-
পোড়ামাটির প্রকট পুতুল’
_কিশোর কনকপ্রাণপণ ভালোবেসে যারে পাওয়া যায়না
ভালো না বেসে তারে পেয়ে যাবে কেউ
ঘরে সংসারে-কামনা বাসনা ভালোবাসায় প্রেমে’
মনে-প্রাণে দেহে-ঘরে সংসারে।
প্রাণপণ ভালোবেসে যারে পাওয়া যায়না
ভালো না বেসে তারে পেয়ে যাবে কেউ
আলিঙ্গন-চুম্বন,সুখ-অসুখ সহবাস অন্ধকার
জীবনের সকল আয়োজনে।যার জন্য জীবন মরণ এক করেছি প্রেমে
যে মানবী মিশে গেছে আমার রক্ত-ঘামে
সে খুঁজছে হরেক রকম নষ্ট ফুলে মৌ।
যার জন্য অনাহারে-অনিদ্রাতে কেঁদেছি ভোরে
বহুদিন রাত নীল প্রহরে নিজেকে দিয়েছি সাজা
সে মানবী হতে রাজি অচেনা কারো বৌ।তবু ধৈর্য্যের ফল মিষ্টি হবে
এমন সস্তা গল্প ভবে
প্রচলিত থাকবেই জেনো জনপদে চিরকাল….
প্রাণপণ ভালোবেসে কাঙ্খিত নারীকে পাবেনা কবি
কবির বুকে পা রেখে স্বেচ্ছায় ভিন্ন পুরুষের
কামনার লালাবিষ চুষতে চলে যাবে দেবী।তবু প্রাণপণে চাই
ভালো থেকো,
আবেগহীন বিবেকহীন মানবতাহীন পোড়ামাটির প্রকট পুতুল।
আমার শেখানো কথা বোলোনা তারে
জানি পস্তাবেই একদিন কাঁদবেই তুমি অঝোরে
যেদিন ভালোবাসার অভাবে ঝরে যাে জীবনের স্বপ্নমুকুল।মন চেয়ে মন যায়না পাওয়া,আমি বৃথাই মানুষ চেয়েছিলাম
আমার প্রেম বহুজনে তাই বহুবার করেছিলে নিলাম।
আমার কোনো সান্ত্বণা নেই
প্রাণপণ সৎ থেকে মনপ্রাণ উজার করে ভালোবেসে তোমায়
শুধু অবহেলা আর অবজ্ঞাই জুটলো চার আঙুলের কপালে।
তুমি আসল মানুষ চিনলেইনা দেবী
বুঝলেইনা প্রতারণা করেনা পৃথিবীর কোনো কবি
আহা জীবন,
জীবনের সব কবিতার চুম্বক অংশ বলেও তোমায় ফেরানো যায়নি
কবিতা বোঝার মতো ক্ষমতাধর মেধাবী মস্তিস্ক ছিলোনা তোমার
তুমি শেষ পর্যন্ত অসংখ্য বুনোফুলের গন্ধে বিভোর থাকলে
ছেড়ে গেলে হৃদয়ের বন্দর ||আমি দিনের পর দিন অনাহারে অর্ধাহারে থেকেছি
সে মানবীর বিরহে জেগেছি অসংখ্য নির্ঘুম রাত।
দুঃস্বপ্নেও আর কারো সাথে হয়নি কথোপকথন
সে মানবীর কথা মনে রেখে হয়েছে বহুরাত প্রভাত।
সে মানবী কখনো বুঝবেইনা
কতো অবহেলা কতো অবজ্ঞা সয়ে
কতোভাবে নিজেকে শাস্তি দিয়ে বেঁচে ছিলাম
শুধু তার ভালোবাসা পাবার জন্য ||হযরত মোহাম্মদ – শ্রী কৃষ্ণ – রামকৃষ্ণ-যিশু খ্রীষ্ট
কিংবা গৌতম বুদ্ধ যে ভালোবাসায় পৃথিবী জয় করেছেন
সেই স্বর্গীয় ভালোবাসাতেই তুমি ঘৃণা পোষণ করো মনে প্রাণে।
যে কথায় দুনিয়া চলছে আবহমানকাল ধরে
যে কবিতা গানের হৃদয়স্পর্শী মর্মকথা মানব মনে প্রশান্তি আনে
সেই গান কবিতার চুম্বক অংশ ও তোমার হৃদয়কে স্পর্শ করেনি।
আমি কায়মনে নতজানু থেকেছি তোমার প্রেমে
পৃথিবীর কোনো কবি তার কবিতার পা ধরে ক্ষমা চেয়েছে কিনা জানিনা
তুমি তাতেও আমার থাকলেনা কবিতা ||তোমার খুশির জন্য আমি কি না করতে পারতাম?
