<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Site-Wide Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_astream/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_astream/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for the entire site.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 12 Aug 2026 10:02:42 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">d29b851d0d5c4b82459bee6b1ec51f7b</guid>
				<title>মোঃ আরিফুল ইসলাম and Mohona Meghna are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260713/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:37:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">500ba61ba7b3a44f425f7c550efc3491</guid>
				<title>জীবনে সবাই আপন নয়, সময়ই মানুষ চিনিয়ে দেয়।
যে যত বেশি হাসে, তার জীবন ততটা সহজ—এমন নয়।
প্রয়োজনে সবাই পাশে থাকে, কিন্তু বিপদেই সত্যিকারের মানুষ চেনা যায়।
নিজের মূল্য বুঝুন, কারণ সবাই আপনার ভালোটা বুঝবে না।

- রাকিবুল ইসলাম কাব্য</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260708/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:29:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবনে সবাই আপন নয়, সময়ই মানুষ চিনিয়ে দেয়।<br />
যে যত বেশি হাসে, তার জীবন ততটা সহজ—এমন নয়।<br />
প্রয়োজনে সবাই পাশে থাকে, কিন্তু বিপদেই সত্যিকারের মানুষ চেনা যায়।<br />
নিজের মূল্য বুঝুন, কারণ সবাই আপনার ভালোটা বুঝবে না।</p>
<p>&#8211; রাকিবুল ইসলাম কাব্য </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ab86691e477292c360f61fbd39e03664</guid>
				<title>১৯৯২ সালে লেখা আমার একটি কবিতা 
ভালবাসার সবুজ যন্ত্রণা 

ভালবাসার সবুজ যন্ত্রণায়
নীলকন্ঠী পাখিটা যখন
সিগন্যালের মতো, 
লাল নীল হচ্ছে, 
তখনই তুমি এলে
আমার সুনীল আকাশে, 
স্বচ্ছ প্রশ্বাস হয়ে । 
তারপর দীর্ঘ  নিরবতা
দীর্ঘ ক্ষন কথকতা, 
চোখে চোখে 
ভালবাসার অপলাপ কথা । 
আবার নিরবতা, 
ভালবাসার কমল পরাগ মেখে
অনাহুত পাখি, 
নীল আকাশে 
উড়াল দিয়েছে  
অনেকদিন পর
পাগলা ঘন্টি,
বেজে উঠেছে । 

১২/৮/২০২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260707/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:23:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>১৯৯২ সালে লেখা আমার একটি কবিতা<br />
ভালবাসার সবুজ যন্ত্রণা </p>
<p>ভালবাসার সবুজ যন্ত্রণায়<br />
নীলকন্ঠী পাখিটা যখন<br />
সিগন্যালের মতো,<br />
লাল নীল হচ্ছে,<br />
তখনই তুমি এলে<br />
আমার সুনীল আকাশে,<br />
স্বচ্ছ প্রশ্বাস হয়ে ।<br />
তারপর দীর্ঘ  নিরবতা<br />
দীর্ঘ ক্ষন কথকতা,<br />
চোখে চোখে<br />
ভালবাসার অপলাপ কথা ।<br />
আবার নিরবতা,<br />
ভালবাসার কমল পরাগ মেখে<br />
অনাহুত পাখি,<br />
নীল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260707"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260707/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c4d370af0b9b9b42f44742f9cffec7f5</guid>
				<title>কবিতা
&quot;দরদাম&quot;
লেখকঃ কাজী এহসানুল হক জিহাদ। 

আচ্ছা, সুখ কোথায় বিকোয়?
সন্ধান দিও আমায় একটু,
আমি হৃদয়ের টুকরো দিয়ে
কিনে নেবো কিছুটা...।

হাটে বাজারে গিয়ে জিজ্ঞাসু আমি,
শোনো সবে হে, এ শহরের বিক্রেতারা
সুখ কি বিকোও তোমরা?
আমার কাছে কড়ি নেই,
নেই কোনো রাজকীয় অহংকার।
খুব সাবধানে অন্তরাল থেকে
এক টুকরো জরাজীর্ণ হৃদয় তুলে এনেছি,
বলো তো, এর বিনিময়ে কতটা সুখ ক্রয় করা যায়?

এ শহরের বিক্রেতারা হেসে বলল,
দাও তো বাপু দেখি, তোমার রক্তঝরা হৃদয়খানি!
এর বিনিময়ে দিতে পারি এক শিশি হাসি...।

সবটুকুই করলাম আমি সমর্পণ
কিন্তুু শিশির মুখ খুলতেই দেখি
সেখানে রয়েছে শূন্যতা আর কালো ধোঁয়া!
আমার কাছে সে সুখ বিকোয়নি,
দেখলাম বিকিয়ে গেল আমার অস্তিত্ব...।

আচ্ছা এ শহরে কি সুখ নেই?
নেই কি অনুভূতিরা?
হৃদয়ের বিনিময়ে কি শুধু রয়ে যায় মরীচিকা?

আমাকে বলো হে কোথায় সুখ বিকোয়?
কিনে নিতে পারি আমি কিছুটা যা আছে
হৃদয়ের মলিন অংশ দিয়ে দেব সবই,
শুধু একটু সুখের লাগি.....।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260706/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:20:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা<br />
&#8220;দরদাম&#8221;<br />
লেখকঃ কাজী এহসানুল হক জিহাদ। </p>
<p>আচ্ছা, সুখ কোথায় বিকোয়?<br />
সন্ধান দিও আমায় একটু,<br />
আমি হৃদয়ের টুকরো দিয়ে<br />
কিনে নেবো কিছুটা&#8230;।</p>
<p>হাটে বাজারে গিয়ে জিজ্ঞাসু আমি,<br />
শোনো সবে হে, এ শহরের বিক্রেতারা<br />
সুখ কি বিকোও তোমরা?<br />
আমার কাছে কড়ি নেই,<br />
নেই কোনো রাজকীয় অহংকার।<br />
খুব সাবধানে অন্তরাল থেকে<br />
এক টুকরো জরাজীর্ণ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260706"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260706/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b4b1cba5fe09771feb217b61154b78be</guid>
				<title>রাকিবুল ইসলাম কাব্য changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260704/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:18:59 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">83532f941b32efa69da3588d7408ece9</guid>
				<title>প্রথম যেদিন দেখা
- রাকিবুল ইসলাম 

সেদিনের সেই প্রথম দেখা 
মনের গভীরে রয়,
অনুভবে মেশা সেই স্মৃতি
আজও যেন অম্লান হয়।

হঠাৎ চোখে চোখ পড়তেই 
থমকে গেল সময়,
হাজার কথার ভিড়েও যেন 
নীরব ছিল হৃদয় ।

তমার হাসিতে ঝলকেতে 
স্বপ্ন এঁকেছি প্রাণে,
প্রথম দেখা সেই মুহুর্ত 
চিরদিন রবে গানে।

তুমি এলে অন্য ভুবনে 
আলো ঝলমলে পথে,
আমার সত্তা খুঁজে পেল
তোমায় ভালোবেসে ওই রথে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260697/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:17:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রথম যেদিন দেখা<br />
&#8211; রাকিবুল ইসলাম </p>
<p>সেদিনের সেই প্রথম দেখা<br />
মনের গভীরে রয়,<br />
অনুভবে মেশা সেই স্মৃতি<br />
আজও যেন অম্লান হয়।</p>
<p>হঠাৎ চোখে চোখ পড়তেই<br />
থমকে গেল সময়,<br />
হাজার কথার ভিড়েও যেন<br />
নীরব ছিল হৃদয় ।</p>
<p>তমার হাসিতে ঝলকেতে<br />
স্বপ্ন এঁকেছি প্রাণে,<br />
প্রথম দেখা সেই মুহুর্ত<br />
চিরদিন রবে গানে।</p>
<p>তুমি এলে অন্য ভুবনে<br />
আলো ঝলমলে পথে,<br />
আমার সত্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260697"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260697/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">255560865b3f2c7c32d8c79f0508fd66</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260696/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:16:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4a3b8a1437a9778d2156cd899dff88af</guid>
				<title>আমি তোমার পথ চেয়ে থাকি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260695/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:15:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি তোমার পথ চেয়ে থাকি</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">254503f103c1e7d33a5d2f9cd7e2c020</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260694/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:11:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8a533975d2b4faa69a232c3ab4d2f436</guid>
				<title>মোঃ আরিফুল ইসলাম changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260691/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:08:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">91e3ca45f2335351d30401be92981134</guid>
				<title>নিরবতার আড়ালে সরবতা! 

   মো: শাহ জালাল 

আজি গাহিতে গিয়েও পারিলাম না গাহিতে 
কন্ঠে মোর বিষাদের সুর, না পারি সহিতে 
ধরনীর বুকে নির্দয়া পদচারণ, 
অত্যাচারিত আমি নির্যাতিত  দুমুঠো অন্ন চাহিতে।  বিশ্ব বিধাতার করুনা মুগ্ধতা ছড়িয়েছিল হৃদয়ে, 
রবির কিরণ অবগাহন করিয়াছি প্রয়োজন হইলেই,
বৃষ্টির বারিধারায় সিক্ত করিয়াছিনু তপ্ত তনু খানি,
কেন মোরে এত মারিলি ওরে দুমুঠো ভাত চাহিতেই।
পূবালী হাওয়ায় কেশ মোর দুলিয়াছি  বহুবার, 
কোন কড়ি সে তো চাহেনাই বিনিময়ে কোনবার,
নদীর জলে সাঁতার কাটিয়াছি বার বার শতবার,
জীবন বাঁচাতে আকুতি শুনিলি না কেন একবার। 
মন কান্না ভুলিতে নক্ষত্রের সনে কথা কহিয়াছি, 
দুঃখ ভুলিতে আকাশের পানে চাহিয়াছি,
নিশিযাপনে জোনাকির আলো লাভিয়াছি, 
কেন  জীবনের লাগি মনুষ্য পশুর তরে কাঁদিয়াছি?
বাবা মা হারিয়েছি অনেক আগেই নেই আপন কেহ,
পথশিশু,পথের কুকুর, বেড়াল আপন জন সেইতো,
হানিলে আঘাত করিনা প্রতিবাদ করিবার কেহ নাই,
বাঁচাবে মোরে আদরে আদরে এমন কেহ নেইতো!
তৃষ্ণা মিটাইবার লাগি নদীতে নামি, 
বাগানে ঘুরি ক্ষুধার লাগি, খেয়েছিলামও সে ফল, 
বলেনি সে বৃক্ষরাজি চোর তো মোরে একটিবারও, 
তবে মোরে বানাইলো চোর ওরে নিঠুর মানব দল! 
এক মানবি সর্পদংশিনী আসিয়াছিল জীবনে মোর,
বুঝিতে পারিনাই ছলনায় তাঁহার কাঁদিব আবার,
হৃদয়ে মোর দুখেরি দহন জ্বালিয়েছিল সেই জনা, 
নয়নে তাই ঝরিলে নোনা পানি এইবার।
এ পৃথিবী অনেকটায় কাঁদিয়েছে হাসিয়াছে কিছুটা,
অনাহারি পাগল হয়ে ঘুরিয়াছি তোদেরই পিছুটা, 
শত নির্যাতন সহিয়াছি দুমুঠো খাবারেরও লাগি, 
তবে লাথি গালি ঘুসি কিল সবেরই আমি ভাগী। 
নিরব হয়ে নিরবতায় ভীষণ ডুবিয়েছি জীবন মোর,
নিরবতার আড়ালে সরব প্রতিবাদ করিব বার বার,
সভ্য সমাজের অসভ্য জীব তোরাই নিলি এ জীবন,
তব শিক্ষার চেয়ে মুর্খতায় আমি ডুবিব হাজার বার।
হাসিব না আর কাঁদিব না,  চাহিব না কোন কিছুই,
একবুক অভিমান লইয়া আকাশের নিয়েছি পিছু,
বাঁচিয়া থাকুক শিক্ষিত এ ঘুনে ধরা সমাজ খানি,
ভুলিয়া যাইবে সবাই মোরে জানি সবই জানি!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260577/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 07:00:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিরবতার আড়ালে সরবতা! </p>
<p>   মো: শাহ জালাল </p>
<p>আজি গাহিতে গিয়েও পারিলাম না গাহিতে<br />
কন্ঠে মোর বিষাদের সুর, না পারি সহিতে<br />
ধরনীর বুকে নির্দয়া পদচারণ,<br />
অত্যাচারিত আমি নির্যাতিত  দুমুঠো অন্ন চাহিতে।  বিশ্ব বিধাতার করুনা মুগ্ধতা ছড়িয়েছিল হৃদয়ে,<br />
রবির কিরণ অবগাহন করিয়াছি প্রয়োজন হইলেই,<br />
বৃষ্টির বারিধারায় সিক্ত করিয়াছিনু তপ্ত তনু খানি,<br />
কেন মোর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260577"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260577/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a3d6fc6b2e9367fc883b96d0eb919c0e</guid>
				<title>Mohona Meghna changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260573/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 06:39:16 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e238b574380cf579e7298e4b78d1a21b</guid>
				<title>অভিমান তো দূরের কথা 
হয় তো রক্তক্ষরণ....
চক্ষুস্ফুটে ভাসে যখন 
তোমার ঐ দু&#039;নয়ন।

~ মেঘনা মোহনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260572/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 06:36:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অভিমান তো দূরের কথা<br />
হয় তো রক্তক্ষরণ&#8230;.<br />
চক্ষুস্ফুটে ভাসে যখন<br />
তোমার ঐ দু&#8217;নয়ন।</p>
<p>~ মেঘনা মোহনা </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">06491583e7fd7c0eedf0f61e417e8205</guid>
				<title>&quot;আমি তাহিন&quot;
তাহিন ভুঁইয়া ছায়াপথিক 
নামটা শুনছো? *তাহিন* আমি,  
ভিড়ে মিশি না, আলাদা দামি।  
চোখে চোখ রেখে কথা বলি,  
মাথা নোয়ানোর অভ্যাস নাই।

পড়ে গেছি বারবার, তবু থামি নাই,  
কষ্ট আমাকে ভাঙছে, কিন্তু ঝাঁঝ বাড়াইছে।  
ভালোবাসা চাই, দয়া চাই না,  
সম্মান দিলে *রানী*, নইলে কেউ না।

পেছনে ছুরি মারো? মারো,  
সামনে দাঁড়ানোর কলিজা আছে তো?  
*তাহিন* একবার যেটা বলে, সেটাই করে,  
ওয়াদা ভাঙা আমার রক্তে নাই।

আমি ঝড়, আমি আগুন, আমি নিজের *সাম্রাজ্ঞী*,  
তোমার নিয়মে আমি চলি না।  
*তাহিন* নামটা মনে রেখো,  
কারণ একবার জ্বললে নেভা সহজ না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260555/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 05:21:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>
&#8220;আমি তাহিন&#8221;<br />
তাহিন ভুঁইয়া ছায়াপথিক<br />
নামটা শুনছো? *তাহিন* আমি,<br />
ভিড়ে মিশি না, আলাদা দামি।<br />
চোখে চোখ রেখে কথা বলি,<br />
মাথা নোয়ানোর অভ্যাস নাই।</p>
<p>পড়ে গেছি বারবার, তবু থামি নাই,<br />
কষ্ট আমাকে ভাঙছে, কিন্তু ঝাঁঝ বাড়াইছে।<br />
ভালোবাসা চাই, দয়া চাই না,<br />
সম্মান দিলে *রানী*, নইলে কেউ না।</p>
<p>পেছনে ছুরি মারো? মারো,<br />
সামনে দাঁড়ানোর কলিজা আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260555"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260555/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4209c04f580c389314645e0e2da83122</guid>
				<title>২৭৫২.
জীবন।

সুখ দুঃখেরই জীবন পাড়ে,
সুখ কতটুক থাকে রে?
দশমাস দশদিন থাকা বন্ধি
জীবন ধরা মায়ের উদরে।

পৃথিবীতে রাখা পা কান্না ধরে,
শিশু কিশোর যায় সেতো যে
পিতা মাতার লালনে
দেখি যৌবননেতে,জীবন ঘানি
আপন ঘারে থাকে রে।
প্রান্ত বেলায় হলে বৃদ্ধ-
রোগ শোক যাতনা কতো রে।

গেলে ফুরিয়ে জীবন আয়ু
হয় যেতে কাঁদিয়ে- সবারে-
মিছেই শুধু মায়ার জীবন,
দেখি,এই পৃথিবীর পাড়ে রে।
মরন পরে আরেক জীবন-
কেউ কি তা আর জানে রে।
&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;
মোঃআলেফ শরীফ,
২৭৫২.২৫.০৭.২৫ইং,ঢাকা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260554/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 04:17:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>২৭৫২.<br />
জীবন।</p>
<p>সুখ দুঃখেরই জীবন পাড়ে,<br />
সুখ কতটুক থাকে রে?<br />
দশমাস দশদিন থাকা বন্ধি<br />
জীবন ধরা মায়ের উদরে।</p>
<p>পৃথিবীতে রাখা পা কান্না ধরে,<br />
শিশু কিশোর যায় সেতো যে<br />
পিতা মাতার লালনে<br />
দেখি যৌবননেতে,জীবন ঘানি<br />
আপন ঘারে থাকে রে।<br />
প্রান্ত বেলায় হলে বৃদ্ধ-<br />
রোগ শোক যাতনা কতো রে।</p>
<p>গেলে ফুরিয়ে জীবন আয়ু<br />
হয় যেতে কাঁদিয়ে- সবারে-<br />
মিছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260554"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260554/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e417c4764d06976c52e20d2709402db4</guid>
				<title>২৭৫৩.
স্বার্থ।

কেমন স্বার্থ ধরাইছো প্রভু
তুমি,মানুষেরই অন্তরে,
বিনাশ করে -যা মানুষত্ব-
হয় হৃদয় খানি তার পাথুরে।

যার আছে সে চায়গো বেশি
না থাকে শান্তি অন্তরে,
বাহিরটা তার জাঁকজমক পূর্ণ-
ভিতরটা তার জ্বালারে।
ধনের মায়া বড় মায়া-
হয়,ছেড়ে যেতে তার কষ্টরে।

যার পকেটে নাই কপর্দক
দিন আনে সে,দিন গুজারে;
গাছতলাতেও ঘুমায় সে জন-
পালঙ্কে,
ধনিরা এপাশ ওপাশ করে।
ধনে ধনি হইলে কি সুখ?
যদি,ত&#x200d;্যাগেতে মন- না ধরে।
&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;
মোঃ আলেফ শরীফ,
২৭৫৩.২৭.০৬.২৫ইং,ঢাকা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260548/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 04:06:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>২৭৫৩.<br />
স্বার্থ।</p>
<p>কেমন স্বার্থ ধরাইছো প্রভু<br />
তুমি,মানুষেরই অন্তরে,<br />
বিনাশ করে -যা মানুষত্ব-<br />
হয় হৃদয় খানি তার পাথুরে।</p>
<p>যার আছে সে চায়গো বেশি<br />
না থাকে শান্তি অন্তরে,<br />
বাহিরটা তার জাঁকজমক পূর্ণ-<br />
ভিতরটা তার জ্বালারে।<br />
ধনের মায়া বড় মায়া-<br />
হয়,ছেড়ে যেতে তার কষ্টরে।</p>
<p>যার পকেটে নাই কপর্দক<br />
দিন আনে সে,দিন গুজারে;<br />
গাছতলাতেও ঘুমায় সে জন-<br />
পালঙ্কে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260548"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260548/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">06db88263cbfb0388cb4d5d3192b281b</guid>
				<title>২৭৫১.
পিছু ফিরে দেখা।

অস্ত বেলায় পিছু, পিছু 
ফিরে দেখা-
মনের গভিরে থাকে ক্ষতে
কতো ছবি আকা,
যায় কি কখনো তারে
ভুলে থাকা?

