-
“তুলট” আমার খুবই পছন্দের একটি প্লাটফর্ম,যেখানে মনের কথা নির্দ্বিধায় প্রকাশ করা যায়।নতুন বছরে হয়তো লিখতাম কোনো কবিতা বা ছোটগল্প,কিন্তু
বর্তমানের শিক্ষাব্যবস্থার যা অবস্থা, তা নিয়ে না লিখে আর পারলাম না।প্রকাশ করলাম পছন্দের যায়গায়।★প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন পড়ছিলাম তাতে, ব্রিটিশ সাময়িকী “ইআইইউ” এর ২০২১ সালের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে,”বাংলাদেশে প্রতিবছরই উচ্চশিক্ষা নিয়ে শ্রমবাজারে আসা চাকরিপ্রার্থীদের প্রায় অর্ধেক থেকে যায় বেকার অবস্থায় এবং ৪৭শতাংশই স্নাতক বেকার।” যেখানে পাকিস্তানে তা ২৮শতাংশ,নেপালে ২০শতাংশ ও ভারতে(বর্তমানে যে দেশকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সব থেকে বেশি অনুসরণ করা হয়) ৩৭শতাংশ।
এই পার্থক্যের কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা যা মনে করে থাকেন,” আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা সমাজ ও রাষ্ট্রের চাহিদা মেটাতে অক্ষম,এমন সকল বিষয় শিক্ষাক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যার সঙ্গে চাকরির বাজারের বিন্দুমাত্র সংযোগ নেই।” এর চাক্ষুষ প্রমাণ এইতো কয়েকদিনের সবথেকে আলোচিতো-সমালোচিত বিষয়,”ষষ্ঠ-সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকের বেহাল দশা।”ধর্মবিষয়ক যে কথা উঠে এসেছে তা নাহয় না বললাম,তা নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেকেই বলেছেন।
আমি বলি যেখানে পাঠ্যবিষয়ে গুগল ট্রান্সলেটরের তথ্যাদি ব্যবহার করা হয়, সেখানে ১৪ ডিসেম্বরকে স্বাধীনতা দিবস বলবে এটাইতো স্বাভাবিক! কিছুসময় আগেই একজন শিক্ষকের কথা শুনলাম তিনি বলছেন, “শুধু ষষ্ঠ কিংবা সপ্তম শ্রেণীর বই নয় নবম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞানের বইয়ে যেনো সবথেকে নিকৃষ্টমানের তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।”
দুঃখ হয় স্বাধীন বাংলাদেশের শিক্ষার এই করুণ দশা দেখে। শিক্ষকদের কাছ থেকে শিখে এসেছি ন্যায়ের পথে চলতে,অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে,শিক্ষাকে যে রাজনীতিতে ব্যবহার করা হচ্ছে সে ব্যাপারে যে সকলেই জানে বা জানছে অথবা বুঝছে তা নিয়ে সন্দেহ নেই। আশা রাখি সকলেই নিজ স্থান থেকে সামর্থ্যানুযায়ী কিছু হলেও কথা বলবেন।
আমরা মুক্ত হই,জাতি মুক্ত হোক,সুষ্ঠু শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে সুশিক্ষিত জাতি গড়ে উঠুক এতটুকুই প্রত্যাশা।★নগন্য আমার জ্ঞানের ভান্ডার,কেবলই একান্তই নিজের অভিমত প্রকাশ করেছি, আশা রাখি সকলেই ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
3 Comments-
ধন্যবাদ লেখিয়ে বন্ধু গুরত্বপূর্ণ একটা বিষয়কে এভাবে গুছিয়ে তুলে ধরার জন্য! শিক্ষা যেখানে আমাদের বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে শেখায় সেখানে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিজেই অন্ধকারে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে! তবুও উন্নত প্রযুক্তির এই যুগে আমরা পিছিয়ে থাকব না আশা করি! খুব শীগ্রি মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা একটা বিপ্লব ঘটাবে বলে আমার বিশ্বাস! যেখানে স্কুলের চার দেয়াল নিজেদের বন্দী মনে হবেনা আর ভারী ভারী বইগুলো বয়ে বয়ে মেরুদণ্ড বাঁকা হবেনা! প্রকৃত শিক্ষায় দীক্ষিত হয়ে আগামী প্রজন্ম নতুন সম্ভাবনার উন্মেষ ঘটাবে!
Friends
চারুলতা
@adiba-rahman
Drako Shajib
@drako
সৃষ্টি
@premdevota
Zahidul Jamy
@zahidul
আর্য
@arjo
রাহেনা বেগম
@rahena-begum
মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (সবুজ) সিকদার
@attokendrik
নোমান খালভী
@nomankhalovi
Prithula Zaman
@prithula


অভিনন্দন।