক আমার ফুপাতো ভাই।দেখতে নায়ক সদৃশ হলেও, চরিত্রটা খলনায়কের।  তার মুখের মিষ্টি কথায় কুপোকাত হবেনা এমন লোক বিরল।  তিনি যখনই আমাদের বাড়িতে আসতেন আমাকে তার কোলে বসিয়ে আদর করতেন সেটা আমার মোটেই পছন্দ হতো না। কিন্তু কি করতাম আমি যে তখন ছোট।ছোটমা আমার ফুপাতো ভাইয়ের একনিষ্ঠ ভক্ত। কারণ যখনই আমাদের বাড়িতে আসতেন প্রচুর টাকা খরচ করতেন।যে কয়েকদিন থাকতেন আমাদের কোন বাজার করতে হতোনা।ছোট মায়ের প্রচুর শাড়ি গয়নার শখ তার বেশিরভাগই আমার এই ফুপাতো ভাই দিতেন। বুঝতেই পারছেন কেন হবেনা তার ভক্ত!প্রায় সপ্তাহখানেক আমাদের এখানে বেড়ালেন। যাওয়ার সময় ছোট মাকে বলে আমাকে সাথে নিয়ে গেলেন।বুঝতে পারিনি  এটা আমার জন্য  কাল হয়ে দাঁড়াবে।আমার ফুপাতো ভাই আমাকে নিয়ে বেশিরভাগ সময় মেতে থাকতো মার্কেটে নিয়ে যেতো  এটা ওটা কিনে দিতো সিনেমায় যেতো বলতে গেলে বেশিরভাগ সময়ই আমার জন্য ব্যয় করতো। এটা ভাবির সহ্য হতো না,তার চোখের দিকে তাকালেই বুঝা যেত অন্তরদাহের ধুম্র কুন্ডুলি।একদিন গভীর রাতে তাদের ঝগড়া শুনে ঘুম ভেঙে গেল কান পেতে শুনতে চেষ্টা করলাম,যা শুনতে পেলাম তাতে কোন সন্দেহ নেই যে তাদের ঝগড়ার বিষয়বস্তু আমি।বুঝতে পারলাম ফুফাতো ভাই  আমাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে।শুনে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল  ইচ্ছে হচ্ছিল ছুটে বাড়িতে চলে আসি, আমার পক্ষে একা আসা কিছুতেই সম্ভব না তাই বাধ্য হয়েই  ওখানে থাকতে হচ্ছিল।তাদের বাড়ির পাশে একটা জুটমিল ছিল সেখানে অনেক লোক চাকরি করতো।ঐবাড়িতে একটা ব্যাচেলর মেস ছিল,সেই মেসের রতন নামে একটি ছেলে ছিলো বয়স আঠারো ঊনিশ হবে হালকা পাতলা গড়ন
গায়ের রং উজ্জ্বল শ্যাম বর্ন।চুলগুলো কুঁকড়ানো।ওর সাথে আমার বন্ধুত্ব হয়ে ছিলো।প্রতিদিনই কোন না কোন অজুহাতে আসতো আমার সাথে দেখা করতে।ওর সাথে কথা বলতে আমার ভালোই লাগতো।এই মেসেই আরেক টা ছেলে ছিলো নাম মন্টু ছোট খাটো গঠন মোটা মোটা হাত পা চোখ দুটো রক্তজবার মত লাল,নাক চ্যাপটা কান দুটো খরগশের কানের মত খাড়া গায়ের রং কুচকুচে কালো,দেখলেই গা শিউরে ওঠে।কি ভাবে যেন তাকাতো আমার দিকে।এক দিন দেখলাম ভাবির সাথে কি যেন পরামর্শ করছে।সেদিন ঐ ছেলেটা কাজে যায় নাই প্রায় সমস্ত দিনই ভাবির সাথে দেখলাম আমি যানতেও পারলামনা ওরা আমারই বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করছে।সে দিন সন্ধ্যায় ভাই ভাবি ছোট মেয়ে টাকে নিয়ে কোথায় যেন বেড়াতে গেলো।ছেলেটাকে নিয়ে বাড়িতে আমি একা।সেদিন অনেক সেজেছিলাম,লাল পেড়ে হলুদ রংএর একটা শাড়ি পরেছিলাম।ছেলেটাকে ঘুমপাড়িয়ে দরজা বন্ধকরে শুয়ে পরলাম।সব জায়গায় বিদ্যুত আছে শুধু এই বাড়িতে বিদ্যুত নাই।আমি বুঝতেও পারিনাই যে মেইন সুইচ অফ করে রেখেছে।তাই অন্ধকারেই শুয়েছিলাম,হঠাৎ খাট নড়ে উঠলো।(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57646/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Nov 2021 15:24:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অভিশাপ পর্ব ৩<br />
সাব্বির আহমেদ</p>
<p>বাবা আমাকে হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে আসছেন যেন  আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে,মাঝে মাঝে ভাবি আসলেই কি তিনি আমার জন্মদাতা?যাইহোক ভাগ্য নিয়ন্ত্রক তিনিই জানেন কি আছে আমার ভাগ্যে ?বাড়িতে আসার পরে ছোটমায়ের বিজয়উল্লাসিত দৃষ্টি ছিল দেখার মতো।  ছোটমা উঠান ঝাড়ু দিচ্ছিলেন  মাকে কটাক্ষ করে বললেন দ্যাক দ্যাক কি মেয়া প্য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-57646"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/57646/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">17c9be8c565001e8dc15368a612f7985</guid>
				<title>,,তোমার জন্য,,(পর্ব-২)
  সাব্বির আহমেদ

সুনয়না,
তোমার অনুভূতিহীন হৃদয়ে 
ঐশ্বৰ্যের জৌলুসে ছিলে দিপ্তিময়।
সেদিন তোমার অবহেলা
দাবানল হয়েছে হৃদয় বনে,
এক বার এসে দেখে যাও
সেখানে শুধু অঙ্গার আর 
কিছু ছাই অবশিষ্ট,
এতটুকোই রেখেছি সযতনে,
জানি নেই ফুরসত তোমার।
মনে পরেকি?
