<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Site-Wide Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_astream/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_astream/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for the entire site.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 06 Oct 2026 16:42:37 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">0eb6575b76c0f90b3727d0ae4b0684cc</guid>
				<title>ছায়া
প্রথম ছায়া স্বপ্ন প্রথম ভালবাসা,
কোন বিকৃত নই, নই কোন স্বপ্ন
তবে কেন আস ঘুরে ফিরে দুচোখে।
তোমায় চেনা তোমায় জানা আইডির মাঝা মাঝি। 
তুমি মানুষ নও নাকি অশ্বোরির
তবু কেন মনে হয় তুমি শয়ন স্বপ্ন।
দিন যেয়ে রাত আসে  আইডি টা পড়ে রয়
অস্পষ্ট স্বপ্ন যেন ভাসে দুচোখের আয়নাতে।
কত হাজার কন্ঠের ভিড়ে খুঁজি চলি সেই কন্ঠ।
ভাষার কলকাকলিতে ভেসে আসে অজানা কিছু সুর,
বেহিসেবে  পড়ে রয় আবেগ ঘন কোন মুহূত।
তোমায় দেখি নাই, তোমায় চিনি না
তোমায় দিয়েছি বিশ্বাসের বিষয়বস্তু।
যেন সমস্ত পরিচয়ের সম্বনয়ে তুমি বেস্ট পরিচিতি। 
আধা ভাঙা স্বপ্ন সুখেরি বার্তা খুঁজে
তবু ভাঙে শুকনো পাতার র্মমর শব্দে।

কলমে: শারমিন আক্তার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282671/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 16:25:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছায়া<br />
প্রথম ছায়া স্বপ্ন প্রথম ভালবাসা,<br />
কোন বিকৃত নই, নই কোন স্বপ্ন<br />
তবে কেন আস ঘুরে ফিরে দুচোখে।<br />
তোমায় চেনা তোমায় জানা আইডির মাঝা মাঝি।<br />
তুমি মানুষ নও নাকি অশ্বোরির<br />
তবু কেন মনে হয় তুমি শয়ন স্বপ্ন।<br />
দিন যেয়ে রাত আসে  আইডি টা পড়ে রয়<br />
অস্পষ্ট স্বপ্ন যেন ভাসে দুচোখের আয়নাতে।<br />
কত হাজার কন্ঠের ভিড়ে খুঁজি চলি সেই কন্ঠ।<br />
ভাষার কলকাকলিতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282671"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282671/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a644290bae95eb621327d6e993b221a0</guid>
				<title>আশার প্রদীপ
আশার  প্রদীপ নিভে গেল কেন? 
বুকের পাজরে চাপা ব্যাথা
নিস্তব্দ রাতের মত ঝিমিয়ে পরে
অগোছালো ভাষা নিঃশব্দতা, 
বড় নিদারুন একাকী।
কি জানি হারিয়ে গেছে,
জীবনের নিয়মা রুটিনের সকাল সন্ধ্যা।
চেহারার মলিনতা অস্পষ্ট অন্ধ্যকার ছাপে, 
মাকড়োসার মত জাল বুনেছে অস্থায়ী
অনিশ্চিত ভবিষ্যতে পা বাড়িয়ে।
সবার জীবনে কি সাফল্যতা আসে , 
বুঝেও কেন মন করে পাগলামী।
সুখের হাসির মিশ্রিত জীবন
আজ একেবারে নিঃস্ব
বুঝতে পারি না সুস্ক প্রতিদান।
জীবনের গতি নেই পিছু
কি করে টানব অতীতের স্মৃতি
নির্ঝনে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে
চলে আসছে বিষাদ সিন্ধু।
কলমে:
শারমিন আক্তার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282670/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 16:23:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আশার প্রদীপ<br />
আশার  প্রদীপ নিভে গেল কেন?<br />
বুকের পাজরে চাপা ব্যাথা<br />
নিস্তব্দ রাতের মত ঝিমিয়ে পরে<br />
অগোছালো ভাষা নিঃশব্দতা,<br />
বড় নিদারুন একাকী।<br />
কি জানি হারিয়ে গেছে,<br />
জীবনের নিয়মা রুটিনের সকাল সন্ধ্যা।<br />
চেহারার মলিনতা অস্পষ্ট অন্ধ্যকার ছাপে,<br />
মাকড়োসার মত জাল বুনেছে অস্থায়ী<br />
অনিশ্চিত ভবিষ্যতে পা বাড়িয়ে।<br />
সবার জীবনে কি সাফল্যতা আসে ,<br />
বুঝেও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282670"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282670/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7b8a6d04198e8f36d8899b5984787471</guid>
				<title>কলমে --শারমিন আক্তার সাথী
নিঃসঙ্গ
দু চোখের আয়নায় মৃত্যু যেন,
ঘনিয়ে আসে ধাপে ধাপে
ঘড়ির কাঁটার টিক টিক শব্দে,
মনে হয় বুক পাঁজরের 
বিজলী চমকানোর মত ধমকায় ।
ব্যস্ত পৃথিবী নিঃশব্দে ঘুমিয়ে 
নিমগ্ন প্রকৃতির কোলে ।
নিঃসঙ্গ আমি একাকী জেগে
স্মৃতি জানালা খুলে,
অপ্রত্যাশিত কিছু মুখ যেন
হাত বাড়িয়ে দেয়।
সুখ আমার গেছে চলে
কবে দূর অজানায় ।
কেন আধো ভাঙা স্বপ্ন,
সীমাহীন ধরনী জনস্রোত
হামাগুড়ি দিয়ে আসে দু চোখে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282669/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 16:21:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কলমে &#8211;শারমিন আক্তার সাথী<br />
নিঃসঙ্গ<br />
দু চোখের আয়নায় মৃত্যু যেন,<br />
ঘনিয়ে আসে ধাপে ধাপে<br />
ঘড়ির কাঁটার টিক টিক শব্দে,<br />
মনে হয় বুক পাঁজরের<br />
বিজলী চমকানোর মত ধমকায় ।<br />
ব্যস্ত পৃথিবী নিঃশব্দে ঘুমিয়ে<br />
নিমগ্ন প্রকৃতির কোলে ।<br />
নিঃসঙ্গ আমি একাকী জেগে<br />
স্মৃতি জানালা খুলে,<br />
অপ্রত্যাশিত কিছু মুখ যেন<br />
হাত বাড়িয়ে দেয়।<br />
সুখ আমার গেছে চলে<br />
কবে দূর অজানা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282669"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282669/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2930558e9531bfb82836f1132bee67ba</guid>
				<title>শারমিন আক্তার changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282663/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 15:53:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7c75f9725fd9e6bc99325b6e3a7f5556</guid>
				<title>ছায়াশরীরের ঋণ
___ পি কে সরকার

​আজিমপুরের সাড়ে তিন নম্বর চায়না বিল্ডিং গলিটার ওপর যখন রাত নামে, তখন বিষাক্ত স্যাঁতসেঁতে সোঁদা গন্ধ আর সোডিয়াম বাতিগুলোর নিস্তেজ হলুদ আলো মিলেমিশে এক অন্ধ গলিপথ তৈরি করে। গলির ভেতরে &#039;পাঠশালা একাডেমিক কোচিং&#039;—বাইরে চকচকে ব্যানারের নিচে জমে থাকা চকের গুঁড়ো, ঘামের গন্ধ আর ফ্যানের প্যানপ্যানানিতে দম আটকে আসে।
​ক্যাশ টেবিলের ভাঙা প্লাস্টিকের চেয়ারটায় মাথা নিচু করে বসে আছে রুদ্রনীল কুজুর। উত্তরবঙ্গের এক প্রান্তিক নৃগোষ্ঠী পরিবার থেকে ভাগ্যের নির্মম টানে সে আজ ঢাকার এই ইটের খাঁচায়। অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজের বাহানায় সকালে ঝাঁট দেওয়া থেকে শুরু করে রাতে বকেয়া বেতন আদায়ের তাগাদা—সবই তার কাঁধে। অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের বইগুলো ব্যাগের তলায় যেন অক্সিজেনের অভাবে ছটফট করে। পকেটে সামান্য মেস-ভাড়ার টাকা নেই, অথচ গাঁও থেকে বাবার ফোন—&quot;বাবা, ওষুধ না খেলে তো মা বাঁচবে না...&quot;
​রাত দশটা বাজতেই কোচিংয়ের মালিক শফিক সাহেব তাঁর ভারী শরীরটা নিয়ে এসে দাঁড়ালেন। টেবিলের ওপর চাপড় মেরে খেঁকিয়ে উঠলেন, &quot;কুজুর! ক্যাশের ড্রয়ার থেকে আজ পাঁচ হাজার টাকা কম কেন? আদিবাসীদের রক্তে নাকি চুরি থাকে না, তুই তো দেখি আমার রক্ত চুষে খাচ্ছিস!&quot;
​রুদ্রনীল শিউরে উঠে দাঁড়াল। &quot;স্যার, আমি এক টাকাও নিইনি! হয়তো শুভঙ্করবাবু গণনায় ভুল করেছেন...&quot;
​পাশেই দাঁড়িয়ে এক কুটিল হাসি হাসল কোচিংয়ের প্রধান শিক্ষক শুভঙ্কর। সে চায়ে চুমুক দিয়ে বলল, &quot;শফিক সাহেব, ওসব আদিবাসী সততার গল্প ফালতু। কাল সকালের মধ্যে পাঁচ হাজার টাকা ক্যাশে জমা না পড়লে সোজা লালবাগ থানায় চালান করে দেব। অনার্সের পড়া আর জেলে বসে পড়তে হবে।&quot;
​চাকরি আর সম্মানের শেষ সুতোটুকু ছিঁড়ে যাওয়ার উপক্রম। পেটে দুপুরের ভাতটুকুও পড়েনি। রাত সাড়ে দশটায় কোচিং বন্ধ করে রুদ্রনীল যখন বের হলো, তার মাথা কাজ করছিল না। গোরস্থানের সোডিয়াম আলো পেরিয়ে তিন মাথার মোড়ের সেই ধুলোমাখা ভাতের হোটেলটার দিকে পা বাড়াল সে।
​হোটেলের মালিক খালেক মিয়া প্লেটে এক দলা মোটা চালের ভাত আর বাসি ডাল ঢেলে দিয়ে ফিসফিস করে বলল, &quot;রুদ্র, আজ আর ডাল খাস না। ওতে পানি বেশি। তোদের পাঠশালার শুভঙ্কর স্যার তো সন্ধ্যায় এসে তোর নামে পুলিশে ডায়েরি করার হুমকি দিয়ে গেল। শোন ছোকরা, এই শহরে গরিব হওয়াটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ।&quot;
​পেটের খিদে এক লহমায় মরে গেল। ভাত না ছুঁয়ে পকেট থেকে একটা দু-টাকার ফিল্টারহীন সস্তা সিগারেট বের করে রুদ্রনীল একলা হেঁটে গেল আজিমপুর ইরানি কবরস্থানের নির্জন মেহগনি গাছটার নিচে। নিঃশব্দ রাতে দেশলাই কাঠিটা জ্বালতেই আগুনের আলোয় জ্বলজ্বল করে উঠল তার ক্লান্ত, নিষ্পাপ আর চরম অসহায় চোখ দুটো।
​সিগারেটের বিষাক্ত ধোঁয়া ফুসফুসে টানতেই গোরস্থানের অন্ধকার থেকে হঠাৎ একটা ভারী, খসখসে কণ্ঠস্বর ভেসে এল।
​&quot;পাঁচ হাজার টাকার হিসাব মেলাতে পারছিস না, না রে কুজুর?&quot;
​রুদ্রনীল ভয়ে ছিটকে পিছিয়ে গেল। &quot;কে? কে ওখানে?&quot;
​গাছের ছায়াপথ ফুঁড়ে বেরিয়ে এল তিন হাত লম্বা এক কাঠের লাঠিতে ভর দেওয়া জীর্ণ, অন্ধ প্রায় এক বুড়ো। লোকটার এক চোখে সাদা ছানি, অন্য চোখটা রগ বেয়ে গলে পড়া আগুনের মতো জ্বলছে। জামা-কাপড়ে তীব্র সোঁদা মাটি আর পোড়া ধূপের গন্ধ। রুদ্রনীল চিনতে পারল—এ লোকটা গোরস্থানের পুরোনো ডোম, নাম কালু শেখ। কিন্তু কালু শেখ তো লোকালয়ে বড় একটা কথা বলে না!
​কালু শেখের পেছনেই দাঁড়িয়ে আছে এক অদ্ভুত তরুণী—মাথায় ঘোমটা দেওয়া, পরনে ময়লা শাড়ি, হাতে একটা পোড়া মাটির হাঁড়ি। তার চোখ দুটো যেন এই পৃথিবীর নয়, চরম বিষাদে ভরা।
​কালু শেখ তার লাঠিটা মাটিতে ঠুকে গম্ভীর স্বরে বলল, &quot;তোর ক্যাশের পাঁচ হাজার টাকা তুই চুরি করিসনি রুদ্র। টাকাটা শুভঙ্কর নিজে নিয়ে তোর ব্যাগে ভরে রেখেছে, যেন তোকে তাড়িয়ে নিজের শ্যালককে ওই চেয়ারে বসাতে পারে।&quot;
​রুদ্রনীল অবাক হয়ে বলল, &quot;আপনি... আপনি কীভাবে জানেন? তাহলে আপনি পুলিশকে চলুন বলুন না! আমি তো নিস্পাপ!&quot;
​কালু শেখ এক কুটিল আর ভয়ংকর হাসি হাসল। &quot;পুলিশ? শহরের আইন তোদের মতো মানুষের জন্য তৈরি হয়নি রে কুজুর। কিন্তু তোর তো এর চেয়েও ভয়ংকর বিপদ সামনে। তুই যার কাছে পাঁচ হাজার টাকা দেনা বলছিস, তোর ভেতরের আত্মাকে তো বিক্রি করে রাখা হয়েছে অনেক আগেই!&quot;
​রুদ্রনীলের বুকের ভেতরটা ধড়ফড় করে উঠল। রক্ত হিম হয়ে এল। &quot;কী বলছেন আপনি? আমি তো কাউকেও...&quot;
​কালু শেখ পিছনের তরুণীটিকে সামনে টেনে আনল। তরুণীটি কাঠের পুতুলের মতো এগোলো। তার ফ্যাকাশে ঠোঁট দুটো খুলতেই এক বরফশীতল হাহাকার বের হয়ে এল, &quot;রুদ্রনীল... আমার বাবার হাড়ের ওপর নির্মিত এই আজিমপুরের মাটিতে তুই আজ রাজত্ব করার স্বপ্ন দেখছিস? তোর বাবা যে দশ বছর আগে গ্রাম ছেড়ে পালানোর সময় আমার জীবনটা বন্ধক রেখে এসেছিল এক জমিদারের কাছে... সেই দেনার হিসাব কে দেবে?&quot;
​রুদ্রনীল থরথর করে কাঁপতে লাগল। সে চিৎকার করে উঠল, &quot;কে আপনি? আমার বাবা একজন সাধারণ কৃষক! উনি কারো কাছে রক্ত বন্ধক রাখেননি!&quot;
​মেহগনি গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে সোডিয়ামের বিষাক্ত আলো এসে পড়ল মেয়েটির মুখে। মেয়েটির মুখের একপাশ ঝলসে যাওয়া, যেন বিষ খেয়ে মরার পর লাশটা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল।
​কালু শেখ রুদ্রনীলের কাঁধে তার বরফশীতল হাতটা রেখে ফিসফিস করে বলল, &quot;তুই যাকে বাবা বলে জানিস, সে তোর জন্মদাতা নয় কুজুর। তুই যার রক্ত বহন করছিস, সে বিশ বছর আগে এই আজিমপুরের গোরস্থানেই জীবন্ত কবর চাপা পড়েছিল তোর আসল পিতার হাতে। তোর নিজের অতীত, তোর পরিবারের আসল পরিচয়, আর তোকে ঘিরে বুনে যাওয়া এই খুনের চক্রান্ত—সব লুকিয়ে আছে শুভঙ্করের ড্রয়ারে থাকা ওই পুরোনো খতিয়ানের কাগজে। শুভঙ্কর তোকে জেলে পাঠাতে চায় না, সে তোকে চিরতরে মুছে দিতে চায়।&quot;
​গোরস্থানের বাতাসে হঠাৎ এক ভয়াল ঠাণ্ডা ঝাপটা এল। দূরে কোনো এক কুকুর একটানা করুণ সুরে কেঁদে উঠল।
​কালু শেখ পকেট থেকে একটা পুরোনো, কালচে হয়ে যাওয়া রুপোর আংটি বের করে রুদ্রনীলের চোখের সামনে ধরল। &quot;কাল সকালে শফিক সাহেবের ক্যাশে পাঁচ হাজার টাকা ফেরত দিবি, নাকি আজ রাতে এই বিষাক্ত গোরস্থানে নিজের আসল বাপের কবরটা খুঁড়ে সত্যটা মেনে নিবি? কোনটা বেছে নিবি রুদ্রনীল কুজুর?&quot;
​রুদ্রনীল স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তার হাত থেকে সিগারেটের জ্বলন্ত টুকরোটা ঝরে পড়ল শুকনো পাতার ওপর। অন্ধকারের ভেতর থেকে সেই তরুণীর বিষণ্ণ চোখের চাহনি আর কালু শেখের দানবীয় হাসি যেন তাকে এক অদৃশ্য ফাঁসের মতো চেপে ধরল। সে কি কেবলই এক অসহায় গরিব ছাত্র, নাকি এক ভয়ংকর অপরাধ আর পারিবারিক অভিশাপের নীরব শিকার?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282661/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 15:41:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছায়াশরীরের ঋণ<br />
___ পি কে সরকার</p>
<p>​আজিমপুরের সাড়ে তিন নম্বর চায়না বিল্ডিং গলিটার ওপর যখন রাত নামে, তখন বিষাক্ত স্যাঁতসেঁতে সোঁদা গন্ধ আর সোডিয়াম বাতিগুলোর নিস্তেজ হলুদ আলো মিলেমিশে এক অন্ধ গলিপথ তৈরি করে। গলির ভেতরে &#8216;পাঠশালা একাডেমিক কোচিং&#8217;—বাইরে চকচকে ব্যানারের নিচে জমে থাকা চকের গুঁড়ো, ঘামের গন্ধ আর ফ্যানের প্যানপ্যানানিতে দম আটকে আসে।<br />
​ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282661"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282661/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">391742f835c22c782a16082c002cae2b</guid>
				<title>গণতন্ত্র
মিহির চৌধুরী ইমন

