<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | ভীষ্মদেব সূত্রধর | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/vismadebsutradhar1996gmail-com/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/vismadebsutradhar1996gmail-com/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for ভীষ্মদেব সূত্রধর.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 13 Jun 2026 23:04:57 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">716f64e8d782c80c62d781c209734894</guid>
				<title>ভীষ্মদেব সূত্রধর and নীলিদ্রিমা তন্বী (রোদেলা ) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/234150/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 13:47:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">835959a6cb94969c4c3807084f907b2e</guid>
				<title>ভীষ্মদেব সূত্রধর and সঞ্জিত তির্কী কাব‍্যিক are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233548/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Sep 2025 16:50:55 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ad859fec7e8859f587bd452c5de40907</guid>
				<title>একটি কাকের আত্মকাহিনী


গভীর রাত্রিরে বাঁশবাগানের ভেতর দিয়ে ফিরছি। অমাবস্যার সেই রাত, যদিও টর্চের আলোতে পথ পরিস্কার দেখতে পাই। পরিত্যক্ত শ্মশানের পাশ দিয়ে বয়ে চলা নদীর কলকল ধ্বনি শুনি অদূরে। বাতাসের শিরশির শব্দ মন্ত্রমুগ্ধের মতো টানে। পৃথিবী ঘুমন্ত অবস্থায় পরিপাটিভাবে সাজানো। মাঝে মাঝে দু-একটা পেঁচা কিংবা নিশাচর শেয়াল হুক্কাহুয়া ডাকে থেমে থেমে।
আরো কতগুলো শব্দে মোহিত হয়ে সেগুন গাছের তলায় দাঁড়াই। একটি কাক ঠোঁট গুঁজে বসে আছে, কিন্তু অনিদ্রায় তার চোখে স্পষ্ট । আমি ডাকলাম, সেও সাড়া দিল। আর্দ্র কণ্ঠে বলল—
— কিছু বলবেন?
— তুমি এখানে একা একা বসে আছো?
কাক হেসে জবাব দিল— এমনি।
— কিছু হয়েছে কী?
— না। আপনি?
— পথিক।
বাতাস থেমে যায়। আরো গাঢ় অন্ধকারে আমি তার চোখ দুটো জ্বলজ্বল করে জ্বলতে দেখি। আমি বলি—
— পৃথিবী ঘুমিয়ে পড়েছে, তুমি একা একা এখানে!
— পৃথিবীতে একারাই সর্বোচ্চ অধিকারহীন।
আমি অতো দর্শন বুঝিনা, কথাটি এড়িয়ে যেতে চাইলাম বলেই শুরু করলাম অন্য কথা,
আমি জানতে চাইলাম তার আত্মকাহিনী। বহুদিন ধরে এমন একটা সুযোগ খুঁজছিলাম বটে। কাক আবারো হেসে বলল—
— ওটা আপনাদের জন্য, আমাদের নয়।
কিয়ৎক্ষন কি ভেবে
উড়ে এসে কাছে বসল। সে বলতে শুরু করল—
আমি জন্মেছিলাম কার্তিক মাসে, যখন এই গাঁয়ে নবান্নের উৎসবে চড়ুই-শালিকেরা নিমন্ত্রণ পেত। আমাদের বাসা ছিল একটা সুপারি গাছের আগায়, শুকনো ঘাস আর লতা-পাতায় ঘেরা চমৎকার আবাসস্থল। আমি এবং আমার ভাই ধীরে ধীরে মায়ের পাখার নিচে বড় হতে থাকি। বাবা-মা সকালে উঠেই প্রকৃতির বর্জ্য নিষ্কাশন করতে যেত, ঠোঁটে করে নিয়ে আসত খাবার। শুধু আমরা নই, সাথে ছিল কোকিল মশাইয়ের দুটো বাচ্চাও। আমরা তাদের সমগোত্রীয় ভেবেই আসছিলাম। মা সবাইকে সমান ভাগে ভাগ করে খাওয়াত।
সেবার খুব মন্দা। খাবারের সংকট। মনুষ্য জগতে যাকে বলে দুর্ভিক্ষ। দেশীয় পরিস্থিতি আমাদেরও চরম প্রভাব ফেলে। যেহেতু আমরা নির্ভরশীল বাস্তুসংস্থানে মনুষ্যদের ওপর, যাদের হাত আছে। আমরা একটু একটু করে উড়তে শিখি— এক ডাল থেকে আরেক ডালে। কোকিলছানা দুটোও তাই। আমরা গল্প করি। ভাই ক্ষুধায় কান্না করলে ওকে সান্ত্বনা দিই। কোকিলছানা দুটো ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে দেখে। বাবা-মা গভীর রাত্রিতে খাবারের সন্ধানে যায়, আসে খালি ঠোঁটে।
হুট করে একদিন বাসা থেকে ভাইটি পড়ে যায় মর্ত্যে। একটা খাটাস ভাইকে মুখে তুলে নিয়ে হেঁটে চলে যায়। ভাইয়ের শরীর থেকে রক্ত ঝরছিল। ফোঁটা ফোঁটা রক্ত ধীরে ধীরে জঙ্গলে পৌঁছে যায়। বাবা-মা তাড়া করে খাটাসের পিছু নেয়, কিন্তু পায় না। তখন থেকে আমি একাই মায়ের বুকের ভেতর লেপ্টে থাকি। কোকিলছানা দুটো উড়ে চলে যায়, আর ফিরে আসে না। মা খুব শোক করে। সন্তান হারালে যা হয়!
বাবা বলত দেশের অবস্থা ভালো নয়। মনুষ্য জাতির কোনো মহান নেত্রী একটানা হরতাল ডেকেছে। হরতালে হুহু করে বেড়ে চলে খাবারের দাম। দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় চারদিকে। বাসে-ট্রামে তখন আগুন আর আগুন। আমরা কাকেরা খাদ্যের জন্য শহরের ডাস্টবিনে ঠোকর মারি, কিন্তু সব পুড়ে ছাই।
আমি উড়তে শিখেছি। মোটামুটি খাদ্য সংগ্রহ করতে পারি। কিন্তু খাদ্য কোথায়? ক্ষুধার জ্বালায় একবার মনুষ্য শিশুর হাতে থাকা রুটি ছিনিয়ে খেয়েছি। কষ্ট লেগেছিল, কিন্তু ক্ষুধা!
এরই মধ্যে বাবা ইলেকট্রিক তারে শক খেয়ে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বাবার মৃত্যুর জন্য আমি মনুষ্যজাতিকে দায়ী করি। দুর্ঘটনা নয়, ওটা একটা পরিকল্পিত হত্যা। তারা ইলেকট্রিক তার ছেঁড়া রেখেই ঘর উজ্জ্বল করে। নেগেটিভ-পজিটিভ কিছুই মানে না। প্রতিনিয়তই আমরা মরছি। খুব নিষ্ঠুর ওরা।
বাবা মারা যাবার কিছুদিন পরেই মা দেশান্তরী হয় আরেকটি পুরুষ কাকের হাত ধরে। আমি একদম একা হয়ে পড়ি। অন্য কাকেদের সাথে মিশতে পারি না। আমাকে তারা দলে নেয় না। অথচ আমার খাদ্য চাই, জৈবিক চাহিদা পূরণ করতে চাই, নতুন ঘর চাই। মনুষ্য জগতের মতো এখানেও বিরাট রাজনীতি চলে। প্রথা চলে, দলাদলি-দালালি চলে। আমি ছিন্ন করি সমস্ত সম্পর্ক। বেরোই মুক্ত আকাশে। অবিরল সূর্যের কিরণে উড়ে চলি। বসি টাওয়ারের প্লেটে।
শহর তখন কাকেদের দখলে। খাদ্যের জন্য ডাস্টবিন একটি যুদ্ধের ময়দান— জোর যার, মূল্লুক তার। আমিও পারিনি। উচ্ছিষ্ট যা পেয়েছি, তা দিয়েই দিবারাত্রি কাটিয়েছি। ঘন ঘন বাস-ট্রাম এবং লাউড স্পিকার মাইকের বিরক্তিকর শব্দে ঘুম আসত না।
সেখানেই মায়ের সাথে দেখা। মা, নব্য পুরুষটি এবং তার তরুণ ছানাগুলো নিয়ে এখানে বাসা বেঁধেছে। পরিচয় করিয়ে দিল। দুটো ছানাই মেয়ে এবং দুর্ধর্ষ। পটপট করে শহুরে ভাষায় কথা বলে। মাঝে মাঝে ওদের সাথে শহরের শেষ প্রান্তে পৌঁছে যেতাম। গল্প করতাম। বেশ কাটছিল দিনগুলো। একদিন ওরাও পুরুষ বন্ধুর সাথে দিগন্তে মিলিয়ে যায়।
আমার ভালো লাগছিল না এসবে, প্রথমে বেশ ফূর্তিই জেগেছিল কিন্তু কি বলুন তো পরের ঘরে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হতো, ছোট্ট ঘুপছি বাসায় এতোগুলো পাখি অন্নাভাবে ধুঁকে ধুঁকে রয়েছে, আমি কামাই করলেও তাতে বিশেষ সুবিধের হলো না। মা আবার চলে যায়। এবার যে গেল, আর দেখা হয়নি। আমি ক্ষুধার চোটে দেশে ফিরে আসি। গাঁয়েও প্রচণ্ড খাদ্যাভাব। ফসলের হাহাকার। অর্থের কালো রূপ মনুষ্যজাতিকে আরো অমানবিক করে তোলে।
আমি আমার আত্মীয়ের বাড়িতে উঠি। আত্মীয়রা তেমন একটা দেখতে পেত না। খেতে দিত না। ভাগাভাগিতে কর চাইত, আমিও দোষ দিতে চাইনা, এই অস্থিরতায় সকলেরই ত্রাহিত্রাহি অবস্থা । কিন্তু আমার একটিই ভালো লাগার বিষয় ছিল আত্মীয়ের- বড় মেয়ে কাকটির চাহুনি। উফ! সুযোগ পেলে ছুটে যেতাম দেখতে। ভাগ্য প্রসন্ন মনে করে আমি নিবেদনও করি। সে আমাকে কাকেদের চোখে কাক বলে ভর্ত্সনা করে তাড়িয়ে দেয়। কষ্ট একটা পেলাম কিন্তু অভাব অনটনে নিজেকে ভুলিয়ে রেখে শপথ করেছি- ব্রহ্মচারী হবো। আমি উদ্বাস্তুর মতো ঘুরে বেড়াই এখন, স্থায়ী নিবাস নেই, এটিও কারো ফেলে রাখা জীর্ণ আবাসে ঠাঁই নিয়েছি, এখানে দাঁড়কাক থাকতো, বিয়ে-থা করে নতুন সংসার করতে এদেশ পাড়ি দিয়ে চলে গেছে ভীনদেশে। তারপর প্রতিদিন এভাবেই চলছে।
এই গাছটি আমার খুব প্রিয় একটি জায়গা। এখানেই বসে বর্তমান জীবন কাটছে।
কাকটি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে চুপটি করে বসে থাকে। আমিও খানিক চুপ করে থাকি। পরে বলি—
— আজ আসি, আমায় বহুদূরে যেতে হবে।
— আপনি কিছু বললেন না যে!