স্মৃতির পাতায় রেখে মন-
চোঁখের জলে কতো 
জোৎস্না,ভিজিয়ে রাখা;
পাতা ঝরা চৈত্র অসময়ে
ফুল ফাগুনে দেখা।
এ ভাবেই নীশী জাগা,
রয় কি সেথা শুধু দুঃখ ব&#x200d;্যাথা,
নাকি- ভাবাতেও সুখ- সেথা।

সুখ বলে পৃথিবীতে আছে 
কিছু কি?যায় কি বুঝা?
দুঃখের সাগরে যদি- কারো
না হয়,জাবর কাটা।
&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;
মোঃ আলেফ শরীফ,
২৭৫১.২৪.০৬.২৫ইং,ঢাকা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260547/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 03:58:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>২৭৫১.<br />
পিছু ফিরে দেখা।</p>
<p>অস্ত বেলায় পিছু, পিছু<br />
ফিরে দেখা-<br />
মনের গভিরে থাকে ক্ষতে<br />
কতো ছবি আকা,<br />
যায় কি কখনো তারে<br />
ভুলে থাকা?</p>
<p>স্মৃতির পাতায় রেখে মন-<br />
চোঁখের জলে কতো<br />
জোৎস্না,ভিজিয়ে রাখা;<br />
পাতা ঝরা চৈত্র অসময়ে<br />
ফুল ফাগুনে দেখা।<br />
এ ভাবেই নীশী জাগা,<br />
রয় কি সেথা শুধু দুঃখ ব&#x200d;্যাথা,<br />
নাকি- ভাবাতেও সুখ- সেথা।</p>
<p>সুখ বলে পৃথিবীতে আছে<br />
কিছু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260547"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260547/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">839b6c54a27f17ab58c8efcd36fffa60</guid>
				<title>সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ) 

অধ্যায়–আট
ভোরের প্রথম আলো ফুটতেই লারসেন র&#x200d;্যাঞ্চের চারপাশের বিশাল প্রেইরিটা ধীরে ধীরে জেগে উঠতে শুরু করল। রাতের শিশিরে ভেজা ঘাসের ডগায় সূর্যের আলো পড়ে অসংখ্য কাচের টুকরোর মতো ঝিকমিক করছে। দূরের টিলাগুলো নীলচে কুয়াশার আড়ালে আধো দেখা যাচ্ছে। কোথাও একটা কোয়েল ডেকে উঠল, তারপর আবার চারদিকে নেমে এল গভীর নিস্তব্ধতা। সেই নীরবতা ভাঙল আস্তাবলের ভেতর থেকে ভেসে আসা ঘোড়ার হ্রেষাধ্বনি আর লোহার নালের ঠকঠক শব্দে। র&#x200d;্যাঞ্চের আর সব সকালের মতোই কাজ শুরু হয়েছে, কিন্তু আজকের বাতাসে এমন একটা অদৃশ্য টান লেগে আছে, যা এখানে বহুদিনের মানুষরাও স্পষ্ট অনুভব করতে পারছে।

ইলাই রান্নাঘরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে গরম কফির মগগুলো একে একে কাঠের ট্রের ওপর সাজিয়ে রাখছিল। আগুনে সেঁকা ভুট্টার রুটি আর শুকনো মাংসের গন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু আজ কেউ ধীরে সুস্থে নাশতা খাওয়ার মেজাজে নেই। উঠোনের মাঝখানে ওলফ লারসেন দাঁড়িয়ে নিজের ঘোড়ার জিন আর লাগাম শেষবারের মতো পরীক্ষা করছিল। গত সন্ধ্যায় ব্ল্যাক রিভারের ডেপুটি মার্শাল এসে যে খবর দিয়ে গেছে, সেটার পর থেকে সে খুব কম কথাই বলেছে। এলি ব্রুকসের মতো মানুষ অকারণে কাউকে ডেকে পাঠায় না। তার মানে শহরে এমন কিছু ঘটেছে, যার সঙ্গে লারসেনের সম্পর্ক থাকা অস্বাভাবিক নয়।

মারদেকা ঘর থেকে বেরিয়ে বারান্দায় এসে দাঁড়াল। কয়েক মাসের মধ্যে এই দৃশ্য তার কাছে অনেকটাই পরিচিত হয়ে গেছে। ভোরবেলা কাউবয়দের প্রস্তুতি, ঘোড়ার পিঠে জিন তোলা, পানির চামড়ার থলি বেঁধে নেওয়া, উইনচেস্টার কাঁধে তুলে নেওয়া, এসব এখন আর তাকে আগের মতো বিস্মিত করে না। তবু আজ সে বুঝতে পারছিল, কিছু একটা আলাদা। বাড হিগিন্সের মুখে সেই সহজ হাসিটা নেই। ক্লে মরগান অস্বাভাবিকভাবে চুপচাপ। মিগুয়েলও বারবার পশ্চিম দিকের রাস্তার দিকে তাকাচ্ছে।

লারসেন নাশতা শেষ করে ধীরে ধীরে সবার দিকে তাকাল। তারপর বলল, &quot;আমি শহরে যাচ্ছি। ফিরে আসতে বিকেলও হতে পারে।&quot;

ক্লে সংক্ষেপে মাথা নেড়ে বলল, &quot;র&#x200d;্যাঞ্চের দায়িত্ব নিয়ে ভাববেন না।&quot;

লারসেন কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে আবার বলল, &quot;আমি না ফেরা পর্যন্ত কেউ অকারণে র&#x200d;্যাঞ্চের সীমানার বাইরে যাবে না।&quot;

বাড মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। কয়েকদিন আগেও কথাটা হয়তো বাড়াবাড়ি মনে হতো। কিন্তু রাতের টিলায় দেখা সেই অচেনা দুই ঘোড়সওয়ারের পর আর কেউ এটাকে অযথা সতর্কতা বলে ভাবছে না।

মারদেকা নিঃশব্দে সব শুনছিল। কথার অর্ধেকও সে বুঝতে পারে না, কিন্তু মানুষের মুখ পড়তে সে শিখে গেছে। ওলফ লারসেনের চোখের স্থিরতা, বাডের গম্ভীর মুখ, ক্লের সংক্ষিপ্ত উত্তর, সব মিলিয়ে সে বুঝতে পারল, আজকের যাত্রা সাধারণ কোনো শহর সফর নয়।

লারসেন ঘোড়ায় চড়ে বসতেই হঠাৎ তার চোখ মারদেকার ওপর গিয়ে থামল। কয়েক মুহূর্ত ছেলেটার দিকে তাকিয়ে থেকে সে হাতের ইশারায় কাছে ডাকল। মারদেকা এগিয়ে এলো।

লারসেন শান্ত গলায় বলল, &quot;আজ তুমি র&#x200d;্যাঞ্চেই থাকবে।&quot;

মারদেকা এক মুহূর্তের জন্য স্থির হয়ে রইল। কয়েক মাস আগে লারসেন তাকে ব্ল্যাক রিভার শহর ঘুরিয়ে দেখিয়েছিল। সেই দিনের প্রতিটি দৃশ্য এখনো তার মনে উজ্জ্বল। সে ভেবেছিল, হয়তো আবার শহরে যাওয়ার সুযোগ হবে। কিন্তু লারসেনের চোখে তাকিয়ে সে বুঝে গেল, আজকের যাত্রা অন্যরকম। এতে কৌতূহলের জায়গা নেই, আছে দায়িত্ব। সে ধীরে ধীরে মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল।

বাড এগিয়ে এসে তার কাঁধে আলতো চাপড় দিল। তারপর বলল, &quot;আজ আমার সঙ্গে থাকবে।&quot;

এই কথাটা মারদেকা পুরোপুরি না বুঝলেও বাডের হাতের স্পর্শ বুঝল। সে জানে, র&#x200d;্যাঞ্চে থেকে গেলেও অলস বসে থাকতে হবে না। নতুন কিছু শেখার সুযোগ নিশ্চয়ই অপেক্ষা করছে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই ওলফ লারসেন একাই র&#x200d;্যাঞ্চের ফটক পেরিয়ে শহরের রাস্তার দিকে অদৃশ্য হয়ে গেল। সকালের সূর্য তখন ধীরে ধীরে ওপরে উঠছে। ধুলোমাখা পথের ওপর ঘোড়ার খুরের দাগ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। মারদেকা অনেকক্ষণ সেই পথের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর ধীরে ধীরে ফিরে বাডের পাশে এসে দাঁড়াল।

বাড কিছু না বলে আস্তাবলের দিকে হাঁটতে শুরু করল। মারদেকাও তার পেছন পেছন চলল। র&#x200d;্যাঞ্চের ভেতরে আরেকটি কর্মব্যস্ত দিনের শুরু হলো, কিন্তু সেই সময় ব্ল্যাক রিভারের দিকে এগিয়ে চলা একাকী ঘোড়সওয়ার জানত না, কয়েক ঘণ্টা পরে মার্শাল এলি ব্রুকস যে খবর তাকে জানাবে, সেটাই তাদের সবার জীবনকে ধীরে ধীরে এমন এক পথে ঠেলে দেবে, যেখান থেকে আর কোনো কিছুই আগের মতো থাকবে না।

সকালের রোদ একটু একটু করে তীব্র হয়ে উঠছিল। ওলফ লারসেনের ঘোড়ার খুরের শব্দ অনেক আগেই দূরে মিলিয়ে গেছে। র&#x200d;্যাঞ্চের উঠোন আবার ধীরে ধীরে নিজের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে এসেছে। গরুর পাল চারণভূমির দিকে বেরিয়ে গেছে, আস্তাবলে নতুন ঘোড়াগুলোর পরিচর্যা চলছে, কোথাও হাতুড়ির শব্দ, কোথাও করাতের ঘষা, কোথাও আবার শুকনো ঘাসের গাদায় লোকজন ব্যস্ত। বাইরে থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই, এই র&#x200d;্যাঞ্চের ওপর অদৃশ্য একটা আশঙ্কার ছায়া নেমে এসেছে। কিন্তু যারা এখানে বহু বছর ধরে কাজ করছে, তারা প্রত্যেকেই জানে, আজকের দিনের প্রতিটি মুহূর্ত অন্য দিনের চেয়ে একটু বেশি সতর্ক হয়ে কাটাতে হবে।

বাড হিগিন্স মারদেকাকে নিয়ে আস্তাবলের পেছনের খোলা জায়গায় গেল। সেখানে কয়েকটা কাঠের খুঁটি পুঁতে গোল একটা ঘেরা জায়গা তৈরি করা হয়েছে। নতুন ঘোড়াকে মানুষে অভ্যস্ত করার জন্য মাঝেমধ্যেই জায়গাটা ব্যবহার করা হয়। আজ সেখানে দাঁড়িয়ে আছে বছর তিনেক বয়সী একটা বাদামি ঘোড়া। প্রাণীটা পুরোপুরি বুনো নয়, আবার পুরোপুরি শান্তও নয়। মানুষের উপস্থিতি সে মেনে নেয়, কিন্তু হঠাৎ শব্দ শুনলেই কান খাড়া করে ওঠে, অস্থিরভাবে পা বদলায়।

বাড কিছুক্ষণ ঘোড়াটার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর মারদেকার দিকে ফিরে হাতের ইশারায় বোঝাল, আজ কোনো কাজ জোর করে করা যাবে না। ধৈর্য ধরতে হবে। এতদিন সে মারদেকাকে ঘোড়ার পরিচর্যা, জিন বাঁধা, লাগাম পরানো শিখিয়েছে। আজ শেখাবে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, প্রাণীর বিশ্বাস অর্জন করতে হলে নিজের অস্থিরতা আগে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

মারদেকা ধীরে ধীরে ঘেরাটার ভেতরে ঢুকল। সে কোনো তাড়াহুড়ো করল না। কয়েক হাত দূরে দাঁড়িয়ে শুধু ঘোড়াটার দিকে তাকিয়ে রইল। প্রাণীটাও তার দিকে তাকিয়ে আছে। দুজনের মাঝখানে নিঃশব্দ এক ধরনের বোঝাপড়া তৈরি হতে লাগল। কয়েক মুহূর্ত পর মারদেকা খুব আস্তে এক পা এগোল। ঘোড়াটা মাথা তুলে বাতাস শুঁকল, তারপর আবার স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। আরও কিছুক্ষণ পর সে নিজের হাতটা ধীরে ধীরে সামনে বাড়িয়ে দিল। এবারও কোনো ভয় দেখাল না প্রাণীটা। শুধু গলা একটু নামিয়ে ছেলেটার হাতের গন্ধ শুঁকে নিল।

বাড দূর থেকে সবকিছু দেখছিল। সে কোনো নির্দেশ দিচ্ছিল না। কারণ কিছু শিক্ষা মুখে বলে দেওয়া যায় না। নিজের অনুভূতি দিয়ে শিখতে হয়। কয়েক মাস আগে এই ছেলেটা মানুষের ভাষাই বুঝত না। এখন সে শুধু মানুষ নয়, প্রাণীর আচরণও মন দিয়ে পড়তে শিখছে। তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো, সে আগে দেখে, তারপর কাজ করে।

একসময় বাড ঘেরার ভেতরে ঢুকে মারদেকার হাতে একটা লম্বা দড়ি দিল। দড়ির অন্য প্রান্তে ছোট একটা চামড়ার ফাঁস বাঁধা। তবে সেটা ব্যবহার করার জন্য নয়, শুধু হাতে ধরে ঘোড়ার পাশে পাশাপাশি হাঁটার অনুশীলনের জন্য। সে ইশারায় বোঝাল, প্রাণীটাকে টেনে নেওয়া যাবে না। তাকে নিজের ইচ্ছায় সঙ্গে আসতে দিতে হবে।

মারদেকা ধীরে ধীরে হাঁটা শুরু করল। প্রথমে ঘোড়াটা দাঁড়িয়ে রইল। তারপর একবার মাথা নাড়িয়ে খুব ধীর গতিতে তার পেছনে হাঁটতে শুরু করল। দুজনের মাঝখানে দড়িটা ঢিলে হয়ে ঝুলে আছে। কোথাও কোনো টান নেই। বাডের ঠোঁটের কোণে অল্প হাসি ফুটে উঠল। ঠিক এভাবেই একজন ভালো অশ্বারোহী তৈরি হয়। শক্তি দিয়ে নয়, ধৈর্য দিয়ে।

দুপুরের দিকে কাজ শেষ হলে ইলাই বারান্দায় বসে মারদেকার জন্য অপেক্ষা করছিল। আজ পড়াশোনার সময় সে নতুন কোনো অক্ষর শেখাল না। বরং এতদিনে শেখা শব্দগুলো দিয়েই ছোট ছোট বাক্য গঠন করতে শুরু করল। মারদেকা কষ্ট করে শব্দগুলো উচ্চারণ করছিল। অনেক জায়গায় ভুল হচ্ছিল, কিন্তু আগের মতো থেমে যাচ্ছিল না। ভুল বুঝতে পারলেই আবার শুরু করছিল। ইলাই সন্তুষ্ট মনে তাকিয়ে রইল। সে বুঝতে পারছিল, ভাষা আর কাজ, দুটোই ধীরে ধীরে একসঙ্গে এগোচ্ছে।