তুমি চাইলে নিজের শরীর থেকে মাংস কেটে তোমার হাতে দিতে পারতাম
তুমি চাইলে চলন্ত গাড়ির নিচে ঝাপিয়ে পড়ে ভালোবাসার প্রমান দিতাম
তুমি চাইলে পৃথিবীকে তুচ্ছ ভেবে তোমার জীবন দিতাম তোমার জন্য।
আজ শুধু ভাবছি প্রাণপণ সৎ থেকে লাভ হলো কি
সেইতো আমার প্রতি তোমার মনের টান হলোনা কিছুতেই
সেইতো শেষ পর্যন্ত আমায় চাইলেনা তুমি’
জীবনের চরম বিপর্যয়েও একবার খোঁজ রাখোনি
আমি বেহাার মতো এক পৃথিবীর কাব্যকথা লিখেছি তোমায়
পাথরের মূর্তি তুমি কিছুতেই সাড়া দিলেনা ||দেখো রুপের অহংকার থাকেনা কারো চিরকাল তোমারও থাকবেনা
কারো বাহ্যিক সৌন্দর্য তোমাকে সুখ দেবেনা সংসারে।
একদিন বুঝবে কি ছিলাম ঐ জীবনে,কি চেয়েছিলাম তোমাতে আমি
আর বিনিময়ে আমাকে কি দিয়েছিলে তুমি!
একদিন তোমার ঘুমন্ত বিবেক জেগে উঠে ধিক দেবেই তোমাকে
সেদিন তুমি অনুশোচনার আগুনে জ্বলবে,খুঁজবে আমাকেই জেনো।
ততোদিন দুজনার দুটি পথ বেঁকে যাবে দুরের কোনো সীমান্তে
তুমি চাইলেও ফিরতে পারবেনা জীবনে আমার কিছুতেই।
কবি তার কাংখিত নারীকে পাবে এমন নিয়ম পৃথিবীতে নেই
তারে অন্যজন অন্যভাবে পেয়ে যাবে ঘরে সংসারে ফুলশয্যায়
প্রেমিক শুধু মনের খবর রাখে পুরুষ রাখেনা ||গদ্য-পদ্য মিশ্রিত স্বরলিপি না মানা কবিতায় জীবন দহন লিখলাম
মাতালের মতো আজ মধ্যরাতে একলা ঘরে।
হৃদয়হীনা তুমি ঘুমের রাজ্যে জানি দেখছো নতুন মানুষের স্বপ্ন
আমি অন্ধকারে কাঁদছি তোমার অসংখ্য স্মৃতি মনে করে।
তুমি আমার সাথে কথা বলতেনা শেষের কিছু দিন
তোমাকে প্রাণপণ ভালোবাসার এমনই উপহার দিলে।
তুমি চিনলেনা কিছুতেই মানুষের জাত,ধরলেনা মানুষের হাত
তুমি অচেনা কারো লিখিত সর্বনাশ হতে বাসনা রাখো।
আমি তোমাকে ভালোবেসে হাহাকার বুকে ধুকে ধুকে মরছি
তাতে তোমার কিছু আসে যায়না কঠিন সীমার ||শিমুল তুলার মতো কোমল নারী কেন অসংখ্য জীবনে বিভক্ত
অথচ আমি অষ্টপ্রহর তোমাতেই ছিলাম আসক্ত।
ধর্মগ্রন্থের মতো অপরিবর্তিত থাকলো তোমার মুখের কথা
তুমি কিছুতেই থাকলেনা চিরদিনের সঙ্গী হয়ে একজীবনে।
অথচ তোমার সাথে মাথার ভেতর ঘর সংসার সাজিয়ে ছিলাম
স্বপ্নে হতো আমাদের একসাথে সংসার।
তুমি আবেগ অনুভূতি শূন্য,যতোটুকু আবেগ অনুভূতি আছে
তোমার সে আবেগ অনুভূতি অজ্ঞাত কারো জন্য।
জানি এরপর ক্রমাগত গুরুত্ব হারাবে তুমি
পস্তাবে একই রকম,যেভাবে আমি পস্তাচ্ছি এখন ||যে তোমারে ভালোবেসে এলোমেলো উশৃংখল এক জীবনে বাঁচি
সেই তুমি কোন গোপনে কার প্রেমে নাচো রোজ সন্ধ্যায়!
