-
কবিতা- অনামিকা নেই
সেদিন বিকেল বেলায়,
নদীর প্রান্তে বসে ছিলাম।
অনামিকা ছিলো পাশে।
আমার কাঁধে মাথা রেখে,
বলেছিলো, পাশে থাকার কথা।
ভেবেছিলাম হয়তো ছেলেমানুষী।
পাশে থাকার হাজারো কারণ গুলো,
মুছে ফেললাম সেদিন হৃদয় থেকে।
বুঝতে দেইনি চোখের কোণে থাকা সরল পানি,
ঝড়ে পড়ার আগে,আলতো করে মুছে ফেললাম।
অনামিকা আমার দিকে,
জিজ্ঞাসু দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে রইলো।
আমি দৃষ্টি নদীর দিকে স্থির করে রেখেছি।
পাখি গুলো মুক্ত স্বাধীন ভাবে উড়াল দিচ্ছিলো,
আকাশ হয়তো আজ মেঘমুক্ত।
প্রকৃতি আপন ছন্দে নৃত্য করছিলো।
চোখ ফিরিয়ে দেখি পাশে অনামিকা নেই,
আমি একা বসে কল্পনার জগতে ছিলাম।
অনামিকা নামক কেউ ছিলো না,
হয়তো এই পৃথিবীতে!
আমার কল্পনায় শুধু ছিলো অনামিকা।
কল্পনার জল্পনা শেষে,
ঠোঁটের কোণে মুচকি হাসির রেখা ছিলো,
পৃথিবী হয়তো মজা নিচ্ছে আমার একাকীত্বের।
আমিও পৃথিবীর সেই মজার সাথে,
তাল মিলিয়ে কল্পনার জল্পনায় ডুবে থাকি।6 Comments

ইশতিয়াক জিন্দানী রিশাত
সাদা কাগজের কালো কালি।
আমার নাম ইশতিয়াক জিন্দানী রিশাত। আমার জন্ম ১৯৯৮ সালের ১৩ই নভেম্বর শুক্রবার। জন্ম থেকে নিশ্বাসের স্বাদ নিচ্ছি সিলেট জেলায়। অর্থাৎ আমার জন্ম বাংলাদেশের সিলেট জেলার, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার, মল্লিকপুর গ্রামে। আমার পিতা রিয়াজ উদ্দীন ইসকা। একজন সাংবাদিক ও লেখক। জেনেটিক ভাবেই আমার রক্তে লেখালেখির পোকা রয়েছে। প্রতিদিন আমার গল্পের সাগরে সাঁতরাতে হয়। নানান গল্প খেলা করে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষে।
অনেক জ্ঞানীরা লেখকদের বিভিন্ন ভাবে প্রকাশিত করেছেন। লেখক ২প্রকার। ১ছাগল লেখক, এবং ২পাগল লেখক। ছাগল লেখক টাকার জন্য লেখে, এবং পাগল লেখে ভালো লেখার জন্য লেখে। আমি হচ্ছি পাগল লেখক। মানুষ পড়বে, এবং বলবে লেখা টা ভালো। এতেই তৃপ্তি। তবে, মানুষজন বলে লেখকদের না-কি তৃপ্তি নেই। তাঁদের তৃষ্ণা বৃদ্ধি পেতেই থাকে।
দেখা যাক আমার তৃষ্ণা কত টুকু বৃদ্ধি পায়।
তুলট এর মাধ্যমে নিজের লেখালেখির প্রতিভা আরও বিকশিত হবে।
আশাকরি, মগজের আরও বিস্তার হবে,এই তুলটের মসৃণ পথে।
ধন্যবাদ।



শুভেচ্ছা