তোমার সিংহাসনে তুমিই রাজা,
আমার কপালে প্রজার তিলক—
তবু দেয়ালে কেন
‘গণতন্ত্র’ নামের ফলক?

কোথায় হাসি, কোথায় কাঁদি— 
ভাবিতেও ভয় লাগে;
কোন কথায় কখন 
তোমার বারুদ
আমার বক্ষে জাগে?।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282653/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 15:32:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গণতন্ত্র<br />
মিহির চৌধুরী ইমন</p>
<p>তোমার সিংহাসনে তুমিই রাজা,<br />
আমার কপালে প্রজার তিলক—<br />
তবু দেয়ালে কেন<br />
‘গণতন্ত্র’ নামের ফলক?</p>
<p>কোথায় হাসি, কোথায় কাঁদি—<br />
ভাবিতেও ভয় লাগে;<br />
কোন কথায় কখন<br />
তোমার বারুদ<br />
আমার বক্ষে জাগে?।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">863863f37c686953afbab152b5c8b3cc</guid>
				<title>শিরোনাম: মাইগ্রেন্ থেকে প্রতিকার পাওয়ার জন্য আমার পরামর্শ।
লিখক: তিপলু হাসান তামিম।
পদবী: হাফেজ্ ও শিক্ষার্থী।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম: নুরিয়া্ ইসলামীয়া্ আলিম্ মাদ্রাসা্।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা: মছজিদ্দা,কুমিরা,সীতাকুণ্ড,চট্টগ্রাম।
বর্তমান অধ্যয়নরত শ্রেণী: আলিম্ দ্বিতীয় বর্ষ।
পুরাতন বাড়ির ঠিকানা: পূর্ব বাউরিয়া বেড়ীবাঁধ,সন্দ্বীপ,চট্টগ্রাম।
নতুন বাড়ির ঠিকানা: দক্ষিণ নিউ রহমতপুর,কুমিরা,সীতাকুণ্ড,চট্টগ্রাম।।।

প্রথম কথা হচ্ছে মাইগ্রেনের্ লক্ষণগুলো: মাথার একপাশে ব্যাথা করবে’ঝিনঝিন করবে,চোখ লাল থাকবে’ব্যাথা করবে,চোখ থেকে পানি পড়বে,চোখে ঝাঁপসা লাগবে,চোখ দিয়ে তাকাতে গিয়ে মাথা ঘোরাবে,নাক থেকে পানি পড়বে,শরীর দূর্বল লাগবে।দ্বিতীয় কথা হচ্ছে ইতিমধ্যে যাদের মধ্যে মাইগ্রেনের্ লক্ষণগুলো প্রকাশ পেয়েছে,তাঁরা দ্রুত চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হবেন।তৃতীয় কথা হচ্ছে যাদের মাইগ্রেন্ হয়েছে কিংবা হয় নাই তাঁরা যদি চান এই কাজগুলো অনুসরণ করতে পারেন।১,বয়স অনুযায়ী শরীরের ওজন অনুযায়ী নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা।২,বয়স অনুযায়ী শরীরের ওজন অনুযায়ী নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার খাওয়া।৩,বয়স অনুযায়ী শরীরের ওজন অনুযায়ী নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম যাওয়া।৪,যখন স্ক্রিনে্ সময় কাটাতে প্রয়োজন হয়,তখন চশমা কিংবা চোখের ল্যান্স্ ব্যবহার করা।এই চারটা কাজ অনুসরণ করলে স্রষ্টার ভরসায় মাইগ্রেন্ থেকে প্রতিকার পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।।।।।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282652/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 15:29:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: মাইগ্রেন্ থেকে প্রতিকার পাওয়ার জন্য আমার পরামর্শ।<br />
লিখক: তিপলু হাসান তামিম।<br />
পদবী: হাফেজ্ ও শিক্ষার্থী।<br />
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম: নুরিয়া্ ইসলামীয়া্ আলিম্ মাদ্রাসা্।<br />
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা: মছজিদ্দা,কুমিরা,সীতাকুণ্ড,চট্টগ্রাম।<br />
বর্তমান অধ্যয়নরত শ্রেণী: আলিম্ দ্বিতীয় বর্ষ।<br />
পুরাতন বাড়ির ঠিকানা: পূর্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282652"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282652/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a1f9dbfa683a495fdd473f1574014f0c</guid>
				<title>শিরোনাম: মাইগ্রেন্ থেকে প্রতিকার পাওয়ার জন্য আমার পরামর্শ।
লিখক: তিপলু হাসান তামিম।
পদবী: হাফেজ্ ও শিক্ষার্থী।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম: নুরিয়া্ ইসলামীয়া্ আলিম্ মাদ্রাসা্।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা: মছজিদ্দা, কুমিরা,সীতাকুণ্ড,চট্টগ্রাম।
বর্তমান অধ্যয়নরত শ্রেণী: আলিম্ দ্বিতীয় বর্ষ।
পুরাতন বাড়ির ঠিকানা: পূর্ব বাউরিয়া বেড়ীবাঁধ,সন্দ্বীপ,চট্টগ্রাম।
নতুন বাড়ির ঠিকানা: দক্ষিণ নিউ রহমতপুর,কুমিরা,সীতাকুণ্ড,চট্টগ্রাম।।।

প্রথম কথা হচ্ছে মাইগ্রেনের্ লক্ষণগুলো: মাথার একপাশে ব্যাথা করবে’ঝিনঝিন করবে,চোখ লাল থাকবে’ব্যাথা করবে,চোখ থেকে পানি পড়বে,চোখে ঝাঁপসা লাগবে,চোখ দিয়ে তাকাতে গিয়ে মাথা ঘোরাবে,নাক থেকে পানি পড়বে,শরীর দূর্বল লাগবে।দ্বিতীয় কথা হচ্ছে ইতিমধ্যে যাদের মধ্যে মাইগ্রেনের্ লক্ষণগুলো প্রকাশ পেয়েছে,তাঁরা দ্রুত চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হবেন।তৃতীয় কথা হচ্ছে যাদের মাইগ্রেন্ হয়েছে কিংবা হয় নাই তাঁরা যদি চান এই কাজগুলো অনুসরণ করতে পারেন।১,বয়স অনুযায়ী শরীরের ওজন অনুযায়ী নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা।২,বয়স অনুযায়ী শরীরের ওজন অনুযায়ী নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার খাওয়া।৩,বয়স অনুযায়ী শরীরের ওজন অনুযায়ী নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম যাওয়া।৪,যখন স্ক্রিনে্ সময় কাটাতে প্রয়োজন হয়,তখন চশমা কিংবা চোখের ল্যান্স্ ব্যবহার করা।এই চারটা কাজ অনুসরণ করলে স্রষ্টার ভরসায় মাইগ্রেন্ থেকে প্রতিকার পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।।।।।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282651/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 15:26:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: মাইগ্রেন্ থেকে প্রতিকার পাওয়ার জন্য আমার পরামর্শ।<br />
লিখক: তিপলু হাসান তামিম।<br />
পদবী: হাফেজ্ ও শিক্ষার্থী।<br />
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম: নুরিয়া্ ইসলামীয়া্ আলিম্ মাদ্রাসা্।<br />
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা: মছজিদ্দা, কুমিরা,সীতাকুণ্ড,চট্টগ্রাম।<br />
বর্তমান অধ্যয়নরত শ্রেণী: আলিম্ দ্বিতীয় বর্ষ।<br />
পুরাতন বাড়ির ঠিকানা: পূর্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282651"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282651/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0ecf9d961a056ce2436dc4409abf2158</guid>
				<title>শিরোনাম: মাইগ্রেন থেকে প্রতিকার পাওয়া জন্য আমার পরামর্শ।
লিখক: তিপুল হাসান তামিম।
পদবী: হাফেজ ও শিক্ষার্থী।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম: নুরিয়া ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসা।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা: মছজিদ্দা, কুমিরা,সীতাকুণ্ড,চট্টগ্রাম।
বর্তমান অধ্যয়নরত শ্রেণী: আলিম দ্বিতীয় বর্ষ।
পুরাতন বাড়ির ঠিকানা: পূর্ব বাউরিয়া বেড়ীবাঁধ,সন্দ্বীপ,চট্টগ্রাম।
নতুন বাড়ির ঠিকানা: দক্ষিণ নিউ রহমতপুর,কুমিরা,সীতাকুণ্ড,চট্টগ্রাম।।।


প্রথম কথা হচ্ছে মাইগ্রেনের্ লক্ষণগুলো: মাথার একপাশে ব্যাথা করবে&#039;ঝিনঝিন করবে,চোখ লাল থাকবে&#039;ব্যাথা করবে,চোখ থেকে পানি পড়বে,চোখে ঝাঁপসা লাগবে,চোখ দিয়ে তাকাতে গিয়ে মাথা ঘোরাবে,নাক থেকে পানি পড়বে,শরীর দূর্বল লাগবে।দ্বিতীয় কথা হচ্ছে ইতিমধ্যে যাদের মধ্যে মাইগ্রেনের্ লক্ষণগুলো প্রকাশ পেয়েছে,তাঁরা দ্রুত চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হন।তৃতীয় কথা হচ্ছে যাদের মাইগ্রেন্ হয়েছে কিংবা হয় নাই তাঁরা যদি চান এই কাজগুলো অনুসরণ করতে পারেন।১,বয়স অনুযায়ী শরীরের ওজন অনুযায়ী নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা।২,বয়স অনুযায়ী শরীরের ওজন অনুযায়ী খাবার নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার খাওয়া।৩,বয়স অনুযায়ী শরীরের ওজন অনুযায়ী নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম যাওয়া।৪,যখন স্ক্রিনে্ সময় কাটাতে প্রয়োজন হয়,তখন চশমা কিংবা চোখের ল্যান্স্ ব্যবহার করা।।।।।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282650/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 15:20:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: মাইগ্রেন থেকে প্রতিকার পাওয়া জন্য আমার পরামর্শ।<br />
লিখক: তিপুল হাসান তামিম।<br />
পদবী: হাফেজ ও শিক্ষার্থী।<br />
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম: নুরিয়া ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসা।<br />
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা: মছজিদ্দা, কুমিরা,সীতাকুণ্ড,চট্টগ্রাম।<br />
বর্তমান অধ্যয়নরত শ্রেণী: আলিম দ্বিতীয় বর্ষ।<br />
পুরাতন বাড়ির ঠিকানা: পূর্ব বাউরিয়া বেড়ীবাঁধ,সন্দ্বীপ,চট্টগ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282650"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282650/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bcc3c247ba782c1e331f62a143c4e20c</guid>
				<title>ফরিদুল ইসলাম and Jannatun Nur are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282646/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 13:30:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d990f16f5c3811282a67a129810d64d4</guid>
				<title>নদী পারের স্বপ্ন বিকেল
-- শরীফ এমদাদ হোসেন 

নদী পারের চেনা সেই গাঁ 
সে গাঁয়ের মেয়ে তুমি, তোমাকে আজও মনে পড়ে
খাতার পাতায় নদী এঁকে তোমাকে দিলাম
সেই থেকে মধুমতী তোমার হলো--
তারপর বহু যত্নে নদী পাড়ে লাগালে চন্দনের গাছ হলুদ চারা, রক্তজবা, হৈমন্তি ফুল
নদীর দুই পার সাজলো অপরূপ
পাখি আর মানুষের জীবনের গান, দুলে যাওয়া চাঁদ, ছড়ানো হলুদ রোদ, নদীর ভরা যৌবন।
দেহের বল্লরি সুশোভিত হবে ভেবে নদীকে তুমি পেচিয়ে নিলে বারোহাতি শাড়ির মতো
সে নদী ভাঙ্গলো অবুঝ সংসার ভিটেমাটি প্রেম
প্রার্থনালয় কবর শ্মশান
ভাঙ্গলো মনের দ্বার, আকাশের নীল ; ভেঙ্গে খান খান কতো স্বপ্ন বিকেল, সুখতারা রাত, প্রতীক্ষার প্রহর
আমি কি ছিলাম আমার, নাকি বেদনার? 