— তোমার মতো আমার কোনো ইতিহাস নেই। চলি...।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232412/</link>
				<pubDate>Mon, 25 Aug 2025 04:52:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি কাকের আত্মকাহিনী</p>
<p>গভীর রাত্রিরে বাঁশবাগানের ভেতর দিয়ে ফিরছি। অমাবস্যার সেই রাত, যদিও টর্চের আলোতে পথ পরিস্কার দেখতে পাই। পরিত্যক্ত শ্মশানের পাশ দিয়ে বয়ে চলা নদীর কলকল ধ্বনি শুনি অদূরে। বাতাসের শিরশির শব্দ মন্ত্রমুগ্ধের মতো টানে। পৃথিবী ঘুমন্ত অবস্থায় পরিপাটিভাবে সাজানো। মাঝে মাঝে দু-একটা পেঁচা কিংবা নিশাচর শেয়াল হুক্কাহুয়া ডাকে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232412"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232412/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7ed7508f1e04d69f3a5630f54504f299</guid>
				<title>অবশেষে 

লিখবার কল্পনা-বাসনা ছিল না। মস্ত গপ্প লিখবো—তা কি করে হয় জানি-নে! কী করে প্লট সাজাতে হয়, চরিত্র বসাতে আমাকে ভীষণ কষ্ট লাগে। সংলাপে জড়তা, বর্ণনায় ক্লান্তি—নিথর তো আর গল্প হয় না।
যদিও জাত-লিখিয়ে নই, আমার পিতা ষোল আনা পড়াশোনা করেছিলেন। হাত হতে বেশ কিছু উৎকৃষ্ট ফসল তিনি ফলিয়েছিলেন, কিন্তু সাংসারিক ডামাডোলে সবটাই বৃথা গেছে। আমার পিতামহ কোনো রকমে বিদ্যে গিলে পিতৃশোকে তা বন্ধ করে ভবঘুরে হয়েছিলেন। সুর করে মহাভারত-রামায়ণ পড়তে পারতেন, দু-চার লাইন সাধুভাষায় চিঠি তো লিখতে পারতেন বেশ। যদিও রীতির কোনো ভাল-ভালাই নেই।
তাঁর পিতা, অর্থাৎ আমার প্রপিতামহ নাম-সইয়ের অনন্যতা জানতেন, যেহেতু উনি একজন শিল্পী ছিলেন।
বেশি বকেছি—এমন অভিযোগ তো নেই। একটি ফেরবার গল্প বলি। কিন্তু কী? থাক।
সকালে বৃষ্টি হয়েছিল। মাটি থেকে ভাপসা গন্ধ বেরোচ্ছে। আমার চোখে ভীষণ কাতর। চোখ ঘষে কোনো রকমে বিছানা ছেড়ে উঠি—বড্ড আলসেমি। দাঁতের উপর অত্যাচার চালিয়ে বেরোই। পেট চোঁ-চোঁ করছে।
ফুটপাত ফাঁকা। চায়ের দোকানি গালে হাত দিয়ে বসে আছে, কী যেন ভাবছে। জাগাবার ইচ্ছে নেই। কলা-পেটিস গিলে দাম চুকিয়ে দিলেই পারি। খিদে খুব অদ্ভুত!
অদ্ভুত সবই, সবাই। যেমন ধীরে ধীরে ধূসর হয়ে যাচ্ছে সমস্ত রঙিন।
আগবেলা সুপ্তি একরাশ হাসি দিয়ে বলল—
—“কাল যে ঘন ঘন বিড়ম্বনায় ফেলছে না!”
—“কেন, কী হলো?”
—“এইটুকু উপটান দাম কি জানো?”
—“না, কিনিনি কখনো।”
—“কিনবে কি!”
—“আর কী কিনলে?”
—“বলা যাবে না।”
—“কেন?”
—“এমনি।”
না, জানতে চাই না। কোল ঘেঁষে ব্যক্তি-পর্যায়ে চলে যায় এ হেন অপরাধ, তার উপর কৈফিয়ত!
তবুও জানি-না কী যেন বাঁধে। কলার বেয়ে ঘাম চুইয়ে পড়ছে, শার্ট ভিজে একাকার। ট্রান্সপারেন্ট মনে হচ্ছে। বুকের পশমগুলো কুঁকড়ে গেছে।
চায়ের কাপে শেষ চুমুক দিতেই হাত ধরে টেনে নিয়ে গেল। আমি থামাতে পারি-না। বললাম—
—“কোথায় যাচ্ছি?”
বলল—
—“যেখানে যেতে ইচ্ছে করে।”
তারপর নিঃশব্দে এগোচ্ছি। মাঝে মাঝে খুব রাজনৈতিক মনে হয়—শুধু সুবোধ বালকের মতো রীতি-অনুশাসন মেনে চল। এও কি হয়! আমি বোধহয় একে কখনো স্বাধীন বোধ করিনি।
ওর সাদা-কালো চৈত্র পোশাক ভয়ানক স্পৃহা জন্মায়। কোনোদিন গাল ছুঁয়ে দেখিনি। ঠোঁট কেঁপে উঠেছে। কিসের জন্মান্তর, কিসের বাকপ্রণালি, কিসের তৈলচিত্র! আমাকে সত্যি নির্বোধ মনে হয়।
রাস্তায় দাঁড়ানো মানুষগুলো কাণ্ড দেখছে, হাসছে, আরও কী বলছে—তাতে কিছু যায়-আসে না। পিতার অর্থভাণ্ডার শেষ হল বৈকি, আমি তবু হাত পেতে ভিখ মাঙি। মা বলতেন—
—“এখনে কি হাত চালাও?”
থাক। আমি কুণ্ঠাবোধ করি-না। গর্ভের উপর ঋণী। আমার ঋণ খসাতেই বুক জ্বলে—মায়ের নয়, তার!
রিকশায় চেপে কোথায় পৌঁছে গেছি জানি-না। আমি তাকিয়ে ছিলাম তার চোখ-মুখে। অস্পষ্টতা গাঢ় হলো আমার হৃদয়পিঞ্জিরা।
বলল—
—“নামো…”
আমি সম্বিৎ ফিরে বললাম—
—“হুম।”
গাছের আগায় লাল আগুন। পাখি দুটি ঝগড়া করছে অবিরত। কী বলছে! হয়তো সংসার বলে তাদেরও অস্থিরতা। কী যেন মিনসের গলা নিভে যাচ্ছে—বুঝলাম না।
লোহার আরাম-কেদারা। বসে পা ছড়িয়ে দিই। সুপ্তি হাত ধরে আঙুল নাড়াচাড়া করছে। কিছুক্ষণ স্তব্ধ, নীরবে বয়ে চলছে স্রোত।
তারপর বলল—
—“তুমি জানো, আকাশে আজ তোমার-আমার নাম খোদাই করবো!”
অসীমে কী করে খোদাই করা যায়, তাই ভাবছি—মিথ্যে।
—“হুম।”
—“ছেলে হলে নাম রাখবো রুদ্রদেব।”
—“কার?”
—“আমাদের!”
