-
# নারী থেকে মানুষ (৩)
মৃন্ময়ীরা থেমে থাকে না কিংবা থেমে থাকতে পারে না… তাই জীবনের তৃক্ততাকে এক পাশে রেখে ক্রমাগত এগিয়ে চলছে।কাকে বলবে? কি বলবে? কেন বলবে? সত্যি কি একজন মায়ের জানা উচিত না কিংবা জানে না তার মেয়েটা বড় হচ্ছে তার নিরাপত্তা&নিরাপদ মানুষ দরকার?কত প্রশ্নের জটরে মৃন্ময়ী চলছে ঠিক সে সময়ে স্যারের স্নেহপূর্ণ শাসন ভালো রেজাল্ট করতে হবে,এই আদেশ যেন টনিক হয়ে এলো ওর জীবনে। হায় রে নিয়তি…সে দিন রাত ১.৩০/২টা বাড়িতে ডাকাতি বিভৎস রাতের স্মৃতি যতটা না বিষাদের তার চেয়েও বিষাদময় ছিল তার পরের সময়।আচ্ছা ডাকাত আসলেই কি ধষর্ণ করে?করলেও হয়ত ক’য়েক মি&ঘন্টা কিন্তু তারপরের বাক্যধষর্ণ,দৃষ্টি ধষর্ণ নিত্যসঙ্গী কিন্তু কেন?যখন মেয়ে হয়ে মেয়েকে ঈঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করে তার ক্ষত কতটা গভীর তাতো ভুক্তভোগী জানে…সব ক্ষতের ঔষধ হয় না।
আচ্ছা মৃন্ময়ীরা কি ধষির্তা হতেই পৃথিবীতে আসে?ওদের প্রয়োজনে শুধু ব্যবহার করা যায় কিন্ত শক্ত হাতে ওদের আগামী সুন্দরের কর্তব্য পালন করা যায় না। স্যারের অনুপ্রেরণা&বাবার স্বপ্ন সর্বোপরি এই সমাজে টিকতে হলে নিজে কিছু করতেই হবে সবমিলিয়ে এস.এস.সিতে অসাধারণ রেজাল্ট নিয়ে উত্তীর্ণ হলো। এখানেও দূরত্ব হলো কিছু সহপাঠীর সাথে।এরই মাঝে জীবনে এলো নতুন মানুষ তাই শহরের কলেজ&ভালো রেজাল্ট নিয়ে এইস.এস.সি পাশ করা হলো না।(ভালোবেসে বিয়ে করে নিজের জন্য কিন্তু ভালোবাসা কে পুঁজি করে পরিবারের জন্য বিয়ে করে যে ক’জন সেই মহান পুরুষদের একজন মৃন্ময়ীর স্বামী)সংসার চলছিল সংসারের নিয়মে এর মাঝে শ্বাশুড়ি গত হলো বলা হয়নি বিয়েটা তাড়াতাড়ি হওয়ার কারনই ছিল অসুস্থ শ্বাশুড়িকে সময় দেওয়া।তারপর বাবাও গত হলেন। ছোট বোনদের নিরাপত্তা সহ পরিবারের প্রয়োজনে নতুন কর্তব্য যোগ হলো।এভাবেই কাটতে লাগল সময়…পৃথিবীর ক’টা মেয়ে ভালোবেসে বিয়ে করেও দু’দিন না যেতেই শুনতে হয় একটা সময় পর স্বামী তাকে রাখবে না কিন্ত কার কাছে এই কষ্ট বলবে? কেনই বা বলবে?…।
সময় সময়ের নিয়ম মেনেই চলছে&অপেক্ষা কর্তব্য পর্ব শেষ করে মুক্তির। তাই আবারও চেষ্টা পড়তে হবে&কাজ করতে হবে নিজের জন্য। ২০-২২বছরে বুঝে গেছে এই পৃথিবীতে সবার জন্য অনেকে&অনেক থাকলেও ওর কেহ নেই&থাকবেও না কেহ।
গ্যজুয়েশন শেষ করে সংসার,সন্তান, বাবার অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করে মৃন্ময়ী চাকরিজীবি…দীর্ঘ নিঃস্বাস নিয়ে অস্তির মনকে বলে সংসারে তার প্রয়োজন না থাকলেও নিজের জন্য তার বেঁচে থাকা প্রয়োজন কেননা কতবার মরণের দরজা থেকে ফিরেছে তার হিসেব ঐ বিধাতাই জানেন। কত মৃন্ময়ী জীবন যুদ্ধে হেরে অন্ধকারে হারিয়ে গেছে কে জানে তাই বেঁচে থাকার কারণ হয়ত ভালো কিছুর জন্য এটাই বিশ্বাস মৃন্ময়ীর।
# জীবন চলায় যাদের স্নেহ,ভালোবাসায় মৃন্ময়ী আজ মানুষ তাদের জন্য দোয়া কামনা এই গল্পের পাঠকের কাছে।
** আঘাত শুকিয়ে যে চিহ্ন একে যায় তার কষ্টটা না বুঝলেও খোঁচা মারার স্বভাব বন্ধহোক বিবেকহীন সমাজ বাসীর।মৃন্ময়ীরা মরতে চায় না ওদের হত্যাকরি কথিত আপন জনেরা তাই স্বাথের্র দেয়াল ভেঙে নিরাপদ পরিবেশ প্রত্যাশা।8 Comments
Friends
আজিজুর রহমান
@azizurrahman
মামুনুর রশিদ
@mamun01722525933gmail-com
Syed Farah
@syedfarah
MD HAFIZUR RAHMAN
@mdhafizurrahman1
Nehal Nibir
@nehalnibir
abrar
@abrar
সায়মা নোর
@t07178341gmail-com
আলী আজম
@aliazam6663153gmail-com
আফরিন আক্তার
@afrin



মৃন্ময়ীর গল্পটা এই সমাজেরই চিত্র… সত্যিই একটা আপাতঃদৃষ্ট জীবনের পেছনে কত গল্পই থাকে… অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও মুগ্ধতা জানাই…