-
অচেনা গন্তব্য
অশালীন খিস্তি খেউড় করতে করতে ছেলেগুলো কি রকম বিশ্রী দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে বারবার। যেন চোখ দিয়ে ছিঁড়ে খাবে।চাউনীর মাঝেও পার্থক্য থাকে, ভদ্র ছেলেরা চোখ দিয়ে গিলে খায় আর বখাটেরা খায় ছিঁড়ে। ভয় মিশ্রিত লজ্জায় একটু সরে যেতেই স্বরণী লক্ষ্য করল, এই উপচে পড়া ভিড়ের মধ্যে সে-ই যেন একাকী এক উপলক্ষ্য। ৫ ফুট ১ ইঞ্চি লম্বা, ফর্সা মুখ, মেদবিহীন সুডোল দেহ আর রূপের মোহনীয়তা মিলিয়ে তাকিয়ে থাকবার মতোই। বয়সটা ২৫ থেকে ২৬, সিথীতে সিঁদুর, হাতে শাখা, আর পাশে ১০-১১ বছরের একটা মেয়ে থাকা সত্বেও তাকে এখনো অনূঢ়া বা চিরকুমারী বললেও নির্দিধায় মেনে নেবে সকলেই।
এ তাকিয়ে থাকাটাতো নতুন নয়, কোথাও বের হলেই পুরুষেরা তার একটু কথা শোনার জন্য, মোবাইল নম্বরের আশায় কত রকম বাহানা করে।এমনকি মেয়েকে স্কুলে নিয়ে গেলে শিক্ষকেরাও পিছু ছাড়ে না। কত জন আবার মেয়ের ব্যাপারে অতি আদর দেখিয়ে ফোন করবেই প্রতিনিয়ত। প্রায় প্রতি রাতেই আননোন নাম্বারের অত্যাচারে ফোন বন্ধ রেখেই ঘুমাতে হয় তার।পুরুষের হৃদয়, রমনী দেখলেই হয়ে উঠে বিশাল আকাশ, তাতে সহসাই ফুটে উঠে চাঁদ-তারা আরো কত কি! আর যদি সেই রমনীরা রূপসী হয়, তবে তো কথায় নেই- এক নিমিষেই কাদা, ইচ্ছে মতো গড়ে তোলা যায়। পুরুষদের এই হেয়ালীপনা, তার ভালো লাগে না গা ঘিনঘিন করে উঠে।
তবু আজ অজানা আশঙ্কায় মেয়ের হাতটা ধরে পাশের দিকে সরে যায় স্বরণী। সত্যিই রাগের মাথায় এরকম হুট-হাট করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়াটা কোনভাবেই উচিত হয়নি। যদিও কোন সমস্যা সমাধানের জন্য আগে সমস্যাটা ভালো করে বাঁধানো দরকার। তবুও পুরুষ শাসিত সমাজে রাগ করে বাসা থেকে বের হওয়াটা পুরুষের মানালেও নারীদের বা কুলীন বউদের একেবারেই মানায় না। কারন…
মেয়েদের স্বাধীনতা আর অধিকার শব্দটা শুধু বইয়ের পাতায় জ্বলজ্বল করলেও বাস্তব চিত্রটা তার পুরোপুরি উল্টো না হলেও; অনেকখানি বৈরীই বটে! মা-কে আজ বড্ডো বেশি মনে পরছে তার।মা প্রায়ই বলতেন,
– মেয়েদের এত্ত রাগ ভালোনা, বুঝলে, মা?
– কেন, মেয়েরা কি মানুষ নয়? ঝাঁঝালো কন্ঠে বলত ও।
হাসতে হাসতে মা বলতেন,
– মেয়েরাও মানুষ, আর তেলাপোকাও একটা পাখি????