আমি চমকে উঠলাম। আমি তো এমন কোনো কথা দিইনি। বরং চেয়েছি মুক্ত বিহঙ্গের মতো… উত্তর শুনে হয়তো কষ্ট পেল। আনত চোখে বলল—
—“আমি কি বেশি ভেবে নিয়েছি? তাহলে থাক।”
চায়ের পর সিগারেট টানবার অভ্যাস। মনোযোগী হতে হতে চাইছি। নিপাট ভদ্দর লোক। ম্যাগাজিনে পড়েছিলাম ভদ্দর লোক সম্পর্কিত আর্টিকেল।
ফুলের গন্ধ ভাসছে। নিশ্বাসে ভরে নিই যতটুকু পারা যায়। মডার্ন প্রোজে কিছু ভাল লাগার মতো লেখা ছিল—বারট্রান্ড রাসেল। তাঁর লেখাটি বেশ।
পাখি দুটো আর নেই। আধার খুঁজতে সয়ে রয়ে চলেছে। মানুষে বলে ওটা অভ্যাস। আমি বলি বদভ্যাস। আমি কী গুহাবাসী তরুণ? আমি কী নব্য রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন করছি? সংবিধান?
সবটাই গোছানো মৃত্যু ফাঁদ। স্বৈরতা।
শহর ছেড়ে কিলো পাঁচ উত্তরে। তবুও বাস, ট্রাক, অটো বাইপাস রুট হিসেবে কাজ সারছে। গন্তব্যে পৌঁছানোই স্বার্থকতা নয়।
বাতাসের কোনো পাত্তা নেই। আমি ঘামছি। সুপ্তি বলল—
—“বাদাম খাই?”
—“হুম। চলে।”
বাদাম-ওলা চোখ টিপে বলল—
—“মামা, লন খাঁটি বাদাম। খাইবেন, মজা লইবেন।”
—“বাদামের খাঁটি কী? সোনা নাকি, যে খাদ মিশানো আছে?”
বাদাম-ওলা চলে গেল। সুপ্তি ফিক করে হাসল। আকাশে সূর্যের রীতিমতো দুর্ব্যবহার। গাছের তলায় বসে পারতাম, জাহির করলে।
বলল—
—“লোকে খারাপ ভাববে, আড়ালে-আবডালে… হুম।”
—“অ্যাঁ।”
সেদিন চূড়ান্ত অভিনয় কাটিয়েছি মিথ্যের মধ্য দিয়ে। পৃথিবীতে এটাও প্রথা। ওসব শুধু কামদায়ক। মনকষ্ট বলতে যা থাকে তা আপনার ব্যর্থতায়—প্রেমে নয়।
একটি পরাধীন এবং সাজানো কৌতুক। তবে হাসির বদলে বিড়ম্বনাই সইতে হয় বেশি।
তারপর এক সন্ধ্যায় বেলকোনিতে দাঁড়িয়ে বাতাসের সাথে সঙ্গম করছি। ম্যাজিক-বস্তুটিতে ‘স্মরণ’ নামক অনুভূতি মানসিকতার সাথে জুড়ে দেওয়া আছে। তাই বোতাম টিপে কণ্ঠ পৌঁছানোর পায়তারা করছি বারবার। ডুবে গেছি।
বিকেলে গেটের সামনে দাঁড় করিয়ে আর ফিরে আসেনি। বলতে পারতে—আমি বেরোচ্ছি না। কিংকর্তব্যবিমূঢ়! তবু অপেক্ষায় থাকতে থাকতে চলে এলাম। বস্তুটি বন্ধ ঘোষণা করলো।
আমি একটু ঢেলে সাজিয়ে বলতে পারি—ভালবাসার বিস্তর অর্থ আছে: কাম আছে, বেদনা আছে—যদি সেটি ভালবাসা হয়। কেমন?
একটু খোঁজ, একটু আদর-যত্ন, একটু অধিকার, একটু সমর্পণ, একটু… হায়! সব অবশেষে বিষ পান।
আমি রাজপথে হাঁটলে বুঝি—মানুষ কত অসুখে ভুগছে। ক্যান্সার, এইডস, গোঁদ ইত্যাদি কিছু নয়—মানসিক অসুস্থতাই চরম বিপাকে ফেলে দেয়। তখন বাঁচবার মানে মৃত্যু গ্রহণ করি।
পিতা সাবধান-বার্তা দিলেন—
—“অর্থভাণ্ডারে যে ক’টি টাকা আছে, তা দিয়ে সংসার চলবে। অন্য কিছুর উপায় দেখিনা।”
আমি বলদা! কাগজে-কলমে হিতৈষিপণা দেখিয়েছি। আপন পকেটে যৎসামান্য ঢোকে। ছাত্রের মাথায়-গলায় পাড়া দিয়ে চলে। চলবেই বা না কেন! আমি বাউন্ডুলে বলে আরসবেরা চলছে না!
আবার সেই কল্পিত কথা। বাস্তবে সব কড়ায়-গণ্ডায় হিসেব লয়।
একমাস চলে গেছে। সেদিন আর সেদিন নেই। সে রঙের ঘুড়িতে আকাশ ফুঁড়ে চলেছে। এটা তার স্বপ্ন। আমি স্বপ্নকে স্বাগত জানাই।
আমি কিছুই জানি-না। এখন সন্তানটির নামকরণে ‘দেব’ টুকু ছেঁটে ফেললে ভাল লাগে। নইলে ঐ ইতিহাস পেঁচিয়ে ধরে।
আমি সিগারেট জ্বালাই সময়ের বর্তমানে…</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232396/</link>
				<pubDate>Sun, 24 Aug 2025 11:02:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অবশেষে </p>
<p>লিখবার কল্পনা-বাসনা ছিল না। মস্ত গপ্প লিখবো—তা কি করে হয় জানি-নে! কী করে প্লট সাজাতে হয়, চরিত্র বসাতে আমাকে ভীষণ কষ্ট লাগে। সংলাপে জড়তা, বর্ণনায় ক্লান্তি—নিথর তো আর গল্প হয় না।<br />
যদিও জাত-লিখিয়ে নই, আমার পিতা ষোল আনা পড়াশোনা করেছিলেন। হাত হতে বেশ কিছু উৎকৃষ্ট ফসল তিনি ফলিয়েছিলেন, কিন্তু সাংসারিক ডামাডোলে সবটাই বৃথা গেছে। আমার পিতা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232396"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232396/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">611c635d825f3076af8202122e22512d</guid>
				<title>ভীষ্মদেব সূত্রধর and অনিন্দিতা দেব are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232038/</link>
				<pubDate>Tue, 12 Aug 2025 17:42:09 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ed9d9f217736ed4f5a78235152777125</guid>
				<title>ভীষ্মদেব সূত্রধর and আর্য are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231816/</link>
				<pubDate>Fri, 01 Aug 2025 11:58:53 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">54069fb73552038c0faeacfaf7d5ee61</guid>
				<title>ভীষ্মদেব সূত্রধর and পরিমল রায় are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231808/</link>
				<pubDate>Thu, 31 Jul 2025 16:07:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1f398ace96a832a6be1e29db5cdc4b40</guid>
				<title>রাহুগ্রস্থ বসন্ত

দিনের আলো টুকু ক্রমশ ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে, ফিনফিনে আলগা বাতাস ঠিক কোন পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বসন্তের সন্ধিক্ষণে শীতের মুখ রক্ষার ভার নিয়েছে বলেই শরীর একটু হলেও কেঁপে উঠছে, কিন্তু কাঁপার কথা ছিল না, একটা পায়া ভাঙা পুরোনো ইটের তৈরি বেঞ্চে বসে  কতক্ষণ গল্প করে চলেছি- সময়ের ভ্রুক্ষেপ আমাদের নেই, দিন পড়ে আসা রুগ্ন রশ্মি, আর বাতাসে ভেসে আসছে অনেক দিনের বক্ষ বিদীর্ণ করা দুঃখ গুলো, ভালবাসার সোহাগি মলমে যতটুকু ক্ষত সারা যায় তারই উপযাচক হয়ে দুজনে মুখোমুখি বসে, মুখমণ্ডলের উপর পশ্চিমা আলো আরো সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছে ওর মুখশ্রী, সেই লাল-গোলাপি আভায় আমি বরাবর যা দেখে এসেছি তা-ই দেখছি দুচোখ ভরে, পাতলা ঠোঁটে স্পষ্ট কিন্তু দারুণ কায়দায় রাশি বলে চলেছে, এটাই হয়তো শেষ দেখা হতে পারে। তুমি একটুও কি কনসার্ন নও?
ললাটের পাশ দিয়ে বাঁকানো এক গুচ্ছ চুল কানে গুঁজে দিয়ে বললাম, হুম। আমারও বুকের ভেতর সতর্ক সংকেত বলতে চাইছে, এবার দাঁড়াও।
স্মিত হেসে বলল, হয়তো বলেছি। হবেই এমন নয়। কেন জানি খুব শঙ্কায় ঘিরে ধরছে চারপাশ। তুমি বোঝ।
-কিন্তু আজ দেখো, শালের নতুন পাতায়, ফুলে আমাদের আমোদের দিন। 
-জানি। একদিন দেখবে ওই পাতায় সাজানো মণ্ডপে আমার বিয়ে গেছে। তখন!