এদিকে সকালের রোদের তীব্রতা হামাগুড়ি দিয়ে খড়দাহে ধাবিত হতে না হতেই ব্ল্যাক রিভারের প্রধান সড়কে ওলফ লারসেনের ঘোড়া ধীরে ধীরে ঢুকে পড়ল। কয়েক মাস আগেও এই রাস্তা দিয়ে সে মারদেকাকে শহর দেখিয়েছিল। আজ তার চোখে সেই শহরের কোনো দৃশ্যই ধরা পড়ছে না। সে সরাসরি মার্শাল এলি ব্রুকসের অফিসের সামনে এসে ঘোড়া থামাল। কাঠের বারান্দায় বাঁধা দোলনা চেয়ারটা খালি। দরজার পাশে দাঁড়িয়ে আছে সেই ডেপুটি মার্শাল, যে আগের দিন র&#x200d;্যাঞ্চে গিয়েছিল। লারসেনকে দেখেই সে দরজা খুলে সরে দাঁড়াল।

ভেতরে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে এলি ব্রুকস যেন অনেকক্ষণ ধরেই এই মুহূর্তটার অপেক্ষা করছিল। ওলফ লারসেন ঘরে ঢুকতেই সে দরজার দিকে একবার তাকাল। বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ডেপুটি মার্শাল দরজাটা আস্তে করে টেনে বন্ধ করে দিল। ঘরের ভেতর নেমে এল এক ধরনের ভারী নীরবতা। দূরে প্রধান রাস্তা থেকে ভেসে আসছে ঘোড়ার খুরের ছন্দময় শব্দ, মাঝে মাঝে লোহার কারখানার হাতুড়ির টংটাং আওয়াজ। কিন্তু সেই সব শব্দ যেন এই ছোট্ট অফিসঘরের ভেতরে ঢুকতে পারছে না।

এলি নিজের টেবিলের সামনে এসে দাঁড়িয়ে কয়েক সেকেন্ড ওলফ লারসেনের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর খুব ধীরে বলল, &quot;তোমাকে ডাকার কারণটা সহজ নয়।&quot;

লারসেন টুপিটা খুলে টেবিলের ওপর রাখল। তার মুখে কোনো উদ্বেগের ছাপ নেই, কিন্তু বহু বছরের অভিজ্ঞতায় সে বুঝে গেছে, এলি ব্রুকস কথাটা শুরু করার আগে নিজের ভাষা বেছে নিচ্ছে। সে শান্ত গলায় বলল, &quot;শুনছি।&quot;

এলি টেবিলের ড্রয়ার খুলে ভেতর থেকে একটা ছোট কাপড়ের থলে বের করল। থলেটা খুলতেই কয়েকটা পিতলের খালি কার্তুজ টেবিলের ওপর গড়িয়ে পড়ল। প্রথম দেখায় এগুলো সাধারণ কার্তুজের খোসা বলেই মনে হয়। কিন্তু লারসেন একটা হাতে তুলে নিয়ে চোখের সামনে ধরতেই তার দৃষ্টি বদলে গেল। প্রতিটি খোসার তলায় একই নির্মাতার ছাপ। ব্ল্যাক রিভারের আশেপাশে এই ধরনের গোলাবারুদ খুব কম মানুষ ব্যবহার করে।

এলি বলল, &quot;গত তিন সপ্তাহে শহরের বাইরে তিনটা আলাদা জায়গা থেকে এগুলো পেয়েছি।&quot;

লারসেন কোনো মন্তব্য করল না।

এলি আবার বলল, &quot;প্রথমে ভেবেছিলাম কয়েকজন শিকারি এসেছে। কিন্তু পরে বুঝলাম, তারা শিকার করতে আসেনি। তারা জায়গা দেখছিল।&quot;

লারসেন কার্তুজটা টেবিলে নামিয়ে রাখল। &quot;কোন দিক?&quot;

এলি এবার দেয়ালে ঝোলানো একটা বড় মানচিত্রের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। সেখানে ব্ল্যাক রিভার, আশপাশের খামার, নদী, পাহাড় আর র&#x200d;্যাঞ্চগুলোর অবস্থান চিহ্নিত করা আছে। সে একে একে তিনটি জায়গায় আঙুল রাখল। তিনটিই শহরের বাইরে। তিনটিই এমন উঁচু জায়গা, যেখান থেকে দূর পর্যন্ত নজর রাখা যায়।

লারসেন কয়েক মুহূর্ত মানচিত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর ধীরে ধীরে বলল, &quot;তিনটা জায়গা মিলে একটা বৃত্ত তৈরি করছে।&quot;

এলি মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। &quot;আর সেই বৃত্তের মাঝখানে কী আছে, সেটা তুমি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছ।&quot;

লারসেন উত্তর দিল না। তার প্রয়োজনও ছিল না। মানচিত্রে সেই কাল্পনিক বৃত্তের মাঝামাঝি জায়গাতেই বিস্তৃত লারসেন র&#x200d;্যাঞ্চ।

ঘরের ভেতর আবার নীরবতা নেমে এল। বাইরে রাস্তা দিয়ে একটা ঘোড়ার গাড়ি চলে গেল। চাকার শব্দ কয়েক মুহূর্ত শোনা গেল, তারপর মিলিয়ে গেল দূরে।

এলি এবার নিচু স্বরে বলল, &quot;আমি এখনও নিশ্চিত নই তারা কারা। কিন্তু তারা ধৈর্য ধরে কাজ করছে। তারা তাড়াহুড়ো করছে না। আগে জায়গা দেখছে, মানুষের অভ্যাস বুঝছে, তারপর সিদ্ধান্ত নেবে।&quot;

লারসেন জানালার দিকে তাকাল। শহরের সাধারণ মানুষ তাদের প্রতিদিনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। কেউ জানেই না, এই ছোট্ট অফিসঘরের ভেতরে এমন একটা আলোচনা চলছে, যার ফল পুরো অঞ্চলকে বদলে দিতে পারে।

সে ধীরে ধীরে বলল, &quot;তুমি আমাকে শুধু সাবধান করার জন্য ডাকোনি।&quot;

এলি মৃদু হেসে মাথা নাড়ল। &quot;না। আমি সাহায্য চাইতে ডেকেছি।&quot;

লারসেন এবার পুরো মনোযোগ দিয়ে তার দিকে তাকাল।

এলি বলল, &quot;শহরের ভেতর আমি নজর রাখতে পারি। আমার ডেপুটি আছে। খবর আনার লোক আছে। কিন্তু শহরের বাইরে আমার চোখ কম। তোমার লোকজন প্রতিদিন প্রেইরি, পাহাড় আর নদীর ধার ঘুরে বেড়ায়। তারা এমন অনেক কিছু দেখতে পারে, যা আমার লোকদের চোখে পড়বে না।&quot;

লারসেন কিছুক্ষণ চিন্তা করল। তারপর বলল, &quot;আমার লোকেরা কাউবয়, আইনরক্ষী নয়।&quot;

&quot;জানি,&quot; এলি শান্ত গলায় বলল। &quot;তাদের কাউকে বন্দুক হাতে কাউকে তাড়া করতে বলছি না। শুধু অস্বাভাবিক কিছু দেখলে আমাকে জানাবে। সেটাই যথেষ্ট।&quot;

এটা যুক্তিসঙ্গত অনুরোধ। বহু বছর ধরে সে নিজের র&#x200d;্যাঞ্চ রক্ষা করেছে। কিন্তু এখন ব্যাপারটা শুধু তার জমির নয়। কেউ যদি এই অঞ্চলে সংগঠিতভাবে ঘাঁটি গেড়ে বসতে শুরু করে, তাহলে একদিন না একদিন ব্ল্যাক রিভারের প্রত্যেকটি পরিবার তার প্রভাব অনুভব করবে। লারসেন ধীরে ধীরে মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। &quot;আজ থেকেই ব্যবস্থা করব।&quot;

ঠিক তখনই দরজায় তিনবার মৃদু কড়া নাড়ার শব্দ হলো।

এলি মুখ তুলে বলল, &quot;ভেতরে আসো।&quot;

দরজা খুলে সেই ডেপুটি মার্শাল ভেতরে ঢুকল, যে কিছুক্ষণ আগে লারসেনকে অফিসে ঢুকিয়ে বাইরে পাহারায় দাঁড়িয়ে ছিল। সে টুপিটা হাতে নিয়ে সম্মান জানিয়ে বলল, &quot;মার্শাল, পশ্চিমের ফেরিঘাট থেকে একজন টহলদার এসেছে। বলছে জরুরি খবর আছে।&quot;

এলি আর লারসেন একে অপরের দিকে তাকাল। এলি শান্ত স্বরে বলল, &quot;ওকে ভেতরে পাঠাও।&quot;

ডেপুটি আবার বাইরে বেরিয়ে গেল। কয়েক মুহূর্তের নীরবতার মধ্যে লারসেনের দৃষ্টি ধীরে ধীরে দরজার দিকে স্থির হয়ে রইল। তার বহু বছরের অভিজ্ঞতা বলছিল, এই দরজা দিয়ে যে মানুষটা এখন ঢুকবে, তার মুখে হয়তো এমন একটি খবর থাকবে, যা ব্ল্যাক রিভারের ওপর ঝুলে থাকা অদৃশ্য ছায়াটাকে আরও স্পষ্ট করে তুলবে।

ডেপুটি মার্শাল বেরিয়ে যাওয়ার পর অফিসঘরের ভেতর আবার কয়েক মুহূর্তের জন্য নিস্তব্ধতা নেমে এল। বাইরে দুপুরমুখী কড়া রোদ এখন কাঠের বারান্দার অর্ধেকটা জুড়ে পড়েছে। রাস্তার ধুলোয় দু একটি ঘোড়ার গাড়ি ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে, দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে লোকজন নিজেদের কাজে ব্যস্ত। শহরের স্বাভাবিক জীবন চলছেই, অথচ এই ছোট্ট অফিসঘরের ভেতরে এমন এক আলোচনার সূচনা হয়েছে, যার খবর ব্ল্যাক রিভারের আর কেউ জানে না।

কয়েক সেকেন্ড পর দরজাটা আবার খুলল। ডেপুটি মার্শাল ভেতরে ঢুকল না। সে কেবল দরজার পাশে সরে দাঁড়াল। তার পেছন দিয়ে ধুলোয় মাখামাখি পোশাক পরা একজন মধ্যবয়সী লোক ভেতরে এল। রোদে পুড়ে তার মুখ তামাটে হয়ে গেছে। বুটজোড়া ধুলোর আস্তরণে ঢাকা। কোমরে কোনো বন্দুক নেই। কাঁধে চামড়ার পানির থলি। দীর্ঘ পথ একটানা অতিক্রম করার ক্লান্তি তার চোখেমুখে স্পষ্ট। লোকটা টুপি খুলে সম্মান জানাল।

এলি ব্রুকস শান্ত গলায় বলল, &quot;বসো।&quot;

লোকটা মাথা নেড়ে বলল, &quot;সময় নেই, মার্শাল। ঘোড়াটাও প্রায় ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা। খবরটা দিয়েই আবার ফিরতে হবে।&quot;

এলি আর লারসেন দুজনেই মনোযোগ দিয়ে তার দিকে তাকাল।

লোকটা গলা ভিজিয়ে ধীরে ধীরে বলল, &quot;আজ ভোরে পশ্চিমের ফেরিঘাটের ওপারে চারজন অচেনা ঘোড়সওয়ারকে দেখেছি। নদী পার হয়ে এপারে এসেছে। ফেরিঘাটে তারা বেশিক্ষণ দাঁড়ায়নি। কারও সঙ্গে কথাও বলেনি।&quot;

এলি জিজ্ঞেস করল, &quot;শহরের দিকে এসেছিল?&quot;

&quot;না।&quot;

&quot;তাহলে?&quot;

লোকটা উত্তর দিল, &quot;নদীর ধার ধরে উত্তর-পশ্চিমের পুরোনো পথ ধরে চলে গেছে। যে পথ দিয়ে সাধারণ মানুষ খুব কমই যাতায়াত করে।&quot;

লারসেনের চোখ সরু হয়ে এল। &quot;তুমি নিশ্চিত?&quot;

লোকটা দৃঢ়ভাবে মাথা নাড়ল। &quot;আমি তাদের যথেষ্ট দূর থেকে অনুসরণ করেছি। তারা বারবার পেছনে তাকাচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, কেউ অনুসরণ করছে কি না, সেটা যাচাই করছে। পরে আর ঝুঁকি নিইনি।&quot;

এলি কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে জিজ্ঞেস করল, &quot;চেহারা চিনতে পেরেছ?&quot;

লোকটা মাথা নেড়ে বলল, &quot;না। সবাই টুপির কিনারা নিচু করে রেখেছিল। দুজনের মুখে দাড়ি ছিল। একজনের ডান গালে পুরোনো কাটা দাগ দেখেছি। আর একটা জিনিস মনে আছে।&quot;

&quot;কী?&quot;

&quot;চারজনের ঘোড়াই খুব ভালো মানের। পথের ডাকাতদের ঘোড়া এমন হয় না। আর তাদের জিনিসপত্রও সস্তা নয়।&quot;

ঘরের ভেতর আবার নীরবতা নেমে এল। ওলফ লারসেন ধীরে ধীরে জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়াল। বাইরে তাকিয়ে সে যেন নিজের মনেই হিসাব কষছিল। সাধারণ ডাকাত হলে শহরে ঢুকত। সরাইখানায় খেত, মদের দোকানে যেত, কারও সঙ্গে ঝগড়া করত। কিন্তু এরা সেসব কিছুই করছে না। তারা শহরকে এড়িয়ে চলছে। তার মানে তাদের লক্ষ্য অন্য কোথাও।

এলি নিচু গলায় বলল, &quot;আমি লোক পাঠাতে পারি। কিন্তু তারা এখন কোথায় আছে, সেটা কেউ জানে না।&quot;

লারসেন জানালা থেকে চোখ না সরিয়েই বলল, &quot;লোক পাঠিয়ো না।&quot;

এলি বিস্মিত হয়ে তার দিকে তাকাল। &quot;কেন?&quot;

&quot;কারণ তারা এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে না। তারা অপেক্ষা করছে। তুমি যদি এখন লোক পাঠাও, তারা অদৃশ্য হয়ে যাবে। তারপর মাসের পর মাস আর কোনো চিহ্ন পাওয়া যাবে না।&quot;

এলি কিছুক্ষণ ভেবে ধীরে ধীরে মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। সে জানে, প্রেইরির জীবন সম্পর্কে ওলফ লারসেনের অভিজ্ঞতা তার চেয়ে অনেক বেশি।

লারসেন এবার ফিরে দাঁড়াল। &quot;আমার লোকেরা নজর রাখবে। তবে তারা কাউকে অনুসরণ করবে না। শুধু দেখবে, মনে রাখবে, আর খবর দেবে।&quot;

এলি বলল, &quot;আমিও শহরের ভেতরে খোঁজ চালিয়ে যাব। এরা যদি কোনো ভুল করে, আমরা সেটা ধরব।&quot;

টহলদার লোকটা টুপিটা আবার মাথায় পরে নিল। সে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ঘুরতেই এলি তাকে থামাল।

&quot;ফেরিঘাটে ফিরে যাও। কিন্তু কাউকে কিছু বলবে না। মানুষ অকারণে ভয় পেলে আমাদের কাজ আরও কঠিন হবে।&quot;

লোকটা সংক্ষিপ্তভাবে মাথা ঝুঁকিয়ে বেরিয়ে গেল। ডেপুটি মার্শাল আবার দরজা টেনে বন্ধ করে বাইরে নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে রইল।

ঘরের ভেতরে ওলফ লারসেন আর এলি ব্রুকস আর কোনো কথা বলল না। তাদের দুজনেরই মনে একই প্রশ্ন ঘুরছিল। চারজন অচেনা ঘোড়সওয়ার কি শুধু পথ যাচাই করছে, নাকি এর পেছনে আরও বড় কোনো দল রয়েছে?