খাতার পাতায় আঁকা নদী নিয়ে এখনো কী আছো  
হে! গাঁয়ের মেয়ে? আজও কী তোমার স্বপ্ন গুলো ভেসে যায় মধুমতী জলে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282641/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 13:10:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নদী পারের স্বপ্ন বিকেল<br />
&#8212; শরীফ এমদাদ হোসেন </p>
<p>নদী পারের চেনা সেই গাঁ<br />
সে গাঁয়ের মেয়ে তুমি, তোমাকে আজও মনে পড়ে<br />
খাতার পাতায় নদী এঁকে তোমাকে দিলাম<br />
সেই থেকে মধুমতী তোমার হলো&#8211;<br />
তারপর বহু যত্নে নদী পাড়ে লাগালে চন্দনের গাছ হলুদ চারা, রক্তজবা, হৈমন্তি ফুল<br />
নদীর দুই পার সাজলো অপরূপ<br />
পাখি আর মানুষের জীবনের গান, দুলে যাওয়া চাঁদ, ছড়ানো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282641"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282641/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9b21c7277dffdf877f08987c5999c93d</guid>
				<title>ফরিদুল ইসলাম and মেহেদী মারুফ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282639/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 13:04:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">55dffc96ca9af1187e5059474611b2f9</guid>
				<title>একজন দূরত্বের পথ দেখিয়ে দেয়। অপরজন সেই পথ ধরে বহুদূরে চলে যায়।

--মেহেদী মারুফ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282638/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 13:03:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একজন দূরত্বের পথ দেখিয়ে দেয়। অপরজন সেই পথ ধরে বহুদূরে চলে যায়।</p>
<p>&#8211;মেহেদী মারুফ</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">77941393caeb32004e9e1299d072b7b8</guid>
				<title>গীতি কবিতা-৩৩০৪.
করলাম হিসেব কতো কষে।

যোগ বিয়োগ আর পূরন ভাগে
করলাম হিসেব কতো কষে,
বেলা শেষে এসে দেখি -
গেছে করা হিসেব বুঝি মিছে।

সৃষ্টি সেরা আমরা মানুষ 
পাইতে সৃষ্টি রইছি বেহুশ,
আমরা মানুষ স্রষ্টার প্রতিনিধি -
গেছি ভুলে ভূবেতে এসে।

স্রষ্টা গুনে হইনি গুনি
রঙে তাঁরই রঙ ধরিনি-
মত্ত ছিলেম ধন দৌলত ধরায়
ধরছি জীবন ভোগ বিলাসে।

চেয়ে দেখিনি সৃষ্টি প্রতি
ওরা সবাই ত&#x200d;্যাগে ব্রতী-
শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হইয়া মানুষ,আমরা
ভোগ ধরেছি আরো কষে।
&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;
মোঃ আলেফ শরীফ,
৩৩০৪.১২.০৭.২৬ইং,ঢাকা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282637/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 12:22:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গীতি কবিতা-৩৩০৪.<br />
করলাম হিসেব কতো কষে।</p>
<p>যোগ বিয়োগ আর পূরন ভাগে<br />
করলাম হিসেব কতো কষে,<br />
বেলা শেষে এসে দেখি &#8211;<br />
গেছে করা হিসেব বুঝি মিছে।</p>
<p>সৃষ্টি সেরা আমরা মানুষ<br />
পাইতে সৃষ্টি রইছি বেহুশ,<br />
আমরা মানুষ স্রষ্টার প্রতিনিধি &#8211;<br />
গেছি ভুলে ভূবেতে এসে।</p>
<p>স্রষ্টা গুনে হইনি গুনি<br />
রঙে তাঁরই রঙ ধরিনি-<br />
মত্ত ছিলেম ধন দৌলত ধরায়<br />
ধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282637"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282637/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">26d6b968cebe4192523cbb95315dbc09</guid>
				<title>অমিত and Shohel Nawaz are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282634/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 11:56:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2f49ff44903fe77d971b2875faded5c9</guid>
				<title>কিংবদন্তির  মুখোমুখি 
সোহেল নেওয়াজ 

কিংবদন্তি  এবার  ফিরলে  বুঝি!
নিখোঁজ  সংবাদ  হ&#039;য়ে  উড়ে 
কতটা  আকাশ  নিলে  ঘরে,
কিংবদন্তি  কোথায়, কোথায়
 পেলে  সুখ  খুঁজি? 
নিরবচ্ছিন্ন  ভাবে  হেরে 
চোখতোলা  ছিলো  আঁধারে। 
আলো  কি  জ্বলছে ? 
না  তমসা  বাড়ছে,
নির্বাক  হলে  নাকি?
চোখের  নিচে  দেখি আঁধার 
অনেক  দূরন্ত  পথ  তোমার!
ফেঁসে  গেলেও  ঝুঁকি ;
কেমন  যেন  তুমি আজ
ভাবছো   বিসর্গে   কাজ:
 চেয়ে  দেখে  উর্ধে 
নিম্নগামী  তর্কে 
 সকল  স্বরাজ। 
কিংবদন্তি   নিরবতা  শেষে, 
অলিন্দের,  আকাশে  মিশে। 
এসো  আরশিতে  দেখে 
মুখোমুখি  বসি  সমুখে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282633/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 11:54:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কিংবদন্তির  মুখোমুখি<br />
সোহেল নেওয়াজ </p>
<p>কিংবদন্তি  এবার  ফিরলে  বুঝি!<br />
নিখোঁজ  সংবাদ  হ&#8217;য়ে  উড়ে<br />
কতটা  আকাশ  নিলে  ঘরে,<br />
কিংবদন্তি  কোথায়, কোথায়<br />
 পেলে  সুখ  খুঁজি?<br />
নিরবচ্ছিন্ন  ভাবে  হেরে<br />
চোখতোলা  ছিলো  আঁধারে।<br />
আলো  কি  জ্বলছে ?<br />
না  তমসা  বাড়ছে,<br />
নির্বাক  হলে  নাকি?<br />
চোখের  নিচে  দেখি আঁধার<br />
অনেক  দূরন্ত  পথ  তোমার!<br />
ফেঁ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282633"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282633/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e4f9a258c0dd6779d9d68cf317857fce</guid>
				<title>সেই ছবিটা কই
ফরদিুল ইসলাম


খাল বিল জলাশয়
আরো ছিলো ঝিল,
পল্লী গায়ের সেই ছবিটার
এখন নাই আর মিল।

ভরাট হচ্ছে ডোবা নালা
ভরাট হচ্ছে নদী,
কৃষি জমি থাকবে কি আর
রক্ষা না হয় যদি।

সবুজ ঘাস আর লতাপাতা
হারিয়ে যায় কতো,
গাছের ছায়া গ্রামীণ মায়া
আছে কি আর অতো ?

পাবদা পুটি টাকি কৈ
শিং মাগুর কি আর আছে,
ওচা চালুন গরা চাই
খলইসা কি আর নাছে।

মেনি শোল বাইম মলা
থাকতো কি আর গোনা,
চেউয়া বাইলা টেংরা বোয়াল
কতো জাতের পোনা।

কার্তিক মাসে শুকিয়ে যেতো
পুকুর ডোবা খাল,
সবাই মিলে ধরতো মাছ
বুনতো চিকন জাল।
 
ডুলা খলা পাতিল থালা
ভরতো ছোট মাছে,
বরশি বেয়ে কাটতো বেলা
এখন কি আর আছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282631/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 11:11:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সেই ছবিটা কই<br />
ফরদিুল ইসলাম</p>
<p>খাল বিল জলাশয়<br />
আরো ছিলো ঝিল,<br />
পল্লী গায়ের সেই ছবিটার<br />
এখন নাই আর মিল।</p>
<p>ভরাট হচ্ছে ডোবা নালা<br />
ভরাট হচ্ছে নদী,<br />
কৃষি জমি থাকবে কি আর<br />
রক্ষা না হয় যদি।</p>
<p>সবুজ ঘাস আর লতাপাতা<br />
হারিয়ে যায় কতো,<br />
গাছের ছায়া গ্রামীণ মায়া<br />
আছে কি আর অতো ?</p>
<p>পাবদা পুটি টাকি কৈ<br />
শিং মাগুর কি আর আছে,<br />
ওচা চালুন গরা চাই<br />
খলইসা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282631"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282631/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">65de10126df64529af4088576a507bb5</guid>
				<title>এই পৃথিবীর রঙশালায়
কত রঙ দেখাবে,
রঙেতে রঙিন পৃথিবী 
একদিন ধুলোয় ধুসর 
ক্যানভাসে পরিনত হবে। 

৬/১০/২০২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282630/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 11:10:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এই পৃথিবীর রঙশালায়<br />
কত রঙ দেখাবে,<br />
রঙেতে রঙিন পৃথিবী<br />
একদিন ধুলোয় ধুসর<br />
ক্যানভাসে পরিনত হবে। </p>
<p>৬/১০/২০২৬</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bbba1ae65a00c664fb6fe9a20778a8b4</guid>
				<title>ইচ্ছে বাড়ি 
ফরিদুল ইসলাম

ইচ্ছে করে ইচ্ছে মতো
ঘুরে বেড়াই কতো,
ঘুরে ঘুরে দেখবো আমি
সৃষ্টি আছে যতো।

ইচ্ছে বাড়ির ইচ্ছে গুলো
মেলবে কি আর ডানা,
ইচ্ছে মতো ঘুরতে কি আর
পাখির আছে মানা?
 
আমার যদি থাকতো ডানা
ঈগল পাখির মতো,
নীল দিগন্ত দিতাম পাড়ি
ছাড়িয়ে যেতাম শতো।
 
ঝর্ণাধারা দেখতাম আমি
দেখতাম নদী পাহাড়,
পাখির মতো ঘুরে ঘুরে
করতাম কত আহার।
 
ইচ্ছেগুলো বাঁচিয়ে রাখি
ইচ্ছে মতো করে,
ইচ্ছেটাকে বুকে ধরে
বাঁচতে ইচ্ছে করে।
 
কিন্তু কি আর যায় থাকা যায়
নিজের ইচ্ছে মতো,
ইচ্ছে বাড়ির ইচ্ছেগুলো
হারায় শতো শতো।
 
তবুও আমি বেঁচে আছি
কতো ইচ্ছে নিয়ে,
এতো ইচ্ছে পুরন হবে
কতো ইচ্ছে দিয়ে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282629/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 11:05:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইচ্ছে বাড়ি<br />
ফরিদুল ইসলাম</p>
<p>ইচ্ছে করে ইচ্ছে মতো<br />
ঘুরে বেড়াই কতো,<br />
ঘুরে ঘুরে দেখবো আমি<br />
সৃষ্টি আছে যতো।</p>
<p>ইচ্ছে বাড়ির ইচ্ছে গুলো<br />
মেলবে কি আর ডানা,<br />
ইচ্ছে মতো ঘুরতে কি আর<br />
পাখির আছে মানা?</p>
<p>আমার যদি থাকতো ডানা<br />
ঈগল পাখির মতো,<br />
নীল দিগন্ত দিতাম পাড়ি<br />
ছাড়িয়ে যেতাম শতো।</p>
<p>ঝর্ণাধারা দেখতাম আমি<br />
দেখতাম নদী পাহাড়,<br />
পাখির মতো ঘুরে ঘুরে<br />
করতাম কত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282629"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282629/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fb4fc494a410ba958ace3687a79d0207</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282628/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 11:03:09 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b44b2a30d926efc6069ad23e78968353</guid>
				<title>ফরিদুল ইসলাম changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282627/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 11:01:30 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ff1ed61b3519838b69b946ffe938ac6d</guid>
				<title>অসুস্থতা আমার
 মাসুদ আহম্মেদ 
........................
হাসি - খুশিতে কাটছিল ছেলেবেলা 
ইবাদাতে নেই তো কোন হুঁশ,, 
অসুস্থতা আমায় করেছে গ্রাস 
এখন হয়েছি বেহুঁশ।

অসুস্থতাকে করেছি লালন 
বাঁচার নেই তো উপায়,, 
জীবনের সময়গুলি পেয়েছে হ্রাস 
চেয়ে আছি শুধু মৃত্যুর  অপেক্ষায়।

তাড়াতাড়ি যাচ্ছে সময় 
পাপ ও পূন্য নিয়ে,, 
পরকালে থাকব আমি 
পাপ ও পূন্যের বিনিময়ে। 

পাপ যদি বেশি হয়
জাহান্নামে থাকবো অপমানে,,, 
পূন্যের পাল্লা হলে বেশি 
জান্নাতে  রবো সম্মানে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282619/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 10:54:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অসুস্থতা আমার<br />
 মাসুদ আহম্মেদ<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;<br />
হাসি &#8211; খুশিতে কাটছিল ছেলেবেলা<br />
ইবাদাতে নেই তো কোন হুঁশ,,<br />
অসুস্থতা আমায় করেছে গ্রাস<br />
এখন হয়েছি বেহুঁশ।</p>
<p>অসুস্থতাকে করেছি লালন<br />
বাঁচার নেই তো উপায়,,<br />
জীবনের সময়গুলি পেয়েছে হ্রাস<br />
চেয়ে আছি শুধু মৃত্যুর  অপেক্ষায়।</p>
<p>তাড়াতাড়ি যাচ্ছে সময়<br />
পাপ ও পূন্য নিয়ে,,<br />
পরকালে থাকব আমি<br />
পাপ ও পূ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282619"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282619/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">049b9db7a9752ad0b77f2cbe64a64128</guid>
				<title>ভাবনা

অনিকেত প্রান্তর

ইট পাথরের ঘর আমার । 
কংক্রিটের চার দেয়াল ,  
বল্লাম বন্ধু হবে । 
তাচ্ছিল্যের সাথে তারা বল্লো , 
জড় পদার্থের সাথে আমরা বন্ধুত্ব করি না ।। 