অতীতের কথাগুলো বেশ মনে পড়ছে। আজ যে কি হতে কি হয়ে গেল, কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না স্বরণী। এর আগেও এর চেয়ে কত্ত বড় বড় ঘটনা ঘটেছে কই তখনও তো সে বাড়ি থেকে বের হয়নি? যখন মেয়েটা আসেনি তখনও একবার আত্মহত্যার প্রচেষ্টা করেছিল, কিন্তু কোথায়, তখন বাড়ি থেকে পা বাড়ানোর সাহস দেখান তো দূরের কথা ইচ্ছেটাও পয©ন্ত হয়নি। তবে আজ কি হলো তার?আসলে প্রথম থেকেই এ বিয়েটাকেই মেনে নিতে পারেনি ও। ও যখন অচেতনাবস্থায় পড়েছিল তখন, লগ্নভ্রষ্টা হবার ভয়েই তার গোবেচারা স্বামী তার সিঁথিতে সিঁদুর পড়িয়েছিল, সাতপাঁকে বেঁধেওছিল এই অচেতনাবস্থায়। বয়সের পার্থক্যটাও ছিল বিস্তর। এখনও সাথে করে বের হলে লোকে ভুল করে তার স্বামীকে তার বাবা বলে ঠাওরায়।বয়ঃতারতম্য থাকায় ওর চোখে যা স্বাভবিক নির্মল আনন্দের, সেই বিষয়টিই হয়তো স্বামীর কাছে, সংসারের কাছে মহা অপরাধের। ফলশ্রুতিতে স্বরণীর পায়ে রয়েছিল এক অদৃশ্য বন্ধন, যা না যেত দেখা আর না যেত খোলা। এমন দুরবস্থার মধ্য দিয়েই দিনাতিপাত করলেও, ভুলেও সে পথে নামতে পারেনি, কারো হাত ধরে চলেও যেতে পারেনি ভয়ে (ভাত ছিটালে কাকের অভাব হয়না আর রূপ থাকলে পুরুষের ভালোবাসার)। কারণ তার বাবা একজন হৃদরোগী। যদি মেয়ের এহেন কায©কলাপে অপমানিত হয়ে… আরও একটা উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে রাগ করে চলে গেলেই বা লাভ কি? আবার ধরে বেঁধে এই সংসারেই ফিরে আসতে হবে। তখন তো আর মুখ থাকবে না, বরং এই নির্জন অত্যাচারের মাত্রা বাড়বে। তাই এত মৌন অত্যাচার আর নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুখে ‘টু’ শব্দটিও না করে মেনে নিয়েছে, মা-বাবাকে পয©ন্তও জানায় নি, পাছে স্বামী আর স্বামীর বাড়ির মান সম্মান হানি হয় ভেবে। হাসি পায় যাকে সে স্বামী রূপেই মানতে পারেনি, সে-ই স্বামীর মান সম্মান নিয়ে তারই আবার এত্ত ভয়? প্রবাদ ঠিকই বলে, “নারীর মন নাকি ঈশ্বরও ঠিক বোঝেন না!”
কনিষ্ঠ মেয়ে বলে বেশ আদরেই সে পার করেছে তার কৈশোর। বাবার জমিদারী না থাকলেও ঠাকুরদা’র জমিদারীর লুপ্ত রেশেই তার বেড়ে ওঠা, ঘরকন্নার কোন ব্যাপারই তার কখনই দেখতে হয়নি পিত্রালয়ে ।ননীর পুতুল রূপেই তার স্বামীর বাড়িতে প্রবেশ।কিন্তু এখন সে বড় বৌ। এখানে তার আদরের সকল আপিল বাসি। এইতো সেদিন (তখন সে বাড়ীতে এ বাড়িতে ভাদ্রবধু), জীবনে কখনও সে রান্না করেনি, সেই মেয়ে অনেক কষ্ট করে ভালোবেসে রান্না করে সে দেবরের প্লেটে দিতেই, দেবর তার মুখের উপর ছুঁড়ে দিয়েই-
– এই খাবার মুখে দেওয়া যায়?