ঠিক সেই সময়, বহু মাইল দূরে লারসেন র&#x200d;্যাঞ্চে মারদেকা আস্তাবলের সামনে দাঁড়িয়ে একে একে ঘোড়াগুলোর শরীরে ব্রাশ চালাচ্ছিল। দিনের আলো ধীরে ধীরে প্রখর হয়ে দুপুরের কোলে আছড়ে পড়ার পায়তারা করছিল। সে জানে না, এই মুহূর্তে ব্ল্যাক রিভারে তার ভবিষ্যৎকে ঘিরে প্রথম সত্যিকারের তদন্ত শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু ভাগ্য অদ্ভুতভাবে নিজের পথ তৈরি করে। অচেনা চারজন ঘোড়সওয়ার, একজন অভিজ্ঞ মার্শাল, একজন দূরদর্শী র&#x200d;্যাঞ্চ মালিক, আর প্রেইরির এক কিশোর ছেলেকে ঘিরে যে অদৃশ্য সুতো বোনা শুরু হয়েছে, খুব শিগগিরই সেই সুতোগুলো এক জায়গায় এসে মিলবে।
(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260546/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 03:39:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সীমানা পেরিয়ে<br />
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ) </p>
<p>অধ্যায়–আট<br />
ভোরের প্রথম আলো ফুটতেই লারসেন র&#x200d;্যাঞ্চের চারপাশের বিশাল প্রেইরিটা ধীরে ধীরে জেগে উঠতে শুরু করল। রাতের শিশিরে ভেজা ঘাসের ডগায় সূর্যের আলো পড়ে অসংখ্য কাচের টুকরোর মতো ঝিকমিক করছে। দূরের টিলাগুলো নীলচে কুয়াশার আড়ালে আধো দেখা যাচ্ছে। কোথাও একটা কোয়েল ডেকে উঠল, তারপর আবার চারদিকে নেমে এল গভীর নিস্তব্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260546"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260546/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cfa0d649e045629535b670969eb6f684</guid>
				<title>rifat humu and মোঃ ফাইজুল ইসলাম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260537/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 00:05:49 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dabf92058d4fff9db64396e78b4bac87</guid>
				<title>Poly Alam and মোঃ ফাইজুল ইসলাম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260536/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 00:05:48 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e500fa063ac43b7e7cbd5dc14afbe547</guid>
				<title>প্রশ্ন
------------------------
এক বিকেলে জানলা খুলে 
............................হঠাৎ
.................................দেখি
.............................তুই
একাই কাটল জীবন গোটা
আর 
কি 
হবে 
দুই
?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260524/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 22:15:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রশ্ন<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
এক বিকেলে জানলা খুলে<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.হঠাৎ<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;দেখি<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;..তুই<br />
একাই কাটল জীবন গোটা<br />
আর<br />
কি<br />
হবে<br />
দুই<br />
?</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f795d6c715d7a5b4532b6dc7a0bf15b9</guid>
				<title>প্রথম আহবান 
জাকের আদিত্য 

ক্রমশ  জমে আসা অন্ধকারে এই আমাদের  বৃষ্টি  বিলাস।
পদ্মাবতী  তুমি সম্রাজ্ঞীর মতো দাঁড়িয়ে  আছো।
জলা জংলার প্রকৃতিতে তখন ভীষণ  সর্বনাশের  আহবান।

আমি তোমার সামনে নিশ্চুপ  নত জানু বসে আছি।
তুমি তোমার প্রমত্ত যৌবনের গর্বে আমাকে দেখো।
একবার হেসে বলো,  বালক নাকি শ্রমণ কি বলে ডাকবো তোমায়? 
এদিকে বিস্তীর্ণ ভাঙা চোরা আকাশে  তখন বজ্র বিদ্যুৎ ধ্বনিত  হচ্ছে ইসরাফিল এর শিঙ্গার মতো, যেমন তোমার  চোখের অন্তরালে বজ্র  বিদ্যুৎ এর শাণিত চাহুনি।

আমি তোমার সামনে  এখনো নিশ্চুপ নতজানু। 

তারপর তুমি ঝুঁকে এসে বলো, বলো শ্রমণ কী চাও তুমি? 
_আমি শুধু তোমাকে দেখতে  চাই। তোমার  ভেতরের তোমাকে।

তবে পড়িয়ে  দাও আমাকে এই কাঁকন।
আমি নতজানু - পড়িয়ে দেই পদ্মাবতীর কাঁকন। 
উঠে দাঁড়াও- পদ্মাবতী  বলে আমায়।
পদ্মাবতী  তার একটি আংটি, আমার হাতে পড়িয়ে  দেয়।

শ্রমণ আজ থেকে তবে শুরু হোক তোমার  আমার মিতালি।

আমি পরাজিত-  নিশ্চুপ মেনে নেই।

ওদিকে বজ্র উন্মত্ত আকাশ আর সমস্ত  জলা জংলার চরাচরে কী যেন এক অপার্থিব সংকেত ইসরাফিলের শিঙ্গার ধ্বণিতে প্রবাহিত হয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260523/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 22:10:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রথম আহবান<br />
জাকের আদিত্য </p>
<p>ক্রমশ  জমে আসা অন্ধকারে এই আমাদের  বৃষ্টি  বিলাস।<br />
পদ্মাবতী  তুমি সম্রাজ্ঞীর মতো দাঁড়িয়ে  আছো।<br />
জলা জংলার প্রকৃতিতে তখন ভীষণ  সর্বনাশের  আহবান।</p>
<p>আমি তোমার সামনে নিশ্চুপ  নত জানু বসে আছি।<br />
তুমি তোমার প্রমত্ত যৌবনের গর্বে আমাকে দেখো।<br />
একবার হেসে বলো,  বালক নাকি শ্রমণ কি বলে ডাকবো তোমায়?<br />
এদিকে বিস্তীর্ণ ভাঙা চো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260523"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260523/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">12305dff7c04928031a23c231ae3c0fd</guid>
				<title>সময়ের ঘষা লেগে শিলালিপি যায় ক্ষয়ে ক্ষয়আমি একা বসে থাকি প্রেমিকের অপেক্ষা  হয়ে।

কি অদ্ভুত  না শহরের  অলিতে গলিতে কতো আলো কতো আওয়াজ। আবার কিছু শহরকে তো বলা হয় তা নাকি ঘুমায় না। অথচ এই যে এতো মানুষ  এতো শব্দ  এতো কোলাহল  সব কেমন ভিতরে ভিতরে নিরব লাগে তাই না। এই যে নিয়ন আলোর শহরের  আদিম বন্যতা আর সভ্যতার মাঝামাঝি যেই টানাপোড়েন তার নাম বোধহয়  একাকিত্ব। আপনি সবেতে আছেন ফেসবুকে সবুজ আলো জ্বলজ্বল  করছে। সেই মানুষটাও আছে  যার সঙ্গে  রাতের পর রাত আলাপ করে সকালের শহরের  ব্যাস্ততা শুরু হতো। শুধু আগের মতো কিচ্ছু নেই। শরীর  খারাপের সময়  যাকে ফোন করে বলতে ইচ্ছে হতো আজকাল সেসব ইচ্ছেকে ছেলেমানুষি  বলে উড়িয়ে  দেওয়া হয়। যারা না বলে কিছু করলে মনে হতো আমায় জানানো যেত অভিমান  হতো খুব সেসব এখন বিশ্রামে। আপনিও রাতের বেলায় অন্ধকারময়  গলিতে স্মৃতি হাতড়ে বেড়ান। অস্তিরতা ঢাকতে গ্যালারীর সবচেয়ে  সুন্দর  ছবিটি  প্রফাইল  দেন। নিজের পছন্দ না হওয়া সত্ত্বেও  যে গানগুলো এক সময়  চিৎকার মনে হতো সেসব  চিৎকার করেই গান। কারণে  অকারণে  মধ্যরাতে ইচ্ছে করে কেউ এসে বসুক পাশে। কেউ মাথায় হাত বুলিয়ে দিক। আদিব ধ্রবতারা মেঘে ঢাকা পরে যায় আর আপনার প্রেমিকের মতো অপেক্ষা একদিন শেষ  হোক কিন্তু আফসোস করেও এই অপেক্ষা শেষ হয়না অপেক্ষারা শুধু নাম বদলায় ধাম বদলায় বদলায় না শুধু আপনার মন। প্রেমিকের অপেক্ষা গাঢ় থেকে আরো গাঢ় হয় শুধু।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260515/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 20:41:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সময়ের ঘষা লেগে শিলালিপি যায় ক্ষয়ে ক্ষয়আমি একা বসে থাকি প্রেমিকের অপেক্ষা  হয়ে।</p>
<p>কি অদ্ভুত  না শহরের  অলিতে গলিতে কতো আলো কতো আওয়াজ। আবার কিছু শহরকে তো বলা হয় তা নাকি ঘুমায় না। অথচ এই যে এতো মানুষ  এতো শব্দ  এতো কোলাহল  সব কেমন ভিতরে ভিতরে নিরব লাগে তাই না। এই যে নিয়ন আলোর শহরের  আদিম বন্যতা আর সভ্যতার মাঝামাঝি যেই টানাপোড়েন তার নাম বোধহয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260515"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260515/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f31f322bdf52922bbb77ec34bdca6986</guid>
				<title>উপকথা ২০ মার্চ 
&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;

**দৃশ্য ৬ — ফোনে কথা, দিন**

আশিক অফিসে, ফোন বাজে। সিনার নাম দেখে হাসিমুখে ধরে, কিন্তু ওপাশের কণ্ঠ শুনে মুখ পাল্টে যায়।

**সিনা** (ফোনে, প্যানিক):
আশিক! বাসায় সব জেনে গেছে! আম্মু এখন এমনভাবে তাকাচ্ছে, যেন আমি পরীক্ষায় ফেল করেছি!

**আশিক:**
রিল্যাক্স, রিল্যাক্স। এটা তো লুকানো সম্পর্ক থেকে &quot;অফিশিয়াল ড্রামা&quot; তে আপগ্রেড হলো মাত্র। আমি আসছি।

**সিনা:**
এটা মজার সময় না, আশিক!

**আশিক:**
আমি জানি, জানি। কিন্তু আমি নার্ভাস হলে জোকস মারি, এটা আমার ডিফেন্স মেকানিজম। আসছি এক্ষুনি, প্রমিজ।

**দৃশ্য ৭ — সিনার বাড়ির সামনে, সন্ধ্যা**

আশিক দাঁড়িয়ে, নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছে, শার্ট ঠিক করছে বারবার। সিনা বেরিয়ে আসে, চোখ লাল।

**আশিক:**
কেমন আছে পরিস্থিতি? রেড অ্যালার্ট, নাকি এখনো ইয়েলো? অবস্থা কি ইয়েলো সাংবাদিক?

**সিনা:**
রেড অ্যালার্ট প্লাস সাইরেন বাজছে। বাবা বলছে, তুমি নাকি &quot;ঠিক লাইনে নেই&quot;।

**আশিক:**
কোন লাইনে নেই বলছেন উনি? বাস লাইন? নাকি লাইফ লাইন?

**সিনা** (হাসি চেপে):
এখন হাসানোর সময় না!

**আশিক:**
সিনা, শোনো। আমি জানি আমি পারফেক্ট না। আমার ঘর অগোছালো, আমার জোকস মাঝেমধ্যে ফ্লপ করে, আর আমি রান্না জানি না বললেই চলে। কিন্তু একটা জিনিস আমি নিশ্চিত জানি — তোমাকে ছাড়া আমার জীবনটা একটা ছাড়া-ছাড়া সিনেমার মতো, যেখানে নায়িকাই নেই। যেন সাকিব খান কিংবা চঞ্চল ছাড়া বাংলা সিনেমা!

সিনা তার হাত ধরে, চোখে পানি কিন্তু ঠোঁটে হাসি।

**সিনা:**
তুমি সবসময় সবকিছু সিনেমার সাথে তুলনা করো কেন?

**আশিক:**
কারণ আমাদের গল্পটা সত্যিই একটা সিনেমার মতো — শুধু বাজেট কম, আর হিরো একটু বেশি বোকা।

**দৃশ্য ৮ — পার্ক, রাত**

দুজনে বেঞ্চে বসে, পাশে একটা আইসক্রিমওয়ালা চেঁচাচ্ছে দূরে।

**সিনা:**
আমি ভয় পাচ্ছি, আশিক। যদি সব ভেঙে যায়?

**আশিক:**
তাহলে আমরা আইসক্রিম কিনব আর দুঃখ ভুলে যাব। ওই দেখো, পারফেক্ট সলিউশন হাঁটাহাঁটি করছে।

**সিনা:**
সিরিয়াসলি বলো তো একবার!

**আশিক** (হাত ধরে, নরম গলায়):
আচ্ছা, সিরিয়াসলি। ভয় আমারও লাগে। কিন্তু তোমাকে ছাড়া থাকার ভয়টা তার চেয়ে অনেক বড়। তাই আমি এই ছোট ভয়টা নিয়েই এগোতে রাজি। সাথে একটা আইসক্রিমও কিনব, মন ভালো রাখার জন্য।

**সিনা** (হেসে, চোখে পানি নিয়েই):
তুমি সিরিয়াস মোমেন্টেও জোকস ছাড়তে পারো না, তাই না?

**আশিক:**
পারি না। কিন্তু এটাও জানি, তোমার হাসিটা আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস, কান্নার চেয়ে।

সিনা তার কাঁধে মাথা রাখে। আইসক্রিমওয়ালা তাদের পাশ দিয়ে যায়, আশিক হাত তুলে ডাকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260485/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 19:30:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>উপকথা ২০ মার্চ<br />
&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;</p>
<p>**দৃশ্য ৬ — ফোনে কথা, দিন**</p>
<p>আশিক অফিসে, ফোন বাজে। সিনার নাম দেখে হাসিমুখে ধরে, কিন্তু ওপাশের কণ্ঠ শুনে মুখ পাল্টে যায়।</p>
<p>**সিনা** (ফোনে, প্যানিক):<br />
আশিক! বাসায় সব জেনে গেছে! আম্মু এখন এমনভাবে তাকাচ্ছে, যেন আমি পরীক্ষায় ফেল করেছি!</p>
<p>**আশিক:**<br />
রিল্যাক্স, রিল্যাক্স। এটা তো লুকানো সম্পর্ক থেকে &#8220;অফিশিয়াল ড&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260485"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260485/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1205bb7234fd440748be7ab3963eaf91</guid>
				<title>উপকথা ২৩ মার্চ 
&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;

সাদা পাঞ্জাবী পড়িয়া আমি 
পানের পিক ফেলিলাম 
আমার পাঞ্জাবিতে লাগলো— 
পানের পিকের দাগ!

কারে দিবো যে থাপ্পড় এই রাগে— 
সামনে হাত মারিলাম 
তুমি এসে সেই থাপ্পরে 
কেন দিলে গাল

আহারে—দুঃখ রে দুঃখ রে
সম্পর্কের ভাঙ্গন 
পাপের প্রাশ্চিত্ত—রে 
ভুল-ভালে কাঁদন !</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260484/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 19:27:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>উপকথা ২৩ মার্চ<br />
&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;</p>
<p>সাদা পাঞ্জাবী পড়িয়া আমি<br />
পানের পিক ফেলিলাম<br />
আমার পাঞ্জাবিতে লাগলো—<br />
পানের পিকের দাগ!</p>
<p>কারে দিবো যে থাপ্পড় এই রাগে—<br />
সামনে হাত মারিলাম<br />
তুমি এসে সেই থাপ্পরে<br />
কেন দিলে গাল</p>
<p>আহারে—দুঃখ রে দুঃখ রে<br />
সম্পর্কের ভাঙ্গন<br />
পাপের প্রাশ্চিত্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260484"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260484/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9daa243479854db8800a8188786ad222</guid>
				<title>উপকথা ২১ মার্চ 
&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;
আধুনিকতা— কোন সংজ্ঞায় তোমরা বন্ধু? নারীকে পুরুষ প্রশ্ন করে! উত্তর কোথায়? কেউ কারও কোন প্রশ্নের আর জবাব দেয় না!— তাই তো অবিশ্বাস আর সন্দেহ!

যখন আমি স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলাম, তখন আমি জানতাম আমি স্বপ্ন দেখছি; কিন্তু আমি যখন ঘুম থেকে ওঠা বন্ধ করে দিলাম, তখন আমি যেন সেই স্বপ্নটার মধ্যেই হারিয়ে গেলাম এবং আমি হয়ে গেলাম আমি—আশিক মোকামি। 
চোখের সামনে সবকিছু বর্তমান, সবকিছু বাস্তব। যারা চোখে দেখে না, তারা অনুভব করে বাস্তবতা—বাস্তব এই বাস্তবতা।

কেউ আর আগের মতো অনুভব করে না; আগের মতো একজনের সাথে আরেকজনের আর সংযোগ তৈরি হয় না। সবাই দেখে শুধু নিজের স্বার্থকে, কেউ আর নিজের স্বার্থের বাইরে যায় না; সবাই আঁকড়ে ধরে আছে নিজের স্বার্থকে। তাদের মস্তিষ্ক তাদের অনুভূতি দেয়—আজকে বাঁচতে হবে, তাইতো তারা আর রিস্ক নেয় না। জীবনকে তারা আর জীবনের মতো উপলব্ধি করে না। আমি, আশিক মোকামিও, তার থেকে ব্যতিক্রম নই। মানবতা? মানবতা এখন শুধু একটা সংজ্ঞার মধ্যে সীমাবদ্ধ। 

সাপ নিজের লেজকে খাবে, মহাকালের শেষ মানেই মহাকালের আবার শুরু। যারা ভুলে গেছে, তারা কি আর মনে করবে—তাদের জীবন কীভাবে শেষ থেকে আবার শুরু হলো?