&#x1f440;&#x1f440;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282611/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 10:44:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভাবনা</p>
<p>অনিকেত প্রান্তর</p>
<p>ইট পাথরের ঘর আমার ।<br />
কংক্রিটের চার দেয়াল ,<br />
বল্লাম বন্ধু হবে ।<br />
তাচ্ছিল্যের সাথে তারা বল্লো ,<br />
জড় পদার্থের সাথে আমরা বন্ধুত্ব করি না ।। </p>
<p>&#x1f440;&#x1f440;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">330171a593f7c478056a287c626c7d09</guid>
				<title>আমি তোমাকে ভালোবাসি

অনিকেত প্রান্তর

আমি তোমাকে ভালোবাসি 
আর তুমি নিষিদ্ধ বুলি বলে বাজেয়াপ্ত করলে 
আমি তোমাকে ভালোবাসি 
এই একটি শব্দকে বেআইনি বলে  লাল গোলাপ নিষিদ্ধ করলে 
হৃদপিন্ডের প্রতিটি ভাজে শুরু হয়ে যাবে খানা তল্লাশি
হৃদয়ের প্রতিটি অলিতে গলিতে চেকপোস্ট বসে যাবে
অনুভুতিগুলোকে সারবদ্ধ দার করে খোজা হবে
একটি টকটকে লাল নিষিদ্ধ গোলাপ
জরুরি অবস্থা শুরু হবে প্রতিটি স্নায়ু হতে স্নায়ুর গহীনে
আমি তোমাকে ভালোবাসি
এই একটি শব্দে নেমে আসবে কালো আধার
নিষিদ্ধ হবে আরো অনেক কিছু
হাত ধরে বৃষ্টি ভেজা
নিষিদ্ধ হবে
কপালের টিপ
নিষিদ্ধ
খোলাচুল বাতাসে উড়বে না
নিষিদ্ধ

গোমড়া মুখ আর অশ্লীল খিস্তি খেউরে ভেসে যাবে পুরো শহর
তন্নি মুখের হাসি
নিষিদ্ধ
নিষিদ্ধ হবে প্রেমিক পুরুষের হৃদয়
নীলখাম নীল পদ্ম
নিষিদ্ধ হবে নাম না জানা কিছু পাখি
যারা বিষন্নতা তৈরি করে আর হৃদপিন্ডে হাহাকার ছড়ায়
নিষিদ্ধ হবে তোমায় নিয়ে লেখা কবিতাগুলো
নিষিদ্ধ হবে মোজার্টের সিম্ফনির সুর
নিষিদ্ধ হবে তারাশংকর শরৎচন্দ্রের লেখা শত প্রেমের গল্প
নিষিদ্ধ হবে জোস্নার আলো
নিষিদ্ধ হবে পোড় খাওয়া কোন বাড়ির ছাদ

আর এতো নিষিদ্ধতার মাঝে লাশ কাটা ঘরে 
তোমারি জন্যে ভালোবাসা যত্নে আগলে রাখা কোনো প্রেমিক পুরুষের বিষন্ন মরা মুখ দেখবে
অতপর বুঝবে তুমি
কি ভুলই না ছিলে তুমি
কি ভুলই না ছিলো তোমার ।। 

&#x1f494;&#x1f494;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282610/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 10:44:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি তোমাকে ভালোবাসি</p>
<p>অনিকেত প্রান্তর</p>
<p>আমি তোমাকে ভালোবাসি<br />
আর তুমি নিষিদ্ধ বুলি বলে বাজেয়াপ্ত করলে<br />
আমি তোমাকে ভালোবাসি<br />
এই একটি শব্দকে বেআইনি বলে  লাল গোলাপ নিষিদ্ধ করলে<br />
হৃদপিন্ডের প্রতিটি ভাজে শুরু হয়ে যাবে খানা তল্লাশি<br />
হৃদয়ের প্রতিটি অলিতে গলিতে চেকপোস্ট বসে যাবে<br />
অনুভুতিগুলোকে সারবদ্ধ দার করে খোজা হবে<br />
একটি টকটকে লাল নিষিদ্ধ গো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282610"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282610/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ca4602a0462df24ecffa65e8daac0f7d</guid>
				<title>অনুকাব্য

অনিকেত প্রান্তর

কামনার আগুনে পোড়ে না মানব , 
পোড়ে মানবীর মিথ্যে প্রতিশ্রুতিতে । 
কামনার আগুনে পোড়ে না রমনী , 
পোড়ে রমনের আট দুপুরের তাচ্ছিল্যে ।। 

&#x1f463;&#x1f463;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282609/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 10:43:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনুকাব্য</p>
<p>অনিকেত প্রান্তর</p>
<p>কামনার আগুনে পোড়ে না মানব ,<br />
পোড়ে মানবীর মিথ্যে প্রতিশ্রুতিতে ।<br />
কামনার আগুনে পোড়ে না রমনী ,<br />
পোড়ে রমনের আট দুপুরের তাচ্ছিল্যে ।। </p>
<p>&#x1f463;&#x1f463;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">da60d52ecd2ecda8f319e6d52bb37657</guid>
				<title>দক্ষিণ মেরুতে ধরা পড়ল মহাবিশ্বের দুর্লভ কণা

দক্ষিণ মেরুর বরফ ব্যবহার করে নিউট্রিনো নামে পরিচিত অতিক্ষুদ্র কণার সন্ধান করা সম্ভব—এ উপলব্ধি করেছিলেন ফ্রান্সিস হালজেন। তাঁর দূরদর্শিতা ও বৈজ্ঞানিক নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি। এক ঘনকিলোমিটার আয়তনের বরফের মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে আলোকসংবেদী সেন্সর। এই আইসকিউব ব্যবহার করে গবেষকেরা দূরবর্তী মহাবিশ্বের অত্যন্ত উচ্চশক্তিসম্পন্ন প্রক্রিয়া থেকে আসা নিউট্রিনো শনাক্ত করতে পারেন।   এর ওপর ভিত্তি করে তিনি এবার পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন। 
নোবেল কমিটি জানিয়েছে নিউট্রিনো সর্বত্র রয়েছে, কিন্তু সহজে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয় না। কোনো কিছু অনুভব না করেই এগুলো পৃথিবী ও আমাদের শরীর ভেদ করে চলে যায়। খুবই বিরল ক্ষেত্রে একটি নিউট্রিনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। উপযুক্ত যন্ত্রপাতি থাকলে সেই মিথস্ক্রিয়ার সূত্র ধরেই কণাটিকে শনাক্ত করা সম্ভব।

বিজ্ঞানীরা বহু আগে থেকেই জানেন, মহাবিশ্বে প্রাকৃতিক কণা ত্বরক রয়েছে। এসব ত্বরক থেকে এমন কণা নির্গত হয়, যেগুলোর শক্তি পৃথিবীর গবেষণাগারে অর্জন করা সম্ভব এমন শক্তির তুলনায় দশ লাখ গুণ পর্যন্ত বেশি হতে পারে। তবে এসব উৎস সম্পর্কে অনেক কিছুই এখনো রহস্যময়। এগুলো আসলে কী, কোথায় অবস্থিত এবং এর ভেতরে প্রধানত কী ধরনের প্রক্রিয়া কাজ করে?

অত্যন্ত উচ্চশক্তিসম্পন্ন নিউট্রিনো অন্যান্য ধরনের কণার মতো একই পরিবেশে সৃষ্টি হয়। তবে অন্য কণার বিপরীতে নিউট্রিনো আমাদের কাছে পৌঁছানোর সময় দিক পরিবর্তন করে না কিংবা শক্তিও হারায় না। ফলে এসব কণা মহাবিশ্ব সম্পর্কে এমন তথ্য দিতে পারে, যা অন্য কোনো উপায়ে পাওয়া সম্ভব নয়।

১৯৮৮ সালে ফ্রান্সিস হালজেন প্রথম দক্ষিণ মেরুতে নিউট্রিনো শনাক্ত করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। কোনো নিউট্রিনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে আলোর ঝলক সৃষ্টি হয়। স্বচ্ছ হিমবাহের বরফে স্থাপন করা সেন্সরের সাহায্যে সেই আলোর ঝলক শনাক্ত করা যায়।

দক্ষিণ মেরুর বরফ এ ধরনের গবেষণার জন্য বেশ কিছু সুবিধা দেয়। সেখানে বিভিন্ন ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টিকারী প্রভাব কম। তা ছাড়া অঞ্চলটি ভূতাত্ত্বিকভাবে স্থিতিশীল এবং সেখানে ভূমিকম্প হয় না। হালজেনের পরিকল্পনা দ্রুতই অন্য গবেষকদের সমর্থন পায়। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে বরফের ভেতরে সেন্সর স্থাপন করে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালানো হয়।

মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা অত্যন্ত উচ্চশক্তিসম্পন্ন নিউট্রিনো খুবই বিরল। তাই পর্যাপ্তসংখ্যক সংঘর্ষ পর্যবেক্ষণ করতে হলে বিপুল পরিমাণ বরফের প্রয়োজন। আইসকিউব অবজারভেটরি এক ঘনকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। ২০১১ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়।

এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই গবেষকেরা প্রথম উচ্চশক্তিসম্পন্ন নিউট্রিনো শনাক্ত করেন। কয়েক বছর পর তাঁরা এমন নিউট্রিনো শনাক্ত করার আবিষ্কারের কথা প্রকাশ করেন, যেগুলোর উৎস অবশ্যই আমাদের সৌরজগতের অনেক বাইরে। এর মধ্য দিয়ে মহাবিশ্বে নিউট্রিনোর উৎস অনুসন্ধানের কাজ জোরদারভাবে শুরু হয়।

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান মার্ক পিয়ার্স বলেন, “ফ্রান্সিস হালজেন গবেষক ও প্রকৌশলীদের একটি আন্তর্জাতিক দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁরা আমাদের হাতে অসাধারণ একটি যন্ত্র তুলে দিয়েছেন। তাঁর অধ্যবসায় ও বৈজ্ঞানিক দূরদর্শিতা জ্যোতির্বিজ্ঞানের এক নতুন ধারার পথ তৈরি করেছে।”

আইসকিউবের মাধ্যমে অবিরাম সংগ্রহ করা নিউট্রিনোর মিথস্ক্রিয়াসংক্রান্ত তথ্য গবেষকদের এমন সব সহিংস ও চরম পরিবেশ সম্পর্কে নতুন জ্ঞান দেবে, যেখানে উচ্চশক্তিসম্পন্ন নিউট্রিনো সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি এসব তথ্যের মাধ্যমে মহাবিশ্বের আগে অজানা কোনো ঘটনাও উদ্ঘাটিত হতে পারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282607/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 10:14:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দক্ষিণ মেরুতে ধরা পড়ল মহাবিশ্বের দুর্লভ কণা</p>
<p>দক্ষিণ মেরুর বরফ ব্যবহার করে নিউট্রিনো নামে পরিচিত অতিক্ষুদ্র কণার সন্ধান করা সম্ভব—এ উপলব্ধি করেছিলেন ফ্রান্সিস হালজেন। তাঁর দূরদর্শিতা ও বৈজ্ঞানিক নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি। এক ঘনকিলোমিটার আয়তনের বরফের মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে আলোকসংবেদী সেন্সর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282607"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282607/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">92ffeb031021a6cb48c3d81036ba1442</guid>
				<title>বৃষ্টিস্নাত
তাইবা হক

ধুয়ে মুছে যাক সব গ্লানি
 অঝোর ধারার এই বৃষ্টিতে!
মুছে যাক সব দুঃখ দৈন্য
 ছেয়ে যাক মিষ্টি সুবাসেতে!

বৃষ্টির ফোঁটায় আছে যে সুখ
 মিলবে কোথা আর?
অনুভবে আর মায়ায় মিলে 
কি হচ্ছে দেখ আজ!

অবিরাম ধারার এই ঝুপঝুপ বৃষ্টিতে
মনের ভাব ফুটে ওঠে সেই চিরচেনা রং তুলিতে!
বৃষ্টির দোলা মিষ্টি হাওয়ায় মিলিয়ে 
বয়ে আনে এক অনাবিল আনন্দ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282597/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 09:58:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃষ্টিস্নাত<br />
তাইবা হক</p>
<p>ধুয়ে মুছে যাক সব গ্লানি<br />
 অঝোর ধারার এই বৃষ্টিতে!<br />
মুছে যাক সব দুঃখ দৈন্য<br />
 ছেয়ে যাক মিষ্টি সুবাসেতে!</p>
<p>বৃষ্টির ফোঁটায় আছে যে সুখ<br />
 মিলবে কোথা আর?<br />
অনুভবে আর মায়ায় মিলে<br />
কি হচ্ছে দেখ আজ!</p>
<p>অবিরাম ধারার এই ঝুপঝুপ বৃষ্টিতে<br />
মনের ভাব ফুটে ওঠে সেই চিরচেনা রং তুলিতে!<br />
বৃষ্টির দোলা মিষ্টি হাওয়ায় মিলিয়ে<br />
বয়ে আনে এক অনাবিল আনন্দ।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a6f0483478c7d1c54f093fa17f238ce0</guid>
				<title>Syed Farah and Khusi Moni are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282595/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 09:49:29 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">42ceff3749b4b3e9f436c09cc43cfa7b</guid>
				<title>শহরের জীবন কেমন জানি, অস্বস্তিকর লাগে,  
বাসা ছেড়ে আমি কোথাও গিয়ে ১/২ দিনের বেশি থাকতে পারিনা,  

কিন্তুু আজ গ্রাম ছেড়ে বেশ কিছু দিন হলো, সিলেটের একটা শহরে ৩ তলা বাড়ীতে চাচার বাসায় এসে থাকছি,

  কিন্তুু মনটা পরে আছে আমার গ্রামে, আমার মায়ের কাছে,  মন চাইলেই কোথাও যেতে পারছি না,  

কিন্তুু বাড়ীতে থাকলে এতক্ষণে বাইক নিয়ে এখান থেকে ওখানে, ওখান থেকে এখানে ছুটে বেড়াতাম।

 আর এখানে শুধু শুয়ে বসে থাকা,  আমার ভালো লাগে না,  শহরের মানুষ গুলো এই উচু উচু বিল্ডিং গুলোতে থাকে কিভাবে,,,,,?  