তোমার সামান্য আবদারে
জীবন রেখেছিলাম বাজি,
তোমাকে নিরাশ হতে দেইনি
জানি ভুলে গেছো,
সেটা ছিল তুচ্ছ দিনপঞ্জি।
স্মৃতির পাতা উল্টালেই ছোট বড়
অনেক স্মৃতি এসে ভিড় করে,
সিনেমা দেখার ছলে তোমার
উষ্ণতার অনুভব,তোমার 
নিশ্বাসের শব্দ,তোমার চুলের গন্ধ
সবই লুটে নিয়েছি অগোচরে।
সুনয়না,তুমি কি জানো?
তোমার স্পর্শের অনুভূতি
ছিলো কতটা আবেদন ময়!
সুকৌশলী মন আমার
শুধু চেয়েছে তোমায়
ছুঁয়ে দেখি একটি বার।
জীবনের কালনিশা কাটাতে 
তুমি এসো ফিরে।
পাঁজরের বর্ধিষ্ণু ব্যাথার উপশম হতে 
শুধু তুমিই মহৌষধ!
আমার অনুক্ত বচন কখনও
পৌছাবে না তোমার কর্ণকুহরে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/56604/</link>
				<pubDate>Sun, 14 Nov 2021 09:26:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>,,তোমার জন্য,,(পর্ব-২)<br />
  সাব্বির আহমেদ</p>
<p>সুনয়না,<br />
তোমার অনুভূতিহীন হৃদয়ে<br />
ঐশ্বৰ্যের জৌলুসে ছিলে দিপ্তিময়।<br />
সেদিন তোমার অবহেলা<br />
দাবানল হয়েছে হৃদয় বনে,<br />
এক বার এসে দেখে যাও<br />
সেখানে শুধু অঙ্গার আর<br />
কিছু ছাই অবশিষ্ট,<br />
এতটুকোই রেখেছি সযতনে,<br />
জানি নেই ফুরসত তোমার।<br />
মনে পরেকি?<br />
তোমার সামান্য আবদারে<br />
জীবন রেখেছিলাম বাজি,<br />
তোমাকে নিরাশ হতে দেই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-56604"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/56604/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2aeb3c51d4e01745d42759f1027a88fb</guid>
				<title>তোমার জন্য (পর্ব-১)
সাব্বির আহমেদ

স্বথপ্নের শিঁড়ি বেয়ে 
ঐ--দুরে হারিয়ে যাবো 
যেখানে শুধুই শূন্যতা,
থাকবেনা পিছু টান
হৃদয়ের ব্যাকুলতা।
বুক ভরে নেবো নিশ্বাস
হৃদয়ের সব জানালা খুলে,
তুমি থাকবে কি?সুনয়না
কোমল দু হাতে 
আমায় আকড়ে ধরে
নাকি তুমিও যাবে ভুলে?
তোমার তো নেই অপরাধ
পৃথিবি ভুলেছে আমায় 
শূন্যতাই এখন অবলম্বন,
তুমি জানো?
আজকাল পাঁজরটাতে
বড্ড চিন-চিন ব্যাথা করে!
যেখানে ছিলো তোমার বসতি
এতটুকোই ছিলো সম্বল।
একটা একটা করে ভেঙ্গে
পাঁজরের হাড়,
গগনচুম্বী স্বপ্নে তুমি 
গেলে হারিয়ে চির তরে।
তুমি দেখনি কোন দিন
তোমায় কাছে পাওয়ার অনুভূতি
হৃৎপিণ্ডকে আন্দোলিত করে।
নিঃসঙ্গতা ছারা আর কি 
রেখে গেছো আমার জন্য?
হয়তো লোপ পেয়েছে 
তোমার শ্রবণেন্দ্রিয়!