তার স্বামী চুপ করে থাকে যেন কিচ্ছুটি হয়নি , শ্বশুর আর শাশুড়ী বিহিত তো করেই নি বোধ হয়, মনে মনে খুশিই হয়েছিল। চোখ মুছতে মুছতে ফেলে দেওয়া খাবার মেঝে থেকে পরিষ্কার করেছে নিরবে তখনও বাড়ি থেকে বের হয় নি, আজ যে কি হলো তার? কি-ইবা এমন বলেছে, শুধু বলেছে-
– বসে, বসে খালি অন্ন ধ্বংস?
খুব বেশি কি বলেছে? এর আগের ঘটনাগুলো কি এর চেয়ে খুব একটা ছিল বেশি না? চিন্তার গভীর রেখা স্বরনীর চোখে। খাবারের খোটা সে আগা গোড়াই সে সহ্য করতে পারেনা। কারণ তার মনে হয়, খাবার হচ্ছে স্রষ্টার সবচেয়ে অপার করুণা, কেউ কাউকে খাওয়াতে পারেনা, যদি স্রষ্টা না খাওয়ায়।তবে খোটা দেবে কেন?ওর কাছে মনে হয়, মানুষকে দুটো সময় খুব পবিত্র মনে হয়, একটা যখন মানুষ ঘুমায় তখন, আর যখন একজন মানুষ একাকী খেয়ে থাকে। এ দুটি সময় মানুষের চেহারায় তার আসল ভাব স্পষ্ট হয়ে উঠে। তাই ক্ষুধার্থ মানুষকে খেতে দিয়ে লুকিয়ে দেখাটা তার পুরানো বদঅভ্যাস। এর জন্য মায়ের কত্ত বকুনী খেয়েছে তার কি আর ইয়ত্তা আছে? স্বরনী ভেবে পায়না, শাশুড়িদের ব্যপারটা। তাদেরও তো মেয়ে থাকে, তাদের মেয়েরাও তো স্বামীর সংসার করে, কিন্তু তখন যদি কেউ তার মেয়ের সাথে এই ব্যবহার করে তবে, এ নিয়ে তাদের কত মাথা ব্যথা কত অভিশাপ! আর সেই শাশুড়িরাই তার বৌদের কাছে রণচন্ডীনি, মাতঙ্গীনি ভূমিকায় দাঁড়ায়। কিন্তু কারো কাছে বলবার সময় ঠিকই বলে,“আমি তো ছেলের বৌকে বৌ ভাবি না, আমার নিজের মেয়ে ভাবি,” কথাটা কি সত্যি? না, শুধু মনকে আড়াল করা? ফরাসি এক প্রবাদ আছে, “স্রষ্টা মানুষকে মুখ দিয়েছে তার মনকে আড়াল করার জন্য” এটাই সত্য। তার থেকে আরও বড় সত্য, “এক গাছের ছাল অন্য গাছে জোড়া লাগে না” হ্যাঁ আধুনিক যুগে শাখা কলম ও গ্রাফটিং এর বদৌলতে এক গাছের ছাল অন্য গাছে জোড়া লাগে সত্য, কিন্তু বৈশিষ্ট্যটা যার যার তার তারই থেকে যায়।এই প্রবাদটি নিয়ে তারও এতদিন জিজ্ঞাসা ছিল, গাছের ছাল তো অন্য গাছে জোড়া লাগে তবে কেন, “জোড়া লাগে না বলল”? আজ তার কাছে স্পষ্ট হলো যে, এখানে জোড়া লাগা বলতে, বৈশিষ্ট্যে এক হওয়া বুঝিয়েছে। মেয়ের ডাকে সম্বিৎ ফিরে পায় সে
– মা! মা! আইসক্রীম খাব।
– হ্যাঁ, চলো।
খিদেয় পেট চোঁ চোঁ করলেও খেতে ইচ্ছে হচ্ছেনা তার। সকালে সে এমনিই খায় না, সকালের খাওয়া তার খেতে খেতে দুপুর হয়।সে, মেয়েকে আইসক্রীমটা কিনে হাতে দিতেই ফোনটা বেজে উঠলো। অনেক আশা নিয়ে ফোনটা তুলতে তুলতে ভেবেছিল স্বামীর ফোন, কিন্তু না…
-মা… কে ফোন করেছিল, বাবা?