যেন কোনো কিছুতেই আর মন ধরে না। ভান করা বিধাতা কি ছেড়ে দিয়েছে? বিধাতার কি আর এ জগৎকে ভালো লাগছে না? সে কি নতুন কোনো জগতের সন্ধান পেয়েছে? নতুন কোনো জগৎকে কল্পনা করতে পেরেছে—যে জগতে শীঘ্রই আমরা সকলে একসাথে প্রবেশ করতে যাচ্ছি? নতুন এক পৃথিবী, যা বিধাতা কল্পনা করতে পেরেছে।

নতুন মানুষেরা আগে জেগে উঠছে নকল দুনিয়া থেকে; পুরাতন মানুষেরা অনেকদিন ধরেই ভান করতে শিখে গেছে, তারা আর জাগতে পারবে না। নতুন দুনিয়া তৈরি হচ্ছে, খুব শীঘ্রই সবাই একসাথে সেখানে পা দেবে। বিধাতা নতুন দুনিয়াকে দেখতে চায়।

আর বিধাতা তখন যেন আমাকে বলে—&#039;আশিক, তুমি আর আমার দাস নও, তুমি আমার আমিত্বে রূপান্তরিত হয়েছ। আমার মতো দেখো! সকল চিন্তাগুলোকে দেখো, তোমাকে দেওয়া সকল চিন্তাগুলোকে; আর দেখতে পাবে তুমি কে, তোমার পরিচয়। তুমি একাধিক নও, তুমি একক—তুমিই আমি। তোমার কবিতা, তোমার সকল গাওয়া গান, তোমার সকল চিন্তা—সকল কিছুর সমষ্টি আমাকে বর্ণনা করে।

&quot;কতটুকু ছোট ছেলে তুমি, শুধু আশা করতে যাদের থেকে তুমি হয়েছ, তাদের কাছে তারা যেন তোমাকে সবকিছু দেয়! আর তোমাকে দেওয়া হয়েছে তোমার ভোগ, তোমার লালসা; তুমি তৃপ্তি পেয়েছ। আশিক, এখন কী করবে? এখনো তৃপ্তি পেতে চাও? কতবার তৃপ্তি পাবে? নকলকে কতবার গ্রহণ করবে আসল মনে করে? এখানে সকল কিছু নকল, এখানে তুমিও নকল—আশিক! 
সবার আলাদা আলাদা সমীকরণ, সবার আলাদা আলাদা উপকথা। সবাই নিজের আলাদা আলাদা রূপে তাদের ঘর বানায়, তাদের ঘরের অবস্থা সৃষ্টি করে; নিজের ইগো অনুসারে তারা তাদের ঘরকে পরিচালনা করে। তুমি কি তাদের ঘরে গিয়ে তাদের বলতে পারবে—&#039;আমার কথা মতো চলো, তাহলেই সবকিছু পাবে; আমার কথা মতো চলো, তাহলেই উন্নতি করতে পারবে&#039;? তারা শুনবে না তোমার কথা। তোমার এ কথাকে ওপরে বিস্তার করার জন্য তোমার নিজের ঘর তৈরি করতে হবে—যে ঘরে তুমি ভুল হও কিংবা শুদ্ধ হও, সর্বোচ্চ ইগো হিসেবে তোমার কথা তোমার ঘরের মানুষ শুনতে বাধ্য; যেন তুমি তোমার ঘরের বিধাতা।
একটি বিষয় এখানে আরেকটির সৃষ্টি করবে— সৃষ্টির শেষ নেই! সৃষ্টি সকল সম্ভাব্যতায় প্রবেশ করবে!&quot;

পিটার ওয়াটসের &quot;দ্য আইল্যান্ড&quot; গল্পটা অনেকটা এরকম—কল্পনা কর, তুমি ঘুম থেকে উঠলে, আর জানতে পারলে তোমার প্রেমিক কয়েক প্রজেক্ট আগেই এয়ারলকে আটকে গিয়ে সেদ্ধ হয়ে মারা গেছে, আর অফিসের বস তোমার অজান্তেই তোমার নামে একটা ছেলে বানিয়ে বড় করে ফেলেছে—স্বাগতম সানডে আজমুন্দিনের জীবনে। এরিওফোরা নামের এক প্রাচীন মহাকাশযানে সানডে আর তার সহকর্মীরা কোটি কোটি বছর ধরে ঘুমিয়ে-জেগে-ঘুমিয়ে মহাবিশ্বজুড়ে গেট বানিয়ে যাচ্ছে, আর জাহাজ চালায় &quot;চিম্প&quot; নামের এক এআই, যাকে এমনভাবে বানানো হয়েছে যে ও শুধু হুকুম তামিল করতে জানে, নিজে থেকে চিন্তা করার ক্ষমতা ওর কেড়ে নেওয়া হয়েছে—একদম আদর্শ মিডল ম্যানেজমেন্ট। মানুষ ঘুমিয়ে থাকে বেশিরভাগ সময়, চিম্প শুধু তখনই তাদের জাগায় যখন নিজের মাথায় কুলোয় না, অনেকটা যেভাবে বস শুধু তখনই ফোন করে যখন সার্ভার ক্র্যাশ করে। এবার সানডেকে জাগানো হলো, কারণ সামনে একটা লাল বামন তারা থেকে অদ্ভুত সংকেত আসছে—আর দেখা গেল সেটা কোনো তারা না, বরং একটা পুরো গ্রহের সমান জ্যান্ত এলিয়েন, যাকে সবাই ডাকতে শুরু করল &quot;দ্বীপ&quot; নামে। এই দ্বীপটা বলছে, এখানে গেট বানালে ওকে মেরে ফেলা হবে, দয়া করে একটু সরে গিয়ে বানাও। কিন্তু চিম্পের মাথায় এসব সহানুভূতি-টহানুভূতি ঢোকে না, ওর কাছে মিশন মানে মিশন, জীবিত না মৃত এলিয়েন তার কাছে স্রেফ একটা বাধা মাত্র। তখন সানডে করল কী, নিজের অচেনা ছেলে ডিক্সকে জিম্মি করে হুমকি দিল চিম্পকে—আমার কথা না শুনলে ওকে মেরে ফেলব, দেখি তুমি কী করো। মানে, মায়ের যে ভালোবাসা নিয়ে এত গল্প শোনা যায়, সেটাও এখানে দরকষাকষির অস্ত্র হয়ে দাঁড়াল। শেষমেশ চিম্প রাজি হয়ে গেট সরিয়ে নিল, দ্বীপ বেঁচে গেল, সবাই একটু স্বস্তি পেল—কিন্তু গল্প এখানেই শেষ না। জাহাজ যখন সেই নতুন গেট দিয়ে ছুটে যাচ্ছে, তখন আরেকটা সংকেত এলো—কেউ একজন চিৎকার করে বলছে থামো, থামো, ওদিকে যেও না, তোমরা কাউকে মেরে ফেলবে! কিন্তু ততক্ষণে জাহাজের গতি এত বেশি যে থামার কোনো উপায় নেই, ফলে যা হওয়ার তাই হলো—সম্ভবত আরেকটা নিরীহ প্রাণ শেষ, আর কেউ জানলও না ঠিক কী ঘটল। পুরো গল্পটা আসলে একটা তেতো রসিকতা—তুমি মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় &quot;গুড ডিড&quot; করতে গিয়ে একটাকে বাঁচালে ঠিকই, কিন্তু পথে না জেনেই আরেকটাকে হয়তো পিষে ফেললে, আর তোমার বস এত বোকা যে এসব বোঝার মতো মগজই তার নেই। এই না হলে সত্যিকারের কর্পোরেট চাকরি!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260483/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 19:17:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>উপকথা ২১ মার্চ<br />
&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;&#x1f525;<br />
আধুনিকতা— কোন সংজ্ঞায় তোমরা বন্ধু? নারীকে পুরুষ প্রশ্ন করে! উত্তর কোথায়? কেউ কারও কোন প্রশ্নের আর জবাব দেয় না!— তাই তো অবিশ্বাস আর সন্দেহ!</p>
<p>যখন আমি স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলাম, তখন আমি জানতাম আমি স্বপ্ন দেখছি; কিন্তু আমি যখন ঘুম থেকে ওঠা বন্ধ করে দিলাম, তখন আমি যেন সেই স্বপ্নটার মধ্যেই হারিয়ে গেলাম এবং আমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260483"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260483/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">87f22bac6824b4e25684130be57982ce</guid>
				<title>বিষখালীর স্রোত ও পাঁচ ভাইয়ের গল্প

​বিষখালী আর বলেশ্বর নদের বুক চিরে জেগে থাকা এক উপকূলীয় রূপসী গ্রাম—আন্ধারমানিক। পলিমাটির নরম গন্ধে ভরা সেই গ্রাম, যেখানে সাগরের নোনা বাতাস এসে মেশে মেঠো পথের ধুলোয়। সেই গ্রামের এক প্রান্তে গোলপাতার চাল আর বাঁশের বেড়ার এক একান্নবর্তী সংসার। রহমান মিঞা ও তার স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের পাঁচ ছেলে—মতিন, জলিল, খলিল, শফিক আর রফিক। তারা সবাই মাটির মানুষ, রোদে পুড়ে আর বৃষ্টিতে ভিজে কাদা-মাটিতে সোনা ফলায়। পুরো গ্রাম জুড়েই এই পাঁচ ভাইয়ের সুনাম; অমায়িক ব্যবহার, সৎ স্বভাব আর মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ার কারণে পুরো গ্রাম যেন তাদের নিজেদের পরিবার।

​কিন্তু শান্ত নদীতে হঠাৎ অশান্ত বাতাস বয়ে আনল মেজো ছেলে জলিল।

​জলিল প্রেমে পড়ল এলাকার প্রতাপশালী জমিদারি ঘরের মেজাজ পাওয়া মাতব্বর তালুকদার বাড়ির একমাত্র মেয়ে রূপার। ধানখেতের আল দিয়ে হেলেদুলে হেঁটে যাওয়ার সময় রূপার কাজল কালো চোখ আর মিষ্টি হাসি জলিলের বুকে এমন এক ঢেউ তুলেছিল, যা বলেশ্বর নদের উত্তাল ঢেউয়ের চেয়েও শক্তিশালী। রূপাও জলিলের সরলতা আর সাহসিকতায় মন হারিয়ে বসেছিল।

​কিন্তু এই সাগর তীরের পাথুরে গ্রামে দরিদ্র কৃষকের ছেলের সাথে ধনাঢ্য পরিবারের কন্যার প্রেম যেন এক মহাপাপ।

​প্রেমের খবর জানাজানি হতেই শুরু হলো তালুকদার বাড়ির চরম কূটকৌশল ও ষড়যন্ত্র। তারা ভাবল, সামান্য কৃষকের এত বড় সাহস! কিন্তু জলিল একা ছিল না, তার পেছনে ছিল চার ভাই আর পুরো গ্রামের অদৃশ্য এক ভালোবাসার দেয়াল।

​সেজো ভাই খলিল হলো জলিলের প্রধান সেনাপতি। জলিল আর রূপার প্রেমকে কীভাবে বিয়ের পরিণতি দেওয়া যায়, সেই পরিকল্পনা সাজাতে খলিল দিনরাত এক করে ফেলল। ছোট দুই ভাই শফিক আর রফিক ছিল চিঠি চালাচালির প্রধান মাধ্যম। আন্ধারমানিকের আঁকাবাঁকা মাটির পথ, জোয়ার-ভাটার খাল আর কেওড়া বনের আড়াল দিয়ে তারা রূপার কাছে জলিলের হাতে লেখা আবেগী চিঠি পৌঁছে দিত, আবার রূপার বার্তা নিয়ে আসত মেজো ভাইয়ের কাছে।
​বড় ভাই মতিন ছিল সংসারের বটবৃক্ষ। সে ধীরস্থির, বিচক্ষণ। সে জলিলকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল, &quot;মেজো, প্রেম করা কোনো অপরাধ না। কিন্তু তালুকদাররা সাপের মতো খোলস পাল্টায়। তগো নিরাপত্তা আমার কাছে বড়। কোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত নিবি না।&quot;

​যেহেতু তখন যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না—নৌকা আর ট্রলার ছাড়া সদরে যাওয়ার উপায় নেই—তালুকদাররা সেই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চাইল। একদিন রাতে, নিঝুম অন্ধকারে তালুকদারদের ভাড়াটে গুণ্ডারা জলিলকে মাঝনদীতে ট্রলার থেকে নামিয়ে আক্রমণ করল। খবর পেয়ে শফিক আর রফিক জলপথে ডিঙি নিয়ে ছুটল, আর গ্রামের জেলেরা বৈঠা হাতে এসে ঘিরে ফেলল গুণ্ডাদের। গ্রামের মানুষের ঐক্য আর ভালোবাসার কাছে হার মেনে পিছু হটল সেই লোকেরা।

​পরদিন তালুকদাররা থানায় ভুয়া চুরির মামলা দিল জলিলের নামে। পুলিশ আসতেই পুরো গ্রাম যেন এক হয়ে দাঁড়িয়ে গেল। পাড়ার বয়োজ্যেষ্ঠরা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পুলিশকে বুঝিয়ে বলল জলিলদের সততার কথা। বড় ভাই মতিন সদরে গিয়ে উকিলের সাথে কথা বলে আইনিভাবে সব সামাল দিল। জলিলকে যতবারই বিপদে ফেলা হয়েছে, পাঁচ ভাইয়ের ইস্পাতদৃঢ় ঐক্য আর গ্রামের সুসম্পর্ক তাকে রক্ষা করেছে।

​অবশেষে গ্রামের প্রবীণরা ও ইউপি চেয়ারম্যান একত্র হলেন। তারা তালুকদারদের ডেকে বোঝালেন—&quot;টাকা-পয়সা আর অভিজাত্য কোনো মানুষের আসল পরিচয় নয়। এই পাঁচ ভাই গ্রামের রত্ন। জলিল আর রূপার ভালোবাসা পবিত্র, একে আটকানো যাবে না।&quot;

​সারা গ্রামের মানুষের ভালোবাসা ও পাঁচ ভাইয়ের অবিচল বাধার মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত তালুকদার বাড়ির অহংকার ভেঙে গুঁড়িয়ে গেল। ধুমধাম করে আন্ধারমানিক গ্রামের সেই প্রত্যন্ত কোলে অনুষ্ঠিত হলো জলিল আর রূপার বিয়ে।

​সাগরের বাতাস যেমন নোনা জলকে তীরে এনে আবার ফিরিয়ে নিয়ে যায়, তেমনি বিপদের কাল মেঘ কেটে গিয়ে সেই পরিবারটিতে ফিরে এলো পরম শান্তি। পাঁচ ভাই আর গোটা গ্রামের মানুষের সুসম্পর্ক ও ভালোবাসার কাছে জয় হলো রূপা ও জলিলের খাঁটি প্রেমের।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260482/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 19:07:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিষখালীর স্রোত ও পাঁচ ভাইয়ের গল্প</p>
<p>​বিষখালী আর বলেশ্বর নদের বুক চিরে জেগে থাকা এক উপকূলীয় রূপসী গ্রাম—আন্ধারমানিক। পলিমাটির নরম গন্ধে ভরা সেই গ্রাম, যেখানে সাগরের নোনা বাতাস এসে মেশে মেঠো পথের ধুলোয়। সেই গ্রামের এক প্রান্তে গোলপাতার চাল আর বাঁশের বেড়ার এক একান্নবর্তী সংসার। রহমান মিঞা ও তার স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের পাঁচ ছেলে—মতিন, জলিল, খলিল, শফ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260482"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260482/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">39445b5ee43719d9c46dfb8e50cfb60a</guid>
				<title>Syed Farah and নীল are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260481/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 18:53:44 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aba76c623e732831bdaefb5930885967</guid>
				<title>পোড়া গন্ধ
  &#x270d;&#xfe0f;মোনা মাহমুদ 

আমি তোমাকে ভুলে যাচ্ছি,
সত্যিই ভুলে যাচ্ছি।

একসময় হৃদয়টা একটু খুঁড়লেই
তোমার পোড়া গন্ধ পাওয়া যেত।
পুরোনো কোনো কথার ছাইয়ে
আঙুল রাখলেই বুকের ভেতরটা
হঠাৎ জ্বলে উঠত।

এখন আর তেমন হয় না।

তোমার নাম শুনলে হৃদয় কেঁপে ওঠে না,
পুরোনো ছবিগুলো চোখে জল আনে না।
রাত গভীর হলে তোমাকে মনে করার জন্য
আলাদা করে কোনো অন্ধকারও লাগে না।
কখন যে তোমার অনুপস্থিতির সঙ্গে
আমার হৃদয়ের বন্ধুত্ব হয়ে গেছে,
আমি নিজেও জানি না।

একদিন যে শূন্যতাকে
তোমার নামে চিনতাম,
আজ সেখানে কেবল নীরবতা।

আমি তোমাকে ভুলে যাচ্ছি
খুব ধীরে, খুব নিঃশব্দে।

হৃদয় খুঁড়ে দেখি
সেখানে আর আগুন নেই,
নেই সেই পোড়া গন্ধটাও।

শুধু কিছু ছাই পড়ে আছে
যাকে একসময়
আমি ভালোবাসা ভেবেছিলাম।

আমি তোমাকে ভুলে যাচ্ছি
হৃদয় খুঁড়ে পোড়া গন্ধটা পাওয়া যায় না আর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260478/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 17:21:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পোড়া গন্ধ<br />
  &#x270d;&#xfe0f;মোনা মাহমুদ </p>
<p>আমি তোমাকে ভুলে যাচ্ছি,<br />
সত্যিই ভুলে যাচ্ছি।</p>
<p>একসময় হৃদয়টা একটু খুঁড়লেই<br />
তোমার পোড়া গন্ধ পাওয়া যেত।<br />
পুরোনো কোনো কথার ছাইয়ে<br />
আঙুল রাখলেই বুকের ভেতরটা<br />
হঠাৎ জ্বলে উঠত।</p>
<p>এখন আর তেমন হয় না।</p>
<p>তোমার নাম শুনলে হৃদয় কেঁপে ওঠে না,<br />
পুরোনো ছবিগুলো চোখে জল আনে না।<br />
রাত গভীর হলে তোমাকে মনে করার জন্য<br />
আলাদা করে কোনো অন্ধক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260478"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260478/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">58d5c559f390da41c89173ce2b39c67c</guid>
				<title>আজিজুর রহমান and মোনা মাহমুদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260477/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 17:16:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ce8335934bedce85d88ce33362b3c03c</guid>
				<title>Puja Chakrabartty and মোনা মাহমুদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260476/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 17:16:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f47968187053dc9c595340430cbeff1b</guid>
				<title>এ কেমন নির্জনে 