নয়তো শুনতে হৃদয় বিনার 
ক্রন্দন তোমারই জন্য।
প্রাচুর্যের স্ফুরণ 
তোমাকে করেছে দৃষ্টিহীন,
নয়তো দেখতে তোমার দুয়ারে
প্রনয়প্রার্থী নিশ্চুপ শব্দহীন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/56602/</link>
				<pubDate>Sun, 14 Nov 2021 09:21:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমার জন্য (পর্ব-১)<br />
সাব্বির আহমেদ</p>
<p>স্বথপ্নের শিঁড়ি বেয়ে<br />
ঐ&#8211;দুরে হারিয়ে যাবো<br />
যেখানে শুধুই শূন্যতা,<br />
থাকবেনা পিছু টান<br />
হৃদয়ের ব্যাকুলতা।<br />
বুক ভরে নেবো নিশ্বাস<br />
হৃদয়ের সব জানালা খুলে,<br />
তুমি থাকবে কি?সুনয়না<br />
কোমল দু হাতে<br />
আমায় আকড়ে ধরে<br />
নাকি তুমিও যাবে ভুলে?<br />
তোমার তো নেই অপরাধ<br />
পৃথিবি ভুলেছে আমায়<br />
শূন্যতাই এখন অবলম্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-56602"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/56602/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a076d4fb2e49845ee3d4c93f4a720452</guid>
				<title>হিল্লে বিয়ে
সাব্বির আহমেদ

আমাদের গাঁয়ে নইমদ্দিন সাদাসিধে লোক অতি,
গত শাওনে হলো ঘটা করি জরিনা বিবির পতি।
জরিনা বিবি আওরাত খুবি দেখতে চমৎকার,
নইমদ্দির আঁধার ঘরে ঘুচালো অন্ধকার।
দিপ্ত ছড়ানো ও বদন পানে চেয়ে থাকে অনিমেষ,
পরের জমিতে বদলা খেটে দিন চলে যায় বেশ।
খুশি ছড়াছড়ি ছোট ঘড় খানি সর্গ নামিয়া আসে,
নতুন করিয়া খুশির বার্তা পেলো ফাগুন মাসে।
কিছু দিন পরে আসিল ঘরে চাঁদের টুকরা খানি।
যত দিন যায় মেয়ে যেন হয় বাবার চোখের মনি।
কোন একদিন নইমদ্দিন শনিতে করিল ভর,
কালবৈশাখী ভাঙ্গিয়া দিল তাহার সুখের ঘড়।
কলহের যেরে বধু জরিনারে তালাক বলিয়া দিলো,
একে একে সেই ছোট্ট কথাটি গ্রামময় রটে গেলো।
হায় জরিনা আর পারেনা থাকতে পতির ঘড়ে,
ফিরে গেলো সে বাপের বাড়িতে সাথে নিয়ে মেয়েটিরে।
নইমদ্দিন কাঁদে সারাদিন একি করিলো কাজ!
দিনে দুপুরে বিনা মেঘে তার মাথায় পরিল বাজ।
নইমদ্দি করিয়া বুদ্ধি মড়লের পায়ে ধরে,
ধরি দুটি পায় তুমি বাপ মায় এনে দাও জরিনারে।
মড়ল কহে কাজটা নহে সহজ কারবার,
হিল্লে বিয়ে আগে দিয়ে ঘড়ে নিবি তার পর।
গাঁয়ের মড়ল মনেতে গড়ল ঘড়ে বিবি চার খানা,
আরো ভালো হয় যদি বিবি হয় পঞ্চমে জরিনা।
নইমদ্দিন ভাবনার বিন বাজিল তাহার প্রাণে,
কেবা ভালো লোক মোর জরিনারে বিয়ে দেব কার সনে?
মুচকি হাসিলো মড়ল কহিলো কেন ভাবো তুমি মিছে,
আমি কি তোমার পর কেহ নাকি বিয়ে দাও মোর কাছে।
জরিনারে পেতে সব পথে যেতে নইমদ্দিন রাজি,
পাঁচ নাম্বার বিবি বানাতে মড়ল ডাকিল কাজি।
দিন হলো গত প্রায় তিন শত মড়লের নেই সাড়া,
বৌ নিতে এলে মড়ল তাহারে লাঠি নিয়ে করে তাড়া।
ধরে হাতে পায় মড়লেরে কয় জরিনারে চাই ফিরে,
নিষ্প্রাণ আমি ওকে ছাড়া বলো কেমনে থাকিব ঘড়ে।
দাঁতকপাটি হেসে কুটিকুটি মড়ল কহিলো বাছা!
সাহস বেজায় আছে বটে!বৌ নিতে চাস হাছা?
হায় জরিনা আর পারে না এ সকল সহিতে,
শকুনের ঘড় করিয়াছে সে পতিধন ফিরে পেতে।
আজ সে আশা হয় নিরাশা কি করিলো অবশেষ,
আত্মঘাতী হয়ে জীবনের ঘুচালো সকল ক্লেশ।
আর কত‌ জরিনারা বলো অকালে ঝড়াবে প্রাণ?