আমার কাছে তো মনে হয় এগুলো কবুতরের থাকার জন্য ছোট্ট ছোট্ট খুপড়ি ঘর,  এখানে তাড়া কিভাবে বসবাস করে,  আমার মাঝে মাঝে দম বন্ধ হয়ে আসে,  
শহরের মানুষ গুলো বড্ড অদ্ভুত প্রকৃতির, তাদের মাঝে অনুভূতি নেই, তারা কেমন জানি অনুভূতি শুন্যতায় বেঁচে আছে......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282588/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 09:27:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শহরের জীবন কেমন জানি, অস্বস্তিকর লাগে,<br />
বাসা ছেড়ে আমি কোথাও গিয়ে ১/২ দিনের বেশি থাকতে পারিনা,  </p>
<p>কিন্তুু আজ গ্রাম ছেড়ে বেশ কিছু দিন হলো, সিলেটের একটা শহরে ৩ তলা বাড়ীতে চাচার বাসায় এসে থাকছি,</p>
<p>  কিন্তুু মনটা পরে আছে আমার গ্রামে, আমার মায়ের কাছে,  মন চাইলেই কোথাও যেতে পারছি না,  </p>
<p>কিন্তুু বাড়ীতে থাকলে এতক্ষণে বাইক নিয়ে এখান থেকে ওখানে, ওখান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282588"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282588/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2ec660f9ddb91b9e15f767efa0a0ca43</guid>
				<title>প্রিয় সাহিত্যপ্রেমী বন্ধুরা,
সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা!
তুলুট-এর সুন্দর এই প্ল্যাটফর্মে নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হতে পেরে এবং আপনাদের সুন্দর সাহিত্যচর্চার অংশ হতে পেরে সত্যি খুব ভালো লাগছে।
আমি নিয়মিত এখানে আমার লেখা ছোটগল্প, কবিতা ও ভাবনার কথাগুলো শেয়ার করব। এর মধ্যেই আমি &#039;তাহসিন&#039; চরিত্র ও তার জীবন নিয়ে একটি বিশেষ গল্প/উপন্যাস লেখা শেষ করেছি, যা আমার হৃদয়ের খুব কাছের।
খুব শীঘ্রই তুলুটে গল্পটির প্রথম পর্ব আপনাদের সামনে নিয়ে আসছি। এছাড়া পুরো গল্পটি এবং আমার অন্যান্য সকল লেখার নিয়মিত আপডেট খুব দ্রুতই আমার নিজস্ব ব্লগেও প্রকাশিত হতে যাচ্ছে (খুব শিগগিরই লিংক শেয়ার করব)।
আশা করি তাহসিনার গল্পটি আপনাদের মন ছুঁয়ে যাবে। আপনাদের গঠনমূলক মতামত ও ভালোবাসা আমার আগামী দিনের লেখার প্রেরণা হবে।
সবাই ভালো থাকুন, সাহিত্যচর্চা সুন্দর হোক!
— মোঃ রিজওয়ানুল্লাহ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282582/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 09:15:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রিয় সাহিত্যপ্রেমী বন্ধুরা,<br />
সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা!<br />
তুলুট-এর সুন্দর এই প্ল্যাটফর্মে নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হতে পেরে এবং আপনাদের সুন্দর সাহিত্যচর্চার অংশ হতে পেরে সত্যি খুব ভালো লাগছে।<br />
আমি নিয়মিত এখানে আমার লেখা ছোটগল্প, কবিতা ও ভাবনার কথাগুলো শেয়ার করব। এর মধ্যেই আমি &#8216;তাহসিন&#8217; চরিত্র ও তার জীবন নিয়ে একটি বিশেষ গল্প/উপন্যাস লেখা শেষ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282582"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282582/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f8da0feb8fac75fee4c0fbe76556ddd9</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282569/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 08:55:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">17d63d9b4b18d6166b92c6fa9bd65108</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282568/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 08:53:54 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">639c31afb87f7a84ac93d61f9c8caa18</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282567/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 08:53:19 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">af5ee8b39588a7da151af259f2965f60</guid>
				<title>MD. RIZWAN ULLAH changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282565/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 08:51:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b8cef38845581a4deb5967b7f216c8a2</guid>
				<title>&#x1f449;বেশির ভাগ মানুষই সত্যের পাশে দাঁড়াতে সাহস পায় না। তারা শুধু ভাবে কার পাশে দাঁড়ালে তাদের বেশি লাভ সেই দিকে ঝুলে পরে।
&#x1f449;সত্যবাদী মানুষ কখনোই ভীতু হয় না, শুধু মাত্র মিথ্যাবাদীদের থেকে নিজেকে দূরে রাখতে গিয়ে আড়াল হয়ে যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282518/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 06:40:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f449;বেশির ভাগ মানুষই সত্যের পাশে দাঁড়াতে সাহস পায় না। তারা শুধু ভাবে কার পাশে দাঁড়ালে তাদের বেশি লাভ সেই দিকে ঝুলে পরে।<br />
&#x1f449;সত্যবাদী মানুষ কখনোই ভীতু হয় না, শুধু মাত্র মিথ্যাবাদীদের থেকে নিজেকে দূরে রাখতে গিয়ে আড়াল হয়ে যায়।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8f4079a618e537fd3c856ed29e775a8c</guid>
				<title>[শ্রাবণ সন্ধ্যার কাব্য]

[পর্ব - ৬]

ছোট থেকে চিনি আমি রাহাকে। আর রাহা মেয়েটা খুব বুদ্ধিমতি মেয়ে। হ্যাঁ বাবা ওই মেয়ে বুদ্ধিমতি হতে পারে কিন্তু আমি বোকা নই যে ওর মতো মেয়েকে বিয়ে করবো। আমার যেমন লাইফ পার্টনার প্রয়োজন ওর মধ্যে এমন কিছু নেই বাবা। না সৌন্দর্য আছে না স্মার্টনেস। ভালো করে কথাও বলতে পারে না। এমন মেয়েকে আমি জীবনেও বিয়ে করবো না।

মোস্তফা এবার চরম রেগে গেলেন। তুমি ওর মধ্যে অসুন্দরের কি দেখলে ঈশান। গায়ের রং শ্যামলা হলেই কি কেউ অসুন্দর হয়ে যায়। আর ও যে ভাবে চলাফেরা করে কথা বলে এটাকে আনস্মার্ট বলে না ভদ্রতা বলে।

এতো দিন লেখাপড়া করে দেখি কিছুই শিখতে পারলে না তুমি। আর যদি বলো বিয়ের কথা তাহলে আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি এই মেয়েকেই তোমার বিয়ে করতে হবে। ঈশান চেঁচিয়ে বললো মানি না আমি তোমার এই সিদ্ধান্ত। ওই মেয়েকে বিয়ে করার থেকে মরে যাওয়া ভালো। বলেই হনহনিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলো ঈশান। পিছন থেকে মালিহা ডাকছে এতো রাতে কোথায় যাচ্ছিস বাবা। ঈশান শুন আমার কথা?

মার কথায় কোনো পাত্তাই দিলো না। বাইক নিয়ে বেরিয়ে গেলো।

ঈশান গেলো নিহালের কাছে। রাত ১:০০ বাজে। নিহালের ফোনে কল দিলো ঈশান দুইবার কল দিলো তাও তুললো না। ঈশান রাগে ফেটে যাচ্ছে হাতের কাছে পেলে একদম চিবিয়ে খেতাম নিহাল তোকে। আরেক বার কল দিতেই ঘুম ঘুম চোখে ফোনটা তুললো নিহাল। হ্যালো কে?

তাড়াতাড়ি এসে গেট খুল। নিহালের ঘুম যেনো উধাও হয়ে গেল। এটা তো ঈশানের গলা। ফোনটা কান থেকে সরিয়ে নাম্বারটা দেখলো। দেখলো ঈশানেরি নাম্বার। এক লাফে শুয়া থেকে উঠে বললো কেন আমি এতো রাতে গেট খুলে কি করবো।

তোকে যা বলেছি তা কর নাইলে আমি যদি কোনো ভাবে ভেতরে আসি তাইলে তোর খবর করে ছেড়ে দিবো নিহাল। কথাটা শুনে বুঝতে পারলো ঈশান গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। ছুটে এসে গেট খুলে দিল নিহাল। এতো রাতে এখানে কি করতে এসেছিস। কোনো উত্তর না দিয়ে হনহনিয়ে ভিতরে ঢুকে গেলো ঈশান। দেখে মনে হচ্ছে অনেক রেগে আছে। বোকার মতো &quot;হা&quot;..! করে তাকিয়ে থাকলো নিহাল। তারপর তাড়াতাড়ি করে গেট লাগিয়ে ঈশানের পেছন পেছন ভেতরে চলে এলো।

ঈশান কোনো কথা না বলে চুপচাপ শুয়ে পড়লো। নিহাল বললো বাড়িঘর নাই নাকি তোর। আমাকে জ্বালাতে চলে এসেছিস নাকি একা একা ঘুমাতে কষ্ট হয়। একা ঘুমাতে কষ্ট হলে বল আঙ্কেল কে বলে ঘরে বউ আনার ব্যবস্থা করি। কথাটা বলেই হাসতে শুরু করলো নিহাল।

ঈশানের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলো মনে হয়। শুয়া থেকে উঠে নিহালের নাক বরাবর ঘুষি মারলো ঈশান। তাল সামলাতে না পেরে বিছানা থেকে পড়ে গেলো নিহাল। আরেকটা কথা বললে তোকে এখানেই পুঁতে রেখে দিবো।

নাকে হাত দিয়ে চেপে রেখে বললো আমি কি খারাপ কিছু বলেছি নাকি। বিয়ে করাতো ফরজ কাজ...! আর কিছু বলতে যাবে নিহাল তার আগেই দেখলো ঈশান বিছানা থেকে উঠে আসছে ওর দিকে। বসা থেকে উঠে আল্লাহ গো বাঁচাও বলে এক দৌড় দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলো নিহাল।

ঈশান এই সুযোগে দরজাটা বন্ধ করে দিলো। এখন একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারবে।

নিহাল বললো এই শালার হয়েছে টা কি আজকে। নেশা-টেশা করেছে নাকি। অন্য রুমে যেয়ে শুয়ে পড়লো নিহাল। নাকটা ব্যথায় ছিঁড়ে যাচ্ছে।

সকাল বেলা মোস্তফা প্রস্তুতি নিচ্ছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যাওয়ার জন্য। মালিহা আজকে আর কাউকেই কিছুই বলছে না। কারণ জানেই বললেও কোনো লাভ নেই। কারো কথাই শুনে না মোস্তফা সিকদার।

রাহাদের বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলো মোস্তফা সিকদার শায়ান আর রিয়া। দরজায় কলিং বেল বাজাতেই খাদিজা এসে খুলে দিলেন দরজা। মোস্তফা সিকদার আর শায়ান কে দেখে বেশ অবাক হয় খাদিজা। কিন্তু সাথের মেয়েটাকে চিনে না খাদিজা। খাদিজা বললো আরে আপনি এসেছেন ভেতরে আসেন। সবাই ভেতরে ঢুকলো। মোস্তফা খাদিজার হাতে মিষ্টি ধরিয়ে দিয়ে বললো নেও খাদিজা। আরে এসব আনার কি দরকার ছিলো। রাখো তুমি খাদিজা।

ওদের কথোপকথন শুনে বেরিয়ে এলো নিলয়। নিলয়কে দেখে মোস্তফা মুচকি হেসে বললো কেমন আছো বাবা। এইতো আঙ্কেল ভালো আছি। আপনি? হ্যাঁ আমিও ভালো আছি। লেখাপড়া কেমন চলে তোমার। ভালোই চলে।

খাদিজা বললো বসুন না আপনারা। দাঁড়িয়ে আছেন কেন। আপনারা বসুন আমি নাস্তার ব্যবস্থা করছি। মোস্তফা বললো এ সবের প্রয়োজন নেই খাদিজা। তুমিও বসো তোমার সাথে কিছু কথা বলতে এসেছিলাম। খাদিজা এখন একটু বেশিই অবাক হলো। আমার সাথে আবার কিসের কথা।

&quot;বসো আগে!&quot; সবাই বসলো। মোস্তফা বললো আসলে আমি কিছু চাইতে এসেছিলাম তোমার কাছে।

আমার কাছে চাইতে এসেছেন মানে? মোস্তফা মুচকি হেসে বললো তোমার মেয়ে রাহাকে চাইতে এসেছি। মোস্তফার দিকে প্রশ্নাত্মক চোখে তাকায় খাদিজা। ঠিক করে কিছুই বুঝতে পারছে না। মোস্তফা বললেন আমার ছেলের বউ করে নিয়ে যেতে চাই রাহাকে।

রাহা ঘর থেকে বেরিয়ে এলো কে এসেছে দেখার জন্য। আর মোস্তফাও এই কথাটা  বললো। রাহা এসে কথাটা শুনে &quot;থ&quot; হয়ে দাঁড়িয়ে পরলো।

খাদিজা বললো আপনার ছেলের বউ করে নিয়ে যাবেন মানে। মোস্তফা বললো হ্যাঁ আমার ছোট ছেলের বউ করে নিয়ে যেতে চাই রাহাকে।

খাদিজা যেনো কিছুই বিশ্বাস করতে পারছে। কথা বলার ভাষা যেনো হারিয়ে ফেলেছে। রাহাও যেনো বেশ অবাক হলো। আবার এখানে এসে লজ্জায়ও পরে গেলো।

মোস্তফা রাহাকে কাছে ডাকলো, এদিকে এসো মা। রাহা লজ্জায় মাথা নুইয়ে গেলো মোস্তফার কাছে। মোস্তফা বললো আমার ছোট ছেলেকে তো তুমি দেখেছো রাহা। কেমন লাগে আমার ছোট ছেলেকে তোমার। রাহা ভাবলো মোস্তফার ছোট ছেলের নাম তো ঈশান। তার মানে ঈশানের সাথে বিয়ের কথা বলছেন। রাহা আর কোনো জবাব দিতে পারলো না। এটাও কি সম্ভব ঈশানের মতো একজন সুদর্শন ছেলের সাথে তার বিয়ে হবে। ভাবতেই কেমন শরীর টা শিউরে উঠলো রাহার।

খাদিজা বললেন আপনি কি আপনার ছোট ছেলে ঈশানের কথা বলছেন। মোস্তফা হেসে বললো হ্যাঁ ঈশানের কথাই বলছি। খাদিজা খুশি হয়ে গেলো। ওই দিন হাসপাতালে দেখেছে ছেলেটাকে যেমন সুন্দর তেমনি ভালো মনের মানুষ। আর তাদের কতো উপকার করেছে ছেলেটা। মোস্তফা বললো আশা করি তোমাদের কোনো আপত্তি নেই। আমাদেরও কোনো আপত্তি নেই তোমরা রাজি থাকলে আজকেই বিয়ের তারিখ ঠিক করে যাবো। খাদিজা হেসে বললো আমার আবার কিসের আপত্তি থাকবে আপনাদের মতো ভালো পরিবারে আমার মেয়েটা যাবে এটা আমাদের সৌভাগ্য। কথাটা শুনে মোস্তফা শায়ান রিয়ার মুখে হাঁসি ফুটে উঠল।

তা ছাড়া আমার বাপ মরা এতিম মেয়েটা আপনার মতো একজন মানুষকে শ্বশুর হিসেবে পাবে। কথাটা বলেই আঁচল দিয়ে চোখের পানি মুছলেন খাদিজা। মোস্তফা বললেন তাহলে কি তোমরা রাজি? খাদিজা বললেন হ্যাঁ&quot;।