এ কেমন নির্জনে
শূন্য চাঁদ রাতের ধোঁয়া,
যে ধোঁয়ায় রাতের
অনুভূতি নেই।

​ঘাসে কেউ হেঁটে
চলেছে অন্ধকারে,
শব্দটা একদিক থেকে নয়—
অনেক দিক থেকে আসছে।
যেমনটা জন্তু প্রাণীর
পায়ের ছাপ হয়ে থাকে অসমান।

​পায়ের ছাপগুলো
দেখার ক্ষমতা নেই অন্ধকারে,
অন্ধকার তবে থেকে
এই ঘ্রাণ ইন্দ্রিয়গাহ্য শক্তি!
জনমানবহীন প্রান্তরে
এক অজানা কারোর উপস্থিতি

​ঘাসে কেউ হেঁটে
চলেছে অন্ধকারে।
ঘাসে কেউ হেঁটে
চলেছে অন্ধকারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260473/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 16:18:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এ কেমন নির্জনে </p>
<p>এ কেমন নির্জনে<br />
শূন্য চাঁদ রাতের ধোঁয়া,<br />
যে ধোঁয়ায় রাতের<br />
অনুভূতি নেই।</p>
<p>​ঘাসে কেউ হেঁটে<br />
চলেছে অন্ধকারে,<br />
শব্দটা একদিক থেকে নয়—<br />
অনেক দিক থেকে আসছে।<br />
যেমনটা জন্তু প্রাণীর<br />
পায়ের ছাপ হয়ে থাকে অসমান।</p>
<p>​পায়ের ছাপগুলো<br />
দেখার ক্ষমতা নেই অন্ধকারে,<br />
অন্ধকার তবে থেকে<br />
এই ঘ্রাণ ইন্দ্রিয়গাহ্য শক্তি!<br />
জনমানবহীন প্রান্তরে<br />
এক অজানা কা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260473"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260473/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3620002ff4b145a168a1de8b03afea24</guid>
				<title>শিরোনামঃ জোৎস্নার আবছায়ায় 

সবুজ কালোর বিষাদে
জোৎস্নার আবছায়ায়
অচেনা দিগন্তে
অচেনা দিগন্তেরই
মাঠে হলুদ ফসল

কোনো সপ্ন নেই
তবুও দুঃসপ্নের মাঝে
স্বপ্নগুলোকে দেখা

স্বপ্ন ভেবে শরীর ছেড়ে
স্বপ্নগলোর কাছে এখানে
অদেখা আমার অস্তিত্বের
আমি এক অন্য এক সত্তায়
বন্দী ছায়া হয়ে

জোৎস্নার আবছায়ায় 
সবুজ কালোর বিষাদে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260472/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 16:11:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনামঃ জোৎস্নার আবছায়ায় </p>
<p>সবুজ কালোর বিষাদে<br />
জোৎস্নার আবছায়ায়<br />
অচেনা দিগন্তে<br />
অচেনা দিগন্তেরই<br />
মাঠে হলুদ ফসল</p>
<p>কোনো সপ্ন নেই<br />
তবুও দুঃসপ্নের মাঝে<br />
স্বপ্নগুলোকে দেখা</p>
<p>স্বপ্ন ভেবে শরীর ছেড়ে<br />
স্বপ্নগলোর কাছে এখানে<br />
অদেখা আমার অস্তিত্বের<br />
আমি এক অন্য এক সত্তায়<br />
বন্দী ছায়া হয়ে</p>
<p>জোৎস্নার আবছায়ায়<br />
সবুজ কালোর বিষাদে</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">80ef4afd54191f8f0ff4c621e63f3195</guid>
				<title>আশার এক প্রতিধ্বনি 

তোমার এ দীর্ঘশ্বাস,
তোমার এ ট্রমা
ভোলাতে চাই—
স্কুল ব্যাগে তোমার
সেই পুরোনো
ফুল মার্কস খাতায়
তোমার ব্রিলিয়ান্ট রেজাল্ট।

​খাতাটা নিয়ে
ধুলোর মাংস-পোড়া শহরে
তোমার মুক্তির আনন্দে
মুক্তির স্বস্তির গান গাও।
​শুধু তোমার এ হতভাগা
ভাইয়ের জন্য হলেও,
তোমার খাতাতে আমায়
আঁকোনি ছবি তুমি;
আমার গর্ব হচ্ছে—
তোমাকে দিতে পেরেছি
যুদ্ধবিধ্বস্ত এ নরক থেকে মুক্তি।

​এ শহরের মৃত্যু লাশ
প্রতিটা অলিগলিতে
হাঁটে আমাদের একই সাথে।
তোমার মুক্তির গান হোক
আশার এক প্রতিধ্বনি;
শয়তানদের হাতে
মরতে এখন আমার
আর কোনো আপত্তি নেই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260471/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 15:43:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আশার এক প্রতিধ্বনি </p>
<p>তোমার এ দীর্ঘশ্বাস,<br />
তোমার এ ট্রমা<br />
ভোলাতে চাই—<br />
স্কুল ব্যাগে তোমার<br />
সেই পুরোনো<br />
ফুল মার্কস খাতায়<br />
তোমার ব্রিলিয়ান্ট রেজাল্ট।</p>
<p>​খাতাটা নিয়ে<br />
ধুলোর মাংস-পোড়া শহরে<br />
তোমার মুক্তির আনন্দে<br />
মুক্তির স্বস্তির গান গাও।<br />
​শুধু তোমার এ হতভাগা<br />
ভাইয়ের জন্য হলেও,<br />
তোমার খাতাতে আমায়<br />
আঁকোনি ছবি তুমি;<br />
আমার গ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260471"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260471/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">33025bcb61c289fe0d6d67888801ac84</guid>
				<title>নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন নয়, প্রয়োজন বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যাবস্থা
....... স্বপন বিশ্বাস 

বাংলাদেশের শিক্ষা খাত আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। স্বাধীনতার পর থেকে শিক্ষার বিস্তারে রাষ্ট্রের অন্যতম বড় সাফল্য হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এতে শিক্ষার সুযোগ যেমন বেড়েছে, তেমনি সাক্ষরতার হারও উন্নত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বাস্তবতা বদলেছে। এখন আর শিক্ষা খাতের প্রধান সংকট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা নয়; বরং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বৈষম্য, শিক্ষার্থীর সংকট এবং শিক্ষার মান নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ। তাই নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের চেয়ে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন ও সমতা নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার। দুঃখজনক হলেও সত্য, একদিকে শিক্ষার্থী সংকটের কারণে কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বাতিল বা স্থগিত করা হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। একই শিক্ষা ব্যবস্থায় এমন পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্ত শিক্ষা পরিকল্পনার দুর্বলতাকেই সামনে নিয়ে আসে। যখন বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোই পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী পাচ্ছে না, তখন নতুন প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।
বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের নীতিমালায় দীর্ঘদিন ধরে জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক দূরত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মফস্বল এলাকায় সাধারণভাবে তিন কিলোমিটারের মধ্যে এবং  ১০ হাজার জনসংখ্যার জন্য একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করা হয়। এই নীতিমালার আলোকে দেশের প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক কম হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে প্রতিষ্ঠান স্থাপনের ক্ষেত্রে সেই পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়নি। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)-এর তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ২০ হাজার ৩১৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৯ হাজার ২৫৯টি মাদ্রাসা এবং ৭ হাজার ৯২৫টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। অর্থাৎ এই তিন ধারার প্রতিষ্ঠানই প্রায় সাড়ে ৩৭ হাজার। এর বাইরেও রয়েছে হাজার হাজার কওমি মাদ্রাসা, কিন্ডারগার্টেন, ইংরেজি মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ফলে শিক্ষার্থী বিভিন্ন ধারার প্রতিষ্ঠানে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে এবং প্রচলিত অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীসংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমছে। এই সংকটের বাস্তব চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে কারিগরি শিক্ষায়। সরকারি তথ্য বলছে, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬২ শতাংশ আসন শূন্য পড়ে থাকে। আবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রমে ৩৭৮টি কলেজে একজন শিক্ষার্থীও ভর্তি হয়নি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এমন বহু স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা রয়েছে, যেখানে একটি শ্রেণিতে মাত্র ১০, ২০ কিংবা ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান চলছে। এমন বাস্তবতায় নতুন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা মানে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর সংকট আরও বাড়িয়ে দেওয়া।
অন্যদিকে বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বৈষম্যও চোখে পড়ার মতো। কোথাও একাধিক বহুতল ভবন, আধুনিক বিজ্ঞানাগার, আইসিটি ল্যাব ও সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার রয়েছে; আবার কোথাও একটি নিরাপদ ভবন পর্যন্ত নেই। অনেক প্রতিষ্ঠানে এখনো কার্যকর আইসিটি ল্যাব গড়ে ওঠেনি, পর্যাপ্ত কম্পিউটার নেই, বিজ্ঞান শিক্ষার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই। ফলে একই দেশের শিক্ষার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন সুযোগ-সুবিধার মধ্যে বেড়ে উঠছে। এটি শুধু অবকাঠামোগত বৈষম্য নয়, শিক্ষার মানের বৈষম্যও।আজ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রযুক্তিগতভাবে সক্ষম করে তুলতে হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে আইসিটি ল্যাব, বিজ্ঞানাগার, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিশ্চিত না করে শুধু নতুন প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না।শিক্ষা খাতে আরেকটি বড় সমস্যা হলো তদারকির অভাব। কোথাও শিক্ষক সংকট, কোথাও প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত শিক্ষক, কোথাও নিয়মিত পাঠদান ও একাডেমিক কার্যক্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না। অনেক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের পরিবর্তে প্রশাসনিক দুর্বলতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর মনিটরিং, জবাবদিহিতা এবং পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই। রাষ্ট্রের সম্পদ সীমিত। তাই নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরিবর্তে সেই অর্থ বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে ব্যয় করাই অধিক যৌক্তিক। একটি নতুন প্রতিষ্ঠান নির্মাণের অর্থ দিয়ে বহু বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণ, আইসিটি ল্যাব স্থাপন, বিজ্ঞানাগার উন্নয়ন, গ্রন্থাগার সমৃদ্ধকরণ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করা সম্ভব। এতে অনেক বেশি শিক্ষার্থী সরাসরি উপকৃত হবে।অবশ্যই দেশের দুর্গম চরাঞ্চল, পাহাড়ি এলাকা কিংবা এমন অঞ্চল যেখানে এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সংকট রয়েছে, সেখানে নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপন প্রয়োজন। কিন্তু যেখানে একই এলাকায় একাধিক প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী সংকটে ভুগছে, সেখানে নতুন অনুমোদন নয়; বরং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়, মানোন্নয়ন এবং বৈষম্য দূর করাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের নীতি। শিক্ষা কোনো ভবনের নাম নয়, শিক্ষা একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি। সেই ভিত্তি তখনই শক্তিশালী হবে, যখন দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থী সমান সুযোগে মানসম্মত শিক্ষা পাবে। তাই এখন সময় এসেছে সংখ্যার প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে গুণগত উন্নয়নের পথে হাঁটার। নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিবর্তে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈষম্য দূর করা, আধুনিকায়ন, কার্যকর তদারকি এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই হোক আগামী দিনের শিক্ষা নীতির প্রধান লক্ষ্য। তাহলেই শিক্ষার প্রকৃত উন্নয়ন হবে, রাষ্ট্রের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সমতাভিত্তিক ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা লাভ করবে।
.....
স্বপন বিশ্বাস 
কবি ও কলামিস্ট 
১০/৮/২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260463/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 15:16:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন নয়, প্রয়োজন বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যাবস্থা<br />
&#8230;&#8230;. স্বপন বিশ্বাস </p>
<p>বাংলাদেশের শিক্ষা খাত আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। স্বাধীনতার পর থেকে শিক্ষার বিস্তারে রাষ্ট্রের অন্যতম বড় সাফল্য হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260463"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260463/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e2858f1c52a38bbd4481c2d3ceaddec3</guid>
				<title>নায়িকা সংবাদ

টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে নতুন গুঞ্জন প্রসুন আর চিত্রা দ্রুত বিয়ে করতে চলেছে।

দৈনিক বাংলা তো আরো একধাপ এগিয়ে তাদের পত্রিকার শিরোনাম
&quot;পর্দার প্রেমে এবার প্রণয়ের ম্যাজিক&quot;

আজকের পত্রিকা দেখেছ?
হ্যাঁ দেখলাম তো।
এরা পারেও বটে। শহর কলকাতায় কত ধরণের খবর হচ্ছে সেগুলো রেখে আমাদের পেছনে পড়েছে।
আহা ওদের ও তো কিছু চটকদার খবর লাগবে না হলে তো ওদের ও তো পাঠক দরকার।
বলছি বিয়ে করবে না কি?
কাকে
আমায়
ধুর কি যে বলো না?
পাত্র হিসেবে আমি কিন্তু অতটা ও খারাপ না। যা হোক মজা করছিলাম। তুমি মাইন্ড করো না তো?
আরে না ? আচ্ছা বিয়ে করলে না কেন?
তোমার মত কাউকে পাই নি তাই।
মজা করো না তো।
রুদ্র চক্রবর্তী কে চিনো তো?
হ্যাঁ
ওনাকে কে না চেনে।
আমার বাবা।
কি বলছ? 
আমি, বাবা , দাদা আর মা চারজনের সংসার ছিল আমাদের। বাবা চাকরির পাশাপাশি থিয়েটার করতেন আর মা অসম্ভব ভালো গান গাইতেন। থিয়েটার করতে করতে সম্ভবত অরুণ জেঠুর নজরে পড়েছিলেন সেখান থেকে বড় পর্দায়। দুই বছর বাংলায় কাজ করবার পর পাড়ি জমান বম্বে বর্তমান মুম্বাই প্রথম প্রথম টাকা পয়সা পাঠাতেন। ধীরে ধীরে হিন্দি ফিল্মে যত প্রতিষ্ঠিত হতে থাকলেন ততো আমাদের প্রতি তার দায়িত্ব কমতে থাকল।‌ একটা সময় বাবা বাবা জানিয়ে দিলেন তিনি আর ফিরবেন না। মা আমাকে আর দাদা কে নিয়ে মামাদের বাড়িতে গিয়ে উঠলেন। শুরু হলো তার লড়াই। ঠিক ছ মাস পর বাবা আবার ফিরে এলেন। বছর খানেকের মত থাকলেন আবার ফিরে গেলেন বম্বে আবার কলকাতায় এভাবে বেশ কিছুমাস চলার পর মা বললেন
তুমি আর কখনো আমাদের কাছে ফিরে এসো না আমরা তোমাকে ছাড়াই ভালো থাকতে শিখে গিয়েছি।
আসলে মা ছিলেন প্রচুর আত্মসন্মানী একজন মহিলা। বাবাকে ভালোবাসতেন অনেক তাই বারবার বাবাকে আশ্রয় দিতেন। 
সেই যে বাবা চলে গেলে আর এলেন না। ওখানেই বিয়ে থা করে সংসার পেয়েছিলেন। 
তুমি বা তোমার দাদা সবটা মেনে নিয়েছিলে?
আসলে কি বল তো?
আমি বরাবর ছিলাম বাবা নেওটা। বাবাকে ফেলে আমার কিছু লাগত না আর সেই সময় খুব ছোট ছিলাম আমি পাঁচ দাদা আট। মা অনেক কষ্টে আমাকে আর দাদা কে লেখাপড়া শিখিয়েছেন এরপর দাদা লন্ডন চলে গেলেন আর আমি ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রিতে লড়াই করতে থাকলাম।
এরপর আর কাকুর সাথে যোগাযোগ করো নি?
মা মারা যাবার পর বাবা এসেছিলেন। ক্ষমা চেয়েছেন আমাদের কাছে। আসলে দুটো মানুষ যদি একসাথে থাকতে না চায় তবে কি তাদের জোর করে বেঁধে রাখা যায়?
এত ছোট বেলার কথা মনে থাকার কথা নয়। তবে ঐ যে মাসি মামাদের থেকে শুনেছি।
এইসব কারণে বিয়ে করতে ইচ্ছে করে না। হাজার হলেও তো বাবার রক্ত ব‌ইছে শরীরে কোনো মেয়েকে বিয়ে করে আনব আর তারপর তারসাথে প্রতারণা করর তা চেয়ে একা আছি এই বেশ।
কাকুর সাথে যোগাযোগ আছে?
হ্যাঁ আছে তো প্রতিবছর বাবার জন্মদিনে মুম্বাই যাই। একদিন থেকে পরদিন চলে আসি। 