তবু এ সমাজপতিরা রবে চিরকাল মহীয়ান!!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/56403/</link>
				<pubDate>Sun, 14 Nov 2021 01:38:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হিল্লে বিয়ে<br />
সাব্বির আহমেদ</p>
<p>আমাদের গাঁয়ে নইমদ্দিন সাদাসিধে লোক অতি,<br />
গত শাওনে হলো ঘটা করি জরিনা বিবির পতি।<br />
জরিনা বিবি আওরাত খুবি দেখতে চমৎকার,<br />
নইমদ্দির আঁধার ঘরে ঘুচালো অন্ধকার।<br />
দিপ্ত ছড়ানো ও বদন পানে চেয়ে থাকে অনিমেষ,<br />
পরের জমিতে বদলা খেটে দিন চলে যায় বেশ।<br />
খুশি ছড়াছড়ি ছোট ঘড় খানি সর্গ নামিয়া আসে,<br />
নতুন করিয়া খুশির বার্তা পেলো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-56403"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/56403/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">122ea5638986cbb5a630ba613cfe7872</guid>
				<title>অভিশাপ (পর্ব ২)
সাব্বির আহমেদ
রফিক স্যারের বাড়িতে দিনগুলো সুখেই কাটছিল, স্যারের স্ত্রী আমাকে খুব আদর করেন,তাঁকে আমি চাচী বলে ডাকতাম। একদিন তিনি আমাকে ডেকে বললেন  নার্গিস  এ দিকে আসো,আমি চাচীর কাছে গিয়ে বললাম জ্বি চাচি।তিনি বললেন  আমার পাশে বসো তারপর আমার আমার মাথায় পিঠে হাত  হাত বুলাতে বুলাতে বললেন  হ্যাঁরে আমাকে মা বলে ডাকতে কি তোর খুব কষ্ট হবে?  চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না কেঁদে ফেললাম।তিনি আমাকে টান দিয়ে কোলে বসিয়ে বুকে মধ্যে চেপে ধরলেন।কান্না যেন কিছুতেই থামছে চাইছে না এভাবে আগে কখনো কাঁদিনি।চাচী আমার মাথাটা তার বুকের মধ্যে এখনও চেপে ধরে আছেন।আর বলছেন কাঁদ মা কাঁদ বুকটা হালকা হবে।এভাবে কেটে গেল অনেকক্ষন।তারপর থেকে আমি তাকে মা বলেই ডাকতাম তিনি আমাকে কোন কাজ করতে দিতেন না, শুধু খাওয়া-দাওয়া খেলাধুলা আর স্কুলে যাও। স্যারের দুই ছেলেই আমাকে ছোট বোনের মত আদর করতেন এভাবে কেটে গেল প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিনমাস মত।হঠাৎ
এক দিন ঘুম থেকে উঠে সবে মাত্র বারান্দায় গিয়ে বসেছি,দেখি বাবা এসে হাজির।তাকে দেখে খুশি হতে পারলাম না আমার হাত পা কাপতে শুরু করেছে,বাবা বললেন ল বাড়িত ল। আমি কোন কথা না বলে দৌড়ে ঘোরের মধ্যে ঢুকে পরলাম।চাচি ঘুমাচ্ছিলেন আমি তার বুকের মধ্যে মাথা গুজে শুয়ে কাপছি,চাচি বললেন কিরে মা কি হয়েছে কাপছিস কেন?আমি কেঁদে ফেললাম,চাচি বললেন কি হয়েছ কাঁদছিস কেন?বল মা আমাকে বল!চাচিকে আরও শক্ত করে জরিয়ে ধরে বললাম,আমি যাবো না মা।কোথায় যাবি?কি বলছিস?কে এসেছে?তোর বাবা?আমি শুধু মাথা নাড়লাম।কাদিস না কেউ তোকে নিয়ে যেতে পারবেনা।তোর চাচা আগে আসুক তার পর দেখছি।চাচা ফজরের নামাজ পরে হাটতে বেরিয়েছেন আসতে হয়তো আটটা বাজবে।ততক্ষনে আমার না জানি বারোটা বেজে যায়।বাবা উঠানে দাড়িয়ে ডাকা ডাকি করছেন,আমি চাচিকে ধরে চুপচাপ শুয়ে আছি।সাড়ে সাতটার সময় চাচা আসলেন।অনেক কথা কাটাকাটি হলো তাদের মাঝে।আশেপাশের কিছু লোক এসেছিলো।এক পর্যায়ে বাবা ফিরে গেলেন।কিন্তু হাল ছাড়েন নাই।বিচার চাইলেন চেয়ারম্যানের কাছে।বিকালে বিচার বসলো,মাতব্বর চেয়ারম্যান আরও অনেক লোক এসেছেন রায় গেলো আমাদের বিপক্ষে,সবাই স্যারকে দোষারপ করছেন,বাবার কাছথেকে আমাকে লিখপড়ে আনেন নাই কেন?বাবা নাকি আদালতে গেলে তারই জয় হবে কারন আমার বয়স এখনো আঠার হয়নাই।তাই রায়টা বাবার পক্ষেই গেলো।আমাকে আবার ওই নরকেই ফিরতে হলো।আসার সময় চাচি আমাকে জরিয়ে ধরে অনেক কেদেছেন।আমি কাঁদতে পারি নাই।কান্নার ভাষা যেন হারিয়ে ফেলেছিলাম।