খাদিজা এবার রাহাকে জিজ্ঞেস করলো রাহা তুই কি বলিস। রাহা তো সেই কখন থেকে মাথা নুইয়ে রেখেছে। রাহা বললো আমি কিছু জানি না মা তোমার ইচ্ছাই আমার ইচ্ছা। মোস্তফা মুচকি হেসে বললেন&quot;আলহামদুলিল্লাহ&quot;। রাহা আর কোনো দিকে না তাকিয়ে সোজা ঘরে চলে গেলো। খাদিজা বেগম বললেন একটু বসেন আমি আসছি। খাদিজা গেলো খাবারের ব্যবস্থা করতে।

মোস্তফা ভাবলেন যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব বিয়ের তারিখ ফেলবে।

*চলবে...?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282514/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 06:33:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[শ্রাবণ সন্ধ্যার কাব্য]</p>
<p>[পর্ব &#8211; ৬]</p>
<p>ছোট থেকে চিনি আমি রাহাকে। আর রাহা মেয়েটা খুব বুদ্ধিমতি মেয়ে। হ্যাঁ বাবা ওই মেয়ে বুদ্ধিমতি হতে পারে কিন্তু আমি বোকা নই যে ওর মতো মেয়েকে বিয়ে করবো। আমার যেমন লাইফ পার্টনার প্রয়োজন ওর মধ্যে এমন কিছু নেই বাবা। না সৌন্দর্য আছে না স্মার্টনেস। ভালো করে কথাও বলতে পারে না। এমন মেয়েকে আমি জীবনেও বিয়ে করবো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282514"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282514/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bf9847b7742f4e856424e2276ed4eac8</guid>
				<title>কে যেন...
মাহমুদ হায়াত

নগরের অন্ধকার ভেদ করে
কে যেন আজ নিজের ঠিকানা খোঁজে।
কুরুক্ষেত্র নেই রাতের শরীরে, শান্তির নরম শ্বাস।
দ্রৌপদীর বস্ত্র আর কেউ টানে না,
নারীরা নিজেরাই খুলে দেয় বন্ধ দরজার কপাট।
কুয়াশা সরে গেলে অলৌকিকতা ছাড়াই
নক্ষত্ররা মানুষের কাছে নেমে আসে।
চোখের কার্নিশে ছায়ারা নির্বাসন ছেড়ে, 
রোদের কাছে নিজেদের নাম লেখে।
আজ আর তুমি একা নও তোমার শোভায়,
নগর ধীরে ধীরে নিজের মুখ চিনে নেয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282505/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 05:57:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কে যেন&#8230;<br />
মাহমুদ হায়াত</p>
<p>নগরের অন্ধকার ভেদ করে<br />
কে যেন আজ নিজের ঠিকানা খোঁজে।<br />
কুরুক্ষেত্র নেই রাতের শরীরে, শান্তির নরম শ্বাস।<br />
দ্রৌপদীর বস্ত্র আর কেউ টানে না,<br />
নারীরা নিজেরাই খুলে দেয় বন্ধ দরজার কপাট।<br />
কুয়াশা সরে গেলে অলৌকিকতা ছাড়াই<br />
নক্ষত্ররা মানুষের কাছে নেমে আসে।<br />
চোখের কার্নিশে ছায়ারা নির্বাসন ছেড়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282505"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282505/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">00b9aea92dda5af24cbc4700da2df476</guid>
				<title>সাঁজ বউ
লেখক – মো: নাজমুল আখতার।

অফিস কাজ শেষ করে
বাসায় ফিরি সন্ধ্যা রাতে,
ফুলের দোকানে গাঁদা ফুলে
মালা দু’খানা হলুদ সাঁজে।

দরজা খানা যখন খোলে
সরম ঠোঁটে মিষ্টি হাসে,
খোঁজে চোখ কামিনী ভাবে
ফুলের সাঁজে গলা জুড়াবে।

মিষ্টি চুমুতে কপাল ভেজে
ঠোঁটের কম্পনে শরীর কাঁপে;
সাঁজবে বউ আয়নায় দেখে
বাসর হবে বাসী রাতে।

অপেক্ষায় থাকি সাঁজের ঢঙে
শাড়ি পড়ে ভাঁজে ভাঁজে,
লিপষ্টিক শ্যাডো ফরমাইশে
আলমারি খুলি বউয়ের হুকুমে।

প্লেট বাটি খাবার তরকারি
আছে সাঁজানো টেবিল জুরি
বেচারা স্বামী একা একাকী -
খাবার তুলে খাই সাঁঝ রজনী।

বউ আমার ঘুমের পরি
ঘুমিয়ে পড়ে নিত্য রজনী
আশার বাসর মনের গাঁথুনি
বাসর হয় নিত্য রজনী..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282504/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 05:39:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাঁজ বউ<br />
লেখক – মো: নাজমুল আখতার।</p>
<p>অফিস কাজ শেষ করে<br />
বাসায় ফিরি সন্ধ্যা রাতে,<br />
ফুলের দোকানে গাঁদা ফুলে<br />
মালা দু’খানা হলুদ সাঁজে।</p>
<p>দরজা খানা যখন খোলে<br />
সরম ঠোঁটে মিষ্টি হাসে,<br />
খোঁজে চোখ কামিনী ভাবে<br />
ফুলের সাঁজে গলা জুড়াবে।</p>
<p>মিষ্টি চুমুতে কপাল ভেজে<br />
ঠোঁটের কম্পনে শরীর কাঁপে;<br />
সাঁজবে বউ আয়নায় দেখে<br />
বাসর হবে বাসী রাতে।</p>
<p>অপেক্ষায় থাকি সাঁজে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282504"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282504/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bc501e17b8ea8060431ea293918bc20e</guid>
				<title>আমি অসহায় মা
বিদ্রোহী নিশান 

আমি এতটা অসহায় হায়েনার কবলে
আমার মেয়েরা ধর্ষিত
সন্তানেরা কর্ষিত
শকুনের দল নিয়ে দলবল নেমেছে মাঠে আজ
তোরা কে আছিস ঘুমে
বলছি ললাট চুমে
জেগে ওঠ, হাতে তরবারি সমেত নিয়ে বীরের সাজ।

আমি পরাধীন, আমি অধীন, আমায় খামচে তারা
কাগুজে স্বাধীনতার পরিয়ে শিকল করেছে স্বপন ছাড়া
স্বাধীনতার রঙ লাগিয়ে
আমাকে খায় ভাগিয়ে
লোভের মোহে এ আমাকে দিয়েছে তারা ভাড়া।
কোথায় আমার সূর্যতনয়
আয় না বেগে করছি বিনয়
আমায় বাঁচা, ঘনিয়ে এলো আমার জীবন সাঁঝ
জেগে ওঠ, হাতে তরবারি সমেত নিয়ে বীরের সাজ।

সাহস করে দাড়িয়ে যা।
যত বাঁধা মাড়িয়ে পা
মুক্ত করতে এ আমাকে আবার যুদ্ধ কর
শকুন যতো আনতে বধে
যুদ্ধ চালা মায়ের নদে
যতো পিচাষ জবাই করে সাফ করে দে ঘর।
বুকটা আমার খায় ছিড়ে আজ মানবতার বাজ
জেগে ওঠ, হাতে তরবারি সমেত নিয়ে বীরের সাজ।

স্বাধীন নামের অধীন হয়ে
এতেক বছর বেদন সয়ে
এলাম আমি যাতনা বয়ে,
আর পারিনা ওরে তনয়
করছি তোরে আমি বিনয়
আয় না আমায় সাজা জয়ে।
দে না ভেঙে অশুভদের কায়েমি রূপ রাজ
জেগে ওঠ, হাতে তরবারি সমেত নিয়ে বীরের সাজ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282500/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 05:10:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি অসহায় মা<br />
বিদ্রোহী নিশান </p>
<p>আমি এতটা অসহায় হায়েনার কবলে<br />
আমার মেয়েরা ধর্ষিত<br />
সন্তানেরা কর্ষিত<br />
শকুনের দল নিয়ে দলবল নেমেছে মাঠে আজ<br />
তোরা কে আছিস ঘুমে<br />
বলছি ললাট চুমে<br />
জেগে ওঠ, হাতে তরবারি সমেত নিয়ে বীরের সাজ।</p>
<p>আমি পরাধীন, আমি অধীন, আমায় খামচে তারা<br />
কাগুজে স্বাধীনতার পরিয়ে শিকল করেছে স্বপন ছাড়া<br />
স্বাধীনতার রঙ লাগিয়ে<br />
আমাকে খায় ভাগ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282500"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282500/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8c2ff607799a8b12002e884905789a4f</guid>
				<title>Eqbal Hossain changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282496/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 04:25:09 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ed959132d8115a0f2d600c146b6a6d8a</guid>
				<title>পুজোর আলো
আদিত্য ভৌমিক
তারিখ: ৫/১০/২০২৬

শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। বাতাসে শিউলির মিষ্টি গন্ধ। কাশফুলের দোলায় প্রকৃতি যেন আপন মনে গেয়ে উঠেছে আগমনী গান। চারপাশে ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে পরিবেশ। রাস্তার মোড়ে মোড়ে রঙিন আলো, পূজামণ্ডপে শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা, কোথাও ঢাকের তালে তালে মহড়ার শব্দ, কোথাও আবার শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠছে সন্ধ্যার বাতাস।

পুজো এসেছে।

এই কয়েকটি শব্দের মধ্যেই যেন লুকিয়ে আছে কত শত অনুভূতি। অপেক্ষা, আনন্দ, প্রার্থনা, ভালোবাসা আর ফিরে পাওয়ার এক অপূর্ব অনুভব।

ষষ্ঠীর সকাল থেকেই পূজামণ্ডপে শুরু হয় উৎসবের আবহ। নতুন সাজে সেজে ওঠে মণ্ডপ। ফুলের মালা, আলোর ঝলকানি আর ধূপের সুগন্ধে চারপাশ হয়ে ওঠে পবিত্র। প্রতিমার মুখের মায়াবী হাসি যেন সমস্ত ক্লান্তি ভুলিয়ে দেয়। মায়ের চোখের দিকে তাকালে মনে হয়, তিনি শুধু মণ্ডপে স্থাপিত নন, তিনি যেন মানুষের বিশ্বাস আর ভালোবাসার গভীরে বিরাজ করছেন।

সন্ধ্যা নামতেই ঢাকের শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে চারদিক। ধুনুচির ধোঁয়া ধীরে ধীরে আকাশের দিকে উঠে যায়। শঙ্খধ্বনির সঙ্গে মিশে যায় ঘণ্টার আওয়াজ। আলোয় আলোকিত মণ্ডপের সামনে দাঁড়িয়ে মনে হয়, শরতের এই কয়েকটি দিন যেন পৃথিবীর সব অন্ধকারকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার জন্যই এসেছে।

সপ্তমীর সকালে অঞ্জলির সময় চারপাশে নেমে আসে এক অন্যরকম নীরবতা। মন্ত্রোচ্চারণের প্রতিটি ধ্বনি বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। হাতজোড় করা অসংখ্য মানুষের প্রার্থনায় পূজামণ্ডপ হয়ে ওঠে আশার এক পবিত্র ঠিকানা। সেখানে ব্যক্তিগত চাওয়া পাওয়ার চেয়েও বড় হয়ে ওঠে শান্তির আকাঙ্ক্ষা, ভালো থাকার প্রার্থনা এবং সকলের মঙ্গল কামনা।

অষ্টমীর সন্ধ্যায় পুজোর আনন্দ যেন পূর্ণতা পায়। ধুনুচির ধোঁয়া, ঢাকের তালে নৃত্য, শঙ্খধ্বনি আর প্রদীপের আলো মিলে তৈরি হয় এক অপার্থিব পরিবেশ। মনে হয়, পৃথিবীর সমস্ত দুঃখ যেন কিছুক্ষণের জন্য থেমে গেছে। চারপাশের হাসি, আনন্দ আর উৎসবের রঙে মনও হয়ে ওঠে নির্মল।

নবমীর রাত আরও গভীর। পূজামণ্ডপের আলো তখনও জ্বলছে। বাতাসে ধূপের গন্ধ। দূরে কোথাও ঢাকের মৃদু আওয়াজ। প্রতিমার সামনে জ্বলতে থাকা প্রদীপের শিখাগুলো যেন নীরবে বলে যায়, অন্ধকার যত গভীরই হোক, একটি ছোট্ট আলোও তাকে হার মানাতে পারে।

তারপর আসে বিজয়া।

বিসর্জনের সময় ঢাকের শব্দে আনন্দের সঙ্গে মিশে যায় এক অদ্ভুত বিষণ্ণতা। প্রতিমা ধীরে ধীরে মণ্ডপ ছেড়ে বিদায়ের পথে এগিয়ে যায়। চারপাশে তখনও শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি আর প্রার্থনা। চোখের সামনে থেকে মায়ের প্রতিমা দূরে সরে যেতে থাকে, অথচ মনে হয়, তিনি কোথাও যাচ্ছেন না।

কারণ পুজো শেষ হলেও পুজোর আলো শেষ হয় না।

প্রতিমা বিসর্জিত হয় জলে, কিন্তু বিশ্বাস বিসর্জিত হয় না। মণ্ডপ খালি হয়ে যায়, কিন্তু হৃদয় খালি হয়ে যায় না। ঢাকের শব্দ থেমে যায়, কিন্তু আগমনী সুর থেকে যায় স্মৃতির গভীরে।

শরতের আকাশ আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়। কাশফুলের মাঠে বাতাস আবার দোলা দেয়। শিউলি ঝরে পড়ে নীরবে।

তবু মনে থেকে যায় সেই পবিত্র কয়েকটি দিন।

পুজো তাই শুধু প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো আর উৎসবের নাম নয়। পুজো হলো অন্ধকারের মধ্যে আলোর প্রত্যাশা, বিষাদের মধ্যে আনন্দ খুঁজে নেওয়া, আর হৃদয়ের গভীরে ভালোবাসা ও শুভবোধকে জাগিয়ে তোলার এক চিরন্তন আয়োজন।