-আমি ছাড়া আর কেউ নিতে পারবে?
-পারবে না।
তারপর নিশ্চুপ হয়ে আমার পানে তাকিয়ে সামনের ডোবার দিকে চোখ ফেরালো রাশি, আমি কিছু বলতে চেয়ে কণ্ঠরোধ হল, আমার কাছে সেই মুহূর্ত গুলো যেগুলো বিগত অথচ সুন্দর, অত্যাশ্চর্য, নিবিষ্ট চিন্তার মধ্যে আমি তার কাছে নতজানু হই, ফিরে দেখতে গেলে শুরুর দিন গুলোর যে হৈ-হুল্লোড়, গোটা শহর রিকশায় চেপে আমাদের সন্ধ্যা ভ্রমণ, হুড তোলা রিকশার গতি জন-অরণ্যে ভালবাসার সুফল সমূহ, একে অপরের প্রতি স্নেহদান, অগ্নিকুণ্ডেও এতো সচ্ছলতা, আমি চিৎকার করে বলি,  ভালবাসি প্রিয়। ছোট শাল গাছের ডালে হলুদ ফিঙ্গের আওয়াজে সম্বিৎ ফিরে এলে আরেকটু এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করি, কী ভাবছো?
ক্ষীণ স্বরে জবাব দেয়, কিছুনা। তোমার খিদে পায়নি?
-না। 
কিন্তু প্রশ্নের ছাতু গুড়িয়ে আমি আর কি বলব ভাবছিলাম। হাত ধরে বুকের কাছে টেনে নিয়ে বলল, সত্যি, এমন করেই যদি কাটিয়ে দেয়া যায়, ক্ষতি নেই। তাহলে পিছু কেন টানে আমাদের! 
কিছুটা অবাক চোখে মুখে ঠোঁট চেপে যেন কষ্ট ঢক করে গিলে নিল রাশি। স্পষ্টভাবে দেখতে পেলাম তার অবয়বে ফুটে উঠছে তেমন অনুজ্জ্বল অথচ রক্তাভ আলো। বহুবার বুকের ভেতর পিষে দিয়েছি অনেক অঙ্গিকার, সুখের আড়াল ভেদ করে কোনো দুঃখের সুড়ঙ্গপথে আমি প্রবেশ করিনি। কিন্তু সমাজের খিদে ওকে ক্লান্ত করছে, পরিবার ওকে বিপর্যয়ের হাতল ছেড়ে উঠে আসতে বলছে। আমি বিপর্যয়, আমি সমাজের মগজ-ঘিলু মেখে খাচ্ছি রোজ-রোজ। ভরা মজলিসে আমার দণ্ড অগ্রহণযোগ্য বলে রাখছি!
মুখের কাছে মুখ রেখে বললাম, কাটবে। কাটাতেই তো চাই। 
শুকনো হাসল, মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করে কাঁধের উপর কনুই রেখে বলল, শেষ অব্দি থাকবে তো?
আমায় কেন আজ প্রশ্নগুলো বিড়ম্বনায় ফেলছে জানিনা, আমি কেন থাকবো না? পাগল। নির্ভয় ও দৃঢ় কণ্ঠে বললাম। ও শুনল, মাথায় হাত বুলিয়ে অস্ফুট শব্দে হু বলে আবার চুপ করে রইল, পার্কের ইটের রাস্তায় আজ ভিড় জমেছে, জোড়া জোড়া মানুষের মাঝে আজ বুড়ো-শিশুরাও এসেছে, কারো মাথায় ফুলের তোরা, কারো গায়ে দামি এসেন্সের গন্ধ বাতাসে ব্যাপনশীল , কারো নতুন শাড়ির ভাঁজে নতুন ভালবাসা কেবল বাড়ির বাইরে পা বাড়াল, ওই যে পাশের বেঞ্চিতে বসে দুজনে ভীষণ মাখামাখি করছে, আমাদের উচিত না তাদের কথায় আড়ি পাতা, দূরে তো নয়, যদি বলি গা ঘেঁষা আরো অসংখ্য প্রেম এখানে প্রসবের জন্য ছুটে এসেছে, এখানে সবাই মুক্তির স্বাদ নিচ্ছে নিঃশ্বাসে, একে অপরের সাথে লেপটে আছে অনেক অনেক ঐতিহাসিক তথ্য, গল্প, আমার ঠাকুরদা, তাঁর ঠাকুরদা- ভালবাসার গল্প। আজ মনের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় আমিও ঠাহর করতে পারছিনা, আরেকটু পর সূর্য ডুবে যাবে দিগন্তে, ছেলে বেলায় সেই আমি দিগন্তে হারিয়ে যেতে চাইতাম, বাঁশের আগায় অদ্ভুত বাতাসের ঘূর্ণি দেখতাম একমনে , ডোবার ভেতরে পানকৌড়ির শিকারের আশ্চর্য অভিজ্ঞতা, ঠোঁটের ডগায় ঝাপটিয়ে শেষ বাঁচবার লড়াইয়ে মাছের সাথে মাছরাঙা&#039;র খাদ্য যুদ্ধ। প্রেম ও প্রকৃতি একই। একই সুধার পাত্রে তবে গরল কোত্থেকে আসে?
আরো কাছে এসে জড়িয়ে নিল রাশি, চিবুকের কাছে গরম নিঃশ্বাস ফেলছে ও, বলল, এই গায়ের গন্ধ টা আমি কখনো ভুলবো না, আমার সাথে মিশে আছে, থাকবে...আমি দূর থেকে বোধহয় বুঝতে পারবো তুমি এসেছ পাশে। 
-সিনেমাটিক বটে!
-খিল্লি করছো?
-নাতো।
মুখভার করে মাথাটা সরিয়ে নিল, আমি হাত দিয়ে টেনে এনে বললাম, হয়তো ঠিকই। আমি যেন বুঝিনা!
-তাহলে অমন করে বলো কেন?
-এমনি।
-তুমি হয়তো জানো না, তোমার জন্য ক্ষণে ক্ষণে উতলে ওঠে সব, কাল ডিউটিতে ইনজেকশন দিতেও ভেবেছিলাম তোমাকে। 
-ইনজেকশনের সাথে কেন?
-জানিনা। হেহে- করে হেসে উঠলে আমার ভেতরেও শিশুর মতো হাসি বের হয় নির্মল সে হাসি। সূর্য নামছে...দূরের মাঠ হতে কৃষক কোদাল-কাস্তে হাতে বাড়ি ফিরছে কাজ শেষে, আমি প্রিয়তমার ঘাড়ের কাছে মুখ রেখে দেখছি... নদীর ওপাড়ে আম্রকাননে মুকুলের সমারোহ পূর্ণ ছবি, আমি দেখছি- সংকুচিত অরণ্যের পাশ দিয়ে বয়ে চলা শুকনো নদীটার শেষ জলে স্নান করছে ঘুঘু, তারপর আর কিছু দেখতে পাইনা, কাছের মানুষগুলো সরে যাচ্ছে, কারো জুতোর আওয়াজ, হাঁটার শব্দ, কথার তুবড়ি, অবাত্তি ছেলে মেয়েদের ঝাঁক দৌড়ে ঝাপটে বেরচ্ছে পার্ক হতে। 
পার্কের হলুদ বাতি একে একে জ্বলে উঠল, আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল বর্ষায় কিন্তু ঘোর লেগেছিল বসন্তে, উন্মাদনায় আমাদের সময়টা কেটে গেছে অল্প সময়ের ব্যবধানে, 
এবার উঠি?- জিজ্ঞেস করল রাশি।
আমি বললাম, আরেকটু থাকা যায়?
না, সত্যি এবার উঠতে হবে। উঠেই পেছন টুকু ঝেড়ে তারপর হাঁটতে শুরু করি, পাশাপাশি হেঁটে চলার যে অদ্ভুত অনুভূতি, ধ্যানমগ্ন ঋষিরাই জানতো উর্বশীর সঞ্চালনে শুধু কামনা নয় আরো বৃহৎ কিছু সৃজনের অপেক্ষায় আদিদেব ভস্ম করেছিল মদনদেবকে , সবের মাঝে ডারউইনের তত্ত্ব, ফ্রয়েডের প্রেম মিশ্রিত দর্শন হেঁটে চলে আমাদের সাথে, কথা হয়না, কিন্তু হয়, ভেতরে ভেতরে একে অপরের সাথে অবিরত চলছে, পথ যতই খাটো হচ্ছে, বুকের ভেতরে ঘূর্ণিপাকে হৃৎপিণ্ডটা ঢিপ ঢিপ শব্দে ব্যাকুল করছে, আবার কবে দেখা হবে, আসলেই শেষ দেখা নয়তো! যেন বিস্ময় আর ভয় নিয়ে পথ হাঁটি, এমন হাসিখুশি মুহূর্তে ম্রিয়মাণ হৃদয় সায় দেয়না অনেক কিছু তফাতে বাস্তব আমি স্বীকার করতে প্রস্তুত নই। হাত দুটো চেপে ধরে রাশি বলল, রুদ্র। ক&#039;টা ছবি তুলে রাখো না। এবারের স্মৃতি।
আমি একটু রেগে গিয়ে বললাম, তুলবো নিশ্চয়ই কিন্তু এমন করে স্মৃতির কথা কেন? হারাচ্ছি আমরা!