এর পর থেকে শুরু হলো নির্যাতনের নতুন মাত্রা।এখন আমার সব গা সওয়া হয়ে গেছে।দেখতে দেখতে বছর শেষ হয়ে গেলো আমি সপ্তম শ্রেণিতে উঠলাম,বরাবরের মত এবারেও প্রথম হলাম।স্কুলে আসলেই চাচির সাথে দেখা করতাম,এভাবেই কাটছিলো দিনগুলি।এক দিন বাড়িতে আসলেন আমার ফুপাতো ভাই আর ভাবি,উদয় হলো আমার জিবনে নতুন শনি। (চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/56249/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Nov 2021 15:22:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অভিশাপ (পর্ব ২)<br />
সাব্বির আহমেদ<br />
রফিক স্যারের বাড়িতে দিনগুলো সুখেই কাটছিল, স্যারের স্ত্রী আমাকে খুব আদর করেন,তাঁকে আমি চাচী বলে ডাকতাম। একদিন তিনি আমাকে ডেকে বললেন  নার্গিস  এ দিকে আসো,আমি চাচীর কাছে গিয়ে বললাম জ্বি চাচি।তিনি বললেন  আমার পাশে বসো তারপর আমার আমার মাথায় পিঠে হাত  হাত বুলাতে বুলাতে বললেন  হ্যাঁরে আমাকে মা বলে ডাকত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-56249"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/56249/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">516d4a6de9c35ced0ade9c448f0b61a5</guid>
				<title>আমি নার্গিস,নিম্নমধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারে আমার জন্ম।মা-বাবার তৃতীয় সন্তান আমি,আমার বড় এক ভাই এক বোন। বড় বোনের বিয়ে হয়েছে এই গ্রামেরই দূরসম্পর্কের চাচাতো ভাইয়ের সাথে। আমার ভাই নাম সালাম আমার থেকে তিন বছরের বড় সে বিদ্যা বিরাগি,স্কুলে তার এলার্জি,জোর করে স্কুলে পাঠালেও বাজারে চায়ের দোকানে বই রেখে চলে যায় সিনেমায়। তাই বাবা ওকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে জুতার দোকানে কাজে লাগিয়ে দেন।আমা৬র বয়স তখন তেরো অনেক দেরিতে স্কুলে পাঠানো হয়েছে আমাকে। লেখাপড়ায় আমি বরাবরই ভালো।তখন আমি প্রাথমিকের পাঠ চুকিয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। প্রাথমিকে প্রথম স্থান অধিকার করেছি।প্রধান শিক্ষক আমাকে একটি রংবেরঙের ছাতা উপহার দিয়েছিলেন।আসল কথাই বলা হয়নি,আমি যখন খুব ছোট  আমার মায়ের একটি দুর্ঘটনা ঘটে, হাসপাতালে থাকতে হয় দীর্ঘদিন।এরই মাঝে বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন।শুরু হয় আমার সীমাহীন কষ্টের দিন। কারন বাড়িতে কষ্ট পাওয়ার মতো আমি একাই ছিলাম,বড় বোন শ্বশুরবাড়ি,ভাই জুতার দোকানে।তাই সৎ মায়ের যত নির্যাতন সব আমার নসিবে,সৎ মা কি জিনিস! আগে জানতাম না এখন হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করছি। পৃথিবীর সমস্ত বাবাদের উদ্দেশ্য করে বলতে চাই,আপনাদের যদি দ্বিতীয় বিয়ে করতেই হয়, তাহলে আপনাদের সন্তানদের  তিলে তিলে কষ্ট না দিয়ে খাবারে বিষ মিশিয়ে দিন ঝামেলা চুকে যাবেযাবে,আর কোনো বাধা থাকবে না।পান থেকে চুন খসলেই  শুরু হতো সৎ মায়ের অমানুষিক নির্যাতন।  যারা সৎ মায়ের হাতে পরেন নাই তারা হয়তো উপলব্ধিও করতে পারবেন না সৎমা কত নিষ্ঠুর হতে পারে। আমার উপরে হওয়া নির্যাতনের কিছুটা শেয়ার করছি।একদিনের ঘটনা মাঘ মাসের মাঝামাঝি কনকনে ঠাণ্ডা ফজরের আযান হয়েছে মাত্র, ছোট-মা আমাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে দিলেন  বিলে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য,অথচ তার আদরের ছেলে লেপের নিচে ঘুমে বিভোর।আমি বললাম ছোট মা কালামকে ও উঠিয়ে দাও আমার সাথে যাবে একা একা আমার ভয় লাগে।ছোটমা আমার কানে মোচড় মেরে মুখ ঝামটা দিয়ে বললেন,ওরে আমার নবাবের বেডি লো ওনার বডিগাড নাগবো।