আমি বিরহে কাতর হয়ে মূর্ছা যাই রোজ রাতে অন্ধকারে
হৃদয়হীনা তুমি তার খোঁজ রাখোনি কোনদিন।
কি আমার অযোগ্যতা কি আমার অপরাধ যদি বলতে তুমি
তবু কিছু সান্ত্বণা মিলতো আমার দুঃখের শোকসভায়।
শরীরের মোহ জেনো ঠিক কেটে যায়,থেকে যায় মনের মায়া
এক নির্মোহ জীবনের অন্তঃদহন তুমি বুঝলেইনা।
বহুজন কথোপকথন সাক্ষাত আলিঙ্গনে
আবেগশূন্য বিবেকশূন্য হয়ে গেছে তোমার মন ||ক্ষমা না চাইতেই তোমায় নিঃশর্ত ক্ষমা করে দিয়েছি
শুধু আমি আমাকেই করতে পারছিনা ক্ষমা।
আহা ‘পোড়ামাটির প্রকট পুতুল’ আকাশ জমিন সম
ভালোবাসা উপেক্ষা করে হবে আর কারো প্রিয়তমা।
আমাদের হাজার ঘন্টা কথোপকথনে সত্যিই কি ছিলোনা প্রেম?
হৃদয় ঘটিত এক অনুভূতি নিয়ে কিভাবে খেললে তুমি গেম?
তোমার কি ঈশ্বরে ভয় করেনা,তুমি কি ভয় করোনা মরণে
হৃদয় ভেঙে ভালোবাসা রাধে রাধে সুরে ভেসে কি সুখ পাও?
শত হৃদয়ের ভৎসনা বন্ধনে কেন জড়াও
কেন নিজেকে নিলামে উঠাও নিষিদ্ধ কথোপকথনে ||এরপর কোনো ভোরে অথবা অলস দুপুরে
কিংবা কোনো বিষন্ন সন্ধ্যায়’
জেনো মনে পড়বেই কনকের কোনো কবিতার স্মৃতি।
ততোদিনে হয়তো তুমি জড়িয়ে যাবে ভিন্ন জীবনে
শুধু থেকে যাবো আমি ঐ মনের কোনো গোপনে
থেকে যাবে সন্তপর্ণে অন্তঃপুরে আমার প্রেম প্রীতি।অভিশাপ দেবোনা কোনো কারণেই’
যদিও অতৃপ্ত আত্মা ছাড়বেনা তোমার দাবী ইহকাল পরকালে’
এরপর যা করবেন সব তোমার ঈশ্বরের সম্মতিতে
সেখানে আমার কোনো দায় নেই।
আমার অন্তর ভাঙার আর্তনাদে
তোমার সুখি হওয়া হবে কিনা জানিনা ||Dedication : ShadaPhool
Wed’Day 19, Julay 2023 | Mohammadpur,Dhaka

Kishor Kanok
Lyricists,Tuner,Poet,Recitation Artist,Writter&Singer.
শাসকের পক্ষে তাঁবেদারী করিনা
মানুষের কথা বলি কবিতায়।
সমগ্র জীবনের প্রতিচ্ছবি
কনকের কথা সুরের মূর্ছনায়।
_কিশোর কনক
Friends
Taposh Kumer dey
@taposhkumerdey
শাহরিয়ার।
@shahiar
Md.hazrat belal
@md-hazratbelal
রাইসা আনজুম (পর্শি)
@raisaanjumporshi
মিহির চৌধুরী ইমন
@mihirchowdhuryemon
মোঃ মাহফুজুর রহমান
@nnxnsnmfkfkkgmail-com
জে এস এম অনিক
@00anik
মোঃ আবু সাঈদ বিশ্বাস
@mdabusayeedbiswas
AdabenTatali
@adabentatali