চোখ দুটো সহসা ছলছল করে উঠল ওর কিন্তু কিছু বলল না, আমি বললাম, রাগ করলে? সরি।
কাষ্ঠ হেসে বলল, সরি কেন? 
-এমনি।
সন্ধ্যার অন্ধকার ও আলোর আবছা পরিবেশে আমি ওকে আরেকটু কাছে টেনে নিই, লোক ভয় বর্জন করে ফাঁকা চিকন রাস্তায় হেঁটেই যাচ্ছি, হাঁটতে হবে কিলো তিনেক, কতদূর এসেছি জানিনা, মেইন সড়কে পৌঁছাতে আমাদের আরো কতক্ষণ লাগবে তাও জানিনা। কিন্তু ভাল লাগছে আবার কষ্টও হচ্ছে, এবারের দেখা করাটা কেমন যেন গোলমেলে, রাশি। তুমি ঠিক আছো? আশ্বস্ত করি।
রাশি আবারও একই মিষ্টতা নিয়ে বলল, হা সোনা।
দুপাশে ইটের পুরনো ভবন গুলো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে বিছানায় শুয়ে আছে, এটাই এক সময়ের পুরনো এবং সমৃদ্ধ শহর ছিল, আজ তাকে অজ গাঁ বললেও অপমানিত করা হবে কিনা নিশ্চিত নই, মারোয়াড়ি ব্যবসায়ী দের ফেলে রাখা ছড়ানো ছিটানো বাড়ি, যারা যুদ্ধ কিংবা তার প্রাক্কালেই অত্যাচারিত হয়ে দেশ ত্যাগ করেছে, অনেকটাই দখলদারত্বের প্রভাবে আজ শুধু স্মৃতির ভস্ম টুকু গঙ্গায় প্রবাহিত হবার অপেক্ষায় তার অস্থি টুকু লাল সালুতে বাঁধা কাঁসা বা পেতলের কাটোরায় বন্দি, কিন্তু মুক্তি এর নেই!
কথা বলতে বলতে মেইন সড়কে যখন পৌঁছাই তখন সারে সাতটা বাজে, কেউ ক্লান্ত হইনি বলতে পারি। বললাম, চলো, চা খেয়ে আসি।
-চলো।
সড়কের পাশে রেস্তোরাঁয় গিয়ে বসলাম। চায়ের পেয়ালায় চুমুক দিতে দিতে ওকে দেখছিলাম, অনিন্দ্য সুন্দর তার চোখ, সুডোল নিটোল দেহ পল্লবে সুসজ্জিত নারী, আমরা ভালবাসি, ভালবাসার তাগিদেই এমন আগুন ফাগুনের দিনে এক হয়ে গেছি, চায়ের পর্ব শেষ করে উঠলাম, বললাম, চলো এগিয়ে দিয়ে আসি বাড়ি অব্দি।
বলল, না, মেডিকেলের গলির মোড় অব্দি হেঁটে যাই। ভেতরে দাদা অপেক্ষা করছে।
-কোন দাদা? ঢ্যাপা মণ্ডল?
-ছি! কি বল। দাদা না!
আমিও তাকে অনুসরণ করলাম, চারপাশে গাড়ি মোটরের হর্ণ শব্দ, ভিড় আর ধুলোর সাগর পেরিয়ে দুজনে পৌঁছে যাই মেডিকেলের পেছনের সরু গলি টার কাছে, যেখান থেকে আরো কিছু দূর হাঁটলেই মেডিকেল কলেজের সমবায় ভবন কিন্তু ও বলল, এ পর্যন্তই, ভেতরের গলিতে কেউ চিনে ফেললে বিপদ। দাদা তো আছেই
আচ্ছা  বলে দাঁড়িয়ে রইলাম আমি, সে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আমার গাল দুটো চাপ দিয়ে প্রস্থান করল, সে হাঁটছে, আমি দেখছি, সে ঘুরে তাকাল, আমি দেখছি, আবার তাকাল, আমি দেখছি, আবার তাকাল, আমি দেখলাম...ভিড়ের মাঝে মিশে যাবার পরও আরও যতটুকু শেষ দেখা যায় আমি দেখলাম, ধীরে ধীরে ভিড়ের মধ্যে  মিলিয়ে গেল রাশি, আমি আরেকটু দাঁড়িয়ে ফুটপাত ধরে ব্যাগ কাঁধে হাটঁতে থাকি... এই ভেবে যে আবার দেখা হবে। ধীর পদে হাঁটি, সরু পথ ধীরে ধীরে প্রশস্ত হয়, বড় বড় অট্টালিকা দালানগুলোও আমার সাথে হাঁটে, তারা কি ভেবে হাঁটছে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231787/</link>
				<pubDate>Wed, 30 Jul 2025 17:49:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাহুগ্রস্থ বসন্ত</p>
<p>দিনের আলো টুকু ক্রমশ ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে, ফিনফিনে আলগা বাতাস ঠিক কোন পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বসন্তের সন্ধিক্ষণে শীতের মুখ রক্ষার ভার নিয়েছে বলেই শরীর একটু হলেও কেঁপে উঠছে, কিন্তু কাঁপার কথা ছিল না, একটা পায়া ভাঙা পুরোনো ইটের তৈরি বেঞ্চে বসে  কতক্ষণ গল্প করে চলেছি- সময়ের ভ্রুক্ষেপ আমাদের নেই, দিন পড়ে আসা রুগ্ন রশ্মি, আর বা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231787"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231787/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fc7495fd7b2b6ada91b3fe033b6612de</guid>
				<title>প্রেম কাম
---
না না প্রেমিকা তো নেই,নেই সক্রিয় অভিবাদন। আমি কি জানি,নারীর দুটো চাঁদ অমাবস্যায় জোছনা দেয়!
নিঃসীম কামে জীর্ণ পুঁথি হতে বেরিয়ে আসে সূপর্নখা, দলিত জাতির মতো,লাঙলের ফলা থেকে উৎপন্ন ফসল,সাদা ধবধবে অজস্র জীবন।
মুঠোফোনে বাজেয়াপ্ত কন্ঠ, &#039;প্রিয়তম,ত্রিবেণীর হাটে এসো,কষে যাও যাদু অংক, খেয়ে যাও তারি মধু মাতাল তরণীর।&#039;
না না প্রেম তো নেই, আছে উৎকৃষ্ট গদ্য, আছে অবসান্ন সত্ত্বার হঠাৎ জেগে ওঠা, সাঁতরাবার জন্যে যে অবিরত নগ্ন, যে মাথায় মশাল জ্বেলে চলে গেছে আমার পূর্বপুরুষ!
যারা গালি দিয়ে ফিরে গেছে নগরে; কামে কুৎসিতে, পেছনে তাকাও অগাধ প্রেম নিয়ে বসে আছে সেও।
সংশ্রবে জাঁতা পিষে উর্বর মৃত্তিকা, আমাকে ভাসালে আমি কী হতাম না অখ্যাত নাবিক?
তবু কেউ কেউ বিলাস নগর থেকে চলে যাবে প্রতীক্ষায়, চলে যাবে আদৌ পাবে কিনা হৃদয় প্রেম কাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/213842/</link>
				<pubDate>Sun, 05 May 2024 06:31:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রেম কাম<br />
&#8212;<br />
না না প্রেমিকা তো নেই,নেই সক্রিয় অভিবাদন। আমি কি জানি,নারীর দুটো চাঁদ অমাবস্যায় জোছনা দেয়!<br />
নিঃসীম কামে জীর্ণ পুঁথি হতে বেরিয়ে আসে সূপর্নখা, দলিত জাতির মতো,লাঙলের ফলা থেকে উৎপন্ন ফসল,সাদা ধবধবে অজস্র জীবন।<br />
মুঠোফোনে বাজেয়াপ্ত কন্ঠ, &#8216;প্রিয়তম,ত্রিবেণীর হাটে এসো,কষে যাও যাদু অংক, খেয়ে যাও তারি মধু মাতাল তরণীর।&#8217;<br />
না না প্রেম তো ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-213842"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/213842/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0ac14332c3620e5dafdeedc10f9cfc9f</guid>
				<title>অতল
-
ইদানীং বৃষ্টিকে রঙিন মনে হয়
গভীর গুরু খাদে লাঘবীয় মন্ত্রোচ্চারণের শব্দ কন্ঠ
পতনের
বৈকুন্ঠের ধেণু&#039;র শুভ্র দুগ্ধ
 কোয়ার্টার হাফ মদ; চুমুক দেওয়া প্রকৃতি।
 এতো বিশদ ভাবিনি, পূর্বে ক্রন্দন আর নোনা জল মিশ্রিত অভিধান ছিল পরস্পর কৌতুক চেহারায়
বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়
আর্যভট্টে&#039;র &#039;শুন্য&#039;।
 বিষয়বস্তু- বৃষ্টির নাম করে হরদম ফুল ফুটতে দেখা বিচিত্র আকাশে গোলাপী রঙের বেলুন ইত্যাদি আর কার্পাসের তুলো ভর্তি বালিশ
মচমচে ক্লেশ
ঘোলাটে চোখ
মগজ অবতীর্ণ বিমান!