আমি কান ডলতে ডলতে বিলের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।প্রায় তিন ঘন্টা ধরে ঠান্ডা পানির মধ্যে হাতরে হাতরে কিছু মাছ ধরলাম।ঠান্ডায় হাত পা অবশ হয়ে গেছে,আর পারছিনা কিন্তু কিছুই করার নেই,ছোট মায়ের অত্যাচারে চেয়ে এটা বেশি কিছু না।এক দিন খাওয়ার মত মাছ না ধরলে রক্ষা নাই।তাই কষ্ট হলেও বাড়িতে ফিরতে পারছিনা।আরো ঘন্টা খানিক মাছ ধরলাম,যা পেলাম জানিনা ছোট মায়ের মন ভরবে কিনা?স্কুলে যেতে হবে তাই বাড়ির দিকে রওয়ানা দিলাম।মনে মনে যা ভাবছিলাম তাই হলো,মাছ দেখে তার মন ভরলোনা,মাছের পাতিল আছড়ে ফেললো উঠানে,খিস্তি যা করার তা তো করলই।একটা শৈলটাকি লাফিয়ে পরলো গিয়ে ঘড়ের পিছে খালের পানিতে তাতেই যেন জ্বলন্ত আগুনে ঘি পরলো।মাছটা নাকি আমারই কারনে খালে পরেছে,তাই আমার পিঠে পরলো কাঁচা কঞ্চির কয়েক ঘা।সেই সাথে অধ্যাদেশ জারি হল আজ আমার খাওয়া বন্ধ।আমার মা শুধু চোখের জল ফেললেন,আর চেয়ে চেয়ে দেখলেন,প্রতিবাদের ক্ষমতা টুকোও নাই তার কাছে।দৌড়ে গিয়ে মায়ের গলা জরিয়ে একটু কেঁদে বুকটা হলকা করব তারও  উপায় নাই।কি আর করার,এমনটা তো দৈনন্দিন রুটিন।এমনো সময় গেছে দুই তিন দিনের জন্য আমার খাওয়া বন্ধ করেছে,ক্ষুধার জ্বালা সহ্য করতে না পেরে পাশের বাড়িতে গরুর জন্য রাখা তিন দিনের পচা ভাত তাই খেয়েছি গোগ্রাসে।এমন আরো কত শত অত্যাচার নিরবে সয়েছি! বড় বোনের বাড়িতে যাবো সেখানেও তার শাশুড়ি আরেক দাজ্জাল।তাই না খেয়েই স্কুলে চলে গেলাম,স্বপ্ন একটাই লেখা পড়া আমাকে করতেই হবে।তারপর চাকরি করবো মাকে এই নরক থেকে মুক্ত করবো।আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে,আমার বাবা কি এ সবের কিছুই দেখেন না?না তার চোখ তো এখন ছোট মায়ের আঁচলে বাধা,আর কানে মধ্যে বিষ ঢালা।তাই তার দৃষ্টি ও শ্রবন শক্তি দুটোই লোপ পেয়েছে। মিয়ে ভাই খাওয়া খরচ বাদে মাসে তিনশ টাকা পেত,তা থেকে একটি টাকাও সে খরচ করত না সবটাই তুলে দিতো বাবার হাতে,বাবার হাত থেকে ছোট মায়ের হাতে।তা থেকে একটি পয়সাও আমাদের জন্য খরচ হতোনা।মাইনে দিতে পারতাম না বলে স্কুলে যাওয়াই ব্ন্ধ করে
দিয়েছিলাম,কয়েক দিন পরে রফিক স্যার আসলেন আমার খোজে।রফিক স্যার খুব দয়ালু ,স্কুলের পিছনেই উনার দোতলা বাড়ি।তাঁর বাবা কত সম্পদ রেখে গেছেন,তার হিসাব অজানা।শিক্ষকতা তাঁর পেশা নয়,বেতনের সব টাকাই তিনি গরিব ছাত্রদের জন্য খরচ করেন।তিনি আমার জন্য কমলা আর আপেল এনেছেন,ব্যাগটা আমার হাতে দিলেন।ছোট মায়ের চোখ বলছে এই বান্দির বাচ্চা তোর পেটে একটা ফলও যাইবো না।তার চোখের ভাষা পড়তে একটুও দেরি হলোনা আমার,তারাতারি ব্যাগটা ছোট মায়ের হাতে দিলাম।তারপর ঘর থেকে মোড়া এনে স্যারকে বসতে দিলাম।স্যার বসলেন তারপর ছোটমাকে ডাকলেন,ছোট মা আসতেই স্যার জিজ্ঞেস করলেন,নারগিস স্কুলে যায়না কেনো?ছোট মায়ের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ,আপনের ছাতিরেই জিগান!ছোট মা আমাকে ছাতি বলায় স্যার মনে মনে ক্ষুব্ধ হলেন। আমাকে কাছে ডেকে বললেন,নারগিস তুমি স্কুলে যাও না কেনো?আমি মাথা নিচু করে দাড়িয়ে রইলাম।স্যার উঠে দাড়িয়ে বললেন কাল স্কুলে আসো আমি সব শুনবো,বলেই স্যার চলে গেলেন।পরের দিন স্যারকে সব কিছু জনালাম।তিনি আমার বাবাকে ডেকে পাঠালেন,বাবাকে বললেন আমার লেখাপড়া নিয়ে কোনো চিন্তা না করতে।সমস্ত খরচ নিজের কাঁধে নিয়ে নিলেন।