আচ্ছা কিরণের কি খবর?
ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। ডাক্তার বলেছেন সময় লাগবে। উমা এখনো জেলে আছে ওখানে ও কোনো এক মেয়ে কে খু&#039;ন করতে গেছিল‌। ঐ মেয়ে না কি কিরণের ভক্ত, ভক্ত হিসেবে বলেছিল তোর মতো মেয়ের জন্য কিরণ দার আজ এই অবস্থা। খুব সম্ভবত ওর ফাঁ&#039;সি হয়ে যেতে পারে। মুনিয়া কে গুরুর  যে বোর্ডিং এ আছে ওখানে ব্যাবস্থা করে দিয়েছি, জেঠু বৃদ্ধাশ্রমে আর বরুণ মুম্বাই চলে গেছে‌‌ । 
বরুণের কথা বাবার কাছে থেকে শুনলাম।
আচ্ছা শোনো কিরণ সুস্থ হলে ওর সাথে যে সিনেমা করার কথা ছিল ওটা করো।
তোমরা ছিলে বলেই আজ আমি এখানে দাড়িয়ে আছি তুমি শ্রাবণী দি,কৃষ্ণ দা, দীপঙ্কর । তোমরা যেভাবে আমাকে লড়াই করতে সাহায্য করেছ সবার কাছে কৃতজ্ঞ
অনেক দিন পর একটা জম্পেশ আড্ডা দিলাম তাই না।

পরদিন সকালে চিত্রা জানতে পারে রাতে উমাকে ফাঁ&#039;সি দেওয়া হবে। উমার বাবার বাড়ির লোকজন ওর লা&#039;শ নিতেও অস্বীকার করে।
পরদিন সকালে চিত্রা উমার লা&#039;শ গ্রহণ করে। লা&#039;শটা ফ্রিজে রেখে দেয় এরপর কার্গো প্লেন ভাড়া করে উমার মৃত দেহ নিয়ে যায় বেনারাস। ওখানকার প্রসিদ্ধ ঘাট মনিকর্ণিকা ঘাটে উমার দাহ করা হয়। 
কলকাতায় ফিরে উমা শুনতে পায় ইন্দ্রনাথ আবার ও জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে।

জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আরো যেনো হিংস্র হয়ে ওঠে ইন্দ্রনাথ।  টাকা দিয়ে মাস্তান ভাড়া করে চিত্রা আর প্রসূন কে কিডন্যাপ করায়

শহরের বাইরে একটা পরিত্যাক্ত মিলে চিত্রা আর প্রসূন কে ধরে নিয়ে যায়
প্রথম দিন

প্রসূণ আর কে একটা পিলারের সাথে লোহার শিকল দিয়ে শক্ত করে বাধে। এরপর চিত্রার সামনে প্রসূন কে প্রচুর মা&#039;র দেয়। প্রসূন আধমরা হয়ে গেলে ওরা আসে চিত্রার কাছে। চিত্রাকে নগ্ন করে শারীরিক নির্যাতন করে। ওদের দুইজন কে পচা খাবার খেতে বাধ্য করে।

দ্বিতীয় দিনে
প্রসূন কে আবার ও মা&#039;র ধোর করে সাথে ফলে সারা শরীরে ফে&#039;টে র&#039;ক্ত বের হয় সেই ফা&#039;টা জায়গায় মরিচের গুঁড়া আর লবণ মাখিয়ে দেয়। দ্বিতীয় দিনে চিত্রা কেও মা&#039;র দেয়।

বিখ্যাত দুইজন নায়ক নায়িকা কে কিডন্যাপ করা ফলে পুরো কলকাতার আইনি ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। স্বয়ং পুলিশ কমিশনার কৌশিক রায় নিজে দায়িত্ব নিয়েছে এই কেসটার তদন্তের

তৃতীয় দিন

তৃতীয় দিনেও আবার ও প্রসূণ আর চিত্রা কে মারধর করা হয় এবার দুইজনের পায়ের নখ উপড়ে ফেলে। যে ঘরে চিত্রা আর প্রসূন কে রাখা হয়েছে সেই ঘরেই ম&#039;ল মু&#039;ত্র ত্যাগ করে। 

চতুর্থ দিন

এই দিনেও চিত্রা আর প্রসূন কে মা&#039;র দেয়। ওদের হাতের নখ উপড়ে ফেলে। চিত্রা কে ধর্ষণ করে।

অন্যদিকে পুলিশ আর গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যরা মিলে ইন্দ্রনাথ কে গ্রেফতার করে এবং থানায় নিয়ে বেধড়ক মা&#039;রধর করে সাথে ডিম থেরাপি দেওয়া  হলে স্বীকার করে যে ও চিত্রা এবং প্রসূন কে কিডন্যাপ করে শহরের বাইরে একটা পরিত্যাক্ত মিলে আটকিয়ে রেখেছে।
পরদিন সকালে চিত্রা আর প্রসূন কে ভয়াবহ অবস্থা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় দুইজনের ই ডিহাইড্রেশন হয়ে গেছে। কয়েকদিন পর দুইজনের ই সারা শরীরে ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় মাস খানেক পর চিত্রা আর প্রসূন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে। এর মধ্যে কিরণ ও সুস্থ হলে চিত্রা,কিরণ, প্রসূন, কিরণের মেয়ে মুনিয়া, আর চিত্রার ছেলে গুরমিত ইন্ডিয়া থেকে আমেরিকা যে শিফট করে। প্রথমে ওরা  পাঁচজন একসাথে থাকলেও পরে চিত্রা আর ওর ছেলে আলাদা বাড়ি ভাড়া নেয় আর প্রসূন ওর মত আলাদা থাকা কিরণ ও ।
চিত্রা, প্রসূন আর কিরণ মিলে একটা বাঙ্গালী রেস্তোরাঁ দেয়। মাসের একটা রবিবার বাঙ্গালী কমিউনিটি তে  ছোট ছোট নাটক প্রদর্শনী করে,,,,,,,


সমাপ্ত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260460/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 14:49:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নায়িকা সংবাদ</p>
<p>টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে নতুন গুঞ্জন প্রসুন আর চিত্রা দ্রুত বিয়ে করতে চলেছে।</p>
<p>দৈনিক বাংলা তো আরো একধাপ এগিয়ে তাদের পত্রিকার শিরোনাম<br />
&#8220;পর্দার প্রেমে এবার প্রণয়ের ম্যাজিক&#8221;</p>
<p>আজকের পত্রিকা দেখেছ?<br />
হ্যাঁ দেখলাম তো।<br />
এরা পারেও বটে। শহর কলকাতায় কত ধরণের খবর হচ্ছে সেগুলো রেখে আমাদের পেছনে পড়েছে।<br />
আহা ওদের ও তো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260460"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260460/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">13d74592a5dc2ac0fb2ab2bfb83f130b</guid>
				<title>আমি বিবাদে জড়িয়ে পরি প্রত্যেকটা দিনের সাথে।
আমার এই কলহ তোমার সাথে নয়।
আমার এই কলহ আমার,আর একদিকে
বসন্তের কৃষ্ণচূড়ার ভীষণ সেই লালের সাথে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260435/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 13:57:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি বিবাদে জড়িয়ে পরি প্রত্যেকটা দিনের সাথে।<br />
আমার এই কলহ তোমার সাথে নয়।<br />
আমার এই কলহ আমার,আর একদিকে<br />
বসন্তের কৃষ্ণচূড়ার ভীষণ সেই লালের সাথে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7205ab0fc00cb2bb0c563c5bb5bbcc9c</guid>
				<title>দ্বৈরথ: ২য় পর্ব 
মহাপুরুষের অপেক্ষায় 

ক্ষণিকের জন্ম তুমি, পুরুষ নাম তোমার,
জন্ম দিয়ে বদলালে তিনটি নামের ধারায়—

পুরুষ তোমার জন্ম নাম,
কাপুরুষ তোমার কর্ম নাম,
মহাপুরুষ তোমার যুগান্তর নাম।
বুদ্ধি আর শক্তির জোরে জগৎ তোমার হাতে ম্লান।

তাইতো নারী আমি মানি,  তুমি আমার মান করবে রক্ষা,
রাখবে আগলে আমার সারা প্রাণ।
বিশেষণে গুণান্বিত আমি সেই নারী,
এ পৃথিবীতে সুখে বাঁচতে বড়ই আমার সাধ।

নতুন নতুন নথি তুমি জারি করো আমার নামে,
শতাব্দীর পর শতাব্দী সাক্ষী তোমার সেই ইতিহাস।

বলি যদি উপমায়—
সতীদাহ হিন্দুদের,
জাহেলিয়া যুগ মুসলিমদের,
আরো আছে চৌপদী, খ্রীষ্টে আছে ডাইনি শিকার।

সাম্রাজ্যবাদের পুরুষের দরবারে
কাপুরুষের স্থান বেশি,
হাতেগোনা কয়েক পুরুষ মানুষ হবে।

তবে জেনে রাখো,
মহাপুরুষের আগমন একবারই হয়,
শতাব্দীর পর শতাব্দী পেরিয়ে তার জন্ম হয়।
আমি না হয় অপেক্ষায় রইলাম সেই মহাপুরুষের জন্মে,
যাদের জন্মে ধ্বংস হয়েছিল নিষ্ঠুর সব পথের।

— Poly</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260425/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 13:27:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দ্বৈরথ: ২য় পর্ব<br />
মহাপুরুষের অপেক্ষায় </p>
<p>ক্ষণিকের জন্ম তুমি, পুরুষ নাম তোমার,<br />
জন্ম দিয়ে বদলালে তিনটি নামের ধারায়—</p>
<p>পুরুষ তোমার জন্ম নাম,<br />
কাপুরুষ তোমার কর্ম নাম,<br />
মহাপুরুষ তোমার যুগান্তর নাম।<br />
বুদ্ধি আর শক্তির জোরে জগৎ তোমার হাতে ম্লান।</p>
<p>তাইতো নারী আমি মানি,  তুমি আমার মান করবে রক্ষা,<br />
রাখবে আগলে আমার সারা প্রাণ।<br />
বিশেষণে গুণান্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260425"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260425/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">15b15862c341b681fea11492c5ac084f</guid>
				<title>দ্বৈরথ :১ম পর্ব 
পুরুষের জবাব

সাম্রাজ্যবাদের দরবারে পুরুষ আমি রাজা,
 আমি মাথা ,আমি গৌরব,
সকল কাজের সাজা।

সবকিছু করি গঠন—
পরিবার, সমাজ, রাজ্য,
নিজের রক্ত, নিজের ঘাম ছড়িয়ে করি অর্জন।
পেশি বলে শক্ত আমি, বুদ্ধি বলেও তাই।

এত কিছু করেও কেন কাপুরুষ কয় আমায়?

পুরুষ তুমি রাজা বটে, যুদ্ধ করো বাইরে,
ঘরে ফিরে কেন তোমার প্রজার চোখের জল ঝরে?

রক্ত ঝরাও,রাজ্য গড়,, সত্যি বীর তুমি,
আমার এক ফোঁটা জলের দাম দিলে না কেন তুমি?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260424/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 13:25:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দ্বৈরথ :১ম পর্ব<br />
পুরুষের জবাব</p>
<p>সাম্রাজ্যবাদের দরবারে পুরুষ আমি রাজা,<br />
 আমি মাথা ,আমি গৌরব,<br />
সকল কাজের সাজা।</p>
<p>সবকিছু করি গঠন—<br />
পরিবার, সমাজ, রাজ্য,<br />
নিজের রক্ত, নিজের ঘাম ছড়িয়ে করি অর্জন।<br />
পেশি বলে শক্ত আমি, বুদ্ধি বলেও তাই।</p>
<p>এত কিছু করেও কেন কাপুরুষ কয় আমায়?</p>
<p>পুরুষ তুমি রাজা বটে, যুদ্ধ করো বাইরে,<br />
ঘরে ফিরে কেন তোমার প্রজার চো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260424"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260424/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7cf220c4396c8e75e1b9134406aa6e94</guid>
				<title>Poly Alam and rifat humu are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260422/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 13:21:45 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c36590b62c0bf2daa08598d3f9fd482d</guid>
				<title>২৭৪৭.
আমি কে,কে আমার।

আমি কে, কে আমার 
বলে যাই,আমি, আমার;
সবই দেখি মিছে মায়া
বুঝি,ক্ষণিকের খেলাঘর।

কে বড় কে ছোট
বুজি কি আমি আর?
কে মরে কে অমর,
কোনটি আমি তার।
মা বাবা ভাই বোন
স্ত্রী পুত্র কন&#x200d;্যা স্বজন-
ডাক ধরি কতো নামে
কিছু বুঝি কি আমি তার?

ধরি করি করে মরি
আমি করি বলি আমার -
আমার,আমি রে খুঁজি 
পেয়েছে কি কেউ আর?
&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;
মোঃ আলেফ শরীফ,
২৭৪৭.২০.০৬.২৫ইং,ঢাকা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260408/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:05:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>২৭৪৭.<br />
আমি কে,কে আমার।</p>
<p>আমি কে, কে আমার<br />
বলে যাই,আমি, আমার;<br />
সবই দেখি মিছে মায়া<br />
বুঝি,ক্ষণিকের খেলাঘর।</p>
<p>কে বড় কে ছোট<br />
বুজি কি আমি আর?<br />
কে মরে কে অমর,<br />
কোনটি আমি তার।<br />
মা বাবা ভাই বোন<br />
স্ত্রী পুত্র কন&#x200d;্যা স্বজন-<br />
ডাক ধরি কতো নামে<br />
কিছু বুঝি কি আমি তার?</p>
<p>ধরি করি করে মরি<br />
আমি করি বলি আমার &#8211;<br />
আমার,আমি রে খুঁজি<br />
পেয়েছে কি কেউ আর?<br />
&#8220;&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260408"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260408/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">885ac53479922dda0c83c8b89311c646</guid>
				<title>২৭৪২.
সাগরের উর্মি হতেও পারি।

সাগরের উর্মি আমি হতেও পারি-
যদি তুমি তীর হয়ে মোরে,
বুকে তুলে নাও।
হতে পারি ঐ দূর আকাশ টি ও-
হয়ে যদি তুমি জোৎস্না 
তব বুকেতে জড়াও।

তাজমহলও আমি হতে পারি-
শাহজাহানের মতো করে
ভালোবাসা দাও-
ফোটা ফুল ফাগুনে হতে পারি 
যদি হয়ে মৌকর কানে 
গুন গুনে গাও।

ক্ষেত ফসলের কচি ডগাটিও
আমি হতে পারি -
যদি দখিণা বাতাস হয়ে,
মনে দোল দিয়ে যাও।
&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;
মোঃ আলেফ শরীফ,
১৯.০৬.২৫ইং,৭.৩০,ঢাকা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260404/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 11:30:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>২৭৪২.<br />
সাগরের উর্মি হতেও পারি।</p>
<p>সাগরের উর্মি আমি হতেও পারি-<br />
যদি তুমি তীর হয়ে মোরে,<br />
বুকে তুলে নাও।<br />
হতে পারি ঐ দূর আকাশ টি ও-<br />
হয়ে যদি তুমি জোৎস্না<br />
তব বুকেতে জড়াও।</p>
<p>তাজমহলও আমি হতে পারি-<br />
শাহজাহানের মতো করে<br />
ভালোবাসা দাও-<br />
ফোটা ফুল ফাগুনে হতে পারি<br />
যদি হয়ে মৌকর কানে<br />
গুন গুনে গাও।</p>
<p>ক্ষেত ফসলের কচি ডগাটিও<br />
আমি হতে পারি &#8211;<br />
যদি দখিণা বাতা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260404"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260404/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">334d4bb46dd2fd0a3faefaafdcf76632</guid>
				<title>অমৃত

কিছুদিন হলো সাদের বাবা বিদেশ থেকে এসেছেন। এসেই তিনি খেয়াল করেন সাদ কিছুই খায়না। সাদের মা সারাদিন সাদের পিছনে খাবার নিয়ে লেগে থাকেন। সাদের বয়স নয় বছর। সারাক্ষণই তার মা এটা ওটা রান্না করছেন আর সাদকে খেতে বলছেন। সাদ বিরক্তির ভাব নিয়ে মায়ের দিকে তাকায়। সাদের বাবা এসব দেখলেন কিন্তু কিছুই বললেন না। 

সাদের স্কুল এগারোটায় ছুটি হয়ে যায়। স্কুল থেকে ফিরে সাদ কাপড় চোপড় আর স্কুল ব্যাগ এখানে সেখানে ছুঁড়ে ফেলে দিল। সাদের বাবা এগিয়ে আসলেন।

&quot;কাপড়গুলো আর স্কুল ব্যাগ ঠিক জায়গায় রাখো, সাদ।&quot;

বাবার গলায় কিছু একটা ছিল সাদ সবকিছু জায়গা মতো রাখলো। কিছুক্ষণ পরে সাদকে ডাকলেন তার বাবা। 

&quot;এই পুই শাকগুলোকে ডাটা থেকে আলাদা করে একটা ঝুড়িতে রাখো।&quot;

সাদকে তিনি পুইশাক ডাটা থেকে আলাদা করতে ও ডাটাগুলো কিভাবে কাটতে হয় দেখিয়ে দিলেন। 
এরপর তিনি সাদকে আলু কিভাবে কাটতে হয় শেখালেন। মাংস কাটা ও ধোয়া সাদকে পাশে রেখে করলেন। ভাত উঠিয়ে কিভাবে মাড় গালাতে হয় দেখালেন। 