তবু, বৃষ্টিকে ভালবাসি ঠিক শরীরের মতো 
ভেত্তা; অগোচরে ডুবন্ত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/213569/</link>
				<pubDate>Tue, 30 Apr 2024 11:35:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অতল<br />
&#8211;<br />
ইদানীং বৃষ্টিকে রঙিন মনে হয়<br />
গভীর গুরু খাদে লাঘবীয় মন্ত্রোচ্চারণের শব্দ কন্ঠ<br />
পতনের<br />
বৈকুন্ঠের ধেণু&#8217;র শুভ্র দুগ্ধ<br />
 কোয়ার্টার হাফ মদ; চুমুক দেওয়া প্রকৃতি।<br />
 এতো বিশদ ভাবিনি, পূর্বে ক্রন্দন আর নোনা জল মিশ্রিত অভিধান ছিল পরস্পর কৌতুক চেহারায়<br />
বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়<br />
আর্যভট্টে&#8217;র &#8216;শুন্য&#8217;।<br />
 বিষয়বস্তু- বৃষ্টির নাম করে হরদম ফুল ফুটতে দেখা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-213569"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/213569/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2114043c2998b57bb6c8224e5ee4eed7</guid>
				<title>ভীষ্মদেব সূত্রধর changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212428/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Apr 2024 01:43:58 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5000e53b682f04ec0489c50ed2c761c8</guid>
				<title>তালমা

রৌদ্র সবে পূব আকাশের তলানিতে থেকে ধীরে ধীরে উঠে আসছে পশ্চিমে, ইউক্লেপ্টাস গাছের ফাঁক দিয়ে আলো এসে বাতাবী লেবু গাছে পতিত হয়, চকচক করে সবুজ পাতা। কখন এসে দাঁড়িয়েছে বোধয় টের পায়নি রুদ্র, প্যান্টের ফিতেটা বেঁধে কল অভিমুখে গমন, হিহি করে হাসির শব্দে ফিরে তাকালো, মৌয়ের বুকের উপর আলোটা বাতাসের সাথে খেলো করছে, জিজ্ঞাসা করল, &#039;হাসিস কেন?&#039;  মৌ বাঁকা উত্তরে বলল, &#039;হাসবার জন্যে পারমিশান লাগবে!&#039;
রুদ্র বিরক্তির ভাব ফোটাতে মুখ দিয়ে একবার চ্যা শব্দ করল। এবার কল চাপ দিয়ে আপন কাজে মন দিল। বারবার চোখে জল দিয়ে কচলিয়ে ধোবার অভ্যেস, কুলকুচি করে ঠোঁট গোল করে দূরে ছুঁড়ে মুখে রাখা এঁটো জল, ফেলে বলে, &#039;কি দরকার?&#039;
অনেক্ষণ বাদে আওয়াজ আসায় প্রথমে একটু হকচকিয়ে ওঠে,পরে বলে, &#039;একটা অংক কিছুতে বুঝি না।&#039; 
&#039;খাতায় কি সব লিখে দিয়ে যাস! খেয়ে উঠি।&#039; -রুদ্র বলল। 
আমি তবে বইটা নিয়ে আসি, বলে দৌড়ল মৌ। রুদ্র বিরক্তির স্বরে চাপা কন্ঠে বলল, &#039;একবারে আনবে কি!
ঘরের ডোয়ায় পা রাখতেই মা বলল, &#039;ও দৌড়ল কেন?&#039;
-আমি কি করে জানব!
-তোমার সাথে ভাব তুমি জানবে না?
-না। আর থামো তো! -ধমকের সুরে বলল। মা এবার আবার বলল, &#039;ওর মা কিন্তু ভারী দজ্জাল। সাবধান।&#039;
 রুদ্র ফুসে ওঠে, খানিক অবদমন করে বলে, &#039;তোমাদের মা সমাজটাতে ঘূণ ধরেছে।&#039; 
মা হেসে ফেলে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212426/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Apr 2024 01:35:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তালমা</p>
<p>রৌদ্র সবে পূব আকাশের তলানিতে থেকে ধীরে ধীরে উঠে আসছে পশ্চিমে, ইউক্লেপ্টাস গাছের ফাঁক দিয়ে আলো এসে বাতাবী লেবু গাছে পতিত হয়, চকচক করে সবুজ পাতা। কখন এসে দাঁড়িয়েছে বোধয় টের পায়নি রুদ্র, প্যান্টের ফিতেটা বেঁধে কল অভিমুখে গমন, হিহি করে হাসির শব্দে ফিরে তাকালো, মৌয়ের বুকের উপর আলোটা বাতাসের সাথে খেলো করছে, জিজ্ঞাসা করল, &#8216;হাসিস কেন?&#8217;  মৌ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-212426"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/212426/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cb190e2662b940a3edfb8ab53f8edfa4</guid>
				<title>মজা পুকুরের ব্যাঙ
-
টিপটিপ ঝরে পড়ছে অবিরত রাতভর মদের বুঁদ আকাশ থেকে যেন ব্যাঙ প্রেমিকার চোখের ভেতরে, এখনি হয়তোবা লেগে যাবে আঠা, বেলুন গলা ফুলে উঠবে ঘ্যাঙর ঘ্যা।
ঝিরঝির ফোঁটা ফোঁটা শিহরিত শরীরে মর্দার গায়ের ঘ্রাণ শুঁকে চলছে মাগী ব্যাঙ, তরল চুঁইয়ে পড়ছে....একটু জোরে!
ব্যস। গুরু গুরু মেঘ বর্শার ফলা গেঁথে যাচ্ছে গর্তে, যুগল প্রেম গাঁথছে উষ্ণতা
শ্যাওলা পানা এসে মিশছে বিছানায়, মজা পুকুরে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/87121/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Jan 2022 17:31:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মজা পুকুরের ব্যাঙ<br />
&#8211;<br />
টিপটিপ ঝরে পড়ছে অবিরত রাতভর মদের বুঁদ আকাশ থেকে যেন ব্যাঙ প্রেমিকার চোখের ভেতরে, এখনি হয়তোবা লেগে যাবে আঠা, বেলুন গলা ফুলে উঠবে ঘ্যাঙর ঘ্যা।<br />
ঝিরঝির ফোঁটা ফোঁটা শিহরিত শরীরে মর্দার গায়ের ঘ্রাণ শুঁকে চলছে মাগী ব্যাঙ, তরল চুঁইয়ে পড়ছে&#8230;.একটু জোরে!<br />
ব্যস। গুরু গুরু মেঘ বর্শার ফলা গেঁথে যাচ্ছে গর্তে, যুগল প্রেম গা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-87121"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/87121/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c171277e6a6cab43078ea3c5049b5e79</guid>
				<title>পর্যায়ে 
----

ধীরে ধীরে সঞ্চালিত হতে থাকে গরল রক্ত,জীবন থেকে ছুটে পালানোর প্রবল ইচ্ছা নিজেকে আরো অজানা এক অন্ধকারে নিক্ষেপ করে।
তবুও চলাচল থেমে নেই,এটা ওটার মধ্য দিয়ে মানিয়ে নিতে হয়,কিন্তু মানিয়ে নিচ্ছি এই বোধটুকু উঁকি দেয়না ভেতরে,মনের বিরুদ্ধে দাঁত কিরমির করে ছেড়ে দিচ্ছি সবটাই,প্রতিনিয়তই দূর থেকে শহরে আসতে হয় জীবনের মূল্যবান সময়টুকুর মূল্য দিতে,বাইরে থেকে চিড়িয়াখানার ভেতরটা দেখে আঁতকে উঠি,বস্তুত সেখানে পশুর চেয়ে নরপশুগুলো দেখে ঘৃণা জন্মে,লোহার শেলে বন্দি বাঘটি তার থাবা দিয়ে মাথা হেট করে মাংস খুঁড়ে খাচ্ছে,যেন দয়ায় বেঁচে থাকা,শেলে থাবা বসিয়ে হয়তো তার পালাতে ইচ্ছে করে নয়তো মেনে নিয়েছে আমার জন্মই কয়েদী খানায় থাকবার জন্যে।বন্যেরা বনে সুন্দরা শিশুরা মাতৃকোড়ে।
বনের বাঘের সাথে তার সম্পর্কটা ভিন্নতর,পাখিগুলো মুক্তাকাশে ওড়ার বদলে খাঁচায় বন্দি,বড্ড মায়া হয় ওদের জন্য!
তারপর শহরের আবর্জনা স্তুপের ভিড় ঠেলে আবার কিছুটা স্বস্তি মেলে যখন দক্ষিণে যাই,চাই চাই শব্দগুলো এত দূর পৌছোয় না।
পরীক্ষার খাতায় গণিতের সূত্রগুলো জীবনের সূত্রের গড়মিল প্রকাশ করে,অর্ধ সমাপ্ত করে পরেরটায় হাত দিই,অংকসংখ্যাগুলো খাতা থেকে উঠে এসে গালে চড় কষে দেয়,তখন হঠাত্&#x200d; কলম পিছলে বেরিয়ে পরে উদ্ভট জবানবন্দি,
রেলগেটের এক কাপ চায়ের সাথে ধোঁয়া গিলে ফিরতি চলতে হয় শহর,শহর থেকে নীলকর বৈকুন্ঠ...