হলো না আমার দুঃখের অবসান  শনির দশা কাটলো না কারণ আমি যে সতীনের ঝি!ছোটমার প্রয়াস ছিল একটাই কি করে আমার স্কুল যাওয়া বন্ধ করা যায়।তাই বিভিন্ন অজুহাতে আমাকে  দূরে পাঠিয়ে দিত।যেন কাজ সেরে এসে ক্লাস করতে না পারি।আর সে কারণেই সপ্তাহে প্রায় তিন থেকে চার দিন স্কুলে যেতে পারতাম না।বিষয়টা রফিক স্যার বুঝতে পারলেন,তাই তিনি বাবাকে ডেকে আমাকে দত্তক নেওয়ার ব্যবস্থা করলেন।রফিক স্যারের কোন কন্যা সন্তান নাই,শুধুমাত্র দুই ছেলে,বড় ছেলে সবে মাত্র কলেজে ছোট ছেলে ক্লাস নাইনে।স্যারের স্ত্রী আমাকে  মেয়ের মত আদর করতেন।সুখেই কাটছিলো দিনগুলো হঠাৎ একদিন। বাকিটা আগামি পর্বে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/55945/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Nov 2021 02:13:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি নার্গিস,নিম্নমধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারে আমার জন্ম।মা-বাবার তৃতীয় সন্তান আমি,আমার বড় এক ভাই এক বোন। বড় বোনের বিয়ে হয়েছে এই গ্রামেরই দূরসম্পর্কের চাচাতো ভাইয়ের সাথে। আমার ভাই নাম সালাম আমার থেকে তিন বছরের বড় সে বিদ্যা বিরাগি,স্কুলে তার এলার্জি,জোর করে স্কুলে পাঠালেও বাজারে চায়ের দোকানে বই রেখে চলে যায় সিনেমায়। তাই বাবা ওকে স্কুল থেক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-55945"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/55945/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bd3365fee1899b7b680f6de8dbe06ae7</guid>
				<title>প্রার্থনা
সাব্বির আহমেদ

হে প্রভু 
দয়াময় সর্বশক্তিমান,
দূর করে দাও সহিংসতা 
দেশে বিরাজমান।
সব মানুষের অন্তর আছে 
তোমার নিয়ন্ত্রণে,
তুমি প্রভু অদ্বিতীয় গাইছি 
তোমার শানে।
ইনসানিয়াত দাও ভরে 
সব মানুষের অন্তরে,
মায়ার বাঁধন সম্প্রীতি দাও 
সকল ঘরে ঘরে।
প্রতিহিংসার দাবানলে 
ভষ্মিভূত দেশ,
রক্ষা করো দয়াল প্রভু 
করুণার অশেষ।
নৈতিকতার অবক্ষয়ের 
সীমারেখা হল পার,
ক্ষমতার প্রতিযোগিরা এখন 
ধারেনাতো কারো ধার।
যারে চাও তুমি দাও ক্ষমতা 
যারে চাও কর হীন,
সব ক্ষমতার উৎস তুমি 
বাকি সব হয় বিলিন্।
সকল জীবের আহার যোগাও 
তুমি অন্নদাতা, 
বিপদে মোরে রক্ষা করো 
ওহে পরিত্রাতা।
যেই নামেতে ডাকি তোমায় 
সেই নামে দাও সাড়া
উপাসনা না করি যেন 
ভুল পথে, তুমি ছাড়া।
সত্য ন্যায়ের পথে রাখো মোরে 
হে অধমের আশ্রয়,
আমার হৃদয় না দেয় যেন 
মিথ্যাকে প্রশ্রয়।
আমার সকল ইচ্ছা যেন
তোমাতেই দেই সপে।
মরণ আমার হয় যেন প্রভু 
তব নাম জপে জপে।
শেষ বিচারের আদালতে 
তুমি হবে কাজী, 
ভয় কি আমার হাশর মিজান 
যদি তুমি থাকো রাজি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/55931/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Nov 2021 01:46:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রার্থনা<br />
সাব্বির আহমেদ</p>
<p>হে প্রভু<br />
দয়াময় সর্বশক্তিমান,<br />
দূর করে দাও সহিংসতা<br />
দেশে বিরাজমান।<br />
সব মানুষের অন্তর আছে<br />
তোমার নিয়ন্ত্রণে,<br />
তুমি প্রভু অদ্বিতীয় গাইছি<br />
তোমার শানে।<br />
ইনসানিয়াত দাও ভরে<br />
সব মানুষের অন্তরে,<br />
মায়ার বাঁধন সম্প্রীতি দাও<br />
সকল ঘরে ঘরে।<br />
প্রতিহিংসার দাবানলে<br />
ভষ্মিভূত দেশ,<br />
রক্ষা করো দয়াল প্র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-55931"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/55931/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">57fd55a8b79cea3a2550d0e19893b003</guid>
				<title>জাগোর
সাব্বির আহমেদ

ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা
আর কতকাল থাকবি ঘুমে?