মা আসেন, কিছুদিন থাকেন, তারপর বিদায় নেন।

কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া আলো থেকে যায়।

চিরকাল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282494/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 04:21:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পুজোর আলো<br />
আদিত্য ভৌমিক<br />
তারিখ: ৫/১০/২০২৬</p>
<p>শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। বাতাসে শিউলির মিষ্টি গন্ধ। কাশফুলের দোলায় প্রকৃতি যেন আপন মনে গেয়ে উঠেছে আগমনী গান। চারপাশে ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে পরিবেশ। রাস্তার মোড়ে মোড়ে রঙিন আলো, পূজামণ্ডপে শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা, কোথাও ঢাকের তালে তালে মহড়ার শব্দ, কোথাও আবার শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠছে সন্ধ্যার বাতা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282494"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282494/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">569ac2c41a194df7e316dea8a1c8317f</guid>
				<title>&quot;যে সৃতি শেষ হবে মরনে&quot;
নভেম্বর, ডিসেম্বর মাস আসলে ছোট বেলাকে খুব মনে পরে। বুকের ভিতরে একটা হাহাকার অনুভূত হয়। অন্য কার বেলায় কি রকম হয় জানি না। তবে ছোট বেলার কথা আমার এই সময়ে বেশি মনে হয়। এই সময়ে গ্রামে খাল বিল, নদীর পানি প্রায় তলানিতে থাকে। ১৯৯২ সাল হতে ২০০২ এই সময়টার কথা আমার বেশি মনে পরে। তখন নদী, খালে, ও নিচু জমিতে প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। খাল নদী হতে জ্যান্ত মাছ ধরার যে কি আনন্দ যে এই কাজ করেনি তাকে বোঝানো কঠিন। মা বলতেন আর মাছ দরকার নেই, রৌদ্র কাঁদা পানিতে ভিজে এত এত মাছ ধরে কি হবে?  কিন্তু কে শোনে মায়ের কথা! শুঁটকি মাছের গন্ধে টেকা দায়। কাঁদা পানির গন্ধেও এক রকম মাদকতা আছে। এটা আমাদের সমবয়সী যারা গ্রামে বড় হয়েছেন তারা  বলতে পারবেন। আজও সেই নদী আছে কিন্তু নদীতে মাছ নেই, নদীর বুকে স্রোত নেই, পাল তোলা, গুন  টানা নৌকা আজ কল্পনা।
নভেম্বর মাসে গ্রামে শীতের আগমন ভালই বোঝা যায়। ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির সকালে ঠোঁটে  মাখানো ছিল নিত্য দিনের কাজ। মিষ্টি রোদে বসে খেজুর রস, আহা! পাটালী গুড় দিয়ে মুড়ি  খাওয়া সকাল বেলা খুব মজা হত। নভেম্বর, ডিসেম্বর মাসে শীতের সকালে মাঠে মাঠে কৃষকের হাঁকডাক ছিল দেখার মত। গরু দিয়ে টানা নাঙ্গল আজকাল আর চোখে পরেনা। ফসলের মাঠে গরু দিয়ে নাঙ্গল করার ফলে বড় বড় ঢিলা হত। ঐ ঢিলা গুল ভেঙ্গে ছোট করার জন্য ইটামুগুর দিয়ে পিটানো হত। কুয়াশাছন্ন ভোরে সারা মাঠে একটা ছন্দ বয়ে যেত।এই সময় গ্রামে গেলে ভোর বেলায় যখন ঘুম ভাঙ্গে এখনো কল্পনায় বাজে সেই ছন্দ।  
আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন ভোর বেলায় গমের ক্ষেতে পাখি তাড়ানোর একটা ব্যাপার ছিল। গমের বীজ মাঠে ছিটানোর পর কয়েক দিন ভোর ও বিকেল বেলা মাঠ পাহারা দিতে হত। না হলে পাখিরা বিশেষ করে শালিখ পাখি গমের বীজ খেয়ে ফেলত। বীজ ফুটে চারা বের হবার আগ পর্যন্ত মাঠে পাহারা থাকতাম আমরা। সকাল সন্ধ্যা খেলাধুলার একটা অংশ মনে হত এটা। শীত নিবারনের জন্যই হোক আর আনন্দের জন্যই হোক সকাল বিকাল মাঠে শুঁকনো ঘাস পাতা দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে চারপাশে দাড়িয়ে আগুন পোহানও একটা খেলা ছিল। তখন এত আধুনিকতা হয়ত ছিল না কিন্তু আন্তরিকতার কোন অভাব ছিল না। চোখের সন্মুখে মাঝেমধ্যে সৃতি গুল খুব ছোটাছুটি করে, তখন হাত দিয়ে ধরতে বড্ড ইচ্ছে করে। যদি পারতাম! 
ডিসেম্বর মাসে বার্ষিক পরীক্ষা শেষে অফুরন্ত অবসর। লাটিম খেলা, সঙ্গে মার্বেল খেলা। বাড়ি হতে বের হলেই বিস্তীর্ণ সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহ অথবা মন মাতানো কচি গমের শীষ। রাত্রে টিনের চালায় টপটপ শিশিরের শব্দ আজও কানে বাজে। এটা অবশ্য আজও উপভোগ করা যায়। শীতের পিঠা পুলির সেই স্বাদ আগের মত আর অনুভূত হয় না। আজকাল শহরের লোকদের নিকট ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খুব জনপ্রিয় একটি খাবার কিন্তু ছোট বেলায় জমি হতে নতুন আলু উঠানোর পর ঐ জমিতেই আলু গাছ ঢাকার কাজে ব্যাবহারিত শুকনা ঘাস জ্বালিয়ে আলু পুড়িয়ে খাবারও একটা আলাদা মজা ছিল।  
বাড়ি হতে যেদিন লেখাপড়ার জন্য শহরের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলাম সেদিন ছিল ১৯শে নভেম্বর। এই কারনেই কি এই সময়টা ছোট বেলার   আবেগকে বেশি তারা করে? নিজেকে ঘর ছাড়া করার মাস বলে? তখন যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম  ছিল চিঠি। দু টাকার সেই ছোট হলুদ খামে কত আবেগ মাখানো ছিল! শেষ চিঠিটা কবে লিখেছিলাম আজ মনে পরে না। চিঠির পরিবর্তে যখন  মোবাইলটা  হাতে আসলো তখন পরিবর্তনের নেশায় মত্ত ছিলাম। তখনও একটা আবেগ কাজ করেছিল নতুন বিষয় কে গ্রহন করার আবেগ। নতুন পরিবর্তনের আবেগ। কিন্তু এই পরিবর্তনটা এত তাড়াতাড়ি কেন হল ভেবে মাঝেমধ্যে খুব মন খারাপ হয়। জানি এটা মন খারাপের কোন বিষয় নয়, তার পরেও হয়।   

শেষ কবে বৃষ্টিতে ভিজেছি মনে পরে না। অথচ একটা সময় এটা নেশার মত কাজ করত। ছোট বেলায়  বৃষ্টি শুরু হলেই নানা অজুহাতে মা, বাবা কে ফাকি দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়তাম। বিশেষ করে বর্ষার শুরুতে। তখন ফসলের জমি ধান কাটা হয়ে গেলে ফাঁকা থাকতো। ঝুম বৃষ্টি মাথায় নিয়ে খোলা মাঠে কখনো ফুটবল, কখনো ডাংগুলি খেলা, কখনো পাড়ার ছোটরা মিলে উদ্দেশ্যহীন বৃষ্টিতে ভেজা।আহা!  মনে আছে প্রাইমারী স্কুলে যখন পড়ি তখন স্কুল হতে ফেরার সময় বৃষ্টি শুরু হলে এক হাতে বই বুকে জরিয়ে ধরতাম অন্য হাতে বড় ফ্যান কচুর পাতা মাথার উপর ধরে বাড়ি ফিরতাম। বৃষ্টির আরও একটা আনন্দ ছিল। সকালে বৃষ্টি শুরু হলে স্কুলে যাওয়া লাগতো না। 
বর্ষা মৌসুমে নানা বাড়ীতে যাবার সময় মামারা সব সময় ছোট ডিঙ্গি নৌকা পাঠাতেন । কখনো ছই ওলা  নৌকা কখনো ছই ছাড়া নৌকা। বৃষ্টি থাকলে সাধারণত ছই ওলা নৌকা আসতো। শান্ত নদী বাঁ বিলের পানিতে খইয়ের মত ফুটছে বৃষ্টির পানি। ডিঙ্গি নৌকা ধিরলয়ে চলছে পানির বুক চিরে। এক বার  দৃশ্যপটটা মনে হলেই বুকের ভিতর কেমন করে উঠে। মনে হয় এক দৌড়ে চলে যাই সেই জায়গায়!
এবার বৃষ্টি মৌসুম শুরু হলে শহরের একগুঁয়ে জীবন কে ছুটি দিয়ে কিছু দিনের জন্য গ্রামে চলে যাব। একটা ছোট ডিঙ্গি নৌকাও কিনে ফেলবো। নিকষ কালো অন্ধকার বৃষ্টির রাতে নৌকা জলে ভাসিয়ে জলের ভিতরে বৃষ্টির খইয়ের শব্দ শুনবো। ছইয়ের নিচে চুপ করে বসে বৃষ্টির ভাষা বোঝার চেষ্টা করবো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282492/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 04:19:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                                              &#8220;যে সৃতি শেষ হবে মরনে&#8221;<br />
নভেম্বর, ডিসেম্বর মাস আসলে ছোট বেলাকে খুব মনে পরে। বুকের ভিতরে একটা হাহাকার অনুভূত হয়। অন্য কার বেলায় কি রকম হয় জানি না। তবে ছোট বেলার কথা আমার এই সময়ে বেশি মনে হয়। এই সময়ে গ্রামে খাল বিল, নদীর পানি প্রায় তলানিতে থাকে। ১৯৯২ সাল হতে ২০০২ এই সময়টার কথা আমার বেশি মনে পরে। তখন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282492"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282492/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">db410f1cc9dd7fbb4984c9886288be85</guid>
				<title>(চটি গল্প)

আমি অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি। নীতু আপা আমাকে রোজ ৫টায় টিউশনি করাতে আসে। আজও এসেছে। 

কলিং বেল বাজতেই দরজা খুলে দেখি নীতু আপা এসেছে। সাথে ছাতা আছে, তবুও বৃষ্টিতে হাল্কা ভিজে গেছে। নীতু আপার পরনে সাদা সেলোয়ার-কামিজ। এতো সাদা রংয়ের মাঝে কপালে ছোট একটা কালো টিপ। আপাকে কেমন জানি আজ পরী পরী লাগছে &#x1f60c;

আপা রুমে ঢুকে আমাকে বললো পানি খাবো। আমি পানি নিয়ে রুমে ঢুকে, নীতু আপাকে দেখে হা করে তাকিয়ে রইলাম। 
একি? নীতু আপার পরনো তো সেলোয়ার-কামিজ নাই।

 সেলোয়ার-কামিজ কই গেলো? শাড়ী পেল কোথায়? &#x1f642; শাড়ি কি নীতু আপার পার্সব্যাগে ছিলো? &#x1f642;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282477/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 03:49:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>(চটি গল্প)</p>
<p>আমি অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি। নীতু আপা আমাকে রোজ ৫টায় টিউশনি করাতে আসে। আজও এসেছে। </p>
<p>কলিং বেল বাজতেই দরজা খুলে দেখি নীতু আপা এসেছে। সাথে ছাতা আছে, তবুও বৃষ্টিতে হাল্কা ভিজে গেছে। নীতু আপার পরনে সাদা সেলোয়ার-কামিজ। এতো সাদা রংয়ের মাঝে কপালে ছোট একটা কালো টিপ। আপাকে কেমন জানি আজ পরী পরী লাগছে &#x1f60c;</p>
<p>আপা রুমে ঢুকে আমাকে বলল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282477"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282477/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c897cc127ca8220529d3c862809b6674</guid>
				<title>Poly Alam and ফারহান সীমান্ত are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282476/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 03:42:33 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">595cceb84cd4ea06e5fec068f9ad999a</guid>
				<title>সক্রিয়তা স্কোর ১০০০ পার হবার জন্যে এ সপ্তাহে মঞ্চবন্ধু খেতাবে ভূষিত হয়েছেন:

* Jannatun Nur @jannatun-nur

লেখকমঞ্চে আপনার চমৎকার উজ্জ্বল উপস্থিতি, রি-একশন এবং মন্তব্যের মাধ্যমে মঞ্চকে একটি জমজমাট স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার এই অবদানের জন্য জানাই অজস্র অভিনন্দন !

প্রত্যেক নতুন খেতাব লাভ করার সাথে সাথে আপনার প্রকাশিত লেখাগুলি আরও বেশি বেশি পাঠকের কাছে পৌঁছে যাবার সুযোগ খুলে গেল। আশা করি আপনার এই চমৎকার উপস্থিতি সর্বদা আমরা পেতে থাকব। আন্তরিক শুভেচ্ছা নিন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282356/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 03:30:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সক্রিয়তা স্কোর ১০০০ পার হবার জন্যে এ সপ্তাহে মঞ্চবন্ধু খেতাবে ভূষিত হয়েছেন:</p>
<p>* Jannatun Nur <a class="bp-suggestions-mention" target="_blank" href="https://toulot.com/n_members/jannatun-nur/" rel="nofollow ugc">@jannatun-nur</a></p>
<p>লেখকমঞ্চে আপনার চমৎকার উজ্জ্বল উপস্থিতি, রি-একশন এবং মন্তব্যের মাধ্যমে মঞ্চকে একটি জমজমাট স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার এই অবদানের জন্য জানাই অজস্র অভিনন্দন !</p>
<p>প্রত্যেক নতুন খেতাব লাভ করার সাথে সাথে আপনার প্রকাশিত লেখাগুলি আরও বেশি বেশি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282356"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282356/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2e3621d806eaf664a4c27a3189282de5</guid>
				<title>স্মৃতি হয়ে আছো!
           বলা হলো না!