স্বল্প সময়ের রঙিন বার্তা স্বল্প সময়েই নিমজ্জিত হয়,
তারপর তরুণের সাথে কিছুক্ষণ আলাপচারিতা,মোড়ে এলেই সাইকেলটা কোলে মেলে খরা বৃষ্টিতে নান্দনিক সৃষ্টির গল্প করি,ভাল লাগে,পয়সার অভাবে ফটোগ্র্যাফিতে যুক্ত হয়েছি,কিছু কিছু আসে তাই দিয়ে চলে,মাঝে মাঝে পার্বণ এলে সময়টা দোকানের জন্য বরাদ্দ,এক মাস গায়ে গতরে কিংবা মানসিক ভাবে খেটে ভালই আসে কিন্তু পড়াশোনা যেন আঁধারে বানানের চেষ্টা,আমি যে খারাপ ছাত্র তা নই,প্রশংসা করছি না,এটা লিমিট ক্রস করবেনা।তবে এবারে দুটো ইয়ারের চাপে মস্তিষ্কে আগুন ধরেছে,আমি একটু শ্বাস নিতে চাই,খোলা মাঠেও কেমন দম বন্ধ হয়ে আসে,উফ।
-ম্যাচ আছে তো?
-পকেটে নিয়েই ঘুরি।
-জ্বালা।
ফকাত্&#x200d; করে আগুন জ্বলে উঠলে রৌদ্রের তাপে নিজেকে জ্বলন্ত কাঠি বোধ হয়।শিটগুলো বেহায়ার মতো বাতাসে উড়তে থাকে,বেরিয়ে পড়ে গো টু স্টেটমেন্ট,ক্ষেত্রফল ইত্যাদি।চোখের সামনে নাচতে থাকে পৃষ্টা,এক কালে জটাধারী ঠাকুরদারা বছরের পর বছর উধাও থেকে ঘরে ফিরতো কারো মুখের মায়া জরো হলে,এসে দেখতো ছেলে তার টগবগে জোয়ান,মুখে দাড়ি গোফ,নিজেরা যেন মুখ থুবড়ে পড়তো,সাংসারিক জীবন ব্যবস্থায় জটাধারী পুরুষেরা সেই সময়েই ভোগ করেছে অপার স্বাধীনতা,পালিয়ে বেড়িয়েছে অর্ধেক জীবন কিংবা তার বেশি,একদিন জীবন তাদের থেকে পালিয়ে গেছে।
সে সব খণ্ডিত ইতিহাস গাঁথা আছে কিন্তু খন্ড প্রোগ্রাম তার ধার ধারে না।ছেঁড়া ছুটা দলিলগুলো ফটোকপি করে ঘরে পৌছানোর দায়িত্ব আমার,দলিলের উপর স্ট্যাম্প আট আনা,
চিড়িয়াখানা রোড ছেড়ে কিছুদিন টাউনহলের শহীদ মিনারের পাদ দেশে বসে ক্ষণিকের মুক্তি চেয়েছি,কয়েকটা গান শুনি,বাতুল মনে হয়,ছিঁচড়ে পোকাদের গুঞ্জনে ওটাও ছেড়েছি।
তবুও চলতে হচ্ছে,কিন্তু চলত্&#x200d;শক্তি দৈহিক শক্তিরই ফসল মানসিক শক্তির নয়,কে যেন বলল,কাউন্সিলিং প্রয়োজন।
আমি উন্মাদ পাগল হইনি,কিন্তু কিছুই ভাল লাগেনা,অনেকদিন পর একটা মোষের গাড়ি দেখে অবাক হলাম,মোষ দুটি কাঁধে পিঠে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে সওয়ারী এবং বালি,পেশীগুলো টান টান করছে,ধীর গতিতে চলছে গাড়ি,নগ্ন সাইকেলটি থেকে নেমে হেঁটে যাই,সওয়ারী পিঠে কাঁধে চাবুক চালাচ্ছে,প্রতিবারই লম্বা দাগে শরীরের পশমগুলো উপড়ে উঠছে,   পালাতে পারলাম কই,পালানোর কথা ছিল বহু আগে,সূর্যাস্ত হলে পৃথিবী কেমন অসুস্থ হয়ে পড়ে,সিটির লাইটগুলো জ্বলে ওঠে,পানা পুকুর ধারের কাছে খোটায় গাড়া দুটো ছাগল ঊর্ধ্বপানে চেয়ে আছে,মনিবের প্রতীক্ষায়,
ভয় পাই বড্ড ভয় পাই জীবনকে,এভাবে চলতে গেলে একদিন পতন পতন হতে থাকবে।
বাবার মুখের দিকে চাইতে পারিনা,বড় গলার কিছু বলবার অভ্যেস নেই,বাবারও না।কিন্তু তাকালেই বোধয় বাবা কাঁদছেন..অন্তরে,মা শুধু পিঠে হাত বুলিয়ে বলেন,ভাল আছিস তো বাবা?আমি অগ্রজ,অনুজ গ্যারাজের কর্মচারী,হিসেবের খাতায় মস্ত ভুল,পরীক্ষায় খাতায় রক্তফুল,আমি পারছিনা,কেন?আমার ভাল্লাগছেনা,কেন?দীর্ঘশ্বাস চাই,শ্বাস?অগোছালো তবু ঠাঁই!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/82455/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Dec 2021 15:26:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পর্যায়ে<br />
&#8212;-</p>
<p>ধীরে ধীরে সঞ্চালিত হতে থাকে গরল রক্ত,জীবন থেকে ছুটে পালানোর প্রবল ইচ্ছা নিজেকে আরো অজানা এক অন্ধকারে নিক্ষেপ করে।<br />
তবুও চলাচল থেমে নেই,এটা ওটার মধ্য দিয়ে মানিয়ে নিতে হয়,কিন্তু মানিয়ে নিচ্ছি এই বোধটুকু উঁকি দেয়না ভেতরে,মনের বিরুদ্ধে দাঁত কিরমির করে ছেড়ে দিচ্ছি সবটাই,প্রতিনিয়তই দূর থেকে শহরে আসতে হয় জীবনের মূল্যবান সময়টুকুর মূল্য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-82455"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/82455/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">76b52dc03c8bea25948859848c27b67d</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/53139/</link>
				<pubDate>Sun, 07 Nov 2021 10:02:22 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2c49853f751ef38f9a76ff6b9f0ce760</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/53138/</link>
				<pubDate>Sun, 07 Nov 2021 10:01:46 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">118efc8ce170c6d57f18ba272f50fe9a</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/53137/</link>
				<pubDate>Sun, 07 Nov 2021 10:01:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">72ec041c0ffcdb8604dc929b77fc2601</guid>
				<title>অণু গল্প
তিমিরান্ধস্য
--
মুষলধারে বৃষ্টি নেমে গেল, আশ্রয়ের জন্যে ভাঙা স্কুল ঘরে জনা কতক ছিল বটে, এখন মাত্র দুজন বাড়ান্দায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে কখন পরিত্রাণ পাওয়া যাবে এর থেকে। বিভু আধ ভেজা কিন্তু অন্যপ্রান্তে যে যুবতী দাঁড়িয়ে ছিল তার শরীর জবজবে ভেজা, চুল থেকে জল চুঁইয়ে পড়ছে বুকে, অন্তর্বাসহীন বুক জেগে উঠছে চরের মতো, বিভু সেদিকেই তাকিয়ে আছে নিষ্পলক, না মোটেও ভ্রুক্ষেপ নেই যুবতীর, সে দাঁড়িয়েই আছে। বিভুর হৃদপিন্ডের গতি বেড়ে যায়, শরীর তেতে ওঠে, স্তনবৃন্তে হা করে চেয়ে থাকে উঠতি যৌবনের স্বাদে, ভেতরে প্রতঙ্গটি নড়েচড়ে ফের শান্ত হয়। বৃষ্টির ছাঁট আসে গায়ে পড়ে, থামবার বিরাম নেই। যেন আরো কষে মেঘ গলছে, একটা অটো এসে সামনে দাঁড়ালে যুবতী তাতে ওঠে এবং মুহুর্তে অদৃশ্য হয়ে যায় অটো, আবছা অন্ধকারে আর বেশিদূর দেখা যায় না, পৌরসভার বাতিগুলো একে একে জ্বলে, কাঁদা পথে দুটো গাড়ি ছুটে চলে যেতে জলকাদা ছুঁড়ে মারে এবং মিলিয়ে যায়। বিভু হাতঘড়ি দেখে, আর থাকা চলে না, ওদিকে চারদিক ফাঁকা আর গুমোট অন্ধকার, পা ফেলে এগোয়, কিছুদূর যেতে থমকে দাঁড়ায়। উফ শিট! চটির ফিতে ছিঁড়ে গেছে, অগত্যা খুরিয়ে চলতে চাইল, যেহেতু দ্রুত যাওয়া চাই তাই জুতো জোড়া হাতে নিয়েই