আর কবে বল হুঁশ হবে ভাই?
দেখ টেনে তোর নিচ্ছে যমে!
আমজনতাই বলির পাঁঠা
হচ্ছে ওদের পকেট কাটা
বুঝলিনারে কপাল ফাটা!
তোর ঘাড়ে দায় পরছে ক্রমে,
দিন গেলে তোর বাড়ছে খরচ
আয় কি মোটেও বাড়ছে ভ্রমে?
ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা
আর কতকাল থাকবি ঘুমে?
পোকেট তোদের নিচ্ছে লুটে
আজ যদি না সুপ্ত টুটে
দে গলা তোর হাড়িকাঠে, 
জীবন প্রদীপ যাক না থেমে!
নয়তো বীরের বংশজাতি
আয় ছুটে রাজপথে নেমে।
ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা
আর কতকাল থাকবি ঘুমে?
রোজ পণ্যের দাম বাড়ানো
নাটক ওদের সব সাজান
মুখখানা দেখ পীর ভজানো!
সব সাধু দোষ নাই স্বনামে,
ওঠ জেগে ওঠ গর্জে মরদ্
মত যতো তোর যাক না বামে।
ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা
আর কতকাল থাকবি ঘুমে?
হয় সভা রোজ লোক দেখানো
কার্য আসল লোক ঠকানো
চাই পথিকৃৎ পথ কাপানো
নয় ভয় নয় হ্রস্ব দমে,
দাও বলে এই দেশটা চলে
কাদের টাকায় কাদের ঘামে?
ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা
আর কতকাল থাকবি ঘুমে?
ভাবছো যাদের প্রিয়তম
স্বভাব তাদের নেকড়ে সম
করছো তবু নম নম
চরণ যুগল দিচ্ছ চুমে,
ভাঙ্গবে কবে ভুল ধারণা
আঙ্গুর কভু হয়না নিমে!
ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা
আর কত কাল থাকবি ঘুমে?
উন্নয়নের মন্ত্র পাঠে
দেশটারে আজ তুলছে লাটে
থাকছে ওরা সোনার খাটে
উন্নতি আর ঘোড়ার ডিমে!!
অন্ধ বধির অবুঝ যারা
বুঝবে কবে কিসের দামে?
ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা
আর কতকাল থাকবি ঘুমে?
পলাশিতে ভুল করেছি
দুইশ বছর দাম দিয়েছি
পাকিস্তানে টের পেয়েছি
শিকল পরা পা গুলামে,
এতেও যদি ঘুম না ভাঙে
দেশটা বুঝি যায় নিলামে।
ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা
আর কত কাল থাকবি ঘুমে?
পাক গেল আর ব্রিটিশ গেল
ওরাতো নয় আপন ছিল
স্বজাতি তোর রক্ত খেলো
বুঝবি পরে দমে দমে,
হবে তোমার পস্তানো সার
দেখবি আয়ু গেছে কমে।
ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা
আর কতকাল থাকবি ঘুমে?
মরবি কি তুই ধুকে ধুকে?
সাহসে ভর করে বুকে
দাড়াস না কেন পিঠটা ঠুকে
ক্লেশ ঝেড়ে ফের নবোদ্যমে,
লক্ষ করো বক্ষঃস্থলে
মার লাথি তুই জোড় কদমে।
ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা
আর কতকাল থাকবি ঘুমে।
দে ভেঙে দে বুকের পাঁজর
আছে যত ওদের দোসর
ভয় পাসনে,ফুলায় কেশর
যম ওরা তো হয় নরমে,
শক্ত জনের ভক্ত ওরা
দে ঘোষণা এই মরমে।
ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা
আর কতকাল থাকবি ঘুমে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/55842/</link>
				<pubDate>Fri, 12 Nov 2021 17:08:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জাগোর<br />
সাব্বির আহমেদ</p>
<p>ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা<br />
আর কতকাল থাকবি ঘুমে?<br />
আর কবে বল হুঁশ হবে ভাই?<br />
দেখ টেনে তোর নিচ্ছে যমে!<br />
আমজনতাই বলির পাঁঠা<br />
হচ্ছে ওদের পকেট কাটা<br />
বুঝলিনারে কপাল ফাটা!<br />
তোর ঘাড়ে দায় পরছে ক্রমে,<br />
দিন গেলে তোর বাড়ছে খরচ<br />
আয় কি মোটেও বাড়ছে ভ্রমে?<br />
ওঠ জেগে ওঠ আমজনতা<br />
আর কতকাল থাকবি ঘুমে?<br />
পোকেট তোদের নিচ্ছে লুটে<br />
আজ যদি না সুপ্ত টুটে<br />
দে গল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-55842"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/55842/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>