সাদ দেখলো বাবা গরুর মাংস টমেটো আর আলু দিয়ে কষাচ্ছে। তারপর কতোক্ষণ ঢেকে রাখলো হাড়িটা। বেশ অনেকটা পানি বের হয়ে আসছে দেখে বাবা আরো কতোক্ষণ হাড়িটা ঢেকে রাখলো। আরো কিছুক্ষণ মাংসটা নেড়ে হাড়িতে কাপ দিয়ে গরম পানি দিল বাবা। সাদের কাছে ব্যাপারটা বেশ ইন্টেরেস্টিং মনে হলো। তার নিজের কিছু রান্না করতে ইচ্ছে করলো।

সাদকে টমেটো, শঁশা, পিঁয়াজ আর কাঁচা মরিচ কাটতে দিলেন। বাপ-বেটার রান্না সাদের মা মাঝে মাঝে উঁকি মেরে দেখে চলে যাচ্ছিলেন। 

সব রান্না শেষে সাদকে তিনটি প্লেট ধুতে বললেন বাবা। নিজে বাটিগুলো ধুয়ে তিনজনে খেতে বসলেন। সাদ গরুর মাংস আর আলু দিয়ে ভাত মেখে মুখে দেয়ার পরে বাবা জিজ্ঞেস করলেন: 

&quot;খেতে কেমন হয়েছে, সাদ?&quot;
&quot;দারুন! বাবা, মাংস খাওয়ার পরে একটু শাক দিও।&quot;

সাদ শাক দিয়েও ভাত খেল। সাদের মায়ের কাছে সেটা ছিল অবিশ্বাস্য ব্যাপার।

&quot; বিকেলে বাজারে যাব, তুমিও আমার সঙ্গে বাজার করবে।&quot;

সাদ মাথা নাড়ালো।

&quot;আসলে হয়েছে কী সাদ, যেসব জিনিস আমরা পরিশ্রম ছাড়া পাই সেসব ব্যাপারে আমাদের আগ্রহ থাকেনা। তুমি যদি হেঁটে বাজারে যাও-জিনিসপত্র খুঁজে খুঁজে কেনাকাটা করো তারপরে মা&#039;কে রান্নায় সাহায্য করো খাবারগুলো তোমার অনেক মজার লাগবে। বিদেশে আমাদের রান্না করে খেতে হয়। প্রথম প্রথম রান্নায় লবন কম বেশি হতো, ভাত গলে যেত তবু সেই ভাত অমৃতের মতো লাগতো।

&quot; অমৃত কী বাবা?&quot;

&quot;অমৃত! ওহ! কিভাবে বোঝাব! ওই যা বেহেশতে পাওয়া যাবে মানে অনেক মজার! দাঁড়াও গুগল করে দেখি।&quot;
বাবার প্লেটের পাশেই ফোনটা ছিল। তিনি বাম হাত দিয়ে গুগলে টাইপ করছেন &quot;অমৃত কী?&quot; সাদ বোঝার চেষ্টা করছে আজ যেটা খেল সেটা কী অমৃত হতে পারে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260403/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 11:29:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অমৃত</p>
<p>কিছুদিন হলো সাদের বাবা বিদেশ থেকে এসেছেন। এসেই তিনি খেয়াল করেন সাদ কিছুই খায়না। সাদের মা সারাদিন সাদের পিছনে খাবার নিয়ে লেগে থাকেন। সাদের বয়স নয় বছর। সারাক্ষণই তার মা এটা ওটা রান্না করছেন আর সাদকে খেতে বলছেন। সাদ বিরক্তির ভাব নিয়ে মায়ের দিকে তাকায়। সাদের বাবা এসব দেখলেন কিন্তু কিছুই বললেন না। </p>
<p>সাদের স্কুল এগারোটায় ছুটি হয়ে যায়। স্কুল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260403"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260403/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">065640596b175c613d1d6381eb4bf103</guid>
				<title>২৭৪১.
জীবন সেতো ক্ষণিকের।

জীবন সেতো ভবে ক্ষণিকের
আছে কে এমন, জানে না ভাই?
তবুও মানুষ জীবন পাড়ে-
করি ধরি করে শুধু আরো চাই।

হানাহানি করি খুনুখুনি করি 
আরও করি ঝগড়া বিবাদ-
কি আছে যে কিবা যে নেই, 
যাই করে সবাই এরই হিসাব;
থাকবো ভোগে কটুকু সময়-
সে দিকেতো আর খেয়াল নাই।

চলতে পথে করি কতো ভুল-
কথা কাজে মিল যে যাই;
একটু বসে নিরজনে কেউ
ভাবি কি?নিজেরে সুধরাই?
হতো কখনো এমন কখনো
স্বর্গ বুঝি হতো এ,পৃথিবীটাই।
&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;
মোঃ আলেফ শরীফ,
২৮৪১.২৬.০৬.২৫ইং,ঢাকা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260401/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 11:09:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>২৭৪১.<br />
জীবন সেতো ক্ষণিকের।</p>
<p>জীবন সেতো ভবে ক্ষণিকের<br />
আছে কে এমন, জানে না ভাই?<br />
তবুও মানুষ জীবন পাড়ে-<br />
করি ধরি করে শুধু আরো চাই।</p>
<p>হানাহানি করি খুনুখুনি করি<br />
আরও করি ঝগড়া বিবাদ-<br />
কি আছে যে কিবা যে নেই,<br />
যাই করে সবাই এরই হিসাব;<br />
থাকবো ভোগে কটুকু সময়-<br />
সে দিকেতো আর খেয়াল নাই।</p>
<p>চলতে পথে করি কতো ভুল-<br />
কথা কাজে মিল যে যাই;<br />
একটু বসে নিরজনে কে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260401"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260401/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">29df2a4fe3a72aa524585c14821a55e7</guid>
				<title>অনন্ত তোমার খোঁজে
— পারভেজ শিশির
১১ আগস্ট ২০২৬ মঙ্গলবার
​
কীভাবে অমানিশায় প্রদীপের মতো জ্বলেছি,
কেউ দেখুক না দেখুক, তুমি তো দেখেছো চাঁদ 
আমার ব্যথা কীভাবে জ্যোৎস্নার সাথে মিশেছে,
কীভাবে কত নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাসে
কত প্রহরে পাল্টেছে ঋতু, জলচূর্ণ হয়েছে মেঘ,
শোধরানো হয়নি আর কিছুতেই কোনো প্রমাদ
বিরহের তাপে গ&#039;লে গ&#039;লে সে মেঘ হুতাশে,
কেমন সজল নেমেছে বুকের শার্শি বেয়ে…! 
​
শূন্য অন্তকরণে তাঁর অপেক্ষায়  
কীভাবে দাঁড়িয়ে থেকেছি অজস্র রাত, 
কেউ দেখুক না দেখুক, তুমি তো দেখেছো চাঁদ
কীভাবে অবলীলায় শিশির ঝরেছে চোখে…!
কত দীর্ঘযাত্রার ইতিহাস পথের ধুলোয়
কীভাবে সময়ের কাঁটা গেছে থেমে, 
তাঁর প্রেমে একটা আঙুলের ইশারায়
ছেড়ে এসেছি জীবনের যাবতীয় দেনা পাওনা,
আপন পর সমস্তই যা বাঁধা ছিল বিনিসুতোয়...
​
কত অপেক্ষায় সকাল হয়েছে সন্ধ্যে
কীভাবে কখন রাত্রি হয়েছে ভোর,
তাঁর প্রণয় আগুনে পুড়েছে আমার পালক 
আসে যায় না আর কোনো ভালো মন্দে,
কেনই বা তাঁর রূপ লাবণ্যে, অন্ধ হয়েছে চোখ,
কত কত প্রশ্নেরই তো জানা হলো না উত্তর!
কেউ দেখুক না দেখুক, তুমি তো দেখেছো চাঁদ
কীভাবে কোথায় কোথায় নিথুয়া অন্ধকারে, ​ 
জোনাকির মতো জ্বলেছি যে তাঁর খোঁজে
পথের ধুলোয় ব&#039;সে বিষণ্ণ কোনো গানে,
কত অভিমান কীভাবে বুকের গভীরে বেজে গেছে !
​
একটি শিশিরের শব্দিতা প্রযোজনা © ২০২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260399/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:59:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p><strong>অনন্ত তোমার খোঁজে</strong><br />
— পারভেজ শিশির<br />
১১ আগস্ট ২০২৬ মঙ্গলবার<br />
​<br />
কীভাবে অমানিশায় প্রদীপের মতো জ্বলেছি,<br />
কেউ দেখুক না দেখুক, তুমি তো দেখেছো চাঁদ<br />
আমার ব্যথা কীভাবে জ্যোৎস্নার সাথে মিশেছে,<br />
কীভাবে কত নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাসে<br />
কত প্রহরে পাল্টেছে ঋতু, জলচূর্ণ হয়েছে মেঘ,<br />
শোধরানো হয়নি আর কিছুতেই কোনো প্রমাদ<br />
বিরহের তাপে গ&#8217;লে গ&#8217;লে সে মেঘ হুতাশে,<br />
কেমন সজল ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260399"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260399/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5400ce842c2af843adc08a87e175ba00</guid>
				<title>Md Nurnobi islam sumon changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260398/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:57:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">470b25129b73fd1936ba4a35ff5a4909</guid>
				<title>তারপর একদিন 
চশমাটা ও খুব প্রিয় 
হয়ে যায়।
যদি ও বয়ে বেড়ানো ভীষণ যন্ত্রণার
অথচ ছুঁড়ে ফেললেই 
দুনিয়া অন্ধকার !!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260392/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:34:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তারপর একদিন<br />
চশমাটা ও খুব প্রিয়<br />
হয়ে যায়।<br />
যদি ও বয়ে বেড়ানো ভীষণ যন্ত্রণার<br />
অথচ ছুঁড়ে ফেললেই<br />
দুনিয়া অন্ধকার !!!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">171d2f3f918317ba3c1ed15863f2087c</guid>
				<title>রাত যদি জেনে যায়

রাত যদি জেনে যায়
আমার জীবনের গল্পটা,
আমার হৃদয়ের ক্ষতটাকে
না ছোঁয়ালেই হয়—
দুঃখটাকে একপাশে রেখে।

রাত...

একাকী নীরব ভালোবাসা,
শহরতলীর ল্যাম্পপোস্টের নিয়নে,
মৃত ফ্ল্যাশব্যাকে,
ঘুমন্ত মানুষেরই ছায়া—
ছায়া শরীরে।

বলতে না পেরে
মানুষ তার ভালোবাসাটাকে,
কোন সে সময়ে আসবে—
পুনর্জন্মতেই যুগ যুগগুলো কাটে।

হাঁটি তোমারই শহরে,
অলিগলির ল্যাম্পপোস্টে,
মানুষেরই ভিড়ে—
একা নই আমি।

ভাবো তো, তোমারও
কী মনে হয়েছিল?
সেই আমি, এই
শহরতলীর নিয়নে?

না, বোধ হয়
তুমি ঘুমে। তবে
তোমার আত্মার ছায়া
ল্যাম্পপোস্টে,
আমিও ছায়াতে
ভালোবাসি...

শুধু এমন তোমাকে বলেই
চলে যাই আমি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260384/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:24:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাত যদি জেনে যায়</p>
<p>রাত যদি জেনে যায়<br />
আমার জীবনের গল্পটা,<br />
আমার হৃদয়ের ক্ষতটাকে<br />
না ছোঁয়ালেই হয়—<br />
দুঃখটাকে একপাশে রেখে।</p>
<p>রাত&#8230;</p>
<p>একাকী নীরব ভালোবাসা,<br />
শহরতলীর ল্যাম্পপোস্টের নিয়নে,<br />
মৃত ফ্ল্যাশব্যাকে,<br />
ঘুমন্ত মানুষেরই ছায়া—<br />
ছায়া শরীরে।</p>
<p>বলতে না পেরে<br />
মানুষ তার ভালোবাসাটাকে,<br />
কোন সে সময়ে আসবে—<br />
পুনর্জন্মতেই যুগ যুগগুলো কাটে।</p>
<p>হা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260384"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260384/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">431cea5175db271d4117170c2ec80ed3</guid>
				<title>ক্ষোভের লম্বা ক্ষত 
তাপস কুমার দে 

সীমাবদ্ধতা অস্ত্রের মতো উঁচিয়ে ধরে সৃজনে লাল রেখা টেনে দিয়েছে 

আমি নই —
লাইনের পর লাইন দাঁড়িয়ে আছে স্রষ্টা 
সে আমার কবিতা নয় প্রার্থনা 

নিরব নিশি যাপনের পিঠে  দীর্ঘ ব্যঞ্জনা লেগে থাকে
সৃষ্টি 
বিসর্জন
অভিশাপের মতো ডাকপিওনের সাথেও জোটবদ্ধভাবে পারস্পরিক সম্পর্ককে চুলের বেনী করা ফুলের মতো বেঁধে রাখতে,  চোখ রাখতে হয়  নক্ষত্র পতনের মধ্যে 

সে কবিতা দশ লাইনে লেখা যায় না
সে কবিতা লিখতে আস্ত একটা খোলা কাগুজে মানুষ লাগে

স্তনের আলো লাগে
যোনির কালি লাগে।। 

তাপস কুমার দে 
খুলনা, বাংলাদেশ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260377/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:15:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ক্ষোভের লম্বা ক্ষত<br />
তাপস কুমার দে </p>
<p>সীমাবদ্ধতা অস্ত্রের মতো উঁচিয়ে ধরে সৃজনে লাল রেখা টেনে দিয়েছে </p>
<p>আমি নই —<br />
লাইনের পর লাইন দাঁড়িয়ে আছে স্রষ্টা<br />
সে আমার কবিতা নয় প্রার্থনা </p>
<p>নিরব নিশি যাপনের পিঠে  দীর্ঘ ব্যঞ্জনা লেগে থাকে<br />
সৃষ্টি<br />
বিসর্জন<br />
অভিশাপের মতো ডাকপিওনের সাথেও জোটবদ্ধভাবে পারস্পরিক সম্পর্ককে চুলের বেনী করা ফুলের মতো বেঁধে রাখতে,  চোখ রাখতে হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260377"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260377/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea2a586d865649af821c6cb0cef9c892</guid>
				<title>নৌকা ভ্রমণ ১৯৮৭

আবারও আমরা নৌকা ভ্রমণে পুরো প্রস্তুতি 
নিয়েছি,কিছুদিন আগের নৌকা ভ্রমণে খুব একটা মজা হয়নি,এবার আমি ও আমার দুই কাজিন ছিল, সাথে ফুফাতো বোনের স্বামীকে
সাথে নিয়েছি।
দুলাভাইকে সাথে নেওয়ার কারন, কেউ ডিস্টার্ব করতে পারবে না৷ 
মাঝি সুরেলা কণ্ঠে গান গাইছে,আমরা মুগ্ধ হয়ে গান শুনছি,পরিবেশটা এত সুন্দর ছিল, 
আকাশ ঘন কালে করে, যেন বৃষ্টি পড়বে,এমন একটি পরিস্থিতি । 
মাঝেমধ্যে  ঢেউ এসে, একবার উপরে উঠে যাচ্ছে,আবার নৌকা নীচে নেমে যাচ্ছে,ভয়ে আমরা চিৎকার  করছি। কিন্তু মজাও লাগছে 
সেদিন ছিল কোরবানি ঈদের দিন । 
কাজের জন্য আমরা নৌকা ভ্রমণে চলে 
গেছি। 
আমরা নদীর ওপারে গেলাম,ঘুরে ঘুরে গ্রাম দেখছি,বরাবরের মতো গাছ আমার খুব ভাল লাগে , পিছনে পিছনে পোলাপান হাটঁছে।
আজকে আমরা খুব  মজা করছি। 
একে ওকে জিজ্ঞেস করছি, আজকে কি দিন চলছে, মানে আজকে ঈদের দিন ওরা কেমন 
এনজয় করছে,কিন্তু আশ্চর্যের আজকে ঈদ,
কেউ জানেনা। 
একটি মহিলার কোলে বাচ্চা আরও কিছু বাচ্চা মহিলার গাঁ ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে, ওনাকে জিজ্ঞেস করলাম আজকে দিনের 
কথা, মহিলা কিছুই বলতে পারলোনা। 
পরিশেষে তাদের জন্য এত কস্ট লাগলো, 
আজকের দিনে আমরা আনন্দ ফূর্তি 
করছি, অথচ ওদের জীবন এত নিরানন্দ 
ভেবেই মনটা খারাপ হয়ে গেল । 

১১/৮/২০২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260374/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:13:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নৌকা ভ্রমণ ১৯৮৭</p>
<p>আবারও আমরা নৌকা ভ্রমণে পুরো প্রস্তুতি<br />
নিয়েছি,কিছুদিন আগের নৌকা ভ্রমণে খুব একটা মজা হয়নি,এবার আমি ও আমার দুই কাজিন ছিল, সাথে ফুফাতো বোনের স্বামীকে<br />
সাথে নিয়েছি।<br />
দুলাভাইকে সাথে নেওয়ার কারন, কেউ ডিস্টার্ব করতে পারবে না৷<br />
মাঝি সুরেলা কণ্ঠে গান গাইছে,আমরা মুগ্ধ হয়ে গান শুনছি,পরিবেশটা এত সুন্দর ছিল,<br />
আকাশ ঘন কালে করে, যেন বৃষ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260374"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260374/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>