&#x270d;&#xfe0f; মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান
রূপের রাণীরা আসে কখনো
সহজ-সরল মানুষের জীবনে,
হাসি দিয়ে, মায়া দিয়ে
জড়িয়ে নেয় আপন করে গোপনে।
নাহি প্রেম, নাহি ভালোবাসা—
তবু কত মধুর কথা কয়,
অজান্তেই সরল হৃদয়
স্বপ্নের জালে বন্দী হয়।
কেউ ভাবে—এই বুঝি সে-ই,
জীবনসঙ্গী হবে আমার;
বুকের মাঝে স্বপ্ন সাজায়,
ভালোবাসে মন উজাড়।
কিন্তু হঠাৎ একদিন দেখি—
সে তো আর পাশে নেই,
যে ছিল আমার স্বপ্নের রাণী,
চেনা মানুষ হয়েও যেন চেনে না সেই!
যে কথাটি বলতে চেয়েছিলাম,
সে কথাটি বলা হলো না;
হৃদয়ের যত গোপন ব্যথা
তার কাছে আর বলা হলো না।
একটি মানুষ হারিয়ে গেলে
হারায় শুধু মানুষ নয়—
তার সাথে হারায় কত স্বপ্ন,
কত আশা, কত পরিচয়।
রাতের পরে রাত জেগে
নিজেকেই প্রশ্ন করে মন—
আমি কি সত্যিই ব্যর্থ ছিলাম,
নাকি ব্যর্থ ছিল আমার ভালোবাসার আয়োজন?
যে চোখে একদিন স্বপ্ন ছিল,
আজ সেই চোখে অশ্রুধারা;
যে হৃদয়ে প্রেমের বসতি,
সেই হৃদয় আজ নিঃসঙ্গ-পাড়া।
কেউ সেই ব্যথা বুকে নিয়ে
কবি হয়ে লেখে গান,
কেউ সুর তুলে কাঁদায় পৃথিবী,
কেউ হারিয়ে ফেলে নিজের প্রাণের প্রাণ।
আর কেউ নীরবে কাঁদে—
কাউকে কিছু বলে না;
শুধু মনে মনে ভাবে—
“যে কথা বলিতে চাই,
সে কথা বলা হলো না।”
কখনো যে ছিল স্বপ্নের নায়িকা,
ব্যর্থতার শেষে হয়ে যায় খলনায়িকা;
তবু সত্যি বলতে কী—
দোষটা হয়তো তারও নয়,
দোষ ছিল আমার সরল হৃদয়ের,
যে অভিনয়কে সত্যিকারের ভালোবাসা ভেবেছিল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282455/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 03:03:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্মৃতি হয়ে আছো!<br />
           বলা হলো না!</p>
<p>&#x270d;&#xfe0f; মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান<br />
রূপের রাণীরা আসে কখনো<br />
সহজ-সরল মানুষের জীবনে,<br />
হাসি দিয়ে, মায়া দিয়ে<br />
জড়িয়ে নেয় আপন করে গোপনে।<br />
নাহি প্রেম, নাহি ভালোবাসা—<br />
তবু কত মধুর কথা কয়,<br />
অজান্তেই সরল হৃদয়<br />
স্বপ্নের জালে বন্দী হয়।<br />
কেউ ভাবে—এই বুঝি সে-ই,<br />
জীবনসঙ্গী হবে আমার;<br />
বুকের মাঝে স্বপ্ন সাজায়,<br />
ভালোবাসে মন উজাড়।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282455"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282455/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b189c154a3320beb6a09e5335b67de3d</guid>
				<title>অতৃপ্ত প্রেম

যদি এ জনমে তোমাকে না পাই,
আমি লাখো জনমে ফিরিবো,,,
তোমাকে আপন করে পেতে
আমি আবার জন্ম নেবো।

যদি সেদিনও যাও আমাকে ছেড়ে,
আমি অপেক্ষায় দিন গুনিবো,,,
কোনোদিন ফিরে যদি আসো,
আমি তোমাকেই ভালোবাসিবো।

যদি আমাকে কাঁদিয়ে সুখী হও,
তবে আমি না হয় কাঁদিবো,,
তোমার দুঃখে হবো দুখী,
তোমার সুখে হাসিবো।

যদি কাজের ফাঁকে মনে পড়ে,
তবে দুই নয়ন জলে ঝরাবো,
হারানোর ব্যথা যখন উঁকি দেয়,
বেদনার সুরে ভাসাবো।

যদি জন্ম-মৃত্যুর চক্রপথে
কখনো তোমায় পেয়ে যাই,,,
অতৃপ্ত প্রেমের হবে সেদিন ইতি,
তুমি ছাড়া কিছুই চাওয়ার নাই।

নাহীদ শাহ্</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282454/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 02:31:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অতৃপ্ত প্রেম</p>
<p>যদি এ জনমে তোমাকে না পাই,<br />
আমি লাখো জনমে ফিরিবো,,,<br />
তোমাকে আপন করে পেতে<br />
আমি আবার জন্ম নেবো।</p>
<p>যদি সেদিনও যাও আমাকে ছেড়ে,<br />
আমি অপেক্ষায় দিন গুনিবো,,,<br />
কোনোদিন ফিরে যদি আসো,<br />
আমি তোমাকেই ভালোবাসিবো।</p>
<p>যদি আমাকে কাঁদিয়ে সুখী হও,<br />
তবে আমি না হয় কাঁদিবো,,<br />
তোমার দুঃখে হবো দুখী,<br />
তোমার সুখে হাসিবো।</p>
<p>যদি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282454"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282454/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5cc5a046211964b97f45ff142289d84d</guid>
				<title>গীতি কবিতা-২৮৬২.
স্বপনের সিড়িঁ বেয়ে। 

বলতে পার কি তুমি?
চোঁখে কারো জলে ভরা নদী থাকা,
কতোটা হলে কেউ বোবা-
থাকে না মুখে কথা,
সে না বলা কথা দিয়ে -যায় 
কতোটা কাব&#x200d;্য লিখা ?

অদেখা বুকে রাখা
কারো জ্বলা বিরহ আগুন-
নিরবে জ্বলতে থাকা ;
হার মানাবে,
কতোটা আগ্নেয়গিরিকেও?
সাগরের অতলে থাকা।

স্বপনের শিড়ি বেয়ে
যায় বেশি কি, দূর দূর পথ
উপরে উঠা?
চোঁখের ঘুম সরে গেলে-
দেখা যায় বরাবর 
একই বিছানায় পড়ে থাকা।
&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;
মোঃ আলেফ শরীফ,
২৮২৬.৫.০৯.২৫ইং,ঢাকা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282453/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 02:27:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গীতি কবিতা-২৮৬২.<br />
স্বপনের সিড়িঁ বেয়ে। </p>
<p>বলতে পার কি তুমি?<br />
চোঁখে কারো জলে ভরা নদী থাকা,<br />
কতোটা হলে কেউ বোবা-<br />
থাকে না মুখে কথা,<br />
সে না বলা কথা দিয়ে -যায়<br />
কতোটা কাব&#x200d;্য লিখা ?</p>
<p>অদেখা বুকে রাখা<br />
কারো জ্বলা বিরহ আগুন-<br />
নিরবে জ্বলতে থাকা ;<br />
হার মানাবে,<br />
কতোটা আগ্নেয়গিরিকেও?<br />
সাগরের অতলে থাকা।</p>
<p>স্বপনের শিড়ি বেয়ে<br />
যায় বেশি কি, দূর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282453"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282453/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">23c303dd699c430a8e2fa4aeccbc21d9</guid>
				<title>কবিতার নাম - হিসেব কষা 

হিসাবের খাতায় তোমরা আমায়, কেউ রেখো না
হিসেব মিলিয়ে আমার জীবন, জানি সে ভরবে না
মন আমার ছন্নছাড়া যতই বোঝাই, ঘর বোঝে না
চাই দয়াল মাঝে হারিয়ে যেতে, কেউ বোঝে না

এই সমাজের হিসেব জটিল, বোঝা বড় দায়
স্বার্থের কাছে মাথা নত করে, যা ইচ্ছে তায়
আমার এতে গা জ্বলে যায়, কেমনে ধরি সাথ
বললে কথা দোষের নাকি, বলে এ কোন জাত?

জাত বে-জাতের ধার-ধারি না, সবাই মানি সমান
ওদের রাজ্যে আমিই অজাত, অনেক বেমানান
তাতেও আমার যায় আসে না, দয়াল আছো বুকে
তোমার মাঝেই হারিয়ে দয়াল, থাকতে যে চাই সুখে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282452/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 02:18:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতার নাম &#8211; হিসেব কষা </p>
<p>হিসাবের খাতায় তোমরা আমায়, কেউ রেখো না<br />
হিসেব মিলিয়ে আমার জীবন, জানি সে ভরবে না<br />
মন আমার ছন্নছাড়া যতই বোঝাই, ঘর বোঝে না<br />
চাই দয়াল মাঝে হারিয়ে যেতে, কেউ বোঝে না</p>
<p>এই সমাজের হিসেব জটিল, বোঝা বড় দায়<br />
স্বার্থের কাছে মাথা নত করে, যা ইচ্ছে তায়<br />
আমার এতে গা জ্বলে যায়, কেমনে ধরি সাথ<br />
বললে কথা দোষের নাকি, বলে এ কোন জাত?&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282452"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282452/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c3bb33df568a05fa5581add6ff06bce4</guid>
				<title>অশিক্ষকের ফাঁদে আমাদের শিক্ষা
এম এ রশিদ
চায়ের দোকান, ধানের মাঠ থেকে শুরু করে দেশ-সমাজের সর্বোত্র মানুষের মুখে মুখে একই কথা ঘুরে ফিরছে, স্কুল-কলেজে ক্লাস হয়না। সেজন্যে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়না। শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষার্থী না থাকলে পড়াবো কাকে? আবার, সরকার বলছে, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাব। এখানে প্রত্যেকের দাবীই আংশিক হলেও সত্য। যার যার অবস্থান থেকে শুধু সমালোচনা না করে সাধ্যমতো দ্বায়ীত্ব পালন করে এই সমস্যা সমাধানে কিছুটা হলেও অবদান রাখা সম্ভব। যেমনঃ 
চায়ের দোকানে বা ধানের মাঠে অযথা সমালোচনা না করে আপনার সমাজে অবস্থিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি আকর্ষণ করুন। শিক্ষকদের দ্বায়ীত্ববান হতে সহায়তা করুন। এটা আপনার নাগরিক কর্তব্য-অধিকার। শিক্ষকগণ কার্যকর শাসন ও অভিভাবকদের সাথে সংশ্লিষ্টতা বাড়াতে পারেন। প্রধানগণ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শ্রেণি কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন। তাহলে ফাঁকিবাজদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারেন। আর সরকার বাহাদুর শিক্ষকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেন। এসব প্রচেষ্টা যে একেবারে হয়না তা নয়। কিন্তু তবুও পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন হচ্ছে না। তাই এসবের বাইরে আরও অনুসন্ধান প্রয়োজন।

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার ৯৭% বেসরকারি। বেসরকারি মানে unprivileged অথবা underprivileged।  অর্থাৎ, সুবিধাবঞ্চিত বা কম সুবিধাপ্রাপ্ত। আমরা যে ঘোড়াটাকে কম খাওয়াবো, সেটা কম দৌড়াবে, এটাই স্বাভাবিক। কারণ তার সক্ষমতা দিনদিন কম হয়ে যায়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী যখন অবহেলিত, তখন তারাও অবহেলা শিখবে। এটা বিচিত্র কিছুনা। তাই দৌড় প্রতিযোগিতায় পাঠানোর আগে ঘোড়াটাকে উত্তমরুপে খাওয়াতে হবে। 

অশিক্ষক দ্বারা নিকৃষ্ঠভাবে আষ্টেপৃষ্টে বাঁধা আমাদের শিক্ষা। তাই শিক্ষার আলো অশিক্ষার অন্ধকারে বিলিন হয়ে যাচ্ছে নিরন্তর। শিক্ষক দেন শিক্ষা, তাহলে অশিক্ষক দেন কি? এখন বলতে চাই অশিক্ষক দ্বারা আমরা কি বোঝাতে চাচ্ছি। 
১। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে পেশাগতভাবে যুক্ত নন, অথচ কোচিং ও প্রাইভেট বাণিজ্য গড়ে তুলেছেন। এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ অশিক্ষক। শিক্ষার্থীদের ক্লাসবিমুখ করার জন্যে এই ধরেণর  অশিক্ষকরা ভিষণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। না পড়ে পাশ করার বিভিন্ন কৌশল যেমনঃ ম্যাজিক পদ্ধতি শেখাচ্ছেন, যা মাছ ধরা চারের মতো কাজ করে। তাদের কয়েকজনকে আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই। বিচারের দ্বায়ীত্ব আপনাদের।
ক একজন স্বাস্থ্য কর্মি কিন্তু নামকরা প্রাইভেট টিউটর;
খ একজন অর্ধশিক্ষিত পেশাহীন অথচ স্নাতক পর্যন্ত ইংরেজি পড়ান;
গ একজন 
২। এক বিষয়ের বা লেভের শিক্ষক হয়ে যারা অন্য বিষয়ে বা লেভেলে পড়ান, হোক সে ক্লাস অথবা কোচিং বা প্রাইভেট, তারা সংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়া অন্য সকল বিষয়ের অশিক্ষক। ধরা যাক, ক দেশের একজন সেরা বাংলা শিক্ষক। এখন তিনি যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, তিনি ইংরেজি বা অন্য কোন বিষয় পড়াবেন, আমরা বলবো, তিনি অশিক্ষক হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, তিনি নিজ বিষয়ের মহাসমুদ্র পাড়ি দিতে পারলেও, অন্য বিষয়ের কিনারা পার হতে সক্ষম নন। তিনি ভাবতে পারেন, আমি সব জানি। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। তার এমন মনে হবার কারণ হলো, তিনি এই সাগরে কখনো নামেননি। তাই একে অগভীর মনে হচ্ছে। বস্তুত, তারাই শিক্ষার বাণিজ্যিক রুপ দিয়েছে। কারণ, নিজ বিষয়ে বাণিজ্য করা যায়না ছাত্র পাওয়া যায় না। ফলে তারা নিজেদের স্বার্থে শিক্ষার্থীদের মেধা আর ভবিষ্যত নিয়ে ছিনি খেলে যাচ্ছেন। ছোট ক্লাস এক প্রকারে না হয় মানা গেলো।  কিন্তু এইচ এসসি বা স্নাতক স্নাতকের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসে এটা কিভাবে চলতে পারে? এখানে তো বিষয় বিশেষজ্ঞ শিক্ষকরাও হিমসিম খান। তাদেরও নানা ধরণের ট্রেনিং করানো হয়। আর বিষয় শিক্ষাহীন, প্রশিক্ষণহীন এসব অশিক্ষকগন টিকে আছেন শুধুমাত্র ভেল্কিবাজি করে। 
সবচেয়ে বড় ক্ষতি এই যে, তারা কখনো কোন গভীর বিষয়ে পাঠদান করতে সক্ষম না। তাই শিক্ষার্থীদের কাছে এদের পড়া সহজ লাগে। কিন্তু ক্লাসের বিষয় বিশেষজ্ঞ শিক্ষকের পাঠদান তাদের কাছে কঠিন লাগে। কারণ, শিক্ষক প্রয়োজনে গভীর আরও গভীরে প্রবেশ করেন। তাই যারা অশিক্ষকের ফ্যান খেয়ে অভ্যস্ত, তারা শিক্ষকের ভাত, কোরমা পোলাও খেতে রাজি থাকেনা। তাই ক্লাসে উপস্থিতি কমতে থাকে। আজকের সমগ্র বাংলাদেশের শিক্ষা এই প্রাণঘাতি রোগে আক্রান্ত। যার ফল আমরা দেখতে পাচ্ছি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ৯৪% ফেল, আর আন্তর্জাতিক মানদন্ডে আমাদের উচ্চমাধ্যমিক পাস শিক্ষার্থীরা সপ্তম শ্রেণির সমান!!&#x1f602;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282443/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 02:01:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অশিক্ষকের ফাঁদে আমাদের শিক্ষা<br />
এম এ রশিদ<br />
চায়ের দোকান, ধানের মাঠ থেকে শুরু করে দেশ-সমাজের সর্বোত্র মানুষের মুখে মুখে একই কথা ঘুরে ফিরছে, স্কুল-কলেজে ক্লাস হয়না। সেজন্যে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়না। শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষার্থী না থাকলে পড়াবো কাকে? আবার, সরকার বলছে, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাব। এখানে প্রত্যেকের দাবীই আংশিক হলেও স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282443"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282443/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>