– না, মা। বাবা নয়। আননোন নাম্বার, বলতে অনেক কষ্ট হলো তার।সত্যিই আননোন… আননোনই তো বটে।নিজেকে বড্ডো অসহায় মনে হচ্ছে। বাড়ি থেকে যখন সে বের হয়ে আসছিল সে ভেবেছিল, তাকে হয়তো কেউ ফেরানোর ব্যর্থ চেষ্টা করবে, কিন্তু কেউতো তার পথ রোধ করেইনি, বরং যাদের সে আপনার চেয়েও আপন ভেবেছিল, তারাই কি না বলল,
– “মেয়েকে রেখে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দাও”!খুব কান্না পাচ্ছে। পৃথিবীতে ভালোবাসার এই প্রতিদান? যদিও প্রতিদানের আশায় কখনই স্বরণী কাউকে ভালোবাসেনি, যা বেসেছে হৃদয় থেকেই নিঃস্বার্থ ভাবেই। তবু আজকের এই নিরজন দিনে ভালোবাসার প্রত্যাঘাতটাই তার কাছে সবচেয়ে বেশী বাজছে। পল্লী কবিই হবেন হয়তোবা খুব একটা মনে পড়ছে না, যা-ই হোক, কোন এক বালক তাকে অকথ্য ভাষায় গালি দিলে- তিনি বলেছিলেন, “ওহে বালক, আমি কি তোমার কোনদিন কোন উপকার করেছিলেম যাহার প্রতিদান তুমি আজ আমাকে এইভাবে শোধ দিলে? পরে খুঁজে দেখা গিয়েছিল, এই বালককে পল্লীকবি একদিন কোন ব্যপারে সাহায্য করেছিলেন। স্বরণীও তার ভালোবাসার প্রতিদান পেল ঘাড় ধাক্কা। কোন এক অমানুষ স্বরণীকে কোন একদিন বলেছিল, “শোন, ভালোবাসার প্রতিদান শুধুই ভালোবাসাই।”
এতদিন পরে মনে হলো সব ভুল, সব ভুল। এখানে ভালোবাসাটা হলো স্বার্থ, আর স্বার্থ হাসিল করবার জন্য প্রতিনিয়ত অভিনয়।গাড়ি আসছে, চলে যাচ্ছে, কি করবে, কোথায় যাবে কিচ্ছু ভেবে পাচ্ছে না। পৃথিবীতে মানুষ সবচেয়ে বড় অসহায় তখন, যখন স্রষ্টার তৈরি এত বড় আকাশের নিচে এত বড় জমীনের মাঝে নিজের মাথা গুঁজবার মতো একটু ঠাঁই পায় না।
বখাটেদের গলার আওয়াজ আর খিস্তি গুলো শোনা যাচ্ছে…
– আসেন দিদি সুঁই, ৫ সুঁই এক টাকা…মেয়ের হাত ধরে হ্যাচকা টান দিয়ে বলল, তাড়াতাড়ি চলো!
– কোথায়?
