Profile Photo

সাকেরা মজুমদারOffline

  • shakera
  • Profile picture of সাকেরা মজুমদার

    সাকেরা মজুমদার

    3 years, 9 months ago

    ২য় খন্ড
    চিঠি
    মোহিনী চিঠিটা উলটে পাল্টে দেখে কোন ঠিকানাই নেই।কে লিখেছে কিছুই বুঝা যাচ্ছে না। যাই হোক তার স্কুলে যেতে হবে তাই রান্না করে, তৈরি হয়ে স্কুল রওনা হলো।
    মোহিনী হাটতে হাটতে ক্লান্ত হয়ে যায়। তাও তার বাচ্চাদের জন্য স্কুল ছাড়তে মন চায় না। যে ভালোবাসা সে এই বাচ্চাদের থেকে পেয়েছে তা আর সে কোথাও পাবে না। বাচ্চারা তাকে নিজেদের খুশি, কষ্ট সব বলে, কোন সমস্যায় পড়লে তারা এক কথায় বলে আপার কাছে সব সমস্যার সমাধান থাকবেই। এই বিশ্বাস এর জায়গা করাটাও কম কি এখনকার যুগে এটাই অনেক বড় পাওনা।
    এসব ভাবতে ভাবতে সে যখন হাটছে তখন রাস্তার পাশের বাড়ির এক মেয়ে; ওর নাম রুনা বলে উঠে আপা একটু বসে যান, কতদূরের পথ। রুনা আজ বসবো না এমনি অনেক দেরি হয়ে গেলো বলে মোহিনী হাটতে থাকে।
    স্কুলে ক্লাস,পড়া,বাচ্চাদের সাথে কথা বলতে বলতে চিঠির কথা প্রায় ভুলেই গেলো মোহিনী।বাসায় এসে দেখে আবার চিঠি এসেছে।এইবার মোহিনীর কপালে চিন্তার ভাজ পড়ে কে দিচ্ছে বেনামি চিঠি। চিঠি খুলে সে পড়ে দেখে তাতে লেখা “জীবনের মানে কি আপনি আসলেই জানেন না। ”
    জীবনের মানে হলো মনকে স্বাধীন করে দেওয়া।নিজের ইচ্ছেতে চলা। নিজেকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা।
    ভাবছেন কে দিচ্ছে চিঠি, আছে কেউ আশেপাশে । মনে হলো সেইদিন আপনাকে দেখে বই পড়তে যে ভালোবাসে চিঠি কে তো ভালোবাসার কথা। চিঠি মনকে ছুয়ে যায় তাই লোকে আমাকে সেকালের বলে। মনের ভিতর যা নাড়া না দেয় তাকে কি কথা বলা যায় আপনি বলুন। আর আমাকে চিঠির উত্তর দিতে হলে আপনার বাসার ডানের বটগাছের গোড়ায় রেখে গেলেই হবে।
    মোহিনী চিঠি পড়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলো। তার কত লোকের চেহারা মনে পড়ছে এই লোক সেই লোক কে দেয় তাকে চিঠি, ভাবনায় ডুবে গেলো সে।
    চলবে

    5
    10 Comments
Skip to toolbar