চলবার কথা ভাবল সে। কলেজ স্ট্রীটের দোকানের ঝাঁপ বন্ধ বা যে কটা দোকান খোলা আছে সেখানেও ভিড়ের বালাই নেই, এমন বৃষ্টি অনেকে উপভোগ করছে , অনেকের মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট। মোড়ের কাছে এসে তাকাল, পানের দোকানে দুটো মুরুব্বি বেঞ্চিতে এক পা তুলে গল্প করছে, পানের পিক নালা দিয়ে গল গল করে ভেসে যাচ্ছে, লাল টকটকে রঙ জলে মিশে বিবর্ণ হয়ে পেছনের মজা পুকুরে পতিত হচ্ছে। বিভু আবার দাঁড়াতে চাইল কিন্তু অন্ধকার যেন জেঁকে বসেছে, ঠকঠক করে কাঁপছে, শীত করছে তার, ভীষণ! এই কিছুক্ষণ আগে গরম হয়ে গেছিল, নেতিয়ে পড়া অঙ্গটি তার কাছে এখন জড় পদার্থ অথবা শুন্য বোধয় সেখানে কিছুই নেই। হাঁটতে হাঁটতে পৌছে গেছে ব্রিজের ওপর তারপর মশাল মোড়। বিভুর ভয় করছে, গত ১০ তারিখে এখানে জোড়া খুন হয়েছিল শহরে যেটা চাঞ্চল্যকর, মারোয়াড়ি দম্পতি যারা এই মোড়েই শুয়েছিল রক্তাক্ত দেহে, পুলিশ বলছে ছিনতাইকালে খুন হতে পারে কিন্তু শহরে প্রচারিত হয়েছে সম্পত্তির জের ধরে বেহারি সন্ত্রাসীরা এ কান্ড ঘটিয়েছে।। পুলিশ অবিশ্যি দুটো নিরপরাধ সাঁতাল ছেলেকে ধরে নিয়ে গেছে, তুলে নিয়ে গেছে কোথায় সে খবর আর কারো কানে পৌছোয়নি। বিভুর ভয় কাটেনি, মেপে মেপে পথ চলছে কাঁকর বেছানো পথে, জড়ভরত অবস্থা থেকে এখন দ্রুত আরো দ্রুত চলতে চাইছে। বেশ নবছর আগের কথা, বিভু তার বাবার হাত ধরে গিয়েছিল টুনিরহাটে, শুক্রবার হাটের দিন, ফেরবার পথে তুমুল ঝরবৃষ্টি, ভ্যান রিকশার দেখা নেই, নেই কোনো পথিকও, কেই বা থাকে! বাবা সদাশিব বাবু জোরে জোরে রাম নাম জপতে জপতে ছেলের হাত মুঠোয় ধরে এগোচ্ছেন, একটা ইউক্যালিপটাসের ডাল মরমর করে ভেঙে পড়ল পায়ের কাছে, ইষ্টদেবতা ভেঙচি কাটছে! অবশেষে মাঠের কোণে এক চালা ঘরে যেখানে বোধকরি গেরস্থের গবাদিপশুর ঠাঁই হয়নি তাতেই ঠাঁই নিলেন সদাশিব বাবু। কত কিছু ভাবতে ভাবতে বিভু এসে থামল হোটেল নর্দানের ঘুপচি বাড়ান্দায়, না এখানেও কেউ নেই যেন, মৃত একটা অট্টালিকা দাঁড়িয়ে আছে রাস্তার পাশে, শাদা একটা জাপানি গাড়ি পার্ক করা হোটেলের কাছে, পায়ে কাদা ভেজা শরীরে বিভত্স মনে হচ্ছে তার, প্যান্টে কাদার নকশা বুনন, মেঝেটা ততক্ষণে ভিজে গেছে, দূর থেকে কোনো বয়স্কার উচ্চস্বর শোনা যাচ্ছে, এগিয়ে গেলে বুঝতে পারে হাত ইশারা করে তাকেই ডাকছে, বয়স ঠাহর করা গেল না তবু পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে এবং বেশ স্বাস্থ্যবান ও সুন্দরী। বয়স্কাকে খুব ব্যস্ত মনে হলো। কাছে এসে বললেন, তুমি তো ভিজে গেছ বাবা, যাও মুছে নাও।
তারপর কাকে যেন গামছা দিতে বলে উধাও হলেন তিনি, বৃষ্টির সাথে বাতাস বইছে, মোটা একটা লোক গামছা দিয়ে সরে গেল। বিভু যতটুকু পারে মুছে নি ল শরীর, এদিক ওদিক তাকিয়ে কিছু পেলনা, ডাক দিতে সংকোচ করছে, ওর বড় লজ্জা। বয়স্কা নিজেই এলেন এবং বললেন, চা খাবে?
বিভু বিষ্মিত নয়নে তাকিয়ে কথা বললনা । উনি আবার বললেন, ঐখানটায় বসো।
দেয়াল ঘেষে একটা হাতলভাঙা চেয়ার আছে তাতেই বসতে বললেন। বিভু বসল না কিন্তু কম্পিত কন্ঠে বলল, আমার কাছে পয়সা নেই, সব ভিজে গেছে।
বয়স্কা কিছু বললেন না মেকি হাসলেন। বিভুর সংকোচ বেড়ে গেল, কে ইনি? আগন্তুকের সাথে তার কী পরিচয়? ওই মোটা লোকটিই চায়ে&#039;র পেয়ালা হাতে দিয়ে সরে গিয়ে বয়স্কার কানে কানে কিছু বলে দাঁড়িয়ে রইল হুকুমি পেয়াদার মতো, সিঁড়ির দিকে কয়েকবার চেয়ে বলল, উঠি বাবা। ফের এসে নামধাম শুনবো।
ওঁরা অন্তর্হিত হবার পর বিভু আকাশ নিরীক্ষণ করে আবার চেয়ারে বসল, মোটেও ছাড়বে না এ বৃষ্টি, রাত আটটা বেজেছে কখন হাত ঘড়িতে তাকিয়ে তাই বিড়বিড় করে বলল। গাঢ় অন্ধকারে বিদ্যুত্ লোডশেডিং, রাস্তার বাতিগুলো নেভানো, হোটেলে জেনারেটর ঘরঘর আওয়াজে যা আলো দিচ্ছে তাই, অল্প আলোতে দুজনকে আসতে দেখে দাঁড়ায়, একটা নারী তার কাঁধে হাত রাখা একটা টেকো বুড়ো গোছের কেউ সিঁড়ির কাছে এসে থামে, বুড়োর হাত নারীটির কাঁধ থেকে বুক অব্দি ঝুলছে, নারীটি চিত্কার করে বলল, খানকির পো এইবার মাগনা পাবিনা, এর আগে ফ্রি খাইছিস।
বলেই বিভুর দিকে চাইল বোধয় লজ্জাও পেল এইমাত্র বলা কথাটিতে। হা টেকো মাথার বুড়ো লম্বা জোব্বা পরিহিত, কাঁচা পাকা দাড়ি গোঁফ ছাটা যে দেখেই দৌড়ে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে গেল। আলহ্বাজ জমিরউদ্দীন রাসেলের বাবা। যে বলেছিল তার বাবা পয়গম্বর। সেই যুবতীটি যাকে স্কুল ঘরে দেখেছিল! কোথায় তার ভেজা শরীর! মাথা দুলে ওঠে এবং হাঁচি আসে। যুবতীটি মুচকি হেসে উপরে উঠতে থাকে। বিভু আর দাঁড়ায় না, চটি জোড়া হাতে নিয়ে ভিজতে ভিজতে পথ চলে নগ্ন পায়ে। আবার শীত করে ভয়ানক শীত, অন্ধকারেই দ্রুত পা চালায় গন্তব্যের পথে। বৃষ্টি মুষলধারেই পতিত হচ্ছে শহরে।রাস্তায়। হোটেলে। যুবতীর বুক ও জমিরউদ্দীনের হাত মিশে যাচ্ছে চোখের সামনে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/53136/</link>
				<pubDate>Sun, 07 Nov 2021 09:57:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অণু গল্প<br />
তিমিরান্ধস্য<br />
&#8212;<br />
মুষলধারে বৃষ্টি নেমে গেল, আশ্রয়ের জন্যে ভাঙা স্কুল ঘরে জনা কতক ছিল বটে, এখন মাত্র দুজন বাড়ান্দায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে কখন পরিত্রাণ পাওয়া যাবে এর থেকে। বিভু আধ ভেজা কিন্তু অন্যপ্রান্তে যে যুবতী দাঁড়িয়ে ছিল তার শরীর জবজবে ভেজা, চুল থেকে জল চুঁইয়ে পড়ছে বুকে, অন্তর্বাসহীন বুক জেগে উঠছে চরের মতো, বিভু সেদিকেই তাকিয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-53136"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/53136/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">61e0f9f0745c216caa5acff7a5edb0a9</guid>
				<title>ভীষ্মদেব সূত্রধর changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/53135/</link>
				<pubDate>Sun, 07 Nov 2021 09:53:46 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>