– জানিনা।
মেয়েটি অসহায় দৃষ্টিতে মায়ের দিকে তাকায়, সূর্য তখন পশ্চিমে কিছুটা হেলতে শুরু করেছে।যদিও জানি, কোন পরিচিত জনের কাছে কিছুদিনের জন্য আশ্রিত হবে স্বরনী, পরে আবার ফিরেও আসবে সংসারে। আবার মায়াকান্না ঘরকন্নায় ভরে উঠবে তাদের জীবন। আনন্দ হাসি কান্নার মাঝে সে প্রত্যাঘাতও পাবে বার বার। জীবনের এ চেনা পথটা চেনা হলেও এর গন্তব্য কোথায়? প্রতিনিয়তই রাস্তা ঘাটে পুরুষের হাতে নারীরা হচ্ছে লাঞ্ছিত, হচ্ছে ধর্ষিত, এমনকি সংসারেও স্বামীর কাছে বলাৎকারের শিকার হচ্ছে নিরবে। তবে কি পুরুষের কাছে, সমাজের কাছে, নারী শুধুই খেলনা, রক্ত মাংসের পিন্ড? শুধু কামনার আরতিটুকু, শুধু রতিক্রিয়ার নিরেট কামের পুতুল? জানিনা কবে সমাজের চোখে ফুটবে স্বপ্ন? নারীদের অধিকার নাইবা সমুন্নত হলো, তবু তারা যে মানুষ; তাদেরও যে মন আছে, তাদেরও যে স্বপ্ন আছে, তাদেরও ইচ্ছে অনিচ্ছা আছে, এই সম্মানবোধটুকু কবে যে সমাজ তাদের দেবে, নারীরা বুঝে পাবে তাদের মনের ন্যায্য পাওনা, কে জানে? যদিও সমাজে বাড়ছে শিক্ষার হার। আমি বুঝি না শিক্ষার হার বাড়ছে দিনকে দিন , মসজিদ মন্দির বাড়ছে, টিকি-টুপি- পৈতার সংখ্যার বাড়ছে তবু অনাচারও বাড়ছে সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে, তবে কি লাভ? তবে কি সর্ষের ভেতরেই ভুত? কে জানে? কে জানে এর গন্তব্য কোথায়? এ যেন চেনা পথের অচেনা গন্তব্য।
[ গল্প, কবিতা গান এ গুলো মানব জীবনেরই প্রতিচ্ছবি বা প্রতিচ্ছায়া মাত্র। জীবনের কোন না কোন অনুভূতি নিয়েই গড়ে উঠে শিল্প- গল্প, কবিতা, নাটক, উপন্যাস প্রভৃতি।মানব জীবন ঘটনাবহুল হলেও অনুভূতি প্রায়ই একই রকম শুধু প্রবাহমানতা ভিন্ন, দৃশ্যপটটা ভিন্ন।তাই কারো জীবনের সাথে, কারো পথচলার সাথে এ ঘটনা মিলেই যেতে পারে। দীর্ঘদিন যাবত সংসার না পেতেও সংসারকে ব্যবচ্ছেদ করে যা পেয়েছি তাই লিখেছি। আসলে সংসার শুধু সং-সারই। এখানে সং সাজাটাই শুধু সার মাত্র। তবু বলছি এ ঘটনা নিতান্তই কাকতালীয়, যদি কারো জীবনের সাথে মিলে যায়, তবে তার কাছে এই অনভিপ্রেত অপরাধের জন্য মার্জনা চেয়ে নিচ্ছি। পৃথিবীর সকল নারী পুরুষ, মানুষেরা সুখী হোক!!(আমি ব্যতিরেকে, কারণ আমি এখনও মানুষ হতে পারিনি)]
7 Comments

অরিন্দম সাইফুল্লাহ্
Friends
মোঃ মাহফুজুর রহমান
@nnxnsnmfkfkkgmail-com
Romana Rohomoti Shraboni
@romanarohomotishraboni
মো:শাহীন হাওলাদার
@hmshahin
Shrabon
@shrabon1
Smsadek__
@smsadek__
Deepro Ruhul Wahab
@deeproruhulwahab
আনিস কবির
@aniskabir
মোঃ রাঈদুল ইসলাম
@mdraidulislam
তাসনিম শাহরিয়ার
@tasnimmmm



সুন্দর গদ্য। ভালো লাগলো। আরো লেখা চাই।